শুক্রবার, ৩০ জুলাই ,২০২১

Bangla Version
  
SHARE

রবিবার, ০৬ জুন, ২০২১, ০৯:০২:২৫

আমাজন-গুগলকে করের আওতায় আনতে ঐতিহাসিক চুক্তি

আমাজন-গুগলকে করের আওতায় আনতে ঐতিহাসিক চুক্তি

অনলাইন ডেস্ক: গুগল, ফেসবুক, অ্যাপল ও আমাজনের মতো বহুজাতিক কোম্পানিগুলোকে উচ্চ করের আওতায় নিয়ে আসতে একটি ঐতিহাসিক চুক্তিতে সই করেছে যুক্তরাষ্ট্র, ব্রিটেন ও অন্যান্য শীর্ষ অর্থনীতির দেশগুলো।-খবর বিবিসি ও রয়টার্সের

লন্ডনে জি-৭-এর অর্থমন্ত্রীদের দুই দিনের বৈঠক শেষে আজ শনিবার এই ঘোষণা দেওয়া হয়েছে।  এই সিদ্ধান্ত কার্যকর হলে আমাজন ও গুগলের মতো কোম্পানিগুলোও নতুন এই করের আওতায় আসবে। কোম্পানিগুলো যেসব দেশে ব্যবসা করে, সেসব দেশেও যাতে তারা কর দিতে বাধ্য হয়, সেই পথ তৈরির কথাও বলা হয়েছে এই চুক্তিতে।

চলতি সপ্তাহেই খবর প্রকাশ হয়েছে যে আয়ারল্যান্ডে মাইক্রোসফটের একটি সহযোগী প্রতিষ্ঠান গত বছর ৩১৫ বিলিয়ন মুনাফার বিপরীতে কোনো করপোরেট কর দেয়নি। কোম্পানিটিকে বারমুডাভিত্তিক দেখিয়ে কর ফাঁকির সুযোগ তৈরি করা হয়।

জি–৭–এর সদস্যদেশ যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য, ফ্রান্স, জার্মানি, কানাডা, ইতালি ও জাপান এই চুক্তিতে সম্মতি দিয়েছে।

বিবিসির প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, তাদের এই সিদ্ধান্ত কার্যকর হলে এসব দেশের সরকারের হাতে বিলিয়ন বিলিয়ন ডলার আসতে পারে, যা দিয়ে তারা মহামারি মোকাবিলায় ব্যয় সংকুলানের নতুন পথ পাবে।

বেশ কয়েক বছর ধরে আলোচনার পর এই চুক্তিতে মতৈক্যে পৌঁছেছে দেশগুলো। এখন অন্যান্য দেশও যাতে এই পথ অবলম্বন করে, সে জন্য তাদের ওপর চাপ তৈরি হবে। আগামী মাসে জি-২০-এর বৈঠকেই বিষয়টি আলোচনায় উঠবে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

যুক্তরাজ্যের অর্থমন্ত্রী রিশি সুনাক বলেছেন, চুক্তিটি এমনভাবে করা হয়েছে, যাতে বিশ্বজুড়ে ব্যবসা রয়েছে, এমন কোম্পানিগুলোর জন্য ‘লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড’ তৈরি হয়।

রিশি সুনাক বলেন, বৈশ্বিক ট্যাক্স ব্যবস্থা ডিজিটাল বিশ্বের এই যুগের উপযোগী করে তুলতে কয়েক বছরের আলোচনার পর জি–৭ অর্থমন্ত্রীরা একটি ঐতিহাসিক চুক্তিতে পৌঁছেছেন।

বিশ্বজুড়ে ব্যবসায়িক কার্যক্রম চালিয়ে আসা বহুজাতিক কোম্পানিগুলোর ওপর কর আরোপ নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে বিভিন্ন ধরনের চ্যালেঞ্জের মুখে ছিল দেশগুলো।

আমাজন ও ফেসবুকের মতো প্রযুক্তি করপোরেশনগুলোর বিস্তৃতিতে এই চ্যালেঞ্জে আরও বাড়ছিল।

এখন কোম্পানিগুলো যেসব দেশে তুলনামূলক কম করপোরেট কর রয়েছে, সেসব দেশে স্থানীয় শাখা খুলতে পারে এবং সেখানে মুনাফা ঘোষণা করতে পারে। অর্থাৎ, সেখানে তাদের শুধু স্থানীয় হারে কর দিয়ে গেলেই চলে। এমনকি সেখানে উৎপাদিত পণ্য অন্য কোনো দেশে বিক্রি করে এই অর্থ এলেও তারা তা করতে পারে। বৈধভাবেই কোম্পানিগুলো এই সুবিধা নিচ্ছে।

চুক্তিতে দুইভাবে এটা বন্ধ করার লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে। প্রথমত, জি-৭ চাইছে সারা বিশ্বে এসব কোম্পানির জন্য একটি ন্যূনতম করহার নির্ধারণ করা হোক। দ্বিতীয়ত, কোম্পানিগুলো যেসব দেশে তাদের পণ্য বা সেবা বিক্রি করবে, সেসব দেশে তাদের কর দিতে হবে।

এই বিভাগের আরও খবর

  ভয়াবহ যুদ্ধের হুমকির পর এবার হিজবুল্লাহ প্রতিরোধে নতুন বাহিনী গঠন ইসরায়েলের

  ক্রমেই চীনের প্রভাব বৃদ্ধি, ভারতে এসে যে প্রতিশ্রুতি দিলেন আমেরিকার পররাষ্ট্রমন্ত্রী

  টুইটার ফলোয়ারে রাজনীতিবিদদের মধ্যে সবার ওপরে নরেন্দ্র মোদী

  সোনিয়া-মমতা বৈঠক,২০২৪ সালের লোকসভা নির্বাচন হবে মোদি বনাম দেশ-পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা ব্যানার্জি

  পারমাণবিক বোমার মজুদ বাড়াচ্ছে চীন, সতর্ক যুক্তরাষ্ট্র

  ভারী বর্ষণ-ভূমিধসে মহারাষ্ট্রে প্রাণহানি বেড়ে ১৯২

  আমেরিকাকে কড়া বার্তা চীনের

  পাকিস্তানের কাছে আশ্রয় চেয়ে আবেদন আফগান সেনাদের

  কর্নাটকের মুখ্যমন্ত্রী ইয়েদুরাপ্পার পদত্যাগ

  তালেবানদের ওপর বিমান হামলা চালিয়ে যাওয়ার ঘোষণা আমেরিকার

  পৃথিবীর বাইরে ভ্রমণে মেতে উঠেছেন ধনীরা,খরচ ২ কোটি ১২ লাখ

আজকের প্রশ্ন

বিএনপি নেতা ব্যারিস্টার মাহবুব উদ্দিন খোকন বলেছেন, পুলিশের ওপর নির্বাচন কমিশনের কোনো নিয়ন্ত্রণ নেই। আপনিও কি তা-ই মনে করেন?