রবিবার, ২৫ জুলাই ,২০২১

Bangla Version
  
SHARE

রবিবার, ২৩ মে, ২০২১, ০৯:৪৭:০২

ছেলের সামনে বাবাকে হত্যা: আরেক আসামি ‘বন্দুকযুদ্ধে’ নিহত

ছেলের সামনে বাবাকে হত্যা: আরেক আসামি ‘বন্দুকযুদ্ধে’ নিহত

ঢাকা: রাজধানীর পল্লবীতে সন্তানের সামনে সাহিন উদ্দিন (৩৩) নামে এক ব্যক্তিকে কুপিয়ে হত্যার ঘটনায় করা মামলার ৬ নম্বর আসামি মনির পুলিশের সঙ্গে কথিত বন্দুকযুদ্ধে নিহত হয়েছেন।

পল্লবীর সাগুফতা হাউজিং এলাকায় গতকাল শনিবার দিবাগত রাতে এ ঘটনা ঘটে।

পল্লবী থানার উপপরিদর্শক (এসআই) নাসিরউদ্দিন শনিবার দিবাগত রাত ৩টার দিকে গণমাধ্যমকে এ তথ্য জানান।

নাসিরউদ্দিন বলেন, শনিবার আমরা টহল ডিউটিতে ছিলাম। দিবাগত রাত পৌনে ২টার দিকে খবর পাই, সাগুফতা হাউজিংয়ের ভেতর একজন (মনির) পড়ে আছেন। পরে আমরা তাকে উদ্ধার করে রাজধানীর সোহরাওয়ার্দী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসক মনিরকে মৃত ঘোষণা করেন।

এসআই আরও বলেন, আমরা শুনেছি, গোয়েন্দা পুলিশ ওই এলাকায় গেলে আসামিরা পুলিশকে লক্ষ করে গুলি ছোড়ে। প্রতিরোধ করতে পুলিশও পাল্টা গুলি ছোড়ে। এতে মনির গুলিবিদ্ধ হন। পরে হাসপাতালে নিলে চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

এর আগে গত বৃহস্পতিবার দিবাগত রাতে মামলার এজাহারভুক্ত ৫ নম্বর আসামি মো. মানিক র‍্যাবের সঙ্গে কথিত বন্দুকযুদ্ধে নিহত হয়েছিলেন।

গত ১৬ মে বিকেলে জমির বিরোধের মীমাংসার কথা বলে সাহিন উদ্দিনকে পল্লবী থানার ডি-ব্লকের একটি গ্যারেজের ভেতর নিয়ে ধারালো অস্ত্র দিয়ে এলোপাতাড়ি কুপিয়ে হত্যা করা হয়। প্রকাশ্য দিবালোকে এ হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় ভুক্তভোগীর মা আকলিমা বেগমের অভিযোগের প্রেক্ষিতে গত ১৭ মে পল্লবী থানায় হত্যা মামলা হয়।

সাহিন হত্যা মামলার প্রধান আসামি লক্ষ্মীপুর-১ আসনের সাবেক সাংসদ ও ইসলামী গণতান্ত্রিক পার্টির চেয়ারম্যান এম এ আউয়াল। অন্য আসামিরা হলেন ছাত্রলীগের সাবেক নেতা সুমন, মো. আবু তাহের, মুরাদ, মানিক, মনির, শফিক, টিটু, কামরুল, কিবরিয়া, দিপু, আবদুর রাজ্জাক, মরন আলী, লিটন, আবুল, বাইট্যা বাবু, বড় শফিক, কালু ওরফে কালা বাবু, নাটা সুমন ও ইয়াবা বাবু। আসামিরা সবাই পল্লবী থানাধীন বিভিন্ন এলাকার বাসিন্দা।

মামলার এজাহারে বলা হয়, গত ১৬ মে বিকেল ৪টার দিকে সুমন ও টিটু নামের দুই যুবক সাহিন উদ্দিনকে জমির বিরোধ মেটানোর কথা বলে ফোন করে ডেকে নেন। সাহিন মোটরসাইকেলে পল্লবীর ডি-ব্লকের ৩১ নম্বর সড়কের ৪০ নম্বর বাসার সামনে পৌঁছালে সুমন ও টিটুসহ ১৪ থেকে ১৫ জন মিলে তাকে টেনে-হিঁচড়ে ওই বাড়ির গ্যারেজে নিয়ে যান। এ সময় সাহিনের সাত বছরের ছেলে মাশরাফি গেটের বাইরে ছিল। গ্যারেজে ঢুকিয়ে সাহিনকে চাপাতি, চাইনিজ কুড়াল, রামদা দিয়ে এলোপাতাড়ি কোপাতে থাকেন তাঁরা। এরপর তাঁকে ওই বাড়ি থেকে বের করে ৩৬ নম্বর বাড়ির সামনে ফের কুপিয়ে ফেলে রেখে চলে যান তাঁরা। এ সময় ঘটনাস্থলেই সাহিনের মৃত্যু হয়।

এই বিভাগের আরও খবর

  করোনা মহামারীর এক বছরে কোটিপতি বেড়েছে ১১ হাজার ৬৪৭ জন

  ২৮ জুলাই শুরু জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি আবেদন

  ‘অক্সিজেনের অভাবে কত কষ্টে মানুষ মারা যেতে পারে, সামনে না দেখলে বিশ্বাস করা কঠিন’

  ২২ জেলায় করোনা আক্রান্ত ও উপসর্গে ১৪৪ জনের মৃত্যু

  ‘লীগ শব্দ জুড়ে দিয়েই আওয়ামী লীগের সঙ্গে সম্পৃক্তের সুযোগ নেই’

  করোনায় গত ২৪ ঘণ্টায় ২০০ জনের মৃত্যু ১১৫৭৯ জন আক্রান্ত

  কসাইয়ের ছদ্মবেশে ছিনতাই, পুলিশের হাতে ধরা

  আগামী দুইদিন ভারি বৃষ্টিপাতের সম্ভাবনা

  ২৬ জেলায় করোনা আক্রান্ত ও উপসর্গ নিয়ে মৃত্যু ১৬৪

  পড়ে গেছে দাম, গরু নিয়ে বাড়ি ফিরছেন বেপারীরা

  ‘বঙ্গবন্ধুর সমর দর্শন ও সশস্ত্র বাহিনী’ বইয়ের মোড়ক উন্মোচন



আজকের প্রশ্ন