বুধবার, ২৭ অক্টোবর ,২০২১

Bangla Version
  
SHARE

শনিবার, ২৫ সেপ্টেম্বর, ২০২১, ০৫:৪৩:২১

মাসিকের সমস্যায় ইতিবাচক থাকুন

মাসিকের সমস্যায় ইতিবাচক থাকুন

ডা. ফরিদা ইয়াসমিন সুমি:- মাসিক শুরুর প্রথম কয়েক বছর বেশির ভাগ নারীই কয়েক দিন কিছুটা শারীরিক ও মানসিক অস্বস্তিতে ভোগেন। এর উপসর্গ হতে পারে বিভিন্ন ধরনের। ক্লান্তিবোধ, অবসাদ, মানসিক অস্থিরতা, কাজকর্মে ও চিন্তাভাবনায় ঠিকমতো মনোযোগী হতে না পারা ইত্যাদি। এ ছাড়া কোমরে বা তলপেটে এবং স্তনে ভারীবোধ, সামান্য ব্যথা অনুভব, কোষ্ঠকাঠিন্য এসব উপসর্গও থাকতে পারে। তবে এই উপসর্গগুলো কোন নারীর জন্য কতটা কষ্টকর হবে, তাঁর স্বাভাবিক কাজকর্মে কতটা ব্যাঘাত ঘটাবে, তা নির্ভর করে কয়েকটি বিষয়ের ওপর। সেগুলো হলো: কতটা সহজভাবে তিনি নারীজীবনের এ স্বাভাবিক ব্যাপারগুলো মেনে নিতে পারছেন। ঋতুস্রাব সম্পর্কে ওই নারীর ধারণা কতটা স্বচ্ছ, দৃষ্টিভঙ্গি কতটা সহজ ও সঠিক। তাঁর মানসিক গঠন কেমন। মানসিক শক্তি বেশি হলে, দৃষ্টিভঙ্গি সহজ, সঠিক ও স্বচ্ছ হলে, উপসর্গগুলো বিরক্ত করবে কম। দুর্বল মনের হলে, ধারণায় ভ্রান্তি থাকলে, ভোগান্তি হবে বেশি। মাসিকের ব্যথা মাসিক শুরু হওয়ার প্রথম দুই-চার বছর এ রকম ব্যথা খুব কম হয়। কারণ, এ সময় বেশির ভাগ ঋতুচক্রে ডিম্বাণু নিঃসরণ বা ওভিউলেশন হয় না। ১৮ থেকে ২১ বছরের নারীরা মাসিক শুরু হওয়ার সময় থেকে মাসিকের দুই-তিন দিন এ রকম ব্যথায় ভোগেন। কখনো কখনো ব্যথা শুরু হয় স্রাব শুরু হওয়ার আগে থেকে। এ ব্যথা সাধারণত তলপেটে, কোমরে, পিঠে ও পায়ে হয়ে থাকে। ব্যথা হতে পারে বেশি বয়সেও। কম বয়সের বেশির ভাগ নারীর এ ধরনের ব্যথার তীব্রতা সহ্যসীমার মধ্যে থাকে। এক শতে মাত্র একজন নারীর ক্ষেত্রে এ ব্যথার তীব্রতা বেশি হয়ে থাকে। সঙ্গে বমি বা জ্ঞান হারানোর মতো উপসর্গও থাকতে পারে। কী করা উচিত ঋতুচক্রের শারীরবৃত্তীয় ব্যাপারটি সম্পর্কে একটি স্বচ্ছ ধারণা গড়ে তুলতে হবে। এ-সম্পর্কিত ভুল ধারণাগুলো মন থেকে দূর করতে হবে এবং বিজ্ঞানসম্মত দৃষ্টিভঙ্গি গড়ে তুলতে হবে। মাসিকের ব্যথা নিয়ে ভয়ংকর সব গালগপ্প থেকে বের হয়ে আসতে হবে। স্কুল-কলেজে যাওয়া, বাইরে বেরোনো, কাজকর্ম, হাঁটাচলা, হালকা ব্যায়াম সবকিছুই চলবে অন্যদিনগুলোর মতোই। এগুলো বন্ধ করার প্রয়োজন নেই। ব্যথা তীব্র হলে এবং সঙ্গে অন্যান্য কষ্টকর উপসর্গ থাকলে চিকিৎসকের পরামর্শে ওষুধ খেতে হবে। এ সময়ের যেকোনো সমস্যায় কাছের মানুষ বা চিকিৎসককে আন্তরিক থাকতে হবে। লেখক: সহকারী অধ্যাপক, প্রসূতি ও স্ত্রীরোগ বিশেষজ্ঞ, চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

আজকের প্রশ্ন

বিএনপি নেতা ব্যারিস্টার মাহবুব উদ্দিন খোকন বলেছেন, পুলিশের ওপর নির্বাচন কমিশনের কোনো নিয়ন্ত্রণ নেই। আপনিও কি তা-ই মনে করেন?