<?xml version="1.0" encoding="UTF-8"?><rss version="2.0"
	xmlns:content="http://purl.org/rss/1.0/modules/content/"
	xmlns:wfw="http://wellformedweb.org/CommentAPI/"
	xmlns:dc="http://purl.org/dc/elements/1.1/"
	xmlns:atom="http://www.w3.org/2005/Atom"
	xmlns:sy="http://purl.org/rss/1.0/modules/syndication/"
	xmlns:slash="http://purl.org/rss/1.0/modules/slash/"
	>

<channel>
	<title>chtnews24.com</title>
	<atom:link href="https://chtnews24.com/feed/" rel="self" type="application/rss+xml" />
	<link>https://chtnews24.com</link>
	<description></description>
	<lastBuildDate>Sun, 06 Sep 2026 03:17:38 +0000</lastBuildDate>
	<language>en-US</language>
	<sy:updatePeriod>
	hourly	</sy:updatePeriod>
	<sy:updateFrequency>
	1	</sy:updateFrequency>
	<generator>https://wordpress.org/?v=7.1</generator>
	<item>
		<title>বান্দরবানের থানচিতে ঝুলছে নাগরিক সেবা চার্টার তবে সেবা নেই ২৯ বছর</title>
		<link>https://chtnews24.com/2026/09/06/%e0%a6%ac%e0%a6%be%e0%a6%a8%e0%a7%8d%e0%a6%a6%e0%a6%b0%e0%a6%ac%e0%a6%be%e0%a6%a8%e0%a7%87%e0%a6%b0-%e0%a6%a5%e0%a6%be%e0%a6%a8%e0%a6%9a%e0%a6%bf%e0%a6%a4%e0%a7%87-%e0%a6%9d%e0%a7%81%e0%a6%b2%e0%a6%9b/</link>
					<comments>https://chtnews24.com/2026/09/06/%e0%a6%ac%e0%a6%be%e0%a6%a8%e0%a7%8d%e0%a6%a6%e0%a6%b0%e0%a6%ac%e0%a6%be%e0%a6%a8%e0%a7%87%e0%a6%b0-%e0%a6%a5%e0%a6%be%e0%a6%a8%e0%a6%9a%e0%a6%bf%e0%a6%a4%e0%a7%87-%e0%a6%9d%e0%a7%81%e0%a6%b2%e0%a6%9b/#respond</comments>
		
		<dc:creator><![CDATA[adminchtnews24]]></dc:creator>
		<pubDate>Sun, 06 Sep 2026 03:17:38 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[first lead]]></category>
		<category><![CDATA[বান্দরবান]]></category>
		<category><![CDATA[রকমারি]]></category>
		<category><![CDATA[শিরোনাম]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://chtnews24.com/?p=38099</guid>

					<description><![CDATA[বান্দরবান:- একজন সহকারী কর্মকর্তা দিয়েই ২৯ বছর ধরে চলছে বান্দরবানের থানচি উপজেলা যুব উন্নয়ন অধিদপ্তরের কার্যক্রম। কার্যালয়ের দেয়ালে ঝুলছে দৃষ্টিনন্দন নাগরিক সেবা চার্টার। তবে চার্টারে উল্লেখিত অধিকাংশ সেবা থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন দুর্গম এলাকার তরুণ-তরুণীরা। তীব্র জনবল সংকটে দীর্ঘদিন ধরে একজন কর্মকর্তা দিয়েই চলছে গুরুত্বপূর্ণ এই সরকারি দপ্তরের দাপ্তরিক ও মাঠপর্যায়ের কার্যক্রম। ফলে প্রত্যন্ত অঞ্চলের বেকার [&#8230;]]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[<p>বান্দরবান:- একজন সহকারী কর্মকর্তা দিয়েই ২৯ বছর ধরে চলছে বান্দরবানের থানচি উপজেলা যুব উন্নয়ন অধিদপ্তরের কার্যক্রম। কার্যালয়ের দেয়ালে ঝুলছে দৃষ্টিনন্দন নাগরিক সেবা চার্টার। তবে চার্টারে উল্লেখিত অধিকাংশ সেবা থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন দুর্গম এলাকার তরুণ-তরুণীরা।</p>
<p>তীব্র জনবল সংকটে দীর্ঘদিন ধরে একজন কর্মকর্তা দিয়েই চলছে গুরুত্বপূর্ণ এই সরকারি দপ্তরের দাপ্তরিক ও মাঠপর্যায়ের কার্যক্রম। ফলে প্রত্যন্ত অঞ্চলের বেকার যুবকদের প্রশিক্ষণ, আত্মকর্মসংস্থান ও দক্ষতা উন্নয়নের সুযোগ অনেকটাই সীমিত হয়ে পড়েছে।</p>
<p>উপজেলা যুব উন্নয়ন কার্যালয় সূত্রে জানা গেছে, দপ্তরটিতে কর্মকর্তা-কর্মচারীর অনুমোদিত পদ রয়েছে মোট সাতটি।</p>
<p>এর মধ্যে যুব উন্নয়ন কর্মকর্তা ১টি, তাও অতিরিক্ত দায়িত্বে। অফিস সহকারী কর্মকর্তা ৩ জনের মধ্যে ২ জন শূন্য, সুপারভাইজারসহ কর্মচারী ৩ জন সবই শূন্য। ১৯৯৭ সালে কার্যালয়টি প্রতিষ্ঠার পর থেকে এখন পর্যন্ত প্রয়োজনীয় জনবল পূর্ণাঙ্গভাবে নিয়োগ দেওয়া হয়নি।</p>
<p>বর্তমানে সহকারী যুব উন্নয়ন কর্মকর্তা মো. গোলাম ফারুক একাই দাপ্তরিক ও মাঠপর্যায়ের বিভিন্ন কার্যক্রম পরিচালনা করছেন। গত ৩১ আগস্ট উপজেলা মাসিক সমন্বয় সভায় পরিচয় পর্বে জানা যায়, আলীকদম উপজেলা যুব উন্নয়ন কর্মকর্তা রেজাউল রহমানকে থানচি কার্যালয়ের অতিরিক্ত দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। তবে ভৌগোলিক দূরত্ব ও দুর্গমতার কারণে তিনি নিয়মিত থানচি কার্যালয়ে উপস্থিত থাকতে পারেন না বলে জানিয়েছেন সেবাগ্রহীতারা।</p>
<p>গত ২ সেপ্টেম্বর দুপুরে সরেজমিনে দেখা যায়, একজন সহকারী উপজেলা যুব উন্নয়ন কর্মকর্তা মো. গোলাম ফারুক ২০২০ সাল থেকে ৬ বছর যাবৎ একা চালিয়ে আসছেন বলে দাবি করেন। তবে কার্যালয়ের দেয়ালে ঝুলছে নাগরিক সেবা চার্টার। সেখানে ১৮ থেকে ৩৫ বছর বয়সী যুবক-যুবতীদের কারিগরি ও দক্ষতা উন্নয়ন প্রশিক্ষণ, আত্মকর্মসংস্থান সৃষ্টি এবং সহজ শর্তে ঋণ দেওয়ার কথা উল্লেখ রয়েছে। তবে বাস্তবে এসব সেবা পাওয়ার ক্ষেত্রে নানা সীমাবদ্ধতার অভিযোগ রয়েছে।</p>
<p>স্থানীয় তরুণ-তরুণীদের অভিযোগ, প্রশিক্ষণের সুযোগ অত্যন্ত সীমিত। পাশাপাশি ঋণের জন্য আবেদন করতে গেলে জনবল সংকটের কারণে কার্যক্রম এগিয়ে নিতে নানা সমস্যার মুখে পড়তে হয়।</p>
<p>দুর্গম বড় মদক এলাকার বাসিন্দা ও সদ্য মাস্টার্স শেষ করা উশৈসিং মারমা বলেন, “দুর্গম এলাকা থেকে দীর্ঘ পথ পাড়ি দিয়ে অফিসে এসে অনেক সময় দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তাকে পাওয়া যায় না। চার্টারে সুন্দর সুন্দর সেবার কথা লেখা থাকলেও বাস্তবে আমরা কাঙ্ক্ষিত সেবা পাচ্ছি না। দ্রুত জনবল নিয়োগ দেওয়া না হলে পাহাড়ের বেকার যুবকদের মধ্যে হতাশা বাড়তে পারে।”</p>
<p>স্থানীয় তরুণী দিপিকা ত্রিপুরা বলেন, “যুব উন্নয়ন অধিদপ্তর থেকে প্রশিক্ষণ নিয়ে নিজে কিছু করার ইচ্ছা ছিল। কিন্তু অফিসে এসে মাত্র একজন কর্মকর্তাকে পাওয়া যায়। তিনি দাপ্তরিক কাজের চাপ সামলাতেই হিমশিম খাচ্ছেন। প্রশিক্ষণ বা ঋণের বিষয়ে কাঙ্ক্ষিত সহযোগিতা পাওয়া কঠিন। শুধু চার্টার ঝুলিয়ে রাখলে হবে না, বাস্তবে এর সেবা নিশ্চিত করতে হবে।”</p>
<p>সহকারী যুব উন্নয়ন কর্মকর্তা মো. গোলাম ফারুক বলেন, “আমি একা হলেও যতটুকু সম্ভব কার্যক্রম পরিচালনা করছি। তবে দপ্তরের বিভিন্ন কার্যক্রম ও পরিসংখ্যান সম্পর্কে তথ্য অধিকার আইনের আবেদন গ্রহণ ও তথ্য দেওয়ার ক্ষেত্রে না দেওয়ার জন্য ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের নির্দেশনা রয়েছে। প্রয়োজনীয় তথ্য আলীকদম উপজেলা যুব উন্নয়ন কর্মকর্তার কাছ থেকে নেওয়া যেতে পারে।</p>
<p>এ বিষয়ে মুঠোফোনে যোগাযোগ করা হলে থানচি উপজেলা যুব উন্নয়ন কার্যালয়ের অতিরিক্ত দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ও আলীকদম উপজেলা যুব উন্নয়ন কর্মকর্তা রেজাউল রহমান বলেন, আমি আলীকদমে যোগদান করেছি মাত্র দুই মাস হয়েছে। থানচি উপজেলা অতিরিক্ত দায়িত্ব পেয়েছি মাত্র তিন দিন হলো। আমাদের কার্যালয়ের সকল তথ্য আপনাদের (সাংবাদিকদের) না দেওয়ার জন্য নিষেধাজ্ঞা নেই। আলীকদমের এনজিও একটা মিটিং ছিল সেখানে সময় দিয়েছিলাম, আমি যুব ঋণ বিক্রির জন্য আগামী ১০ হতে ১৫ সেপ্টেম্বর আসব, তখন সাংবাদিকদের সাথে পরিচয় হবে এবং তথ্য দেবো।”</p>
<p>স্থানীয় সচেতন মহল ও ভুক্তভোগী যুবকদের দাবি, শুধু দেয়ালে নাগরিক সেবা চার্টার ঝুলিয়ে রাখলেই হবে না; চার্টারে উল্লেখিত সেবাগুলোর বাস্তবায়ন নিশ্চিত করতে হবে। থানচির মতো পাহাড়ি ও দুর্গম এলাকার যুবসমাজকে স্বাবলম্বী করতে দ্রুত শূন্য পদগুলোতে কর্মকর্তা-কর্মচারী নিয়োগ, নিষ্ক্রিয় যুব ক্লাবগুলো সচল এবং প্রশিক্ষণ ও ঋণ কার্যক্রম জোরদার করতে মাননীয় পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী রাজপুত্র সাচিংপ্রু জেরী এবং সরকারের ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের জরুরি হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।History</p>
]]></content:encoded>
					
					<wfw:commentRss>https://chtnews24.com/2026/09/06/%e0%a6%ac%e0%a6%be%e0%a6%a8%e0%a7%8d%e0%a6%a6%e0%a6%b0%e0%a6%ac%e0%a6%be%e0%a6%a8%e0%a7%87%e0%a6%b0-%e0%a6%a5%e0%a6%be%e0%a6%a8%e0%a6%9a%e0%a6%bf%e0%a6%a4%e0%a7%87-%e0%a6%9d%e0%a7%81%e0%a6%b2%e0%a6%9b/feed/</wfw:commentRss>
			<slash:comments>0</slash:comments>
		
		
			</item>
		<item>
		<title>লংমার্চে বিরোধী দলের ‘কঠোর বার্তা’, কীভাবে দেখছে সরকারি দল</title>
		<link>https://chtnews24.com/2026/09/06/%e0%a6%b2%e0%a6%82%e0%a6%ae%e0%a6%be%e0%a6%b0%e0%a7%8d%e0%a6%9a%e0%a7%87-%e0%a6%ac%e0%a6%bf%e0%a6%b0%e0%a7%8b%e0%a6%a7%e0%a7%80-%e0%a6%a6%e0%a6%b2%e0%a7%87%e0%a6%b0-%e0%a6%95%e0%a6%a0/</link>
					<comments>https://chtnews24.com/2026/09/06/%e0%a6%b2%e0%a6%82%e0%a6%ae%e0%a6%be%e0%a6%b0%e0%a7%8d%e0%a6%9a%e0%a7%87-%e0%a6%ac%e0%a6%bf%e0%a6%b0%e0%a7%8b%e0%a6%a7%e0%a7%80-%e0%a6%a6%e0%a6%b2%e0%a7%87%e0%a6%b0-%e0%a6%95%e0%a6%a0/#respond</comments>
		
		<dc:creator><![CDATA[adminchtnews24]]></dc:creator>
		<pubDate>Sun, 06 Sep 2026 03:11:55 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[Second lead]]></category>
		<category><![CDATA[রাজনীতি]]></category>
		<category><![CDATA[শিরোনাম]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://chtnews24.com/?p=38096</guid>

					<description><![CDATA[ডেস্ক রির্পোট:- ছয় দফা দাবি আদায়ে ঢাকা-চট্টগ্রাম লংমার্চ থেকে সরকারকে কঠোর বার্তা দিয়েছে জামায়াতের নেতৃত্বাধীন ১১ দলীয় ঐক্য। দাবি পূরণ না হলে সরকার পতনের এক দফা আন্দোলনে যাওয়ার হুঁশিয়ারির বিপরীতে ক্ষমতাসীন বিএনপি বলছে, আন্দোলনের অধিকার থাকলেও এসব দাবি আলোচনার মাধ্যমেই সমাধান করা সম্ভব। প্রথম দিনের লংমার্চে বক্তব্য দেন বিরোধী দলীয় নেতা ও জামায়াতের আমির ডা. [&#8230;]]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[<p>ডেস্ক রির্পোট:- ছয় দফা দাবি আদায়ে ঢাকা-চট্টগ্রাম লংমার্চ থেকে সরকারকে কঠোর বার্তা দিয়েছে জামায়াতের নেতৃত্বাধীন ১১ দলীয় ঐক্য। দাবি পূরণ না হলে সরকার পতনের এক দফা আন্দোলনে যাওয়ার হুঁশিয়ারির বিপরীতে ক্ষমতাসীন বিএনপি বলছে, আন্দোলনের অধিকার থাকলেও এসব দাবি আলোচনার মাধ্যমেই সমাধান করা সম্ভব।</p>
<p>প্রথম দিনের লংমার্চে বক্তব্য দেন বিরোধী দলীয় নেতা ও জামায়াতের আমির ডা. শফিকুর রহমান এবং আন্দোলনরত মিত্র দলগুলোর শীর্ষ নেতারা। কুমিল্লায় জামায়াতের আমির জনগণকে উদ্দেশ করে বলেন, আগামীতে গুড় ও চিড়া-মুড়ি নিয়ে ঢাকামুখী লংমার্চের প্রস্তুতি নিতে হবে। অন্যদিকে নারায়ণগঞ্জে তাদের অন্যতম মিত্র জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আহ্বায়ক ও বিরোধী দলীয় চিফ হুইপ নাহিদ ইসলাম বলেন, লংমার্চে বাধা দিলে ছয় দফা দাবি থেকে সরকার পতনের এক দফার দিকে যেতে বাধ্য হবেন তারা।</p>
<p>সরকারের মাত্র ছয় মাসের মাথায় এ ধরনের কর্মসূচির পেছনে কী কারণ থাকতে পারে, আন্দোলনের এ সময়ে যৌক্তিকতা কতটা এবং এসব দাবি আলোচনার মাধ্যমে সমাধান করা যেতো কি না; এসব প্রশ্ন সামনে এসেছে। একই সঙ্গে বিরোধী দল সত্যিই কঠোর আন্দোলনের দিকে যাবে, নাকি হুমকি দিয়ে নিজেদের অবস্থান জানান দিতে চাইছে, তা নিয়েও আলোচনা চলছে।</p>
<p>অনেকে মনে করেন, বিরোধী দলের এ কর্মসূচিকে ‘লংমার্চ’ না বলে ‘রোড মার্চ’ বলা উচিত। কারণ এতে কিছু গাড়ি ও নিজস্ব নেতাকর্মী ছাড়া সাধারণ মানুষের তেমন সম্পৃক্ততা নেই। বিশেষ করে সাবেক মিত্র হিসেবে বিএনপি ও জামায়াত ভিন্ন কোনও কৌশল অবলম্বন করছে কি না, তা নিয়েও প্রশ্ন উঠেছে। অপরদিকে ক্ষমতাসীন দল বিএনপি এ বিষয়টিকে কীভাবে পর্যবেক্ষণ করছে, তা নিয়েও প্রশ্ন করছেন রাজনীতিবিদ ও বিশ্লেষকরা।</p>
<p>অবশ্য বিরোধী দল মনে করছে, যথেষ্ট সময় দেওয়া হলেও সরকার দাবি পূরণে উদ্যোগ না নিয়ে দায়িত্বহীনতার পরিচয় দিয়েছে। অপরদিকে ক্ষমতাসীন দলের নেতাদের দাবি, যৌক্তিক দাবি মেনে নিতে তাদের আপত্তি ছিল না। সংসদেও আলোচনার পথ উন্মুক্ত ছিল। কিন্তু বিরোধী দল এখনই কেন এতটা অতিউৎসাহী আচরণ করছে, তা বোধগম্য নয়।</p>
<p>এ বিষয়ে জানতে চাইলে বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টির (সিপিবি) সাবেক সাধারণ সম্পাদক ও রাজনীতি বিশ্লেষক রুহিন হোসেন প্রিন্স বলেন, সরকারি দল আর সংসদের বিরোধী দলের মধ্যে অর্থনৈতিক নীতিগত কোনও পার্থক্য নেই। তাই দেশের মানুষ মনে করে, এসব হুমকি ক্ষমতার ভাগাভাগির জন্য। এখানে সাধারণ মানুষের কোনও স্বার্থ নেই।</p>
<p>তিনি বলেন, ‘লংমার্চের নামে যেটা দেখলাম, সেটা তো গাড়ি মার্চ আর পিকনিক মুড।’ তবে তিনি এও মনে করেন, সরকারের প্রধান দায়িত্ব মানুষকে স্বস্তি দেওয়া। এ ক্ষেত্রে তাদের ব্যর্থতা স্বীকার করে সমস্যা সমাধানে কার্যকর উদ্যোগ নিতে হবে। অর্থনীতিসহ সর্বক্ষেত্রে সুশাসন নিশ্চিত করতে ব্যবস্থা নিতে হবে। এ কাজে ব্যর্থ হলে জনগণ ফুঁসে উঠবে। ইতিহাসের এই শিক্ষা নিয়ে সরকারকে দায়িত্বশীল হওয়ার পরামর্শ দেন এই বাম নেতা।</p>
<p>আন্দোলনের রূপরেখা ও ছয় দফায় কী আছে?</p>
<p>ছয় দফা দাবি বাস্তবায়নে গত ৬ আগস্ট রাজধানীর মুক্তাঙ্গনে ১১ দলীয় ঐক্যের অবস্থান কর্মসূচি থেকে সেপ্টেম্বর থেকে নভেম্বর পর্যন্ত ঢাকা থেকে চারটি বিভাগীয় শহরে ‘লংমার্চ’ ও মহাসমাবেশ কর্মসূচি ঘোষণা করেন বিরোধী দলীয় নেতা জামায়াতের ডা. শফিকুর রহমান।</p>
<p>ঘোষিত কর্মসূচি অনুযায়ী, ৫ সেপ্টেম্বর ঢাকা-চট্টগ্রাম অভিমুখে লংমার্চ পালন করা হয়। এর মধ্যে নারায়ণগঞ্জের কাঁচপুর ব্রিজসংলগ্ন ট্রাকস্ট্যান্ড, কুমিল্লার পদুয়া বাজার বিশ্বরোড, ফেনীর মহীপাল ও চট্টগ্রামের মীরসরাইয়ে পথসভায় বক্তব্য রাখেন নেতারা। সর্বশেষ চট্টগ্রামের লালদিঘি ময়দানে জনসভা অনুষ্ঠিত হয়।</p>
<p>ঘোষিত কর্মসূচি অনুযায়ী, ১৯ সেপ্টেম্বর ঢাকা থেকে রংপুর, ১০ অক্টোবর ঢাকা থেকে খুলনা এবং ২৪ অক্টোবর ঢাকা থেকে সিলেটে (রেলপথে) লংমার্চ শেষে ১৪ নভেম্বর ঢাকায় মহাসমাবেশ করার কথা রয়েছে।</p>
<p>ছয় দফা দাবি হলো—গণভোটের রায় বাস্তবায়ন, জুলাই গণহত্যার বিচার, বিদ্যুৎ, তেল, গ্যাস ও সার সংকট নিরসন, নিত্যপণ্যের মূল্য ঊর্ধ্বগতি রোধে চাঁদাবাজি ও দুর্নীতি বন্ধ, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির উন্নয়ন এবং সংকীর্ণ দলীয়করণ বন্ধ করা।</p>
<p>কেউ ডাকলেই কি জনগণ রাস্তায় নেমে আসবে?</p>
<p>নিজেদের ছয় দফা দাবি আদায় না হলে লংমার্চ থেকে সরকার পতনের এক দফা আন্দোলনের হুমকি দিয়েছেন বিরোধী দলের নেতারা। শনিবার (৫ সেপ্টেম্বর) কুমিল্লার পথসভায় জনগণকে উদ্দেশ করে বিরোধী দলীয় নেতা ও জামায়াতের আমির ডা. শফিকুর রহমান বলেন, এরপর ঢাকায় লংমার্চ হবে। গুড় আর চিড়া-মুড়ি নিয়ে ঢাকায় আসতে হবে।</p>
<p>‘দাবি আদায় করে ছাড়বোই’—একই দিন ফেনীতে তিনি বলেন, ‘আমরা এই সরকারকে খানিকটা সময় দিচ্ছি, কিন্তু তা দীর্ঘ হবে না। আপনারা প্রস্তুত থাকুন, চূড়ান্ত ডাক যখন আসবে তখন জীবন বাজি রেখে আপনাদের এবং আমাদের সবাইকে রাস্তায় বের হতে হবে।’</p>
<p>নারায়ণগঞ্জের পথসভায় ১১ দলের অন্যতম শরিক জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আহ্বায়ক ও বিরোধী দলীয় চিফ হুইপ নাহিদ ইসলাম বলেন, ছয় দফা দাবি না মানলে সরকার পতনের এক দফা কর্মসূচির দিকে যাবেন তারা।</p>
<p>সরকারের মাত্র ছয় মাসের মাথায় বিরোধী দলের শীর্ষ নেতারা এতটা তীর্যক বক্তব্য কিসের ভিত্তিতে দিচ্ছেন, দেশের বাস্তব পরিস্থিতি আসলে কী—এসব প্রশ্নও সামনে আসছে। এই সময়ে কেউ ডাকলেই জনগণ রাস্তায় নেমে আসবে কি না, নেতাদের এমন ঘোষণাকে বিরোধী দল কীভাবে দেখছে—এ নিয়েও আলোচনা রয়েছে।</p>
<p>এ বিষয়ে জানতে চাইলে নাগরিক ঐক্যের আহ্বায়ক ও রাজনীতি বিশ্লেষক মাহমুদুর রহমান মান্না বলেন, বিরোধী দল আন্দোলন করতেই পারে। কেউ তাদের দুটি দাবির সঙ্গে একমত হতে পারে, আবার কেউ তিনটি দাবিকে যৌক্তিক মনে করতে পারে। তাদের উচিত ধীরে ধীরে এগিয়ে যাওয়া।</p>
<p>তিনি বলেন, ‘তবে মুহূর্তে বিরোধী দলীয় নেতারা চিড়া-মুড়ি বা গুড় নিয়ে প্রস্তুত থাকা বা সরকার পতনের বিষয়ে যা বলছেন, আমার দৃষ্টিতে এগুলো প্রিম্যাচিউর কথাবার্তা। জনগণ এখনই সরকারের পতনের জন্য মাঠে নামবে, আমার কাছে তা মনে হয় না।’ এ ক্ষেত্রে সরকারকে দেশের বাস্তব সমস্যাগুলো স্বীকার করে পরিকল্পিত উদ্যোগ নেওয়ার পরামর্শ দেন তিনি।</p>
<p>ভিন্ন কথা বলছেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদ সদস্য ও ঢাকা-১২ আসনের এমপি সাইফুল আলম খান মিলন। তার মতে, সরকার তো প্রথম দিন থেকেই ব্যর্থতার পরিচয় দিয়েছে। জুলাই সনদ ও গণভোটের রায় বাস্তবায়ন না করে জনগণের সঙ্গে প্রতারণা করেছে। বিদ্যুৎ ও জ্বালানি পরিস্থিতি সঠিকভাবে সামাল দিতে পারছে না। নিত্যপ্রয়োজনীয় জিনিসের অগ্নিমূল্য, প্রশাসনে দলীয়করণ করা হচ্ছে।</p>
<p>তিনি বলেন, ৫০টি সংসদীয় কমিটির সভাপতি পদে বিরোধী দলকে রাখা হয়নি। সরকারের এমন আচরণে সাধারণ মানুষের নাভিশ্বাস অবস্থা। তার মতে, জনগণ বেশি অতিষ্ঠ হলে সরকারের জন্য কঠিন পরিস্থিতি হতেই পারে।</p>
<p>কী করতে চান ক্ষমতাসীনরা?</p>
<p>বিরোধী দলের আন্দোলনকে গণতান্ত্রিক অধিকার হিসেবে দেখছে ক্ষমতাসীন দলের নেতারা। তবে তাদের দাবি, সরকারের পক্ষ থেকে আলোচনার পথ এখনও খোলা। তারপরও তাদের লংমার্চের তেমন যৌক্তিকতা নেই। অরাজকতা করলে ব্যবস্থা নেওয়ারও হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করেছেন সরকারের হাইকমান্ড।</p>
<p>এ বিষয়ে বৃহস্পতিবার (৩ সেপ্টেম্বর) রাজধানীতে এক অনুষ্ঠানে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী বলেন, সরকার বিরোধী দলের আন্দোলনকে গণতান্ত্রিক হিসেবেই বিবেচনা করতে চায়। তবে আন্দোলনের বাস্তবতা নিয়েও ভাবতে হবে।</p>
<p>শনিবার (৫ সেপ্টেম্বর) রাজধানীতে এক অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক উপদেষ্টা জহির উদ্দিন স্বপন বলেন, জাতীয় সংসদ যখন সন্তোষজনক কার্যকর রয়েছে, সেই সময়ে রাজপথে লংমার্চের মতো কর্মসূচি গণআকাঙ্ক্ষার পরিপন্থী।</p>
<p>একই দিন বিকালে রাজধানীর খামারবাড়ীতে বিএনপির প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বিরোধী দলের আন্দোলনকে ইঙ্গিত করে বলেন, ‘স্বৈরাচার কি আবার গুপ্তদের মাঝে গুপ্ত হয়ে আছে? একজন আরেকজনকে আড়াল করার চেষ্টা করছে? তবে যেকোনও অরাজকতা করলে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’</p>
<p>বিরোধী দলের লংমার্চ বা সামনের সম্ভাব্য আন্দোলনের বিপরীতে বিএনপি আসলে কী করতে চায়, জানতে চাইলে দলটির ভাইস চেয়ারম্যান শামসুজ্জামান দুদু বাংলা ট্রিবিউনকে বলেন, সরকার তো বিরোধী দলের কোনও কর্মসূচিতে বাধা দিচ্ছে না। বিদ্যুৎ ও জ্বালানি সংকট বৈশ্বিক। কিছু বিষয় উত্তরাধিকার সূত্রে প্রাপ্ত। এগুলো তো কারও অজানা নয়।</p>
<p>তিনি বলেন, জুলাই সনদ ও গণভোটের রায় নিয়ে এখনও কোনও চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হয়নি। বিরোধী দল সংবিধান সংশোধন কমিটিতেও অংশ নেয়নি। অথচ এসব বিষয় আলোচনার মাধ্যমেই সমাধান করা যেত।</p>
<p>তিনি বলেন, বিরোধীদের বিষয়ে বিএনপি সামনে কী করবে, তা সময়ই বলে দেবে। বাংলা ট্রিবিউন</p>
]]></content:encoded>
					
					<wfw:commentRss>https://chtnews24.com/2026/09/06/%e0%a6%b2%e0%a6%82%e0%a6%ae%e0%a6%be%e0%a6%b0%e0%a7%8d%e0%a6%9a%e0%a7%87-%e0%a6%ac%e0%a6%bf%e0%a6%b0%e0%a7%8b%e0%a6%a7%e0%a7%80-%e0%a6%a6%e0%a6%b2%e0%a7%87%e0%a6%b0-%e0%a6%95%e0%a6%a0/feed/</wfw:commentRss>
			<slash:comments>0</slash:comments>
		
		
			</item>
		<item>
		<title>বাংলাদেশ কেন ভারতে পণ্য বিক্রি করতে পারছে না?</title>
		<link>https://chtnews24.com/2026/09/06/%e0%a6%ac%e0%a6%be%e0%a6%82%e0%a6%b2%e0%a6%be%e0%a6%a6%e0%a7%87%e0%a6%b6-%e0%a6%95%e0%a7%87%e0%a6%a8-%e0%a6%ad%e0%a6%be%e0%a6%b0%e0%a6%a4%e0%a7%87-%e0%a6%aa%e0%a6%a3%e0%a7%8d%e0%a6%af-%e0%a6%ac/</link>
					<comments>https://chtnews24.com/2026/09/06/%e0%a6%ac%e0%a6%be%e0%a6%82%e0%a6%b2%e0%a6%be%e0%a6%a6%e0%a7%87%e0%a6%b6-%e0%a6%95%e0%a7%87%e0%a6%a8-%e0%a6%ad%e0%a6%be%e0%a6%b0%e0%a6%a4%e0%a7%87-%e0%a6%aa%e0%a6%a3%e0%a7%8d%e0%a6%af-%e0%a6%ac/#respond</comments>
		
		<dc:creator><![CDATA[adminchtnews24]]></dc:creator>
		<pubDate>Sun, 06 Sep 2026 03:08:16 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[অর্থ-বানিজ্য]]></category>
		<category><![CDATA[শিরোনাম]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://chtnews24.com/?p=38093</guid>

					<description><![CDATA[ডেস্ক রির্পোট:- বাংলাদেশ ও ভারতের বাণিজ্যিক সম্পর্কে সাম্প্রতিক সময়ে টানাপড়েন বেড়েছে। দুই দেশই বিভিন্ন পণ্যের আমদানি-রফতানিতে বিধিনিষেধ আরোপ করেছে। বিশেষ করে স্থলবন্দর দিয়ে পণ্য চলাচলে এসেছে একের পর এক পরিবর্তন। কিন্তু এসব বিধিনিষেধের মধ্যেও ভারত থেকে বাংলাদেশের আমদানি কমেনি, বরং গত অর্থবছরে তা উল্লেখযোগ্য হারে বেড়েছে। বিপরীতে, ভারতে বাংলাদেশের রফতানি আয় প্রায় একই জায়গায় আটকে [&#8230;]]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[<p>ডেস্ক রির্পোট:- বাংলাদেশ ও ভারতের বাণিজ্যিক সম্পর্কে সাম্প্রতিক সময়ে টানাপড়েন বেড়েছে। দুই দেশই বিভিন্ন পণ্যের আমদানি-রফতানিতে বিধিনিষেধ আরোপ করেছে। বিশেষ করে স্থলবন্দর দিয়ে পণ্য চলাচলে এসেছে একের পর এক পরিবর্তন। কিন্তু এসব বিধিনিষেধের মধ্যেও ভারত থেকে বাংলাদেশের আমদানি কমেনি, বরং গত অর্থবছরে তা উল্লেখযোগ্য হারে বেড়েছে। বিপরীতে, ভারতে বাংলাদেশের রফতানি আয় প্রায় একই জায়গায় আটকে আছে।</p>
<p>জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) তথ্য অনুযায়ী, ২০২৫-২৬ অর্থবছরে বাংলাদেশ ভারত থেকে ১০ দশমিক ৯৬ বিলিয়ন ডলারের পণ্য আমদানি করেছে। আগের অর্থবছরে এর পরিমাণ ছিল ৯ দশমিক ৬২ বিলিয়ন ডলার। অর্থাৎ এক বছরে ভারত থেকে বাংলাদেশের আমদানি বেড়েছে ১ দশমিক ৩৪ বিলিয়ন ডলার।</p>
<p>অপরদিকে, ২০২৫-২৬ অর্থবছরে ভারতে বাংলাদেশের পণ্য রফতানি থেকে আয় হয়েছে ১ দশমিক ৭৫ বিলিয়ন ডলার। আগের অর্থবছরে এই আয় ছিল ১ দশমিক ৭৬ বিলিয়ন ডলার। অর্থাৎ আমদানি যেখানে উল্লেখযোগ্য হারে বেড়েছে, সেখানে রফতানি কিছুটা কমেছে।</p>
<p>ফলে দুই দেশের বড় বাণিজ্য ঘাটতি রয়ে গেছে। হিসাব অনুযায়ী, বাংলাদেশ ভারত থেকে যে পরিমাণ পণ্য আমদানি করে, তার বিপরীতে রফতানি করে ছয় ভাগের এক ভাগেরও কম।</p>
<p>প্রয়োজনের কারণে আমদানি থামছে না</p>
<p>বাংলাদেশের শিল্প ও উৎপাদন খাতের জন্য গুরুত্বপূর্ণ কাঁচামালের উৎস হচ্ছে ভারত। সুতা, তুলা, কাপড়, শিল্পের বিভিন্ন কাঁচামাল, কৃষিপণ্যসহ নানা ধরনের পণ্য ভারত থেকে আমদানি করা হয়। দুই দেশের ভৌগোলিক নৈকট্যের কারণে এসব পণ্য তুলনামূলক কম সময়ে এবং অনেক ক্ষেত্রে প্রতিযোগিতামূলক দামে আমদানি করা সম্ভব।</p>
<p>বিশেষ করে পোশাক ও বস্ত্রশিল্পের উদ্যোক্তাদের জন্য ভারতীয় কাঁচামালের গুরুত্ব রয়েছে। আন্তর্জাতিক ক্রেতাদের অনেক সময় নির্দিষ্ট ধরনের সুতা, কাপড় বা কাঁচামাল ব্যবহারের শর্ত থাকে। ফলে রাজনৈতিক বা বাণিজ্যিক সম্পর্কে টানাপোড়েন তৈরি হলেও প্রয়োজনীয় কাঁচামালের আমদানি পুরোপুরি বন্ধ হওয়ার সুযোগ কম।</p>
<p>মোট বাণিজ্যের হিসাবে চীনের পর ভারত বাংলাদেশের দ্বিতীয় বৃহত্তম বাণিজ্যিক অংশীদার। দক্ষিণ এশিয়ায় ভারতই বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় বাণিজ্যিক অংশীদার। দীর্ঘ স্থলসীমান্ত, নৌপথ ও সমুদ্রবন্দরভিত্তিক যোগাযোগের কারণে দুই দেশের অর্থনীতির মধ্যে পারস্পরিক নির্ভরশীলতাও অনেক বেশি।</p>
<p>সুতা আমদানিতে বড় উল্লম্ফন</p>
<p>ভারত থেকে আমদানি প্রবৃদ্ধির একটি বড় উদাহরণ সুতা। বাংলাদেশ টেক্সটাইল মিলস অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি শওকত আজিজ রাসেলের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, ২০২৫-২৬ অর্থবছরে ভারত থেকে সুতা আমদানির পরিমাণ প্রায় দ্বিগুণ হয়ে ৩০ হাজার কোটি টাকায় দাঁড়িয়েছে। আগের অর্থবছরে এর পরিমাণ ছিল প্রায় ১৪ হাজার কোটি টাকা।</p>
<p>অর্থাৎ স্থলবন্দর দিয়ে ভারতীয় সুতা আমদানিতে বিধিনিষেধ আরোপের পরও সমুদ্রপথে আমদানি বেড়েছে।</p>
<p>শওকত আজিজ রাসেলের দাবি, আগে স্থলবন্দর দিয়ে আসা সুতার একটি অংশ অনানুষ্ঠানিক পথে দেশে প্রবেশ করতো। ফলে সমুদ্রবন্দর দিয়ে আমদানি বৃদ্ধির মাধ্যমে ভারতীয় সুতার প্রকৃত চাহিদার বিষয়টি আরও স্পষ্ট হয়েছে।</p>
<p>তবে স্থানীয় টেক্সটাইল শিল্পকে সুরক্ষা দেওয়ার স্বার্থে স্থলবন্দর দিয়ে সুতা আমদানির বিধিনিষেধ তুলে না নেওয়ার পক্ষে তিনি। তার যুক্তি, দেশের বস্ত্রকলগুলো এরই মধ্যে উৎপাদন ব্যয় বৃদ্ধি এবং আমদানি করা সুতার সঙ্গে তীব্র প্রতিযোগিতার মুখে রয়েছে।</p>
<p>এখানেই নীতিনির্ধারকদের জন্য বড় চ্যালেঞ্জ। একদিকে রফতানিমুখী পোশাকশিল্পের জন্য প্রতিযোগিতামূলক দামে কাঁচামাল নিশ্চিত করতে হবে, অপরদিকে স্থানীয় সুতা ও বস্ত্রশিল্পকেও টিকিয়ে রাখতে হবে।</p>
<p>ভারতের বাজারে রফতানি বাড়ছে না কেন?</p>
<p>সবচেয়ে বড় প্রশ্ন হলো, ভারত থেকে আমদানি বাড়লেও দেশটির বিশাল বাজারে বাংলাদেশের রফতানি কেন বাড়ছে না?</p>
<p>ব্যবসায়ী ও অর্থনীতিবিদদের মতে, এর পেছনে একাধিক কারণ রয়েছে। বাংলাদেশের রফতানি এখনও মূলত তৈরি পোশাকনির্ভর। অথচ ভারতের বাজারে স্থানীয় উৎপাদকদের পাশাপাশি বিশ্বের বিভিন্ন দেশের পণ্যের সঙ্গে প্রতিযোগিতা করতে হয়। ফলে শুধু পোশাক নয়, আরও বিভিন্ন ধরনের পণ্য নিয়ে ভারতের বাজারে প্রবেশের সক্ষমতা বাড়াতে হবে।</p>
<p>গবেষণা প্রতিষ্ঠান পলিসি এক্সচেঞ্জ বাংলাদেশের চেয়ারম্যান এম মাসরুর রিয়াজ মনে করেন, ভারতে বাংলাদেশের রফতানি সীমিত থাকার পেছনে অন্তত তিনটি বড় কারণ রয়েছে।</p>
<p>তার মতে, প্রথমত: ভারতের নিজস্ব শিল্প ও বিকল্প পণ্য রয়েছে। বিশেষ করে পোশাকসহ অনেক পণ্যে ভারত নিজেই বড় উৎপাদক ও রফতানিকারক। দ্বিতীয়ত: ভারতীয় বাজারে বিভিন্ন পণ্যের ক্ষেত্রে কঠোর মানদণ্ড ও মাননিয়ন্ত্রণের শর্ত রয়েছে। তৃতীয়ত: বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে এখনও শক্তিশালী আঞ্চলিক উৎপাদন ও সরবরাহব্যবস্থা গড়ে ওঠেনি।</p>
<p>দুই দেশের বাণিজ্য বাড়াতে ব্যাপক অর্থনৈতিক অংশীদারত্ব চুক্তি বা সিইপিএ করার পরামর্শ দিয়েছেন তিনি। তিনি মনে করেন, এ ধরনের চুক্তি হলে শুল্ক ও অশুল্ক বাধা কমানোর পাশাপাশি ব্যবসায়ীদের জন্য দীর্ঘমেয়াদি ও পূর্বানুমানযোগ্য বাণিজ্যিক পরিবেশ তৈরি হতে পারে।</p>
<p>পাল্টাপাল্টি বিধিনিষেধ</p>
<p>২০২৪ সালে বাংলাদেশের রাজনৈতিক পরিবর্তনের পর দুই দেশের বাণিজ্যিক সম্পর্কে বেশ কিছু পরিবর্তন দেখা যায়। ২০২৫ সালের মার্চে স্থানীয় বস্ত্র ও সুতা শিল্পকে সুরক্ষা দিতে স্থলবন্দর দিয়ে ভারতীয় সুতা আমদানি বন্ধের সুপারিশ করা হয়।</p>
<p>এরপর ৯ এপ্রিল ভারত বাংলাদেশি পণ্য তৃতীয় দেশে পাঠানোর ক্ষেত্রে ভারতীয় স্থলবন্দর, সমুদ্রবন্দর ও বিমানবন্দর ব্যবহার করে দেওয়া ট্রান্সশিপমেন্ট সুবিধা প্রত্যাহার করে।</p>
<p>পরে ১৫ এপ্রিল থেকে এনবিআর স্থলবন্দর দিয়ে ভারতীয় সুতা আমদানি নিষিদ্ধ করে। তবে সমুদ্রবন্দর দিয়ে এসব পণ্য আমদানির সুযোগ রাখা হয়।</p>
<p>এরপর একই বছরের ১৭ মে ভারত স্থলবন্দর দিয়ে বাংলাদেশের তৈরি পোশাক, কৃষিপ্রক্রিয়াজাত পণ্য, পাটজাত পণ্য, আসবাবসহ কয়েকটি পণ্যের আমদানিতে বিধিনিষেধ আরোপ করে। পরে ২৭ জুন বাংলাদেশি পাট, সুতা ও কিছু বস্ত্রপণ্যের ক্ষেত্রেও স্থলবন্দরভিত্তিক বিধিনিষেধ আরোপ করে ভারত।</p>
<p>তবে এসব পাল্টাপাল্টি পদক্ষেপের পরও দুই দেশের বাণিজ্য থেমে যায়নি। বরং বাংলাদেশের ভারত থেকে আমদানি বেড়েছে। এতে স্পষ্ট হয়— রাজনৈতিক ও প্রশাসনিক বাধা বাণিজ্যের গতিপথে প্রভাব ফেললেও দুই দেশের অর্থনীতির পারস্পরিক প্রয়োজনীয়তা এখনো যথেষ্ট শক্তিশালী।</p>
<p>স্থলবন্দর স্বাভাবিক করার দাবি</p>
<p>বাংলাদেশ-ভারত বাণিজ্যে স্থলবন্দর অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। ভৌগোলিক নৈকট্যের কারণে স্থলপথে পণ্য পরিবহন অনেক ক্ষেত্রে দ্রুত ও তুলনামূলক কম ব্যয়ের।</p>
<p>বাংলাদেশ নিটওয়্যার ম্যানুফ্যাকচারার্স অ্যান্ড এক্সপোর্টার্স অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি মোহাম্মদ হাতেম মনে করেন, সাম্প্রতিক বাণিজ্যিক বিরোধের অর্থনৈতিক প্রভাব রয়েছে। তবে এসব সমস্যা সমাধানে রাজনৈতিক পর্যায়ে উদ্যোগ প্রয়োজন। দুই দেশের শীর্ষ নেতৃত্বের পর্যায় থেকেই সমাধানের পথ খুঁজে বের করতে হবে বলে মনে করেন তিনি।</p>
<p>রিসার্চ অ্যান্ড পলিসি ইন্টিগ্রেশন ফর ডেভেলপমেন্টের চেয়ারম্যান এম এ রাজ্জাক বলেন, স্থলবন্দরকে শুধু বাণিজ্যিক সমস্যা হিসেবে দেখলে হবে না। এটি বাংলাদেশ-ভারত সামগ্রিক সম্পর্কের সঙ্গেও যুক্ত। দুই দেশের সম্পর্কের উন্নতি হলে বাণিজ্যিক যোগাযোগও আরও শক্তিশালী হওয়ার সুযোগ তৈরি হবে।</p>
<p>এফবিসিসিআইয়ের প্রশাসক মো. ফজলুল হকও আলোচনার মাধ্যমে দুই দেশের বাণিজ্য বিধিনিষেধ সহজ করার ওপর গুরুত্ব দিয়েছেন।</p>
<p>কয়েক মাসের মধ্যে স্বাভাবিক হওয়ার আশা</p>
<p>বাণিজ্যিক টানাপড়েনের মধ্যেই গত ১৮ আগস্ট বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে দ্বিপক্ষীয় বাণিজ্য ও বিনিয়োগ নিয়ে আলোচনা হয়েছে। ভারতের কনফেডারেশন অব ইন্ডিয়ান ইন্ডাস্ট্রির (সিআইআই) প্রতিনিধিদলের সঙ্গে বৈঠকের পর বাণিজ্য মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, আগামী কয়েক মাসের মধ্যে দুই দেশের বাণিজ্যিক কার্যক্রম স্বাভাবিক করার বিষয়ে ইতিবাচক অগ্রগতির আশা রয়েছে।</p>
<p>বৈঠকে পণ্য প্রবেশে বাধা, বন্ধ স্থলবন্দর চালু, বিদ্যমান বাণিজ্যিক সমস্যা এবং ভবিষ্যৎ সহযোগিতার বিভিন্ন দিক নিয়ে আলোচনা হয়।</p>
<p>বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির দুই দেশের ভৌগোলিক নৈকট্যকে অর্থনৈতিক সুবিধায় রূপান্তরের ওপর গুরুত্ব দিয়েছেন। বাণিজ্যিক প্রতিবন্ধকতা দূর করে স্বাভাবিক বাণিজ্য পরিবেশ ফিরিয়ে আনার প্রয়োজনীয়তার কথাও তিনি বলেছেন।</p>
<p>সিআইআই বাংলাদেশের অবকাঠামো ও উচ্চপ্রযুক্তি খাতে বিনিয়োগ বাড়াতে দুটি যৌথ কার্যদল গঠনের প্রস্তাব দিয়েছে। অবকাঠামো, সরকারি-বেসরকারি অংশীদারত্ব, অর্ধপরিবাহী শিল্প, সবুজ হাইড্রোজেন, ব্যাটারি সংরক্ষণ ও তথ্যকেন্দ্রের মতো খাতে সহযোগিতার সম্ভাবনাও তুলে ধরা হয়েছে।</p>
<p>আমদানির পাশাপাশি রফতানি বাড়ানোই চ্যালেঞ্জ</p>
<p>সব মিলিয়ে বাংলাদেশ-ভারত বাণিজ্যের বর্তমান চিত্রে সবচেয়ে বড় বৈপরীত্য হলো—আমদানি বাড়ছে, কিন্তু রফতানি বাড়ছে না। বাংলাদেশের বাজারে ভারতীয় পণ্যের চাহিদা শক্তিশালী হলেও ভারতের বাজারে বাংলাদেশি পণ্যের প্রবেশ এখনো কাঙ্ক্ষিত পর্যায়ে পৌঁছায়নি।</p>
<p>এই পরিস্থিতিতে শুধু বাণিজ্য বিধিনিষেধ তুলে নেওয়াই যথেষ্ট নয়। ভারতের বাজারে বাংলাদেশের পণ্য প্রবেশের বাধা চিহ্নিত করার পাশাপাশি আন্তর্জাতিক মান পূরণের সক্ষমতা বাড়াতে হবে। রফতানি পণ্যে বৈচিত্র্য আনতে হবে এবং দুই দেশের মধ্যে উৎপাদন ও সরবরাহব্যবস্থা গড়ে তুলতে হবে।</p>
<p>একই সঙ্গে স্থানীয় শিল্পকে সুরক্ষা দিতে গিয়ে এমন নীতি নেওয়া যাবে না, যাতে রফতানিমুখী শিল্প প্রয়োজনীয় কাঁচামালের সংকটে পড়ে। আবার সস্তা আমদানির ওপর অতিরিক্ত নির্ভরশীলতার কারণে দেশীয় শিল্প দুর্বল হয়ে পড়াও দীর্ঘমেয়াদে ঝুঁকিপূর্ণ।</p>
<p>বাংলাদেশের জন্য তাই মূল লক্ষ্য হওয়া উচিত, ভারত থেকে প্রয়োজনীয় কাঁচামাল আমদানির পাশাপাশি দেশটির বিশাল বাজারে বাংলাদেশি পণ্যের প্রবেশ বাড়ানো। বাণিজ্য সম্পর্ককে শুধু আমদানি-নির্ভর না রেখে বিনিয়োগ, যৌথ উৎপাদন, প্রযুক্তি হস্তান্তর ও আঞ্চলিক সরবরাহব্যবস্থার দিকে নেওয়া গেলে দীর্ঘদিনের বাণিজ্য ঘাটতি কমানোর বাস্তব সুযোগ তৈরি হতে পারে। বাংলা ট্রিবিউন</p>
]]></content:encoded>
					
					<wfw:commentRss>https://chtnews24.com/2026/09/06/%e0%a6%ac%e0%a6%be%e0%a6%82%e0%a6%b2%e0%a6%be%e0%a6%a6%e0%a7%87%e0%a6%b6-%e0%a6%95%e0%a7%87%e0%a6%a8-%e0%a6%ad%e0%a6%be%e0%a6%b0%e0%a6%a4%e0%a7%87-%e0%a6%aa%e0%a6%a3%e0%a7%8d%e0%a6%af-%e0%a6%ac/feed/</wfw:commentRss>
			<slash:comments>0</slash:comments>
		
		
			</item>
		<item>
		<title>মাদক চক্র নিয়ন্ত্রণে নারীরাও কারবার নিয়ন্ত্রণে বেশি কৌশলী নারী কারবারিরা</title>
		<link>https://chtnews24.com/2026/09/06/%e0%a6%ae%e0%a6%be%e0%a6%a6%e0%a6%95-%e0%a6%9a%e0%a6%95%e0%a7%8d%e0%a6%b0-%e0%a6%a8%e0%a6%bf%e0%a6%af%e0%a6%bc%e0%a6%a8%e0%a7%8d%e0%a6%a4%e0%a7%8d%e0%a6%b0%e0%a6%a3%e0%a7%87-%e0%a6%a8%e0%a6%be/</link>
					<comments>https://chtnews24.com/2026/09/06/%e0%a6%ae%e0%a6%be%e0%a6%a6%e0%a6%95-%e0%a6%9a%e0%a6%95%e0%a7%8d%e0%a6%b0-%e0%a6%a8%e0%a6%bf%e0%a6%af%e0%a6%bc%e0%a6%a8%e0%a7%8d%e0%a6%a4%e0%a7%8d%e0%a6%b0%e0%a6%a3%e0%a7%87-%e0%a6%a8%e0%a6%be/#respond</comments>
		
		<dc:creator><![CDATA[adminchtnews24]]></dc:creator>
		<pubDate>Sun, 06 Sep 2026 03:03:57 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[Second lead]]></category>
		<category><![CDATA[অপরাধ-অনুসন্ধান]]></category>
		<category><![CDATA[শিরোনাম]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://chtnews24.com/?p=38090</guid>

					<description><![CDATA[ডেস্ক রির্পোট:- ৃগাজীপুরের মাদক কারবার নিয়ে কথা উঠলে শুরুতেই আসে টঙ্গীর নাম। যোগাযোগব্যবস্থা ও ভৌগোলিক কারণে রাজধানীসংলগ্ন টঙ্গীর হাজীর মাজার, ব্যাংক মাঠ, কেরানীরটেক, এরশাদ নগরসহ সেখানকার বস্তিগুলো দেশের অন্যতম মাদকের হাট হয়ে উঠেছে। বস্তির খুপরি ও ঘিঞ্জি ঘরগুলো দেখে বোঝার উপায় নেই, প্রতিদিন এসব স্থানে কোটি কোটি টাকার মাদক বেচাকেনা হচ্ছে। আর মাদকের এই বিশাল [&#8230;]]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[<p>ডেস্ক রির্পোট:- ৃগাজীপুরের মাদক কারবার নিয়ে কথা উঠলে শুরুতেই আসে টঙ্গীর নাম। যোগাযোগব্যবস্থা ও ভৌগোলিক কারণে রাজধানীসংলগ্ন টঙ্গীর হাজীর মাজার, ব্যাংক মাঠ, কেরানীরটেক, এরশাদ নগরসহ সেখানকার বস্তিগুলো দেশের অন্যতম মাদকের হাট হয়ে উঠেছে।</p>
<p>বস্তির খুপরি ও ঘিঞ্জি ঘরগুলো দেখে বোঝার উপায় নেই, প্রতিদিন এসব স্থানে কোটি কোটি টাকার মাদক বেচাকেনা হচ্ছে। আর মাদকের এই বিশাল সাম্রাজের বেশির ভাগই নিয়ন্ত্রণ করেন মোমেনা বেগম, আফরিনা আক্তার, ময়না খাতুন, কুলসুম ও কারিমা বেগম—এই পাঁচ নারী মাদক মাদক কারবারি। মাদক সেবন করে অনেকের অকালমৃত্যু হয়েছে। আবার অনেকে ধন-সম্পদ খুইয়ে নিঃস্ব হলেও এই নারী মাদক কারবারিরা হয়ে উঠেছেন কোটিপতি।</p>
<p>টঙ্গীর বাইরে গাজীপুর মহানগরীর লক্ষ্মীপুরা এলাকার তাহমিনা ও আশা এবং কাশিমপুরের ডালিয়া বেগমও মাদক কারবার করে হয়ে উঠেছেন কোটিপতি। এই নারী মাদক কারবারিদের সহায়তায় কাজ করেন আরো শতাধিক নারী।</p>
<p>মোমেলা বেগম : টঙ্গীর কোটিপতি মাদক কারবারির একজন মোমেলা বেগম (৪৬)। তিনি টঙ্গীর ব্যাংক মাঠ বস্তির জাহাঙ্গীর আলমের স্ত্রী।</p>
<p>টঙ্গীর বড় পাইকারি মাদক কারবারিদের একজন তিনি। গাঁজা দিয়ে কারবার শুরু করলেও পরে দেশের সীমান্ত এলাকা থেকে মোমেলা বেগম ফেনসিডিলের বড় চালান আনতে শুরু করেন। এর সঙ্গে যুক্ত হয় হেরোইনের কারবার। আর সর্বশেষ তাঁর কারবার গড়ায় ইয়াবায়। কক্সবাজারের টেকনাফ থেকে সরাসরি ইয়াবা আনেন এমন ১৯টি মাদক মামলার আসামি তিনি।</p>
<p>মাদক কারবারিদের পুলিশের শীর্ষ তালিকায় রয়েছে মোমেলা বেগমের নাম। দেড় যুগের মাদক কারবারে মোমেলা গড়েছেন কোটি কোটি টাকার সম্পদ। টঙ্গীর ৪৭ নম্বর ওয়ার্ডের মরকুনের কুদ্দুস খলিফা সড়কে ‘জাহিদ হাসান ভিলা’ নামে রয়েছে তাঁর বহুতল বিলাসবহুল বাড়ি। একই ওয়ার্ডের শিলমুন পূর্বপাড়া যোগীবাড়ি সড়কে অর্ধকোটি টাকায় কিনেছেন আরো একটি বাড়ি। পুবাইলের করমতলা পূর্বপাড়া আবাসিক এলাকায় পৌনে চার কাঠা জমিতে রয়েছে তাঁর আধাপাকা আরেকটি বাড়ি। ব্যাংক মাঠ বস্তিতে রয়েছে একাধিক আধাপাকা ঘর। স্বামী জাহাঙ্গীর আলমকে কিনে দিয়েছেন চারটি মিনিট্রাক ও সিএনজি অটোরিকশা। মেয়েজামাই পুলিশের সোর্স হৃদয়কে কিনে দিয়েছেন ২০ লাখ টাকা দামের প্রাইভেট কার। এ ছাড়া টঙ্গী ও গাজীপুরের বিভিন্ন এলাকায় মোমেলার নামে-বেনামে রয়েছে কয়েক কোটি টাকার সম্পদ। একাধিক বাড়ি-গাড়ি থাকার পরও বস্তি ছাড়েননি মোমেলা। হয়েছেন বহুবার গ্রেপ্তার। সর্বশেষ গত বছরের ২ নভেম্বর ৪০০ ইয়াবা ও ৪০ গ্রাম হেরোইনসহ গ্রেপ্তার হন মোমেলা।</p>
<p>ময়না খাতুন : ব্যাংক মাঠ বস্তির আরেক নারী মাদক কারবারি ময়না খাতুন (৫৫)। তিনি কার্যক্রম নিষিদ্ধ মহিলা আওয়ামী লীগের স্থানীয় ৫৬ নম্বর ওয়ার্ডের যুগ্ম আহ্বায়ক। এক ডজন মামলার আসামি ময়না খাতুনের পুরো পরিবার মাদক কারবারে জড়িত। মেয়ে নার্গিস ও পুত্রবধূ রোজীর নামও রয়েছে শীর্ষ মাদক কারবারির তালিকায়। বিপুল মাদকসহ একাধিকবার র‌্যাব ও পুলিশের হাতে গ্রেপ্তার হন নার্গিস। ময়না খাতুনের ভাই শফিকুল ইসলাম টেকনাফ থেকে ইয়াবার চালান আনতে গিয়ে কক্সবাজার পুলিশের হাতে ছয় হাজার ইয়াবাসহ গ্রেপ্তারের পর দুই বছর জেল খেটে জামিনে বেরিয়ে এসে ফের রাজধানীর যাত্রাবাড়ী এলাকায় বিপুল ইয়াবাসহ গ্রেপ্তার হন। ময়না খাতুনের কাছ থেকে পাইকারি কিনে খুচরা বিক্রি করেন রানী (৪০) ও তাঁর ছেলে রাব্বানি (২৫)। ময়নার ছেলে তাজুল ইসলাম তাজুও মাদকের ডিলার। তাঁর বিরুদ্ধেও রয়েছে একাধিক মামলা। ময়না ও তাজুল মাদকের টাকায় গাজীপুর ও মাদারীপুরে গড়ে তুলেছেন কয়েক কোটি টাকার সম্পদ। টঙ্গীর শিলমুন জাম্বুরেরটেক এলাকায় তাজুল ইসলাম শ্বশুর সোলেমান ফরাজির নামে কিনেছেন ৮.৫৯ শতাংশ জমির ওপর নির্মিত একটি টিনশেড বাড়ি। মাদারীপুরের শিবচরের হিন্দুপাড়ায় রয়েছে কয়েক বিঘা জমি। বেশির ভাগ সম্পত্তিই তাজুল তাঁর স্ত্রী রোজীর নামে কিনেছেন বলে জানা গেছে।</p>
<p>আফরিনা আক্তার : টঙ্গীর আরেক শীর্ষ মাদক কারবারি আফরিনা আক্তার (৪০)। থাকেন টঙ্গীর ব্যাংক মাঠ বস্তিতে। তিনি ওই বস্তির জামাল হোসেনের স্ত্রী। এলাকায় তিনি পরিচিত ‘বড় আপা’ নামে। মাদক কারবারে তাঁকে সহযোগিতা করেন স্বামী জামাল ও ভাই শ্রাবণ। একসময় টঙ্গীর বড় পাইকারি ফেনসিডিল কারবারি ছিলেন তিনি। বর্তমানে বিক্রি করেন ইয়াবা। মাদকের টাকায় তিনিও কোটিপতি।</p>
<p>কুলসুম : টঙ্গীর কেরানীরটেক বস্তির শীর্ষ মাদক কারবারি কুলসুম (৩৫)। মাদক কারবারে তাঁর রয়েছে বিশাল বাহিনী। মাদক কারবার করে একসময়কার অতি দরিদ্র কুলসুমের ভাগ্য বদলে যায়। রেলওয়ের সরকারি জায়গা দখল করে কুলসুম এবং তাঁর বাহিনী গড়ে তুলেছে মাদক স্পট। কিনেছেন জমি, বিলাসবহুল বাড়ি ও গাড়ি। করছেন বিলাসী জীবন যাপন। গত জুলাই মাসে আট কেজি গাঁজাসহ তাঁর বোন নার্গিসকে আটক করে টঙ্গী পূর্ব থানার পুলিশ। কুলসুমের মাদক কারবারের অন্যতম সহযোগী তাঁর বোনের ছেলে রাকিব।</p>
<p>কারিমা বেগম : টঙ্গীর কেরানীরটেক বস্তির আরেক শীর্ষ মাদক কারবারি কারিমা বেগম (৩৫)। গত ১৮ জুলাই পুলিশের হাতে গ্রেপ্তার হন তিনি। মাদকের ডিলার কারিমার বিরুদ্ধে রয়েছে এক ডজন মাদক মামলা। দীর্ঘদিন মাদক কারবার করে গড়ে তুলেছেন একাধিক বহুতল ভবনসহ কোটি কোটি টাকার সম্পদ।</p>
<p>ডালিয়া : ছয়-সাত বছর আগেও অন্যের বাড়িতে ঝিয়ের কাজ করতেন গাজীপুর মহানগরীর কাশিমপুর নয়াপাড়ার কাঁঠালতলা মহল্লার ডালিয়া (৩৮)। তাঁর স্বামী ওয়াশিম চালাতেন রিকশাভ্যান। এখন ওই এলাকায় তাঁদের রয়েছে পাঁচটি বাড়ি। এর মধ্যে দুটি ছয়তলা, বাকিগুলো টিনশেড ভবন।</p>
<p>গাজীপুর মহানগর পুলিশের অতিরিক্ত কমিশনার মো. বেলায়াত হোসেন বলেন, ‘গাজীপুর মহানগরীতে ছোটবড় অনেকগুলো বস্তি রয়েছে, যেগুলোতে মাদক কারবার চলে। এই কারবার বন্ধে গত আট মাসে অসংখ্য অভিযান চালানো হয়েছে। অভিযানে বিপুল মাদকসহ ছোটবড় অনেক কারবারিকে আটক করা হয়েছে। কিছুদিন আগে বিদ্যুৎ লাইন বিচ্ছিন্ন এবং গত সোমবার বস্তির মাদকের আস্তানাগুলো রাজধানী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের (রাজউক) সহায়তায় উচ্ছেদ করে সরকারি জমি উদ্ধার করা হয়েছে। টঙ্গীকে মাদকমুক্ত করতে সব বস্তিতে পর্যায়ক্রমে অভিযান চালানো হবে।’</p>
]]></content:encoded>
					
					<wfw:commentRss>https://chtnews24.com/2026/09/06/%e0%a6%ae%e0%a6%be%e0%a6%a6%e0%a6%95-%e0%a6%9a%e0%a6%95%e0%a7%8d%e0%a6%b0-%e0%a6%a8%e0%a6%bf%e0%a6%af%e0%a6%bc%e0%a6%a8%e0%a7%8d%e0%a6%a4%e0%a7%8d%e0%a6%b0%e0%a6%a3%e0%a7%87-%e0%a6%a8%e0%a6%be/feed/</wfw:commentRss>
			<slash:comments>0</slash:comments>
		
		
			</item>
		<item>
		<title>ঘুরে বেড়াচ্ছেন ৫২ ফাঁসির আসামি</title>
		<link>https://chtnews24.com/2026/09/06/%e0%a6%98%e0%a7%81%e0%a6%b0%e0%a7%87-%e0%a6%ac%e0%a7%87%e0%a6%a1%e0%a6%bc%e0%a6%be%e0%a6%9a%e0%a7%8d%e0%a6%9b%e0%a7%87%e0%a6%a8-%e0%a7%ab%e0%a7%a8-%e0%a6%ab%e0%a6%be%e0%a6%81%e0%a6%b8%e0%a6%bf/</link>
					<comments>https://chtnews24.com/2026/09/06/%e0%a6%98%e0%a7%81%e0%a6%b0%e0%a7%87-%e0%a6%ac%e0%a7%87%e0%a6%a1%e0%a6%bc%e0%a6%be%e0%a6%9a%e0%a7%8d%e0%a6%9b%e0%a7%87%e0%a6%a8-%e0%a7%ab%e0%a7%a8-%e0%a6%ab%e0%a6%be%e0%a6%81%e0%a6%b8%e0%a6%bf/#respond</comments>
		
		<dc:creator><![CDATA[adminchtnews24]]></dc:creator>
		<pubDate>Sun, 06 Sep 2026 03:00:03 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[Second lead]]></category>
		<category><![CDATA[অপরাধ-অনুসন্ধান]]></category>
		<category><![CDATA[জাতীয়]]></category>
		<category><![CDATA[শিরোনাম]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://chtnews24.com/?p=38087</guid>

					<description><![CDATA[ডেস্ক রির্পোট:- কারাবিধি অনুযায়ী মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত যেসব আসামির কনডেম সেলে থাকার কথা, তাদের অনেকেই দুই বছরের বেশি সময় মুক্ত বাতাসে ঘুরে বেড়াচ্ছেন। মৃত্যুর বিভীষিকায় আচ্ছন্ন কারাগারের চার দেয়ালের বন্দিজীবনে না ফিরতে গাঢাকা দিয়ে রয়েছেন তারা। অথচ জেল পলাতক সেসব আসামির অনেকেরই এত দিনে ফাঁসি কার্যকর হওয়ার কথা। আবার অনেকের চরম উৎকণ্ঠায় ফাঁসির প্রহর গুনতে গুনতে সৃষ্টিকর্তার [&#8230;]]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[<p>ডেস্ক রির্পোট:- কারাবিধি অনুযায়ী মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত যেসব আসামির কনডেম সেলে থাকার কথা, তাদের অনেকেই দুই বছরের বেশি সময় মুক্ত বাতাসে ঘুরে বেড়াচ্ছেন। মৃত্যুর বিভীষিকায় আচ্ছন্ন কারাগারের চার দেয়ালের বন্দিজীবনে না ফিরতে গাঢাকা দিয়ে রয়েছেন তারা। অথচ জেল পলাতক সেসব আসামির অনেকেরই এত দিনে ফাঁসি কার্যকর হওয়ার কথা। আবার অনেকের চরম উৎকণ্ঠায় ফাঁসির প্রহর গুনতে গুনতে সৃষ্টিকর্তার কাছে পাপমোচনের দোয়া চাইতে থাকার কথা। স্বজন হারানো অনেক পরিবার শেষ সান্ত্বনা হিসেবে হয়তো দীর্ঘ বছর ধরে অপেক্ষা করছিল এসব আসামির মৃত্যুদণ্ডের সংবাদ পাওয়ার। কিন্তু এই আসামিরা কোথায় আছেন, কেউ দেশ থেকে পালিয়ে গেছেন কি না-এর সঠিক কোনো তথ্য নেই কারও কাছে। কারা সূত্র বলছে, একাধিক কারাগার থেকে পালিয়ে যাওয়া ৯৯ জন মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আসামির মধ্যে ৪৬ জন গ্রেপ্তার হয়েছেন। ৫২ জন এখনো ধরাছোঁয়ার বাইরে রয়েছেন।</p>
<p>জানা গেছে, পলাতক মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আসামিদের কেউ হত্যাকাণ্ডের মামলার আসামি, কেউ সংঘবদ্ধ অপরাধে জড়িত, আবার কারও বিরুদ্ধে রয়েছে জঙ্গিবাদের অভিযোগ। নারায়ণগঞ্জের আড়াইহাজারের ছোট কাজরা গ্রামের তারা মিয়ার ছেলে মো. মোয়াজ্জেম হোসেন (৩০) তেমনি একজন। গণ অভ্যুত্থানের সময় গাজীপুরের কাশিমপুর হাই সিকিউরিটি কেন্দ্রীয় কারাগারে সংঘটিত দাঙ্গা, ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগের ঘটনায় তিনি অন্যান্য বন্দিদের সঙ্গে কারাগারের দেয়াল টপকে পালিয়ে যান। রাজধানীর মতিঝিলের একটি হত্যা মামলায় মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত ছিলেন তিনি। প্রায় দুই বছর মুক্ত বাতাসে ঘোরার পর তাকে গ্রেপ্তার করে কারাগারে ফেরত পাঠানো হয়।</p>
<p>একই কারাগার থেকে পালিয়েছিলেন গোপালগঞ্জের আব্দুল্লাহ শিকদার। সুদের টাকা আদায়কে কেন্দ্র করে প্রতিবেশীকে হাতুড়িপেটা ও পরে কুপিয়ে হত্যার দায়ে আব্দুল্লাহ এবং তার তিন সহযোগীকে মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হয়। রায়ের পর ২০২৩ সালের ডিসেম্বর থেকে তাকে রাখা হয়েছিল হাই সিকিউরিটি কারাগারে। আব্দুল্লাহ শিকদারও গ্রেপ্তার হয়েছে। তবে যারা পলাতক রয়েছে তারা মোয়াজ্জেম ও আব্দুল্লাহ শিকদারের চেয়েও দুর্ধর্ষ। সংশ্লিষ্টরা বলছেন, পলাতকদের অনেকে ভুয়া পরিচয় ব্যবহার করছেন, নিয়মিত অবস্থান বদলাচ্ছেন এবং আত্মগোপনে থাকতে নানা কৌশল অবলম্বন করছেন। তাই তাদের খুঁজে বের করা সময়সাপেক্ষ হয়ে উঠেছে।</p>
<p>তদন্তে পাওয়া তথ্য এবং কারা অধিদপ্তরের হিসাব বলছে, ’২৪-এর জুলাই-আগস্টের সেই অস্থির সময়ে দেশের অন্তত ১৭টি কারাগারে হামলা, ভাঙচুর, অগ্নিসংযোগ কিংবা বিদ্রোহের ঘটনা ঘটে। কোথাও বাইরের হামলায় নিরাপত্তা ভেঙে পড়ে, কোথাও আবার ভিতরের অস্থিরতা পরিস্থিতিকে আরও জটিল করে তোলে। এই ধারাবাহিক ঘটনার সুযোগে কারাগার থেকে পালিয়ে যায় দুই হাজারের বেশি বন্দি। তাদের মধ্যে ছিলেন মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আসামি, জঙ্গি, শীর্ষ সন্ত্রাসী এবং বিভিন্ন গুরুতর অপরাধে দণ্ডিত বন্দিরা। অর্থাৎ যাদের সমাজের জন্য সবচেয়ে বেশি ঝুঁকিপূর্ণ বলে বিবেচনা করা হয়, তাদের একটি অংশই কারাগারের বাইরে চলে যায়।</p>
<p>কারা অধিদপ্তর সূত্র জানিয়েছে, সেই সময় ২ হাজার ২৪৭ জন বন্দি পালিয়ে যান। যাদের মধ্যে ৬৯০ জন এখনো ধরাছোঁয়ার বাইরে রয়েছেন। নরসিংদী কারাগার থেকে পালিয়ে যাওয়া ৮২৬ জন বন্দির মধ্যে ১৬৬ জনের কোনো পরিচয় বা নথিপত্র কারা কর্তৃপক্ষের কাছে নেই। এ ছাড়া বিভিন্ন কারাগার থেকে নয়জন জঙ্গি সদস্য পালিয়ে গিয়েছিলেন। তাদের মধ্যে ছয়জনকে পরবর্তীতে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী গ্রেপ্তার করতে সক্ষম হলেও তিনজন পলাতক রয়েছেন। আর এখনো যারা পলাতক মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত দুর্ধর্ষ ৫২ জনের অবস্থান কোথায়, সেই প্রশ্নের সঠিক উত্তর নেই। তাদের কেউ কেউ ফাঁসি কার্যকর হওয়ার ভয়ে দেশ ছেড়েছেন বলে ধারণা করছে সংশ্লিষ্টরা। জানা গেছে, ২০২৪ সালের ৬ আগস্ট কাশিমপুর হাই সিকিউরিটি কারাগার থেকে পালিয়ে যায় ২০২ জন বন্দি। তাদের মধ্যে ৮৮ জনই ছিলেন মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আসামি।</p>
<p>সংশ্লিষ্ট সূত্র আরও জানিয়েছে, কারাগার থেকে পালানো বন্দিদের মধ্যে ৯৮ জন ছিলেন জঙ্গি সম্পৃক্ততার অভিযোগে অভিযুক্ত। এদের মধ্যে সাজাপ্রাপ্ত ৯ জনের চারজন ছিলেন মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত। পরে ২৮ জনকে গ্রেপ্তার করা গেলেও বাকি ৭০ জনের কোনো হদিস মেলেনি। এ ছাড়া ৫ আগস্টের পর জামিন পাওয়া ৩৮০ জনও আদালতে হাজিরা দিচ্ছেন না। অ্যান্টি টেররিজম ইউনিটের (এটিইউ) তথ্য অনুযায়ী, জেএমবির ১৮৫ জন, আনসার আল ইসলামের ৮৩ জন, হিযবুত তাহ্রীরের ৫৯ জন, হুজি-বির ১৬ জন, নব্য জেএমবির ১৬ জন, আল্লাহর দলের ৯ জন, জামাআতুল আনসার ফিল হিন্দাল শারক্বীয়ার ১ জন এবং ইমাম মাহমুদের কাফেলার একজন সদস্য পলাতক রয়েছেন। সম্প্রতি দেশের বিভিন্ন জায়গায় বোমা উদ্ধারের ঘটনায় জামিনে বের হওয়া ও জেল পলাতক কয়েক জঙ্গির সংশ্লিষ্টতা পেয়েছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী। যা জঙ্গিবাদ নিয়ে নতুন করে উদ্বেগ ছড়াচ্ছে।</p>
<p>কারা অধিদপ্তর সূত্র আরও জানায়, জুলাই আন্দোলনের সময় বিভিন্ন কারাগার থেকে লুট হয় ৮৫টি আগ্নেয়াস্ত্র এবং ৮ হাজার ১৫ রাউন্ড গুলি। পরে ৫৮টি আগ্নেয়াস্ত্র উদ্ধার করা হয়। এখনো উদ্ধার হয়নি ২৭টি অস্ত্র এবং ৬ হাজার ৩৫২ রাউন্ড গুলি।</p>
<p>অপরাধ বিশ্লেষক ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সহযোগী অধ্যাপক ড. তৌহিদুল হক বলেন, অধরা থাকা জেল পালানো আসামিদের গ্রেপ্তার করে কারাগারে ফেরানোর বিষয়ে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর কার্যকর পদক্ষেপ দেখছি না। কারণ যে যত বড় অপরাধী সে তত গোপনে থাকার চেষ্টা করবে। অনেকে জেল থেকে পালানোর পরই দেশ ছেড়েছে বলে ধারণা করা হয়। আবার অনেকে আত্মগোপন অবস্থায় অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডের নেতৃত্ব দিচ্ছে। তিনি আরও বলেন, এই বন্দিরা যত দিন বাইরে থাকবে তত দিন আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ে উদ্বেগ কাটবে না। সেই সঙ্গে সবাইকে ফেরানো না গেলে একটি খারাপ উদাহরণ তৈরি হবে। ভবিষ্যতে গণ অভ্যুত্থ্যান বা জনগনের কোনো আন্দোলনে একই পরিস্থিতি আসলে একই ঘটনা ঘটার সম্ভাবনা থাকবে।</p>
<p>সাবেক আইজিপি মুহাম্মদ নুরুল হুদা বলেন, কারাগার থেকে পালানোর পর আইনশৃঙ্খলা বাহিনী অনেককেই গ্রেপ্তার করেছে। তবে সময়ের সঙ্গে অন্য কাজও অনেক বেড়ে গেছে। এতে অনেক বন্দি এখনো গ্রেপ্তার হয়নি। এদের গ্রেপ্তারের বিষয়টি সর্বোচ্চ অগ্রাধিকারের মধ্যে থাকা উচিত। এক্ষেত্রে গণমাধ্যমকে কাজে লাগালে সবচেয়ে বেশি কাজে দিতে পারে। একই সঙ্গে অভিযান আরও জোরদার করতে হবে। কারা অধিদপ্তরের এআইজি (মিডিয়া) মাসুদ হাসান জুয়েল বলেন, বন্দি পালানোর ঘটনার পরেই আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হয়। সে অনুযায়ী আইনশৃঙ্খলা বাহিনী কাজ করছে। স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মিটিংয়ে কারা অধিদপ্তরের পক্ষ থেকে নিয়মিতই হালনাগাদ তথ্য তুলে ধরা হয়। পুলিশও তাদের তৎপরতার তথ্য তুলে ধরে। পুলিশের ভাষ্য হচ্ছে, পলাতক দুর্ধর্ষ বন্দিরা বারবার অবস্থান বদল করায় তারা সবাইকে গ্রেপ্তার করতে পারছে না।</p>
<p>পুলিশ সদর দপ্তরের অতিরিক্ত আইজিপি (ক্রাইম অ্যান্ড অপারেশন্স) খোন্দকার রফিকুল ইসলাম বলেন, কারাগার থেকে বন্দিরা পালানোর পর থেকেই এন্টি টেররিজম ইউনিটকে (এটিইউ) বিশেষভাবে নির্দেশনা দেওয়া হয়েছিল। সংস্থাটি শুরু থেকেই নিবেদিতপ্রাণ হয়ে বন্দি গ্রেপ্তারে কাজ করছে। অনেককে গ্রেপ্তারও করেছে। শুধু এটিইউ নয়, অন্য সংস্থাও বন্দিদের গ্রেপ্তার করছে। যারা এখনো অধরা রয়েছে তাদের গ্রেপ্তারে নিয়মিতই কঠোর নির্দেশনা দেওয়া হচ্ছে। বাংলাদেশ প্রতিদিন</p>
]]></content:encoded>
					
					<wfw:commentRss>https://chtnews24.com/2026/09/06/%e0%a6%98%e0%a7%81%e0%a6%b0%e0%a7%87-%e0%a6%ac%e0%a7%87%e0%a6%a1%e0%a6%bc%e0%a6%be%e0%a6%9a%e0%a7%8d%e0%a6%9b%e0%a7%87%e0%a6%a8-%e0%a7%ab%e0%a7%a8-%e0%a6%ab%e0%a6%be%e0%a6%81%e0%a6%b8%e0%a6%bf/feed/</wfw:commentRss>
			<slash:comments>0</slash:comments>
		
		
			</item>
		<item>
		<title>বিস্মিত দিলারা জামান</title>
		<link>https://chtnews24.com/2026/09/06/%e0%a6%ac%e0%a6%bf%e0%a6%b8%e0%a7%8d%e0%a6%ae%e0%a6%bf%e0%a6%a4-%e0%a6%a6%e0%a6%bf%e0%a6%b2%e0%a6%be%e0%a6%b0%e0%a6%be-%e0%a6%9c%e0%a6%be%e0%a6%ae%e0%a6%be%e0%a6%a8/</link>
					<comments>https://chtnews24.com/2026/09/06/%e0%a6%ac%e0%a6%bf%e0%a6%b8%e0%a7%8d%e0%a6%ae%e0%a6%bf%e0%a6%a4-%e0%a6%a6%e0%a6%bf%e0%a6%b2%e0%a6%be%e0%a6%b0%e0%a6%be-%e0%a6%9c%e0%a6%be%e0%a6%ae%e0%a6%be%e0%a6%a8/#respond</comments>
		
		<dc:creator><![CDATA[adminchtnews24]]></dc:creator>
		<pubDate>Sun, 06 Sep 2026 02:56:18 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[বিনোদন]]></category>
		<category><![CDATA[শিরোনাম]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://chtnews24.com/?p=38084</guid>

					<description><![CDATA[ডেস্ক রির্পোট:- ঢাকার শ্যামলীতে পৈতৃক বাড়ি দখল হয়ে যাওয়ার খবর নতুন করে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমসহ বিভিন্ন মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ায় চরম বিস্ময় ও বিরক্তি প্রকাশ করেছেন বরেণ্য অভিনেত্রী দিলারা জামান। তিনি স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছেন, বর্তমানে যে ঘটনাটি নিয়ে আলোচনা ও বিভ্রান্তি তৈরি হচ্ছে, তা কোনো সাম্প্রতিক বিষয় নয়; বরং প্রায় দুই দশক আগের একটি পুরনো ঘটনা। দিলারা [&#8230;]]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[<p>ডেস্ক রির্পোট:- ঢাকার শ্যামলীতে পৈতৃক বাড়ি দখল হয়ে যাওয়ার খবর নতুন করে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমসহ বিভিন্ন মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ায় চরম বিস্ময় ও বিরক্তি প্রকাশ করেছেন বরেণ্য অভিনেত্রী দিলারা জামান। তিনি স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছেন, বর্তমানে যে ঘটনাটি নিয়ে আলোচনা ও বিভ্রান্তি তৈরি হচ্ছে, তা কোনো সাম্প্রতিক বিষয় নয়; বরং প্রায় দুই দশক আগের একটি পুরনো ঘটনা। দিলারা জামান জানান, বাড়ি দখলের চেষ্টার ঘটনাটি ঘটেছিল ২০০৩-২০০৪ সালের দিকে। সে সময় তিনি ঢাকার শ্যামলী এলাকায় বাবার কাছ থেকে পাওয়া পৈতৃক বাড়িতে পরিবার নিয়ে বসবাস করতেন।</p>
<p>তৎকালীন সময়ে বাড়িটি দখলের একটি অপ্রীতিকর পরিস্থিতি তৈরি হলে সংবাদমাধ্যমে তা নিয়ে খবর প্রকাশিত হয়। পরবর্তীতে সংবাদমাধ্যমের প্রচার ও সংশ্লিষ্টদের তৎপরতায় দখলের সেই চেষ্টা ব্যর্থ হয়। পরবর্তী সময়ে ২০০৮ সালে শ্যামলীর সেই বাড়িটি বিক্রি করে দিয়ে তিনি পরিবারসহ উত্তরায় চলে যান এবং সেখানে ১ হাজার ৬০০ বর্গফুটের একটি ফ্ল্যাট কিনে স্থায়ীভাবে বসবাস শুরু করেন। দীর্ঘ সময় ধরে তিনি উত্তরার নিজ ফ্ল্যাটেই অবস্থান করছেন এবং অভিনয়ের পাশাপাশি সেখানেই সময় কাটাচ্ছেন।</p>
<p>দেশের বাইরে থাকা দুই মেয়ের কাছে আগে নিয়মিত যাতায়াত থাকলেও এখন আর আগের মতো যাওয়া হয় না। দুই দশক আগের একটি মীমাংসিত ঘটনা হঠাৎ করে নতুন ও আজগুবি তথ্য হিসেবে সামনে আসায় হতবাক এই অভিনেত্রী। ভক্ত ও শুভাকাঙ্ক্ষীদের অযথা উদ্বিগ্ন না হওয়ার অনুরোধ জানিয়ে অসত্য তথ্য ছড়ানোর আগে সবাইকে সচেতন ও দায়িত্বশীল হওয়ার আহ্বান জানান দিলারা জামান।</p>
]]></content:encoded>
					
					<wfw:commentRss>https://chtnews24.com/2026/09/06/%e0%a6%ac%e0%a6%bf%e0%a6%b8%e0%a7%8d%e0%a6%ae%e0%a6%bf%e0%a6%a4-%e0%a6%a6%e0%a6%bf%e0%a6%b2%e0%a6%be%e0%a6%b0%e0%a6%be-%e0%a6%9c%e0%a6%be%e0%a6%ae%e0%a6%be%e0%a6%a8/feed/</wfw:commentRss>
			<slash:comments>0</slash:comments>
		
		
			</item>
		<item>
		<title>১৩ ক্লাবে নিবন্ধিত ৪৪৫ ফুটবলার ৬৫ বিদেশি</title>
		<link>https://chtnews24.com/2026/09/06/%e0%a7%a7%e0%a7%a9-%e0%a6%95%e0%a7%8d%e0%a6%b2%e0%a6%be%e0%a6%ac%e0%a7%87-%e0%a6%a8%e0%a6%bf%e0%a6%ac%e0%a6%a8%e0%a7%8d%e0%a6%a7%e0%a6%bf%e0%a6%a4-%e0%a7%aa%e0%a7%aa%e0%a7%ab-%e0%a6%ab%e0%a7%81/</link>
					<comments>https://chtnews24.com/2026/09/06/%e0%a7%a7%e0%a7%a9-%e0%a6%95%e0%a7%8d%e0%a6%b2%e0%a6%be%e0%a6%ac%e0%a7%87-%e0%a6%a8%e0%a6%bf%e0%a6%ac%e0%a6%a8%e0%a7%8d%e0%a6%a7%e0%a6%bf%e0%a6%a4-%e0%a7%aa%e0%a7%aa%e0%a7%ab-%e0%a6%ab%e0%a7%81/#respond</comments>
		
		<dc:creator><![CDATA[adminchtnews24]]></dc:creator>
		<pubDate>Sun, 06 Sep 2026 02:52:40 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[খেলা]]></category>
		<category><![CDATA[শিরোনাম]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://chtnews24.com/?p=38081</guid>

					<description><![CDATA[ডেস্ক রির্পোট:- কয়েক দফা পিছিয়ে গত ৩রা সেপ্টেম্বর শেষ হয়েছে খেলোয়াড় নিবন্ধন। যাদের জন্য বারবার পিছিয়েছে, শেষ পর্যন্ত ফিফা নিষেধাজ্ঞা কাটিয়ে সেই তিন দল- বসুন্ধরা কিংস, আবাহনী লিমিটেড ও ফকিরেরপুল ইয়ংমেন্স ক্লাবও দলবদলে অংশ নিয়েছে। এই তিন দল নিয়ে শেষ পর্যন্ত এবারের লীগে দলের সংখ্যা ১৩। চট্টগ্রাম সিটি এফসি, ফর্টিজ এফসি, ঢাকা আবাহনী, পুলিশ ও [&#8230;]]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[<p>ডেস্ক রির্পোট:- কয়েক দফা পিছিয়ে গত ৩রা সেপ্টেম্বর শেষ হয়েছে খেলোয়াড় নিবন্ধন। যাদের জন্য বারবার পিছিয়েছে, শেষ পর্যন্ত ফিফা নিষেধাজ্ঞা কাটিয়ে সেই তিন দল- বসুন্ধরা কিংস, আবাহনী লিমিটেড ও ফকিরেরপুল ইয়ংমেন্স ক্লাবও দলবদলে অংশ নিয়েছে। এই তিন দল নিয়ে শেষ পর্যন্ত এবারের লীগে দলের সংখ্যা ১৩। চট্টগ্রাম সিটি এফসি, ফর্টিজ এফসি, ঢাকা আবাহনী, পুলিশ ও রহমতগঞ্জ ছাড়া বাকি ৮ ক্লাব সর্বোচ্চ ৩৫ জন করে ফুটবলার নিবন্ধন করিয়েছে। গত মৌসুমের চেয়ে বাংলাদেশের ক্লাবগুলোতে সাফ অঞ্চলের ফুটবলারদের চাহিদা বেড়েছে। বিশেষ করে হিমালয়কন্যা নেপালের ফুটবলারদের দিকেই বেশি ঝুঁকেছে ক্লাবগুলো। বিদেশি এবং সাফ কোটা মিলিয়ে এবার মোট ৬৫ জন ভিনদেশি ফুটবলার নিবন্ধিত হয়েছেন, যাদের মধ্যে সাফ কোটার ১৯ জনের ১৪ জনই নেপালের!</p>
<p>গত মৌসুম থেকে বাংলাদেশের ঘরোয়া ফুটবলে সার্কভুক্ত দেশের ফুটবলাররা ‘স্থানীয় খেলোয়াড়’ হিসেবে বিবেচিত হচ্ছেন। প্রথমবার সাফ কোটায় সর্বোচ্চ ৫ জন খেলোয়াড় নিবন্ধনের সুযোগ থাকলেও এবার স্থানীয় খেলোয়াড়দের দাবি মেনে সেটি তিনজন করা হয়েছে। কোটা কমলেও গতবারের তুলনায় এবার এই অঞ্চলের ফুটবলার বেশি আসছেন। গত মৌসুমে লীগের প্রথম পর্বের জন্য সাফ কোটায় ১১ জন (৮ জনই ছিলেন নেপালের) নিবন্ধিত হয়েছিলেন। এবার তা সাতজন বেড়েছে। বিদেশি কোটায় অবশ্য গতবারের মতো এবারো সর্বোচ্চ চারজন করে খেলোয়াড় নিতে পেরেছে দলগুলো। গত মৌসুমে সাফ কোটার বাইরে বিদেশি কোটায় নিবন্ধন করেছিলেন ৩৭ জন। গতবারের ১০টি থেকে এবার ঘরোয়া লীগে ক্লাব বেড়ে হয়েছে ১৩টি। এর মধ্যে ৯টি ক্লাব সাফ কোটার খেলোয়াড় নিয়েছে। সবচেয়ে উল্লেখযোগ্য ব্যাপার, গত মৌসুমে সাফ কোটায় কোনো খেলোয়াড় না নেয়া বাংলাদেশ লীগ চ্যাম্পিয়ন বসুন্ধরা কিংস এবার তিনজন নেপালি ফুটবলার দলে নিয়েছে। যাদের মধ্যে আছেন- নেপাল জাতীয় দলের ফরোয়ার্ড অঞ্জন বিস্তা, মানিশ দাঙ্গি ও ডিফেন্ডার রহিত চাঁদ। কিংস তাদের পুরনো ব্রাজিলিয়ান তারকা রবসন রবিনহোকে ফিরিয়েছে, সঙ্গে নতুন ব্রাজিলিয়ান ফরোয়ার্ড জেসুস দা সিলভা এবং নাইজেরিয়ার ফরোয়ার্ড</p>
<p>ওবুগহ এমেকাকে নিয়েছে। মোহামেডান সাফ কোটায় কোনো ফুটবলার নেয়নি। বিদেশি কোটায় তারা দলে ফিরিয়েছে মালির স্ট্রাইকার সুলেমান দিয়াবাতে এবং নাইজেরিয়ার দু’জনকে। উজবেকিস্তানের মোজাফফরভকে রেখে দিয়েছে সাদা-কালোরা। সাফ কোটায় নেপালের দু’জন করে নিয়েছে ফর্টিস এফসি, ঢাকা ওয়ান্ডারার্স, রহমতগঞ্জ ও চট্টগ্রাম সিটি ক্লাব। একজন করে ব্রাদার্স, সিটি ক্লাব ও পিডব্লিউডি। পাকিস্তানের চারজনের দু’জন ব্রাদার্স ইউনিয়নে এবং ঢাকা আবাহনী ও সিটি ক্লাবে একজন করে। একমাত্র শ্রীলঙ্কান হিসেবে দেশটির জাতীয় দলের গোলকিপার সুজন পেরেইরা এবারো</p>
<p>খেলবেন ফর্টিসে। দলটিতে নাম লিখিয়েছেন নেপাল জাতীয় দলের মিডফিল্ডার আরিক বিস্তা ও ডিফেন্ডার অনন্ত তামাং। ফর্টিসে এবার দেখা যাবে বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত জাপানি ফরোয়ার্ড সুকি ইতোফুসোকে। ঢাকা আবাহনী দলবদলের শেষ মুহূর্তে সাফ কোটায় পাকিস্তানের মিডফিল্ডার মইন আহমেদকে নিশ্চিত করেছে। বিদেশি কোটায় আবাহনী নিয়েছে নাইজেরিয়ার চার ফুটবলারকে, যাদের মধ্যে বড় আকর্ষণ ২০১৪ বিশ্বকাপ খেলা মাইকেল বাবাতুন্দে। ব্রাদার্স সাফ কোটায় নিয়েছে পাকিস্তানের মিডফিল্ডার মাহমুদ আলী ওজায়ের, ফরোয়ার্ড সাইদ আলী রাজা ও নেপালের ফরোয়ার্ড সাকাল রেগমিকে। গোপীবাগের দলটি রেখে দিয়েছে জাতীয় দলের অধিনায়ক জামাল ভূঁইয়াকে। ঢাকা ওয়ান্ডারার্স সাফ কোটায় নেপালের দুই গোলকিপার সৌরভ বিক্রম কারকি ও মিডফিল্ডার যুবরাজ ডাকালকে দলে নিয়েছে। নবাগত চট্টগ্রাম সিটি ফুটবল ক্লাব সাফ কোটায় নিয়েছে</p>
<p>নেপালের মিডফিল্ডার আশীষ সোনম ও ডিফেন্ডার দিবাকর চৌধুরীকে। আরেক নবাগত ঢাকার সিটি ক্লাব সাফ কোটায় নিয়েছে পাকিস্তানের ফরোয়ার্ড শায়েক দোস্ত ও নেপালের ডিফেন্ডার যোগেশ গুড়ংকে। রহমতগঞ্জ সাফ কোটায় নিয়েছে নেপাল জাতীয় দলের ডিফেন্ডার অভিষেক লিম্বু ও মিডফিল্ডার কুশাল দেউবাকে। বিভিন্ন দলের খেলোয়াড় তালিকায় কয়েকটি চমকজাগানিয়া দেশের নামও আছে, যেসব দেশের খেলোয়াড়দের দেখা হবে দর্শকদের জন্য নতুন অভিজ্ঞতা। ওয়ান্ডারার্স যেমন অস্ট্রেলিয়ার ফরোয়ার্ড বাইলে জন ও ইন্দোনেশিয়ার</p>
<p>ফরোয়ার্ড আইদিল উসমান দাইরাকে দলভুক্ত করেছে। ব্রাদার্সে আসছেন আয়ারল্যান্ডের ডিফেন্ডার উইলিয়াম ওদুয়া এবং পিডব্লিউডিতে জার্মানির ডিফেন্ডার উলরিচ বালোকি। বাফুফে ১৮ই সেপ্টেম্বর থেকে লীগ শুরু করতে চায়। ফর্টিস ও পুলিশ ছাড়া কোনো ক্লাবই সেভাবে অনুশীলন শুরু করেনি। ২৫শে সেপ্টেম্বর জাতীয় দল আসিয়ান কাপে খেলবে। সবমিলিয়ে অক্টোবরের আগে লীগ কিংবা ফেডারেশন কাপ শুরু হওয়া বেশ কঠিনই। বাফুফে সভাপতি তাবিথ আউয়ালের ক্লাব কর্মকর্তাদের সঙ্গে আরেকটি সভায় বসার কথা রয়েছে শিগগিরই।</p>
]]></content:encoded>
					
					<wfw:commentRss>https://chtnews24.com/2026/09/06/%e0%a7%a7%e0%a7%a9-%e0%a6%95%e0%a7%8d%e0%a6%b2%e0%a6%be%e0%a6%ac%e0%a7%87-%e0%a6%a8%e0%a6%bf%e0%a6%ac%e0%a6%a8%e0%a7%8d%e0%a6%a7%e0%a6%bf%e0%a6%a4-%e0%a7%aa%e0%a7%aa%e0%a7%ab-%e0%a6%ab%e0%a7%81/feed/</wfw:commentRss>
			<slash:comments>0</slash:comments>
		
		
			</item>
		<item>
		<title>হালান্দের একমাত্র গোলে শীর্ষেই সিটি, ফের হোঁচট টটেনহ্যামের</title>
		<link>https://chtnews24.com/2026/09/06/%e0%a6%b9%e0%a6%be%e0%a6%b2%e0%a6%be%e0%a6%a8%e0%a7%8d%e0%a6%a6%e0%a7%87%e0%a6%b0-%e0%a6%8f%e0%a6%95%e0%a6%ae%e0%a6%be%e0%a6%a4%e0%a7%8d%e0%a6%b0-%e0%a6%97%e0%a7%8b%e0%a6%b2%e0%a7%87-%e0%a6%b6/</link>
					<comments>https://chtnews24.com/2026/09/06/%e0%a6%b9%e0%a6%be%e0%a6%b2%e0%a6%be%e0%a6%a8%e0%a7%8d%e0%a6%a6%e0%a7%87%e0%a6%b0-%e0%a6%8f%e0%a6%95%e0%a6%ae%e0%a6%be%e0%a6%a4%e0%a7%8d%e0%a6%b0-%e0%a6%97%e0%a7%8b%e0%a6%b2%e0%a7%87-%e0%a6%b6/#respond</comments>
		
		<dc:creator><![CDATA[adminchtnews24]]></dc:creator>
		<pubDate>Sun, 06 Sep 2026 02:52:16 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[খেলা]]></category>
		<category><![CDATA[শিরোনাম]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://chtnews24.com/?p=38078</guid>

					<description><![CDATA[ডেস্ক রির্পোট:- আর্লিং ব্রুট হালান্দের একমাত্র হেডে কভেন্ট্রি সিটিকে ১-০ গোলে হারিয়ে ইংলিশ প্রিমিয়ার লীগে জয়যাত্রা বজায় রাখলো ম্যানচেস্টার সিটি। পেপ গার্দিওলার বিদায়ের পর ক্লাবের দায়িত্বে আসা নতুন কোচ এঞ্জো মারেস্কার অধীনে টানা তিন ম্যাচ জিতে পয়েন্ট টেবিলের শীর্ষে অবস্থান করছে সিটিজেনরা। অন্য ম্যাচে নটিংহ্যাম ফরেস্টের মাঠে গোলশূন্য ড্র করে টটেনহ্যাম হটস্পার। ৩ ম্যাচ খেলে [&#8230;]]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[<p>ডেস্ক রির্পোট:- আর্লিং ব্রুট হালান্দের একমাত্র হেডে কভেন্ট্রি সিটিকে ১-০ গোলে হারিয়ে ইংলিশ প্রিমিয়ার লীগে জয়যাত্রা বজায় রাখলো ম্যানচেস্টার সিটি। পেপ গার্দিওলার বিদায়ের পর ক্লাবের দায়িত্বে আসা নতুন কোচ এঞ্জো মারেস্কার অধীনে টানা তিন ম্যাচ জিতে পয়েন্ট টেবিলের শীর্ষে অবস্থান করছে সিটিজেনরা। অন্য ম্যাচে নটিংহ্যাম ফরেস্টের মাঠে গোলশূন্য ড্র করে টটেনহ্যাম হটস্পার। ৩ ম্যাচ খেলে এখনো জয়ের মুখ দেখেনি স্পার্সরা।</p>
<p>ইত্তিহাদ স্টেডিয়ামে ম্যাচের ২৬ মিনিটে একমাত্র জয়সূচক গোলটি আসে। ট্রান্সফার ডেডলাইন ডেতে ১২৫ মিলিয়ন পাউন্ডে ক্লাবে যোগ দেয়া এঞ্জো ফার্নান্দেজের পাস থেকে বাঁ প্রান্তে বল পেয়ে ক্রস বাড়ান আতোয়ান সেমেনিও। সেই ক্রসে চমৎকার হেড করে চলতি মৌসুমে নিজের তৃতীয় গোলটি তুলে নেন হালান্দ। তবে পিছিয়ে পড়ার পর ফ্র্যাঙ্ক ল্যাম্পার্ডের কভেন্ট্রি বেশ কিছু সুযোগ তৈরি করে। শেষ পর্যন্ত গোল করতে না পারায় আফসোসে পোড়ে ক্লাবটি। আগামী সপ্তাহে ওল্ড ট্র্যাফোর্ডে ম্যানচেস্টার ডার্বিতে নামার আগে এই জয়ে শতভাগ সাফল্য ধরে রাখলো সিটি।</p>
<p>দিনের অন্য ম্যাচে নটিংহাম ফরেস্টের মাঠ থেকে গোলশূন্য ড্র নিয়ে ফেরে টটেনহ্যাম। ১৮ মাস ডোপিং নিষেধাজ্ঞা কাটিয়ে বদলি ফুটবলার হিসেবে স্পার্সের হয়ে এই ম্যাচে মাঠে ফেরেন ইউক্রনিয়ান তারকা মিখাইলো মুদ্রিক।</p>
]]></content:encoded>
					
					<wfw:commentRss>https://chtnews24.com/2026/09/06/%e0%a6%b9%e0%a6%be%e0%a6%b2%e0%a6%be%e0%a6%a8%e0%a7%8d%e0%a6%a6%e0%a7%87%e0%a6%b0-%e0%a6%8f%e0%a6%95%e0%a6%ae%e0%a6%be%e0%a6%a4%e0%a7%8d%e0%a6%b0-%e0%a6%97%e0%a7%8b%e0%a6%b2%e0%a7%87-%e0%a6%b6/feed/</wfw:commentRss>
			<slash:comments>0</slash:comments>
		
		
			</item>
		<item>
		<title>দাবি আদায় করেই ঘরে ফিরবো ১১ দলীয় ঐক্যের লংমার্চে নেতারা</title>
		<link>https://chtnews24.com/2026/09/06/%e0%a6%a6%e0%a6%be%e0%a6%ac%e0%a6%bf-%e0%a6%86%e0%a6%a6%e0%a6%be%e0%a6%af%e0%a6%bc-%e0%a6%95%e0%a6%b0%e0%a7%87%e0%a6%87-%e0%a6%98%e0%a6%b0%e0%a7%87-%e0%a6%ab%e0%a6%bf%e0%a6%b0%e0%a6%ac%e0%a7%8b/</link>
					<comments>https://chtnews24.com/2026/09/06/%e0%a6%a6%e0%a6%be%e0%a6%ac%e0%a6%bf-%e0%a6%86%e0%a6%a6%e0%a6%be%e0%a6%af%e0%a6%bc-%e0%a6%95%e0%a6%b0%e0%a7%87%e0%a6%87-%e0%a6%98%e0%a6%b0%e0%a7%87-%e0%a6%ab%e0%a6%bf%e0%a6%b0%e0%a6%ac%e0%a7%8b/#respond</comments>
		
		<dc:creator><![CDATA[adminchtnews24]]></dc:creator>
		<pubDate>Sun, 06 Sep 2026 02:49:52 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[Second lead]]></category>
		<category><![CDATA[রাজনীতি]]></category>
		<category><![CDATA[শিরোনাম]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://chtnews24.com/?p=38075</guid>

					<description><![CDATA[ডেস্ক রির্পোট:- ঢাকা থেকে চট্টগ্রামের উদ্দেশ্যে জামায়াতে ইসলামীর নেতৃত্বাধীন ১১ দলীয় ঐক্যের লংমার্চ কর্মসূচি পালিত হয়েছে। জুলাই গণহত্যার বিচার, গণভোটের রায় বাস্তবায়ন, গ্যাস ও বিদ্যুৎ এবং সারের সংকট সমাধানসহ ছয় দাবিতে এই লংমার্চ অনুষ্ঠিত হয়। পথে পথে জনসভায় বক্তব্য রাখেন জামায়াত আমীরসহ ১১ দলীয় ঐক্যের নেতারা। চট্টগ্রামের ঐতিহাসিক লালদীঘির মাঠে সমাবেশের মধ্যদিয়ে শেষ হয় কর্মসূচি। [&#8230;]]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[<p>ডেস্ক রির্পোট:- ঢাকা থেকে চট্টগ্রামের উদ্দেশ্যে জামায়াতে ইসলামীর নেতৃত্বাধীন ১১ দলীয় ঐক্যের লংমার্চ কর্মসূচি পালিত হয়েছে। জুলাই গণহত্যার বিচার, গণভোটের রায় বাস্তবায়ন, গ্যাস ও বিদ্যুৎ এবং সারের সংকট সমাধানসহ ছয় দাবিতে এই লংমার্চ অনুষ্ঠিত হয়। পথে পথে জনসভায় বক্তব্য রাখেন জামায়াত আমীরসহ ১১ দলীয় ঐক্যের নেতারা। চট্টগ্রামের ঐতিহাসিক লালদীঘির মাঠে সমাবেশের মধ্যদিয়ে শেষ হয় কর্মসূচি। গতকাল সকালে রাজধানীর মতিঝিল শাপলা চত্বর থেকে লংমার্চের কর্মসূচি শুরু হয় সকাল ৭টার দিকে। রাতে চট্টগ্রামের লালদীঘি ময়দানে হয় সর্বশেষ সমাবেশ। এতে বিরোধী জোটের নেতারা বলেন, দাবি আদায় করেই ঘরে ফিরবে ১১ দলীয় জোট। তারা বলেন, বিরোধী জোট দলীয় কোনো এজেন্ডা নিয়ে রাস্তায় নামেনি। জনগণের দাবি নিয়ে সরব হয়েছে। সরকার তার নির্বাচনী প্রতিশ্রুতি পূরণ না করলে আন্দোলনের মাধ্যমেই জনগণের দাবি আদায় করা হবে। নেতারা হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, ৬ দফা দাবি আদায়ের কর্মসূচিতে বাধা দেয়া হলে, দাবি মানতে গড়িমসি করলে এই দাবি এক দফায় নেমে আসবে।</p>
<p>পৃথক সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে জামায়াতে ইসলামীর আমীর ও বিরোধীদলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমান বলেন, আমরা কোনো দল, ব্যক্তি বা গোষ্ঠীর জন্য এই রাস্তায় নামিনি। আমরা নেমেছি বাংলাদেশের ১৮ কোটি মানুষের পক্ষে। জনগণের দাবি আদায়ের জন্যই আমাদের এই কর্মসূচি। জনগণের অধিকার নিয়ে ছিনিমিনি খেললে কাউকে ছাড় দেয়া হবে না।<br />
দেশের জনগণ বিভিন্ন সংকটে অতিষ্ঠ মন্তব্য করে জামায়াত আমীর বলেন, চাঁদাবাজদের জ্বালায় জনগণ অতিষ্ঠ। দুর্নীতিবাজদের হাতে জনগণের অধিকার লুণ্ঠিত। গ্যাস নেই, পানি নেই, ইলেকট্রিসিটি নেই, কিন্তু গ্যাসের বিল যথারীতি আছে। বিদ্যুতের ভুতুড়ে বিল আছে।</p>
<p>সিফাতের প্রসঙ্গ টেনে তিনি বলেন, অতিষ্ঠ হয়ে ওই তরুণ প্রতিবাদ করেছে। তার মুখের ভাষা সমর্থন না করলেও যে বিষয়ে তিনি প্রতিবাদ করেছেন, সেই বিষয়ে বাংলাদেশের ১৮ কোটি মানুষ প্রয়োজনে সিফাত হয়ে গর্জে উঠবে।<br />
সিফাতকে মুক্তি দেয়ার আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, ভালোয় ভালোয় তাকে ছেড়ে দিন। যদি না ছাড়েন, তাহলে মনে রাখবেন, এক নূর হোসেন, এক ইয়াসমিন, এক ডাক্তার মিলন অনেকের গদি ওলটপালট করে দিয়েছিল। কখন যে পচা শামুকে পা কাটবে, তা কেউ বলতে পারে না।</p>
<p>বাধা দিলে ছয় দফা এক দফায় পরিণত হবে: লংমার্চের উদ্বোধনী সমাবেশে বিরোধীদলীয় চিফ হুইপ ও জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম বলেন, চট্টগ্রামের লংমার্চে কোনো বাধা আসলে ছয় দফা দাবি এক দফা দাবিতে পরিণত হবে।<br />
তিনি বলেন, এ লংমার্চ আপামর জনতার। সরকার যদি লংমার্চে বাধা দেয় তাহলে সব বাধা উপেক্ষা করে চট্টগ্রামে পৌঁছাবে এবং ১১ দলের ছয় দফা দাবি এক দফা রূপ নেবে।<br />
নাহিদ ইসলাম বলেন, ২০২৪ সালের ৫ই আগস্ট ঐতিহাসিক এক দফার জন্য সারা দেশের মানুষ লংমার্চ টু ঢাকায় এসে স্বৈরাচারের পতন ঘটিয়েছিল। ঢাকা থেকে চট্টগ্রামসহ বিভিন্ন বিভাগে লংমার্চে যাচ্ছি নতুন করে যারা স্বৈরাচার হচ্ছে, সেই পথ বন্ধ করার জন্য।<br />
তিনি আরও বলেন, আমাদের এই লংমার্চ সন্ত্রাস, চাঁদাবাজ, দুর্নীতিবাজদের বিরুদ্ধে। যারা সিন্ডিকেট করে তেল-বিদ্যুৎ-গ্যাসের দাম বাড়ানোর পাঁয়তারা করছে- তাদের বিরুদ্ধে। এই লংমার্চ যারা ৭০ শতাংশ মানুষের ভোটের সঙ্গে প্রতারণা করেছে তাদের বিরুদ্ধে।</p>
<p>এলডিপি’র চেয়ারম্যান কর্নেল (অব.) অলি আহমেদ বীর-বিক্রম বলেন, ১১ দলীয় ঐক্যের আহ্বানে এত ভোরে যেভাবে নেতাকর্মীরা জনগণকে সঙ্গে নিয়ে রাজপথে এসে দাঁড়িয়েছে, বাংলাদেশের আর কোনো রাজনৈতিক দল এত ভোরে রাজপথে আসতে পারবে না। তিনি চ্যালেঞ্জ দিয়ে বলেন, প্রয়োজনে তারেক রহমান সাহেব একটা সমাবেশ এত ভোরে আহ্বান করে দেখতে পারেন।<br />
অলি আহমেদ বলেন, চাঁদাবাজ-মাস্তানদের ভোট দিলে দেশ ভালো চলবে না তার দৃষ্টান্ত বর্তমান সরকার। শান্তিপূর্ণ গণতান্ত্রিক আন্দোলনের মাধ্যমে জনগণের দাবি আদায় করা হবে, ইনশাআল্লাহ।</p>
<p>সমাবেশে বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের আমীর মাওলানা মামুনুল হক বলেন, সরকার জাতির সঙ্গে প্রতারণা করেছে। ক্ষমতার মসনদে বসে যদি জাতিকে ভুলপথে পরিচালিত করার চেষ্টা করে তাহলে টেনে নামাতে আমাদের হাত এক চুলও কাঁপবে না।<br />
জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি জেনারেল মিয়া গোলাম পরওয়ার বলেন, সরকার জনগণের দুর্ভোগ লাঘবে ব্যর্থ হয়েছে। দিনে দিনে দুর্ভোগ বাড়ছে। গণভোটের রায় বাস্তবায়ন না করে সরকার জনগণের সঙ্গে প্রতারণা করেছে। জনগণকে দেয়া সব প্রতিশ্রুতি ভঙ্গ করেছে। সরকারকে সংসদে ভুল স্বীকার করে সংবিধান সংস্কারের উদ্যোগ নিতে হবে।</p>
<p>তিনি বলেন, নতুন করে যারা স্বৈরাচার হতে চাচ্ছে তাদের বিরুদ্ধে আমাদের এই লংমার্চ। যারা গণভোটের রায় মেনে জুলাই সনদ বাস্তবায়ন করেনি এই লংমার্চ তাদের বিরুদ্ধে।<br />
সমাবেশে আরও বক্তব্য দেন এনসিপি’র সদস্য সচিব আখতার হোসেনসহ জোটের অন্যান্য শীর্ষ নেতারা।<br />
সমাবেশ শেষে সকাল ৮টা ১৫ মিনিটে লংমার্চ চট্টগ্রামের উদ্দেশ্যে যাত্রা করে। পথে নারায়ণগঞ্জ, কুমিল্লা, ফেনী এবং চট্টগ্রামের মিরসরাইয়ে পথসভায় বক্তব্য দেন ১১ দলীয় ঐক্যের নেতারা।</p>
<p>নারায়ণগঞ্জ: লংমার্চের গাড়িবহর শনিবার সকাল ৯টায় নারায়ণগঞ্জের সিদ্ধিরগঞ্জের শিমরাইল ট্রাকস্ট্যান্ডে পৌঁছায়। সেখানে ১১ দলীয় জোটের পথসভা অনুষ্ঠিত হয়। পথসভায় সংক্ষিপ্ত বক্তব্যে জামায়াতে ইসলামীর আমীর ও জাতীয় সংসদের বিরোধীদলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমান বলেন, আমরা রাজপথে নেমেছি গণভোট বাস্তবায়ন করার জন্য। জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের চেতনা বাস্তবায়ন করার জন্য। গ্যাস, বিদ্যুৎ ও জ্বালানি সংকট নিরসনের জন্য। এই সরকার জনগণের সঙ্গে প্রতারণা করছে, ভাঁওতাবাজি করছে। জনগণ তাদেরকে ক্ষমা করবে না।</p>
<p>১১ দলীয় জোট জনগণের পাশে আছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, আমাদের ঐক্যবদ্ধ প্রয়াস, এই চেষ্টা আল্লাহ কবুল করবেন। আমরা ফ্যাসিবাদমুক্ত বাংলাদেশ গড়বো। আপনারা বিজয়ের শেষ হাসি হেসে ঘরে ফিরবেন।<br />
জাতীয় সংসদের চিফ হুইপ নাহিদ ইসলাম বলেন, আমাদের লংমার্চ সফল হবে। তেল ও গ্যাসের দাম না কমালে এই সরকারকে গদি ছাড়তে হবে। এ সময় আরও বক্তব্য রাখেন এলডিপি’র চেয়ারম্যান অলি আহমেদ ও এনসিপি’র যুগ্ম সদস্য সচিব আবদুল্লাহ আল আমিন।</p>
<p>কুমিল্লা: কুমিল্লার পদুয়ার বাজার বিশ্বরোডের পথসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে ডা. শফিকুর রহমান বলেন, আমরা সরকারকে পরিষ্কারভাবে বলছি, কুমিল্লা বিভাগ নিয়ে আর ধানাই-পানাই করবেন না। কুমিল্লা বিভাগ-এটা বাস্তবায়ন হোক। পাশের নোয়াখালী, বৃহত্তর নোয়াখালীর মানুষও বিভাগ চাচ্ছেন। তারাও একটি বিভাগ পাওয়ার দাবিদার। তাদেরও দিন। কিন্তু কুমিল্লার দাবি যেহেতু ১৯৯৪ সাল থেকে চলে আসছে, আগে কুমিল্লা বিভাগ বাস্তবায়ন করুন।<br />
আইনশৃঙ্খলার বিষয়টি উল্লেখ করে বিরোধীদলীয় নেতা বলেন, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী কী করেন? তিনি তো সংসদের সব মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব নিয়েছেন, কিন্তু নিজের মন্ত্রণালয়েরই কোনো খবর নেই।</p>
<p>ফেনী: ফেনীর মহিপালে পথসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে ডা. শফিকুর রহমান বলেন, দেশে বিদ্যুৎ, গ্যাস ও পানি সংকটসহ জনগণের নানা সমস্যার সমাধানে সরকার ব্যর্থ হয়েছে।</p>
<p>তিনি বলেন, বিদ্যুৎ কোথাও নেই। কিন্তু বিদ্যুৎ সংসদে আছে শুধু। জিজ্ঞেস করলে বলেন কোনো সংকট নেই। সংসদে দাঁড়িয়ে যারা মিথ্যা কথা বলেন, তাদের দ্বারা দেশের মানুষের সমস্যার সমাধান হবে না।<br />
জামায়াত আমীর বলেন, আপনারা গ্যাস, বিদ্যুৎ ও পানি নিরবচ্ছিন্ন চান, সহনীয় দ্রব্যমূল্য চান। শহীদ ওসমান হাদির বিচার চান, শাপলা গণহত্যার বিচার চান, পিলখানার বিচার চান, জুলাই গণহত্যাসহ সবকিছুর বিচার চান। এই সরকার কি এসবের বিচার করবে?<br />
গণভোট প্রসঙ্গে জামায়াত আমীর বলেন, আপনারা দু’টো ভোট দিয়েছেন। একটি সংসদের জন্য, আরেকটি বাংলাদেশকে মেরামত ও সংস্কার করার জন্য। সরকারি দল ও বিরোধী দল সবাই একমত হয়েছিলাম-গণভোটে হ্যাঁ বিজয়ী হলে তা বাস্তবায়ন করা হবে। ছয় মাস চলে গেছে, সরকার এখনো তা বাস্তবায়ন করেনি। শুরু থেকেই এই সরকার জনগণের সঙ্গে বিশ্বাসঘাতকতা করেছে। জনগণের দাবি অগ্রাহ্য করেছে। অতীতে যারা জনগণের দাবি অগ্রাহ্য করেছে, তাদের করুণ পরিণতি ভোগ করতে হয়েছে।</p>
<p>শেখ হাসিনার সময়ের আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীদের প্রসঙ্গ টেনে তিনি বলেন, শেখ হাসিনার গডফাদাররা সব জায়গায় ছিল, এখন তারা কোথায় গেল? আমাদের কোনো মাসির বাড়ি নাই, পিসির বাড়ি নাই। এই বাংলাদেশই আমাদের গর্বের বাংলাদেশ। এটিই আমাদের ঠিকানা।<br />
তিনি আরও বলেন, আমাদের ওপর স্টিমরোলার চালানো হয়েছে। কিন্তু আমরা কোনো দাদার বাড়ি, পিসির বাড়ি বুঝি নাই। তবুও দেশ ছাড়িনি। মাটি কামড়ে এ দেশেই ছিলাম। আকাশে সামান্য মেঘ দেখলেই কারা পালিয়ে যায়-অতীত ও বর্তমানের সবাইকে আপনারা চেনেন, জানেন।<br />
ডা. শফিকুর রহমান বলেন, আকাশ থেকে কালো বজ্রপাত নামলেও আমরা আপনাদের সঙ্গে এই দেশেই থাকবো। আমরা রাস্তায় নেমেছি কোনো দলীয় দাবি নিয়ে নয়। রাস্তায় নেমেছি, কারণ নতুন করে ফ্যাসিবাদের প্রতিধ্বনি শুনতে পাচ্ছি।</p>
<p>তিনি বলেন, সাড়ে ১৫ বছরের ফ্যাসিবাদ তাড়াতে অনেক জীবন দিতে হয়েছে। এখন চোখ রাঙানো হয়। সাড়ে ১৫ বছর কোথায় ছিল এই চোখ রাঙানি? ভয় করি শুধু আল্লাহকে।<br />
সরকারের দলীয়করণের সমালোচনা করে জামায়াত আমীর বলেন, সব জায়গায় আপনারা দলীয়করণ করবেন, আর বিরোধী দল বসে বসে কি আঙুল চুষবে? বিরোধী দল সেসব জায়গায় প্রতিরোধ গড়ে তুলবে।</p>
<p>পথে পথে জনতার ঢল: ঢাকা থেকে চট্টগ্রাম অভিমুখে ১১ দলীয় ঐক্যের লংমার্চে পথে পথে পথসভায় জনতার ব্যাপক সাড়া দেখা গেছে। শনিবার সকাল ৭টা রাজধানীর শাপলা চত্বর থেকে কর্মসূচি শুরু হওয়ার পর যাত্রাবাড়ি, নারায়ণগঞ্জ, কুমিল্লা, ফেনী ও চট্টগ্রামের লালদিঘি মাঠের যাওয়ার পথে বিভিন্ন পয়েন্টে নেতাকর্মী ও সমর্থকদের ঢল নামে।</p>
<p>কর্মসূচিকে কেন্দ্র করে মহাসড়কের কোথাও একপাশে, আবার দুইপাশে হাজারো নেতাকর্মী ও সমর্থক দলীয় পতাকা, ব্যানার ও প্লাকার্ড হাতে নিয়ে জড়ো হয়ে লংমার্চের বহরকে স্বাগত জানান।<br />
পূর্বঘোষিত কর্মসূচি অনুযায়ী নারায়ণগঞ্জের কাঁচপুর ব্রিজ, কুমিল্লা পদুয়া বাজার, ফেনীর মহিপাল, চট্টগ্রামের মিরসরাই পথসভা অনুষ্ঠিত হয়। এরমধ্যে ফেনীর পথসভাটি জনস্রোতে পরিণত হয়। প্রতিটি পথসভায় স্থানীয় নেতাকর্মী ছাড়াও বিপুলসংখ্যক সাধারণ মানুষের ব্যাপক উপস্থিত ছিল। লংমার্চ ঘিরে মহাসড়কের মোড়ে মোড়ে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর ছিল বিশেষ নিরাপত্তা। বিভিন্ন স্থানে সাধারণ মানুষও লংমার্চের বহর দেখতে ভিড় করেন।<br />
লংমার্চের বহর যতই চট্টগ্রামের দিকে অগ্রসর হয়েছে, ততই বিভিন্ন জেলা ও উপজেলার নেতাকর্মীরা নতুন নতুন যানবাহন নিয়ে এতে যুক্ত হয়েছে বলে আয়োজকরা জানান। আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় ঢাকা-চট্টগ্রাম হাইওয়েতে বিপুলসংখ্যক পুলিশসহ আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা উপস্থিত থেকে লংমার্চের সার্বিক বিষয় সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন করেন।</p>
]]></content:encoded>
					
					<wfw:commentRss>https://chtnews24.com/2026/09/06/%e0%a6%a6%e0%a6%be%e0%a6%ac%e0%a6%bf-%e0%a6%86%e0%a6%a6%e0%a6%be%e0%a6%af%e0%a6%bc-%e0%a6%95%e0%a6%b0%e0%a7%87%e0%a6%87-%e0%a6%98%e0%a6%b0%e0%a7%87-%e0%a6%ab%e0%a6%bf%e0%a6%b0%e0%a6%ac%e0%a7%8b/feed/</wfw:commentRss>
			<slash:comments>0</slash:comments>
		
		
			</item>
		<item>
		<title>এ আন্দোলন ঈদের পরের আন্দোলন নয়,চট্টগ্রামের লালদিঘীর সমাবেশে জামায়াত আমীর</title>
		<link>https://chtnews24.com/2026/09/06/%e0%a6%8f-%e0%a6%86%e0%a6%a8%e0%a7%8d%e0%a6%a6%e0%a7%8b%e0%a6%b2%e0%a6%a8-%e0%a6%88%e0%a6%a6%e0%a7%87%e0%a6%b0-%e0%a6%aa%e0%a6%b0%e0%a7%87%e0%a6%b0-%e0%a6%86%e0%a6%a8%e0%a7%8d%e0%a6%a6%e0%a7%8b/</link>
					<comments>https://chtnews24.com/2026/09/06/%e0%a6%8f-%e0%a6%86%e0%a6%a8%e0%a7%8d%e0%a6%a6%e0%a7%8b%e0%a6%b2%e0%a6%a8-%e0%a6%88%e0%a6%a6%e0%a7%87%e0%a6%b0-%e0%a6%aa%e0%a6%b0%e0%a7%87%e0%a6%b0-%e0%a6%86%e0%a6%a8%e0%a7%8d%e0%a6%a6%e0%a7%8b/#respond</comments>
		
		<dc:creator><![CDATA[adminchtnews24]]></dc:creator>
		<pubDate>Sun, 06 Sep 2026 02:47:17 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[Second lead]]></category>
		<category><![CDATA[রাজনীতি]]></category>
		<category><![CDATA[শিরোনাম]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://chtnews24.com/?p=38072</guid>

					<description><![CDATA[ডেস্ক রির্পোট:- আমাদের এই আন্দোলন ঈদের পরের আন্দোলন নয়—নিজেদের চলমান লংমার্চ কর্মসূচি নিয়ে এমন হুঁশিয়ারি দিয়েছেন জামায়াতে ইসলামীর আমীর ও বিরোধীদলীয় নেতা শফিকুর রহমান। শনিবার চট্টগ্রামের লালদিঘী ময়দানে ১১ দল আয়োজিত লংমার্চ কর্মসূচি শেষে এক সমাবেশে তিনি একথা বলেন। শফিকুর রহমান বলেন, আমরা পরিষ্কার একটা কথা বলি। আমাদের এই আন্দোলন ঈদের পরের আন্দোলন নয়। এই [&#8230;]]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[<p>ডেস্ক রির্পোট:- আমাদের এই আন্দোলন ঈদের পরের আন্দোলন নয়—নিজেদের চলমান লংমার্চ কর্মসূচি নিয়ে এমন হুঁশিয়ারি দিয়েছেন জামায়াতে ইসলামীর আমীর ও বিরোধীদলীয় নেতা শফিকুর রহমান। শনিবার চট্টগ্রামের লালদিঘী ময়দানে ১১ দল আয়োজিত লংমার্চ কর্মসূচি শেষে এক সমাবেশে তিনি একথা বলেন।</p>
<p>শফিকুর রহমান বলেন, আমরা পরিষ্কার একটা কথা বলি। আমাদের এই আন্দোলন ঈদের পরের আন্দোলন নয়। এই আন্দোলন জনগণের প্রাণের দাবি বাস্তবায়নের আন্দোলন।’ তিনি আরও বলেন, তাঁরা কাউকে ক্ষমতা থেকে বিদায় দেয়ার জন্য এই আন্দোলন শুরু করেননি।<br />
জামায়াত আমীর আরও বলেন, ‘কেউ যদি বিদায় নেয়ার আমল করতে থাকে। আমরা কি তাদেরকে ইয়াসিন সূরা পড়ে পানি পড়া খাওয়াবো?’ তিনি দাবি করেন, সরকার সেই পথেই হাঁটছে। এতে তাঁদের কিছু করার নেই। আগের ফ্যাসিস্ট সরকার যে রাস্তা ধরে হেঁটেছে এই সরকার একই রাস্তা ধরে হেঁটেছে।</p>
<p>সমাবেশে এনসিপির আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম বলেন, আমরা এখনো সংসদে আছি, আগামী অধিবেশনে যোগ দেব কিনা এটা বলতে পারছি না। কারণ জনগণের সমস্যার সমাধান যদি না আসে সেই সংসদকে কার্যকর রেখে লাভ কি? আপনার জন্য আমরা ১৬ বছর অপেক্ষা করব না।<br />
স্বৈরাচারের রেখে যাওয়া সমস্যা নিয়ে ১১ দল রাজনীতি করছে&#8217; প্রধানমন্ত্রীর এমন বক্তব্যের সমালোচনা করে নাহিদ বলেন, স্বৈরাচার রেখে যাওয়া সমস্যার সমাধান যদি করতে না পারেন তাহলে সবার আগে জনগণের কাছে স্বীকার করুন, এটা আমার একার পক্ষে সমাধান করা সম্ভব নয়। দেশকে পরিচালনা করার মতো সঠিক পরিকল্পনা আপনার কাছে নেই।</p>
<p>পূর্বঘোষিত কর্মসূচি অনুযায়ী নারায়ণগঞ্জের কাঁচপুরব্রিজ, কুমিল্লার পদুয়া বাজার, ফেনীর মহিপাল, চট্টগ্রামের মিরসরাইয়ে পথসভা অনুষ্ঠিত হয়। এরমধ্যে ফেনীর পথসভাটিতে সর্বোচ্চ উপস্থিতি লক্ষ্য করা গেছে।<br />
লংমার্চ ঘিরে মহাসড়কের বিভিন্ন পয়েন্টে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর বিশেষ তৎপরতা দেখা যায় ।</p>
]]></content:encoded>
					
					<wfw:commentRss>https://chtnews24.com/2026/09/06/%e0%a6%8f-%e0%a6%86%e0%a6%a8%e0%a7%8d%e0%a6%a6%e0%a7%8b%e0%a6%b2%e0%a6%a8-%e0%a6%88%e0%a6%a6%e0%a7%87%e0%a6%b0-%e0%a6%aa%e0%a6%b0%e0%a7%87%e0%a6%b0-%e0%a6%86%e0%a6%a8%e0%a7%8d%e0%a6%a6%e0%a7%8b/feed/</wfw:commentRss>
			<slash:comments>0</slash:comments>
		
		
			</item>
	</channel>
</rss>
