<?xml version="1.0" encoding="UTF-8"?><rss version="2.0"
	xmlns:content="http://purl.org/rss/1.0/modules/content/"
	xmlns:wfw="http://wellformedweb.org/CommentAPI/"
	xmlns:dc="http://purl.org/dc/elements/1.1/"
	xmlns:atom="http://www.w3.org/2005/Atom"
	xmlns:sy="http://purl.org/rss/1.0/modules/syndication/"
	xmlns:slash="http://purl.org/rss/1.0/modules/slash/"
	>

<channel>
	<title>স্বাস্থ্য &#8211; chtnews24.com</title>
	<atom:link href="https://chtnews24.com/category/%E0%A6%B8%E0%A7%8D%E0%A6%AC%E0%A6%BE%E0%A6%B8%E0%A7%8D%E0%A6%A5%E0%A7%8D%E0%A6%AF/feed/" rel="self" type="application/rss+xml" />
	<link>https://chtnews24.com</link>
	<description></description>
	<lastBuildDate>Sun, 06 Sep 2026 02:43:35 +0000</lastBuildDate>
	<language>en-US</language>
	<sy:updatePeriod>
	hourly	</sy:updatePeriod>
	<sy:updateFrequency>
	1	</sy:updateFrequency>
	<generator>https://wordpress.org/?v=7.1</generator>
	<item>
		<title>টেস্ট বাণিজ্য ওপেন সিক্রেট</title>
		<link>https://chtnews24.com/2026/09/06/%e0%a6%9f%e0%a7%87%e0%a6%b8%e0%a7%8d%e0%a6%9f-%e0%a6%ac%e0%a6%be%e0%a6%a3%e0%a6%bf%e0%a6%9c%e0%a7%8d%e0%a6%af-%e0%a6%93%e0%a6%aa%e0%a7%87%e0%a6%a8-%e0%a6%b8%e0%a6%bf%e0%a6%95%e0%a7%8d%e0%a6%b0/</link>
					<comments>https://chtnews24.com/2026/09/06/%e0%a6%9f%e0%a7%87%e0%a6%b8%e0%a7%8d%e0%a6%9f-%e0%a6%ac%e0%a6%be%e0%a6%a3%e0%a6%bf%e0%a6%9c%e0%a7%8d%e0%a6%af-%e0%a6%93%e0%a6%aa%e0%a7%87%e0%a6%a8-%e0%a6%b8%e0%a6%bf%e0%a6%95%e0%a7%8d%e0%a6%b0/#respond</comments>
		
		<dc:creator><![CDATA[adminchtnews24]]></dc:creator>
		<pubDate>Sun, 06 Sep 2026 02:43:35 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[Second lead]]></category>
		<category><![CDATA[শিরোনাম]]></category>
		<category><![CDATA[স্বাস্থ্য]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://chtnews24.com/?p=38066</guid>

					<description><![CDATA[ডেস্ক রির্পোট:- সরকারি হাসপাতালে চিকিৎসা নিতে যাওয়া রোগীদের বড় অংশ পরীক্ষা-নিরীক্ষা করতে গিয়ে ছুটতে হয় বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে। এর পেছনে থাকে দালাল চক্রের বাণিজ্য। সরকারি হাসপাতাল সংশ্লিষ্ট অনেকে এই চক্রে জড়িত। সরকারি হাসপাতালেও পরীক্ষার সুবিধা নিতে কোথাও কোথাও বাড়তি খরচ করতে হয় রোগীদের। রাজধানীর বড় তিন সরকারি মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল- ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল, স্যার সলিমুল্লাহ [&#8230;]]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[<p>ডেস্ক রির্পোট:- সরকারি হাসপাতালে চিকিৎসা নিতে যাওয়া রোগীদের বড় অংশ পরীক্ষা-নিরীক্ষা করতে গিয়ে ছুটতে হয় বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে। এর পেছনে থাকে দালাল চক্রের বাণিজ্য। সরকারি হাসপাতাল সংশ্লিষ্ট অনেকে এই চক্রে জড়িত। সরকারি হাসপাতালেও পরীক্ষার সুবিধা নিতে কোথাও কোথাও বাড়তি খরচ করতে হয় রোগীদের। রাজধানীর বড় তিন সরকারি মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল- ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল, স্যার সলিমুল্লাহ মেডিকেল কলেজ মিটফোর্ড হাসপাতাল এবং সোহরাওয়ার্দী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে টানা এক সপ্তাহ অবস্থান করে মিলেছে এমন অনেক চক্রের সন্ধান। এই চক্র শুধু পরীক্ষার জন্য রোগী ভাগিয়ে নিচ্ছে এমন নয় তারা রোগীদের বাইরের হাসপাতাল ও ক্লিনিকে নিয়ে ভর্তি করছে।</p>
<p>রোগীরা জানান, হাসপাতালের নির্দিষ্ট কক্ষ থেকেই বাইরের ডায়াগনস্টিক সেন্টারের নির্দিষ্ট প্যাড রোগীর ব্যবস্থাপত্র হিসেবে ব্যবহার করা হচ্ছে। ব্যবস্থাপত্রে বিভিন্ন টেস্ট- পরীক্ষা-নিরীক্ষার বিবরণ লিখে দেয়া হয়। ভুক্তভোগীরা বলছেন, সাধারণ টেস্ট যেমন এক্সরে, সিভিসি, আল্ট্রাসনোগ্রাফি ইত্যাদি টেস্টের জন্য তাদের বাইরে পাঠানো হচ্ছে। তাছাড়া ছোট-বড় সব টেস্টই বাইরে করতে হচ্ছে। যেসব টেস্ট হাসপাতালে করা হয় তাতেও শান্তি নেই। ঘণ্টার পর ঘণ্টা লাইনে দাঁড়িয়ে অতিষ্ঠ রোগী ও স্বজনরা। আর এ সুযোগে হাসপাতাল থেকে সহজে টেস্ট করিয়ে দিয়ে বিপুল পরিমাণ টাকা হাতিয়ে নিচ্ছে আরেকটি চক্র।</p>
<p>স্যার সলিমুল্লাহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের একাধিক ওয়ার্ডের রোগীদের টেস্টের ব্যবস্থাপত্র মানবজমিনের হাতে এসেছে। ব্যবস্থাপত্রে দেখা গেছে, ‘মনোতম গল্প মেডিকেল সার্ভিসেস লিমিটেড নামক একটি বেসরকারি ডায়াগনস্টিক সেন্টার’-এর প্যাডে নির্দিষ্ট পরীক্ষা-নিরীক্ষার কথা উল্লেখ করে দেয়া হয়েছে। একাধিক রোগীর ব্যবস্থাপত্রে এই একই সেন্টারের প্যাড ব্যবহার করা হয়েছে। প্যাডের একপাশে ‘তানভীর’ নামের একজন ব্যক্তির মোবাইল নম্বরসহ সিল দিয়ে রাখা হয়েছে। রোগীর স্বজনরা জানান, এই তানভীরই তাদের সঙ্গে যোগাযোগ করেন টেস্টের বিষয়ে। অর্থাৎ, তিনি রোগীদের কাছে এসে নমুনা সংগ্রহ করে নিয়ে যান। এ ছাড়াও, মিটফোর্ড হাসপাতালের সামনেই ছোট-বড় অসংখ্য ডায়াগনস্টিক সেন্টার আছে। মিটফোর্ড হাসপাতালের দ্বিতীয়তলায় আল্ট্রাসনোগ্রাফি কক্ষে গিয়ে দেখা যায়, রোগীদের অনেকেই সারিতে দাঁড়িয়ে টেস্ট করাচ্ছেন। মুন্সীগঞ্জ থেকে আসা সালেহা বেগম বাবার পায়ুপথে অপারেশন করিয়েছেন। হাসপাতালের করিডোরে তার বাবা শুয়ে ছিলেন। সালেহা বেগম বলেন, আমরা দুই সপ্তাহের বেশি সময় হাসপাতালে। এখানে আসার পর প্রায় সব টেস্টই বাইরে থেকে করাতে হয়েছে। ছোট ছোট টেস্ট যেমন- সিবিসি, এক্সরে আর আল্ট্রাসনোগ্রাফির মতো টেস্টগুলোর জন্য আমাদের বাইরে যেতে হয়েছে। তিনি বলেন, হাসপাতাল থেকেই বাইরের বেসরকারি ডায়াগনস্টিক সেন্টারের টোকেন দিয়ে দেয়। তারাই বলেন, সেখান থেকে যাতে এসব টেস্টগুলো করানো হয়। সেখান থেকে তানভীর নামের একজনের মোবাইল নম্বর দিয়ে দেয়া হয়। তিনি রোগীদের কাছে আসেন। তিনি বলেন, হাসপাতালে ডাক্তার চিকিৎসা দিচ্ছেন, এর বাইরে কিছুই পাই না। গ্রাম থেকে এসেছি কম খরচে চিকিৎসা করাবো বলে। এখানে এসে এখন বাইরে থেকে সব টেস্ট করানো লাগছে, ওষুধ কেনা লাগছে বাইরে থেকে।</p>
<p>সোহরাওয়ার্দী ও মিটফোর্ডে টাকা দিলেই মেলে দ্রুত রিপোর্ট: সোহরাওয়ার্দী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে প্রতিটি টেস্টের আগে হাসপাতালে টাকা জমা দিতে হয়। এরপর নমুনা দিতে হয়। সরজমিন টাকা জমা দেয়ার দীর্ঘ লাইন দেখা যায়। রোগী ও স্বজনদের ২ থেকে ৩ ঘণ্টা লাইনে দাঁড়াতে হয়। আর এ সুযোগ নিচ্ছে একটি চক্র। চক্রটি প্রতি টেস্টে ২০০ থেকে ৫০০ টাকা পর্যন্ত হাতিয়ে নিচ্ছে। বিনিময়ে মিলছে সহজে টেস্টের নমুনা দেয়ার সুযোগ।</p>
<p>শহীদ সোহরাওয়ার্দী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি আছেন বিক্রম দাস (৪৪)। কিছুদিন আগেই পিত্তথলিতে অপারেশন হয়েছে তার। পরবর্তীতে কাটা জায়গায় ইনফেকশন হওয়ায় এখনো হাসপাতালে থাকতে হচ্ছে তাকে। টেস্ট বাণিজ্য নিয়ে বিক্রম বলেন, হাসপাতালে ভর্তির পর চিকিৎসক কিছু টেস্ট দেয়। ওয়ার্ড বয় সব ব্যবস্থা করে দেন। তিনি আমার কাছে একটি টেস্টের জন্য ২২০০ টাকা নেন। পরবর্তীতে ডাক্তার ফের সেই টেস্ট করতে দেয়। তখন নিজে গিয়ে টেস্ট করাতে ১৮০০ টাকা লাগে। পরে তার কাছে বেশি নেয়ার কারণ জানতে চাইলে বলেন, কিছু পেতে হলে কিছু দিতে হয়। এরপর থেকে আর তাকে দিয়ে টেস্ট করাইনি। তিনি বলেন, ডাক্তার কোনো পরীক্ষা দিলেই ওয়ার্ড বয়, আয়ারা খোঁজ নিতে আসে। কী কী টেস্ট দিয়েছে জানতে চায়। কোথা থেকে করবো জানতে চায়।</p>
<p>এরপর সহজে টেস্ট করে দেয়ার প্রলোভন দেখায়। তারা ভেতরে গিয়ে সহজেই টাকা জমা দিতে পারে। তাদেরকে ৪০০ থেকে ৫০০ টাকা দিলে খুব সহজে টেস্ট করানো যায়। তাদের মাধ্যমে টেস্ট করালে যা বলা হয় তারা তাই শুনে। তিনি বলেন, একজন সাধারণ রোগী টেস্ট করতে গেলে ঘণ্টার পর ঘণ্টা লাইনে দাঁড়াতে হয়। কিন্তু আয়া বা ওয়ার্ড বয়রা গেলে মিনিটেই কাজ হয়ে যায়। ভেতরের আঁতাত ছাড়া তো এটা সম্ভব নয়। তারা একপ্রকার জিম্মি করে মানুষের পকেট কাটছে।</p>
<p>ঢামেকে টেস্ট বাণিজ্য ‘ওপেন সিক্রেট’: ঢাকা মেডিকেলে আসা রোগীদেরও প্রলোভন দেখিয়ে বাইরের প্রতিষ্ঠানে নিয়ে যাওয়া হয়। এতে নির্দিষ্ট অঙ্কের কমিশন পান দালালরা। ঢাকা মেডিকেলে চিকিৎসা নিতে আসা রোগীদের ভাষ্য অনুযায়ী, চিকিৎসক কোনো টেস্ট দিলে সঙ্গে সঙ্গে কিছু বুঝে ওঠার আগেই রোগীদের বেডের পাশে হাজির হন দালালরা। নিয়ে যান রোগীদের নমুনা। এরপর রোগীদের হাতে ধরিয়ে দেয় বিল। এসকল কাজ হয় ওয়ার্ডে কর্তব্যরত চিকিৎসক, নার্সদের সামনেই। এ বিষয়ে অভিযোগ দিলেই রোগীদের অপমান করেন কর্তব্যরত নার্সরা। ঢাকা মেডিকেলে টেস্ট ভালো না, রিপোর্ট দিতে দেরি হবে ডাক্তার থাকবে না এসব কথা বলে রোগীদের প্রলোভন দেখায় তারা।</p>
<p>২৩শে আগস্ট রোববার দুপুর আড়াইটা ঢাকা মেডিকেল ভবন-২ এর উল্টোপাশে হেলথ এইড ডায়াগনস্টিক সেন্টার থেকে বেরিয়ে আসছিলেন ষাটোর্র্ধ্ব মন্সুর আলী। সঙ্গে ছিলেন তার স্ত্রী ও আরেকজন মধ্যবয়সী মহিলা। ওই মহিলা তাদেরকে গাইড করছিলেন হাসপাতাল নিয়ে যাওয়ার জন্য। এ সময় ভুক্তভোগী মন্সুর আলী মানবজমিনকে বলেন, আমি ডাক্তার দেখানোর পর ডাক্তার আমাকে রক্ত পরীক্ষা দেয়। কিন্তু এই মহিলা আমাদের বলেন, রক্ত পরীক্ষা ঢাকা মেডিকেলে হবে না। বাইরে থেকে করাতে হবে। আমরা হেলথ এইড হাসপাতালে যাওয়ার পর তারা অতিরিক্ত টাকা চায়। তাই চলে আসি। এখন এই মহিলা দালাল আমাদের পিছু ছাড়ছে না। এ বিষয়ে অভিযুক্ত মহিলা দালাল আলেয়া বলেন, আমি উনাদের থেকে কোনো টাকা নেইনি। উনারা কিছু চিনে না তাই গাইড করছিলাম, কোথায় গেলে টেস্ট করাতে পারবেন। এই রক্ত পরীক্ষা বিকালে করাতে হবে। তাই তাদের প্রাইভেট ক্লিনিকে নিয়ে গিয়েছিলাম।<br />
ঢাকা মেডিকেল ভবন-২ এর ৬০২ নম্বর ওয়ার্ডে চিকিৎসাধীন ডেঙ্গু রোগে আক্রান্ত ওয়াসিম। পেশায় সিএনজিচালক। তার সঙ্গে থাকা আসলাম বলেন, ডাক্তার কোনো টেস্ট করতে দেয়ার পর পর হঠাৎ দালাল এসে রক্ত নিয়ে যায়। এখানে সবাই দালালের যন্ত্রণায় অতিষ্ঠ। আমি একটি রক্ত পরীক্ষা নিজে গিয়ে বাইরে অথেন্টিক ডায়াগনস্টিক সেন্টারে করেছি ৯০০ টাকা দিয়ে। অথচ দালাল আমার কাছ থেকে ৩২০০ টাকা চেয়েছে।</p>
<p>একই ওয়ার্ডে কথা হয় লিভার জটিলতায় আক্রান্ত শাহ আলমের সঙ্গে। তিনি বলেন, আমি ৪ দিন ধরে হাসপাতালে ভর্তি। প্রথমে ডাক্তার টেস্ট দেয়ার পর একজন এসে রক্ত নিয়ে গেল। আমরা মনে করেছি সে ডাক্তার কিন্তু পরে যখন রিপোর্ট দিয়ে মোটা অঙ্কের টাকা দাবি করলো তখন বুঝলাম এরা দালাল। এখানে দায়িত্বরত নার্সরা এদের সঙ্গে জড়িত। তাদের সামনে এসে দালালরা রোগীদের নমুনা নিয়ে যাচ্ছে। অথচ তারা কিছু বলে না।</p>
<p>১২ দিন ধরে ঢাকার কেরানীগঞ্জ থেকে মায়ের চিকিৎসার জন্য হাসপাতালে হাফিজ। মায়ের বড় অস্ত্রোপচার হয়েছে। এই ১২ দিনে প্রায় ৮০ হাজার টাকা খরচ। তিনিও সকল টেস্ট করিয়েছেন একটি বেসরকারি ডায়াগনস্টিক সেন্টার থেকে। হাসপাতাল থেকে ডায়াগনস্টিক সেন্টারের প্যাডে ইস্যু করা প্রেসক্রিপশন। হাফিজ বলেন, আমি ভেবেছিলাম এখানে সবকিছুই মনে হয় আমার আয়ত্তের ভেতরে থাকবে। এখন দেখি আয়ত্তের বাইরে চলে গেছে সব। আমাদের এত টাকা বহন করার ক্ষমতা নাই। আশা করছিলাম যে এইখানে আসছি, আমাদের ব্যয় কম লাগবে। খরচটা কম হবে। কিন্তু এখানে কম দামে কোনো চিকিৎসা হয় না। সব বাহিরের থেকে করা লাগে। তিনি বলেন, এখানে যতগুলো টেস্ট হয় করিয়েছি, প্রত্যেকটি বেসরকারিতে করানো লেগেছে। এখানে ব্লাড টেস্ট, সিবিসি টেস্ট, আল্ট্রাসনোগ্রাফি, এক্সরে সব টেস্ট করানোর জন্য ডাক্তাররা আমাকে বাইরে পাঠিয়েছেন। তারা জানান, এখানে করতে পারবো না, এখানে হবে না। মানবজমিন</p>
]]></content:encoded>
					
					<wfw:commentRss>https://chtnews24.com/2026/09/06/%e0%a6%9f%e0%a7%87%e0%a6%b8%e0%a7%8d%e0%a6%9f-%e0%a6%ac%e0%a6%be%e0%a6%a3%e0%a6%bf%e0%a6%9c%e0%a7%8d%e0%a6%af-%e0%a6%93%e0%a6%aa%e0%a7%87%e0%a6%a8-%e0%a6%b8%e0%a6%bf%e0%a6%95%e0%a7%8d%e0%a6%b0/feed/</wfw:commentRss>
			<slash:comments>0</slash:comments>
		
		
			</item>
		<item>
		<title>ছড়িয়ে পড়ছে সংক্রামক রোগ স্ক্যাবিস,► ঘরে ঘরে আক্রান্ত হচ্ছে মানুষ ► হোস্টেল গণরুম বস্তি পোশাকশিল্প এলাকা ঝুঁকিতে</title>
		<link>https://chtnews24.com/2026/09/03/%e0%a6%9b%e0%a6%a1%e0%a6%bc%e0%a6%bf%e0%a6%af%e0%a6%bc%e0%a7%87-%e0%a6%aa%e0%a6%a1%e0%a6%bc%e0%a6%9b%e0%a7%87-%e0%a6%b8%e0%a6%82%e0%a6%95%e0%a7%8d%e0%a6%b0%e0%a6%be%e0%a6%ae%e0%a6%95-%e0%a6%b0/</link>
					<comments>https://chtnews24.com/2026/09/03/%e0%a6%9b%e0%a6%a1%e0%a6%bc%e0%a6%bf%e0%a6%af%e0%a6%bc%e0%a7%87-%e0%a6%aa%e0%a6%a1%e0%a6%bc%e0%a6%9b%e0%a7%87-%e0%a6%b8%e0%a6%82%e0%a6%95%e0%a7%8d%e0%a6%b0%e0%a6%be%e0%a6%ae%e0%a6%95-%e0%a6%b0/#respond</comments>
		
		<dc:creator><![CDATA[adminchtnews24]]></dc:creator>
		<pubDate>Thu, 03 Sep 2026 04:12:34 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[শিরোনাম]]></category>
		<category><![CDATA[স্বাস্থ্য]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://chtnews24.com/?p=37998</guid>

					<description><![CDATA[ডেস্ক রির্পোট:- রাজধানীর কালাচাঁদপুর এলাকার বাসিন্দা সাদিয়া খাতুন জোয়ার সাহারা এলাকার একটি পোশাক কারখানায় কাজ করেন। তাঁর হাতের আঙুলের ফাঁকে ছোট ছোট ফোসকার মতো দেখা দেয়। তীব্র চুলকানির সঙ্গে ক্ষত তৈরি হয়ে আঙুল থেকে শরীরের বিভিন্ন জায়গায় ছড়িয়ে পড়ে। সাদিয়া বলেন, ‘সারা শরীরে চুলকানির যন্ত্রণায় রক্ত বেরিয়ে গেছে। অবস্থা বেগতিক হওয়ায় কুর্মিটোলা জেনারেল হাসপাতালে চিকিৎসকের [&#8230;]]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[<p>ডেস্ক রির্পোট:- রাজধানীর কালাচাঁদপুর এলাকার বাসিন্দা সাদিয়া খাতুন জোয়ার সাহারা এলাকার একটি পোশাক কারখানায় কাজ করেন। তাঁর হাতের আঙুলের ফাঁকে ছোট ছোট ফোসকার মতো দেখা দেয়। তীব্র চুলকানির সঙ্গে ক্ষত তৈরি হয়ে আঙুল থেকে শরীরের বিভিন্ন জায়গায় ছড়িয়ে পড়ে। সাদিয়া বলেন, ‘সারা শরীরে চুলকানির যন্ত্রণায় রক্ত বেরিয়ে গেছে। অবস্থা বেগতিক হওয়ায় কুর্মিটোলা জেনারেল হাসপাতালে চিকিৎসকের কাছে গেলে তিনি জানান আমি ছোঁয়াচে রোগ স্ক্যাবিসে আক্রান্ত। চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী ওষুধ সেবন, ক্রিম লাগিয়ে এবং ব্যবহৃত কাপড়, বিছানার চাদর সবকিছু পরিচ্ছন্ন করে অনেকটা নিয়ন্ত্রণে আনতে পেরেছি।’</p>
<p>দেশের বেশ কিছু জায়গায় ছোঁয়াচে রোগ স্ক্যাবিসের প্রকোপ দেখা দিয়েছে। ঢাকা, গাজীপুর, রাজশাহী, কুমিল্লা, দিনাজপুরসহ দেশের বেশ কিছু জায়গায় স্ক্যাবিস আক্রান্ত রোগী বাড়ছে। ছোঁয়াচে হওয়ার কারণে সারা দেশে ছড়িয়ে পড়ছে সংক্রামক এই রোগ।</p>
<p>বাংলাদেশ মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের চর্ম ও যৌনরোগ বিভাগের সাবেক বিভাগীয় প্রধান অধ্যাপক ডা. মো. শহীদুল্লাহ সিকদার বলেন, ‘ভাইরাস কিংবা ব্যাকটেরিয়া নয়; ছোঁয়াচে রোগ স্ক্যাবিস একধরনের পরজীবীর কারণে হয়। আমার ৪৩ বছরের কর্মজীবনে এত বেশি স্ক্যাবিস আক্রান্ত রোগী দেখিনি। বিশ্ববিদ্যালয়ের আবাসিক হল, মেসে বসবাসকারী শিক্ষার্থী, মাদ্রাসার শিক্ষার্থী, হোস্টেলে থাকা কর্মজীবী নারী-পুরুষরা বেশি আক্রান্ত হচ্ছেন। পোশাককর্মী, বস্তিতে বসবাসকারী বাসিন্দারা আক্রান্ত হচ্ছেন। গাদাগাদি করে অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে থাকলে, কাপড় পরিচ্ছন্ন না রাখলে, নিয়মিত সাবান দিয়ে গোসল না করলে এ রোগে আক্রান্ত হওয়ার ঝুঁকি বাড়ে। শিশু, বয়স্ক এবং যাদের শরীরে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা কম, তারা বেশি আক্রান্ত হয়।’ এই চর্মরোগ বিশেষজ্ঞ আরও বলেন, ‘স্ক্যাবিসের প্রচলিত মুখে খাওয়ার ওষুধ, লোশন, ক্রিমগুলো অকার্যকর হয়ে পড়ছে। তাই এই রোগ প্রতিরোধী কার্যকর ওষুধ খুঁজে বের করা জরুরি হয়ে পড়েছে। পরিবারে একজন আক্রান্ত হলে পুরো পরিবারকেই চিকিৎসার আওতায় নিতে হবে। বারবার স্ক্যাবিস আক্রান্ত হলে রোগীর কিডনিও ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে। এজন্য এ রোগের বিষয়ে সচেতনতা বাড়াতে হবে।’</p>
<p>স্ক্যাবিস রোগের বিষয়ে জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক কীটতত্ত্ববিদ ড. কবিরুল বাশার বলেন, ‘স্ক্যাবিস বা খোসপাঁচড়া একটি অত্যন্ত সংক্রামক চর্মরোগ, সারকোপটিস স্ক্যাবি নামের একধরনের মাইক্রোস্কোপিক পরজীবী প্রাণীর কারণে হয়। এই পরজীবী মানুষের ত্বকের ওপরের স্তরে বাসা বেঁধে ডিম পেড়ে বংশবিস্তার করে, ফলে তীব্র চুলকানি, লাল ফুসকুড়ি এবং ছোট ছোট ফোসকার সৃষ্টি হয়। রোগটি সাধারণত হাতের আঙুলের ফাঁক, কবজি, কোমর, নিতম্ব এবং জননাঙ্গের চারপাশে বেশি দেখা যায়। রাতে এই চুলকানি তীব্র আকার ধারণ করে, যা রোগীর স্বাভাবিক জীবনযাত্রাকে ব্যাহত করে।’</p>
<p>আক্রান্ত হচ্ছেন শিক্ষার্থীরা : বিশ্ববিদ্যালয়ের আবাসিক হল, গণরুম, মেসে থাকা শিক্ষার্থীরা আক্রান্ত হচ্ছেন স্ক্যাবিসে। রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিনিধি রায়হান ইসলাম জানান, প্রতিদিন গড়ে ৮-১০ জন এ ছোঁয়াচে রোগে আক্রান্ত হচ্ছেন। বিশ্ববিদ্যালয় মেডিকেল সেন্টারের চর্মরোগ বিশেষজ্ঞ ডা. মশিউর আলম বলেন, প্রতিদিন অন্তত ৮-১০ জন রোগী স্ক্যাবিস রোগে আক্রান্ত হয়ে চিকিৎসার জন্য আসছেন। অসচেতনতায় মূলত এ রোগ ছড়াচ্ছে। বিশ্ববিদ্যালয়ের মেডিকেল সেন্টার সূত্রে জানা গেছে, গত তিন মাসে পাঁচ শতাধিক রোগী স্ক্যাবিস রোগের চিকিৎসা নিয়েছেন। তাঁদের মধ্যে শিক্ষার্থী ৮০ শতাংশ ও শিক্ষক-কর্মকর্তা-কর্মচারী ২০ শতাংশ। শিক্ষার্থীদের মধ্যে ছাত্রীর সংখ্যা তুলনামূলক বেশি।</p>
<p>পোশাকশিল্প শ্রমিকদের মধ্যে আক্রান্তের হার বেশি : দেশের তৈরি পোশাকশিল্পের লাখো শ্রমিকের কর্মস্থলে দীর্ঘ সময় একসঙ্গে কাজ করার পাশাপাশি অনেকেই বসবাস করেন ঘনবসতিপূর্ণ এলাকায়। ২০২৬ সালের জুনে প্রকাশিত ‘অ্যাসেসমেন্ট অব স্ক্যাবিস সিম্পটমস অ্যান্ড রিস্ক ডিটারমিন্যান্টস অ্যামং গার্মেন্ট ইন্ডাস্ট্রি ওয়ার্কার্স অব টঙ্গী, গাজীপুর, বাংলাদেশ’ শীর্ষক গবেষণাটি জানুয়ারি থেকে জুন ২০২৫ পর্যন্ত একটি পোশাক কারখানার চিকিৎসাকেন্দ্রে স্ক্যাবিসে আক্রান্ত ১০০ কর্মীকে নিয়ে করা হয়। গবেষণায় অংশ নেওয়া সবাই চুলকানির কথা জানিয়েছেন। তাঁদের ৮৮ শতাংশের রাতে চুলকানি বেড়ে যায়। ৯৪ শতাংশের শরীরে স্ক্যাবিসের সাধারণ লক্ষণ-লালচে দানা, ফুসকুড়ি বা ত্বকের নিচে মাইটের তৈরি সরু দাগ পাওয়া যায়। টঙ্গীর শহীদ আহসান উল্লাহ মাস্টার জেনারেল হাসপাতালের আবাসিক চিকিৎসক ডা. মাহমুদ ইকবাল হাফিজ বলেন, স্ক্যাবিস আক্রান্ত রোগীদের মধ্যে পোশাক কারখানার নারীশ্রমিকের সংখ্যা বেশি। এ ছাড়া শিশু ও অন্য রোগীরাও আসেন।বাংলাদেশ প্রতিদিন</p>
]]></content:encoded>
					
					<wfw:commentRss>https://chtnews24.com/2026/09/03/%e0%a6%9b%e0%a6%a1%e0%a6%bc%e0%a6%bf%e0%a6%af%e0%a6%bc%e0%a7%87-%e0%a6%aa%e0%a6%a1%e0%a6%bc%e0%a6%9b%e0%a7%87-%e0%a6%b8%e0%a6%82%e0%a6%95%e0%a7%8d%e0%a6%b0%e0%a6%be%e0%a6%ae%e0%a6%95-%e0%a6%b0/feed/</wfw:commentRss>
			<slash:comments>0</slash:comments>
		
		
			</item>
		<item>
		<title>‘গোল্ডেন আওয়ারে’ প্রাণহানি কমাতে মহাসড়কে অ্যাম্বুলেন্স, ফল মিলবে?</title>
		<link>https://chtnews24.com/2026/08/24/%e0%a6%97%e0%a7%8b%e0%a6%b2%e0%a7%8d%e0%a6%a1%e0%a7%87%e0%a6%a8-%e0%a6%86%e0%a6%93%e0%a6%af%e0%a6%bc%e0%a6%be%e0%a6%b0%e0%a7%87-%e0%a6%aa%e0%a7%8d%e0%a6%b0%e0%a6%be%e0%a6%a3%e0%a6%b9/</link>
					<comments>https://chtnews24.com/2026/08/24/%e0%a6%97%e0%a7%8b%e0%a6%b2%e0%a7%8d%e0%a6%a1%e0%a7%87%e0%a6%a8-%e0%a6%86%e0%a6%93%e0%a6%af%e0%a6%bc%e0%a6%be%e0%a6%b0%e0%a7%87-%e0%a6%aa%e0%a7%8d%e0%a6%b0%e0%a6%be%e0%a6%a3%e0%a6%b9/#respond</comments>
		
		<dc:creator><![CDATA[adminchtnews24]]></dc:creator>
		<pubDate>Mon, 24 Aug 2026 02:33:44 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[Second lead]]></category>
		<category><![CDATA[জাতীয়]]></category>
		<category><![CDATA[বাংলাদেশ]]></category>
		<category><![CDATA[শিরোনাম]]></category>
		<category><![CDATA[স্বাস্থ্য]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://chtnews24.com/?p=37810</guid>

					<description><![CDATA[ডেস্ক রির্পোট:- মহাসড়কে দুর্ঘটনার পর আহত ব্যক্তির জীবন বাঁচাতে ২০ মিনিটের মধ্যে জরুরি সাড়া দেওয়ার লক্ষ্যে অ্যাম্বুলেন্স সার্ভিস চালুর উদ্যোগ নিয়েছে সরকার। এজন্য নামানো হচ্ছে ৬০টি বেসিক লাইফ সাপোর্ট (বিএলএস) অ্যাম্বুলেন্স। থাকবে কল সেন্টার, প্রশিক্ষিত জনবল ও দুর্ঘটনাস্থলে প্রাথমিক চিকিৎসার ব্যবস্থা। লক্ষ্য দুর্ঘটনার পর প্রাণহানি কমাতে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ সময় বা ‘গোল্ডেন আওয়ার’ কাজে লাগানো। তবে [&#8230;]]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[<p>ডেস্ক রির্পোট:- মহাসড়কে দুর্ঘটনার পর আহত ব্যক্তির জীবন বাঁচাতে ২০ মিনিটের মধ্যে জরুরি সাড়া দেওয়ার লক্ষ্যে অ্যাম্বুলেন্স সার্ভিস চালুর উদ্যোগ নিয়েছে সরকার। এজন্য নামানো হচ্ছে ৬০টি বেসিক লাইফ সাপোর্ট (বিএলএস) অ্যাম্বুলেন্স। থাকবে কল সেন্টার, প্রশিক্ষিত জনবল ও দুর্ঘটনাস্থলে প্রাথমিক চিকিৎসার ব্যবস্থা। লক্ষ্য দুর্ঘটনার পর প্রাণহানি কমাতে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ সময় বা ‘গোল্ডেন আওয়ার’ কাজে লাগানো।</p>
<p>তবে এই উদ্যোগ কতটা কার্যকর হবে, তা নিয়ে সংশ্লিষ্টদের মধ্যে সমন্বয়ের বিষয়টি গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে। সড়ক দুর্ঘটনার পর প্রথম এক ঘণ্টা বা ‘গোল্ডেন আওয়ার’ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ উল্লেখ করে সংশ্লিষ্টরা বলছেন, এর মাধ্যমে দুর্ঘটনায় প্রাণহানি অনেকটাই কমানো সম্ভব। তবে প্রকল্পের সফলতা নির্ভর করছে, এটি কতটা সমন্বয় করে কার্যকর করা যাচ্ছে, তার ওপর।</p>
<p>এদিকে সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রণালয়ের তথ্য ও জনসংযোগ কর্মকর্তা নোবেল দে জানিয়েছেন, অ্যাম্বুলেন্স উদ্বোধন ও প্রকল্পের কার্যক্রম অবহিতকরণ অনুষ্ঠান আজ সোমবার (২৪ আগস্ট) রাজধানীর তেজগাঁওয়ের সড়ক ভবনের অডিটোরিয়ামে অনুষ্ঠিত হবে। অনুষ্ঠানে সড়ক পরিবহন ও সেতু, রেলপথ এবং নৌপরিবহন মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী শেখ রবিউল আলম প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকবেন। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকবেন রেলপথ মন্ত্রণালয় এবং সড়ক পরিবহন ও মহাসড়ক বিভাগের প্রতিমন্ত্রী হাবিবুর রশিদ।</p>
<p>সংশ্লিষ্টরা জানান, বিশ্বব্যাংকের অর্থায়নে বাস্তবায়নাধীন বাংলাদেশ রোড সেফটি প্রজেক্টের (বিআরএসপি) অংশ হিসেবে এ ব্যবস্থা চালুর উদ্যোগ নিয়েছে সরকার। প্রকল্পটিতে বিশ্বব্যাংকের মূল অর্থায়ন ছিল ৩৫৮ মিলিয়ন ডলার। প্রকল্পের অন্যতম লক্ষ্য গাজীপুর-এলেঙ্গা (এন-ফোর) এবং নাটোর-নবাবগঞ্জ (এন-সিক্স) মহাসড়কে দুর্ঘটনায় মৃত্যু ও গুরুতর আহতের সংখ্যা কমানো।</p>
<p>সংশ্লিষ্টদের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, ৬০টি বেসিক লাইফ সাপোর্ট (বিএলএস) অ্যাম্বুলেন্স ও সংশ্লিষ্ট চিকিৎসা সরঞ্জাম সরবরাহের চুক্তি করা হয়েছে। এন-ফোর ও এন-সিক্স মহাসড়কে জরুরি সেবার সাড়া দেওয়ার সময় বর্তমানে ৩০ মিনিট ধরে হিসাব করা হয়েছে। প্রকল্পের লক্ষ্য সেটি ২০ মিনিটে নামিয়ে আনা। অ্যাম্বুলেন্স সেবা চালু হলে টোল-ফ্রি নম্বর চালুর পরিকল্পনাও রয়েছে।</p>
<p>‘গোল্ডেন আওয়ার’ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ</p>
<p>হাইওয়ে পুলিশের অতিরিক্ত ডিআইজি (অপারেশনস) মুনতাসিরুল ইসলাম বলেন, দুর্ঘটনার পর দ্রুত আহত ব্যক্তিকে হাসপাতালে নিতে পারলে জীবন রক্ষার সম্ভাবনা বাড়ে। সে বিবেচনায় সরকারের আধুনিক অ্যাম্বুলেন্সভিত্তিক জরুরি চিকিৎসাসেবার উদ্যোগ প্রশংসনীয়। বিশ্বজুড়েই এখন দুর্ঘটনা-পরবর্তী মৃত্যু কমানোর বিষয়টি গুরুত্ব পাচ্ছে। বিভিন্ন দেশে বিশ্বব্যাংকের সহায়তায় ‘পোস্ট-ক্র্যাশ রেসপন্স’ বা দুর্ঘটনা-পরবর্তী সমন্বিত জরুরি সেবা গড়ে তোলা হচ্ছে। বাংলাদেশেও বিআরএসপির আওতায় সে ধরনের ব্যবস্থা গড়ে তোলার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।</p>
<p>মুনতাসিরুল ইসলাম বলেন, “সড়ক দুর্ঘটনার পর প্রথম এক ঘণ্টা বা ‘গোল্ডেন আওয়ার’ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এই সময়ের মধ্যে আহত ব্যক্তিকে যত দ্রুত সম্ভব হাসপাতালে নেওয়া গেলে তার জীবন রক্ষার সম্ভাবনা বাড়ে।”</p>
<p>দুর্ঘটনার খবর পাওয়া, ঘটনাস্থল নিরাপদ করা, যান চলাচল নিয়ন্ত্রণ, আহতদের উদ্ধার এবং অ্যাম্বুলেন্সকে দ্রুত বের করে দেওয়ার কাজে হাইওয়ে পুলিশের ভূমিকা সবার আগে। ফলে নতুন এই জরুরি সেবা কার্যকর করতে পুলিশ, কল সেন্টার, অ্যাম্বুলেন্স, প্যারামেডিক ও হাসপাতালের মধ্যে সমন্বয় গুরুত্বপূর্ণ।</p>
<p>দুর্ঘটনার খবর পাওয়ার পর যদি এসব সংস্থা একই ব্যবস্থার মধ্যে দ্রুত কাজ করতে পারে, তাহলে ২০ মিনিটের লক্ষ্য অর্থবহ হবে। তবে যে সংস্থাকে দুর্ঘটনাস্থলে প্রথম কাজ করতে হয়, সেই হাইওয়ে পুলিশই যদি পরিকল্পনার বাইরে থাকে, তাহলে অ্যাম্বুলেন্সের দ্রুত সাড়া দেওয়ার লক্ষ্য বাস্তবায়নে চ্যালেঞ্জ তৈরি হতে পারে।</p>
<p>বিশ্বব্যাংকও প্রকল্পটিকে একটি ‘মাল্টি-এজেন্সি’ বা বহু সংস্থার সমন্বিত উদ্যোগ হিসেবে দেখছে। সড়ক ও জনপথ অধিদফতর, বিআরটিএ, বাংলাদেশ পুলিশ এবং স্বাস্থ্য অধিদফতর—চারটি সংস্থা এতে যুক্ত। স্বাস্থ্য অধিদফতরের দায়িত্বের মধ্যে রয়েছে দুর্ঘটনা-পরবর্তী জরুরি চিকিৎসাসেবা উন্নত করা।</p>
<p>প্রকল্পের আওতায় শুধু অ্যাম্বুলেন্স কেনা নয়, তা পরিচালনা, কল সেন্টার এবং দুর্ঘটনাস্থলে উপস্থিত সাধারণ মানুষকে প্রাথমিক সেবায় যুক্ত করার ব্যবস্থাও রাখা হয়েছে। এ কাজের জন্য গত ১২ মার্চ এমপাওয়ার-আদ-দিন-বন্ডস্টাইন জেভির সঙ্গে প্রায় ৭৮ কোটি টাকার চুক্তি করেছে প্রকল্প কর্তৃপক্ষ। চুক্তির মেয়াদ ২০২৮ সালের জুন পর্যন্ত।</p>
<p>শুধু অ্যাম্বুলেন্স নয়, পথে চিকিৎসাও জরুরি</p>
<p>বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বুয়েট) পুরকৌশল বিভাগের অধ্যাপক ও পরিবহন বিশেষজ্ঞ ড. মো. হাদিউজ্জামানের মতে, অ্যাম্বুলেন্স কেনা পুরো সমাধান নয়। দুর্ঘটনাস্থল থেকে হাসপাতাল পর্যন্ত একটি কার্যকর চিকিৎসা-শৃঙ্খল তৈরি করতে হবে।</p>
<p>তিনি বলেন, ‘সড়ক দুর্ঘটনার পর প্রথম এক ঘণ্টা বা গোল্ডেন আওয়ার অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এই সময়ের মধ্যে আহত ব্যক্তিকে যত দ্রুত সম্ভব ট্রমা সেন্টার বা হাসপাতালে নেওয়া গেলে তার জীবন রক্ষার সম্ভাবনা বাড়ে। সে বিবেচনায় আধুনিক অ্যাম্বুলেন্সভিত্তিক জরুরি চিকিৎসাসেবা একটি কার্যকর মডেল।’</p>
<p>হাদিউজ্জামান আরও বলেন, আধুনিক অ্যাম্বুলেন্স শুধু রোগী বহনের গাড়ি নয়। সেখানে প্রশিক্ষিত প্যারামেডিক, জরুরি চিকিৎসা সরঞ্জাম ও টেলিমেডিসিন সুবিধা থাকতে পারে। এতে হাসপাতালে পৌঁছানোর আগেই আহত ব্যক্তিকে প্রাথমিকভাবে স্থিতিশীল রাখার সুযোগ তৈরি হয়। প্রয়োজনে চিকিৎসকের সঙ্গে যোগাযোগ করে পথেই চিকিৎসার নির্দেশনা নেওয়া যায়।</p>
<p>যানজটেই আটকে যেতে পারে ‘গোল্ডেন আওয়ার’</p>
<p>বাংলাদেশের বাস্তবতায় সবচেয়ে বড় বাধা হতে পারে সড়কের যানজট। হাদিউজ্জামান বলেন, ‘আমাদের প্রধান সমস্যা দুর্বল সড়ক নেটওয়ার্ক ও যানজট। দুর্ঘটনাস্থলে দ্রুত অ্যাম্বুলেন্স পৌঁছানো যেমন কঠিন, তেমনি আহত ব্যক্তিকে দ্রুত হাসপাতালে নেওয়াও বড় চ্যালেঞ্জ।’</p>
<p>তার মতে, উন্নত দেশে অ্যাম্বুলেন্সের জন্য রুট অপটিমাইজেশন এবং ট্রাফিক সিগন্যালে অগ্রাধিকার থাকে। কোনও অ্যাম্বুলেন্স মোড় বা সিগন্যালে পৌঁছালে অন্য যান থামিয়ে সেটিকে আগে যাওয়ার সুযোগ দেওয়া হয়। বাংলাদেশের ট্রাফিক ব্যবস্থা এখনও সেই পর্যায়ে পৌঁছেনি।</p>
<p>হাদিউজ্জামান আরও বলেন, ‘অ্যাম্বুলেন্স মডেল চালু করলেই হবে না। সড়ক নেটওয়ার্ক, যোগাযোগ ব্যবস্থা, ট্রাফিক সিগন্যাল এবং ইন্টারসেকশনে অ্যাম্বুলেন্সকে অগ্রাধিকার—সব একসঙ্গে কার্যকর করতে হবে।’</p>
<p>প্রকল্পের অর্থায়নের পুনর্বিন্যাস</p>
<p>প্রকল্পের আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ দিক হচ্ছে অর্থায়নের পুনর্বিন্যাস। সংশ্লিষ্টরা বলছেন, বাস্তবায়নে ধীরগতি ও কম অর্থ ছাড়ের পর প্রকল্প পুনর্গঠন করা হয়। মূল ঋণ থেকে ১৫০ মিলিয়ন ডলার বাতিল করা হয়। পুনর্গঠনে দুর্ঘটনা-পরবর্তী সেবার জন্য বরাদ্দও আগের তুলনায় ৫৭ শতাংশ কমানো হয়েছে। তবে এন-ফোর ও এন-সিক্সের পাইলট করিডরে জরুরি চিকিৎসা ও পোস্ট-ক্র্যাশ কেয়ারের মূল কার্যক্রম বহাল রাখার কথা বলা হয়েছে।</p>
<p>বিশ্লেষকরা বলছেন, ৬০টি অ্যাম্বুলেন্স নামানোই মুখ্য নয়। ফোন পাওয়ার পর কত দ্রুত গাড়ি ছাড়বে, কত মিনিটে ঘটনাস্থলে পৌঁছাবে, সেখানে কত দ্রুত চিকিৎসা শুরু হবে এবং আহত ব্যক্তিকে কোন হাসপাতালে নেওয়া হবে—এসবের ওপর নির্ভর করবে প্রকল্পটির কার্যকারিতা।</p>
<p>‘সমন্বিত উদ্যোগ ছাড়া সম্ভব নয়’</p>
<p>নিরাপদ সড়ক চাই-এর প্রতিষ্ঠাতা ইলিয়াস কাঞ্চনও সম্প্রতি সড়ক নিরাপত্তায় সমন্বিত উদ্যোগের ওপর গুরুত্ব দিয়েছেন। গত ৭ আগস্ট সংগঠনটির এক সমাবেশে তিনি বলেন, রাজনৈতিক সদিচ্ছা, কার্যকর আইন প্রয়োগ, বিজ্ঞানভিত্তিক পরিকল্পনা, আধুনিক প্রযুক্তি ও জনসম্পৃক্ততার মাধ্যমে বিভিন্ন দেশ সড়ক দুর্ঘটনা কমিয়েছে। বাংলাদেশেও তা সম্ভব।</p>
<p>তার ভাষায়, নিরাপদ সড়ক কোনও একক ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানের কাজ নয়। সরকার, প্রশাসন, আইনশৃঙ্খলা বাহিনী, প্রকৌশলী, পরিবহন খাত এবং সাধারণ মানুষকে একসঙ্গে কাজ করতে হবে।বাংলা ট্রিবিউনকে</p>
]]></content:encoded>
					
					<wfw:commentRss>https://chtnews24.com/2026/08/24/%e0%a6%97%e0%a7%8b%e0%a6%b2%e0%a7%8d%e0%a6%a1%e0%a7%87%e0%a6%a8-%e0%a6%86%e0%a6%93%e0%a6%af%e0%a6%bc%e0%a6%be%e0%a6%b0%e0%a7%87-%e0%a6%aa%e0%a7%8d%e0%a6%b0%e0%a6%be%e0%a6%a3%e0%a6%b9/feed/</wfw:commentRss>
			<slash:comments>0</slash:comments>
		
		
			</item>
		<item>
		<title>কর্মস্থলে না থাকলে বেতন পাবেন না চিকিৎসক-স্বাস্থ্যকর্মীরা</title>
		<link>https://chtnews24.com/2026/08/22/%e0%a6%95%e0%a6%b0%e0%a7%8d%e0%a6%ae%e0%a6%b8%e0%a7%8d%e0%a6%a5%e0%a6%b2%e0%a7%87-%e0%a6%a8%e0%a6%be-%e0%a6%a5%e0%a6%be%e0%a6%95%e0%a6%b2%e0%a7%87-%e0%a6%ac%e0%a7%87%e0%a6%a4%e0%a6%a8-%e0%a6%aa/</link>
					<comments>https://chtnews24.com/2026/08/22/%e0%a6%95%e0%a6%b0%e0%a7%8d%e0%a6%ae%e0%a6%b8%e0%a7%8d%e0%a6%a5%e0%a6%b2%e0%a7%87-%e0%a6%a8%e0%a6%be-%e0%a6%a5%e0%a6%be%e0%a6%95%e0%a6%b2%e0%a7%87-%e0%a6%ac%e0%a7%87%e0%a6%a4%e0%a6%a8-%e0%a6%aa/#respond</comments>
		
		<dc:creator><![CDATA[adminchtnews24]]></dc:creator>
		<pubDate>Sat, 22 Aug 2026 02:53:44 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[Second lead]]></category>
		<category><![CDATA[শিরোনাম]]></category>
		<category><![CDATA[স্বাস্থ্য]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://chtnews24.com/?p=37771</guid>

					<description><![CDATA[ডেস্ক রির্পোট:-দেশের সব সরকারি স্বাস্থ্য প্রতিষ্ঠান ও হাসপাতালে কর্মকর্তা-কর্মচারীদের শতভাগ হাজিরা নিশ্চিত করার নির্দেশ দিয়েছে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর। কর্মস্থলে অনুপস্থিত থাকলে অনুপস্থিতির বিষয়টি নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত সংশ্লিষ্ট চিকিৎসক বা স্বাস্থ্যকর্মীর বেতন বিল ছাড় না করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। একই সঙ্গে চিকিৎসক ও স্বাস্থ্যকর্মীদের শতভাগ উপস্থিতি নিশ্চিত করতে বায়োমেট্রিক ফেস রিকগনিশন প্রযুক্তি চালুর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। [&#8230;]]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[<p>ডেস্ক রির্পোট:-দেশের সব সরকারি স্বাস্থ্য প্রতিষ্ঠান ও হাসপাতালে কর্মকর্তা-কর্মচারীদের শতভাগ হাজিরা নিশ্চিত করার নির্দেশ দিয়েছে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর। কর্মস্থলে অনুপস্থিত থাকলে অনুপস্থিতির বিষয়টি নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত সংশ্লিষ্ট চিকিৎসক বা স্বাস্থ্যকর্মীর বেতন বিল ছাড় না করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। একই সঙ্গে চিকিৎসক ও স্বাস্থ্যকর্মীদের শতভাগ উপস্থিতি নিশ্চিত করতে বায়োমেট্রিক ফেস রিকগনিশন প্রযুক্তি চালুর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।</p>
<p>বৃহস্পতিবার (২০ আগস্ট) স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের এক বিজ্ঞপ্তিতে এ নির্দেশ দেওয়া হয়।</p>
<p>বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী, স্বাস্থ্যসেবা বিভাগে প্রধানমন্ত্রীর পরিদর্শনকালে দেওয়া অনুশাসনের অগ্রগতি পর্যালোচনায় ১৬ আগস্ট স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে অনুষ্ঠিত সভায় এসব সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।</p>
<p>স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের পরিচালক (প্রশাসন) অধ্যাপক ডা. জালাল উদ্দিন মোহাম্মদ রুমি স্বাক্ষরিত নির্দেশনায় বলা হয়েছে, অধিদপ্তরাধীন সব স্বাস্থ্য প্রতিষ্ঠান ও হাসপাতালে স্থাপিত বায়োমেট্রিক মেশিন চালু ও সচল রাখতে হবে। কর্মকর্তা-কর্মচারীদের নিয়মিত বায়োমেট্রিক হাজিরা নিশ্চিত করার পাশাপাশি পর্যায়ক্রমে বায়োমেট্রিক ফেস রিকগনিশন প্রযুক্তিও চালু করতে হবে। নির্দেশনায় চিকিৎসক ও স্বাস্থ্যকর্মীদের কর্মস্থলে শতভাগ উপস্থিতি নিশ্চিত করার ওপর বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। সংশ্লিষ্ট স্বাস্থ্য প্রতিষ্ঠানের আয়ন-ব্যয়ন কর্মকর্তাদের উপস্থিতি নিশ্চিত হওয়ার পর চিকিৎসক ও স্বাস্থ্যকর্মীদের বেতন বিল প্রদান করতে বলা হয়েছে।</p>
<p>এতে আরও বলা হয়েছে, কোনো চিকিৎসক বা স্বাস্থ্যকর্মী কর্মস্থলে অনুপস্থিত থাকলে তার অনুপস্থিতির বিষয়টি নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির বেতন বিল দেওয়া যাবে না। এছাড়া স্বাস্থ্য অধিদপ্তরাধীন সব স্বাস্থ্যসেবা প্রতিষ্ঠান ও হাসপাতালকে কর্মকর্তা-কর্মচারীদের ই-হাজিরা সংক্রান্ত রিপোর্ট প্রতি সপ্তাহে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের পরিচালকের (প্রশাসন) কাছে পাঠাতে বলা হয়েছে।</p>
]]></content:encoded>
					
					<wfw:commentRss>https://chtnews24.com/2026/08/22/%e0%a6%95%e0%a6%b0%e0%a7%8d%e0%a6%ae%e0%a6%b8%e0%a7%8d%e0%a6%a5%e0%a6%b2%e0%a7%87-%e0%a6%a8%e0%a6%be-%e0%a6%a5%e0%a6%be%e0%a6%95%e0%a6%b2%e0%a7%87-%e0%a6%ac%e0%a7%87%e0%a6%a4%e0%a6%a8-%e0%a6%aa/feed/</wfw:commentRss>
			<slash:comments>0</slash:comments>
		
		
			</item>
		<item>
		<title>আধমরা তৃণমূল স্বাস্থ্যসেবা,ইউনিয়ন স্বাস্থ্য ও পরিবারকল্যাণ কেন্দ্র</title>
		<link>https://chtnews24.com/2026/08/19/%e0%a6%86%e0%a6%a7%e0%a6%ae%e0%a6%b0%e0%a6%be-%e0%a6%a4%e0%a7%83%e0%a6%a3%e0%a6%ae%e0%a7%82%e0%a6%b2-%e0%a6%b8%e0%a7%8d%e0%a6%ac%e0%a6%be%e0%a6%b8%e0%a7%8d%e0%a6%a5%e0%a7%8d%e0%a6%af%e0%a6%b8%e0%a7%87/</link>
					<comments>https://chtnews24.com/2026/08/19/%e0%a6%86%e0%a6%a7%e0%a6%ae%e0%a6%b0%e0%a6%be-%e0%a6%a4%e0%a7%83%e0%a6%a3%e0%a6%ae%e0%a7%82%e0%a6%b2-%e0%a6%b8%e0%a7%8d%e0%a6%ac%e0%a6%be%e0%a6%b8%e0%a7%8d%e0%a6%a5%e0%a7%8d%e0%a6%af%e0%a6%b8%e0%a7%87/#respond</comments>
		
		<dc:creator><![CDATA[adminchtnews24]]></dc:creator>
		<pubDate>Wed, 19 Aug 2026 02:51:25 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[Second lead]]></category>
		<category><![CDATA[শিরোনাম]]></category>
		<category><![CDATA[স্বাস্থ্য]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://chtnews24.com/?p=37718</guid>

					<description><![CDATA[ডেস্ক রির্পোট:-ভাঙা দরজা-জানালা। ভবনের ছাদে বটগাছ জন্মে শিকড় ঢুকেছে ঘরের ভিতরে। বৃষ্টি হলেই পানিতে ভেসে যায় দেয়াল ও মেঝে। পরগাছা, জঙ্গলে ঘিরে ধরেছে চারপাশ। এই নড়বড়ে পরিস্থিতিতে সেবা নিতে রোগীরা এলেও মিলছে না সেবা। ফেনীর দাগনভূঞা উপজেলার ইয়াকুবপুর ইউনিয়ন স্বাস্থ্য ও পরিবারকল্যাণ কেন্দ্রে পাঁচজনের জনবল থাকার কথা থাকলেও মাত্র একজন উপসহকারী কমিউনিটি মেডিকেল অফিসার দিয়ে [&#8230;]]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[<p>ডেস্ক রির্পোট:-ভাঙা দরজা-জানালা। ভবনের ছাদে বটগাছ জন্মে শিকড় ঢুকেছে ঘরের ভিতরে। বৃষ্টি হলেই পানিতে ভেসে যায় দেয়াল ও মেঝে। পরগাছা, জঙ্গলে ঘিরে ধরেছে চারপাশ। এই নড়বড়ে পরিস্থিতিতে সেবা নিতে রোগীরা এলেও মিলছে না সেবা। ফেনীর দাগনভূঞা উপজেলার ইয়াকুবপুর ইউনিয়ন স্বাস্থ্য ও পরিবারকল্যাণ কেন্দ্রে পাঁচজনের জনবল থাকার কথা থাকলেও মাত্র একজন উপসহকারী কমিউনিটি মেডিকেল অফিসার দিয়ে চলছে সেবা। সপ্তাহের চার দিন এ স্বাস্থ্যকেন্দ্রে সেবা দিয়ে তাঁকে অন্য স্বাস্থ্যকেন্দ্রে আবার দুই দিন যেতে হয়।</p>
<p>এভাবেই খুঁড়িয়ে চলছে ফেনীর আট ইউনিয়ন স্বাস্থ্য ও পরিবারকল্যাণ কেন্দ্র। শুধু ফেনী নয়, দেশের অধিকাংশ ইউনিয়ন স্বাস্থ্য ও পরিবারকল্যাণ কেন্দ্রে সংকটের শেষ নেই। ফেনীর পরিবার পরিকল্পনা অধিদপ্তরের উপপরিচালক মোস্তাফিজুর রহমান চৌধুরী বাংলাদেশ প্রতিদিনকে বলেন, ‘স্বাস্থ্যসেবা কেন্দ্রের জরাজীর্ণ ভবন সংস্কার করে দোতলা ভবন নির্মাণের পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়ে প্রক্রিয়াধীন রয়েছে। ওষুধের সংকট রয়েছে। এ সমস্যার বিষয়ে কর্তৃপক্ষকে জানালে ওষুধ সরবরাহের আশ্বাস পাওয়া গেছে।’</p>
<p>দেশের গ্রামীণ জনগোষ্ঠীর প্রাথমিক স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করতে গড়ে ওঠা ইউনিয়ন স্বাস্থ্য ও পরিবারকল্যাণ কেন্দ্র এবং ইউনিয়ন সাব-সেন্টারগুলো এখন নিজেই যেন রোগী। কমিউনিটি ক্লিনিকগুলোতেও রয়েছে নানামুখী সমস্যা। তীব্র জনবলসংকট, পর্যাপ্ত ওষুধের অভাব এবং অবকাঠামোগত জরাজীর্ণতার কারণে কাক্সিক্ষত সেবা থেকে বঞ্চিত হচ্ছে সাধারণ মানুষ। সংকটে তৃণমূলের মানুষের স্বাস্থ্যসেবায় আধমরা অবস্থা। ফলে প্রান্তিক পর্যায়ের এ স্বাস্থ্যসংকট রাজধানীসহ জেলা হাসপাতালগুলোর ওপর সৃষ্টি করছে অতিরিক্ত চাপ।</p>
<p>স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হাসপাতাল ও ক্লিনিক শাখা সূত্রে জানা গেছে, দেশের প্রান্তিক মানুষকে সেবা দিতে প্রায় ১ হাজার ১০০ ইউনিয়ন সাব-সেন্টার রয়েছে। এ সেন্টারগুলোয় একজন মেডিকেল অফিসার, একজন উপসহকারী কমিউনিটি মেডিকেল অফিসার (স্যাকমো), একজন ফার্মাসিস্ট এবং অফিস সহায়কের (এমএলএসএস) একটি পদ রয়েছে। কিন্তু কাগজে কলমে চারজনের পদ থাকলেও অধিকাংশ জায়গাতেই অর্ধেক জনবল দিয়ে চলছে সেবা। পরিবার পরিকল্পনা অধিদপ্তরের ২০২৩-২৪ অর্থবছরের বার্ষিক প্রতিবেদনে জানা গেছে, তৃণমূলের সেবায় এ অধিদপ্তরের আওতায় রয়েছে ৩ হাজার ২৯০টি ইউনিয়ন স্বাস্থ্য ও পরিবারকল্যাণ কেন্দ্র। এ কেন্দ্রে উপসহকারী কমিউনিটি মেডিকেল অফিসার পদে একজন, পরিবারকল্যাণ পরিদর্শিকা একজন, ফার্মাসিস্ট একজন, এমএলএসএস কাম নিরাপত্তাপ্রহরী একজন ও আয়া পদে একজন-মোট পাঁচজনের পদ রয়েছে। কিন্তু জনবলসংকটের কারণে অধিকাংশ জায়গায় অর্ধেক কিংবা তার চেয়ে কম জনবল দিয়ে চলছে সেবা। কমিউনিটি ক্লিনিক ট্রাস্ট সূত্রে জানা যায়, দেশে বর্তমানে ১৪ হাজার ৪৬৭টি কমিউনিটি ক্লিনিক চালু আছে। এখানেও আছে ওষুধের সংকট।</p>
<p>স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে, সরকারি হাসপাতাল ও গ্রামীণ স্বাস্থ্যপ্রতিষ্ঠানে চিকিৎসকের অনুমোদিত পদ ৪১ হাজার ৮০৬। এর মধ্যে ফাঁকা রয়েছে ৯ হাজার ৪০৭টি। অর্থাৎ চিকিৎসক পদের প্রায় ২২ দশমিক ৫ শতাংশ শূন্য।</p>
<p>এ ব্যাপারে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের পরিচালক (হাসপাতাল ও ক্লিনিক) ডা. মো. নুরুল ইসলাম বলেন, ‘ইউনিয়ন সাব-সেন্টারগুলোয় চিকিৎসক, অন্য কর্মী এবং ওষুধের সংকট রয়েছে। সরকার এবার স্বাস্থ্য খাতে সবচেয়ে বড় বাজেট দিয়েছে। এ ছাড়া ১ লাখ স্বাস্থ্যকর্মী নিয়োগের ঘোষণা দেওয়া হয়েছে। প্রতিটি ওয়ার্ডে একজন করে স্বাস্থ্যকর্মী বাড়ি বাড়ি গিয়ে স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করবেন। জরাজীর্ণ ভবনের জায়গায় নতুন অবকাঠামো নির্মাণের কাজও পরিকল্পনায় রয়েছে। তাই দ্রুতই এসব সংকটের অনেকটা দৃশ্যমান সমাধান হবে বলে আশা করছি।’</p>
<p>জানা গেছে, ইউনিয়ন স্বাস্থ্য ও পরিবারকল্যাণ কেন্দ্রগুলোয় স্বাভাবিক প্রসব, গর্ভবতী মায়ের নিয়মিত পরীক্ষা, পরিবার পরিকল্পনা ও নবজাতকের সেবা দেওয়ার কথা। কিন্তু অনেক কেন্দ্রে প্রশিক্ষিত জনবল ও প্রয়োজনীয় সরঞ্জামের অভাবে এসব সেবা নিয়মিত দেওয়া সম্ভব হচ্ছে না। মাঠপর্যায়ের স্বাস্থ্যকর্মীরা জানান, অনেক ইউনিয়ন সাব-সেন্টারে সপ্তাহে মাত্র এক-দুই দিন স্বাস্থ্যকর্মী উপস্থিত থাকেন। কিছু কেন্দ্রে ভবন থাকলেও নিয়মিত চিকিৎসাসেবা নেই। কোথাও বিদ্যুৎ, বিশুদ্ধ পানি কিংবা ইন্টারনেট সংযোগের সমস্যাও রয়েছে। অনেক ভবন সংস্কারের অভাবে ঝুঁকিপূর্ণ অবস্থায় রয়েছে। ফলে সাধারণ মানুষ সামান্য জ্বর, ডায়রিয়া, উচ্চ রক্তচাপ, ডায়াবেটিস কিংবা গর্ভকালীন সেবার জন্যও উপজেলা সদরে যেতে বাধ্য হচ্ছে। এতে সময়, যাতায়াত ও চিকিৎসা ব্যয় সবই বাড়ছে।</p>
<p>এ বিষয়ে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের স্বাস্থ্য অর্থনীতি ইনস্টিটিউটের অধ্যাপক ড. সৈয়দ আবদুল হামিদ বলেন, ‘দেশে প্রাথমিক স্বাস্থ্যসেবায় ইউনিয়ন সাব-সেন্টার, ইউনিয়ন স্বাস্থ্য ও পরিবারকল্যাণ কেন্দ্র এবং কমিউনিটি ক্লিনিক কাজ করছে। এগুলোর প্রতিটিতেই জনবলসংকট রয়েছে। এগুলোর তত্ত্বাবধান করে আলাদা প্রতিষ্ঠান। এ তিন ধারাকে এক ছাতার নিচে নিয়ে আসতে হবে। একসঙ্গে সমন্বয় করে সেবা দিলে জনবলসংকটের সমাধান হবে।’ তিনি আরও বলেন, ‘সেবাকে বিস্তৃত করে বাড়ি বাড়ি নিয়ে যাওয়ার পরিকল্পনা করছে স্বাস্থ্য বিভাগ। কিন্তু স্বাস্থ্যসেবা কেন্দ্র চালু রেখে সেটা করতে হবে। ইউনিয়ন স্বাস্থ্যকেন্দ্রকে শক্তিশালী করার পাশাপাশি উপজেলা হাসপাতালে সেবার পরিধি বাড়াতে হবে। রেফারেল পদ্ধতি গড়ে উঠলে জেলা, বিভাগ এবং ঢাকার বিশেষায়িত হাসপাতালে রোগীর চাপ কমবে।’</p>
<p>এ ব্যাপারে স্বাস্থ্যসেবা বিভাগের সচিব মো. কামরুজ্জামান চৌধুরী বলেন, ‘প্রাথমিক স্বাস্থ্যসেবাকে আমরা অগ্রাধিকার দিচ্ছি। ইউনিয়ন স্বাস্থ্যসেবা কেন্দ্রের অবকাঠামো উন্নয়নে উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে। যেসব ইউনিয়ন স্বাস্থ্যকেন্দ্রের জরাজীর্ণ অবস্থা সেখানে নতুন ভবন নির্মাণের পরিকল্পনা চলছে।’ তিনি আরও বলেন, সরকার এক লাখ স্বাস্থ্যকর্মী নিয়োগ দেবে। এর ৮০ শতাংশ হবেন নারী স্বাস্থ্যকর্মী। তাঁরা নির্দিষ্ট এলাকায় বাড়ি বাড়ি গিয়ে উচ্চরক্ত চাপ, ডায়াবেটিস পরিমাপসহ বিভিন্ন স্বাস্থ্যসেবা দেবেন। একটা মূল ইউনিয়ন স্বাস্থ্যকেন্দ্র থাকবে। সেখান থেকে ওয়ার্ডগুলোতে সেবা পরিচালনা করা হবে। সরকারের লক্ষ্য শুধু সেবা দেওয়া নয়, রোগ প্রতিরোধ করা। প্রাথমিক স্বাস্থ্যসেবা জোরদার হলে জেলা ও বিভাগীয় হাসপাতালে রোগীর চাপ কমে আসবে। মানুষ ভোগান্তি ছাড়াই সেবা পাবেন।বাংলাদেশ প্রতিদিন</p>
]]></content:encoded>
					
					<wfw:commentRss>https://chtnews24.com/2026/08/19/%e0%a6%86%e0%a6%a7%e0%a6%ae%e0%a6%b0%e0%a6%be-%e0%a6%a4%e0%a7%83%e0%a6%a3%e0%a6%ae%e0%a7%82%e0%a6%b2-%e0%a6%b8%e0%a7%8d%e0%a6%ac%e0%a6%be%e0%a6%b8%e0%a7%8d%e0%a6%a5%e0%a7%8d%e0%a6%af%e0%a6%b8%e0%a7%87/feed/</wfw:commentRss>
			<slash:comments>0</slash:comments>
		
		
			</item>
		<item>
		<title>বন্ধ হওয়ার পথে সিলেটের ৫৪ কমিউনিটি ক্লিনিক</title>
		<link>https://chtnews24.com/2026/08/19/%e0%a6%ac%e0%a6%a8%e0%a7%8d%e0%a6%a7-%e0%a6%b9%e0%a6%93%e0%a6%af%e0%a6%bc%e0%a6%be%e0%a6%b0-%e0%a6%aa%e0%a6%a5%e0%a7%87-%e0%a6%b8%e0%a6%bf%e0%a6%b2%e0%a7%87%e0%a6%9f%e0%a7%87%e0%a6%b0-%e0%a7%ab/</link>
					<comments>https://chtnews24.com/2026/08/19/%e0%a6%ac%e0%a6%a8%e0%a7%8d%e0%a6%a7-%e0%a6%b9%e0%a6%93%e0%a6%af%e0%a6%bc%e0%a6%be%e0%a6%b0-%e0%a6%aa%e0%a6%a5%e0%a7%87-%e0%a6%b8%e0%a6%bf%e0%a6%b2%e0%a7%87%e0%a6%9f%e0%a7%87%e0%a6%b0-%e0%a7%ab/#respond</comments>
		
		<dc:creator><![CDATA[adminchtnews24]]></dc:creator>
		<pubDate>Wed, 19 Aug 2026 02:50:11 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[বাংলাদেশ]]></category>
		<category><![CDATA[শিরোনাম]]></category>
		<category><![CDATA[স্বাস্থ্য]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://chtnews24.com/?p=37721</guid>

					<description><![CDATA[ডেস্ক রির্পোট:- জনবলসংকটে খুঁড়িয়ে চলছে সিলেটের তৃণমূলের স্বাস্থ্যসেবা। মঞ্জুরীকৃত পদের প্রায় অর্ধেকই শূন্য। জনবলসংকটের কারণে সবচেয়ে বেশি বিঘ্নিত হচ্ছে কমিউনিটি ক্লিনিক এবং ইউনিয়ন স্বাস্থ্যকেন্দ্রের সেবাকার্যক্রম। বিভাগের ৫৪ কমিউনিটি ক্লিনিকে শূন্য রয়েছে ‘কমিউনিটি হেলথ কেয়ার প্রোভাইডার (সিএইচসিপি)’ পদ। ফলে প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর স্বাস্থ্যসেবার ‘প্রথম সিঁড়ি’ই সবচেয়ে বড় হুমকিতে রয়েছে। স্বাস্থ্যসেবা প্রদানকারী প্রধান ব্যক্তি সিএইচসিপির পদ শূন্য থাকায় [&#8230;]]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[<p>ডেস্ক রির্পোট:- জনবলসংকটে খুঁড়িয়ে চলছে সিলেটের তৃণমূলের স্বাস্থ্যসেবা। মঞ্জুরীকৃত পদের প্রায় অর্ধেকই শূন্য। জনবলসংকটের কারণে সবচেয়ে বেশি বিঘ্নিত হচ্ছে কমিউনিটি ক্লিনিক এবং ইউনিয়ন স্বাস্থ্যকেন্দ্রের সেবাকার্যক্রম। বিভাগের ৫৪ কমিউনিটি ক্লিনিকে শূন্য রয়েছে ‘কমিউনিটি হেলথ কেয়ার প্রোভাইডার (সিএইচসিপি)’ পদ। ফলে প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর স্বাস্থ্যসেবার ‘প্রথম সিঁড়ি’ই সবচেয়ে বড় হুমকিতে রয়েছে। স্বাস্থ্যসেবা প্রদানকারী প্রধান ব্যক্তি সিএইচসিপির পদ শূন্য থাকায় বন্ধ হওয়ার উপক্রম সংশ্লিষ্ট কমিউনিটি ক্লিনিকগুলো। স্বাস্থ্য অধিদপ্তর সিলেট বিভাগীয় অফিস সূত্র জানান, তৃণমূল স্বাস্থ্যসেবার অন্যতম ভরসাস্থল কমিউনিটি ক্লিনিকগুলোয় প্রাথমিক চিকিৎসার পাশাপাশি গর্ভবতী ও প্রসূতির স্বাস্থ্যসেবা, শিশুদের স্বাস্থ্যসেবা, টিকা দানসহ মা ও শিশুদের বিভিন্ন ধরনের সেবা দেওয়া হয়ে থাকে। এ কেন্দ্রগুলোয় সপ্তাহে পাঁচ দিন একজন সিএইচসিপি চিকিৎসাসেবা প্রদান করে থাকেন। এ ছাড়া সপ্তাহে দুই-তিন দিন স্বাস্থ্যসহকারী ও পরিবার পরিকল্পনা সহকারীও বিভিন্ন ধরনের স্বাস্থ্যসেবা দিয়ে থাকেন। সিলেট বিভাগে ৯৫৩টি কমিউনিটি ক্লিনিক রয়েছে। এর মধ্যে ৫৪টিতে সিএইচসিপি নেই। দীর্ঘদিন স্বাস্থ্যসেবাকেন্দ্রের প্রধান পদটি শূন্য থাকায় স্বাস্থ্যসেবা মারাত্মকভাবে বিঘ্নিত হচ্ছে। সিএইচসিপির অভাবে অনেক কমিউনিটি ক্লিনিকের সেবাকার্যক্রম বন্ধ হওয়ার পথে।</p>
<p>সূত্র আরও জানান, বিভাগের মধ্যে সবচেয়ে বেশি সিএইচসিপির পদ শূন্য রয়েছে সুনামগঞ্জে। এ জেলার ২২টি কমিউনিটি ক্লিনিকে পদটি শূন্য। এ ছাড়া সিলেটে ১৮, হবিগঞ্জে ১১ ও মৌলভীবাজারে ৩টি পদ শূন্য রয়েছে। এসব ক্লিনিকে রোগীদের সরকারিভাবে ২৮ রকম ওষুধ ফ্রিতে দেওয়া হতো। অনেক ক্লিনিকে পর্যাপ্ত ওষুধ সরবরাহও নেই বলে জানা গেছে।</p>
<p>কমিউনিটি ক্লিনিকগুলোর মতো অবস্থা ইউনিয়ন স্বাস্থ্য ও পরিবারকল্যাণ কেন্দ্রগুলোর। একসময় স্বাস্থ্যকেন্দ্রগুলোয় একজন করে এমবিবিএস ডাক্তার থাকলেও এখন চলছে স্বাস্থ্যসহকারী ও ফার্মাসিস্ট দিয়ে। অনেক কেন্দ্রে স্বাস্থ্যসহকারী ও ফার্মাসিস্টের পদও শূন্য।</p>
<p>বিভাগীয় স্বাস্থ্য অফিস সূত্র আরও জানান, সিলেট বিভাগের সব হাসপাতাল ও স্বাস্থ্যকেন্দ্রে মঞ্জুরীকৃত পদের সংখ্যা ৮ হাজার ৪১১। এর মধ্যে শূন্য ৩ হাজার ৫৫৬টি। বিভাগের মধ্যে সবচেয়ে বেশি জনবলসংকট রয়েছে সুনামগঞ্জ জেলায়। মঞ্জুরীকৃত ২ হাজার ৩৭৩ পদের মধ্যে কর্মরত আছেন ১ হাজার ২২৯ জন। জেলাটিতে শূন্যপদের সংখ্যা ১ হাজার ১৪৪। এর পরই রয়েছে সিলেট জেলায়। সিলেটে ২ হাজার ৫৫১ পদের মধ্যে কর্মরত আছেন ১ হাজার ৪৬০ জন। ১ হাজার ৯১ পদ শূন্য রয়েছে জেলাটিতে। এ ছাড়া হবিগঞ্জে ১ হাজার ৭০৮ পদের মধ্যে ৭৬১ এবং মৌলভীবাজারে ১ হাজার ৭৭৯ পদের মধ্যে ৫৬০টি শূন্য।</p>
<p>এ প্রসঙ্গে সিলেট স্বাস্থ্য বিভাগের সহকারী পরিচালক ডা. মো. নূরে আলম শামীম জানান, স্বাস্থ্য বিভাগের সব জায়গায়ই জনবলসংকট রয়েছে। কমিউনিটি ক্লিনিকগুলো সরকারের ‘কমিউনিটি ক্লিনিক স্বাস্থ্য সহায়তা ট্রাস্ট’-এর মাধ্যমে পরিচালিত হয়। চাকরি ও প্রকল্পের স্থায়িত্ব নিয়ে অনিশ্চয়তায় থেকে অনেক সিএইচসিপি চাকরি ছেড়ে দিয়েছেন। তাই কিছু সিএইচসিপির কিছু পদ শূন্য হয়ে গেছে। শিগগির পদগুলো পূরণের সম্ভাবনা রয়েছে। এ ছাড়া বিভিন্ন হাসপাতাল ও স্বাস্থ্যকেন্দ্রে জনবল নিয়োগ দিয়ে সরকার স্বাস্থ্যসেবার মান আরও বৃদ্ধির চেষ্টা করছে।</p>
]]></content:encoded>
					
					<wfw:commentRss>https://chtnews24.com/2026/08/19/%e0%a6%ac%e0%a6%a8%e0%a7%8d%e0%a6%a7-%e0%a6%b9%e0%a6%93%e0%a6%af%e0%a6%bc%e0%a6%be%e0%a6%b0-%e0%a6%aa%e0%a6%a5%e0%a7%87-%e0%a6%b8%e0%a6%bf%e0%a6%b2%e0%a7%87%e0%a6%9f%e0%a7%87%e0%a6%b0-%e0%a7%ab/feed/</wfw:commentRss>
			<slash:comments>0</slash:comments>
		
		
			</item>
		<item>
		<title>চট্টগ্রামে থামছে না হামের দাপট</title>
		<link>https://chtnews24.com/2026/08/19/%e0%a6%9a%e0%a6%9f%e0%a7%8d%e0%a6%9f%e0%a6%97%e0%a7%8d%e0%a6%b0%e0%a6%be%e0%a6%ae%e0%a7%87-%e0%a6%a5%e0%a6%be%e0%a6%ae%e0%a6%9b%e0%a7%87-%e0%a6%a8%e0%a6%be-%e0%a6%b9%e0%a6%be%e0%a6%ae%e0%a7%87/</link>
					<comments>https://chtnews24.com/2026/08/19/%e0%a6%9a%e0%a6%9f%e0%a7%8d%e0%a6%9f%e0%a6%97%e0%a7%8d%e0%a6%b0%e0%a6%be%e0%a6%ae%e0%a7%87-%e0%a6%a5%e0%a6%be%e0%a6%ae%e0%a6%9b%e0%a7%87-%e0%a6%a8%e0%a6%be-%e0%a6%b9%e0%a6%be%e0%a6%ae%e0%a7%87/#respond</comments>
		
		<dc:creator><![CDATA[adminchtnews24]]></dc:creator>
		<pubDate>Wed, 19 Aug 2026 02:31:04 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[চট্রগ্রাম]]></category>
		<category><![CDATA[শিরোনাম]]></category>
		<category><![CDATA[স্বাস্থ্য]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://chtnews24.com/?p=37697</guid>

					<description><![CDATA[ডেস্ক রির্পোট:- চট্টগ্রামে শিশুদের হামের প্রকোপ যেন থামছেই না। প্রতিদিনই নতুন করে হাম বা হামের উপসর্গ নিয়ে হাসপাতালে ভর্তি হচ্ছে শিশু। সর্বশেষ ১৭ই আগস্ট একদিনে আরও ৫৯ শিশু হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে। এর মধ্যে নগরের ৫৪ জন এবং বিভিন্ন উপজেলার পাঁচজন। স্বাস্থ্য বিভাগের সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, ১৭ই আগস্ট পর্যন্ত চট্টগ্রামের বিভিন্ন সরকারি-বেসরকারি হাসপাতালে হাম ও হামের [&#8230;]]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[<p>ডেস্ক রির্পোট:- চট্টগ্রামে শিশুদের হামের প্রকোপ যেন থামছেই না। প্রতিদিনই নতুন করে হাম বা হামের উপসর্গ নিয়ে হাসপাতালে ভর্তি হচ্ছে শিশু। সর্বশেষ ১৭ই আগস্ট একদিনে আরও ৫৯ শিশু হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে। এর মধ্যে নগরের ৫৪ জন এবং বিভিন্ন উপজেলার পাঁচজন। স্বাস্থ্য বিভাগের সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, ১৭ই আগস্ট পর্যন্ত চট্টগ্রামের বিভিন্ন সরকারি-বেসরকারি হাসপাতালে হাম ও হামের উপসর্গ নিয়ে চিকিৎসাধীন রয়েছে ২৯১ শিশু। এর মধ্যে নগরের বিভিন্ন হাসপাতালে ভর্তি ২৮৭ জন এবং উপজেলা পর্যায়ে রয়েছে চারজন।<br />
চট্টগ্রাম সিভিল সার্জন কার্যালয়ের তথ্য বলছে, সামপ্রতিক সময়ে প্রতিদিন গড়ে অর্ধশতাধিক শিশু হাম বা হামের উপসর্গ নিয়ে হাসপাতালে ভর্তি হচ্ছে। গত ৮ই আগস্ট এক দিনেই সর্বোচ্চ ৭৭ শিশু ভর্তি হয়। এরপর ১৩ই আগস্ট ৭৪ শিশু হাসপাতালে ভর্তি হয়েছিল।</p>
<p>এ পর্যন্ত হাম ও হামের উপসর্গ নিয়ে চট্টগ্রামের বিভিন্ন হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে মোট ৬ হাজার ২৭২ শিশু। এর মধ্যে ৫ হাজার ৯৮১ জন সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছে। এখন পর্যন্ত ৭১৬ শিশুর শরীরে হাম শনাক্ত হয়েছে। এ রোগ ও উপসর্গ নিয়ে মারা গেছে ১৫ শিশু। এর মধ্যে নিশ্চিতভাবে হামে মৃত্যু হয়েছে তিনজনের।<br />
হাম শনাক্তের জন্য এখন পর্যন্ত চট্টগ্রাম থেকে ঢাকায় ১ হাজার ৯৫৭ শিশুর নমুনা পাঠানো হয়েছে। সর্বশেষ একদিনে পাঠানো হয়েছে আরও ৩৫ শিশুর নমুনা। নমুনাগুলো পরীক্ষা করা হচ্ছে ঢাকার পাবলিক হেল্‌থ ইনস্টিটিউটের ন্যাশনাল পোলিও অ্যান্ড মিসেলস-রুবেলা ল্যাবরেটরিতে।</p>
<p>চিকিৎসকদের মতে, হাম নিশ্চিত করতে আইজিএম অ্যান্টিবডি ও আরটি-পিসিআর পরীক্ষা প্রয়োজন। এজন্য ভাইরোলজি বা মলিকুলার ডায়াগনস্টিক সুবিধাসম্পন্ন ল্যাব দরকার। চট্টগ্রামের ফৌজদারহাটে বাংলাদেশ ইনস্টিটিউট অব ট্রপিক্যাল অ্যান্ড ইনফেকশাস ডিজিজেস (বিআইটিআইডি)-তে এ ধরনের পরীক্ষার সক্ষমতা থাকলেও সেখানে এখনো হাম শনাক্তের পরীক্ষা চালু হয়নি।<br />
ফলে চট্টগ্রাম থেকে নমুনা ঢাকায় পাঠিয়ে পরীক্ষার ফল পেতে কয়েক দিন সময় লাগছে। এতে দ্রুত রোগ শনাক্ত করে প্রয়োজনীয় চিকিৎসা নিশ্চিত করা কঠিন হয়ে পড়ছে।<br />
বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (ডব্লিউএইচও) চট্টগ্রাম নগরের নয়টি ওয়ার্ডকে হামের হটস্পট হিসেবে চিহ্নিত করেছে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে স্বাস্থ্য বিভাগ ও চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশন টিকাদানসহ বিভিন্ন কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছে।<br />
চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশন এলাকায় এ পর্যন্ত ২ লাখ ৮১ হাজার ৬৫০ শিশুকে হামবিরোধী টিকা দেয়া হয়েছে। এর মাধ্যমে লক্ষ্যমাত্রার প্রায় ৯৪ শতাংশ শিশুকে টিকার আওতায় আনা হয়েছে। জেলার ১৫ উপজেলায়ও আরও ৭ লাখ ৭৬ হাজার ৬৫৯ শিশুকে টিকা দেয়া হয়েছে।<br />
এরপরও সংক্রমণ পুরোপুরি নিয়ন্ত্রণে না আসায় টিকার কার্যকারিতা নিয়ে প্রশ্ন উঠছে। তবে চিকিৎসকদের ভাষ্য, টিকা নেয়ার পরও কেউ হামে আক্রান্ত হলে সাধারণত রোগের তীব্রতা তুলনামূলকভাবে কম থাকে।</p>
<p>চমেক হাসপাতালের শিশু বিভাগের প্রধান অধ্যাপক ডা. মোহাম্মদ মুসা বলেন, ওয়ার্ডে ভর্তি শিশুর সংখ্যা প্রতিনিয়ত বাড়ছে। অতিরিক্ত রোগীর চাপ সামাল দিতে চিকিৎসকদের হিমশিম খেতে হচ্ছে। তিনি বলেন, আক্রান্ত শিশুদের উপসর্গ একেক রকম। শরীরে ফুঁসকুড়ি দেখা দিলেই সেটিকে হাম ধরে নেয়া ঠিক নয়। সঠিক রোগ নির্ণয়ের জন্য পরীক্ষা-নিরীক্ষার পাশাপাশি এ বিষয়ে আরও গবেষণা প্রয়োজন।<br />
চট্টগ্রাম সিভিল সার্জন জাহাঙ্গীর আলম বলেন, হাম ও হামের উপসর্গ থাকা শিশুদের চিকিৎসা নিশ্চিত করতে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়া হয়েছে। পাশাপাশি উপসর্গের ভিত্তিতে ভুল চিকিৎসা যাতে না হয়, সে বিষয়ে চিকিৎসকদের সতর্ক করা হয়েছে।</p>
<p>চট্টগ্রামের বিভাগীয় পরিচালক (স্বাস্থ্য) ডা. শেখ ফজলে রাব্বী বলেন, রোগীর সংখ্যা বৃদ্ধি এবং চট্টগ্রামে হাম পরীক্ষা চালুর বিষয়টি ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানানো হয়েছে। বিআইটিআইডিতে ল্যাব ও প্রয়োজনীয় জনবল রয়েছে। তবে ঢাকার বাইরে হাম পরীক্ষা চালুর বিষয়ে সিদ্ধান্ত সরকারকেই নিতে হবে। এক্ষেত্রে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার নির্ধারিত কিছু নির্দেশনাও অনুসরণ করতে হয়।</p>
]]></content:encoded>
					
					<wfw:commentRss>https://chtnews24.com/2026/08/19/%e0%a6%9a%e0%a6%9f%e0%a7%8d%e0%a6%9f%e0%a6%97%e0%a7%8d%e0%a6%b0%e0%a6%be%e0%a6%ae%e0%a7%87-%e0%a6%a5%e0%a6%be%e0%a6%ae%e0%a6%9b%e0%a7%87-%e0%a6%a8%e0%a6%be-%e0%a6%b9%e0%a6%be%e0%a6%ae%e0%a7%87/feed/</wfw:commentRss>
			<slash:comments>0</slash:comments>
		
		
			</item>
		<item>
		<title>রাশিয়ায় ক্যানসারের ভ্যাকসিন রোগীর শরীরে কার্যকরভাবে কাজ করছে, দাবি বিজ্ঞানীর</title>
		<link>https://chtnews24.com/2026/07/31/%e0%a6%b0%e0%a6%be%e0%a6%b6%e0%a6%bf%e0%a6%af%e0%a6%bc%e0%a6%be%e0%a6%af%e0%a6%bc-%e0%a6%95%e0%a7%8d%e0%a6%af%e0%a6%be%e0%a6%a8%e0%a6%b8%e0%a6%be%e0%a6%b0%e0%a7%87%e0%a6%b0-%e0%a6%ad%e0%a7%8d%e0%a6%af/</link>
					<comments>https://chtnews24.com/2026/07/31/%e0%a6%b0%e0%a6%be%e0%a6%b6%e0%a6%bf%e0%a6%af%e0%a6%bc%e0%a6%be%e0%a6%af%e0%a6%bc-%e0%a6%95%e0%a7%8d%e0%a6%af%e0%a6%be%e0%a6%a8%e0%a6%b8%e0%a6%be%e0%a6%b0%e0%a7%87%e0%a6%b0-%e0%a6%ad%e0%a7%8d%e0%a6%af/#respond</comments>
		
		<dc:creator><![CDATA[adminchtnews24]]></dc:creator>
		<pubDate>Fri, 31 Jul 2026 10:41:45 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[Second lead]]></category>
		<category><![CDATA[বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি]]></category>
		<category><![CDATA[শিরোনাম]]></category>
		<category><![CDATA[স্বাস্থ্য]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://chtnews24.com/?p=37558</guid>

					<description><![CDATA[ডেস্ক রির্পোট:-রাশিয়ার উদ্ভাবিত ক্যানসার ভ্যাকসিন ‘নিওঅনকোভ্যাক’ প্রথম প্রয়োগেই ইতিবাচক ও আশাব্যঞ্জক ফল দেখিয়েছে বলে দাবি করেছেন গামালেয়া রিসার্চ ইনস্টিটিউটের বৈজ্ঞানিক পরিচালক আলেক্সান্দার গিনজবার্গ। ভ্যাকসিন গ্রহণকারী প্রথম রোগীর শরীরে কাঙ্ক্ষিত রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা (ইমিউন রেসপন্স) তৈরি হয়েছে। ভ্যাকসিন গ্রহণের পর তিনি সম্পূর্ণ সুস্থ বোধ করছেন বলে জানিয়েছেন এই প্রতিষেধক তৈরির নেপথ্যে থাকা আলেক্সান্দার গিনজবার্গ। এ খবর [&#8230;]]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[<p>ডেস্ক রির্পোট:-রাশিয়ার উদ্ভাবিত ক্যানসার ভ্যাকসিন ‘নিওঅনকোভ্যাক’ প্রথম প্রয়োগেই ইতিবাচক ও আশাব্যঞ্জক ফল দেখিয়েছে বলে দাবি করেছেন গামালেয়া রিসার্চ ইনস্টিটিউটের বৈজ্ঞানিক পরিচালক আলেক্সান্দার গিনজবার্গ।</p>
<p>ভ্যাকসিন গ্রহণকারী প্রথম রোগীর শরীরে কাঙ্ক্ষিত রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা (ইমিউন রেসপন্স) তৈরি হয়েছে। ভ্যাকসিন গ্রহণের পর তিনি সম্পূর্ণ সুস্থ বোধ করছেন বলে জানিয়েছেন এই প্রতিষেধক তৈরির নেপথ্যে থাকা আলেক্সান্দার গিনজবার্গ। এ খবর দিয়েছে আরটি ইন্টারন্যাশনাল। গত বছর রাশিয়ার স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় দুটি নিজস্ব প্রযুক্তির ব্যক্তিগত (পার্সোনালাইজড) ক্যানসার চিকিৎসার অনুমোদন দেয়। এর মধ্যে একটি হলো মেলানোমার (ত্বকের ক্যানসার) জন্য এমআরএনএ-ভিত্তিক ভ্যাকসিন ‘নিওঅনকোভ্যাক’ এবং অন্যটি কোলরেকটাল ক্যানসারের জন্য পেপটাইড ওষুধ ‘অনকোপেপ্ট’। চলতি বছরের এপ্রিলে ৬০ বছর বয়সী এক তৃতীয় পর্যায়ের মেলানোমা আক্রান্ত ব্যক্তির শরীরে মস্কোর হারজেন অনকোলজি রিসার্চ ইনস্টিটিউটে প্রথমবারের মতো নিওঅনকোভ্যাক প্রয়োগ করা হয়। প্রতিষেধকটির কার্যকারিতা সম্পর্কে গিনজবার্গ জানান, ওই রোগী বর্তমানে স্বাভাবিক জীবনযাপন করছেন এবং চিকিৎসা চালিয়ে যাচ্ছেন। পরীক্ষা-নিরীক্ষায় দেখা গেছে, তার শরীর ইতোমধ্যে ক্যানসারের টিউমার ও মেটাস্টেসিসের বিরুদ্ধে লড়াইয়ের জন্য প্রয়োজনীয় সক্রিয় যৌগ তৈরি করতে শুরু করেছে। চিকিৎসাসূচি অনুযায়ী তাকে আরও দুটি ডোজ প্রদান করা হবে। এ ছাড়া আগামী দেড় থেকে তিন মাসের মধ্যে আরও ১০ জন রোগীর জন্য এই মেলানোমা ভ্যাকসিন প্রস্তুত করা হচ্ছে। রাশিয়ার জাতীয় চিকিৎসা গবেষণা কেন্দ্রের প্রধান আন্দ্রে কাপ্রিন জানান, প্রচলিত ক্যানসার চিকিৎসার চেয়ে এই প্রযুক্তি সম্পূর্ণ ভিন্ন। এখানে রোগীর নিজস্ব টিউমার ও সুস্থ টিস্যুর জেনেটিক বৈশিষ্ট্য বিশ্লেষণ করে একটি কাস্টমাইজড বা রোগীর বৈশিষ্ট্য অনুযায়ী ভ্যাকসিন তৈরি করা হয়, যা রোগীর শরীরের রোগ প্রতিরোধ ব্যবস্থাকে সরাসরি ক্যানসার কোষ চিহ্নিত করে ধ্বংস করতে প্রশিক্ষণ দেয়। গামালেয়া ইনস্টিটিউট বর্তমানে অগ্ন্যাশয়, কিডনি এবং ফুসফুসের ক্যানসারের প্রতিষেধক তৈরিতেও কাজ করছে।</p>
]]></content:encoded>
					
					<wfw:commentRss>https://chtnews24.com/2026/07/31/%e0%a6%b0%e0%a6%be%e0%a6%b6%e0%a6%bf%e0%a6%af%e0%a6%bc%e0%a6%be%e0%a6%af%e0%a6%bc-%e0%a6%95%e0%a7%8d%e0%a6%af%e0%a6%be%e0%a6%a8%e0%a6%b8%e0%a6%be%e0%a6%b0%e0%a7%87%e0%a6%b0-%e0%a6%ad%e0%a7%8d%e0%a6%af/feed/</wfw:commentRss>
			<slash:comments>0</slash:comments>
		
		
			</item>
		<item>
		<title>হৃদরোগের চিকিৎসায় পেসমেকারসহ তিন ধরনের সরঞ্জামের দাম কমলো</title>
		<link>https://chtnews24.com/2026/07/04/%e0%a6%b9%e0%a7%83%e0%a6%a6%e0%a6%b0%e0%a7%8b%e0%a6%97%e0%a7%87%e0%a6%b0-%e0%a6%9a%e0%a6%bf%e0%a6%95%e0%a6%bf%e0%a7%8e%e0%a6%b8%e0%a6%be%e0%a6%af%e0%a6%bc-%e0%a6%aa%e0%a7%87%e0%a6%b8%e0%a6%ae%e0%a7%87/</link>
					<comments>https://chtnews24.com/2026/07/04/%e0%a6%b9%e0%a7%83%e0%a6%a6%e0%a6%b0%e0%a7%8b%e0%a6%97%e0%a7%87%e0%a6%b0-%e0%a6%9a%e0%a6%bf%e0%a6%95%e0%a6%bf%e0%a7%8e%e0%a6%b8%e0%a6%be%e0%a6%af%e0%a6%bc-%e0%a6%aa%e0%a7%87%e0%a6%b8%e0%a6%ae%e0%a7%87/#respond</comments>
		
		<dc:creator><![CDATA[adminchtnews24]]></dc:creator>
		<pubDate>Sat, 04 Jul 2026 04:41:14 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[Second lead]]></category>
		<category><![CDATA[শিরোনাম]]></category>
		<category><![CDATA[স্বাস্থ্য]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://chtnews24.com/?p=37429</guid>

					<description><![CDATA[ডেস্ক রির্পোট:- হৃদরোগ চিকিৎসায় ব্যবহৃত পেসমেকার, ইমপ্লান্টেবল কার্ডিওভার্টার ডিফিব্রিলেটর (আইসিডি) এবং কার্ডিয়াক রিসিঙ্ক্রোনাইজেশন থেরাপি (সিআরটি) ডিভাইসের দাম কমানো হয়েছে। এসব উপকরণের মূল্য সর্বনিম্ন পাঁচ হাজার টাকা থেকে শুরু করে সর্বোচ্চ দুই লাখ পর্যন্ত কমানো হয়েছে। উপকরণভেদে সর্বোচ্চ প্রায় ২৯ শতাংশ পর্যন্ত দাম কমেছে। ঔষধ প্রশাসন অধিদপ্তরের গত এপ্রিলে জারি করা এক প্রজ্ঞাপনে এ মূল্য নির্ধারণ [&#8230;]]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[<p>ডেস্ক রির্পোট:- হৃদরোগ চিকিৎসায় ব্যবহৃত পেসমেকার, ইমপ্লান্টেবল কার্ডিওভার্টার ডিফিব্রিলেটর (আইসিডি) এবং কার্ডিয়াক রিসিঙ্ক্রোনাইজেশন থেরাপি (সিআরটি) ডিভাইসের দাম কমানো হয়েছে। এসব উপকরণের মূল্য সর্বনিম্ন পাঁচ হাজার টাকা থেকে শুরু করে সর্বোচ্চ দুই লাখ পর্যন্ত কমানো হয়েছে। উপকরণভেদে সর্বোচ্চ প্রায় ২৯ শতাংশ পর্যন্ত দাম কমেছে।</p>
<p>ঔষধ প্রশাসন অধিদপ্তরের গত এপ্রিলে জারি করা এক প্রজ্ঞাপনে এ মূল্য নির্ধারণ করা হয়। নতুন আমদানি করা উপকরণের ক্ষেত্রে এই মূল্য কার্যকর হবে। আমদানিকারকদের পক্ষ থেকে বলা হচ্ছে, নীতিমালার বাইরে গিয়ে আমদানিকারকদের সঙ্গে পর্যাপ্ত আলোচনা ছাড়াই নতুন মূল্য নির্ধারণ করা হয়েছে। এতে আমদানিকারক প্রতিষ্ঠানগুলো লোকসানের মুখে পড়বে।</p>
<p>ঔষধ প্রশাসন অধিদপ্তর সূত্রে জানা গেছে, স্বাস্থ্য সেবা বিভাগের স্মারকের ভিত্তিতে সরকারিভাবে গঠিত বিশেষজ্ঞ প্যানেল ও পরামর্শক কমিটির সুপারিশ অনুযায়ী মন্ত্রণালয়ের অনুমোদনক্রমে নিবন্ধিত ও আমদানিকৃত হৃদরোগ চিকিৎসা উপকরণের মূল্য পুনর্নির্ধারণ করা হয়েছে। এর আগে একাধিকবার এ বিষয়ে অনুষ্ঠিত সভায় সরকারি ও বেসরকারি হাসপাতালের কার্ডিয়াক সার্জন, কার্ডিওলজিস্ট, মেডিকেল ডিভাইস ইমপোর্টার্স অ্যাসোসিয়েশনের প্রতিনিধি, জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর) এবং বাংলাদেশ ঔষধ শিল্প সমিতির প্রতিনিধিদের মতামত নেওয়া হয়।</p>
<p>হৃদরোগ বিশেষজ্ঞরা জানান, পেসমেকার, আইসিডি এবং সিআরটি হৃদরোগ চিকিৎসায় ব্যবহৃত গুরুত্বপূর্ণ চিকিৎসা উপকরণ। পেসমেকার মূলত রোগীর হৃৎস্পন্দন খুব ধীর বা অনিয়মিত হয়ে গেলে তা স্বাভাবিক রাখতে সাহায্য করে। অন্যদিকে, আইসিডি হৃৎস্পন্দনের বিপজ্জনক অস্বাভাবিকতা শনাক্ত করে এবং প্রয়োজন হলে বৈদ্যুতিক শক দিয়ে হৃৎস্পন্দন স্বাভাবিক করার চেষ্টা করে। আর সিআরটি এমন একটি চিকিৎসা পদ্ধতি, যা হৃদযন্ত্রের বিভিন্ন অংশের স্পন্দনের সময়ের অসামঞ্জস্য দূর করে হৃদযন্ত্রের কার্যক্ষমতা উন্নত করতে সহায়তা করে। সাধারণত হৃদযন্ত্রের দুর্বলতা বা হার্ট ফেইলিউরের কিছু রোগীর ক্ষেত্রে এটি ব্যবহৃত হয়।</p>
<p>ঔষধ প্রশাসন অধিদপ্তরের প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে, ইমপ্লান্টেবল কার্ডিওভার্টার ডিফিব্রিলেটর (সিডিভিআরএ৬০০০ নিউট্রিনো ভিআর)-এর মূল্য সাত লাখ টাকা থেকে কমিয়ে পাঁচ লাখ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। মূল্য কমেছে ২৮ দশমিক ৫৭ শতাংশ।</p>
<p>ইমপ্লান্টেবল কার্ডিওভার্টার ডিফিব্রিলেটর (সিডিভিআরএ৫০০কিউ গ্যালান্ট ভিআর)-এর মূল্য ছয় লাখ ৫০ হাজার টাকা থেকে কমিয়ে পাঁচ লাখ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে, কমেছে ২৩ দশমিক শূন্য ৮ শতাংশ। এ ছাড়া ইমপ্লান্টেবল কার্ডিওভার্টার ডিফিব্রিলেটর (সিডিডিআরএ৫০০কিউ গ্যালান্ট ডিআর)-এর মূল্য ৯ লাখ টাকা থেকে আট লাখ টাকায় নির্ধারণ করা হয়েছে।<br />
ইমপ্লান্টেবল কার্ডিওভার্টার ডিফিব্রিলেটর (সিডিএইচএফএ৬০০কিউ নিউট্রিনো এইচএফ)-এর মূল্য ১২ লাখ টাকা থেকে ১০ লাখ টাকা করা হয়েছে। একইভাবে (সিডিএইচএফএ৫০০কিউ গ্যালান্ট এইচএফ)-এর মূল্য ১২ লাখ টাকা থেকে কমিয়ে ১০ লাখ টাকা করা হয়েছে।</p>
<p>এনডিউরিটি কোর ডিডিডিআর পেসমেকার (ডুয়াল চেম্বার)-এর মূল্য দুই লাখ ৩০ হাজার টাকা থেকে কমিয়ে এক লাখ ৮০ হাজার টাকা করা হয়েছে। এনডিউরিটি এমআরআই ডিডিডিআর পেসমেকারের মূল্য দুই লাখ ৮০ হাজার থেকে কমিয়ে দুই লাখ ৫০ হাজার টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। অ্যাসিউরিটি এমআরআই ডিআর ডিডিডিআর পেসমেকারের মূল্য তিন লাখ ৩৫ হাজার থেকে কমিয়ে তিন লাখ টাকা করা হয়েছে। এনডিউরিটি কোর ভিভিআইআর পেসমেকার (সিঙ্গেল চেম্বার)-এর মূল্য এক লাখ ৪৫ হাজার থেকে কমিয়ে এক লাখ ৪০ হাজার টাকা করা হয়েছে।<br />
অন্যদিকে, কার্ডিয়াক রিসিঙ্ক্রোনাইজেশন থেরাপি (সিআরটি) ডিভাইসটির মূল্য সামান্য বেড়েছে। এর পূর্বমূল্য ছিল পাঁচ লাখ ৪৯ হাজার টাকা, যা পুনর্নির্ধারণ করে পাঁচ লাখ ৫০ হাজার টাকা করা হয়েছে। এ ছাড়া এসজেএম পিল-অ্যাওয়ে ইন্ট্রোডিউসারের মূল্য অপরিবর্তিত রাখা হয়েছে। এর আগের মূল্য এবং নতুন মূল্য চার হাজার টাকা।</p>
<p>মন্ত্রণালয়ের শর্ত<br />
মন্ত্রণালয়ের নির্দেশনা অনুযায়ী, প্রতিটি মেডিকেল ডিভাইসের মোড়কে সর্বোচ্চ খুচরা মূল্য, উৎপত্তির দেশ, উৎপাদনের তারিখ, মেয়াদোত্তীর্ণের তারিখ এবং ডিএআর নম্বর সিলমোহর আকারে উল্লেখ করতে হবে। এ ছাড়া ঔষধ প্রশাসন অধিদপ্তরের অনুমোদন নিয়ে মেডিকেল ডিভাইস আমদানি ও বাজারজাত করার আগে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের ছাড়পত্র গ্রহণ বাধ্যতামূলক করা হয়েছে।<br />
এর আগে ২০১৭ সালে সরকার এসব হৃদরোগ চিকিৎসা উপকরণের দাম নির্ধারণ করেছিল। এর আগে নির্ধারিত মূল্য না থাকায় বিভিন্ন হাসপাতালে পেসমেকার ও হার্টের ভালভ বিভিন্ন দামে বিক্রি হতো। এ নিয়ে অভিযোগ ওঠার পর ঔষধ প্রশাসন অধিদপ্তর মূল্য নির্ধারণের উদ্যোগ নেয়।</p>
<p>রোগীদের অভিযোগ, এসব চিকিৎসা উপকরণ সম্পর্কে পর্যাপ্ত ধারণা না থাকায় বিভিন্ন হাসপাতাল ভিন্ন ভিন্ন ব্র্যান্ডের নামে অতিরিক্ত অর্থ আদায় করত। নতুন মূল্য নির্ধারণের ফলে এখন সবাই একই দামে বিক্রি করতে বাধ্য থাকবে বলে তারা মনে করছেন। দেশে হৃদরোগ চিকিৎসায় এসব উপকরণের ব্যবহার শুরু হয় ১৯৯২-৯৩ সালে। পরে ২০১৫ সালে এ বিষয়ে নীতিমালা প্রণয়ন করা হয়।<br />
বর্তমানে হৃদরোগ চিকিৎসায় ব্যবহৃত পেসমেকার, ইমপ্ল্যান্টেবল কার্ডিওভার্টার ডিফিব্রিলেটর এবং কার্ডিয়াক রিসিঙ্ক্রোনাইজেশন থেরাপি ডিভাইস উৎপাদন করে মূলত তিনটি প্রতিষ্ঠান। সেগুলো হলো অ্যাব্যাট, মেডট্রনিক ও বোস্টন সায়েন্টিফিক। দেশীয় আমদানিকারকদের মধ্যে রয়েছে দ্য স্পন্দন লিমিটেড, মেডট্রনিক ও কার্ডিয়াক কেয়ার। বাংলাদেশে পেসমেকারের বাজারের বার্ষিক আকার প্রায় ৬০০ কোটি টাকা।</p>
<p>জাতীয় হৃদরোগ ইনস্টিটিউট ও হাসপাতালের সাবেক পরিচালক অধ্যাপক ডা. আফজালুর রহমান বলেন, হার্টের রিংয়ের মূল্য নির্ধারণের পর পেসমেকারসহ অন্যান্য হৃদরোগ চিকিৎসা উপকরণের দামও কমানো হয়েছে। এতে মূল্য তুলনামূলক সহনীয় পর্যায়ে এসেছে। এখন নিউরো, অর্থোপেডিক্স চক্ষুসহ অন্যান্য চিকিৎসাসংশ্লিষ্ট ডিভাইসের দামও কমানোর উদ্যোগ নেওয়া প্রয়োজন।<br />
তবে দ্য স্পন্দন লিমিটেডের নির্বাহী পরিচালক মাহফুজুর রহমান বলেন, নীতিমালার বাইরে গিয়ে আমদানিকারকদের সঙ্গে পর্যাপ্ত আলোচনা ছাড়াই নতুন মূল্য নির্ধারণ করা হয়েছে। নতুন মূল্য নির্ধারণের ফলে প্রতিষ্ঠানগুলো আর্থিক ক্ষতির মুখে পড়বে বলেও তিনি উল্লেখ করেন। তাঁর দাবি, নীতিমালা অনুযায়ী মূল্য নির্ধারণ হলে ব্যবসা পরিচালনায় সমস্যা হতো না।</p>
<p>ঔষধ প্রশাসন অধিদপ্তরের পরিচালক মো. আকতার হোসেন বলেন, রোগীদের স্বার্থে নতুন মূল্য নির্ধারণ করা হয়েছে। করোনারি ও নিউরোলজিক্যাল স্টেন্টবিষয়ক পরামর্শক কমিটির সুপারিশের ভিত্তিতে অন্যান্য দেশের বাজারদর পর্যালোচনা করেই এ মূল্য নির্ধারণ করা হয়েছে। তবে ভারতের তুলনায় বাংলাদেশে এসব চিকিৎসা উপকরণের দাম এখনও বেশি বলে জানান তিনি।</p>
<p>&nbsp;</p>
]]></content:encoded>
					
					<wfw:commentRss>https://chtnews24.com/2026/07/04/%e0%a6%b9%e0%a7%83%e0%a6%a6%e0%a6%b0%e0%a7%8b%e0%a6%97%e0%a7%87%e0%a6%b0-%e0%a6%9a%e0%a6%bf%e0%a6%95%e0%a6%bf%e0%a7%8e%e0%a6%b8%e0%a6%be%e0%a6%af%e0%a6%bc-%e0%a6%aa%e0%a7%87%e0%a6%b8%e0%a6%ae%e0%a7%87/feed/</wfw:commentRss>
			<slash:comments>0</slash:comments>
		
		
			</item>
		<item>
		<title>বাড়ছে ডেঙ্গুর সংক্রমণ, বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার সতর্কতা</title>
		<link>https://chtnews24.com/2026/07/04/%e0%a6%ac%e0%a6%be%e0%a6%a1%e0%a6%bc%e0%a6%9b%e0%a7%87-%e0%a6%a1%e0%a7%87%e0%a6%99%e0%a7%8d%e0%a6%97%e0%a7%81%e0%a6%b0-%e0%a6%b8%e0%a6%82%e0%a6%95%e0%a7%8d%e0%a6%b0%e0%a6%ae%e0%a6%a3-%e0%a6%ac/</link>
					<comments>https://chtnews24.com/2026/07/04/%e0%a6%ac%e0%a6%be%e0%a6%a1%e0%a6%bc%e0%a6%9b%e0%a7%87-%e0%a6%a1%e0%a7%87%e0%a6%99%e0%a7%8d%e0%a6%97%e0%a7%81%e0%a6%b0-%e0%a6%b8%e0%a6%82%e0%a6%95%e0%a7%8d%e0%a6%b0%e0%a6%ae%e0%a6%a3-%e0%a6%ac/#respond</comments>
		
		<dc:creator><![CDATA[adminchtnews24]]></dc:creator>
		<pubDate>Sat, 04 Jul 2026 03:13:10 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[Second lead]]></category>
		<category><![CDATA[শিরোনাম]]></category>
		<category><![CDATA[স্বাস্থ্য]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://chtnews24.com/?p=37410</guid>

					<description><![CDATA[ডেস্ক রির্পোট:- কয়েক দশকে বিশ্বব্যাপী ডেঙ্গুর সংক্রমণ বেড়েছে। ২০২৪ সালে এটি ইতিহাসের সবোর্চ্চ পর্যায়ে পৌঁছায়। এ বছর বিশ্বজুড়ে ১ কোটি ৪৬ লাখেরও বেশি ডেঙ্গু রোগী শনাক্ত হয়েছে এবং অন্তত ১২ হাজার মানুষ এ রোগে প্রাণ হারিয়েছেন। এক প্রতিবেদনে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা জানায়, ২০২৫ সালের জানুয়ারি থেকে জুলাই পর্যন্ত বিশ্বের ৯৭টি দেশ থেকে ৪০ লাখেরও বেশি [&#8230;]]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[<p>ডেস্ক রির্পোট:- কয়েক দশকে বিশ্বব্যাপী ডেঙ্গুর সংক্রমণ বেড়েছে। ২০২৪ সালে এটি ইতিহাসের সবোর্চ্চ পর্যায়ে পৌঁছায়। এ বছর বিশ্বজুড়ে ১ কোটি ৪৬ লাখেরও বেশি ডেঙ্গু রোগী শনাক্ত হয়েছে এবং অন্তত ১২ হাজার মানুষ এ রোগে প্রাণ হারিয়েছেন।</p>
<p>এক প্রতিবেদনে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা জানায়, ২০২৫ সালের জানুয়ারি থেকে জুলাই পর্যন্ত বিশ্বের ৯৭টি দেশ থেকে ৪০ লাখেরও বেশি রোগী এবং তিন হাজারেরও বেশি মৃত্যুর তথ্য পাওয়া গেছে। ডেঙ্গু এখন আর কেবল গ্রীষ্মমণ্ডলীয় অঞ্চলের মধ্যে সীমাবদ্ধ নেই; এটি ইউরোপ এবং পূর্ব ভূমধ্যসাগরীয় অঞ্চলের মতো নতুন নতুন এলাকায়ও ছড়িয়ে পড়ছে। ২০২৪ সালে ইউরোপের তিনটি দেশ—ফ্রান্স, ইতালি ও স্পেনে ডেঙ্গু রোগী শনাক্ত হয়েছে।</p>
<p>অধিকাংশ ক্ষেত্রে ডেঙ্গুর লক্ষণ মৃদু হয় এবং ১-২ সপ্তাহের মধ্যে রোগী সুস্থ হয়ে ওঠেন। তবে কিছু ক্ষেত্রে এটি মারাত্মক রূপ ধারণ করতে পারে, যা মৃত্যুঝুঁকি তৈরি করে। ডেঙ্গুর সাধারণ লক্ষণগুলোর মধ্যে রয়েছে:</p>
<p>* উচ্চমাত্রার জ্বর (১০৪° ফারেনহাইট পর্যন্ত) * তীব্র মাথাব্যথা ও চোখের পেছনে ব্যথা * মাংসপেশি ও হাড়ের সংযোগস্থলে ব্যথা * বমি বমি ভাব ও শরীরে র‍্যাশ।</p>
<p>বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ডেঙ্গু থেকে সেরে ওঠার পর অনেকেরই বেশ কয়েক সপ্তাহ ধরে শারীরিক দুর্বলতা থাকতে পারে।</p>
<p>তবে নিচের লক্ষণগুলো দেখা দিলে দ্রুত হাসপাতালে ভর্তি হতে হবে:<br />
* তীব্র পেটে ব্যথা ও অনবরত বমি হওয়া * দ্রুত শ্বাস-প্রশ্বাস ও মাড়ি বা নাক দিয়ে রক্তপাত * রক্তবমি বা পায়খানার সঙ্গে রক্ত যাওয়া * প্রবল তৃষ্ণা, দুর্বলতা এবং ত্বক ফ্যাকাশে বা ঠান্ডা হয়ে যাওয়া।</p>
<p>বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা জানিয়েছে, ডেঙ্গুর কোনো সুনির্দিষ্ট ওষুধ নেই। আক্রান্ত ব্যক্তিকে পর্যাপ্ত বিশ্রাম নিতে হবে এবং প্রচুর তরল খাবার পান করতে হবে। ব্যথানাশক হিসেবে চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী কেবল ‘প্যারাসিটামল’ সেবন করা যাবে। তবে আইবুপ্রোফেন বা অ্যাসপিরিনের মতো নন-স্টেরয়েডাল অ্যান্টি-ইনফ্ল্যামেটরি ওষুধ সেবন করা থেকে বিরত থাকতে হবে, কারণ এগুলো রক্তক্ষরণের ঝুঁকি বাড়িয়ে দেয়।</p>
<p>ডেঙ্গু প্রতিরোধের প্রধান উপায় হলো মশার কামড় থেকে রক্ষা পাওয়া। যেহেতু ডেঙ্গুর বাহক এডিস মশা দিনের বেলায় বেশি সক্রিয় থাকে, তাই দিনেও সতর্ক থাকতে হবে।</p>
<p>* শরীর ঢেকে রাখে এমন পোশাক পরুন। * দিনের বেলা ঘুমানোর সময় মশারি ব্যবহার করুন। * জানালায় নেট লাগান এবং মশারি তাড়ানোর স্প্রে বা কয়েল ব্যবহার করুন। * মশার প্রজননস্থল ধ্বংস করতে ঘর ও আঙিনায় জমে থাকা পানি পরিষ্কার রাখুন।</p>
<p>বর্তমানে একটি টিকা (QDenga) কিছু দেশে অনুমোদিত হলেও, এটি শুধু ৬ থেকে ১৬ বছর বয়সী উচ্চ ঝুঁকিপূর্ণ রোগীদের জন্য সুপারিশ করা হয়েছে। ডেঙ্গু নিয়ন্ত্রণে ব্যক্তি সচেতনতার পাশাপাশি সরকারি ও প্রাতিষ্ঠানিক পর্যায়ে কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ অত্যন্ত জরুরি বলে মনে করছে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা।</p>
]]></content:encoded>
					
					<wfw:commentRss>https://chtnews24.com/2026/07/04/%e0%a6%ac%e0%a6%be%e0%a6%a1%e0%a6%bc%e0%a6%9b%e0%a7%87-%e0%a6%a1%e0%a7%87%e0%a6%99%e0%a7%8d%e0%a6%97%e0%a7%81%e0%a6%b0-%e0%a6%b8%e0%a6%82%e0%a6%95%e0%a7%8d%e0%a6%b0%e0%a6%ae%e0%a6%a3-%e0%a6%ac/feed/</wfw:commentRss>
			<slash:comments>0</slash:comments>
		
		
			</item>
	</channel>
</rss>
