<?xml version="1.0" encoding="UTF-8"?><rss version="2.0"
	xmlns:content="http://purl.org/rss/1.0/modules/content/"
	xmlns:wfw="http://wellformedweb.org/CommentAPI/"
	xmlns:dc="http://purl.org/dc/elements/1.1/"
	xmlns:atom="http://www.w3.org/2005/Atom"
	xmlns:sy="http://purl.org/rss/1.0/modules/syndication/"
	xmlns:slash="http://purl.org/rss/1.0/modules/slash/"
	>

<channel>
	<title>স্বাস্থ্য &#8211; chtnews24.com</title>
	<atom:link href="https://chtnews24.com/category/%E0%A6%B8%E0%A7%8D%E0%A6%AC%E0%A6%BE%E0%A6%B8%E0%A7%8D%E0%A6%A5%E0%A7%8D%E0%A6%AF/feed/" rel="self" type="application/rss+xml" />
	<link>https://chtnews24.com</link>
	<description></description>
	<lastBuildDate>Tue, 06 Oct 2026 04:08:10 +0000</lastBuildDate>
	<language>en-US</language>
	<sy:updatePeriod>
	hourly	</sy:updatePeriod>
	<sy:updateFrequency>
	1	</sy:updateFrequency>
	<generator>https://wordpress.org/?v=7.1.3</generator>
	<item>
		<title>চট্টগ্রামে ডেঙ্গুর প্রকোপ ভয়াবহ: এক মাসে ১৬ মৃত্যু, আক্রান্ত ২৪৩০</title>
		<link>https://chtnews24.com/2026/10/06/%e0%a6%9a%e0%a6%9f%e0%a7%8d%e0%a6%9f%e0%a6%97%e0%a7%8d%e0%a6%b0%e0%a6%be%e0%a6%ae%e0%a7%87-%e0%a6%a1%e0%a7%87%e0%a6%99%e0%a7%8d%e0%a6%97%e0%a7%81%e0%a6%b0-%e0%a6%aa%e0%a7%8d%e0%a6%b0%e0%a6%95%e0%a7%8b/</link>
					<comments>https://chtnews24.com/2026/10/06/%e0%a6%9a%e0%a6%9f%e0%a7%8d%e0%a6%9f%e0%a6%97%e0%a7%8d%e0%a6%b0%e0%a6%be%e0%a6%ae%e0%a7%87-%e0%a6%a1%e0%a7%87%e0%a6%99%e0%a7%8d%e0%a6%97%e0%a7%81%e0%a6%b0-%e0%a6%aa%e0%a7%8d%e0%a6%b0%e0%a6%95%e0%a7%8b/#respond</comments>
		
		<dc:creator><![CDATA[adminchtnews24]]></dc:creator>
		<pubDate>Tue, 06 Oct 2026 04:08:10 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[Second lead]]></category>
		<category><![CDATA[চট্রগ্রাম]]></category>
		<category><![CDATA[শিরোনাম]]></category>
		<category><![CDATA[স্বাস্থ্য]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://chtnews24.com/?p=38941</guid>

					<description><![CDATA[চট্টগ্রাম:- বন্দরনগরী চট্টগ্রামে ডেঙ্গুর প্রকোপ ক্রমেই বাড়ছে। চলতি বছরের শুরু থেকে ৫ অক্টোবর পর্যন্ত জেলায় ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়েছেন ৪ হাজার ৯১৪ জন। এ সময়ে মারা গেছেন ২১ জন। এর মধ্যে সেপ্টেম্বরে ডেঙ্গুর প্রকোপ ভয়াবহ রূপ নেয়। সেপ্টেম্বরে ২ হাজার ৪৩০ জন আক্রান্ত হওয়ার পাশাপাশি মারা যান ১৬ জন। জেলা সিভিল সার্জন কার্যালয়ের তথ্য অনুযায়ী, রবিবার [&#8230;]]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[<p>চট্টগ্রাম:- বন্দরনগরী চট্টগ্রামে ডেঙ্গুর প্রকোপ ক্রমেই বাড়ছে। চলতি বছরের শুরু থেকে ৫ অক্টোবর পর্যন্ত জেলায় ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়েছেন ৪ হাজার ৯১৪ জন। এ সময়ে মারা গেছেন ২১ জন। এর মধ্যে সেপ্টেম্বরে ডেঙ্গুর প্রকোপ ভয়াবহ রূপ নেয়। সেপ্টেম্বরে ২ হাজার ৪৩০ জন আক্রান্ত হওয়ার পাশাপাশি মারা যান ১৬ জন।</p>
<p>জেলা সিভিল সার্জন কার্যালয়ের তথ্য অনুযায়ী, রবিবার (৫ অক্টোবর) সকাল ৮টা পর্যন্ত আগের ২৪ ঘণ্টায় চট্টগ্রামে নতুন করে ১০৭ জন ডেঙ্গু রোগী শনাক্ত হয়েছেন। এ নিয়ে চলতি বছরে সরকারি ও বেসরকারি হাসপাতাল মিলিয়ে মোট আক্রান্তের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৪ হাজার ৯১৪ জনে। বর্তমানে বিভিন্ন হাসপাতালে ভর্তি রয়েছেন ২৬০ জন। এ পর্যন্ত সুস্থ হয়ে ছাড়পত্র পেয়েছেন ৪ হাজার ৬৫৪ জন।</p>
<p>সেপ্টেম্বরে ভয়াবহ পরিস্থিতি<br />
বছরের শুরুতে চট্টগ্রামে ডেঙ্গুর প্রকোপ তুলনামূলক কম ছিল। জানুয়ারিতে ৬৮ জন, ফেব্রুয়ারিতে ২২ জন, মার্চে ২০ জন, এপ্রিলে ২৯ জন এবং মে মাসে ৩৭ জন ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হন।</p>
<p>জুন থেকে পরিস্থিতির অবনতি শুরু হয়। ওই মাসে আক্রান্ত হন ১২২ জন। জুলাইয়ে আক্রান্তের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়ায় ৫৩৬ জনে। আগস্টে আক্রান্ত হন ১ হাজার ২০২ জন। সেপ্টেম্বরে তা এক লাফে বেড়ে ২ হাজার ৪৩০ জনে দাঁড়ায়। অক্টোবরের প্রথম পাঁচ দিনে নতুন করে ৪৪৮ জন ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়েছেন।</p>
<p>মৃত্যুর দিক থেকেও সেপ্টেম্বরে পরিস্থিতি ছিল সবচেয়ে ভয়াবহ। শুধু এ মাসেই মারা গেছেন ১৬ জন। জুলাইয়ে দুইজন, আগস্টে দুইজন এবং ফেব্রুয়ারিতে একজনের মৃত্যু হয়েছে। সব মিলিয়ে ৫ অক্টোবর পর্যন্ত ডেঙ্গুতে মৃতের সংখ্যা ২১ জন। গত ২৪ ঘণ্টায় অবশ্য নতুন করে কোনো মৃত্যুর ঘটনা ঘটেনি।</p>
<p>উপজেলায় সর্বোচ্চ সীতাকুণ্ডে<br />
জেলা সিভিল সার্জন কার্যালয়ের তথ্যে দেখা গেছে, চলতি বছরের মোট ৪ হাজার ৯১৪ আক্রান্তের মধ্যে চট্টগ্রাম মহানগরে ২ হাজার ২৮৫ জন, উপজেলা পর্যায়ে ২ হাজার ৯৮ জন এবং অন্যান্য জেলা থেকে আসা রোগী রয়েছেন ৫৩১ জন।</p>
<p>উপজেলাগুলোর মধ্যে সবচেয়ে বেশি আক্রান্ত হয়েছেন সীতাকুণ্ডে—৬২০ জন। এরপর কর্ণফুলীতে ২৮৫, বাঁশখালীতে ১৫৪, রাঙ্গুনিয়ায় ১৫২, সাতকানিয়ায় ১২১, আনোয়ারায় ১১২, রাউজানে ১০৩ এবং পটিয়ায় ১০০ জন আক্রান্ত হয়েছেন।</p>
<p>জুনের তুলনায় সেপ্টেম্বরে ১৫ গুণ রোগী, ডেঙ্গু পরিস্থিতি কোন দিকে যাচ্ছেজুনের তুলনায় সেপ্টেম্বরে ১৫ গুণ রোগী, ডেঙ্গু পরিস্থিতি কোন দিকে যাচ্ছে<br />
এ ছাড়া হাটহাজারীতে ৮৪, মিরসরাইয়ে ৭৯, বোয়ালখালীতে ৭৬, চন্দনাইশে ৭৭, লোহাগাড়ায় ৬৬, ফটিকছড়িতে ৪৪ এবং সন্দ্বীপে ২৫ জন ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়েছেন।</p>
<p>পুরুষ আক্রান্ত বেশি, মৃত্যুর হার নারীদের বেশি<br />
চলতি বছরের মোট ডেঙ্গু রোগীর মধ্যে পুরুষ ২ হাজার ৪০২ জন, নারী ১ হাজার ৪০৩ জন এবং শিশু ১ হাজার ১০৯ জন।</p>
<p>গত ২৪ ঘণ্টায় হাসপাতালে ভর্তি হওয়া ১০৭ জনের মধ্যে ৫৬ জন পুরুষ, ২৩ জন নারী এবং ২৮ জন শিশু।</p>
<p>অপরদিকে চলতি বছর ডেঙ্গুতে মারা যাওয়া ২১ জনের মধ্যে পুরুষ চারজন, নারী ১১ জন এবং শিশু ছয়জন।</p>
<p>দুই বছরের তুলনায় আক্রান্ত বেশি<br />
গত দুই বছরের তুলনায়ও চলতি বছর চট্টগ্রামে ডেঙ্গু আক্রান্তের সংখ্যা বেড়েছে। ২০২৪ সালে জেলায় ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হন ৪ হাজার ৩২৩ জন এবং মারা যান ৪৫ জন। ২০২৫ সালে আক্রান্ত হন ৪ হাজার ৮৬৪ জন এবং মৃত্যু হয় ২৭ জনের।</p>
<p>চলতি বছরের ৫ অক্টোবর পর্যন্ত আক্রান্তের সংখ্যা ৪ হাজার ৯১৪ জন। এ সময়ে মৃত্যু হয়েছে ২১ জনের। অর্থাৎ বছরের শেষ তিন মাসের আগেই গত দুই বছরের মোট আক্রান্তের সংখ্যা ছাড়িয়ে গেছে চলতি বছরের আক্রান্তের সংখ্যা।</p>
<p>মশা নিধনে গতি না বাড়ার অভিযোগ<br />
চট্টগ্রামে ডেঙ্গু আক্রান্তের সংখ্যা বাড়লেও মশা নিধন কার্যক্রমে কাঙ্ক্ষিত গতি নেই বলে অভিযোগ নগরবাসীর। নগরের হামজারবাগ সঙ্গীত আবাসিক এলাকার বাসিন্দা মুনতাসির উদ্দিন বলেন, এলাকায় মশার বিস্তার অনেক বেশি। অথচ সিটি করপোরেশনের মশা নিধনে নিয়োজিত লোকজনকে মাসে একবারও দেখা যায় না। ওষুধ ছিটানোর দায়িত্বে থাকা ব্যক্তিরা ঠিকমতো ওষুধ ছিটাচ্ছেন কিনা, তা তদারকিও দুর্বল বলে অভিযোগ করেন তিনি।</p>
<p>চন্দনপুরা এলাকার বাসিন্দা জামাল উদ্দিন বলেন, নগরে ডেঙ্গু রোগী অস্বাভাবিকভাবে বেড়েছে। সে অনুযায়ী সিটি করপোরেশনের তদারকি বাড়েনি। এতে ডেঙ্গু আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা দিন দিন বাড়ছে।</p>
<p>প্রজননস্থল ধ্বংসের তাগিদ<br />
জেলা সিভিল সার্জন মোহাম্মদ সাজেদুর রহমান বলেন, ডেঙ্গু মশাবাহিত রোগ। ব্যক্তিগত সচেতনতার পাশাপাশি বাড়ির আশপাশ পরিষ্কার রাখতে হবে। ডেঙ্গুর প্রজননস্থল ধ্বংস করা গেলে এর বিস্তার নিয়ন্ত্রণে রাখা সম্ভব।</p>
<p>তিনি বলেন, জ্বর হলে দেরি না করে ডেঙ্গু পরীক্ষা করাতে হবে এবং দ্রুত চিকিৎসকের পরামর্শ নিতে হবে।</p>
<p>চট্টগ্রাম বিভাগীয় স্বাস্থ্য পরিচালক শেখ ফজলে রাব্বি বলেন, জ্বর বা ডেঙ্গুর উপসর্গ দেখা দিলে দ্রুত চিকিৎসকের পরামর্শ নিতে হবে। ডেঙ্গু প্রতিরোধে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো এডিস মশার প্রজননস্থল ধ্বংস করা। পাশাপাশি মশা নিধনেও জোর দিতে হবে। মশা নিধনে জোর দেওয়ার জন্য ইতিমধ্যে সিটি করপোরেশনকে একাধিকবার চিঠি দেওয়া হয়েছে।</p>
<p>চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা ও সচিব আশরাফুল আমিন বলেন, ডেঙ্গু ও মশাবাহিত রোগ নিয়ন্ত্রণে সিটি করপোরেশন নিয়মিত মশক নিধন কার্যক্রম পরিচালনা করছে। নগরবাসীকে নিরাপদ রাখতে প্রয়োজন অনুযায়ী বিভিন্ন এলাকায় বিশেষ ক্রাশ প্রোগ্রামও পরিচালনা করা হচ্ছে।</p>
<p>তিনি বলেন, শুধু মশক নিধনের ওষুধ ছিটিয়ে ডেঙ্গু নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব নয়। মশার প্রজননস্থল ধ্বংস করতে হবে। একইসঙ্গে বাসাবাড়ি, ছাদ, নির্মাণাধীন ভবন ও আশপাশের এলাকায় যাতে পানি জমে না থাকে, সে বিষয়ে নগরবাসীকে আরও সচেতন হতে হবে।বাংলা ট্রিবিউন</p>
]]></content:encoded>
					
					<wfw:commentRss>https://chtnews24.com/2026/10/06/%e0%a6%9a%e0%a6%9f%e0%a7%8d%e0%a6%9f%e0%a6%97%e0%a7%8d%e0%a6%b0%e0%a6%be%e0%a6%ae%e0%a7%87-%e0%a6%a1%e0%a7%87%e0%a6%99%e0%a7%8d%e0%a6%97%e0%a7%81%e0%a6%b0-%e0%a6%aa%e0%a7%8d%e0%a6%b0%e0%a6%95%e0%a7%8b/feed/</wfw:commentRss>
			<slash:comments>0</slash:comments>
		
		
			</item>
		<item>
		<title>চট্টগ্রামে সেপ্টেম্বরে ডেঙ্গু আক্রান্ত ২ হাজার ৪৩০ জন, মৃত্যু ১৬</title>
		<link>https://chtnews24.com/2026/10/01/%e0%a6%9a%e0%a6%9f%e0%a7%8d%e0%a6%9f%e0%a6%97%e0%a7%8d%e0%a6%b0%e0%a6%be%e0%a6%ae%e0%a7%87-%e0%a6%b8%e0%a7%87%e0%a6%aa%e0%a7%8d%e0%a6%9f%e0%a7%87%e0%a6%ae%e0%a7%8d%e0%a6%ac%e0%a6%b0%e0%a7%87-%e0%a6%a1/</link>
					<comments>https://chtnews24.com/2026/10/01/%e0%a6%9a%e0%a6%9f%e0%a7%8d%e0%a6%9f%e0%a6%97%e0%a7%8d%e0%a6%b0%e0%a6%be%e0%a6%ae%e0%a7%87-%e0%a6%b8%e0%a7%87%e0%a6%aa%e0%a7%8d%e0%a6%9f%e0%a7%87%e0%a6%ae%e0%a7%8d%e0%a6%ac%e0%a6%b0%e0%a7%87-%e0%a6%a1/#respond</comments>
		
		<dc:creator><![CDATA[adminchtnews24]]></dc:creator>
		<pubDate>Thu, 01 Oct 2026 04:49:44 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[Second lead]]></category>
		<category><![CDATA[শিরোনাম]]></category>
		<category><![CDATA[স্বাস্থ্য]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://chtnews24.com/?p=38873</guid>

					<description><![CDATA[ডেস্ক রির্পোট:- চট্টগ্রামে পুরো সেপ্টেম্বরজুড়ে ছিল ডেঙ্গুর গুরুতর প্রকোপ। চলতি বছরের মোট ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়েছে ৪ হাজার ৪৬৬ জন। এরমধ্যে ৫৫ শতাংশই ছিল সেপ্টেম্বর মাসে। এছাড়া মৃত্যু হয়েছে ২১ জনের। এরমধ্যে ৭৫ শতাংশই ছিল সেপ্টেম্বরে। অর্থাৎ চলতি বছরের আগস্ট পর্যন্ত ডেঙ্গু আক্রান্তের হার মোটামুটি নিয়ন্ত্রণে ছিল বলা যায়। তবে সেপ্টেম্বরে আক্রান্ত ও মৃত্যু দুটোই বাড়তে [&#8230;]]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[<p>ডেস্ক রির্পোট:- চট্টগ্রামে পুরো সেপ্টেম্বরজুড়ে ছিল ডেঙ্গুর গুরুতর প্রকোপ। চলতি বছরের মোট ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়েছে ৪ হাজার ৪৬৬ জন। এরমধ্যে ৫৫ শতাংশই ছিল সেপ্টেম্বর মাসে। এছাড়া মৃত্যু হয়েছে ২১ জনের। এরমধ্যে ৭৫ শতাংশই ছিল সেপ্টেম্বরে। অর্থাৎ চলতি বছরের আগস্ট পর্যন্ত ডেঙ্গু আক্রান্তের হার মোটামুটি নিয়ন্ত্রণে ছিল বলা যায়। তবে সেপ্টেম্বরে আক্রান্ত ও মৃত্যু দুটোই বাড়তে থাকে। সেপ্টেম্বরে মোট আক্রান্ত হয়েছে ২ হাজার ৪৩০ জন এবং মৃত্যু হয়েছে ১৬ জনের। অন্যদিকে চলতি বছর মোট মৃত্যুর মধ্যে নারী ও শিশু রয়েছে ১৭ জন এবং পুরুষ রয়েছে ৪ জন। তবে আক্রান্তের দিকে পুরুষের হার বেশি। চলতি বছর গতকাল পর্যন্ত ২ হাজার ১৯৩ জন পুরুষ ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়, নারী আক্রান্ত হয় ১ হাজার ২৭৮ জন এবং শিশু আক্রান্ত হয় ৯৯৫ জন।</p>
<p>সংশ্লিষ্টরা বলছেন, আমাদের দেশে জুন–জুলাই থেকে ডেঙ্গু বাড়ার প্রবণতা লক্ষ্য করা যায়। সেপ্টেম্বর অক্টোবর থেকে ডেঙ্গু বাড়ার হার তুলনামূলকভাবে কমে আসতো। তবে এবার জুন–জুলাইয়ে ডেঙ্গু আক্রান্ত রোগী খুব বেশি ছিল না। আগস্ট থেকে ডেঙ্গু রোগী বাড়তে থাকে। তবে গত সেপ্টেম্বরে সেটি ভয়াবহ আকার ধারণ করছে। এই ধারা অক্টোবরেও চলতে পারে বলে আশঙ্কা করছেন বিশেষজ্ঞরা।</p>
<p>সংশ্লিষ্টরা বলছেন, এখন প্রায় থেমে থেমে বৃষ্টি হচ্ছে। এছাড়া রয়েছে ভ্যাপসা গরম। এমন আবহাওয়া ডেঙ্গু ভাইরাসের বাহক এডিস মশার বংশবিস্তারে সহায়ক ভূমিকা পালন করে। এছাড়া যত্রতত্র ডাবের খোসা, গাড়ি টায়ার ও বাসা বাড়ির ছাদে ফুলের টবে পানি জমে সেখান থেকে মশার বংশবিস্তার হয়।</p>
<p>এদিকে চট্টগ্রাম নগরী ছাড়া উপজেলায়ও বেড়েছে ডেঙ্গুর বিস্তার। চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের পার্শ্ববর্তী সীতাকুণ্ডের অবস্থা সবচেয়ে বেশি খারাপ। উপজেলার মোট ১ হাজার ৯২০ জন ডেঙ্গু আক্রান্তের মধ্যে সীতাকুণ্ডে আক্রান্ত ৫৬২ জন। এরপরের অবস্থানে রয়েছে কর্ণফুলী। কর্ণফুলীতে ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়েছেন ২৬৭ জন। এছাড়া রাঙ্গুনিয়ায় ১৪৫ জন, বাঁশখালীতে ১৪২ জন, সাতকানিয়া ১০৯ জন, আনোয়ারায় ১০৭ জন, রাউজানে ৯৩ জন, পটিয়ায় ৮৮ জন, হাটহাজারীতে ৭৬ জন, মীরাসরাইতে ৭৪ জন, বোয়ালখালীতে ৭১ জন, চন্দনাইশে ৬৫ জন, লোহাগাড়ায় ৬১ জন, ফটিকছড়িতে ৩৭ জন এবং সন্দ্বীপে আক্রান্ত হয়েছেন ২৩ জন।</p>
<p>এদিকে চট্টগ্রাম সিভিল সার্জন কার্যালয় সূত্রে জানা গেছে, গতকাল সর্বশেষ ২৪ ঘণ্টায় সরকারি বেসরকারি বিভিন্ন হাসপাতালে ১০৭ জন ডেঙ্গু আক্রান্ত রোগী চিকিৎসা নিচ্ছেন। এরমধ্যে গতকাল চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ (চমেক) হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন ৩১ জন, ফৌজদারহাট বিআইটিআইডি হাসপাতালে ১৩ জন, চট্টগ্রাম জেনারেল হাসপাতালে ৩০ জন, চট্টগ্রাম সিএমএইচ হাসপাতালে ৫ জন, উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেঙে ১২ জন এবং বিভিন্ন বেসরকারি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন ১৬ জন।</p>
<p>বিশেষজ্ঞরা বলছেন, চট্টগ্রামে বর্তমানে কখনো মাঝারি ও কখনো থেমে থেমে বৃষ্টি হচ্ছে। এতে বিভিন্ন জায়গায় স্বচ্ছ পানি জমছে। বিশেষ করে ফুলের টব ও ডাবের খোসা, গাড়ির টায়ারসহ বিভিন্ন পরিত্যক্ত বস্তুতে পানি জমার কারণে ডেঙ্গুবাহী এডিস মশার প্রজননে সহায়ক ভূমিকা পালন করছে। এতে ডেঙ্গু আক্রান্ত রোগীও বাড়ছে। তাই সবাইকে বাড়ির আশপাশ পরিষ্কার রাখাসহ কোথাও যাতে তিনদিনের বেশি পানি না জমে সেদিকে বিশেষ নজর দিতে হবে। এছাড়া দিনের বেলায়ও মশারি টানাতে হবে।</p>
<p>চিকিৎসকরা বলছেন, ডেঙ্গু রোগীর মূল চিকিৎসা হচ্ছে ফ্লুইড ম্যানেজম্যান্ট। অনেক অনেক রোগী এনএসওয়ান রিপোর্ট হওয়ার সাথে সাথে হাসপাতালে ভর্তি হয়ে যাচ্ছেন। এটির আসলে কোনো দরকার নাই। ডেঙ্গুর প্ল্যাটিলেট কাউন্ট ১০ হাজারের নিচে নেমে গেলে তখন ইন্টারনাল ব্লিডিং শুরু হয়। তখন ক্রিটিক্যাল কেয়ার ম্যানেজম্যান্টের প্রয়োজন পড়ে। আবার প্ল্যাটিলেট কমা শুরু হয় জ্বর কমে যাওয়ার পর পর। তখন শারীরিক কিছু অসুবিধা দেখা দেয়। ওই সময় হাসপাতালে ভর্তি হতে পারে। সাধারণ মানুষের মধ্যে প্ল্যাটিলেট নিয়ে আতঙ্ক লক্ষ্য করা যাচ্ছে, আসলে প্ল্যাটিলেট যখন বাড়া শুরু হয় তখন দ্রুতই বাড়ে। কাজেই ডেঙ্গু জ্বর হলেই আতঙ্কিত হওয়ার কোনো কারণ নেই।</p>
<p>চট্টগ্রাম জেলার সিভিল সার্জন ডা. মোহাম্মদ সাজেদুর রহমান বলেন, এখন প্রায় প্রতিদিন থেমে থেমে বৃষ্টি হচ্ছে। বৃষ্টি হওয়ার কারণে বিভিন্ন স্থানে পানি জমে যাচ্ছে। ফলে এসব পানিতে এডিস মশার বংশবিস্তার হচ্ছে। তবে ডেঙ্গু প্রতিরোধে নাগরিকদেরও সচেতন হতে হবে। কোন স্থানে যাতে তিনদিনের বেশি পানি না জমে সেই বিষয়ে সতর্ক থাকতে হবে। অন্যদিকে চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনও মশক নিধনে তাদের নিয়মিত কার্যক্রম পরিচালনা করছে।</p>
<p>উল্লেখ্য, গত বছর ২০২৫ সালে মোট ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়েছেন ৪ হাজার ৮৬৪ জন এবং মারা যান ২৭ জন। এছাড়া ২০২৪ সালে মোট ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়েছেন ৪ হাজার ৩২৩ জন এবং মারা যান ৪৫ জন। ২০২৩ সালে আক্রান্ত হয়েছিলেন ১৪ হাজার ৮৭ জন। এরমধ্যে মারা যান ১০৭ জন এবং ২০২২ সালে মোট আক্রান্ত ৫ হাজার ৪৪৫ জনের মধ্যে মারা যান ৪১ জন।দৈনিক আজাদী</p>
]]></content:encoded>
					
					<wfw:commentRss>https://chtnews24.com/2026/10/01/%e0%a6%9a%e0%a6%9f%e0%a7%8d%e0%a6%9f%e0%a6%97%e0%a7%8d%e0%a6%b0%e0%a6%be%e0%a6%ae%e0%a7%87-%e0%a6%b8%e0%a7%87%e0%a6%aa%e0%a7%8d%e0%a6%9f%e0%a7%87%e0%a6%ae%e0%a7%8d%e0%a6%ac%e0%a6%b0%e0%a7%87-%e0%a6%a1/feed/</wfw:commentRss>
			<slash:comments>0</slash:comments>
		
		
			</item>
		<item>
		<title>২৪ ঘন্টায় হাম উপসর্গে ৫ জনের মৃত্যু, আক্রান্ত ১৩৩৯</title>
		<link>https://chtnews24.com/2026/09/29/%e0%a7%a8%e0%a7%aa-%e0%a6%98%e0%a6%a8%e0%a7%8d%e0%a6%9f%e0%a6%be%e0%a6%af%e0%a6%bc-%e0%a6%b9%e0%a6%be%e0%a6%ae-%e0%a6%89%e0%a6%aa%e0%a6%b8%e0%a6%b0%e0%a7%8d%e0%a6%97%e0%a7%87-%e0%a7%ab-%e0%a6%9c/</link>
					<comments>https://chtnews24.com/2026/09/29/%e0%a7%a8%e0%a7%aa-%e0%a6%98%e0%a6%a8%e0%a7%8d%e0%a6%9f%e0%a6%be%e0%a6%af%e0%a6%bc-%e0%a6%b9%e0%a6%be%e0%a6%ae-%e0%a6%89%e0%a6%aa%e0%a6%b8%e0%a6%b0%e0%a7%8d%e0%a6%97%e0%a7%87-%e0%a7%ab-%e0%a6%9c/#respond</comments>
		
		<dc:creator><![CDATA[adminchtnews24]]></dc:creator>
		<pubDate>Tue, 29 Sep 2026 11:41:10 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[Second lead]]></category>
		<category><![CDATA[শিরোনাম]]></category>
		<category><![CDATA[স্বাস্থ্য]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://chtnews24.com/?p=38831</guid>

					<description><![CDATA[ডেস্ক রির্পোট:- সারাদেশে গত ২৪ ঘন্টায় (সোমবার সকাল ৮টা থেকে মঙ্গলবার সকাল ৮টা পর্যন্ত) হাম উপসর্গে আরও ৫ জনের মৃত্যু হয়েছে। এ সময় আক্রান্ত হয়েছেন আরও ১৩৩৯ জন। স্বাস্থ্য অধিদপ্তর থেকে এ তথ্য জানা গেছে। স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, ১৫ মার্চ থেকে এ পর্যন্ত হামের উপসর্গে মোট মৃত্যুর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৯৯৮ জনে এবং নিশ্চিতভাবে হামে [&#8230;]]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[<p>ডেস্ক রির্পোট:- সারাদেশে গত ২৪ ঘন্টায় (সোমবার সকাল ৮টা থেকে মঙ্গলবার সকাল ৮টা পর্যন্ত) হাম উপসর্গে আরও ৫ জনের মৃত্যু হয়েছে। এ সময় আক্রান্ত হয়েছেন আরও ১৩৩৯ জন। স্বাস্থ্য অধিদপ্তর থেকে এ তথ্য জানা গেছে।</p>
<p>স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, ১৫ মার্চ থেকে এ পর্যন্ত হামের উপসর্গে মোট মৃত্যুর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৯৯৮ জনে এবং নিশ্চিতভাবে হামে ১০১ জনের মৃত্যু হয়েছে। এছাড়া এ পর্যন্ত দেশে মোট আক্রান্ত ও হাসপাতালে ভর্তি রোগীর সংখ্যা উল্লেখযোগ্য সংখ্যায় বৃদ্ধি পেয়েছে। সূত্র-দেশ রুপান্তর</p>
]]></content:encoded>
					
					<wfw:commentRss>https://chtnews24.com/2026/09/29/%e0%a7%a8%e0%a7%aa-%e0%a6%98%e0%a6%a8%e0%a7%8d%e0%a6%9f%e0%a6%be%e0%a6%af%e0%a6%bc-%e0%a6%b9%e0%a6%be%e0%a6%ae-%e0%a6%89%e0%a6%aa%e0%a6%b8%e0%a6%b0%e0%a7%8d%e0%a6%97%e0%a7%87-%e0%a7%ab-%e0%a6%9c/feed/</wfw:commentRss>
			<slash:comments>0</slash:comments>
		
		
			</item>
		<item>
		<title>কাটা-ছেঁড়া ছাড়াই হৃদরোগের আধুনিক চিকিৎসা</title>
		<link>https://chtnews24.com/2026/09/29/%e0%a6%95%e0%a6%be%e0%a6%9f%e0%a6%be-%e0%a6%9b%e0%a7%87%e0%a6%81%e0%a6%a1%e0%a6%bc%e0%a6%be-%e0%a6%9b%e0%a6%be%e0%a6%a1%e0%a6%bc%e0%a6%be%e0%a6%87-%e0%a6%b9%e0%a7%83%e0%a6%a6%e0%a6%b0%e0%a7%8b/</link>
					<comments>https://chtnews24.com/2026/09/29/%e0%a6%95%e0%a6%be%e0%a6%9f%e0%a6%be-%e0%a6%9b%e0%a7%87%e0%a6%81%e0%a6%a1%e0%a6%bc%e0%a6%be-%e0%a6%9b%e0%a6%be%e0%a6%a1%e0%a6%bc%e0%a6%be%e0%a6%87-%e0%a6%b9%e0%a7%83%e0%a6%a6%e0%a6%b0%e0%a7%8b/#respond</comments>
		
		<dc:creator><![CDATA[adminchtnews24]]></dc:creator>
		<pubDate>Tue, 29 Sep 2026 04:44:03 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[Second lead]]></category>
		<category><![CDATA[শিরোনাম]]></category>
		<category><![CDATA[স্বাস্থ্য]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://chtnews24.com/?p=38804</guid>

					<description><![CDATA[ডেস্ক রির্পোট:- দেশে দিন দিন বাড়ছে হদরোগী। এই বৃদ্ধির জানা-অজানা নানা কারণ রয়েছে। সাধারণত হদযন্ত্রের অক্সিজেন বহনকারী ধমনি সংকীর্ণ বা বন্ধ হলে হৃদ্‌রোগের সমস্যা দেখা দেয়। আর এই হৃদরোগীদের জন্য বড় স্বস্তির খবর হচ্ছে কোনোরকম কাটা-ছেঁড়া ছাড়াই চিকিৎসা সম্ভব। এমনটাই জানালেন মাতৃভূমি হার্ট কেয়ারের চিকিৎসক সাদিয়া আলী অলিন। তিনি বলেন, প্রচলিত হৃদরোগের চিকিৎসায় রিং বা [&#8230;]]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[<p>ডেস্ক রির্পোট:- দেশে দিন দিন বাড়ছে হদরোগী। এই বৃদ্ধির জানা-অজানা নানা কারণ রয়েছে। সাধারণত হদযন্ত্রের অক্সিজেন বহনকারী ধমনি সংকীর্ণ বা বন্ধ হলে হৃদ্‌রোগের সমস্যা দেখা দেয়। আর এই হৃদরোগীদের জন্য বড় স্বস্তির খবর হচ্ছে কোনোরকম কাটা-ছেঁড়া ছাড়াই চিকিৎসা সম্ভব। এমনটাই জানালেন মাতৃভূমি হার্ট কেয়ারের চিকিৎসক সাদিয়া আলী অলিন।</p>
<p>তিনি বলেন, প্রচলিত হৃদরোগের চিকিৎসায় রিং বা বেলুন ব্যবহারের পাশাপাশি কাটা-ছেঁড়া ছাড়াই চিকিৎসার বিভিন্ন পদ্ধতি নিয়ে আমরা কাজ করছি। চিকিৎসার সফলতার হার ৯০ থেকে ৯৫ শতাংশের বেশি। চিকিৎসা ব্যর্থ হওয়ার ঘটনা খুবই কম।</p>
<p>ডাক্তার সাদিয়া আলী অলিন বলেন, আমাদের হাসপাতালে ২০২২ সালের ফেব্রুয়ারি থেকে এনহ্যান্সড এক্সটার্নাল কাউন্টার পালসেশন (ইইসিপি) ও ব্লাড ক্লিনজিং থেরাপি (বিসিটি) পদ্ধতিতে কিছু রোগীকে চিকিৎসা দিচ্ছে। পদ্ধতিটি প্রথম চীনে উদ্ভাবিত হয়। পরে যুক্তরাষ্ট্রে মানুষের ওপর বিভিন্ন পর্যায়ে পরীক্ষা করা হয়েছে এবং চিকিৎসা পদ্ধতিটি যুক্তরাষ্ট্রের খাদ্য ও ঔষধ প্রশাসনের (এফডিএ) অনুমোদন পেয়েছে।</p>
<p>কাটা-ছেঁড়া ছাড়াই হার্টের চিকিৎসা নিয়ে তিনি বলেন, হৃৎপিণ্ডে অসংখ্য ছোট রক্তনালি থাকে, যেগুলোর কিছু সাধারণ অবস্থায় খুব বেশি সক্রিয় থাকে না। ইইসিপি ও বিসিটি চিকিৎসার মাধ্যমে এসব রক্তনালিতে রক্তপ্রবাহ বাড়াতে সহায়তা করা হয়। ফলে হৃৎপিণ্ডে রক্ত চলাচলের বিকল্প পথ তৈরি হতে পারে, যাকে ‘ন্যাচারাল বাইপাস’ বলা হয়। হৃৎপিণ্ডে পর্যাপ্ত রক্ত না পৌঁছালে বুকে যে ব্যথা হতে পারে, এই চিকিৎসার লক্ষ্য হলো রক্তপ্রবাহ বাড়িয়ে সে সমস্যা কমাতে সহায়তা করা।</p>
<p>ইইসিপি ও বিসিটি চিকিৎসা নিয়ে ডাক্তার সাদিয়া আলী অলিন বলেন, বিসিটি বা ব্লাড ক্লিনজিং থেরাপিতে স্যালাইনের মাধ্যমে একটি বিশেষ ওষুধ দেওয়া হয়। আমাদের মতে, এ ওষুধ হার্টের ব্লকের ওপর কাজ করে এবং ব্লকের আকার কিছুটা কমাতে সহায়তা করে। এটি ন্যাচারাল বাইপাস বা ইইসিপি চিকিৎসার পাশাপাশি সহায়ক চিকিৎসা হিসেবে দেওয়া হয়।</p>
<p>তিনি জানান, ইইসিপি চিকিৎসায় সাধারণত ৩০-৩৫ ঘণ্টার সেশন নেওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়। প্রতিদিন প্রায় এক ঘণ্টা করে ৩০-৩৫ দিন চিকিৎসা নেওয়া যায়। বিসিটি চিকিৎসায় কমপক্ষে ২০টি স্যালাইন সেশন দেওয়া হয়। প্রতিটি সেশনে প্রায় তিন থেকে সাড়ে তিন ঘণ্টা সময় লাগে। সাধারণত এসব চিকিৎসার জন্য হাসপাতালে ভর্তি থাকার প্রয়োজন হয় না। গরিব, অসহায়, নিম্নবিত্ত মানুষদের জন্য হাসপাতালের ম্যানেজমেন্টের নির্দেশনায় অনেক কম খরচে চিকিৎসা দেওয়া হয়ে থাকে বলেও জানান তিনি।</p>
<p>এসময় তিনি বলেন, হৃদরোগ নিয়ন্ত্রণে জীবনযাপন ও খাদ্যাভ্যাসে পরিবর্তন খুবই জরুরী। বাইপাস, রিং পরানো কিংবা ন্যাচারাল বাইপাস— যে চিকিৎসাই নেওয়া হোক, খাদ্যাভ্যাস ও জীবনযাপনে পরিবর্তন গুরুত্বপূর্ণ। অতিরিক্ত অস্বাস্থ্যকর কার্বোহাইড্রেট ও স্যাচুরেটেড ফ্যাট কমিয়ে শাকসবজি ও উদ্ভিদভিত্তিক খাবার বাড়ানোর পরামর্শ দেওয়া হয়। কার্বোহাইড্রেট ও ফ্যাটের পরিমাণ কমিয়ে আনার পরামর্শও দেওয়া হয়।</p>
]]></content:encoded>
					
					<wfw:commentRss>https://chtnews24.com/2026/09/29/%e0%a6%95%e0%a6%be%e0%a6%9f%e0%a6%be-%e0%a6%9b%e0%a7%87%e0%a6%81%e0%a6%a1%e0%a6%bc%e0%a6%be-%e0%a6%9b%e0%a6%be%e0%a6%a1%e0%a6%bc%e0%a6%be%e0%a6%87-%e0%a6%b9%e0%a7%83%e0%a6%a6%e0%a6%b0%e0%a7%8b/feed/</wfw:commentRss>
			<slash:comments>0</slash:comments>
		
		
			</item>
		<item>
		<title>২৫০ শয্যায় উন্নীত হলেও কাটেনি সংকট, পাহাড়ের মানুষের ভরসা রাঙ্গামাটি জেনারেল হাসপাতাল</title>
		<link>https://chtnews24.com/2026/09/26/%e0%a7%a8%e0%a7%ab%e0%a7%a6-%e0%a6%b6%e0%a6%af%e0%a7%8d%e0%a6%af%e0%a6%be%e0%a6%af%e0%a6%bc-%e0%a6%89%e0%a6%a8%e0%a7%8d%e0%a6%a8%e0%a7%80%e0%a6%a4-%e0%a6%b9%e0%a6%b2%e0%a7%87%e0%a6%93-%e0%a6%95/</link>
					<comments>https://chtnews24.com/2026/09/26/%e0%a7%a8%e0%a7%ab%e0%a7%a6-%e0%a6%b6%e0%a6%af%e0%a7%8d%e0%a6%af%e0%a6%be%e0%a6%af%e0%a6%bc-%e0%a6%89%e0%a6%a8%e0%a7%8d%e0%a6%a8%e0%a7%80%e0%a6%a4-%e0%a6%b9%e0%a6%b2%e0%a7%87%e0%a6%93-%e0%a6%95/#respond</comments>
		
		<dc:creator><![CDATA[adminchtnews24]]></dc:creator>
		<pubDate>Sat, 26 Sep 2026 04:28:01 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[first lead]]></category>
		<category><![CDATA[রকমারি]]></category>
		<category><![CDATA[রাঙ্গামাটি]]></category>
		<category><![CDATA[স্বাস্থ্য]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://chtnews24.com/?p=38741</guid>

					<description><![CDATA[শামসুল আলম:- পাহাড়, হ্রদ আর দুর্গম জনপদে ঘেরা রাঙ্গামাটি জেলার মানুষের চিকিৎসার অন্যতম প্রধান আশ্রয় রাঙামাটি জেনারেল হাসপাতাল। জেলার বিভিন্ন উপজেলা ও প্রত্যন্ত পাহাড়ি এলাকা থেকে প্রতিদিন চিকিৎসা নিতে আসেন বিপুলসংখ্যক মানুষ। সরকারি ব্যবস্থাপনায় স্বল্প খরচে চিকিৎসাসেবা পাওয়ায় নিম্ন ও মধ্যবিত্ত মানুষের কাছে হাসপাতালটির গুরুত্বও অনেক বেশি। সময় ও প্রয়োজনের সঙ্গে তাল মিলিয়ে হাসপাতালটি ২৫০ [&#8230;]]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[<p>শামসুল আলম:- পাহাড়, হ্রদ আর দুর্গম জনপদে ঘেরা রাঙ্গামাটি জেলার মানুষের চিকিৎসার অন্যতম প্রধান আশ্রয় রাঙামাটি জেনারেল হাসপাতাল। জেলার বিভিন্ন উপজেলা ও প্রত্যন্ত পাহাড়ি এলাকা থেকে প্রতিদিন চিকিৎসা নিতে আসেন বিপুলসংখ্যক মানুষ। সরকারি ব্যবস্থাপনায় স্বল্প খরচে চিকিৎসাসেবা পাওয়ায় নিম্ন ও মধ্যবিত্ত মানুষের কাছে হাসপাতালটির গুরুত্বও অনেক বেশি।<br />
সময় ও প্রয়োজনের সঙ্গে তাল মিলিয়ে হাসপাতালটি ২৫০ শয্যার হাসপাতালে উন্নীত হয়েছে। এতে চিকিৎসাসেবার সক্ষমতা বাড়ার পাশাপাশি জেলার স্বাস্থ্যব্যবস্থায় নতুন সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে। কিন্তু শয্যা সংখ্যা বাড়লেও রোগীর চাপের তুলনায় চিকিৎসক, নার্স, অন্যান্য জনবল, অবকাঠামো, আধুনিক চিকিৎসা সরঞ্জাম ও বিশেষায়িত সেবার ঘাটতি পুরোপুরি কাটেনি। ফলে ২৫০ শয্যার হাসপাতালে উন্নীত হওয়ার সুফল সব ক্ষেত্রে কাঙ্ক্ষিত মাত্রায় পৌঁছায়নি বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।<br />
২৫০ শয্যায় উন্নীত, বেড়েছে মানুষের প্রত্যাশা<br />
দীর্ঘদিনের চাহিদার পর হাসপাতালটি ২৫০ শয্যায় উন্নীত হওয়ায় রাঙ্গামাটিবাসীর মধ্যে চিকিৎসাসেবা নিয়ে নতুন প্রত্যাশা তৈরি হয়েছে। বিশেষ করে জেলার প্রত্যন্ত উপজেলা থেকে আসা রোগীদের কাছে এটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।</p>
<p>কাপ্তাই, রাজস্থলী, লংগদু, নানিয়ারচর, বাঘাইছড়ি, বরকল, জুরাছড়ি, বিলাইছড়ি ও কাউখালীসহ বিভিন্ন উপজেলার রোগীদের অনেক ক্ষেত্রেই জটিল চিকিৎসার জন্য রাঙ্গামাটি জেনারেল হাসপাতালে আসতে হয়। দুর্গম পাহাড়ি এলাকা থেকে নৌপথ ও সড়কপথ পেরিয়ে রোগী নিয়ে হাসপাতালে পৌঁছাতেই অনেক সময় লেগে যায়।<br />
ফলে জেলা পর্যায়ে উন্নত চিকিৎসার সুযোগ যত বাড়বে, প্রত্যন্ত এলাকার মানুষের দুর্ভোগও তত কমবে।<br />
জরুরি চিকিৎসায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা<br />
সড়ক দুর্ঘটনা, পাহাড়ধস, নৌ-দুর্ঘটনা কিংবা অন্যান্য জরুরি পরিস্থিতিতে আহতদের চিকিৎসার ক্ষেত্রে রাঙ্গামাটি জেনারেল হাসপাতাল জেলার অন্যতম প্রধান চিকিৎসাকেন্দ্র।<br />
এছাড়া মেডিসিন, সার্জারি, গাইনি, শিশু, অর্থোপেডিকসহ বিভিন্ন বিভাগে নিয়মিত চিকিৎসাসেবা দেওয়া হচ্ছে। প্রসূতি ও শিশুদের চিকিৎসার ক্ষেত্রেও হাসপাতালটি জেলার মানুষের জন্য গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে।<br />
জেলার দুর্গম ভৌগোলিক অবস্থানের কারণে অনেক রোগীর পক্ষে চট্টগ্রাম কিংবা ঢাকায় গিয়ে চিকিৎসা নেওয়া সম্ভব হয় না। ফলে জেলা শহরের এই হাসপাতালটিই তাদের শেষ ভরসা।<br />
শয্যা বাড়লেও কাটেনি মূল সংকট<br />
হাসপাতাল ২৫০ শয্যায় উন্নীত হলেও শুধু শয্যা সংখ্যা বাড়ালেই একটি হাসপাতালের পূর্ণ সক্ষমতা নিশ্চিত হয় না। প্রয়োজন হয় সেই অনুপাতে চিকিৎসক, নার্স, টেকনিশিয়ান, ওয়ার্ডবয়, পরিচ্ছন্নতাকর্মীসহ প্রয়োজনীয় জনবল।<br />
রোগীর চাপের তুলনায় পর্যাপ্ত জনবল না থাকলে চিকিৎসক ও নার্সদের ওপর অতিরিক্ত চাপ পড়ে। এতে রোগীদের কাঙ্ক্ষিত সময় ও মানের সেবা নিশ্চিত করাও কঠিন হয়ে পড়ে।<br />
একইভাবে শয্যা বাড়ানোর সঙ্গে সঙ্গে ওয়ার্ডের জায়গা, জরুরি বিভাগ, অপারেশন থিয়েটার, পরীক্ষা-নিরীক্ষার সক্ষমতা, অক্সিজেন সরবরাহ, বিদ্যুৎ ব্যবস্থা, পানি, বর্জ্য ব্যবস্থাপনা এবং রোগী ও স্বজনদের অন্যান্য সুবিধাও বাড়ানো প্রয়োজন।<br />
প্রয়োজন বিশেষায়িত চিকিৎসাসেবা<br />
রাঙামাটির ভৌগোলিক বাস্তবতায় জেলা পর্যায়েই যত বেশি সম্ভব বিশেষায়িত চিকিৎসা নিশ্চিত করা জরুরি। হৃদরোগ, কিডনি, নিউরোলজি, শিশু, প্রসূতি, অর্থোপেডিকসহ গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের উপস্থিতি বাড়ানো গেলে রোগীদের চট্টগ্রামমুখী চাপ কমবে।<br />
বিশেষ করে গুরুতর রোগীদের জন্য আইসিইউ, এইচডিইউ, উন্নত জরুরি চিকিৎসা এবং ২৪ ঘণ্টা কার্যকর ডায়াগনস্টিক সেবা নিশ্চিত করা প্রয়োজন।<br />
জটিল রোগীকে দ্রুত চট্টগ্রাম বা অন্যত্র স্থানান্তরের প্রয়োজন হলে আধুনিক অ্যাম্বুলেন্স ও সমন্বিত রেফারেল ব্যবস্থাও থাকা জরুরি।<br />
আধুনিক যন্ত্রপাতি, কিন্তু ব্যবহার নিশ্চিত করাও জরুরি<br />
সরকারি বিনিয়োগে হাসপাতালগুলোতে আধুনিক চিকিৎসা সরঞ্জাম যুক্ত করা হলেও যন্ত্রপাতি স্থাপনই শেষ কথা নয়। এগুলো নিয়মিত সচল রাখা, দক্ষ টেকনিশিয়ান নিয়োগ এবং প্রয়োজনীয় রক্ষণাবেক্ষণের ব্যবস্থা থাকতে হবে।<br />
একটি আধুনিক জেলা হাসপাতালের জন্য পর্যাপ্ত ল্যাব সুবিধা, রেডিওলজি, আল্ট্রাসনোগ্রাম, এক্স-রে, প্রয়োজনীয় জরুরি পরীক্ষা এবং অন্যান্য ডায়াগনস্টিক সুবিধা ২৪ ঘণ্টা চালু রাখা গুরুত্বপূর্ণ।<br />
পাহাড়ি মানুষের জন্য আলাদা বাস্তবতা<br />
রাঙামাটির স্বাস্থ্যসেবা পরিকল্পনায় জেলার ভৌগোলিক বাস্তবতাকে বিশেষ গুরুত্ব দিতে হবে। দেশের সমতল এলাকার একটি জেলা হাসপাতালের সঙ্গে পাহাড়ি জেলার হাসপাতালের প্রয়োজন এক নয়।<br />
দুর্গম ইউনিয়ন থেকে রোগী হাসপাতালে পৌঁছাতে কয়েক ঘণ্টা কিংবা তারও বেশি সময় লেগে যেতে পারে। বর্ষাকালে পাহাড়ধস ও সড়ক যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হলে পরিস্থিতি আরও কঠিন হয়ে ওঠে।<br />
তাই রাঙ্গামাটি জেনারেল হাসপাতালকে শুধু একটি জেলা হাসপাতাল হিসেবে নয়, পুরো পার্বত্য অঞ্চলের একটি গুরুত্বপূর্ণ রেফারেল হাসপাতাল হিসেবে বিবেচনা করে পরিকল্পনা নেওয়া প্রয়োজন।<br />
কী করা দরকার<br />
রাঙ্গামাটি জেনারেল হাসপাতালকে ২৫০ শয্যার পূর্ণাঙ্গ ও আধুনিক হাসপাতালে রূপ দিতে কয়েকটি বিষয়ে অগ্রাধিকার দেওয়া প্রয়োজন।<br />
প্রথমত, অনুমোদিত পদ অনুযায়ী চিকিৎসক, নার্স ও অন্যান্য স্বাস্থ্যকর্মীর শূন্যপদ দ্রুত পূরণ করতে হবে।<br />
দ্বিতীয়ত, প্রয়োজন অনুযায়ী বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের পদ সৃষ্টি ও নিয়োগ দিতে হবে।<br />
তৃতীয়ত, হাসপাতালের জরুরি বিভাগকে আরও আধুনিক ও কার্যকর করতে হবে।<br />
চতুর্থত, আইসিইউ ও এইচডিইউসহ গুরুতর রোগীদের জন্য প্রয়োজনীয় ক্রিটিক্যাল কেয়ার সুবিধা বাড়াতে হবে।<br />
পঞ্চমত, অপারেশন থিয়েটার, ল্যাবরেটরি ও ডায়াগনস্টিক সেবার সক্ষমতা বাড়িয়ে ২৪ ঘণ্টা সেবা নিশ্চিত করতে হবে।<br />
ষষ্ঠত, জরুরি রোগী পরিবহনের জন্য পর্যাপ্ত আধুনিক অ্যাম্বুলেন্স এবং উপজেলা হাসপাতালগুলোর সঙ্গে কার্যকর রেফারেল ব্যবস্থা গড়ে তুলতে হবে।<br />
সপ্তমত, হাসপাতালের পানি, বিদ্যুৎ, স্যানিটেশন, বর্জ্য ব্যবস্থাপনা, রোগী ও স্বজনদের বসার জায়গা এবং পরিচ্ছন্নতা নিশ্চিত করতে হবে।<br />
অষ্টমত, আধুনিক যন্ত্রপাতি কেনার পাশাপাশি সেগুলোর নিয়মিত রক্ষণাবেক্ষণ ও পরিচালনার জন্য দক্ষ জনবল নিশ্চিত করতে হবে।<br />
আরও বড় সম্ভাবনা রয়েছে<br />
রাঙ্গামাটি জেনারেল হাসপাতাল শুধু একটি চিকিৎসাকেন্দ্র নয়; পাহাড়ের লাখো মানুষের স্বাস্থ্যনিরাপত্তার সঙ্গে প্রতিষ্ঠানটির কার্যক্রম সরাসরি যুক্ত। ২৫০ শয্যায় উন্নীত হওয়ার মাধ্যমে হাসপাতালটি ইতোমধ্যে একটি বড় সক্ষমতা অর্জন করেছে।<br />
এখন প্রয়োজন সেই সক্ষমতাকে কার্যকর করার জন্য জনবল, আধুনিক চিকিৎসা সরঞ্জাম, বিশেষায়িত সেবা ও অবকাঠামোর সমন্বিত উন্নয়ন।<br />
সংশ্লিষ্টদের মতে, প্রয়োজনীয় বরাদ্দ ও জনবল নিশ্চিত করা গেলে রাঙ্গামাটি জেনারেল হাসপাতালকে পার্বত্য চট্টগ্রামের অন্যতম আধুনিক চিকিৎসাকেন্দ্রে পরিণত করা সম্ভব। এতে একদিকে জেলার মানুষের চিকিৎসার জন্য বাইরে যাওয়ার প্রবণতা কমবে, অন্যদিকে দুর্গম এলাকার রোগীরা দ্রুত ও তুলনামূলক কম খরচে উন্নত চিকিৎসা পাওয়ার সুযোগ পাবেন।<br />
পাহাড়ের মানুষের চিকিৎসার প্রধান ভরসা হিসেবে রাঙ্গামাটি জেনারেল হাসপাতাল ইতোমধ্যে গুরুত্বপূর্ণ অবস্থান তৈরি করেছে। এখন ২৫০ শয্যার এই হাসপাতালকে কাগজে-কলমে নয়, বাস্তব সক্ষমতায় পূর্ণাঙ্গ ২৫০ শয্যার হাসপাতালে পরিণত করাই সময়ের দাবি।</p>
]]></content:encoded>
					
					<wfw:commentRss>https://chtnews24.com/2026/09/26/%e0%a7%a8%e0%a7%ab%e0%a7%a6-%e0%a6%b6%e0%a6%af%e0%a7%8d%e0%a6%af%e0%a6%be%e0%a6%af%e0%a6%bc-%e0%a6%89%e0%a6%a8%e0%a7%8d%e0%a6%a8%e0%a7%80%e0%a6%a4-%e0%a6%b9%e0%a6%b2%e0%a7%87%e0%a6%93-%e0%a6%95/feed/</wfw:commentRss>
			<slash:comments>0</slash:comments>
		
		
			</item>
		<item>
		<title>৮ হাজারের বেশি রোগী: হাম পরীক্ষার ব্যবস্থা নেই চট্টগ্রামের কোনও হাসপাতালে</title>
		<link>https://chtnews24.com/2026/09/22/%e0%a7%ae-%e0%a6%b9%e0%a6%be%e0%a6%9c%e0%a6%be%e0%a6%b0%e0%a7%87%e0%a6%b0-%e0%a6%ac%e0%a7%87%e0%a6%b6%e0%a6%bf-%e0%a6%b0%e0%a7%8b%e0%a6%97%e0%a7%80-%e0%a6%b9%e0%a6%be%e0%a6%ae-%e0%a6%aa%e0%a6%b0/</link>
					<comments>https://chtnews24.com/2026/09/22/%e0%a7%ae-%e0%a6%b9%e0%a6%be%e0%a6%9c%e0%a6%be%e0%a6%b0%e0%a7%87%e0%a6%b0-%e0%a6%ac%e0%a7%87%e0%a6%b6%e0%a6%bf-%e0%a6%b0%e0%a7%8b%e0%a6%97%e0%a7%80-%e0%a6%b9%e0%a6%be%e0%a6%ae-%e0%a6%aa%e0%a6%b0/#respond</comments>
		
		<dc:creator><![CDATA[adminchtnews24]]></dc:creator>
		<pubDate>Tue, 22 Sep 2026 04:21:30 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[Second lead]]></category>
		<category><![CDATA[চট্রগ্রাম]]></category>
		<category><![CDATA[শিরোনাম]]></category>
		<category><![CDATA[স্বাস্থ্য]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://chtnews24.com/?p=38669</guid>

					<description><![CDATA[ডেস্ক রির্পোট:- চট্টগ্রামে হামের উপসর্গ নিয়ে প্রতিদিন বাড়ছে হাসপাতালে ভর্তি রোগীর সংখ্যা। তবে রোগী শনাক্তে চট্টগ্রামে সরকারি-বেসরকারি পর্যায়ে কোনও পরীক্ষার ব্যবস্থা নেই। ফলে সন্দেহজনক রোগীদের নমুনা সংগ্রহ করে পরীক্ষার জন্য পাঠাতে হচ্ছে ঢাকার ন্যাশনাল পোলিও অ্যান্ড মিজলস-রুবেলা ল্যাবরেটরিতে (এনপিএমএল)। এতে রোগ শনাক্তে সময় লাগার পাশাপাশি চিকিৎসা ব্যবস্থাপনাতেও তৈরি হচ্ছে জটিলতা। অথচ চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ডে অবস্থিত বাংলাদেশ [&#8230;]]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[<p>ডেস্ক রির্পোট:- চট্টগ্রামে হামের উপসর্গ নিয়ে প্রতিদিন বাড়ছে হাসপাতালে ভর্তি রোগীর সংখ্যা। তবে রোগী শনাক্তে চট্টগ্রামে সরকারি-বেসরকারি পর্যায়ে কোনও পরীক্ষার ব্যবস্থা নেই। ফলে সন্দেহজনক রোগীদের নমুনা সংগ্রহ করে পরীক্ষার জন্য পাঠাতে হচ্ছে ঢাকার ন্যাশনাল পোলিও অ্যান্ড মিজলস-রুবেলা ল্যাবরেটরিতে (এনপিএমএল)। এতে রোগ শনাক্তে সময় লাগার পাশাপাশি চিকিৎসা ব্যবস্থাপনাতেও তৈরি হচ্ছে জটিলতা।</p>
<p>অথচ চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ডে অবস্থিত বাংলাদেশ ইনস্টিটিউট অব ট্রপিক্যাল ইনফেকশাস ডিজিজেসে (বিআইটিআইডি) রয়েছে হাম শনাক্তের সক্ষমতা থাকা পরীক্ষাগার। তারপরও স্থানীয়ভাবে নমুনা পরীক্ষা না হওয়ায় ঢাকানির্ভর হতে হচ্ছে চট্টগ্রামের স্বাস্থ্য বিভাগকে। চট্টগ্রামে হামে ৭ হাজার ৯৪১ জন আক্রান্ত এবং ১৮ জনের মৃত্যু হয়েছে। এর মধ্যে ১৫ জন উপসর্গ নিয়ে এবং তিন জনের পরীক্ষায় হাম শনাক্ত হয়।</p>
<p>জেলা সিভিল সার্জন কার্যালয়ের তথ্য অনুযায়ী, চট্টগ্রামে গত ২৪ ঘণ্টায় নতুন করে আরও ৭০ জন হামের উপসর্গ নিয়ে বিভিন্ন হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন। এ নিয়ে মোট ৭ হাজার ৯৪১ জন হামের উপসর্গ নিয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন। চট্টগ্রামে হামে ১৮ জনের মৃত্যু হয়েছে। এর মধ্যে ১৫ জন উপসর্গ নিয়ে এবং তিন জনের পরীক্ষায় হাম শনাক্তের পর হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান। এখন পর্যন্ত ১ হাজার ৯৬০ জনের নমুনা সংগ্রহ করে ঢাকার এনপিএমএল ল্যাবে পাঠানো হয়েছে। এর মধ্যে নগরের ১ হাজার ৬৪৫ জন এবং জেলার বাসিন্দা ৩১৫ জন। পাঠানো নমুনার মধ্যে বেশিরভাগ রিপোর্ট চলে এসেছে।</p>
<p>এ প্রসঙ্গে চট্টগ্রাম বিভাগীয় স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ডা. সেখ ফজলে রাব্বি বলেন, ‘চট্টগ্রামে বর্তমানে ল্যাবে হাম রোগ শনাক্ত করা হচ্ছে না। হামের পরীক্ষার প্রয়োজন নেই। চিকিৎসকরা উপসর্গ দেখলেই হাম কিনা বুঝতে পারেন। তবে সরকারের সিদ্ধান্তে উপসর্গ নিয়ে কেউ চিকিৎসার জন্য এলে তাকে হামের চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে।’</p>
<p>তিনি আরও বলেন, ‘যারা পরীক্ষা করাতে চান সেসব রোগীর নমুনা সংগ্রহ করে পরীক্ষার জন্য পাঠানো হচ্ছে ঢাকার ন্যাশনাল পোলিও অ্যান্ড মিজলস-রুবেলা ল্যাবরেটরিতে (এনপিএমএল) ল্যাবে। সেখান থেকে দুই-তিন দিনের মধ্যে রিপোর্ট চলে আসছে।’</p>
<p>রাউজান উপজেলার বাসিন্দা মো. সাইফুদ্দিন বলেন, ‘আমার তিন মাস বয়সী মেয়ের হাম উপসর্গ দেখা দিলে চিকিৎসকের পরামর্শে গত মাসের শেষের দিকে একটি বেসরকারি ল্যাব থেকে পরীক্ষার নমুনা দেওয়া হয়। তারা নমুনা পাঠায় ঢাকায়। ফি নেওয়া হয় ৪ হাজার ৫০০ টাকা। রিপোর্ট পেতে সময় লেগেছে এক সপ্তাহ।’</p>
<p>তিনি বলেন, ‘আমার মেয়ের শরীরে হামের উপসর্গ থাকলেও চিকিৎসক পুরোপুরি হামের বিষয়টি নিশ্চিত হতে পারেনি। এ কারণে পরীক্ষার জন্য নমুনা দেওয়া হয়। হামের পরীক্ষা ব্যয়বহুল। চট্টগ্রামে এই পরীক্ষা না থাকায় রিপোর্ট পেতে সময়ও নষ্ট হচ্ছে। এ কারণে রোগীর শারীরিক অবস্থা আরও খারাপ হয়ে পড়ে।’</p>
<p>নগরের কোতোয়ালি থানার জামালখান এলাকার বাসিন্দা জামাল উদ্দিন বলেন, ‘দেশের দ্বিতীয় জনবসতিপূর্ণ নগরী চট্টগ্রামে দীর্ঘদিনেও হামের পরীক্ষা চালু করা যায়নি। অথচ প্রতিদিন ৫০ থেকে ৭০ জন মানুষ হামের উপসর্গ নিয়ে হাসপাতালে ভর্তি হচ্ছেন। হাসপাতালে ভর্তি হওয়ার বাইরেও বিপুল সংখ্যক মানুষ উপসর্গ নিয়ে বাড়িতে চিকিৎসা নিচ্ছেন।’</p>
<p>২০১৩ সালে চট্টগ্রামের ফৌজদারহাটে প্রতিষ্ঠিত হওয়া বাংলাদেশ ইনস্টিটিউট অব ট্রপিক্যাল অ্যান্ড ইনফেকশাস ডিজিজেস (বিআইটিআইডি) হাম ও রুবেলাসহ বিভিন্ন সংক্রামক রোগের ব্যবস্থা রয়েছে। এ হাসপাতালে রয়েছে অত্যাধুনিক রিয়েল-টাইম পিসিআর মেশিন এবং অ্যালাইজা মেশিন। এ ছাড়াও যক্ষ্মা শনাক্তে জিন এক্সপার্ট, রক্ত পরীক্ষার জন্য অটোমেটেড অ্যানালাইজার মেশিনসহ বিশ্বমানের রডলফ মেরিয়ো ল্যাবরেটরির সুবিধা এখানে রয়েছে।</p>
<p>বিআইটিআইডির অধ্যাপক ডা. মামুনুর রশীদ বলেন, ‘রোগীর উপসর্গ দেখেই চিকিৎসকরা হাম শনাক্ত করতে পারেন। কেননা হাম একটি পরিচিত এবং পুরাতন রোগ। হামের প্রধান তিনটি লক্ষণের মধ্যে রয়েছে, বেশি মাত্রায় জ্বর, কাশি এবং শরীরে রেশ থাকবে। সাধারণত হাম রোগীদের র‍্যাশ মুখ এবং কান দিয়ে শুরু হয়ে শরীরের বিভিন্ন স্থানে ছড়িয়ে পড়ে। যে কারণে এসব লক্ষণ দেখা গেলে বোঝা যায় তার শরীরে হাম হয়েছে।’</p>
<p>তিনি আরও বলেন, ‘বিআইটিআইডি হাসপাতালের ল্যাবে হাম পরীক্ষা সম্ভব। তবে হাম-রুবেলা পরীক্ষার জন্য কিট নেই। কিটের জন্য ঢাকায় চিঠি লেখা হয়েছিল। কিট এবং অনুমোদন পেলে পরীক্ষা শুরু করা যাবে।’বাংলা ট্রিবিউন</p>
]]></content:encoded>
					
					<wfw:commentRss>https://chtnews24.com/2026/09/22/%e0%a7%ae-%e0%a6%b9%e0%a6%be%e0%a6%9c%e0%a6%be%e0%a6%b0%e0%a7%87%e0%a6%b0-%e0%a6%ac%e0%a7%87%e0%a6%b6%e0%a6%bf-%e0%a6%b0%e0%a7%8b%e0%a6%97%e0%a7%80-%e0%a6%b9%e0%a6%be%e0%a6%ae-%e0%a6%aa%e0%a6%b0/feed/</wfw:commentRss>
			<slash:comments>0</slash:comments>
		
		
			</item>
		<item>
		<title>৩৯৬ কোটি টাকার প্রকল্পে প্রশিক্ষণেই খরচ ১০৭ কোটি</title>
		<link>https://chtnews24.com/2026/09/15/%e0%a7%a9%e0%a7%af%e0%a7%ac-%e0%a6%95%e0%a7%8b%e0%a6%9f%e0%a6%bf-%e0%a6%9f%e0%a6%be%e0%a6%95%e0%a6%be%e0%a6%b0-%e0%a6%aa%e0%a7%8d%e0%a6%b0%e0%a6%95%e0%a6%b2%e0%a7%8d%e0%a6%aa%e0%a7%87-%e0%a6%aa/</link>
					<comments>https://chtnews24.com/2026/09/15/%e0%a7%a9%e0%a7%af%e0%a7%ac-%e0%a6%95%e0%a7%8b%e0%a6%9f%e0%a6%bf-%e0%a6%9f%e0%a6%be%e0%a6%95%e0%a6%be%e0%a6%b0-%e0%a6%aa%e0%a7%8d%e0%a6%b0%e0%a6%95%e0%a6%b2%e0%a7%8d%e0%a6%aa%e0%a7%87-%e0%a6%aa/#respond</comments>
		
		<dc:creator><![CDATA[adminchtnews24]]></dc:creator>
		<pubDate>Tue, 15 Sep 2026 02:25:27 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[Second lead]]></category>
		<category><![CDATA[অপরাধ-অনুসন্ধান]]></category>
		<category><![CDATA[শিরোনাম]]></category>
		<category><![CDATA[স্বাস্থ্য]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://chtnews24.com/?p=38459</guid>

					<description><![CDATA[ডেস্ক রির্পোট:- মাঠপর্যায়ে মা, নবজাতক ও শিশুর স্বাস্থ্যসেবার মান উন্নয়ন এবং অসংক্রামক রোগ (এনসিডি) নিয়ন্ত্রণ জোরদার করতে ৩৯৬ কোটি ৮১ লাখ ২০ হাজার টাকার একটি বড় উন্নয়ন প্রকল্প অনুমোদনের অপেক্ষায় আছে। আগামীকাল বুধবার জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটির (একনেক) অনুষ্ঠেয় সভায় প্রকল্পটি অনুমোদনের জন্য উপস্থাপন করা হতে পারে। ৩৯৬ কোটি ৮১ লাখ টাকার এ প্রকল্পের [&#8230;]]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[<p>ডেস্ক রির্পোট:- মাঠপর্যায়ে মা, নবজাতক ও শিশুর স্বাস্থ্যসেবার মান উন্নয়ন এবং অসংক্রামক রোগ (এনসিডি) নিয়ন্ত্রণ জোরদার করতে ৩৯৬ কোটি ৮১ লাখ ২০ হাজার টাকার একটি বড় উন্নয়ন প্রকল্প অনুমোদনের অপেক্ষায় আছে। আগামীকাল বুধবার জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটির (একনেক) অনুষ্ঠেয় সভায় প্রকল্পটি অনুমোদনের জন্য উপস্থাপন করা হতে পারে। ৩৯৬ কোটি ৮১ লাখ টাকার এ প্রকল্পের সিংহভাগ অর্থায়ন আসছে আন্তর্জাতিক উন্নয়ন সহযোগী সংস্থা ‘জাপান আন্তর্জাতিক সহযোগিতা সংস্থা’ (জাইকা)-এর বৈদেশিক ঋণ থেকে।</p>
<p>হাতে আসা প্রকল্প প্রস্তাবনার (ডিপিপি) প্রাক্কলিত ব্যয় বিশ্লেষণ করে দেখা যায়, মোট ব্যয়ের ৮০ দশমিক ৩৯ শতাংশ বা ৩২১ কোটি ৩ লাখ ২৪ হাজার টাকা জাইকার ঋণ সহায়তা থেকে সংস্থান করা হবে। অবশিষ্ট ৭৫ কোটি ৭৭ লাখ ৯৬ হাজার টাকা (১৯ দশমিক ৬১ শতাংশ) সংস্থান করবে বাংলাদেশ সরকার। কোনো অবকাঠামো বা নতুন ভবন নির্মাণের সুযোগ না থাকায় ‘হেলথ সিস্টেম স্ট্রেন্থেনিং থ্রু এমএনসিএইচ সার্ভিসেস ইমপ্রুভমেন্ট অ্যান্ড এনসিডিএস কন্ট্রোল’ শীর্ষক এ প্রকল্পটির মূল জোর দেওয়া হয়েছে স্বাস্থ্যকর্মীদের দক্ষতা বৃদ্ধি, চিকিৎসা সরঞ্জাম ও এনসিডি কর্নার আধুনিকায়ন এবং ডিজিটালাইজেশনের ওপর। স্বাস্থ্য অধিদপ্তর এবং ‘কমিউনিটি ক্লিনিক স্বাস্থ্য সহায়তা ট্রাস্ট’ যৌথভাবে এটি বাস্তবায়ন করবে।</p>
<p>পরিকল্পনা বিভাগের সচিব এস এম শাকিল আখতার বলেন, ‘আমাদের বাজেট ঘাটতি রয়েছে। উন্নয়ন প্রকল্প বাস্তবায়নে অর্থের প্রয়োজন হয় বলেই বৈদেশিক সহায়তা নেওয়া হয়। এই স্বাস্থ্য প্রকল্পে অনেক প্রযুক্তিনির্ভর ও কারিগরি বিষয় রয়েছে, তাই জাইকাকে যুক্ত করার পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে। এ ছাড়া জাইকার ঋণ দীর্ঘমেয়াদি-প্রায় ২৫ থেকে ৩০ বছরে ধীরে ধীরে পরিশোধ করা যায়। তবে প্রকল্পটির অর্থায়ন ও কারিগরি বিষয়গুলো মূলত আর্থ-সামাজিক বিভাগ দেখছে।’</p>
<p>প্রকল্প প্রস্তাবনায় (ডিপিপি) উল্লিখিত তথ্য অনুযায়ী, প্রকল্প বাজেটের অর্ধেকেরও বেশি অর্থ ব্যয় হবে সরঞ্জাম ক্রয় ও ডিজিটালাইজেশনে। এর মধ্যে দেশের প্রায় ১৪ হাজার ৯৬০টি স্বাস্থ্যকেন্দ্রে আধুনিক পরীক্ষানিরীক্ষার সুবিধা পৌঁছে দিতে চিকিৎসা ও অস্ত্রোপচার সামগ্রী (এমএসআর) কেনা বাবদ সর্বোচ্চ ১৪৩ কোটি ২১ লাখ ১৫ হাজার টাকা বরাদ্দ রাখা হয়েছে, যা মোট বাজেটের ৩৬ দশমিক ০৯ শতাংশ। এ ছাড়া প্রান্তিক ক্লিনিকগুলোর সঙ্গে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স (ইউএইচসি) ও জেলা হাসপাতালের ডেটাবেস ও অনলাইন রেফারেল ব্যবস্থা কার্যকর করতে ১৪ হাজার ৫০০টি কম্পিউটার ও আনুষঙ্গিক যন্ত্রাংশ কেনায় বরাদ্দ রয়েছে ৭৭ কোটি ১৫ লাখ টাকা (১৯ দশমিক ৪৪ শতাংশ)।</p>
<p>ডিপিপির খাতের বিবরণ অনুযায়ী, তৃণমূলের প্রায় ১৫ হাজার কেন্দ্রের স্বাস্থ্যকর্মীদের প্রশিক্ষণের জন্য সর্বমোট ৫ হাজার ২৫৪টি ব্যাচে ‘দেশীয় প্রশিক্ষণ’ দেওয়া হবে। এ খাতে রাখা হয়েছে ১০৪ কোটি ৩৭ লাখ টাকা, যা মোট বাজেটের ২৬ দশমিক ৩০ শতাংশ। পাশাপাশি বৈশ্বিক অভিজ্ঞতার জন্য ৬টি ব্যাচে ‘বৈদেশিক প্রশিক্ষণ’ বাবদ ৩ কোটি টাকা বরাদ্দ ধরা হয়েছে। অন্যান্য আনুষঙ্গিক খাতের মধ্যে দেশের বিভিন্ন হাসপাতালের ১৪ হাজার ৯৬০টি কেন্দ্রের জন্য গাইডলাইন, ম্যানুয়াল ও নথিপত্র মুদ্রণে ‘মুদ্রণ ও বাঁধাই’ খাতে খরচ ধরা হয়েছে ২৩ কোটি ২০ লাখ টাকা (৫ দশমিক ৮৫ শতাংশ)।</p>
<p>এ ছাড়া মাঠপর্যায়ে তথ্য প্রচার ও স্বাস্থ্য সংক্রান্ত সচেতনতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে মোট ৬৪টি ‘সেমিনার ও কনফারেন্স’ আয়োজনের জন্য রাখা হয়েছে ৯ কোটি ৯২ লাখ ২০ হাজার টাকা (২ দশমিক ৫০ শতাংশ)। ২০০টি নির্দিষ্ট কেন্দ্রের জন্য স্থায়ী ‘আসবাবপত্র ও সরঞ্জাম’ ক্রয়ে বরাদ্দ করা হয়েছে ৯ কোটি টাকা (২ দশমিক ২৭ শতাংশ)। প্রকল্পের কার্যকারিতা ও স্বাস্থ্যসেবার গতিপ্রকৃতি পর্যালোচনায় ৫টি ‘গবেষণা’র প্রস্তাব করা হয়েছে, যার প্রাক্কলিত ব্যয় ধরা হয়েছে ৮ কোটি ১৯ লাখ ৫০ হাজার টাকা। প্রকল্প চলাকালে মাঠপর্যায়ে তদারকির উদ্দেশ্যে ৪টি ‘যানবাহন ভাড়া’র জন্য রাখা হয়েছে ১ কোটি ২০ লাখ টাকা। পাশাপাশি অপ্রত্যাশিত বা সম্ভাব্য মূল্যস্ফীতি সামাল দিতে ‘প্রাইস কন্টিনজেন্সি’ ও ‘ফিজিক্যাল কন্টিনজেন্সি’-এই দুই খাতে পৃথকভাবে ৭ কোটি ৬৩ লাখ ১০ হাজার টাকা করে সর্বমোট ১৫ কোটি ২৬ লাখ ২০ হাজার টাকা বরাদ্দ রাখা হয়েছে। এ ছাড়া অন্যান্য ছোটখাটো প্রশাসনিক খাতে বরাদ্দ থাকছে ২ কোটি ৩০ লাখ ১৫ হাজার টাকা। অর্থায়নের সিংহভাগ জাইকার ঋণ থেকে আসায় প্রকল্পটিকে সময়মতো ও লক্ষ্যভিত্তিক উপায়ে সম্পন্ন করার ওপর জোর দিচ্ছেন বিশেষজ্ঞরা।বাংলাদেশ প্রতিদিন</p>
<p>&nbsp;</p>
]]></content:encoded>
					
					<wfw:commentRss>https://chtnews24.com/2026/09/15/%e0%a7%a9%e0%a7%af%e0%a7%ac-%e0%a6%95%e0%a7%8b%e0%a6%9f%e0%a6%bf-%e0%a6%9f%e0%a6%be%e0%a6%95%e0%a6%be%e0%a6%b0-%e0%a6%aa%e0%a7%8d%e0%a6%b0%e0%a6%95%e0%a6%b2%e0%a7%8d%e0%a6%aa%e0%a7%87-%e0%a6%aa/feed/</wfw:commentRss>
			<slash:comments>0</slash:comments>
		
		
			</item>
		<item>
		<title>২৪ ঘণ্টায় হামের উপসর্গে আট জনের মৃত্যু, আক্রান্ত ১২৩২</title>
		<link>https://chtnews24.com/2026/09/14/%e0%a7%a8%e0%a7%aa-%e0%a6%98%e0%a6%a3%e0%a7%8d%e0%a6%9f%e0%a6%be%e0%a6%af%e0%a6%bc-%e0%a6%b9%e0%a6%be%e0%a6%ae%e0%a7%87%e0%a6%b0-%e0%a6%89%e0%a6%aa%e0%a6%b8%e0%a6%b0%e0%a7%8d%e0%a6%97%e0%a7%87/</link>
					<comments>https://chtnews24.com/2026/09/14/%e0%a7%a8%e0%a7%aa-%e0%a6%98%e0%a6%a3%e0%a7%8d%e0%a6%9f%e0%a6%be%e0%a6%af%e0%a6%bc-%e0%a6%b9%e0%a6%be%e0%a6%ae%e0%a7%87%e0%a6%b0-%e0%a6%89%e0%a6%aa%e0%a6%b8%e0%a6%b0%e0%a7%8d%e0%a6%97%e0%a7%87/#respond</comments>
		
		<dc:creator><![CDATA[adminchtnews24]]></dc:creator>
		<pubDate>Mon, 14 Sep 2026 12:43:05 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[Second lead]]></category>
		<category><![CDATA[শিরোনাম]]></category>
		<category><![CDATA[স্বাস্থ্য]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://chtnews24.com/?p=38437</guid>

					<description><![CDATA[ডেস্ক রির্পোট:- গত ২৪ ঘন্টায় সারাদেশে হামের উপসর্গ নিয়ে আরও আট জনের মৃত্যু হয়েছে। রবিবার (১৩ সেপ্টেম্বর) সকাল ৮টা থেকে সোমবার (১৪ সেপ্টেম্বর) সকাল ৮টার মধ্যে এই মৃত্যুর ঘটনা ঘটে। তবে এ সময়ের মধ্যে নিশ্চিত হামে কারও মৃত্যু হয়নি। একই সময়ের মধ্যে হাম ও হামের উপসর্গে আক্রান্ত হয়েছে ১ হাজার ২৩২ জন। সোমবার (১৪ সেপ্টেম্বর) [&#8230;]]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[<p>ডেস্ক রির্পোট:- গত ২৪ ঘন্টায় সারাদেশে হামের উপসর্গ নিয়ে আরও আট জনের মৃত্যু হয়েছে। রবিবার (১৩ সেপ্টেম্বর) সকাল ৮টা থেকে সোমবার (১৪ সেপ্টেম্বর) সকাল ৮টার মধ্যে এই মৃত্যুর ঘটনা ঘটে। তবে এ সময়ের মধ্যে নিশ্চিত হামে কারও মৃত্যু হয়নি। একই সময়ের মধ্যে হাম ও হামের উপসর্গে আক্রান্ত হয়েছে ১ হাজার ২৩২ জন।</p>
<p>সোমবার (১৪ সেপ্টেম্বর) স্বাস্থ্য অধিদফতরের সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এসব তথ্য জানানো হয়েছে। এতে বলা হয়, গত ১৫ মার্চ থেকে আজকে পর্যন্ত হামের উপসর্গে দেশে ৯৩০ শিশুর মৃত্যুর হয়েছে। এ সময় হাম শনাক্ত হওয়ার পর মারা গেছে ১০০ শিশু। এ নিয়ে এখন পর্যন্ত হাম ও হামের উপসর্গে শিশুর মৃত্যু ১ হাজার ৩০ জনে পৌঁছেছে।</p>
<p>স্বাস্থ্য অধিদফতরের তথ্য অনুযায়ী, গত ২৪ ঘণ্টায় দেশে সন্দেহজনক হাম আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা ১ হাজার ১৭৭ জন এবং নিশ্চিত হাম শনাক্ত হয়েছে ৫৫ জনের। মোট ১ হাজার ২৩২ শিশু হাম ও হামের উপসর্গে আক্রান্ত হয়েছে।</p>
<p>১৫ মার্চ থেকে আজ পর্যন্ত মোট সন্দেহজনক হাম রোগী হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে ১ লাখ ৫২ হাজার ১১৭ জন। এর মধ্যে এখন পর্যন্ত সুস্থ হয়ে ১ লাখ ৪৬ হাজার ৪০০ জন হাসপাতাল ছেড়েছে।</p>
<p>স্বাস্থ্য অধিদফতরের তথ্যমতে, চলতি বছরের ১৫ মার্চ থেকে আজ পর্যন্ত হামের উপসর্গ দেখা দিয়েছে ১ লাখ ৭২ হাজার ৭২০ জনের। এ সময়ের মধ্যে হাম শনাক্ত হয়েছে ২০ হাজার ১২৪ জনের।</p>
]]></content:encoded>
					
					<wfw:commentRss>https://chtnews24.com/2026/09/14/%e0%a7%a8%e0%a7%aa-%e0%a6%98%e0%a6%a3%e0%a7%8d%e0%a6%9f%e0%a6%be%e0%a6%af%e0%a6%bc-%e0%a6%b9%e0%a6%be%e0%a6%ae%e0%a7%87%e0%a6%b0-%e0%a6%89%e0%a6%aa%e0%a6%b8%e0%a6%b0%e0%a7%8d%e0%a6%97%e0%a7%87/feed/</wfw:commentRss>
			<slash:comments>0</slash:comments>
		
		
			</item>
		<item>
		<title>ডেঙ্গুতে একদিনে আরও ৬ প্রাণহানি</title>
		<link>https://chtnews24.com/2026/09/13/%e0%a6%a1%e0%a7%87%e0%a6%99%e0%a7%8d%e0%a6%97%e0%a7%81%e0%a6%a4%e0%a7%87-%e0%a6%8f%e0%a6%95%e0%a6%a6%e0%a6%bf%e0%a6%a8%e0%a7%87-%e0%a6%86%e0%a6%b0%e0%a6%93-%e0%a7%ac-%e0%a6%aa%e0%a7%8d%e0%a6%b0/</link>
					<comments>https://chtnews24.com/2026/09/13/%e0%a6%a1%e0%a7%87%e0%a6%99%e0%a7%8d%e0%a6%97%e0%a7%81%e0%a6%a4%e0%a7%87-%e0%a6%8f%e0%a6%95%e0%a6%a6%e0%a6%bf%e0%a6%a8%e0%a7%87-%e0%a6%86%e0%a6%b0%e0%a6%93-%e0%a7%ac-%e0%a6%aa%e0%a7%8d%e0%a6%b0/#respond</comments>
		
		<dc:creator><![CDATA[adminchtnews24]]></dc:creator>
		<pubDate>Sun, 13 Sep 2026 12:08:21 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[শিরোনাম]]></category>
		<category><![CDATA[স্বাস্থ্য]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://chtnews24.com/?p=38396</guid>

					<description><![CDATA[ডেস্ক রির্পোট:- দেশে গত ২৪ ঘণ্টায় ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে আরও ৬ জনের মৃত্যু হয়েছে। চলতি বছর দেশে ডেঙ্গুতে এ পর্যন্ত মোট ১৪৯ জনের মৃত্যু হয়েছে। ২৪ ঘণ্টায় বিভিন্ন হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন এক হাজার ৫৬১ জন। রোববার এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানায় স্বাস্থ্য অধিদপ্তর। স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, চলতি বছর দেশে ডেঙ্গুতে এ পর্যন্ত মোট ১৪৯ [&#8230;]]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[<p>ডেস্ক রির্পোট:- দেশে গত ২৪ ঘণ্টায় ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে আরও ৬ জনের মৃত্যু হয়েছে। চলতি বছর দেশে ডেঙ্গুতে এ পর্যন্ত মোট ১৪৯ জনের মৃত্যু হয়েছে। ২৪ ঘণ্টায় বিভিন্ন হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন এক হাজার ৫৬১ জন। রোববার এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানায় স্বাস্থ্য অধিদপ্তর।</p>
<p>স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, চলতি বছর দেশে ডেঙ্গুতে এ পর্যন্ত মোট ১৪৯ জনের মৃত্যু হয়েছে। গত ২৪ ঘণ্টায় ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়ে চট্টগ্রাম ও খুলনা বিভাগে দুজন করে এবং ঢাকা ও ময়মনসিংহ বিভাগে একজন করে মারা গেছেন। সারাদেশে ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি রোগীর সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৫১ হাজার ৮৩৭ জনে।</p>
]]></content:encoded>
					
					<wfw:commentRss>https://chtnews24.com/2026/09/13/%e0%a6%a1%e0%a7%87%e0%a6%99%e0%a7%8d%e0%a6%97%e0%a7%81%e0%a6%a4%e0%a7%87-%e0%a6%8f%e0%a6%95%e0%a6%a6%e0%a6%bf%e0%a6%a8%e0%a7%87-%e0%a6%86%e0%a6%b0%e0%a6%93-%e0%a7%ac-%e0%a6%aa%e0%a7%8d%e0%a6%b0/feed/</wfw:commentRss>
			<slash:comments>0</slash:comments>
		
		
			</item>
		<item>
		<title>টেস্ট বাণিজ্য ওপেন সিক্রেট</title>
		<link>https://chtnews24.com/2026/09/06/%e0%a6%9f%e0%a7%87%e0%a6%b8%e0%a7%8d%e0%a6%9f-%e0%a6%ac%e0%a6%be%e0%a6%a3%e0%a6%bf%e0%a6%9c%e0%a7%8d%e0%a6%af-%e0%a6%93%e0%a6%aa%e0%a7%87%e0%a6%a8-%e0%a6%b8%e0%a6%bf%e0%a6%95%e0%a7%8d%e0%a6%b0/</link>
					<comments>https://chtnews24.com/2026/09/06/%e0%a6%9f%e0%a7%87%e0%a6%b8%e0%a7%8d%e0%a6%9f-%e0%a6%ac%e0%a6%be%e0%a6%a3%e0%a6%bf%e0%a6%9c%e0%a7%8d%e0%a6%af-%e0%a6%93%e0%a6%aa%e0%a7%87%e0%a6%a8-%e0%a6%b8%e0%a6%bf%e0%a6%95%e0%a7%8d%e0%a6%b0/#respond</comments>
		
		<dc:creator><![CDATA[adminchtnews24]]></dc:creator>
		<pubDate>Sun, 06 Sep 2026 02:43:35 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[Second lead]]></category>
		<category><![CDATA[শিরোনাম]]></category>
		<category><![CDATA[স্বাস্থ্য]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://chtnews24.com/?p=38066</guid>

					<description><![CDATA[ডেস্ক রির্পোট:- সরকারি হাসপাতালে চিকিৎসা নিতে যাওয়া রোগীদের বড় অংশ পরীক্ষা-নিরীক্ষা করতে গিয়ে ছুটতে হয় বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে। এর পেছনে থাকে দালাল চক্রের বাণিজ্য। সরকারি হাসপাতাল সংশ্লিষ্ট অনেকে এই চক্রে জড়িত। সরকারি হাসপাতালেও পরীক্ষার সুবিধা নিতে কোথাও কোথাও বাড়তি খরচ করতে হয় রোগীদের। রাজধানীর বড় তিন সরকারি মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল- ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল, স্যার সলিমুল্লাহ [&#8230;]]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[<p>ডেস্ক রির্পোট:- সরকারি হাসপাতালে চিকিৎসা নিতে যাওয়া রোগীদের বড় অংশ পরীক্ষা-নিরীক্ষা করতে গিয়ে ছুটতে হয় বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে। এর পেছনে থাকে দালাল চক্রের বাণিজ্য। সরকারি হাসপাতাল সংশ্লিষ্ট অনেকে এই চক্রে জড়িত। সরকারি হাসপাতালেও পরীক্ষার সুবিধা নিতে কোথাও কোথাও বাড়তি খরচ করতে হয় রোগীদের। রাজধানীর বড় তিন সরকারি মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল- ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল, স্যার সলিমুল্লাহ মেডিকেল কলেজ মিটফোর্ড হাসপাতাল এবং সোহরাওয়ার্দী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে টানা এক সপ্তাহ অবস্থান করে মিলেছে এমন অনেক চক্রের সন্ধান। এই চক্র শুধু পরীক্ষার জন্য রোগী ভাগিয়ে নিচ্ছে এমন নয় তারা রোগীদের বাইরের হাসপাতাল ও ক্লিনিকে নিয়ে ভর্তি করছে।</p>
<p>রোগীরা জানান, হাসপাতালের নির্দিষ্ট কক্ষ থেকেই বাইরের ডায়াগনস্টিক সেন্টারের নির্দিষ্ট প্যাড রোগীর ব্যবস্থাপত্র হিসেবে ব্যবহার করা হচ্ছে। ব্যবস্থাপত্রে বিভিন্ন টেস্ট- পরীক্ষা-নিরীক্ষার বিবরণ লিখে দেয়া হয়। ভুক্তভোগীরা বলছেন, সাধারণ টেস্ট যেমন এক্সরে, সিভিসি, আল্ট্রাসনোগ্রাফি ইত্যাদি টেস্টের জন্য তাদের বাইরে পাঠানো হচ্ছে। তাছাড়া ছোট-বড় সব টেস্টই বাইরে করতে হচ্ছে। যেসব টেস্ট হাসপাতালে করা হয় তাতেও শান্তি নেই। ঘণ্টার পর ঘণ্টা লাইনে দাঁড়িয়ে অতিষ্ঠ রোগী ও স্বজনরা। আর এ সুযোগে হাসপাতাল থেকে সহজে টেস্ট করিয়ে দিয়ে বিপুল পরিমাণ টাকা হাতিয়ে নিচ্ছে আরেকটি চক্র।</p>
<p>স্যার সলিমুল্লাহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের একাধিক ওয়ার্ডের রোগীদের টেস্টের ব্যবস্থাপত্র মানবজমিনের হাতে এসেছে। ব্যবস্থাপত্রে দেখা গেছে, ‘মনোতম গল্প মেডিকেল সার্ভিসেস লিমিটেড নামক একটি বেসরকারি ডায়াগনস্টিক সেন্টার’-এর প্যাডে নির্দিষ্ট পরীক্ষা-নিরীক্ষার কথা উল্লেখ করে দেয়া হয়েছে। একাধিক রোগীর ব্যবস্থাপত্রে এই একই সেন্টারের প্যাড ব্যবহার করা হয়েছে। প্যাডের একপাশে ‘তানভীর’ নামের একজন ব্যক্তির মোবাইল নম্বরসহ সিল দিয়ে রাখা হয়েছে। রোগীর স্বজনরা জানান, এই তানভীরই তাদের সঙ্গে যোগাযোগ করেন টেস্টের বিষয়ে। অর্থাৎ, তিনি রোগীদের কাছে এসে নমুনা সংগ্রহ করে নিয়ে যান। এ ছাড়াও, মিটফোর্ড হাসপাতালের সামনেই ছোট-বড় অসংখ্য ডায়াগনস্টিক সেন্টার আছে। মিটফোর্ড হাসপাতালের দ্বিতীয়তলায় আল্ট্রাসনোগ্রাফি কক্ষে গিয়ে দেখা যায়, রোগীদের অনেকেই সারিতে দাঁড়িয়ে টেস্ট করাচ্ছেন। মুন্সীগঞ্জ থেকে আসা সালেহা বেগম বাবার পায়ুপথে অপারেশন করিয়েছেন। হাসপাতালের করিডোরে তার বাবা শুয়ে ছিলেন। সালেহা বেগম বলেন, আমরা দুই সপ্তাহের বেশি সময় হাসপাতালে। এখানে আসার পর প্রায় সব টেস্টই বাইরে থেকে করাতে হয়েছে। ছোট ছোট টেস্ট যেমন- সিবিসি, এক্সরে আর আল্ট্রাসনোগ্রাফির মতো টেস্টগুলোর জন্য আমাদের বাইরে যেতে হয়েছে। তিনি বলেন, হাসপাতাল থেকেই বাইরের বেসরকারি ডায়াগনস্টিক সেন্টারের টোকেন দিয়ে দেয়। তারাই বলেন, সেখান থেকে যাতে এসব টেস্টগুলো করানো হয়। সেখান থেকে তানভীর নামের একজনের মোবাইল নম্বর দিয়ে দেয়া হয়। তিনি রোগীদের কাছে আসেন। তিনি বলেন, হাসপাতালে ডাক্তার চিকিৎসা দিচ্ছেন, এর বাইরে কিছুই পাই না। গ্রাম থেকে এসেছি কম খরচে চিকিৎসা করাবো বলে। এখানে এসে এখন বাইরে থেকে সব টেস্ট করানো লাগছে, ওষুধ কেনা লাগছে বাইরে থেকে।</p>
<p>সোহরাওয়ার্দী ও মিটফোর্ডে টাকা দিলেই মেলে দ্রুত রিপোর্ট: সোহরাওয়ার্দী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে প্রতিটি টেস্টের আগে হাসপাতালে টাকা জমা দিতে হয়। এরপর নমুনা দিতে হয়। সরজমিন টাকা জমা দেয়ার দীর্ঘ লাইন দেখা যায়। রোগী ও স্বজনদের ২ থেকে ৩ ঘণ্টা লাইনে দাঁড়াতে হয়। আর এ সুযোগ নিচ্ছে একটি চক্র। চক্রটি প্রতি টেস্টে ২০০ থেকে ৫০০ টাকা পর্যন্ত হাতিয়ে নিচ্ছে। বিনিময়ে মিলছে সহজে টেস্টের নমুনা দেয়ার সুযোগ।</p>
<p>শহীদ সোহরাওয়ার্দী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি আছেন বিক্রম দাস (৪৪)। কিছুদিন আগেই পিত্তথলিতে অপারেশন হয়েছে তার। পরবর্তীতে কাটা জায়গায় ইনফেকশন হওয়ায় এখনো হাসপাতালে থাকতে হচ্ছে তাকে। টেস্ট বাণিজ্য নিয়ে বিক্রম বলেন, হাসপাতালে ভর্তির পর চিকিৎসক কিছু টেস্ট দেয়। ওয়ার্ড বয় সব ব্যবস্থা করে দেন। তিনি আমার কাছে একটি টেস্টের জন্য ২২০০ টাকা নেন। পরবর্তীতে ডাক্তার ফের সেই টেস্ট করতে দেয়। তখন নিজে গিয়ে টেস্ট করাতে ১৮০০ টাকা লাগে। পরে তার কাছে বেশি নেয়ার কারণ জানতে চাইলে বলেন, কিছু পেতে হলে কিছু দিতে হয়। এরপর থেকে আর তাকে দিয়ে টেস্ট করাইনি। তিনি বলেন, ডাক্তার কোনো পরীক্ষা দিলেই ওয়ার্ড বয়, আয়ারা খোঁজ নিতে আসে। কী কী টেস্ট দিয়েছে জানতে চায়। কোথা থেকে করবো জানতে চায়।</p>
<p>এরপর সহজে টেস্ট করে দেয়ার প্রলোভন দেখায়। তারা ভেতরে গিয়ে সহজেই টাকা জমা দিতে পারে। তাদেরকে ৪০০ থেকে ৫০০ টাকা দিলে খুব সহজে টেস্ট করানো যায়। তাদের মাধ্যমে টেস্ট করালে যা বলা হয় তারা তাই শুনে। তিনি বলেন, একজন সাধারণ রোগী টেস্ট করতে গেলে ঘণ্টার পর ঘণ্টা লাইনে দাঁড়াতে হয়। কিন্তু আয়া বা ওয়ার্ড বয়রা গেলে মিনিটেই কাজ হয়ে যায়। ভেতরের আঁতাত ছাড়া তো এটা সম্ভব নয়। তারা একপ্রকার জিম্মি করে মানুষের পকেট কাটছে।</p>
<p>ঢামেকে টেস্ট বাণিজ্য ‘ওপেন সিক্রেট’: ঢাকা মেডিকেলে আসা রোগীদেরও প্রলোভন দেখিয়ে বাইরের প্রতিষ্ঠানে নিয়ে যাওয়া হয়। এতে নির্দিষ্ট অঙ্কের কমিশন পান দালালরা। ঢাকা মেডিকেলে চিকিৎসা নিতে আসা রোগীদের ভাষ্য অনুযায়ী, চিকিৎসক কোনো টেস্ট দিলে সঙ্গে সঙ্গে কিছু বুঝে ওঠার আগেই রোগীদের বেডের পাশে হাজির হন দালালরা। নিয়ে যান রোগীদের নমুনা। এরপর রোগীদের হাতে ধরিয়ে দেয় বিল। এসকল কাজ হয় ওয়ার্ডে কর্তব্যরত চিকিৎসক, নার্সদের সামনেই। এ বিষয়ে অভিযোগ দিলেই রোগীদের অপমান করেন কর্তব্যরত নার্সরা। ঢাকা মেডিকেলে টেস্ট ভালো না, রিপোর্ট দিতে দেরি হবে ডাক্তার থাকবে না এসব কথা বলে রোগীদের প্রলোভন দেখায় তারা।</p>
<p>২৩শে আগস্ট রোববার দুপুর আড়াইটা ঢাকা মেডিকেল ভবন-২ এর উল্টোপাশে হেলথ এইড ডায়াগনস্টিক সেন্টার থেকে বেরিয়ে আসছিলেন ষাটোর্র্ধ্ব মন্সুর আলী। সঙ্গে ছিলেন তার স্ত্রী ও আরেকজন মধ্যবয়সী মহিলা। ওই মহিলা তাদেরকে গাইড করছিলেন হাসপাতাল নিয়ে যাওয়ার জন্য। এ সময় ভুক্তভোগী মন্সুর আলী মানবজমিনকে বলেন, আমি ডাক্তার দেখানোর পর ডাক্তার আমাকে রক্ত পরীক্ষা দেয়। কিন্তু এই মহিলা আমাদের বলেন, রক্ত পরীক্ষা ঢাকা মেডিকেলে হবে না। বাইরে থেকে করাতে হবে। আমরা হেলথ এইড হাসপাতালে যাওয়ার পর তারা অতিরিক্ত টাকা চায়। তাই চলে আসি। এখন এই মহিলা দালাল আমাদের পিছু ছাড়ছে না। এ বিষয়ে অভিযুক্ত মহিলা দালাল আলেয়া বলেন, আমি উনাদের থেকে কোনো টাকা নেইনি। উনারা কিছু চিনে না তাই গাইড করছিলাম, কোথায় গেলে টেস্ট করাতে পারবেন। এই রক্ত পরীক্ষা বিকালে করাতে হবে। তাই তাদের প্রাইভেট ক্লিনিকে নিয়ে গিয়েছিলাম।<br />
ঢাকা মেডিকেল ভবন-২ এর ৬০২ নম্বর ওয়ার্ডে চিকিৎসাধীন ডেঙ্গু রোগে আক্রান্ত ওয়াসিম। পেশায় সিএনজিচালক। তার সঙ্গে থাকা আসলাম বলেন, ডাক্তার কোনো টেস্ট করতে দেয়ার পর পর হঠাৎ দালাল এসে রক্ত নিয়ে যায়। এখানে সবাই দালালের যন্ত্রণায় অতিষ্ঠ। আমি একটি রক্ত পরীক্ষা নিজে গিয়ে বাইরে অথেন্টিক ডায়াগনস্টিক সেন্টারে করেছি ৯০০ টাকা দিয়ে। অথচ দালাল আমার কাছ থেকে ৩২০০ টাকা চেয়েছে।</p>
<p>একই ওয়ার্ডে কথা হয় লিভার জটিলতায় আক্রান্ত শাহ আলমের সঙ্গে। তিনি বলেন, আমি ৪ দিন ধরে হাসপাতালে ভর্তি। প্রথমে ডাক্তার টেস্ট দেয়ার পর একজন এসে রক্ত নিয়ে গেল। আমরা মনে করেছি সে ডাক্তার কিন্তু পরে যখন রিপোর্ট দিয়ে মোটা অঙ্কের টাকা দাবি করলো তখন বুঝলাম এরা দালাল। এখানে দায়িত্বরত নার্সরা এদের সঙ্গে জড়িত। তাদের সামনে এসে দালালরা রোগীদের নমুনা নিয়ে যাচ্ছে। অথচ তারা কিছু বলে না।</p>
<p>১২ দিন ধরে ঢাকার কেরানীগঞ্জ থেকে মায়ের চিকিৎসার জন্য হাসপাতালে হাফিজ। মায়ের বড় অস্ত্রোপচার হয়েছে। এই ১২ দিনে প্রায় ৮০ হাজার টাকা খরচ। তিনিও সকল টেস্ট করিয়েছেন একটি বেসরকারি ডায়াগনস্টিক সেন্টার থেকে। হাসপাতাল থেকে ডায়াগনস্টিক সেন্টারের প্যাডে ইস্যু করা প্রেসক্রিপশন। হাফিজ বলেন, আমি ভেবেছিলাম এখানে সবকিছুই মনে হয় আমার আয়ত্তের ভেতরে থাকবে। এখন দেখি আয়ত্তের বাইরে চলে গেছে সব। আমাদের এত টাকা বহন করার ক্ষমতা নাই। আশা করছিলাম যে এইখানে আসছি, আমাদের ব্যয় কম লাগবে। খরচটা কম হবে। কিন্তু এখানে কম দামে কোনো চিকিৎসা হয় না। সব বাহিরের থেকে করা লাগে। তিনি বলেন, এখানে যতগুলো টেস্ট হয় করিয়েছি, প্রত্যেকটি বেসরকারিতে করানো লেগেছে। এখানে ব্লাড টেস্ট, সিবিসি টেস্ট, আল্ট্রাসনোগ্রাফি, এক্সরে সব টেস্ট করানোর জন্য ডাক্তাররা আমাকে বাইরে পাঠিয়েছেন। তারা জানান, এখানে করতে পারবো না, এখানে হবে না। মানবজমিন</p>
]]></content:encoded>
					
					<wfw:commentRss>https://chtnews24.com/2026/09/06/%e0%a6%9f%e0%a7%87%e0%a6%b8%e0%a7%8d%e0%a6%9f-%e0%a6%ac%e0%a6%be%e0%a6%a3%e0%a6%bf%e0%a6%9c%e0%a7%8d%e0%a6%af-%e0%a6%93%e0%a6%aa%e0%a7%87%e0%a6%a8-%e0%a6%b8%e0%a6%bf%e0%a6%95%e0%a7%8d%e0%a6%b0/feed/</wfw:commentRss>
			<slash:comments>0</slash:comments>
		
		
			</item>
	</channel>
</rss>
