<?xml version="1.0" encoding="UTF-8"?><rss version="2.0"
	xmlns:content="http://purl.org/rss/1.0/modules/content/"
	xmlns:wfw="http://wellformedweb.org/CommentAPI/"
	xmlns:dc="http://purl.org/dc/elements/1.1/"
	xmlns:atom="http://www.w3.org/2005/Atom"
	xmlns:sy="http://purl.org/rss/1.0/modules/syndication/"
	xmlns:slash="http://purl.org/rss/1.0/modules/slash/"
	>

<channel>
	<title>রাজনীতি &#8211; chtnews24.com</title>
	<atom:link href="https://chtnews24.com/category/%E0%A6%B0%E0%A6%BE%E0%A6%9C%E0%A6%A8%E0%A7%80%E0%A6%A4%E0%A6%BF/feed/" rel="self" type="application/rss+xml" />
	<link>https://chtnews24.com</link>
	<description></description>
	<lastBuildDate>Sun, 06 Sep 2026 03:11:55 +0000</lastBuildDate>
	<language>en-US</language>
	<sy:updatePeriod>
	hourly	</sy:updatePeriod>
	<sy:updateFrequency>
	1	</sy:updateFrequency>
	<generator>https://wordpress.org/?v=7.1</generator>
	<item>
		<title>লংমার্চে বিরোধী দলের ‘কঠোর বার্তা’, কীভাবে দেখছে সরকারি দল</title>
		<link>https://chtnews24.com/2026/09/06/%e0%a6%b2%e0%a6%82%e0%a6%ae%e0%a6%be%e0%a6%b0%e0%a7%8d%e0%a6%9a%e0%a7%87-%e0%a6%ac%e0%a6%bf%e0%a6%b0%e0%a7%8b%e0%a6%a7%e0%a7%80-%e0%a6%a6%e0%a6%b2%e0%a7%87%e0%a6%b0-%e0%a6%95%e0%a6%a0/</link>
					<comments>https://chtnews24.com/2026/09/06/%e0%a6%b2%e0%a6%82%e0%a6%ae%e0%a6%be%e0%a6%b0%e0%a7%8d%e0%a6%9a%e0%a7%87-%e0%a6%ac%e0%a6%bf%e0%a6%b0%e0%a7%8b%e0%a6%a7%e0%a7%80-%e0%a6%a6%e0%a6%b2%e0%a7%87%e0%a6%b0-%e0%a6%95%e0%a6%a0/#respond</comments>
		
		<dc:creator><![CDATA[adminchtnews24]]></dc:creator>
		<pubDate>Sun, 06 Sep 2026 03:11:55 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[Second lead]]></category>
		<category><![CDATA[রাজনীতি]]></category>
		<category><![CDATA[শিরোনাম]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://chtnews24.com/?p=38096</guid>

					<description><![CDATA[ডেস্ক রির্পোট:- ছয় দফা দাবি আদায়ে ঢাকা-চট্টগ্রাম লংমার্চ থেকে সরকারকে কঠোর বার্তা দিয়েছে জামায়াতের নেতৃত্বাধীন ১১ দলীয় ঐক্য। দাবি পূরণ না হলে সরকার পতনের এক দফা আন্দোলনে যাওয়ার হুঁশিয়ারির বিপরীতে ক্ষমতাসীন বিএনপি বলছে, আন্দোলনের অধিকার থাকলেও এসব দাবি আলোচনার মাধ্যমেই সমাধান করা সম্ভব। প্রথম দিনের লংমার্চে বক্তব্য দেন বিরোধী দলীয় নেতা ও জামায়াতের আমির ডা. [&#8230;]]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[<p>ডেস্ক রির্পোট:- ছয় দফা দাবি আদায়ে ঢাকা-চট্টগ্রাম লংমার্চ থেকে সরকারকে কঠোর বার্তা দিয়েছে জামায়াতের নেতৃত্বাধীন ১১ দলীয় ঐক্য। দাবি পূরণ না হলে সরকার পতনের এক দফা আন্দোলনে যাওয়ার হুঁশিয়ারির বিপরীতে ক্ষমতাসীন বিএনপি বলছে, আন্দোলনের অধিকার থাকলেও এসব দাবি আলোচনার মাধ্যমেই সমাধান করা সম্ভব।</p>
<p>প্রথম দিনের লংমার্চে বক্তব্য দেন বিরোধী দলীয় নেতা ও জামায়াতের আমির ডা. শফিকুর রহমান এবং আন্দোলনরত মিত্র দলগুলোর শীর্ষ নেতারা। কুমিল্লায় জামায়াতের আমির জনগণকে উদ্দেশ করে বলেন, আগামীতে গুড় ও চিড়া-মুড়ি নিয়ে ঢাকামুখী লংমার্চের প্রস্তুতি নিতে হবে। অন্যদিকে নারায়ণগঞ্জে তাদের অন্যতম মিত্র জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আহ্বায়ক ও বিরোধী দলীয় চিফ হুইপ নাহিদ ইসলাম বলেন, লংমার্চে বাধা দিলে ছয় দফা দাবি থেকে সরকার পতনের এক দফার দিকে যেতে বাধ্য হবেন তারা।</p>
<p>সরকারের মাত্র ছয় মাসের মাথায় এ ধরনের কর্মসূচির পেছনে কী কারণ থাকতে পারে, আন্দোলনের এ সময়ে যৌক্তিকতা কতটা এবং এসব দাবি আলোচনার মাধ্যমে সমাধান করা যেতো কি না; এসব প্রশ্ন সামনে এসেছে। একই সঙ্গে বিরোধী দল সত্যিই কঠোর আন্দোলনের দিকে যাবে, নাকি হুমকি দিয়ে নিজেদের অবস্থান জানান দিতে চাইছে, তা নিয়েও আলোচনা চলছে।</p>
<p>অনেকে মনে করেন, বিরোধী দলের এ কর্মসূচিকে ‘লংমার্চ’ না বলে ‘রোড মার্চ’ বলা উচিত। কারণ এতে কিছু গাড়ি ও নিজস্ব নেতাকর্মী ছাড়া সাধারণ মানুষের তেমন সম্পৃক্ততা নেই। বিশেষ করে সাবেক মিত্র হিসেবে বিএনপি ও জামায়াত ভিন্ন কোনও কৌশল অবলম্বন করছে কি না, তা নিয়েও প্রশ্ন উঠেছে। অপরদিকে ক্ষমতাসীন দল বিএনপি এ বিষয়টিকে কীভাবে পর্যবেক্ষণ করছে, তা নিয়েও প্রশ্ন করছেন রাজনীতিবিদ ও বিশ্লেষকরা।</p>
<p>অবশ্য বিরোধী দল মনে করছে, যথেষ্ট সময় দেওয়া হলেও সরকার দাবি পূরণে উদ্যোগ না নিয়ে দায়িত্বহীনতার পরিচয় দিয়েছে। অপরদিকে ক্ষমতাসীন দলের নেতাদের দাবি, যৌক্তিক দাবি মেনে নিতে তাদের আপত্তি ছিল না। সংসদেও আলোচনার পথ উন্মুক্ত ছিল। কিন্তু বিরোধী দল এখনই কেন এতটা অতিউৎসাহী আচরণ করছে, তা বোধগম্য নয়।</p>
<p>এ বিষয়ে জানতে চাইলে বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টির (সিপিবি) সাবেক সাধারণ সম্পাদক ও রাজনীতি বিশ্লেষক রুহিন হোসেন প্রিন্স বলেন, সরকারি দল আর সংসদের বিরোধী দলের মধ্যে অর্থনৈতিক নীতিগত কোনও পার্থক্য নেই। তাই দেশের মানুষ মনে করে, এসব হুমকি ক্ষমতার ভাগাভাগির জন্য। এখানে সাধারণ মানুষের কোনও স্বার্থ নেই।</p>
<p>তিনি বলেন, ‘লংমার্চের নামে যেটা দেখলাম, সেটা তো গাড়ি মার্চ আর পিকনিক মুড।’ তবে তিনি এও মনে করেন, সরকারের প্রধান দায়িত্ব মানুষকে স্বস্তি দেওয়া। এ ক্ষেত্রে তাদের ব্যর্থতা স্বীকার করে সমস্যা সমাধানে কার্যকর উদ্যোগ নিতে হবে। অর্থনীতিসহ সর্বক্ষেত্রে সুশাসন নিশ্চিত করতে ব্যবস্থা নিতে হবে। এ কাজে ব্যর্থ হলে জনগণ ফুঁসে উঠবে। ইতিহাসের এই শিক্ষা নিয়ে সরকারকে দায়িত্বশীল হওয়ার পরামর্শ দেন এই বাম নেতা।</p>
<p>আন্দোলনের রূপরেখা ও ছয় দফায় কী আছে?</p>
<p>ছয় দফা দাবি বাস্তবায়নে গত ৬ আগস্ট রাজধানীর মুক্তাঙ্গনে ১১ দলীয় ঐক্যের অবস্থান কর্মসূচি থেকে সেপ্টেম্বর থেকে নভেম্বর পর্যন্ত ঢাকা থেকে চারটি বিভাগীয় শহরে ‘লংমার্চ’ ও মহাসমাবেশ কর্মসূচি ঘোষণা করেন বিরোধী দলীয় নেতা জামায়াতের ডা. শফিকুর রহমান।</p>
<p>ঘোষিত কর্মসূচি অনুযায়ী, ৫ সেপ্টেম্বর ঢাকা-চট্টগ্রাম অভিমুখে লংমার্চ পালন করা হয়। এর মধ্যে নারায়ণগঞ্জের কাঁচপুর ব্রিজসংলগ্ন ট্রাকস্ট্যান্ড, কুমিল্লার পদুয়া বাজার বিশ্বরোড, ফেনীর মহীপাল ও চট্টগ্রামের মীরসরাইয়ে পথসভায় বক্তব্য রাখেন নেতারা। সর্বশেষ চট্টগ্রামের লালদিঘি ময়দানে জনসভা অনুষ্ঠিত হয়।</p>
<p>ঘোষিত কর্মসূচি অনুযায়ী, ১৯ সেপ্টেম্বর ঢাকা থেকে রংপুর, ১০ অক্টোবর ঢাকা থেকে খুলনা এবং ২৪ অক্টোবর ঢাকা থেকে সিলেটে (রেলপথে) লংমার্চ শেষে ১৪ নভেম্বর ঢাকায় মহাসমাবেশ করার কথা রয়েছে।</p>
<p>ছয় দফা দাবি হলো—গণভোটের রায় বাস্তবায়ন, জুলাই গণহত্যার বিচার, বিদ্যুৎ, তেল, গ্যাস ও সার সংকট নিরসন, নিত্যপণ্যের মূল্য ঊর্ধ্বগতি রোধে চাঁদাবাজি ও দুর্নীতি বন্ধ, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির উন্নয়ন এবং সংকীর্ণ দলীয়করণ বন্ধ করা।</p>
<p>কেউ ডাকলেই কি জনগণ রাস্তায় নেমে আসবে?</p>
<p>নিজেদের ছয় দফা দাবি আদায় না হলে লংমার্চ থেকে সরকার পতনের এক দফা আন্দোলনের হুমকি দিয়েছেন বিরোধী দলের নেতারা। শনিবার (৫ সেপ্টেম্বর) কুমিল্লার পথসভায় জনগণকে উদ্দেশ করে বিরোধী দলীয় নেতা ও জামায়াতের আমির ডা. শফিকুর রহমান বলেন, এরপর ঢাকায় লংমার্চ হবে। গুড় আর চিড়া-মুড়ি নিয়ে ঢাকায় আসতে হবে।</p>
<p>‘দাবি আদায় করে ছাড়বোই’—একই দিন ফেনীতে তিনি বলেন, ‘আমরা এই সরকারকে খানিকটা সময় দিচ্ছি, কিন্তু তা দীর্ঘ হবে না। আপনারা প্রস্তুত থাকুন, চূড়ান্ত ডাক যখন আসবে তখন জীবন বাজি রেখে আপনাদের এবং আমাদের সবাইকে রাস্তায় বের হতে হবে।’</p>
<p>নারায়ণগঞ্জের পথসভায় ১১ দলের অন্যতম শরিক জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আহ্বায়ক ও বিরোধী দলীয় চিফ হুইপ নাহিদ ইসলাম বলেন, ছয় দফা দাবি না মানলে সরকার পতনের এক দফা কর্মসূচির দিকে যাবেন তারা।</p>
<p>সরকারের মাত্র ছয় মাসের মাথায় বিরোধী দলের শীর্ষ নেতারা এতটা তীর্যক বক্তব্য কিসের ভিত্তিতে দিচ্ছেন, দেশের বাস্তব পরিস্থিতি আসলে কী—এসব প্রশ্নও সামনে আসছে। এই সময়ে কেউ ডাকলেই জনগণ রাস্তায় নেমে আসবে কি না, নেতাদের এমন ঘোষণাকে বিরোধী দল কীভাবে দেখছে—এ নিয়েও আলোচনা রয়েছে।</p>
<p>এ বিষয়ে জানতে চাইলে নাগরিক ঐক্যের আহ্বায়ক ও রাজনীতি বিশ্লেষক মাহমুদুর রহমান মান্না বলেন, বিরোধী দল আন্দোলন করতেই পারে। কেউ তাদের দুটি দাবির সঙ্গে একমত হতে পারে, আবার কেউ তিনটি দাবিকে যৌক্তিক মনে করতে পারে। তাদের উচিত ধীরে ধীরে এগিয়ে যাওয়া।</p>
<p>তিনি বলেন, ‘তবে মুহূর্তে বিরোধী দলীয় নেতারা চিড়া-মুড়ি বা গুড় নিয়ে প্রস্তুত থাকা বা সরকার পতনের বিষয়ে যা বলছেন, আমার দৃষ্টিতে এগুলো প্রিম্যাচিউর কথাবার্তা। জনগণ এখনই সরকারের পতনের জন্য মাঠে নামবে, আমার কাছে তা মনে হয় না।’ এ ক্ষেত্রে সরকারকে দেশের বাস্তব সমস্যাগুলো স্বীকার করে পরিকল্পিত উদ্যোগ নেওয়ার পরামর্শ দেন তিনি।</p>
<p>ভিন্ন কথা বলছেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদ সদস্য ও ঢাকা-১২ আসনের এমপি সাইফুল আলম খান মিলন। তার মতে, সরকার তো প্রথম দিন থেকেই ব্যর্থতার পরিচয় দিয়েছে। জুলাই সনদ ও গণভোটের রায় বাস্তবায়ন না করে জনগণের সঙ্গে প্রতারণা করেছে। বিদ্যুৎ ও জ্বালানি পরিস্থিতি সঠিকভাবে সামাল দিতে পারছে না। নিত্যপ্রয়োজনীয় জিনিসের অগ্নিমূল্য, প্রশাসনে দলীয়করণ করা হচ্ছে।</p>
<p>তিনি বলেন, ৫০টি সংসদীয় কমিটির সভাপতি পদে বিরোধী দলকে রাখা হয়নি। সরকারের এমন আচরণে সাধারণ মানুষের নাভিশ্বাস অবস্থা। তার মতে, জনগণ বেশি অতিষ্ঠ হলে সরকারের জন্য কঠিন পরিস্থিতি হতেই পারে।</p>
<p>কী করতে চান ক্ষমতাসীনরা?</p>
<p>বিরোধী দলের আন্দোলনকে গণতান্ত্রিক অধিকার হিসেবে দেখছে ক্ষমতাসীন দলের নেতারা। তবে তাদের দাবি, সরকারের পক্ষ থেকে আলোচনার পথ এখনও খোলা। তারপরও তাদের লংমার্চের তেমন যৌক্তিকতা নেই। অরাজকতা করলে ব্যবস্থা নেওয়ারও হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করেছেন সরকারের হাইকমান্ড।</p>
<p>এ বিষয়ে বৃহস্পতিবার (৩ সেপ্টেম্বর) রাজধানীতে এক অনুষ্ঠানে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী বলেন, সরকার বিরোধী দলের আন্দোলনকে গণতান্ত্রিক হিসেবেই বিবেচনা করতে চায়। তবে আন্দোলনের বাস্তবতা নিয়েও ভাবতে হবে।</p>
<p>শনিবার (৫ সেপ্টেম্বর) রাজধানীতে এক অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক উপদেষ্টা জহির উদ্দিন স্বপন বলেন, জাতীয় সংসদ যখন সন্তোষজনক কার্যকর রয়েছে, সেই সময়ে রাজপথে লংমার্চের মতো কর্মসূচি গণআকাঙ্ক্ষার পরিপন্থী।</p>
<p>একই দিন বিকালে রাজধানীর খামারবাড়ীতে বিএনপির প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বিরোধী দলের আন্দোলনকে ইঙ্গিত করে বলেন, ‘স্বৈরাচার কি আবার গুপ্তদের মাঝে গুপ্ত হয়ে আছে? একজন আরেকজনকে আড়াল করার চেষ্টা করছে? তবে যেকোনও অরাজকতা করলে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’</p>
<p>বিরোধী দলের লংমার্চ বা সামনের সম্ভাব্য আন্দোলনের বিপরীতে বিএনপি আসলে কী করতে চায়, জানতে চাইলে দলটির ভাইস চেয়ারম্যান শামসুজ্জামান দুদু বাংলা ট্রিবিউনকে বলেন, সরকার তো বিরোধী দলের কোনও কর্মসূচিতে বাধা দিচ্ছে না। বিদ্যুৎ ও জ্বালানি সংকট বৈশ্বিক। কিছু বিষয় উত্তরাধিকার সূত্রে প্রাপ্ত। এগুলো তো কারও অজানা নয়।</p>
<p>তিনি বলেন, জুলাই সনদ ও গণভোটের রায় নিয়ে এখনও কোনও চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হয়নি। বিরোধী দল সংবিধান সংশোধন কমিটিতেও অংশ নেয়নি। অথচ এসব বিষয় আলোচনার মাধ্যমেই সমাধান করা যেত।</p>
<p>তিনি বলেন, বিরোধীদের বিষয়ে বিএনপি সামনে কী করবে, তা সময়ই বলে দেবে। বাংলা ট্রিবিউন</p>
]]></content:encoded>
					
					<wfw:commentRss>https://chtnews24.com/2026/09/06/%e0%a6%b2%e0%a6%82%e0%a6%ae%e0%a6%be%e0%a6%b0%e0%a7%8d%e0%a6%9a%e0%a7%87-%e0%a6%ac%e0%a6%bf%e0%a6%b0%e0%a7%8b%e0%a6%a7%e0%a7%80-%e0%a6%a6%e0%a6%b2%e0%a7%87%e0%a6%b0-%e0%a6%95%e0%a6%a0/feed/</wfw:commentRss>
			<slash:comments>0</slash:comments>
		
		
			</item>
		<item>
		<title>দাবি আদায় করেই ঘরে ফিরবো ১১ দলীয় ঐক্যের লংমার্চে নেতারা</title>
		<link>https://chtnews24.com/2026/09/06/%e0%a6%a6%e0%a6%be%e0%a6%ac%e0%a6%bf-%e0%a6%86%e0%a6%a6%e0%a6%be%e0%a6%af%e0%a6%bc-%e0%a6%95%e0%a6%b0%e0%a7%87%e0%a6%87-%e0%a6%98%e0%a6%b0%e0%a7%87-%e0%a6%ab%e0%a6%bf%e0%a6%b0%e0%a6%ac%e0%a7%8b/</link>
					<comments>https://chtnews24.com/2026/09/06/%e0%a6%a6%e0%a6%be%e0%a6%ac%e0%a6%bf-%e0%a6%86%e0%a6%a6%e0%a6%be%e0%a6%af%e0%a6%bc-%e0%a6%95%e0%a6%b0%e0%a7%87%e0%a6%87-%e0%a6%98%e0%a6%b0%e0%a7%87-%e0%a6%ab%e0%a6%bf%e0%a6%b0%e0%a6%ac%e0%a7%8b/#respond</comments>
		
		<dc:creator><![CDATA[adminchtnews24]]></dc:creator>
		<pubDate>Sun, 06 Sep 2026 02:49:52 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[Second lead]]></category>
		<category><![CDATA[রাজনীতি]]></category>
		<category><![CDATA[শিরোনাম]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://chtnews24.com/?p=38075</guid>

					<description><![CDATA[ডেস্ক রির্পোট:- ঢাকা থেকে চট্টগ্রামের উদ্দেশ্যে জামায়াতে ইসলামীর নেতৃত্বাধীন ১১ দলীয় ঐক্যের লংমার্চ কর্মসূচি পালিত হয়েছে। জুলাই গণহত্যার বিচার, গণভোটের রায় বাস্তবায়ন, গ্যাস ও বিদ্যুৎ এবং সারের সংকট সমাধানসহ ছয় দাবিতে এই লংমার্চ অনুষ্ঠিত হয়। পথে পথে জনসভায় বক্তব্য রাখেন জামায়াত আমীরসহ ১১ দলীয় ঐক্যের নেতারা। চট্টগ্রামের ঐতিহাসিক লালদীঘির মাঠে সমাবেশের মধ্যদিয়ে শেষ হয় কর্মসূচি। [&#8230;]]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[<p>ডেস্ক রির্পোট:- ঢাকা থেকে চট্টগ্রামের উদ্দেশ্যে জামায়াতে ইসলামীর নেতৃত্বাধীন ১১ দলীয় ঐক্যের লংমার্চ কর্মসূচি পালিত হয়েছে। জুলাই গণহত্যার বিচার, গণভোটের রায় বাস্তবায়ন, গ্যাস ও বিদ্যুৎ এবং সারের সংকট সমাধানসহ ছয় দাবিতে এই লংমার্চ অনুষ্ঠিত হয়। পথে পথে জনসভায় বক্তব্য রাখেন জামায়াত আমীরসহ ১১ দলীয় ঐক্যের নেতারা। চট্টগ্রামের ঐতিহাসিক লালদীঘির মাঠে সমাবেশের মধ্যদিয়ে শেষ হয় কর্মসূচি। গতকাল সকালে রাজধানীর মতিঝিল শাপলা চত্বর থেকে লংমার্চের কর্মসূচি শুরু হয় সকাল ৭টার দিকে। রাতে চট্টগ্রামের লালদীঘি ময়দানে হয় সর্বশেষ সমাবেশ। এতে বিরোধী জোটের নেতারা বলেন, দাবি আদায় করেই ঘরে ফিরবে ১১ দলীয় জোট। তারা বলেন, বিরোধী জোট দলীয় কোনো এজেন্ডা নিয়ে রাস্তায় নামেনি। জনগণের দাবি নিয়ে সরব হয়েছে। সরকার তার নির্বাচনী প্রতিশ্রুতি পূরণ না করলে আন্দোলনের মাধ্যমেই জনগণের দাবি আদায় করা হবে। নেতারা হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, ৬ দফা দাবি আদায়ের কর্মসূচিতে বাধা দেয়া হলে, দাবি মানতে গড়িমসি করলে এই দাবি এক দফায় নেমে আসবে।</p>
<p>পৃথক সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে জামায়াতে ইসলামীর আমীর ও বিরোধীদলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমান বলেন, আমরা কোনো দল, ব্যক্তি বা গোষ্ঠীর জন্য এই রাস্তায় নামিনি। আমরা নেমেছি বাংলাদেশের ১৮ কোটি মানুষের পক্ষে। জনগণের দাবি আদায়ের জন্যই আমাদের এই কর্মসূচি। জনগণের অধিকার নিয়ে ছিনিমিনি খেললে কাউকে ছাড় দেয়া হবে না।<br />
দেশের জনগণ বিভিন্ন সংকটে অতিষ্ঠ মন্তব্য করে জামায়াত আমীর বলেন, চাঁদাবাজদের জ্বালায় জনগণ অতিষ্ঠ। দুর্নীতিবাজদের হাতে জনগণের অধিকার লুণ্ঠিত। গ্যাস নেই, পানি নেই, ইলেকট্রিসিটি নেই, কিন্তু গ্যাসের বিল যথারীতি আছে। বিদ্যুতের ভুতুড়ে বিল আছে।</p>
<p>সিফাতের প্রসঙ্গ টেনে তিনি বলেন, অতিষ্ঠ হয়ে ওই তরুণ প্রতিবাদ করেছে। তার মুখের ভাষা সমর্থন না করলেও যে বিষয়ে তিনি প্রতিবাদ করেছেন, সেই বিষয়ে বাংলাদেশের ১৮ কোটি মানুষ প্রয়োজনে সিফাত হয়ে গর্জে উঠবে।<br />
সিফাতকে মুক্তি দেয়ার আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, ভালোয় ভালোয় তাকে ছেড়ে দিন। যদি না ছাড়েন, তাহলে মনে রাখবেন, এক নূর হোসেন, এক ইয়াসমিন, এক ডাক্তার মিলন অনেকের গদি ওলটপালট করে দিয়েছিল। কখন যে পচা শামুকে পা কাটবে, তা কেউ বলতে পারে না।</p>
<p>বাধা দিলে ছয় দফা এক দফায় পরিণত হবে: লংমার্চের উদ্বোধনী সমাবেশে বিরোধীদলীয় চিফ হুইপ ও জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম বলেন, চট্টগ্রামের লংমার্চে কোনো বাধা আসলে ছয় দফা দাবি এক দফা দাবিতে পরিণত হবে।<br />
তিনি বলেন, এ লংমার্চ আপামর জনতার। সরকার যদি লংমার্চে বাধা দেয় তাহলে সব বাধা উপেক্ষা করে চট্টগ্রামে পৌঁছাবে এবং ১১ দলের ছয় দফা দাবি এক দফা রূপ নেবে।<br />
নাহিদ ইসলাম বলেন, ২০২৪ সালের ৫ই আগস্ট ঐতিহাসিক এক দফার জন্য সারা দেশের মানুষ লংমার্চ টু ঢাকায় এসে স্বৈরাচারের পতন ঘটিয়েছিল। ঢাকা থেকে চট্টগ্রামসহ বিভিন্ন বিভাগে লংমার্চে যাচ্ছি নতুন করে যারা স্বৈরাচার হচ্ছে, সেই পথ বন্ধ করার জন্য।<br />
তিনি আরও বলেন, আমাদের এই লংমার্চ সন্ত্রাস, চাঁদাবাজ, দুর্নীতিবাজদের বিরুদ্ধে। যারা সিন্ডিকেট করে তেল-বিদ্যুৎ-গ্যাসের দাম বাড়ানোর পাঁয়তারা করছে- তাদের বিরুদ্ধে। এই লংমার্চ যারা ৭০ শতাংশ মানুষের ভোটের সঙ্গে প্রতারণা করেছে তাদের বিরুদ্ধে।</p>
<p>এলডিপি’র চেয়ারম্যান কর্নেল (অব.) অলি আহমেদ বীর-বিক্রম বলেন, ১১ দলীয় ঐক্যের আহ্বানে এত ভোরে যেভাবে নেতাকর্মীরা জনগণকে সঙ্গে নিয়ে রাজপথে এসে দাঁড়িয়েছে, বাংলাদেশের আর কোনো রাজনৈতিক দল এত ভোরে রাজপথে আসতে পারবে না। তিনি চ্যালেঞ্জ দিয়ে বলেন, প্রয়োজনে তারেক রহমান সাহেব একটা সমাবেশ এত ভোরে আহ্বান করে দেখতে পারেন।<br />
অলি আহমেদ বলেন, চাঁদাবাজ-মাস্তানদের ভোট দিলে দেশ ভালো চলবে না তার দৃষ্টান্ত বর্তমান সরকার। শান্তিপূর্ণ গণতান্ত্রিক আন্দোলনের মাধ্যমে জনগণের দাবি আদায় করা হবে, ইনশাআল্লাহ।</p>
<p>সমাবেশে বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের আমীর মাওলানা মামুনুল হক বলেন, সরকার জাতির সঙ্গে প্রতারণা করেছে। ক্ষমতার মসনদে বসে যদি জাতিকে ভুলপথে পরিচালিত করার চেষ্টা করে তাহলে টেনে নামাতে আমাদের হাত এক চুলও কাঁপবে না।<br />
জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি জেনারেল মিয়া গোলাম পরওয়ার বলেন, সরকার জনগণের দুর্ভোগ লাঘবে ব্যর্থ হয়েছে। দিনে দিনে দুর্ভোগ বাড়ছে। গণভোটের রায় বাস্তবায়ন না করে সরকার জনগণের সঙ্গে প্রতারণা করেছে। জনগণকে দেয়া সব প্রতিশ্রুতি ভঙ্গ করেছে। সরকারকে সংসদে ভুল স্বীকার করে সংবিধান সংস্কারের উদ্যোগ নিতে হবে।</p>
<p>তিনি বলেন, নতুন করে যারা স্বৈরাচার হতে চাচ্ছে তাদের বিরুদ্ধে আমাদের এই লংমার্চ। যারা গণভোটের রায় মেনে জুলাই সনদ বাস্তবায়ন করেনি এই লংমার্চ তাদের বিরুদ্ধে।<br />
সমাবেশে আরও বক্তব্য দেন এনসিপি’র সদস্য সচিব আখতার হোসেনসহ জোটের অন্যান্য শীর্ষ নেতারা।<br />
সমাবেশ শেষে সকাল ৮টা ১৫ মিনিটে লংমার্চ চট্টগ্রামের উদ্দেশ্যে যাত্রা করে। পথে নারায়ণগঞ্জ, কুমিল্লা, ফেনী এবং চট্টগ্রামের মিরসরাইয়ে পথসভায় বক্তব্য দেন ১১ দলীয় ঐক্যের নেতারা।</p>
<p>নারায়ণগঞ্জ: লংমার্চের গাড়িবহর শনিবার সকাল ৯টায় নারায়ণগঞ্জের সিদ্ধিরগঞ্জের শিমরাইল ট্রাকস্ট্যান্ডে পৌঁছায়। সেখানে ১১ দলীয় জোটের পথসভা অনুষ্ঠিত হয়। পথসভায় সংক্ষিপ্ত বক্তব্যে জামায়াতে ইসলামীর আমীর ও জাতীয় সংসদের বিরোধীদলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমান বলেন, আমরা রাজপথে নেমেছি গণভোট বাস্তবায়ন করার জন্য। জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের চেতনা বাস্তবায়ন করার জন্য। গ্যাস, বিদ্যুৎ ও জ্বালানি সংকট নিরসনের জন্য। এই সরকার জনগণের সঙ্গে প্রতারণা করছে, ভাঁওতাবাজি করছে। জনগণ তাদেরকে ক্ষমা করবে না।</p>
<p>১১ দলীয় জোট জনগণের পাশে আছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, আমাদের ঐক্যবদ্ধ প্রয়াস, এই চেষ্টা আল্লাহ কবুল করবেন। আমরা ফ্যাসিবাদমুক্ত বাংলাদেশ গড়বো। আপনারা বিজয়ের শেষ হাসি হেসে ঘরে ফিরবেন।<br />
জাতীয় সংসদের চিফ হুইপ নাহিদ ইসলাম বলেন, আমাদের লংমার্চ সফল হবে। তেল ও গ্যাসের দাম না কমালে এই সরকারকে গদি ছাড়তে হবে। এ সময় আরও বক্তব্য রাখেন এলডিপি’র চেয়ারম্যান অলি আহমেদ ও এনসিপি’র যুগ্ম সদস্য সচিব আবদুল্লাহ আল আমিন।</p>
<p>কুমিল্লা: কুমিল্লার পদুয়ার বাজার বিশ্বরোডের পথসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে ডা. শফিকুর রহমান বলেন, আমরা সরকারকে পরিষ্কারভাবে বলছি, কুমিল্লা বিভাগ নিয়ে আর ধানাই-পানাই করবেন না। কুমিল্লা বিভাগ-এটা বাস্তবায়ন হোক। পাশের নোয়াখালী, বৃহত্তর নোয়াখালীর মানুষও বিভাগ চাচ্ছেন। তারাও একটি বিভাগ পাওয়ার দাবিদার। তাদেরও দিন। কিন্তু কুমিল্লার দাবি যেহেতু ১৯৯৪ সাল থেকে চলে আসছে, আগে কুমিল্লা বিভাগ বাস্তবায়ন করুন।<br />
আইনশৃঙ্খলার বিষয়টি উল্লেখ করে বিরোধীদলীয় নেতা বলেন, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী কী করেন? তিনি তো সংসদের সব মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব নিয়েছেন, কিন্তু নিজের মন্ত্রণালয়েরই কোনো খবর নেই।</p>
<p>ফেনী: ফেনীর মহিপালে পথসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে ডা. শফিকুর রহমান বলেন, দেশে বিদ্যুৎ, গ্যাস ও পানি সংকটসহ জনগণের নানা সমস্যার সমাধানে সরকার ব্যর্থ হয়েছে।</p>
<p>তিনি বলেন, বিদ্যুৎ কোথাও নেই। কিন্তু বিদ্যুৎ সংসদে আছে শুধু। জিজ্ঞেস করলে বলেন কোনো সংকট নেই। সংসদে দাঁড়িয়ে যারা মিথ্যা কথা বলেন, তাদের দ্বারা দেশের মানুষের সমস্যার সমাধান হবে না।<br />
জামায়াত আমীর বলেন, আপনারা গ্যাস, বিদ্যুৎ ও পানি নিরবচ্ছিন্ন চান, সহনীয় দ্রব্যমূল্য চান। শহীদ ওসমান হাদির বিচার চান, শাপলা গণহত্যার বিচার চান, পিলখানার বিচার চান, জুলাই গণহত্যাসহ সবকিছুর বিচার চান। এই সরকার কি এসবের বিচার করবে?<br />
গণভোট প্রসঙ্গে জামায়াত আমীর বলেন, আপনারা দু’টো ভোট দিয়েছেন। একটি সংসদের জন্য, আরেকটি বাংলাদেশকে মেরামত ও সংস্কার করার জন্য। সরকারি দল ও বিরোধী দল সবাই একমত হয়েছিলাম-গণভোটে হ্যাঁ বিজয়ী হলে তা বাস্তবায়ন করা হবে। ছয় মাস চলে গেছে, সরকার এখনো তা বাস্তবায়ন করেনি। শুরু থেকেই এই সরকার জনগণের সঙ্গে বিশ্বাসঘাতকতা করেছে। জনগণের দাবি অগ্রাহ্য করেছে। অতীতে যারা জনগণের দাবি অগ্রাহ্য করেছে, তাদের করুণ পরিণতি ভোগ করতে হয়েছে।</p>
<p>শেখ হাসিনার সময়ের আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীদের প্রসঙ্গ টেনে তিনি বলেন, শেখ হাসিনার গডফাদাররা সব জায়গায় ছিল, এখন তারা কোথায় গেল? আমাদের কোনো মাসির বাড়ি নাই, পিসির বাড়ি নাই। এই বাংলাদেশই আমাদের গর্বের বাংলাদেশ। এটিই আমাদের ঠিকানা।<br />
তিনি আরও বলেন, আমাদের ওপর স্টিমরোলার চালানো হয়েছে। কিন্তু আমরা কোনো দাদার বাড়ি, পিসির বাড়ি বুঝি নাই। তবুও দেশ ছাড়িনি। মাটি কামড়ে এ দেশেই ছিলাম। আকাশে সামান্য মেঘ দেখলেই কারা পালিয়ে যায়-অতীত ও বর্তমানের সবাইকে আপনারা চেনেন, জানেন।<br />
ডা. শফিকুর রহমান বলেন, আকাশ থেকে কালো বজ্রপাত নামলেও আমরা আপনাদের সঙ্গে এই দেশেই থাকবো। আমরা রাস্তায় নেমেছি কোনো দলীয় দাবি নিয়ে নয়। রাস্তায় নেমেছি, কারণ নতুন করে ফ্যাসিবাদের প্রতিধ্বনি শুনতে পাচ্ছি।</p>
<p>তিনি বলেন, সাড়ে ১৫ বছরের ফ্যাসিবাদ তাড়াতে অনেক জীবন দিতে হয়েছে। এখন চোখ রাঙানো হয়। সাড়ে ১৫ বছর কোথায় ছিল এই চোখ রাঙানি? ভয় করি শুধু আল্লাহকে।<br />
সরকারের দলীয়করণের সমালোচনা করে জামায়াত আমীর বলেন, সব জায়গায় আপনারা দলীয়করণ করবেন, আর বিরোধী দল বসে বসে কি আঙুল চুষবে? বিরোধী দল সেসব জায়গায় প্রতিরোধ গড়ে তুলবে।</p>
<p>পথে পথে জনতার ঢল: ঢাকা থেকে চট্টগ্রাম অভিমুখে ১১ দলীয় ঐক্যের লংমার্চে পথে পথে পথসভায় জনতার ব্যাপক সাড়া দেখা গেছে। শনিবার সকাল ৭টা রাজধানীর শাপলা চত্বর থেকে কর্মসূচি শুরু হওয়ার পর যাত্রাবাড়ি, নারায়ণগঞ্জ, কুমিল্লা, ফেনী ও চট্টগ্রামের লালদিঘি মাঠের যাওয়ার পথে বিভিন্ন পয়েন্টে নেতাকর্মী ও সমর্থকদের ঢল নামে।</p>
<p>কর্মসূচিকে কেন্দ্র করে মহাসড়কের কোথাও একপাশে, আবার দুইপাশে হাজারো নেতাকর্মী ও সমর্থক দলীয় পতাকা, ব্যানার ও প্লাকার্ড হাতে নিয়ে জড়ো হয়ে লংমার্চের বহরকে স্বাগত জানান।<br />
পূর্বঘোষিত কর্মসূচি অনুযায়ী নারায়ণগঞ্জের কাঁচপুর ব্রিজ, কুমিল্লা পদুয়া বাজার, ফেনীর মহিপাল, চট্টগ্রামের মিরসরাই পথসভা অনুষ্ঠিত হয়। এরমধ্যে ফেনীর পথসভাটি জনস্রোতে পরিণত হয়। প্রতিটি পথসভায় স্থানীয় নেতাকর্মী ছাড়াও বিপুলসংখ্যক সাধারণ মানুষের ব্যাপক উপস্থিত ছিল। লংমার্চ ঘিরে মহাসড়কের মোড়ে মোড়ে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর ছিল বিশেষ নিরাপত্তা। বিভিন্ন স্থানে সাধারণ মানুষও লংমার্চের বহর দেখতে ভিড় করেন।<br />
লংমার্চের বহর যতই চট্টগ্রামের দিকে অগ্রসর হয়েছে, ততই বিভিন্ন জেলা ও উপজেলার নেতাকর্মীরা নতুন নতুন যানবাহন নিয়ে এতে যুক্ত হয়েছে বলে আয়োজকরা জানান। আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় ঢাকা-চট্টগ্রাম হাইওয়েতে বিপুলসংখ্যক পুলিশসহ আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা উপস্থিত থেকে লংমার্চের সার্বিক বিষয় সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন করেন।</p>
]]></content:encoded>
					
					<wfw:commentRss>https://chtnews24.com/2026/09/06/%e0%a6%a6%e0%a6%be%e0%a6%ac%e0%a6%bf-%e0%a6%86%e0%a6%a6%e0%a6%be%e0%a6%af%e0%a6%bc-%e0%a6%95%e0%a6%b0%e0%a7%87%e0%a6%87-%e0%a6%98%e0%a6%b0%e0%a7%87-%e0%a6%ab%e0%a6%bf%e0%a6%b0%e0%a6%ac%e0%a7%8b/feed/</wfw:commentRss>
			<slash:comments>0</slash:comments>
		
		
			</item>
		<item>
		<title>এ আন্দোলন ঈদের পরের আন্দোলন নয়,চট্টগ্রামের লালদিঘীর সমাবেশে জামায়াত আমীর</title>
		<link>https://chtnews24.com/2026/09/06/%e0%a6%8f-%e0%a6%86%e0%a6%a8%e0%a7%8d%e0%a6%a6%e0%a7%8b%e0%a6%b2%e0%a6%a8-%e0%a6%88%e0%a6%a6%e0%a7%87%e0%a6%b0-%e0%a6%aa%e0%a6%b0%e0%a7%87%e0%a6%b0-%e0%a6%86%e0%a6%a8%e0%a7%8d%e0%a6%a6%e0%a7%8b/</link>
					<comments>https://chtnews24.com/2026/09/06/%e0%a6%8f-%e0%a6%86%e0%a6%a8%e0%a7%8d%e0%a6%a6%e0%a7%8b%e0%a6%b2%e0%a6%a8-%e0%a6%88%e0%a6%a6%e0%a7%87%e0%a6%b0-%e0%a6%aa%e0%a6%b0%e0%a7%87%e0%a6%b0-%e0%a6%86%e0%a6%a8%e0%a7%8d%e0%a6%a6%e0%a7%8b/#respond</comments>
		
		<dc:creator><![CDATA[adminchtnews24]]></dc:creator>
		<pubDate>Sun, 06 Sep 2026 02:47:17 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[Second lead]]></category>
		<category><![CDATA[রাজনীতি]]></category>
		<category><![CDATA[শিরোনাম]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://chtnews24.com/?p=38072</guid>

					<description><![CDATA[ডেস্ক রির্পোট:- আমাদের এই আন্দোলন ঈদের পরের আন্দোলন নয়—নিজেদের চলমান লংমার্চ কর্মসূচি নিয়ে এমন হুঁশিয়ারি দিয়েছেন জামায়াতে ইসলামীর আমীর ও বিরোধীদলীয় নেতা শফিকুর রহমান। শনিবার চট্টগ্রামের লালদিঘী ময়দানে ১১ দল আয়োজিত লংমার্চ কর্মসূচি শেষে এক সমাবেশে তিনি একথা বলেন। শফিকুর রহমান বলেন, আমরা পরিষ্কার একটা কথা বলি। আমাদের এই আন্দোলন ঈদের পরের আন্দোলন নয়। এই [&#8230;]]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[<p>ডেস্ক রির্পোট:- আমাদের এই আন্দোলন ঈদের পরের আন্দোলন নয়—নিজেদের চলমান লংমার্চ কর্মসূচি নিয়ে এমন হুঁশিয়ারি দিয়েছেন জামায়াতে ইসলামীর আমীর ও বিরোধীদলীয় নেতা শফিকুর রহমান। শনিবার চট্টগ্রামের লালদিঘী ময়দানে ১১ দল আয়োজিত লংমার্চ কর্মসূচি শেষে এক সমাবেশে তিনি একথা বলেন।</p>
<p>শফিকুর রহমান বলেন, আমরা পরিষ্কার একটা কথা বলি। আমাদের এই আন্দোলন ঈদের পরের আন্দোলন নয়। এই আন্দোলন জনগণের প্রাণের দাবি বাস্তবায়নের আন্দোলন।’ তিনি আরও বলেন, তাঁরা কাউকে ক্ষমতা থেকে বিদায় দেয়ার জন্য এই আন্দোলন শুরু করেননি।<br />
জামায়াত আমীর আরও বলেন, ‘কেউ যদি বিদায় নেয়ার আমল করতে থাকে। আমরা কি তাদেরকে ইয়াসিন সূরা পড়ে পানি পড়া খাওয়াবো?’ তিনি দাবি করেন, সরকার সেই পথেই হাঁটছে। এতে তাঁদের কিছু করার নেই। আগের ফ্যাসিস্ট সরকার যে রাস্তা ধরে হেঁটেছে এই সরকার একই রাস্তা ধরে হেঁটেছে।</p>
<p>সমাবেশে এনসিপির আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম বলেন, আমরা এখনো সংসদে আছি, আগামী অধিবেশনে যোগ দেব কিনা এটা বলতে পারছি না। কারণ জনগণের সমস্যার সমাধান যদি না আসে সেই সংসদকে কার্যকর রেখে লাভ কি? আপনার জন্য আমরা ১৬ বছর অপেক্ষা করব না।<br />
স্বৈরাচারের রেখে যাওয়া সমস্যা নিয়ে ১১ দল রাজনীতি করছে&#8217; প্রধানমন্ত্রীর এমন বক্তব্যের সমালোচনা করে নাহিদ বলেন, স্বৈরাচার রেখে যাওয়া সমস্যার সমাধান যদি করতে না পারেন তাহলে সবার আগে জনগণের কাছে স্বীকার করুন, এটা আমার একার পক্ষে সমাধান করা সম্ভব নয়। দেশকে পরিচালনা করার মতো সঠিক পরিকল্পনা আপনার কাছে নেই।</p>
<p>পূর্বঘোষিত কর্মসূচি অনুযায়ী নারায়ণগঞ্জের কাঁচপুরব্রিজ, কুমিল্লার পদুয়া বাজার, ফেনীর মহিপাল, চট্টগ্রামের মিরসরাইয়ে পথসভা অনুষ্ঠিত হয়। এরমধ্যে ফেনীর পথসভাটিতে সর্বোচ্চ উপস্থিতি লক্ষ্য করা গেছে।<br />
লংমার্চ ঘিরে মহাসড়কের বিভিন্ন পয়েন্টে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর বিশেষ তৎপরতা দেখা যায় ।</p>
]]></content:encoded>
					
					<wfw:commentRss>https://chtnews24.com/2026/09/06/%e0%a6%8f-%e0%a6%86%e0%a6%a8%e0%a7%8d%e0%a6%a6%e0%a7%8b%e0%a6%b2%e0%a6%a8-%e0%a6%88%e0%a6%a6%e0%a7%87%e0%a6%b0-%e0%a6%aa%e0%a6%b0%e0%a7%87%e0%a6%b0-%e0%a6%86%e0%a6%a8%e0%a7%8d%e0%a6%a6%e0%a7%8b/feed/</wfw:commentRss>
			<slash:comments>0</slash:comments>
		
		
			</item>
		<item>
		<title>চট্টগ্রাম অভিমুখী ১১ দলীয় ঐক্যের লংমার্চ</title>
		<link>https://chtnews24.com/2026/09/05/%e0%a6%9a%e0%a6%9f%e0%a7%8d%e0%a6%9f%e0%a6%97%e0%a7%8d%e0%a6%b0%e0%a6%be%e0%a6%ae-%e0%a6%85%e0%a6%ad%e0%a6%bf%e0%a6%ae%e0%a7%81%e0%a6%96%e0%a7%80-%e0%a7%a7%e0%a7%a7-%e0%a6%a6%e0%a6%b2%e0%a7%80/</link>
					<comments>https://chtnews24.com/2026/09/05/%e0%a6%9a%e0%a6%9f%e0%a7%8d%e0%a6%9f%e0%a6%97%e0%a7%8d%e0%a6%b0%e0%a6%be%e0%a6%ae-%e0%a6%85%e0%a6%ad%e0%a6%bf%e0%a6%ae%e0%a7%81%e0%a6%96%e0%a7%80-%e0%a7%a7%e0%a7%a7-%e0%a6%a6%e0%a6%b2%e0%a7%80/#respond</comments>
		
		<dc:creator><![CDATA[adminchtnews24]]></dc:creator>
		<pubDate>Sat, 05 Sep 2026 04:55:47 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[Second lead]]></category>
		<category><![CDATA[চট্রগ্রাম]]></category>
		<category><![CDATA[রাজনীতি]]></category>
		<category><![CDATA[শিরোনাম]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://chtnews24.com/?p=38059</guid>

					<description><![CDATA[ডেস্ক রির্পোট:- গণভোটের গণরায় বাস্তবায়ন, জুলাই গণহত্যার বিচার, বিদ্যুৎ, তেল, গ্যাস ও সার সংকট নিরসন, নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্যের মূল্যের ঊর্ধ্বগতি রোধ চাঁদাবাজি ও দুর্নীতি বন্ধ, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির উন্নয়ন এবং সংকীর্ণ দলীয়করণ বন্ধের দাবিতে ১১ দলীয় ঐক্যের ঢাকা থেকে চট্টগ্রাম অভিমুখী লংমার্চের উদ্বোধনী সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে। এরপরেই দেড় হাজার গাড়ির বহর নিয়ে চট্টগ্রামের উদ্দেশে লংমার্চের যাত্রা শুরু [&#8230;]]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[<p>ডেস্ক রির্পোট:- গণভোটের গণরায় বাস্তবায়ন, জুলাই গণহত্যার বিচার, বিদ্যুৎ, তেল, গ্যাস ও সার সংকট নিরসন, নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্যের মূল্যের ঊর্ধ্বগতি রোধ চাঁদাবাজি ও দুর্নীতি বন্ধ, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির উন্নয়ন এবং সংকীর্ণ দলীয়করণ বন্ধের দাবিতে ১১ দলীয় ঐক্যের ঢাকা থেকে চট্টগ্রাম অভিমুখী লংমার্চের উদ্বোধনী সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে। এরপরেই দেড় হাজার গাড়ির বহর নিয়ে চট্টগ্রামের উদ্দেশে লংমার্চের যাত্রা শুরু করা হয়।</p>
<p>শনিবার (৫ সেপ্টেম্বর) সকাল ৭টায় রাজধানীর শাপলা চত্বরে পবিত্র কোরআন তেলাওয়ায়াতরে মাধ্যমে শুরু হওয়া সমাবেশে উদ্বোধনী বক্তব্য রাখেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল ও ১১ দলীয় ঐক্যের সমন্বয়ক ড. এএইচএম হামিদুর রহমান আযাদ।</p>
<p>১৮ কোটি মানুষের অধিকার আদায় না হওয়া পর্যন্ত আন্দোলন চলবে: জামায়াত আমির ১৮ কোটি মানুষের অধিকার আদায় না হওয়া পর্যন্ত আন্দোলন চলবে: জামায়াত আমির<br />
এছাড়াও বক্তব্য দেন ১১ দলীয় ঐক্যের শীর্ষ নেতারা। ১১ দলীয় ঐক্যের শীর্ষ নেতা, বিরোধীদলীয় নেতা ও বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমানের বক্তব্যের পরেই চট্টগ্রাম অভিমুখে লংমার্চের বহর রওনা হয়েছে।</p>
<p>লংমার্চ<br />
দেড় হাজার গাড়ির বহর নিয়ে চট্টগ্রামের উদ্দেশে লংমার্চের যাত্রা শুরু করা হয় (ছবি: নাসিরুল ইসলাম)</p>
<p>জামায়াত সূত্রে জানা গেছে, লংমার্চের রুটে পূর্বনির্ধারিত বিভিন্ন পয়েন্টে পথসভা হবে। প্রথমটি নারায়ণঞ্জের কাচপুর ব্রিজের কাছে ট্রাকস্টান্ডে, কুমিল্লার পদুয়া বাজার বিশ্বরোড, ফেনীর মহীপাল, মীরের সরাই এবং সবশেষ চট্টগ্রামের লালদিঘি ময়দানে জনসভা অনুষ্ঠিত হবে।</p>
<p>উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে জাতীয় সংসদের বিরোধীদলীয় নেতা ও বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির বলেছেন, আমাদের লংমার্চ ১৮ কোটি মানুষের পক্ষে। আমাদের দাবি স্পষ্ট। জনগণ গ্যাস সংকট, বিদ্যুৎ সংকট, পানি সংকটে ভুগছে। কিন্তু তারপরও জনগণকে বিল পরিশোধ করতে হচ্ছে। এ দেশের ১৮ কোটি মানুষের অধিকার আদায় না হওয়া পর্যন্ত আমাদের আন্দোলন চলবে।</p>
<p>বিরোধীদলীয় চিফ হুইপ ও এনসিপির আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম এমপি বলেন, এ লংমার্চ আপামর জনতার। সরকার যদি লংমার্চে বাধা দেয় তাহলে সব বাধা উপেক্ষা করে চট্টগ্রামে পৌঁছাবে এবং ১১ দলের ৬ দফা দাবি এক দফা রূপ নেবে।</p>
]]></content:encoded>
					
					<wfw:commentRss>https://chtnews24.com/2026/09/05/%e0%a6%9a%e0%a6%9f%e0%a7%8d%e0%a6%9f%e0%a6%97%e0%a7%8d%e0%a6%b0%e0%a6%be%e0%a6%ae-%e0%a6%85%e0%a6%ad%e0%a6%bf%e0%a6%ae%e0%a7%81%e0%a6%96%e0%a7%80-%e0%a7%a7%e0%a7%a7-%e0%a6%a6%e0%a6%b2%e0%a7%80/feed/</wfw:commentRss>
			<slash:comments>0</slash:comments>
		
		
			</item>
		<item>
		<title>আমাদের কর্মসূচি কোনো দল বা গোষ্ঠীর নয়, ন্যায়-ইনসাফের সমাজ প্রতিষ্ঠার জন্য লংমার্চ প্রসঙ্গে জামায়াত আমীর</title>
		<link>https://chtnews24.com/2026/09/03/%e0%a6%86%e0%a6%ae%e0%a6%be%e0%a6%a6%e0%a7%87%e0%a6%b0-%e0%a6%95%e0%a6%b0%e0%a7%8d%e0%a6%ae%e0%a6%b8%e0%a7%82%e0%a6%9a%e0%a6%bf-%e0%a6%95%e0%a7%8b%e0%a6%a8%e0%a7%8b-%e0%a6%a6%e0%a6%b2-%e0%a6%ac/</link>
					<comments>https://chtnews24.com/2026/09/03/%e0%a6%86%e0%a6%ae%e0%a6%be%e0%a6%a6%e0%a7%87%e0%a6%b0-%e0%a6%95%e0%a6%b0%e0%a7%8d%e0%a6%ae%e0%a6%b8%e0%a7%82%e0%a6%9a%e0%a6%bf-%e0%a6%95%e0%a7%8b%e0%a6%a8%e0%a7%8b-%e0%a6%a6%e0%a6%b2-%e0%a6%ac/#respond</comments>
		
		<dc:creator><![CDATA[adminchtnews24]]></dc:creator>
		<pubDate>Thu, 03 Sep 2026 14:41:05 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[রাজনীতি]]></category>
		<category><![CDATA[শিরোনাম]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://chtnews24.com/?p=38020</guid>

					<description><![CDATA[ডেস্ক রির্পোট:- লংমার্চ কর্মসূচি কোনো দল বা গোষ্ঠীর নয়, বরং ন্যায় ও ইনসাফের ভিত্তিতে যে সমাজটা আমরা চেয়েছিলাম—তার জন্য বলে মন্তব্য করেছেন জামায়াতে ইসলামীর আমীর ডা. শফিকুর রহমান বলেছেন। বৃহস্পতিবার ৪৬তম কিং আব্দুল আজিজ আন্তর্জাতিক কুরআন প্রতিযোগিতা-২০২৬ এ বিজয়ী বাংলাদেশি হাফেজদের সংবর্ধনা শেষে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এক প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন। ডা. শফিকুর [&#8230;]]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[<p>ডেস্ক রির্পোট:- লংমার্চ কর্মসূচি কোনো দল বা গোষ্ঠীর নয়, বরং ন্যায় ও ইনসাফের ভিত্তিতে যে সমাজটা আমরা চেয়েছিলাম—তার জন্য বলে মন্তব্য করেছেন জামায়াতে ইসলামীর আমীর ডা. শফিকুর রহমান বলেছেন। বৃহস্পতিবার ৪৬তম কিং আব্দুল আজিজ আন্তর্জাতিক কুরআন প্রতিযোগিতা-২০২৬ এ বিজয়ী বাংলাদেশি হাফেজদের সংবর্ধনা শেষে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এক প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন।</p>
<p>ডা. শফিকুর রহমান বলেন, ‘ক্রীড়া, সংস্কৃতিসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে যারা আন্তর্জাতিক অঙ্গনে সাফল্য অর্জন করে দেশে ফেরেন, রাষ্ট্রের পক্ষ থেকে তাদের সংবর্ধনা দেয়া হয়। অথচ কুরআনের হাফেজরা বারবার বিশ্বমঞ্চে বাংলাদেশের নাম উজ্জ্বল করলেও এখনো তাদের নিয়ে সরকারের পক্ষ থেকে তেমন কোনো উদ্যোগ নেয়া হয়নি। গতকাল সংসদে সংসদ সদস্য শফিকুল ইসলাম মাসুদ এ দাবি তুলেছেন। সংবর্ধনা দেয়া শুধু শেষ কথা নয়; তাদের আরও সম্মান করার যেসব সুযোগ রয়েছে, সেগুলোও দিতে হবে।</p>
<p>তিনি ঘোষণা দেন, এ পর্যন্ত আন্তর্জাতিক কুরআন প্রতিযোগিতায় বাংলাদেশ থেকে যারা বিজয়ী হয়েছেন, তাদের সবাইকে জামায়াতে ইসলামীর পক্ষ থেকে সংবর্ধনা দেয়া হবে। দুনিয়ার শ্রেষ্ঠতম জায়গা বায়তুল হারামে এই হাফেজদের কারণে বাংলাদেশের পতাকা দেখা গিয়েছে।</p>
<p>ধর্মীয় শিক্ষার গুরুত্ব তুলে ধরে জামায়াত আমীর বলেন, ‘বাংলাদেশে নৈতিক শিক্ষার উৎকর্ষ সাধনে ধর্মীয় শিক্ষার গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে। এ কারণে কেউ অভিযোগ করতে পারেননি যে, মাদ্রাসার ছাত্ররা মাদক সেবন করেছে। এ দেশের প্রতিটি নাগরিক কর প্রদান করেন। আমরা চাই, মাদ্রাসাগুলোও সরকারের কাছ থেকে তাদের ন্যায্য পাওনা পাক।’</p>
<p>সরকারের প্রতি আন্তর্জাতিক কুরআন প্রতিযোগিতায় বিজয়ী হাফেজদের সম্মান জানানোর আহ্বান জানিয়ে ডা. শফিকুর রহমান বলেন, ‘আমরা আশা করছি, সরকার তাদের সম্মান প্রদর্শন করবে। সরকার যদি বিষয়টি উপেক্ষা করে, তাহলে তারা একটি সুযোগ থেকে বঞ্চিত হবে।’</p>
<p>বিজয়ী হাফেজদের প্রশংসা করে তিনি বলেন, ‘আজ যারা বিজয়ী হয়েছেন, তারা কারও কাছ থেকে কোনো কিছু পাওয়ার জন্য এসব করেননি। তারা আল্লাহর সন্তুষ্টির জন্য কুরআন হিফজ ও প্রতিযোগিতায় অংশ নিয়েছেন।’</p>
]]></content:encoded>
					
					<wfw:commentRss>https://chtnews24.com/2026/09/03/%e0%a6%86%e0%a6%ae%e0%a6%be%e0%a6%a6%e0%a7%87%e0%a6%b0-%e0%a6%95%e0%a6%b0%e0%a7%8d%e0%a6%ae%e0%a6%b8%e0%a7%82%e0%a6%9a%e0%a6%bf-%e0%a6%95%e0%a7%8b%e0%a6%a8%e0%a7%8b-%e0%a6%a6%e0%a6%b2-%e0%a6%ac/feed/</wfw:commentRss>
			<slash:comments>0</slash:comments>
		
		
			</item>
		<item>
		<title>বিএনপির ২২ লাখ নেতা-কর্মীর নামে এখনো ২৭ হাজার মামলা</title>
		<link>https://chtnews24.com/2026/09/03/%e0%a6%ac%e0%a6%bf%e0%a6%8f%e0%a6%a8%e0%a6%aa%e0%a6%bf%e0%a6%b0-%e0%a7%a8%e0%a7%a8-%e0%a6%b2%e0%a6%be%e0%a6%96-%e0%a6%a8%e0%a7%87%e0%a6%a4%e0%a6%be-%e0%a6%95%e0%a6%b0%e0%a7%8d%e0%a6%ae%e0%a7%80/</link>
					<comments>https://chtnews24.com/2026/09/03/%e0%a6%ac%e0%a6%bf%e0%a6%8f%e0%a6%a8%e0%a6%aa%e0%a6%bf%e0%a6%b0-%e0%a7%a8%e0%a7%a8-%e0%a6%b2%e0%a6%be%e0%a6%96-%e0%a6%a8%e0%a7%87%e0%a6%a4%e0%a6%be-%e0%a6%95%e0%a6%b0%e0%a7%8d%e0%a6%ae%e0%a7%80/#respond</comments>
		
		<dc:creator><![CDATA[adminchtnews24]]></dc:creator>
		<pubDate>Thu, 03 Sep 2026 04:06:18 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[Second lead]]></category>
		<category><![CDATA[বাংলাদেশ]]></category>
		<category><![CDATA[বিশেষ প্রতিবেদন]]></category>
		<category><![CDATA[রাজনীতি]]></category>
		<category><![CDATA[শিরোনাম]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://chtnews24.com/?p=37992</guid>

					<description><![CDATA[ডেস্ক রির্পোট:- আওয়ামী লীগ আমলে দায়ের হওয়া বিএনপির ২২ লাখ নেতা-কর্মীর ঘাড়ে এখনো ঝুলছে ২৭ হাজার মামলা। এসব মামলা নিষ্পত্তিতে সহায়তার জন্য পল্টনে দলের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে এসে নেতা-কর্মীরা প্রায়ই তদবির করছেন। তারা বলছেন, ফ্যাসিস্ট আমলে দায়ের হওয়া মিথ্যা মামলা এখনো নিষ্পত্তি না হওয়া দুঃখজনক। এ সমস্যার দ্রুত সমাধান চান তারা। তবে বিএনপির সংশ্লিষ্টরা বলছেন, মামলাসংক্রান্ত [&#8230;]]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[<p>ডেস্ক রির্পোট:- আওয়ামী লীগ আমলে দায়ের হওয়া বিএনপির ২২ লাখ নেতা-কর্মীর ঘাড়ে এখনো ঝুলছে ২৭ হাজার মামলা। এসব মামলা নিষ্পত্তিতে সহায়তার জন্য পল্টনে দলের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে এসে নেতা-কর্মীরা প্রায়ই তদবির করছেন। তারা বলছেন, ফ্যাসিস্ট আমলে দায়ের হওয়া মিথ্যা মামলা এখনো নিষ্পত্তি না হওয়া দুঃখজনক। এ সমস্যার দ্রুত সমাধান চান তারা।</p>
<p>তবে বিএনপির সংশ্লিষ্টরা বলছেন, মামলাসংক্রান্ত আবেদনগুলো সংশ্লিষ্ট কার্যালয়ে পাঠানো হলেও দায়িত্বশীলরা তা আমলে নিচ্ছেন না।</p>
<p>জানতে চাইলে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী বলেন, বিভিন্নভাবে মিথ্যা মামলা দিয়ে ফ্যাসিস্ট আওয়ামী লীগ সরকার তৎকালীন বিরোধী দল বিএনপিকে দমনের কৌশল অবলম্বন করেছিল। সেই সরকার পাগলের মতো বিএনপির নেতা-কর্মীদের বিরুদ্ধে মামলা দিয়েছিল। এমনকি পবিত্র হজ পালনের জন্য সৌদি আরব থাকাকালীনও কয়েকজনের নামে মামলা দেওয়া হয়েছে। এমনকি মৃত ব্যক্তির নামেও মামলা দিয়েছিল। তিনি বলেন, এসব মিথ্যা মামলা নিষ্পত্তির জন্য উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। ইতোমধ্যে অনেক মামলা নিষ্পত্তি হয়েছে। আশা করা যাচ্ছে, দ্রুতই বাকিসব মামলা নিষ্পত্তি হবে।</p>
<p>বিএনপির মামলা ও তথ্য সংরক্ষণ সমন্বয়ক কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য মো. সালাউদ্দিন খান জানান, ২০০৭ থেকে ২০২৫ সালের ১১ জানুয়ারি দলীয় নেতা-কর্মীদের বিরুদ্ধে মোট ১ লাখ ৪২ হাজার ৯৮৩টি মামলা হয়েছে। এসব মামলায় প্রায় ৬৫ লাখ নেতা-কর্মীকে আসামি করা হয়। আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর মামলা প্রত্যাহার ও নিষ্পত্তির প্রক্রিয়া শুরু হলেও এখনো ২৭ হাজার মামলা বিভিন্ন পর্যায়ে রয়েছে।</p>
<p>এসব মামলায় দলের ২২ লাখ নেতা-কর্মী আসামি। তিনি জানান, মামলাগুলো নিষ্পত্তির জন্য সংশ্লিষ্ট দপ্তরে আবেদন করা হলেও সংশ্লিষ্টরা তা আমলে নিচ্ছেন না। সারা দেশ থেকে নেতা-কর্মীরা কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে এসে এসব মিথ্যা মামলা শেষ করার জন্য আমাদের চাপ দিচ্ছেন।</p>
<p>সংশ্লিষ্টরা জানান, আওয়ামী লীগ সরকারের দীর্ঘ শাসনামলে বিএনপি ও অঙ্গ-সহযোগী সংগঠনের নেতা-কর্মীদের বিরুদ্ধে মামলা ছিল সে সময় রাজনৈতিকভাবে সবচেয়ে আলোচিত বিষয়গুলোর একটি। বিএনপির কেন্দ্রীয় নেতাদের নামেও মামলার সংখ্যা ছিল উল্লেখযোগ্য। যেমন, হাবিব উন নবী খান সোহেলের নামে ৪৫০টি, এস এম জাহাঙ্গীরের নামে ৩৫০টি, সুলতান সালাহউদ্দিন টুকুর নামে ৩১৫টি, সৈয়দ মোয়াজ্জেম হোসেন আলালের নামে ২৫০টি, মীর সরফত আলী সপুর নামে ২৫০টি, রফিকুল আলম মজনুর নামে ২২৬টি, আনিসুর রহমান তালুকদারের নামে ২১১টি, মামুন হাসানের নামে ২০০টি, রুহুল কবির রিজভীর নামে ১৮০টি, এস এম জিলানীর নামে ১৭০টি, শিমুল বিশ্বাসের নামে ১৭৪টি, রাজিব আহসানের নামে ১৪৬টি, আকরামুল হাসানের নামে ১৪৬টি, আবদুল কাদির ভূঁইয়ার নামে ১৫০টি, সালাহউদ্দিন আহমদের নামে ১৫০টি, তানভীর আহমেদ রবিনের নামে ১২৭টি, শহীদুল ইসলাম বাবুলের নামে ১১০টি, হাবিবুর রশীদের নামে ১০৩টি, মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের নামে ৯৮টি, বজলুল করিম চৌধুরীর নামে ৯৫টি, আবদুস সালামের নামে ৮০টি, রুহুল কুদ্দুস তালুকদার দুলুর নামে ৫০টি এবং গয়েশ্বর চন্দ্র রায়ের নামে ৩৩টি মামলা ছিল। বিএনপির শীর্ষ নেতৃত্বও দীর্ঘদিন মামলার বাইরে ছিলেন না। দলীয় সূত্রে প্রকাশিত তথ্যে খালেদা জিয়া ও তারেক রহমানের বিরুদ্ধে একাধিক মামলার কথা বলা হয়েছে।</p>
<p>জানা গেছে, আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে (২০০৯ সালের ৬ জানুয়ারি থেকে ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট পর্যন্ত) দায়ের করা রাজনৈতিক হয়রানিমূলক মামলা প্রত্যাহারের জন্য অন্তর্বর্তী সরকার দুটি কমিটি গঠন করেছিল। সেই সরকারের তখনকার আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক উপদেষ্টা ড. আসিফ নজরুল-এর নেতৃত্বে কেন্দ্রীয় কমিটি গঠিত হয়। জেলাপর্যায়ে মামলা পর্যবেক্ষণের জন্য জেলা প্রশাসকদের (ডিসি) নেতৃত্বে জেলা কমিটি গঠন করা হয়। গঠিত কমিটিগুলো বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতা-কর্মীদের বিরুদ্ধে হয়রানিমূলক মামলার তালিকা ও আবেদন আহ্বান করে। ভুক্তভোগীদের আবেদনগুলো পরীক্ষানিরীক্ষা করার জন্য আন্তমন্ত্রণালয় কমিটি একাধিক সভা পরিচালনা করে। পরবর্তীতে মামলাগুলো নিষ্পত্তি করার জন্য চলতি বছরের ৫ মে জেলা প্রশাসককে সভাপতি করে কমিটি গঠন করা হয়। কিন্তু এ কমিটি এখন পর্যন্ত কোনো সভা করতে পারেনি।</p>
<p>বিএনপির দপ্তর থেকে বলা হচ্ছে- মামলার আসামিরা পল্টন কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে এসে তাদের মামলা সুরাহা করার কথা বলেন। দপ্তর থেকে সংশ্লিষ্টদের কাছে তালিকা পাঠানো হলেও তারা ব্যবস্থা নিতে ধীরগতি দেখা যায়। জেলা প্রশাসকের নেতৃত্বাধীন কমিটির কাছে বিএনপির দপ্তর থেকে তালিকা পাঠানো হলেও সংশ্লিষ্টরা তা আমলে নিচ্ছে না বলে অভিযোগ আছে।</p>
<p>আওয়ামী লীগ সরকারের সময়ে মামলার কারণে বহু নেতা-কর্মী দীর্ঘ সময় আদালতে হাজিরা দিয়েছেন, অনেকে কারাগারে ছিলেন এবং অনেকে রাজনৈতিক কর্মকাণ্ড থেকে দূরে ছিলেন। এখন এসব মামলায় আদালতে যেতে না হলেও ২৭ হাজার মামলায় ২২ লাখ আসামি কাগজে কলমে রয়ে গেছেন। রাজনৈতিক হয়রানিমূলক মামলার বড় অংশ প্রত্যাহার হলেও সব মামলা এখনো প্রত্যাহার হয়নি।</p>
<p>২০২৬ সালের জুনে সংসদে আইনমন্ত্রী জানান, ২৩ হাজার ৮৬৫টি মামলা প্রত্যাহার হয়েছে এবং বাকি মামলাগুলো প্রত্যাহারের প্রক্রিয়ায় রয়েছে। ফলে সরকার পরিবর্তনের পরও পুরোনো মামলার কারণে আদালত, জামিন ও আইনি প্রক্রিয়ার মধ্যে থাকতে হচ্ছে বিএনপির অনেক নেতা-কর্মীকে।বাংলাদেশ প্রতিদিন</p>
]]></content:encoded>
					
					<wfw:commentRss>https://chtnews24.com/2026/09/03/%e0%a6%ac%e0%a6%bf%e0%a6%8f%e0%a6%a8%e0%a6%aa%e0%a6%bf%e0%a6%b0-%e0%a7%a8%e0%a7%a8-%e0%a6%b2%e0%a6%be%e0%a6%96-%e0%a6%a8%e0%a7%87%e0%a6%a4%e0%a6%be-%e0%a6%95%e0%a6%b0%e0%a7%8d%e0%a6%ae%e0%a7%80/feed/</wfw:commentRss>
			<slash:comments>0</slash:comments>
		
		
			</item>
		<item>
		<title>জ্বালানি সংকট মোকাবিলায় সমন্বিত কর্মপরিকল্পনা বাস্তবায়ন করছে সরকার : প্রধানমন্ত্রী</title>
		<link>https://chtnews24.com/2026/09/03/%e0%a6%9c%e0%a7%8d%e0%a6%ac%e0%a6%be%e0%a6%b2%e0%a6%be%e0%a6%a8%e0%a6%bf-%e0%a6%b8%e0%a6%82%e0%a6%95%e0%a6%9f-%e0%a6%ae%e0%a7%8b%e0%a6%95%e0%a6%be%e0%a6%ac%e0%a6%bf%e0%a6%b2%e0%a6%be%e0%a6%af%e0%a6%bc/</link>
					<comments>https://chtnews24.com/2026/09/03/%e0%a6%9c%e0%a7%8d%e0%a6%ac%e0%a6%be%e0%a6%b2%e0%a6%be%e0%a6%a8%e0%a6%bf-%e0%a6%b8%e0%a6%82%e0%a6%95%e0%a6%9f-%e0%a6%ae%e0%a7%8b%e0%a6%95%e0%a6%be%e0%a6%ac%e0%a6%bf%e0%a6%b2%e0%a6%be%e0%a6%af%e0%a6%bc/#respond</comments>
		
		<dc:creator><![CDATA[adminchtnews24]]></dc:creator>
		<pubDate>Thu, 03 Sep 2026 03:48:10 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[Second lead]]></category>
		<category><![CDATA[রাজনীতি]]></category>
		<category><![CDATA[শিরোনাম]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://chtnews24.com/?p=37971</guid>

					<description><![CDATA[ডেস্ক রির্পোট:- প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেছেন, ‘দীর্ঘদিনের অপর্যাপ্ত গ্যাস অনুসন্ধান ও আমদানি নির্ভরতার কারণে সৃষ্ট বর্তমান জ্বালানি সংকট থেকে দেশকে বের করে আনতে সমন্বিত কর্মপরিকল্পনা বাস্তবায়ন করছে সরকার। তিনি বলেছেন, ‘ফ্যাসিস্ট সরকারের সময় তৈরি করা পরিকল্পনার মাধ্যমে জ্বালানি খাতকে রীতিমতো পঙ্গু করে রাখা হয়েছিল। এর ফলে দীর্ঘদিনের যে অপর্যাপ্ত গ্যাস অনুসন্ধান বা আমদানি নির্ভরতার কারণে [&#8230;]]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[<p>ডেস্ক রির্পোট:- প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেছেন, ‘দীর্ঘদিনের অপর্যাপ্ত গ্যাস অনুসন্ধান ও আমদানি নির্ভরতার কারণে সৃষ্ট বর্তমান জ্বালানি সংকট থেকে দেশকে বের করে আনতে সমন্বিত কর্মপরিকল্পনা বাস্তবায়ন করছে সরকার।</p>
<p>তিনি বলেছেন, ‘ফ্যাসিস্ট সরকারের সময় তৈরি করা পরিকল্পনার মাধ্যমে জ্বালানি খাতকে রীতিমতো পঙ্গু করে রাখা হয়েছিল। এর ফলে দীর্ঘদিনের যে অপর্যাপ্ত গ্যাস অনুসন্ধান বা আমদানি নির্ভরতার কারণে এই যে সৃষ্ট বর্তমান জ্বালানি সংকট, এর থেকে বের করে আনার জন্য বর্তমান সরকার কতগুলো পরিকল্পনা গ্রহণ করেছে।</p>
<p>বুধবার ( ২ সেপ্টেম্বর) জাতীয় সংসদ অধিবেশনের শুরুতে প্রধানমন্ত্রীর প্রশ্নোত্তর পর্বে সেলিনা সুলতানা (৩৩৫ মহিলা আসন-৩৫) এর এক প্রশ্নের জবাবে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান এসব কথা বলেন।</p>
<p>বর্তমান জ্বালানি সংকট থেকে দেশকে বের করে আনতে সরকারের সমন্বিত কর্মপরিকল্পনা তুলে ধরে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘দেশীয় গ্যাস উৎপাদন বৃদ্ধির অংশ হিসেবে ১৫০টি কূপ খনন/ওয়ার্কওভার কর্মসূচির আওতায় ৩০টি কূপ খনন ইতোমধ্যে সম্পন্ন হয়েছে এবং এর মাধ্যমে ১৪০ এমএমসিএফডি গ্যাস জাতীয় গ্রিডে সংযুক্ত হয়েছে। বর্তমানে চলমান ৭টি কূপ খনন শেষ হলে আরো ৮৫ এমএমসিএফডি গ্যাস যুক্ত হবে। অবশিষ্ট কূপসমূহ খননের জন্য পর্যায়ক্রমে প্রকল্প গ্রহণ করা হচ্ছে।’</p>
<p>তিনি বলেন, ‘দেশীয় গ্যাসের উৎস অনুসন্ধানের লক্ষ্যে ৪ হাজার ৫০০ লাইন কিলোমিটার ২ডি সিসমিক সার্ভে এবং ৪,২০০ বর্গ কিলোমিটার ৩ডি সিসমিক সার্ভে পরিচালনার কর্মপরিকল্পনা গ্রহণ করা হয়েছে।’</p>
<p>‘বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম এক্সপ্লোরেশন এন্ড প্রোডাকশন কোম্পানী লি. (বাপেক্স)-কে শক্তিশালীকরণের লক্ষ্যে আরো ২টি নতুন রিগ ক্রয়ের প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।’ প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘অফশোর মডেল পিএসসি ২০২৬ অনুমোদনের পর বিড রাউন্ড আহ্বান করা হয়েছে। এছাড়া, অনশোর মডেল পিএসসি অনুমোদন প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।’</p>
<p>অফশোর এবং অনশোর গ্যাস অনুসন্ধানের মাধ্যমে গ্যাস পাওয়া গেলে তা দেশের জ্বালানি নিরাপত্তা নিশ্চিত করার ক্ষেত্রে উল্লেখযোগ্য ভূমিকা রাখবে উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘এলএনজি অবকাঠামো সম্প্রসারণ : কক্সবাজার জেলার মহেশখালীর গভীর সমুদ্রে কুতুবজোমে ভাসমান এলএনজি টার্মিনাল স্থাপনের লক্ষ্যে আগ্রহী প্রতিষ্ঠানের সাথে নেগোসিয়েশন চলমান রয়েছে। ডিসেম্বর ২০২৮ সালে উক্ত টার্মিনাল হতে রিগ্যাসিফাইড এলএনজি (গ্যাস) সরবরাহ করা সম্ভব হবে মর্মে আশা করছি।’</p>
<p>তিনি বলেন, ‘আগামী ২ বছরের মধ্যে এলএনজি আমদানি আরো ৬০০ এমএমসিএফডি বৃদ্ধি পাবে। এছাড়া পায়রা বা মোংলা বন্দর এলাকা অথবা দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের সমুদ্র উপকূলে জরুরি ভিত্তিতে নতুন ২-১টি ভাসমান এলএনজি টার্মিনাল স্থাপনের জন্য সম্ভাব্যতা যাচাইয়ের উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছে। প্রস্তাবিত ভাসমান এলএনজি টার্মিনাল স্থাপন হলে সামগ্রিকভাবে দেশে জ্বালানি নিরাপত্তা বৃদ্ধি পাবে।’</p>
]]></content:encoded>
					
					<wfw:commentRss>https://chtnews24.com/2026/09/03/%e0%a6%9c%e0%a7%8d%e0%a6%ac%e0%a6%be%e0%a6%b2%e0%a6%be%e0%a6%a8%e0%a6%bf-%e0%a6%b8%e0%a6%82%e0%a6%95%e0%a6%9f-%e0%a6%ae%e0%a7%8b%e0%a6%95%e0%a6%be%e0%a6%ac%e0%a6%bf%e0%a6%b2%e0%a6%be%e0%a6%af%e0%a6%bc/feed/</wfw:commentRss>
			<slash:comments>0</slash:comments>
		
		
			</item>
		<item>
		<title>হিন্দুস্তান টাইমসকে যা জানালেন হাসিনা</title>
		<link>https://chtnews24.com/2026/09/02/%e0%a6%b9%e0%a6%bf%e0%a6%a8%e0%a7%8d%e0%a6%a6%e0%a7%81%e0%a6%b8%e0%a7%8d%e0%a6%a4%e0%a6%be%e0%a6%a8-%e0%a6%9f%e0%a6%be%e0%a6%87%e0%a6%ae%e0%a6%b8%e0%a6%95%e0%a7%87-%e0%a6%af%e0%a6%be-%e0%a6%9c/</link>
					<comments>https://chtnews24.com/2026/09/02/%e0%a6%b9%e0%a6%bf%e0%a6%a8%e0%a7%8d%e0%a6%a6%e0%a7%81%e0%a6%b8%e0%a7%8d%e0%a6%a4%e0%a6%be%e0%a6%a8-%e0%a6%9f%e0%a6%be%e0%a6%87%e0%a6%ae%e0%a6%b8%e0%a6%95%e0%a7%87-%e0%a6%af%e0%a6%be-%e0%a6%9c/#respond</comments>
		
		<dc:creator><![CDATA[adminchtnews24]]></dc:creator>
		<pubDate>Wed, 02 Sep 2026 11:37:39 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[Second lead]]></category>
		<category><![CDATA[জাতীয়]]></category>
		<category><![CDATA[রাজনীতি]]></category>
		<category><![CDATA[শিরোনাম]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://chtnews24.com/?p=37954</guid>

					<description><![CDATA[ডেস্ক রির্পোট:- দেশে ফেরা নিয়ে ভারত বা বাংলাদেশ সরকারের সঙ্গে গোপন সমঝোতার বিষয় অস্বীকার করেছেন সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। তিনি বলেছেন, একটি স্থিতিশীল, গণতান্ত্রিক, ধর্মনিরপেক্ষ ও উন্নত দেশ শুধু বাংলাদেশের জন্যই গুরুত্বপূর্ণ এমন নয়। একই সঙ্গে তা ভারতের নিরাপত্তার জন্যও গুরুত্বপূর্ণ। তিনি বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সম্ভাব্য নয়াদিল্লি সফর ইস্যুর সঙ্গে হাসিনার প্রত্যর্পণের দাবিকে যুক্ত [&#8230;]]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[<p>ডেস্ক রির্পোট:- দেশে ফেরা নিয়ে ভারত বা বাংলাদেশ সরকারের সঙ্গে গোপন সমঝোতার বিষয় অস্বীকার করেছেন সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। তিনি বলেছেন, একটি স্থিতিশীল, গণতান্ত্রিক, ধর্মনিরপেক্ষ ও উন্নত দেশ শুধু বাংলাদেশের জন্যই গুরুত্বপূর্ণ এমন নয়। একই সঙ্গে তা ভারতের নিরাপত্তার জন্যও গুরুত্বপূর্ণ। তিনি বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সম্ভাব্য নয়াদিল্লি সফর ইস্যুর সঙ্গে হাসিনার প্রত্যর্পণের দাবিকে যুক্ত করা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন। হিন্দুস্তান টাইমসকে দেয়া টেলিফোন সাক্ষাৎকারে শেখ হাসিনা বলেন, ডিসেম্বরে দেশে ফেরার সিদ্ধান্ত একান্তই তার। অজ্ঞাত স্থান থেকে দেয়া ওই সাক্ষাৎকারটি এখানে প্রশ্নোত্তর আকারে তুলে ধরা হলো-</p>
<p>প্রশ্ন: আপনি কি (দেশে) ফেরার টাইমফ্রেম চূড়ান্ত করেছেন? আওয়ামী লীগের যেসব নেতা স্বেচ্ছা নির্বাসনে আছেন, আপনি কি তাদেরকে সঙ্গে নিয়ে ফেরার পরিকল্পনা করছেন? আপনার সংবাদ সম্মেলনে কেন বলেছেন দেশে ফিরলে আপনাকে হত্যা বা গ্রেপ্তার করা হতে পারে?</p>
<p>উত্তর: আমি বলেছি ডিসেম্বরের মধ্যে দেশে ফিরবো। কারণ, বাংলাদেশের রাজনৈতিক সংকটকে অনির্দিষ্টকাল পর্যন্ত চলতে দেয়া যায় না। যথাযথ সময়ে আমি এ বিষয়ে সুনির্দিষ্ট তারিখ, সময় এবং কোন পয়েন্ট দিয়ে প্রবেশ করবো তা জানিয়ে দেবো। আমি দেশে ফিরতে চাই। কারণ, বাংলাদেশকে উন্নয়ন, গণতন্ত্র ও স্থিতিশীলতার পথ থেকে দূরে সরিয়ে দেয়া হয়েছে। আমার সরকারের সময়ে বাংলাদেশের অর্থনীতি প্রায় ৭০ বিলিয়ন ডলার থেকে বৃদ্ধি পেয়ে দাঁড়িয়েছিল প্রায় ৪৫০ বিলিয়ন ডলারে। মাথাপিছু আয় ৪৮২ ডলার থেকে বৃদ্ধি পেয়ে হয়েছিল ২৭৮৪ ডলার। এই অগ্রগতিকে এখন ধ্বংস করে দেয়া হচ্ছে। আওয়ামী লীগের সময়ে জিডিপির প্রবৃদ্ধি ছিল শতকরা ৬.৮০ ভাগ। তা থেকে কমে এখন জিডিপি দাঁড়িয়েছে ২.২২ ভাগ। ৫৪ বছরের মধ্যে প্রথমবার শিল্পখাত ঋণাত্মক প্রবৃদ্ধিতে রেকর্ড করেছে। দারিদ্র্য দ্রুত বৃদ্ধি পেয়েছে। বিনিয়োগ কমেছে। নতুন করে কমপক্ষে দুই কোটি মানুষ বেকার হয়েছে। বিদ্যুৎ ও গ্যাস সংকট আবার ফিরেছে। এটা শুধু আওয়ামী লীগের ইস্যু নয়। এটি একটি জাতীয় সংকট। যখন উন্নয়ন থেমে যায়, তখন কর্মসংস্থান হারায়। যখন আইন ভেঙে পড়ে, তখন জনগণ নিরাপত্তা হারায়। যখন উগ্রপন্থি নেটওয়ার্ক আবার সুযোগ পায়, তখন বাংলাদেশ আঞ্চলিক উদ্বেগের কারণ হয়ে ওঠে।</p>
<p>আওয়ামী লীগের বহু নেতা দেশের বাইরে। অন্য অনেকে বাংলাদেশের ভিতরেই আছেন। কিন্তু তারা আত্মগোপন করে থাকতে বাধ্য হচ্ছেন। কে কখন ফিরবেন তা দলীয় পরামর্শের মাধ্যমে এবং নিরাপত্তা পরিস্থিতি মূল্যায়নের পর সিদ্ধান্ত নেয়া হবে। আমি চাই না কোনো নেতা, কোনো কর্মী বা সমর্থক অপ্রয়োজনে বিপদের মুখে পড়ুক। আমার বিরুদ্ধে কমপক্ষে ৬০০টি বানোয়াট মামলা হয়েছে। আমার জীবন নিয়ে হুমকি নতুন নয়। ১৯৭৫ সালে আমার পরিবারকে হারিয়েছি। তারপর বাংলাদেশে ফিরে আমি সামরিক শাসন, স্বৈরাচার, ষড়যন্ত্র এবং বার বার হত্যাচেষ্টার মুখোমুখি হয়েছি। আমাকে হত্যা করার উদ্দেশ্যে ঢাকায় আমার পাবলিক র‌্যালিতে ২০০৪ সালের ২১শে আগস্ট গ্রেনেড ছোড়া হয়েছিল। সেখানে কমপক্ষে ২৪ জন নিহত ও কমপক্ষে ৩০০ মানুষ আহত হন। আমি বেঁচে যাই। কিন্তু আমার সহকর্মীদের অনেকে বাঁচতে পারেননি। তারপরও ওই হামলা আমাকে থামাতে পারেনি। এখন হুমকি আমাকে আমার দায়িত্ব পালন থেকে বিরত রাখতে পারবে না। আমার নিজের ভবিষ্যত নিয়ে উদ্বিগ্ন নই। ক্ষমতার জন্য আমি ফিরবো না। জনগণের পাশে দাঁড়ানোর জন্য ফিরবো।</p>
<p>প্রশ্ন: আপনি কি দেশে ফেরা এবং আওয়ামী লীগের পুনরুত্থানের প্রস্তুতি শুরু করেছেন?</p>
<p>উত্তর: বাংলাদেশের রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যে আওয়ামী লীগ একমাত্র দল, যা সৃষ্টি হয়েছে ১৯৪৭ সালে। সৃষ্টির সময় থেকেই এ দল দেশের জন্য কাজ করেছে। আমার পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান এই দলকে নিয়ে দেশ স্বাধীন করেছেন। বাংলাদেশের মানুষ এবং উন্নয়নের জন্য সবচেয়ে বেশি কাজ করেছে আওয়ামী লীগ। মানুষকে গরিব থেকে ব্যবসায়ী ও বেতনভোগী শ্রেণিতে পরিণত করেছে আওয়ামী লীগ। বেতনভুক্ত শ্রেণি, প্রশাসন, আইন প্রয়োগকারী সংস্থাগুলো ও প্রতিষ্ঠানের উন্নয়ন করেছে। আমরা স্বল্প উন্নত একটি দেশ থেকে বাংলাদেশকে উন্নয়নশীল দেশ হিসেবে উন্নীত করেছিলাম প্রায়। কিন্তু এখন তারা (সরকার) সবকিছু শেষ করে দিয়েছে। আওয়ামী লীগ এমন একটি রাজনৈতিক সংগঠন, যার উত্থান হয়েছে সাধারণ জনগণ থেকে। অসাংবিধানিক বা অবৈধভাবে ক্ষমতালোভী ব্যক্তিরা এর উত্থান ঘটাননি। সামরিক স্বৈরাচার বাংলাদেশে ক্ষমতা গ্রাস করেছিল। তারা সামরিক শাসন জারি করেছে। গঠন করেছে রাজনৈতিক দল। মুহাম্মদ ইউনূসও অসাংবিধানিক সরকার গঠন করেছিলেন এবং একটি দল সৃষ্টি করেছেন।<br />
আওয়ামী লীগকে কেন নিষিদ্ধ করা হলো? আওয়ামী লীগ যদি অনেক খারাপ কাজ করে থাকে, তাহলে জনগণকে সিদ্ধান্ত নিতে দিন। আমরা ভালো হই বা খারাপ হই, নির্বাচনে আমরা জনগণের কাছে যাব এবং তারাই সিদ্ধান্ত নেবে। আমরা যদি খারাপ কাজ করে থাকি, জনগণ আমাদের প্রত্যাখ্যান করবে। যারা ক্ষমতা দখল করেছে, তাদের কী অধিকার আছে আমাদের দলকে নিষিদ্ধ করার? তৃণমূল থেকে শুরু করে শীর্ষ পর্যায় পর্যন্ত আওয়ামী লীগের অসংখ্য নেতা-কর্মীকে মামলায় জড়িয়ে ফেলা হয়েছে। তাদের বিরুদ্ধে ছয় লাখ মামলা দায়ের করা হয়েছে। এ নিয়ে কি কারও কথা বলা উচিত নয়? ২০২৪ সালের ১৫ জুলাই থেকে যারা অগ্নিসংযোগ, হামলা ও হত্যাকাণ্ডে জড়িত ছিল, যারা পুলিশ সদস্য এবং দীপু দাসের মতো মানুষকে হত্যা করেছে- তাদের দায়মুক্তি দেয়া হয়েছে এবং তাদের বিরুদ্ধে মামলা করা হবে না। বাংলাদেশে সন্ত্রাসী ও উগ্রবাদীদের অবাধে কাজ করার সুযোগ দেয়া হচ্ছে। একটি প্রতিষ্ঠান হিসেবে আওয়ামী লীগ আছে এবং থাকবে। তারা আওয়ামী লীগের বিরুদ্ধে নিষেধাজ্ঞা দিতে পারে বা অন্য যেকোনো পদক্ষেপ নিতে পারে, কিন্তু আওয়ামী লীগের জনসমর্থন ও প্রতিষ্ঠান হিসেবে দলটি টিকে থাকবে। আমি নিয়মিত আমাদের নেতা-কর্মীদের সঙ্গে কথা বলি এবং তাদের সঙ্গে যোগাযোগ রাখি। যদিও এক কোটি নেতা-কর্মী গৃহহীন হয়ে পড়েছেন এবং দুই কোটি মানুষ নিজেদের পরিবারের সঙ্গেও আর যোগাযোগ করতে পারছেন না। আওয়ামী লীগের সদস্যদের ওপর এত নির্যাতন চালানোর পরও যদি জনগণের মধ্যে কোনো দল জনপ্রিয় থাকে, তাহলে সেটি আওয়ামী লীগ। মানুষ এখনো এই দলের ওপর বিশ্বাস ও আস্থা রাখে।রাজনৈতিক সংবাদ বিশ্লেষণ</p>
<p>প্রশ্ন: ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা নিয়ে কি আপনি ভারত সরকার বা ঢাকার সরকারের সঙ্গে গোপন আলোচনা বা সমঝোতা করেছেন?</p>
<p>উত্তর: আমার দেশে ফেরার সিদ্ধান্ত একান্তই আমার নিজের এবং এটি আমার দলের অভ্যন্তরীণ রাজনৈতিক আলোচনার বিষয়। ঢাকার সরকারের সঙ্গে আমার কোনো রাজনৈতিক সমঝোতা নেই। যারা আওয়ামী লীগকে নিষিদ্ধ করেছে এবং আমাদের নেতাদের বিরুদ্ধে হাজার হাজার মামলা করেছে, তারা কোনো গোপন সমঝোতার অংশীদার হতে পারে না।</p>
<p>প্রশ্ন: কিছু প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বিরোধী জামায়াতে ইসলামী ও ন্যাশনাল সিটিজেন পার্টির চাপের কারণে বিএনপি সরকার আপনার প্রত্যর্পণের জন্য চাপ দিচ্ছে। এ বিষয়ে আপনার প্রতিক্রিয়া কী?</p>
<p>উত্তর: এই প্রশ্নটি আমাকে না করে বিএনপি বা প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে করা উচিত। আমি এ বিষয়ে মন্তব্য করতে চাই না। আমি শুধু বলতে পারি, জামায়াত ও বিএনপি সবসময় একসঙ্গে ছিল, অতীতেও তারা একসঙ্গে নির্বাচন করেছে। প্রকৃত অর্থে তাদের মধ্যে কোনো পার্থক্য নেই। দ্বিতীয়ত, মুহাম্মদ ইউনূসও তাদের সঙ্গে যোগ দিয়েছেন এবং এই তিনটি গোষ্ঠী মূলত একই। এই গোষ্ঠীগুলোর মধ্যে কী চলছে, তা আমি জানি না। তবে আমরা সবসময় মনে করি, প্রতিবেশী দেশের সঙ্গে বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক থাকা উচিত। আমি যখন ক্ষমতায় ছিলাম, তখন আমার পিতা যে পররাষ্ট্রনীতি দিয়ে গিয়েছিলেন, সেটিই অনুসরণ করেছি- সবার সঙ্গে বন্ধুত্ব, কারও সঙ্গে শত্রুতা নয়।</p>
<p>আমি যখন ক্ষমতায় ছিলাম, তখন বাংলাদেশের সব দেশের সঙ্গে ভালো সম্পর্ক ছিল। আমরা প্রতিটি দেশের সঙ্গে সুসম্পর্ক বজায় রেখেছিলাম। আমাদের মূল লক্ষ্য ছিল বাংলাদেশের অর্থনীতি, দারিদ্র্য বিমোচন, তরুণদের কর্মসংস্থান সৃষ্টি এবং আধুনিক বিজ্ঞান, কম্পিউটার ও প্রযুক্তির ক্ষেত্রে সুযোগ তৈরি করা, যাতে তারা আন্তর্জাতিক পর্যায়ে নিজেদের প্রতিষ্ঠিত করতে পারে।</p>
<p>আমি জানতাম, বেসরকারি খাতকে গুরুত্ব না দিলে কর্মসংস্থান সৃষ্টি হবে না। গ্রামের মানুষের ক্রয়ক্ষমতা না বাড়লে শিল্পায়নও হবে না। আমাদের অর্থনীতি কৃষিনির্ভর, তবে আমি শিল্পায়নও করতে চেয়েছিলাম।</p>
<p>প্রশ্ন: প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সঙ্গে আপনার সর্বশেষ বৈঠকে তিস্তা নদীর উন্নয়নে ভারতের সঙ্গে কাজ করার বিষয়ে আলোচনা হয়েছিল। এখন আমরা দেখছি, বিএনপি সরকার এই প্রকল্পে চীনের সঙ্গে কাজ করছে, যা ভারতে উদ্বেগ তৈরি করেছে। একই সঙ্গে বাংলাদেশ চীনের সঙ্গে প্রতিরক্ষা সহযোগিতা বাড়াচ্ছে এবং ২ দশমিক ৩ বিলিয়ন ডলারে চীনা জে-১০সিই যুদ্ধবিমান কেনার পরিকল্পনা রয়েছে। এ বিষয়ে আপনার মত কী?</p>
<p>উত্তর: আমি শুধু বলতে পারি, আমি বিদ্যুৎ উৎপাদন বাড়িয়ে প্রায় ২৯ হাজার মেগাওয়াটে নিয়ে গিয়েছিলাম এবং প্রতিটি বাড়িতে বিদ্যুৎ পৌঁছে দিয়েছিলাম। বিদ্যুৎ উৎপাদনের জন্য কিছু নির্দিষ্ট পণ্য কিনতে হয়, কিন্তু বাংলাদেশের কাছে এখন সেগুলো কেনার অর্থ নেই। মানুষ বিদ্যুৎ পাচ্ছে না।</p>
<p>আমাদের ছয়টি সার কারখানার মধ্যে পাঁচটি গ্যাসের অভাবে বন্ধ হয়ে আছে। তারা সার সরবরাহ করতে পারছে না। নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের দাম বেড়ে যাচ্ছে। আমাদের সময়ের মতো ব্যাপক সামাজিক নিরাপত্তাবেষ্টনী কর্মসূচিও তাদের নেই। তারা টীকা কেনেনি এবং হাজার হাজার শিশু হামে মারা গেছে।</p>
<p>শিল্পকারখানাগুলোকে পরিচালনার জন্য প্রয়োজনীয় চলতি মূলধনও তারা দিতে পারছে না। এমন কঠিন পরিস্থিতিতে যুদ্ধবিমান কেনার পেছনে এত অর্থ ব্যয়ের কারণ কী? আমারও একই প্রশ্ন। তবে এই প্রশ্ন বিএনপি সরকারকেও করা উচিত। তিস্তা প্রকল্পের বিষয়ে আমরা ভারতীয় পক্ষের সঙ্গে এ বিষয়ে ভারতের সহযোগিতা নিয়ে আলোচনা করেছিলাম। বর্তমান সরকার কী করছে, সে বিষয়ে আমার কিছু বলার নেই।</p>
<p>প্রশ্ন: আপনার ছেলে সজীব ওয়াজেদ জয় বাংলাদেশকে ‘আরেকটি পাকিস্তানে’ পরিণত হওয়ার বিষয়ে এবং বিভিন্ন উগ্রবাদী ও সন্ত্রাসী গোষ্ঠীর কর্মকাণ্ডের কারণে নিরাপত্তা হুমকি নিয়ে কথা বলেছেন। এ বিষয়ে আপনি কি বিস্তারিত বলবেন?</p>
<p>উত্তর: জয় যা বলেছে, তা কোনো আবেগপ্রসূত বক্তব্য ছিল না। বাংলাদেশের বর্তমান নিরাপত্তা পরিস্থিতির ওপর ভিত্তি করে এটি ছিল একটি গুরুতর সতর্কবার্তা। ‘আরেকটি পাকিস্তান’ বলতে কোনো দেশের সাধারণ মানুষকে বোঝানো হয়নি। এর অর্থ হলো উগ্রবাদ, সাম্প্রদায়িক রাজনীতি, সন্ত্রাসী নেটওয়ার্ক, রাজনৈতিক পৃষ্ঠপোষকতা এবং দুর্বল হয়ে পড়া প্রতিষ্ঠানগুলোর একটি বিপজ্জনক সমন্বয়। বাংলাদেশকে সেই দিকে ঠেলে দেয়া হচ্ছে এবং এটি শুধু বাংলাদেশের জন্য নয়, পুরো অঞ্চলের জন্যই বিপজ্জনক। জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদের পর্যবেক্ষণ ব্যবস্থাও উদ্বেগ প্রকাশ করেছে যে, ভারতীয় উপমহাদেশে আল-কায়েদা বাংলাদেশকে ব্যবহার করে সন্ত্রাসী সেল প্রতিষ্ঠার চেষ্টা করতে পারে। স্থানীয় তদন্তেও একই ধরনের আশঙ্কার কথা উঠে আসছে।রাজনৈতিক সংবাদ বিশ্লেষণ</p>
<p>সাম্প্রতিক প্রতিবেদনগুলোতে কেরানীগঞ্জ থেকে সাভার পর্যন্ত একাধিক ঘটনার সঙ্গে একই উগ্রবাদী নেটওয়ার্কের যোগসূত্রের কথা বলা হয়েছে। এসব ঘটনায় প্রেসার কুকার বোমা, পাইপ বোমা, গ্রেনেড, বিস্ফোরক সামগ্রী, অস্ত্র এবং নব্য-জামায়াতুল মুজাহিদিন বাংলাদেশ-এর (নিও-জেএমবি) সঙ্গে সংশ্লিষ্টতার কথা উঠে এসেছে। যখন আন্তর্জাতিক সতর্কবার্তা ও দেশের অভ্যন্তরীণ তদন্ত একই দিকে ইঙ্গিত করে, তখন কোনো দায়িত্বশীল সরকার এই হুমকি অস্বীকার করতে পারে না।</p>
<p>ধর্মীয় উন্মত্ত জনতার সহিংসতা ব্যাপকভাবে বেড়েছে। দেশের বিভিন্ন স্থানে মাজার, দরগাহ, ভাস্কর্য, সাংস্কৃতিক স্থাপনা ও ধর্মনিরপেক্ষ প্রতীকগুলো হামলার শিকার হয়েছে। একই সময়ে বাংলাদেশের সন্ত্রাসবিরোধী সক্ষমতাও দুর্বল করা হচ্ছে। কাউন্টার টেরোরিজম অ্যান্ড ট্রান্সন্যাশনাল ক্রাইম (সিটিটিসি) এবং অ্যান্টি-টেরোরিজম ইউনিটের মতো বিশেষায়িত ইউনিটগুলো ভেঙে দেয়ার বিষয়ে আলোচনা চলছে। যখন জঙ্গিদের ছেড়ে দেয়া হয় এবং সন্ত্রাসবিরোধী কর্মকর্তাদের হয়রানি বা নিপীড়নের শিকার হতে হয়, তখন এর ফল দাঁড়ায় জাতীয় নিরাপত্তায় এক ধরনের শূন্যতা।</p>
<p>উগ্রবাদী নেটওয়ার্কগুলো যদি বাংলাদেশে আবারও নিরাপদ পরিবেশ পেয়ে যায়, তাহলে এর প্রভাব ভারত, মিয়ানমার, বঙ্গোপসাগর, আঞ্চলিক বাণিজ্য, অভিবাসন, সামুদ্রিক যোগাযোগপথ, কূটনৈতিক নিরাপত্তা এবং আন্তর্জাতিক সন্ত্রাসবিরোধী সহযোগিতা পর্যন্ত পেঁৗঁছাবে। তাই জয়ের সতর্কবার্তাটি শুধু রাজনৈতিক স্লোগান হিসেবে নয়, বরং আঞ্চলিক নিরাপত্তার জন্য একটি সতর্ক সংকেত হিসেবে দেখা উচিত।</p>
<p>প্রশ্ন: ভারতে আপনি কীভাবে সময় কাটাচ্ছেন? বাংলাদেশের কোন বিষয়টি আপনার সবচেয়ে বেশি মনে পড়ে?</p>
<p>উত্তর: যেকোনো রাজনৈতিক নেতার জন্য নিজের জনগণের কাছ থেকে দূরে থাকা সবচেয়ে কঠিন বিষয়। নির্বাসন আমার জীবনে নতুন কিছু নয়, কিন্তু জনগণের কাছ থেকে বিচ্ছিন্ন থাকা কখনো সহজ হয় না। আমি ভারতে মর্যাদা ও সম্মানের সঙ্গে অবস্থান করছি এবং এর জন্য ভারত সরকার ও দেশটির জনগণের প্রতি আমি কৃতজ্ঞ। কিন্তু আমার মন পড়ে আছে বাংলাদেশে। আমি প্রতিদিন বাংলাদেশের পরিস্থিতির খোঁজ রাখি। আমাদের নেতা-কর্মীদের অবস্থা, নিপীড়নের শিকার পরিবারগুলো, অর্থনীতি, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি, সংখ্যালঘুদের নিরাপত্তা এবং তরুণদের হতাশার বিষয়গুলো সম্পর্কে আমি নিয়মিত খোঁজ রাখি। আমার সবচেয়ে বেশি মনে পড়ে বাংলাদেশের মানুষকে- তাদের মুখ, ভাষা, সরল বিশ্বাস এবং গ্রামবাংলার মাটিকে। আমি সেই বাংলাদেশকে মিস করি, যে বাংলাদেশ ভয় নয়, আশা নিয়ে এগিয়ে যাচ্ছিল।</p>
<p>অন্য এক প্রশ্নের জবাবে হাসিনা বলেন, যেভাবে আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীদের নিপীড়ন ও নির্যাতন করা হচ্ছে, তাদের বাড়িঘরে হামলা চালানো হচ্ছে তা শুরু হয়েছিল (অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান) মুহাম্মদ ইউনূসের সময়ে। এমন কোনো দিন নেই, যেদিন মানুষ হত্যা করা হচ্ছে না। রংপুরের ঘটনাই ধরুন। সেখানে একই পরিবারের চারজনকে হত্যা করা হয়েছে। বগুড়া শহরে আমাদের যুব শাখার একজন সদস্যকে হত্যা করা হয়েছে। প্রতিটি দিন এবং রাতে হত্যাকাণ্ড চলছে। আমাদের লোকজনের বিরুদ্ধে মামলা করছে অথবা গ্রেপ্তার করছে। তারা বাড়িঘরে প্রবেশ করছে। সেখানে নারী পুরুষকে অপমান করছে। প্রহার করছে। প্রবীণদের হয়রান করছে। এই পরিস্থিতিতে আমি বুঝতে পারি না কিভাবে প্রত্যর্পণ একটি শর্ত হতে পারে।</p>
<p>আমি তো আমার নিজের দেশে ফিরবো। বুঝতে পারি না কেন তাতে আপত্তি জানানো হচ্ছে। তারা প্রত্যর্পণ চুক্তি নিয়ে কথা বলছে। আমি নিজের ইচ্ছায় আমার দেশে ফিরতে চাই। আমি ফিরবো। আমি কি সারাজীবন বিদেশে কাটাতে পারি? দেশে, আমার লোকজনের কাছে আমাকে ফিরতে হবে।</p>
<p>ভারত-বাংলাদেশ সম্পর্ক ক্ষতিগ্রস্ত হয় তখনই, যখন গণতন্ত্র ধ্বংস হয়। উগ্রপন্থিদের উত্থান হয়। সংখ্যালঘুরা অনিরাপদ বোধ করেন। আঞ্চলিক নিরাপত্তা ঝুঁকিতে পড়ে এবং রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠানগুলোকে রাজনৈতিক প্রতিশোধ নেয়ার হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার করা হয়।</p>
]]></content:encoded>
					
					<wfw:commentRss>https://chtnews24.com/2026/09/02/%e0%a6%b9%e0%a6%bf%e0%a6%a8%e0%a7%8d%e0%a6%a6%e0%a7%81%e0%a6%b8%e0%a7%8d%e0%a6%a4%e0%a6%be%e0%a6%a8-%e0%a6%9f%e0%a6%be%e0%a6%87%e0%a6%ae%e0%a6%b8%e0%a6%95%e0%a7%87-%e0%a6%af%e0%a6%be-%e0%a6%9c/feed/</wfw:commentRss>
			<slash:comments>0</slash:comments>
		
		
			</item>
		<item>
		<title>জ্বালানি সংকট কাটাতে সরকারের ৫ কর্মপরিকল্পনা জানালেন প্রধানমন্ত্রী</title>
		<link>https://chtnews24.com/2026/09/02/%e0%a6%9c%e0%a7%8d%e0%a6%ac%e0%a6%be%e0%a6%b2%e0%a6%be%e0%a6%a8%e0%a6%bf-%e0%a6%b8%e0%a6%82%e0%a6%95%e0%a6%9f-%e0%a6%95%e0%a6%be%e0%a6%9f%e0%a6%be%e0%a6%a4%e0%a7%87-%e0%a6%b8%e0%a6%b0%e0%a6%95/</link>
					<comments>https://chtnews24.com/2026/09/02/%e0%a6%9c%e0%a7%8d%e0%a6%ac%e0%a6%be%e0%a6%b2%e0%a6%be%e0%a6%a8%e0%a6%bf-%e0%a6%b8%e0%a6%82%e0%a6%95%e0%a6%9f-%e0%a6%95%e0%a6%be%e0%a6%9f%e0%a6%be%e0%a6%a4%e0%a7%87-%e0%a6%b8%e0%a6%b0%e0%a6%95/#respond</comments>
		
		<dc:creator><![CDATA[adminchtnews24]]></dc:creator>
		<pubDate>Wed, 02 Sep 2026 11:31:37 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[Second lead]]></category>
		<category><![CDATA[রাজনীতি]]></category>
		<category><![CDATA[শিরোনাম]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://chtnews24.com/?p=37948</guid>

					<description><![CDATA[ডেস্ক রির্পোট:- বর্তমান জ্বালানি সংকট থেকে দেশকে বের করে আনতে সরকার ৫টি কর্মপরিকল্পনা গ্রহণ করেছে বলে জানিয়েছেন সংসদ নেতা ও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। বুধবার সংসদ অধিবেশনে সংসদ সদস্য সেলিনা সুলতানার (টেবিলে উপস্থাপিত) এক লিখিত প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা জানান। স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদের সভাপতিত্বে প্রশ্নোত্তর টেবিলে উত্থাপন করা হয়। প্রধানমন্ত্রী বলেন, দীর্ঘদিনের অপর্যাপ্ত গ্যাস [&#8230;]]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[<p>ডেস্ক রির্পোট:- বর্তমান জ্বালানি সংকট থেকে দেশকে বের করে আনতে সরকার ৫টি কর্মপরিকল্পনা গ্রহণ করেছে বলে জানিয়েছেন সংসদ নেতা ও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।<br />
বুধবার সংসদ অধিবেশনে সংসদ সদস্য সেলিনা সুলতানার (টেবিলে উপস্থাপিত) এক লিখিত প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা জানান। স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদের সভাপতিত্বে প্রশ্নোত্তর টেবিলে উত্থাপন করা হয়।<br />
প্রধানমন্ত্রী বলেন, দীর্ঘদিনের অপর্যাপ্ত গ্যাস অনুসন্ধান ও আমদানি নির্ভরতার কারণে সৃষ্ট বর্তমান জ্বালানি সংকট থেকে দেশকে বের করে আনতে সরকার নিম্নবর্ণিত সমন্বিত কর্মপরিকল্পনা বাস্তবায়ন করছে-</p>
<p>দেশীয় গ্যাস উৎপাদন বৃদ্ধি: দেশীয় গ্যাস উৎপাদন বৃদ্ধির অংশ হিসেবে ১৫০টি কূপ খনন/ওয়ার্কওভার কর্মসূচির আওতায় ৩০টি কূপ খনন ইতোমধ্যে সম্পন্ন হয়েছে এবং এর মাধ্যমে ১৪০ এমএমসিএফডি গ্যাস জাতীয় গ্রিডে সংযুক্ত হয়েছে। বর্তমানে চলমান ৭টি কূপ খনন শেষ হলে আরো ৮৫ এমএমসিএফডি গ্যাস যুক্ত হবে। অবশিষ্ট কূপসমূহ খননের জন্য পর্যায়ক্রমে প্রকল্প গ্রহণ করা হচ্ছে।</p>
<p>সাইসমিক জরিপ: দেশীয় গ্যাসের উৎস অনুসন্ধানের লক্ষ্যে ৪ হাজার ৫০০ লাইন কিলোমিটার ২ডি সাইসমিক সার্ভে এবং ৪ হাজার ২০০ বর্গ কিলোমিটার ৩ডি সাইসমিক সার্ভে পরিচালনার কর্মপরিকল্পনা গ্রহণ করা হয়েছে।</p>
<p>বাপেক্স শক্তিশালীকরণ: বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম এক্সপ্লোরেশন এন্ড প্রোডাকশন কোম্পানী লিঃ (বাপেক্স)-কে শক্তিশালীকরণের লক্ষ্যে আরও ২টি নতুন রিগ ক্রয়ের প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।</p>
<p>পিএসসি (প্রোডাকশন শেয়ারিং কন্ট্যাক্ট) ও বিডিং: অফশোর মডেল পিএসসি ২০২৬ অনুমোদনের পর বিড রাউন্ড আহ্বান করা হয়েছে। এছাড়া, অনশোর মডেল পিএসসি অনুমোদন প্রক্রিয়াধীন রয়েছে। অফশোর এবং অনশোর গ্যাস অনুসন্ধানের মাধ্যমে গ্যাস পাওয়া গেলে তা দেশের জ্বালানি নিরাপত্তা নিশ্চিত করার ক্ষেত্রে উল্লেখযোগ্য ভূমিকা রাখবে।</p>
<p>এলএনজি অবকাঠামো সম্প্রসারণ: কক্সবাজার জেলার মহেশখালীর গভীর সমুদ্রে কুতুবজোমে ভাসমান এলএনজি টার্মিনাল স্থাপনের লক্ষ্যে আগ্রহী প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে নেগোসিয়েশন চলমান রয়েছে। ডিসেম্বর ২০২৮ সালে উক্ত টার্মিনাল হতে রিগ্যাসিফাইড এলএনজি (গ্যাস) সরবরাহ করা সম্ভব হবে মর্মে আশা করছি। ফলে আগামী ২ বছরের মধ্যে এলএনজি আমদানি আরও ৬০০ এমএমসিএফডি বৃদ্ধি পাবে। এছাড়া পায়রা বা মোংলা বন্দর এলাকা অথবা দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের সমুদ্র উপকূলে জরুরি ভিত্তিতে নতুন ২/১টি ভাসমান এলএনজি টার্মিনাল স্থাপনের জন্য সম্ভাব্যতা যাচাইয়ের উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছে। প্রস্তাবিত ভাসমান এলএনজি টার্মিনাল স্থাপন হলে সামগ্রিকভাবে দেশে জ্বালানি নিরাপত্তা বৃদ্ধি পাবে।<br />
সাংসদ নিলোফার চৌধুরী মনির টেবিলে উপস্থাপিত এক লিখিত প্রশ্নের জবাবে প্রধানমন্ত্রী বলেন, জ্বালানি সংকট মোকাবিলায় নবায়নযোগ্য জ্বালানীর ব্যবহার বাড়াতে এবং সাধারণ মানুষের মধ্যে আগ্রহ বাড়াতে বর্তমান সরকার নানাবিধ পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে। ইতোমধ্যে বাংলাদেশ সরকারের অভ্যন্তরীণ সম্পদ বিভাগ কর্তৃক ৮ জুন সৌর বিদ্যুৎ স্থাপনের জন্য অপরিহার্য পণ্যসমূহ যেমন: সোলার প্যানেল, ইনভার্টার, ব্যাটারি ইত্যাদির ওপর আরোপণীয় সমুদয় কাস্টমস ডিউটি, রেগুলেটরি ডিউটি, সম্পূরক শুল্ক, আগাম কর এবং ২% (দুই শতাংশ) অতিরিক্ত অগ্রীম আয়কর হতে শর্তসাপেক্ষে অব্যাহতি প্রদান করা হয়েছে।<br />
তিনি বলেন, আগামী ৬ মাসের মধ্যে যারা রুফটপ সোলার স্থাপন করবেন তাদের গ্রিডে সরবরাহ করা বিদ্যুৎ সরকার প্রতি ইউনিট ১০.১৫ টাকা করে ক্রয় করবে। অর্থাৎ বাল্ক রেট এর অতিরিক্ত টাকা সরকার প্রণোদনা হিসেবে প্রদান করবে। ফলে গড়ে উৎপাদন মূল্য ৬-৭ টাকা প্রতি ইউনিট হিসেবে ৪৫ শতাংশ (৪০% মুনাফা ও ৫% প্রিমিয়াম) পর্যন্ত মুনাফার সুযোগ সৃষ্টি হবে। এই সুবিধা পরবর্তী তিন বছরের জন্য প্রযোজ্য হবে।<br />
সংসদ নেতা বলেন, দেশের সরকারি ভবন, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, হাসপাতালসহ গুরুত্বপূর্ণ ভবনের ছাদে রুফটপ সোলার সিস্টেম স্থাপনের জন্য জাতীয় রুফটপ সোলার কর্মসূচি হাতে নেওয়া হয়েছে। উক্ত কর্মসূচি বাস্তবায়নের জন্য একটি গাইডলাইন প্রস্তুত করা হয়েছে। বিভিন্ন মন্ত্রণালয়/বিভাগ/সংস্থাসমূহকে ইতোমধ্যে বিশেষ বরাদ্দ প্রদান করা হয়েছে। দেশের সকল জেলা প্রশাসক ও বিভাগীয় কমিশনারের কার্যালয়ে ইতোমধ্যে রুফটপ সোলার সিস্টেম স্থাপন করা হয়েছে। সোলার ছাড়াও পানি বিদ্যুৎ, বায়ু বিদ্যুৎ ও বর্জ্য থেকে বিদ্যুৎ উৎপাদনের কার্যক্রম গ্রহণ করা হয়েছে। আশা করছি উক্ত কার্যক্রমসমূহ বাস্তবায়িত হলে জ্বালানি সংকট মোকাবেলা এবং নবায়নযোগ্য জ্বালানির ব্যবহার বাড়ানো সম্ভব হবে।<br />
সাংসদ মো. মনিরুল হক চৌধুরীর (টেবিলে উপস্থাপিত) এক লিখিত প্রশ্নের জবাবে প্রধানমন্ত্রী বলেন, দেশের সকল কওমী মাদরাসার সমন্বয়, উন্নয়ন ও পাবলিক পরীক্ষা গ্রহণের জন্য ২০০৬ সালে গেজেট নোটিফিকেশনের মাধ্যমে “কওমী মাদরাসা শিক্ষা বোর্ড বাংলাদেশ” নামে একটি স্থায়ী প্রতিষ্ঠান গঠন করার সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়। পরবর্তীতে<br />
&#8220;আল-হাইআতুল উলয়া লিল-জামি&#8217;আতিল কওমিয়া বাংলাদেশ” এর অধীন &#8216;কওমি মাদরাসাসমূহের দাওরায়ে হাদিস (তাকমীল)-এর সনদকে মাস্টার্স ডিগ্রি (ইসলামিক স্টাডিস ও আরবি)-এর সমমান প্রদান আইন, ২০১৮ প্রণয়ন করে নিম্নবর্ণিত ৬টি কওমি মাদরাসা শিক্ষা বোর্ড গঠন করার সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়।<br />
সেগুলো হল- বেফাকুল মাদারিসিল আরাবিয়া বাংলাদেশ; বেফাকুল মাদারিসিল কওমিয়া গওহরডাঙ্গা বাংলাদেশ, আঞ্জুমানে ইত্তেহাদুল মাদারিস বাংলাদেশ; আযাদ দ্বীনি এদারায়ে তালীম বাংলাদেশ; তানযীমুল মাদারিসিদ দ্বীনিয়া বাংলাদেশএবং জাতীয় দ্বীনি মাদরাসা শিক্ষাবোর্ড বাংলাদেশ।<br />
তারেক রহমান বলেন, গত ২৩ জুন “বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান (মাদ্রাসা) জনবল কাঠামো ও এমপিও নীতিমালা, ২০২৬” সংশোধনপূর্বক সহকারী মৌলভী (ক্বারী) এবং ইবতেদায়ী ক্বারী পদে নিয়োগের কাম্য যোগ্যতায় ৬টি কওমী মাদরাসা শিক্ষা বোর্ডের সনদকে স্বীকৃতি প্রদান করা হয়েছে এবং উক্ত ২টি পদে কওমী মাদরাসায় দাওরায়ে হাদিস (তাকমীল) ডিগ্রিসহ ইলমে কিরাআত/হিফজুল কোরআন সনদ প্রাপ্তদের নিয়োগের সুযোগ সৃষ্টি করা হয়েছে।</p>
]]></content:encoded>
					
					<wfw:commentRss>https://chtnews24.com/2026/09/02/%e0%a6%9c%e0%a7%8d%e0%a6%ac%e0%a6%be%e0%a6%b2%e0%a6%be%e0%a6%a8%e0%a6%bf-%e0%a6%b8%e0%a6%82%e0%a6%95%e0%a6%9f-%e0%a6%95%e0%a6%be%e0%a6%9f%e0%a6%be%e0%a6%a4%e0%a7%87-%e0%a6%b8%e0%a6%b0%e0%a6%95/feed/</wfw:commentRss>
			<slash:comments>0</slash:comments>
		
		
			</item>
		<item>
		<title>প্রধানমন্ত্রী এখনও নির্যাতনের স্মৃতিচিহ্ন বয়ে বেড়াচ্ছেন : আতিকুর রহমান রুমন</title>
		<link>https://chtnews24.com/2026/09/02/%e0%a6%aa%e0%a7%8d%e0%a6%b0%e0%a6%a7%e0%a6%be%e0%a6%a8%e0%a6%ae%e0%a6%a8%e0%a7%8d%e0%a6%a4%e0%a7%8d%e0%a6%b0%e0%a7%80-%e0%a6%8f%e0%a6%96%e0%a6%a8%e0%a6%93-%e0%a6%a8%e0%a6%bf%e0%a6%b0%e0%a7%8d%e0%a6%af/</link>
					<comments>https://chtnews24.com/2026/09/02/%e0%a6%aa%e0%a7%8d%e0%a6%b0%e0%a6%a7%e0%a6%be%e0%a6%a8%e0%a6%ae%e0%a6%a8%e0%a7%8d%e0%a6%a4%e0%a7%8d%e0%a6%b0%e0%a7%80-%e0%a6%8f%e0%a6%96%e0%a6%a8%e0%a6%93-%e0%a6%a8%e0%a6%bf%e0%a6%b0%e0%a7%8d%e0%a6%af/#respond</comments>
		
		<dc:creator><![CDATA[adminchtnews24]]></dc:creator>
		<pubDate>Wed, 02 Sep 2026 11:28:43 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[Second lead]]></category>
		<category><![CDATA[রাজনীতি]]></category>
		<category><![CDATA[শিরোনাম]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://chtnews24.com/?p=37945</guid>

					<description><![CDATA[ডেস্ক রির্পোট:- এক-এগারোর সেনাসমর্থিত সরকারের সময়ে বর্তমান প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে অমানসিক নির্যাতন করা হয়েছিল। এ কথা বলেছেন তাঁর অতিরিক্ত প্রেস সচিব আতিকুর রহমান রুমন। তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রী এখনও সেই নির্যাতনের স্মৃতিচিহ্ন বয়ে বেড়াচ্ছেন। বুধবার (২ সেপ্টেম্বর) প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের ১৯ তম কারামুক্তি দিবস উপলক্ষে সকালে রাজধানীর জাতীয় প্রেস ক্লাবে উত্তরাঞ্চল ছাত্রফোরাম আয়োজিত আলোচনা সভায় তিনি [&#8230;]]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[<p>ডেস্ক রির্পোট:- এক-এগারোর সেনাসমর্থিত সরকারের সময়ে বর্তমান প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে অমানসিক নির্যাতন করা হয়েছিল। এ কথা বলেছেন তাঁর অতিরিক্ত প্রেস সচিব আতিকুর রহমান রুমন। তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রী এখনও সেই নির্যাতনের স্মৃতিচিহ্ন বয়ে বেড়াচ্ছেন।</p>
<p>বুধবার (২ সেপ্টেম্বর) প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের ১৯ তম কারামুক্তি দিবস উপলক্ষে সকালে রাজধানীর জাতীয় প্রেস ক্লাবে উত্তরাঞ্চল ছাত্রফোরাম আয়োজিত আলোচনা সভায় তিনি এ কথা বলেন।</p>
<p>আতিকুর রহমান রুমন বলেন, ৩ সেপ্টেম্বর আমাদের প্রিয় নেতা আজকের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের কারামুক্তি দিবস। আমাদের প্রিয় নেতাকে বিনা ওয়ারেন্টে গ্রেপ্তার করা হয়েছিল। এরপর তাঁকে অমানসিক নির্যাতন করা হয়েছিল। সেই নির্যাতনের স্মৃতিচিহ্ন এখনও তিনি বয়ে বেড়াচ্ছেন।</p>
<p>তিনি বলেন, কিন্তু আমাদের প্রিয় নেতা নিজেই বলেছেন তিনি সেই দিনগুলো মনে রাখতে চান না। আমরা যদি সেই দিনগুলোর কথা মনে রাখি, প্রতিশোধ নিতে যাই তাহলে পাঁচ বছরেও শেষ হবে না।</p>
<p>আতিকুর রহমান রুমন বলেন, পাঁচ বছরে যদি আমরা সেই প্রতিশোধগুলোই নিতে যাই তাহলে বাংলাদেশের জনগণ আমাদের প্রিয় নেতাকে ভোটের মাধ্যমে তাদের যে আকাক্সক্ষা পূরণে প্রধানমন্ত্রী করেছেন সেই কাঙ্ক্ষিত উদ্দেশ্য সফল হবে না।</p>
<p>তিনি বলেন, তাই আমাদের প্রিয় নেতা তারেক রহমান চান দুঃসহ স্মৃতিগুলো পেছনে ঠেলে দেশের উন্নয়ন করে সামনে এগিয়ে যেতে।</p>
<p>প্রধানমন্ত্রীর অতিরিক্ত প্রেস সচিব আরো বলেন, বিগত সময় বিএনপি যখন দেশ পরিচালনা করেছে ঠিক ওই সময় আমাদের প্রিয় নেতাকে হেয় প্রতিপন্ন করতে দেশ-বিদেশে ষড়যন্ত্র শুরু হয়েছিল। এই ষড়যন্ত্র থেকে আমাদের সকলকে সতর্ক থাকতে হবে যেন আমাদের প্রিয় নেতার ভালো কাজগুলো ভুলন্ঠিত না হয়।</p>
<p>তিনি বলেন, আমরা যেন সকলেই বিশেষ করে ছাত্রদল, যুবদলসহ বিএনপি নেতাদের আমি বলব, আমাদের প্রিয় নেতা তারেক রহমানের ভালো কাজগুলো যেন আমরা হাতে হাত মিলিয়ে, কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে সফল করতে পারি।</p>
<p>আতিকুর রহমান রুমন বলেন, বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান বলেছিলেন এদেশের জনগণই সকল ক্ষমতার উৎস। এদেশের জনগণ সেই প্রমাণ রেখেছে একাত্তরে স্বাধীনতা যুদ্ধের সময়। স্বৈরাচার এরশাদ ও ওয়ান ইলেভেন সরকারকে হটিয়েছেন তারা। সর্বশেষ ছাত্র-জনতা এবং বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের সমন্বয়ে জুলাইয়ে যুদ্ধ করে শেখ হাসিনার মত দানব স্বৈরাচারকে হটিয়েছেন।</p>
<p>আতিকুর রহমান রুমন বলেন, আজ আমাদের প্রিয় নেতার ১৯তম কারামুক্তি দিবসে আমার চোখের সামনে ভেসে উঠছে দুঃসময়ের করুণকথাগুলো। বিগত ১৯ বছরে এই দিবসটি যথাসময়ে আমরা পালন করেছি। আজও পালন করছি। কিন্তু আজকের চিত্র আর ওই দুঃসময়ের চিত্র এক ছিল না।</p>
<p>তিনি বলেন, আমরা কিভাবে সে সময়ে অনুষ্ঠান সফল করেছিলাম আপনারা তার জলজ্যান্ত প্রমাণ। সে সময় এই দিবস পালন করতে গিয়ে স্বৈরাচারের চোখ রাঙানি, কারাবরণসহ বিভিন্নভাবে আপনারা নির্যাতিত হয়েছেন। তবুও চুপ থাকেননি। আজকের বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী, বিদ্যুৎ ও জ্বালানি মন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ, তথ্যমন্ত্রী ব্যারিস্টার আন্দালিভ রহমান পার্থ, ভূমি প্রতিমন্ত্রী ব্যারিস্টার মীর হেলাল দিবসটি পালনে যথাযথ সহায়তা করেছেন।</p>
<p>তিনি বলেন, আমাদের অনুষ্ঠান হবে, আমরা সাংবাদিকদের জানিয়েছি আর জানিয়েছি বিশ্বস্ত নেতাদের। আমরা অনেকটা গোপনে ডেকেছি, প্রশাসনকে জানতে দেইনি কোথায়, কখন অনুষ্ঠান হবে।</p>
<p>অতিরিক্ত প্রেস সচিব বলেন, সাংবাদিকদের জানিয়েছি দুই থেকে তিন ঘন্টা আগে। ওই সময় অনেক সাংবাদিকের কথা মনে পড়ে যারা আমাদের ভীষণভাবে সহযোগিতা করেছেন, যা অতুলনীয়। যাদের সহযোগিতায় আমরা প্রচার পেয়েছি, আমরা উদ্দীপনা পেয়েছি এবং আমরা অনুষ্ঠানগুলো সফল করতে পেরেছি।</p>
<p>প্রধানমন্ত্রীর অতিরিক্ত প্রেস সচিব আতিকুর রহমান রুমনের সভাপতিত্বে সভায় প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক উপদেষ্টা ও বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব অ্যাডভোকেট রুহুল কবির রিজভী আহমেদ, ভূমি প্রতিমন্ত্রী ও উত্তরাঞ্চল ছাত্রফোরামের উপদেষ্টা ব্যারিস্টার মীর মোহাম্মদ হেলাল উদ্দীন, ঢাকা জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের আহ্বায়ক নাজমুল হাসান, আমরা বিএনপি পরিবারের সদস্য সচিব কৃষিবিদ মোকছেদুল মোমিন মিথুনসহ উত্তরাঞ্চলের ছাত্রনেতৃবৃন্দ এবং শিক্ষার্থীরা উপস্থিত ছিলেন।</p>
]]></content:encoded>
					
					<wfw:commentRss>https://chtnews24.com/2026/09/02/%e0%a6%aa%e0%a7%8d%e0%a6%b0%e0%a6%a7%e0%a6%be%e0%a6%a8%e0%a6%ae%e0%a6%a8%e0%a7%8d%e0%a6%a4%e0%a7%8d%e0%a6%b0%e0%a7%80-%e0%a6%8f%e0%a6%96%e0%a6%a8%e0%a6%93-%e0%a6%a8%e0%a6%bf%e0%a6%b0%e0%a7%8d%e0%a6%af/feed/</wfw:commentRss>
			<slash:comments>0</slash:comments>
		
		
			</item>
	</channel>
</rss>
