<?xml version="1.0" encoding="UTF-8"?><rss version="2.0"
	xmlns:content="http://purl.org/rss/1.0/modules/content/"
	xmlns:wfw="http://wellformedweb.org/CommentAPI/"
	xmlns:dc="http://purl.org/dc/elements/1.1/"
	xmlns:atom="http://www.w3.org/2005/Atom"
	xmlns:sy="http://purl.org/rss/1.0/modules/syndication/"
	xmlns:slash="http://purl.org/rss/1.0/modules/slash/"
	>

<channel>
	<title>বিশেষ প্রতিবেদন &#8211; chtnews24.com</title>
	<atom:link href="https://chtnews24.com/category/%e0%a6%ac%e0%a6%bf%e0%a6%b6%e0%a7%87%e0%a6%b7-%e0%a6%aa%e0%a7%8d%e0%a6%b0%e0%a6%a4%e0%a6%bf%e0%a6%ac%e0%a7%87%e0%a6%a6%e0%a6%a8/feed/" rel="self" type="application/rss+xml" />
	<link>https://chtnews24.com</link>
	<description></description>
	<lastBuildDate>Tue, 18 Aug 2026 05:12:20 +0000</lastBuildDate>
	<language>en-US</language>
	<sy:updatePeriod>
	hourly	</sy:updatePeriod>
	<sy:updateFrequency>
	1	</sy:updateFrequency>
	<generator>https://wordpress.org/?v=7.0.4</generator>
	<item>
		<title>৬৩ জেলায় একযোগে সিরিজ বোমা হামলার ২১ বছর আজ</title>
		<link>https://chtnews24.com/2026/08/17/%e0%a7%ac%e0%a7%a9-%e0%a6%9c%e0%a7%87%e0%a6%b2%e0%a6%be%e0%a6%af%e0%a6%bc-%e0%a6%8f%e0%a6%95%e0%a6%af%e0%a7%8b%e0%a6%97%e0%a7%87-%e0%a6%b8%e0%a6%bf%e0%a6%b0%e0%a6%bf%e0%a6%9c-%e0%a6%ac%e0%a7%8b/</link>
					<comments>https://chtnews24.com/2026/08/17/%e0%a7%ac%e0%a7%a9-%e0%a6%9c%e0%a7%87%e0%a6%b2%e0%a6%be%e0%a6%af%e0%a6%bc-%e0%a6%8f%e0%a6%95%e0%a6%af%e0%a7%8b%e0%a6%97%e0%a7%87-%e0%a6%b8%e0%a6%bf%e0%a6%b0%e0%a6%bf%e0%a6%9c-%e0%a6%ac%e0%a7%8b/#respond</comments>
		
		<dc:creator><![CDATA[adminchtnews24]]></dc:creator>
		<pubDate>Mon, 17 Aug 2026 05:11:02 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[Second lead]]></category>
		<category><![CDATA[অপরাধ-অনুসন্ধান]]></category>
		<category><![CDATA[জাতীয়]]></category>
		<category><![CDATA[বিশেষ প্রতিবেদন]]></category>
		<category><![CDATA[শিরোনাম]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://chtnews24.com/?p=37676</guid>

					<description><![CDATA[শামসুল আলম:- আজ ১৭ আগস্ট। ২০০৫ সালের এই দিনে দেশের ইতিহাসে ভয়াবহ ও নজিরবিহীন সিরিজ বোমা হামলা চালানো হয়। মুন্সিগঞ্জ জেলা ছাড়া দেশের ৬৩ জেলায় একযোগে এই হামলা হয়। মাত্র আধা ঘণ্টার ব্যবধানে দেশের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনা ও জনসমাগমস্থলের আশপাশে বিস্ফোরণ ঘটিয়ে আতঙ্ক ছড়িয়ে দেয় নিষিদ্ধ জঙ্গি সংগঠন জামা’আতুল মুজাহিদিন বাংলাদেশ (জেএমবি)। সেদিন সকাল থেকে [&#8230;]]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[<p>শামসুল আলম:- আজ ১৭ আগস্ট। ২০০৫ সালের এই দিনে দেশের ইতিহাসে ভয়াবহ ও নজিরবিহীন সিরিজ বোমা হামলা চালানো হয়। মুন্সিগঞ্জ জেলা ছাড়া দেশের ৬৩ জেলায় একযোগে এই হামলা হয়। মাত্র আধা ঘণ্টার ব্যবধানে দেশের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনা ও জনসমাগমস্থলের আশপাশে বিস্ফোরণ ঘটিয়ে আতঙ্ক ছড়িয়ে দেয় নিষিদ্ধ জঙ্গি সংগঠন জামা’আতুল মুজাহিদিন বাংলাদেশ (জেএমবি)।<br />
সেদিন সকাল থেকে দুপুরের মধ্যে দেশের বিভিন্ন স্থানে প্রায় ৩০০টি স্পটে সাড়ে চার শতাধিক বোমার বিস্ফোরণ ঘটানো হয়। আদালত প্রাঙ্গণ, সরকারি-বেসরকারি স্থাপনা, প্রেসক্লাব ও গুরুত্বপূর্ণ সড়কসহ বিভিন্ন স্থানে এসব বোমা বিস্ফোরিত হয়। বিস্ফোরণের ঘটনায় সাধারণ মানুষের মধ্যে ব্যাপক আতঙ্ক ও উদ্বেগ তৈরি হয়।<br />
সিরিজ বোমা হামলায় অন্তত দুইজন নিহত এবং দুই শতাধিক মানুষ আহত হন। আহতদের মধ্যে আইনজীবী, পুলিশ সদস্য, সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারী ও সাধারণ মানুষও ছিলেন। বিস্ফোরণের পর দেশের বিভিন্ন এলাকায় নিরাপত্তা জোরদার করা হয়। আইনশৃঙ্খলা বাহিনী শুরু করে ব্যাপক অভিযান ও তদন্ত।<br />
জেএমবির নাম সামনে আসে<br />
তদন্তে নিষিদ্ধ জঙ্গি সংগঠন জেএমবির সম্পৃক্ততার বিষয়টি সামনে আসে। হামলার পর বিভিন্ন স্থানে জেএমবির প্রচারপত্র ও লিফলেট পাওয়া যায়। এসব লিফলেটে সংগঠনটির নানা বক্তব্য তুলে ধরা হয়েছিল। একই সময়ে দেশের বিচারব্যবস্থা ও রাষ্ট্রীয় কাঠামোর বিরুদ্ধে হুমকিমূলক বার্তাও দেওয়া হয়।<br />
একযোগে এতগুলো স্থানে হামলার ঘটনায় আইনশৃঙ্খলা বাহিনী ও গোয়েন্দা সংস্থাগুলোর সক্ষমতা নিয়েও নানা প্রশ্ন ওঠে। পরবর্তী সময়ে জেএমবির নেটওয়ার্ক শনাক্ত ও জড়িতদের গ্রেপ্তারে দেশব্যাপী অভিযান চালানো হয়।<br />
আদালতে বিচার<br />
সিরিজ বোমা হামলার ঘটনায় দেশের বিভিন্ন জেলায় পৃথক মামলা হয়। দীর্ঘ তদন্ত ও বিচারিক প্রক্রিয়ার পর অনেক মামলায় আসামিদের বিরুদ্ধে অভিযোগ প্রমাণিত হয়। জেএমবির শীর্ষ পর্যায়ের কয়েকজন নেতার বিরুদ্ধে বিভিন্ন মামলায় মৃত্যুদণ্ডসহ বিভিন্ন মেয়াদে সাজা দেওয়া হয়।<br />
২০০৫ সালের এই হামলার পর বাংলাদেশে জঙ্গিবাদ মোকাবিলায় আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর তৎপরতা আরও জোরদার হয়। পরবর্তী সময়ে বিভিন্ন জঙ্গি সংগঠনের বিরুদ্ধে অভিযান চালানো হয় এবং অনেক সদস্যকে গ্রেপ্তার করা হয়।<br />
আতঙ্কের সেই দিন<br />
২১ বছর পরও ১৭ আগস্ট বাংলাদেশের ইতিহাসে একটি ভয়াবহ দিন হিসেবে স্মরণীয় হয়ে আছে। একই সময়ে দেশের প্রায় সব জেলায় বিস্ফোরণ ঘটানোর ঘটনা সাধারণ মানুষের মনে গভীর আতঙ্ক সৃষ্টি করেছিল। সেই ঘটনার স্মৃতি এখনও অনেকের মনে দাগ কেটে আছে।<br />
জঙ্গিবাদ ও সন্ত্রাসের বিরুদ্ধে রাষ্ট্রীয়ভাবে কঠোর অবস্থানের পাশাপাশি সামাজিক সচেতনতা, তরুণদের মধ্যে উগ্রবাদবিরোধী মূল্যবোধ তৈরি এবং আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সক্ষমতা বাড়ানোর ওপরও গুরুত্ব দেওয়ার প্রয়োজনীয়তা সামনে আসে এই ঘটনার মধ্য দিয়ে।<br />
২০০৫ সালের ১৭ আগস্টের সিরিজ বোমা হামলা তাই শুধু একটি সন্ত্রাসী হামলার ঘটনা নয়—এটি বাংলাদেশের নিরাপত্তা ও জঙ্গিবাদবিরোধী লড়াইয়ের ইতিহাসে একটি গুরুত্বপূর্ণ ও ভয়াবহ অধ্যায়।</p>
]]></content:encoded>
					
					<wfw:commentRss>https://chtnews24.com/2026/08/17/%e0%a7%ac%e0%a7%a9-%e0%a6%9c%e0%a7%87%e0%a6%b2%e0%a6%be%e0%a6%af%e0%a6%bc-%e0%a6%8f%e0%a6%95%e0%a6%af%e0%a7%8b%e0%a6%97%e0%a7%87-%e0%a6%b8%e0%a6%bf%e0%a6%b0%e0%a6%bf%e0%a6%9c-%e0%a6%ac%e0%a7%8b/feed/</wfw:commentRss>
			<slash:comments>0</slash:comments>
		
		
			</item>
		<item>
		<title>সরকারের ছয় মাস পূর্তি,কূটনৈতিক উত্তরণে এখনো অনেক চ্যালেঞ্জ</title>
		<link>https://chtnews24.com/2026/08/17/%e0%a6%b8%e0%a6%b0%e0%a6%95%e0%a6%be%e0%a6%b0%e0%a7%87%e0%a6%b0-%e0%a6%9b%e0%a6%af%e0%a6%bc-%e0%a6%ae%e0%a6%be%e0%a6%b8-%e0%a6%aa%e0%a7%82%e0%a6%b0%e0%a7%8d%e0%a6%a4%e0%a6%bf%e0%a6%95%e0%a7%82/</link>
					<comments>https://chtnews24.com/2026/08/17/%e0%a6%b8%e0%a6%b0%e0%a6%95%e0%a6%be%e0%a6%b0%e0%a7%87%e0%a6%b0-%e0%a6%9b%e0%a6%af%e0%a6%bc-%e0%a6%ae%e0%a6%be%e0%a6%b8-%e0%a6%aa%e0%a7%82%e0%a6%b0%e0%a7%8d%e0%a6%a4%e0%a6%bf%e0%a6%95%e0%a7%82/#respond</comments>
		
		<dc:creator><![CDATA[adminchtnews24]]></dc:creator>
		<pubDate>Mon, 17 Aug 2026 02:43:39 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[Second lead]]></category>
		<category><![CDATA[জাতীয়]]></category>
		<category><![CDATA[বিশেষ প্রতিবেদন]]></category>
		<category><![CDATA[শিরোনাম]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://chtnews24.com/?p=37640</guid>

					<description><![CDATA[ডেস্ক রির্পোট:- ‘ফার্স্ট বাংলাদেশ’ নীতি সামনে রেখে পররাষ্ট্র ও কূটনৈতিক চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা শুরু করেছিল বিএনপি সরকার। তবে ক্ষমতায় আসার ৬ মাস পর কূটনৈতিক বড় অর্জন থাকলেও সরকারের সামনে এখনো অনেক চ্যালেঞ্জ রয়েছে। এসব চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করতে পাড়ি দিতে হবে অনেক পথ। কূটনৈতিক মহল বলছে, বিশ্বের বৃহৎ শক্তি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও চীন যার যার ক্ষমতা প্রদর্শন [&#8230;]]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[<p>ডেস্ক রির্পোট:- ‘ফার্স্ট বাংলাদেশ’ নীতি সামনে রেখে পররাষ্ট্র ও কূটনৈতিক চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা শুরু করেছিল বিএনপি সরকার। তবে ক্ষমতায় আসার ৬ মাস পর কূটনৈতিক বড় অর্জন থাকলেও সরকারের সামনে এখনো অনেক চ্যালেঞ্জ রয়েছে। এসব চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করতে পাড়ি দিতে হবে অনেক পথ। কূটনৈতিক মহল বলছে, বিশ্বের বৃহৎ শক্তি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও চীন যার যার ক্ষমতা প্রদর্শন এবং কে তাদের শত্রু-মিত্র তা বেশ রাখঢাক না রেখেই প্রকাশ করছে। উভয় দেশই সার্বক্ষণিক লক্ষ্য রাখছে, ইন্দোপ্যাফিসিক, ব্লু ইকোনমি ও ভূরাজনৈতিক ইস্যুতে বাংলাদেশ কোন দিকে বেশি ঝুঁকছে। অন্তর্বর্তী সরকারের শেষ সময়ে বাংলাদেশের সঙ্গে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের বাণিজ্য চুক্তির কোনো ছন্দপতন চায় না দেশটি। অন্যদিকে, চীনও বাংলাদেশের সঙ্গে সম্পর্কের আরও বিস্তৃতি চায়। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের মালয়েশিয়া ও চীন সফরে গুরুত্বপূর্ণ সব সিদ্ধান্ত আসায় মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের তীক্ষ্ণ পর্যবেক্ষণে আছে বাংলাদেশ-চীন সম্পর্ক। এদিকে, জুলাই আন্দোলন ও শেখ হাসিনার ভারতে আশ্রয় ইস্যুতে বাংলাদেশ-ভারত দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কের জল এখনো ঘোলা আছে। বিএনপি সরকারের শুরুর দিকে ভারতের সঙ্গে সম্পর্ক মেরামত হয়ে উন্নতির দিকে যাওয়ার আভাস থাকলেও বারবার তা হোঁচট খাচ্ছে। সংশ্লিষ্টরা বলছেন, বাংলাদেশ-ভারত সম্পর্ক একটি চলনসই জায়গায় পৌঁছাতে না পারলে তাতে দুই দেশই ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে।</p>
<p>বিএনপি সরকারের দায়িত্ব গ্রহণের পর বাংলাদেশ ও মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে ২০২৬ সালের ফেব্রুয়ারিতে হওয়া এগ্রিমেন্ট অন রিসিপ্রোকাল ট্রেড (এআরটি) শীর্ষক বাণিজ্য চুক্তির লাভ-ক্ষতির বিষয়টি জোরালোভাবে সামনে চলে আসে। অন্তর্বর্তী সরকারের শেষ সময়ে করা এই চুক্তির সঙ্গে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়, বাণিজ্য মন্ত্রণালয় জড়িত ছিল। এই চুক্তির মাধ্যমে বাংলাদেশি পণ্যের ওপর যুক্তরাষ্ট্রের পালটা শুল্কহার ২০ শতাংশ থেকে কমে ১৯ শতাংশ হয়। এতে বাংলাদেশের জন্য ১৩১টি এবং যুক্তরাষ্ট্রের জন্য ৬টি শর্ত অন্তর্ভুক্ত করা হয়। প্রতিরক্ষা বাণিজ্য সহজতর করা, শুল্ক ফাঁকি রোধ এবং নির্দিষ্ট মানদণ্ড মেনে খাদ্য ও কৃষি পণ্য আমদানি নিশ্চিত করার বিষয় রয়েছে এতে।</p>
<p>চুক্তিটি বাংলাদেশের জন্য কতটা সৌভাগ্য বা দুর্ভাগ্য নিয়ে আসবে সে বিষয়ে এখনো আলোচনা-সমালোচনা থাকলেও অদূর ভবিষ্যতে এর প্রভাব স্পষ্ট হবে বলে মনে করা হচ্ছে।</p>
<p>সরকার গঠনের পর থেকেই প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান প্রথম কোন দেশ সফরে যাচ্ছেন তা নিয়ে কৌতূহল ছিল সর্বমহলে। কৌশলগত নানা দিক বিবেচনায় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ২১ ও ২২ জুন মালয়েশিয়া সফর করেন। দেশের প্রধানমন্ত্রী হিসাবে দায়িত্ব গ্রহণের পর এটিই ছিল তার প্রথম বিদেশ সফর। মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রী আনোয়ার ইব্রাহিমের সঙ্গে তারেক রহমান বৈঠক করেন। ওই সফর শেষে ২৩-২৬ জুন প্রধানমন্ত্রী চীন সফর করেন। এই সফর অত্যন্ত তীক্ষ্ণভাবে পর্যবেক্ষণে ছিল মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও ভারতসহ বেশ কয়েকটি দেশের।</p>
<p>সফরকালে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং ও প্রধানমন্ত্রী লি কিয়াংয়ের সঙ্গে পৃথক দ্বিপক্ষীয় বৈঠকে বসেন। রাজনৈতিক, অর্থনৈতিক ও কৌশলগত বিবেচনায় মালয়েশিয়া-চীন সফর অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ছিল।</p>
<p>মালয়েশিয়া সফরে দেশটির শ্রম বাজার খুলে দেওয়ার পাশাপাশি বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষা পর্যায়ে সহযোগিতা বাড়ানো, ডিজিটাল অর্থনীতি, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা এবং সেমিকন্ডাক্টর খাতে সহযোগিতা জোরদার ও ‘বৈশ্বিক ইসলামি অর্থনীতি’ হালাল শিল্প সহযোগিতার বিষয়গুলো গুরুত্ব পায়।</p>
<p>অন্যদিকে, চীন সফরে বাংলাদেশ ও চীনের সম্পর্ক অনন্য উচ্চতায় যাওয়ার ইঙ্গিত দেওয়া হয়। এই সফর ও বৈঠকের গুরুত্বপূর্ণ ফলাফল হিসাবে ১৩টি সমঝোতা স্মারক ও ৪টি অতিরিক্ত চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়। মিয়ানমার হয়ে চীন পর্যন্ত একটি অর্থনৈতিক করিডরে চীনের প্রস্তাব, চট্টগ্রাম বন্দরের আধুনিকায়ন এবং মোংলা বন্দরকে আপগ্রেড করা এবং তিস্তা প্রকল্প বাস্তবায়নে সব ধরনের সহযোগিতার আশ্বাস দেওয়া হয়।</p>
<p>বাংলাদেশ-চীন গুরুত্বপূর্ণ সব সিদ্ধান্তের পরিপ্রেক্ষিতে সেই সময় পুরো বিষয়টি নজরে রাখে ভারত।<br />
কূটনৈতিক সূত্রগুলোর মতে, সরকার ক্ষমতায় আসার পর দুই দফায় প্রধানমন্ত্রীকে ভারতে সফরে নেওয়ার চেষ্টা ছিল দেশটির পক্ষ থেকে। কিন্তু সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার দেশটিতে অবস্থান ও সেখানে রাজনৈতিক বক্তব্য দেওয়া, জুলাই গণ-অভ্যুত্থানকে নেতিবাচকভাবে তুলে ধরা, সীমান্তে পুশ-ইনসহ নানা ইস্যুতে খুশি নয় বর্তমান সরকার। এছাড়াও আছে গঙ্গা চুক্তি ও ভিসা সমস্যাসহ নানা ইস্যু। সর্বশেষ ৫ আগস্ট শেখ হাসিনা দিল্লিতে বসে প্রেস কনফারেন্সে রাজনৈতিক বক্তব্য দেওয়ায় ক্ষুব্ধ ঢাকা তার কঠোর প্রতিক্রিয়া জানিয়েছে। প্রেস কনফারেন্সটি যেন না করতে পারে সে বিষয়ে অনুরোধ জানানো হয়েছিল ঢাকায় নিযুক্ত ভারতের হাইকমিশনার দীনেশ ত্রিবেদীকে। কিন্তু তারপরও প্রেস কনফারেন্সটি হওয়ায় ঢাকা তার অসন্তোষ জানায়। দীনেশ ত্রিবেদী প্রধানমন্ত্রী, পররাষ্ট্রমন্ত্রী এবং স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে দেখা করে ঢাকার বার্তা নিয়ে সেদিনই দিল্লিতে যান। ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির কাছে ঢাকার সেসব বার্তা তুলে ধরেন দীনেশ ত্রিবেদী।</p>
<p>শেখ হাসিনার দেশে প্রত্যর্পণের ক্ষেত্রে ভারতের দিক থেকে এখনো সুস্পষ্ট অবস্থান না থাকলেও এই ইস্যুতে দুই দেশের সম্পর্ক আর ক্ষতি করতে রাজি নয় বলে দেশটির পক্ষ থেকে জানানো হয়। ব্রিকস সম্মেলনের আগে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের ভারত সফর ২০-২৫ সেপ্টেম্বরের মধ্যেই অনুষ্ঠিত হতে পারে বলে দুই দেশের কূটনৈতিক সূত্রের দাবি। তবে এ সফরের জন্য ঢাকা ইতোমধ্যেই অনুকূল পরিবেশ সৃষ্টির তাগিদ দিয়েছে দিল্লিকে।</p>
<p>বিএনপি সরকারের প্রথম কয়েক মাসের মধ্যেই জাতিসংঘের ৮১তম সাধারণ পরিষদ অধিবেশনের সভাপতি নির্বাচন হয়েছেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খলিলুর রহমান। এটিকে কেউ কেউ কূটনৈতিক সাফল্য হিসাবে দেখছেন।</p>
<p>সরকারের ৬ মাসে কূটনৈতিক সাফল্য ও ভবিষ্যতের নানা চ্যালেঞ্জ বিষয়ে সাবেক রাষ্ট্রদূত এম হুমায়ুন কবির মনে করেন, বর্তমান সরকার মূলত অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের পররাষ্ট্র ও কূটনীতির ধারাবাহিকতা বজায় রেখেছে। এরই ধারাবাহিকতায় গত ৬ মাসে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে বাণিজ্য চুক্তিটির ভিত্তিতে সম্পর্ক বিদ্যমান। যুগান্তরকে তিনি বলেন, সরকার দেশের অর্থনীতিকে সমৃদ্ধ করার জন্য এগিয়ে যাচ্ছে। কূটনীতিকভাবেও মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে সম্পর্ক বর্তমানে বেশ গতিশীল ও সক্রিয়। পররাষ্ট্রমন্ত্রী ও প্রতিমন্ত্রী মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র সফর করেছেন।</p>
<p>তিনি বলেন, বাংলাদেশ ও চীন উভয়ের একে অপরের প্রতি আগ্রহ আছে। দেশের অর্থনীতিকে পুনরুজ্জীবিত করা, কর্মসংস্থান সৃষ্টি করা, বিনিয়োগ বাড়ানো জন্য প্রধানমন্ত্রী মালয়েশিয়া ও চীন সফর করেছেন। গুরুত্বপূর্ণ সব সিদ্ধান্ত এসেছে সেখানে। বিনিয়োগে আগ্রহী করার জন্য ‘চীনা অর্থনৈতিক অঞ্চল’ সক্রিয় করা হচ্ছে। মোংলা বন্দরের আধুনিকায়নে তাদেরকে চাচ্ছি। তিস্তা প্রকল্পের সম্ভাব্যতা যাচাইয়ে চীন আগ্রহ দেখিয়েছে। চীনের রাষ্ট্রপতি শি জিনপিং চীন-মিয়ানমার-বাংলাদেশ অর্থনৈতিক করিডরের প্রস্তাব দিয়েছেন। এটি বেশ গুরুত্বপূর্ণ একটি প্রস্তাব। এটি বাস্তবায়নের পথে প্রতিবন্ধতা আছে। বিষয়টি নিয়ে বাংলাদেশ এগোতে চাইলে অভ্যন্তরীণ ও পররাষ্ট্রনীতি পরিচালনার সক্ষমতা আরও অনেক বৃদ্ধি করতে হবে।</p>
<p>সাবেক এই কূটনীতিক আরও বলেন, ভারতের সঙ্গে সম্পর্ক এখনো অনেকটা স্থবির হয়েই আছে। নির্বাচনের আগে ও পরে দুই দেশের সম্পর্কে যে গতি সঞ্চার হবে বলে আশা করা হচ্ছিল সেটি হয়নি। ৫ আগস্ট দিল্লিতে শেখ হাসিনার প্রেস কনফারেন্সকে ঘিরে নতুন ঝাঁকুনি এসেছে। তবে ঢাকায় ভারতের হাইকমিশনারের তৎপরতা, ব্রিকস সম্মেলন ও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে ভারতে সফরের দাওয়াত এবং তার সম্ভাব্য সফরকে কেন্দ্র করে দুই দেশের সম্পর্কের স্থবিরতায় কিছুটা পরিবর্তন হতে পারে। যুগান্তর</p>
]]></content:encoded>
					
					<wfw:commentRss>https://chtnews24.com/2026/08/17/%e0%a6%b8%e0%a6%b0%e0%a6%95%e0%a6%be%e0%a6%b0%e0%a7%87%e0%a6%b0-%e0%a6%9b%e0%a6%af%e0%a6%bc-%e0%a6%ae%e0%a6%be%e0%a6%b8-%e0%a6%aa%e0%a7%82%e0%a6%b0%e0%a7%8d%e0%a6%a4%e0%a6%bf%e0%a6%95%e0%a7%82/feed/</wfw:commentRss>
			<slash:comments>0</slash:comments>
		
		
			</item>
		<item>
		<title>রাঙ্গামাটির কাপ্তাই লেক বাঁচাতে অবৈধ দখলদারদের তালিকা চেয়েছেন হাইকোর্ট</title>
		<link>https://chtnews24.com/2026/08/17/%e0%a6%b0%e0%a6%be%e0%a6%99%e0%a7%8d%e0%a6%97%e0%a6%be%e0%a6%ae%e0%a6%be%e0%a6%9f%e0%a6%bf%e0%a6%b0-%e0%a6%95%e0%a6%be%e0%a6%aa%e0%a7%8d%e0%a6%a4%e0%a6%be%e0%a6%87-%e0%a6%b2%e0%a7%87%e0%a6%95-4/</link>
					<comments>https://chtnews24.com/2026/08/17/%e0%a6%b0%e0%a6%be%e0%a6%99%e0%a7%8d%e0%a6%97%e0%a6%be%e0%a6%ae%e0%a6%be%e0%a6%9f%e0%a6%bf%e0%a6%b0-%e0%a6%95%e0%a6%be%e0%a6%aa%e0%a7%8d%e0%a6%a4%e0%a6%be%e0%a6%87-%e0%a6%b2%e0%a7%87%e0%a6%95-4/#respond</comments>
		
		<dc:creator><![CDATA[adminchtnews24]]></dc:creator>
		<pubDate>Mon, 17 Aug 2026 02:35:14 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[first lead]]></category>
		<category><![CDATA[বিশেষ প্রতিবেদন]]></category>
		<category><![CDATA[রকমারি]]></category>
		<category><![CDATA[রাঙ্গামাটি]]></category>
		<category><![CDATA[শিরোনাম]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://chtnews24.com/?p=37630</guid>

					<description><![CDATA[শামসুল আলম:- রাঙ্গামাটির কাপ্তাই লেকের প্রকৃত সীমানা নির্ধারণে জরিপ করে লেকের ভেতরে থাকা অবৈধ দখলদার ও অবৈধ স্থাপনার মালিকদের নাম-ঠিকানাসহ তালিকা আদালতে দাখিলের নির্দেশ দিয়েছেন হাইকোর্ট। আগামী চার মাসের মধ্যে এ জরিপ শেষ করে প্রতিবেদন জমা দিতে বলা হয়েছে। রোববার (১৬ আগস্ট) বিচারপতি জে বি এম হাসান ও বিচারপতি আজিজ আহমদ ভূঞার সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট [&#8230;]]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[<p>শামসুল আলম:- রাঙ্গামাটির কাপ্তাই লেকের প্রকৃত সীমানা নির্ধারণে জরিপ করে লেকের ভেতরে থাকা অবৈধ দখলদার ও অবৈধ স্থাপনার মালিকদের নাম-ঠিকানাসহ তালিকা আদালতে দাখিলের নির্দেশ দিয়েছেন হাইকোর্ট। আগামী চার মাসের মধ্যে এ জরিপ শেষ করে প্রতিবেদন জমা দিতে বলা হয়েছে।<br />
রোববার (১৬ আগস্ট) বিচারপতি জে বি এম হাসান ও বিচারপতি আজিজ আহমদ ভূঞার সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ এক সম্পূরক আবেদনের শুনানি শেষে এ আদেশ দেন। আদালত প্রতিবেদন দাখিলের জন্য আগামী ৬ জানুয়ারি ২০২৭ তারিখ নির্ধারণ করেছেন।<br />
আদালতের নির্দেশ অনুযায়ী, কাপ্তাই লেকের প্রকৃত ম্যাপ অনুসরণ করে সীমানা জরিপ করতে হবে। এ কাজে রাঙ্গামাটির জেলা প্রশাসক ও জরিপ অধিদপ্তরের মহাপরিচালককে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। জরিপের মাধ্যমে লেকের সীমানার মধ্যে থাকা অবৈধ দখল ও স্থাপনা চিহ্নিত করে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের নাম-ঠিকানাসহ পূর্ণাঙ্গ প্রতিবেদন তৈরি করতে হবে।</p>
<p><img fetchpriority="high" decoding="async" class="alignnone size-medium wp-image-37631" src="https://chtnews24.com/wp-content/uploads/2026/08/4-5-300x169.webp" alt="" width="300" height="169" srcset="https://chtnews24.com/wp-content/uploads/2026/08/4-5-300x169.webp 300w, https://chtnews24.com/wp-content/uploads/2026/08/4-5-1024x576.webp 1024w, https://chtnews24.com/wp-content/uploads/2026/08/4-5-768x432.webp 768w, https://chtnews24.com/wp-content/uploads/2026/08/4-5.webp 1200w" sizes="(max-width: 300px) 100vw, 300px" /><br />
২০২২ সালের রিট থেকে নতুন নির্দেশ<br />
কাপ্তাই লেকের বিভিন্ন অংশ অবৈধভাবে দখল, মাটি ভরাট ও দূষণের অভিযোগ নিয়ে গণমাধ্যমে প্রতিবেদন প্রকাশের পর জনস্বার্থে হিউম্যান রাইটস অ্যান্ড পিস ফর বাংলাদেশ (এইচআরপিবি) হাইকোর্টে রিট করে। ওই রিটের পরিপ্রেক্ষিতে ২০২২ সালের ১৭ অক্টোবর হাইকোর্ট রুল জারি করেন।<br />
এরপর লেকের প্রকৃত সীমানা নির্ধারণ এবং অবৈধ দখলদারদের সুনির্দিষ্টভাবে শনাক্ত করার প্রয়োজন দেখা দেয়। এ বিষয়ে এইচআরপিবির পক্ষ থেকে সম্পূরক আবেদন করা হলে এবার আদালত জরিপ ও তালিকা তৈরির সুস্পষ্ট নির্দেশনা দেন।</p>
<p><img decoding="async" class="alignnone size-medium wp-image-37632" src="https://chtnews24.com/wp-content/uploads/2026/08/images-300x175.jpg" alt="" width="300" height="175" srcset="https://chtnews24.com/wp-content/uploads/2026/08/images-300x175.jpg 300w, https://chtnews24.com/wp-content/uploads/2026/08/images.jpg 512w" sizes="(max-width: 300px) 100vw, 300px" /><br />
কেন জরিপ গুরুত্বপূর্ণ?<br />
কাপ্তাই লেকের বিভিন্ন এলাকায় দখল করে বসতি, দোকানপাট ও বিভিন্ন স্থাপনা গড়ে ওঠার অভিযোগ দীর্ঘদিনের। তবে কোন অংশ প্রকৃতপক্ষে লেকের সীমানার মধ্যে এবং কোনটি ব্যক্তিমালিকানাধীন জমি—এ নিয়ে জটিলতা রয়েছে।<br />
আইনজীবী মনজিল মোরসেদের বক্তব্য অনুযায়ী, অনেক দখলদার বর্তমানে সংশ্লিষ্ট জমির মালিকানা দাবি করছেন। ফলে অবৈধ দখল উচ্ছেদ করতে প্রশাসনকে জটিলতার মুখে পড়তে হচ্ছে। প্রকৃত ম্যাপ অনুযায়ী জরিপ হলে লেকের সীমানা স্পষ্ট হবে এবং কারা অবৈধভাবে দখল করে আছেন, তা শনাক্ত করা সহজ হবে।<br />
আগেও হয়েছিল দখলদারদের তালিকা<br />
প্রকাশিত তথ্য অনুযায়ী, ২০১৯ সালে জাতীয় নদী রক্ষা কমিশন কাপ্তাই লেকের অবৈধ দখলদারদের একটি তালিকা তৈরি করেছিল। ওই তালিকায় রাঙ্গামাটি পৌর এলাকার ২২ জন এবং কাপ্তাই উপজেলার ৮ জনের নাম ছিল। তবে সরকারি প্রতিষ্ঠান ও রাজনৈতিক ব্যক্তিদের নাম ওই তালিকায় ছিল না বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।<br />
এ কারণে নতুন করে প্রকৃত সীমানা নির্ধারণ করে পূর্ণাঙ্গ তালিকা তৈরির হাইকোর্টের নির্দেশকে গুরুত্বপূর্ণ হিসেবে দেখা হচ্ছে।<br />
কাপ্তাই লেকের গুরুত্ব<br />
কাপ্তাই লেক শুধু রাঙ্গামাটির নয়, দেশের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ জলসম্পদ। কর্ণফুলী নদীতে জলবিদ্যুৎ উৎপাদনের জন্য বাঁধ নির্মাণের পর এ লেকের সৃষ্টি হয়। লেকটি রাঙ্গামাটি জেলার বিস্তীর্ণ এলাকা ছাড়াও খাগড়াছড়ির মহালছড়ি পর্যন্ত বিস্তৃত। প্রকাশিত তথ্য অনুযায়ী, এর আয়তন প্রায় ৬৮ হাজার ৮০০ হেক্টর।<br />
এই বিশাল জলভাণ্ডার ঘিরে স্থানীয় মানুষের জীবিকা, মৎস্যসম্পদ, নৌযোগাযোগ, পর্যটন এবং কাপ্তাই জলবিদ্যুৎ কেন্দ্রের কার্যক্রম প্রত্যক্ষভাবে জড়িত।</p>
<p><img decoding="async" class="alignnone size-medium wp-image-37635" src="https://chtnews24.com/wp-content/uploads/2026/08/16605623268_33c7fef256_b.jpg-300x199.webp" alt="" width="300" height="199" srcset="https://chtnews24.com/wp-content/uploads/2026/08/16605623268_33c7fef256_b.jpg-300x199.webp 300w, https://chtnews24.com/wp-content/uploads/2026/08/16605623268_33c7fef256_b.jpg-768x509.webp 768w, https://chtnews24.com/wp-content/uploads/2026/08/16605623268_33c7fef256_b.jpg.webp 1024w" sizes="(max-width: 300px) 100vw, 300px" /><br />
দখল বন্ধে এবার কতটা কার্যকর হবে?<br />
হাইকোর্টের নতুন নির্দেশের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ দিক হলো—এবার শুধু অভিযোগের ভিত্তিতে নয়, প্রকৃত সরকারি ম্যাপ ও মাঠ জরিপের মাধ্যমে লেকের সীমানা নির্ধারণ করা হবে। এরপর সেই সীমানার ভেতরে থাকা অবৈধ স্থাপনা ও দখলদারদের নাম-ঠিকানা আদালতের সামনে উপস্থাপন করতে হবে।<br />
এর ফলে দীর্ঘদিনের দখলদারিত্ব নিয়ে যে অস্পষ্টতা রয়েছে, তা অনেকটাই দূর হতে পারে। একই সঙ্গে তালিকা প্রকাশের পর অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ, দখলমুক্তকরণ এবং ভবিষ্যতে নতুন করে লেক দখল ঠেকাতে প্রশাসনিক পদক্ষেপ নেওয়ার সুযোগ তৈরি হবে।<br />
তবে শুধু তালিকা তৈরি করলেই কাপ্তাই লেক রক্ষা সম্ভব নয়। তালিকার ভিত্তিতে কার্যকর উচ্ছেদ, দখল বন্ধ, নতুন স্থাপনা নির্মাণে কঠোরতা এবং নিয়মিত নজরদারি নিশ্চিত করাও জরুরি।<br />
হাইকোর্টের এই নির্দেশ তাই কাপ্তাই লেক রক্ষার দীর্ঘদিনের দাবিতে একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ হিসেবে দেখা হচ্ছে। এখন নজর থাকবে—চার মাসের মধ্যে জরিপ কতটা নিরপেক্ষ ও সঠিকভাবে সম্পন্ন হয় এবং আগামী ৬ জানুয়ারি ২০২৭ আদালতে দাখিল করা প্রতিবেদনে প্রকৃত চিত্র কতটা উঠে আসে।</p>
]]></content:encoded>
					
					<wfw:commentRss>https://chtnews24.com/2026/08/17/%e0%a6%b0%e0%a6%be%e0%a6%99%e0%a7%8d%e0%a6%97%e0%a6%be%e0%a6%ae%e0%a6%be%e0%a6%9f%e0%a6%bf%e0%a6%b0-%e0%a6%95%e0%a6%be%e0%a6%aa%e0%a7%8d%e0%a6%a4%e0%a6%be%e0%a6%87-%e0%a6%b2%e0%a7%87%e0%a6%95-4/feed/</wfw:commentRss>
			<slash:comments>0</slash:comments>
		
		
			</item>
		<item>
		<title>পার্বত্য চট্টগ্রামকে ভারতভুক্তির দাবীতে আন্তর্জাতিক আদালতে যাবে চাকমা নেতৃবৃন্দ</title>
		<link>https://chtnews24.com/2026/08/17/%e0%a6%aa%e0%a6%be%e0%a6%b0%e0%a7%8d%e0%a6%ac%e0%a6%a4%e0%a7%8d%e0%a6%af-%e0%a6%9a%e0%a6%9f%e0%a7%8d%e0%a6%9f%e0%a6%97%e0%a7%8d%e0%a6%b0%e0%a6%be%e0%a6%ae%e0%a6%95%e0%a7%87-%e0%a6%ad%e0%a6%be%e0%a6%b0/</link>
					<comments>https://chtnews24.com/2026/08/17/%e0%a6%aa%e0%a6%be%e0%a6%b0%e0%a7%8d%e0%a6%ac%e0%a6%a4%e0%a7%8d%e0%a6%af-%e0%a6%9a%e0%a6%9f%e0%a7%8d%e0%a6%9f%e0%a6%97%e0%a7%8d%e0%a6%b0%e0%a6%be%e0%a6%ae%e0%a6%95%e0%a7%87-%e0%a6%ad%e0%a6%be%e0%a6%b0/#respond</comments>
		
		<dc:creator><![CDATA[adminchtnews24]]></dc:creator>
		<pubDate>Mon, 17 Aug 2026 02:20:07 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[first lead]]></category>
		<category><![CDATA[বিশেষ প্রতিবেদন]]></category>
		<category><![CDATA[রকমারি]]></category>
		<category><![CDATA[রাঙ্গামাটি]]></category>
		<category><![CDATA[শিরোনাম]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://chtnews24.com/?p=37627</guid>

					<description><![CDATA[মেহেদী হাসান পলাশ:- বাংলাদেশের পার্বত্য চট্টগ্রামকে ভারতভুক্তির দাবীতে হেগের আন্তর্জাতিক আদালতে(আইসিজে) যাবার সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেছেন ভারতীয় ও ভারতে অবস্থানরত বাংলাদেশী চাকমা সম্প্রদায়। গতকাল ( ১৫ আগস্ট) ভারতের ৮০তম স্বাধীনতা বার্ষিকীতে ১৯৪৭ সালে পার্বত্য চট্টগ্রামে ভারতীয় পতাকা উত্তোলনের ৮০তম বার্ষিকী উপলক্ষে আয়োজিত একটি ওয়েবিনারে এ সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেছেন ভারতীয় ও ভারত প্রবাসী বাংলাদেশী চাকমা নেতৃত্ব। ওয়েবিনারে [&#8230;]]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[<p>মেহেদী হাসান পলাশ:- বাংলাদেশের পার্বত্য চট্টগ্রামকে ভারতভুক্তির দাবীতে হেগের আন্তর্জাতিক আদালতে(আইসিজে) যাবার সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেছেন ভারতীয় ও ভারতে অবস্থানরত বাংলাদেশী চাকমা সম্প্রদায়। গতকাল ( ১৫ আগস্ট) ভারতের ৮০তম স্বাধীনতা বার্ষিকীতে ১৯৪৭ সালে পার্বত্য চট্টগ্রামে ভারতীয় পতাকা উত্তোলনের ৮০তম বার্ষিকী উপলক্ষে আয়োজিত একটি ওয়েবিনারে এ সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেছেন ভারতীয় ও ভারত প্রবাসী বাংলাদেশী চাকমা নেতৃত্ব।</p>
<p>ওয়েবিনারে মিজোরামের বিধায়ক এবং চাকমা স্বায়ত্তশাসিত জেলা পরিষদের (সিএডিসি) সদস্য রসিক মোহন চাকমা পার্বত্য চট্টগ্রামের পাকিস্তানভুক্তি চ্যালেঞ্জ করে এবং ভারতভুক্তির দাবীতে আন্তর্জাতিক বিচার আদালতে (আইসিজে) উত্থাপন করার প্রস্তাব দেন। তার এ প্রস্তাব হিউম্যানিটি প্রোটেকশন ফোরামের সভাপতি অধ্যাপক গৌতম চাকমা; অরুণাচল প্রদেশের চাকমা হাজং এল্ডার্স ফোরামের প্রীতিময় চাকমা এবং চাকমা ডেভেলপমেন্ট ফাউন্ডেশন অফ ইন্ডিয়ার প্রতিষ্ঠাতা সুহাস চাকমা এই প্রস্তাবটিকে সমর্থন করেন।</p>
<p>গৌতম চাকমার পিতা স্নেহ কুমার চাকমা ১৯৪৭ সালের ১৫ আগস্ট রাঙামাটিতে ভারতের পতাকা উত্তোলন করেছিলেন। ১৯৪৭ সালের ২১ আগস্ট পাকিস্তানের বেলুচ রেজিমেন্টের সৈন্যরা রাঙামাটিতে ওড়ানো ভারতের পতাকা নামিয়ে পাকিস্তানের পতাকা উত্তোলন করে।</p>
<p>অনুষ্ঠানের আয়োজক ও সঞ্চালক সুহাস চাকমা বাংলাদেশের পার্বত্য চট্টগ্রামের বাসিন্দা হলেও দীর্ঘদিন ধরে দিল্লীতে বসবাস করছেন। তার ভারতীয় নাগরিকত্বও রয়েছে। তিনি রাইটস অ্যান্ড রিস্কস অ্যানালাইসিস গ্রুপ (RRAG) নামে দিল্লিভিত্তিক এই মানবাধিকার গবেষণা ও থিঙ্ক-ট্যাংক সংস্থার পরিচালক, তিনি ভারতের জাতীয় মানবাধিকার কমিশনের (NHRC) মানবাধিকার কর্মী ও এনজিও বিষয়ক কোর গ্রুপের একজন সদস্য। এবং ‘এশিয়ান সেন্টার ফর হিউম্যান রাইটস’ (ACHR) এবং ‘চাকমা ডেভেলপমেন্ট ফাউন্ডেশন অব ইন্ডিয়া’ (CDFI)-সহ বেশ কয়েকটি অধিকার রক্ষা সংগঠনের সাথে যুক্ত আছেন। তিনি পার্বত্য চট্টগ্রামের বিচ্ছিন্নতাবাদীদের পক্ষে বিভিন্ন আন্তর্জাতিক ফোরাম ও স্যোশাল মিডিয়ায় সোচ্চার রয়েছেন।</p>
<p>ওয়েবিনারে চাকমা নেতারা বলেন, ১৯৪৭ সালের ভারতীয় স্বাধীনতা আইনে পার্বত্য চট্টগ্রামের মর্যাদা নির্দিষ্টভাবে নির্ধারণ করা হয়নি, যা ১৮৬০ সাল থেকে একটি পৃথক জেলা হিসেবে শাসিত হয়ে আসছিল।</p>
<p>তারা বলেন, সাইরিল র‍্যাডক্লিফের নেতৃত্বাধীন বেঙ্গল বাউন্ডারি কমিশন পার্বত্য চট্টগ্রামের প্রায় ৯৮.৫ শতাংশ জনসংখ্যা অমুসলিম হওয়া সত্ত্বেও এবং এই অঞ্চলের আদিবাসীদের বক্তব্য পেশ করার কোনো সুযোগ না দিয়েই অঞ্চলটিকে পূর্ব পাকিস্তানের অন্তর্ভুক্ত করেছে।</p>
<p>অনুষ্ঠানে সঞ্চালক সুহাস চাকমা বলেন “সিরিল র‍্যাডক্লিফের নেতৃত্বাধীন বেঙ্গল বাউন্ডারি কমিশন পার্বত্য চট্টগ্রামের প্রায় ৯৮.৫ শতাংশ জনসংখ্যা অমুসলিম হওয়া সত্ত্বেও এবং সেখানকার উপজাতিদের বক্তব্য পেশ করার কোনো সুযোগ না দিয়েই এটিকে পূর্ব পাকিস্তানকে প্রদান করে,” তিনি আরও বলেন, এই রায়কে ঘিরে ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপট এবং পার্বত্য চট্টগ্রাম ভারতের অংশ হওয়া উচিত ছিল—এই দাবির বিচার আন্তর্জাতিক বিচার আদালতে হওয়া উচিত।</p>
<p>এই চাকমা নেতা আরও বলেন, পার্বত্য চট্টগ্রামের মর্যাদা নিয়ে বিরোধ নিষ্পত্তির জন্য আন্তর্জাতিক আদালতে বিষয়টি উত্থাপন করার জোরালো যুক্তি ভারত সরকারের রয়েছে। তিনি এই অঞ্চলের উপজাতি জনগোষ্ঠীর আত্মনিয়ন্ত্রণের অধিকার লঙ্ঘনের বিষয়টি সমাধানের জন্য অন্যান্য রাষ্ট্রগুলোকেও আহ্বান জানিয়েছেন। ওয়েবিনারে অংশগ্রহণকারীরা ভারত সরকারসহ আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের সামনে চট্টগ্রাম পার্বত্য অঞ্চলের উপজাতি জনগোষ্ঠীর বিরুদ্ধে সংঘটিত মানবাধিকার লঙ্ঘনের অভিযোগগুলো তুলে ধরতে সম্মত হয়েছেন।</p>
<p>উল্লেখ্য, ১৯৪৭ সালে দ্বি-জাতি তত্ত্বের ভিত্তিতে ভারত ভাগ হলেও কলকাতা বন্দর রক্ষা ও ভারতের সেভেন সিস্টার্সের সাথে যোগাযোগের নাম করে বাংলার মুসলিম সংখ্যাগরিষ্ঠ অঞ্চল মুর্শিদাবাদ, মালদহ, নদীয়া, কুচবিহার, জলপাইগুড়ি, করিমগঞ্জ ও দিনাজপুর জেলার একটি অংশকে ভারতভূক্ত করে বাউন্ডারি কমিশন। অন্যদিকে মুসলিম লীগ চট্টগ্রাম বন্দরের নিরাপত্তার জন্য মুসলিম সংখ্যাগরিষ্ঠ না হওয়া সত্ত্বেও তাকে পূর্ব পাকিস্তানের সাথে অন্তর্ভূক্ত করার দাবি জানায়।Geographic Reference</p>
<p>সেসময় স্নেহ কুমার চাকমার নেতৃত্বে পার্বত্য চট্টগ্রামের চাকমা নেতৃত্ব পার্বত্য চট্টগ্রামকে ভারতের অন্তর্ভূক্ত করার জন্য জওহার লাল নেহেরু ও সরদার বল্লভভাই প্যাটলের নিকট দাবী জানাতে থাকে। এ নিয়ে মাউন্টব্যাটেন ও বাউন্ডারি কমিশনের প্রধান স্যার সিরিল রাড ক্লিফের সামনে মুসলিম লীগ ও কংগ্রেস নেতাদের মধ্যে বচসা হয়। কিন্তু মুসলিম লীগ নেতারা উল্লিখিত পরিবর্তনগুলোর উদাহরণ দেখিয়ে কোনোভাবেই পার্বত্য চট্টগ্রামের ভারতভুক্তির দাবী গ্রহণ করেনি।</p>
<p>তাদের মতে, পার্বত্য চট্টগ্রাম ভারতে গেলে ভারতীয় সীমানা চট্টগ্রাম বন্দরের এতো নিকটে চলে আসে যে, বন্দরটির নিরাপত্তা চরম সঙ্কটে পড়ে। মুসলিম লীগের এই অনমনীয় মনোভাবের কারণে কংগ্রেস নেতারা পাঞ্জারের গুরুদাসপুর ও ফিরোজপুর জেলা এবং পূর্ব পাকিস্তানের দিনাজপুর জেলার একটি বড় অংশ পার্বত্য চট্টগ্রামের সাথে বিনিময় করার প্রস্তাব দেয়। গুরুদাসপুর কাশ্মীরের সাথে এবং দিনাজপুর সেভেন সিস্টার্সের সাথে যোগাযোগের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ছিল। মুসলিম লীগ এ প্রস্তাব মেনে নিলে পশ্চিম ও পূর্ব পাকিস্তানের তিনটি অংশের বিনিময়ে পার্বত্য চট্টগ্রাম পাকিস্তানের ভাগে পড়ে যা ১৯৭১ সাথে বাংলাদেশের অবিচ্ছেদ্য ভূখণ্ড হিসেবে পরিগণিত হয়।</p>
<p>তবে চতুর কংগ্রেস নেতৃবৃন্দ এই বিনিময় প্রস্তাব মেনে নিলেও স্নেহকুমার চাকমাসহ উপস্থিত চাকমা নেতৃত্বকে পার্বত্য চট্টগ্রামের ভারতভুক্তির দাবী জানাতে এবং সেখানে ভারতে পতাকা উড়িয়ে দেয়ার পরামর্শ দেন। সে মোতাবেক স্নেহকুমার চাকমার নেতৃত্বে রাঙামাটিতে ১৯৪৭ সালের ১৫ আগস্ট ভারতের পতাকা উত্তোলন করেন। ১৭ আগস্ট বাউন্ডারি কমিশনের রিপোর্ট প্রকাশিত হলে জানা যায় পার্বত্য চট্টগ্রাম পকিস্তানের ভাগে পড়েছে।<br />
এরপর ১৯৪৭ সালের ২১ আগস্ট পাকিস্তানের বেলুচ রেজিমেন্টের সৈন্যরা, কারো মতে, ইস্ট পাকিস্তান রাইফেলস রাঙামাটিতে ওড়ানো ভারতের পতাকা নামিয়ে পাকিস্তানের পতাকা উত্তোলন করে। কিন্তু চাকমা সম্প্রদায়ের একাংশ এটা এখনো মেনে নিতে পারেনি। এ কারণে বাংলাদেশ ও ভারতের চাকমা সম্প্রদায়ের একাংশ এ দিনকে ব্লাক ডে বা কালো দিবস বলে পালন করে। লেখকঃ সিনিয়র সাংবাদিক, গবেষক, রাজনৈতিক বিশ্লেষক, সম্পাদক পার্বত্যনিউজ। পার্বত্যনিউজ</p>
]]></content:encoded>
					
					<wfw:commentRss>https://chtnews24.com/2026/08/17/%e0%a6%aa%e0%a6%be%e0%a6%b0%e0%a7%8d%e0%a6%ac%e0%a6%a4%e0%a7%8d%e0%a6%af-%e0%a6%9a%e0%a6%9f%e0%a7%8d%e0%a6%9f%e0%a6%97%e0%a7%8d%e0%a6%b0%e0%a6%be%e0%a6%ae%e0%a6%95%e0%a7%87-%e0%a6%ad%e0%a6%be%e0%a6%b0/feed/</wfw:commentRss>
			<slash:comments>0</slash:comments>
		
		
			</item>
		<item>
		<title>সরকারি শিশু নিবা ২১৭ কোটি টাকার অনিয়ম</title>
		<link>https://chtnews24.com/2026/08/15/%e0%a6%b8%e0%a6%b0%e0%a6%95%e0%a6%be%e0%a6%b0%e0%a6%bf-%e0%a6%b6%e0%a6%bf%e0%a6%b6%e0%a7%81-%e0%a6%a8%e0%a6%bf%e0%a6%ac%e0%a6%be-%e0%a7%a8%e0%a7%a7%e0%a7%ad-%e0%a6%95%e0%a7%8b%e0%a6%9f%e0%a6%bf/</link>
					<comments>https://chtnews24.com/2026/08/15/%e0%a6%b8%e0%a6%b0%e0%a6%95%e0%a6%be%e0%a6%b0%e0%a6%bf-%e0%a6%b6%e0%a6%bf%e0%a6%b6%e0%a7%81-%e0%a6%a8%e0%a6%bf%e0%a6%ac%e0%a6%be-%e0%a7%a8%e0%a7%a7%e0%a7%ad-%e0%a6%95%e0%a7%8b%e0%a6%9f%e0%a6%bf/#respond</comments>
		
		<dc:creator><![CDATA[adminchtnews24]]></dc:creator>
		<pubDate>Sat, 15 Aug 2026 05:24:49 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[Second lead]]></category>
		<category><![CDATA[অপরাধ-অনুসন্ধান]]></category>
		<category><![CDATA[বিশেষ প্রতিবেদন]]></category>
		<category><![CDATA[শিরোনাম]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://chtnews24.com/?p=37592</guid>

					<description><![CDATA[ডেস্ক রির্পোট:- সরকারি শিশু পরিবার এবং ছোটমণি নিবাস নির্মাণ প্রকল্পে অনিয়মের অভিযোগ উঠেছে। এতিম ও বাবা-মায়ের স্নেহবঞ্চিত শিশুদের অধিকার নিশ্চিত, নিরাপদ আবাসন ও জীবনমান উন্নয়নের লক্ষ্যে ২০১৮ সালে হাতে নেয়া হয়েছিল এই প্রকল্প। তিন বছর মেয়াদি প্রকল্পের কাজ ২০২১ সালে শেষ হওয়ার কথা থাকলেও আজও শেষ হয়নি। উল্টো দফায় দফায় বেড়েছে প্রকল্প ব্যয়। আর এই [&#8230;]]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[<p>ডেস্ক রির্পোট:- সরকারি শিশু পরিবার এবং ছোটমণি নিবাস নির্মাণ প্রকল্পে অনিয়মের অভিযোগ উঠেছে। এতিম ও বাবা-মায়ের স্নেহবঞ্চিত শিশুদের অধিকার নিশ্চিত, নিরাপদ আবাসন ও জীবনমান উন্নয়নের লক্ষ্যে ২০১৮ সালে হাতে নেয়া হয়েছিল এই প্রকল্প। তিন বছর মেয়াদি প্রকল্পের কাজ ২০২১ সালে শেষ হওয়ার কথা থাকলেও আজও শেষ হয়নি। উল্টো দফায় দফায় বেড়েছে প্রকল্প ব্যয়। আর এই ৩৮৫ কোটি টাকার প্রকল্প ব্যয়ের মধ্যে ২১৭ কোটি টাকার অনিয়মের অভিযোগ উঠেছে খোদ মন্ত্রণালয়ের অভ্যন্তরীণ অডিট প্রতিবেদনে। যার ভিত্তিতে তদন্তপূর্বক প্রতিবেদন দেয়ার নির্দেশনা জারি করেছে মন্ত্রণালয়। এরপরও গত ১৩ই মে একনেক সভায় আবারো প্রকল্পটির প্রাক্কলিত ব্যয় বৃদ্ধি করে জুন ২০২৮ পর্যন্ত সময় বাড়ানো হয়েছে।</p>
<p>শিশুদের পরিচর্যা, নিরাপত্তা, শিক্ষা ও প্রয়োজনীয় প্রশিক্ষণ প্রদানের মাধ্যমে সুনাগরিক হিসেবে গড়ে তোলার জন্য ২০১৮ সালের জুলাইয়ে ২৯৬ কোটি ৭১ লাখ ৯১ হাজার টাকা ব্যয়ে এই প্রকল্পটির অনুমোদিত করে তৎকালীন সরকার। সমাজসেবা অধিদপ্তর ও খুলনা শিপইয়ার্ড লিমিটেড যৌথভাবে কাজ করা এই প্রকল্পটি ২০২১ সালের জুনের মধ্যে শেষ হওয়ার কথা ছিল। কিন্তু পরে ব্যয় বাড়িয়ে ৩৮৫ কোটি ২০ লাখ ৬৪ হাজার টাকা নির্ধারণ করে মেয়াদ বাড়িয়ে ২০২৪ সাল পর্যন্ত করা হয়। পরবর্তীতে আবারও সময় বৃদ্ধি করে ২০২৬ সালের জুন পর্যন্ত করা হয়। ১৯টি উপজেলা ও সিটি করপোরেশন এলাকায় এই প্রকল্প ৩ বছরে বাস্তবায়নের লক্ষ্য থাকলেও ৮ বছর পার হয়ে গেলেও প্রকল্পের কাজ এখনো সম্পন্ন হয়নি।</p>
<p>অডিট অনুযায়ী, গত ৮ বছর ধরে চলা এই প্রকল্পের অর্থ ব্যবস্থাপনা, কাজের অগ্রগতি যাচাই, ক্রয় প্রক্রিয়া, কর-ভ্যাট আদায়ের মতো প্রতিটি স্তরেই গুরুতর অনিয়মের তথ্য পাওয়া গেছে। বর্তমানে প্রকল্পটির ১৯টি কেন্দ্রের মধ্যে ১৩টির নির্মাণ কাজ চলমান। পূর্ত কাজের অগ্রগতি ৭০ শতাংশ এবং আর্থিক অগ্রগতি ৬৮ দশমিক ৪৯ শতাংশ। এর অনেক খাতে ঠিক কত টাকা খরচ করা হয়েছে তারও কোনো সঠিক হিসাব পাইনি অডিট দল। নথি বলছে, প্রকল্পের ৬৬ কোটি ৮২ লাখ ৭৩ হাজার টাকা ব্যয়ের বিপরীতে কোনো বিল-ভাউচার বা প্রয়োজনীয় হিসাব-নথি নিরীক্ষা দলকে সরবরাহ করা হয়নি। অর্থাৎ এই বিপুল অঙ্কের টাকা কোথায়, কীভাবে এবং কার মাধ্যমে ব্যয় হয়েছে, তার কোনো যাচাইযোগ্য প্রমাণ নেই। ফলে প্রকল্পের একটি বড় অংশের ব্যয় পুরোপুরি অস্বচ্ছ। একইভাবে কাজের বাস্তব অগ্রগতি যাচাইয়ের মূল নথি মেজারমেন্ট বুক (এমবি) ছাড়াই ৫ কোটি ৫২ লাখ ৯২ হাজার ৯১৬ টাকার বিল পরিশোধ করা হয়ে ছে। মেজারমেন্ট বুক না থাকায় প্রকৃত কাজের পরিমাণ নির্ধারণ করা যায়নি। ফলে অর্থ ছাড়ের যৌক্তিকতাও প্রশ্নবিদ্ধ। অডিটে নির্মাণ খাতেও বড় ধরনের অসামঞ্জস্য ধরা পড়েছে। তিনটি ভবনের মধ্যে দু’টির কাজ সম্পন্ন না হলেও ১৩ কোটি ১৭ লাখ ১১ হাজার ৯৮ টাকা বিল পরিশোধ করা হয়েছে। অন্যদিকে আরেকটির ক্ষেত্রে কাজের অগ্রগতির তুলনায় ৪ কোটি ৮৩ লাখ ১০ হাজার ৫৬৮ টাকা অতিরিক্ত বা আগাম পরিশোধের তথ্য মিলেছে।</p>
<p>এদিকে ইন্টেরিয়র ডিজাইনের কাজ আংশিক সম্পন্ন হলেও পুরো কাজের বিপরীতে ২ লাখ ৯৪ হাজার ৩২৩ টাকা পরিশোধ করা হয়েছে। নিয়ম অনুযায়ী চেকের মাধ্যমে সরবরাহকারীকে অর্থ পরিশোধ না করে ২ লাখ ৪০ হাজার ৬৩৮ টাকা দেয়া হয়েছে, যা সরকারি আর্থিক বিধির সরাসরি লঙ্ঘন। ক্রয় প্রক্রিয়াতেও অনিয়মের প্রমাণ মিলেছে। ১৪ লাখ ১৭ হাজার টাকার একটি ক্রয়ে দরপত্র মূল্যায়ন ও কোটেশন যাচাই যথাযথভাবে অনুসরণ করা হয়নি। এতে প্রতিযোগিতামূলক ক্রয় প্রক্রিয়ার স্বচ্ছতা ক্ষুণ্ন হয়েছে বলে মনে করছে অডিট কর্তৃপক্ষ। প্রকল্পটির সবচেয়ে বড় বিতর্কিত অংশ হলো ১১৫ কোটি ৮৭ লাখ ৫০ হাজার ৫০০ টাকার একটি কাজ। ভবন নির্মাণে অভিজ্ঞতা না থাকা একটি নৌযান নির্মাণ ও মেরামতকারী প্রতিষ্ঠানকে ডেলিগেটেড ওয়ার্কস পদ্ধতিতে এই কাজ দেয়া হয়। চুক্তিভিত্তিক অফিস ভাড়ার ক্ষেত্রেও অসঙ্গতি পাওয়া গেছে। প্রকৃত আয়তনের চেয়ে বেশি স্পেস দেখিয়ে ভাড়া পরিশোধ করায় ১ লাখ ৩১ হাজার ৫২০ টাকার আর্থিক ক্ষতি করা হয়েছে।</p>
<p>তবে এসব বিষয়ে সরকারি শিশু পরিবার এবং ছোটমণি নিবাস নির্মাণ/পুনঃনির্মাণ প্রকল্পের দায়িত্বে থাকা প্রকল্প পরিচালক ও সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয়ের উপসচিব মো. বরকাতুর রহমান বলেন, প্রকল্পের এক অংশ বাস্তবায়ন করছে সমাজসেবা অধিদপ্তর ও অপর অংশ খুলনা শিপইয়ার্ড। খুলনা শিপইয়ার্ড মোট প্রকল্প ব্যয়ের মধ্যে ২৯৬ কোটি টাকার কাজ করছে। আর ২১৬ কোটি টাকার যে অডিট আপত্তি এসেছে সেটা তাদের ব্যয়ের অংশ। সেখানে আমার বা সমাজসেবা অধিদপ্তরের কোনো অনিয়ম নেই। তিনি বলেন, আমার অংশে যতটুকু আপত্তি এসেছিল তা আমি নিষ্পত্তি করে ফেলেছি। মেজারমেন্ট বুকে উল্লেখ ছাড়া ব্যয় বা সরাসরি টাকা পরিশোধের বিষয়ে তিনি বলেন, এগুলো সব কিছু খুলনা শিপইয়ার্ড করেছে। ‘কিন্তু একটা প্রকল্পে পিডি’র অনুমতি ছাড়া কিছুই হয় না’-এমন প্রশ্নের উত্তরে তিনি বলেন, আমি নামে মাত্র পিডি’র দায়িত্বে আছি। বাকি সব কিছু খুলনা শিপইয়ার্ড করছে। আমাদের তারা কোনো তোয়াক্কা করে না। তারা তাদের মতো কাজ করছে।</p>
<p>এ বিষয়ে পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়ের সাবেক সচিব মো. মামুন আল রশিদ বলেন, এটা প্রকিউরমেন্ট আইনের স্পষ্ট লঙ্ঘন। কাজ শতভাগ শেষ হওয়ার আগে কোনোভাবেই বিল পরিশোধের সুযোগ নেই। এখানে যেটা হয়েছে তা অন্যায়। এতে অসৎ উদ্দেশ্য থাকতে পারে।</p>
<p>এদিকে গত ২৩শে জুলাই এনইসি-একনেক ও সমন্বয় অনুবিভাগের সহকারী সচিব হাবিবুর রহমান স্বাক্ষরিত এক অফিস আদেশে সরকারি শিশু পরিবার এবং ছোটমণি নিবাস নির্মাণ/পুনঃনির্মাণ প্রকল্পের অনিয়মের বিষয়ে জরুরি ভিত্তিতে তদন্তপূর্বক একটি প্রতিবেদন প্রদানের নির্দেশনা জারি করা হয়েছে। এ বিষয়ে সহকারী সচিব হাবিবুর রহমান বলেন, অনিয়মের বিষয়ে জানতে পেয়ে আমরা তদন্তের নির্দেশ দিয়েছি। এখন এটা পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়ের বাস্তবায়ন পরিবীক্ষণ ও মূল্যায়ন বিভাগের অধীনে আছে। তারাই বিষয়টি নিয়ে কাজ করছে।</p>
]]></content:encoded>
					
					<wfw:commentRss>https://chtnews24.com/2026/08/15/%e0%a6%b8%e0%a6%b0%e0%a6%95%e0%a6%be%e0%a6%b0%e0%a6%bf-%e0%a6%b6%e0%a6%bf%e0%a6%b6%e0%a7%81-%e0%a6%a8%e0%a6%bf%e0%a6%ac%e0%a6%be-%e0%a7%a8%e0%a7%a7%e0%a7%ad-%e0%a6%95%e0%a7%8b%e0%a6%9f%e0%a6%bf/feed/</wfw:commentRss>
			<slash:comments>0</slash:comments>
		
		
			</item>
		<item>
		<title>ইসলামী ব্যাংক দখল ও শেয়ার কেলেঙ্কারি, বিএফআইইউ’র তদন্তে সাহাবুদ্দিনসহ ২১ জনের সংশ্লিষ্টতার প্রমাণ,বুধবার হাইকোর্টে মামলার শুনানি</title>
		<link>https://chtnews24.com/2026/07/26/%e0%a6%87%e0%a6%b8%e0%a6%b2%e0%a6%be%e0%a6%ae%e0%a7%80-%e0%a6%ac%e0%a7%8d%e0%a6%af%e0%a6%be%e0%a6%82%e0%a6%95-%e0%a6%a6%e0%a6%96%e0%a6%b2-%e0%a6%93-%e0%a6%b6%e0%a7%87%e0%a6%af%e0%a6%bc%e0%a6%be/</link>
					<comments>https://chtnews24.com/2026/07/26/%e0%a6%87%e0%a6%b8%e0%a6%b2%e0%a6%be%e0%a6%ae%e0%a7%80-%e0%a6%ac%e0%a7%8d%e0%a6%af%e0%a6%be%e0%a6%82%e0%a6%95-%e0%a6%a6%e0%a6%96%e0%a6%b2-%e0%a6%93-%e0%a6%b6%e0%a7%87%e0%a6%af%e0%a6%bc%e0%a6%be/#respond</comments>
		
		<dc:creator><![CDATA[adminchtnews24]]></dc:creator>
		<pubDate>Sun, 26 Jul 2026 03:14:54 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[Second lead]]></category>
		<category><![CDATA[জাতীয়]]></category>
		<category><![CDATA[বাংলাদেশ]]></category>
		<category><![CDATA[বিশেষ প্রতিবেদন]]></category>
		<category><![CDATA[শিরোনাম]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://chtnews24.com/?p=37491</guid>

					<description><![CDATA[ডেস্ক রির্পোট:- দেশের বৃহত্তম শরীয়াহভিত্তিক আর্থিক প্রতিষ্ঠান ইসলামী ব্যাংক বাংলাদেশ পিএলসি’র নিয়ন্ত্রণ, দখল, শেয়ার কেলেঙ্কারি, জালিয়াতি ও আত্মসাতের অভিযোগে সাবেক প্রেসিডেন্ট মো. সাহাবুদ্দিনসহ ২১ জনের সংশ্লিষ্টতার প্রমাণ মিলেছে তদন্তে। এই অভিযোগে এস আলম গ্রুপের চেয়ারম্যান মোহাম্মদ সাইফুল আলম (এস. আলম) এবং ব্রিলিয়ান্ট বিজনেস কোম্পানি লিমিটেডের চেয়ারম্যান-ব্যবস্থাপনা পরিচালকসহ মোট ২১ জনের বিরুদ্ধে ফৌজদারি মামলা হয়েছিল ২০২৪ [&#8230;]]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[<p>ডেস্ক রির্পোট:- দেশের বৃহত্তম শরীয়াহভিত্তিক আর্থিক প্রতিষ্ঠান ইসলামী ব্যাংক বাংলাদেশ পিএলসি’র নিয়ন্ত্রণ, দখল, শেয়ার কেলেঙ্কারি, জালিয়াতি ও আত্মসাতের অভিযোগে সাবেক প্রেসিডেন্ট মো. সাহাবুদ্দিনসহ ২১ জনের সংশ্লিষ্টতার প্রমাণ মিলেছে তদন্তে। এই অভিযোগে এস আলম গ্রুপের চেয়ারম্যান মোহাম্মদ সাইফুল আলম (এস. আলম) এবং ব্রিলিয়ান্ট বিজনেস কোম্পানি লিমিটেডের চেয়ারম্যান-ব্যবস্থাপনা পরিচালকসহ মোট ২১ জনের বিরুদ্ধে ফৌজদারি মামলা হয়েছিল ২০২৪ সালের অক্টোবরে। ওই মামলার তদন্ত চেয়ে উচ্চ আদালতে রিট হয়েছিল। রিটের শুনানি নিয়ে ঘটনা তদন্তের নির্দেশ দিয়েছিলেন হাইকোর্ট। নির্দেশনা অনুযায়ী দীর্ঘ তদন্ত শেষে বাংলাদেশ ব্যাংকের আর্থিক গোয়েন্দা বিভাগ (বিএফআইইউ) উচ্চ আদালতে প্রতিবেদন জমা দেয়। ওই প্রতিবেদনে সাবেক প্রেসিডেন্ট সাহাবুদ্দিনসহ আসামিদের সংশ্লিষ্টতার বিষয় উল্লেখ করা হয়। প্রতিবেদনের ওপর বুধবার হাইকোর্টে শুনানি হওয়ার কথা রয়েছে।<br />
এতে চারটি স্বাধীন নিরীক্ষা প্রতিষ্ঠানের অনুসন্ধানে অন্য আসামিদের সঙ্গে সাবেক প্রেসিডেন্ট সাহাবুদ্দিনের সংশ্লিষ্টতার তথ্য উল্লেখ করা হয়েছে এবং সেগুলো লন্ডনভিত্তিক একটি ফরেনসিক প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে যাচাইয়ের কথাও বলা হয়েছে। পরে এসব প্রতিবেদন যাচাই-বাছাই করে লন্ডনভিত্তিক ফরেনসিক প্রতিষ্ঠান অনুমোদন দিয়েছে বলেও উল্লেখ করা হয়েছে।বাংলাদেশ সংবাদ</p>
<p>আদালতে দাখিল করা বিএফআইইউ’র ৪২ পৃষ্ঠার প্রতিবেদনে জেএমসি বিল্ডার্সের মাধ্যমে ব্যাংকের শেয়ার নিয়ন্ত্রণ এবং এস আলম গ্রুপের স্বার্থ রক্ষায় সাবেক প্রেসিডেন্ট মো. সাহাবুদ্দিনের ভূমিকা ছিল বলে অভিযোগ উল্লেখ করা হয়েছে। তদন্তসংশ্লিষ্ট তথ্যে বলা হয়েছে, ২০১৭ সালে সরকারের প্রত্যক্ষ মদতে এস আলম গ্রুপ ব্যাংক কোম্পানি আইনের বিভিন্ন বিধান লঙ্ঘন করে ইসলামী ব্যাংকের প্রায় ৮২ শতাংশ শেয়ারের নিয়ন্ত্রণ নেয়। ওই সময় জেএমসি বিল্ডার্সের প্রতিনিধি হিসেবে মো. সাহাবুদ্দিনকে পরিচালনা পর্ষদে অন্তর্ভুক্ত করা হয়। পরে তিনি ব্যাংকের ভাইস চেয়ারম্যানের দায়িত্ব পালন করেন এবং প্রেসিডেন্ট হওয়ার আগে ওই পদ থেকে সরে দাঁড়ান। প্রতিবেদনে আরও দাবি করা হয়েছে, জেএমসি বিল্ডার্স ব্যাংক থেকে জালিয়াতির মাধ্যমে অর্থ বের করে সেই অর্থ দিয়েই পুনরায় ব্যাংকের শেয়ার কিনেছিল। একইসঙ্গে পরিচালনা পর্ষদে থেকে এস আলম গ্রুপের বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের নামে হাজার হাজার কোটি টাকার ঋণ অনুমোদনের মাধ্যমেও ব্যাংকটিকে আর্থিক সংকটে ফেলা হয় বলে অভিযোগ রয়েছে।</p>
<p>সেমিকন্ডাক্টর হতে পারে বাংলাদেশের আরেকটি অর্থনৈতিক গন্তব্য<br />
এদিকে, সাবেক প্রেসিডেন্টের বিরুদ্ধে মামলার বিচারিক প্রক্রিয়া, সাংবিধানিক সুরক্ষা এবং আইনি অবস্থান নিয়ে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে। বর্তমানে মামলাটি আদালতে বিচারাধীন রয়েছে। মামলাটি নিয়ে এতোদিন তেমন কোনো আলোচনাও ছিল না।অনলাইন সংবাদপত্র</p>
<p>এ বিষয়ে গতকাল ‘অধিকার’ এর অনুষ্ঠানে সাবেক প্রেসিডেন্টের বিরুদ্ধে মামলার বিচারিক প্রক্রিয়া নিয়ে প্রশ্ন করা হলে আইনমন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান বলেন, আইনে যখন ব্যাখ্যার প্রয়োজন আসবে তখন দেখা যাবে। এখনই এ বিষয়ে কিছু বলার সময় হয়নি। তিনি আরও বলেন, প্রেসিডেন্টের জন্য আইনে কিছু সুরক্ষা রয়েছে, বিষয়টি যাচাই-বাছাই করে প্রয়োজনীয় সিদ্ধান্ত নেয়া হবে। এ বিষয়ে ইসলামী ব্যাংককে আইনি সহায়তা দানকারী আইনজীবী ব্যারিস্টার এম. আব্দুল কাইয়ুম মানবজমিনকে বলেন, ইসলামী ব্যাংকের শেয়ারসংক্রান্ত মামলার শুনানি বর্তমানে হাইকোর্টে চলমান রয়েছে এবং আগামী বুধবার মামলার পরবর্তী শুনানির দিন ধার্য রয়েছে। তিনি বলেন, ইসলামী ব্যাংকের হাজার হাজার কোটি টাকা আত্মসাৎ, বিশ্বাস ভঙ্গ ও জালিয়াতির অভিযোগে ব্যাংক কর্তৃপক্ষ ২০২৫ সালে সাবেক প্রেসিডেন্ট সাহাবুদ্দিনসহ ২১ জনের বিরুদ্ধে মামলা করে এবং আদালত মামলার তদন্তের নির্দেশ দিয়েছেন। বিষয়টি বর্তমানে আদালতের বিচারাধীন রয়েছে।</p>
<p>ইসলামী ব্যাংক বাংলাদেশ পিএলসি’র নিয়ন্ত্রণ গ্রহণ, শেয়ার জালিয়াতি, প্রতারণা, বিশ্বাস ভঙ্গ ও অর্থ আত্মসাতের অভিযোগে ঢাকার সিনিয়র স্পেশাল জজ আদালতে ২০২৫ সালে দায়ের হওয়া মামলায় সাবেক প্রেসিডেন্ট মো. সাহাবুদ্দিন, এস আলম গ্রুপের চেয়ারম্যান মোহাম্মদ সাইফুল আলম (এস আলম), ব্রিলিয়ান্ট বিজনেস কোম্পানি লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক আবদুল ওয়াহেদ, চেয়ারম্যান মিরফাত আরা বেগমসহ মোট ২১ জনকে আসামি করা হয়। ব্যাংকের পক্ষে ক্ষমতাপ্রাপ্ত প্রতিনিধি ও সিনিয়র অফিসার আবদুচ ছামাদ বাদী হয়ে মামলাটি দায়ের করেন। মামলাটি সি.আর. মামলা নং-১০২/২০২৫। এতে দণ্ডবিধির ৪০৯, ৪২০, ৪৬৭, ৪৬৮, ৪৭১, ৪৭৭এ, ৩৪ ও ১০৯ ধারাসহ সংশ্লিষ্ট আইনের বিভিন্ন ধারায় অভিযোগ আনা হয়েছে। মামলার অভিযোগে বলা হয়েছে, পরিকল্পিতভাবে জালিয়াতি, প্রতারণা, জাল দলিল সৃষ্টি, হিসাব জালিয়াতি ও ফৌজদারি বিশ্বাস ভঙ্গের মাধ্যমে ইসলামী ব্যাংকের নিয়ন্ত্রণ দখল করে জনগণের হাজার হাজার কোটি টাকার আর্থিক ক্ষতি করা হয়েছে।বাংলাদেশ সংবাদ</p>
<p>মহাকাশে হত্যা রহস্য উন্মোচন হবে কীভাবে!<br />
মামলার এজাহারে উল্লেখ করা হয়, ২০১৭ সালে এস আলম গ্রুপের পরিকল্পনা ও প্রত্যক্ষ মদতে ব্রিলিয়ান্ট বিজনেস কোম্পানি লিমিটেডসহ মোট ২৪টি প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে ইসলামী ব্যাংকের প্রায় ৮১ দশমিক ৯২ শতাংশ শেয়ার অধিগ্রহণ করা হয়। অভিযোগ অনুযায়ী, এসব প্রতিষ্ঠানের অধিকাংশই এস আলম গ্রুপের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট ছিল এবং সমন্বিতভাবে ব্যাংকের মালিকানা ও পরিচালনা পর্ষদের নিয়ন্ত্রণ গ্রহণ করে। এজাহারে আরও বলা হয়েছে, মাত্র ৮ লাখ টাকা পরিশোধিত মূলধন থাকা ব্রিলিয়ান্ট বিজনেস কোম্পানি লিমিটেড প্রায় ২৫১ কোটি টাকা মূল্যের ৭ কোটি ৭৫ লাখ ৩৬ হাজার ৩৯৩টি শেয়ার ক্রয় করে, যা প্রতিষ্ঠানটির আর্থিক সক্ষমতার সঙ্গে অসামঞ্জস্যপূর্ণ। অভিযোগে বলা হয়েছে, এই শেয়ার ক্রয় পূর্বপরিকল্পিত প্রতারণা এবং অবৈধ অর্থায়নের মাধ্যমে সম্পন্ন করা হয়।</p>
<p>মর্গের লাশ থেকেও টাকা আদায়<br />
মামলার নথিতে উল্লেখ করা হয়েছে, সংশ্লিষ্ট ২৪টি প্রতিষ্ঠানের মধ্যে ১৬টির হিসাব ছিল ইউনিয়ন ব্যাংক পিএলসিতে, চারটির হিসাব ফার্স্ট সিকিউরিটি ইসলামী ব্যাংক পিএলসিতে এবং কয়েকটির হিসাব ছিল কমার্শিয়াল ব্যাংক অব সিলন (বাংলাদেশ)-এ। তদন্তে ধারণা করা হয়েছে, এসব হিসাবের মাধ্যমে শেয়ার ক্রয়ের অর্থের জোগান দেয়া হয় এবং ইসলামী ব্যাংকের নিজস্ব অর্থও বিভিন্ন কৌশলে ব্যবহার করা হয়। অভিযোগে আরও বলা হয়েছে, শেয়ার অধিগ্রহণের পর অভিযুক্তদের মনোনীত ব্যক্তিদের পরিচালনা পর্ষদে পরিচালক হিসেবে নিয়োগ দেয়া হয়। অথচ তাদের অনেকেই যে প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধি হিসেবে পরিচালক হন, সেই প্রতিষ্ঠানের কোনো শেয়ারের মালিক ছিলেন না। ফলে পরিচালক নিয়োগের বৈধতা ও উদ্দেশ্য নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। মামলায় আরও অভিযোগ করা হয়েছে, পরিচালনা পর্ষদের নিয়ন্ত্রণ নেয়ার পর এস আলম গ্রুপসংশ্লিষ্ট বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের নামে বিপুল অঙ্কের ঋণ ও বিনিয়োগ অনুমোদন দেয়া হয়। পরবর্তীতে ওই অর্থ আত্মসাৎ ও বিদেশে পাচার করা হয়েছে বলেও এজাহারে উল্লেখ করা হয়েছে।</p>
<p>১১ দলে ভাঙন, জোট ছাড়ছে শরিকরা<br />
এদিকে, ২০২৫ সালের ৪ঠা ফেব্রুয়ারি বাংলাদেশ ব্যাংকে পাঠানো ইসলামী ব্যাংকের এক প্রতিবেদনের উদ্ধৃতি দিয়ে মামলায় বলা হয়েছে, কয়েকটি শেয়ারহোল্ডার প্রতিষ্ঠান যোগসাজশে ১০ দশমিক ৭০৩৯ শতাংশ শেয়ার ধারণ করে ব্যাংক কোম্পানি আইন, ১৯৯১-এর ১৪ক ও ১৪খ ধারা লঙ্ঘন করেছে। একইসঙ্গে বিএসইসি’র অধিগ্রহণ বিধিমালা, ২০০২ ও ২০১৮ অনুসরণ না করার অভিযোগও আনা হয়েছে।</p>
<p>পুলিশের প্রটোকল তালিকা অনুযায়ী ভিআইপিদের মধ্যে রয়েছেন রাষ্ট্রপতি, প্রধানমন্ত্রী, স্পিকার, প্রধান বিচারপতি, বিরোধী দলের নেতা, প্রধান নির্বাচন কমিশনার এবং দুদক চেয়ারম্যান। এ ছাড়া সরকার প্রজ্ঞাপন দিয়ে যে কাউকে ভিআইপি মর্যাদা দিতে পারে। যেমনÑ সাবেক প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসকে সরকার ভিআইপি মর্যাদা দিয়েছে এবং তার সুরক্ষায় ৫ জন পুলিশ সদস্য কাজ করছেন। এর বাইরে বঙ্গভবনে ১৩৫ জন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের গুলশানের বাসভবনে ৪০ জন এবং বিরোধী দলের নেতা ডা. শফিকুর রহমানের প্রোটেকশনে ৫ জন পুলিশ সার্বক্ষণিক দায়িত্ব পালন করছেন।</p>
<p>তীব্র যান সংকট ও পুলিশের হিমশিম অবস্থা<br />
ডিএমপি সূত্র জানায়, ঢাকায় ভিআইপি প্রোটেকশনের জন্য মূলত ২ হাজার ৫৭৫ জন ফোর্সের প্রয়োজন হলেও বর্তমানে আছেন ১ হাজার ৬৯১ জন। এই ৮৯৬ জন সদস্যের ঘাটতির কারণে অতিরিক্ত ডিউটি করতে গিয়ে পুলিশ সদস্যদের ওপর প্রবল শারীরিক ও মানসিক চাপ পড়ছে।</p>
<p>এর সঙ্গে যুক্ত হয়েছে তীব্র যান সংকট। ২০২৪ সালের জুলাই-আগস্ট আন্দোলনে একাধিক থানা ও পুলিশের স্থাপনায় হামলার ঘটনায় বহু প্রোটেকশন গাড়ি পুড়ে যায়। এর ফলে বর্তমানে গাড়ি সংকট প্রকট আকার ধারণ করেছে। একটি প্রোটেকশন গাড়ি একজন মন্ত্রীকে পৌঁছে দিয়েই তড়িঘড়ি করে আরেকজনকে রিসিভ করতে ছুটছে। ডিএমপি বলছে, ভিআইপি প্রোটেকশন দিতে গিয়ে পুলিশ সদস্যদের রাত-দিন এক করে পরিশ্রম করতে হচ্ছে। তবে ফোর্সের ঘাটতি পূরণের চেষ্টা অব্যাহত রয়েছে। সুত্র মানবজমিন</p>
]]></content:encoded>
					
					<wfw:commentRss>https://chtnews24.com/2026/07/26/%e0%a6%87%e0%a6%b8%e0%a6%b2%e0%a6%be%e0%a6%ae%e0%a7%80-%e0%a6%ac%e0%a7%8d%e0%a6%af%e0%a6%be%e0%a6%82%e0%a6%95-%e0%a6%a6%e0%a6%96%e0%a6%b2-%e0%a6%93-%e0%a6%b6%e0%a7%87%e0%a6%af%e0%a6%bc%e0%a6%be/feed/</wfw:commentRss>
			<slash:comments>0</slash:comments>
		
		
			</item>
		<item>
		<title>চাকরি হারাচ্ছেন হাইপ্রোফাইল ৩৩ পুলিশ কর্মকর্তা, আতঙ্কে ৩৩ ডিসি</title>
		<link>https://chtnews24.com/2026/07/05/%e0%a6%9a%e0%a6%be%e0%a6%95%e0%a6%b0%e0%a6%bf-%e0%a6%b9%e0%a6%be%e0%a6%b0%e0%a6%be%e0%a6%9a%e0%a7%8d%e0%a6%9b%e0%a7%87%e0%a6%a8-%e0%a6%b9%e0%a6%be%e0%a6%87%e0%a6%aa%e0%a7%8d%e0%a6%b0%e0%a7%8b%e0%a6%ab/</link>
					<comments>https://chtnews24.com/2026/07/05/%e0%a6%9a%e0%a6%be%e0%a6%95%e0%a6%b0%e0%a6%bf-%e0%a6%b9%e0%a6%be%e0%a6%b0%e0%a6%be%e0%a6%9a%e0%a7%8d%e0%a6%9b%e0%a7%87%e0%a6%a8-%e0%a6%b9%e0%a6%be%e0%a6%87%e0%a6%aa%e0%a7%8d%e0%a6%b0%e0%a7%8b%e0%a6%ab/#respond</comments>
		
		<dc:creator><![CDATA[adminchtnews24]]></dc:creator>
		<pubDate>Sun, 05 Jul 2026 12:26:02 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[Second lead]]></category>
		<category><![CDATA[জাতীয়]]></category>
		<category><![CDATA[বাংলাদেশ]]></category>
		<category><![CDATA[বিশেষ প্রতিবেদন]]></category>
		<category><![CDATA[শিরোনাম]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://chtnews24.com/?p=37467</guid>

					<description><![CDATA[ডেস্ক রির্পোট:- ২০১৮ সালের একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের সময় দায়িত্ব পালন করা পুলিশ ক্যাডারের অন্তত ৩৩ কর্মকর্তাকে বাধ্যতামূলক অবসরে পাঠানোর প্রস্তুতি নিয়েছে সরকার&#124; বিসিএস ২০তম ব্যাচের এসব কর্মকর্তা নির্বাচনের সময় বিভিন্ন জেলার পুলিশ সুপার (এসপি) ও পুলিশের গুরুত্বপূর্ণ পদে দায়িত্বে ছিলেন&#124; তাদের বেশির ভাগ বর্তমানে বিশেষ ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওএসডি) হিসেবে আছেন&#124; চাকরির ২৫ বছর পূর্ণ [&#8230;]]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[<p>ডেস্ক রির্পোট:- ২০১৮ সালের একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের সময় দায়িত্ব পালন করা পুলিশ ক্যাডারের অন্তত ৩৩ কর্মকর্তাকে বাধ্যতামূলক অবসরে পাঠানোর প্রস্তুতি নিয়েছে সরকার| বিসিএস ২০তম ব্যাচের এসব কর্মকর্তা নির্বাচনের সময় বিভিন্ন জেলার পুলিশ সুপার (এসপি) ও পুলিশের গুরুত্বপূর্ণ পদে দায়িত্বে ছিলেন| তাদের বেশির ভাগ বর্তমানে বিশেষ ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওএসডি) হিসেবে আছেন|</p>
<p>চাকরির ২৫ বছর পূর্ণ হওয়ায় সরকারি চাকরি আইনের ৪৫ ধারা অনুযায়ী তাদের অবসরে পাঠানো হতে পারে| একইভাবে ওই সময় দায়িত্ব পালন করা প্রশাসন ক্যাডারের অন্তত ৩৩ জন জেলা প্রশাসককেও (ডিসি) বাধ্যতামূলক অবসরে পাঠানোর প্রক্রিয়া চলছে বলে জানা গেছে|</p>
<p>সরকারি চাকরি আইনের ৪৫ ধারা অনুযায়ী, কোনো সরকারি কর্মচারীর চাকরির মেয়াদ ২৫ বছর পূর্ণ হলে, সরকার জন¯^ার্থে কোনো কারণ দর্শানো ছাড়াই তাকে অবসরে পাঠাতে পারে| ২০তম ব্যাচের এই কর্মকর্তারা ২০০১ সালের ৩১ মে চাকরিতে যোগ দিয়েছিলেন| সেই হিসেবে গত ৩০ মে তাদের চাকরির মেয়াদ ২৫ বছর পূর্ণ হয়েছে|<br />
গত বছরের ২০ ফেব্রুয়ারি ২০১৪ সালের বিতর্কিত নির্বাচনের ২২ জন ডিসিকে বাধ্যতামূলক অবসরে পাঠিয়েছিল অন্তর্বর্তী সরকার|<br />
সচিবালয় থেকে সরানো হচ্ছে ১৬৯ পুলিশ সদস্যকে<br />
এর পরপরই তৎকালীন উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া ঘোষণা দিয়েছিলেন, ২০১৮ সালের নির্বাচনের ৬৪ জেলার এসপিদেরও অবসরে পাঠানো হবে| এরই ধারাবাহিকতায় প্রথমে তাদের ওএসডি এবং এখন স্থায়ী অবসরের সিদ্ধান্ত নেওয়া হলো|</p>
<p>চাকরি হারানোর তালিকায় যেসব পুলিশ কর্মকর্তা<br />
সংশ্লিষ্ট সূত্রের তথ্য অনুযায়ী, বাধ্যতামূলক অবসরের তালিকায় থাকা কর্মকর্তাদের মধ্যে রয়েছেন ২০১৮ সালের নির্বাচনের সময় ঢাকা জেলার এসপি শাহ মিজান শাফিউর রহমান, নারায়ণগঞ্জের এসপি হারুন অর রশীদ, কুমিল্লার এসপি ˆসয়দ নুরুল ইসলাম, চাঁদপুরের এসপি জিহাদুল কবির, নরসিংদীর এসপি মিরাজ উদ্দিন আহমেদ, গাজীপুরের এসপি ড. শামসুন্নাহার, চট্টগ্রামের এসপি নূরে আলম মিনা, বরিশালের এসপি সাইফুল ইসলাম, কিশোরগঞ্জের এসপি মাশরুকুর রহমান খালেদ|</p>
<p>এছাড়াও নোয়াখালীর এসপি ইলিয়াছ শরীফ, ব্রাহ্মণবাড়িয়ার এসপি আনোয়ার হোসেন খান, ফরিদপুরের এসপি জাকির হোসেন খান, গোপালগঞ্জের এসপি মুহাম্মদ সাইদুর রহমান খান, ময়মনসিংহের এসপি শাহ আবিদ হোসেন, রাঙামাটির এসপি মো. আলমগীর কবির, ঠাকুরগাঁওয়ের এসপি মনিরুজ্জামান, সুনামগঞ্জের এসপি বরকতুল্লাহ খান, চুয়াডাঙ্গার এসপি মাহবুবুর রহমান, যশোরের এসপি মঈনুল হক, মাগুরার এসপি খান মুহাম্মদ রেজোয়ান, সিরাজগঞ্জের এসপি টুটুল চক্রবর্তী, জয়পুরহাটের এসপি রশীদুল হাসান, সিলেটের এসপি মো. মনিরুজ্জামান, পাবনার এসপি শেখ রফিকুল ইসলাম, পঞ্চগড়ের এসপি গিয়াস উদ্দিন আহমেদ, শরীয়তপুরের এসপি সাইফুল্লাহ আল মামুন, চাঁপাইনবাবগঞ্জের এসপি টি এম মোজাহিদুল ইসলাম এবং কুড়িগ্রামের এসপি মো. মেহেদুল করিম|<br />
সাঈদীর মামলার সাক্ষী সুখরঞ্জনকে অপহরণকারী পুলিশ কর্মকর্তা গ্রেপ্তার<br />
এদের মধ্যে নারায়ণগঞ্জের তৎকালীন এসপি হারুন অর রশীদ ও হবিগঞ্জের এসপি বিধান ত্রিপুরা বর্তমানে সাময়িক বরখাস্ত রয়েছেন| অন্য কর্মকর্তাদের অধিকাংশই ওএসডি (বিশেষ ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা) হিসেবে রয়েছেন| তাদের অনেকেই পরবর্তীতে অতিরিক্ত ডিআইজি বা ডিআইজি পদে পদোন্নতি পেয়ে বিভিন্ন ইউনিট, রেঞ্জ ও বিশেষায়িত সংস্থায় দায়িত্ব পালন করেছেন| রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর তাদের অধিকাংশকেই ওএসডি করা হয়|</p>
<p>আতঙ্কে সাবেক ৩৩ ডিসি<br />
একই ব্যাচের (বিসিএস ২০তম) যে ৩৩ জন সাবেক জেলা প্রশাসক (ডিসি) বর্তমানে বিভিন্ন মন্ত্রণালয় ও বিভাগে যুগ্ম সচিব হিসেবে ওএসডি আছেন, তারাও চাকরি হারানোর চূড়ান্ত আতঙ্কে দিন কাটাচ্ছেন|</p>
<p>তালিকায় থাকা সাবেক ডিসিরা হলেন<br />
মো. মাজেদুর রহমান খান (চাঁদপুর), মো. মতিউল ইসলাম চৌধুরী (পটুয়াখালী), সাবিনা ইয়াসমিন (পঞ্চগড়), ড. আতাউল গনি (মেহেরপুর), আবু আলী মো. সাজ্জাদ হোসেন (পিরোজপুর), এম কাজী এমদাদুল ইসলাম (সিলেট &#8211; বর্তমানে সাময়িক বরখাস্ত), এস এম মোস্তফা কামাল (সাতক্ষীরা), অঞ্জন চন্দ্র পাল (লক্ষ্মীপুর), মোছা. সুলতানা পারভিন (কুড়িগ্রাম), মো. সারওয়ার মোর্শেদ চৌধুরী (কিশোরগঞ্জ), মো. শহীদুল ইসলাম (খাগড়াছড়ি), মো. হেলাল হোসেন (খুলনা), মো. আলী আকবর (মাগুরা), মোহাম্মদ দাউদ ইসলাম (বান্দরবান), এ জে এম নুরুল হক (চাঁপাইনবাবগঞ্জ)|</p>
<p>এ জেড এম অজিয়র রহমান (বরিশাল), মোহাম্মদ আলম ছিদ্দিকী (ভোলা), গোপাল চন্দ্র দাস (চুয়াডাঙ্গা), কাজী আবু তাহের (শরীয়তপুর), মো. মিজানুর রহমান (নওগাঁ), মোহাম্মদ আব্দুল আহাদ (সুনামগঞ্জ), আনার কলি মাহবুব (শেরপুর), ˆসয়দা ফারহানা কাউনাইন (নরসিংদী), মাহমুদুল কবির মুরাদ (হবিগঞ্জ), আবুল ফজল মীর (কুমিল্লা), মঈন উল ইসলাম (নেত্রকোনা), ওয়াহেদুজ্জামান (ফেনী), এ কে এম মামুনুর রশিদ (রাঙামাটি), এস এম আব্দুল কাদের (রাজশাহী), ড. কে এম কামরুজ্জামান সেলিম (ঠাকুরগাঁও), কবীর মাহমুদ (বগুড়া), মো. মাহমুদুল আলম (দিনাজপুর) এবং হায়াত উদ দৌলা খান (ব্রাহ্মণবাড়িয়া)| সূত্র: আগামীর সময়</p>
]]></content:encoded>
					
					<wfw:commentRss>https://chtnews24.com/2026/07/05/%e0%a6%9a%e0%a6%be%e0%a6%95%e0%a6%b0%e0%a6%bf-%e0%a6%b9%e0%a6%be%e0%a6%b0%e0%a6%be%e0%a6%9a%e0%a7%8d%e0%a6%9b%e0%a7%87%e0%a6%a8-%e0%a6%b9%e0%a6%be%e0%a6%87%e0%a6%aa%e0%a7%8d%e0%a6%b0%e0%a7%8b%e0%a6%ab/feed/</wfw:commentRss>
			<slash:comments>0</slash:comments>
		
		
			</item>
		<item>
		<title>মিয়ানমারের মংডুতে সামরিক জান্তার বিমানবাহিনী ও মুসলিম সশস্ত্র গোষ্ঠীগুলোর সমন্বিত সামরিক তৎপরতার দাবি</title>
		<link>https://chtnews24.com/2026/07/04/%e0%a6%ae%e0%a6%bf%e0%a6%af%e0%a6%bc%e0%a6%be%e0%a6%a8%e0%a6%ae%e0%a6%be%e0%a6%b0%e0%a7%87%e0%a6%b0-%e0%a6%ae%e0%a6%82%e0%a6%a1%e0%a7%81%e0%a6%a4%e0%a7%87-%e0%a6%b8%e0%a6%be%e0%a6%ae%e0%a6%b0%e0%a6%bf/</link>
					<comments>https://chtnews24.com/2026/07/04/%e0%a6%ae%e0%a6%bf%e0%a6%af%e0%a6%bc%e0%a6%be%e0%a6%a8%e0%a6%ae%e0%a6%be%e0%a6%b0%e0%a7%87%e0%a6%b0-%e0%a6%ae%e0%a6%82%e0%a6%a1%e0%a7%81%e0%a6%a4%e0%a7%87-%e0%a6%b8%e0%a6%be%e0%a6%ae%e0%a6%b0%e0%a6%bf/#respond</comments>
		
		<dc:creator><![CDATA[adminchtnews24]]></dc:creator>
		<pubDate>Sat, 04 Jul 2026 03:56:02 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[Second lead]]></category>
		<category><![CDATA[জাতীয়]]></category>
		<category><![CDATA[বিশেষ প্রতিবেদন]]></category>
		<category><![CDATA[শিরোনাম]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://chtnews24.com/?p=37415</guid>

					<description><![CDATA[ডেস্ক রির্পোট:- রাখাইন রাজ্যের মংডু জেলায় সামরিক জান্তার বিমান হামলা এবং আরসা (ARSA), আরএসও ( RSO) ও এআরএ (ARA) সহ মুসলিম সশস্ত্র গোষ্ঠীগুলোর সামরিক তৎপরতা একই সময়ে বৃদ্ধি পেয়েছে বলে স্থানীয় সূত্রের বরাতে এবি নিউজ দাবি করেছে। এবি নিউজের প্রতিবেদন অনুযায়ী, জুন মাসের শেষ সপ্তাহ থেকে বাংলাদেশ–মিয়ানমার সীমান্তের নাফ নদী তীর এবং মায়ু পর্বতমালা এলাকায় [&#8230;]]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[<p>ডেস্ক রির্পোট:- রাখাইন রাজ্যের মংডু জেলায় সামরিক জান্তার বিমান হামলা এবং আরসা (ARSA), আরএসও ( RSO) ও এআরএ (ARA) সহ মুসলিম সশস্ত্র গোষ্ঠীগুলোর সামরিক তৎপরতা একই সময়ে বৃদ্ধি পেয়েছে বলে স্থানীয় সূত্রের বরাতে এবি নিউজ দাবি করেছে।</p>
<p>এবি নিউজের প্রতিবেদন অনুযায়ী, জুন মাসের শেষ সপ্তাহ থেকে বাংলাদেশ–মিয়ানমার সীমান্তের নাফ নদী তীর এবং মায়ু পর্বতমালা এলাকায় এসব সশস্ত্র গোষ্ঠী নিয়মিত সীমান্ত অতিক্রম, রসদ পরিবহন ও সরবরাহ সংগ্রহের কার্যক্রম চালিয়ে আসছে।</p>
<p>একই সময়ে সামরিক জান্তাও বেসামরিক জনগণকে লক্ষ্য করে বিমান হামলা জোরদার করেছে বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।</p>
<p>মংডুর বাসিন্দাদের উদ্ধৃত করে প্রতিবেদনে বলা হয়, আরাকান আর্মি সীমান্ত নিরাপত্তা ও স্থিতিশীলতা বজায় রাখতে এলাকায় অভিযান পরিচালনা করার সময় সামরিক জান্তা Y-12 পরিবহন বিমান ও জেট যুদ্ধবিমান ব্যবহার করে বেসামরিক গ্রামগুলোতে বোমা হামলা চালায়।</p>
<p>প্রতিবেদন অনুযায়ী, ২৫ জুনের এক বিমান হামলায় দ্বাদশ শ্রেণির দুই শিক্ষার্থী আহত হন। এছাড়া ১ জুলাই সকালে বুথিডং এলাকায় আরেকটি বিমান হামলায় দুই মুসলিম শিশুসহ তিনজন বেসামরিক ব্যক্তি আহত হন এবং কয়েকটি বাড়িঘর ক্ষতিগ্রস্ত হয়।</p>
<p>এছাড়া ১ জুলাই রাতে মংডু শহরের আশপাশে এবং ২ জুলাই বিকেল ৩টা থেকে সাড়ে ৩টার মধ্যে কিয়েইনচাউং গ্রামের কাছে Y-12 বিমান ও দুটি জেট যুদ্ধবিমান দিয়ে আবারও হামলা চালানো হয়েছে বলে প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে।</p>
<p>প্রতিবেদনটি আরও দাবি করে, একই সময়ে আরসা, আরএসও, ও এআরএ গোষ্ঠীগুলো মায়ু পর্বতমালা এবং মংডুর মিতাইক, থিনবাউহ্লা, দোন্যো ও তাউংপিওসহ বিভিন্ন গ্রামে সামরিক তৎপরতা বাড়িয়েছে।<br />
এছাড়া, মংডুর নাখাখা (৫) ঘাঁটির যুদ্ধে সামরিক জান্তা অতীতে এসব গোষ্ঠীর সঙ্গে যৌথভাবে আরাকান আর্মির বিরুদ্ধে লড়াই করেছিল এবং ওই সংঘর্ষে জান্তা ও সংশ্লিষ্ট গোষ্ঠীগুলোর বহু সদস্য নিহত হয়েছিল বলে প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে।</p>
]]></content:encoded>
					
					<wfw:commentRss>https://chtnews24.com/2026/07/04/%e0%a6%ae%e0%a6%bf%e0%a6%af%e0%a6%bc%e0%a6%be%e0%a6%a8%e0%a6%ae%e0%a6%be%e0%a6%b0%e0%a7%87%e0%a6%b0-%e0%a6%ae%e0%a6%82%e0%a6%a1%e0%a7%81%e0%a6%a4%e0%a7%87-%e0%a6%b8%e0%a6%be%e0%a6%ae%e0%a6%b0%e0%a6%bf/feed/</wfw:commentRss>
			<slash:comments>0</slash:comments>
		
		
			</item>
		<item>
		<title>অবৈধ অস্ত্রের ছড়াছড়ি, পার্বত্য চট্টগ্রামসহ দেশের বিভিন্ন এলাকা দিয়েে আসছে অস্ত্র, খুন উদ্বেগ</title>
		<link>https://chtnews24.com/2026/07/04/%e0%a6%85%e0%a6%ac%e0%a7%88%e0%a6%a7-%e0%a6%85%e0%a6%b8%e0%a7%8d%e0%a6%a4%e0%a7%8d%e0%a6%b0%e0%a7%87%e0%a6%b0-%e0%a6%9b%e0%a6%a1%e0%a6%bc%e0%a6%be%e0%a6%9b%e0%a6%a1%e0%a6%bc%e0%a6%bf-%e0%a6%aa/</link>
					<comments>https://chtnews24.com/2026/07/04/%e0%a6%85%e0%a6%ac%e0%a7%88%e0%a6%a7-%e0%a6%85%e0%a6%b8%e0%a7%8d%e0%a6%a4%e0%a7%8d%e0%a6%b0%e0%a7%87%e0%a6%b0-%e0%a6%9b%e0%a6%a1%e0%a6%bc%e0%a6%be%e0%a6%9b%e0%a6%a1%e0%a6%bc%e0%a6%bf-%e0%a6%aa/#respond</comments>
		
		<dc:creator><![CDATA[adminchtnews24]]></dc:creator>
		<pubDate>Sat, 04 Jul 2026 03:06:09 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[first lead]]></category>
		<category><![CDATA[অপরাধ-অনুসন্ধান]]></category>
		<category><![CDATA[বিশেষ প্রতিবেদন]]></category>
		<category><![CDATA[শিরোনাম]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://chtnews24.com/?p=37407</guid>

					<description><![CDATA[ডেস্ক রির্পোট:- ছিনতাই, চাঁদাবাজি, টার্গেট কিলিংসহ প্রায় সব ধরনের অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডে ব্যবহার হচ্ছে আগ্নেয়াস্ত্র। ছোট বড় সব সন্ত্রাসীর হেফাজতে এখন দেশি-বিদেশি অস্ত্র রয়েছে। হাত বাড়ালেই মিলছে অবৈধ অস্ত্র। দেশের সীমান্ত দিয়ে এসব অস্ত্র দেশে আনছে অস্ত্র চোরাকারবারিরা। হাত বদল হয়ে ছড়িয়ে যাচ্ছে দেশের বিভিন্ন এলাকার অপরাধীদের কাছে। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমেও বিজ্ঞাপন দিয়ে অবৈধ অস্ত্র বিক্রি [&#8230;]]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[<p>ডেস্ক রির্পোট:- ছিনতাই, চাঁদাবাজি, টার্গেট কিলিংসহ প্রায় সব ধরনের অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডে ব্যবহার হচ্ছে আগ্নেয়াস্ত্র। ছোট বড় সব সন্ত্রাসীর হেফাজতে এখন দেশি-বিদেশি অস্ত্র রয়েছে। হাত বাড়ালেই মিলছে অবৈধ অস্ত্র। দেশের সীমান্ত দিয়ে এসব অস্ত্র দেশে আনছে অস্ত্র চোরাকারবারিরা। হাত বদল হয়ে ছড়িয়ে যাচ্ছে দেশের বিভিন্ন এলাকার অপরাধীদের কাছে। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমেও বিজ্ঞাপন দিয়ে অবৈধ অস্ত্র বিক্রি করা হচ্ছে। বিভিন্ন সময়ে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর অভিযানেও উদ্ধার হওয়া অবৈধ অস্ত্রের পরিসংখ্যানও উদ্বেগজনক। আর এই অবৈধ অস্ত্রের ছড়াছড়িতে উদ্বেগ বাড়ছে সাধারণ মানুষের মধ্যে।<br />
পুলিশ সদর দপ্তর বলছে, গত তিন মাসে সারা দেশে অন্তত ৯১৫টি হত্যাকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে। এর মধ্যে গত মার্চ মাসে ৩১৭টি, এপ্রিল মাসে ২৮৮টি ও মে মাসে ৩১০টি হত্যা মামলা দায়ের হয়েছে। এর মধ্যে সবচেয়ে বেশি ঢাকা রেঞ্জে ২০৭টি খুনের ঘটনা ঘটেছে। এর বেশির ভাগই ব্যবহৃত হয়েছে অবৈধ আগ্নেয়াস্ত্র। আর এইসব ঘটনায় আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর অভিযানে ১৫৩টি আগ্নেয়াস্ত্র, ১ হাজার ৭৮৫ রাউন্ড গুলি, ৫২টি ম্যাগাজিন, ৩২টি হাতবোমা ও ২ হাজার ২শ’ কেজি গানপাউডার উদ্ধার করা হয়েছে।</p>
<p>গোয়েন্দা সংশ্লিষ্টরা বলছেন, মূলত রাজনৈতিক অস্থিরতা, সংঘবদ্ধ অপরাধী চক্রের সক্রিয়তা এবং সীমান্তপথে অস্ত্র চোরাচালানের কারণে দেশে অবৈধ অস্ত্রের প্রবাহ বেড়েই চলেছে। তাই সীমান্ত এলাকায় অভিযান জোরদার হলেও সড়ক ও নদী পথে ঠিকই অস্ত্রের চালান রাজধানীমুখী হচ্ছে। আর বহনের সুবিধার্থে এই চালানের শীর্ষে রয়েছে ‘বিদেশি পিস্তল’ (৭.৫ ক্যালিভার)। এর মধ্যে মেড ইন ইউএসএ, জার্মানিসহ বিভিন্ন দেশের অস্ত্রেরও দেখা মিলেছে উদ্ধার অভিযানে। বর্তমানে ঠিক কি পরিমাণ অবৈধ অস্ত্র রাজধানীতে আছে তার সঠিক তথ্য গোয়েন্দা পুলিশের কাছেও নেই।<br />
সূত্র বলছে- একটি চক্র দিনাজপুরের হিলি সীমান্ত দিয়ে পার্শ্ববর্তী দেশ থেকে এনে দিনাজপুরের বিভিন্ন গোপন আস্তানায় মজুত করছে অবৈধ অস্ত্র। এরপর অর্ডার অনুযায়ী মোটা টাকার বিনিময়ে ওই সিন্ডিকেটের সদস্যরা ঢাকাসহ বিভিন্ন এলাকায় গিয়ে ডেলিভারি দিয়ে যাচ্ছে।</p>
<p>প্রাইভেটকার, পণ্যবাহী ট্রাকসহ নদী পথে দেশের বিভিন্ন এলাকা ঘুরে এসব অস্ত্র চলে আসছে রাজধানীতে। এ ছাড়াও যশোরের বেনাপোল, শার্শা, চৌগাছা, চাঁপাইনবাবগঞ্জের শিবগঞ্জের রহনপুর রাঘব বাটি, গোপালপুর, মনাকষা, সোনা মসজিদ, আজমতপুর, বিলভাতিয়া, ঝিনাইদহের মহেশপুরের জুলুলী, সাতক্ষীরার কলারোয়ার তলুইগাছা, রাজশাহীর গোদাগাড়ী, পবা, বাঘা, চারঘাট, চুয়াডাঙ্গার দর্শনা, সাতক্ষীরার শাঁকারা, মেহেরপুর, কুমিল্লা, সরাইল, রাঙ্গাাটি,খাগড়াছড়ি,বান্দরবানের নাইক্ষ্যংছড়ি, কক্সবাজারের টেকনাফের খড়ের দ্বীপ ও উখিয়া, কুষ্টিয়ার দৌলতপুরের চরচিলামারী, সিলেটের কানাইহাট, জৈন্তাপুরের মিনাটিলা, জাফলংয়ের কাটরি, সুনামগঞ্জের ছনবাড়ি বাজার, চারাগাঁও, দিনাজপুরের গিলবাড়ি, মৌলভীবাজারের বড় লেখার তারাদরমসহ দেশের বিভিন্ন সীমান্ত দিয়ে প্রতিনিয়তই প্রতিবেশী দেশ হয়ে অবৈধ আগ্নেয়াস্ত্র দেশে প্রবেশ করছে।</p>
<p>গোয়েন্দারা বলছেন- সীমান্তে যারা অবৈধভাবে লোকজন পারাপারে জড়িত, তাদের বড় অংশ অস্ত্র চোরাকারবারির সহযোগী। চোরাকারবারিরা বড় অস্ত্রের চালান পার করতে ছোট চালানগুলো নিজেরাই পুলিশের হাতে ধরিয়ে দেয়। কারণ, একটি অভিযানে পুলিশকে ব্যস্ত রেখে চোরাকারবারিরা অন্য চালানগুলো নিরাপদে গন্তব্যে পাঠিয়ে দেয়। শুধু সীমান্ত দিয়েই নয় কারিগর ভাড়া করে এনে দেশের অভ্যন্তরের গহিন পাহাড় ও লেদ মেশিনেও বানানো হচ্ছে অবৈধ আগ্নেয়াস্ত্র। আর এইসব অস্ত্র শুধু শীর্ষ সন্ত্রাসী নয় টাকার বিনিময়ে পৌঁছে যাচ্ছে কিশোর গ্যাং, মাদককারবারি এমনকি পেশাদার ছিনতাইকারীদের হাতে। আর অস্ত্রের এই সহজলভ্যতাই অপরাধপ্রবণতা বৃদ্ধি করছে। এতে বেপরোয়া হয়ে উঠছে অপরাধী চক্র।</p>
<p>র‌্যাবের তথ্য বলছে, রাজধানীর মোহাম্মদপুর এলাকায় ছিনতাই-চাঁদাবাজিসহ বিভিন্ন অপরাধে জড়িত থাকার অপরাধে রোববার র‍্যাব-২ এর একটি দল অভিযান পরিচালনা করে চন্দ্রিমা হাউজিং থেকে একটি বিদেশি অস্ত্র এবং দুই রাউন্ড তাজা গুলিসহ শামীম পাটালিসহ ৮ জন ছিনতাইকারীকে আটক করেছে। এর আগে গত শনিবার দুপুরেও চিহ্নিত কিশোর গ্যাং ‘মাওরা গ্রুপের’ প্রধান মো. সোহেল ওরফে মাওরা সোহেলকে আটক করেছে র‌্যাব-২ এর সিপিসি ২ এর সদস্যরা। ওই সময় তার কাছ থেকেও উদ্ধার করা হয়েছে বিদেশি আগ্নেয়াস্ত্র (পিস্তল)। আগে দেশীয় ধারালো অস্ত্র ব্যবহার করলেও বর্তমানে বিদেশি আগ্নেয়াস্ত্রের মুখে জিম্মি করে সাধারণ মানুষের সর্বস্ব লুটে নিচ্ছে এই চক্রটি।<br />
এর আগে গত ১২ই জুন দুপুর পৌনে ২টার দিকে রাজধানীর রামপুরা এলাকার বাংলাদেশ টেলিভিশন ভবনের উল্টো দিকে নিজের বাসার কাছে গুলিবিদ্ধ হন ইয়াসিন খান পলাশ ওরফে কাইলা পলাশ। সেদিন দুই ব্যক্তি মোটরসাইকেলে এসে খুব কাছ থেকে পলাশের মাথায় গুলি করে পালিয়ে যায়। এরপর প্রথমে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল ও পরে এভারকেয়ার হাসপাতালে ভর্তি করা হয় তাকে।</p>
<p>শুক্রবার গভীর রাতে সেখানেই মৃত্যু হয়েছে তার। চাঞ্চল্যের কথা এই হত্যাকাণ্ডেও ব্যবহৃত হয়েছে অবৈধ আগ্নেয়াস্ত্র। সেদিন ওই পলাশ কিলিং মিশনে সামনে থেকে দু’জন অংশ নিলেও তাদের গ্রুপে ওই এলাকায় একাধিক ব্যক্তি অবৈধ আগ্নেয়াস্ত্র নিয়ে অবস্থান করছিলেন। এর ঠিক চারদিন আগে গত ৭ই জুন বিকাল ৩টার দিকে মতিঝিল শাপলাচত্বর এলাকায় জনতা ব্যাংকের সামনে মো. লোকমান নামের এক মানি এক্সচেঞ্জ ব্যবসায়ীকে গুলি করে ১৭ হাজার ডলার ছিনতাইয়ের ঘটনা ঘটেছে। সেদিনের প্রত্যক্ষদর্শীরা বলেন, প্রথমে লোকমানের কাছ থেকে ব্যাগ ছিনিয়ে নেয়ার চেষ্টা করছিল দু’জন। ধস্তাধস্তির একপর্যায়ে দিনদুপুরে সকলের সামনে তাকে গুলি করা হয়। পরে গুলিবিদ্ধ ব্যক্তির কাছ থেকে টেনেহিঁচড়ে ব্যাগ নিয়ে মোটরসাইকেলে চেপে পালিয়ে যায় ছিনতাইকারীরা। এর কিছুদিন আগেই গত ২৮শে এপ্রিলও রাজধানীর নিউমার্কেট বটতলা এলাকায় সকলের সামনে প্রকাশ্যে এলোপাতাড়ি গুলি করে হত্যা করা হয় খন্দকার নাঈম আহমেদ টিটনকে। ওই হত্যাকাণ্ডেও ব্যবহৃত হয়েছে একাধিক অবৈধ আগ্নেয়াস্ত্র। এমনকি পথচারীরা যখন কিলারদের ধাওয়া দেয় তখনও গুলি ছুড়তে ছুড়তে পালিয়ে যায় খুনিরা।</p>
<p>ঘটনার প্রায় দুই মাসেও এখনো অস্ত্র বা খুনি কাউকেই আইনের আওতায় আনতে পারেনি পুলিশ। এর আগেও গত বছরের ১০ই নভেম্বর বেলা পৌনে ১১টার দিকে পুরান ঢাকার ন্যাশনাল মেডিকেল কলেজের সামনে ঠিক প্রকাশ্যে রাস্তায় ফেলে ফিল্মি স্টাইলে এলোপাতাড়ি গুলি চালিয়ে হত্যা করা হয় পুলিশের এক সময়ের তালিকাভুক্ত শীর্ষ সন্ত্রাসী তারিক সাঈফ মামুনকে। সেই ঘটনার সিসিটিভি ফুটেজেও দেখা যায়, শত শত মানুষের সামনে মুখে মাস্ক পরা দুই ব্যক্তি কীভাবে মামুনকে লক্ষ্য করে একের পর এক গুলি ছুড়ছে। আর এই সব ক’টি ঘটনাতেই ব্যবহৃত হয়েছে অবৈধ আগ্নেয়াস্ত্র। এ ছাড়াও প্রতিনিয়তই এমন অস্ত্রের ঝনঝনানি দেখছে রাজধানীবাসী।</p>
<p>এদিকে গত ১৮ই জুন রাতে ওয়ারীর শীর্ষ সন্ত্রাসী ইসমাইল হোসেন ওরফে অটো সজলসহ তার ৩ সহযোগীকে গ্রেপ্তার করে যাত্রাবাড়ী থানা পুলিশ। পরে তার দেয়া তথ্যের ভিত্তিতে স্বামীবাগের বাসা থেকে ২ টি ‘টাওরাস’ ব্র্যান্ডের অত্যাধুনিক বিদেশি পিস্তল, ৪টি ম্যাগাজিন এবং ৭৭ রাউন্ড তাজা গুলি উদ্ধার করা হয়। গত ২৮শে এপ্রিলও রাজধানীর মোহাম্মদপুর ও পল্টন এলাকা থেকে দেশি-বিদেশি অস্ত্রসহ পাঁচজনকে গ্রেপ্তার করে র‍্যাব। তাদের কাছ থেকে ৩টি বিদেশি পিস্তল, ২টি ম্যাগাজিন, ৩৩টি গুলি উদ্ধার করা হয়। এ ছাড়া একই সময়ে মোহাম্মদপুরের ৪০ ফুট এলাকা থেকে পরিত্যক্ত অবস্থায় একটি দেশীয় একনলা বন্দুক ও একটি কার্তুজ উদ্ধার করা হয়। গত ২৬শে এপ্রিলও কাফরুল এলাকায় বিশেষ অভিযানে অবৈধ বিদেশি আগ্নেয়াস্ত্র উদ্ধার করেছে র‍্যাব।</p>
<p>গত ২রা ফেব্রুয়ারিও রাজধানীর তুরাগের হরিরামপুর এলাকায় অভিযান চালিয়ে সন্ত্রাসী সোয়েব হোসেন মুন্না ওরফে ভাগিনা মুন্নাকে গ্রেপ্তার করে র‍্যাব-৪ এর সদস্যরা। গ্রেপ্তারকালে তার কাছ থেকে একটি বিদেশি পিস্তল, ২টি ম্যাগাজিন ও ১৭ রাউন্ড গুলি উদ্ধার করা হয়। র‌্যাব জানায়, এসব অবৈধ আগ্নেয়াস্ত্র সে তুরাগ, মিরপুর, কাফরুল, পল্লবী, ভাষানটেক এবং ক্যান্টনমেন্ট থানাসহ আশপাশের এলাকায় চাঁদাবাজি, আধিপত্য বিস্তারসহ বিভিন্ন অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডে ব্যবহার করতো। পাশাপাশি এগুলো বিভিন্ন পেশাদার অপরাধীদের ভাড়ায় সরবরাহ করতো। গত ৭ই ফেব্রুয়ারিও রাজধানীর মধ্য বাড্ডার বেপারীপাড়া থেকে শীর্ষ সন্ত্রাসী সুব্রত বাইনের ঘনিষ্ঠ সহযোগী মেহেদী হাসান ওরফে দীপুকে গ্রেপ্তার করে যৌথ বাহিনীর সদস্যরা। তার বাড়ি থেকে মোট ১১টি অত্যাধুনিক বিদেশি অস্ত্র ও ৩৯৪টি গুলি উদ্ধার করা হয়। এই বাহিনীর কাছে আরও অবৈধ অস্ত্র রয়েছে বলেও জানিয়েছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা।<br />
এসব বিষয়ে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার (ক্রাইম অ্যান্ড অপারেশন্স) এস. এন. মো. নজরুল ইসলাম বলেন, অবৈধ অস্ত্র, খোয়া যাওয়া অস্ত্র, এমনকি এখন দেখা যাচ্ছে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বিজ্ঞাপন দিয়েও অস্ত্র বেচা-কেনা হচ্ছে।</p>
<p>এসব বিষয়ে আমাদের সোর্স নিয়োগ করা, গোয়েন্দা নজরদারি এবং আমরা যখন কোনো অবৈধ অস্ত্র পাচ্ছি তখন সেই অস্ত্র কোথা থেকে সে পেলো, কীভাবে তার কাছে আসলো সেসব রুট আউট করছি। এ ছাড়া আমাদের সিটিটিসি, গোয়ন্দা পুলিশ এ বিষয়ে কাজ করছে। কোথাও যদি এমন অবৈধ অস্ত্রের ব্যবহার করা হয় তখন তারা এর ডিগআউটের চেষ্টা করছে এসব অস্ত্র কোথা থেকে আসলো। আমাদের চেষ্টা অব্যাহত আছে। বিভিন্ন সময় অনেকে ধরাও পড়ছে। এই পুলিশ কর্মকর্তা বলেন, আসলে আমাদের সমস্যা হচ্ছে একটা ঘটনা ঘটার পর সেটাতে যতটা সময় দেয়া প্রয়োজন সেই পর্যাপ্ত সময় আমরা দিতে পারি না। একটা ঘটনার পরই আরেকটা ঘটনা ঘটে যাচ্ছে। এর আগে একটা ঘটনা ঘটে ২রা মার্চ। সেই একটা ঘটনা নিয়ে তার অস্ত্র উদ্ধার হলো জুনের ১৮ তারিখে। ঘটনার তিন মাস পর হলেও কিন্তু আমরা অস্ত্র উদ্ধার করেছি। মূল কথা আমরা চেষ্টা করে যাচ্ছি।</p>
<p>র‌্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়নের লিগ্যাল অ্যান্ড মিডিয়া উইং-এর পরিচালক উইং কমান্ডার এম জেড এম ইন্তেখাব চৌধুরী বলেন, অপরাধ দমনে আমরা প্রতিনিয়ত চেষ্টা করে চলেছি। আমাদের নিয়মিত অভিযান চলছে। অপরাধ বিশ্লেষণ করে আমরা যেই এলাকায় যখন প্রয়োজন ঠিক সে সময়েই টহল চালাচ্ছি। আমাদের র‌্যাব সদস্যরা সাদা পোশাকেও নজরদারি চালিয়ে যাচ্ছেন। ইতিমধ্যেই বেশ কিছু অস্ত্রসহ আসামি গ্রেপ্তার করা হয়েছে। আমাদের এই প্রচেষ্টা অব্যাহত থাকবে।</p>
]]></content:encoded>
					
					<wfw:commentRss>https://chtnews24.com/2026/07/04/%e0%a6%85%e0%a6%ac%e0%a7%88%e0%a6%a7-%e0%a6%85%e0%a6%b8%e0%a7%8d%e0%a6%a4%e0%a7%8d%e0%a6%b0%e0%a7%87%e0%a6%b0-%e0%a6%9b%e0%a6%a1%e0%a6%bc%e0%a6%be%e0%a6%9b%e0%a6%a1%e0%a6%bc%e0%a6%bf-%e0%a6%aa/feed/</wfw:commentRss>
			<slash:comments>0</slash:comments>
		
		
			</item>
		<item>
		<title>১৬২ পয়েন্টে ১৬০০ গডফাদার</title>
		<link>https://chtnews24.com/2026/05/18/%e0%a7%a7%e0%a7%ac%e0%a7%a8-%e0%a6%aa%e0%a6%af%e0%a6%bc%e0%a7%87%e0%a6%a8%e0%a7%8d%e0%a6%9f%e0%a7%87-%e0%a7%a7%e0%a7%ac%e0%a7%a6%e0%a7%a6-%e0%a6%97%e0%a6%a1%e0%a6%ab%e0%a6%be%e0%a6%a6%e0%a6%be/</link>
					<comments>https://chtnews24.com/2026/05/18/%e0%a7%a7%e0%a7%ac%e0%a7%a8-%e0%a6%aa%e0%a6%af%e0%a6%bc%e0%a7%87%e0%a6%a8%e0%a7%8d%e0%a6%9f%e0%a7%87-%e0%a7%a7%e0%a7%ac%e0%a7%a6%e0%a7%a6-%e0%a6%97%e0%a6%a1%e0%a6%ab%e0%a6%be%e0%a6%a6%e0%a6%be/#respond</comments>
		
		<dc:creator><![CDATA[adminchtnews24]]></dc:creator>
		<pubDate>Mon, 18 May 2026 02:01:05 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[Second lead]]></category>
		<category><![CDATA[অপরাধ-অনুসন্ধান]]></category>
		<category><![CDATA[বিশেষ প্রতিবেদন]]></category>
		<category><![CDATA[শিরোনাম]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://chtnews24.com/?p=37365</guid>

					<description><![CDATA[ডেস্ক রির্পোট:- সরকারের ঘোষণা অনুযায়ী দেশব্যাপী শুরু হওয়া মাদকবিরোধী অভিযানেও দমানো যাচ্ছে না মাদক কারবারিদের। অভিযানের ১৭ দিন পার হলেও এখনো তেমন সাড়া পড়েনি। গ্রেপ্তার হচ্ছে না শীর্ষ পর্যায়ের গডফাদাররা। শুরুতে কয়েকটি বড় চালান ধরা পড়লেও সময়ের সঙ্গে অনেকটাই ঝিমিয়ে গেছে অভিযান। সংশ্লিষ্টরা বলছেন, বিগত অন্তর্বর্তী সরকারের সময় আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর তৎপরতা ছিল না বললেই [&#8230;]]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[<p>ডেস্ক রির্পোট:- সরকারের ঘোষণা অনুযায়ী দেশব্যাপী শুরু হওয়া মাদকবিরোধী অভিযানেও দমানো যাচ্ছে না মাদক কারবারিদের। অভিযানের ১৭ দিন পার হলেও এখনো তেমন সাড়া পড়েনি। গ্রেপ্তার হচ্ছে না শীর্ষ পর্যায়ের গডফাদাররা। শুরুতে কয়েকটি বড় চালান ধরা পড়লেও সময়ের সঙ্গে অনেকটাই ঝিমিয়ে গেছে অভিযান। সংশ্লিষ্টরা বলছেন, বিগত অন্তর্বর্তী সরকারের সময় আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর তৎপরতা ছিল না বললেই চলে। এ সুযোগে মাদক কারবারিদের তৎপরতা বৃদ্ধি পায়। যা এখনো নিয়ন্ত্রণের মধ্যে আসেনি। এ অবস্থায় অভিযানের মধ্যেই দেশের সীমান্তবর্তী ২৯ জেলার ১৬২ পয়েন্ট দিয়ে মাদকের ঢল অব্যাহত রয়েছে। এ ছাড়া দেশের প্রত্যন্ত অঞ্চলেও পাওয়া যাচ্ছে মাদক। বিশেষ করে ইয়াবা, গাঁজা, হেরোইন ও ফেনসিডিলের চালান বেড়েছে।</p>
<p>পুলিশ ও মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর জানায়, বিশেষ অভিযান আরও জোরদারের পরিকল্পনা হাতে নেওয়া হয়েছে। মাদকের রেডজোন জেলাগুলোতে বিশেষ বার্তা পাঠিয়েছে পুলিশ সদর দপ্তর। সীমান্তে কঠোর নজরদারি অব্যাহত রাখতে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশকে (বিজিবি) শুরু থেকেই কঠোর নির্দেশনা দিয়ে রেখেছে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়।</p>
<p>গোয়েন্দা তথ্য বলছে, এসব পয়েন্টসহ দেশে অন্তত ১৬০০ গডফাদার সক্রিয় রয়েছে। সারা দেশে এ মাদক নেটওয়ার্ক তিন স্তরে সক্রিয়। যে নেটওয়ার্কে অন্তত ২১ হাজার কারবারি রয়েছে। ঢাকা, চট্টগ্রাম, রাজশাহী ও খুলনায় কারবারির সংখ্যা সবচেয়ে বেশি।</p>
<p>সূত্র বলছেন, বর্তমানে মাদক পাচারের নিত্যনতুন কৌশলের সঙ্গে ভয়াবহ আকার ধারণ করেছে কারবারিদের ছদ্মবেশ। মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের (ডিএনসি) এক কর্মকর্তা বলেন, কারবারিদের কৌশল ও ছদ্মবেশ এমন পর্যায়ে গেছে, নিজেদের মধ্যে ঝামেলা না হলে তাদের খোঁজ মিলছে না সহজে। যা দেশের মাদকের বাজারকে আরও ভয়াবহ রূপ দিতে পারে বলে শঙ্কা তৈরি হচ্ছে।</p>
<p>অপরাধ বিশেষজ্ঞ ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সহযোগী অধ্যাপক ড. তৌহিদুল হক বলেন, সমন্বিত উদ্যোগ ও সত্যিকারের জিরো টলারেন্স বলতে যা বোঝায় রাষ্ট্র সেই পদক্ষেপ না নিলে কখনোই মাদক নিয়ন্ত্রণে আসবে না। সীমান্তে প্রযুক্তির ব্যবহার বাড়াতে হবে। সেই সঙ্গে সীমান্তে দায়িত্বরত কেউ এসব কারবারে জড়িত কি না সে বিষয়ে নজরদারি বাড়াতে হবে। মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের (ডিএনসি) পরিচালক (অপারেশন্স) মো. বশির আহমেদ বলেন, মাদকের বিরুদ্ধে সরকার বিশেষ অভিযান ঘোষণার পর থেকেই সারা দেশে বিশেষ অভিযান পরিচালনা করা হচ্ছে। ইতোমধ্যে অনেক গ্রেপ্তার ও মাদক উদ্ধার করা হয়েছে। আমরা কঠোরভাবে জিরো টলারেন্স বাস্তবায়নে কাজ করে যাচ্ছি। ডিএনসির অতিরিক্ত পরিচালক (ঢাকা বিভাগীয় কার্যালয়) এ কে এম শওকত ইসলাম বলেন, লাইসেন্সপ্রাপ্ত বারগুলোও কোনো অনিয়ম করলে ছাড় দেওয়া হচ্ছে না। সিসা লাউঞ্জ বন্ধসহ ঢাকামুখী মাদকের ট্রানজিটগুলোতে গোয়েন্দা নজরদারি বাড়ানো হয়েছে। পুলিশ সদর দপ্তরের এআইজি (মিডিয়া) এ এইচ এম শাহাদাত হোসাইন বলেন, বিশেষ অভিযান শুরুর পর মাদকের বিক্রেতা ও বাহক পর্যায়ের অনেকে গ্রেপ্তার হয়েছেন। তাদের জিজ্ঞাসাবাদ করে গডফাদারদের তথ্য নেওয়া হচ্ছে। আশা করি অনেক গডফাদার দ্রুতই গ্রেপ্তার হবেন। এ ছাড়াও মাদকের জন্য বিশেষ এলাকাগুলোতে কঠোর নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।</p>
<p>বাড়ছে যেসব মাদকের সরবরাহ : পরিসংখ্যান বলছে, ২০২৪ সালে সারা দেশে ২ কোটি ২৮ লাখ ৫৭ হাজার ৭৫১ পিস ইয়াবা উদ্ধার হলেও গত বছর এটি বেড়ে ৪ কোটি ৩৫ লাখ ৬২ হাজার ৮১১ পিসে দাঁড়িয়েছে। এ ছাড়াও গত বছর ১৬৬ কেজি হেরোইন, সাড়ে ১৪ কেজি কোকেন, ৯৬ হাজার ৩৫৭ কেজি গাঁজা, ৩ লাখ ১৯ হাজার ৯৪০ বোতল ও ৮১ লিটার ফেনসিডিল জব্দ করা হয়েছে। ডিএনসির তথ্য বলছে, গত বছর ২ কেজি ৮৪৭ গ্রাম আইস, ৭০ কেজি সিসা, সাড়ে ৬ কেজি কেটামিন, ৫.৪৬ কেজি গাঁজার কুশ, ১ লাখ ২০ হাজার ৭৫৪ পিস ট্যাপেন্টাডল ট্যাবলেট উদ্ধার করা হয়েছে। অথচ দুই-তিন বছর আগেও কেটামিন, ট্যাপেন্টাডল, কুশের মতো মাদকের প্রাদুর্ভাব সেভাবে দেখা যায়নি। এসবের সঙ্গে পশ্চিমা দেশের মাদকও বেশ জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে ধনাঢ্য পরিবারের সন্তানদের কাছে।</p>
<p>কোন পয়েন্ট দিয়ে কী মাদক ঢুকছে : সীমান্ত পথ আছে এমন কোনো জেলা নেই যেখান দিয়ে মাদক প্রবেশ করছে না। পাশের দেশ ভারত ও মিয়ানমারের কারবারিরা সীমান্তের ফাঁক গলে দেশের কারবারিদের হাতে তুলে দিচ্ছেন মাদকের চালান। এ কাজে রোহিঙ্গাদের সংশ্লিষ্টতা বেশ পুরোনো। কক্সবাজারে ইয়াবার চালান ছাড়াও হেরোইনের চালান বৃদ্ধি পেয়েছে।</p>
<p>সূত্র বলছেন, দিনাজপুর, কুড়িগ্রাম, লালমনিরহাট, ঠাকুরগাঁও, ব্রাক্ষণবাড়িয়া, কুমিল্লা, যশোর, সাতক্ষীরা, কুষ্টিয়া, চুয়াডাঙ্গা, মেহেরপুর, ময়মনসিংহ, ঝিনাইদহ, রাজশাহী, নওগাঁ, চাঁপাইনবাবগঞ্জ দিয়ে আসছে ফেনসিডিল। বিশেষ করে কোভিন ফসফেট মিশ্রিত ফেনসিডিল ভারতের চব্বিশ পরগনা, দক্ষিণ দিনাজপুর, কোচবিহার, আসাম প্রদেশের ধুবরী ও সাউথ সালমারা মানকাচর জেলা দিয়ে প্রবেশ করছে। গাঁজা প্রবেশ করছে ব্রাহ্মণবাড়িয়া, কুমিল্লা, কুড়িগ্রাম, লালমনিরহাট, নওগাঁ, ময়মনসিংহ, শেরপুর, নেত্রকোনা, জামালপুর, সিলেট, হবিগঞ্জ, মৌলভীবাজার ও সুনামগঞ্জ জেলার সীমান্ত পথ দিয়ে। ভারতের আসামের ধুবরী, করিমগঞ্জ, কোচবিহার, দক্ষিণ দিনাজপুর, ত্রিপুরার আগরতলা সীমান্ত দিয়ে ঢুকানো হয় গাঁজা। বিদেশি মদ ঢুকছে সিলেট, হবিগঞ্জ, মৌলভীবাজার, সুনামগঞ্জ, কুড়িগ্রাম ও দিনাজপুর সীমান্ত পথ দিয়ে।</p>
<p>ড. ইউনূস সরকার ক্ষমতায় থাকাকালীন যেমন আইনশৃঙ্খলার অবনতি হয়েছিল, তেমনি তাঁর শাসনামলে ১৮ মাসে বগুড়ায় বেড়েছে মাদক কারবার ও সেবন। ওই সময় প্রশাসনের নিষ্ক্রিয়তায় বেপরোয়া হয়ে উঠেছিলেন কারবারিরা। ফলে জেলায় মাদকের ব্যাপকতা বেড়ে যায়। বগুড়ার হাড্ডিপট্টি ও চকসূত্রাপুর এলাকায় গড়ে উঠেছিল মাদক কারবারিদের নিরাপদ আশ্রয়স্থল। চট্টগ্রাম থেকে প্রতিনিধি জানান, অন্তর্বর্তী সরকারের আমলে খাতায়-কলমে নিয়ন্ত্রণ ছিল মাদক, কিন্তু বাস্তবে মাদকের বন্যায় ভেসেছে বৃহত্তর চট্টগ্রামের ১১ জেলা ও চট্টগ্রাম নগরী। ৫ আগস্টের গণ অভ্যুত্থান-পরবর্তী সময়ে পুলিশের ভেঙে পড়া চেইন অব কমান্ড, সোর্স-নেটওয়ার্কের বিপর্যয় এবং প্রশাসনিক রদবদলের সুযোগ নিয়ে কারবারিরা গড়ে তুলেছে মাদকের এক অভয়ারণ্য। পরিসংখ্যানে অন্তর্বর্তী সরকারের ১৮ মাসে সিএমপিতে মাদক মামলা ৩৭ দশমিক ৪৮ শতাংশ এবং চট্টগ্রাম রেঞ্জে প্রায় ২৩ শতাংশ কমার স্বস্তিদায়ক চিত্র দেখা গেলেও বাস্তবের চিত্রটি ঠিক উল্টো ও ভয়ংকর। পুলিশের নিষ্ক্রিয়তার সুযোগ নিয়ে তল্লাশিহীন সড়কগুলো ব্যবহার করে নীরবে মাদকের এ চোরাচালান ও বিস্তার বেড়েছে কয়েক শ গুণ। মাদক বিষয়ে কাজ করেন মাঠপর্যায়ের এমন একাধিক কর্মকর্তার সঙ্গে আলাপ হয়। তারা নাম প্রকাশ না করার শর্তে বলেন, ২০২৪ সালের আগস্টে পরিকল্পিতভাবে পুলিশের মেরুদণ্ড ভেঙে দেওয়া হয়েছে। পরবর্তী এক বছরের অধিক সময় স্বাভাবিক পুলিশিং কার্যক্রম বন্ধ ছিল। রাস্তায় চেকপোস্ট বসানো বা ‘ব্লক রেইড’ দেওয়ার মতো কার্যক্রম প্রায় বন্ধ ছিল। এ ছাড়া মাদক উদ্ধারের মূল কারিগর পুলিশের স্থানীয় ‘সোর্স’ বা ইনফরমাররা সরকার পরিবর্তনের পর এলাকাছাড়া হওয়ায় ইন্টেলিজেন্স নেটওয়ার্ক পুরোপুরি ধসে পড়ে। এ সুযোগে কারবারিরা রুট পরিবর্তন করে নির্বিঘ্নে মাদকের চালান পাচার করেছেন। এ সময় মাদক মামলা হার কমলেও মাদক কারবার বেড়েছে কয়েক শ গুণ।</p>
<p>বগুড়ার সচেতন নাগরিকরা বলছেন, ইউনূস সরকারের আমলে প্রশাসন ভেঙে পড়েছিল। যার কারণে জেলায় মাদক কারবারি ও মাদকসেবীরা বেপরোয়া হয়ে উঠেছিলেন। তবে বর্তমান সরকার ক্ষমতায় আসার পর প্রশাসন নিয়মিত মাদকবিরোধী অভিযান পরিচালনা করছে।</p>
<p>হবিগঞ্জ&#8212;-, হবিগঞ্জের চুনারুঘাট ও মাধবপুর উপজেলা একটি সীমান্তবর্তী অঞ্চল। এ দুই উপজেলার বেশির ভাগ অংশই ভারতের সঙ্গে সীমান্ত রয়েছে। সীমান্তবর্তী গ্রামগুলোতে দিনের বেলায় যেমন তেমন সন্ধ্যা নামলেই তৎপরতা শুরু হয় মাদক কেনাবেচার সঙ্গে সংশ্লিষ্টদের। বিশেষ করে ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট থেকে ২০২৬ সালের ১১ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত মাদক কারবারি ও সেবনকারীদের বেশি তৎপরতা দেখা গেছে।</p>
<p>নড়াইল&#8212;-, প্রশাসনের নিষ্ক্রিয়তায় নড়াইলে বেড়েছে মাদকের বেচাকেনা ও সেবন। বিগত ১৮ মাসে নড়াইল জেলায় মাদক কেনাবেচা ও সেবনের হার আশঙ্কাজনকভাবে বৃদ্ধি পাওয়ায় অভিভাবকরা উদ্বিগ্ন হয়ে পড়েছেন। স্থানীয়দের অভিযোগ, প্রশাসনের দৃশ্যমান নজরদারি ও কঠোর পদক্ষেপের অভাবে জেলাজুড়ে মাদক কারবারিরা ফের সক্রিয় হয়ে উঠেছেন, যা জনমনে চরম উদ্বেগ সৃষ্টি করেছে।</p>
<p>পটুয়াখালী&#8212;, কুয়াকাটা উপকূল এখন মাদকের সেফ জোন হিসেবে বিবেচ্য মাদকের গডফাদারদের কাছে। নিরাপদ এলাকা হিসেবে সমুদ্রপথে নিয়মিত কুয়াকাটাসহ উপকূলের বিভিন্ন স্পটে আসছে মাদক। যা স্থানীয় মাদকসেবী ও পর্যটকদের কাছে বিক্রির পর ফের নৌ ও সড়কপথে পাচার হয়ে যাচ্ছে দেশের বিভিন্ন প্রান্তে। চোলাই মদ, গাঁজা, হেরোইন, ইয়াবার সহজলভ্যতার পর মহিপুর থানার কুয়াকাটা উপকূলে এবার সন্ধান মিলেছে ভয়ংকর মাদক ক্রিস্টাল মেথের। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর কতিপয় সোর্সের মাধ্যমে মাদক সিন্ডিকেটের কাছ থেকে নিয়মিত মাসোহারা তোলারও অভিযোগ রয়েছে। তাই আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর অভিযানের আগেই তথ্য চলে যাচ্ছে মাদক কারবারিদের কাছে। এ ছাড়া মাদকবিরোধী অভিযানে খুচরা বিক্রেতা কিংবা বহনকারীরা গ্রেপ্তার হলেও সাক্ষ্য দুর্বলতায় আইনের ফাঁকফোকর দিয়ে বেরিয়ে যাচ্ছে মাদক কারবারি ও বহনকারীরা। আর গডফাদাররা বরাবরই থেকে যাচ্ছেন ধরাছোঁয়ার বাইরে। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর অভিযানেও ধরা পড়ছে মাদকের ছোটবড় চালান। ইয়াবাসহ এসব মাদক সরবরাহ বহনের কাজে কোমলমতি শিশু ও নারীদের ব্যবহার করা হচ্ছে। রাজবাড়ী প্রতিনিধি জানান, রাজবাড়ীতে এখন হাত বাড়ালেই মেলে মাদক। রাস্তার ধারে, হাট-বাজারে বিক্রি হয় মাদক। অন্তর্বর্তী সরকারের সময় মাদকের ভয়াবহ উত্থানের কারণে এমন হয়েছে বলে স্থানীয়রা জানিয়েছেন। জেলার বিভিন্ন শ্রেণি- পেশার মানুষের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, মাদকের প্রভাবে কিশোর-তরুণদের মধ্যে মাদক আসক্তি বাড়ছে। চুরি, ছিনতাইসহ অপরাধ বৃদ্ধি পাচ্ছে। সামাজিক অবক্ষয় ও নিরাপত্তাঝুঁকি তৈরি হয়েছে। জনবল সংকট, সংঘবদ্ধ চক্রের সক্রিয়তা, সহজলভ্যতা, কিছু এলাকায় প্রশাসনের নজরদারি কম বলে অভিযোগ রয়েছে।</p>
<p>রংপুর&#8212;, অন্তর্বর্তী সরকারের প্রথম দিকে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর দুর্বলতার সুয়োগে ভারতীয় সীমান্ত গলিয়ে মাদক এসেছে পানির শ্যাওলার মতো। মাঝেমধ্যে মাদক বহনকারীরা ধরা পড়লেও মূল গডফাদাররা রয়ে যাচ্ছেন ধরাছোঁয়ার বাইরে। দিন দিন মাদকসেবীর সংখ্যা বাড়ার পাশাপাশি মাদক পাচারের নিরাপদ রুটে পরিণত হয় রংপুর। এ নিয়ে অভিভাবক ও সচেতন মহল চিন্তিত।বাংলাদেশ প্রতিদিন</p>
]]></content:encoded>
					
					<wfw:commentRss>https://chtnews24.com/2026/05/18/%e0%a7%a7%e0%a7%ac%e0%a7%a8-%e0%a6%aa%e0%a6%af%e0%a6%bc%e0%a7%87%e0%a6%a8%e0%a7%8d%e0%a6%9f%e0%a7%87-%e0%a7%a7%e0%a7%ac%e0%a7%a6%e0%a7%a6-%e0%a6%97%e0%a6%a1%e0%a6%ab%e0%a6%be%e0%a6%a6%e0%a6%be/feed/</wfw:commentRss>
			<slash:comments>0</slash:comments>
		
		
			</item>
	</channel>
</rss>
