<?xml version="1.0" encoding="UTF-8"?><rss version="2.0"
	xmlns:content="http://purl.org/rss/1.0/modules/content/"
	xmlns:wfw="http://wellformedweb.org/CommentAPI/"
	xmlns:dc="http://purl.org/dc/elements/1.1/"
	xmlns:atom="http://www.w3.org/2005/Atom"
	xmlns:sy="http://purl.org/rss/1.0/modules/syndication/"
	xmlns:slash="http://purl.org/rss/1.0/modules/slash/"
	>

<channel>
	<title>বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি &#8211; chtnews24.com</title>
	<atom:link href="https://chtnews24.com/category/%E0%A6%AC%E0%A6%BF%E0%A6%9C%E0%A7%8D%E0%A6%9E%E0%A6%BE%E0%A6%A8-%E0%A6%93-%E0%A6%AA%E0%A7%8D%E0%A6%B0%E0%A6%AF%E0%A7%81%E0%A6%95%E0%A7%8D%E0%A6%A4%E0%A6%BF/feed/" rel="self" type="application/rss+xml" />
	<link>https://chtnews24.com</link>
	<description></description>
	<lastBuildDate>Sun, 17 May 2026 03:07:47 +0000</lastBuildDate>
	<language>en-US</language>
	<sy:updatePeriod>
	hourly	</sy:updatePeriod>
	<sy:updateFrequency>
	1	</sy:updateFrequency>
	<generator>https://wordpress.org/?v=7.0.2</generator>
	<item>
		<title>রাঙ্গামাটিতে বিজ্ঞানমেলায় ব্যাপক সাড়া ফেলেছে ক্ষুদে বিজ্ঞানী সুজন চাকমার ‘আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা’ ও ‘বোমা নিষ্ক্রিয়কারী রোবট’</title>
		<link>https://chtnews24.com/2026/05/17/%e0%a6%b0%e0%a6%be%e0%a6%99%e0%a7%8d%e0%a6%97%e0%a6%be%e0%a6%ae%e0%a6%be%e0%a6%9f%e0%a6%bf%e0%a6%a4%e0%a7%87-%e0%a6%ac%e0%a6%bf%e0%a6%9c%e0%a7%8d%e0%a6%9e%e0%a6%be%e0%a6%a8%e0%a6%ae%e0%a7%87%e0%a6%b2/</link>
					<comments>https://chtnews24.com/2026/05/17/%e0%a6%b0%e0%a6%be%e0%a6%99%e0%a7%8d%e0%a6%97%e0%a6%be%e0%a6%ae%e0%a6%be%e0%a6%9f%e0%a6%bf%e0%a6%a4%e0%a7%87-%e0%a6%ac%e0%a6%bf%e0%a6%9c%e0%a7%8d%e0%a6%9e%e0%a6%be%e0%a6%a8%e0%a6%ae%e0%a7%87%e0%a6%b2/#respond</comments>
		
		<dc:creator><![CDATA[adminchtnews24]]></dc:creator>
		<pubDate>Sun, 17 May 2026 03:07:47 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[Second lead]]></category>
		<category><![CDATA[বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি]]></category>
		<category><![CDATA[রকমারি]]></category>
		<category><![CDATA[রাঙ্গামাটি]]></category>
		<category><![CDATA[শিরোনাম]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://chtnews24.com/?p=37347</guid>

					<description><![CDATA[রাঙ্গামাটি:- রাঙ্গামাটিতে অনুষ্ঠিত ৪৭তম জাতীয় বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি সপ্তাহ এবং বিজ্ঞান মেলায় এবার দর্শনার্থীদের সবচেয়ে বেশি আকৃষ্ট করেছে এক ক্ষুদে বিজ্ঞানীর ব্যতিক্রমধর্মী দুটি উদ্ভাবন। প্রযুক্তিনির্ভর আধুনিক নিরাপত্তা ব্যবস্থাকে সামনে রেখে রাঙ্গামাটির লেকার্স পাবলিক স্কুল ও কলেজ এর শিক্ষার্থী সুজন চাকমা উপস্থাপন করেছে “আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা” এবং “বোমা নিষ্ক্রিয়কারী রোবট” নামের দুটি উদ্ভাবনী প্রকল্প। মেলায় অংশ [&#8230;]]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[<p>রাঙ্গামাটি:- রাঙ্গামাটিতে অনুষ্ঠিত ৪৭তম জাতীয় বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি সপ্তাহ এবং বিজ্ঞান মেলায় এবার দর্শনার্থীদের সবচেয়ে বেশি আকৃষ্ট করেছে এক ক্ষুদে বিজ্ঞানীর ব্যতিক্রমধর্মী দুটি উদ্ভাবন। প্রযুক্তিনির্ভর আধুনিক নিরাপত্তা ব্যবস্থাকে সামনে রেখে রাঙ্গামাটির লেকার্স পাবলিক স্কুল ও কলেজ এর শিক্ষার্থী সুজন চাকমা উপস্থাপন করেছে “আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা” এবং “বোমা নিষ্ক্রিয়কারী রোবট” নামের দুটি উদ্ভাবনী প্রকল্প। মেলায় অংশ নেওয়া শিক্ষক, শিক্ষার্থী, প্রশাসনিক কর্মকর্তা, অভিভাবক ও সাধারণ দর্শনার্থীদের মধ্যে তার প্রজেক্ট নিয়ে ব্যাপক আগ্রহ ও আলোচনা সৃষ্টি হয়েছে।<br />
“উদ্ভাবন নির্ভর বাংলাদেশ গঠন” প্রতিপাদ্যে আয়োজিত তিন দিনব্যাপী এই বিজ্ঞান মেলা শুক্রবার সকালে রাঙ্গামাটি শহরের কুমার সুমিত রায় জিমনেসিয়ামে উদ্বোধন করেন রাঙ্গামাটি জেলা প্রশাসক। জেলা প্রশাসনের আয়োজনে এবং জাতীয় বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি জাদুঘরের সহযোগিতায় অনুষ্ঠিত এ মেলায় জেলার ৩০টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীরা অংশগ্রহণ করছে। আগামী ১৭ মে পর্যন্ত চলবে এই আয়োজন।<br />
মেলার বিভিন্ন স্টলে কৃষি প্রযুক্তি, পরিবেশবান্ধব জ্বালানি, রোবোটিক্স, স্মার্ট সিকিউরিটি, স্বাস্থ্যসেবা ও তথ্যপ্রযুক্তিভিত্তিক নানা উদ্ভাবন স্থান পেলেও সুজন চাকমার উদ্ভাবিত প্রতিরক্ষা প্রযুক্তিভিত্তিক প্রকল্প দুটি দর্শনার্থীদের কাছে আলাদা গুরুত্ব পায়। বিশেষ করে তরুণ প্রজন্মের মধ্যে বিজ্ঞান ও আধুনিক প্রযুক্তি নিয়ে নতুন আগ্রহ তৈরি করেছে তার উদ্ভাবন।<br />
মেলায় প্রদর্শিত “আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা” সম্পর্কে সুজন চাকমা জানান, এটি মূলত রাডারনিয়ন্ত্রিত একটি স্বয়ংক্রিয় প্রতিরক্ষা প্রযুক্তি। দেশের আকাশসীমায় কোনো শত্রুপক্ষের মিসাইল বা সন্দেহজনক বস্তু প্রবেশ করলে রাডার সেটিকে শনাক্ত করবে এবং সঙ্গে সঙ্গে প্রতিরক্ষা ব্যবস্থাকে সক্রিয় করবে। এরপর প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা লক্ষ্যবস্তুর অবস্থান নির্ণয় করে সেটিকে আকাশেই ধ্বংস করার চেষ্টা করবে।<br />
তিনি বলেন, “বর্তমান বিশ্বে প্রযুক্তিনির্ভর যুদ্ধ ও নিরাপত্তা ব্যবস্থা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। বিশ্বের উন্নত দেশগুলো যেভাবে আকাশ প্রতিরক্ষা প্রযুক্তি ব্যবহার করছে, সেই ধারণা থেকেই আমি ছোট পরিসরে এই মডেলটি তৈরি করেছি। ভবিষ্যতে উন্নত প্রযুক্তি ও গবেষণার সুযোগ পেলে এটিকে আরও আধুনিক করা সম্ভব।”<br />
অন্যদিকে তার উদ্ভাবিত “বোমা নিষ্ক্রিয়কারী রোবট” নিয়েও দর্শনার্থীদের আগ্রহ ছিল চোখে পড়ার মতো। সুজন জানান, রোবটটি দূরনিয়ন্ত্রিত প্রযুক্তির মাধ্যমে পরিচালিত হয় এবং এটি বিপজ্জনক বা সন্দেহজনক বিস্ফোরক দ্রব্যের কাছে গিয়ে সেটিকে পরীক্ষা ও নিষ্ক্রিয় করার কাজ করতে পারে। যদি কোনো বোমা নিষ্ক্রিয় করা সম্ভব না হয়, তাহলে রোবটটি সেটিকে নিরাপদ স্থানে সরিয়ে নিয়ে বিস্ফোরণের ব্যবস্থা করতে পারবে।<br />
তিনি আরও জানান, রোবটটি বিশেষ তাপ সহনশীল উপাদান দিয়ে তৈরি করার পরিকল্পনা করা হয়েছে, যাতে এটি ১৩০০ থেকে ১৫০০ ডিগ্রি তাপমাত্রাও সহ্য করতে পারে। এর ফলে বিস্ফোরক নিষ্ক্রিয়করণ অভিযানে মানুষের ঝুঁকি কমানো সম্ভব হবে।<br />
সুজন চাকমা বলেন, “আমি সবসময় প্রযুক্তিকে মানুষের নিরাপত্তা ও কল্যাণে ব্যবহার করার চিন্তা করি। দেশের সেনাবাহিনী, নৌবাহিনী, বিমানবাহিনী, পুলিশ ও অন্যান্য আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর কাজে সহায়তা করার মতো প্রযুক্তি উদ্ভাবনের স্বপ্ন দেখি। এই বিজ্ঞান মেলা আমাকে নিজের কাজ উপস্থাপনের সুযোগ দিয়েছে।”<br />
ক্ষুদে এই বিজ্ঞানীর এমন উদ্ভাবনী চিন্তা ও প্রযুক্তিগত দক্ষতায় গর্বিত লেকার্স পাবলিক স্কুল ও কলেজ কর্তৃপক্ষও। বিদ্যালয়ের শিক্ষকরা জানান, সুজন ছোটবেলা থেকেই বিজ্ঞান, রোবোটিক্স ও প্রযুক্তি বিষয়ে অত্যন্ত আগ্রহী। বিদ্যালয়ের পক্ষ থেকেও তাকে বিভিন্ন গবেষণা ও উদ্ভাবনী কার্যক্রমে উৎসাহ দেওয়া হচ্ছে।<br />
বিদ্যালয়ের এক শিক্ষক বলেন, “বর্তমান প্রজন্মের শিক্ষার্থীরা শুধু পাঠ্যবইয়ের মধ্যে সীমাবদ্ধ নেই। তারা বাস্তবমুখী প্রযুক্তি ও উদ্ভাবন নিয়ে কাজ করছে। সুজনের এই অর্জন শুধু আমাদের প্রতিষ্ঠানের জন্য নয়, পুরো রাঙ্গামাটির জন্য গর্বের বিষয়।”<br />
মেলায় আগত দর্শনার্থীরাও সুজন চাকমার উদ্ভাবনের প্রশংসা করেন। অনেকেই মনে করছেন, পার্বত্য অঞ্চলের শিক্ষার্থীদের মধ্যেও বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি নিয়ে ব্যাপক সম্ভাবনা রয়েছে। সঠিক দিকনির্দেশনা ও পৃষ্ঠপোষকতা পেলে এসব শিক্ষার্থী ভবিষ্যতে জাতীয় পর্যায়ে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখতে সক্ষম হবে।<br />
বিজ্ঞান মেলা উপলক্ষে আয়োজিত আলোচনা সভায় বক্তব্য দেন অতিরিক্ত পুলিশ সুপার জাহাঙ্গীর আলম, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (আইসিটি) আলমগীর হোসেন এবং জেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা সরিৎ কুমার চাকমা।<br />
বক্তারা বলেন, বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিনির্ভর শিক্ষা বর্তমান সময়ের সবচেয়ে বড় প্রয়োজন। শিক্ষার্থীদের সৃজনশীলতা, গবেষণা ও উদ্ভাবনী চিন্তা বিকাশে এ ধরনের বিজ্ঞান মেলা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে। তারা আরও বলেন, প্রযুক্তিতে দক্ষ নতুন প্রজন্মই ভবিষ্যতে দেশের উন্নয়ন, নিরাপত্তা ও স্মার্ট বাংলাদেশ বিনির্মাণে নেতৃত্ব দেবে।</p>
]]></content:encoded>
					
					<wfw:commentRss>https://chtnews24.com/2026/05/17/%e0%a6%b0%e0%a6%be%e0%a6%99%e0%a7%8d%e0%a6%97%e0%a6%be%e0%a6%ae%e0%a6%be%e0%a6%9f%e0%a6%bf%e0%a6%a4%e0%a7%87-%e0%a6%ac%e0%a6%bf%e0%a6%9c%e0%a7%8d%e0%a6%9e%e0%a6%be%e0%a6%a8%e0%a6%ae%e0%a7%87%e0%a6%b2/feed/</wfw:commentRss>
			<slash:comments>0</slash:comments>
		
		
			</item>
		<item>
		<title>১ কাপ কফির দাম ৮৩ হাজার টাকা!</title>
		<link>https://chtnews24.com/2025/09/18/%e0%a7%a7-%e0%a6%95%e0%a6%be%e0%a6%aa-%e0%a6%95%e0%a6%ab%e0%a6%bf%e0%a6%b0-%e0%a6%a6%e0%a6%be%e0%a6%ae-%e0%a7%ae%e0%a7%a9-%e0%a6%b9%e0%a6%be%e0%a6%9c%e0%a6%be%e0%a6%b0-%e0%a6%9f%e0%a6%be%e0%a6%95/</link>
					<comments>https://chtnews24.com/2025/09/18/%e0%a7%a7-%e0%a6%95%e0%a6%be%e0%a6%aa-%e0%a6%95%e0%a6%ab%e0%a6%bf%e0%a6%b0-%e0%a6%a6%e0%a6%be%e0%a6%ae-%e0%a7%ae%e0%a7%a9-%e0%a6%b9%e0%a6%be%e0%a6%9c%e0%a6%be%e0%a6%b0-%e0%a6%9f%e0%a6%be%e0%a6%95/#respond</comments>
		
		<dc:creator><![CDATA[adminchtnews24]]></dc:creator>
		<pubDate>Thu, 18 Sep 2025 02:34:38 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি]]></category>
		<category><![CDATA[শিরোনাম]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://chtnews24.com/?p=33326</guid>

					<description><![CDATA[ডেস্ক রির্পোট:-দুবাইয়ে এক দেশীয় বিশেষত্বের কফি ব্র্যান্ড গড়েছে বিশ্ব রেকর্ড। প্রিমিয়াম কফির জন্য পরিচিত ‘রোস্টার্স’ বিশ্বের সবচেয়ে দামি কফির কাপ বিক্রি করে গিনেস ওয়ার্ল্ড রেকর্ডে নাম লিখিয়েছে। এই কফির দাম ধরা হয়েছে ২ হাজার ৫০০ দিরহাম, যা বাংলাদেশি মুদ্রায় প্রায় ৮৩ হাজার টাকা। গত সপ্তাহে দুবাই ডাউনটাউনে নিজেদের ফ্ল্যাগশিপ আউটলেটে উন্মোচিত এই বিশেষ কফি প্রস্তুত [&#8230;]]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[<p>ডেস্ক রির্পোট:-দুবাইয়ে এক দেশীয় বিশেষত্বের কফি ব্র্যান্ড গড়েছে বিশ্ব রেকর্ড। প্রিমিয়াম কফির জন্য পরিচিত ‘রোস্টার্স’ বিশ্বের সবচেয়ে দামি কফির কাপ বিক্রি করে গিনেস ওয়ার্ল্ড রেকর্ডে নাম লিখিয়েছে। এই কফির দাম ধরা হয়েছে ২ হাজার ৫০০ দিরহাম, যা বাংলাদেশি মুদ্রায় প্রায় ৮৩ হাজার টাকা।</p>
<p>গত সপ্তাহে দুবাই ডাউনটাউনে নিজেদের ফ্ল্যাগশিপ আউটলেটে উন্মোচিত এই বিশেষ কফি প্রস্তুত হয়েছে দুর্লভ পানামা এসমেরাল্ডা গেইশা কফি বিন দিয়ে। সুগন্ধি ফুলেল ঘ্রাণ ও স্তরভেদে সাজানো ট্রপিক্যাল ফলের স্বাদের জন্য এই বিন বিশ্বজুড়ে অনন্য হিসেবে পরিচিত।</p>
<p>কাপে পরিবেশন করা হয়েছে হাতে ঢালা ভি৬০ ব্রিউ, সঙ্গে গেইশা বিন-সংমিশ্রিত সূক্ষ্ম টিরামিসু, চকলেট আইসক্রিম এবং অভিজ্ঞতাকে পূর্ণতা দেওয়ার জন্য একটি বিশেষ চকোলেট পিস। গ্রাহকরা চাইলে টেবিলের পাশেই বারিস্তার নিখুঁত প্রক্রিয়ায় লাইভ কফি ব্রুইং উপভোগ করতে পারবেন—যেখানে ব্যবহার করা হয় তাপ নিয়ন্ত্রিত কেটলি, ভি৬০ ড্রিপার, প্রিসিশন স্কেল এবং সদ্য গুঁড়া করা বিন।</p>
<p>এ অনন্য কফি পরিবেশন করা হয় জাপানি ঐতিহ্যের নিদর্শন এডো কিরিকো ক্রিস্টাল গ্লাসে। অতিথিদের স্বাদ, ঘ্রাণ ও টেক্সচারের ভ্রমণ বোঝাতে দেওয়া হয় বিশেষ ফ্লেভার নোট কার্ডও।</p>
<p>রোস্টার্সের সহপ্রতিষ্ঠাতা ও সিইও কনস্টান্টিন হারবুজ বলেন, ‘আমরা বিশ্বাস করি প্রতিটি কাপ একটি গল্প বলে। এই স্বীকৃতি আমাদের দলের নিষ্ঠার প্রতিফলন এবং দুবাইয়ের ক্রমবর্ধমান বৈশ্বিক সুনামকে তুলে ধরে—যেখানে অসাধারণ কফি অভিজ্ঞতা পাওয়া যায়।’</p>
<p>সম্প্রতি ডিএমসিসির প্রকাশিত ফিউচার অব ট্রেড প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে, প্রতিদিন বিশ্বের মানুষ পান করছে দুই বিলিয়নেরও বেশি কাপ কফি। তবে জলবায়ু পরিবর্তন, ভোক্তার রুচির পরিবর্তন ও ভ্যালু চেইনে নতুন শক্তির প্রভাবে বৈশ্বিক কফি শিল্পের চিত্র দ্রুত বদলে যাচ্ছে।</p>
]]></content:encoded>
					
					<wfw:commentRss>https://chtnews24.com/2025/09/18/%e0%a7%a7-%e0%a6%95%e0%a6%be%e0%a6%aa-%e0%a6%95%e0%a6%ab%e0%a6%bf%e0%a6%b0-%e0%a6%a6%e0%a6%be%e0%a6%ae-%e0%a7%ae%e0%a7%a9-%e0%a6%b9%e0%a6%be%e0%a6%9c%e0%a6%be%e0%a6%b0-%e0%a6%9f%e0%a6%be%e0%a6%95/feed/</wfw:commentRss>
			<slash:comments>0</slash:comments>
		
		
			</item>
		<item>
		<title>গবেষণার জন্য পার্বত্য চট্টগ্রাম তরুণ বিজ্ঞানীদের গুরুত্বপুর্ণ স্থান হতে পারে &#8211; পার্বত্য উপদেষ্টা সুপ্রদীপ চাকমা</title>
		<link>https://chtnews24.com/2025/05/16/%e0%a6%97%e0%a6%ac%e0%a7%87%e0%a6%b7%e0%a6%a3%e0%a6%be%e0%a6%b0-%e0%a6%9c%e0%a6%a8%e0%a7%8d%e0%a6%af-%e0%a6%aa%e0%a6%be%e0%a6%b0%e0%a7%8d%e0%a6%ac%e0%a6%a4%e0%a7%8d%e0%a6%af-%e0%a6%9a%e0%a6%9f/</link>
					<comments>https://chtnews24.com/2025/05/16/%e0%a6%97%e0%a6%ac%e0%a7%87%e0%a6%b7%e0%a6%a3%e0%a6%be%e0%a6%b0-%e0%a6%9c%e0%a6%a8%e0%a7%8d%e0%a6%af-%e0%a6%aa%e0%a6%be%e0%a6%b0%e0%a7%8d%e0%a6%ac%e0%a6%a4%e0%a7%8d%e0%a6%af-%e0%a6%9a%e0%a6%9f/#respond</comments>
		
		<dc:creator><![CDATA[adminchtnews24]]></dc:creator>
		<pubDate>Fri, 16 May 2025 14:21:58 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[Second lead]]></category>
		<category><![CDATA[বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি]]></category>
		<category><![CDATA[রকমারি]]></category>
		<category><![CDATA[রাঙ্গামাটি]]></category>
		<category><![CDATA[শিক্ষা]]></category>
		<category><![CDATA[শিরোনাম]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://chtnews24.com/?p=30578</guid>

					<description><![CDATA[রাঙ্গামাটি : পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা সুপ্রদীপ চাকমা বলেছেন, গবেষণার জন্য পার্বত্য চট্টগ্রাম তরুণ বিজ্ঞানীদের অন্যতম স্থান হতে পারে। সম্ভাবনাময় পার্বত্য চট্টগ্রামের অগ্রযাত্রাকে এগিয়ে নিতে তরুণ বিজ্ঞানীদের ভুমিকা রাখতে হবে। তিনি বলেন, দেশের এক দশমাংশ অঞ্চল জুড়েই রয়েছে পার্বত্য চট্টগ্রাম, এখানে গবেষণার জন্য অনেক বিষয় রয়েছে। তাছাড়া কাপ্তাই লেক এবং কৃষির সম্ভাবনা তরুণদের গবেষণাকে [&#8230;]]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[<p>রাঙ্গামাটি : পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা সুপ্রদীপ চাকমা বলেছেন, গবেষণার জন্য পার্বত্য চট্টগ্রাম তরুণ বিজ্ঞানীদের অন্যতম স্থান হতে পারে। সম্ভাবনাময় পার্বত্য চট্টগ্রামের অগ্রযাত্রাকে এগিয়ে নিতে তরুণ বিজ্ঞানীদের ভুমিকা রাখতে হবে।</p>
<p>তিনি বলেন, দেশের এক দশমাংশ অঞ্চল জুড়েই রয়েছে পার্বত্য চট্টগ্রাম, এখানে গবেষণার জন্য অনেক বিষয় রয়েছে। তাছাড়া কাপ্তাই লেক এবং কৃষির সম্ভাবনা তরুণদের গবেষণাকে অনেকদুর এগিয়ে নিতে পারে।</p>
<p>রাঙ্গামাটি বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের আয়োজনে শুক্রবার বিকেল ৩টায় জেলা পর্যটন কর্পোরেশনের হলরুমে ১৬-১৮ মে তিন দিনব্য্যাপী আর্ন্তজাতিক কনফারেন্স এন্ড বায়োসায়েন্স কার্নিভালের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে পার্বত্য উপদেষ্টা সুপ্রদীপ চাকমা এসব কথা বলেন।</p>
<p>রাবিপ্রবি&#8217;র ভাইস-চ্যান্সেলর ও আইসিবিসি’র চেয়ারম্যান প্রফেসর ড. মোঃ আতিয়ার রহমানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনের সম্মানিত সদস্য, বাংলাদেশ বিজ্ঞান একাডেমির ফেলো ও বিজ্ঞানী প্রফেসর ড. মোঃ সাইদুর রহমান, বাংলাদেশ মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের ( প্রাক্তন বিএসএমএমইউ) সম্মানিত উপাচার্য প্রফেসর ড. শাহিনুল আলম, রাঙ্গামাটি পার্বত্য জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান কৃষিবিদ কাজল তালুকদার।</p>
<p>Innovations and Collaborations in Bioscience, Biosafety and Biosecurity: Quest for a Sustainable Healthcare and Agricultural Perspective” বিষয়ক প্রতিপাদ্যকে ঘিরে আয়োজিত এই কনফারেন্সের প্লেনারী সেশনে বক্তব্য রাখেন বাংলাদেশের বিশিষ্ট জীন বিজ্ঞানী ও বহুব্রীহি ধানের আবিষ্কারক ড. আবেদ চৌধুরী, আইসিডিডিআরবি’র বায়োসেফটি প্রধান ড. আসাদুলগণি ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ফার্মেসী বিভাগের অধ্যাপক ড. মুনিরা আহসান।</p>
<p>অনুষ্ঠানে রাবিপ্রবির ব্যবসায় প্রশাসন অনুষদের ডিন সূচনা আখতার, সায়েন্স, ইঞ্জিনিয়ারিং এন্ড টেকনোলজি অনুষদের ডিন ধীমান শর্মা, প্রক্টর ও ফরেস্ট্রি এন্ড এনভায়রনমেন্টাল সায়েন্স বিভাগের সহকারী অধ্যাপক সাদ্দাম হোসেন, ফরেস্ট্রি এন্ড এনভায়রনমেন্টাল সায়েন্স বিভাগের চেয়ারম্যান ও সহকারী অধ্যাপক ড. নিখিল চাকমা, ফরেস্ট্রি এন্ড এনভায়রনমেন্টাল সায়েন্স বিভাগের সহকারী অধ্যাপক ড. সুপ্রিয় চাকমাসহ বাংলাদেশের বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্যগণ উপস্থিত ছিলেন।</p>
<p>পার্বত্য উপদেষ্টা আরো বলেন, রাঙ্গামাটি বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের এগার বছরের পথচলায় এই আয়োজনের মাধ্যমে পার্বত্যবাসীর মনে আশার সঞ্চার হবে।<br />
তিনি বলেন,এই আয়োজন সম্ভাবনার বাংলাদেশকে বিশ্বের দরবারে নতুন আঙ্গিকে মাথা তুলে দাড়াতে সাহস জোগাবে।</p>
<p>অনুষ্ঠানে আর্ন্তজাতিক কনফারেন্স এন্ড বায়োসায়েন্স কার্নিভালের প্রোগ্রামসূচি ও কনফারেন্সের লক্ষ্যে-উদ্দেশ্য ও ভবিষ্যৎ পরিকল্পনাসহ অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ বিষয়াদি বিস্তারিতভাবে তুলে ধরা হয়।</p>
<p>আন্তর্জাতিক কনফারেন্স এন্ড বায়োসায়েন্স কার্নিভালে প্রায় ৩৫০ এর অধিক বিজ্ঞানী এবং গবেষকগণ তাদের গবেষণাপত্র উপস্থাপন করবেন। তরুণ বিজ্ঞানীরা উপস্থাপন করতে যাচ্ছেন নতুন নতুন গবেষণা আইডিয়া এবং বাংলাদেশে বিজ্ঞান উন্নতিকল্পে থাকছে বিজ্ঞান বিতর্ক।</p>
<p>কনফারেন্সের দ্বিতীয় এবং তৃতীয় দিনের কার্নিভাল অনুষ্ঠিত হবে রাঙ্গামাটি বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে। এখানে স্বাস্থ্য ও কৃষিতে ইনোভেশন বিষয়ে বাংলাদেশে যে গবেষণা হচ্ছে সেগুলোর ফলাফল উপস্থাপন ও তার প্রায়োগিক সম্ভাবনা বিষয়ক গবেষণাসমূহ উপস্থাপন করা হবে।</p>
]]></content:encoded>
					
					<wfw:commentRss>https://chtnews24.com/2025/05/16/%e0%a6%97%e0%a6%ac%e0%a7%87%e0%a6%b7%e0%a6%a3%e0%a6%be%e0%a6%b0-%e0%a6%9c%e0%a6%a8%e0%a7%8d%e0%a6%af-%e0%a6%aa%e0%a6%be%e0%a6%b0%e0%a7%8d%e0%a6%ac%e0%a6%a4%e0%a7%8d%e0%a6%af-%e0%a6%9a%e0%a6%9f/feed/</wfw:commentRss>
			<slash:comments>0</slash:comments>
		
		
			</item>
		<item>
		<title>হুমকিতে দেশীয় কাগজশিল্প,বন্ধ হয়ে গেছে ৮০টি কাগজ মিল</title>
		<link>https://chtnews24.com/2025/05/15/%e0%a6%b9%e0%a7%81%e0%a6%ae%e0%a6%95%e0%a6%bf%e0%a6%a4%e0%a7%87-%e0%a6%a6%e0%a7%87%e0%a6%b6%e0%a7%80%e0%a6%af%e0%a6%bc-%e0%a6%95%e0%a6%be%e0%a6%97%e0%a6%9c%e0%a6%b6%e0%a6%bf%e0%a6%b2%e0%a7%8d%e0%a6%aa/</link>
					<comments>https://chtnews24.com/2025/05/15/%e0%a6%b9%e0%a7%81%e0%a6%ae%e0%a6%95%e0%a6%bf%e0%a6%a4%e0%a7%87-%e0%a6%a6%e0%a7%87%e0%a6%b6%e0%a7%80%e0%a6%af%e0%a6%bc-%e0%a6%95%e0%a6%be%e0%a6%97%e0%a6%9c%e0%a6%b6%e0%a6%bf%e0%a6%b2%e0%a7%8d%e0%a6%aa/#respond</comments>
		
		<dc:creator><![CDATA[adminchtnews24]]></dc:creator>
		<pubDate>Thu, 15 May 2025 02:27:20 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[অর্থ-বানিজ্য]]></category>
		<category><![CDATA[বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি]]></category>
		<category><![CDATA[শিরোনাম]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://chtnews24.com/?p=30553</guid>

					<description><![CDATA[ব্যাপকভাবে রাজস্ববঞ্চিত হচ্ছে সরকার বন্ধ হয়ে গেছে ৮০টি কাগজ মিল এক লাখ কোটি টাকা বিনিয়োগ ঝুঁকিতে শুল্ক সুবিধা প্রত্যাহারের প্রস্তাব বিপিএমএর ডেস্ক রির্পোট:- শুল্কমুক্ত বন্ড সুবিধা নিয়ে বিদেশ থেকে পাঠ্যপুস্তক মুদ্রণের জন্য কাগজ আমদানিতে ফায়দা নিচ্ছে অসাধু চক্র। মুদ্রণশিল্পের কাঁচামালের সুবিধা পাওয়া এই আমদানি পণ্য খোলাবাজারে বিক্রিতে সরকারি নিষেধাজ্ঞা রয়েছে। তবু বেশি মুনাফার আশায় খোলাবাজারে [&#8230;]]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[<h2><strong>ব্যাপকভাবে রাজস্ববঞ্চিত হচ্ছে সরকার</strong><br />
<strong>বন্ধ হয়ে গেছে ৮০টি কাগজ মিল</strong><br />
<strong>এক লাখ কোটি টাকা বিনিয়োগ ঝুঁকিতে</strong><br />
<strong>শুল্ক সুবিধা প্রত্যাহারের প্রস্তাব বিপিএমএর</strong></h2>
<p>ডেস্ক রির্পোট:- শুল্কমুক্ত বন্ড সুবিধা নিয়ে বিদেশ থেকে পাঠ্যপুস্তক মুদ্রণের জন্য কাগজ আমদানিতে ফায়দা নিচ্ছে অসাধু চক্র। মুদ্রণশিল্পের কাঁচামালের সুবিধা পাওয়া এই আমদানি পণ্য খোলাবাজারে বিক্রিতে সরকারি নিষেধাজ্ঞা রয়েছে। তবু বেশি মুনাফার আশায় খোলাবাজারে এই আমদানি করা কাগজ বিক্রি করে আসছে চক্রগুলো। এতে হুমকির মুখে পড়ছে দেশীয় কাগজশিল্পের অস্তিত্ব।<br />
আমদানির সুযোগ নিয়ে বিপুল পরিমাণ মুদ্রা বিদেশে চলে যাওয়ার পাশাপাশি ব্যাপকভাবে রাজস্ববঞ্চিত হচ্ছে সরকার।</p>
<p>সম্প্রতি জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) চেয়ারম্যানের কাছে এসব তথ্য তুলে ধরে আমদানিতে শুল্ক সুবিধা প্রত্যাহারের প্রস্তাব করেছে বাংলাদেশ পেপার মিল অ্যাসোসিয়েশন (বিপিএমএ)।</p>
<p>সংগঠনটির পক্ষে এর আগে শিক্ষা উপদেষ্টার কাছে দেওয়া আবেদনে বলা হয়, দেশি কাগজ কলগুলোর চাহিদার চেয়ে বেশি উৎপাদন ক্ষমতা থাকা সত্ত্বেও বিদেশ থেকে শুল্কমুক্ত সুবিধায় আমদানি করা কাগজ খোলাবাজারে বিক্রিতে হুমকির মুখে পড়েছে বাংলাদেশের কাগজশিল্প। এ অবস্থায় ছাপার জন্য কাগজ আমদানিতে শুল্ক মওকুফের সিদ্ধান্ত প্রত্যাহারের প্রস্তাব দিয়েছে বিপিএমএ।</p>
<p>রাজস্ব সংস্থায় দেওয়া চিঠিতে ২০২৫ শিক্ষাবর্ষের পাঠ্যপুস্তক মুদ্রণের জন্য শুল্কমুক্ত আমদানি করা ছাপার কাগজ বিশেষ বিবেচনায় আমদানির শর্ত ভঙ্গ করে খোলাবাজারে বিক্রি রোধ করতে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার প্রস্তাব করা হয়।</p>
<p>একই সঙ্গে অবহিত করা হয়, ইউনিয়ন অ্যাসোসিয়েটস নামের একটি অসাধু ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান ও প্রভাবশালী একজন স্বার্থান্বেষী ব্যক্তির পারস্পরিক যোগসাজশে ২০২৫ শিক্ষাবর্ষের পাঠ্যপুস্তক মুদ্রণের জন্য শুল্কমুক্ত আমদানি করা ছাপার কাগজ উচ্চমূল্যে খোলাবাজারে বিক্রি করা হয়েছে। ওই প্রতিষ্ঠান আমদানি করা সাত হাজার ৭৫০ মেট্রিক টন ছাপার কাগজ মুদ্রণকারী প্রতিষ্ঠানের কাছে সরবরাহ করার পরিবর্তে বেশি মুনাফা লাভের জন্য অন্যান্য প্রতিষ্ঠানের কাছে বিক্রি করেছে।</p>
<p>উল্লেখ্য, ওই প্রতিষ্ঠানের নথিপত্র অনুযায়ী আমদানির পরিমাণ সাত হাজার ৭৫০ মেট্রিক টন হলেও প্রকৃতপক্ষে আমদানির পরিমাণ আরো বেশি।<br />
এই অসাধু চক্র একদিকে বিশেষ বিবেচনায় শুল্কমুক্ত আমদানির শর্ত ভঙ্গ করেছে এবং অন্যদিকে সরকারের রাজস্ব ক্ষতি করেছে।</p>
<p>এদিকে দেশীয় মিলগুলোর জাতীয় শিক্ষাক্রম ও পাঠ্যপুস্তক বোর্ডের (এনসিটিবি) নির্ধারিত স্পেসিফিকেশন অনুযায়ী চাহিদার সব কাগজ সরবরাহে সক্ষমতা রয়েছে। এই অবস্থায় শুল্কমুক্ত সুবিধায় আমদানির সুযোগ নিয়ে এ ধরনের অপতৎপরতা চলছে, যা দেশীয় কাগজশিল্পের অস্তিত্বের জন্য বিরাট হুমকিস্বরূপ।</p>
<p>কাগজ উৎপাদন শিল্পের সংগঠনটি জানায়, দেশীয় শিল্প ধ্বংসের এই অশুভ চক্রান্তের পুনরাবৃত্তি এখনই শক্ত হাতে রোধ করা না গেলে আগামী দিনে অন্যরাও এই অনৈতিক কাজে উৎসাহিত হবে।</p>
<p>বিপিএমএ থেকে দাবি জানানো হয়, এই ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত করে জড়িত প্রতিষ্ঠান ও ব্যক্তিদের আইনের আওতায় আনতে হবে এবং ওই কাগজ আমদানির জন্য প্রযোজ্য শুল্ক ও নিয়ন্ত্রণমূলক শুল্ক (আরডি) মওকুফে অনৈতিক সুবিধা নেওয়ায় সরকারের রাজস্ব ক্ষতি হয়েছে তা জরিমানাসহ আদায়ের ব্যবস্থা নিতে হবে।</p>
<p>এনবিআরের কাছে অভিযোগ জানানোর আগে শিক্ষা উপদেষ্টার কাছেও বিষয়টি জানিয়েছে এই শিল্প খাতের সংগঠনটি।</p>
<p>বিপিএমএ অন্য এক চিঠিতে শিক্ষা মন্ত্রণালয়কে জানায়, শুল্কমুক্ত ছাপার কাগজ আমদানির সুযোগ বন্ধ করতে হবে। পাঠ্যপুস্তক মুদ্রণে ছাপার কাগজের ওপর আমদানি পর্যায়ে প্রযোজ্য সিডি ও আরডি মওকুফ করায় দেশীয় কাগজশিল্প খাতের উদ্যোক্তারা উদ্বিগ্ন। তাঁরা আশঙ্কা করছেন, কিছু অসাধু ব্যবসায়ী পারস্পরিক যোগসাজশে বন্ড সুবিধার মতো আলোচ্য শুল্কমুক্ত আমদানি সুবিধার অপব্যবহার করছে। বৈশ্বিক মন্দায় ধ্বংসের দ্বারপ্রান্তে উপনীত দেশীয় কাগজশিল্পের অস্তিত্ব বিলীন করার অপচেষ্টায় তারা লিপ্ত হয়েছে। শুল্কমুক্ত সুবিধায় এরই মধ্যে আমদানি করা কাগজ খোলাবাজারে বিক্রি করা হয়েছে। বিশেষ মহল ভবিষ্যতেও শুল্কমুক্ত সুবিধায় কাগজ আমদানি করে তা খোলাবাজারে বিক্রি করবে। এই অযৌক্তিক সুবিধা অব্যাহত থাকলে দেশীয় কাগজশিল্পের অস্তিত্ব বিলীন হয়ে যাবে। সংগঠনটি জানায়, বাংলাদেশের অর্থনীতিতে কাগজশিল্প আমদানি বিকল্প, রপ্তানিমুখী ও পরিবেশবান্ধব শিল্প হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হয়েছে। দেশে নিবন্ধিত ১২৮টির মধ্যে স্থাপিত ১০৬টি পেপার মিলের বছরে ১৬ লাখ মেট্রিক টন কাগজ উৎপাদনের সক্ষমতা রয়েছে। এর মধ্যে ৯ লাখ মেট্রিক টন অভ্যন্তরীণ চাহিদা মিটিয়ে অতিরিক্ত কাগজ ৪০টিরও বেশি দেশে রপ্তানি করছে। এতে প্রতিবছর বিপুল পরিমাণ বৈদেশিক মুদ্রা অর্জন হচ্ছে। এই খাতে প্রত্যক্ষভাবে ২৫ লাখ লোকের কর্মসংস্থান হয়েছে এবং পরোক্ষভাবে এক কোটি মানুষের জীবন-জীবিকা নির্ভরশীল। দেশীয় কাগজশিল্পের উদ্যোক্তারা এই খাতে প্রায় এক লাখ কোটি টাকা বিনিয়োগ করেছেন। কাগজশিল্পকে কেন্দ্র করে দেশে ৩০০টির বেশি সহায়ক শিল্প গড়ে উঠেছে। এই খাত প্রতিবছর পাঁচ হাজার কোটি টাকার রাজস্ব দিয়ে আসছে। আমদানি বিকল্প শিল্প হিসেবে বড় অঙ্কের বৈদেশিক মুদ্রার সাশ্রয় করছে। দেশের কাগজশিল্পের যাত্রা অনেক দিনের হলেও বিভিন্ন স্বার্থান্বেষী মহলের অসাধু কর্মকাণ্ডে বারবার হোঁচট খাচ্ছে। বর্তমানে এই শিল্প এক বিপর্যয়কর পরিস্থিতির মুখোমুখি এসে দাঁড়িয়েছে। কিছু অসাধু ব্যবসায়ী ও স্বার্থান্বেষী মহল পারস্পরিক যোগসাজশে বিদ্যমান উদার নীতির অপপ্রয়োগ তথা বন্ড সুবিধার অপব্যবহার, মিথ্যা ঘোষণা ও চোরাচালানের মাধ্যমে বিপুল পরিমাণ কাগজ আমদানি করছে। ফলে দেশীয় কাগজশিল্পের অস্তিত্ব মারাত্মক হুমকির সম্মুখীন। এরই মধ্যে ৮০টি কাগজ মিল সম্পূর্ণ বন্ধ হয়ে গেছে এবং অবশিষ্ট ২৬টি মিল কোনো রকমে ধুঁকে ধুঁকে চলছে।</p>
<p>প্রসঙ্গত এনসিটিবির চাহিদা অনুযায়ী মানসম্পন্ন কাগজ সঠিক মূল্যে যথাসময়ে সরবরাহ নিশ্চিত করার সক্ষমতা বিপিএমএর সদস্য প্রতিষ্ঠানগুলোর রয়েছে। ২০ বছর ধরে এনসিটিবি সরাসরি কেনা কাগজ দেশীয় মিলগুলো নির্ধারিত গুণগতমান অনুযায়ী এবং এনসিটিবির সব শর্ত পরিপালন করে সরবরাহ করে আসছে। অথচ এনসিটিবির কার্যাদেশ পাওয়া মুদ্রণকারী প্রতিষ্ঠানগুলো দেশীয় মিলের কাগজ না কিনে বিনাশুল্কে ছাপার কাগজ আমদানি করছে। এই ক্ষেত্রে এনবিআরের এই সিদ্ধান্ত দেশীয় কাগজশিল্পের জন্য আত্মঘাতী।</p>
<p>এ ছাড়া দেশীয় মিলগুলোর উৎপাদিত কাগজ এনসিটিবিতে সরবরাহের জন্য ভ্যাট ও অগ্রিম আয়কর দিতে হয়। অথচ আমদানিতে শুল্কমুক্ত সুবিধা স্থানীয় ও আমদানিকৃত কাগজের মধ্যে তীব্র বৈষম্যের সৃষ্টি হয়েছে।</p>
<p>এ অবস্থায় দেশের আর্থসামাজিক উন্নয়নে ভূমিকা রাখা দেশীয় কাগজশিল্প খাত ও এর সঙ্গে নির্ভরশীল প্রায় ৩০০টি লিংকেজ শিল্পের অস্তিত্ব রক্ষা এবং এক লাখ কোটি টাকার বিনিয়োগ সুরক্ষায় শুল্ক ও ভ্যাটমুক্ত সুবিধায় কাগজ আমদানির সিদ্ধান্ত প্রত্যাহারের দাবি উঠেছে।</p>
<p>প্রসঙ্গত, চলতি বছরের ফেব্রুয়ারিতে কাগজ আমদানিতে ২৫ শতাংশ শুল্ক ও ৩ শতাংশ নিয়ন্ত্রণমূলক শুল্ক শর্তসাপেক্ষে মওকুফ করা হয়। কাগজ আমদানিতে শুল্ক মওকুফ সুবিধা নিলেও অনেকেই শর্ত মানছে না। কালের কন্ঠ</p>
]]></content:encoded>
					
					<wfw:commentRss>https://chtnews24.com/2025/05/15/%e0%a6%b9%e0%a7%81%e0%a6%ae%e0%a6%95%e0%a6%bf%e0%a6%a4%e0%a7%87-%e0%a6%a6%e0%a7%87%e0%a6%b6%e0%a7%80%e0%a6%af%e0%a6%bc-%e0%a6%95%e0%a6%be%e0%a6%97%e0%a6%9c%e0%a6%b6%e0%a6%bf%e0%a6%b2%e0%a7%8d%e0%a6%aa/feed/</wfw:commentRss>
			<slash:comments>0</slash:comments>
		
		
			</item>
		<item>
		<title>কাল থেকে চালু হচ্ছে ‘নাগরিক সেবা’এক ঠিকানায় নাগরিকদের সব সেবা</title>
		<link>https://chtnews24.com/2025/04/30/%e0%a6%95%e0%a6%be%e0%a6%b2-%e0%a6%a5%e0%a7%87%e0%a6%95%e0%a7%87-%e0%a6%9a%e0%a6%be%e0%a6%b2%e0%a7%81-%e0%a6%b9%e0%a6%9a%e0%a7%8d%e0%a6%9b%e0%a7%87-%e0%a6%a8%e0%a6%be%e0%a6%97%e0%a6%b0/</link>
					<comments>https://chtnews24.com/2025/04/30/%e0%a6%95%e0%a6%be%e0%a6%b2-%e0%a6%a5%e0%a7%87%e0%a6%95%e0%a7%87-%e0%a6%9a%e0%a6%be%e0%a6%b2%e0%a7%81-%e0%a6%b9%e0%a6%9a%e0%a7%8d%e0%a6%9b%e0%a7%87-%e0%a6%a8%e0%a6%be%e0%a6%97%e0%a6%b0/#respond</comments>
		
		<dc:creator><![CDATA[adminchtnews24]]></dc:creator>
		<pubDate>Wed, 30 Apr 2025 16:30:48 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[Second lead]]></category>
		<category><![CDATA[বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি]]></category>
		<category><![CDATA[বিশেষ প্রতিবেদন]]></category>
		<category><![CDATA[শিরোনাম]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://chtnews24.com/?p=30345</guid>

					<description><![CDATA[ডেস্ক রির্পোট:- আগামীকাল ১লা মে থেকেই সেবাদাতা হিসেবে ব্যক্তি উদ্যোক্তারা আবেদন করতে পারবেন। চলমান ইউনিয়ন ডিজিটাল সেন্টারগুলোকেও এর অন্তর্ভুক্ত করে নেওয়া হবে। আগ্রহী উদ্যোক্তাদের www.nagoriksheba.gov.bd ওয়েবসাইটের মাধ্যমে আবেদনের অনুরোধ করা হয়েছে। এক ঠিকানায় নাগরিকের কাছে সব সেবা পৌঁছে দিতে প্রধান উপদেষ্টার কার্যালয়ের উদ্যোগে আসছে ‘নাগরিক সেবা বাংলাদেশ’-নামের নতুন আউটলেট, যার সংক্ষেপিত রূপ ‘নাগরিক সেবা’। আজ [&#8230;]]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[<p>ডেস্ক রির্পোট:- আগামীকাল ১লা মে থেকেই সেবাদাতা হিসেবে ব্যক্তি উদ্যোক্তারা আবেদন করতে পারবেন। চলমান ইউনিয়ন ডিজিটাল সেন্টারগুলোকেও এর অন্তর্ভুক্ত করে নেওয়া হবে। আগ্রহী উদ্যোক্তাদের www.nagoriksheba.gov.bd ওয়েবসাইটের মাধ্যমে আবেদনের অনুরোধ করা হয়েছে।</p>
<p>এক ঠিকানায় নাগরিকের কাছে সব সেবা পৌঁছে দিতে প্রধান উপদেষ্টার কার্যালয়ের উদ্যোগে আসছে ‘নাগরিক সেবা বাংলাদেশ’-নামের নতুন আউটলেট, যার সংক্ষেপিত রূপ ‘নাগরিক সেবা’।</p>
<p>আজ (৩০ এপ্রিল) এসব তথ্য জানিয়েছেন প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ সহকারী ফয়েজ আহমদ তৈয়্যব।</p>
<p>তিনি জানান, আগামীকাল ১লা মে থেকেই সেবাদাতা হিসেবে ব্যক্তি উদ্যোক্তারা আবেদন করতে পারবেন। চলমান ইউনিয়ন ডিজিটাল সেন্টারগুলোকেও এর অন্তর্ভুক্ত করে নেওয়া হবে। আগ্রহী উদ্যোক্তাদের www.nagoriksheba.gov.bd ওয়েবসাইটের মাধ্যমে আবেদনের অনুরোধ করা যাচ্ছে।</p>
<p>তিনি বলেন, এর মাধ্যমে সরকারি সেবা এখন জনগণের দোরগোড়ায় পৌঁছানোর উদ্যোগ হিসেবে প্রতিটি মন্ত্রণালয়কে অন্তত দুটি গুরুত্বপূর্ণ সেবা; যা নাগরিক সেবা কেন্দ্রে (কিয়স্ক) এখনই নেওয়া যাবে তার তালিকা দিতে নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। শুরুতে প্রায় একশ’ সেবা দিয়ে এই কার্যক্রম শুরু হবে।</p>
<p>ফয়েজ আহমদ তৈয়্যব জানান, ন্যাশনাল ইন্টার-অপারেবিলিটি ফ্রেইমওয়ার্ক এবং ডেটা গভর্নেন্স কাঠামো গঠন ও কার্যকরের পাশাপাশি, ডিজিটাল ট্রান্সফর্মেশনে গতি বাড়বে এ টি উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।</p>
<p>সেবা সংখ্যা দ্রুত বৃদ্ধি পাবে জানিয়ে তিনি বলেন, স্বাধীন উদ্যোক্তাদের মাধ্যমে ‘নাগরিক সেবা’ কেন্দ্র পৌঁছে যাবে বাংলাদেশের সব শহরে, সব গ্রামে এবং ওয়ার্ডে। উল্লেখ্য, ‘নাগরিক সেবা’ কেন্দ্রে আবেদনের পরে নাগরিকে আবেদনের জন্য ‘প্রিন্টেড পেপার’ নিয়ে কোনো সরকারি বা আধা বেসরকারি অফিসে যেতে হবে না।</p>
<p>বরং সেবা কেন্দ্রের সাইট থেকে অনলাইনে জমা দেওয়া অবেদন সরাসরি ট্র্যাকিং নাম্বারসহ সংশ্লিষ্ট অফিসে পৌঁছে দেওয়া হবে। এর পেছনে কাজ করবে একটি শক্তিশালী ও নিরাপদ সার্ভিস বাস। ন্যাশনাল সার্ভিস বাস মন্ত্রণালয়গুলোর মধ্যে ইন্টার-অপারেবিলিটি নিশ্চিত করবে।</p>
<p>তিনি বলেন, প্রস্তাবিত ডেটা গভর্নেন্স অ্যান্ড ইন্টার-অপারেবিলিটি অথরিটি তথ্য লেনদেনের মান, উপযোগিতা, গোপনীয়তা এবং সাইবার সিকিউরিটি দেখভাল করবে। ‘নাগরিক সেবা ইউজার ইন্টারফেইস হিসেবে একটি সিঙ্গেল সার্ভিস পোর্টাল বা ওয়েব সাইট তৈরি করবে এবং সাথে সাথে থাকবে সুপার অ্যাপ।</p>
<p>এই পোর্টাল ও ওয়েবে থাকবে সকল সেবার সিঙ্গেল গেইটওয়ে, বিলিং এগ্রিগেটর এবং পেমেন্ট গেইটওয়ে বলে জানান ফয়েজ আহমদ তৈয়্যব।</p>
<p>তিনি জানান, ‘নাগরিক সেবা’ কেন্দ্রের উদ্যোক্তাদের থাকবে সুনির্দিষ্ট ব্রান্ডিং, ইউনিফর্ম, পরিচয় শনাক্তকারী কার্ড এবং সরকার কর্তৃক প্রদত্ত সনদ।</p>
<p>তিনি বলেন, ‘নাগরিক সেবা’ কেন্দ্রের জন্য সরকার ইন্টারনেট প্রদানকারী কোম্পানিগুলোকে উচ্চগতি ও উচ্চ মানের ব্রডব্যান্ড ও মোবাইল ইন্টারনেট সেবার নির্দেশনা জারি করবেন। থাকবে নির্দিষ্ট প্রাইস প্ল্যান।</p>
<p>প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ সহকারী বলেন, পাশাপাশি ট্রেনিং এবং যাচাই-বাছাই পরিক্ষায় নির্বাচিত উদ্যোক্তাদের প্রদত্ত সনদের বিপরীতে অন্তত ৪টি কম্পিউটার, ফার্নিচার, ব্যান্ডিং এর অনুকূলে দোকান সাজানো সহ আনুষঙ্গিক খরচ যোগাতে সহনীয় সুদের ফান্ডিং এর জন্য ফাইনান্সিয়াল হাইজ কিংবা ব্যাংক এগুলোর সাথে আলোচনা করবে।</p>
<p>তিনি জানান, তবে প্রাথমিকভাবে নাগরিক সেবা কেন্দ্রে উদ্বুদ্ধ এবং বিনিয়োগ সহজ করতে সরকারি জেলা উপজেলা ইউনিয়নের সরকারি আধাসরকারি অফিস, পোস্ট অফিস, বিটিসিএল অফিস ইত্যাদিতে কো-ওয়ার্কিং স্পেইস তৈরির বিবেচনা নিবে।</p>
<p>তিনি আরও বলেন, সরকার জনসেবামুখী বাংলাদেশ গড়ার লক্ষ্যকে সামনে রেখে এই নতুন যুগান্তকারী উদ্যোগ গ্রহণ করছে । এটি একটি নতুন প্রজন্মের সরকারি সেবা প্ল্যাটফর্ম, যার মাধ্যমে দেশের প্রত্যন্ত অঞ্চলসহ সব জায়গার মানুষ সহজেই সরকারি অফিসে না এসেই বিভিন্ন সরকারি সেবা গ্রহণ করতে পারবেন।</p>
<p>ফয়েজ আহমদ তৈয়্যব জানান, বাংলাদেশে অসংখ্য নাগরিকের কাছে এখনও ডিজিটাল ডিভাইস নেই। যাদের পক্ষে অনলাইনে সেবা নেওয়া সম্ভব না তাদের সরাসরি সরকারি অফিসে এসেই সেবা নিতে হয়। ‘নাগরিক সেবা’- এর মাধ্যমে তারাও সহজেই নিজ নিজ এলাকা থেকেই সরকারি সেবা নিতে পারবেন।</p>
<p>তিনি জানান, ‘নাগরিক সেবা’ বাংলাদেশ এমন একটি ব্যবস্থা, যেখানে প্রশিক্ষিত ও নিবন্ধিত উদ্যোক্তারা তাদের নিজ নিজ এলাকায় থেকে এই সেবা সরবরাহ করতে পারবেন। প্রধান উপদেষ্টার কার্যালয় এবং আইসিটি বিভাগ নিবন্ধিত উদ্যোক্তাদের ট্রেনিং এবং সনদ প্রদান করবেন। এর মাধ্যমে জনগণ আর দীর্ঘ লাইনে দাঁড়িয়ে বা বারবার সরকারি অফিসে না গিয়ে, নিজের এলাকার সেবাদানকারী এজেন্টের মাধ্যমেই প্রয়োজনীয় সরকারি সেবা নিতে পারবেন।</p>
<p>এ উদ্যোগের আওতায় থাকছে</p>
<p>● নাগরিক পরিচয় পত্র, জন্ম ও মৃত্যু নিবন্ধন বিষয়ক আবেদন<br />
● পরিচয়পত্র সংশোধন ও পুনর্মুদ্রণ<br />
● ভূমি সংক্রান্ত তথ্য ও আবেদন, সিঙ্গেল ল্যান্ড সার্ভিস গেইটওয়ে<br />
● নতুন পাসপোর্টের আবেদন, পাসপোর্ট নবায়ন ● অনলাইন জিডি<br />
● আয়কর রিটার্ন আবেদন<br />
● ভ্যাট চালান জমাদান আবেদন<br />
● ট্রেড লাইসেন্স ও ট্রেড মার্ক আবেদন<br />
● বিভিন্ন সামাজিক সুরক্ষা ভাতা ও অনুদানের আবেদন<br />
● বিদ্যুৎ পানি গ্যাস সহ সকল ইউটিলিটি<br />
● ড্রাইভিং লাইসেন্স, যানবাহন রেজিস্ট্রেশন নবায়ন<br />
● শিক্ষা স্বাস্থ্য ও কৃষি সেবা<br />
● ড্রাইভিং লাইসেন্স, যানবাহন রেজিস্ট্রেশন নবায়ন<br />
● এবং অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ ডিজিটাল সেবা।</p>
<p>প্রধান উপদেষ্টার মতে এই উদ্যোগ শুধু জনগণের সেবা গ্রহণকে সহজ করবে না, বরং স্থানীয় পর্যায়ে কর্মসংস্থানের নতুন সুযোগ তৈরি করবে এবং উদ্যোক্তাদের জন্য একটি লাভজনক সামাজিক ব্যবসার দিগন্ত খুলে দেবে। শুরুতেই দোকান কিংবা কিয়স্কের মাধ্যমে সেবা দেওয়া হবে, পরবর্তীতে যেকোনো ব্যক্তি ঘরে বসেই এজেন্টশিপ নিয়ে ডিজিটাল নাগরিক সেবা দিতে সক্ষম হবে।</p>
<p>এই পর্যায়ে প্রফেসর মূহাম্মদ ইউনূসের ‘ভিলেজ ফোন লেডি’ কন্সেপ্ট ‘সিটিজেন সার্ভিস পার্সন’ কিংবা ‘সিটিজেন সার্ভিস লেডি’-তে নতুন রূপান্তরিত হবে।</p>
<p>উদ্যোক্তাদের জন্য আহ্বান</p>
<p>দেশের যেকোনো এলাকায় আগ্রহী উদ্যোক্তারা খুব সহজেই নাগরিকসেবা এজেন্ট হিসেবে নিবন্ধন করতে পারবেন। এর জন্য নাগরিকসেবা ওয়েবসাইটে গিয়ে অনলাইন আবেদন ফরম পূরণ করলেই হবে। আবেদন প্রক্রিয়া দ্রুত, সহজ এবং সম্পূর্ণ ডিজিটাল। এটি শুধু একটি সেবা নয়— এটি একটি জনমুখী আন্দোলন, যার লক্ষ্য হলো সরকারি সেবাকে অফিস থেকে বের করে আরও সহজ, দ্রুত এবং হয়রানিমুক্ত করা। মানুষের কাছে আনয়ন করা।</p>
<p>আর অপেক্ষা নয়- ‘নাগরিক সেবা’ এর উদ্যোক্তা হয়ে নিজের এলাকাকে বদলে দিন! আমূল বদলে দিন বাংলাদেশের নাগরিক সেবার ল্যান্ডস্কেইপকে</p>
]]></content:encoded>
					
					<wfw:commentRss>https://chtnews24.com/2025/04/30/%e0%a6%95%e0%a6%be%e0%a6%b2-%e0%a6%a5%e0%a7%87%e0%a6%95%e0%a7%87-%e0%a6%9a%e0%a6%be%e0%a6%b2%e0%a7%81-%e0%a6%b9%e0%a6%9a%e0%a7%8d%e0%a6%9b%e0%a7%87-%e0%a6%a8%e0%a6%be%e0%a6%97%e0%a6%b0/feed/</wfw:commentRss>
			<slash:comments>0</slash:comments>
		
		
			</item>
		<item>
		<title>পার্বত্য চট্টগ্রামের অরণ্যে কি আসলে বাঘ আছে</title>
		<link>https://chtnews24.com/2025/04/21/%e0%a6%aa%e0%a6%be%e0%a6%b0%e0%a7%8d%e0%a6%ac%e0%a6%a4%e0%a7%8d%e0%a6%af-%e0%a6%9a%e0%a6%9f%e0%a7%8d%e0%a6%9f%e0%a6%97%e0%a7%8d%e0%a6%b0%e0%a6%be%e0%a6%ae%e0%a7%87%e0%a6%b0-%e0%a6%85%e0%a6%b0%e0%a6%a3/</link>
					<comments>https://chtnews24.com/2025/04/21/%e0%a6%aa%e0%a6%be%e0%a6%b0%e0%a7%8d%e0%a6%ac%e0%a6%a4%e0%a7%8d%e0%a6%af-%e0%a6%9a%e0%a6%9f%e0%a7%8d%e0%a6%9f%e0%a6%97%e0%a7%8d%e0%a6%b0%e0%a6%be%e0%a6%ae%e0%a7%87%e0%a6%b0-%e0%a6%85%e0%a6%b0%e0%a6%a3/#respond</comments>
		
		<dc:creator><![CDATA[adminchtnews24]]></dc:creator>
		<pubDate>Mon, 21 Apr 2025 10:36:40 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[Second lead]]></category>
		<category><![CDATA[বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি]]></category>
		<category><![CDATA[রকমারি]]></category>
		<category><![CDATA[রাঙ্গামাটি]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://chtnews24.com/?p=30147</guid>

					<description><![CDATA[রাঙ্গামাটি:- বাংলাদেশের সুন্দরবন এলাকায় সীমাবদ্ধ হয়ে পড়া বেঙ্গল টাইগার বা ডোরাকাটা বাংলার বাঘের একসময় বিচরণভূমি ছিল পার্বত্য চট্টগ্রাম। পাশাপাশি ছিল চিতা বাঘও। নানা ঐতিহাসিক দলিল ও বইপত্রেও পার্বত্য চট্টগ্রামে বাঘের উপস্থিতির বিষয়ে উল্লেখ রয়েছে। ১৯০৬ সালে কলকাতার ‘দ্য বেঙ্গল সেক্রেটারিয়েট বুক ডিপো’ থেকে প্রকাশিত তৎকালীন পার্বত্য চট্টগ্রামের ইংরেজ প্রশাসক আর এইচ স্নেইড হাচিনসনের ‘এন অ্যাকাউন্ট [&#8230;]]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[<p>রাঙ্গামাটি:- বাংলাদেশের সুন্দরবন এলাকায় সীমাবদ্ধ হয়ে পড়া বেঙ্গল টাইগার বা ডোরাকাটা বাংলার বাঘের একসময় বিচরণভূমি ছিল পার্বত্য চট্টগ্রাম। পাশাপাশি ছিল চিতা বাঘও। নানা ঐতিহাসিক দলিল ও বইপত্রেও পার্বত্য চট্টগ্রামে বাঘের উপস্থিতির বিষয়ে উল্লেখ রয়েছে।</p>
<p>১৯০৬ সালে কলকাতার ‘দ্য বেঙ্গল সেক্রেটারিয়েট বুক ডিপো’ থেকে প্রকাশিত তৎকালীন পার্বত্য চট্টগ্রামের ইংরেজ প্রশাসক আর এইচ স্নেইড হাচিনসনের ‘এন অ্যাকাউন্ট অব দ্য চিটাগং হিল ট্র্যাক্ট’ বইয়ে।</p>
<p>পার্বত্য চট্টগ্রামে বাঘের মুখোমুখি হওয়ার কথা জানিয়ে হাচিনসন লিখেছেন, ‘১৯০১ সালের বড়দিন ছিল সেদিন। আমি জঙ্গলে ঢুকেছি বনমোরগ শিকারে। হঠাৎ দেখলাম যেখানে দাঁড়িয়ে আছি আর কিছু দূরেই পাহাড় থেকে একটি বাঘ নেমে আমার দিকেই আসছে। এটি ১৫০ ফুটের মধ্যে আসার সঙ্গে সঙ্গেই আমি শটগান রেখে রাইফেল নিয়ে গুলি ছুড়লাম। এর আগে আরও একদিন বাঘের মুখোমুখি হয়েছি।’</p>
<p>২০১৬ সালে যুক্তরাজ্যের দ্য গার্ডিয়ান পত্রিকা ‘টাইগার কান্ট্রি? সায়েন্টিস্ট আন কভার ওয়াইল্ড সারপ্রাইজ ইন ট্রাইবাল বাংলাদেশ’ শিরোনামে একটি সচিত্র অনুসন্ধানী প্রতিবেদন প্রকাশ করে। জেরেমি হেন্সের লেখা ওই প্রতিবেদনে বাংলাদেশের পার্বত্য চট্টগ্রামের অজ্ঞাত একটি বনে (সংরক্ষণের স্বার্থে বনটির নাম উল্লেখ করা হয়নি) গবেষকদের চালানো বন্য প্রাণী জরিপের তথ্য তুলে ধরা হয়।</p>
<p>ক্রিয়েটিভ কনজারভেশন অ্যালায়েন্স (সিসিএ) পরিচালিত ওই জরিপে গাছের গায়ে ক্যামেরা ফাঁদ লাগিয়ে স্থানীয় বাসিন্দাদের সহায়তায় বন্য প্রাণীদের ছবি ও বিচরণের তথ্য সংগ্রহ করা হয়। পুরোপুরি বিলুপ্ত হয়েছে, এমন অনেক প্রাণীর সন্ধান পাওয়া যায় সেই গবেষণায়। গাউর, মার্বেল ক্যাট, সম্বর হরিণ, গয়াল, সূর্যভালুক, ঢোল (বন্য কুকুর), আরাকান ফরেস্ট টার্টল নামের বিরল কচ্ছপের সন্ধান পেয়েছিলেন ওই গবেষণায়।</p>
<p>প্রতিবেদনটিতে বন্য প্রাণী গবেষক ও সিসিএর সহপ্রতিষ্ঠাতা শাহরিয়ার সিজার রহমান, ইশতিয়াক সোবাহান ও বাঘবিশেষজ্ঞ মনিরুল এইচ খানের বক্তব্য নেওয়া হয়। গবেষণার একপর্যায়ে গবেষক দল ১৩ সেন্টিমিটারের বাঘের পায়ের ছাপ দেখতে পায়। পায়ের ছাপের ছবি বাঘবিশেষজ্ঞদের কাছে পাঠিয়ে তাঁরা সে বিষয়ে নিশ্চিতও হন।</p>
<p>গবেষক মনিরুল এইচ খান ‘গার্ডিয়ান’-এ বলেছিলেন, তাঁর ধারণা, ওই এলাকায় ১৫টির মতো বাঘ এখনো বিচরণ করছে।</p>
<p>পার্বত্য চট্টগ্রামের একটি বনে স্থানীয় বনজীবীদের সহায়তায় বন্যপ্রাণী শনাক্তে গাছের গায়ে লাগানো হচ্ছে ক্যামেরা ফাঁদ। ২০১৬ সালের ১ মার্চ শাহরিয়ার সিজার রহমানের তোলা এই ছবিটি প্রকাশিত হয় যুক্তরাজ্যের দা গার্ডিয়ান পত্রিকায়।</p>
<p>পার্বত্য চট্টগ্রামের অনেক বন এখনো দুর্গম অবস্থায় রয়ে গেছে। মাস দেড়েক আগে সাত-আটজনের একদল জুমচাষি এমনই একটি বনে (সংরক্ষণের স্বার্থে বনটির নাম উল্লেখ করা হয়নি) যান। বনে ঢুকে কিছু দূর এগোতেই দেখতে বাঘ দেখতে পান তাঁরা। তাঁদের উপস্থিতি টের পেয়ে পালিয়ে বাঘটি। তাঁদের ধারণা প্রাণীটি ৮০-১০০ কেজি হতে পারে। এর ২০ দিন আগে ওই বনের পাশের গ্রামে আড়াই মণ ওজনের একটি গরু শিকার করে অজানা একটি বন্য প্রাণী। গ্রামবাসীর ধারণা, ওই গরুটিকেও বাঘ হত্যা করেছে। দুর্গম ওই বনে বনে অন্তত ২০টি বেঙ্গল টাইগার রয়েছে বলে অনুমান গবেষকদের। তবে এখন পর্যন্ত ছবি কিংবা ভিডিও ধারণ করা যায়নি কোনো বাঘের।</p>
<p>বন্য প্রাণী বিশেষজ্ঞদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, পার্বত্য চট্টগ্রামের এখনো দুটি প্রাকৃতিক বন রয়েছে। এই দুই বনে বাঘ বসবাস করার উপযুক্ত পরিবেশ আছে। অনেক প্রাণিবিশেষজ্ঞের ধারণা, সীমান্ত অতিক্রম করে বাঘ এখানকার বনে আসে, আবার ফিরে যায়।</p>
<p>পার্বত্য এলাকার(নাম গোপন রাখা হলো) একটি দুর্গম বনের এক পাশে মিজোরাম ও অন্য পাশে ত্রিপুরা রাজ্য। অন্যান্য এলাকার চেয়ে এখনো অক্ষত আছে এই বন। গাছপালা, পাহাড়, নদীভরা এই বনে এখনো বিরল প্রজাতির বন্য প্রাণী টিকে আছে।</p>
<p>২০২১ সালে জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাণিবিদ্যা বিভাগের একদল শিক্ষক ও আন্তর্জাতিক প্রকৃতি সংরক্ষণবিষয়ক সংস্থার (আইইউসিএন) কর্মকর্তারা এই বনে বাঘের খোঁজে যান। বন ঘুরে ও স্থানীয় বাসিন্দাদের সঙ্গে কথা বলে বাঘের অস্তিত্বের বিষয় নিশ্চিত হন তাঁরা। পরে বনের কিছু অংশে ১৭টি বিশেষ ক্যামেরা বসানো হয়।</p>
<p>এর মধ্যে তিনটি চুরি হয় ও তিনটি বন্ধ হয়ে যায়। বাকি ১১টি বিশেষ ক্যামেরায় ১১টি অতিবিপন্ন ও বিপন্ন স্তন্যপায়ী প্রাণী দেখা পাওয়া যায়। এর মধ্যে বিপন্ন মেঘলা চিতা, মার্বেল চিতা, বনকুকুর, এশীয় কালো ভালুক, সাম্বার হরিণ, এশীয় হাতি, উলু বানর, উল্লুক লম্বালেজি শজারু, পাহাড়ি হলুদ কচ্ছপ ও মথুরা। এ ছাড়া দুই প্রজাতির ভালুক, তিন প্রজাতির হরিণ, চিতা, লামচিতা, সোনালি বিড়াল, বুনো শুয়োর, বনগরু, বনছাগলসহ বৃহদাকার নানা স্তন্যপায়ী প্রাণীর সন্ধান পাওয়া যায়।</p>
<p>পার্বত্য চট্টগ্রামের উত্তর বন বিভাগের ৩ লাখ ৯৩ হাজার ৮৪০ একর সংরক্ষিত বন রয়েছে। এর মধ্যে শুধু একটি সংরক্ষিত বন (নাম গোপন রাখা হয়েছে) দেড় লাখ একরের বেশি জায়গাজুড়ে অবস্থিত। দুর্গম ও নিরাপত্তার অভাবে বন বিভাগের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা আজ পর্যন্ত সেখানে যেতে পারেননি। ওই বনের পাশে বসবাস করা বিজয় চাকমা ও লক্ষ্মীধন চাকমা গণমাধ্যামকে বলেন, গত মাসে কয়েকজন মিলে বনে সবজি খুঁজতে যান তাঁরা। বনে প্রবেশ করার পরপরই বেঙ্গল টাইগারের দেখা পান তাঁরা। পরে বাঘটি দ্রুত পালিয়ে যায়। বাঘের আক্রমণে তাঁদের গ্রামে গরুও মারা গেছে বলে জানান তাঁরা।</p>
<p>জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাণিবিদ্যা বিভাগের শিক্ষক মনিরুল এইচ খান গণমাধ্যামকে বলেন, ‘পার্বত্য চট্টগ্রামে দুটি বনে বাঘ বসবাসের পরিবেশ রয়েছে। এর মধ্যে একটি বনে সাত বছর আগে বাঘের অস্তিত্বে খবর পেয়েছি। তবে আরেকটি বন থেকে প্রতিবছর বাঘের উপস্থিতির তথ্য আসছে। কিন্তু ডোরাকাটা বাঘের ছবি কিংবা ভিডিও পাওয়া যায়নি। এ বিষয়ে সুনির্দিষ্ট উপস্থিতির তথ্যপ্রমাণ এখনো নেই। আমাদের ধারণা, বাঘ হয়তো সীমান্ত অতিক্রম করে এ দেশে আসছে।’ সুত্র: প্রথম আলো</p>
]]></content:encoded>
					
					<wfw:commentRss>https://chtnews24.com/2025/04/21/%e0%a6%aa%e0%a6%be%e0%a6%b0%e0%a7%8d%e0%a6%ac%e0%a6%a4%e0%a7%8d%e0%a6%af-%e0%a6%9a%e0%a6%9f%e0%a7%8d%e0%a6%9f%e0%a6%97%e0%a7%8d%e0%a6%b0%e0%a6%be%e0%a6%ae%e0%a7%87%e0%a6%b0-%e0%a6%85%e0%a6%b0%e0%a6%a3/feed/</wfw:commentRss>
			<slash:comments>0</slash:comments>
		
		
			</item>
		<item>
		<title>আজ থেকে ৫০০ টাকায় মিলবে ১০ এমবিপিএস গতির ইন্টারনেট</title>
		<link>https://chtnews24.com/2025/04/19/%e0%a6%86%e0%a6%9c-%e0%a6%a5%e0%a7%87%e0%a6%95%e0%a7%87-%e0%a7%ab%e0%a7%a6%e0%a7%a6-%e0%a6%9f%e0%a6%be%e0%a6%95%e0%a6%be%e0%a6%af%e0%a6%bc-%e0%a6%ae%e0%a6%bf%e0%a6%b2%e0%a6%ac%e0%a7%87-%e0%a7%a7/</link>
					<comments>https://chtnews24.com/2025/04/19/%e0%a6%86%e0%a6%9c-%e0%a6%a5%e0%a7%87%e0%a6%95%e0%a7%87-%e0%a7%ab%e0%a7%a6%e0%a7%a6-%e0%a6%9f%e0%a6%be%e0%a6%95%e0%a6%be%e0%a6%af%e0%a6%bc-%e0%a6%ae%e0%a6%bf%e0%a6%b2%e0%a6%ac%e0%a7%87-%e0%a7%a7/#respond</comments>
		
		<dc:creator><![CDATA[adminchtnews24]]></dc:creator>
		<pubDate>Sat, 19 Apr 2025 11:42:10 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি]]></category>
		<category><![CDATA[শিরোনাম]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://chtnews24.com/?p=30045</guid>

					<description><![CDATA[ডেস্ক রির্পোট:- ৫০০ টাকায় ৫ এমবিপিএসের বদলে ১০ এমবিপিএস গতির ইন্টারনেট সেবা দেওয়ার ঘোষণা দিয়েছে ইন্টারনেট সার্ভিস প্রোভাইডার্স অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (আইএসপিএবি)। আজ শনিবার রাজধানীর আগারগাঁওয়ে বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশনের (বিটিআরসি) অডিটোরিয়ামে আয়োজিত ‘ইন্টারনেট সেবা: সমস্যা, সম্ভাবনা ও করণীয়’ শীর্ষক গোলটেবিল আলোচনা সভায় এ কথা জানান সংগঠনের সভাপতি ইমদাদুল হক। সভার আয়োজন করে টেলিকম অ্যান্ড [&#8230;]]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[<p>ডেস্ক রির্পোট:- ৫০০ টাকায় ৫ এমবিপিএসের বদলে ১০ এমবিপিএস গতির ইন্টারনেট সেবা দেওয়ার ঘোষণা দিয়েছে ইন্টারনেট সার্ভিস প্রোভাইডার্স অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (আইএসপিএবি)।</p>
<p>আজ শনিবার রাজধানীর আগারগাঁওয়ে বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশনের (বিটিআরসি) অডিটোরিয়ামে আয়োজিত ‘ইন্টারনেট সেবা: সমস্যা, সম্ভাবনা ও করণীয়’ শীর্ষক গোলটেবিল আলোচনা সভায় এ কথা জানান সংগঠনের সভাপতি ইমদাদুল হক।</p>
<p>সভার আয়োজন করে টেলিকম অ্যান্ড টেকনোলজি রিপোর্টার্স নেটওয়ার্ক বাংলাদেশ (টিআরএনবি)।</p>
<p>ইমদাদুল হক বলেন, আজ থেকেই গ্রাহকেরা আগের ৫ এমবিপিএসের পরিবর্তে ১০ এমবিপিএস গতি উপভোগ করবেন, মাসিক মাত্র ৫০০ টাকায়।</p>
<p>তিনি আরও বলেন, একই টাকায় শিগগির সর্বনিম্ন ২০ এমবিপিএস গতির সেবা পাবেন ১ কোটি ৪০ লাখ ব্রডব্যান্ড গ্রাহক।</p>
<p>এ সময় ব্যান্ডউইথ সঞ্চালন খরচ ৫ টাকায় নামিয়ে আনা ও অ্যাকটিভ শেয়ারিংয়ের সুযোগ দেওয়ার দাবি জানান ব্রডব্যান্ড সেবাদাতারা। ব্যান্ডউইথ সঞ্চালন খরচ কমানোর আশ্বাস দেন বেসরকারি ফাইবার প্রতিষ্ঠানের কর্মকর্তারা।</p>
<p>সভায় প্রধান অতিথি ছিলেন ডাক টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি বিভাগের দায়িত্বপ্রাপ্ত প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ সহকারী ফয়েজ আহমদ তৈয়্যব। তিনি বাংলাদেশে ইন্টারনেট সেবার মান নিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, বাংলাদেশে ইন্টারনেট সেবার মান পৃথিবীর মধ্যে সবচেয়ে নিকৃষ্ট। তাই এই সেবার দাম আরও কমানো উচিত।</p>
<p>বাংলাদেশে আর কোনো দিন ইন্টারনেট বন্ধ হবে না জানিয়ে ফয়েজ আহমদ বলেন, ইন্টারনেট শাটডাউনের সব ফাঁকফোকর বন্ধ করে দেওয়া হবে।</p>
<p>এদিকে ব্রডব্যান্ড ইন্টারনেটের গতি সর্বনিম্ন ১০ এমবিপিএস করা হলে তা হবে গ্রাহকদের সঙ্গে প্রতারণা। আইএসপিএবির সভাপতির বক্তব্যের পর এক বার্তায় এমনটি জানিয়েছেন বাংলাদেশ মুঠোফোন গ্রাহক অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি মহিউদ্দিন আহমেদ।</p>
<p>মহিউদ্দিন আহমেদ বলেন, ‘সরকার ইতিমধ্যে সাবমেরিন কেব্‌ল ব্যান্ডউইথের মূল্য ১০ শতাংশ কমিয়ে এনেছে। ফাইবারের জটিলতা নিরসন করা হয়েছে। এমনিতেই বাংলাদেশের গ্রাহকেরা আইটিসির মাধ্যমে যে ব্যান্ডউইথ ব্যবহার করেন, তা আসলে ইন্টারনেট নয়। এটি একধরনের এন্টারটেইনমেন্ট ইন্টারনেট বলা যেতে পারে। ভারত থেকে কিনে আনছে মাত্র ৮০ টাকায় ১ জিবিপিএস। অথচ আমরা কিনছি লাখ টাকায়। আমরা প্রত্যাশা করেছিলাম, সর্বনিম্ন গতি হবে ২০ এমবিপিএস ও সর্বোচ্চ হবে ১০০ এমবিপিএস। বিটিআরসি যদি এই সিদ্ধান্ত গ্রাহকদের ওপর চাপিয়ে দেয়, তা হবে অন্যায় ও অযৌক্তিক।’</p>
]]></content:encoded>
					
					<wfw:commentRss>https://chtnews24.com/2025/04/19/%e0%a6%86%e0%a6%9c-%e0%a6%a5%e0%a7%87%e0%a6%95%e0%a7%87-%e0%a7%ab%e0%a7%a6%e0%a7%a6-%e0%a6%9f%e0%a6%be%e0%a6%95%e0%a6%be%e0%a6%af%e0%a6%bc-%e0%a6%ae%e0%a6%bf%e0%a6%b2%e0%a6%ac%e0%a7%87-%e0%a7%a7/feed/</wfw:commentRss>
			<slash:comments>0</slash:comments>
		
		
			</item>
		<item>
		<title>উল্টো দিকে ঘুরছে পৃথিবী, চিন্তায় বিজ্ঞানীরা</title>
		<link>https://chtnews24.com/2025/04/02/%e0%a6%89%e0%a6%b2%e0%a7%8d%e0%a6%9f%e0%a7%8b-%e0%a6%a6%e0%a6%bf%e0%a6%95%e0%a7%87-%e0%a6%98%e0%a7%81%e0%a6%b0%e0%a6%9b%e0%a7%87-%e0%a6%aa%e0%a7%83%e0%a6%a5%e0%a6%bf%e0%a6%ac%e0%a7%80-%e0%a6%9a/</link>
					<comments>https://chtnews24.com/2025/04/02/%e0%a6%89%e0%a6%b2%e0%a7%8d%e0%a6%9f%e0%a7%8b-%e0%a6%a6%e0%a6%bf%e0%a6%95%e0%a7%87-%e0%a6%98%e0%a7%81%e0%a6%b0%e0%a6%9b%e0%a7%87-%e0%a6%aa%e0%a7%83%e0%a6%a5%e0%a6%bf%e0%a6%ac%e0%a7%80-%e0%a6%9a/#respond</comments>
		
		<dc:creator><![CDATA[adminchtnews24]]></dc:creator>
		<pubDate>Wed, 02 Apr 2025 13:04:19 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি]]></category>
		<category><![CDATA[শিরোনাম]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://chtnews24.com/?p=29415</guid>

					<description><![CDATA[ডেস্ক রির্পোট:- পৃথিবীর অভ্যন্তরীণ গঠন, বিশেষ করে সবচেয়ে ভেতরের গোলাকার কেন্দ্র, প্রজন্মের পর প্রজন্ম ধরে বিজ্ঞানীদের আগ্রহ বাড়িয়েছে। এটি ভূপৃষ্ঠ থেকে ৩,০০০ মাইলেরও বেশি নিচে অবস্থিত। পৃথিবীর চৌম্বক ক্ষেত্রের ওপর এর ভূমিকা বিশাল। নেচার জিওসায়েন্স-এ প্রকাশিত সাম্প্রতিক এক গবেষণায় ২০১০ সালের দিকে শুরু হওয়া পরিবর্তনের কথা উল্লেখ করা হয়েছে, যা ইঙ্গিত করে যে পৃথিবীর অভ্যন্তরীণ [&#8230;]]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[<p>ডেস্ক রির্পোট:- পৃথিবীর অভ্যন্তরীণ গঠন, বিশেষ করে সবচেয়ে ভেতরের গোলাকার কেন্দ্র, প্রজন্মের পর প্রজন্ম ধরে বিজ্ঞানীদের আগ্রহ বাড়িয়েছে। এটি ভূপৃষ্ঠ থেকে ৩,০০০ মাইলেরও বেশি নিচে অবস্থিত। পৃথিবীর চৌম্বক ক্ষেত্রের ওপর এর ভূমিকা বিশাল। নেচার জিওসায়েন্স-এ প্রকাশিত সাম্প্রতিক এক গবেষণায় ২০১০ সালের দিকে শুরু হওয়া পরিবর্তনের কথা উল্লেখ করা হয়েছে, যা ইঙ্গিত করে যে পৃথিবীর অভ্যন্তরীণ কেন্দ্রের ঘূর্ণনের গতি ধীর হয়েছে। গ্রহের পৃষ্ঠের সাপেক্ষে এটি বিপরীতমুখে ঘুরছে বলে প্রমাণিত হয়েছে। এই আবিষ্কার সময়ের সঙ্গে সঙ্গে গ্রহের অভ্যন্তর কীভাবে আচরণ করে তা নিয়ে নতুন আলোচনার জন্ম দিয়েছে।<br />
ভূ-পদার্থবিজ্ঞানীরা প্রায় প্রতিটি মহাদেশ থেকে আসা ভূমিকম্প সংকেত ব্যবহার করে অভ্যন্তরীণ কেন্দ্রটি অনুসন্ধান করেছেন, যা তরল ধাতুর ঘূর্ণায়মান স্তর দ্বারা বেষ্টিত। অনুসন্ধানগুলো ভূ-গোলকের কাঠামোগত পরিবর্তনের দিকে ইঙ্গিত করে যা নতুন প্রশ্ন উত্থাপন করেছে।</p>
<p>ইউএসসি ডর্নসাইফ কলেজ অব লেটারস, আর্টস অ্যান্ড সায়েন্সেসের অধ্যাপক জন ভিডেল, চাইনিজ একাডেমি অব সায়েন্সেসের ওয়েই ওয়াংয়ের সঙ্গে এই প্রকল্পে কাজ করেছেন। পৃথিবীর অভ্যন্তরভাগকে কয়েকটি স্তরে ভাগ করা যেতে পারে-ভূত্বক, আবরণ, তরল বহিঃকোষ এবং কেন্দ্রে অবস্থিত কঠিন অভ্যন্তর ভাগ। অনেক বিজ্ঞানী গবেষণা করে দেখেছেন যে, অভ্যন্তরীণ কোর কীভাবে আবরণ এবং ভূত্বকের সাপেক্ষে চলাচল করে।কেউ কেউ প্রমাণ পেয়েছেন যে কেন্দ্রটি একসময় পৃথিবীর অন্যান্য অংশের চেয়ে দ্রুত ঘূর্ণন করত।</p>
<p>অন্যরা লক্ষ্য করেছেন যে, এর গতি সম্ভবত শিথিল হচ্ছে। সর্বশেষ তথ্য ‘স্পষ্ট প্রমাণ’ তুলে ধরে যে, ২০১০ সাল থেকে পৃথিবীর পৃষ্ঠের অভ্যন্তরের গতি বদলাতে শুরু করেছে। ভিডেল ব্যাখ্যা করেছেন যে, যখন আমি প্রথম সিসমোগ্রামগুলো দেখেছিলাম যা এই পরিবর্তনের ইঙ্গিত দিচ্ছিল, তখন আমি হতবাক হয়ে গিয়েছিলাম। কিন্তু যখন আমরা একই প্যাটার্নের আরও দুই ডজন সিসমোগ্রাম পর্যবেক্ষণ করলাম, তখন ফলাফল অনিবার্য ছিল। প্রথমবারের মতো পৃথিবীর অভ্যন্তরীণ কেন্দ্রটি ধীর হয়ে গিয়েছিল। অন্যান্য বিজ্ঞানীরা সম্প্রতি একই রকম এবং ভিন্ন মডেলের পক্ষে যুক্তি দিয়েছেন, কিন্তু আমাদের সর্বশেষ গবেষণাটি সবচেয়ে বিশ্বাসযোগ্য তথ্য প্রদান করে। তাদের বিশ্লেষণের জন্য, গবেষক দলটি ১৯৯১ থেকে ২০২৩ সালের মধ্যে দক্ষিণ স্যান্ডউইচ দ্বীপপুঞ্জের কাছে সংঘটিত ১২১টি ভূমিকম্পের রিডিং সংগ্রহ করেছে। তারা ১৯৭১ থেকে ১৯৭৪ সালের মধ্যে পরিচালিত সোভিয়েত পারমাণবিক পরীক্ষার তথ্য, সেইসাথে ফ্রান্স ও আমেরিকার পারমাণবিক পরীক্ষার তথ্যও সংগ্রহ করেছিল।</p>
<p>ভিডেল গতি পরিবর্তনের জন্য দায়ী করেছেন, তরল লোহার বাইরের কেন্দ্রের মন্থন যা পৃথিবীর চৌম্বক ক্ষেত্র তৈরি করে, সেইসাথে পাথুরে আবরণের ঘন অঞ্চল যা মহাকর্ষীয় টান তৈরি করে।</p>
<p>বিজ্ঞানীরা মনে করছেন যে, এই শক্তিগুলো দিনের দৈর্ঘ্যকে সামান্য হলেও প্রভাবিত করতে পারে। পূর্ববর্তী কিছু গবেষণায় ইঙ্গিত দেয়া হয়েছিল যে পৃথিবীর অভ্যন্তরীণ কেন্দ্রটি হয়তো উল্টে পথে ঘুরছে। নতুন ফলাফলগুলো সেই সম্ভাবনাকে আরও জোরালো করে তুলেছে, কারণ এটি ইঙ্গিত দিচ্ছে যে পৃথিবীর বাইরের স্তরের তুলনায় কেন্দ্রের ঘূর্ণন ধীর হয়ে গেছে এবং এমনকি দিক পরিবর্তনও শুরু করেছে।</p>
<p>সূত্র: earth.com</p>
]]></content:encoded>
					
					<wfw:commentRss>https://chtnews24.com/2025/04/02/%e0%a6%89%e0%a6%b2%e0%a7%8d%e0%a6%9f%e0%a7%8b-%e0%a6%a6%e0%a6%bf%e0%a6%95%e0%a7%87-%e0%a6%98%e0%a7%81%e0%a6%b0%e0%a6%9b%e0%a7%87-%e0%a6%aa%e0%a7%83%e0%a6%a5%e0%a6%bf%e0%a6%ac%e0%a7%80-%e0%a6%9a/feed/</wfw:commentRss>
			<slash:comments>0</slash:comments>
		
		
			</item>
		<item>
		<title>ফিরবে না আর পৃথিবীর যৌবন</title>
		<link>https://chtnews24.com/2025/03/21/%e0%a6%ab%e0%a6%bf%e0%a6%b0%e0%a6%ac%e0%a7%87-%e0%a6%a8%e0%a6%be-%e0%a6%86%e0%a6%b0-%e0%a6%aa%e0%a7%83%e0%a6%a5%e0%a6%bf%e0%a6%ac%e0%a7%80%e0%a6%b0-%e0%a6%af%e0%a7%8c%e0%a6%ac%e0%a6%a8/</link>
					<comments>https://chtnews24.com/2025/03/21/%e0%a6%ab%e0%a6%bf%e0%a6%b0%e0%a6%ac%e0%a7%87-%e0%a6%a8%e0%a6%be-%e0%a6%86%e0%a6%b0-%e0%a6%aa%e0%a7%83%e0%a6%a5%e0%a6%bf%e0%a6%ac%e0%a7%80%e0%a6%b0-%e0%a6%af%e0%a7%8c%e0%a6%ac%e0%a6%a8/#respond</comments>
		
		<dc:creator><![CDATA[adminchtnews24]]></dc:creator>
		<pubDate>Fri, 21 Mar 2025 02:35:35 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি]]></category>
		<category><![CDATA[বিশেষ প্রতিবেদন]]></category>
		<category><![CDATA[শিরোনাম]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://chtnews24.com/?p=29008</guid>

					<description><![CDATA[মাসুদ–উর রহমান:- আজ থেকে প্রায় ১৩.৭ বিলিয়ন বছর আগে একটা মটরদানার মতো ক্ষুদ্র বস্তুর বিস্ফোরণের ফলে জন্ম হয়েছিল আমাদের এই মহাবিশ্বের। যাকে বলা হয়ে থাকে ‘বিগ ব্যাঙ’ বিস্ফোরণ। এই বিগ ব্যাঙের ফলেই জন্ম হয়েছে মহাবিশ্ব এবং আমাদের পৃথিবীর। এরই ধারাবাহিকতায় নানা ধরনের রাসায়নিক বিক্রিয়ার ফলে ধীরে ধীরে এখানে উদ্ভব ঘটেছে জীবের, মানুষের। সৃষ্টির শুরুতে পৃথিবী [&#8230;]]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[<p>মাসুদ–উর রহমান:- আজ থেকে প্রায় ১৩.৭ বিলিয়ন বছর আগে একটা মটরদানার মতো ক্ষুদ্র বস্তুর বিস্ফোরণের ফলে জন্ম হয়েছিল আমাদের এই মহাবিশ্বের। যাকে বলা হয়ে থাকে ‘বিগ ব্যাঙ’ বিস্ফোরণ। এই বিগ ব্যাঙের ফলেই জন্ম হয়েছে মহাবিশ্ব এবং আমাদের পৃথিবীর। এরই ধারাবাহিকতায় নানা ধরনের রাসায়নিক বিক্রিয়ার ফলে ধীরে ধীরে এখানে উদ্ভব ঘটেছে জীবের, মানুষের।</p>
<p>সৃষ্টির শুরুতে পৃথিবী অতি উত্তপ্ত ছিল। আমাদের সৌরজগতের একমাত্র নক্ষত্র যেমন উত্তপ্ত, তেমনি উত্তপ্ত ছিল। তারপর ধীরে ধীরে লাখ লাখ বছর সময় নিয়ে এটি ঠান্ডা হয়। অতঃপর নানা রাসায়নিক বিক্রিয়ার ফলে জীবের জন্ম হয়েছে এই পৃথিবীতে। মানুষের সঙ্গে অনেক দিক দিয়েই মিল রয়েছে আমাদের এই ধরণির। মানুষ একসময় জন্মগ্রহণ করে, তারপর একদিন এই পৃথিবীর মায়া ত্যাগ করে মৃত্যুবরণ করে। পৃথিবীরও জন্ম হয়েছে, সেটিও একদিন ধ্বংস হয়ে যাবে।</p>
<p>একটা মানবশিশু জন্মের পর তার মধ্যে বোধ-বুদ্ধি কিছুই থাকে না। সে তার চারদিকের পরিবেশে কী ঘটছে না ঘটছে তার কোনো কিছু সম্পর্কেই অবহিত থাকে না। সে শুধু জানে কান্না করতে, খাদ্য গ্রহণ করতে ও প্রাকৃতিক কাযার্দি সম্পন্ন করতে। যেসব কিনা তার অজান্তেই ঘটে। ধীরে ধীরে যখন তার বয়স বাড়ে, সে তার আশপাশের মানুষজনের সঙ্গে মেশে, তখন একজন সামাজিক মানুষে পরিণত হয়। বয়স বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে তার মধ্যে পরিপক্বতা আসে। আমাদের এই পৃথিবীটারও যখন প্রথম জন্ম হয়েছিল, তখন সে ছিল অপরিপক্ব। ধীরে ধীরে যখন গরম অবস্থা থেকে ঠান্ডা হয়, তখন তার মধ্যে কিছুটা পরিপক্বতা আসে। তার মধ্যে জীব বসবাসের উপযোগী পরিবেশ তৈরি হতে থাকে। তার অভ্যন্তরে সৃষ্টি হয় জীবনের অপর নাম পানি।</p>
<p>আমাদের পৃথিবীটা যখন শিশু ছিল, তখন তার মধ্যে জীবের অস্তিত্ব ছিল না। সে নিজেকে পরিপক্ব করে জীবের জন্ম দিয়েছে। একজন মা যখন সন্তান জন্ম দেয় তখন মাকে আগে পরিপক্ব হতে হয়। তা না হলে অনাগত সন্তানের প্রাণনাশের আশঙ্কা থাকে। পৃথিবীর ক্ষেত্রেও তার ব্যতিক্রম হয়নি।</p>
<p>আবার, একটা মানুষ জন্মের সঙ্গে সঙ্গেই সবকিছু শিখে যায় না। সে শেখে তার আশপাশের জগৎ থেকে। ঠিক তেমনিভাবে ধরিত্রীতে যখন জীবের উদ্ভব ঘটে, তখনই তারা সবকিছু শিখে যায়নি। ধীরে ধীরে তার আশপাশের জগৎ থেকে জ্ঞান আহরণ করেছে। প্রকৃতি থেকে শিখতে শিখতে এবং প্রকৃতির সঙ্গে সংগ্রাম করে মানুষ সভ্য হয়েছে।</p>
<p>মধ্যযুগটাকে পৃথিবীর যৌবনকাল বলা যেতে পারে। এই যুগে শিল্প-সাহিত্য, সংস্কৃতি, সভ্যতা, জ্ঞান-বিজ্ঞানের প্রসার ঘটেছে। সেই যুগটাই ছিল পৃথিবীর স্বর্ণযুগ। তখন মানুষের মধ্যে হিংসা-প্রতিহিংসা, লোভ-লালসা, স্বার্থপরতা ছিল না। ছিল না কোনো দুর্নীতির মনোভাব। যদিও কিছু কিছু ক্ষেত্রে আমরা তার ব্যতিক্রম দেখেছি। যেমন রাজারা তাদের সৈন্যসামন্ত নিয়ে যখন রাজ্য দখলে যেত, তখন হাজার হাজার মানুষের মৃত্যু হতো। তবে আমি এখানে রাজাদের আনতে চাই না, আমি বলছি সাধারণ মানুষের কথা। সে সময়কার পৃথিবীটা ছিল মানসিক ব্যাধিমুক্ত।</p>
<p>কিন্তু এই আধুনিক যুগে এসে পৃথিবী তার যৌবন হারিয়ে ইতিমধ্যে বার্ধক্যের ধাপে এক পা দিয়ে দিয়েছে। জ্ঞান-বিজ্ঞানের অভাবনীয় উৎকর্ষের ফলে একদিকে যেমন মানুষের জীবন কিছুটা সহজ হয়েছে, আরেক দিকে পৃথিবীর জীবন অনেকটা দুর্বিষহ হয়েছে। মানুষ এখন পৃথিবী নিয়ে যে গবেষণা করছে তাকে বলা যেতে পারে ধরণির প্রিমর্টেম। পৃথিবীর মৃত্যুর পর পোস্টমর্টেমের সুযোগ নেই বলে আগেভাগেই প্রিমর্টেম করছে!</p>
<p>জীবন সহজ করতে কয়লা পুড়িয়ে মানুষ বিদ্যুৎ উৎপাদন করছে। যাতায়াত সহজ করতে নানা যানবাহনে ব্যবহৃত হচ্ছে পেট্রোল, ডিজেল ইত্যাদি হাইড্রোকার্বন। যেগুলো বায়ুমণ্ডলে কার্বন ডাই-অক্সাইড, মিথেনসহ নানা গ্রিনহাউস গ্যাস নিঃসরণ করছে। বায়ুমণ্ডলের ওজোন স্তরে এসব গ্রিনহাউস গ্যাস জমা হয়ে যে সমস্যা তৈরি করছে তার নাম বৈশ্বিক উষ্ণায়ন (গ্লোবাল ওয়ার্মিং)। আবার বিভিন্ন তেজস্ক্রিয় বিকিরণের কারণে মানুষের মধ্যে ক্যানসার, টিউমারসহ নানা রোগের জন্ম হয়েছে। তামাক, নেশাদ্রব্য আবিষ্কারের কারণে পৃথিবীর অনেক মানুষ এখন নেশাগ্রস্ত। সমাজের একটা বৃহৎ জনশক্তি এখন মাদকাসক্ত। মোবাইল ফোন নামক প্রয়োজনীয় উপদ্রবটি আবিষ্কারের কারণে মানুষ এখন ভুলে গিয়েছে যে তার আশপাশেও একটি জগৎ আছে। সে এখন মোবাইলের জগৎ ছাড়া আর কিছুই বোঝে না। তার উদাহরণ আমরা কিছুদিন আগে দেখেছি। কোটা-সংস্কার আন্দোলনের সময় ইন্টারনেট বন্ধ করে দেওয়ায় মানুষ ১০টা দিন পাগলপ্রায় জীবন যাপন করেছে। হাহাকার করেছে নেটওয়ার্কের জন্য। কারণ ইন্টারনেট ছাড়া যে মোবাইল ফোন প্রায় অচল!</p>
<p>আধুনিক যুগে এসে পৃথিবী সম্মুখীন হয়েছে কোভিড-১৯ নামের ভয়াবহ মহামারির। মাঝে ছড়িয়েছে মাঙ্কিপক্স নামক আরেক মহামারি। কিছুদিন আগে গণমাধ্যমে উঠে এসেছিল জম্বি ভাইরাসের কথা। এগুলো বাদেও যে কত কোটি রোগ পৃথিবীতে আছে তা গণনা করে শেষ করা যাবে না। এত শত রোগে পৃথিবী আক্রান্ত হচ্ছে। এই রোগের ওষুধ তৈরি করতে গিয়ে দূষিত হচ্ছে পরিবেশ, দূষিত হচ্ছে পৃথিবী।</p>
<p>বর্তমানে পৃথিবী যে সবচেয়ে ভয়াবহ সমস্যার মুখোমুখি, সেটি হচ্ছে বৈশ্বিক উষ্ণায়ন এবং তেজস্ক্রিয়তা। যেটা এখন একটা অভিশাপের মতো। কতিপয় বিশ্বনেতা অবশ্য এই সমস্যা থেকে সমাধানের জন্য অনেক পদক্ষেপ হাতে নিয়েছে, তবে অধিকাংশই এই ব্যাপারে উদাসীন। কিন্তু মানুষ এখন যে যান্ত্রিক জীবন যাপন করছে, এই জীবন যাপন থেকে বের হয়ে এসে তাদের মাতা পৃথিবীর জন্য ভাবার সময় যেন তাদের হাতে নেই। তারা নিজ স্বার্থ চরিতার্থের লক্ষ্যে যেকোনো খারাপ কাজের সঙ্গে জড়াতে দুইবার ভাবে না। এখন মানুষের বেঁচে থাকার মন্ত্র একটাই—‘যার যেটা হওয়ার হোক, আমি ভালো থাকলেই হলো!’</p>
<p>বর্তমানের এই বৈশ্বিক উষ্ণায়নের প্রধান কারণ হিসেবে জনসংখ্যাকে দায়ী করা যায়। জনসংখ্যা বৃদ্ধির ফলে মানুষ বসবাসের জন্য বনভূমি উজাড় করে বাড়িঘর তৈরি করছে। বনভূমি উজাড় করার কারণে অধিক পরিমাণ কার্বন ডাই-অক্সাইড গ্রহণ করার জন্য প্রয়োজনীয় গাছপালা নেই। তাই অতিরিক্ত কার্বন ডাই-অক্সাইড ওজোন স্তরে চলে যাচ্ছে।</p>
<p>এত হাজার সমস্যা, হাজার ব্যাধি বার্ধক্যকেই নির্দেশ করে। মানুষ বার্ধক্যে উপনীত হলে তার শরীরে নানা রোগ-ব্যাধি জন্ম নিতে থাকে। পৃথিবীর ক্ষেত্রেও তার কোনো ব্যতিক্রম হবে না। সেও বৃদ্ধ হতে হতে একদিন মারা যাবে তথা ধ্বংস হয়ে যাবে। ইতিমধ্যে পৃথিবীর যে ক্ষতিসাধন হয়েছে তা অপূরণীয়। তাই আমরা চাইলেও আমাদের পৃথিবীকে আর যৌবনে ফেরত নিয়ে যেতে পারব না, কিন্তু চাইলেই আমরা যান্ত্রিক জীবন থেকে বেরিয়ে এসে আমাদের বাসভূমি পৃথিবীটাকে আরও বেশি দিন বাঁচিয়ে রাখতে পারব। এ জন্য দরকার সকল প্রকার দূষণ-রেডিয়েশন কমানো এবং জনসংখ্যা নিয়ন্ত্রণ। সবোর্পরি, যান্ত্রিক জীবন থেকে একটু বের হয়ে এসে সব মানুষের মধ্যে ভ্রাতৃত্ব-সৌহার্দ্যপূর্ণ, প্রেম-প্রীতি ও ভালোবাসার সম্পর্ক বজায় রাখা তথা সবাইকে নিয়ে খুশি থাকা। কারণ সন্তানের খুশি দেখলেই মা ভালো থাকবে।</p>
<p>লেখক: মাসুদ উর রহমান<br />
কলেজশিক্ষক ও সংস্কৃতিকর্মী</p>
]]></content:encoded>
					
					<wfw:commentRss>https://chtnews24.com/2025/03/21/%e0%a6%ab%e0%a6%bf%e0%a6%b0%e0%a6%ac%e0%a7%87-%e0%a6%a8%e0%a6%be-%e0%a6%86%e0%a6%b0-%e0%a6%aa%e0%a7%83%e0%a6%a5%e0%a6%bf%e0%a6%ac%e0%a7%80%e0%a6%b0-%e0%a6%af%e0%a7%8c%e0%a6%ac%e0%a6%a8/feed/</wfw:commentRss>
			<slash:comments>0</slash:comments>
		
		
			</item>
		<item>
		<title>মহাবিশ্বের আরও খুঁটিনাটি জানতে তৈরি হচ্ছে বৃহৎ ডিজিটাল ক্যামেরা</title>
		<link>https://chtnews24.com/2025/03/12/%e0%a6%ae%e0%a6%b9%e0%a6%be%e0%a6%ac%e0%a6%bf%e0%a6%b6%e0%a7%8d%e0%a6%ac%e0%a7%87%e0%a6%b0-%e0%a6%86%e0%a6%b0%e0%a6%93-%e0%a6%96%e0%a7%81%e0%a6%81%e0%a6%9f%e0%a6%bf%e0%a6%a8%e0%a6%be%e0%a6%9f%e0%a6%bf/</link>
					<comments>https://chtnews24.com/2025/03/12/%e0%a6%ae%e0%a6%b9%e0%a6%be%e0%a6%ac%e0%a6%bf%e0%a6%b6%e0%a7%8d%e0%a6%ac%e0%a7%87%e0%a6%b0-%e0%a6%86%e0%a6%b0%e0%a6%93-%e0%a6%96%e0%a7%81%e0%a6%81%e0%a6%9f%e0%a6%bf%e0%a6%a8%e0%a6%be%e0%a6%9f%e0%a6%bf/#respond</comments>
		
		<dc:creator><![CDATA[adminchtnews24]]></dc:creator>
		<pubDate>Wed, 12 Mar 2025 01:58:33 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[আন্তর্জাতিক]]></category>
		<category><![CDATA[বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি]]></category>
		<category><![CDATA[শিরোনাম]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://chtnews24.com/?p=28670</guid>

					<description><![CDATA[ডেস্ক রির্পোট:- মহাবিশ্ব সম্পর্কে আরো ভালোভাবে জানতে বিশ্বের সবচেয়ে বড় ডিজিটাল ক্যামেরা তৈরি করা হচ্ছে। এটি দিয়ে মহাবিশ্বের এইচডি ভিডিও ধারণ সম্ভব হবে। ফলে মহাবিশ্বের আরও খুঁটিনাটি জানা যাবে। চলতি বছরেই চিলির অরা অবজারভেটরিতে ক্যামেরাটি স্থাপন করতে কাজ করে যাচ্ছেন বিজ্ঞানীরা। ক্যামেরাটির আয়নার আকার ৮.৪ মিটার। খরচ হয়েছে ১৬৫ মিলিয়ন ডলার। যুক্তরাষ্ট্রের জ্বালানি মন্ত্রণালয় খরচ [&#8230;]]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[<p>ডেস্ক রির্পোট:- মহাবিশ্ব সম্পর্কে আরো ভালোভাবে জানতে বিশ্বের সবচেয়ে বড় ডিজিটাল ক্যামেরা তৈরি করা হচ্ছে। এটি দিয়ে মহাবিশ্বের এইচডি ভিডিও ধারণ সম্ভব হবে। ফলে মহাবিশ্বের আরও খুঁটিনাটি জানা যাবে।</p>
<p>চলতি বছরেই চিলির অরা অবজারভেটরিতে ক্যামেরাটি স্থাপন করতে কাজ করে যাচ্ছেন বিজ্ঞানীরা। ক্যামেরাটির আয়নার আকার ৮.৪ মিটার। খরচ হয়েছে ১৬৫ মিলিয়ন ডলার। যুক্তরাষ্ট্রের জ্বালানি মন্ত্রণালয় খরচ দিচ্ছে। ক্যালিফোর্নিয়ায় স্ট্যানফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের স্ল্যাক গবেষণাগারে এটি তৈরি করা হয়েছে।</p>
<p>চিলির অরা অবজারভেটরির ভাইস প্রেসিডেন্ট আলেহান্দ্রো ফোইগ্ট বলেন, ‘আজকাল বিজ্ঞানীরা নির্দিষ্ট কিছু পর্যবেক্ষণ করতে বলেন, কারণ, তাদের একটি তত্ত্ব রয়েছে যা তারা প্রমাণ করতে চান। তাই টেলিস্কোপটি আকাশের একটি নির্দিষ্ট স্থানে, একটি নির্দিষ্ট সময়ে, কয়েক ঘণ্টার জন্য বা কয়েক রাতের জন্য নির্দেশিত করা হয়। আমরা যা করতে যাচ্ছি তা হলো, সবকিছুর ছবি তোলা। এগুলো আমরা রিয়েল টাইমে দিতে পারবো। তখন বিজ্ঞানীরা সেগুলো দিয়ে তাদের নিজস্ব অনুমান ও থিসিস তৈরি করতে সক্ষম হবেন।’</p>
<p>ইতোমধ্যে ১৪৪ মেগাপিক্সেলের টেস্ট ক্যামেরা দিয়ে পাওয়া ফল সবাইকে অবাক করেছে।</p>
<p>নতুন ক্যামেরার মেগাপিক্সেল হবে ৩,২০০। ফলে অসাধারণ দৃশ্য দেখা যাবে।৷ এই প্রকল্পের মাধ্যমে তোলা একটি ছবি দেখাতে ৪০০টি আলট্রা এইচডি টিভি স্ক্রিন লাগবে।</p>
<p>অরা প্রকল্পের সায়েন্টিফিক ডাইরেক্টর স্টুয়ার্ট কর্ডার বলেন, ‘আমরা মহাবিশ্বের রঙিন ছবি থেকে এইচডি ভিডিওর দিকে যাচ্ছি, অর্থাৎ সাদাকালোর যুগ পেছনে ফেলে যাচ্ছি। আমরা রঙিন ছবি থেকে সরাসরি এইচডি ভিডিওর দিকে যাচ্ছি।’</p>
<p>টেলিস্কোপটি স্থির পর্যবেক্ষণ থেকে হাজার গুন গতিশীল পর্যবেক্ষণের দিকে যাবে।</p>
<p>অরা অবজারভেটরির নেটওয়ার্ক ইঞ্জিনিয়ার হ্যারনান স্টকব্রান্ড বলেন, ‘রাতের পর রাত পাওয়া ছবিগুলো বিশ্লেষণ করে সিস্টেমটি সনাক্ত করতে সক্ষম হবে যে, কোনো তারা বিস্ফোরিত হলো কিনা, এটি সুপার নোভা হয়ে গেল কিনা, কিংবা কোনো তারা জ্বলা বন্ধ করে দিল কিনা। গ্রহাণুর মতো কিছু পৃথিবীর দিকে এগিয়ে আসছে কিনা তাও জানা যাবে।’</p>
<p>ধারণা করা হয়, বর্তমানে আমরা মহাবিশ্বের মাত্র পাঁচ শতাংশ সম্পর্কে জানি। ক্যামেরাটি যখন কাজ শুরু করবে তখন বাকি ৯৫ শতাং</p>
]]></content:encoded>
					
					<wfw:commentRss>https://chtnews24.com/2025/03/12/%e0%a6%ae%e0%a6%b9%e0%a6%be%e0%a6%ac%e0%a6%bf%e0%a6%b6%e0%a7%8d%e0%a6%ac%e0%a7%87%e0%a6%b0-%e0%a6%86%e0%a6%b0%e0%a6%93-%e0%a6%96%e0%a7%81%e0%a6%81%e0%a6%9f%e0%a6%bf%e0%a6%a8%e0%a6%be%e0%a6%9f%e0%a6%bf/feed/</wfw:commentRss>
			<slash:comments>0</slash:comments>
		
		
			</item>
	</channel>
</rss>
