<?xml version="1.0" encoding="UTF-8"?><rss version="2.0"
	xmlns:content="http://purl.org/rss/1.0/modules/content/"
	xmlns:wfw="http://wellformedweb.org/CommentAPI/"
	xmlns:dc="http://purl.org/dc/elements/1.1/"
	xmlns:atom="http://www.w3.org/2005/Atom"
	xmlns:sy="http://purl.org/rss/1.0/modules/syndication/"
	xmlns:slash="http://purl.org/rss/1.0/modules/slash/"
	>

<channel>
	<title>জাতীয় &#8211; chtnews24.com</title>
	<atom:link href="https://chtnews24.com/category/%E0%A6%9C%E0%A6%BE%E0%A6%A4%E0%A7%80%E0%A6%AF%E0%A6%BC/feed/" rel="self" type="application/rss+xml" />
	<link>https://chtnews24.com</link>
	<description></description>
	<lastBuildDate>Sun, 06 Sep 2026 03:00:03 +0000</lastBuildDate>
	<language>en-US</language>
	<sy:updatePeriod>
	hourly	</sy:updatePeriod>
	<sy:updateFrequency>
	1	</sy:updateFrequency>
	<generator>https://wordpress.org/?v=7.1</generator>
	<item>
		<title>ঘুরে বেড়াচ্ছেন ৫২ ফাঁসির আসামি</title>
		<link>https://chtnews24.com/2026/09/06/%e0%a6%98%e0%a7%81%e0%a6%b0%e0%a7%87-%e0%a6%ac%e0%a7%87%e0%a6%a1%e0%a6%bc%e0%a6%be%e0%a6%9a%e0%a7%8d%e0%a6%9b%e0%a7%87%e0%a6%a8-%e0%a7%ab%e0%a7%a8-%e0%a6%ab%e0%a6%be%e0%a6%81%e0%a6%b8%e0%a6%bf/</link>
					<comments>https://chtnews24.com/2026/09/06/%e0%a6%98%e0%a7%81%e0%a6%b0%e0%a7%87-%e0%a6%ac%e0%a7%87%e0%a6%a1%e0%a6%bc%e0%a6%be%e0%a6%9a%e0%a7%8d%e0%a6%9b%e0%a7%87%e0%a6%a8-%e0%a7%ab%e0%a7%a8-%e0%a6%ab%e0%a6%be%e0%a6%81%e0%a6%b8%e0%a6%bf/#respond</comments>
		
		<dc:creator><![CDATA[adminchtnews24]]></dc:creator>
		<pubDate>Sun, 06 Sep 2026 03:00:03 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[Second lead]]></category>
		<category><![CDATA[অপরাধ-অনুসন্ধান]]></category>
		<category><![CDATA[জাতীয়]]></category>
		<category><![CDATA[শিরোনাম]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://chtnews24.com/?p=38087</guid>

					<description><![CDATA[ডেস্ক রির্পোট:- কারাবিধি অনুযায়ী মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত যেসব আসামির কনডেম সেলে থাকার কথা, তাদের অনেকেই দুই বছরের বেশি সময় মুক্ত বাতাসে ঘুরে বেড়াচ্ছেন। মৃত্যুর বিভীষিকায় আচ্ছন্ন কারাগারের চার দেয়ালের বন্দিজীবনে না ফিরতে গাঢাকা দিয়ে রয়েছেন তারা। অথচ জেল পলাতক সেসব আসামির অনেকেরই এত দিনে ফাঁসি কার্যকর হওয়ার কথা। আবার অনেকের চরম উৎকণ্ঠায় ফাঁসির প্রহর গুনতে গুনতে সৃষ্টিকর্তার [&#8230;]]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[<p>ডেস্ক রির্পোট:- কারাবিধি অনুযায়ী মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত যেসব আসামির কনডেম সেলে থাকার কথা, তাদের অনেকেই দুই বছরের বেশি সময় মুক্ত বাতাসে ঘুরে বেড়াচ্ছেন। মৃত্যুর বিভীষিকায় আচ্ছন্ন কারাগারের চার দেয়ালের বন্দিজীবনে না ফিরতে গাঢাকা দিয়ে রয়েছেন তারা। অথচ জেল পলাতক সেসব আসামির অনেকেরই এত দিনে ফাঁসি কার্যকর হওয়ার কথা। আবার অনেকের চরম উৎকণ্ঠায় ফাঁসির প্রহর গুনতে গুনতে সৃষ্টিকর্তার কাছে পাপমোচনের দোয়া চাইতে থাকার কথা। স্বজন হারানো অনেক পরিবার শেষ সান্ত্বনা হিসেবে হয়তো দীর্ঘ বছর ধরে অপেক্ষা করছিল এসব আসামির মৃত্যুদণ্ডের সংবাদ পাওয়ার। কিন্তু এই আসামিরা কোথায় আছেন, কেউ দেশ থেকে পালিয়ে গেছেন কি না-এর সঠিক কোনো তথ্য নেই কারও কাছে। কারা সূত্র বলছে, একাধিক কারাগার থেকে পালিয়ে যাওয়া ৯৯ জন মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আসামির মধ্যে ৪৬ জন গ্রেপ্তার হয়েছেন। ৫২ জন এখনো ধরাছোঁয়ার বাইরে রয়েছেন।</p>
<p>জানা গেছে, পলাতক মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আসামিদের কেউ হত্যাকাণ্ডের মামলার আসামি, কেউ সংঘবদ্ধ অপরাধে জড়িত, আবার কারও বিরুদ্ধে রয়েছে জঙ্গিবাদের অভিযোগ। নারায়ণগঞ্জের আড়াইহাজারের ছোট কাজরা গ্রামের তারা মিয়ার ছেলে মো. মোয়াজ্জেম হোসেন (৩০) তেমনি একজন। গণ অভ্যুত্থানের সময় গাজীপুরের কাশিমপুর হাই সিকিউরিটি কেন্দ্রীয় কারাগারে সংঘটিত দাঙ্গা, ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগের ঘটনায় তিনি অন্যান্য বন্দিদের সঙ্গে কারাগারের দেয়াল টপকে পালিয়ে যান। রাজধানীর মতিঝিলের একটি হত্যা মামলায় মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত ছিলেন তিনি। প্রায় দুই বছর মুক্ত বাতাসে ঘোরার পর তাকে গ্রেপ্তার করে কারাগারে ফেরত পাঠানো হয়।</p>
<p>একই কারাগার থেকে পালিয়েছিলেন গোপালগঞ্জের আব্দুল্লাহ শিকদার। সুদের টাকা আদায়কে কেন্দ্র করে প্রতিবেশীকে হাতুড়িপেটা ও পরে কুপিয়ে হত্যার দায়ে আব্দুল্লাহ এবং তার তিন সহযোগীকে মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হয়। রায়ের পর ২০২৩ সালের ডিসেম্বর থেকে তাকে রাখা হয়েছিল হাই সিকিউরিটি কারাগারে। আব্দুল্লাহ শিকদারও গ্রেপ্তার হয়েছে। তবে যারা পলাতক রয়েছে তারা মোয়াজ্জেম ও আব্দুল্লাহ শিকদারের চেয়েও দুর্ধর্ষ। সংশ্লিষ্টরা বলছেন, পলাতকদের অনেকে ভুয়া পরিচয় ব্যবহার করছেন, নিয়মিত অবস্থান বদলাচ্ছেন এবং আত্মগোপনে থাকতে নানা কৌশল অবলম্বন করছেন। তাই তাদের খুঁজে বের করা সময়সাপেক্ষ হয়ে উঠেছে।</p>
<p>তদন্তে পাওয়া তথ্য এবং কারা অধিদপ্তরের হিসাব বলছে, ’২৪-এর জুলাই-আগস্টের সেই অস্থির সময়ে দেশের অন্তত ১৭টি কারাগারে হামলা, ভাঙচুর, অগ্নিসংযোগ কিংবা বিদ্রোহের ঘটনা ঘটে। কোথাও বাইরের হামলায় নিরাপত্তা ভেঙে পড়ে, কোথাও আবার ভিতরের অস্থিরতা পরিস্থিতিকে আরও জটিল করে তোলে। এই ধারাবাহিক ঘটনার সুযোগে কারাগার থেকে পালিয়ে যায় দুই হাজারের বেশি বন্দি। তাদের মধ্যে ছিলেন মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আসামি, জঙ্গি, শীর্ষ সন্ত্রাসী এবং বিভিন্ন গুরুতর অপরাধে দণ্ডিত বন্দিরা। অর্থাৎ যাদের সমাজের জন্য সবচেয়ে বেশি ঝুঁকিপূর্ণ বলে বিবেচনা করা হয়, তাদের একটি অংশই কারাগারের বাইরে চলে যায়।</p>
<p>কারা অধিদপ্তর সূত্র জানিয়েছে, সেই সময় ২ হাজার ২৪৭ জন বন্দি পালিয়ে যান। যাদের মধ্যে ৬৯০ জন এখনো ধরাছোঁয়ার বাইরে রয়েছেন। নরসিংদী কারাগার থেকে পালিয়ে যাওয়া ৮২৬ জন বন্দির মধ্যে ১৬৬ জনের কোনো পরিচয় বা নথিপত্র কারা কর্তৃপক্ষের কাছে নেই। এ ছাড়া বিভিন্ন কারাগার থেকে নয়জন জঙ্গি সদস্য পালিয়ে গিয়েছিলেন। তাদের মধ্যে ছয়জনকে পরবর্তীতে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী গ্রেপ্তার করতে সক্ষম হলেও তিনজন পলাতক রয়েছেন। আর এখনো যারা পলাতক মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত দুর্ধর্ষ ৫২ জনের অবস্থান কোথায়, সেই প্রশ্নের সঠিক উত্তর নেই। তাদের কেউ কেউ ফাঁসি কার্যকর হওয়ার ভয়ে দেশ ছেড়েছেন বলে ধারণা করছে সংশ্লিষ্টরা। জানা গেছে, ২০২৪ সালের ৬ আগস্ট কাশিমপুর হাই সিকিউরিটি কারাগার থেকে পালিয়ে যায় ২০২ জন বন্দি। তাদের মধ্যে ৮৮ জনই ছিলেন মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আসামি।</p>
<p>সংশ্লিষ্ট সূত্র আরও জানিয়েছে, কারাগার থেকে পালানো বন্দিদের মধ্যে ৯৮ জন ছিলেন জঙ্গি সম্পৃক্ততার অভিযোগে অভিযুক্ত। এদের মধ্যে সাজাপ্রাপ্ত ৯ জনের চারজন ছিলেন মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত। পরে ২৮ জনকে গ্রেপ্তার করা গেলেও বাকি ৭০ জনের কোনো হদিস মেলেনি। এ ছাড়া ৫ আগস্টের পর জামিন পাওয়া ৩৮০ জনও আদালতে হাজিরা দিচ্ছেন না। অ্যান্টি টেররিজম ইউনিটের (এটিইউ) তথ্য অনুযায়ী, জেএমবির ১৮৫ জন, আনসার আল ইসলামের ৮৩ জন, হিযবুত তাহ্রীরের ৫৯ জন, হুজি-বির ১৬ জন, নব্য জেএমবির ১৬ জন, আল্লাহর দলের ৯ জন, জামাআতুল আনসার ফিল হিন্দাল শারক্বীয়ার ১ জন এবং ইমাম মাহমুদের কাফেলার একজন সদস্য পলাতক রয়েছেন। সম্প্রতি দেশের বিভিন্ন জায়গায় বোমা উদ্ধারের ঘটনায় জামিনে বের হওয়া ও জেল পলাতক কয়েক জঙ্গির সংশ্লিষ্টতা পেয়েছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী। যা জঙ্গিবাদ নিয়ে নতুন করে উদ্বেগ ছড়াচ্ছে।</p>
<p>কারা অধিদপ্তর সূত্র আরও জানায়, জুলাই আন্দোলনের সময় বিভিন্ন কারাগার থেকে লুট হয় ৮৫টি আগ্নেয়াস্ত্র এবং ৮ হাজার ১৫ রাউন্ড গুলি। পরে ৫৮টি আগ্নেয়াস্ত্র উদ্ধার করা হয়। এখনো উদ্ধার হয়নি ২৭টি অস্ত্র এবং ৬ হাজার ৩৫২ রাউন্ড গুলি।</p>
<p>অপরাধ বিশ্লেষক ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সহযোগী অধ্যাপক ড. তৌহিদুল হক বলেন, অধরা থাকা জেল পালানো আসামিদের গ্রেপ্তার করে কারাগারে ফেরানোর বিষয়ে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর কার্যকর পদক্ষেপ দেখছি না। কারণ যে যত বড় অপরাধী সে তত গোপনে থাকার চেষ্টা করবে। অনেকে জেল থেকে পালানোর পরই দেশ ছেড়েছে বলে ধারণা করা হয়। আবার অনেকে আত্মগোপন অবস্থায় অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডের নেতৃত্ব দিচ্ছে। তিনি আরও বলেন, এই বন্দিরা যত দিন বাইরে থাকবে তত দিন আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ে উদ্বেগ কাটবে না। সেই সঙ্গে সবাইকে ফেরানো না গেলে একটি খারাপ উদাহরণ তৈরি হবে। ভবিষ্যতে গণ অভ্যুত্থ্যান বা জনগনের কোনো আন্দোলনে একই পরিস্থিতি আসলে একই ঘটনা ঘটার সম্ভাবনা থাকবে।</p>
<p>সাবেক আইজিপি মুহাম্মদ নুরুল হুদা বলেন, কারাগার থেকে পালানোর পর আইনশৃঙ্খলা বাহিনী অনেককেই গ্রেপ্তার করেছে। তবে সময়ের সঙ্গে অন্য কাজও অনেক বেড়ে গেছে। এতে অনেক বন্দি এখনো গ্রেপ্তার হয়নি। এদের গ্রেপ্তারের বিষয়টি সর্বোচ্চ অগ্রাধিকারের মধ্যে থাকা উচিত। এক্ষেত্রে গণমাধ্যমকে কাজে লাগালে সবচেয়ে বেশি কাজে দিতে পারে। একই সঙ্গে অভিযান আরও জোরদার করতে হবে। কারা অধিদপ্তরের এআইজি (মিডিয়া) মাসুদ হাসান জুয়েল বলেন, বন্দি পালানোর ঘটনার পরেই আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হয়। সে অনুযায়ী আইনশৃঙ্খলা বাহিনী কাজ করছে। স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মিটিংয়ে কারা অধিদপ্তরের পক্ষ থেকে নিয়মিতই হালনাগাদ তথ্য তুলে ধরা হয়। পুলিশও তাদের তৎপরতার তথ্য তুলে ধরে। পুলিশের ভাষ্য হচ্ছে, পলাতক দুর্ধর্ষ বন্দিরা বারবার অবস্থান বদল করায় তারা সবাইকে গ্রেপ্তার করতে পারছে না।</p>
<p>পুলিশ সদর দপ্তরের অতিরিক্ত আইজিপি (ক্রাইম অ্যান্ড অপারেশন্স) খোন্দকার রফিকুল ইসলাম বলেন, কারাগার থেকে বন্দিরা পালানোর পর থেকেই এন্টি টেররিজম ইউনিটকে (এটিইউ) বিশেষভাবে নির্দেশনা দেওয়া হয়েছিল। সংস্থাটি শুরু থেকেই নিবেদিতপ্রাণ হয়ে বন্দি গ্রেপ্তারে কাজ করছে। অনেককে গ্রেপ্তারও করেছে। শুধু এটিইউ নয়, অন্য সংস্থাও বন্দিদের গ্রেপ্তার করছে। যারা এখনো অধরা রয়েছে তাদের গ্রেপ্তারে নিয়মিতই কঠোর নির্দেশনা দেওয়া হচ্ছে। বাংলাদেশ প্রতিদিন</p>
]]></content:encoded>
					
					<wfw:commentRss>https://chtnews24.com/2026/09/06/%e0%a6%98%e0%a7%81%e0%a6%b0%e0%a7%87-%e0%a6%ac%e0%a7%87%e0%a6%a1%e0%a6%bc%e0%a6%be%e0%a6%9a%e0%a7%8d%e0%a6%9b%e0%a7%87%e0%a6%a8-%e0%a7%ab%e0%a7%a8-%e0%a6%ab%e0%a6%be%e0%a6%81%e0%a6%b8%e0%a6%bf/feed/</wfw:commentRss>
			<slash:comments>0</slash:comments>
		
		
			</item>
		<item>
		<title>এত শিশু গেল কোথায়!</title>
		<link>https://chtnews24.com/2026/09/05/%e0%a6%8f%e0%a6%a4-%e0%a6%b6%e0%a6%bf%e0%a6%b6%e0%a7%81-%e0%a6%97%e0%a7%87%e0%a6%b2-%e0%a6%95%e0%a7%8b%e0%a6%a5%e0%a6%be%e0%a6%af%e0%a6%bc/</link>
					<comments>https://chtnews24.com/2026/09/05/%e0%a6%8f%e0%a6%a4-%e0%a6%b6%e0%a6%bf%e0%a6%b6%e0%a7%81-%e0%a6%97%e0%a7%87%e0%a6%b2-%e0%a6%95%e0%a7%8b%e0%a6%a5%e0%a6%be%e0%a6%af%e0%a6%bc/#respond</comments>
		
		<dc:creator><![CDATA[adminchtnews24]]></dc:creator>
		<pubDate>Sat, 05 Sep 2026 04:48:12 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[Second lead]]></category>
		<category><![CDATA[অপরাধ-অনুসন্ধান]]></category>
		<category><![CDATA[চট্রগ্রাম]]></category>
		<category><![CDATA[জাতীয়]]></category>
		<category><![CDATA[বিশেষ প্রতিবেদন]]></category>
		<category><![CDATA[শিরোনাম]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://chtnews24.com/?p=38053</guid>

					<description><![CDATA[ডেস্ক রির্পোট:- বাবা-মায়ের সঙ্গে পুরান ঢাকার লালবাগে থাকত সাত বছরের শিশু জোনায়েদ হাসান সকাল। ২০১৮ সালের ২১ জানুয়ারি বিকালে বাসাসংলগ্ন খান মোহাম্মদ মসজিদের সামনে অন্য শিশুদের সঙ্গে খেলা করছিল সে। এ সময় লাল শার্ট পরা এক ব্যক্তি তাকে মোবাইলে গেমস খেলার কথা বলে সঙ্গে নিয়ে যায়। সিসি ক্যামেরা ফুটেজে রিকশায় করে সকালকে নিয়ে যাওয়ার ভিডিও [&#8230;]]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[<p>ডেস্ক রির্পোট:- বাবা-মায়ের সঙ্গে পুরান ঢাকার লালবাগে থাকত সাত বছরের শিশু জোনায়েদ হাসান সকাল। ২০১৮ সালের ২১ জানুয়ারি বিকালে বাসাসংলগ্ন খান মোহাম্মদ মসজিদের সামনে অন্য শিশুদের সঙ্গে খেলা করছিল সে। এ সময় লাল শার্ট পরা এক ব্যক্তি তাকে মোবাইলে গেমস খেলার কথা বলে সঙ্গে নিয়ে যায়। সিসি ক্যামেরা ফুটেজে রিকশায় করে সকালকে নিয়ে যাওয়ার ভিডিও ফুটেজও প্রকাশিত হয়। সেখানে দেখা যায়, লাল শার্টের ব্যক্তি একটি রিকশায় যাচ্ছেন। পাশের অপর একটি রিকশায় দুই ব্যক্তির মাঝে বসিয়ে সকালকে নিয়ে যাওয়া হচ্ছে।</p>
<p>এ ঘটনায় সকালের পাগলপ্রায় বাবা-মা ওইদিনই থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেন। এরপর একে একে কেটে গেছে আটটি বছর। জিডি করার পর অসংখ্যবার থানায় গেছেন সকালের মা মুক্তা আক্তার ও বাবা ইসমাইল হাসান রাজন। এখনো বিভিন্ন জায়গায় দেয়ালজুড়ে পোস্টার লাগিয়ে যাচ্ছেন। বিভিন্নভাবে করে যাচ্ছেন ডিজিটাল প্লাটফর্মগুলোতে প্রচারণা। কিন্তু সকালের খোঁজ মেলেনি আজও। সকাল বেঁচে আছেন নাকি মারা গেছে তা-ও জানে না কেউ। বেঁচে থাকলে নয়নের মণি সন্তান দেখতে কেমন হয়েছেন- তা দেখার প্রতীক্ষায় আছেন বাবা-মা।</p>
<p>খুলনার কয়রার ঘুঘরাকাটি এলাকার মো. শাহ আলম ও মোছা. বিলকিছ পারভীনের মেয়ে মো. সামিরা খাতুন (৫)। গত বছরের ২৬ আগস্ট ঘুঘরাকাটি বাজারে চাচার চায়ের দোকানে যায়। বিকালে বিলকিছ পারভীন ওই বাজারে গিয়ে মেয়ে সামিরাকে দেখতে পেয়ে বাড়ি চলে যেতে বলেন। নিজের কাজ শেষ করে বাড়ি ফিরে দেখেন সামিরা নেই। মাইকিং থেকে শুরু করে খোঁজ পেতে সবকিছুই করেন। কিন্তু সামিরাকে আর পাওয়া যায়নি। নিখোঁজের পরের দিন কয়রা থানায় জিডি (নম্বর-১১৪৫) করেন। এতেও কোনো ফল মেলেনি।</p>
<p>শুধু সকাল আর সামিরাই নয়- সারা দেশে প্রতি মাসে শিশু নিখোঁজের হাজারো ঘটনা ঘটছে। তাদের সন্ধান পেতে ভিটেমাটি বিক্রি করে নিঃস্ব হচ্ছে অনেক পরিবার। এদিকে সারা দেশে দায়ের হওয়া শিশু নিখোঁজ জিডির কিছু শিশুর সন্ধান মিললেও হদিস মিলছে না অনেকেরই। তাদের শেষ পরিণতি কী হয়েছে, বেঁচে আছে নাকি মারা গেছে, নাকি কোনো পাচারকারী চক্রের খপ্পরে পড়ে অন্য কোনো দেশে বিক্রি হয়ে গেছে- এসব প্রশ্নেরও কোনো সুরাহা হয়নি।</p>
<p>তবে সম্প্রতি সময়ে শিশু নিখোঁজের বিষয়টি উদ্বেগ ছড়ানোয় নড়েচড়ে বসেছে পুলিশ সদর দপ্তর। সারা দেশে সব থানায় কঠোর বার্তা দেওয়া হয়েছে। নিখোঁজ জিডি গুরুত্বসহকারে তদন্ত করে কার্যকর ব্যবস্থা নিতে বলা হয়েছে। কিন্তু এখন পর্যন্ত ঠিক কতজন শিশু নিখোঁজ রয়েছে- তার কোনো সুনির্দিষ্ট পরিসংখ্যান নেই পুলিশের কাছে। তবে গত ৭ মাসে নিখোঁজদের মধ্যে ২ হাজার ৩৮ শিশুর হদিস মিলছে না বলে জানিয়েছে পুলিশ সদও দপ্তর। শুধু এই ৭ মাসের হিসাবেই শিশুদের ভয়ংকর এই পরিণতির ইঙ্গিত মিলেছে।</p>
<p>সক্রিয় আন্তর্জাতিক পাচারকারী চক্র : গতবছরের ২৩ মে গাজীপুরের টঙ্গী এরশাদনগর এলাকা থেকে অপহরণের শিকার হয় আলিফ নামে সাড়ে ৪ বছরের শিশু। ৫ দিন পর ঝিনাইদহ থেকে উদ্ধার হয় আলিফ। এ ঘটনায় তাহমিনা, আলামিন ও কালাম নামে ৩ জন গ্রেপ্তার হয়। তাহমিনা বোরখা পড়ে আলিফকে অপহরণ করেছিল। পরে তাদের জিজ্ঞাসাবাদে পুলিশ জানতে পারে, আলিফকে ভারতে পাচার করা হচ্ছিল। এরই মধ্যে বিক্রির সব প্রস্তুতি সম্পন্নও করে ফেলেছিল। কিন্তু অল্পের জন্য সেটি হয়নি। ২০২২ সালে বাবা-মায়ের ঝগড়া করে বাড়ি থেকে চলে যান নোয়াখালী সদরের কালাদরাপ ইউনিয়নের উত্তর শুল্লুকিয়া গ্রামের পলি। তখন সে অষ্টম শ্রেণিতে পড়ত। পরিবারের প্রতি রাগকে কাজে লাগিয়ে তাকে আমিরাতে পাচার করে একটি চক্র। পরে তাকে দেশে ফেরত আনে ব্র্যাকের মাইগ্রেশন প্রোগ্রাম।</p>
<p>শুধু আলিফ ও পলি নয়- নিখোঁজ অনেক শিশুকেই ভারত ও থাইল্যান্ডসহ বিভিন্ন দেশে পাচার হচ্ছে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে। গত ২৭ ফেব্রুয়ারি পাচারের শিকার ২৮ শিশুকে বাংলাদেশে হস্তান্তর করে ভারত সরকার। গত ১৩ মে ভারত সরকারের মাধ্যমে ফেরত আসে ২০ শিশু। ব্র্যাক মাইগ্রেশন প্রোগ্রামের সহযোগী পরিচালক ও ব্র্যাক ইয়ুথ প্ল্যাটফর্মের প্রধান শরিফুল ইসলাম হাসান বলেন, ২০১৫ সাল থেকে ২০২২ সাল পর্যন্ত ৬৩০ জন শিশু পাচারের তথ্য আমরা পেয়েছি।</p>
<p>চাইল্ড পর্নোগ্রাফি বিস্তারে অপহরণ ঝুঁকি বাড়ছে : পথশিশুদের দিয়ে পর্নোগ্রাফি বানানো অভিযোগে ২০২৪ সালে গ্রেপ্তার হন আন্তর্জাতিক শিশু পর্নোগ্রাফি চক্রের সদস্য শিশুসাহিত্যিক টিআই এম ফখরুজ্জামান ওরফে টিপু কিবরিয়া। একই অভিযোগে ২০১৪ সালে গ্রেপ্তার হয়ে ৭ বছর জেল খেটেছিলেন তিনি। তার কাছে ইতালি, অস্ট্রেলিয়া ও জার্মানিসহ অনেক দেশের গ্রাহকদের ২৫ হাজার শিশু পর্নোগ্রাফির ছবি ও ১ হাজার ভিডিও পাঠানোর তথ্য পায় সিটিটিসি। কিবরিয়া শুধু পথশিশুদের টার্গেট করলেও আন্তর্জাতিক চক্র অন্য শিশুদেরও টার্গেট করছে বলে জানিয়েছে গোয়েন্দা সূত্র। একাধিক সূত্র বলছে, ডার্ক ওয়েবে শিশু পর্নোগ্রাফির চাহিদা দিনদিন বাড়ছে। এজন্য শিশুদের পাচারের উদ্দেশ্যে টার্গেট করছে চক্র।</p>
<p>মুন এলার্টে বাড়ছে নিখোঁজের অভিযোগ : নিখোঁজ শিশুদের সন্ধানে কাজ করা মুন অ্যালার্টের (মিসিং আর্জেন্ট নোটিফিকেশন) প্রতিষ্ঠাতা সাদাত রহমান বলেন, ‘বৈশ্বিকভাবে অপরাধী চক্রের কাছে শিশুদের চাহিদা বাড়ছে। এতে করে নিঃসন্দেহে শিশু পাচার বাড়ছে। কেন্দ্রীয় ডাটাবেজ থাকলে বাড্ডায় ছেলে ধরা গুজবে রেনু নামে নারীর মতো আর কারও প্রাণহানিও ঘটবে না।’ তিনি আরও বলেন, ‘ইন্টারপোলের বিভিন্ন এলার্ট আছে। যেমন দাগি আসামিদের ক্ষেত্রে রেড এলার্ট সম্পর্কে আমরা পরিচিত। কিন্তু শিশু পাচার ঠেকাতে ইয়োলো এলার্ট আমরা দেখি না। অন্যদেশ ঠিকই ইয়োলো এলার্ট ব্যবহার করছে। এজন্য সরকারের পৃষ্ঠপোষকতা ও সংশ্লিষ্ট সবার সহযোগিতা দরকার। তাহলে শিশু পাচার ও সন্ধানে আরও সুবিধা হবে।’ সাদাত রহমান আরও জানান, গত ৬ মাসে তারা ১ হাজার ১৪৮ অভিযোগ পান। যার মধ্যে ৬৩০টি আমলে নেওয়ার মতো ছিল। সেগুলো ভেরিফিকেশন করে ১৫৬ শিশুর সন্ধান চেয়ে অ্যালার্ট দেওয়া হয়। মুন এলার্টে দিনদিন অভিযোগের সংখ্যা বাড়ছে বলে জানান তিনি।</p>
<p>শেল্ডার হাউসে ঠাঁই হয় অনেক শিশুর : গত বুধবার বিজ্ঞপ্তি দিয়ে আরিয়ান নামে ৭ বছরের এক ছেলে শিশুর সন্ধান চায় ডিএমপির ভিকটিম সাপোর্ট সেন্টার। বিজ্ঞপ্তিতে ছবি যুক্ত করে জানানো হয়, গত ১ সেপ্টেম্বর মেরুল বাড্ডা বৌদ্ধমন্দির এলাকায় একা বসে থাকতে দেখে পথচারীরা তাকে বাড্ডা থানা পুলিশের নিকট নিয়ে আসে। বিজ্ঞপ্তি দেখে বৃহস্পতিবার গভীর রাতে শিশুটির বাবা দুলু মিয়া ভিকটিম সাপোর্ট সেন্টারে গিয়ে ছেলেকে বুঝে নেন। আরিয়ান ঘরে ফিরলেও অনেক শিশুই আর ঘরে ফিরতে পারে না। এর প্রধান কারণ ঠিকমতো ঠিকানা বলতে না পারা বা যে ঠিকানা বলে সেখানে কাউকে না পাওয়া। এ বিষয়ে ডিএমপির উইমেন সাপোর্ট অ্যান্ড ইনভেস্টিগেশন বিভাগের ডিসি মোছা. লিজা বেগম বলেন, নিখোঁজ কোনো শিশু উদ্ধারের পর আমাদের ভিকটিম সাপোর্ট সেন্টারে আসলে পরিচয় শনাক্তে বা পরিবারে ফিরিয়ে দিতে সব ধরনের আইনগত চেষ্টা করা হয়। এর পরও পরিচয় পাওয়া না গেলে আদালতের নির্দেশে বিভিন্ন শেল্টার হাউসে পাঠানো হয়। বর্তমানে ঢাকার বিশ্বস্ত কিছু শেল্টার হাউসে এমন শিশু আসে। নিয়মিতই আমরা ওই শিশুদের খোঁজ নিয়ে থাকি।</p>
<p>নারী ও শিশু ডেস্কের তৎপরতা বাড়াতে হবে : অপরাধ বিশ্লেষক ঢাকা বিশ্বদ্যিালয়ের সহযোগী অধ্যাপক ড. তৌহিদুল হক বলেন, যেসব শিশু নিখোঁজ হয়- তাদের অনেকেই অপহরণের শিকার হচ্ছে। বিশেষ করে আন্তর্জাতিক শিশু পাচারকারী চক্র এখনো সক্রিয় রয়েছে। অনেক শিশুকে পর্নোগ্রাফি তৈরি, অঙ্গপ্রতঙ্গ বিক্রি, মাদক পাচারকারী হিসেবে ব্যবহার অথবা গ্যাং সদস্য হিসেবে গড়ে তুলতে কেনা নেওয়া হচ্ছে। এক্ষেত্রে পরিবারের অসচেতনতা ও পুলিশের গাফিলতিও আছে। তবে বেশির ভাগ পরিবার এমন সময়ে অভিযোগ করতে যান, যখন আর পুলিশের কিছু করার থাকে না, এটাও সত্য। কারণ পাচার চক্র ৪-৫ ঘণ্টার মধ্যে নিজেদের বলয়ের এলাকায় চলে যায়। এজন্য শিশু নিখোঁজ হলে নিজে না খুঁজে আগে পুলিশকে জানাতে হবে। প্রতি থানায় নারী ও শিশু ডেস্ক রয়েছে। এই ডেস্ককে আরও তৎপর ও কার্যকর করতে হবে। যাতে কোনো অভিযোগ পেলে সঙ্গে সঙ্গে আশপাশের থানার সমন্বয়ে কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া যায়।</p>
<p>থানাকে গুরুত্ব দিয়ে তদন্তের নির্দেশ : পুলিশ সদর দপ্তরের অতিরিক্ত আইজিপি (ক্রাইম অ্যান্ড অপারেশন্স) খোন্দকার রফিকুল ইসলাম বলেন, শিশু নিখোঁজের বিষয়টি উদ্বেগ ছড়ানোর পর জরুরি মিটিং ডেকে সব থানায় কঠোর বার্তা পাঠানো হয়েছে। যেসব শিশু নিখোঁজ জিডি নিষ্পত্তি হয়নি- সেগুলো সম্পর্কে নতুন করে খোঁজ নিতে বলা হয়েছে। সব থানার আপডেট তথ্য তৈরি হলে সঠিক পরিসংখ্যান সামনে আসবে। তবে জিডির পরিসংখ্যান দেখে যতটা উদ্বেগ ছড়িয়েছে বাস্তব চিত্র তেমন নয়। তিনি আরও বলেন, নিখোঁজ জিডি হলে সেটি গুরুত্বসহকারে তদন্তের নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।</p>
<p>উল্লেখ্য, গত বৃহস্পতিবার পুলিশ সদর দপ্তর বিজ্ঞপ্তিতে জানিয়েছে, শিশু নিখোঁজের বিষয়ে ২০২৩ সালে ১৭ হাজার ৮০৮টি, ২০২৪ সালে ১৬ হাজার ৪১৪ এবং গত বছর ২২ হাজার ৫৫টি জিডি হয়েছে সারা দেশে। চলতি বছরের ৭ মাসসহ ৪৩ মাসে ৭২ হাজার ৪৮৯টি শিশু নিখোঁজের জিডি হয়েছে। বাংলাদেশ প্রতিদিন</p>
]]></content:encoded>
					
					<wfw:commentRss>https://chtnews24.com/2026/09/05/%e0%a6%8f%e0%a6%a4-%e0%a6%b6%e0%a6%bf%e0%a6%b6%e0%a7%81-%e0%a6%97%e0%a7%87%e0%a6%b2-%e0%a6%95%e0%a7%8b%e0%a6%a5%e0%a6%be%e0%a6%af%e0%a6%bc/feed/</wfw:commentRss>
			<slash:comments>0</slash:comments>
		
		
			</item>
		<item>
		<title>পুলিশ বাহিনীকে পেশাদারিত্বের সঙ্গে কাজ করার আহ্বান প্রেসিডেন্টের</title>
		<link>https://chtnews24.com/2026/09/03/%e0%a6%aa%e0%a7%81%e0%a6%b2%e0%a6%bf%e0%a6%b6-%e0%a6%ac%e0%a6%be%e0%a6%b9%e0%a6%bf%e0%a6%a8%e0%a7%80%e0%a6%95%e0%a7%87-%e0%a6%aa%e0%a7%87%e0%a6%b6%e0%a6%be%e0%a6%a6%e0%a6%be%e0%a6%b0%e0%a6%bf%e0%a6%a4/</link>
					<comments>https://chtnews24.com/2026/09/03/%e0%a6%aa%e0%a7%81%e0%a6%b2%e0%a6%bf%e0%a6%b6-%e0%a6%ac%e0%a6%be%e0%a6%b9%e0%a6%bf%e0%a6%a8%e0%a7%80%e0%a6%95%e0%a7%87-%e0%a6%aa%e0%a7%87%e0%a6%b6%e0%a6%be%e0%a6%a6%e0%a6%be%e0%a6%b0%e0%a6%bf%e0%a6%a4/#respond</comments>
		
		<dc:creator><![CDATA[adminchtnews24]]></dc:creator>
		<pubDate>Thu, 03 Sep 2026 14:38:42 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[Second lead]]></category>
		<category><![CDATA[জাতীয়]]></category>
		<category><![CDATA[শিরোনাম]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://chtnews24.com/?p=38017</guid>

					<description><![CDATA[ডেস্ক রির্পোট:- দেশের আইনশৃঙ্খলা রক্ষা ও অপরাধ দমনে পুলিশ বাহিনীকে সততা, নিষ্ঠা এবং পেশাদারিত্বের সঙ্গে দায়িত্ব পালনের আহ্বান জানিয়েছেন প্রেসিডেন্ট মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। বৃহস্পতিবার বঙ্গভবনে প্রেসিডেন্টের সঙ্গে বাংলাদেশ পুলিশের আইজিপি মো. আলী হোসেন ফকিরের সৌজন্য সাক্ষাতে তিনি এ আহ্বান জানান বলে প্রেস উইং থেকে জানানো হয়। সাক্ষাতে প্রেসিডেন্ট বলেন, ‘পুলিশকে দুষ্টের দমনে অত্যন্ত কঠোর [&#8230;]]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[<p>ডেস্ক রির্পোট:- দেশের আইনশৃঙ্খলা রক্ষা ও অপরাধ দমনে পুলিশ বাহিনীকে সততা, নিষ্ঠা এবং পেশাদারিত্বের সঙ্গে দায়িত্ব পালনের আহ্বান জানিয়েছেন প্রেসিডেন্ট মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।</p>
<p>বৃহস্পতিবার বঙ্গভবনে প্রেসিডেন্টের সঙ্গে বাংলাদেশ পুলিশের আইজিপি মো. আলী হোসেন ফকিরের সৌজন্য সাক্ষাতে তিনি এ আহ্বান জানান বলে প্রেস উইং থেকে জানানো হয়।</p>
<p>সাক্ষাতে প্রেসিডেন্ট বলেন, ‘পুলিশকে দুষ্টের দমনে অত্যন্ত কঠোর ও শিষ্টের পালনে ন্যায়সঙ্গত ও মানবিক আচরণ করতে হবে।’ আইনের শাসন প্রতিষ্ঠায় জরুরি ভিত্তিতে যথাযথ পদক্ষেপ নেয়ার জন্য পুলিশ বাহিনীর সদস্যদের নির্দেশনা দেন তিনি। এছাড়া অপতথ্য, মিথ্যা তথ্য ও গুজব প্রচারসহ সাইবার অপরাধ, ছিনতাই, চাঁদাবাজি ও মাদকের বিস্তার দমন এবং নারী ও শিশুর নিরাপত্তা বিধানে কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণের পুলিশ প্রধানকে নির্দেশ দেন। এ ব্যাপারে জনগণকে নিয়মিত অবহিত রাখা ও ব্যাপক প্রচারণার ওপর গুরুত্বারোপ করেন প্রেসিডেন্ট।</p>
<p>বর্তমান সরকার মানুষের মৌলিক মানবাধিকার ও গণতান্ত্রিক অধিকার সমুন্নত রাখতে কাজ করে যাচ্ছে উল্লেখ করে বিচার বহির্ভূত হত্যা, জনগণকে হয়রানি ও মিথ্যা মামলা বন্ধে কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণ অব্যাহত রাখার জন্য বাংলাদেশ পুলিশকে নির্দেশনা দেন প্রেসিডেন্ট।</p>
<p>সাক্ষাতে আইজিপি পুলিশ বাহিনীর মনোবল দৃঢ় রাখতে এবং বাহিনীর আধুনিকায়ন ও ডিজিটালাইজেশনে গৃহীত বিভিন্ন পদক্ষেপ সম্পর্কে প্রেসিডেন্টকে অবহিত করেন। তিনি দায়িত্ব পালনে প্রেসিডেন্টের সার্বিক সহযোগিতা কামনা করেন। এসময় প্রেসিডেন্ট সার্বিক সহযোগিতার আশ্বাস দেন। এ সময় প্রেসিডেন্টের সামরিক সচিব ও প্রেস সচিব উপস্থিত ছিলেন।</p>
]]></content:encoded>
					
					<wfw:commentRss>https://chtnews24.com/2026/09/03/%e0%a6%aa%e0%a7%81%e0%a6%b2%e0%a6%bf%e0%a6%b6-%e0%a6%ac%e0%a6%be%e0%a6%b9%e0%a6%bf%e0%a6%a8%e0%a7%80%e0%a6%95%e0%a7%87-%e0%a6%aa%e0%a7%87%e0%a6%b6%e0%a6%be%e0%a6%a6%e0%a6%be%e0%a6%b0%e0%a6%bf%e0%a6%a4/feed/</wfw:commentRss>
			<slash:comments>0</slash:comments>
		
		
			</item>
		<item>
		<title>দেশে ড্রোন উৎপাদনের পরিকল্পনা নিয়েছে সরকার&#8211;সংসদে প্রধানমন্ত্রী</title>
		<link>https://chtnews24.com/2026/09/03/%e0%a6%a6%e0%a7%87%e0%a6%b6%e0%a7%87-%e0%a6%a1%e0%a7%8d%e0%a6%b0%e0%a7%8b%e0%a6%a8-%e0%a6%89%e0%a7%8e%e0%a6%aa%e0%a6%be%e0%a6%a6%e0%a6%a8%e0%a7%87%e0%a6%b0-%e0%a6%aa%e0%a6%b0%e0%a6%bf%e0%a6%95/</link>
					<comments>https://chtnews24.com/2026/09/03/%e0%a6%a6%e0%a7%87%e0%a6%b6%e0%a7%87-%e0%a6%a1%e0%a7%8d%e0%a6%b0%e0%a7%8b%e0%a6%a8-%e0%a6%89%e0%a7%8e%e0%a6%aa%e0%a6%be%e0%a6%a6%e0%a6%a8%e0%a7%87%e0%a6%b0-%e0%a6%aa%e0%a6%b0%e0%a6%bf%e0%a6%95/#respond</comments>
		
		<dc:creator><![CDATA[adminchtnews24]]></dc:creator>
		<pubDate>Thu, 03 Sep 2026 04:15:56 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[Second lead]]></category>
		<category><![CDATA[জাতীয়]]></category>
		<category><![CDATA[শিরোনাম]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://chtnews24.com/?p=38001</guid>

					<description><![CDATA[ডেস্ক রির্পোট:- সাইবার হামলা, ড্রোন প্রযুক্তি ও সামুদ্রিক নিরাপত্তার মতো নতুন ধরনের হুমকি মোকাবিলায় প্রতিরক্ষা সক্ষমতা বাড়ানোর উদ্যোগ নিয়েছে সরকার। এর অংশ হিসেবে সশস্ত্র বাহিনীর সাইবার নিরাপত্তা নীতিমালা পর্যালোচনার পাশাপাশি দেশেই ড্রোন উৎপাদনের সক্ষমতা তৈরির পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে। এ ছাড়া সমুদ্রে নজরদারি ও পরিস্থিতিগত সচেতনতা বাড়াতেও বিভিন্ন উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। [&#8230;]]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[<p>ডেস্ক রির্পোট:- সাইবার হামলা, ড্রোন প্রযুক্তি ও সামুদ্রিক নিরাপত্তার মতো নতুন ধরনের হুমকি মোকাবিলায় প্রতিরক্ষা সক্ষমতা বাড়ানোর উদ্যোগ নিয়েছে সরকার। এর অংশ হিসেবে সশস্ত্র বাহিনীর সাইবার নিরাপত্তা নীতিমালা পর্যালোচনার পাশাপাশি দেশেই ড্রোন উৎপাদনের সক্ষমতা তৈরির পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে।</p>
<p>এ ছাড়া সমুদ্রে নজরদারি ও পরিস্থিতিগত সচেতনতা বাড়াতেও বিভিন্ন উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।</p>
<p>বুধবার (২ সেপ্টেম্বর) জাতীয় সংসদের প্রশ্নোত্তর পর্বে মহিলা আসন-২-এর সংসদ সদস্য শিরীন সুলতানার এক প্রশ্নের জবাবে প্রধানমন্ত্রী এসব তথ্য জানান। এ সময় সংসদ অধিবেশনে সভাপতিত্ব করেন স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমেদ।</p>
<p>প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘সশস্ত্র বাহিনীর সাইবার নিরাপত্তা নীতিমালা পর্যালোচনা করা হচ্ছে। পাশাপাশি দেশীয়ভাবে ড্রোন উৎপাদনের সক্ষমতা অর্জনের জন্য পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে।’</p>
<p>তিনি আরও জানান, সমুদ্রে নজরদারি ও পরিস্থিতিগত সচেতনতা জোরদার করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।</p>
<p>এদিকে বেসামরিক প্রশাসনকে সহায়তায় সশস্ত্র বাহিনীর অংশগ্রহণের জন্য সুনির্দিষ্ট নীতিমালা রয়েছে বলেও সংসদে জানান প্রধানমন্ত্রী।</p>
<p>মহিলা আসন-১০-এর সংসদ সদস্য নিলোফার চৌধুরী মনির এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, ‘সংবিধানের ১২৬ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী নির্বাচনকালীন সময়ে দেশের সার্বিক নিরাপত্তায় সশস্ত্র বাহিনী মোতায়েন করা হয়।’</p>
<p>এ ছাড়া প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের জারি করা ‘ইনস্ট্রাকশন রিগার্ডিং ইন এইড টু দ্য সিভিল’-এর আওতায় বিভিন্ন দুর্যোগ ও ক্রান্তিকালে অসামরিক প্রশাসনকে সরাসরি সহায়তা করে সশস্ত্র বাহিনী।</p>
<p>প্রধানমন্ত্রী জানান, দ্য কোড অব ক্রিমিনাল প্রসিডিউর, ১৮৯৮-এর ১২৯ ধারার আওতায় সশস্ত্র বাহিনীকে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেসি এবং আইনশৃঙ্খলা পুনরুদ্ধারে আইনি ক্ষমতা বা কর্তৃত্ব দেওয়া হয়।</p>
<p>সরকারের এসব উদ্যোগের মাধ্যমে প্রচলিত সামরিক সক্ষমতার পাশাপাশি সাইবার নিরাপত্তা, ড্রোন প্রযুক্তি ও সামুদ্রিক নিরাপত্তার মতো নতুন ক্ষেত্রেও দেশের প্রতিরক্ষা সক্ষমতা বাড়ানোর চেষ্টা করা হচ্ছে।</p>
]]></content:encoded>
					
					<wfw:commentRss>https://chtnews24.com/2026/09/03/%e0%a6%a6%e0%a7%87%e0%a6%b6%e0%a7%87-%e0%a6%a1%e0%a7%8d%e0%a6%b0%e0%a7%8b%e0%a6%a8-%e0%a6%89%e0%a7%8e%e0%a6%aa%e0%a6%be%e0%a6%a6%e0%a6%a8%e0%a7%87%e0%a6%b0-%e0%a6%aa%e0%a6%b0%e0%a6%bf%e0%a6%95/feed/</wfw:commentRss>
			<slash:comments>0</slash:comments>
		
		
			</item>
		<item>
		<title>পুলিশের ৭ কর্মকর্তাকে বরখাস্ত</title>
		<link>https://chtnews24.com/2026/09/03/%e0%a6%aa%e0%a7%81%e0%a6%b2%e0%a6%bf%e0%a6%b6%e0%a7%87%e0%a6%b0-%e0%a7%ad-%e0%a6%95%e0%a6%b0%e0%a7%8d%e0%a6%ae%e0%a6%95%e0%a6%b0%e0%a7%8d%e0%a6%a4%e0%a6%be%e0%a6%95%e0%a7%87-%e0%a6%ac%e0%a6%b0/</link>
					<comments>https://chtnews24.com/2026/09/03/%e0%a6%aa%e0%a7%81%e0%a6%b2%e0%a6%bf%e0%a6%b6%e0%a7%87%e0%a6%b0-%e0%a7%ad-%e0%a6%95%e0%a6%b0%e0%a7%8d%e0%a6%ae%e0%a6%95%e0%a6%b0%e0%a7%8d%e0%a6%a4%e0%a6%be%e0%a6%95%e0%a7%87-%e0%a6%ac%e0%a6%b0/#respond</comments>
		
		<dc:creator><![CDATA[adminchtnews24]]></dc:creator>
		<pubDate>Thu, 03 Sep 2026 04:10:04 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[Second lead]]></category>
		<category><![CDATA[জাতীয়]]></category>
		<category><![CDATA[শিরোনাম]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://chtnews24.com/?p=37995</guid>

					<description><![CDATA[ডেস্ক রির্পোট:- পুলিশের সাত কর্মকর্তাকে চাকরি থেকে অপসারণ ও বরখাস্ত করা হয়েছে। সরকারি দায়িত্ব পালনে অনিয়ম, দীর্ঘদিন কর্মস্থলে অনুমতি ছাড়া অনুপস্থিতি ও ঘুষ নিয়ে চাকরি দেওয়ার প্রতিশ্রুতির অভিযোগে তাদের অপসারণ ও বরখাস্ত করা হয়। বুধবার স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব মনজুর মোর্শেদ চৌধুরী স্বাক্ষরিত পৃথক প্রজ্ঞাপনে এ আদেশ দেওয়া হয়। জানা গেছে, ডিবির সাবেক যুগ্ম কমিশনার [&#8230;]]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[<p>ডেস্ক রির্পোট:- পুলিশের সাত কর্মকর্তাকে চাকরি থেকে অপসারণ ও বরখাস্ত করা হয়েছে। সরকারি দায়িত্ব পালনে অনিয়ম, দীর্ঘদিন কর্মস্থলে অনুমতি ছাড়া অনুপস্থিতি ও ঘুষ নিয়ে চাকরি দেওয়ার প্রতিশ্রুতির অভিযোগে তাদের অপসারণ ও বরখাস্ত করা হয়।</p>
<p>বুধবার স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব মনজুর মোর্শেদ চৌধুরী স্বাক্ষরিত পৃথক প্রজ্ঞাপনে এ আদেশ দেওয়া হয়।</p>
<p>জানা গেছে, ডিবির সাবেক যুগ্ম কমিশনার সঞ্চিত কুমার রায় ২০২৪ সালের ১৭ সেপ্টেম্বর থেকে, ডিএমপির সাবেক উপকমিশনার মানস কুমার পোদ্দার ২০২৪ সালের ১৮ অক্টোবর থেকে, রংপুর জেলার সাবেক পুলিশ সুপার মো. শাহজাহান ২০২৫ সালের ৯ জানুয়ারি থেকে ও অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (পুলিশ সুপার পদে সুপারনিউমারারি পদোন্নতিপ্রাপ্ত) হাফিজ আল ফারুক ২০২৫ সালের ১ ফেব্রুয়ারি থেকে কর্মস্থলে অনুপস্থিত। এ কারণে তাদের চাকরি থেকে বরখাস্ত করা হয়েছে বলে প্রজ্ঞাপনে উল্লেখ করা হয়েছে।</p>
<p>এছাড়া নেত্রকোনা ইন-সার্ভিস ট্রেনিং সেন্টারের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মোহাম্মদ রোকনুজ্জামান একজনকে এসআই পদে চাকরি দেওয়ার শর্তে ১৭ লাখ টাকা দাবি করেন। তিনি নিজ অ্যাকাউন্টে প্রায় সাড়ে ৫ লাখ টাকা নেন। কিন্তু ওই ব্যক্তির চাকরি না হওয়ায় টাকা ফেরত চাইলেও দেননি। পরে ভুক্তভোগী অভিযোগ করলে তদন্তে অপরাধ প্রমাণিত হওয়ায় মোহাম্মদ রোকনুজ্জামানকে চাকরি থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে।</p>
<p>এছাড়া বরিশাল মেট্রোপলিটন পুলিশের (বিএমপি) সাবেক অতিরিক্ত উপ-কমিশনার মো. রাশেদুল ইসলাম ২০২৫ সালের ৯ মার্চ থেকে কর্মস্থলে অনুপস্থিত এবং পুলিশ স্টাফ কলেজের এএসপি মো. হাবিবুল্লাহ দালাল ২০২৫ সালের ২২ জানুয়ারি ছুটি নিয়ে কর্মস্থলে যোগ দেননি। নির্ধারিত সময়ে কাজে যোগদান না করা এ দুজনকেও বরখাস্ত করা হয়েছে।</p>
]]></content:encoded>
					
					<wfw:commentRss>https://chtnews24.com/2026/09/03/%e0%a6%aa%e0%a7%81%e0%a6%b2%e0%a6%bf%e0%a6%b6%e0%a7%87%e0%a6%b0-%e0%a7%ad-%e0%a6%95%e0%a6%b0%e0%a7%8d%e0%a6%ae%e0%a6%95%e0%a6%b0%e0%a7%8d%e0%a6%a4%e0%a6%be%e0%a6%95%e0%a7%87-%e0%a6%ac%e0%a6%b0/feed/</wfw:commentRss>
			<slash:comments>0</slash:comments>
		
		
			</item>
		<item>
		<title>সংসদে ১০টি সংসদীয় কমিটি গঠন</title>
		<link>https://chtnews24.com/2026/09/03/%e0%a6%b8%e0%a6%82%e0%a6%b8%e0%a6%a6%e0%a7%87-%e0%a7%a7%e0%a7%a6%e0%a6%9f%e0%a6%bf-%e0%a6%b8%e0%a6%82%e0%a6%b8%e0%a6%a6%e0%a7%80%e0%a6%af%e0%a6%bc-%e0%a6%95%e0%a6%ae%e0%a6%bf%e0%a6%9f%e0%a6%bf/</link>
					<comments>https://chtnews24.com/2026/09/03/%e0%a6%b8%e0%a6%82%e0%a6%b8%e0%a6%a6%e0%a7%87-%e0%a7%a7%e0%a7%a6%e0%a6%9f%e0%a6%bf-%e0%a6%b8%e0%a6%82%e0%a6%b8%e0%a6%a6%e0%a7%80%e0%a6%af%e0%a6%bc-%e0%a6%95%e0%a6%ae%e0%a6%bf%e0%a6%9f%e0%a6%bf/#respond</comments>
		
		<dc:creator><![CDATA[adminchtnews24]]></dc:creator>
		<pubDate>Thu, 03 Sep 2026 03:57:32 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[Second lead]]></category>
		<category><![CDATA[জাতীয়]]></category>
		<category><![CDATA[শিরোনাম]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://chtnews24.com/?p=37980</guid>

					<description><![CDATA[ডেস্ক রির্পোট:- ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদে ১০টি সংসদীয় কমিটি গঠন করা হয়েছে। বুধবার সংসদ অধিবেশনে প্রধানমন্ত্রীর পক্ষে চিফ হুইপ মো. নুরুল ইসলাম এই কমিটি গঠনের প্রস্তাব করলে তা কণ্ঠ ভোটে সর্বসম্মতিক্রমে পাস হয়। গয়েশ্বর চন্দ্র রায়কে কৃষি মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় কমিটির সভাপতি করা হয়েছে। বেগম সেলিমা রহমানকে মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় কমিটির সভপতি [&#8230;]]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[<p>ডেস্ক রির্পোট:- ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদে ১০টি সংসদীয় কমিটি গঠন করা হয়েছে। বুধবার সংসদ অধিবেশনে প্রধানমন্ত্রীর পক্ষে চিফ হুইপ মো. নুরুল ইসলাম এই কমিটি গঠনের প্রস্তাব করলে তা কণ্ঠ ভোটে সর্বসম্মতিক্রমে পাস হয়।</p>
<p>গয়েশ্বর চন্দ্র রায়কে কৃষি মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় কমিটির সভাপতি করা হয়েছে। বেগম সেলিমা রহমানকে মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় কমিটির সভপতি করা হয়েছে। এছাড়া জাতীয় সংসদের হুইপ রকিবুল ইসলাম বকুলকে সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সভাপতি করা হয়েছে। সেলিম ভুইয়াকে শিক্ষা মন্ত্রণালয়, আবুল কালাম আজাদ সিদ্দিকীকে বেসামরিক বিমান ও পর্যটন মন্ত্রণালয়, কলিম উদ্দিন আহমেদকে ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্য প্রযুক্তি মন্ত্রণালয়, আমান উল্লাহ আমানকে তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়, হুইপ জিকে গউছকে পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়, নাসের রহমানকে ভুমি মন্ত্রণালয় এবং রফিকুল ইসলাম জামালকে ধর্ম মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সভাপতি করা হয়।</p>
]]></content:encoded>
					
					<wfw:commentRss>https://chtnews24.com/2026/09/03/%e0%a6%b8%e0%a6%82%e0%a6%b8%e0%a6%a6%e0%a7%87-%e0%a7%a7%e0%a7%a6%e0%a6%9f%e0%a6%bf-%e0%a6%b8%e0%a6%82%e0%a6%b8%e0%a6%a6%e0%a7%80%e0%a6%af%e0%a6%bc-%e0%a6%95%e0%a6%ae%e0%a6%bf%e0%a6%9f%e0%a6%bf/feed/</wfw:commentRss>
			<slash:comments>0</slash:comments>
		
		
			</item>
		<item>
		<title>বন্যা, ভূমিধসের কারণে বাংলাদেশে বিদ্যুৎ রপ্তানি বন্ধ করেছে নেপাল</title>
		<link>https://chtnews24.com/2026/09/03/%e0%a6%ac%e0%a6%a8%e0%a7%8d%e0%a6%af%e0%a6%be-%e0%a6%ad%e0%a7%82%e0%a6%ae%e0%a6%bf%e0%a6%a7%e0%a6%b8%e0%a7%87%e0%a6%b0-%e0%a6%95%e0%a6%be%e0%a6%b0%e0%a6%a3%e0%a7%87-%e0%a6%ac%e0%a6%be%e0%a6%82/</link>
					<comments>https://chtnews24.com/2026/09/03/%e0%a6%ac%e0%a6%a8%e0%a7%8d%e0%a6%af%e0%a6%be-%e0%a6%ad%e0%a7%82%e0%a6%ae%e0%a6%bf%e0%a6%a7%e0%a6%b8%e0%a7%87%e0%a6%b0-%e0%a6%95%e0%a6%be%e0%a6%b0%e0%a6%a3%e0%a7%87-%e0%a6%ac%e0%a6%be%e0%a6%82/#respond</comments>
		
		<dc:creator><![CDATA[adminchtnews24]]></dc:creator>
		<pubDate>Thu, 03 Sep 2026 03:56:01 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[Second lead]]></category>
		<category><![CDATA[জাতীয়]]></category>
		<category><![CDATA[বিশেষ প্রতিবেদন]]></category>
		<category><![CDATA[শিরোনাম]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://chtnews24.com/?p=37977</guid>

					<description><![CDATA[ডেস্ক রির্পোট:- বন্যা, ভূমিধসে শোকের সাগরে নেপাল। এখন বর্ষার সময়। এ সময় তারা বেশি পরিমাণ বিদ্যুৎ উৎপাদন করে। কিন্তু এবার প্রাকৃতিক কারণে তাদের বিদ্যুৎ উৎপাদনে বড় বিঘ্ন সৃষ্টি হয়েছে। ফলে বাংলাদেশে আপাতত বিদ্যুৎ রপ্তানি স্থগিত করেছে নেপাল। এ খবর দিয়েছে অনলাইন কাঠমান্ডু পোস্ট। এতে বলা হয়, ভারী বৃষ্টিতে এ সময় সেখানে নদীগুলো ফুলে। এসব নদীর [&#8230;]]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[<p>ডেস্ক রির্পোট:- বন্যা, ভূমিধসে শোকের সাগরে নেপাল। এখন বর্ষার সময়। এ সময় তারা বেশি পরিমাণ বিদ্যুৎ উৎপাদন করে। কিন্তু এবার প্রাকৃতিক কারণে তাদের বিদ্যুৎ উৎপাদনে বড় বিঘ্ন সৃষ্টি হয়েছে। ফলে বাংলাদেশে আপাতত বিদ্যুৎ রপ্তানি স্থগিত করেছে নেপাল। এ খবর দিয়েছে অনলাইন কাঠমান্ডু পোস্ট। এতে বলা হয়, ভারী বৃষ্টিতে এ সময় সেখানে নদীগুলো ফুলে। এসব নদীর ওপর নির্ভরশীল নদীপ্রবাহভিত্তিক জলবিদ্যুৎকেন্দ্রগুলো এ সময় বেশি বিদ্যুৎ উৎপাদন করতে পারে। ফলে নেপাল অভ্যন্তরীণ চাহিদার চেয়ে বেশি বিদ্যুৎ উৎপাদন করে প্রতিবেশী দেশগুলোর কাছে উদ্বৃত্ত বিদ্যুৎ বিক্রি করে। কিন্তু এ বছর একই নদীগুলোই বিদ্যুৎ সরবরাহে বড় ধরনের বিঘ্নের কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে।</p>
<p>২৬শে আগস্ট ভোতেকোশি নদী ব্যবস্থায় ভয়াবহ বন্যার পর বেশ কয়েকটি জলবিদ্যুৎ প্রকল্প বন্ধ হয়ে গেছে। নেপালের বিদ্যুৎ রপ্তানি উল্লেখযোগ্যভাবে কমে গেছে। সম্প্রতি ভারতের গ্রিড ব্যবহার করে নেপালের বিদ্যুৎ নেয়া শুরু করে বাংলাদেশ। কিন্তু উদ্ভূত পরিস্থিতিতে বাংলাদেশে নেপালের বিদ্যুৎ রপ্তানি কার্যত বন্ধ হয়ে গেছে।</p>
<p>বর্ষা মৌসুমে নেপাল গড়ে প্রায় ১ হাজার মেগাওয়াট বিদ্যুৎ রপ্তানি করে। এখন তা কমে প্রায় ৬৫০ মেগাওয়াটে নেমে এসেছে। বিদ্যুৎ আমদানির ওপর একসময় নির্ভর করা নেপাল এখন নিজেকে আঞ্চলিক বিদ্যুৎ রপ্তানিকারক দেশ হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করার চেষ্টা করছে। ঠিক সেই সময়েই এই বিপর্যয় ঘটল। বাংলাদেশে বিদ্যুৎ সরবরাহের জন্য অনুমোদিত দুটি জলবিদ্যুৎ প্রকল্প- ২২ দশমিক ১ মেগাওয়াটের চিলিমে জলবিদ্যুৎ প্রকল্প এবং ২৪ মেগাওয়াটের ত্রিশূলি জলবিদ্যুৎ প্রকল্প ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। গত সপ্তাহ থেকে দুটি প্রকল্পই বিদ্যুৎ উৎপাদন বন্ধ রেখেছে।</p>
<p>চিলিমে প্রকল্প থেকে ভারতে ২১ দশমিক ৪ মেগাওয়াট এবং ত্রিশূলি প্রকল্প থেকে ১৮ দশমিক ৬ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ বিক্রির অনুমোদন ছিল। একই সঙ্গে দুটি প্রকল্পকেই ভারতের মাধ্যমে বাংলাদেশে বিদ্যুৎ সরবরাহের অনুমতি দেয়া হয়েছিল। বাংলাদেশে বিক্রি করা বিদ্যুতের মূল্য নেপাল ডলারে পেয়ে থাকে। নেপাল ইলেকট্রিসিটি অথরিটির ভারপ্রাপ্ত ব্যবস্থাপনা পরিচালক দীর্ঘায়ু কুমার শ্রেষ্ঠা বলেন, বাংলাদেশে বিদ্যুৎ সরবরাহকারী দুটি প্রকল্পই ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। তাই বিকল্প হিসেবে অন্য কোনো প্রকল্পের বিদ্যুৎ পাঠানোর অনুমতি দেয়ার জন্য আমরা ভারতকে অনুরোধ করেছি। বর্তমানে বাংলাদেশে বিদ্যুৎ রপ্তানি কার্যত শূন্য।<br />
বন্যায় শুধু এই দুটি প্রকল্পই ক্ষতিগ্রস্ত হয়নি। বন্যার পর মোট ১২টি জলবিদ্যুৎ প্রকল্পে বিদ্যুৎ উৎপাদন বন্ধ হয়ে গেছে। নেপাল ইলেকট্রিসিটি অথরিটি সানজেন, আপার সানজেন ও সালাসুঙ্গি প্রকল্পকে ‘আইসোলেটেড মোডে’ রেখেছে। কারণ এসব প্রকল্পের সঞ্চালন লাইন ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। এর অর্থ হলো, বিদ্যুৎকেন্দ্রগুলো জাতীয় গ্রিডের বাইরে থেকে পরিচালিত হচ্ছে এবং আশপাশের এলাকার চাহিদা মেটানোর জন্যই কেবল বিদ্যুৎ উৎপাদন করছে।</p>
<p>তবে রপ্তানি কমে যাওয়ার একমাত্র কারণ বন্যা নয়। সাধারণত এই সময়ে নেপাল যখন ভারতে সবচেয়ে বেশি পরিমাণ বিদ্যুৎ রপ্তানি করার কথা, তখন তিনটি জলবিদ্যুৎ প্রকল্প থেকে ৭৩ দশমিক ৭৫ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ রপ্তানি করতে পারছে না দেশটি। কারণ এসব প্রকল্পের বিদ্যুৎ রপ্তানির অনুমোদন ভারত এখনো নবায়ন করেনি। ৩৮ দশমিক ৮ মেগাওয়াটের আপার চামেলিয়া জলবিদ্যুৎ প্রকল্পের রপ্তানি অনুমোদনের মেয়াদ ৩১শে জুন শেষ হয়েছে। এখনো তা নবায়ন করা হয়নি। একইভাবে ২৪ দশমিক ২৫ মেগাওয়াটের সেটি রিভার এবং ১০ দশমিক ৭০ মেগাওয়াটের আপার তাদি খোলা প্রকল্পের অনুমোদনের মেয়াদ ৩১শে জুলাই শেষ হয়েছে। অনুমোদন নবায়ন না হওয়া পর্যন্ত নেপাল ইলেকট্রিসিটি অথরিটি এসব প্রকল্পের মোট ৭৩ দশমিক ৭৫ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ ভারতে বিক্রি করতে পারবে না। প্রতিবছর এসব অনুমোদন নবায়ন করতে হয়।</p>
<p>বিদ্যুৎ আমদানি ও রপ্তানির অনুমোদন দেয়ার দায়িত্বপ্রাপ্ত সংস্থা হলো ভারতের সেন্ট্রাল ইলেকট্রিসিটি অথরিটি। কোনো নির্দিষ্ট প্রকল্পের বিদ্যুৎ রপ্তানি করতে হলে নেপালকে আগে এই অনুমোদন নিতে বা নবায়ন করতে হয়। নেপাল বিদ্যুৎ বাণিজ্য সম্প্রসারণের চেষ্টা করলেও এই পরিস্থিতি দেশটির সামনে থাকা সীমাবদ্ধতাগুলোই তুলে ধরছে। এ পর্যন্ত নেপালের ৩৭টি জলবিদ্যুৎ প্রকল্প থেকে বিদ্যুৎ রপ্তানির অনুমোদন দিয়েছে ভারত। এসব প্রকল্পের সম্মিলিত উৎপাদনক্ষমতা প্রায় ১ হাজার ২০০ মেগাওয়াট। চিলিমে ও ত্রিশূলি এসব প্রকল্পের অন্তর্ভুক্ত। নেপাল ইন্ডিয়ান এনার্জি এক্সচেঞ্জের ডে-অ্যাহেড ও রিয়েল-টাইম বাজারের মাধ্যমে ভারতে উদ্বৃত্ত বিদ্যুৎ বিক্রি করে। এ ছাড়া ভারতের হরিয়ানা ও বিহার রাজ্যের সঙ্গে মধ্যমেয়াদি দ্বিপক্ষীয় বিদ্যুৎ বিক্রয় চুক্তির মাধ্যমেও বিদ্যুৎ রপ্তানি করে দেশটি।</p>
<p>দুই দেশের মধ্যে বিদ্যুৎ বাণিজ্যের জন্য কয়েকটি সঞ্চালন সংযোগ রয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে ৪০০ কেভি ধলকেবার-মুজাফফরপুর লাইন এবং ১৩২ কেভি তানাকপুর-মহেন্দ্রনগর, কাটাইয়া-কুশাহা, রক্সৌল-পারওয়ানিপুর, গান্দাক-রামনগর ও মাইনাহিয়া-সম্পাতিয়া লাইন। বাংলাদেশের বাজারে বিদ্যুৎ রপ্তানির ক্ষেত্রে আরও একটি জটিলতা রয়েছে। ২০২৫ সালের নভেম্বরে ঢাকায় অনুষ্ঠিত নেপাল-বাংলাদেশ জ্বালানি সচিব পর্যায়ের জয়েন্ট স্টিয়ারিং কমিটির বৈঠকে দুই দেশ বিদ্যমান ৪০ মেগাওয়াটের বিদ্যুৎ সরবরাহ ব্যবস্থার আওতায় বাংলাদেশে নেপালের বিদ্যুৎ রপ্তানি আরও ২০ মেগাওয়াট বাড়ানোর বিষয়ে সম্মত হয়। এ জন্য প্রয়োজনীয় প্রক্রিয়া শুরুর বিষয়েও দুই দেশ একমত হয়। কিন্তু পরে ভারত জানায়, সঞ্চালন সক্ষমতার ঘাটতির কারণে অতিরিক্ত ২০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ বাংলাদেশে পাঠানো সম্ভব নয়।South Asians &amp; Diaspora</p>
<p>জুনে অনুষ্ঠিত নেপাল-ভারত জ্বালানি সচিব পর্যায়ের জয়েন্ট স্টিয়ারিং কমিটির বৈঠকে নেপাল আবারও অতিরিক্ত ২০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ রপ্তানির অনুমোদন দিতে ভারতকে অনুরোধ করে। নেপাল ইলেকট্রিসিটি অথরিটি আরও কয়েকটি প্রকল্প থেকে বিদ্যুৎ রপ্তানির অনুমোদন চেয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে ৪৫৬ মেগাওয়াটের আপার তামাকোশি জলবিদ্যুৎ প্রকল্প। কিন্তু যেসব প্রকল্পে চীনা বিনিয়োগ, চীনা ঠিকাদার কিংবা কোনো কোনো ক্ষেত্রে চীনা সরঞ্জাম ব্যবহার করা হয়েছে, সেগুলোর বিদ্যুৎ রপ্তানির অনুমোদন দিতে ভারত এখনো রাজি হয়নি। আপার তামাকোশি এর একটি উল্লেখযোগ্য উদাহরণ। এই প্রকল্পের জলবিদ্যুৎ-যান্ত্রিক, তড়িৎ-যান্ত্রিক এবং সঞ্চালন লাইনের কাজের চুক্তি পেয়েছিল ভারতীয় কোম্পানিগুলো। তবে প্রকল্পের সিভিল বা অবকাঠামোগত নির্মাণকাজ করেছে একটি চীনা কোম্পানি। এ কারণে ভারত এখনো প্রকল্পটির বিদ্যুৎ রপ্তানির অনুমোদন দেয়নি।</p>
<p>নেপাল দ্বিপক্ষীয় জ্বালানি বৈঠকগুলোতে বারবার বিষয়টি উত্থাপন করেছে। আনুষ্ঠানিকভাবে এই বিধিনিষেধ এমন প্রকল্পের বিদ্যুতের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য, যেসব প্রকল্পে ভারতের সঙ্গে স্থলসীমান্ত রয়েছে এমন তৃতীয় কোনো দেশের বিনিয়োগ রয়েছে, কিন্তু ভারতের সঙ্গে ওই দেশের বিদ্যুৎ খাতে দ্বিপক্ষীয় সহযোগিতা চুক্তি নেই। তবে নেপালের কর্মকর্তা ও জ্বালানি খাতের সংশ্লিষ্টরা বলছেন, বাস্তবে চীনা ঠিকাদার বা চীনা সরঞ্জাম ব্যবহৃত প্রকল্পগুলোর বিদ্যুৎ রপ্তানির অনুমোদন দিতেও ভারত অনীহা দেখাচ্ছে। এমনকি সেসব প্রকল্পে চীনা বিনিয়োগ না থাকলেও একই কথা বলা হচ্ছে। তাদের মতে, নেপালের বিদ্যুৎ রপ্তানি বাড়াতে হলে কূটনৈতিক তৎপরতা প্রয়োজন হবে।</p>
<p>সাবেক জ্বালানিমন্ত্রী কুলমান ঘিসিং বলেন, বিদ্যুৎ রপ্তানির অনুমোদন নবায়ন বা নতুন অনুমোদন পাওয়ার জন্য বিভিন্ন পর্যায়ে আলোচনা করতে হয়। কখনো কর্মকর্তাদের সঙ্গে, কখনো নির্বাহী পরিচালকের সঙ্গে এবং কখনো পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় ও দূতাবাসের মাধ্যমে আলোচনা করতে হয়। পরিস্থিতি অনুযায়ী আমাদের আলোচনা করতে হবে এবং বিদ্যুৎ বাণিজ্যের অনুমোদন নিশ্চিত ও নবায়নের ওপর গুরুত্ব দিতে হবে। ঘিসিং বলেন, তিনি ভারতের কাছে প্রতি ইউনিট ৫ দশমিক ৪৫ ভারতীয় রুপি দরে ৬৫০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ বিক্রির বিষয়ে একটি চুক্তি করেছিলেন। কিন্তু এরপর থেকে নেপাল সেই পরিমাণ আর বাড়াতে পারেনি।<br />
নেপাল ২০২১ সালে বিদ্যুৎ রপ্তানি শুরু করার পর এই বর্তমান সংকট দেখা দিল। এটি এমন একটি দেশের জন্য বড় পরিবর্তনের প্রতীক, যে দেশটি এর আগে বিদ্যুতের জন্য ব্যাপকভাবে আমদানির ওপর নির্ভরশীল ছিল। ২০২৫-২৬ অর্থবছরে নেপাল ভারত ও বাংলাদেশে ২৯ দশমিক ৩২ বিলিয়ন নেপালি রুপি মূল্যের বিদ্যুৎ রপ্তানি করেছে।</p>
<p>একই সময়ে শুষ্ক মৌসুমে ভারত থেকে ১০ দশমিক ২৩ বিলিয়ন রুপির বিদ্যুৎ আমদানি করেছে দেশটি। ফলে বিদ্যুৎ বাণিজ্যে নেপালের নিট উদ্বৃত্ত ছিল ১৯ দশমিক ০৯ বিলিয়ন রুপি। এই বিদ্যুৎ বাণিজ্য ব্যবস্থা মূলত নেপালের মৌসুমি নদীগুলোর ওপর নির্ভরশীল। বর্ষাকালে প্রচুর পানির কারণে জলবিদ্যুৎকেন্দ্রগুলো অতিরিক্ত বিদ্যুৎ উৎপাদন করতে পারে, যা রপ্তানি করা সম্ভব হয়। অন্যদিকে শুষ্ক মৌসুমে নদীর পানিপ্রবাহ কমে যায় এবং দেশের অভ্যন্তরীণ বিদ্যুতের চাহিদা বেশি থাকে। তখন নেপালকে ভারত থেকে বিদ্যুৎ আমদানি করতে হয়। ভোতেকোশি নদীর বন্যা ঠিক এমন এক সময়ে এই ব্যবস্থাকে ব্যাহত করেছে, যখন নেপালের বিদ্যুৎ রপ্তানি থেকে সর্বোচ্চ আয় করার কথা ছিল।</p>
<p>এখন নেপাল ইলেকট্রিসিটি অথরিটি ক্ষতিগ্রস্ত বিদ্যুৎ উৎপাদন ও সঞ্চালন অবকাঠামো পুনরুদ্ধারের চেষ্টা করছে। একই সঙ্গে অন্য সচল প্রকল্প থেকে বিদ্যুৎ বাংলাদেশে পাঠানোর জন্য ভারতের অনুমোদন পাওয়ার চেষ্টাও চালিয়ে যাচ্ছে।</p>
]]></content:encoded>
					
					<wfw:commentRss>https://chtnews24.com/2026/09/03/%e0%a6%ac%e0%a6%a8%e0%a7%8d%e0%a6%af%e0%a6%be-%e0%a6%ad%e0%a7%82%e0%a6%ae%e0%a6%bf%e0%a6%a7%e0%a6%b8%e0%a7%87%e0%a6%b0-%e0%a6%95%e0%a6%be%e0%a6%b0%e0%a6%a3%e0%a7%87-%e0%a6%ac%e0%a6%be%e0%a6%82/feed/</wfw:commentRss>
			<slash:comments>0</slash:comments>
		
		
			</item>
		<item>
		<title>ন্যায়বিচার, সমতা ও মানবাধিকারই টেকসই শান্তির সংস্কৃতি গড়ার ভিত্তি&#8211; জাতিসংঘে আইরিন খান</title>
		<link>https://chtnews24.com/2026/09/03/%e0%a6%a8%e0%a7%8d%e0%a6%af%e0%a6%be%e0%a6%af%e0%a6%bc%e0%a6%ac%e0%a6%bf%e0%a6%9a%e0%a6%be%e0%a6%b0-%e0%a6%b8%e0%a6%ae%e0%a6%a4%e0%a6%be-%e0%a6%93-%e0%a6%ae%e0%a6%be%e0%a6%a8%e0%a6%ac%e0%a6%be/</link>
					<comments>https://chtnews24.com/2026/09/03/%e0%a6%a8%e0%a7%8d%e0%a6%af%e0%a6%be%e0%a6%af%e0%a6%bc%e0%a6%ac%e0%a6%bf%e0%a6%9a%e0%a6%be%e0%a6%b0-%e0%a6%b8%e0%a6%ae%e0%a6%a4%e0%a6%be-%e0%a6%93-%e0%a6%ae%e0%a6%be%e0%a6%a8%e0%a6%ac%e0%a6%be/#respond</comments>
		
		<dc:creator><![CDATA[adminchtnews24]]></dc:creator>
		<pubDate>Thu, 03 Sep 2026 03:52:39 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[Second lead]]></category>
		<category><![CDATA[জাতীয়]]></category>
		<category><![CDATA[শিরোনাম]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://chtnews24.com/?p=37974</guid>

					<description><![CDATA[ডেস্ক রির্পোট:- সমাজে ন্যায়বিচার, সমতা, মানবাধিকার ও অন্তর্ভুক্তিমূলক অংশগ্রহণ নিশ্চিত হলেই কেবল টেকসই শান্তির সংস্কৃতি গড়ে তোলা সম্ভব বলে মন্তব্য করেছেন জাতিসংঘে বাংলাদেশের স্থায়ী প্রতিনিধি রাষ্ট্রদূত আইরিন জুবাইদা খান। একইসঙ্গে শান্তি বিনির্মাণে নারীর নেতৃত্ব এগিয়ে নিতে বৈশ্বিক প্রচেষ্টা আরও জোরদারের আহ্বান জানিয়েছেন তিনি। স্থানীয় সময় বুধবার জাতিসংঘ সদর দপ্তরে অনুষ্ঠিত শান্তির সংস্কৃতিবিষয়ক কর্মসূচির উচ্চপর্যায়ের ফোরামে [&#8230;]]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[<p>ডেস্ক রির্পোট:- সমাজে ন্যায়বিচার, সমতা, মানবাধিকার ও অন্তর্ভুক্তিমূলক অংশগ্রহণ নিশ্চিত হলেই কেবল টেকসই শান্তির সংস্কৃতি গড়ে তোলা সম্ভব বলে মন্তব্য করেছেন জাতিসংঘে বাংলাদেশের স্থায়ী প্রতিনিধি রাষ্ট্রদূত আইরিন জুবাইদা খান। একইসঙ্গে শান্তি বিনির্মাণে নারীর নেতৃত্ব এগিয়ে নিতে বৈশ্বিক প্রচেষ্টা আরও জোরদারের আহ্বান জানিয়েছেন তিনি।</p>
<p>স্থানীয় সময় বুধবার জাতিসংঘ সদর দপ্তরে অনুষ্ঠিত শান্তির সংস্কৃতিবিষয়ক কর্মসূচির উচ্চপর্যায়ের ফোরামে বক্তব্যে রাষ্ট্রদূত খান নারীর নেতৃত্ব জোরদারে তিনটি অগ্রাধিকারের কথা তুলে ধরেন। তিনি শান্তি প্রক্রিয়ার প্রতিটি পর্যায়ে নারীর পূর্ণ, সমান ও অর্থবহ অংশগ্রহণ নিশ্চিত করা; কিশোরী ও তরুণ নারীদের নেতৃত্ব বিকাশে, বিশেষ করে ডিজিটাল প্রযুক্তিতে প্রবেশাধিকার ও ডিজিটাল সাক্ষরতা বাড়াতে বিনিয়োগ এবং সংঘাত প্রতিরোধ, মানবিক সহায়তা, কমিউনিটির সহনশীলতা, সামাজিক সংহতি ও শান্তি বিনির্মাণে নারী-নেতৃত্বাধীন সংগঠনগুলোকে টেকসই ও লক্ষ্যভিত্তিক সহায়তা দেয়ার ওপর গুরুত্বারোপ করেন।</p>
<p>রাষ্ট্রদূত খান বলেন, ‘নারী, শান্তি ও নিরাপত্তা’ এজেন্ডা থাকা সত্ত্বেও শান্তি প্রক্রিয়ায় নারীর প্রতিনিধিত্ব এখনো পর্যাপ্ত নয়। এমনকি তাদের জীবন ও ভবিষ্যৎ-সংশ্লিষ্ট গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত গ্রহণেও নারীরা প্রায়ই উপেক্ষিত থাকেন।</p>
<p>তিনি শান্তির সংস্কৃতি গড়ে তুলতে নারীর নেতৃত্ব জোরদারে বাংলাদেশের দৃঢ় অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করেন। এ সময় জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা কার্যক্রমে বাংলাদেশি নারী শান্তিরক্ষীদের অবদানের পাশাপাশি তৃণমূলসহ দেশের নাগরিক সমাজে মানবাধিকার ও টেকসই উন্নয়ন এগিয়ে নিতে নারী নেতৃত্বের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকার কথাও তুলে ধরেন।</p>
]]></content:encoded>
					
					<wfw:commentRss>https://chtnews24.com/2026/09/03/%e0%a6%a8%e0%a7%8d%e0%a6%af%e0%a6%be%e0%a6%af%e0%a6%bc%e0%a6%ac%e0%a6%bf%e0%a6%9a%e0%a6%be%e0%a6%b0-%e0%a6%b8%e0%a6%ae%e0%a6%a4%e0%a6%be-%e0%a6%93-%e0%a6%ae%e0%a6%be%e0%a6%a8%e0%a6%ac%e0%a6%be/feed/</wfw:commentRss>
			<slash:comments>0</slash:comments>
		
		
			</item>
		<item>
		<title>প্রেসিডেন্টের সঙ্গে মার্কিন রাষ্ট্রদূতের সাক্ষাৎ,যুক্তরাষ্ট্র ভ্রমণে ভিসা বন্ড ব্যবস্থা আরো সহজ করার আহ্বান</title>
		<link>https://chtnews24.com/2026/09/02/%e0%a6%aa%e0%a7%8d%e0%a6%b0%e0%a7%87%e0%a6%b8%e0%a6%bf%e0%a6%a1%e0%a7%87%e0%a6%a8%e0%a7%8d%e0%a6%9f%e0%a7%87%e0%a6%b0-%e0%a6%b8%e0%a6%99%e0%a7%8d%e0%a6%97%e0%a7%87-%e0%a6%ae%e0%a6%be%e0%a6%b0%e0%a7%8d/</link>
					<comments>https://chtnews24.com/2026/09/02/%e0%a6%aa%e0%a7%8d%e0%a6%b0%e0%a7%87%e0%a6%b8%e0%a6%bf%e0%a6%a1%e0%a7%87%e0%a6%a8%e0%a7%8d%e0%a6%9f%e0%a7%87%e0%a6%b0-%e0%a6%b8%e0%a6%99%e0%a7%8d%e0%a6%97%e0%a7%87-%e0%a6%ae%e0%a6%be%e0%a6%b0%e0%a7%8d/#respond</comments>
		
		<dc:creator><![CDATA[adminchtnews24]]></dc:creator>
		<pubDate>Wed, 02 Sep 2026 11:40:13 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[Second lead]]></category>
		<category><![CDATA[জাতীয়]]></category>
		<category><![CDATA[শিরোনাম]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://chtnews24.com/?p=37957</guid>

					<description><![CDATA[ডেস্ক রির্পোট:- বাংলাদেশের ব্যবসায়ী ও প্রকৃত পর্যটকদের যুক্তরাষ্ট্র ভ্রমণের ক্ষেত্রে বর্তমানে চালু ‘ভিসা বন্ড’ব্যবস্থা পর্যালোচনা ও সহজ করতে দেশটির প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন প্রেসিডেন্ট মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। বুধবার বঙ্গভবনে প্রেসিডেন্টের সঙ্গে মার্কিন রাষ্ট্রদূত ব্রেন্ট টি ক্রিস্টেনসেনের সৌজন্য সাক্ষাতে তিনি এ আহ্বান জানান বলে জানিয়েছে প্রেস উইং। সাক্ষাতে প্রেসিডেন্ট বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইন্সটিটিউট এবং বাংলাদেশ কৃষি [&#8230;]]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[<p>ডেস্ক রির্পোট:- বাংলাদেশের ব্যবসায়ী ও প্রকৃত পর্যটকদের যুক্তরাষ্ট্র ভ্রমণের ক্ষেত্রে বর্তমানে চালু ‘ভিসা বন্ড’ব্যবস্থা পর্যালোচনা ও সহজ করতে দেশটির প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন প্রেসিডেন্ট মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।<br />
বুধবার বঙ্গভবনে প্রেসিডেন্টের সঙ্গে মার্কিন রাষ্ট্রদূত ব্রেন্ট টি ক্রিস্টেনসেনের সৌজন্য সাক্ষাতে তিনি এ আহ্বান জানান বলে জানিয়েছে প্রেস উইং।</p>
<p>সাক্ষাতে প্রেসিডেন্ট বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইন্সটিটিউট এবং বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা ইন্সটিটিউটসহ দেশের কৃষি খাতের উন্নয়নে অতীতে যুক্তরাষ্ট্রের বিনিয়োগ ও সহযোগিতার কথা স্মরণ করে এ খাতে মার্কিন অধিকতর বিনিয়োগ ও সহযোগিতা আরো বৃদ্ধির আহ্বান জানান।</p>
<p>এসময় প্রেসিডেন্ট দেশের জ্বালানি খাতের উন্নয়নে মার্কিন প্রতিষ্ঠান শেভরন-এর বিনিয়োগ ও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকার কথাও উল্লেখ করেন এবং বাংলাদেশের জ্বালানি খাতে মার্কিন বিনিয়োগ বৃদ্ধির অনুরোধ করেন। তিনি বলেন, বাংলাদেশে তথ্যপ্রযুক্তি, অবকাঠামো, স্বাস্থ্য, ও উচ্চপ্রযুক্তিনির্ভর শিল্পসহ বিভিন্ন খাতের ব্যাপক সম্ভাবনা রয়েছে। এসময় বিভিন্ন খাতে প্রযুক্তি ও দক্ষতা হস্তান্তরের ওপর গুরুত্বারোপ করেন প্রেসিডেন্ট।</p>
<p>তিনি রোহিঙ্গাদের নিজ দেশে নিরাপদ, মর্যাদাপূর্ণ ও টেকসই প্রত্যাবাসন নিশ্চিত করতে যুক্তরাষ্ট্রের অব্যাহত সহযোগিতা কামনা করেন। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের দূত সহযোগিতা অব্যাহত রাখার আশ্বাস দেন এবং আসিয়ান দেশসমূহের সহযোগিতা জোরদারে গুরুত্বারোপ করেন।<br />
সাক্ষাতে মার্কিন রাষ্ট্রদূত প্রেসিডেন্ট হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণের জন্য মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরকে আন্তরিক অভিনন্দন ও শুভেচ্ছা জানান।</p>
<p>প্রেসিডেন্ট মার্কিন রাষ্ট্রদূতকে ধন্যবাদ জানিয়ে বলেন, যুক্তরাষ্ট্র বাংলাদেশের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ উন্নয়ন ও বাণিজ্য অংশীদার। যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে বিদ্যমান বাণিজ্যিক সম্পর্ক বাংলাদেশের অর্থনৈতিক উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে। এ সময় বাংলাদেশ সকল দেশের সঙ্গে বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক এবং দ্বিপাক্ষিক ও বহুপাক্ষিক সহযোগিতা সম্প্রসারণে বিশ্বাসী উল্লেখ করে প্রেসিডেন্ট বলেন, আন্তর্জাতিক সম্পর্কের ক্ষেত্রে স্বাধীনতা, সার্বভৌমত্ব, জাতীয় স্বার্থ, পারস্পরিক সম্মান ও সমতার নীতিকে সর্বাগ্রে গুরুত্ব দেয় বাংলাদেশ। আগামীতে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক পারস্পরিক শ্রদ্ধা ও অভিন্ন স্বার্থ সুরক্ষার মাধ্যমে আরও সম্প্রসারিত হবে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন।</p>
<p>সাক্ষাতে বাংলাদেশ ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে সম্পাদিত পারস্পরিক বাণিজ্য চুক্তি’র (Agreement on Reciprocal Trade) প্রসঙ্গ উল্লেখ করে প্রেসিডেন্ট বলেন, দুই দেশের বাণিজ্যিক সম্পর্ক সম্প্রসারণের ক্ষেত্রে এটি একটি গুরুত্বপূর্ণ অগ্রগতি। তবে উভয় দেশের অর্থনৈতিক বাস্তবতা ও স্বার্থ বিবেচনায় নিয়ে এ চুক্তিকে আরও ভারসাম্যপূর্ণ ও পারস্পরিকভাবে লাভজনক করার সুযোগ রয়েছে, রাষ্ট্রপতি বলেন।<br />
এসময় মার্কিন রাষ্ট্রদূত বাংলাদেশের সঙ্গে সম্পর্ক আরও গভীর ও বহুমাত্রিক করতে তাঁর দেশের আগ্রহের কথা পুনর্ব্যক্ত করেন।<br />
সাক্ষাতে প্রেসিডেন্টোর সচিবগণ ও ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।</p>
]]></content:encoded>
					
					<wfw:commentRss>https://chtnews24.com/2026/09/02/%e0%a6%aa%e0%a7%8d%e0%a6%b0%e0%a7%87%e0%a6%b8%e0%a6%bf%e0%a6%a1%e0%a7%87%e0%a6%a8%e0%a7%8d%e0%a6%9f%e0%a7%87%e0%a6%b0-%e0%a6%b8%e0%a6%99%e0%a7%8d%e0%a6%97%e0%a7%87-%e0%a6%ae%e0%a6%be%e0%a6%b0%e0%a7%8d/feed/</wfw:commentRss>
			<slash:comments>0</slash:comments>
		
		
			</item>
		<item>
		<title>হিন্দুস্তান টাইমসকে যা জানালেন হাসিনা</title>
		<link>https://chtnews24.com/2026/09/02/%e0%a6%b9%e0%a6%bf%e0%a6%a8%e0%a7%8d%e0%a6%a6%e0%a7%81%e0%a6%b8%e0%a7%8d%e0%a6%a4%e0%a6%be%e0%a6%a8-%e0%a6%9f%e0%a6%be%e0%a6%87%e0%a6%ae%e0%a6%b8%e0%a6%95%e0%a7%87-%e0%a6%af%e0%a6%be-%e0%a6%9c/</link>
					<comments>https://chtnews24.com/2026/09/02/%e0%a6%b9%e0%a6%bf%e0%a6%a8%e0%a7%8d%e0%a6%a6%e0%a7%81%e0%a6%b8%e0%a7%8d%e0%a6%a4%e0%a6%be%e0%a6%a8-%e0%a6%9f%e0%a6%be%e0%a6%87%e0%a6%ae%e0%a6%b8%e0%a6%95%e0%a7%87-%e0%a6%af%e0%a6%be-%e0%a6%9c/#respond</comments>
		
		<dc:creator><![CDATA[adminchtnews24]]></dc:creator>
		<pubDate>Wed, 02 Sep 2026 11:37:39 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[Second lead]]></category>
		<category><![CDATA[জাতীয়]]></category>
		<category><![CDATA[রাজনীতি]]></category>
		<category><![CDATA[শিরোনাম]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://chtnews24.com/?p=37954</guid>

					<description><![CDATA[ডেস্ক রির্পোট:- দেশে ফেরা নিয়ে ভারত বা বাংলাদেশ সরকারের সঙ্গে গোপন সমঝোতার বিষয় অস্বীকার করেছেন সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। তিনি বলেছেন, একটি স্থিতিশীল, গণতান্ত্রিক, ধর্মনিরপেক্ষ ও উন্নত দেশ শুধু বাংলাদেশের জন্যই গুরুত্বপূর্ণ এমন নয়। একই সঙ্গে তা ভারতের নিরাপত্তার জন্যও গুরুত্বপূর্ণ। তিনি বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সম্ভাব্য নয়াদিল্লি সফর ইস্যুর সঙ্গে হাসিনার প্রত্যর্পণের দাবিকে যুক্ত [&#8230;]]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[<p>ডেস্ক রির্পোট:- দেশে ফেরা নিয়ে ভারত বা বাংলাদেশ সরকারের সঙ্গে গোপন সমঝোতার বিষয় অস্বীকার করেছেন সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। তিনি বলেছেন, একটি স্থিতিশীল, গণতান্ত্রিক, ধর্মনিরপেক্ষ ও উন্নত দেশ শুধু বাংলাদেশের জন্যই গুরুত্বপূর্ণ এমন নয়। একই সঙ্গে তা ভারতের নিরাপত্তার জন্যও গুরুত্বপূর্ণ। তিনি বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সম্ভাব্য নয়াদিল্লি সফর ইস্যুর সঙ্গে হাসিনার প্রত্যর্পণের দাবিকে যুক্ত করা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন। হিন্দুস্তান টাইমসকে দেয়া টেলিফোন সাক্ষাৎকারে শেখ হাসিনা বলেন, ডিসেম্বরে দেশে ফেরার সিদ্ধান্ত একান্তই তার। অজ্ঞাত স্থান থেকে দেয়া ওই সাক্ষাৎকারটি এখানে প্রশ্নোত্তর আকারে তুলে ধরা হলো-</p>
<p>প্রশ্ন: আপনি কি (দেশে) ফেরার টাইমফ্রেম চূড়ান্ত করেছেন? আওয়ামী লীগের যেসব নেতা স্বেচ্ছা নির্বাসনে আছেন, আপনি কি তাদেরকে সঙ্গে নিয়ে ফেরার পরিকল্পনা করছেন? আপনার সংবাদ সম্মেলনে কেন বলেছেন দেশে ফিরলে আপনাকে হত্যা বা গ্রেপ্তার করা হতে পারে?</p>
<p>উত্তর: আমি বলেছি ডিসেম্বরের মধ্যে দেশে ফিরবো। কারণ, বাংলাদেশের রাজনৈতিক সংকটকে অনির্দিষ্টকাল পর্যন্ত চলতে দেয়া যায় না। যথাযথ সময়ে আমি এ বিষয়ে সুনির্দিষ্ট তারিখ, সময় এবং কোন পয়েন্ট দিয়ে প্রবেশ করবো তা জানিয়ে দেবো। আমি দেশে ফিরতে চাই। কারণ, বাংলাদেশকে উন্নয়ন, গণতন্ত্র ও স্থিতিশীলতার পথ থেকে দূরে সরিয়ে দেয়া হয়েছে। আমার সরকারের সময়ে বাংলাদেশের অর্থনীতি প্রায় ৭০ বিলিয়ন ডলার থেকে বৃদ্ধি পেয়ে দাঁড়িয়েছিল প্রায় ৪৫০ বিলিয়ন ডলারে। মাথাপিছু আয় ৪৮২ ডলার থেকে বৃদ্ধি পেয়ে হয়েছিল ২৭৮৪ ডলার। এই অগ্রগতিকে এখন ধ্বংস করে দেয়া হচ্ছে। আওয়ামী লীগের সময়ে জিডিপির প্রবৃদ্ধি ছিল শতকরা ৬.৮০ ভাগ। তা থেকে কমে এখন জিডিপি দাঁড়িয়েছে ২.২২ ভাগ। ৫৪ বছরের মধ্যে প্রথমবার শিল্পখাত ঋণাত্মক প্রবৃদ্ধিতে রেকর্ড করেছে। দারিদ্র্য দ্রুত বৃদ্ধি পেয়েছে। বিনিয়োগ কমেছে। নতুন করে কমপক্ষে দুই কোটি মানুষ বেকার হয়েছে। বিদ্যুৎ ও গ্যাস সংকট আবার ফিরেছে। এটা শুধু আওয়ামী লীগের ইস্যু নয়। এটি একটি জাতীয় সংকট। যখন উন্নয়ন থেমে যায়, তখন কর্মসংস্থান হারায়। যখন আইন ভেঙে পড়ে, তখন জনগণ নিরাপত্তা হারায়। যখন উগ্রপন্থি নেটওয়ার্ক আবার সুযোগ পায়, তখন বাংলাদেশ আঞ্চলিক উদ্বেগের কারণ হয়ে ওঠে।</p>
<p>আওয়ামী লীগের বহু নেতা দেশের বাইরে। অন্য অনেকে বাংলাদেশের ভিতরেই আছেন। কিন্তু তারা আত্মগোপন করে থাকতে বাধ্য হচ্ছেন। কে কখন ফিরবেন তা দলীয় পরামর্শের মাধ্যমে এবং নিরাপত্তা পরিস্থিতি মূল্যায়নের পর সিদ্ধান্ত নেয়া হবে। আমি চাই না কোনো নেতা, কোনো কর্মী বা সমর্থক অপ্রয়োজনে বিপদের মুখে পড়ুক। আমার বিরুদ্ধে কমপক্ষে ৬০০টি বানোয়াট মামলা হয়েছে। আমার জীবন নিয়ে হুমকি নতুন নয়। ১৯৭৫ সালে আমার পরিবারকে হারিয়েছি। তারপর বাংলাদেশে ফিরে আমি সামরিক শাসন, স্বৈরাচার, ষড়যন্ত্র এবং বার বার হত্যাচেষ্টার মুখোমুখি হয়েছি। আমাকে হত্যা করার উদ্দেশ্যে ঢাকায় আমার পাবলিক র‌্যালিতে ২০০৪ সালের ২১শে আগস্ট গ্রেনেড ছোড়া হয়েছিল। সেখানে কমপক্ষে ২৪ জন নিহত ও কমপক্ষে ৩০০ মানুষ আহত হন। আমি বেঁচে যাই। কিন্তু আমার সহকর্মীদের অনেকে বাঁচতে পারেননি। তারপরও ওই হামলা আমাকে থামাতে পারেনি। এখন হুমকি আমাকে আমার দায়িত্ব পালন থেকে বিরত রাখতে পারবে না। আমার নিজের ভবিষ্যত নিয়ে উদ্বিগ্ন নই। ক্ষমতার জন্য আমি ফিরবো না। জনগণের পাশে দাঁড়ানোর জন্য ফিরবো।</p>
<p>প্রশ্ন: আপনি কি দেশে ফেরা এবং আওয়ামী লীগের পুনরুত্থানের প্রস্তুতি শুরু করেছেন?</p>
<p>উত্তর: বাংলাদেশের রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যে আওয়ামী লীগ একমাত্র দল, যা সৃষ্টি হয়েছে ১৯৪৭ সালে। সৃষ্টির সময় থেকেই এ দল দেশের জন্য কাজ করেছে। আমার পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান এই দলকে নিয়ে দেশ স্বাধীন করেছেন। বাংলাদেশের মানুষ এবং উন্নয়নের জন্য সবচেয়ে বেশি কাজ করেছে আওয়ামী লীগ। মানুষকে গরিব থেকে ব্যবসায়ী ও বেতনভোগী শ্রেণিতে পরিণত করেছে আওয়ামী লীগ। বেতনভুক্ত শ্রেণি, প্রশাসন, আইন প্রয়োগকারী সংস্থাগুলো ও প্রতিষ্ঠানের উন্নয়ন করেছে। আমরা স্বল্প উন্নত একটি দেশ থেকে বাংলাদেশকে উন্নয়নশীল দেশ হিসেবে উন্নীত করেছিলাম প্রায়। কিন্তু এখন তারা (সরকার) সবকিছু শেষ করে দিয়েছে। আওয়ামী লীগ এমন একটি রাজনৈতিক সংগঠন, যার উত্থান হয়েছে সাধারণ জনগণ থেকে। অসাংবিধানিক বা অবৈধভাবে ক্ষমতালোভী ব্যক্তিরা এর উত্থান ঘটাননি। সামরিক স্বৈরাচার বাংলাদেশে ক্ষমতা গ্রাস করেছিল। তারা সামরিক শাসন জারি করেছে। গঠন করেছে রাজনৈতিক দল। মুহাম্মদ ইউনূসও অসাংবিধানিক সরকার গঠন করেছিলেন এবং একটি দল সৃষ্টি করেছেন।<br />
আওয়ামী লীগকে কেন নিষিদ্ধ করা হলো? আওয়ামী লীগ যদি অনেক খারাপ কাজ করে থাকে, তাহলে জনগণকে সিদ্ধান্ত নিতে দিন। আমরা ভালো হই বা খারাপ হই, নির্বাচনে আমরা জনগণের কাছে যাব এবং তারাই সিদ্ধান্ত নেবে। আমরা যদি খারাপ কাজ করে থাকি, জনগণ আমাদের প্রত্যাখ্যান করবে। যারা ক্ষমতা দখল করেছে, তাদের কী অধিকার আছে আমাদের দলকে নিষিদ্ধ করার? তৃণমূল থেকে শুরু করে শীর্ষ পর্যায় পর্যন্ত আওয়ামী লীগের অসংখ্য নেতা-কর্মীকে মামলায় জড়িয়ে ফেলা হয়েছে। তাদের বিরুদ্ধে ছয় লাখ মামলা দায়ের করা হয়েছে। এ নিয়ে কি কারও কথা বলা উচিত নয়? ২০২৪ সালের ১৫ জুলাই থেকে যারা অগ্নিসংযোগ, হামলা ও হত্যাকাণ্ডে জড়িত ছিল, যারা পুলিশ সদস্য এবং দীপু দাসের মতো মানুষকে হত্যা করেছে- তাদের দায়মুক্তি দেয়া হয়েছে এবং তাদের বিরুদ্ধে মামলা করা হবে না। বাংলাদেশে সন্ত্রাসী ও উগ্রবাদীদের অবাধে কাজ করার সুযোগ দেয়া হচ্ছে। একটি প্রতিষ্ঠান হিসেবে আওয়ামী লীগ আছে এবং থাকবে। তারা আওয়ামী লীগের বিরুদ্ধে নিষেধাজ্ঞা দিতে পারে বা অন্য যেকোনো পদক্ষেপ নিতে পারে, কিন্তু আওয়ামী লীগের জনসমর্থন ও প্রতিষ্ঠান হিসেবে দলটি টিকে থাকবে। আমি নিয়মিত আমাদের নেতা-কর্মীদের সঙ্গে কথা বলি এবং তাদের সঙ্গে যোগাযোগ রাখি। যদিও এক কোটি নেতা-কর্মী গৃহহীন হয়ে পড়েছেন এবং দুই কোটি মানুষ নিজেদের পরিবারের সঙ্গেও আর যোগাযোগ করতে পারছেন না। আওয়ামী লীগের সদস্যদের ওপর এত নির্যাতন চালানোর পরও যদি জনগণের মধ্যে কোনো দল জনপ্রিয় থাকে, তাহলে সেটি আওয়ামী লীগ। মানুষ এখনো এই দলের ওপর বিশ্বাস ও আস্থা রাখে।রাজনৈতিক সংবাদ বিশ্লেষণ</p>
<p>প্রশ্ন: ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা নিয়ে কি আপনি ভারত সরকার বা ঢাকার সরকারের সঙ্গে গোপন আলোচনা বা সমঝোতা করেছেন?</p>
<p>উত্তর: আমার দেশে ফেরার সিদ্ধান্ত একান্তই আমার নিজের এবং এটি আমার দলের অভ্যন্তরীণ রাজনৈতিক আলোচনার বিষয়। ঢাকার সরকারের সঙ্গে আমার কোনো রাজনৈতিক সমঝোতা নেই। যারা আওয়ামী লীগকে নিষিদ্ধ করেছে এবং আমাদের নেতাদের বিরুদ্ধে হাজার হাজার মামলা করেছে, তারা কোনো গোপন সমঝোতার অংশীদার হতে পারে না।</p>
<p>প্রশ্ন: কিছু প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বিরোধী জামায়াতে ইসলামী ও ন্যাশনাল সিটিজেন পার্টির চাপের কারণে বিএনপি সরকার আপনার প্রত্যর্পণের জন্য চাপ দিচ্ছে। এ বিষয়ে আপনার প্রতিক্রিয়া কী?</p>
<p>উত্তর: এই প্রশ্নটি আমাকে না করে বিএনপি বা প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে করা উচিত। আমি এ বিষয়ে মন্তব্য করতে চাই না। আমি শুধু বলতে পারি, জামায়াত ও বিএনপি সবসময় একসঙ্গে ছিল, অতীতেও তারা একসঙ্গে নির্বাচন করেছে। প্রকৃত অর্থে তাদের মধ্যে কোনো পার্থক্য নেই। দ্বিতীয়ত, মুহাম্মদ ইউনূসও তাদের সঙ্গে যোগ দিয়েছেন এবং এই তিনটি গোষ্ঠী মূলত একই। এই গোষ্ঠীগুলোর মধ্যে কী চলছে, তা আমি জানি না। তবে আমরা সবসময় মনে করি, প্রতিবেশী দেশের সঙ্গে বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক থাকা উচিত। আমি যখন ক্ষমতায় ছিলাম, তখন আমার পিতা যে পররাষ্ট্রনীতি দিয়ে গিয়েছিলেন, সেটিই অনুসরণ করেছি- সবার সঙ্গে বন্ধুত্ব, কারও সঙ্গে শত্রুতা নয়।</p>
<p>আমি যখন ক্ষমতায় ছিলাম, তখন বাংলাদেশের সব দেশের সঙ্গে ভালো সম্পর্ক ছিল। আমরা প্রতিটি দেশের সঙ্গে সুসম্পর্ক বজায় রেখেছিলাম। আমাদের মূল লক্ষ্য ছিল বাংলাদেশের অর্থনীতি, দারিদ্র্য বিমোচন, তরুণদের কর্মসংস্থান সৃষ্টি এবং আধুনিক বিজ্ঞান, কম্পিউটার ও প্রযুক্তির ক্ষেত্রে সুযোগ তৈরি করা, যাতে তারা আন্তর্জাতিক পর্যায়ে নিজেদের প্রতিষ্ঠিত করতে পারে।</p>
<p>আমি জানতাম, বেসরকারি খাতকে গুরুত্ব না দিলে কর্মসংস্থান সৃষ্টি হবে না। গ্রামের মানুষের ক্রয়ক্ষমতা না বাড়লে শিল্পায়নও হবে না। আমাদের অর্থনীতি কৃষিনির্ভর, তবে আমি শিল্পায়নও করতে চেয়েছিলাম।</p>
<p>প্রশ্ন: প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সঙ্গে আপনার সর্বশেষ বৈঠকে তিস্তা নদীর উন্নয়নে ভারতের সঙ্গে কাজ করার বিষয়ে আলোচনা হয়েছিল। এখন আমরা দেখছি, বিএনপি সরকার এই প্রকল্পে চীনের সঙ্গে কাজ করছে, যা ভারতে উদ্বেগ তৈরি করেছে। একই সঙ্গে বাংলাদেশ চীনের সঙ্গে প্রতিরক্ষা সহযোগিতা বাড়াচ্ছে এবং ২ দশমিক ৩ বিলিয়ন ডলারে চীনা জে-১০সিই যুদ্ধবিমান কেনার পরিকল্পনা রয়েছে। এ বিষয়ে আপনার মত কী?</p>
<p>উত্তর: আমি শুধু বলতে পারি, আমি বিদ্যুৎ উৎপাদন বাড়িয়ে প্রায় ২৯ হাজার মেগাওয়াটে নিয়ে গিয়েছিলাম এবং প্রতিটি বাড়িতে বিদ্যুৎ পৌঁছে দিয়েছিলাম। বিদ্যুৎ উৎপাদনের জন্য কিছু নির্দিষ্ট পণ্য কিনতে হয়, কিন্তু বাংলাদেশের কাছে এখন সেগুলো কেনার অর্থ নেই। মানুষ বিদ্যুৎ পাচ্ছে না।</p>
<p>আমাদের ছয়টি সার কারখানার মধ্যে পাঁচটি গ্যাসের অভাবে বন্ধ হয়ে আছে। তারা সার সরবরাহ করতে পারছে না। নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের দাম বেড়ে যাচ্ছে। আমাদের সময়ের মতো ব্যাপক সামাজিক নিরাপত্তাবেষ্টনী কর্মসূচিও তাদের নেই। তারা টীকা কেনেনি এবং হাজার হাজার শিশু হামে মারা গেছে।</p>
<p>শিল্পকারখানাগুলোকে পরিচালনার জন্য প্রয়োজনীয় চলতি মূলধনও তারা দিতে পারছে না। এমন কঠিন পরিস্থিতিতে যুদ্ধবিমান কেনার পেছনে এত অর্থ ব্যয়ের কারণ কী? আমারও একই প্রশ্ন। তবে এই প্রশ্ন বিএনপি সরকারকেও করা উচিত। তিস্তা প্রকল্পের বিষয়ে আমরা ভারতীয় পক্ষের সঙ্গে এ বিষয়ে ভারতের সহযোগিতা নিয়ে আলোচনা করেছিলাম। বর্তমান সরকার কী করছে, সে বিষয়ে আমার কিছু বলার নেই।</p>
<p>প্রশ্ন: আপনার ছেলে সজীব ওয়াজেদ জয় বাংলাদেশকে ‘আরেকটি পাকিস্তানে’ পরিণত হওয়ার বিষয়ে এবং বিভিন্ন উগ্রবাদী ও সন্ত্রাসী গোষ্ঠীর কর্মকাণ্ডের কারণে নিরাপত্তা হুমকি নিয়ে কথা বলেছেন। এ বিষয়ে আপনি কি বিস্তারিত বলবেন?</p>
<p>উত্তর: জয় যা বলেছে, তা কোনো আবেগপ্রসূত বক্তব্য ছিল না। বাংলাদেশের বর্তমান নিরাপত্তা পরিস্থিতির ওপর ভিত্তি করে এটি ছিল একটি গুরুতর সতর্কবার্তা। ‘আরেকটি পাকিস্তান’ বলতে কোনো দেশের সাধারণ মানুষকে বোঝানো হয়নি। এর অর্থ হলো উগ্রবাদ, সাম্প্রদায়িক রাজনীতি, সন্ত্রাসী নেটওয়ার্ক, রাজনৈতিক পৃষ্ঠপোষকতা এবং দুর্বল হয়ে পড়া প্রতিষ্ঠানগুলোর একটি বিপজ্জনক সমন্বয়। বাংলাদেশকে সেই দিকে ঠেলে দেয়া হচ্ছে এবং এটি শুধু বাংলাদেশের জন্য নয়, পুরো অঞ্চলের জন্যই বিপজ্জনক। জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদের পর্যবেক্ষণ ব্যবস্থাও উদ্বেগ প্রকাশ করেছে যে, ভারতীয় উপমহাদেশে আল-কায়েদা বাংলাদেশকে ব্যবহার করে সন্ত্রাসী সেল প্রতিষ্ঠার চেষ্টা করতে পারে। স্থানীয় তদন্তেও একই ধরনের আশঙ্কার কথা উঠে আসছে।রাজনৈতিক সংবাদ বিশ্লেষণ</p>
<p>সাম্প্রতিক প্রতিবেদনগুলোতে কেরানীগঞ্জ থেকে সাভার পর্যন্ত একাধিক ঘটনার সঙ্গে একই উগ্রবাদী নেটওয়ার্কের যোগসূত্রের কথা বলা হয়েছে। এসব ঘটনায় প্রেসার কুকার বোমা, পাইপ বোমা, গ্রেনেড, বিস্ফোরক সামগ্রী, অস্ত্র এবং নব্য-জামায়াতুল মুজাহিদিন বাংলাদেশ-এর (নিও-জেএমবি) সঙ্গে সংশ্লিষ্টতার কথা উঠে এসেছে। যখন আন্তর্জাতিক সতর্কবার্তা ও দেশের অভ্যন্তরীণ তদন্ত একই দিকে ইঙ্গিত করে, তখন কোনো দায়িত্বশীল সরকার এই হুমকি অস্বীকার করতে পারে না।</p>
<p>ধর্মীয় উন্মত্ত জনতার সহিংসতা ব্যাপকভাবে বেড়েছে। দেশের বিভিন্ন স্থানে মাজার, দরগাহ, ভাস্কর্য, সাংস্কৃতিক স্থাপনা ও ধর্মনিরপেক্ষ প্রতীকগুলো হামলার শিকার হয়েছে। একই সময়ে বাংলাদেশের সন্ত্রাসবিরোধী সক্ষমতাও দুর্বল করা হচ্ছে। কাউন্টার টেরোরিজম অ্যান্ড ট্রান্সন্যাশনাল ক্রাইম (সিটিটিসি) এবং অ্যান্টি-টেরোরিজম ইউনিটের মতো বিশেষায়িত ইউনিটগুলো ভেঙে দেয়ার বিষয়ে আলোচনা চলছে। যখন জঙ্গিদের ছেড়ে দেয়া হয় এবং সন্ত্রাসবিরোধী কর্মকর্তাদের হয়রানি বা নিপীড়নের শিকার হতে হয়, তখন এর ফল দাঁড়ায় জাতীয় নিরাপত্তায় এক ধরনের শূন্যতা।</p>
<p>উগ্রবাদী নেটওয়ার্কগুলো যদি বাংলাদেশে আবারও নিরাপদ পরিবেশ পেয়ে যায়, তাহলে এর প্রভাব ভারত, মিয়ানমার, বঙ্গোপসাগর, আঞ্চলিক বাণিজ্য, অভিবাসন, সামুদ্রিক যোগাযোগপথ, কূটনৈতিক নিরাপত্তা এবং আন্তর্জাতিক সন্ত্রাসবিরোধী সহযোগিতা পর্যন্ত পেঁৗঁছাবে। তাই জয়ের সতর্কবার্তাটি শুধু রাজনৈতিক স্লোগান হিসেবে নয়, বরং আঞ্চলিক নিরাপত্তার জন্য একটি সতর্ক সংকেত হিসেবে দেখা উচিত।</p>
<p>প্রশ্ন: ভারতে আপনি কীভাবে সময় কাটাচ্ছেন? বাংলাদেশের কোন বিষয়টি আপনার সবচেয়ে বেশি মনে পড়ে?</p>
<p>উত্তর: যেকোনো রাজনৈতিক নেতার জন্য নিজের জনগণের কাছ থেকে দূরে থাকা সবচেয়ে কঠিন বিষয়। নির্বাসন আমার জীবনে নতুন কিছু নয়, কিন্তু জনগণের কাছ থেকে বিচ্ছিন্ন থাকা কখনো সহজ হয় না। আমি ভারতে মর্যাদা ও সম্মানের সঙ্গে অবস্থান করছি এবং এর জন্য ভারত সরকার ও দেশটির জনগণের প্রতি আমি কৃতজ্ঞ। কিন্তু আমার মন পড়ে আছে বাংলাদেশে। আমি প্রতিদিন বাংলাদেশের পরিস্থিতির খোঁজ রাখি। আমাদের নেতা-কর্মীদের অবস্থা, নিপীড়নের শিকার পরিবারগুলো, অর্থনীতি, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি, সংখ্যালঘুদের নিরাপত্তা এবং তরুণদের হতাশার বিষয়গুলো সম্পর্কে আমি নিয়মিত খোঁজ রাখি। আমার সবচেয়ে বেশি মনে পড়ে বাংলাদেশের মানুষকে- তাদের মুখ, ভাষা, সরল বিশ্বাস এবং গ্রামবাংলার মাটিকে। আমি সেই বাংলাদেশকে মিস করি, যে বাংলাদেশ ভয় নয়, আশা নিয়ে এগিয়ে যাচ্ছিল।</p>
<p>অন্য এক প্রশ্নের জবাবে হাসিনা বলেন, যেভাবে আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীদের নিপীড়ন ও নির্যাতন করা হচ্ছে, তাদের বাড়িঘরে হামলা চালানো হচ্ছে তা শুরু হয়েছিল (অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান) মুহাম্মদ ইউনূসের সময়ে। এমন কোনো দিন নেই, যেদিন মানুষ হত্যা করা হচ্ছে না। রংপুরের ঘটনাই ধরুন। সেখানে একই পরিবারের চারজনকে হত্যা করা হয়েছে। বগুড়া শহরে আমাদের যুব শাখার একজন সদস্যকে হত্যা করা হয়েছে। প্রতিটি দিন এবং রাতে হত্যাকাণ্ড চলছে। আমাদের লোকজনের বিরুদ্ধে মামলা করছে অথবা গ্রেপ্তার করছে। তারা বাড়িঘরে প্রবেশ করছে। সেখানে নারী পুরুষকে অপমান করছে। প্রহার করছে। প্রবীণদের হয়রান করছে। এই পরিস্থিতিতে আমি বুঝতে পারি না কিভাবে প্রত্যর্পণ একটি শর্ত হতে পারে।</p>
<p>আমি তো আমার নিজের দেশে ফিরবো। বুঝতে পারি না কেন তাতে আপত্তি জানানো হচ্ছে। তারা প্রত্যর্পণ চুক্তি নিয়ে কথা বলছে। আমি নিজের ইচ্ছায় আমার দেশে ফিরতে চাই। আমি ফিরবো। আমি কি সারাজীবন বিদেশে কাটাতে পারি? দেশে, আমার লোকজনের কাছে আমাকে ফিরতে হবে।</p>
<p>ভারত-বাংলাদেশ সম্পর্ক ক্ষতিগ্রস্ত হয় তখনই, যখন গণতন্ত্র ধ্বংস হয়। উগ্রপন্থিদের উত্থান হয়। সংখ্যালঘুরা অনিরাপদ বোধ করেন। আঞ্চলিক নিরাপত্তা ঝুঁকিতে পড়ে এবং রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠানগুলোকে রাজনৈতিক প্রতিশোধ নেয়ার হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার করা হয়।</p>
]]></content:encoded>
					
					<wfw:commentRss>https://chtnews24.com/2026/09/02/%e0%a6%b9%e0%a6%bf%e0%a6%a8%e0%a7%8d%e0%a6%a6%e0%a7%81%e0%a6%b8%e0%a7%8d%e0%a6%a4%e0%a6%be%e0%a6%a8-%e0%a6%9f%e0%a6%be%e0%a6%87%e0%a6%ae%e0%a6%b8%e0%a6%95%e0%a7%87-%e0%a6%af%e0%a6%be-%e0%a6%9c/feed/</wfw:commentRss>
			<slash:comments>0</slash:comments>
		
		
			</item>
	</channel>
</rss>
