<?xml version="1.0" encoding="UTF-8"?><rss version="2.0"
	xmlns:content="http://purl.org/rss/1.0/modules/content/"
	xmlns:wfw="http://wellformedweb.org/CommentAPI/"
	xmlns:dc="http://purl.org/dc/elements/1.1/"
	xmlns:atom="http://www.w3.org/2005/Atom"
	xmlns:sy="http://purl.org/rss/1.0/modules/syndication/"
	xmlns:slash="http://purl.org/rss/1.0/modules/slash/"
	>

<channel>
	<title>জাতীয় &#8211; chtnews24.com</title>
	<atom:link href="https://chtnews24.com/category/%E0%A6%9C%E0%A6%BE%E0%A6%A4%E0%A7%80%E0%A6%AF%E0%A6%BC/feed/" rel="self" type="application/rss+xml" />
	<link>https://chtnews24.com</link>
	<description></description>
	<lastBuildDate>Sun, 19 Jul 2026 03:42:54 +0000</lastBuildDate>
	<language>en-US</language>
	<sy:updatePeriod>
	hourly	</sy:updatePeriod>
	<sy:updateFrequency>
	1	</sy:updateFrequency>
	<generator>https://wordpress.org/?v=7.0.2</generator>
	<item>
		<title>বাংলাদেশ সোসাইটি অব ইকোকার্ডিওগ্রাফির আহ্বায়ক কমিটি ঘোষণা</title>
		<link>https://chtnews24.com/2026/07/19/%e0%a6%ac%e0%a6%be%e0%a6%82%e0%a6%b2%e0%a6%be%e0%a6%a6%e0%a7%87%e0%a6%b6-%e0%a6%b8%e0%a7%8b%e0%a6%b8%e0%a6%be%e0%a6%87%e0%a6%9f%e0%a6%bf-%e0%a6%85%e0%a6%ac-%e0%a6%87%e0%a6%95%e0%a7%8b%e0%a6%95/</link>
					<comments>https://chtnews24.com/2026/07/19/%e0%a6%ac%e0%a6%be%e0%a6%82%e0%a6%b2%e0%a6%be%e0%a6%a6%e0%a7%87%e0%a6%b6-%e0%a6%b8%e0%a7%8b%e0%a6%b8%e0%a6%be%e0%a6%87%e0%a6%9f%e0%a6%bf-%e0%a6%85%e0%a6%ac-%e0%a6%87%e0%a6%95%e0%a7%8b%e0%a6%95/#respond</comments>
		
		<dc:creator><![CDATA[adminchtnews24]]></dc:creator>
		<pubDate>Sun, 19 Jul 2026 03:42:54 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[জাতীয়]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://chtnews24.com/?p=37484</guid>

					<description><![CDATA[ঢাকা: বাংলাদেশ সোসাইটি অব ইকোকার্ডিওগ্রাফির আহ্বায়ক কমিটি ঘোষণা করা হয়েছে। দেশে ইকোকার্ডিওগ্রাফির শিক্ষা, গবেষণা ও মানোন্নয়নের লক্ষ্যে এ কমিটি গঠন করা হয়। শনিবার রাজধানীর একটি হোটেলে আয়োজিত দিনব্যাপী ‘ইকোকার্ডিওগ্রাফি ও কার্ডিওমায়োপ্যাথি’ বিষয়ক প্রশিক্ষণ কর্মশালায় বাংলাদেশ কার্ডিয়াক সোসাইটির আহ্বায়ক অধ্যাপক মোহাম্মদ সাফিউদ্দিন কমিটির নাম ঘোষণা করেন। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা অ্যাডভোকেট রুহুল কবির রিজভী। [&#8230;]]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[<p>ঢাকা: বাংলাদেশ সোসাইটি অব ইকোকার্ডিওগ্রাফির আহ্বায়ক কমিটি ঘোষণা করা হয়েছে। দেশে ইকোকার্ডিওগ্রাফির শিক্ষা, গবেষণা ও মানোন্নয়নের লক্ষ্যে এ কমিটি গঠন করা হয়।</p>
<p>শনিবার রাজধানীর একটি হোটেলে আয়োজিত দিনব্যাপী ‘ইকোকার্ডিওগ্রাফি ও কার্ডিওমায়োপ্যাথি’ বিষয়ক প্রশিক্ষণ কর্মশালায় বাংলাদেশ কার্ডিয়াক সোসাইটির আহ্বায়ক অধ্যাপক মোহাম্মদ সাফিউদ্দিন কমিটির নাম ঘোষণা করেন। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা অ্যাডভোকেট রুহুল কবির রিজভী।</p>
<p>আহ্বায়ক কমিটিতে অধ্যাপক আহসান হাবিবকে আহ্বায়ক, ডা. কামরুল হুদা মো. সোহেলকে প্রথম যুগ্ম আহ্বায়ক, ডা. লোহানী মো. তাজুল ইসলামকে সদস্যসচিব, ডা. হারুনুর রশিদ খান রাকিবকে কোষাধ্যক্ষ, ডা. জাফর ইকবাল জামালিকে প্রথম যুগ্ম সদস্যসচিব এবং ডা. আবু ফয়েজ মো. মতিউর রহমান আজাদকে দ্বিতীয় যুগ্ম সদস্যসচিব করা হয়েছে।</p>
<p>কর্মশালায় বক্তারা বলেন, নবগঠিত এ সংগঠন দেশে ইকোকার্ডিওগ্রাফির শিক্ষা, প্রশিক্ষণ, গবেষণা এবং আন্তর্জাতিক মানসম্পন্ন ক্লিনিক্যাল চর্চা সম্প্রসারণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। পাশাপাশি হৃদরোগ নির্ণয় ও চিকিৎসার গুণগত মান উন্নয়নে সোসাইটিটি কার্যকর উদ্যোগ গ্রহণ করবে।</p>
<p>অনুষ্ঠানে দেশের বিভিন্ন মেডিকেল কলেজ, বিশ্ববিদ্যালয় ও বিশেষায়িত হাসপাতালের বিশিষ্ট হৃদরোগ বিশেষজ্ঞ, শিক্ষক ও চিকিৎসকেরা অংশগ্রহণ করেন।</p>
]]></content:encoded>
					
					<wfw:commentRss>https://chtnews24.com/2026/07/19/%e0%a6%ac%e0%a6%be%e0%a6%82%e0%a6%b2%e0%a6%be%e0%a6%a6%e0%a7%87%e0%a6%b6-%e0%a6%b8%e0%a7%8b%e0%a6%b8%e0%a6%be%e0%a6%87%e0%a6%9f%e0%a6%bf-%e0%a6%85%e0%a6%ac-%e0%a6%87%e0%a6%95%e0%a7%8b%e0%a6%95/feed/</wfw:commentRss>
			<slash:comments>0</slash:comments>
		
		
			</item>
		<item>
		<title>চাকরি হারাচ্ছেন হাইপ্রোফাইল ৩৩ পুলিশ কর্মকর্তা, আতঙ্কে ৩৩ ডিসি</title>
		<link>https://chtnews24.com/2026/07/05/%e0%a6%9a%e0%a6%be%e0%a6%95%e0%a6%b0%e0%a6%bf-%e0%a6%b9%e0%a6%be%e0%a6%b0%e0%a6%be%e0%a6%9a%e0%a7%8d%e0%a6%9b%e0%a7%87%e0%a6%a8-%e0%a6%b9%e0%a6%be%e0%a6%87%e0%a6%aa%e0%a7%8d%e0%a6%b0%e0%a7%8b%e0%a6%ab/</link>
					<comments>https://chtnews24.com/2026/07/05/%e0%a6%9a%e0%a6%be%e0%a6%95%e0%a6%b0%e0%a6%bf-%e0%a6%b9%e0%a6%be%e0%a6%b0%e0%a6%be%e0%a6%9a%e0%a7%8d%e0%a6%9b%e0%a7%87%e0%a6%a8-%e0%a6%b9%e0%a6%be%e0%a6%87%e0%a6%aa%e0%a7%8d%e0%a6%b0%e0%a7%8b%e0%a6%ab/#respond</comments>
		
		<dc:creator><![CDATA[adminchtnews24]]></dc:creator>
		<pubDate>Sun, 05 Jul 2026 12:26:02 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[Second lead]]></category>
		<category><![CDATA[জাতীয়]]></category>
		<category><![CDATA[বাংলাদেশ]]></category>
		<category><![CDATA[বিশেষ প্রতিবেদন]]></category>
		<category><![CDATA[শিরোনাম]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://chtnews24.com/?p=37467</guid>

					<description><![CDATA[ডেস্ক রির্পোট:- ২০১৮ সালের একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের সময় দায়িত্ব পালন করা পুলিশ ক্যাডারের অন্তত ৩৩ কর্মকর্তাকে বাধ্যতামূলক অবসরে পাঠানোর প্রস্তুতি নিয়েছে সরকার&#124; বিসিএস ২০তম ব্যাচের এসব কর্মকর্তা নির্বাচনের সময় বিভিন্ন জেলার পুলিশ সুপার (এসপি) ও পুলিশের গুরুত্বপূর্ণ পদে দায়িত্বে ছিলেন&#124; তাদের বেশির ভাগ বর্তমানে বিশেষ ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওএসডি) হিসেবে আছেন&#124; চাকরির ২৫ বছর পূর্ণ [&#8230;]]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[<p>ডেস্ক রির্পোট:- ২০১৮ সালের একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের সময় দায়িত্ব পালন করা পুলিশ ক্যাডারের অন্তত ৩৩ কর্মকর্তাকে বাধ্যতামূলক অবসরে পাঠানোর প্রস্তুতি নিয়েছে সরকার| বিসিএস ২০তম ব্যাচের এসব কর্মকর্তা নির্বাচনের সময় বিভিন্ন জেলার পুলিশ সুপার (এসপি) ও পুলিশের গুরুত্বপূর্ণ পদে দায়িত্বে ছিলেন| তাদের বেশির ভাগ বর্তমানে বিশেষ ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওএসডি) হিসেবে আছেন|</p>
<p>চাকরির ২৫ বছর পূর্ণ হওয়ায় সরকারি চাকরি আইনের ৪৫ ধারা অনুযায়ী তাদের অবসরে পাঠানো হতে পারে| একইভাবে ওই সময় দায়িত্ব পালন করা প্রশাসন ক্যাডারের অন্তত ৩৩ জন জেলা প্রশাসককেও (ডিসি) বাধ্যতামূলক অবসরে পাঠানোর প্রক্রিয়া চলছে বলে জানা গেছে|</p>
<p>সরকারি চাকরি আইনের ৪৫ ধারা অনুযায়ী, কোনো সরকারি কর্মচারীর চাকরির মেয়াদ ২৫ বছর পূর্ণ হলে, সরকার জন¯^ার্থে কোনো কারণ দর্শানো ছাড়াই তাকে অবসরে পাঠাতে পারে| ২০তম ব্যাচের এই কর্মকর্তারা ২০০১ সালের ৩১ মে চাকরিতে যোগ দিয়েছিলেন| সেই হিসেবে গত ৩০ মে তাদের চাকরির মেয়াদ ২৫ বছর পূর্ণ হয়েছে|<br />
গত বছরের ২০ ফেব্রুয়ারি ২০১৪ সালের বিতর্কিত নির্বাচনের ২২ জন ডিসিকে বাধ্যতামূলক অবসরে পাঠিয়েছিল অন্তর্বর্তী সরকার|<br />
সচিবালয় থেকে সরানো হচ্ছে ১৬৯ পুলিশ সদস্যকে<br />
এর পরপরই তৎকালীন উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া ঘোষণা দিয়েছিলেন, ২০১৮ সালের নির্বাচনের ৬৪ জেলার এসপিদেরও অবসরে পাঠানো হবে| এরই ধারাবাহিকতায় প্রথমে তাদের ওএসডি এবং এখন স্থায়ী অবসরের সিদ্ধান্ত নেওয়া হলো|</p>
<p>চাকরি হারানোর তালিকায় যেসব পুলিশ কর্মকর্তা<br />
সংশ্লিষ্ট সূত্রের তথ্য অনুযায়ী, বাধ্যতামূলক অবসরের তালিকায় থাকা কর্মকর্তাদের মধ্যে রয়েছেন ২০১৮ সালের নির্বাচনের সময় ঢাকা জেলার এসপি শাহ মিজান শাফিউর রহমান, নারায়ণগঞ্জের এসপি হারুন অর রশীদ, কুমিল্লার এসপি ˆসয়দ নুরুল ইসলাম, চাঁদপুরের এসপি জিহাদুল কবির, নরসিংদীর এসপি মিরাজ উদ্দিন আহমেদ, গাজীপুরের এসপি ড. শামসুন্নাহার, চট্টগ্রামের এসপি নূরে আলম মিনা, বরিশালের এসপি সাইফুল ইসলাম, কিশোরগঞ্জের এসপি মাশরুকুর রহমান খালেদ|</p>
<p>এছাড়াও নোয়াখালীর এসপি ইলিয়াছ শরীফ, ব্রাহ্মণবাড়িয়ার এসপি আনোয়ার হোসেন খান, ফরিদপুরের এসপি জাকির হোসেন খান, গোপালগঞ্জের এসপি মুহাম্মদ সাইদুর রহমান খান, ময়মনসিংহের এসপি শাহ আবিদ হোসেন, রাঙামাটির এসপি মো. আলমগীর কবির, ঠাকুরগাঁওয়ের এসপি মনিরুজ্জামান, সুনামগঞ্জের এসপি বরকতুল্লাহ খান, চুয়াডাঙ্গার এসপি মাহবুবুর রহমান, যশোরের এসপি মঈনুল হক, মাগুরার এসপি খান মুহাম্মদ রেজোয়ান, সিরাজগঞ্জের এসপি টুটুল চক্রবর্তী, জয়পুরহাটের এসপি রশীদুল হাসান, সিলেটের এসপি মো. মনিরুজ্জামান, পাবনার এসপি শেখ রফিকুল ইসলাম, পঞ্চগড়ের এসপি গিয়াস উদ্দিন আহমেদ, শরীয়তপুরের এসপি সাইফুল্লাহ আল মামুন, চাঁপাইনবাবগঞ্জের এসপি টি এম মোজাহিদুল ইসলাম এবং কুড়িগ্রামের এসপি মো. মেহেদুল করিম|<br />
সাঈদীর মামলার সাক্ষী সুখরঞ্জনকে অপহরণকারী পুলিশ কর্মকর্তা গ্রেপ্তার<br />
এদের মধ্যে নারায়ণগঞ্জের তৎকালীন এসপি হারুন অর রশীদ ও হবিগঞ্জের এসপি বিধান ত্রিপুরা বর্তমানে সাময়িক বরখাস্ত রয়েছেন| অন্য কর্মকর্তাদের অধিকাংশই ওএসডি (বিশেষ ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা) হিসেবে রয়েছেন| তাদের অনেকেই পরবর্তীতে অতিরিক্ত ডিআইজি বা ডিআইজি পদে পদোন্নতি পেয়ে বিভিন্ন ইউনিট, রেঞ্জ ও বিশেষায়িত সংস্থায় দায়িত্ব পালন করেছেন| রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর তাদের অধিকাংশকেই ওএসডি করা হয়|</p>
<p>আতঙ্কে সাবেক ৩৩ ডিসি<br />
একই ব্যাচের (বিসিএস ২০তম) যে ৩৩ জন সাবেক জেলা প্রশাসক (ডিসি) বর্তমানে বিভিন্ন মন্ত্রণালয় ও বিভাগে যুগ্ম সচিব হিসেবে ওএসডি আছেন, তারাও চাকরি হারানোর চূড়ান্ত আতঙ্কে দিন কাটাচ্ছেন|</p>
<p>তালিকায় থাকা সাবেক ডিসিরা হলেন<br />
মো. মাজেদুর রহমান খান (চাঁদপুর), মো. মতিউল ইসলাম চৌধুরী (পটুয়াখালী), সাবিনা ইয়াসমিন (পঞ্চগড়), ড. আতাউল গনি (মেহেরপুর), আবু আলী মো. সাজ্জাদ হোসেন (পিরোজপুর), এম কাজী এমদাদুল ইসলাম (সিলেট &#8211; বর্তমানে সাময়িক বরখাস্ত), এস এম মোস্তফা কামাল (সাতক্ষীরা), অঞ্জন চন্দ্র পাল (লক্ষ্মীপুর), মোছা. সুলতানা পারভিন (কুড়িগ্রাম), মো. সারওয়ার মোর্শেদ চৌধুরী (কিশোরগঞ্জ), মো. শহীদুল ইসলাম (খাগড়াছড়ি), মো. হেলাল হোসেন (খুলনা), মো. আলী আকবর (মাগুরা), মোহাম্মদ দাউদ ইসলাম (বান্দরবান), এ জে এম নুরুল হক (চাঁপাইনবাবগঞ্জ)|</p>
<p>এ জেড এম অজিয়র রহমান (বরিশাল), মোহাম্মদ আলম ছিদ্দিকী (ভোলা), গোপাল চন্দ্র দাস (চুয়াডাঙ্গা), কাজী আবু তাহের (শরীয়তপুর), মো. মিজানুর রহমান (নওগাঁ), মোহাম্মদ আব্দুল আহাদ (সুনামগঞ্জ), আনার কলি মাহবুব (শেরপুর), ˆসয়দা ফারহানা কাউনাইন (নরসিংদী), মাহমুদুল কবির মুরাদ (হবিগঞ্জ), আবুল ফজল মীর (কুমিল্লা), মঈন উল ইসলাম (নেত্রকোনা), ওয়াহেদুজ্জামান (ফেনী), এ কে এম মামুনুর রশিদ (রাঙামাটি), এস এম আব্দুল কাদের (রাজশাহী), ড. কে এম কামরুজ্জামান সেলিম (ঠাকুরগাঁও), কবীর মাহমুদ (বগুড়া), মো. মাহমুদুল আলম (দিনাজপুর) এবং হায়াত উদ দৌলা খান (ব্রাহ্মণবাড়িয়া)| সূত্র: আগামীর সময়</p>
]]></content:encoded>
					
					<wfw:commentRss>https://chtnews24.com/2026/07/05/%e0%a6%9a%e0%a6%be%e0%a6%95%e0%a6%b0%e0%a6%bf-%e0%a6%b9%e0%a6%be%e0%a6%b0%e0%a6%be%e0%a6%9a%e0%a7%8d%e0%a6%9b%e0%a7%87%e0%a6%a8-%e0%a6%b9%e0%a6%be%e0%a6%87%e0%a6%aa%e0%a7%8d%e0%a6%b0%e0%a7%8b%e0%a6%ab/feed/</wfw:commentRss>
			<slash:comments>0</slash:comments>
		
		
			</item>
		<item>
		<title>বন্ধ রাষ্ট্রায়ত্ত কারখানা ফের চালুর প্রক্রিয়া দ্রুত শেষ করার নির্দেশ</title>
		<link>https://chtnews24.com/2026/07/05/%e0%a6%ac%e0%a6%a8%e0%a7%8d%e0%a6%a7-%e0%a6%b0%e0%a6%be%e0%a6%b7%e0%a7%8d%e0%a6%9f%e0%a7%8d%e0%a6%b0%e0%a6%be%e0%a6%af%e0%a6%bc%e0%a6%a4%e0%a7%8d%e0%a6%a4-%e0%a6%95%e0%a6%be%e0%a6%b0%e0%a6%96%e0%a6%be/</link>
					<comments>https://chtnews24.com/2026/07/05/%e0%a6%ac%e0%a6%a8%e0%a7%8d%e0%a6%a7-%e0%a6%b0%e0%a6%be%e0%a6%b7%e0%a7%8d%e0%a6%9f%e0%a7%8d%e0%a6%b0%e0%a6%be%e0%a6%af%e0%a6%bc%e0%a6%a4%e0%a7%8d%e0%a6%a4-%e0%a6%95%e0%a6%be%e0%a6%b0%e0%a6%96%e0%a6%be/#respond</comments>
		
		<dc:creator><![CDATA[adminchtnews24]]></dc:creator>
		<pubDate>Sun, 05 Jul 2026 03:48:52 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[Second lead]]></category>
		<category><![CDATA[জাতীয়]]></category>
		<category><![CDATA[শিরোনাম]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://chtnews24.com/?p=37450</guid>

					<description><![CDATA[ডেস্ক রির্পোট:- দেশিবিদেশি বিনিয়োগের মাধ্যমে অলাভজনক ও বন্ধ রাষ্ট্রায়ত্ত কলকারখানা পুনরায় চালুর প্রক্রিয়া দ্রুত শেষ করার নির্দেশ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। গতকাল প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে অলাভজনক ও বন্ধ রাষ্ট্রায়ত্ত কলকারখানা পুনরায় চালুর প্রক্রিয়াগত অগ্রগতি নিয়ে অনুষ্ঠিত এক সভায় তিনি এ নির্দেশ দেন। প্রধানমন্ত্রীর ডেপুটি প্রেস সেক্রেটারি হাসান শিপলু এ তথ্য জানান। সভায় জানানো হয়, এসব কলকারখানায় [&#8230;]]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[<p>ডেস্ক রির্পোট:- দেশিবিদেশি বিনিয়োগের মাধ্যমে অলাভজনক ও বন্ধ রাষ্ট্রায়ত্ত কলকারখানা পুনরায় চালুর প্রক্রিয়া দ্রুত শেষ করার নির্দেশ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।</p>
<p>গতকাল প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে অলাভজনক ও বন্ধ রাষ্ট্রায়ত্ত কলকারখানা পুনরায় চালুর প্রক্রিয়াগত অগ্রগতি নিয়ে অনুষ্ঠিত এক সভায় তিনি এ নির্দেশ দেন। প্রধানমন্ত্রীর ডেপুটি প্রেস সেক্রেটারি হাসান শিপলু এ তথ্য জানান। সভায় জানানো হয়, এসব কলকারখানায় বিনিয়োগে অনেক বেসরকারি কোম্পানি আগ্রহ প্রকাশ করেছে। কোম্পানিগুলো যে ধরনের শিল্প প্রতিষ্ঠান গড়ে তোলার প্রস্তাব দিয়েছে, সেগুলোর সম্ভাব্যতা এখন যাচাই করা হবে। প্রধানমন্ত্রী পুরো প্রক্রিয়াটি স্বচ্ছভাবে সম্পন্ন করার ওপর গুরুত্বারোপ করেন। একই সঙ্গে অপ্রয়োজনীয় সময়ক্ষেপণ এড়িয়ে দ্রুত প্রক্রিয়া শেষ করার নির্দেশও দেন তিনি।</p>
<p>প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভায় উপস্থিত ছিলেন বাণিজ্য, শিল্প এবং পাট ও বস্ত্রমন্ত্রী খন্দকার আবদুল মুক্তাদির, পাট ও বস্ত্র প্রতিমন্ত্রী শরীফুল আলম, অর্থ ও পরিকল্পনা উপদেষ্টা রাশেদ আল মাহমুদ তিতুমীর, বাংলাদেশ বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের (বিডা) নির্বাহী চেয়ারম্যান আশিক চৌধুরী, প্রধানমন্ত্রীর মুখ্যসচিব এ বি এম আবদুস সাত্তার এবং সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়গুলোর সচিব ও শিল্প মন্ত্রণালয়ের অধীন বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা।</p>
]]></content:encoded>
					
					<wfw:commentRss>https://chtnews24.com/2026/07/05/%e0%a6%ac%e0%a6%a8%e0%a7%8d%e0%a6%a7-%e0%a6%b0%e0%a6%be%e0%a6%b7%e0%a7%8d%e0%a6%9f%e0%a7%8d%e0%a6%b0%e0%a6%be%e0%a6%af%e0%a6%bc%e0%a6%a4%e0%a7%8d%e0%a6%a4-%e0%a6%95%e0%a6%be%e0%a6%b0%e0%a6%96%e0%a6%be/feed/</wfw:commentRss>
			<slash:comments>0</slash:comments>
		
		
			</item>
		<item>
		<title>রাখাইনে চরম উত্তেজনা,সীমান্তে বাড়তি সতর্কতা,ফের রোহিঙ্গা ঢলের শঙ্কা</title>
		<link>https://chtnews24.com/2026/07/05/%e0%a6%b0%e0%a6%be%e0%a6%96%e0%a6%be%e0%a6%87%e0%a6%a8%e0%a7%87-%e0%a6%9a%e0%a6%b0%e0%a6%ae-%e0%a6%89%e0%a6%a4%e0%a7%8d%e0%a6%a4%e0%a7%87%e0%a6%9c%e0%a6%a8%e0%a6%be%e0%a6%b8%e0%a7%80%e0%a6%ae/</link>
					<comments>https://chtnews24.com/2026/07/05/%e0%a6%b0%e0%a6%be%e0%a6%96%e0%a6%be%e0%a6%87%e0%a6%a8%e0%a7%87-%e0%a6%9a%e0%a6%b0%e0%a6%ae-%e0%a6%89%e0%a6%a4%e0%a7%8d%e0%a6%a4%e0%a7%87%e0%a6%9c%e0%a6%a8%e0%a6%be%e0%a6%b8%e0%a7%80%e0%a6%ae/#respond</comments>
		
		<dc:creator><![CDATA[adminchtnews24]]></dc:creator>
		<pubDate>Sun, 05 Jul 2026 03:45:23 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[Second lead]]></category>
		<category><![CDATA[কক্সবাজার]]></category>
		<category><![CDATA[জাতীয়]]></category>
		<category><![CDATA[শিরোনাম]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://chtnews24.com/?p=37447</guid>

					<description><![CDATA[ডেস্ক রির্পোট:- মিয়ানমারের রাখাইন রাজ্যে নতুন করে সংঘাত শুরু হওয়ায় আবারও রোহিঙ্গা ঢলের শঙ্কা দেখা দিয়েছে। গত কয়েক দিনে মংডু শহরে আরাকান আর্মির অবস্থান লক্ষ করে বিমান হামলা চালিয়েছে মিয়ানমার সামরিক বাহিনী। এসব হামলায় আরাকান আর্মির স্থাপনার পাশাপাশি রোহিঙ্গাদের ঘড়বাড়িও ধ্বংস হয়েছে। ফলে রাখাইনের আতঙ্কিত রোহিঙ্গাদের নিরাপত্তার খোঁজে বাংলাদেশে অনুপ্রবেশের শঙ্কা দেখা দিয়েছে। তবে নতুন [&#8230;]]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[<p>ডেস্ক রির্পোট:- মিয়ানমারের রাখাইন রাজ্যে নতুন করে সংঘাত শুরু হওয়ায় আবারও রোহিঙ্গা ঢলের শঙ্কা দেখা দিয়েছে। গত কয়েক দিনে মংডু শহরে আরাকান আর্মির অবস্থান লক্ষ করে বিমান হামলা চালিয়েছে মিয়ানমার সামরিক বাহিনী। এসব হামলায় আরাকান আর্মির স্থাপনার পাশাপাশি রোহিঙ্গাদের ঘড়বাড়িও ধ্বংস হয়েছে। ফলে রাখাইনের আতঙ্কিত রোহিঙ্গাদের নিরাপত্তার খোঁজে বাংলাদেশে অনুপ্রবেশের শঙ্কা দেখা দিয়েছে। তবে নতুন রোহিঙ্গা ঢল ঠেকাতে সীমান্তে বাড়তি সতর্ক অবস্থানে রয়েছে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি)।</p>
<p>স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, রাখাইন রাজ্য পুনরুদ্ধারে বুধ ও বৃহস্পতিবার থেমে থেমে আরাকান আর্মির অবস্থান লক্ষ করে বিমান হামলা চালায় মিয়ানমার সামরিক বাহিনী। হামলার তীব্রতায় কক্সবাজারের টেকনাফ সীমান্তের বাড়িঘরসহ বিভিন্ন গ্রাম ভূমিকম্পের মতো কেঁপে ওঠে। তবে শুক্রবার মংডু শহরের ভিতরে সংঘর্ষ ঘটলেও এপারে তেমন কোনো বিকট শব্দ শোনা যায়নি। এসব হামলায় আরাকান আর্মির স্থাপনার পাশাপাশি রাখাইনে বসবাসকারী রোহিঙ্গারাও ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন। আরাকান আর্মি ও মিয়ানমার সামরিক বাহিনীর সংঘাতের কারণে রোহিঙ্গাদের মধ্যে আতঙ্ক বিরাজ করছে। তারা সেখানে নিরাপদবোধ না করলে বাংলাদেশে নতুন করে অনুপ্রবেশের শঙ্কা রয়েছে। এর আগে গত বছর সংঘাতের কারণে লক্ষাধিক রোহিঙ্গা দেশে অনুপ্রবেশ করেছিল।</p>
<p>উখিয়ার শরণার্থী শিবিরের রোহিঙ্গা নেতা মো. জুবায়ের জানান, মিয়ানমারে জান্তা বাহিনীর ভয়াবহ বিমান হামলায় অসংখ্য ঘরবাড়ি মাটির সঙ্গে মিশে গেছে। কয়েক হাজার রোহিঙ্গা নতুন করে বাস্তুচ্যুত হয়ে পড়েছে। একই সময়ে স্থলপথে আরাকান আর্মির সঙ্গে আরও তিনটি রোহিঙ্গা সশস্ত্র গোষ্ঠীর তুমুল সংঘর্ষের খবর পাওয়া যাচ্ছে। বহুমুখী এ সংঘর্ষের কারণে রাখাইনের সার্বিক পরিস্থিতি আরও বেশি জটিল ও অস্থিতিশীল হয়ে উঠছে। যুদ্ধ দীর্ঘস্থায়ী বা তীব্র হলে এই বিপুলসংখ্যক বাস্তুচ্যুত মানুষ কোনো উপায় না পেয়ে আশ্রয়ের খোঁজে বাংলাদেশের দিকে ধাবিত হতে পারে বলে তিনি আশঙ্কা প্রকাশ করেন। আলীখালী ক্যাম্পের শরণার্থী ইদ্রিস মিয়া বলেন, ‘মংডুতে থাকা এক আত্মীয়ের সঙ্গে যোগাযোগ করে জেনেছি, সেখানকার পরিস্থিতি এখন খুবই উত্তপ্ত। সহজে কেউ ঘর থেকে বের হতে পারছে না। অনেক রোহিঙ্গা নিরাপদ আশ্রয়ের খোঁজে ছুটছে। এক বছর আগে সংঘাতের সময় ধাপে ধাপে উখিয়া ও টেকনাফ রোহিঙ্গা ক্যাম্পে লক্ষাধিক রোহিঙ্গা অনুপ্রবেশ করেছিল। আমরা চাই রাখাইনে থাকা রোহিঙ্গা ভাইয়েরা যেন নিরাপদে থাকতে পারেন।’ রাখাইনে নতুন করে সংঘাত শুরু হওয়ায় কক্সবাজারের মিয়ানমার সীমান্তবর্তী এলাকায় আতঙ্ক দেখা দিয়েছে। টেকনাফের শাহপরীর দ্বীপের বাসিন্দা শাহ আলম বলেন, ‘শাহপরীর দ্বীপ সীমান্তের খুব কাছে হওয়ায় এখান থেকে আরাকান আর্মির পোস্টও দেখা যায়। বুধবার দ্বীপের ওপারে রাখাইনে বিস্ফোরণের তীব্রতায় বাড়িঘর ভূমিকম্পের মতো কেঁপে উঠেছিল। এ সময় সবার মাঝেই ভয় ও আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে।’</p>
<p>উখিয়ার পালংখালী ইউপি চেয়ারম্যান এম গফুর উদ্দিন চৌধুরী বলেন, ‘রাখাইনে সংঘাত শুরু হলেই এপারে আতঙ্ক দেখা দেয়। সীমান্তবর্তী গ্রামের বাড়িঘরে গোলাবারুদ এসে পড়ার পাশাপাশি রোহিঙ্গা অনুপ্রবেশের শঙ্কা লেগেই থাকে। গত বছর আরাকান আর্মি-জান্তা সরকারের সংঘাত শুরুর পর লক্ষাধিক রোহিঙ্গা বাংলাদেশে অনুপ্রবেশ করেছে। আবার সংঘাত শুরু হলে রাখাইনে থাকা অবশিষ্ট রোহিঙ্গাদেরও বাংলাদেশে অনুপ্রবেশের শঙ্কা দেখা দিয়েছে।’ তবে নতুন রোহিঙ্গা ঢল ঢেকাতে সীমান্তে সতর্ক অবস্থানে রয়েছে বিজিবি। নজরদারি বাড়ানোর পাশাপাশি সীমান্ত এলাকায় সার্বক্ষণিক টহল বৃদ্ধি করা হয়েছে। টেকনাফ ব্যাটালিয়নের (২ বিজিবি) অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল মো. হানিফুর রহমান ভূঁইয়া বলেন, ‘ওপারে বিস্ফোরণের ঘটনায় স্থানীয়দের মধ্যে উদ্বেগ সৃষ্টি হলেও সীমান্ত পরিস্থিতি স্বাভাবিক। যেকোনো পরিস্থিতি মোকাবিলায় বিজিবি সর্বোচ্চ সতর্ক অবস্থানে রয়েছে। এ লক্ষ্যে টেকনাফ পৌরসভার নাইট্যংপাড়া, বরইতলী ও জাদিমোড়া সীমান্ত এলাকায় বিশেষ টহল, নাফ নদে নৌটহল, সীমান্তজুড়ে নজরদারি বাড়ানো হয়েছে।’</p>
]]></content:encoded>
					
					<wfw:commentRss>https://chtnews24.com/2026/07/05/%e0%a6%b0%e0%a6%be%e0%a6%96%e0%a6%be%e0%a6%87%e0%a6%a8%e0%a7%87-%e0%a6%9a%e0%a6%b0%e0%a6%ae-%e0%a6%89%e0%a6%a4%e0%a7%8d%e0%a6%a4%e0%a7%87%e0%a6%9c%e0%a6%a8%e0%a6%be%e0%a6%b8%e0%a7%80%e0%a6%ae/feed/</wfw:commentRss>
			<slash:comments>0</slash:comments>
		
		
			</item>
		<item>
		<title>গুম প্রতিরোধে ফৌজদারি অপরাধ হিসেবে আলাদা আইন করছে সরকার</title>
		<link>https://chtnews24.com/2026/07/04/%e0%a6%97%e0%a7%81%e0%a6%ae-%e0%a6%aa%e0%a7%8d%e0%a6%b0%e0%a6%a4%e0%a6%bf%e0%a6%b0%e0%a7%8b%e0%a6%a7%e0%a7%87-%e0%a6%ab%e0%a7%8c%e0%a6%9c%e0%a6%a6%e0%a6%be%e0%a6%b0%e0%a6%bf-%e0%a6%85%e0%a6%aa/</link>
					<comments>https://chtnews24.com/2026/07/04/%e0%a6%97%e0%a7%81%e0%a6%ae-%e0%a6%aa%e0%a7%8d%e0%a6%b0%e0%a6%a4%e0%a6%bf%e0%a6%b0%e0%a7%8b%e0%a6%a7%e0%a7%87-%e0%a6%ab%e0%a7%8c%e0%a6%9c%e0%a6%a6%e0%a6%be%e0%a6%b0%e0%a6%bf-%e0%a6%85%e0%a6%aa/#respond</comments>
		
		<dc:creator><![CDATA[adminchtnews24]]></dc:creator>
		<pubDate>Sat, 04 Jul 2026 04:33:07 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[Second lead]]></category>
		<category><![CDATA[অপরাধ-অনুসন্ধান]]></category>
		<category><![CDATA[জাতীয়]]></category>
		<category><![CDATA[শিরোনাম]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://chtnews24.com/?p=37423</guid>

					<description><![CDATA[ডেস্ক রির্পোট:- গুম প্রতিরোধ ও প্রতিকারের জন্য অন্তর্বর্তী সরকারের সময়ে জারি করা অধ্যাদেশ নির্ধারিত সময়ে সংসদে অনুমোদন না করায় কার্যকারিতা হারিয়েছে। এখন সরকার গুমকে গুরুতর ফৌজদারি অপরাধ হিসেবে স্বীকৃতি দিয়ে আলাদা আইন করার উদ্যোগ নিয়েছে। এরই মধ্যে আইনটির খসড়া তৈরি করা হয়েছে। গত বুধবার স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে সেই খসড়া নিয়ে উচ্চ পর্যায়ের বৈঠক হয়েছে। এতে বাতিল [&#8230;]]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[<p>ডেস্ক রির্পোট:- গুম প্রতিরোধ ও প্রতিকারের জন্য অন্তর্বর্তী সরকারের সময়ে জারি করা অধ্যাদেশ নির্ধারিত সময়ে সংসদে অনুমোদন না করায় কার্যকারিতা হারিয়েছে। এখন সরকার গুমকে গুরুতর ফৌজদারি অপরাধ হিসেবে স্বীকৃতি দিয়ে আলাদা আইন করার উদ্যোগ নিয়েছে।</p>
<p>এরই মধ্যে আইনটির খসড়া তৈরি করা হয়েছে। গত বুধবার স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে সেই খসড়া নিয়ে উচ্চ পর্যায়ের বৈঠক হয়েছে। এতে বাতিল হওয়া অধ্যাদেশের কিছু বিধানে পরিবর্তনের পাশাপাশি নতুন ধারা যুক্ত করা হয়েছে।</p>
<p>সংশ্লিষ্ট দায়িত্বশীল সূত্র এসব তথ্য জানিয়েছে। নতুন আইনের খসড়ায় সর্বোচ্চ সাজা অধ্যাদেশের মতোই মৃত্যুদণ্ড রাখা হলেও কারাদণ্ডের বিধানে পরিবর্তন আনা হয়েছে। এ ছাড়া তদন্তকারী সংস্থার ক্ষেত্রেও পরিবর্তন এসেছে।</p>
<p>স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের ওই বৈঠকে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমেদ, আইনমন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান ছাড়াও বিভিন্ন বাহিনীর প্রধানরা উপস্থিত ছিলেন। আইনের খসড়া নিয়ে অনেকে তাদের মতামত তুলে ধরেন।<br />
সূত্র জানায়, গুম প্রতিরোধ ও প্রতিকার আইনটির খসড়া নিয়ে দুই-তিন দিনের মধ্যে আরেকটি বৈঠক হবে। সেখানে বাংলাদেশে নিযুক্ত বিভিন্ন দেশের রাষ্ট্রদূত, মিশন প্রধান ও উন্নয়ন সহযোগীরা উপস্থিত থাকবেন। তাদের কাছে নতুন আইনের বিষয়ে মতামত জানতে চাওয়া হবে।</p>
<p>খসড়া আইনে বলা হয়েছে, কোনো ব্যক্তি পাঁচ বছরের বেশি নিখোঁজ থাকলে আদালত থেকে তাঁর পরিবার একটি সনদ নিতে পারবে। সেখানে গুম হিসেবে তাঁকে বিবেচনা করা হবে। ওই ব্যক্তির অবর্তমানে তাঁর উত্তরাধিকারের মধ্যে সম্পদ বণ্টন ও ব্যাংকিং লেনদেন-সংক্রান্ত নথিপত্রে স্বজনরা আইনি সহায়তা পাবেন।</p>
<p>খসড়ায় আরও বলা হয়েছে, সরকারি যে কোনো সংস্থার সদস্যদের মাধ্যমে বিস্তৃত, পরিকল্পিত ও ধারাবাহিকভাবে কাউকে তুলে নেওয়ার ঘটলে তার তদন্ত করবে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল (আইসিটি)। আর অন্য সাধারণ গুমের ঘটনা তদন্ত করবে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী। অন্তর্বর্তী সরকারের সময় গুম প্রতিকার ও প্রতিরোধ অধ্যাদেশে এই ধরনের গুম তদন্তের দায়িত্ব মানবাধিকার কমিশনকে দেওয়ার প্রস্তাব করা হয়েছিল।</p>
<p>গুম প্রতিরোধ আইনের খসড়া তৈরির সঙ্গে যুক্ত আইন মন্ত্রণালয়ের একজন কর্মকর্তা সমকালকে জানান, খসড়ায় চারটি বিষয়কে গুমের অপরাধ হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে। এর মধ্যে আছে গুম, গুমের কারণে মৃত্যু, আলামত নষ্ট, গোপন আটকখানা তৈরি। এ ছাড়া গুমের সহযোগিতার বিষয়টিও থাকছে।</p>
<p>ওই কর্মকর্তা জানান, খসড়া অনুযায়ী পাঁচ বছর নিখোঁজ রয়েছেন এমন কোনো ব্যক্তির স্বজন মামলা করলে তার তদন্ত প্রতিবেদন আদালতে গৃহীত হলেই গুম সনদ দেওয়া হবে। ওই সনদ দিয়ে সম্পত্তি হস্তান্তর, বেচাকেনা ও উত্তরাধিকারদের মধ্যে ভাগ-বণ্টন করতে পারবেন।</p>
<p>সূত্র বলছে, সরকারে কর্মরত রয়েছেন এমন কোনো সদস্য ধারাবাহিক গুমে জড়িত না হয়ে বিচ্ছিন্নভাবে যদি একই ধরনের অপরাধে জড়ান, তাহলে সেই অপরাধের তদন্ত করবে পুলিশ। কেবল ধারাবাহিকভাবে পদ্ধতিগত গুমের অভিযোগ তদন্ত করবে আইসিটি। গুমের অপরাধের সর্বোচ্চ সাজা হবে মৃত্যুদণ্ড। অন্তর্বর্তী সরকারের সময় তৈরি গুমের অধ্যাদেশে পদ্ধতিগত গুম ছাড়া অন্য গুমের তদন্ত মানবাধিকার কমিশনকে দেওয়ার প্রস্তাব দেওয়া হয়।</p>
<p>অন্তর্বর্তী সরকারের সময় গুম প্রতিরোধ ও প্রতিকার অধ্যাদেশের বাইরে আইনের খসড়ায় নতুন যেসব বিষয় যুক্ত করা হয়েছে তার মধ্যে রয়েছে– গুমের সাজা সর্বনিম্ন ১০ বছর রাখার বিধান। আগে এটি ছিল অনধিক ১০ বছর। এ ছাড়া গুমের ঘটনার তদন্ত শেষ করতে হবে ৯০ দিনের মধ্যে; তবে নির্দিষ্ট সময়ে তদন্ত না করতে পারলে সময় ৩০ দিন বাড়ানো যাবে। এর পরও ব্যর্থ হলে আদালতকে লিখিতভাবে জানাতে হবে। এ ছাড়া বিচার শেষ করতে হবে ১২০ দিনে। নির্দিষ্ট সময় বিচার সম্পন্ন করতে না পারলে তিন দিনের মধ্যে সুপ্রিম কোর্টকে অবহিত করতে হবে।</p>
<p>অপর একটি সূত্র জানায়, পদ্ধতিগত গুমের ঘটনায় যেসব ভুক্তভোগীর মামলার তদন্ত আইসিটি করবে, সেসব ভুক্তভোগীর স্বজনদের সনদ যাতে আইসিটিই দিতে পারে– সে জন্য আইন সংশোধনের বিষয় নিয়ে আলোচনা হয়েছে। ভুক্তভোগীর কষ্ট কমাতে আইসিটিতে চলমান তদন্তাধীন মামলায় বাদীপক্ষ যেন ওই আদালত থেকেই তার স্বজনের গুমের সনদ পেতে পারেন, তা নিশ্চিত করতেই এই প্রস্তাব আসে। এ ছাড়া পুলিশ গুমের ঘটনায় যেসব মামলার তদন্ত করবে তাদের স্বজনদের সনদ দেবে বিচারিক আদালত।</p>
<p>মাসখানেক আগে রাজধানীর সিরডাপ মিলনায়তনে একটি কর্মশালা হয়। সেখানে প্রথম গুম প্রতিরোধ আইনের খসড়া উপস্থাপন করা হয়েছিল। তার ধারাবাহিকতায় বুধবার স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে আইনের খসড়ার ওপর বিস্তারিত আলোচনা হয়েছে। আইন মন্ত্রণালয়ের একজন যুগ্ম সচিব খসড়া আইনের বিষয়টি তুলে ধরেন। এরপর বিভিন্ন বাহিনীর কর্মকর্তারা তাদের মতামত দেন।<br />
একাধিক সূত্র বলছে, প্রচলিত দণ্ডবিধি সংশোধন করেই গুমের সর্বোচ্চ সাজা নিশ্চিত করা যায় কিনা, কেউ কেউ এমন মত দিয়েছেন। তাদের যুক্তি ছিল, বলপূর্বক গুম থেকে সব ব্যক্তির সুরক্ষা সম্পর্কিত আন্তর্জাতিক কনভেনশনে স্বাক্ষরিত অনেক দেশ তাদের প্রচলিত আইন সংশোধন করেই গুমের সর্বোচ্চ শাস্তি নিশ্চিত করেছে। তারা পৃথক আইন করেনি।</p>
<p>হেফাজতে নিবারণ আইনসহ কিছু আইনকে একত্রিত করে নতুন আইন তৈরির মধ্য দিয়ে সেখানে গুমের শাস্তি নিশ্চিত করা যায় বলেও মত দিয়েছেন কেউ কেউ। তাদের যুক্তি ছিল– কয়েকটি অপরাধকে গুচ্ছভিত্তিক অপরাধ হিসেবে চিহ্নিত করা যায়, যেসব অপরাধের সঙ্গে সরকারি বাহিনীর সংশ্লিষ্টতা থাকে। হেফাজতে মারা যাওয়ার ঘটনাটিও একই ধরনের। সেখানে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা অভিযুক্ত হয়ে থাকেন।</p>
<p>সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, খসড়া আইনের অনেকের মতামত বৈঠকে জানার পর গুমকে গুরুতর অপরাধ হিসেবে চিহ্নিত করে আলাদা আইন করার বিষয়টি অগ্রাধিকার পাচ্ছে। তবে গুম কমিশন থাকবে না।<br />
জানতে চাইলে মানবাধিকারকর্মী নূর খান লিটন বলেন, গুমের তদন্ত মানবাধিকার কমিশনকে দেওয়া যেতে পারে। সেখানে মানবাধিকারকর্মী, আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সাবেক কর্মকর্তা, বিশিষ্টজন থাকতে পারেন। আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে গুমের ঘটনার তদন্তের ক্ষমতা দেওয়া হলে তাতে ভালো ফল আসবে বলে মনে হয় না। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যদের বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগ তাদের দিয়ে তদন্ত করালে পক্ষপাতিত্বের সুযোগ থাকবে।</p>
<p>নূর খান লিটন আরও বলেন, অন্তর্বর্তী সরকার গুমের বিষয়টি যেভাবে দেখেছে সেটিকে গুরুত্ব দিতে হবে। সেখানে কোনো ক্রটি হলে তা আলোচনা করে সংশোধন করা যেতে পারে।<br />
চব্বিশের গণঅভ্যুত্থানে ক্ষমতাচ্যুত আওয়ামী লীগ সরকারের ১৫ বছরে বিভিন্ন বাহিনীর মাধ্যমে অনেক মানুষকে গুম করার অভিযোগ রয়েছে। ভুক্তভোগীদের দাবির মুখে বিগত অন্তর্বর্তী সরকার গুম প্রতিরোধ ও প্রতিকার অধ্যাদেশ, ২০২৫ জারি করে। গুমের ঘটনায় র‍্যাব ও ডিজিএফআইর বেশ কয়েকজন কর্মকর্তার বিরুদ্ধে মানবতাবিরোধী অপরাধের অভিযোগে করা মামলার বিচারকাজ চলছে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে।</p>
<p>ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদে এই অধ্যাদেশ অনুমোদন করতে বিল উত্থাপন না হওয়ায় তা বাতিল হয়ে গেছে। আইন মন্ত্রণালয় ও স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের পর্যালোচনায় ওই অধ্যাদেশকে আইন হিসেবে পাস না করে নতুন করে সংশোধিত আকারে প্রণয়নের মত দেওয়া হয়।</p>
<p>ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানে ২০২৪ সালে আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর অন্তর্বর্তী সরকার গুম-সংক্রান্ত তদন্ত কমিশন গঠন করে। পাঁচ সদস্যের এ কমিশন প্রধান উপদেষ্টার কাছে তাদের চূড়ান্ত প্রতিবেদন জমা দেয়। এতে বলা হয়, আওয়ামী লীগের শাসনামলে বিএনপি এবং দলটির অঙ্গসংগঠনের অন্তত ৩১২ নেতাকর্মী গুমের শিকার হন। যাদের ১০৭ জন আর ফেরেননি। একই সময়ে জামায়াতে ইসলামী এবং ছাত্রশিবিরের ৭৪৭ নেতাকর্মী গুম হয়েছেন। তাদের মধ্যে ফেরেননি ৩৫ জন। প্রতিবেদন অনুযায়ী, গুম থেকে ফেরত আসা ব্যক্তিদের ৯৪৮ জনের রাজনৈতিক সংশ্লিষ্টতা রয়েছে। সমকাল</p>
]]></content:encoded>
					
					<wfw:commentRss>https://chtnews24.com/2026/07/04/%e0%a6%97%e0%a7%81%e0%a6%ae-%e0%a6%aa%e0%a7%8d%e0%a6%b0%e0%a6%a4%e0%a6%bf%e0%a6%b0%e0%a7%8b%e0%a6%a7%e0%a7%87-%e0%a6%ab%e0%a7%8c%e0%a6%9c%e0%a6%a6%e0%a6%be%e0%a6%b0%e0%a6%bf-%e0%a6%85%e0%a6%aa/feed/</wfw:commentRss>
			<slash:comments>0</slash:comments>
		
		
			</item>
		<item>
		<title>মিয়ানমারের মংডুতে সামরিক জান্তার বিমানবাহিনী ও মুসলিম সশস্ত্র গোষ্ঠীগুলোর সমন্বিত সামরিক তৎপরতার দাবি</title>
		<link>https://chtnews24.com/2026/07/04/%e0%a6%ae%e0%a6%bf%e0%a6%af%e0%a6%bc%e0%a6%be%e0%a6%a8%e0%a6%ae%e0%a6%be%e0%a6%b0%e0%a7%87%e0%a6%b0-%e0%a6%ae%e0%a6%82%e0%a6%a1%e0%a7%81%e0%a6%a4%e0%a7%87-%e0%a6%b8%e0%a6%be%e0%a6%ae%e0%a6%b0%e0%a6%bf/</link>
					<comments>https://chtnews24.com/2026/07/04/%e0%a6%ae%e0%a6%bf%e0%a6%af%e0%a6%bc%e0%a6%be%e0%a6%a8%e0%a6%ae%e0%a6%be%e0%a6%b0%e0%a7%87%e0%a6%b0-%e0%a6%ae%e0%a6%82%e0%a6%a1%e0%a7%81%e0%a6%a4%e0%a7%87-%e0%a6%b8%e0%a6%be%e0%a6%ae%e0%a6%b0%e0%a6%bf/#respond</comments>
		
		<dc:creator><![CDATA[adminchtnews24]]></dc:creator>
		<pubDate>Sat, 04 Jul 2026 03:56:02 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[Second lead]]></category>
		<category><![CDATA[জাতীয়]]></category>
		<category><![CDATA[বিশেষ প্রতিবেদন]]></category>
		<category><![CDATA[শিরোনাম]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://chtnews24.com/?p=37415</guid>

					<description><![CDATA[ডেস্ক রির্পোট:- রাখাইন রাজ্যের মংডু জেলায় সামরিক জান্তার বিমান হামলা এবং আরসা (ARSA), আরএসও ( RSO) ও এআরএ (ARA) সহ মুসলিম সশস্ত্র গোষ্ঠীগুলোর সামরিক তৎপরতা একই সময়ে বৃদ্ধি পেয়েছে বলে স্থানীয় সূত্রের বরাতে এবি নিউজ দাবি করেছে। এবি নিউজের প্রতিবেদন অনুযায়ী, জুন মাসের শেষ সপ্তাহ থেকে বাংলাদেশ–মিয়ানমার সীমান্তের নাফ নদী তীর এবং মায়ু পর্বতমালা এলাকায় [&#8230;]]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[<p>ডেস্ক রির্পোট:- রাখাইন রাজ্যের মংডু জেলায় সামরিক জান্তার বিমান হামলা এবং আরসা (ARSA), আরএসও ( RSO) ও এআরএ (ARA) সহ মুসলিম সশস্ত্র গোষ্ঠীগুলোর সামরিক তৎপরতা একই সময়ে বৃদ্ধি পেয়েছে বলে স্থানীয় সূত্রের বরাতে এবি নিউজ দাবি করেছে।</p>
<p>এবি নিউজের প্রতিবেদন অনুযায়ী, জুন মাসের শেষ সপ্তাহ থেকে বাংলাদেশ–মিয়ানমার সীমান্তের নাফ নদী তীর এবং মায়ু পর্বতমালা এলাকায় এসব সশস্ত্র গোষ্ঠী নিয়মিত সীমান্ত অতিক্রম, রসদ পরিবহন ও সরবরাহ সংগ্রহের কার্যক্রম চালিয়ে আসছে।</p>
<p>একই সময়ে সামরিক জান্তাও বেসামরিক জনগণকে লক্ষ্য করে বিমান হামলা জোরদার করেছে বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।</p>
<p>মংডুর বাসিন্দাদের উদ্ধৃত করে প্রতিবেদনে বলা হয়, আরাকান আর্মি সীমান্ত নিরাপত্তা ও স্থিতিশীলতা বজায় রাখতে এলাকায় অভিযান পরিচালনা করার সময় সামরিক জান্তা Y-12 পরিবহন বিমান ও জেট যুদ্ধবিমান ব্যবহার করে বেসামরিক গ্রামগুলোতে বোমা হামলা চালায়।</p>
<p>প্রতিবেদন অনুযায়ী, ২৫ জুনের এক বিমান হামলায় দ্বাদশ শ্রেণির দুই শিক্ষার্থী আহত হন। এছাড়া ১ জুলাই সকালে বুথিডং এলাকায় আরেকটি বিমান হামলায় দুই মুসলিম শিশুসহ তিনজন বেসামরিক ব্যক্তি আহত হন এবং কয়েকটি বাড়িঘর ক্ষতিগ্রস্ত হয়।</p>
<p>এছাড়া ১ জুলাই রাতে মংডু শহরের আশপাশে এবং ২ জুলাই বিকেল ৩টা থেকে সাড়ে ৩টার মধ্যে কিয়েইনচাউং গ্রামের কাছে Y-12 বিমান ও দুটি জেট যুদ্ধবিমান দিয়ে আবারও হামলা চালানো হয়েছে বলে প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে।</p>
<p>প্রতিবেদনটি আরও দাবি করে, একই সময়ে আরসা, আরএসও, ও এআরএ গোষ্ঠীগুলো মায়ু পর্বতমালা এবং মংডুর মিতাইক, থিনবাউহ্লা, দোন্যো ও তাউংপিওসহ বিভিন্ন গ্রামে সামরিক তৎপরতা বাড়িয়েছে।<br />
এছাড়া, মংডুর নাখাখা (৫) ঘাঁটির যুদ্ধে সামরিক জান্তা অতীতে এসব গোষ্ঠীর সঙ্গে যৌথভাবে আরাকান আর্মির বিরুদ্ধে লড়াই করেছিল এবং ওই সংঘর্ষে জান্তা ও সংশ্লিষ্ট গোষ্ঠীগুলোর বহু সদস্য নিহত হয়েছিল বলে প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে।</p>
]]></content:encoded>
					
					<wfw:commentRss>https://chtnews24.com/2026/07/04/%e0%a6%ae%e0%a6%bf%e0%a6%af%e0%a6%bc%e0%a6%be%e0%a6%a8%e0%a6%ae%e0%a6%be%e0%a6%b0%e0%a7%87%e0%a6%b0-%e0%a6%ae%e0%a6%82%e0%a6%a1%e0%a7%81%e0%a6%a4%e0%a7%87-%e0%a6%b8%e0%a6%be%e0%a6%ae%e0%a6%b0%e0%a6%bf/feed/</wfw:commentRss>
			<slash:comments>0</slash:comments>
		
		
			</item>
		<item>
		<title>‘সোজা গুলি করার’ নির্দেশ দিয়েছিলেন শেখ হাসিনা: চিফ প্রসিকিউটর</title>
		<link>https://chtnews24.com/2026/05/10/%e0%a6%b8%e0%a7%8b%e0%a6%9c%e0%a6%be-%e0%a6%97%e0%a7%81%e0%a6%b2%e0%a6%bf-%e0%a6%95%e0%a6%b0%e0%a6%be%e0%a6%b0-%e0%a6%a8%e0%a6%bf%e0%a6%b0%e0%a7%8d%e0%a6%a6%e0%a7%87%e0%a6%b6/</link>
					<comments>https://chtnews24.com/2026/05/10/%e0%a6%b8%e0%a7%8b%e0%a6%9c%e0%a6%be-%e0%a6%97%e0%a7%81%e0%a6%b2%e0%a6%bf-%e0%a6%95%e0%a6%b0%e0%a6%be%e0%a6%b0-%e0%a6%a8%e0%a6%bf%e0%a6%b0%e0%a7%8d%e0%a6%a6%e0%a7%87%e0%a6%b6/#respond</comments>
		
		<dc:creator><![CDATA[adminchtnews24]]></dc:creator>
		<pubDate>Sun, 10 May 2026 11:41:01 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[অপরাধ-অনুসন্ধান]]></category>
		<category><![CDATA[জাতীয়]]></category>
		<category><![CDATA[শিরোনাম]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://chtnews24.com/?p=37276</guid>

					<description><![CDATA[ডেস্ক রির্পোট:- জুলাই-আগস্ট আন্দোলন দমনে তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে ‘লেথাল ওয়েপন’ ব্যবহার করে ‘সোজা গুলি করার’ নির্দেশ দিয়েছিলেন বলে মন্তব্য করেছেন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের চিফ প্রসিকিউটর আমিনুল ইসলাম। রোববার (১০ মে) নিজ কার্যালয়ের সংবাদ সম্মেলনকক্ষে তিনি এ মন্তব্য করেন। এদিন রাজধানীর মোহাম্মদপুরে ৯ জনকে হত্যার ঘটনায় করা মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় ২৮ জনের [&#8230;]]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[<p>ডেস্ক রির্পোট:- জুলাই-আগস্ট আন্দোলন দমনে তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে ‘লেথাল ওয়েপন’ ব্যবহার করে ‘সোজা গুলি করার’ নির্দেশ দিয়েছিলেন বলে মন্তব্য করেছেন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের চিফ প্রসিকিউটর আমিনুল ইসলাম।</p>
<p>রোববার (১০ মে) নিজ কার্যালয়ের সংবাদ সম্মেলনকক্ষে তিনি এ মন্তব্য করেন।</p>
<p>এদিন রাজধানীর মোহাম্মদপুরে ৯ জনকে হত্যার ঘটনায় করা মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় ২৮ জনের বিরুদ্ধে আনুষ্ঠানিক অভিযোগ গঠনের আদেশ দিয়েছেন ট্রাইব্যুনাল।</p>
<p>চিফ প্রসিকিউটর বলেন, ‘আমার নির্দেশনা দেওয়া আছে, ওপেন নির্দেশনা দিয়ে দিছি। এখন লেথাল ওয়েপন ব্যবহার করবে, যেখানে পাবে সোজা গুলি করবে শেখ হাসিনা ও ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের তৎকালীন মেয়র শেখ ফজলে নূর তাপসের কথোপকথনে এমন নির্দেশনার বিষয় উঠে আসে।’ একজন সরকারপ্রধান হিসেবে শেখ হাসিনার এমন নির্দেশনা ছিল অমানবিক ও ভয়াবহ। এর ফলেই সারাদেশে ছাত্র-জনতার ওপর নির্বিচারে গুলি চালানোর প্রবণতা বেড়ে যায় এবং হাজারো মানুষ নিহত হন।</p>
<p>তিনি বলেন, ২০২৪ সালের ১৮ ও ১৯ জুলাই মোহাম্মদপুর এলাকায় ড্রোন ও হেলিকপ্টার ব্যবহার করে ছাত্র-জনতার ওপর নির্বিচারে গুলি চালানো হয়। এতে বহু মানুষ হতাহত হন। সবচেয়ে আবেগের জায়গা হচ্ছে ফাইয়াজকে নির্মমভাবে হত্যা করা হয়েছিল। সেই হত্যাকাণ্ডে আবেগাপ্লুত হয়েছিল পুরো বাংলাদেশ।</p>
<p>তিনি আরও বলেন, মোহাম্মদপুরের এ মামলায় সুপিরিয়র কমান্ড রেসপনসিবিলিটি, ইন্ডিভিজুয়াল রেসপনসিবিলিটি ও টার্গেটেড কিলিংয়ের অভিযোগ পাওয়া গেছে। এ মামলায় অভিযোগ গঠন করেছেন ট্রাইব্যুনাল। আগামী ৮ জুন থেকে সাক্ষ্যগ্রহণ শুরু হবে।</p>
]]></content:encoded>
					
					<wfw:commentRss>https://chtnews24.com/2026/05/10/%e0%a6%b8%e0%a7%8b%e0%a6%9c%e0%a6%be-%e0%a6%97%e0%a7%81%e0%a6%b2%e0%a6%bf-%e0%a6%95%e0%a6%b0%e0%a6%be%e0%a6%b0-%e0%a6%a8%e0%a6%bf%e0%a6%b0%e0%a7%8d%e0%a6%a6%e0%a7%87%e0%a6%b6/feed/</wfw:commentRss>
			<slash:comments>0</slash:comments>
		
		
			</item>
		<item>
		<title>পুলিশের বিতর্কিত কর্মকর্তারা ফিরছেন গুরুত্বপূর্ণ স্টেশনে,বাড়ছে অসন্তোষ</title>
		<link>https://chtnews24.com/2026/05/09/%e0%a6%aa%e0%a7%81%e0%a6%b2%e0%a6%bf%e0%a6%b6%e0%a7%87%e0%a6%b0-%e0%a6%ac%e0%a6%bf%e0%a6%a4%e0%a6%b0%e0%a7%8d%e0%a6%95%e0%a6%bf%e0%a6%a4-%e0%a6%95%e0%a6%b0%e0%a7%8d%e0%a6%ae%e0%a6%95%e0%a6%b0%e0%a7%8d/</link>
					<comments>https://chtnews24.com/2026/05/09/%e0%a6%aa%e0%a7%81%e0%a6%b2%e0%a6%bf%e0%a6%b6%e0%a7%87%e0%a6%b0-%e0%a6%ac%e0%a6%bf%e0%a6%a4%e0%a6%b0%e0%a7%8d%e0%a6%95%e0%a6%bf%e0%a6%a4-%e0%a6%95%e0%a6%b0%e0%a7%8d%e0%a6%ae%e0%a6%95%e0%a6%b0%e0%a7%8d/#respond</comments>
		
		<dc:creator><![CDATA[adminchtnews24]]></dc:creator>
		<pubDate>Sat, 09 May 2026 03:28:26 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[Second lead]]></category>
		<category><![CDATA[জাতীয়]]></category>
		<category><![CDATA[বিশেষ প্রতিবেদন]]></category>
		<category><![CDATA[শিরোনাম]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://chtnews24.com/?p=37229</guid>

					<description><![CDATA[ডেস্ক রির্পোট:- ‘থানার এসি-টিভি খুলে বাসায় নিলেন ওসি’-শিরোনামে ২০২৩ সালের ২৬ আগস্ট জাতীয়একটি প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়। একই দিন অন্য একটি দৈনিকের শিরোনাম ছিল-‘বদলির আদেশ পাওয়ার পর থানার এসি-টেলিভিশন খুলে নিলেন ওসি।’ কয়েকটি শীর্ষস্থানীয় দৈনিক বা নিউজ পোর্টালসহ প্রায় সব গণমাধ্যমেই খবরটি জায়গা করে নেয়। যাকে নিয়ে এই সংবাদ-তিনি ছিলেন টাঙ্গাইলের ভূঞাপুর থানার তৎকালীন ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা [&#8230;]]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[<p>ডেস্ক রির্পোট:- ‘থানার এসি-টিভি খুলে বাসায় নিলেন ওসি’-শিরোনামে ২০২৩ সালের ২৬ আগস্ট জাতীয়একটি প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়। একই দিন অন্য একটি দৈনিকের শিরোনাম ছিল-‘বদলির আদেশ পাওয়ার পর থানার এসি-টেলিভিশন খুলে নিলেন ওসি।’ কয়েকটি শীর্ষস্থানীয় দৈনিক বা নিউজ পোর্টালসহ প্রায় সব গণমাধ্যমেই খবরটি জায়গা করে নেয়।</p>
<p>যাকে নিয়ে এই সংবাদ-তিনি ছিলেন টাঙ্গাইলের ভূঞাপুর থানার তৎকালীন ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মুহাম্মদ ফরিদুল ইসলাম। থানা থেকে শীতাতপ নিয়ন্ত্রণ যন্ত্র (এসি), টেলিভিশন, আইপিএস ও সোফা সেট নিয়ে যাওয়ার ঘটনায় ব্যাপক আলোচনায় আসেন তিনি। অভিযোগ ওঠার পর ভূঞাপুর থানা থেকে জেলা পুলিশ লাইন্সে সংযুক্ত করা হয় তাকে। পতিত আওয়ামী লীগ সরকারের সময়ে প্রভাবশালী সেই ফরিদুল এখন রাজধানীর গুরুত্বপূর্ণ বনানী থানার ওসি।</p>
<p>ফরিদুল ইসলাম বলেন, ভূঞাপুর থানা থেকে জিনিসপত্র নিয়ে যাওয়ার খবরটি ওই সময় মিডিয়ায় অতিরঞ্জিতভাবে ছাপা হয়েছিল। তিনি নিজেকে বঞ্চিতও দাবি করেন।</p>
<p>শুধু ফরিদুল ইসলাম একা নন; আওয়ামী আমলের দায়িত্বপ্রাপ্ত বিতর্কিত পুলিশ কর্মকর্তারা ফের বিভিন্ন থানায় ওসির দায়িত্ব পাচ্ছেন। ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানের পর আওয়ামী সংশ্লিষ্টতার অভিযোগে যাদের ঢাকা থেকে দূরবর্তী স্টেশনে শাস্তিমূলক বদলি করা হয়েছিল, তাদের পদায়ন দেওয়া হচ্ছে ঢাকায়। পুলিশের উচ্চপর্যায়কে ম্যানেজ করেই এসব পদায়ন হচ্ছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে।</p>
<p>বিশ্লেষকরা বলছেন, এ ধরনের পদায়নের মাধ্যমে ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন হচ্ছে গোটা পুলিশ প্রশাসনের। প্রশ্নবিদ্ধ করা হচ্ছে ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানকে।</p>
<p>অপরদিকে আওয়ামী শাসনামলে বঞ্চনার শিকার পুলিশ কর্মকর্তাদের মধ্যে বাড়ছে ক্ষোভ। তাদের অভিযোগ, পদায়নের ক্ষেত্রে বঞ্চিতদের উপেক্ষা করে হাসিনা সরকারের সুবিধাভোগী কর্মকর্তাদেরই প্রাধান্য দেওয়া হচ্ছে।</p>
<p>সাবেক আইজিপি নূরুল হুদা বলেন, আওয়ামী লীগ সরকারের আমলের শেষের দিকে পুলিশ চরম ভাবমূর্তি সংকটে পড়ে। ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানের পর সেই ভাবমূর্তি পুনরুদ্ধারের চেষ্টা চলানো হয়। সাম্প্রতিক সময়ে যেভাবে বিতর্কিত কর্মকর্তাদের গুরুত্বপূর্ণ পদে পদায়ন করা হচ্ছে, তাতে পুলিশের ভাবমূর্তি পুনরুদ্ধার কঠিন হয়ে যাবে।</p>
<p>দুটি হত্যা মামলার আসামি মোহাম্মদ মাহবুব আলম খানকে ৫ মে ফেনীর পুলিশ সুপার (এসপি) হিসাবে পদায়ন করা হয়। পতিত আওয়ামী সরকারের আমলে চাঁপাইনবাবগঞ্জের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার ছিলেন তিনি। ওই সময় তার বিরুদ্ধে বিএনপি-জামায়াতের কর্মসূচিতে বাধা, হামলা ও বিরোধীদলীয় নেতাকর্মীদের ওপর ব্যাপক নির্যাতনের অভিযোগ ওঠে। ৫ আগস্ট আওয়ামী লীগ সরকারের পতন হলে মাহবুবের কর্মকাণ্ড সামনে আসে। চাঁপাইনবাবগঞ্জের আদালত ও থানায় তার বিরুদ্ধে দুটি হত্যা মামলা করেন ভুক্তভোগীরা। এর মধ্যে জেলার শিবগঞ্জ থানার যুবদল নেতা মিজান হত্যা মামলা উল্লেখযোগ্য। ওই মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, ২০১৭ সালের ২৭ এপ্রিল চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলার শিবগঞ্জ থানায় পুলিশের কথিত বন্দুকযুদ্ধে নিহত হন মিজান। এ ঘটনায় নিহতের বাবা আইনাল হক ২০২৪ সালের ১৩ সেপ্টেম্বর শিবগঞ্জ থানায় হত্যা মামলা করেন। ওই মামলার ১০ নম্বর আসামি মাহবুব আলম খান। ২০২৪ সালের ২০ অক্টোবর ফিরোজ আহমেদ নামে আরও একজন ভুক্তভোগী বাদী হয়ে শিবগঞ্জ থানায় অপর হত্যা মামলাটি করেন। ওই মামলায় ১২ জন আসামির মধ্যে মাহবুব আলম খানের নাম ৩ নম্বরে।</p>
<p>মাহবুব আলম খান বলেন, আমার বিরুদ্ধে যে দুটি হত্যা মামলা দেওয়া হয়েছিল তার সঙ্গে আমার কোনো সংশ্লিষ্টতা নেই। উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে আমাকে আসামি করা হয়। আমি আশা করছি সুষ্ঠু তদন্তের মাধ্যমে অভিযোগ থেকে রেহাই পাব। ফেনী জেলায় কবে যোগদান করবেন-জানতে চাইলে বলেন, ‘আইজিপি মহোদয় যেদিন বলবেন, সেদিন।’</p>
<p>নুরুল মুত্তাকিন বিগত আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে ওসি হিসাবে দায়িত্ব পালন করেন ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) ডেমরা, ভাটারা, তুরাগ এবং লালবাগ থানার ওসি হিসাবে। পদোন্নতি পেয়ে ডিএমপির সহকারী কমিশনার (এসি) হিসাবেও কাজ করেন একাধিক স্থানে। ছাত্র-জনতার গণ-অভ্যুত্থানের পর তাকে এপিবিএনে বদলি করা হয়। ৯ মার্চ তাকে এপিবিএন থেকে পদায়ন করা হয় ডিএমপিতে। এখন তিনি এসি (প্যাট্রোল) হিসাবে মোহাম্মদপুরের মতো গুরুত্বপূর্ণ জায়গায় কর্মরত।</p>
<p>নিজেদের বঞ্চিত দাবি করে বেশ কয়েকজন পুলিশ কর্মকর্তা বলেন, ‘বিগত আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে আমাদের ‘ব্ল্যাকলিস্টেড’ করে রাখা হয়েছিল। ছাত্রজীবনে ছাত্রদল করা বা বিএনপিপন্থি পরিবারের সঙ্গে সম্পৃক্ত থাকার কারণে আমাদের পদোন্নতি দেওয়া হয়নি। কোনো গুরুত্বপূর্ণ ইউনিটে পদায়নও দেওয়া হয়নি। বিএনপি সরকার গঠনের পর আমরা আশায় বুক বেঁধেছিলাম। কিন্তু অদৃশ্য ইশারায় ফ্যাসিবাদের দোসররা ফের পুনর্বাসন হচ্ছে।’</p>
<p>কামরুজ্জামান এখন রাজধানীর মতিঝিলের মতো গুরুত্বপূর্ণ থানার ওসি। বিগত আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে কুমিল্লার বাঙ্গুরা বাজার থানা ও মুরাদনগর থানার ওসি হিসাবে চার বছর দায়িত্ব পালন করেন।</p>
<p>আওয়ামী লীগ সরকারের শেষের দিকে ব্রাহ্মণবাড়িয়া নবীনগর থানার ওসি ছিলেন মাহাবুব রহমান। ৯ এপ্রিল তাকে পদায়ন করা হয়েছে নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লা থানায় ওসি হিসাবে। মাহাবুব রহমান বলেন, ‘আওয়ামী লীগ আমলে বঞ্চিত ছিলাম। মাত্র ৮-৯ মাস ওসিগিরি করার সুযোগ পেয়েছি।’</p>
<p>আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে মাদারীপুরের শিবচর থানার পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত) এবং উপপরিদর্শক (এসআই) হিসাবে চাকরি করেছেন আমির হোসেন সেরনিয়াবাত। ২৪ মার্চ তিনি একই থানার ওসি হিসাবে দায়িত্ব পান। এ নিয়ে ব্যাপক সমালোচনা শুরু হলে যোগদানের ৪ দিনের মাথায় তাকে প্রত্যাহার করা হয়।</p>
<p>২০২২ সালের ৩১ জুলাই বিএনপির বিক্ষোভ মিছিলে অংশ নিয়ে পুলিশের গুলিতে নিহত হন ভোলা জেলা ছাত্রদল সভাপতি নুরে আলম। এ ঘটনায় ২০২২ সালের ৪ আগস্ট ভোলা সদর থানার তৎকালীন পরিদর্শক (তদন্ত) আরমান হোসেনসহ ৩৬ পুলিশ সদস্যের নামে হত্যা মামলা হয়। সেই আরমান হোসেনকে সম্প্রতি কক্সবাজারের রামু থানার ওসি হিসাবে পদায়নের বিষয়টি নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে তাকে সেখানে ওসি হিসাবে পদায়ন করা হয়নি।</p>
<p>নূর হোসেন মামুন এবং আতিকুর রহমান। তারা দুজনই আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে দাপটের সঙ্গে ওসি হিসাবে দায়িত্ব পালন করেছেন চট্টগ্রামের বিভিন্ন থানায়। বিরোধী দলের নেতাকর্মীদের ওপর হামলা-মামলায় তারা ছিলেন পারদর্শী। ২০২৪ সালের ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানের আগে মামুন ছিলেন চট্টগ্রাম জোরারগঞ্জ থানার ওসি। এখন তিনি ওসি হিসাবে দায়িত্ব পালন করছেন চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটনের চান্দগাঁও থানায়। আতিকুর রহমান ছিলেন ফ্যাসিস্টের আমলে চট্টগ্রামের লোহাগাড়া থানার ওসি। তিনি এখন চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন পুলিশের (সিএমপি) ইপিজেড থানার ওসি।</p>
<p>আব্দুল মজিদ আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে মুক্তাগাছা ও নান্দাইল থানায় ওসি হিসাবে দায়িত্ব পালন করেন। ২০২৪ সালের বিতর্কিত নির্বাচনের সময়ও তিনি ওসি ছিলেন। ৩০ এপ্রিল তাকে নেত্রকোনার কেন্দুয়া থানার ওসি হিসাবে পদায়ন করা হয়। এ নিয়ে তুমুল বিতর্ক শুরু হলে এক দিনের মাথায় তাকে পরিবর্তন করে জেলা পুলিশে সংযুক্ত করা হয়।</p>
<p>গুলশান থানার ওসি ওসি দাউদ খান। ২০১৫ সাল থেকেই ডিএমপি ডিবিতে কর্মরত ছিলেন তিনি। গণ-অভ্যুত্থানের পর ডিএমপির সব কর্মকর্তাদের ঢাকার বাইরে পাঠানো হলেও তিনি থেকে যান ঢাকাতেই। হন খিলগাঁও থানার ওসি। সেখান থেকে পদায়ন করা হয় ক্যান্টনমেন্ট থানার ওসি হিসাবে। গত মাসে গুলশান থানায় ওসি হিসাবে পদায়ন করা হয় তাকে। এছাড়া ঢাকার আশুলিয়া, সাভার, দক্ষিণ কেরানীগঞ্জ, নারায়ণগঞ্জের বন্দর, সোনারগাঁ, চট্টগ্রাম এবং ময়মনসিংহ রেঞ্জের কয়েকটি থানাসহ সারা দেশে বেশকিছু থানার ওসি পদায়নে খোদ পুলিশের ভেতর থেকে এরই মধ্যে নানা প্রশ্ন উঠেছে।</p>
<p>পুলিশ সদর দপ্তরের ডিআইজি (প্রশাসন) আবু রায়হান মুহাম্মদ সালেহ বলেন, ‘কয়েকদিন আগে আমি প্রশাসন বিভাগের দায়িত্ব গ্রহণ করেছি। এখনো সবকিছু বুঝে উঠতে পারিনি। আগে বিষয়গুলো বুঝে নিই, পরে মন্তব্য করব।’যুগান্তর</p>
]]></content:encoded>
					
					<wfw:commentRss>https://chtnews24.com/2026/05/09/%e0%a6%aa%e0%a7%81%e0%a6%b2%e0%a6%bf%e0%a6%b6%e0%a7%87%e0%a6%b0-%e0%a6%ac%e0%a6%bf%e0%a6%a4%e0%a6%b0%e0%a7%8d%e0%a6%95%e0%a6%bf%e0%a6%a4-%e0%a6%95%e0%a6%b0%e0%a7%8d%e0%a6%ae%e0%a6%95%e0%a6%b0%e0%a7%8d/feed/</wfw:commentRss>
			<slash:comments>0</slash:comments>
		
		
			</item>
		<item>
		<title>তারেক রহমানকে সিলিংয়ের সঙ্গে ঝুলিয়ে রাখা হয়</title>
		<link>https://chtnews24.com/2026/05/07/%e0%a6%a4%e0%a6%be%e0%a6%b0%e0%a7%87%e0%a6%95-%e0%a6%b0%e0%a6%b9%e0%a6%ae%e0%a6%be%e0%a6%a8%e0%a6%95%e0%a7%87-%e0%a6%b8%e0%a6%bf%e0%a6%b2%e0%a6%bf%e0%a6%82%e0%a6%af%e0%a6%bc%e0%a7%87%e0%a6%b0/</link>
					<comments>https://chtnews24.com/2026/05/07/%e0%a6%a4%e0%a6%be%e0%a6%b0%e0%a7%87%e0%a6%95-%e0%a6%b0%e0%a6%b9%e0%a6%ae%e0%a6%be%e0%a6%a8%e0%a6%95%e0%a7%87-%e0%a6%b8%e0%a6%bf%e0%a6%b2%e0%a6%bf%e0%a6%82%e0%a6%af%e0%a6%bc%e0%a7%87%e0%a6%b0/#respond</comments>
		
		<dc:creator><![CDATA[adminchtnews24]]></dc:creator>
		<pubDate>Thu, 07 May 2026 13:27:51 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[Second lead]]></category>
		<category><![CDATA[জাতীয়]]></category>
		<category><![CDATA[রাজনীতি]]></category>
		<category><![CDATA[শিরোনাম]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://chtnews24.com/?p=37183</guid>

					<description><![CDATA[মতিউর রহমান চৌধুরী:- তারেক রহমান। বিএনপি’র চেয়ারম্যান। বাংলাদেশের ইতিহাসে এক অবিস্মরণীয় নির্বাচনে জয়ী হয়ে বর্তমানে রাষ্ট্র ক্ষমতায়। বিলেতে ১৭ বছর কেমন ছিলেন? কীভাবে ছিলেন? কেনইবা তাকে বিলেতে যেতে হলো- তা নিয়ে অন্তহীন কৌতূহল। কখন, কীভাবে ও কারা তাকে গ্রেপ্তার করেছিল এবং অমানবিক নির্যাতন চালানো হয়েছিল তা দীর্ঘ সময় ধরে অজানাই ছিল। সামপ্রতিক এক অনুসন্ধানে চাঞ্চল্যকর [&#8230;]]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[<p>মতিউর রহমান চৌধুরী:- তারেক রহমান। বিএনপি’র চেয়ারম্যান। বাংলাদেশের ইতিহাসে এক অবিস্মরণীয় নির্বাচনে জয়ী হয়ে বর্তমানে রাষ্ট্র ক্ষমতায়। বিলেতে ১৭ বছর কেমন ছিলেন? কীভাবে ছিলেন? কেনইবা তাকে বিলেতে যেতে হলো- তা নিয়ে অন্তহীন কৌতূহল। কখন, কীভাবে ও কারা তাকে গ্রেপ্তার করেছিল এবং অমানবিক নির্যাতন চালানো হয়েছিল তা দীর্ঘ সময় ধরে অজানাই ছিল।</p>
<p>সামপ্রতিক এক অনুসন্ধানে চাঞ্চল্যকর তথ্য বেরিয়ে এসেছে। অনুসন্ধানে জানা যায়, ১/১১-এর সময় ২০০৭ সনের ৭ই মার্চ তারেক রহমানকে গ্রেপ্তার করা হয় ক্যান্টনমেন্টের বাসা থেকে। কারা গ্রেপ্তার করেছিলেন, কীভাবে করেছিলেন তার একটি বয়ান রয়েছে প্রাপ্ত অনুসন্ধানে।</p>
<p>এতে জানা যায়, ঊর্ধ্বতন সেনা কর্মকর্তাদের নির্দেশে কর্নেল (অব.) ইমরান মইনুল রোডের বাসভবন থেকে তাকে সুনির্দিষ্ট কোনো অভিযোগ ছাড়াই গ্রেপ্তার করে ডিজিএফআই-এর জয়েন্ট<br />
ইন্টারোগেশন সেলে নিয়ে যান। জেনারেল মইন ও ব্রিগেডিয়ার জেনারেল এটিএম আমিনের উপস্থিতিতে আর্মি হেড কোয়ার্টারে তারেক রহমানকে গ্রেপ্তারের এই সিদ্ধান্ত নেয়া হয়।</p>
<p><img fetchpriority="high" decoding="async" class="alignnone size-medium wp-image-37184" src="https://chtnews24.com/wp-content/uploads/2026/05/2-300x229.png" alt="" width="300" height="229" srcset="https://chtnews24.com/wp-content/uploads/2026/05/2-300x229.png 300w, https://chtnews24.com/wp-content/uploads/2026/05/2.png 700w" sizes="(max-width: 300px) 100vw, 300px" /><br />
মেজর ইমরানের দেয়া তথ্য অনুযায়ী, একজন রানার ও একজন ড্রাইভার নিয়ে তিনি মইনুল হোসেন রোডস্থ খালেদা জিয়ার বাসভবনে উপস্থিত হন। এ সময় বাসভবনের চারপাশে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর কড়া উপস্থিতি ছিল। মেজর ইমরান বাসভবনের মেইন গেট দিয়ে প্রবেশ করে বাড়ির ভেতরে নিজ গাড়িতেই অবস্থান নেন।</p>
<p>আনুমানিক তিন ঘণ্টা পর তারেক রহমান বাসভবন থেকে বের হলে মেজর ইমরান তাকে নিয়ে গাড়িতে উঠেন। নিয়ে যান নির্ধারিত গন্তব্যে। কিছুদূর এগিয়ে যাওয়ার পর মেজর ইমরানের সঙ্গে থাকা রানার তারেক রহমানের মুখ কালো কাপড় দিয়ে ঢেকে দেন। এ সময় তারেক রহমান জানালা খোলার জন্য অনুরোধ করেন। কিন্তু নিরাপত্তার কারণ দেখিয়ে মেজর ইমরান তা নাকচ করে দেন।</p>
<p>এরপর সিটিআইবি’র দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তারা তারেক রহমানকে জিজ্ঞাসাবাদ শুরু করেন। সিটিআইবি’র তৎকালীন ভারপ্রাপ্ত কর্নেল জিএস লেফটেন্যান্ট কর্নেল (অব.) সাইফুল ইসলাম জোয়ার্দার সেখানে উপস্থিত ছিলেন। তার নির্দেশেই অন্য কর্মকর্তারা বিশ্রী ভাষায় তারেক রহমানকে গালিগালাজ করেন। জেআইসিতেই তারেক রহমানকে তিন-চারদিন রাখা হয়। সেখানে তাকে ঘণ্টার পর ঘণ্টা চোখ বেঁধে রাখা হয়। হাত বাঁধা অবস্থায় ঝুলিয়ে রেখে নির্যাতন করা হয়। দীর্ঘসময় একটানা তার ওপর শারীরিক নির্যাতন চালানো হয়। যা ছিল অমানবিক, বর্বরোচিত।</p>
<p>তারেক রহমানকে দুইবার জেআইসিতে আনা হয়। ২০০৭ সালের ডিসেম্বর মাসে টানা কয়েকদিন জেআইসিতে তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়। অবসরপ্রাপ্ত কর্নেল আব্দুর রব খান তার জবানবন্দিতে উল্লেখ করেছেন, লেফটেন্যান্ট কর্নেল (অব.) সাইফুল ইসলাম জোয়ার্দারের নির্দেশে তারেক রহমানের কাছ থেকে একটি জোরপূর্বক স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি রেকর্ড করা হয়। যে জবানবন্দিতে তারেক রহমান তার ভুলের জন্য জাতির কাছে ক্ষমা চান বলে দাবি করা হয়।</p>
<p>এই সময় কারা কারা উপস্থিত ছিলেন সেই তথ্যও বেরিয়ে এসেছে সামপ্রতিক এক অনুসন্ধানে। চারজন পদস্থ সেনা কর্মকর্তা সারাক্ষণ উপস্থিত থেকে এই জবানবন্দি আদায় করেন। এর মধ্যে ছিলেন লেফটেন্যান্ট কর্নেল (অব.) সাইফুল ইসলাম জোয়ার্দার, লেফটেন্যান্ট কর্নেল (অব.) আব্দুর রব খান, লেফটেন্যান্ট কর্নেল (অব.) জাহিদ হোসেন ও মেজর (অব.) মনির। নির্যাতন চালিয়ে তারেক রহমানকে অনেকটা পঙ্গু করে ফেলা হয়।</p>
<p>স্বাভাবিকভাবেও তিনি হাঁটাচলা করতে পারতেন না। তার ওপর নির্যাতনের একটি কাহিনী অনুসন্ধানী রিপোর্টে সন্নিবেশিত রয়েছে। এতে বলা হয়, বর্তমানে গ্রেপ্তারকৃত লেফটেন্যান্ট জেনারেল (অব.) মাসুদ উদ্দিন চৌধুরী এ সম্পর্কে একটি জবানবন্দি দিয়েছেন। জবানবন্দি অনুযায়ী, ২০০৮ সালের জানুয়ারি মাসে তারেক রহমানের নানি মারা যান। এ সময় তাকে প্যারোলে মুক্তি দেয়া হয়। সে সময় জেনারেল মাসুদ উদ্দিন চৌধুরী প্রত্যক্ষ করেন, তারেক রহমান খুঁড়িয়ে খুঁড়িয়ে হাঁটছেন। তখন তিনি জানার চেষ্টা করেন- কীভাবে তার ওপর নির্যাতন চালানো হয়েছে।</p>
<p>পারিবারিক যোগাযোগের মাধ্যমে জানতে পারেন ডিজিএফআই-এর অফিসাররা তার ওপর অমানুষিক শারীরিক নির্যাতন চালিয়েছেন। এতে তিনি বিচলিত হয়ে সেনাপ্রধান জেনারেল মইন ইউ আহমেদের কাছে জানতে চান- কেন এই নির্যাতন চালানো হয়েছে। এ নিয়ে দু’জনের মধ্যে বাগ্‌বিতণ্ডা হয়।</p>
<p>জেনারেল মাসুদ তার জবানবন্দিতে আরও উল্লেখ করেন, এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে সেনাপ্রধান মইন ইউ আহমেদের সঙ্গে তার অনেক দূরত্ব তৈরি হয়। নির্যাতনের সময় তারেক রহমানকে কীভাবে রাখা হয়েছিল তার একটা বর্ণনা পাওয়া গেছে। লেফটেন্যান্ট কর্নেল (অব.) আব্দুর রব খান জিজ্ঞাসাবাদে স্বীকার করেছেন, জেনারেল (অব.) এটিএম আমিনের নির্দেশে এই নির্যাতন চালানো হয়। তার নির্দেশে তারেক রহমানকে সিলিংয়ের সঙ্গে ঝুলিয়ে রাখা হয়।</p>
<p>ওয়ারেন্ট অফিসার ফজলু জিজ্ঞাসাবাদে বলেছেন, ব্রিগেডিয়ার আমিন তাদেরকে বলেছেন- পরবর্তী নির্দেশ না দেয়া পর্যন্ত ঝুলন্তই থাকবে। এক পর্যায়ে সিলিং থেকে তিনি পড়ে যান এবং কোমরে প্রচণ্ড আঘাত পান। বছরের পর বছর তারেক রহমানকে হাসপাতাল থেকে হাসপাতালে যেতে হয়েছে। এসব ঘটনায় সাত পদস্থ সেনা কর্মকর্তার উপস্থিতি নিশ্চিত হয়েছে অনুসন্ধানে।</p>
<p>এই অফিসাররা হলেন- ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) এটিএম আমিন (তৎকালীন সিটিআইবি’র পরিচালক), ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) চৌধুরী ফজলুল বারী (তৎকালীন সিটিআইবি’র পরিচালক), লেফটেন্যান্ট কর্নেল (অব.) সাইফুল ইসলাম জোয়ার্দার (তৎকালীন ভারপ্রাপ্ত কর্নেল জিএস সিটিআইবি), লেফটেন্যান্ট কর্নেল (অব.) আফজাল নাছের চৌধুরী (তৎকালীন জেএসও-এক), লেফটেন্যান্ট কর্নেল (অব.) আব্দুর রব খান (তৎকালীন জেআইসি অধিনায়ক সিটিআইবি), লেফটেন্যান্ট কর্নেল (অব.) মো. ফরিদ উদ্দিন (তৎকালীন জেএসও-১) এবং মেজর (অব.) মনির (তৎকালীন জেএসও-২, সিটিআইবি)।</p>
<p>জিজ্ঞাসাবাদে মাসুদ উদ্দিন চৌধুরী দাবি করেছেন, তারেক রহমানের ওপর নির্যাতনের সঙ্গে তিনি সম্পৃক্ত ছিলেন না। জেনারেল মইন তাকে অন্যত্র পোস্টিং দিয়েছিলেন। পিএসও হিসেবে দায়িত্ব পালন করছিলেন। তারেক রহমান তার নিকটাত্মীয় বলে জেনারেল মইন তাকে দূরে রেখেছিলেন- এটাও দাবি করেছেন জেনারেল মাসুদ। তারেক রহমানের সঙ্গে জেনারেল মাসুদের কেন দূরত্ব তৈরি হয়েছিল তারও বর্ণনা দিয়েছেন জিজ্ঞাসাবাদে। বলেছেন, অপারেশন ক্লিন হার্টকে কেন্দ্র করেই এই দূরত্ব তৈরি হয়।</p>
<p>উল্লেখ্য, ২০০৮ সালের ১১ই সেপ্টেম্বর তারেক রহমানকে বলপূর্বক দেশত্যাগে বাধ্য করা হয়। এর আগে একটি অঙ্গীকারপত্র সই করিয়ে নেয়া হয়। সুত্র মানবজমিন</p>
]]></content:encoded>
					
					<wfw:commentRss>https://chtnews24.com/2026/05/07/%e0%a6%a4%e0%a6%be%e0%a6%b0%e0%a7%87%e0%a6%95-%e0%a6%b0%e0%a6%b9%e0%a6%ae%e0%a6%be%e0%a6%a8%e0%a6%95%e0%a7%87-%e0%a6%b8%e0%a6%bf%e0%a6%b2%e0%a6%bf%e0%a6%82%e0%a6%af%e0%a6%bc%e0%a7%87%e0%a6%b0/feed/</wfw:commentRss>
			<slash:comments>0</slash:comments>
		
		
			</item>
		<item>
		<title>স্বাস্থ্য খাতে সর্বোচ্চ ব্যয় বরাদ্দের প্রস্তাব,বাজেট ২০২৬-২৭</title>
		<link>https://chtnews24.com/2026/05/07/%e0%a6%b8%e0%a7%8d%e0%a6%ac%e0%a6%be%e0%a6%b8%e0%a7%8d%e0%a6%a5%e0%a7%8d%e0%a6%af-%e0%a6%96%e0%a6%be%e0%a6%a4%e0%a7%87-%e0%a6%b8%e0%a6%b0%e0%a7%8d%e0%a6%ac%e0%a7%8b%e0%a6%9a%e0%a7%8d%e0%a6%9a/</link>
					<comments>https://chtnews24.com/2026/05/07/%e0%a6%b8%e0%a7%8d%e0%a6%ac%e0%a6%be%e0%a6%b8%e0%a7%8d%e0%a6%a5%e0%a7%8d%e0%a6%af-%e0%a6%96%e0%a6%be%e0%a6%a4%e0%a7%87-%e0%a6%b8%e0%a6%b0%e0%a7%8d%e0%a6%ac%e0%a7%8b%e0%a6%9a%e0%a7%8d%e0%a6%9a/#respond</comments>
		
		<dc:creator><![CDATA[adminchtnews24]]></dc:creator>
		<pubDate>Thu, 07 May 2026 02:22:29 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[Second lead]]></category>
		<category><![CDATA[জাতীয়]]></category>
		<category><![CDATA[শিরোনাম]]></category>
		<category><![CDATA[স্বাস্থ্য]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://chtnews24.com/?p=37168</guid>

					<description><![CDATA[ডেস্ক রির্পোট:- আসন্ন ২০২৬-২৭ অর্থবছরের প্রস্তাবিত বাজেটে সরকারের ব্যয়ের অগ্রাধিকার তালিকায় বড় ধরনের পরিবর্তনের আভাস মিলেছে। এতে স্বাস্থ্য খাতে সর্বোচ্চ উন্নয়ন ব্যয় বরাদ্দের প্রস্তাব করা হয়েছে। তবে বিদ্যুৎ খাতের উন্নয়ন ব্যয় কমানো হয়েছে উল্লেখযোগ্যভাবে। অর্থ বিভাগের প্রাথমিক প্রস্তাব অনুযায়ী, স্বাস্থ্যব্যবস্থাকে ডিজিটাল ও সর্বজনীন সুরক্ষার আওতায় আনার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। অন্যদিকে বিদ্যুৎ খাতে অতিরিক্ত উৎপাদন সক্ষমতা [&#8230;]]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[<p>ডেস্ক রির্পোট:- আসন্ন ২০২৬-২৭ অর্থবছরের প্রস্তাবিত বাজেটে সরকারের ব্যয়ের অগ্রাধিকার তালিকায় বড় ধরনের পরিবর্তনের আভাস মিলেছে। এতে স্বাস্থ্য খাতে সর্বোচ্চ উন্নয়ন ব্যয় বরাদ্দের প্রস্তাব করা হয়েছে। তবে বিদ্যুৎ খাতের উন্নয়ন ব্যয় কমানো হয়েছে উল্লেখযোগ্যভাবে। অর্থ বিভাগের প্রাথমিক প্রস্তাব অনুযায়ী, স্বাস্থ্যব্যবস্থাকে ডিজিটাল ও সর্বজনীন সুরক্ষার আওতায় আনার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। অন্যদিকে বিদ্যুৎ খাতে অতিরিক্ত উৎপাদন সক্ষমতা ও ভর্তুকির চাপ বিবেচনায় এনে ব্যয় পুনর্বিন্যাস করা হয়েছে। স্বাস্থ্যসেবা বিভাগের জন্য বরাদ্দ ১২ হাজার ১৬৭ কোটি টাকা থেকে বাড়িয়ে মোট ৪৩ হাজার ১৮৯ কোটি টাকায় উন্নীত করা হয়েছে। এই বৃদ্ধি সরকারের স্বাস্থ্য খাতকে শক্তিশালী করার দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনারই অংশ হিসাবে দেখা হচ্ছে। সবচেয়ে বেশি আলোচিত বিদ্যুৎ খাতে উন্নয়ন ব্যয় কমিয়ে ১৯ হাজার ২৪৪ কোটি টাকার প্রস্তাব করা হয়েছে, যা চলতি অর্থবছরের ২০ হাজার ৩৪২ কোটি টাকার তুলনায় ১ হাজার ৯৮ কোটি টাকা কম। খবর সংশ্লিষ্ট সূত্রের।</p>
<p>বাজেট প্রস্তাব অনুযায়ী, সর্বোচ্চ ব্যয়ের ১০টি খাতের জন্য মোট ৩ লাখ ৫৭ হাজার ৪১৪ কোটি টাকা বরাদ্দের পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে। চলতি অর্থবছরে এসব খাতে বরাদ্দ ছিল ৩ লাখ ২৭ হাজার ২৪৪ কোটি টাকা। অর্থাৎ এক বছরে এই খাতগুলোতে মোট বরাদ্দ বাড়ছে ৩০ হাজার ১৭০ কোটি টাকা। এই তালিকায় সর্বোচ্চ বরাদ্দ পাচ্ছে মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগ। এ খাতে প্রস্তাব করা হয়েছে ৫০ হাজার ৩০২ কোটি টাকা। অপরদিকে বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয় সবচেয়ে কম বরাদ্দ পেতে যাচ্ছে। এর পরিমাণ ১২ হাজার ৮৬৯ কোটি টাকা। এছাড়া অন্য বড় খাতগুলোর মধ্যে রয়েছে-স্থানীয় সরকার বিভাগে ৪৩ হাজার ১৩০ কোটি টাকা, প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ে ৪২ হাজার ৪৬২ কোটি টাকা, প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ে ৪২ হাজার ১৪৫ কোটি টাকা, সড়ক পরিবহণ ও মহাসড়ক বিভাগে ৩৯ হাজার ৭৯ কোটি টাকা, স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে ৩১ হাজার ১০ কোটি টাকা এবং কৃষি মন্ত্রণালয়ে ২৮ হাজার ৭৭৬ কোটি টাকা বরাদ্দের প্রস্তাব। স্বাস্থ্য খাতে বরাদ্দ বৃদ্ধির পেছনে সরকারের একটি বড় পরিকল্পনা রয়েছে। স্বাস্থ্য সংস্কারের অংশ হিসাবে ‘ই-হেলথ কার্ড’ এবং ‘জাতীয় স্বাস্থ্যবিমা’ চালুর উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এই দুটি উদ্যোগকে ভবিষ্যতের স্বাস্থ্যব্যবস্থার প্রধান ভিত্তি হিসাবে বিবেচনা করা হচ্ছে। এ প্রসঙ্গে সাবেক অর্থ সচিব মাহবুব আহমেদ যুগান্তরকে বলেন, স্বাস্থ্য খাতে বরাদ্দ বাড়ানো সময়োপযোগী ও প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ। বাংলাদেশ দীর্ঘদিন ধরেই স্বাস্থ্য খাতে তুলনামূলক কম বিনিয়োগ করে আসছে। ফলে জনগণের নিজস্ব পকেট থেকে চিকিৎসা ব্যয় বহনের হার অনেক বেশি। এই প্রেক্ষাপটে বাজেটে স্বাস্থ্য খাতে বড় আকারে বরাদ্দ বৃদ্ধি ইতিবাচক সংকেত। তিনি আরও বলেন, ই-হেলথ কার্ড ও জাতীয় স্বাস্থ্যবিমার মতো উদ্যোগ বাস্তবায়িত হলে স্বাস্থ্যসেবায় প্রবেশাধিকার বাড়বে এবং ব্যয় কাঠামো আরও স্বচ্ছ হবে। তবে তিনি সতর্ক করে বলেন, শুধু বরাদ্দ বাড়ালেই হবে না, বরং এই অর্থ কার্যকরভাবে ব্যয় নিশ্চিত করা এবং দুর্নীতি ও অপচয় নিয়ন্ত্রণ করাই হবে সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ। অন্যদিকে বিদ্যুৎ খাতের বরাদ্দ কমানো প্রসঙ্গে তিনি বলেন, বর্তমানে উৎপাদন সক্ষমতা চাহিদার তুলনায় বেশি থাকায় নতুন প্রকল্পে বিনিয়োগ কমিয়ে বিদ্যমান অবকাঠামোর দক্ষ ব্যবহার নিশ্চিত করা যৌক্তিক সিদ্ধান্ত। তবে ভর্তুকি কমানোর প্রক্রিয়াটি ধীরে ও পরিকল্পিতভাবে করতে হবে, যাতে শিল্প ও সাধারণ ভোক্তাদের ওপর অতিরিক্ত চাপ না পড়ে।</p>
<p>বিদ্যুৎ খাতে উন্নয়ন ব্যয় কমানোর পেছনে একাধিক কারণ কাজ করছে। বিদ্যুৎ বিভাগ সূত্র জানিয়েছে, বর্তমানে দেশের বিদ্যুৎ উৎপাদন সক্ষমতা চাহিদার তুলনায় অনেক বেশি। দেশে মোট উৎপাদন সক্ষমতা প্রায় ৩০ হাজার ৭৩৮ মেগাওয়াট হলেও প্রকৃত চাহিদা ১৪ থেকে ১৫ হাজার মেগাওয়াটের মধ্যে সীমাবদ্ধ। ফলে নতুন বিদ্যুৎকেন্দ্র স্থাপনের পরিবর্তে বিদ্যমান অবকাঠামোর দক্ষ ব্যবস্থাপনার দিকে জোর দেওয়া হচ্ছে। এছাড়া বিদ্যুৎ উৎপাদন ব্যয় প্রায় ১০ শতাংশ কমিয়ে ভর্তুকির চাপ কমানোর পরিকল্পনাও নেওয়া হয়েছে। আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিল (আইএমএফ)-এর ঋণের শর্ত অনুযায়ী বিদ্যুৎ ও জ্বালানি খাতে ভর্তুকি ধীরে ধীরে কমিয়ে আনার বাধ্যবাধকতাও রয়েছে, যা বাজেট বরাদ্দে প্রভাব ফেলেছে। এছাড়া বৈশ্বিক বাজারে জ্বালানির দাম বৃদ্ধি এবং ডলার সংকটে গ্যাস, কয়লা ও তেল আমদানিতে বিপুল পরিমাণ অর্থ ব্যয় করতে হচ্ছে। এর ফলে নতুন উন্নয়ন প্রকল্পে বিনিয়োগের সুযোগ সীমিত হয়ে পড়ছে। এ পরিস্থিতিতে সরকার বিদ্যুৎ উৎপাদনের চেয়ে সঞ্চালন ও বিতরণ ব্যবস্থার উন্নয়নে বেশি গুরুত্ব দিচ্ছে। উৎপাদিত বিদ্যুৎ গ্রাহকের কাছে সঠিকভাবে পৌঁছে দেওয়া এখন বড় চ্যালেঞ্জ হিসাবে বিবেচিত হচ্ছে।</p>
<p>এ প্রসঙ্গে পলিসি এক্সচেঞ্জের চেয়ারম্যান এম মাসরুর রিয়াজ বলেন, এই বাজেট প্রস্তাব মূলত অগ্রাধিকারের একটি কৌশলগত পরিবর্তন নির্দেশ করে। তিনি জানান, সরকার ধীরে ধীরে অবকাঠামোকেন্দ্রিক ব্যয় থেকে মানবসম্পদ উন্নয়নমুখী ব্যয়ের দিকে সরে আসছে, যা দীর্ঘমেয়াদে অর্থনীতির জন্য ইতিবাচক। তিনি মনে করেন, স্বাস্থ্য খাতে বিনিয়োগ বাড়ানো উৎপাদনশীলতা বৃদ্ধিতে সরাসরি ইতিবাচক ভূমিকা রাখবে। বিদ্যুৎ খাত প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ভর্তুকি কমানোর পাশাপাশি বিদ্যুৎ খাতের আর্থিক শৃঙ্খলা নিশ্চিত করতে কাঠামোগত সংস্কারও প্রয়োজন।যুগান্তর</p>
]]></content:encoded>
					
					<wfw:commentRss>https://chtnews24.com/2026/05/07/%e0%a6%b8%e0%a7%8d%e0%a6%ac%e0%a6%be%e0%a6%b8%e0%a7%8d%e0%a6%a5%e0%a7%8d%e0%a6%af-%e0%a6%96%e0%a6%be%e0%a6%a4%e0%a7%87-%e0%a6%b8%e0%a6%b0%e0%a7%8d%e0%a6%ac%e0%a7%8b%e0%a6%9a%e0%a7%8d%e0%a6%9a/feed/</wfw:commentRss>
			<slash:comments>0</slash:comments>
		
		
			</item>
	</channel>
</rss>
