<?xml version="1.0" encoding="UTF-8"?><rss version="2.0"
	xmlns:content="http://purl.org/rss/1.0/modules/content/"
	xmlns:wfw="http://wellformedweb.org/CommentAPI/"
	xmlns:dc="http://purl.org/dc/elements/1.1/"
	xmlns:atom="http://www.w3.org/2005/Atom"
	xmlns:sy="http://purl.org/rss/1.0/modules/syndication/"
	xmlns:slash="http://purl.org/rss/1.0/modules/slash/"
	>

<channel>
	<title>খাগড়াছড়ি &#8211; chtnews24.com</title>
	<atom:link href="https://chtnews24.com/category/%E0%A6%96%E0%A6%BE%E0%A6%97%E0%A6%A1%E0%A6%BC%E0%A6%BE%E0%A6%9B%E0%A6%A1%E0%A6%BC%E0%A6%BF/feed/" rel="self" type="application/rss+xml" />
	<link>https://chtnews24.com</link>
	<description></description>
	<lastBuildDate>Sun, 18 Oct 2026 03:34:18 +0000</lastBuildDate>
	<language>en-US</language>
	<sy:updatePeriod>
	hourly	</sy:updatePeriod>
	<sy:updateFrequency>
	1	</sy:updateFrequency>
	<generator>https://wordpress.org/?v=7.1.3</generator>
	<item>
		<title>খাগড়াছড়িতে প্রবারণা পূর্ণিমা ও দুর্গাপূজা উপলক্ষ্যে ৬১টি ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানে অনুদান দিলেন ওয়াদুদ ভূইয়া</title>
		<link>https://chtnews24.com/2026/10/18/%e0%a6%96%e0%a6%be%e0%a6%97%e0%a6%a1%e0%a6%bc%e0%a6%be%e0%a6%9b%e0%a6%a1%e0%a6%bc%e0%a6%bf%e0%a6%a4%e0%a7%87-%e0%a6%aa%e0%a7%8d%e0%a6%b0%e0%a6%ac%e0%a6%be%e0%a6%b0%e0%a6%a3%e0%a6%be-%e0%a6%aa%e0%a7%82/</link>
					<comments>https://chtnews24.com/2026/10/18/%e0%a6%96%e0%a6%be%e0%a6%97%e0%a6%a1%e0%a6%bc%e0%a6%be%e0%a6%9b%e0%a6%a1%e0%a6%bc%e0%a6%bf%e0%a6%a4%e0%a7%87-%e0%a6%aa%e0%a7%8d%e0%a6%b0%e0%a6%ac%e0%a6%be%e0%a6%b0%e0%a6%a3%e0%a6%be-%e0%a6%aa%e0%a7%82/#respond</comments>
		
		<dc:creator><![CDATA[adminchtnews24]]></dc:creator>
		<pubDate>Sun, 18 Oct 2026 03:34:18 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[Second lead]]></category>
		<category><![CDATA[খাগড়াছড়ি]]></category>
		<category><![CDATA[রকমারি]]></category>
		<category><![CDATA[শিরোনাম]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://chtnews24.com/?p=39080</guid>

					<description><![CDATA[খাগড়াছড়ি:- দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয় কর্তৃক আসন্ন শারদীয় দুর্গাপূজা-২০২৬ উপলক্ষ্যে রামগড় উপজেলাধীন ২টি পূজামণ্ডপ, প্রবারণা পূর্ণিমা উপলক্ষ্যে ৫৯টি বৌদ্ধবিহার এবং সম্প্রতি অতিবৃষ্টি ও পাহাড়ি ঢলে সৃষ্ট বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের মাঝে শিশু খাদ্য ও গোখাদ্য বিতরণ করা হয়েছে। শনিবার (১৭ অক্টোবর) রামগড় উপজেলা পরিষদ মিলনায়তনে উপজেলা নির্বাহী অফিসার কাজী শামীমের সভাপতিত্বে বিতরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি [&#8230;]]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[<p>খাগড়াছড়ি:- দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয় কর্তৃক আসন্ন শারদীয় দুর্গাপূজা-২০২৬ উপলক্ষ্যে রামগড় উপজেলাধীন ২টি পূজামণ্ডপ, প্রবারণা পূর্ণিমা উপলক্ষ্যে ৫৯টি বৌদ্ধবিহার এবং সম্প্রতি অতিবৃষ্টি ও পাহাড়ি ঢলে সৃষ্ট বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের মাঝে শিশু খাদ্য ও গোখাদ্য বিতরণ করা হয়েছে।</p>
<p>শনিবার (১৭ অক্টোবর) রামগড় উপজেলা পরিষদ মিলনায়তনে উপজেলা নির্বাহী অফিসার কাজী শামীমের সভাপতিত্বে বিতরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সভাপতি এবং সংসদ সদস্য ওয়াদুদ ভূইয়া। প্রধান অতিথি হিসেবে তিনি এসব অনুদান ও খাদ্যসামগ্রী বিতরণ করেন।</p>
<p>ইউএনও জানান, দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয় থেকে প্রাপ্ত বরাদ্দের আওতায় আসন্ন শারদীয় দুর্গাপূজা-২০২৬ উপলক্ষ্যে রামগড় উপজেলাধীন ২টি পূজামণ্ডপকে (প্রতিটি ৬০০ কেজি করে চাল) এবং প্রবারণা পূর্ণিমা উপলক্ষ্যে ৫৯টি বৌদ্ধবিহারকে (প্রতিটি ৬০০ কেজি করে চাল) সরকারি অনুদান দেওয়া হয়েছে। এ ছাড়া সাম্প্রতিক বন্যা ও পাহাড়ধসে ক্ষতিগ্রস্ত ২০টি পরিবারের মাঝে শিশু খাদ্য (প্রতি ব্যাগে রয়েছে (১) গুঁড়া দুধ ২৫০ গ্রাম; (২) সুজি ১ কেজি; (৩) সাগু ১ কেজি; (৪) চিনি ১ কেজি; (৫) বড় সাইজের বিস্কুট ১ প্যাকেট; (৬) খেজুর ১০০ গ্রাম; (৭) বাদাম ৫০ গ্রাম; (৮) পানি বিশুদ্ধকরণ ট্যাবলেট ৫০টি) প্রদান করা হয়েছে। ৩০টি পরিবারের মাঝে জনপ্রতি ২৫ কেজি করে গমের ভুসি বিতরণ করা হয়।</p>
<p>অনুষ্ঠানে বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গ, সরকারি কর্মকর্তাবৃন্দ, রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ, সাংবাদিকবৃন্দসহ অন্যান্য ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন।</p>
<p>এর আগে এমপি ওয়াদুদ ভূঁইয়া রামগড়ের হাতিখেদা এলাকায় বনায়ন কর্মসূচির উদ্বোধন করেন।</p>
]]></content:encoded>
					
					<wfw:commentRss>https://chtnews24.com/2026/10/18/%e0%a6%96%e0%a6%be%e0%a6%97%e0%a6%a1%e0%a6%bc%e0%a6%be%e0%a6%9b%e0%a6%a1%e0%a6%bc%e0%a6%bf%e0%a6%a4%e0%a7%87-%e0%a6%aa%e0%a7%8d%e0%a6%b0%e0%a6%ac%e0%a6%be%e0%a6%b0%e0%a6%a3%e0%a6%be-%e0%a6%aa%e0%a7%82/feed/</wfw:commentRss>
			<slash:comments>0</slash:comments>
		
		
			</item>
		<item>
		<title>খাগড়াছড়ির পানছড়ি সীমান্তে এসএমজি ও ১০০ রাউন্ড গুলি উদ্ধার</title>
		<link>https://chtnews24.com/2026/10/18/%e0%a6%96%e0%a6%be%e0%a6%97%e0%a6%a1%e0%a6%bc%e0%a6%be%e0%a6%9b%e0%a6%a1%e0%a6%bc%e0%a6%bf%e0%a6%b0-%e0%a6%aa%e0%a6%be%e0%a6%a8%e0%a6%9b%e0%a6%a1%e0%a6%bc%e0%a6%bf-%e0%a6%b8%e0%a7%80%e0%a6%ae%e0%a6%be/</link>
					<comments>https://chtnews24.com/2026/10/18/%e0%a6%96%e0%a6%be%e0%a6%97%e0%a6%a1%e0%a6%bc%e0%a6%be%e0%a6%9b%e0%a6%a1%e0%a6%bc%e0%a6%bf%e0%a6%b0-%e0%a6%aa%e0%a6%be%e0%a6%a8%e0%a6%9b%e0%a6%a1%e0%a6%bc%e0%a6%bf-%e0%a6%b8%e0%a7%80%e0%a6%ae%e0%a6%be/#respond</comments>
		
		<dc:creator><![CDATA[adminchtnews24]]></dc:creator>
		<pubDate>Sun, 18 Oct 2026 03:32:06 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[Second lead]]></category>
		<category><![CDATA[খাগড়াছড়ি]]></category>
		<category><![CDATA[রকমারি]]></category>
		<category><![CDATA[শিরোনাম]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://chtnews24.com/?p=39077</guid>

					<description><![CDATA[খাগড়াছড়ি:- খাগড়াছড়ির পানছড়ি সীমান্তে অভিযান চালিয়ে একটি ৭.৬২ মিলিমিটার সাবমেশিনগান (এসএমজি), ১০০ রাউন্ড গুলি ও দুটি বাটন মোবাইল ফোন উদ্ধার করেছে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি)। এ সময় ১০ থেকে ১২ জনের একটি সন্দেহভাজন দল পালিয়ে যায়। গত (১৬ অক্টোবর) রাত সোয়া ৮টার দিকে পানছড়ি উপজেলার কচুছড়িমুখ পাড়া এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। পানছড়ি ব্যাটালিয়ন (৩ বিজিবি) [&#8230;]]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[<p>খাগড়াছড়ি:- খাগড়াছড়ির পানছড়ি সীমান্তে অভিযান চালিয়ে একটি ৭.৬২ মিলিমিটার সাবমেশিনগান (এসএমজি), ১০০ রাউন্ড গুলি ও দুটি বাটন মোবাইল ফোন উদ্ধার করেছে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি)। এ সময় ১০ থেকে ১২ জনের একটি সন্দেহভাজন দল পালিয়ে যায়।<br />
গত (১৬ অক্টোবর) রাত সোয়া ৮টার দিকে পানছড়ি উপজেলার কচুছড়িমুখ পাড়া এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।<br />
পানছড়ি ব্যাটালিয়ন (৩ বিজিবি) সূত্রে জানা যায়, বৌদ্ধমনিপাড়া বিওপির নায়েব সুবেদার মো. এমদাদুল হকের নেতৃত্বে বিজিবির একটি টহল দল সীমান্ত এলাকায় নিয়মিত টহল দিচ্ছিল। এ সময় সীমান্তের কাছের পাহাড় থেকে কাঁধে ব্যাগ নিয়ে ১০ থেকে ১২ জনকে সীমান্ত সড়কে নেমে আসতে দেখে টহল দল। তাদের থামার নির্দেশ দিলে তারা পালানোর চেষ্টা করে। বিজিবি সদস্যরা ধাওয়া করলে তারা পাশের পাহাড়ি জঙ্গলে পালিয়ে যায়।<br />
পরে ঘটনাস্থল ও আশপাশের এলাকায় তল্লাশি চালিয়ে পরিত্যক্ত অবস্থায় অস্ত্র, গুলি ও মোবাইল ফোন উদ্ধার করা হয়। উদ্ধার করা অস্ত্র ও গোলাবারুদ পানছড়ি থানায় হস্তান্তরের প্রক্রিয়া চলছে।<br />
পানছড়ি ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল মোহাম্মদ রবিউল ইসলামের দিকনির্দেশনায় এ অভিযান পরিচালিত হয়।<br />
সীমান্তের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা, অবৈধ অস্ত্র ও গোলাবারুদ পাচার প্রতিরোধ এবং শান্তি-শৃঙ্খলা বজায় রাখতে বিজিবির নজরদারি ও অভিযান অব্যাহত থাকবে বলে জানিয়েছে ব্যাটালিয়ন কর্তৃপক্ষ।</p>
]]></content:encoded>
					
					<wfw:commentRss>https://chtnews24.com/2026/10/18/%e0%a6%96%e0%a6%be%e0%a6%97%e0%a6%a1%e0%a6%bc%e0%a6%be%e0%a6%9b%e0%a6%a1%e0%a6%bc%e0%a6%bf%e0%a6%b0-%e0%a6%aa%e0%a6%be%e0%a6%a8%e0%a6%9b%e0%a6%a1%e0%a6%bc%e0%a6%bf-%e0%a6%b8%e0%a7%80%e0%a6%ae%e0%a6%be/feed/</wfw:commentRss>
			<slash:comments>0</slash:comments>
		
		
			</item>
		<item>
		<title>আব্দুল ওয়াদুদ ভূঁইয়া: ছাত্ররাজনীতি থেকে  পার্বত্য উন্নয়নের নানা অধ্যায়ের সঙ্গে জড়িয়ে থাকা এক নেতার গল্প</title>
		<link>https://chtnews24.com/2026/10/08/%e0%a6%86%e0%a6%ac%e0%a7%8d%e0%a6%a6%e0%a7%81%e0%a6%b2-%e0%a6%93%e0%a6%af%e0%a6%bc%e0%a6%be%e0%a6%a6%e0%a7%81%e0%a6%a6-%e0%a6%ad%e0%a7%82%e0%a6%81%e0%a6%87%e0%a6%af%e0%a6%bc%e0%a6%be-%e0%a6%9b/</link>
					<comments>https://chtnews24.com/2026/10/08/%e0%a6%86%e0%a6%ac%e0%a7%8d%e0%a6%a6%e0%a7%81%e0%a6%b2-%e0%a6%93%e0%a6%af%e0%a6%bc%e0%a6%be%e0%a6%a6%e0%a7%81%e0%a6%a6-%e0%a6%ad%e0%a7%82%e0%a6%81%e0%a6%87%e0%a6%af%e0%a6%bc%e0%a6%be-%e0%a6%9b/#respond</comments>
		
		<dc:creator><![CDATA[adminchtnews24]]></dc:creator>
		<pubDate>Thu, 08 Oct 2026 15:07:14 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[Second lead]]></category>
		<category><![CDATA[খাগড়াছড়ি]]></category>
		<category><![CDATA[বিশেষ প্রতিবেদন]]></category>
		<category><![CDATA[রকমারি]]></category>
		<category><![CDATA[শিরোনাম]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://chtnews24.com/?p=38984</guid>

					<description><![CDATA[এসএম শামসুল আলম:&#8212; পার্বত্য জেলা খাগড়াছড়ির রাজনীতিতে আব্দুল ওয়াদুদ ভূঁইয়া একটি দীর্ঘ সময় ধরে আলোচিত নাম। ছাত্ররাজনীতি দিয়ে যাত্রা শুরু করে জেলা বিএনপির নেতৃত্ব, সংসদ সদস্য, পার্বত্য চট্টগ্রাম উন্নয়ন বোর্ডের চেয়ারম্যান এবং বর্তমানে জাতীয় সংসদের সদস্য ও পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সভাপতির দায়িত্ব—বিভিন্ন পর্যায়ে দায়িত্ব পালনের মধ্য দিয়ে তিনি নিজের রাজনৈতিক [&#8230;]]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[<p>এসএম শামসুল আলম:&#8212; পার্বত্য জেলা খাগড়াছড়ির রাজনীতিতে আব্দুল ওয়াদুদ ভূঁইয়া একটি দীর্ঘ সময় ধরে আলোচিত নাম। ছাত্ররাজনীতি দিয়ে যাত্রা শুরু করে জেলা বিএনপির নেতৃত্ব, সংসদ সদস্য, পার্বত্য চট্টগ্রাম উন্নয়ন বোর্ডের চেয়ারম্যান এবং বর্তমানে জাতীয় সংসদের সদস্য ও পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সভাপতির দায়িত্ব—বিভিন্ন পর্যায়ে দায়িত্ব পালনের মধ্য দিয়ে তিনি নিজের রাজনৈতিক অবস্থান তৈরি করেছেন।<br />
২০২৬ সালের ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে খাগড়াছড়ি-২৯৮ আসন থেকে বিএনপির প্রার্থী হিসেবে নির্বাচিত হয়ে তিনি তৃতীয়বারের মতো সংসদ সদস্য হয়েছেন। এর আগে ১৯৯৬ ও ২০০১ সালের নির্বাচনেও একই আসন থেকে জয়ী হয়েছিলেন।</p>
<p>রামগড় থেকে রাজনীতির যাত্রা&#8212;-<br />
আব্দুল ওয়াদুদ ভূঁইয়ার জন্ম ১৯৬৫ সালের ৫ জানুয়ারি খাগড়াছড়ির রামগড় এলাকায়। তাঁর পিতা ছালেহ আহম্মদ ভূঁইয়া এবং মাতা বিয়া ছালেহ। চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় থেকে সমাজবিজ্ঞানে এমএসএস ডিগ্রি অর্জন করেন তিনি।<br />
তাঁর রাজনৈতিক জীবনের শুরু ছাত্ররাজনীতির মধ্য দিয়ে। বিভিন্ন জীবনীভিত্তিক সূত্র অনুযায়ী, ১৯৮০ থেকে ১৯৯০ সাল পর্যন্ত তিনি জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের রামগড় রাজনৈতিক জেলা শাখার নেতৃত্বে ছিলেন। একই সময়ে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রদলের সঙ্গেও যুক্ত হন এবং ১৯৮৭ থেকে ১৯৮৯ সাল পর্যন্ত বিশ্ববিদ্যালয় শাখার আহ্বায়ক ও সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। পরে ১৯৯০ থেকে ১৯৯২ সাল পর্যন্ত রামগড় রাজনৈতিক জেলা যুবদলের সভাপতি ছিলেন।<br />
এই সময়টিই তাঁর রাজনৈতিক ভিত গড়ে ওঠার গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায়। ছাত্রদলের সাংগঠনিক কর্মকাণ্ড, এরশাদবিরোধী আন্দোলন এবং পরবর্তী সময়ে বিএনপির রাজনীতিতে সক্রিয় অংশগ্রহণ তাঁকে ধীরে ধীরে খাগড়াছড়ির বৃহত্তর রাজনীতির সামনে নিয়ে আসে।<br />
স্থানীয় জনপ্রতিনিধি থেকে জাতীয় রাজনীতিতে<br />
ওয়াদুদ ভূঁইয়ার রাজনৈতিক উত্থানের একটি গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক ১৯৮৯ সালের খাগড়াছড়ি পার্বত্য জেলা পরিষদ নির্বাচন। ওই নির্বাচনে তিনি সদস্য নির্বাচিত হন। পরবর্তী সময়ে জেলা পরিষদের চেয়ারম্যানের সঙ্গে মতবিরোধের প্রেক্ষাপটে তিনি পদত্যাগ করেন।<br />
এরপর জাতীয় সংসদ নির্বাচনে তাঁর সরাসরি অংশগ্রহণ শুরু হয়। ১৯৯১ সালের নির্বাচনে বিএনপির প্রার্থী হিসেবে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করলেও জয়ী হতে পারেননি। ১৯৯৬ সালের নির্বাচনেও প্রথম দফায় পরাজয়ের পর একই বছর অনুষ্ঠিত ষষ্ঠ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে খাগড়াছড়ি-২৯৮ আসন থেকে বিএনপির প্রার্থী হিসেবে নির্বাচিত হন। ২০০১ সালের অষ্টম জাতীয় সংসদ নির্বাচনেও একই আসন থেকে জয়ী হয়ে দ্বিতীয়বার সংসদ সদস্য হন।<br />
অর্থাৎ ২০২৬ সালের নির্বাচন পর্যন্ত আব্দুল ওয়াদুদ ভূঁইয়া তিনবার সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়েছেন—১৯৯৬, ২০০১ ও ২০২৬ সালে।</p>
<p>সংসদ সদস্য হিসেবে দায়িত্ব&#8212;&#8212;<br />
১৯৯৬ সালে প্রথমবার সংসদ সদস্য হওয়ার পর থেকেই জাতীয় সংসদে খাগড়াছড়ির প্রতিনিধিত্ব করেন ওয়াদুদ ভূঁইয়া। ২০০১ সালে দ্বিতীয়বার সংসদ সদস্য নির্বাচিত হওয়ার পর তাঁর রাজনৈতিক ও প্রশাসনিক পরিসর আরও বিস্তৃত হয়।<br />
২০০১ সালে তিনি পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সদস্য এবং সরকারি প্রতিষ্ঠান সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সদস্য হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।<br />
তবে তাঁর সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ সরকারি দায়িত্বগুলোর একটি ছিল পার্বত্য চট্টগ্রাম উন্নয়ন বোর্ডের চেয়ারম্যান পদ। সরকারি উন্নয়ন বোর্ডের তথ্য অনুযায়ী, তিনি ১৩ ফেব্রুয়ারি ২০০২ থেকে ২২ নভেম্বর ২০০৬ পর্যন্ত এ দায়িত্বে ছিলেন।<br />
এই দায়িত্ব পালনকালে পার্বত্য অঞ্চলের অবকাঠামো, যোগাযোগ, শিক্ষা, কৃষি ও আর্থ-সামাজিক উন্নয়ন নিয়ে বিভিন্ন প্রকল্প বাস্তবায়নের সঙ্গে তাঁর নাম যুক্ত হয়। তাঁর সমর্থকদের দাবি, ওই সময় খাগড়াছড়িসহ পার্বত্য এলাকার বিভিন্ন স্থানে উন্নয়ন কর্মকাণ্ডের বিস্তার ঘটে।<br />
বিএনপির জেলা নেতৃত্বে উত্থান&#8212;-<br />
জাতীয় রাজনীতির পাশাপাশি খাগড়াছড়ি বিএনপির সাংগঠনিক নেতৃত্বেও ওয়াদুদ ভূঁইয়ার অবস্থান শক্ত হয়। তিনি ১৯৯৩ থেকে ২০০৯ সাল পর্যন্ত তিনি খাগড়াছড়ি জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক ছিলেন। ২০০৯ সালে জেলা বিএনপির সভাপতি নির্বাচিত হন এবং একই সময়ে বিএনপির কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য হন। পরে কেন্দ্রীয় বিএনপিতে সহ-কর্মসংস্থান বিষয়ক সম্পাদকের দায়িত্ব পান।<br />
দীর্ঘ সময় ধরে জেলা বিএনপির নেতৃত্বে থাকায় খাগড়াছড়িতে দলটির সাংগঠনিক কাঠামো তৈরিতে তাঁর ভূমিকা রয়েছে।<br />
পাহাড়ের রাজনীতিতে পরিচিতি&#8212;-<br />
ওয়াদুদ ভূঁইয়ার রাজনৈতিক পরিচয়ের আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ দিক হলো পার্বত্য চট্টগ্রামের রাজনৈতিক ইস্যুতে তাঁর অবস্থান। ১৯৯৭ সালের পার্বত্য চট্টগ্রাম চুক্তির বিরোধিতা করে বিএনপির তৎকালীন রাজনৈতিক কর্মসূচিতে তিনি সক্রিয় ছিলেন। ওই সময়কার লংমার্চ কর্মসূচির তিনি অন্যতম সংগঠক ছিলেন।<br />
এ কারণে পাহাড়ের রাজনীতিতে তাঁর পরিচিতি কেবল বিএনপির একজন জেলা নেতা হিসেবে সীমাবদ্ধ থাকেনি; পার্বত্য চট্টগ্রামের রাজনৈতিক অধিকার, পাহাড়ি-বাঙালি সম্পর্ক, ভূমি ও আঞ্চলিক রাজনৈতিক কাঠামো নিয়েও তাঁর অবস্থান তাঁকে আলোচনার কেন্দ্রে রেখেছে।<br />
তাঁর সমর্থকদের কাছে তিনি পাহাড়ে বিএনপির অন্যতম প্রধান সংগঠক।<br />
উন্নয়ন ও জনসম্পৃক্ততার দাবি&#8212;&#8211;<br />
সংসদ সদস্য ও পার্বত্য চট্টগ্রাম উন্নয়ন বোর্ডের চেয়ারম্যান থাকার সময় শিক্ষা, যোগাযোগ, কৃষি, স্বাস্থ্য, অবকাঠামো এবং আর্থ-সামাজিক উন্নয়নে বিভিন্ন উদ্যোগ নেওয়ার কথা তাঁর নির্বাচনী হলফনামাতেও উল্লেখ রয়েছে। ২০২৬ সালের নির্বাচনের আগে জমা দেওয়া হলফনামায় তিনি দাবি করেন, ১৯৯৬ ও ২০০১ সালে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হওয়ার পর ভোটারদের কাছে দেওয়া প্রতিশ্রুতির অংশ হিসেবে কৃষি, স্বাস্থ্য, শিক্ষা, কর্মসংস্থানসহ আর্থ-সামাজিক উন্নয়নে কাজ করেছেন।<br />
তাঁর রাজনৈতিক অনুসারীদের বক্তব্য, পাহাড়ি-বাঙালি উভয় জনগোষ্ঠীর সঙ্গে যোগাযোগ রেখে উন্নয়ন কার্যক্রম পরিচালনা এবং বিভিন্ন সামাজিক ও ধর্মীয় অনুষ্ঠানে অংশ নেওয়ার মাধ্যমে তিনি দীর্ঘদিন ধরে জনসম্পৃক্ততা বজায় রেখেছেন। তাঁর নিজের রাজনৈতিক বক্তব্যেও খাগড়াছড়িতে পাহাড়ি-বাঙালির সহাবস্থান, অবকাঠামো উন্নয়ন, শিক্ষা ও কর্মসংস্থানের ওপর গুরুত্ব দেওয়ার কথা উঠে এসেছে।</p>
<p>দীর্ঘ বিরতির পর আবার সংসদে&#8212;&#8211;<br />
২০০৬ সালের পর ওয়াদুদ ভূঁইয়ার রাজনৈতিক জীবনে বড় পরিবর্তন আসে। ২০০৭ সালে তৎকালীন তত্ত্বাবধায়ক সরকারের সময় তাঁর বিরুদ্ধে দুর্নীতি ও সম্পদের তথ্য গোপনের মামলা হয় এবং পরে আদালতে দণ্ডিতও হন। তবে ২০২৫ সালের ১০ আগস্ট হাইকোর্ট ওই মামলায় তাঁর আপিল মঞ্জুর করে তাঁকে খালাস দেন এবং আগের দণ্ড বাতিল হয়।<br />
২০২৬ সালের নির্বাচনের আগে তাঁর হলফনামায় ২৬টি ফৌজদারি মামলার উল্লেখ ছিল; সেখানে ২১টি মামলা থেকে অব্যাহতি, চারটিতে খালাস এবং একটি মামলা নথিজাত অবস্থায় থাকার তথ্য দেওয়া হয়।<br />
২০০৮ সালের নির্বাচনে তিনি প্রার্থী ছিলেন না। এরপর দীর্ঘ সময় জাতীয় সংসদের বাইরে থাকার পর ২০২৬ সালের নির্বাচনে আবার খাগড়াছড়ি আসনে বিএনপির প্রার্থী হন।</p>
<p>তৃতীয়বারের মতো সংসদ সদস্য&#8212;&#8211;<br />
২০২৬ সালের ১২ ফেব্রুয়ারির ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে খাগড়াছড়ি-২৯৮ আসনে বিএনপির ধানের শীষ প্রতীকে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে বিজয়ী হন আব্দুল ওয়াদুদ ভূঁইয়া। প্রকাশিত ফলাফলে তিনি ১ লাখ ৫১ হাজার ৪০ ভোট পেয়ে বিজয় লাভ করেন।<br />
বিজয়ের পর ওয়াদুদ ভূঁইয়া বলেন, তাঁর বিজয় খাগড়াছড়ির জনগণের উদ্দেশে উৎসর্গ করেছেন। তিনি পাহাড়ি-বাঙালির সহাবস্থান বজায় রাখা, অবকাঠামো উন্নয়ন, শিক্ষা ও কর্মসংস্থানের সুযোগ বৃদ্ধির কথা বলেন।</p>
<p>নতুন দায়িত্বে নতুন অধ্যায়&#8212;-<br />
সংসদ সদস্য নির্বাচিত হওয়ার পর ২০২৬ সালের সেপ্টেম্বরে তাঁর রাজনৈতিক জীবনে নতুন একটি গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায় যুক্ত হয়। জাতীয় সংসদে পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সভাপতি হিসেবে তাঁকে দায়িত্ব দেওয়া হয়। ৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬ সংসদে কণ্ঠভোটে কমিটি গঠন ও পুনর্গঠনের প্রস্তাব অনুমোদিত হয়।<br />
এই দায়িত্বের কারণে তাঁর বর্তমান রাজনৈতিক ভূমিকা শুধু খাগড়াছড়ির সংসদ সদস্য হিসেবে সীমাবদ্ধ নেই; পার্বত্য চট্টগ্রাম সম্পর্কিত জাতীয় নীতি, উন্নয়ন পরিকল্পনা, সরকারি কার্যক্রমের সংসদীয় তদারকি এবং পাহাড়ের মানুষের বিভিন্ন দাবিদাওয়া নিয়ে জাতীয় পর্যায়ে ভূমিকা রাখার সুযোগও তৈরি হয়েছে।</p>
<p>বর্তমান অবস্থান&#8211;+<br />
২০২৬ সালের অক্টোবর পর্যন্ত আব্দুল ওয়াদুদ ভূঁইয়া খাগড়াছড়ি-২৯৮ আসনের সংসদ সদস্য এবং খাগড়াছড়ি জেলা বিএনপির সভাপতি হিসেবে রাজনৈতিকভাবে সক্রিয় রয়েছেন। একই সঙ্গে তিনি পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সভাপতি।<br />
সাম্প্রতিক সময়ে তাঁর জনসম্পৃক্ততার একটি দৃষ্টান্ত দেখা যায় দীঘিনালায় বন্যাকবলিত মানুষের মধ্যে ত্রাণ বিতরণে। আগস্ট ২০২৬-এর এক অনুষ্ঠানে তিনি মাদক, চাঁদাবাজি ও স্থানীয় আইনশৃঙ্খলা নিয়েও বক্তব্য দেন।</p>
<p>পাহাড়ের মানুষের প্রত্যাশা&#8212;&#8211;<br />
দীর্ঘ রাজনৈতিক জীবনের পর তৃতীয়বার সংসদ সদস্য হয়ে এবার ওয়াদুদ ভূঁইয়ার সামনে প্রত্যাশার পরিধিও বড়। খাগড়াছড়ির দুর্গম যোগাযোগব্যবস্থা, শিক্ষা ও স্বাস্থ্যসেবার ঘাটতি, কর্মসংস্থান, কৃষি ও পর্যটন, ভূমি-সংক্রান্ত জটিলতা, পাহাড়ি-বাঙালি সম্পর্ক এবং দীর্ঘদিনের আঞ্চলিক রাজনৈতিক সংকট—এসব বিষয় তাঁর রাজনৈতিক দায়িত্বের গুরুত্বপূর্ণ অংশ হয়ে উঠেছে।<br />
নির্বাচনের পর তিনি খাগড়াছড়িকে আধুনিক ও পর্যটননির্ভর নগরীতে রূপান্তর, পাহাড়ের উন্নয়ন এবং সব জনগোষ্ঠীর সহাবস্থানের কথা বলেছেন।<br />
অতীতের রাজনৈতিক কর্মকাণ্ড, সংসদীয় অভিজ্ঞতা এবং পার্বত্য চট্টগ্রাম উন্নয়ন বোর্ডের চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব পালনের অভিজ্ঞতা তাঁর বর্তমান দায়িত্বকে আলাদা মাত্রা দিয়েছে। তবে তাঁর রাজনৈতিক উত্তরাধিকার কতটা নতুন উন্নয়ন বাস্তবতায় রূপ নেয়, বিশেষ করে পাহাড়ি ও বাঙালি উভয় জনগোষ্ঠীর প্রত্যাশা কতটা সমন্বিতভাবে পূরণ হয়—সেটিই এখন তাঁর সামনে বড় পরীক্ষা।</p>
<p>উপসংহার&#8212;<br />
রামগড়ের ছাত্ররাজনীতি থেকে যাত্রা শুরু করে খাগড়াছড়ি পার্বত্য জেলা পরিষদের সদস্য, জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক ও সভাপতি, দুই দফা সংসদ সদস্য, পার্বত্য চট্টগ্রাম উন্নয়ন বোর্ডের চেয়ারম্যান এবং দীর্ঘ রাজনৈতিক বিরতির পর আবার সংসদ সদস্য—আব্দুল ওয়াদুদ ভূঁইয়ার রাজনৈতিক জীবন মূলত কয়েক দশকের উত্থান-পতনের একটি ধারাবাহিক গল্প।<br />
১৯৯৬, ২০০১ ও ২০২৬—তিন দফা সংসদ সদস্য নির্বাচিত হওয়া তাঁর রাজনৈতিক জীবনের বড় মাইলফলক। আর ২০২৬ সালে পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সভাপতির দায়িত্ব পাওয়া তাঁর রাজনৈতিক জীবনের বর্তমান অধ্যায়কে নতুন মাত্রা দিয়েছে।<br />
এখন তাঁর সামনে সবচেয়ে বড় প্রশ্ন—দীর্ঘ রাজনৈতিক অভিজ্ঞতা ও বর্তমান রাষ্ট্রীয় দায়িত্বকে কীভাবে খাগড়াছড়ি তথা পার্বত্য চট্টগ্রামের উন্নয়ন, জননিরাপত্তা, সম্প্রীতি, শিক্ষা, স্বাস্থ্য, কর্মসংস্থান ও মানুষের প্রত্যাশা পূরণে কাজে লাগানো যায়। সেই উত্তরই আগামী দিনে পাহাড়ের রাজনীতিতে আব্দুল ওয়াদুদ ভূঁইয়ার ভূমিকার মূল্যায়নের অন্যতম প্রধান ভিত্তি হয়ে উঠবে।</p>
<p>লেখক:<br />
এসএম শামসুল আলম<br />
স্টাফ রিপোর্টার, যমুনা টেলিভিশন<br />
সাবেক সভাপতি, রাঙ্গামাটি প্রেসক্লাব<br />
smshamsu.cht@gmai.com</p>
]]></content:encoded>
					
					<wfw:commentRss>https://chtnews24.com/2026/10/08/%e0%a6%86%e0%a6%ac%e0%a7%8d%e0%a6%a6%e0%a7%81%e0%a6%b2-%e0%a6%93%e0%a6%af%e0%a6%bc%e0%a6%be%e0%a6%a6%e0%a7%81%e0%a6%a6-%e0%a6%ad%e0%a7%82%e0%a6%81%e0%a6%87%e0%a6%af%e0%a6%bc%e0%a6%be-%e0%a6%9b/feed/</wfw:commentRss>
			<slash:comments>0</slash:comments>
		
		
			</item>
		<item>
		<title>ঋতুপর্ণা চাকমার মতো খেলোয়াড়রা আমাদের গর্ব : ওয়াদুদ ভূইয়া</title>
		<link>https://chtnews24.com/2026/09/29/%e0%a6%8b%e0%a6%a4%e0%a7%81%e0%a6%aa%e0%a6%b0%e0%a7%8d%e0%a6%a3%e0%a6%be-%e0%a6%9a%e0%a6%be%e0%a6%95%e0%a6%ae%e0%a6%be%e0%a6%b0-%e0%a6%ae%e0%a6%a4%e0%a7%8b-%e0%a6%96%e0%a7%87%e0%a6%b2%e0%a7%8b/</link>
					<comments>https://chtnews24.com/2026/09/29/%e0%a6%8b%e0%a6%a4%e0%a7%81%e0%a6%aa%e0%a6%b0%e0%a7%8d%e0%a6%a3%e0%a6%be-%e0%a6%9a%e0%a6%be%e0%a6%95%e0%a6%ae%e0%a6%be%e0%a6%b0-%e0%a6%ae%e0%a6%a4%e0%a7%8b-%e0%a6%96%e0%a7%87%e0%a6%b2%e0%a7%8b/#respond</comments>
		
		<dc:creator><![CDATA[adminchtnews24]]></dc:creator>
		<pubDate>Tue, 29 Sep 2026 11:32:55 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[first lead]]></category>
		<category><![CDATA[খাগড়াছড়ি]]></category>
		<category><![CDATA[রকমারি]]></category>
		<category><![CDATA[শিরোনাম]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://chtnews24.com/?p=38819</guid>

					<description><![CDATA[খাগড়াছড়ি:- পাহাড়ের মেয়েদের জাতীয় ও আন্তর্জাতিক পর্যায়ে সাফল্যের কথা তুলে ধরে খাগড়াছড়ি আসনের সংসদ সদস্য ওয়াদুদ ভূইয়া বলেন, ‘ঋতুপর্ণা চাকমার মতো খেলোয়াড়রা আমাদের গর্ব। তিনি বলেন, ‘আমরা চাই, আজকের এই খেলোয়াড়দের মধ্য থেকেই কেউ একদিন জাতীয় দলে খেলবে, বিশ্বকাপে বাংলাদেশের প্রতিনিধিত্ব করবে। তোমরা নিয়মিত অনুশীলন করো, এগিয়ে যাও। তোমাদের যেকোনো সহযোগিতায় আমরা পাশে থাকব।’ খাগড়াছড়িতে [&#8230;]]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[<p>খাগড়াছড়ি:- পাহাড়ের মেয়েদের জাতীয় ও আন্তর্জাতিক পর্যায়ে সাফল্যের কথা তুলে ধরে খাগড়াছড়ি আসনের সংসদ সদস্য ওয়াদুদ ভূইয়া বলেন, ‘ঋতুপর্ণা চাকমার মতো খেলোয়াড়রা আমাদের গর্ব।</p>
<p>তিনি বলেন, ‘আমরা চাই, আজকের এই খেলোয়াড়দের মধ্য থেকেই কেউ একদিন জাতীয় দলে খেলবে, বিশ্বকাপে বাংলাদেশের প্রতিনিধিত্ব করবে। তোমরা নিয়মিত অনুশীলন করো, এগিয়ে যাও। তোমাদের যেকোনো সহযোগিতায় আমরা পাশে থাকব।’</p>
<p>খাগড়াছড়িতে নারী ফুটবল টুর্নামেন্টের পুরস্কার বিতরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন খাগড়াছড়ির সংসদ সদস্য ওয়াদুদ ভূঁইয়া।</p>
<p>ওয়াদুদ ভূইয়া বলেন, ‘তোমরা যে খেলছো, টুর্নামেন্টকে এগিয়ে নিচ্ছো, এটা শুধু খেলা নয়; নারী ফুটবলকে এগিয়ে নেওয়ার একটি বড় উদ্যোগ। সরকার নারী খেলোয়াড়দের এগিয়ে নিতে কাজ করছে। আমাদেরও মেয়েদের খেলাধুলায় উৎসাহিত করতে হবে।’</p>
<p>তিনি বলেন, অনেক খেলোয়াড়ের পরিবার আর্থিকভাবে স্বচ্ছল নয়। নানা প্রতিকূলতার মধ্যেও তারা খেলাধুলা চালিয়ে যাচ্ছে। এজন্য খেলোয়াড়দের পাশাপাশি তাদের পরিবারের প্রতিও কৃতজ্ঞতা জানিয়ে তিনি বলেন, ‘তোমাদের পরিবার শুধু একজন খেলোয়াড় তৈরি করছে না, দেশ ও জাতির জন্য সম্পদ তৈরি করছে।</p>
<p>খাগড়াছড়ি স্টেডিয়ামে খাগড়াছড়ি প্রমিলা ফুটবল একাডেমি কাপ ফুটবল টুর্নামেন্টের (সিজন-১) ফাইনাল, ব্যাডমিন্টন টুর্নামেন্টের পুরস্কার বিতরণ এবং যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয় ও ক্রীড়া পরিদপ্তর থেকে খাগড়াছড়ির সংসদ সদস্যের অনুকূলে বরাদ্দকৃত ক্রীড়া সামগ্রী বিতরণ অনুষ্ঠানে অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) হাসান মারুফের সভাপতিত্বে জেলার আট উপজেলার বিভিন্ন ক্লাব, একাডেমি ও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধিদের মধ্যে বরাদ্দকৃত ক্রীড়া সামগ্রী বিতরণ করা হয়। পরে ফুটবল ও ব্যাডমিন্টন টুর্নামেন্টের বিজয়ীদের হাতে পুরস্কার তুলে দেওয়া হয়।</p>
<p>এর আগে টানটান উত্তেজনাপূর্ণ ফাইনালে মুখোমুখি হয় খাগড়াছড়ি ফুটবল একাডেমি ও পার্বত্য ফুটবল একাডেমি। ম্যাচে পার্বত্য ফুটবল একাডেমিকে ৩-০ গোলে পরাজিত করে চ্যাম্পিয়ন হওয়ার গৌরব অর্জন করে খাগড়াছড়ি ফুটবল একাডেমি।</p>
<p>অনুষ্ঠানে জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক এম এন আবছার, জেলা ক্রীড়া সংস্থার এডহক কমিটির সদস্য সচিব নজরুল ইসলাম, ক্রীড়া কর্মকর্তা হারুন অর রশিদসহ রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ, ক্রীড়া সংগঠক ও বিভিন্ন পর্যায়ের ক্রীড়াপ্রেমীরা উপস্থিত ছিলেন।</p>
]]></content:encoded>
					
					<wfw:commentRss>https://chtnews24.com/2026/09/29/%e0%a6%8b%e0%a6%a4%e0%a7%81%e0%a6%aa%e0%a6%b0%e0%a7%8d%e0%a6%a3%e0%a6%be-%e0%a6%9a%e0%a6%be%e0%a6%95%e0%a6%ae%e0%a6%be%e0%a6%b0-%e0%a6%ae%e0%a6%a4%e0%a7%8b-%e0%a6%96%e0%a7%87%e0%a6%b2%e0%a7%8b/feed/</wfw:commentRss>
			<slash:comments>0</slash:comments>
		
		
			</item>
		<item>
		<title>জেলা পরিষদে কোন দুর্নীতি-অনিয়ম হলে ছাড় দেয়া হবেনা : পার্বত্য প্রতিমন্ত্রী</title>
		<link>https://chtnews24.com/2026/09/24/%e0%a6%9c%e0%a7%87%e0%a6%b2%e0%a6%be-%e0%a6%aa%e0%a6%b0%e0%a6%bf%e0%a6%b7%e0%a6%a6%e0%a7%87-%e0%a6%95%e0%a7%8b%e0%a6%a8-%e0%a6%a6%e0%a7%81%e0%a6%b0%e0%a7%8d%e0%a6%a8%e0%a7%80%e0%a6%a4%e0%a6%bf/</link>
					<comments>https://chtnews24.com/2026/09/24/%e0%a6%9c%e0%a7%87%e0%a6%b2%e0%a6%be-%e0%a6%aa%e0%a6%b0%e0%a6%bf%e0%a6%b7%e0%a6%a6%e0%a7%87-%e0%a6%95%e0%a7%8b%e0%a6%a8-%e0%a6%a6%e0%a7%81%e0%a6%b0%e0%a7%8d%e0%a6%a8%e0%a7%80%e0%a6%a4%e0%a6%bf/#respond</comments>
		
		<dc:creator><![CDATA[adminchtnews24]]></dc:creator>
		<pubDate>Thu, 24 Sep 2026 02:25:29 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[first lead]]></category>
		<category><![CDATA[খাগড়াছড়ি]]></category>
		<category><![CDATA[রকমারি]]></category>
		<category><![CDATA[শিরোনাম]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://chtnews24.com/?p=38700</guid>

					<description><![CDATA[খাগড়াছড়ি :-খাগড়াছড়ি পার্বত্য জেলা পরিষদের নবনিযুক্ত ১১তম অন্তর্বর্তীকালীন পরিষদের সদস্যদের সততা, স্বচ্ছতা ও জবাবদিহির সঙ্গে দায়িত্ব পালনের আহ্বান জানিয়েছেন পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী ব্যারিস্টার মীর মোহাম্মদ হেলাল উদ্দীন। তিনি বলেছেন, জেলা পরিষদের কাজে কোনো ধরনের দুর্নীতি বা অনিয়মের প্রমাণ পাওয়া গেলে এবং সতর্ক করার পরও তা সংশোধন না হলে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে। গতকাল [&#8230;]]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[<p>খাগড়াছড়ি :-খাগড়াছড়ি পার্বত্য জেলা পরিষদের নবনিযুক্ত ১১তম অন্তর্বর্তীকালীন পরিষদের সদস্যদের সততা, স্বচ্ছতা ও জবাবদিহির সঙ্গে দায়িত্ব পালনের আহ্বান জানিয়েছেন পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী ব্যারিস্টার মীর মোহাম্মদ হেলাল উদ্দীন।</p>
<p>তিনি বলেছেন, জেলা পরিষদের কাজে কোনো ধরনের দুর্নীতি বা অনিয়মের প্রমাণ পাওয়া গেলে এবং সতর্ক করার পরও তা সংশোধন না হলে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।</p>
<p>গতকাল খাগড়াছড়ি পার্বত্য জেলা পরিষদের নবনিযুক্ত পরিষদের সঙ্গে মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।</p>
<p>প্রতিমন্ত্রী বলেন, সৎ, দেশপ্রেমিক ও কর্মঠ ব্যক্তিদের সমন্বয়ে জেলা পরিষদ গঠন করা হয়েছে। নির্বাচনের আগে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ঘোষিত ইশতেহারকে বর্তমান সরকারের কর্মপরিকল্পনার ভিত্তি উল্লেখ করে তিনি বলেন, সেই কর্মপরিকল্পনা বাস্তবায়নে যারা সহযাত্রী হতে পারবেন, তাদেরই দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।</p>
<p>তিনি বলেন, ‘এই পরিষদ বা কমিটি স্থায়ী কোনো বিষয় নয়। দায়িত্ব পালনে আপনারা সফল হলে পূর্ণ মেয়াদ দায়িত্ব পালন করবেন। কিন্তু কেউ দায়িত্ব পালনে ব্যর্থ হলে কিংবা অনিয়মে জড়িয়ে পড়লে প্রয়োজন হলে তাৎক্ষণিক ব্যবস্থা নিতে আমরা এক মুহূর্তও দ্বিধা করব না।</p>
<p>পাহাড়ি-বাঙালি নির্বিশেষে পিছিয়ে থাকা মানুষের কাছে সরকারি সেবা ও উন্নয়নের সুফল পৌঁছে দেওয়ার ওপর গুরুত্ব দিয়ে প্রতিমন্ত্রী বলেন, শিক্ষা, খাদ্য, বস্ত্র, বাসস্থান ও চিকিৎসাসেবার সুযোগ তৈরি করতে হবে। দুর্গম এলাকার যোগাযোগব্যবস্থার উন্নয়ন, প্রত্যন্ত অঞ্চলে শিক্ষার আলো পৌঁছে দেওয়া, নারীদের জন্য স্বাস্থ্যসম্মত স্যানিটেশন, বিশুদ্ধ পানি, মিনি বা পরিবেশবান্ধব কোল্ড স্টোরেজ, ড্রাই ফ্রুটস ফ্যাক্টরিসহ স্থানীয় প্রয়োজনভিত্তিক প্রকল্প বাস্তবায়নে জেলা পরিষদকে গুরুত্ব দিতে হবে।</p>
<p>আগের কার্যক্রমের অসঙ্গতি আর চলতে দেওয়া হবে না জানিয়ে তিনি বলেন, ‘আগে যেভাবে হয়েছে, সেভাবেই হবে’—এই মানসিকতা থেকে বেরিয়ে আসতে হবে। প্রতিটি কাজ হতে হবে প্রয়োজনের ভিত্তিতে এবং নিশ্চিত করতে হবে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহি।</p>
<p>জেলা পরিষদের উন্নয়ন কর্মকাণ্ডে স্থানীয় সংসদ সদস্যের পরামর্শ ও মতামতকে গুরুত্ব দেওয়ার কথাও বলেন প্রতিমন্ত্রী। গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত গ্রহণের আগে সংসদ সদস্যের মতামত নেওয়ার ওপর গুরুত্বারোপ করে তিনি বলেন, জনগণের নির্বাচিত প্রতিনিধি হিসেবে তাঁর মতামত গুরুত্বপূর্ণ।</p>
<p>বাজার ফান্ড প্রসঙ্গে তিনি বলেন, এ বিষয়ে মন্ত্রণালয় থেকে সংসদ সদস্যের কাছে পত্র পাঠিয়ে মতামত চাওয়া হবে। সংশ্লিষ্ট অন্যান্য সংসদ সদস্য ও সাবেক মন্ত্রীদের মতামতও নেওয়া হবে। জেলা প্রশাসনের মতামত ইতোমধ্যে পাওয়া গেছে। সবার মতামত পাওয়ার পর দ্রুত সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।</p>
<p>তবে টেন্ডার বা বাজার ফান্ড নিয়ে অতিরিক্ত গুরুত্ব না দিয়ে নির্বাচনী অঙ্গীকার বাস্তবায়নে মনোযোগ দেওয়ার আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, গবাদিপশু বিতরণ, মসজিদ-মন্দিরের দেয়াল সংস্কারসহ বিভিন্ন খাতে বারবার ফান্ড নেওয়ার বিষয়গুলোও যাচাই-বাছাই করতে হবে। স্থানীয় সংসদ সদস্য ও চেয়ারম্যানের সঙ্গে সমন্বয় করে প্রকৃত প্রয়োজনীয় কাজকে অগ্রাধিকার দিতে হবে।</p>
<p>অনিয়মের উদাহরণ তুলে ধরে প্রতিমন্ত্রী বলেন, বিভিন্ন জায়গায় হাজার হাজার মেট্রিক টন চাল বিতরণ করা হলেও সঠিক মাস্টাররোল, জাতীয় পরিচয়পত্রের তথ্য কিংবা উপকারভোগীর ফোন নম্বর পাওয়া যায় না। এসব সম্পদ কোথায় গেল, তার জবাবদিহি নিশ্চিত করতে হবে।</p>
<p>উন্নয়ন প্রকল্প গ্রহণে বাস্তবতা, বাজারদর ও অর্থনৈতিক যৌক্তিকতা বিবেচনার তাগিদ দিয়ে তিনি বলেন, বড় অঙ্কের অর্থ ব্যয় করে নিম্নমানের কিংবা অতিরিক্ত দামে কোনো পণ্য কেনা যাবে না। জনগণের অর্থের প্রতিটি টাকার যথাযথ ব্যবহার নিশ্চিত করতে হবে।</p>
<p>তিনি আরও বলেন, পাহাড়ি-বাঙালি সব জনগোষ্ঠীর সমান অধিকার, উন্নয়ন ও কল্যাণ নিশ্চিত করাই সরকারের লক্ষ্য। ‘রংধনু জাতি’ গঠনের যে প্রত্যয় ব্যক্ত করা হয়েছে, তা বাস্তবায়নে সবাইকে একসঙ্গে কাজ করতে হবে।</p>
<p>মতবিনিময় সভায় জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ম্রাসাথোয়াই মারমার সভাপতিত্বে আরও উপস্থিত ছিলেন ২৯৮ নম্বর খাগড়াছড়ি সংসদীয় আসনের সংসদ সদস্য আব্দুল ওয়াদুদ ভূঁইয়া, জেলা পরিষদের মুখ্য নির্বাহী কর্মকর্তা মো. ইলিয়াস মেহেদী, নির্বাহী কর্মকর্তা মো. আব্দুল্লাহ আল মাহফুজ, সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ফারিয়া সুলতানা, জেলা পরিষদের সদস্য এম এন আবছারসহ পরিষদের অন্যান্য সদস্য।প্রবাসী নেটওয়ার্কে যোগদিন</p>
<p>৩ কোটি ১৮ লাখ টাকার সেতু, দেড় কোটি টাকার মসজিদ উদ্বোধন<br />
এর আগে খাগড়াছড়ি পার্বত্য জেলা পরিষদের অর্থায়নে মাটিরাঙ্গা নতুনপাড়া জামে মসজিদের ভবন ও তপ্তমাস্টারপাড়া ব্রিজের উদ্বোধন করা হয়। নতুনপাড়া জামে মসজিদ ভবন নির্মাণে প্রকল্প ব্যয় ধরা হয়েছে ১ কোটি ৫০ লাখ টাকা। আর তপ্তমাস্টারপাড়া ব্রিজ নির্মাণে ব্যয় হয়েছে ৩ কোটি ১৮ লাখ ৮৯ হাজার ৮৭০ টাকা।</p>
]]></content:encoded>
					
					<wfw:commentRss>https://chtnews24.com/2026/09/24/%e0%a6%9c%e0%a7%87%e0%a6%b2%e0%a6%be-%e0%a6%aa%e0%a6%b0%e0%a6%bf%e0%a6%b7%e0%a6%a6%e0%a7%87-%e0%a6%95%e0%a7%8b%e0%a6%a8-%e0%a6%a6%e0%a7%81%e0%a6%b0%e0%a7%8d%e0%a6%a8%e0%a7%80%e0%a6%a4%e0%a6%bf/feed/</wfw:commentRss>
			<slash:comments>0</slash:comments>
		
		
			</item>
		<item>
		<title>খাগড়াছড়ির রামগড়ে বিষপানে গৃহবধূর মৃত্যু</title>
		<link>https://chtnews24.com/2026/09/21/%e0%a6%96%e0%a6%be%e0%a6%97%e0%a6%a1%e0%a6%bc%e0%a6%be%e0%a6%9b%e0%a6%a1%e0%a6%bc%e0%a6%bf%e0%a6%b0-%e0%a6%b0%e0%a6%be%e0%a6%ae%e0%a6%97%e0%a6%a1%e0%a6%bc%e0%a7%87-%e0%a6%ac%e0%a6%bf%e0%a6%b7%e0%a6%aa/</link>
					<comments>https://chtnews24.com/2026/09/21/%e0%a6%96%e0%a6%be%e0%a6%97%e0%a6%a1%e0%a6%bc%e0%a6%be%e0%a6%9b%e0%a6%a1%e0%a6%bc%e0%a6%bf%e0%a6%b0-%e0%a6%b0%e0%a6%be%e0%a6%ae%e0%a6%97%e0%a6%a1%e0%a6%bc%e0%a7%87-%e0%a6%ac%e0%a6%bf%e0%a6%b7%e0%a6%aa/#respond</comments>
		
		<dc:creator><![CDATA[adminchtnews24]]></dc:creator>
		<pubDate>Mon, 21 Sep 2026 02:59:24 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[first lead]]></category>
		<category><![CDATA[খাগড়াছড়ি]]></category>
		<category><![CDATA[শিরোনাম]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://chtnews24.com/?p=38630</guid>

					<description><![CDATA[খাগড়াছড়ি:- খাগড়াছড়ির রামগড়ে বিষপানে জোসনা আক্তার (৩৫) নামে এক গৃহবধূর মৃত্যু হয়েছে। রবিবার (২০ সেপ্টেম্বর) চিকিৎসাধীন অবস্থায় চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে তার মৃত্যু হয়। জোসনা আক্তার খাগড়াছড়ির দীঘিনালা উপজেলার বোয়ালখালী ইউনিয়নের ইসমাইল কলোনি এলাকার আমির হোসেনের মেয়ে। সাত বছর আগে রামগড়ের পাতাছড়া ইউনিয়নের নাকাপার বাসিন্দা জাফর আহাম্মদের সঙ্গে তার বিয়ে হয়। পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে, [&#8230;]]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[<p>খাগড়াছড়ি:- খাগড়াছড়ির রামগড়ে বিষপানে জোসনা আক্তার (৩৫) নামে এক গৃহবধূর মৃত্যু হয়েছে।</p>
<p>রবিবার (২০ সেপ্টেম্বর) চিকিৎসাধীন অবস্থায় চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে তার মৃত্যু হয়।</p>
<p>জোসনা আক্তার খাগড়াছড়ির দীঘিনালা উপজেলার বোয়ালখালী ইউনিয়নের ইসমাইল কলোনি এলাকার আমির হোসেনের মেয়ে। সাত বছর আগে রামগড়ের পাতাছড়া ইউনিয়নের নাকাপার বাসিন্দা জাফর আহাম্মদের সঙ্গে তার বিয়ে হয়।</p>
<p>পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে, গত মঙ্গলবার (১৫ সেপ্টেম্বর) রাত সাড়ে ৯টার সময় রামগড়ের নাকাপা ভাড়াবাসায় স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে পারিবারিক বিষয় নিয়ে ঝগড়া হলে সবার অগোচরে ঘরে রাখা ঘাস মারার কীটনাশক (বিষ) পান করেন তিনি। এ সময় তিনি চিৎকার-চেঁচামেচি করলে স্বামী তাকে দ্রুত রামগড় উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান।</p>
<p>খবর পেয়ে জোসনার পিতা এসে উন্নত চিকিৎসার জন্য মেয়েকে রামগড় উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স থেকে ফেনী সদর হাসপাতালে নিয়ে যান। পরে অবস্থার অবনতি হলে শনিবার চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যান। রবিবার দুপুরে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মারা যান।ই-পেপার সাবস্ক্রাইব করুন</p>
<p>রামগড় থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) নাজির আলম ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, এ ঘটনায় নিহতের পিতা আমির হোসেন থানায় একটি অপমৃত্যুর মামলা দায়ের করেছেন।</p>
]]></content:encoded>
					
					<wfw:commentRss>https://chtnews24.com/2026/09/21/%e0%a6%96%e0%a6%be%e0%a6%97%e0%a6%a1%e0%a6%bc%e0%a6%be%e0%a6%9b%e0%a6%a1%e0%a6%bc%e0%a6%bf%e0%a6%b0-%e0%a6%b0%e0%a6%be%e0%a6%ae%e0%a6%97%e0%a6%a1%e0%a6%bc%e0%a7%87-%e0%a6%ac%e0%a6%bf%e0%a6%b7%e0%a6%aa/feed/</wfw:commentRss>
			<slash:comments>0</slash:comments>
		
		
			</item>
		<item>
		<title>খাগড়াছড়িতে চীনা চক্রের গোপন সার্ভার: টার্গেট ছিল দুই দেশের নেটওয়ার্ক</title>
		<link>https://chtnews24.com/2026/09/20/%e0%a6%96%e0%a6%be%e0%a6%97%e0%a6%a1%e0%a6%bc%e0%a6%be%e0%a6%9b%e0%a6%a1%e0%a6%bc%e0%a6%bf%e0%a6%a4%e0%a7%87-%e0%a6%9a%e0%a7%80%e0%a6%a8%e0%a6%be-%e0%a6%9a%e0%a6%95%e0%a7%8d%e0%a6%b0%e0%a7%87%e0%a6%b0/</link>
					<comments>https://chtnews24.com/2026/09/20/%e0%a6%96%e0%a6%be%e0%a6%97%e0%a6%a1%e0%a6%bc%e0%a6%be%e0%a6%9b%e0%a6%a1%e0%a6%bc%e0%a6%bf%e0%a6%a4%e0%a7%87-%e0%a6%9a%e0%a7%80%e0%a6%a8%e0%a6%be-%e0%a6%9a%e0%a6%95%e0%a7%8d%e0%a6%b0%e0%a7%87%e0%a6%b0/#respond</comments>
		
		<dc:creator><![CDATA[adminchtnews24]]></dc:creator>
		<pubDate>Sun, 20 Sep 2026 06:44:53 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[first lead]]></category>
		<category><![CDATA[খাগড়াছড়ি]]></category>
		<category><![CDATA[রকমারি]]></category>
		<category><![CDATA[শিরোনাম]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://chtnews24.com/?p=38592</guid>

					<description><![CDATA[ডেস্ক রির্পোট:- শহরের ব্যস্ততা ছেড়ে পাহাড়ের প্রত্যন্ত এক গ্রামে ভাড়া বাসা নেওয়া দুই বিদেশি নাগরিককে ঘিরে শুরু হওয়া সন্দেহের সূত্র ধরে উন্মোচিত হয়েছে চট্টগ্রাম অঞ্চলে বিস্তৃত একটি আন্তর্জাতিক সাইবার অপরাধী চক্র। তদন্তে জানা গেছে, সীমান্ত থেকে মাত্র ১০০ গজ দূরে বসানো হচ্ছিল আন্তর্জাতিক টেলিযোগাযোগ নেটওয়ার্কের গোপন সরঞ্জাম, যা ব্যবহার করে বড় ধরনের সাইবার অপরাধ সংঘটনের [&#8230;]]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[<p>ডেস্ক রির্পোট:- শহরের ব্যস্ততা ছেড়ে পাহাড়ের প্রত্যন্ত এক গ্রামে ভাড়া বাসা নেওয়া দুই বিদেশি নাগরিককে ঘিরে শুরু হওয়া সন্দেহের সূত্র ধরে উন্মোচিত হয়েছে চট্টগ্রাম অঞ্চলে বিস্তৃত একটি আন্তর্জাতিক সাইবার অপরাধী চক্র। তদন্তে জানা গেছে, সীমান্ত থেকে মাত্র ১০০ গজ দূরে বসানো হচ্ছিল আন্তর্জাতিক টেলিযোগাযোগ নেটওয়ার্কের গোপন সরঞ্জাম, যা ব্যবহার করে বড় ধরনের সাইবার অপরাধ সংঘটনের পরিকল্পনা ছিল।</p>
<p>পুলিশ জানায়, গত প্রায় দুই বছর ধরে চট্টগ্রাম বিভাগের খাগড়াছড়ি, কক্সবাজার ও চট্টগ্রাম নগরীতে ধাপে ধাপে সক্রিয় ছিল এই চক্রটি। তিনটি পৃথক অভিযানে এ পর্যন্ত গ্রেপ্তার করা হয়েছে ৭১ জন বিদেশি নাগরিককে, যাদের মধ্যে ১৩ জন চীনের। তিনটি ঘটনাতেই চীনা নাগরিকদের সম্পৃক্ততা পাওয়ায় তদন্তকারীরা মনে করছেন, চক্রটির নেতৃত্বে রয়েছেন চীনারাই।</p>
<p>চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন পুলিশের কাউন্টার টেররিজম ইউনিটের উপকমিশনার মোহাম্মদ শামীম হোসেন জানান, গ্রেপ্তার ব্যক্তিদের কাছ থেকে উদ্ধার করা মোবাইল, ল্যাপটপ ও উচ্চক্ষমতার ডিভাইস ফরেনসিক পরীক্ষার মাধ্যমে বিশ্লেষণ করা হচ্ছে। রিমান্ডে এনে তাদের জিজ্ঞাসাবাদের মাধ্যমে চক্রটির উদ্দেশ্য ও পরিকল্পনা উদঘাটনের চেষ্টা চলছে।</p>
<p>তদন্তে উঠে এসেছে, এই চক্রের প্রথম ঘাঁটি ছিল খাগড়াছড়ির রামগড়। গত বছরের ১৪ নভেম্বর পুলিশ ও বিটিআরসির যৌথ অভিযানে রামগড় পৌরসভার একটি বাসা থেকে দুই চীনা নাগরিককে গ্রেপ্তার করা হয়। সেখান থেকে উদ্ধার করা হয় অত্যাধুনিক ভিওআইপি নেটওয়ার্ক সরঞ্জাম। পুলিশ জানায়, ওই বাসাটি ভারতীয় সীমান্ত থেকে মাত্র ১০০ গজ দূরে অবস্থিত ছিল, যা বিষয়টিকে আরও স্পর্শকাতর করে তোলে।</p>
<p>রামগড় থানার তৎকালীন ওসি মুহাম্মদ মঈন উদ্দীন জানান, চীনা নাগরিকরা এর আগে চট্টগ্রামের উত্তর খুলশীতে অবস্থান করছিলেন এবং পরে স্থানীয় সহযোগীর মাধ্যমে রামগড়ে গিয়ে সার্ভার স্থাপনের কাজ শুরু করেন। তিনি বলেন, ভারতীয় মোবাইল নেটওয়ার্কও সেখানে সক্রিয় ছিল, যা থেকে ধারণা করা হচ্ছে- বাংলাদেশ ও ভারতের নেটওয়ার্ককে লক্ষ্য করেই কার্যক্রম চালানোর পরিকল্পনা ছিল।</p>
<p>এ ধরনের সিমবক্স ও ভিওআইপি প্রযুক্তি ব্যবহারের মাধ্যমে আন্তর্জাতিক কল আদান-প্রদানের ক্ষেত্রে প্রকৃত তথ্য বা সিডিআর সংরক্ষিত না থাকায় আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর পক্ষে অপরাধ শনাক্ত করা কঠিন হয়ে পড়ে বলে জানান সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা।</p>
<p>খাগড়াছড়ির ঘটনার পর কক্সবাজারে একই ধরনের আরেকটি চক্রের সন্ধান পায় পুলিশ। গত ৩ সেপ্টেম্বর রাতে শহরের কলাতলী এলাকায় অভিযান চালিয়ে ছয় চীনা নাগরিককে গ্রেপ্তার করা হয়। সেখান থেকে উদ্ধার করা হয় ১,৯৩৮টি আইফোন, ৪০টি ল্যাপটপ ও বিভিন্ন যোগাযোগ সরঞ্জাম। এ ঘটনায় রামু থানায় মামলা হয়েছে এবং তদন্ত করছে সিআইডি।</p>
<p>সবশেষ গত ১০ সেপ্টেম্বর রাতে চট্টগ্রাম নগরীর খুলশী এলাকার একটি সাততলা ভবনে অভিযান চালিয়ে ৬৩ বিদেশি নাগরিককে গ্রেপ্তার করা হয়। এদের মধ্যে পাঁচজন চীনের নাগরিক এবং বাকিরা পাকিস্তান, লাওস, নেপাল ও ভিয়েতনামের। এ ঘটনার তদন্ত করছে সিএমপির কাউন্টার টেররিজম ইউনিট।</p>
<p>তদন্তকারীরা জানান, খুলশী এলাকার জাকির হোসেন রোডের একটি চীনা পণ্যের দোকান ছিল এই চক্রের মূল যোগাযোগ কেন্দ্র। এখান থেকেই বিদেশি নাগরিকদের সঙ্গে স্থানীয় দোভাষী ও সহযোগীদের সংযোগ স্থাপন করা হতো। খুলশীর ঘটনায় মহসিন ও রাকিব নামে দুই স্থানীয় ব্যক্তি বাসা ভাড়া ও চুক্তির কাজে সহযোগিতা করেন। মহসিন ইতোমধ্যে একটি মাদক মামলায় গ্রেপ্তার হয়ে কারাগারে রয়েছেন।</p>
<p>পুলিশ বলছে, তিনটি ঘটনার মধ্যে সুস্পষ্ট যোগসূত্র রয়েছে এবং দেশজুড়ে আরও এমন নেটওয়ার্ক সক্রিয় থাকতে পারে। চক্রটির আন্তর্জাতিক সংযোগ, বিস্তার ও প্রকৃত উদ্দেশ্য উদঘাটনে তদন্ত কার্যক্রম জোরদার করা হয়েছে। তথ্যসূত্র: আগামীর সময় ও পাহাড় সমুদ্র।</p>
]]></content:encoded>
					
					<wfw:commentRss>https://chtnews24.com/2026/09/20/%e0%a6%96%e0%a6%be%e0%a6%97%e0%a6%a1%e0%a6%bc%e0%a6%be%e0%a6%9b%e0%a6%a1%e0%a6%bc%e0%a6%bf%e0%a6%a4%e0%a7%87-%e0%a6%9a%e0%a7%80%e0%a6%a8%e0%a6%be-%e0%a6%9a%e0%a6%95%e0%a7%8d%e0%a6%b0%e0%a7%87%e0%a6%b0/feed/</wfw:commentRss>
			<slash:comments>0</slash:comments>
		
		
			</item>
		<item>
		<title>বিবাহ বিচ্ছেদ পরবর্তী সন্তানের অভিভাবকত্ব: বাস্তবতা ও আইনি অনুসন্ধান</title>
		<link>https://chtnews24.com/2026/09/12/%e0%a6%ac%e0%a6%bf%e0%a6%ac%e0%a6%be%e0%a6%b9-%e0%a6%ac%e0%a6%bf%e0%a6%9a%e0%a7%8d%e0%a6%9b%e0%a7%87%e0%a6%a6-%e0%a6%aa%e0%a6%b0%e0%a6%ac%e0%a6%b0%e0%a7%8d%e0%a6%a4%e0%a7%80-%e0%a6%b8%e0%a6%a8/</link>
					<comments>https://chtnews24.com/2026/09/12/%e0%a6%ac%e0%a6%bf%e0%a6%ac%e0%a6%be%e0%a6%b9-%e0%a6%ac%e0%a6%bf%e0%a6%9a%e0%a7%8d%e0%a6%9b%e0%a7%87%e0%a6%a6-%e0%a6%aa%e0%a6%b0%e0%a6%ac%e0%a6%b0%e0%a7%8d%e0%a6%a4%e0%a7%80-%e0%a6%b8%e0%a6%a8/#respond</comments>
		
		<dc:creator><![CDATA[adminchtnews24]]></dc:creator>
		<pubDate>Sat, 12 Sep 2026 07:16:35 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[Second lead]]></category>
		<category><![CDATA[খাগড়াছড়ি]]></category>
		<category><![CDATA[বিশেষ প্রতিবেদন]]></category>
		<category><![CDATA[রকমারি]]></category>
		<category><![CDATA[শিরোনাম]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://chtnews24.com/?p=38340</guid>

					<description><![CDATA[মনজিলা সুলতানা ঝুমা:- যেকোনো কারণেই, স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে বিবাহবিচ্ছেদ হতে পারে অথবা যৌথ সিদ্ধান্তের ভিত্তিতে স্বামী বা স্ত্রী আলাদা থাকতে পারেন। শেষ সিদ্ধান্ত হিসেবে কোন দম্পতি যখন চুড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেন, এক ছাদের নিচে আর থাকা সম্ভব নয় এবং দুজনই বিচ্ছেদকেই সিদ্ধান্ত হিসেবে গ্রহণ করেন তখন কিছু বিষয় সামনে আসে। যেমন তাঁদের বিচ্ছেদের পর তাদের অপ্রাপ্তবয়স্ক সন্তানের [&#8230;]]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[<p>মনজিলা সুলতানা ঝুমা:- যেকোনো কারণেই, স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে বিবাহবিচ্ছেদ হতে পারে অথবা যৌথ সিদ্ধান্তের ভিত্তিতে স্বামী বা স্ত্রী আলাদা থাকতে পারেন। শেষ সিদ্ধান্ত হিসেবে কোন দম্পতি যখন চুড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেন, এক ছাদের নিচে আর থাকা সম্ভব নয় এবং দুজনই বিচ্ছেদকেই সিদ্ধান্ত হিসেবে গ্রহণ করেন তখন কিছু বিষয় সামনে আসে। যেমন তাঁদের বিচ্ছেদের পর তাদের অপ্রাপ্তবয়স্ক সন্তানের কী হবে? সন্তানদের আইনগত অবস্থান কী হবে, সন্তানেরা থাকবে কার কাছে, কে বহন করবে তাদের ভরণপোষণ, তা অনেকের কাছে জানা থাকেনা। অনেক সময় দেখা যায় দুজনই সন্তানকে নিজের কাছে রাখতে চান, কেউই ছাড় দেবার পাত্র নয়। ফলে শুরু হয় নতুন সংকট। তাছাড়া সমাজে মুখরোচক বিভিন্ন গল্প আছে যা পুরোপুরি আইন সম্মত বা সত্য নয়। সাধারণ মানুষ এটাও ভাবে যে বাবাই সন্তানে একমাত্র এবং চূড়ান্ত অধিকারী। এবং সেখানে মায়ের কোন ধরনের অধিকার নাই। এই সকল ধারণা স্পষ্ট করার জন্য নিম্নবর্নিত বাস্তব জীবনের কিছু সমস্যার ভিত্তিতে আইনী বিষয় জানবো এবং পাশাপাশি সেই সমস্যা সমাধানের আলোকে আইনের বিধান জানবো।</p>
<p>ঘটনা- ১ :<br />
স্বামী-স্ত্রী উভয়ের সম্মতিতে যদি ডিভোর্স হয়। পুত্রসন্তানের বয়স তিন বয়স তিন বছর। এবং কন্যা সন্তানের ৭ বছর।এখন বাবা সন্তানদের নিজের কাছে রাখতে চায়। বাবা চাকুরীজীবি এবং দ্বিতীয় বিয়ে করতে চায়। সেক্ষেত্রে আইন কি বলে বা কোন বিধিনিষেধ আছে কী?</p>
<p>ঘটনা -২ :</p>
<p>মাহিয়ার ৪ মাস বয়সের একটি মেয়ে বাচ্চা আছে সে তার স্বামির সাথে সংসার করতে চায় না। সে তার মতামত স্বামীকে জানানোর পর তিনি রাজী হয়েছেন। কিন্তু তার স্বামী তাকে বাচ্চা দিবে না। মারিয়া মেয়ের ভালোর জন্য কমপক্ষে ১৮ বছর তার মেয়েকে লালন পালন করতে চায়। সে প্রয়োজনে তার বাচ্চার ভরণপোষণের দাবীও করবে না।</p>
<p>ঘটনা-৩ :</p>
<p>নিলয়ের বাবা মা এর ডিভোর্স হয়ে গিয়েছে ১ মাস। নিলয়ের বাবা অন্যত্র বিয়ে করে ফেলেছে কিন্তু নিলয় থাকে তার দাদির কাছে। এখন নিলয়ের মা তার সন্তানকে নিজের কাছে রাখতে চায় এবং তিনি অন্যত্র বিয়েও করেননি।</p>
<p>ঘটনা -৪ :</p>
<p>রুপা স্বামির সাথে এখনো ডিভোর্স হয়নি কিন্তু হয়ে যাবে। তারা আলাদা বসবাস করছি দীর্ঘ দিন ধরে। তাদের চার বছর বয়সী কন্যার অভিভাবকত্ব চেয়ে মামলা করতে রুপা। মেয়ের কোনো খরচাপাতি মেয়ের বাবা কখনোই বহন করেনি। রুপা মামলা কোথায় দায়ের করবে? তার স্থায়ী ঠিকানায় নাকি বর্তমান ঠিকানায়?</p>
<p>এখন আমরা জেনে নিব এই সম্পর্কে আইনের বিধানে কি আছে :</p>
<p>মুসলিম আইন অনুযায়ী, পিতা অপ্রাপ্তবয়স্ক সন্তানের আইনত অভিভাবক এবং মা হচ্ছেন সন্তানের তত্ত্বাবধায়ক। নাবালকের সার্বিক কল্যাণের গুরুত্বের ওপরে নির্ভর করে দেশে প্রচলিত মুসলিম আইন অনুযায়ী, মাকে নির্দিষ্ট বয়স পর্যন্ত সন্তানের জিম্মাদারিত্বের অধিকার দেয়া হয়েছে। ছেলে শিশুকে সাত বছর এবং মেয়ে শিশুকে তার বয়ঃসন্ধিকাল পর্যন্ত মা জিম্মায় রাখার অধিকারী। এটিকে হিজানত বলে। তবে নাবালক সন্তান যার তত্ত্বাবধানে থাকুক না কেন, সন্তানের খোঁজখবর নেয়া, দেখাশোনা এবং ভরণপোষণের দায়িত্ব কিন্তু অভিভাবক হিসেবে বাবার।</p>
<p>জিম্মাদারিত্বের নির্দিষ্ট বয়স পার হলেও সন্তান তার পিতার জিম্মায় যেতে বাধ্য নয়। নির্দিষ্ট বয়সের পরও সন্তানের সার্বিক কল্যাণের বিষয়টি বিবেচনা করে সন্তানের জিম্মাদারিত্বের দায় ফের মায়ের কাছে ন্যস্ত হতে পারে। ‘সার্বিক কল্যাণ’ (Best interest of the child) বলতে আইন অনুযায়ী সন্তানের পার্থিব, নৈতিক এবং আধ্যাত্মিক কল্যাণকে বোঝায়। সন্তানের নিরাপত্তার পাশাপাশি সুন্দর ও উত্তমরূপে তাকে প্রতিপালনের বিষয়ও অন্তর্ভুক্ত করে। অর্থাৎ, জিম্মাদারিত্বের নির্দিষ্ট বয়স পার হলেই বাবা শর্তহীনভাবে সন্তানদের চূড়ান্ত জিম্মাদার হতে পারেন না, এ ক্ষেত্রে সন্তানের সার্বিক কল্যাণকে গুরুত্ব দেয়া হয়। ১৭ ডিএলআর ১৩৪ অনুযায়ী মায়ের জিম্মায় থাকাকালে সন্তানের পিতা যদি কোনো ভরণপোষণ বহন না করেন, সে ক্ষেত্রে মা সন্তানকে বাবার সাথে দেখাসাক্ষাৎ করাতে ‘বাধ্য নন’ বলে এই মামলার রায়ে অভিমত পোষণ করা হয়েছে।</p>
<p>পিতা মাতা ছাড়া অন্য কেউ অভিভাবক হতে পারে?<br />
পারিবারিক আদালত অধ্যাদেশ, ১৯৮৫ অনুসারে বাবা মা ছাড়াও নিম্নলিখিত ব্যক্তিরা নাবালকের সম্পত্তির অভিভাবক হওয়ার অধিকারী : অগ্রগণ্যতার ক্রম অনুযায়ী বাবা কর্তৃক নিয়োগকৃত ব্যক্তি; বাবার বাবা অর্থাৎ দাদা, দাদা কর্তৃক নিয়োগকৃত ব্যক্তি। যদি এসব ব্যক্তি না থাকেন, তাহলে আদালত কর্তৃক নিয়োগকৃত আইনগত অভিভাবকই নাবালকের সম্পত্তির অভিভাবক। এ ক্ষেত্রে, মা কেবল একজন তত্ত্বাবধায়ক এবং তিনি নাবালক সন্তানের কোনো সম্পত্তি হস্তান্তর করতে পারেন না, যদি না আদালত কর্তৃক সম্পত্তির অভিভাবক নিযুক্ত হন।</p>
<p>মা কখন সন্তানের তত্ত্বাবধান করবেন :<br />
সন্তানের মা যদি বাবার কাছ থেকে আলাদা থাকেন কিংবা তাঁদের মধ্যে বিচ্ছেদ হয়ে যায়, তাহলে মা তাঁর সন্তানের তত্ত্বাবধান করার ক্ষমতা হারাবেন না। ছেলের ক্ষেত্রে সাত বছর বয়স পর্যন্ত এবং মেয়েসন্তানের বয়ঃসন্ধি বয়স পর্যন্ত মা সন্তানদের নিজের কাছে রাখতে পারবেন। সন্তানের ভালোর জন্য যদি সন্তানকে মায়ের তত্ত্বাবধানে রাখার আরও প্রয়োজন হয়, সে ক্ষেত্রে এ বয়সসীমার পরও মা সন্তানকে নিজের কাছে রাখতে পারবেন। তবে এ জন্য ক্ষেত্রবিশেষে আদালতের অনুমতির প্রয়োজন হতে পারে।</p>
<p>মা কখন সন্তানের জিম্মাদারিত্বের অধিকার হারান :</p>
<p>নিম্নবর্নীত কারনে অনেক সময় মা সন্তানের জিম্মাদারিত্ব হারানঃ</p>
<p>১. নীতিহীন জীবন যাপন করলে;</p>
<p>২. এমন কারো সাথে তার বিয়ে হলে, যিনি শিশুটির নিষিদ্ধ স্তরের মধ্যে ঘটলে তার ওই অধিকার পুনর্জীবিত হয়;</p>
<p>৩. সন্তানের প্রতি অবহেলা করলে এবং দায়িত্ব পালনে অপারগ হলে;</p>
<p>৪. বিয়ে বজায় থাকা অবস্থায় বাবার বসবাসস্থল থেকে দূরে বসবাস করলে;</p>
<p>৫. যদি তিনি ইসলাম ছাড়া অন্য কোনো ধর্ম গ্রহণ করেন;</p>
<p>৬. যদি সন্তানের বাবাকে তার জিম্মায় থাকা অবস্থায় সন্তানকে দেখতে না দেন;</p>
<p>৭. মা ২য় বিয়ে করলে।</p>
<p>তবে ক্ষেত্রবিশেষে আদালত সব ঘটনা ও অবস্থা বিবেচনা করে নাবালককে তার মায়ের পুনর্বিবাহের পরও সে মায়ের জিম্মায় রাখার আদেশ দিতে পারেন।</p>
<p>অভিভাবক হিসেবে বাবা কখন অযোগ্য হতে পারেন:<br />
অভিভাবক ও প্রতিপাল্য আইন, ১৮৯০-এর ১৯ ধারা অনুযায়ী পিতাও অভিভাবক হিসেবে অযোগ্য হতে পারেন। তিনি চারিত্রিকভাবে অসৎ হলে, সন্তানের মা অর্থাৎ স্ত্রীর প্রতি নিষ্ঠুর আচরণ করলে, যদি মাদকাসক্ত এবং অধার্মিক হন, শিশুদের প্রতি অমানবিক আচরণ করেন, প্রকাশ্যে লাম্পট্য করেন, দুস্থ অথবা নিঃস্ব হন অথবা স্বামী ও স্ত্রীর মধ্যে এ সংক্রান্ত কোনো চুক্তি থাকে, বাবা ফের বিয়ে করেন এবং নাবালক সন্তানের ভরণপোষণ দিতে অবহেলা করেন।</p>
<p>কখন পারিবারিক আদালতের আশ্রয় নিবেন:<br />
দম্পতির বিচ্ছেদের পরে সন্তানের অভিভাবকত্ব ও তত্ত্বাবধান নিয়ে বিরোধ দেখা দিলে পারিবারিক আদালতে আশ্রয় নেওয়া যাবে। পারিবারিক আদালত তখন আইন অনুযায়ী সিদ্ধান্ত নেবে, সন্তানেরা কার কাছে থাকবে। তবে আইনের পাশাপাশি আদালতের ক্ষমতা রয়েছে সন্তানের কল্যাণের দিকটি বিবেচনা করা। আদালত সন্তানের সুস্থ, স্বাভাবিক বিকাশের দিকটি বিবেচনা করে বাবা বা মা যে কারও কাছে রাখার আদেশ দিতে পারেন।</p>
<p>সন্তানের মতামতের প্রাধান্য :<br />
অনেক সময় সন্তানের যদি ভালো-মন্দ বোঝার ক্ষমতা থাকে, তাহলে সন্তানের মতামতকেও আদালত গুরুত্ব দিয়ে থাকেন। এ জন্য প্রয়োজন হলে সন্তানকে আলাদা করে বিচারক নিজের কাছে নিয়ে তার মতামত জেনে নিতে পারেন। আবার মা-বাবা পর্যায়ক্রমে সন্তানকে কাছে রাখা কিংবা একজনের কাছে থাকলে অন্যজনকে দেখা করার অনুমতিও দিয়ে থাকেন। পারিবারিক আদালতে নিজেদের মধ্যে আলোচনার মাধ্যমে সন্তানকে কাছে রাখার ব্যাপারে সিদ্ধান্ত নেওয়ারও সুযোগ রয়েছে। সন্তানের মা আলাদা থেকে অথবা বিবাহ বিচ্ছেদের পরে সন্তানের ভরণপোষণ আদায় করার জন্য নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে পারিবারিক আদালতে মামলা করতে পারবেন।</p>
<p>সন্তানের ভরণপোষণের দায়িত্ব কার:<br />
বিচ্ছেদের পর সন্তান যদি মায়ের কাছে থাকে, অনেক বাবা মনে করেন সন্তানের ভরণপোষণ দিতে হবে না। এটা ঠিক নয়। সন্তান বাবা কিংবা মা—যার কাছেই থাকুক না কেন, সন্তানের ভরণপোষণের দায়িত্ব সম্পূর্ণ বাবার। অর্থাৎ মা-বাবার মধ্যে বিচ্ছেদ হলে কিংবা মা-বাবা আলাদা বসবাস করলে বাবাকেই সন্তানদের ভরণপোষণ দিয়ে যেতে হবে। ইচ্ছে করলে মা আলাদা থেকেও বিবাহবিচ্ছেদ হোক বা না হোক।</p>
<p>মামলা দায়েরের স্থান এবং আদালত :<br />
অভিভাবকত্ব এবং নাবালক সন্তানের জিম্মাদারিত্বের জন্য পারিবারিক আদালতের মাধ্যমে আইনি পদক্ষেপ গ্রহণ করা যায়। এ ছাড়া আদালতের বাইরে উভয় পক্ষ সমঝোতার মাধ্যমে বা কারো মধ্যস্থতায়ও এ বিষয়ে সিদ্ধান্ত গ্রহণ করতে পারেন। পারিবারিক আদালতের রায়ের বিরুদ্ধে জেলা জজের আদালতে আপিল করা যায়। মামলার জন্য যেই আবেদন করুক না কেন তার বসবাস করা স্থান যে আদালতের এখতিয়ারাধীন অথবা যেখানে সন্তান বসবাস করে সেখানে মামলা করতে পারে।<br />
লেখক – আইনজীবী, জেলা ও দায়রা জজ আদালত, ঢাকা এবং খাগড়াছড়ি।</p>
]]></content:encoded>
					
					<wfw:commentRss>https://chtnews24.com/2026/09/12/%e0%a6%ac%e0%a6%bf%e0%a6%ac%e0%a6%be%e0%a6%b9-%e0%a6%ac%e0%a6%bf%e0%a6%9a%e0%a7%8d%e0%a6%9b%e0%a7%87%e0%a6%a6-%e0%a6%aa%e0%a6%b0%e0%a6%ac%e0%a6%b0%e0%a7%8d%e0%a6%a4%e0%a7%80-%e0%a6%b8%e0%a6%a8/feed/</wfw:commentRss>
			<slash:comments>0</slash:comments>
		
		
			</item>
		<item>
		<title>খাগড়াছড়িতে বাড়ছে ‘গ্যাং’ উদ্বেগ</title>
		<link>https://chtnews24.com/2026/09/12/%e0%a6%96%e0%a6%be%e0%a6%97%e0%a6%a1%e0%a6%bc%e0%a6%be%e0%a6%9b%e0%a6%a1%e0%a6%bc%e0%a6%bf%e0%a6%a4%e0%a7%87-%e0%a6%ac%e0%a6%be%e0%a6%a1%e0%a6%bc%e0%a6%9b%e0%a7%87-%e0%a6%97%e0%a7%8d%e0%a6%af/</link>
					<comments>https://chtnews24.com/2026/09/12/%e0%a6%96%e0%a6%be%e0%a6%97%e0%a6%a1%e0%a6%bc%e0%a6%be%e0%a6%9b%e0%a6%a1%e0%a6%bc%e0%a6%bf%e0%a6%a4%e0%a7%87-%e0%a6%ac%e0%a6%be%e0%a6%a1%e0%a6%bc%e0%a6%9b%e0%a7%87-%e0%a6%97%e0%a7%8d%e0%a6%af/#respond</comments>
		
		<dc:creator><![CDATA[adminchtnews24]]></dc:creator>
		<pubDate>Sat, 12 Sep 2026 02:24:44 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[Second lead]]></category>
		<category><![CDATA[খাগড়াছড়ি]]></category>
		<category><![CDATA[রকমারি]]></category>
		<category><![CDATA[শিরোনাম]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://chtnews24.com/?p=38295</guid>

					<description><![CDATA[খাগড়াছড়ি:- খাগড়াছড়িতে কিশোর গ্যাংয়ের বিস্তার নিয়ে উদ্বেগ বাড়ছে। জেলা সদর থেকে শুরু করে নয়টি উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় কিশোরদের দলবদ্ধ আড্ডা, বেপরোয়া মোটরসাইকেল চালানো, মারামারি, ইভটিজিং, মাদক সেবন ও নানা অপরাধে জড়িয়ে পড়ার অভিযোগ আসছে প্রতিনিয়ত। বিশেষ করে সন্ধ্যার পর শহরের বিভিন্ন পয়েন্ট, বাজার, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের আশপাশ ও নিরিবিলি এলাকায় কিশোরদের দলবদ্ধ অবস্থান চোখে পড়ছে। খাগড়াছড়ি সদরের [&#8230;]]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[<p>খাগড়াছড়ি:- খাগড়াছড়িতে কিশোর গ্যাংয়ের বিস্তার নিয়ে উদ্বেগ বাড়ছে। জেলা সদর থেকে শুরু করে নয়টি উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় কিশোরদের দলবদ্ধ আড্ডা, বেপরোয়া মোটরসাইকেল চালানো, মারামারি, ইভটিজিং, মাদক সেবন ও নানা অপরাধে জড়িয়ে পড়ার অভিযোগ আসছে প্রতিনিয়ত। বিশেষ করে সন্ধ্যার পর শহরের বিভিন্ন পয়েন্ট, বাজার, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের আশপাশ ও নিরিবিলি এলাকায় কিশোরদের দলবদ্ধ অবস্থান চোখে পড়ছে।<br />
খাগড়াছড়ি সদরের কলেজ গেট, মোহাম্মদপুর, শালবন, গঞ্জপাড়া ও হাইস্কুল মাঠসংলগ্ন এলাকাসহ বিভিন্ন স্থানে কিশোরদের গ্যাং আচরণ ও অপরাধপ্রবণতা নিয়ে স্থানীয়দের অভিযোগ রয়েছে। একই চিত্র দেখা যাচ্ছে দীঘিনালা, পানছড়ি, মহালছড়ি, মাটিরাঙ্গা, রামগড়, মানিকছড়ি, গুইমারা ও লক্ষ্মীছড়ির বিভিন্ন এলাকায়। কোথাও মাদক সেবন, উচ্চ শব্দে গান বাজানো, বেপরোয়া মোটরসাইকেল চালানো ও পথচারীদের উত্ত্যক্ত করার অভিযোগ রয়েছে। আবার তুচ্ছ ঘটনাকে কেন্দ্র করে দলবদ্ধ মারামারি ও সংঘর্ষেও জড়িয়ে পড়ছে কেউ কেউ।</p>
<p>সচেতন মহলের মতে, শুধু অভিযান বা গ্রেপ্তার করে কিশোর অপরাধ বন্ধ করা সম্ভব নয়। কিশোরদের অপরাধে জড়িয়ে পড়ার প্রকৃত কারণ চিহ্নিত করে পরিবার, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, প্রশাসন, পুলিশ, সমাজসেবা বিভাগ, স্থানীয় জনপ্রতিনিধি ও সামাজিকভাবে সমন্বিত উদ্যোগ নিতে হবে। পরিস্থিতি আরও জটিল হওয়ার আগেই সদরসহ প্রতিটি উপজেলায় কিশোর অপরাধের প্রকৃত চিত্র তুলে এনে কার্যকর পদক্ষেপ নেয়ার দাবি জানিয়েছেন অভিভাবক ও সচেতন মহল। খাগড়াছড়ি সদরের মুসলিমপাড়ার অভিভাবক মো. হাবিবুল্লাহ বলেন, ‘আমার ছেলে নবম শ্রেণিতে পড়ে। সে কখন কোথায় যাচ্ছে, কার সঙ্গে মিশছে- এটা নিয়ে সব সময় দুশ্চিন্তায় থাকতে হয়। পরিবারকে যেমন দায়িত্ব নিতে হবে, তেমনি প্রশাসনকেও কিশোরদের জন্য নিরাপদ পরিবেশ তৈরি করতে হবে।’</p>
<p>শিক্ষকরা বলছেন- পরিবারের নজরদারির অভাব, অসৎ সঙ্গ, মাদকের সহজলভ্যতা, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের অপব্যবহার এবং খেলাধুলা ও সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ডের সীমিত সুযোগ কিশোর অপরাধ বৃদ্ধির অন্যতম কারণ হতে পারে। শিক্ষার্থীর আচরণে হঠাৎ পরিবর্তন, নিয়মিত অনুপস্থিতি কিংবা অপরিচিত ব্যক্তিদের সঙ্গে অতিরিক্ত মেলামেশার বিষয়েও অভিভাবক ও শিক্ষকদের সতর্ক থাকা প্রয়োজন। আইনজীবী এডভোকেট জসিম উদ্দিন মজুমদার বলেন, ‘কিশোর অপরাধ নিয়ন্ত্রণে আইন প্রয়োগের পাশাপাশি পরিবার ও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানকে দায়িত্বশীল ভূমিকা নিতে হবে। কিশোরদের ব্যবহার করে মাদক কারবার বা সংঘবদ্ধ অপরাধে জড়িত প্রাপ্তবয়স্কদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনগত ব্যবস্থা নেয়া জরুরি। একই সঙ্গে অপরাধে জড়িয়ে পড়া কিশোরদের কাউন্সেলিংয়ের মাধ্যমে স্বাভাবিক জীবনে ফিরিয়ে আনতে হবে।’</p>
<p>খাগড়াছড়ি মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের সহকারী পরিচালক মো. আব্দুল হামিদ বলেন, ‘মাদক নির্মূলে নিয়মিত অভিযান পরিচালনা করা হচ্ছে। গত মাসে মাদকবিরোধী অভিযানে ১০ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। কিশোরদের মাদকের সংস্পর্শ থেকে দূরে রাখতে অভিযান পরিচালনার পাশাপাশি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে সচেতনতামূলক কার্যক্রম চালানো হয়েছে, তাদের কিশোর গ্যাংয়ের কুফল সম্পর্কে বলা হচ্ছে। গত মাসে ১০টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে মাদকবিরোধী কার্যক্রম পরিচালনা করা হয়েছে।’ খাগড়াছড়ির অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. মিজানুর রহমান বলেন, ‘কিশোর অপরাধ ও কিশোর গ্যাংয়ের বিষয়টি পুলিশ গুরুত্বের সঙ্গে দেখছে। জেলা ও উপজেলায় নিয়মিত নজরদারি এবং আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে। তবে শুধু আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর মাধ্যমে এ সমস্যা পুরোপুরি সমাধান সম্ভব নয়। পরিবার, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান ও সমাজের সবাইকে দায়িত্বশীল ভূমিকা রাখতে হবে। কিশোর অপরাধীদের রাজনৈতিক সাপোর্ট দিয়ে সহযোগিতা করা থেকে আমাদের বের হয়ে আসতে হবে। এদের বিরুদ্ধে সামাজিক আন্দোলন গড়ে তুলতে হবে।’</p>
<p>খাগড়াছড়ির জেলা প্রশাসক মো. আনোয়ার সাদাত বলেন, ‘কিশোরদের অপরাধপ্রবণতা কোনোভাবেই হালকাভাবে দেখার সুযোগ নেই। পরিবার, সামাজিক পরিবেশ, মাদক ও অসৎ সঙ্গসহ বিভিন্ন কারণে কিশোররা বিপথগামী হতে পারে। প্রশাসনের পক্ষ থেকে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ও সংশ্লিষ্ট দপ্তরগুলোর সমন্বয়ে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেয়া হবে। একই সঙ্গে কিশোরদের খেলাধুলা, সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ড ও সৃজনশীল কাজে সম্পৃক্ত করার উদ্যোগ আরও জোরদার করা প্রয়োজন।’মানবজমিন</p>
]]></content:encoded>
					
					<wfw:commentRss>https://chtnews24.com/2026/09/12/%e0%a6%96%e0%a6%be%e0%a6%97%e0%a6%a1%e0%a6%bc%e0%a6%be%e0%a6%9b%e0%a6%a1%e0%a6%bc%e0%a6%bf%e0%a6%a4%e0%a7%87-%e0%a6%ac%e0%a6%be%e0%a6%a1%e0%a6%bc%e0%a6%9b%e0%a7%87-%e0%a6%97%e0%a7%8d%e0%a6%af/feed/</wfw:commentRss>
			<slash:comments>0</slash:comments>
		
		
			</item>
		<item>
		<title>খাগড়াছড়িতে আগুনে ওষুধের গোডাউনসহ পাঁচ দোকান পুড়ে ছাই</title>
		<link>https://chtnews24.com/2026/09/11/%e0%a6%96%e0%a6%be%e0%a6%97%e0%a6%a1%e0%a6%bc%e0%a6%be%e0%a6%9b%e0%a6%a1%e0%a6%bc%e0%a6%bf%e0%a6%a4%e0%a7%87-%e0%a6%86%e0%a6%97%e0%a7%81%e0%a6%a8%e0%a7%87-%e0%a6%93%e0%a6%b7%e0%a7%81%e0%a6%a7%e0%a7%87/</link>
					<comments>https://chtnews24.com/2026/09/11/%e0%a6%96%e0%a6%be%e0%a6%97%e0%a6%a1%e0%a6%bc%e0%a6%be%e0%a6%9b%e0%a6%a1%e0%a6%bc%e0%a6%bf%e0%a6%a4%e0%a7%87-%e0%a6%86%e0%a6%97%e0%a7%81%e0%a6%a8%e0%a7%87-%e0%a6%93%e0%a6%b7%e0%a7%81%e0%a6%a7%e0%a7%87/#respond</comments>
		
		<dc:creator><![CDATA[adminchtnews24]]></dc:creator>
		<pubDate>Fri, 11 Sep 2026 14:33:37 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[Second lead]]></category>
		<category><![CDATA[খাগড়াছড়ি]]></category>
		<category><![CDATA[রকমারি]]></category>
		<category><![CDATA[শিরোনাম]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://chtnews24.com/?p=38275</guid>

					<description><![CDATA[খাগড়াছড়ি:- খাগড়াছড়ির মানিকছড়িতে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে একটি ওষুধের গোডাউনসহ পাঁচটি দোকান পুড়ে গেছে। শুক্রবার ভোর ৪টার দিকে উপজেলার ময়ূরখীল (ধর্মঘর) এলাকায় এ অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটে। খবর পেয়ে লক্ষ্মীছড়ি ফায়ার সার্ভিসের একটি দল ঘটনাস্থলে পৌঁছে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে। তবে ফায়ার সার্ভিস পৌঁছানোর আগেই আগুনে দোকানগুলোর বিপুল পরিমাণ মালামাল পুড়ে যায়।ই-পেপার সাবস্ক্রাইব করুন ক্ষতিগ্রস্ত ব্যবসায়ীরা জানান, একটি চায়ের [&#8230;]]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[<p>খাগড়াছড়ি:- খাগড়াছড়ির মানিকছড়িতে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে একটি ওষুধের গোডাউনসহ পাঁচটি দোকান পুড়ে গেছে। শুক্রবার ভোর ৪টার দিকে উপজেলার ময়ূরখীল (ধর্মঘর) এলাকায় এ অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটে।</p>
<p>খবর পেয়ে লক্ষ্মীছড়ি ফায়ার সার্ভিসের একটি দল ঘটনাস্থলে পৌঁছে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে। তবে ফায়ার সার্ভিস পৌঁছানোর আগেই আগুনে দোকানগুলোর বিপুল পরিমাণ মালামাল পুড়ে যায়।ই-পেপার সাবস্ক্রাইব করুন</p>
<p>ক্ষতিগ্রস্ত ব্যবসায়ীরা জানান, একটি চায়ের দোকানের চুলা থেকে আগুনের সূত্রপাত হয়। মুহূর্তের মধ্যে আগুন আশপাশের দোকানগুলোতে ছড়িয়ে পড়ে। স্থানীয়রা আগুন নেভানোর চেষ্টা করেও তা নিয়ন্ত্রণে আনতে পারেননি। পরে ফায়ার সার্ভিসকে খবর দেওয়া হলে তারা ঘটনাস্থলে গিয়ে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে।</p>
<p>অগ্নিকাণ্ডে একটি ওষুধের দোকান, একটি ওষুধের গোডাউন, একটি সার ও কীটনাশকের দোকান এবং দুটি চায়ের দোকানের আসবাবপত্র ও অন্যান্য মালামাল পুড়ে গেছে। এতে ব্যবসায়ীদের ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে।</p>
<p>লক্ষ্মীছড়ি ফায়ার সার্ভিসের স্টেশন কর্মকর্তারা জানান, প্রাথমিকভাবে ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ নিরূপণ করা না গেলেও ক্ষতিগ্রস্ত ব্যবসায়ীদের দাবি, অগ্নিকাণ্ডে প্রায় ৭০ লাখ টাকার মালামাল পুড়ে গেছে।</p>
]]></content:encoded>
					
					<wfw:commentRss>https://chtnews24.com/2026/09/11/%e0%a6%96%e0%a6%be%e0%a6%97%e0%a6%a1%e0%a6%bc%e0%a6%be%e0%a6%9b%e0%a6%a1%e0%a6%bc%e0%a6%bf%e0%a6%a4%e0%a7%87-%e0%a6%86%e0%a6%97%e0%a7%81%e0%a6%a8%e0%a7%87-%e0%a6%93%e0%a6%b7%e0%a7%81%e0%a6%a7%e0%a7%87/feed/</wfw:commentRss>
			<slash:comments>0</slash:comments>
		
		
			</item>
	</channel>
</rss>
