<?xml version="1.0" encoding="UTF-8"?><rss version="2.0"
	xmlns:content="http://purl.org/rss/1.0/modules/content/"
	xmlns:wfw="http://wellformedweb.org/CommentAPI/"
	xmlns:dc="http://purl.org/dc/elements/1.1/"
	xmlns:atom="http://www.w3.org/2005/Atom"
	xmlns:sy="http://purl.org/rss/1.0/modules/syndication/"
	xmlns:slash="http://purl.org/rss/1.0/modules/slash/"
	>

<channel>
	<title>অর্থ-বানিজ্য &#8211; chtnews24.com</title>
	<atom:link href="https://chtnews24.com/category/%E0%A6%85%E0%A6%B0%E0%A7%8D%E0%A6%A5-%E0%A6%AC%E0%A6%BE%E0%A6%A8%E0%A6%BF%E0%A6%9C%E0%A7%8D%E0%A6%AF/feed/" rel="self" type="application/rss+xml" />
	<link>https://chtnews24.com</link>
	<description></description>
	<lastBuildDate>Sat, 10 Oct 2026 12:18:27 +0000</lastBuildDate>
	<language>en-US</language>
	<sy:updatePeriod>
	hourly	</sy:updatePeriod>
	<sy:updateFrequency>
	1	</sy:updateFrequency>
	<generator>https://wordpress.org/?v=7.1.3</generator>
	<item>
		<title>প্রধানমন্ত্রীর জাপান সফরে বাণিজ্য-বিনিয়োগকে অগ্রাধিকার দেবে ঢাকা</title>
		<link>https://chtnews24.com/2026/10/10/%e0%a6%aa%e0%a7%8d%e0%a6%b0%e0%a6%a7%e0%a6%be%e0%a6%a8%e0%a6%ae%e0%a6%a8%e0%a7%8d%e0%a6%a4%e0%a7%8d%e0%a6%b0%e0%a7%80%e0%a6%b0-%e0%a6%9c%e0%a6%be%e0%a6%aa%e0%a6%be%e0%a6%a8-%e0%a6%b8%e0%a6%ab%e0%a6%b0/</link>
					<comments>https://chtnews24.com/2026/10/10/%e0%a6%aa%e0%a7%8d%e0%a6%b0%e0%a6%a7%e0%a6%be%e0%a6%a8%e0%a6%ae%e0%a6%a8%e0%a7%8d%e0%a6%a4%e0%a7%8d%e0%a6%b0%e0%a7%80%e0%a6%b0-%e0%a6%9c%e0%a6%be%e0%a6%aa%e0%a6%be%e0%a6%a8-%e0%a6%b8%e0%a6%ab%e0%a6%b0/#respond</comments>
		
		<dc:creator><![CDATA[adminchtnews24]]></dc:creator>
		<pubDate>Sat, 10 Oct 2026 12:18:27 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[Second lead]]></category>
		<category><![CDATA[অর্থ-বানিজ্য]]></category>
		<category><![CDATA[জাতীয়]]></category>
		<category><![CDATA[শিরোনাম]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://chtnews24.com/?p=38998</guid>

					<description><![CDATA[ডেস্ক রির্পোট:- প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের আসন্ন জাপান সফরে দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক ও অর্থনৈতিক অংশীদারিত্ব জোরদার এবং বিনিয়োগ বৃদ্ধিকে মূল অগ্রাধিকার দেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী হুমায়ুন কবির। শনিবার রাজধানীর ফরেন সার্ভিস একাডেমিতে ‘শ্রমশক্তি থেকে কৌশলগত অংশীদারিত্ব: বাংলাদেশ-সৌদি আরব সম্পর্কের নতুন বিন্যাস’ শীর্ষক সেমিনারে অংশগ্রহণ শেষে তিনি সাংবাদিকদের বলেন, জাপান সফরে আমাদের প্রধান অগ্রাধিকার হবে দ্বিপক্ষীয় [&#8230;]]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[<p>ডেস্ক রির্পোট:- প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের আসন্ন জাপান সফরে দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক ও অর্থনৈতিক অংশীদারিত্ব জোরদার এবং বিনিয়োগ বৃদ্ধিকে মূল অগ্রাধিকার দেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী হুমায়ুন কবির।</p>
<p>শনিবার রাজধানীর ফরেন সার্ভিস একাডেমিতে ‘শ্রমশক্তি থেকে কৌশলগত অংশীদারিত্ব: বাংলাদেশ-সৌদি আরব সম্পর্কের নতুন বিন্যাস’ শীর্ষক সেমিনারে অংশগ্রহণ শেষে তিনি সাংবাদিকদের বলেন, জাপান সফরে আমাদের প্রধান অগ্রাধিকার হবে দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক শক্তিশালী করা, অর্থনৈতিক অংশীদারিত্ব সুদৃঢ় করা এবং বিনিয়োগ বৃদ্ধি করা।’</p>
<p>প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান আগামী ২৬ অক্টোবর চার দিনের সফরে জাপান যাচ্ছেন।</p>
<p>এ বিষয়ে হুমায়ুন কবির বলেন, অন্যান্য দেশের সাথে যোগাযোগের ধারাবাহিকতায় জাপান সফরেও বাংলাদেশ বিভিন্ন খাতে বাণিজ্য, বিনিয়োগ এবং উন্নয়ন অংশীদারিত্বকে প্রাধান্য দেবে।</p>
<p>তিনি বলেন, বাংলাদেশ এখন সহযোগিতার সুনির্দিষ্ট ক্ষেত্রগুলোতে বিশ্বের বিভিন্ন দেশের সাথে পারস্পরিক বিনিয়োগ অংশীদারিত্ব চায়।</p>
<p>জাপানকে বাংলাদেশের অন্যতম বৃহৎ এবং দীর্ঘদিনের উন্নয়ন অংশীদার হিসেবে উল্লেখ করে হুমায়ুন কবির বলেন, কয়েকটি মেগা প্রকল্পে জাপানি বিনিয়োগ দুই দেশের মধ্যে শক্তিশালী কূটনৈতিক ও বিনিয়োগ সম্পর্ক তৈরিতে ভূমিকা রেখেছে।</p>
<p>তিনি স্মরণ করিয়ে দেন, জাপানের প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ আমন্ত্রণে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান গত এপ্রিলে এশিয়া-প্যাসিফিক অঞ্চলের জ্বালানি সংকট ও স্থায়িত্ব মোকাবিলায় জাপানের উদ্যোগে অনুষ্ঠিত এক অনলাইন সম্মেলনে যুক্ত হয়ে এ অঞ্চলের দেশগুলোর একসঙ্গে কাজ করার প্রয়োজনীয়তার ওপর জোর দেন।</p>
<p>পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী বলেন, সেই সম্পৃক্ততা বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীর ওপর জাপানি সরকারের আস্থা বৃদ্ধি করতে সাহায্য করে।</p>
<p>তিনি জানান, আসন্ন সফরে খাতভিত্তিক সহযোগিতা এবং পারস্পরিক বিনিয়োগের সুযোগ নিয়েও বিস্তারিত আলোচনা হবে।</p>
<p>প্রধানমন্ত্রীর সৌদি আরব সফরের বিষয়ে হুমায়ুন কবির বলেন, সৌদি আরবের যুবরাজ প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে সে দেশে সফরের আমন্ত্রণ জানিয়েছেন এবং প্রধানমন্ত্রী সেই আমন্ত্রণ গ্রহণ করেছেন। খুব শিগগিরই তিনি সুবিধাজনক সময়ে এ সফরে যাবেন।</p>
<p>সৌদি যুবরাজও বাংলাদেশ সফরের আগ্রহ প্রকাশ করেছেন জানিয়ে হুমায়ুন কবির বলেন, পারস্পরিক সুবিধাজনক সময়ে ঢাকা তাকে উষ্ণ অভ্যর্থনা জানাবে।</p>
<p>পবিত্র শহর মক্কা ও মদিনার সুরক্ষা সংক্রান্ত এক প্রশ্নের জবাবে হুমায়ুন কবির বলেন, এ বিষয়ে বাংলাদেশের অবস্থান স্পষ্ট ও আপসহীন। মুসলিম বিশ্বের পবিত্র স্থান ও মসজিদ রক্ষার যেকোনো উদ্যোগে সহযোগিতা বা সহায়তা চাওয়া হলে বিশ্বের অন্যতম বৃহৎ মুসলিম দেশ হিসেবে বাংলাদেশ প্রয়োজনীয় সহায়তা দিতে প্রস্তুত থাকবে।</p>
<p>উল্লেখ্য, বাংলাদেশ ইনস্টিটিউট অব ইন্টারন্যাশনাল অ্যান্ড স্ট্র্যাটেজিক স্টাডিজ (বিআইআইএসএস) এবং নর্থ সাউথ ইউনিভার্সিটির (এনএসইউ) সেন্টার ফর মাইগ্রেশন স্টাডিজ সেমিনারটি যৌথভাবে আয়োজন করে।</p>
<p>পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সচিব (দ্বিপাক্ষিক) ড. মু. নজরুল ইসলাম এবং প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান সচিব মো. মোখতার আহমেদ সেমিনারে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন।</p>
<p>এছাড়াও বিআইআইএসএস-এর মহাপরিচালক মেজর জেনারেল এ এস এম রিদওয়ানুর রহমান এবং এনএসইউ’র উপাচার্য অধ্যাপক আব্দুল হান্নান চৌধুরী সেমিনারে বক্তব্য রাখেন।</p>
]]></content:encoded>
					
					<wfw:commentRss>https://chtnews24.com/2026/10/10/%e0%a6%aa%e0%a7%8d%e0%a6%b0%e0%a6%a7%e0%a6%be%e0%a6%a8%e0%a6%ae%e0%a6%a8%e0%a7%8d%e0%a6%a4%e0%a7%8d%e0%a6%b0%e0%a7%80%e0%a6%b0-%e0%a6%9c%e0%a6%be%e0%a6%aa%e0%a6%be%e0%a6%a8-%e0%a6%b8%e0%a6%ab%e0%a6%b0/feed/</wfw:commentRss>
			<slash:comments>0</slash:comments>
		
		
			</item>
		<item>
		<title>একনেকে ১৫,৮২৩ কোটি টাকায় ১৩ প্রকল্প অনুমোদন</title>
		<link>https://chtnews24.com/2026/09/29/%e0%a6%8f%e0%a6%95%e0%a6%a8%e0%a7%87%e0%a6%95%e0%a7%87-%e0%a7%a7%e0%a7%ab%e0%a7%ae%e0%a7%a8%e0%a7%a9-%e0%a6%95%e0%a7%8b%e0%a6%9f%e0%a6%bf-%e0%a6%9f%e0%a6%be%e0%a6%95%e0%a6%be%e0%a6%af%e0%a6%bc/</link>
					<comments>https://chtnews24.com/2026/09/29/%e0%a6%8f%e0%a6%95%e0%a6%a8%e0%a7%87%e0%a6%95%e0%a7%87-%e0%a7%a7%e0%a7%ab%e0%a7%ae%e0%a7%a8%e0%a7%a9-%e0%a6%95%e0%a7%8b%e0%a6%9f%e0%a6%bf-%e0%a6%9f%e0%a6%be%e0%a6%95%e0%a6%be%e0%a6%af%e0%a6%bc/#respond</comments>
		
		<dc:creator><![CDATA[adminchtnews24]]></dc:creator>
		<pubDate>Tue, 29 Sep 2026 11:22:25 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[Second lead]]></category>
		<category><![CDATA[অর্থ-বানিজ্য]]></category>
		<category><![CDATA[জাতীয়]]></category>
		<category><![CDATA[শিরোনাম]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://chtnews24.com/?p=38807</guid>

					<description><![CDATA[ডেস্ক রির্পোট:- জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটি (একনেক) ১৫ হাজার ৮২৩ কোটি ৫৭ লাখ টাকা ব্যয়সংবলিত ১৩টি প্রকল্প অনুমোদন করেছে। এর মধ্যে সরকারের নিজস্ব অর্থায়ন ১০ হাজার ১১৮ কোটি ৩৩ লাখ টাকা, প্রকল্প ঋণ ৫ হাজার ২৫২ কোটি ৯৬ লাখ টাকা এবং সংস্থার নিজস্ব অর্থায়ন ৩৮২ কোটি ২৮ লাখ টাকা। অনুমোদিত প্রকল্পগুলোর মধ্যে নতুন ৮টি, [&#8230;]]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[<p>ডেস্ক রির্পোট:- জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটি (একনেক) ১৫ হাজার ৮২৩ কোটি ৫৭ লাখ টাকা ব্যয়সংবলিত ১৩টি প্রকল্প অনুমোদন করেছে। এর মধ্যে সরকারের নিজস্ব অর্থায়ন ১০ হাজার ১১৮ কোটি ৩৩ লাখ টাকা, প্রকল্প ঋণ ৫ হাজার ২৫২ কোটি ৯৬ লাখ টাকা এবং সংস্থার নিজস্ব অর্থায়ন ৩৮২ কোটি ২৮ লাখ টাকা।</p>
<p>অনুমোদিত প্রকল্পগুলোর মধ্যে নতুন ৮টি, সংশোধিত ৩টি এবং মেয়াদ বৃদ্ধির প্রকল্প ২টি।</p>
<p>মঙ্গলবার (২৯ সেপ্টেম্বর) প্রধানমন্ত্রী ও একনেক চেয়ারপারসন তারেক রহমানের সভাপতিত্বে সচিবালয়ের মন্ত্রিসভাকক্ষে অনুষ্ঠিত একনেক সভায় এসব প্রকল্প অনুমোদন দেওয়া হয়।</p>
<p>সভা শেষে এনইসি ভবনে সাংবাদিকদের এ তথ্য জানান পরিকল্পনা প্রতিমন্ত্রী জোনায়েদ আব্দুর রহিম সাকি।</p>
<p>অনুমোদিত ১৩ প্রকল্প</p>
<p>স্বাস্থ্যসেবা ও পরিবারকল্যাণ মন্ত্রণালয়ের ২টি প্রকল্প—‘ইন্টিগ্রেটেড হেলথ সিস্টেম রেসপন্স টু ফাইট এগেইনস্ট টিবি, এইচআইভি/এইডস অ্যান্ড ম্যালেরিয়া ইন বাংলাদেশ’ এবং ‘পটুয়াখালী মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতাল স্থাপন, পটুয়াখালী (১ম সংশোধিত)’।</p>
<p>অর্থ মন্ত্রণালয়ের ‘ফিন্যান্সিয়াল সেক্টর সাপোর্ট প্রজেক্ট-২ (এফএসএসপি-২)’।</p>
<p>সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয়ের ‘চট্টগ্রাম, খুলনা ও রাজশাহী বিভাগে বিদ্যমান শারীরিক প্রতিবন্ধী প্রশিক্ষণ কেন্দ্রের উন্নয়ন ও সম্প্রসারণ এবং মানসিক প্রতিবন্ধী শিশুদের প্রতিষ্ঠান রৌফাবাদ, চট্টগ্রাম-এ হোস্টেল ভবন সম্প্রসারণ ও সক্ষমতা’ প্রকল্প।</p>
<p>পানিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের ২টি প্রকল্প—‘মুসাপুর রেগুলেটর নির্মাণসহ ছোট ফেনী এবং বামনী নদী অববাহিকায় সমন্বিত বন্যা ও নদী ব্যবস্থাপনা এবং নিষ্কাশন ব্যবস্থার উন্নয়ন (অংশ-১)’ এবং ‘মেঘনা নদীর ভাঙন হতে ভোলা সদর ও দৌলতখান উপজেলাধীন শিবপুর, ধনিয়া ও মেদুয়া এলাকা রক্ষা’ প্রকল্প।</p>
<p>ভূমি মন্ত্রণালয়ের ‘ডিজিটাল পদ্ধতিতে ভূমি জরিপের মাধ্যমে ৩টি সিটি করপোরেশন, ১টি পৌরসভা এবং ২টি গ্রামীণ উপজেলায় ডিজিটাল ভূমি ব্যবস্থাপনা পদ্ধতি স্থাপন প্রকল্প (২য় সংশোধিত)’।</p>
<p>স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের ২টি প্রকল্প—‘রংপুর বিভাগের গুরুত্বপূর্ণ উপজেলা ও ইউনিয়ন সড়ক প্রশস্তকরণ ও শক্তিশালীকরণ প্রকল্প’ এবং ‘মাদারীপুর, শরীয়তপুর ও রাজবাড়ী জেলার গ্রামীণ অবকাঠামো উন্নয়ন প্রকল্প (৩য় সংশোধন)’।</p>
<p>বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয়ের ‘হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর সম্প্রসারণ প্রকল্প (১ম পর্যায়) (৩য় সংশোধন)’।</p>
<p>স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের ‘র‍্যাব (এসআরবি)-এর কারিগরি ও প্রযুক্তিগত সক্ষমতা বৃদ্ধিকরণ (২য় সংশোধিত)’।</p>
<p>বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজসম্পদ মন্ত্রণালয়ের ২টি প্রকল্প—‘ফেনী জেলার সোনাগাজীতে সৌর বিদ্যুৎ কেন্দ্র নির্মাণের লক্ষ্যে ভূমি অধিগ্রহণ’ এবং ‘তিনটি পার্বত্য জেলায় বিদ্যুৎ নেটওয়ার্ক সম্প্রসারণ’।</p>
<p>সভায় পরিকল্পনামন্ত্রী কর্তৃক ইতোমধ্যে অনুমোদিত ৫০ কোটি টাকার কম ব্যয়সংবলিত ১৫টি প্রকল্প সম্পর্কেও একনেককে অবহিত করা হয়।</p>
<p>সেগুলো হলো:</p>
<p>১. বাংলাদেশ ইন্টারন্যাশনাল স্কুল অ্যান্ড কলেজ, নির্ঝর ঢাকা ক্যান্টনমেন্টের বিদ্যমান ৩ তলা ভবনের ওপর ৪র্থ, ৫ম ও ৬ষ্ঠ তলার ঊর্ধ্বমুখী সম্প্রসারণ (৬ তলার ভিত) প্রকল্প।</p>
<p>২. বিমান বাহিনী ঘাঁটি কুর্মিটোলা, ঢাকায় বিদ্যমান বিএএফ শাহীন কলেজের শিক্ষার মান উন্নয়ন ও শিক্ষাদান সক্ষমতা বৃদ্ধির জন্য অবকাঠামো নির্মাণ প্রকল্প।</p>
<p>৩. আলীকদম সেনানিবাসে আলীকদম ক্যান্টনমেন্ট পাবলিক স্কুল অ্যান্ড কলেজের অবকাঠামো উন্নয়ন (২য় পর্ব) প্রকল্প।</p>
<p>৪. ঢাকা মহানগরী ও পূর্বাচলে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় স্থাপন ও অবকাঠামো উন্নয়নসহ দৃষ্টিনন্দনকরণ (২য় সংশোধিত) প্রকল্প।</p>
<p>৫. ১০ জেলায় বিএসটিআইয়ের আঞ্চলিক কার্যালয় স্থাপন (১ম সংশোধিত) প্রকল্প।</p>
<p>৬. রূপসা ৮০০ মেগাওয়াট কম্বাইন্ড সাইকেল বিদ্যুৎকেন্দ্র প্রকল্প (১ম সংশোধিত)।</p>
<p>৭. মিরপুর ইউসেপ-শ্রম ও কর্মসংস্থান ইনস্টিটিউট স্থাপন এবং মানসম্পদ উন্নয়ন (১ম সংশোধিত) প্রকল্প।</p>
<p>৮. ক্লাইমেট-স্মার্ট এগ্রিকালচার অ্যান্ড ওয়াটার ম্যানেজমেন্ট (সিএসএডাব্লিউএম) (বাপাউবো অংশ) প্রকল্প (১ম সংশোধিত)।</p>
<p>৯. কুড়িগ্রাম জেলার কুড়িগ্রাম সদর, রাজারহাট ও ফুলবাড়ী উপজেলাধীন ধরলা নদীর বন্যা নিয়ন্ত্রণসহ বাম ও ডান তীর সংরক্ষণ (২য় সংশোধন) প্রকল্প।</p>
<p>১০. হবিগঞ্জ জেলার বিবিয়ানা বিদ্যুৎ কেন্দ্রসমূহের সম্মুখে কুশিয়ারা নদীর উভয় তীর প্রতিরক্ষা (২য় সংশোধন) প্রকল্প।</p>
<p>১১. ময়মনসিংহ সিটি করপোরেশনের সড়ক উন্নয়ন ও ড্রেনেজ নেটওয়ার্কসহ নাগরিক সেবা উন্নতকরণ (১ম সংশোধিত) প্রকল্প।</p>
<p>১২. সমগ্র দেশে নিরাপদ পানি সরবরাহ প্রকল্প (২য় সংশোধিত)।</p>
<p>১৩. বাংলাদেশের ২৩টি পৌরসভায় পানি সরবরাহ ও স্যানিটেশন প্রকল্প (জিওবি-আইডিবি) (২য় সংশোধিত)।</p>
<p>১৪. ভূঞাপুর-তারাকান্দি জেলা মহাসড়ক (জেড-৪৮০১) যথাযথ মান ও প্রশস্ততায় উন্নীতকরণ (২য় সংশোধিত) প্রকল্প।</p>
<p>১৫. চাঁপাইনবাবগঞ্জ পৌরসভায় ভূ-উপরিস্থ পানি পরিশোধনপূর্বক পাইপলাইনের মাধ্যমে সরবরাহ ও নিরাপদ স্যানিটেশন প্রকল্প।</p>
<p>সভায় স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায়মন্ত্রী ড. আবদুল মঈন খান, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ, বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজসম্পদমন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ, মহিলা ও সমাজকল্যাণমন্ত্রী আবু জাফর মো. জাহিদ হোসেন, ভূমিমন্ত্রী মো. মিজানুর রহমান মিনু, শিল্প, বস্ত্র ও বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির, পানিসম্পদমন্ত্রী মো. শহীদউদ্দীন চৌধুরী এ্যানি, বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটনমন্ত্রী এম রশিদুজ্জামান মিল্লাত, স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন, সড়ক পরিবহন ও সেতু এবং রেলপথ মন্ত্রী শেখ রবিউল আলম, পরিকল্পনা প্রতিমন্ত্রী মো. জোনায়েদ আব্দুর রহিম সাকি, বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর মো. মোস্তাকুর রহমানসহ সংশ্লিষ্ট ঊর্ধ্বতন সরকারি কর্মকর্তারা সভায় অংশ নেন।</p>
]]></content:encoded>
					
					<wfw:commentRss>https://chtnews24.com/2026/09/29/%e0%a6%8f%e0%a6%95%e0%a6%a8%e0%a7%87%e0%a6%95%e0%a7%87-%e0%a7%a7%e0%a7%ab%e0%a7%ae%e0%a7%a8%e0%a7%a9-%e0%a6%95%e0%a7%8b%e0%a6%9f%e0%a6%bf-%e0%a6%9f%e0%a6%be%e0%a6%95%e0%a6%be%e0%a6%af%e0%a6%bc/feed/</wfw:commentRss>
			<slash:comments>0</slash:comments>
		
		
			</item>
		<item>
		<title>নারীর ঋণে লাগবে না পুরুষ জামিনদার</title>
		<link>https://chtnews24.com/2026/09/22/%e0%a6%a8%e0%a6%be%e0%a6%b0%e0%a7%80%e0%a6%b0-%e0%a6%8b%e0%a6%a3%e0%a7%87-%e0%a6%b2%e0%a6%be%e0%a6%97%e0%a6%ac%e0%a7%87-%e0%a6%a8%e0%a6%be-%e0%a6%aa%e0%a7%81%e0%a6%b0%e0%a7%81%e0%a6%b7-%e0%a6%9c/</link>
					<comments>https://chtnews24.com/2026/09/22/%e0%a6%a8%e0%a6%be%e0%a6%b0%e0%a7%80%e0%a6%b0-%e0%a6%8b%e0%a6%a3%e0%a7%87-%e0%a6%b2%e0%a6%be%e0%a6%97%e0%a6%ac%e0%a7%87-%e0%a6%a8%e0%a6%be-%e0%a6%aa%e0%a7%81%e0%a6%b0%e0%a7%81%e0%a6%b7-%e0%a6%9c/#respond</comments>
		
		<dc:creator><![CDATA[adminchtnews24]]></dc:creator>
		<pubDate>Tue, 22 Sep 2026 03:09:35 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[Second lead]]></category>
		<category><![CDATA[অর্থ-বানিজ্য]]></category>
		<category><![CDATA[বাংলাদেশ]]></category>
		<category><![CDATA[শিরোনাম]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://chtnews24.com/?p=38663</guid>

					<description><![CDATA[ডেস্ক রির্পোট:- নারীদের আমানত হিসাব খোলা বা ঋণ নেওয়ার ক্ষেত্রে পুরুষ জামিনদার কিংবা সহ-স্বাক্ষরকারী চাওয়ার দিন শেষ হতে যাচ্ছে। এমন শর্ত আরোপকে নিয়ন্ত্রক বিধি লঙ্ঘন হিসেবে গণ্য করে সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠান ও ব্যক্তির বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়ার উদ্যোগ নিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক। এজন্য জাতীয় নারী আর্থিক অন্তর্ভুক্তি নির্দেশিকার খসড়া তৈরি করেছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক। খসড়াটিতে আগামী ২৭ সেপ্টেম্বরের [&#8230;]]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[<p>ডেস্ক রির্পোট:- নারীদের আমানত হিসাব খোলা বা ঋণ নেওয়ার ক্ষেত্রে পুরুষ জামিনদার কিংবা সহ-স্বাক্ষরকারী চাওয়ার দিন শেষ হতে যাচ্ছে। এমন শর্ত আরোপকে নিয়ন্ত্রক বিধি লঙ্ঘন হিসেবে গণ্য করে সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠান ও ব্যক্তির বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়ার উদ্যোগ নিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক। এজন্য জাতীয় নারী আর্থিক অন্তর্ভুক্তি নির্দেশিকার খসড়া তৈরি করেছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক। খসড়াটিতে আগামী ২৭ সেপ্টেম্বরের মধ্যে জনসাধারণের মতামত চাওয়া হয়েছে। খসড়া নির্দেশিকায় বলা হয়েছে, দেশের ৪৩ দশমিক ১ শতাংশ নারী জানিয়েছেন, তাঁদের পুরুষ জামিনদার দিতে বলা হয়েছে। অথচ আইনে এ ধরনের কোনো শর্ত নেই। স্বামীর জাতীয় পরিচয়পত্র, স্বামীর নামে থাকা ইউটিলিটি বিলসহ বিভিন্ন ‘ছায়া’ বা অতিরিক্ত নথি চাওয়াকেও নারীদের আনুষ্ঠানিক আর্থিক সেবায় প্রবেশের বড় বাধা হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে।</p>
<p>নির্দেশনা অনুযায়ী, সরল কেওয়াইসি ও ই-কেওয়াইসির জন্য নিয়ন্ত্রকের নির্ধারিত ন্যূনতম প্রয়োজনীয়তার বাইরে কোনো অতিরিক্ত নথি চাইতে পারবে না আর্থিক সেবা প্রদানকারী প্রতিষ্ঠান। ব্যাংক, ক্ষুদ্রঋণ প্রতিষ্ঠান, বিমা কোম্পানি ও পুঁজিবাজারের মধ্যস্থতাকারী প্রতিষ্ঠানগুলোকে শাখা, বুথ ও ব্রোকারেজ হাউসে ‘আপনার অধিকার জানুন’ ধরনের নোটিস প্রদর্শন করতে হবে। খসড়ায় আরও বলা হয়েছে, কোনো নারী গ্রাহকের ক্ষেত্রে পুরুষ ছায়া জামিনদারের দাবি নথিভুক্ত হলে তা পরিপালনসংক্রান্ত লঙ্ঘন হিসেবে বিবেচিত হবে। সংশ্লিষ্ট নিয়ন্ত্রক সংস্থা এ ক্ষেত্রে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নিতে পারবে।</p>
<p>নারীদের আনুষ্ঠানিক ঋণ গ্রহণে বড় ব্যবধানের প্রেক্ষাপটে এ উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে। নির্দেশিকায় উদ্ধৃত ন্যাশনাল ফাইন্যান্সিয়াল ইনক্লুশন সার্ভে ২০২৫-এর তথ্য অনুযায়ী, মাত্র ১৬ শতাংশ নারী আনুষ্ঠানিকভাবে আর্থিক প্রতিষ্ঠান থেকে ঋণ নেন। বিপরীতে ৩৩ শতাংশ নারী অনানুষ্ঠানিক উৎসের ওপর নির্ভর করেন। গ্রামীণ ব্যাংক ঋণ হিসাবের মাত্র ১৪ দশমিক ৮ শতাংশ নারীদের। একই সঙ্গে নারীদের গড় ঋণের পরিমাণ সাধারণত পুরুষদের তুলনায় তিন থেকে আট গুণ কম। শুধু ঋণ নয়, সামগ্রিক আর্থিক অন্তর্ভুক্তিতেও রয়েছে ব্যবধান। নারীদের আর্থিক অন্তর্ভুক্তির হার ৬০ দশমিক ৯ শতাংশ, যেখানে পুরুষদের ৬৯ দশমিক ৫ শতাংশ। ব্যবধান ৮ দশমিক ৬ শতাংশীয় পয়েন্ট। মোবাইল আর্থিক সেবায় এ ব্যবধান আরও বেশি। নারীদের অন্তর্ভুক্তির হার ৩৬ শতাংশ, যেখানে পুরুষদের ৫৬ দশমিক ৯ শতাংশ। সক্রিয় মোবাইল ব্যাংকিং অ্যাপ ব্যবহারের হার নারীদের মাত্র শূন্য দশমিক ৮ শতাংশ; পুরুষদের ক্ষেত্রে তা ৬ দশমিক ৩ শতাংশ।</p>
<p>নারীদের ঋণপ্রাপ্তি বাড়াতে প্রতিটি আর্থিক সেবা প্রদানকারী প্রতিষ্ঠানকে অন্তত একটি নারী-কেন্দ্রিক ঋণপণ্য চালুর প্রস্তাব করা হয়েছে। এসব ঋণের ক্ষেত্রে স্থাবর সম্পত্তিকে প্রধান বা একমাত্র জামানত হিসেবে বাধ্যতামূলক করা যাবে না। ঋণ দেওয়ার সময় নগদ প্রবাহভিত্তিক মূল্যায়ন, ডিজিটাল লেনদেনের রেকর্ড এবং নারীদের ক্ষুদ্রঋণ পরিশোধের ইতিহাস বিবেচনায় নেওয়ার কথা বলা হয়েছে। ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানের সিএমএসএমই ঋণের অন্তত ১৫ শতাংশ নারী উদ্যোক্তা বা নারীর মালিকানাধীন ব্যবসায় দেওয়ার বিদ্যমান শর্তও বহাল রাখার প্রস্তাব করা হয়েছে। পাশাপাশি সিএমএসএমই ঋণ কর্মকর্তাদের লিঙ্গ-সংবেদনশীল প্রশিক্ষণ এবং ঋণের ক্ষেত্রে ‘ছায়া জামিনদার’ চাওয়ার ওপর নিষেধাজ্ঞার প্রস্তাব করা হয়েছে। ডিজিটাল আর্থিক সেবায় নারীদের প্রবেশ বাড়াতেও নতুন বাধ্যবাধকতার প্রস্তাব করা হয়েছে। মোবাইল অ্যাপ্লিকেশনে বাংলায় ভয়েস নির্দেশনা, মূল লেনদেনে ইউএসএসডি ও এসএমএস সুবিধা চালু রাখা এবং পুরুষের সহায়তা ছাড়া নারীরা নিজেরাই হিসাব পরিচালনা করতে পারছেন কি না, তা পরিমাপ করতে হবে।</p>
<p>নারীদের অভিযোগ জানানোর জন্য প্রতিটি শাখা বা আউটলেটে একজন নারী ফোকাল পয়েন্ট ও ২৪ ঘণ্টার হটলাইন রাখতে হবে। অভিযোগ সাত কার্যদিবসের মধ্যে নিষ্পত্তি করতে হবে। ১৫ দিনের পরও নিষ্পত্তি না হওয়া অভিযোগ সংশ্লিষ্ট নিয়ন্ত্রক সংস্থার কাছে পাঠানোর প্রস্তাব করা হয়েছে। আর্থিক সেবা প্রদানকারী প্রতিষ্ঠানগুলোকে প্রতি বছর ‘উইমেনস ফাইন্যান্সিয়াল ইনক্লুশন অ্যাকশন প্ল্যান’ ও প্রতিবেদন জমা দিতে হবে। এনএফআইএস ট্র্যাকারের মাধ্যমে নিয়ন্ত্রক সংস্থাগুলো প্রতি ত্রৈমাসিকে নারী-পুরুষভিত্তিক তথ্য সংগ্রহ করবে। খসড়া নির্দেশিকাটি পাঁচ বছরে তিন ধাপে বাস্তবায়নের পরিকল্পনা করা হয়েছে। প্রথম ধাপে তথ্য ও পরীক্ষামূলক ব্যবস্থা, দ্বিতীয় ধাপে দেশব্যাপী বাস্তবায়ন এবং শেষ ধাপে পূর্ণাঙ্গ প্রয়োগ করা হবে।</p>
]]></content:encoded>
					
					<wfw:commentRss>https://chtnews24.com/2026/09/22/%e0%a6%a8%e0%a6%be%e0%a6%b0%e0%a7%80%e0%a6%b0-%e0%a6%8b%e0%a6%a3%e0%a7%87-%e0%a6%b2%e0%a6%be%e0%a6%97%e0%a6%ac%e0%a7%87-%e0%a6%a8%e0%a6%be-%e0%a6%aa%e0%a7%81%e0%a6%b0%e0%a7%81%e0%a6%b7-%e0%a6%9c/feed/</wfw:commentRss>
			<slash:comments>0</slash:comments>
		
		
			</item>
		<item>
		<title>নতুন পে-স্কেলের প্রজ্ঞাপন জারি, জুলাই থেকেই বাড়তি বেতন</title>
		<link>https://chtnews24.com/2026/09/19/%e0%a6%a8%e0%a6%a4%e0%a7%81%e0%a6%a8-%e0%a6%aa%e0%a7%87-%e0%a6%b8%e0%a7%8d%e0%a6%95%e0%a7%87%e0%a6%b2%e0%a7%87%e0%a6%b0-%e0%a6%aa%e0%a7%8d%e0%a6%b0%e0%a6%9c%e0%a7%8d%e0%a6%9e%e0%a6%be%e0%a6%aa/</link>
					<comments>https://chtnews24.com/2026/09/19/%e0%a6%a8%e0%a6%a4%e0%a7%81%e0%a6%a8-%e0%a6%aa%e0%a7%87-%e0%a6%b8%e0%a7%8d%e0%a6%95%e0%a7%87%e0%a6%b2%e0%a7%87%e0%a6%b0-%e0%a6%aa%e0%a7%8d%e0%a6%b0%e0%a6%9c%e0%a7%8d%e0%a6%9e%e0%a6%be%e0%a6%aa/#respond</comments>
		
		<dc:creator><![CDATA[adminchtnews24]]></dc:creator>
		<pubDate>Sat, 19 Sep 2026 11:16:02 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[অর্থ-বানিজ্য]]></category>
		<category><![CDATA[শিরোনাম]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://chtnews24.com/?p=38564</guid>

					<description><![CDATA[ডেস্ক রির্পোট:- নবম জাতীয় বেতন স্কেল ২০২৬-এর আনুষ্ঠানিক প্রজ্ঞাপন জারি করেছে সরকার। ‘চাকরি (বেতন ও ভাতাদি) আদেশ, ২০২৬’ নামে জারি করা এ আদেশে নতুন পে-স্কেল ১ জুলাই কার্যকর হয়েছে বলে গণ্য করা হয়েছে। অর্থ মন্ত্রণালয়ের অর্থ বিভাগের বাস্তবায়ন-১ অনুবিভাগ থেকে গত ১৭ সেপ্টেম্বর জারি করা এ-সংক্রান্ত প্রজ্ঞাপন শনিবার (১৯ সেপ্টেম্বর) প্রকাশ করে সরকার। প্রজ্ঞাপনে বলা [&#8230;]]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[<p>ডেস্ক রির্পোট:- নবম জাতীয় বেতন স্কেল ২০২৬-এর আনুষ্ঠানিক প্রজ্ঞাপন জারি করেছে সরকার। ‘চাকরি (বেতন ও ভাতাদি) আদেশ, ২০২৬’ নামে জারি করা এ আদেশে নতুন পে-স্কেল ১ জুলাই কার্যকর হয়েছে বলে গণ্য করা হয়েছে।</p>
<p>অর্থ মন্ত্রণালয়ের অর্থ বিভাগের বাস্তবায়ন-১ অনুবিভাগ থেকে গত ১৭ সেপ্টেম্বর জারি করা এ-সংক্রান্ত প্রজ্ঞাপন শনিবার (১৯ সেপ্টেম্বর) প্রকাশ করে সরকার।</p>
<p>প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে, সরকারি চাকরি আইন, ২০১৮-এর ১৫ ধারায় দেওয়া ক্ষমতাবলে সরকার এ আদেশ জারি করেছে।</p>
<p>প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী, ১ জুলাই ২০২৬ তারিখে নতুন জাতীয় বেতনস্কেল অনুযায়ী বেতন নির্ধারণ করা হবে।</p>
<p>প্রজ্ঞাপন অনুসারে, নতুন বেতনকাঠামোতে গত ১ জুলাই থেকে ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত নবম ও তদুর্ধ্ব গ্রেডের কর্মকর্তারা বাড়তি মূল বেতনের ৪০ শতাংশ এবং ১০–২০তম গ্রেডের কর্মকর্তা–কর্মচারীরা ৫০ শতাংশ হারে পাবেন। যা গত ৩০ জুন আহরিত বা প্রাপ্য বেতনের সঙ্গে যুক্ত হবে।</p>
<p>এ ছাড়া ২০২৭ সালের ১ জানুয়ারি থেকে ৩০ জুন পর্যন্ত নবম ও তদুর্ধ্ব গ্রেডের কর্মকর্তারা নতুন বেতনকাঠামোতে বাড়তি মূল বেতনের ৭০ শতাংশ এবং ১০–২০তম গ্রেডের কর্মকর্তা–কর্মচারীরা ৭৫ শতাংশ হারে পাবেন। আর ২০২৭ সালের ১ জুলাই থেকে বেতন বৃদ্ধির শতভাগ কার্যকর হবে। গত ১ জুলাই থেকে নতুন বেতনকাঠামো কার্যকর হওয়ায় বকেয়া বেতনও পাবেন কর্মকর্তা–কর্মচারীরা।</p>
<p>প্রজ্ঞাপনে আরও বলা হয়েছে, ২০২৮ সালের ১ জানুয়ারি নতুন বেতনকাঠামোর অন্য সব ভাতা পাওয়া শুরু করবেন সরকারি কর্মকর্তা–কর্মচারীরা। একইভাবে পেনশন সুবিধাভোগীরাও নতুন বেতনকাঠামোর যাবতীয় সব সুবিধা পাবেন।</p>
<p>নতুন বেতন কাঠামোতে ১ম থেকে ১০ম গ্রেড পর্যন্ত কর্মকর্তাদের মূল বেতন ১০০ শতাংশ পর্যন্ত বাড়বে। আর ১১তম থেকে ২০তম গ্রেডের সরকারি চাকরিজীবীদের মূল বেতন বাড়বে ১৪২ শতাংশ পর্যন্ত। আনুপাতিক হারে বিভিন্ন ধরনের ভাতাও বাড়বে।</p>
<p>প্রজ্ঞাপনটি এস. আর. ও. নং ৩৪৭-আইন/২০২৬ হিসেবে বাংলাদেশ গেজেটের অতিরিক্ত সংখ্যায় প্রকাশিত হয়েছে। এর মাধ্যমে দীর্ঘ প্রতীক্ষিত নতুন জাতীয় বেতনস্কেল বাস্তবায়নের আনুষ্ঠানিক প্রক্রিয়া শুরু হলো।</p>
<p>এর আগে গত ৩১ আগস্ট প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত মন্ত্রিসভা বৈঠকে নতুন বেতনকাঠামো অনুমোদন দেওয়া হয়। আজ তা আনুষ্ঠানিক প্রজ্ঞাপন আকারে জারি হলো।</p>
<p>উল্লেখ্য, বর্তমানে দেশে প্রায় ১৪ লাখ সরকারি চাকরিজীবী এবং প্রায় ৯ লাখ পেনশনভোগী রয়েছেন। চলতি অর্থবছরের বাজেটে সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের বেতন ও ভাতা বাবদ ৮৯ হাজার ৮৩৬ কোটি টাকা বরাদ্দ রয়েছে। পেনশন ও গ্র্যাচুইটিসহ এ খাতে সরকারের মোট ব্যয় ১ লাখ ৪১ হাজার কোটি টাকার বেশি।</p>
]]></content:encoded>
					
					<wfw:commentRss>https://chtnews24.com/2026/09/19/%e0%a6%a8%e0%a6%a4%e0%a7%81%e0%a6%a8-%e0%a6%aa%e0%a7%87-%e0%a6%b8%e0%a7%8d%e0%a6%95%e0%a7%87%e0%a6%b2%e0%a7%87%e0%a6%b0-%e0%a6%aa%e0%a7%8d%e0%a6%b0%e0%a6%9c%e0%a7%8d%e0%a6%9e%e0%a6%be%e0%a6%aa/feed/</wfw:commentRss>
			<slash:comments>0</slash:comments>
		
		
			</item>
		<item>
		<title>২০ হাজার কোটি প্রস্তুত: বন্ধ কারখানা কেন এক টাকাও পাচ্ছে না?</title>
		<link>https://chtnews24.com/2026/09/16/%e0%a7%a8%e0%a7%a6-%e0%a6%b9%e0%a6%be%e0%a6%9c%e0%a6%be%e0%a6%b0-%e0%a6%95%e0%a7%8b%e0%a6%9f%e0%a6%bf-%e0%a6%aa%e0%a7%8d%e0%a6%b0%e0%a6%b8%e0%a7%8d%e0%a6%a4%e0%a7%81%e0%a6%a4-%e0%a6%ac%e0%a6%a8/</link>
					<comments>https://chtnews24.com/2026/09/16/%e0%a7%a8%e0%a7%a6-%e0%a6%b9%e0%a6%be%e0%a6%9c%e0%a6%be%e0%a6%b0-%e0%a6%95%e0%a7%8b%e0%a6%9f%e0%a6%bf-%e0%a6%aa%e0%a7%8d%e0%a6%b0%e0%a6%b8%e0%a7%8d%e0%a6%a4%e0%a7%81%e0%a6%a4-%e0%a6%ac%e0%a6%a8/#respond</comments>
		
		<dc:creator><![CDATA[adminchtnews24]]></dc:creator>
		<pubDate>Wed, 16 Sep 2026 02:48:16 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[Second lead]]></category>
		<category><![CDATA[অর্থ-বানিজ্য]]></category>
		<category><![CDATA[বিশেষ প্রতিবেদন]]></category>
		<category><![CDATA[শিরোনাম]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://chtnews24.com/?p=38492</guid>

					<description><![CDATA[ডেস্ক রির্পোট:- বন্ধ শিল্পকারখানা চালু করে কর্মসংস্থান সৃষ্টি ও অর্থনীতিতে গতি ফেরাতে ২০ হাজার কোটি টাকার প্রণোদনা তহবিল গঠন করেছে বাংলাদেশ ব্যাংক। নীতিমালা হয়েছে, কেন্দ্রীয় ব্যাংকের সঙ্গে চুক্তি করেছে ৪১টি ব্যাংক, বিভিন্ন ব্যাংকে আবেদনও জমা পড়ছে। খেলাপি ঋণ কমিয়ে কারখানা চালু করতে বড় ঋণখেলাপিদের জন্য ঋণ পুনঃতফসিলের বিশেষ সুযোগও দেওয়া হয়েছে। কিন্তু এত সব উদ্যোগের [&#8230;]]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[<p>ডেস্ক রির্পোট:- বন্ধ শিল্পকারখানা চালু করে কর্মসংস্থান সৃষ্টি ও অর্থনীতিতে গতি ফেরাতে ২০ হাজার কোটি টাকার প্রণোদনা তহবিল গঠন করেছে বাংলাদেশ ব্যাংক। নীতিমালা হয়েছে, কেন্দ্রীয় ব্যাংকের সঙ্গে চুক্তি করেছে ৪১টি ব্যাংক, বিভিন্ন ব্যাংকে আবেদনও জমা পড়ছে। খেলাপি ঋণ কমিয়ে কারখানা চালু করতে বড় ঋণখেলাপিদের জন্য ঋণ পুনঃতফসিলের বিশেষ সুযোগও দেওয়া হয়েছে। কিন্তু এত সব উদ্যোগের পরও তহবিল থেকে এখন পর্যন্ত এক টাকাও বিতরণ হয়নি।</p>
<p>অর্থাৎ অর্থের সংকট নেই, নীতিগত সহায়তারও ঘাটতি নেই; সংকট তৈরি হয়েছে অর্থ ছাড়ের জায়গায়। পুরোনো খেলাপি ঋণ, উদ্যোক্তার সক্ষমতা, কারখানার অবকাঠামো, গ্যাস-বিদ্যুৎ সরবরাহ, বাজার পরিস্থিতি এবং ব্যাংকের ঝুঁকি নেওয়ার অনীহা—সব মিলিয়ে আটকে আছে পুরো প্রক্রিয়া। এর সঙ্গে কোনও কোনও ব্যাংকের পরিচালনা পর্ষদের সিদ্ধান্তহীনতা যুক্ত হওয়ায় কেন্দ্রীয় ব্যাংকের নীতিগত উদ্যোগও মাঠপর্যায়ে কাঙ্ক্ষিত গতি পাচ্ছে না।</p>
<p>খেলাপি ঋণ কমাতে নীতিগত সুবিধা</p>
<p>বাংলাদেশ ব্যাংক বলছে, খেলাপি ঋণ কমিয়ে ব্যাংক খাতে শৃঙ্খলা ফেরাতে একদিকে ঋণ আদায়ে কঠোরতা, অপরদিকে প্রকৃত ক্ষতিগ্রস্ত ঋণগ্রহীতাদের জন্য নীতিগত সহায়তা—দুই পথেই এগোচ্ছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক।</p>
<p>বাংলাদেশ ব্যাংকের মুখপাত্র ও নির্বাহী পরিচালক আরিফ হোসেন খান বলেন, ‘‘খেলাপি ঋণ কমিয়ে আনতে ব্যাংকগুলোকে বিভিন্ন ধরনের নীতিগত সহায়তা দেওয়া হচ্ছে। কেন্দ্রীয় ব্যাংকের লক্ষ্য হলো—ব্যাংক খাতে খেলাপি ঋণের পরিমাণ ধীরে ধীরে কমিয়ে আনা। একইসঙ্গে গ্রাহকেরা যেন তুলনামূলক কম সুদে ঋণ নিয়ে ব্যবসা-বাণিজ্য করতে পারেন এবং ব্যাংকগুলোও সুষ্ঠুভাবে পরিচালিত হয়।’’</p>
<p>তিনি বলেন, ‘‘ঋণ পরিশোধের সক্ষমতা রয়েছে—এমন গ্রাহকদের সর্বোচ্চ ১৫ বছর পর্যন্ত সময় দিয়ে ঋণ পরিশোধের সুযোগ রাখা হয়েছে। আর যারা ইচ্ছাকৃতভাবে ঋণ পরিশোধ করছেন না, তাদের বিরুদ্ধে মামলা করতে ব্যাংকগুলোকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। এসব মামলা দ্রুত নিষ্পত্তির জন্যও নজরদারি বাড়াতে বলা হয়েছে।’’</p>
<p>এক হাজার কোটি টাকার বেশি খেলাপিদেরও বিশেষ সুযোগ</p>
<p>গত ৩১ আগস্ট বাংলাদেশ ব্যাংক বড় অঙ্কের খেলাপি ঋণ পুনঃতফসিল বা নবায়নে নতুন সুযোগ দিয়ে প্রজ্ঞাপন জারি করে। এর আওতায় ১ হাজার কোটি টাকার বেশি খেলাপি ঋণ রয়েছে—এমন গ্রাহকরা দুই বছর ঋণ পরিশোধে বিরতিসহ সর্বোচ্চ ১৫ বছর মেয়াদে ঋণ পুনঃতফসিল বা নবায়নের সুযোগ পাবেন।</p>
<p>এই সুবিধা নিতে আগ্রহীদের সেপ্টেম্বরের মধ্যে আবেদন করতে হবে। সংশ্লিষ্ট ব্যাংকগুলোকে ডিসেম্বরের মধ্যে আবেদন নিষ্পত্তি করতে বলা হয়েছে। এর আগে বাংলাদেশ ব্যাংকের নীতি সহায়তার আওতায় সুবিধা নেওয়া গ্রাহকরাও নির্দিষ্ট শর্তে নতুন করে আবেদন করতে পারবেন।</p>
<p>কেন্দ্রীয় ব্যাংকের কর্মকর্তারা বলছেন, খেলাপি ঋণ কমানোর পাশাপাশি বন্ধ শিল্পকারখানা পুনরায় চালু করাও এ ধরনের নীতিগত সহায়তার অন্যতম উদ্দেশ্য। বিশেষ করে গ্যাস ও বিদ্যুৎ সংকটসহ নানা বাস্তব সমস্যায় যেসব বড় শিল্পগোষ্ঠীর ব্যবসা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে, তাদের পুনরুদ্ধারের সুযোগ দিতে এই সুবিধা রাখা হয়েছে।</p>
<p>এর আগে ২০২৫ সালেও খেলাপি ঋণ পুনঃতফসিলে বিশেষ সুবিধা দেওয়া হয়েছিল। তখন ন্যূনতম ২ শতাংশ নগদ অর্থ জমা দিয়ে দুই বছরের গ্রেস পিরিয়ডসহ ১০ বছর মেয়াদে ঋণ পরিশোধের সুযোগ রাখা হয়েছিল। আগে তিন বা তার বেশি বার ঋণ পুনঃতফসিল করা হয়ে থাকলেও অতিরিক্ত ১ শতাংশ নগদ জমার শর্ত ছিল। এবার আগের সেই সুবিধার মেয়াদ শেষ হওয়ার পর আরও দীর্ঘ সময়ের সুযোগ দেওয়া হয়েছে।</p>
<p>২০ হাজার কোটি টাকা, তবু ছাড় হচ্ছে না</p>
<p>প্রশ্ন হচ্ছে, খেলাপি ঋণ কমাতে যখন ১৫ বছর পর্যন্ত সময় দেওয়া হচ্ছে, তখন বন্ধ কারখানা চালুর জন্য বরাদ্দ ২০ হাজার কোটি টাকা ছাড় হচ্ছে না কেন? এর উত্তর খুঁজতে গেলে একটি বিষয় পরিষ্কার হয়—নীতিগত সুযোগ পাওয়া আর ব্যাংক থেকে অর্থ ছাড় হওয়া এক বিষয় নয়।</p>
<p>বন্ধ কারখানার কোনও আবেদন পাওয়ার পর ব্যাংককে দেখতে হচ্ছে, পুরোনো ঋণ কীভাবে নিয়মিত হবে, উদ্যোক্তার আর্থিক ও ব্যবস্থাপনাগত সক্ষমতা কতটা, কারখানার অবকাঠামো সচল করার মতো অবস্থায় আছে কিনা এবং নতুন অর্থায়ন করলে প্রতিষ্ঠানটি ভবিষ্যতে ঋণ পরিশোধ করতে পারবে কিনা।</p>
<p>বাংলাদেশ ব্যাংকের কর্মকর্তাদের তথ্য অনুযায়ী, বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলোর এ পর্যন্ত ১০০ কোটি টাকার বেশি ঋণ রয়েছে— এমন এক হাজারের বেশি পুরোপুরি বা আংশিক বন্ধ শিল্পপ্রতিষ্ঠানের তালিকা কেন্দ্রীয় ব্যাংকে পাঠিয়েছে। কিন্তু এসব প্রতিষ্ঠানের বড় একটি অংশই খেলাপি। ফলে নতুন অর্থ দিয়ে কারখানা চালু করার উদ্যোগের সঙ্গে পুরোনো ঋণ নিয়মিত করার প্রশ্নটি সামনে আসছে। এখানেই আটকে যাচ্ছে অনেক আবেদন।</p>
<p>শুধু ঋণ দিলেই কারখানা চালু হবে না</p>
<p>ব্যাংকারদের বক্তব্যেও সমস্যাটির আরেকটি দিক উঠে এসেছে। মিউচুয়াল ট্রাস্ট ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা সৈয়দ মাহবুবুর রহমান বলেন, ‘‘শুধু কার্যকরী মূলধন দিলেই বন্ধ প্রতিষ্ঠান চালু হবে না। অনেক প্রতিষ্ঠানের মূলধনি বিনিয়োগ, অবকাঠামো সংস্কার ও জ্বালানি সুবিধার প্রয়োজন রয়েছে।’’</p>
<p>তার মতে, একটি শিল্পগোষ্ঠীর একটি কোম্পানি চালু করা তুলনামূলক সহজ হলেও পুরো একটি গ্রুপের একাধিক প্রতিষ্ঠান বন্ধ থাকলে সেটি পুনরুজ্জীবিত করা অনেক কঠিন।</p>
<p>কারখানা চালু করার আগে গ্যাস-বিদ্যুৎ পাওয়া যাবে কিনা, অবকাঠামো ব্যবহারযোগ্য অবস্থায় আছে কিনা এবং উৎপাদিত পণ্যের বাজারে চাহিদা রয়েছে কিনা—এসব বিষয়ও বিবেচনায় নিতে হবে। তা না হলে নতুন অর্থায়নও শেষ পর্যন্ত নতুন খেলাপি ঋণে পরিণত হতে পারে।</p>
<p>কোভিডের সময় দেওয়া প্রণোদনা ঋণের একটি উল্লেখযোগ্য অংশ এখনও আদায় হয়নি। ফলে অতীতের অভিজ্ঞতা থেকেও ব্যাংকগুলো নতুন করে ঝুঁকি নেওয়ার ক্ষেত্রে সতর্ক।</p>
<p>১৯৩ আবেদন, অনুমোদন মাত্র ৫</p>
<p>তবে ব্যাংকগুলো আবেদন নিচ্ছে না, বিষয়টি এমন নয়। ইসলামী ব্যাংকের ভারপ্রাপ্ত ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. আলতাফ হোসেন জানিয়েছেন, তাদের ব্যাংকে এখন পর্যন্ত ১৯৩টি আবেদন জমা পড়েছে। এর মধ্যে পরিচালনা পর্ষদ মাত্র ৫টি আবেদন অনুমোদন করে বাংলাদেশ ব্যাংকে পাঠিয়েছে। এতে বোঝা যায়, অন্তত এই ব্যাংকের ক্ষেত্রে আবেদনের ঘাটতি নেই; বরং যাচাই-বাছাই ও অনুমোদন প্রক্রিয়াতেই বড় সময় চলে যাচ্ছে।</p>
<p>এখানে পরিচালনা পর্ষদের ভূমিকাও গুরুত্বপূর্ণ। কারণ আবেদন যাচাই শেষে বোর্ডকেই সিদ্ধান্ত নিতে হচ্ছে—কোন প্রতিষ্ঠানকে অর্থ দেওয়া হবে, কোনটিকে দেওয়া হবে না এবং কী শর্তে অর্থায়ন করা হবে।</p>
<p>বোর্ডের সিদ্ধান্তহীনতায় আটকে আছে নীতি</p>
<p>অর্থনীতি সচল করতে বাংলাদেশ ব্যাংক একের পর এক নীতিগত উদ্যোগ নিলেও কিছু ব্যাংক তা যথাযথ গুরুত্ব দিয়ে বাস্তবায়ন করছে না, এমন অভিযোগও রয়েছে। রাষ্ট্রায়ত্ত একটি ব্যাংকের পরিচালনা পর্ষদের চেয়ারম্যান বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্দেশনা বাস্তবায়নে আগ্রহী হলেও পর্ষদের অন্য সদস্যদের কেউ কেউ বিষয়টি দ্রুত সমাধানে আন্তরিক নন। ফলে নিয়মিতভাবে বোর্ড সভা হলেও অনেক ক্ষেত্রে তা কার্যকর সিদ্ধান্তে পৌঁছাচ্ছে না।</p>
<p>ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা বড় ঋণ পুনঃতফসিল বা নতুন অর্থায়নের প্রস্তাব তৈরি করতে পারলেও চূড়ান্ত সিদ্ধান্তের ক্ষেত্রে পরিচালনা পর্ষদের অনুমোদন প্রয়োজন। ফলে বোর্ডের দীর্ঘসূত্রতা থাকলে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের নীতিগত সহায়তাও বাস্তবে ধীর হয়ে যায়। এ কারণে বন্ধ কারখানা চালুর কর্মসূচিতে শুধু কেন্দ্রীয় ব্যাংকের নীতি নয়, সংশ্লিষ্ট ব্যাংকের পরিচালনা পর্ষদের দায়িত্বশীলতাও গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে।</p>
<p>সব খেলাপিকে এক চোখে দেখলে সমাধান হবে না</p>
<p>বিশেষজ্ঞদের মতে, বন্ধ কারখানা চালুর উদ্যোগ সফল করতে হলে সব খেলাপি ঋণগ্রহীতাকে একইভাবে দেখলে চলবে না। কোনও উদ্যোক্তা যদি ইচ্ছাকৃতভাবে ঋণ পরিশোধ না করেন, তার বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়াই যৌক্তিক। কিন্তু কোনও শিল্পপ্রতিষ্ঠান গ্যাস-বিদ্যুৎ সংকট, বাজার পরিস্থিতির অবনতি, কাঁচামালের সংকট বা অন্য বাস্তব কারণে ক্ষতিগ্রস্ত হয়ে খেলাপি হয়ে থাকলে তার জন্য আলাদা বিবেচনা প্রয়োজন।</p>
<p>অ্যাসোসিয়েশন অব ব্যাংকার্স বাংলাদেশের সাবেক চেয়ারম্যান আনিস এ খান বলেন, ‘‘বন্ধ কারখানার প্রকৃত ব্যবসা ও সক্ষম উদ্যোক্তা থাকলে ব্যাংকগুলোর আরও সহযোগিতামূলক ভূমিকা নেওয়া উচিত।’’ তার মতে, যথাযথ যাচাই করে সম্ভাবনাময় প্রতিষ্ঠানে অর্থায়ন করা গেলে কর্মসংস্থান বাড়বে, উৎপাদন বাড়বে, জিডিপিতে অবদান রাখবে এবং সরকারের রাজস্বও বাড়বে।</p>
<p>অর্থের চেয়ে এখন বড় প্রশ্ন সঠিক প্রতিষ্ঠান বাছাই</p>
<p>২০ হাজার কোটি টাকার এই কর্মসূচির সামনে তাই সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ অর্থের সংকট নয়—সঠিক প্রতিষ্ঠানকে সঠিক শর্তে অর্থ দেওয়া। একদিকে ইচ্ছাকৃত খেলাপিদের সুযোগ দিলে ব্যাংক খাতে নৈতিক ঝুঁকি তৈরি হবে। অপরদিকে অতিরিক্ত কঠোর শর্তের কারণে প্রকৃত ক্ষতিগ্রস্ত কিন্তু সম্ভাবনাময় উদ্যোক্তারাও যদি অর্থ না পান, তাহলে পুরো কর্মসূচির উদ্দেশ্যই ব্যাহত হবে।</p>
<p>তাই প্রয়োজন একটি কার্যকর বাছাই ব্যবস্থা। কোন কারখানা কেন বন্ধ হয়েছে, উদ্যোক্তার নিজের দায় কতটা, কারখানা চালু করতে কত অর্থ প্রয়োজন, গ্যাস-বিদ্যুৎ নিশ্চিত করা সম্ভব কি না, বাজারে পণ্যের চাহিদা আছে কিনা এবং নতুন অর্থায়নের পর ঋণ পরিশোধের সক্ষমতা কতটা—এসব বিষয় একসঙ্গে বিবেচনা করেই সিদ্ধান্ত নিতে হবে। কারণ ২০ হাজার কোটি টাকা বরাদ্দ থাকলেই কর্মসংস্থান হবে না। কর্মসংস্থান তৈরি করতে হলে বন্ধ কারখানাকে বাস্তবে উৎপাদনে ফিরতে হবে।</p>
<p>পুরোনো ঋণের সমাধান, উদ্যোক্তার সক্ষমতা, অবকাঠামো, গ্যাস-বিদ্যুৎ, বাজার এবং ব্যাংকের সিদ্ধান্ত—এই ছয়টি জায়গায় সমন্বয় না হলে ২০ হাজার কোটি টাকার তহবিলও কাগজে থাকা একটি বড় অঙ্ক হয়েই থাকবে।</p>
<p>আর ব্যাংকের পরিচালনা পর্ষদ যদি শুধু নিয়মরক্ষার সভা করে সিদ্ধান্ত নিতে দীর্ঘসূত্রতা করে, তাহলে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের নীতিগত উদ্যোগও কাঙ্ক্ষিত ফল দেবে না।বাংলা ট্রিবিউন</p>
]]></content:encoded>
					
					<wfw:commentRss>https://chtnews24.com/2026/09/16/%e0%a7%a8%e0%a7%a6-%e0%a6%b9%e0%a6%be%e0%a6%9c%e0%a6%be%e0%a6%b0-%e0%a6%95%e0%a7%8b%e0%a6%9f%e0%a6%bf-%e0%a6%aa%e0%a7%8d%e0%a6%b0%e0%a6%b8%e0%a7%8d%e0%a6%a4%e0%a7%81%e0%a6%a4-%e0%a6%ac%e0%a6%a8/feed/</wfw:commentRss>
			<slash:comments>0</slash:comments>
		
		
			</item>
		<item>
		<title>খেলাপি ঋণে হাবুডুবু ব্যাংক খাত</title>
		<link>https://chtnews24.com/2026/09/13/%e0%a6%96%e0%a7%87%e0%a6%b2%e0%a6%be%e0%a6%aa%e0%a6%bf-%e0%a6%8b%e0%a6%a3%e0%a7%87-%e0%a6%b9%e0%a6%be%e0%a6%ac%e0%a7%81%e0%a6%a1%e0%a7%81%e0%a6%ac%e0%a7%81-%e0%a6%ac%e0%a7%8d%e0%a6%af%e0%a6%be/</link>
					<comments>https://chtnews24.com/2026/09/13/%e0%a6%96%e0%a7%87%e0%a6%b2%e0%a6%be%e0%a6%aa%e0%a6%bf-%e0%a6%8b%e0%a6%a3%e0%a7%87-%e0%a6%b9%e0%a6%be%e0%a6%ac%e0%a7%81%e0%a6%a1%e0%a7%81%e0%a6%ac%e0%a7%81-%e0%a6%ac%e0%a7%8d%e0%a6%af%e0%a6%be/#respond</comments>
		
		<dc:creator><![CDATA[adminchtnews24]]></dc:creator>
		<pubDate>Sun, 13 Sep 2026 02:10:53 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[Second lead]]></category>
		<category><![CDATA[অর্থ-বানিজ্য]]></category>
		<category><![CDATA[শিরোনাম]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://chtnews24.com/?p=38369</guid>

					<description><![CDATA[ডেস্ক রির্পোট:- দেশের আর্থিক খাতের মূল ভিত্তি ব্যাংক ব্যবস্থা এখন খেলাপি ঋণে হাবুডুবু খাচ্ছে। মাত্রাতিরিক্ত খেলাপির কারণে মূলধন ঘাটতি ও তীব্র তরল্য সংকটে ভুগছে দেশের ব্যাংকগুলো। বাংলাদেশ ব্যাংকের হিসাবে ২০২৬ সালের জুন শেষে দেশের ব্যাংক খাতে খেলাপি ঋণ বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৬ লাখ ৬ হাজার ৫৫৫ কোটি টাকা। এটি ব্যাংকগুলোর বিতরণ করা মোট ঋণের ৩২.৭৮ শতাংশ। [&#8230;]]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[<p>ডেস্ক রির্পোট:- দেশের আর্থিক খাতের মূল ভিত্তি ব্যাংক ব্যবস্থা এখন খেলাপি ঋণে হাবুডুবু খাচ্ছে। মাত্রাতিরিক্ত খেলাপির কারণে মূলধন ঘাটতি ও তীব্র তরল্য সংকটে ভুগছে দেশের ব্যাংকগুলো। বাংলাদেশ ব্যাংকের হিসাবে ২০২৬ সালের জুন শেষে দেশের ব্যাংক খাতে খেলাপি ঋণ বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৬ লাখ ৬ হাজার ৫৫৫ কোটি টাকা। এটি ব্যাংকগুলোর বিতরণ করা মোট ঋণের ৩২.৭৮ শতাংশ। অর্থাৎ ব্যাংকের বিতরণ করা প্রতি ১০০ টাকার মধ্যে প্রায় ৩৩ টাকাই এখন খেলাপি। এতে খেলাপি ঋণের হারের দিক থেকে বিশ্বে শীর্ষে চলে এসেছে বাংলাদেশ। ফলে থমকে যাচ্ছে বেসরকারি খাতের বিনিয়োগ, যার প্রত্যক্ষ নেতিবাচক প্রভাব পড়ছে সামগ্রিক অর্থনীতির ওপর।</p>
<p>অর্থনীতিবিদ ও ব্যাংক সংশ্লিষ্টরা বলছেন, এই খেলাপি ঋণের বড় অংশ একদিনে তৈরি হয়নি। পতিত আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে দীর্ঘদিন ধরে ঋণ পুনঃতফসিল, বিশেষ ছাড় ও হিসাবগত পরিবর্তনের মাধ্যমে অনেক সমস্যাগ্রস্ত ঋণ নিয়মিত দেখানো হয়েছিল। ২০২৪ সালের আগস্টে রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর ব্যাংক খাতের দীর্ঘদিনের পুঞ্জীভূত অনিয়ম, জালিয়াতি ও বেনামি ঋণের প্রকৃত চিত্র এখন বেরিয়ে আসছে। আর এতেই খেলাপি ঋণের পরিমাণ আশঙ্কাজনক পর্যায়ে পৌঁছেছে। তাদের মতে, দ্রুত কঠোর পদক্ষেপ না নিলে আর্থিক খাতের এই ভঙ্গুরতা পুরো দেশের অর্থনৈতিক স্থায়িত্বকে বড় ধরনের ঝুঁকিতে ফেলবে।</p>
<p>সেন্টার ফর পলিসি ডায়ালগের (সিপিডি) এক প্রতিবেদনে বলা হয়, রাজনৈতিক সদিচ্ছা ছাড়া কেবল কাগুজে নীতিমালা প্রণয়ন করে এই সংকট নিরসন সম্ভব নয়।<br />
বাংলাদেশ ব্যাংকের সর্বশেষ খেলাপি ঋণের তথ্য বিশ্লেষণে দেখা গেছে, গত কয়েক বছরে খেলাপি ঋণের পরিমাণ রেকর্ড ছাড়িয়েছে। ব্যাংক খাতের মোট ঋণের ৩২.৭৮ শতাংশ খেলাপি হয়ে পড়েছে। এসব টাকা অর্থনীতিতে কোনো ভূমিকা রাখছে না। আমানতকারীদের এই টাকা ঝুঁকিতে পড়ে গেছে। ২০২৬ সালের মার্চ শেষে খেলাপি ঋণের পরিমাণ ছিল ৫ লাখ ৮৮ হাজার ৭০৪ কোটি টাকা। পরের তিন মাসেই তা ১৭ হাজার ৮৫১ কোটি টাকা বেড়েছে। এর আগে ২০২৫ সালের সেপ্টেম্বরে খেলাপি ঋণ রেকর্ড ৬ লাখ ৪৪ হাজার ৫১৫ কোটি টাকায় উঠেছিল।</p>
<p>সবচেয়ে ঝুঁঁকিতে যেসব ব্যাংক: সবচেয়ে খারাপ অবস্থায় রয়েছে একীভূত হওয়া পাঁচটি ব্যাংক। এসব ব্যাংকের বিতরণ করা ঋণের ৮০ শতাংশের বেশি খেলাপি। এর বাইরে সরকারি খাতের বেসিক, জনতা ও বেসরকারি খাতের এবি ব্যাংক, বাংলাদেশ কমার্স ব্যাংক, আইসিবি ইসলামিক ব্যাংক, পদ্মা ব্যাংক, ইসলামী ব্যাংকের খেলাপি ঋণ ৫০ শতাংশের বেশি।<br />
গত রোববার জাতীয় সংসদে অর্থমন্ত্রী আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী জানিয়েছেন, রাষ্ট্র-মালিকানাধীন ৬টি ব্যাংক (অগ্রণী ব্যাংক, বাংলাদেশ ডেভেলপমেন্ট ব্যাংক, বেসিক ব্যাংক, জনতা ব্যাংক, রূপালী ব্যাংক এবং সোনালী ব্যাংক পিএলসি-এর ৩০শে জুন ২০২৬ ভিত্তিক খেলাপি ঋণের পরিমাণ ১ লাখ ৪৭ হাজার ৭৭৬ কোটি ৩৬ লাখ টাকা। এর মধ্যে অগ্রণী ব্যাংকে ২৯০২৯.৬৭ কোটি টাকা, বাংলাদেশ ডেভেলপমেন্ট ব্যাংকের ৮৮৮.৭৯ কোটি, বেসিক ব্যাংকের ৮১৩১.০৯ কোটি, জনতা ব্যাংকের ৭৫৩৯৬.৬৭ কোটি, রূপালী ব্যাংকের ১৯২৮১.৭৪ কোটি এবং সোনালী ব্যাংকের খেলাপি ঋণের পরিমাণ ১৫০৪৮.৩৯ কোটি টাকা। এ ছাড়া গত এপ্রিলে জাতীয় সংসদে লিখিত প্রশ্নের জবাবে অর্থমন্ত্রী আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী শীর্ষ ২০ ঋণখেলাপি প্রতিষ্ঠানের নাম প্রকাশ করেন। এর মধ্যে ১১টিই চট্টগ্রামের এস আলম গ্রুপের নিয়ন্ত্রণে।</p>
<p>রাজনৈতিক প্রভাবে দেয়া ভুয়া ও বেনামি ঋণ, দুর্বল তদারকি, ব্যবসায় মন্দা এবং জ্বালানি সংকটও খেলাপি ঋণ বাড়ার পেছনে ভূমিকা রেখেছে।<br />
কৃষি ঋণে ভয়াবহ চিত্র: কৃষি ঋণ বিতরণ বাড়লেও তা আদায়ে বড় ধরনের ধাক্কা খাচ্ছে দেশের ব্যাংকিং খাত। বিশেষ করে কয়েকটি ব্যাংকে কৃষি খাতে বকেয়া ঋণের বড় একটি অংশই এখন খেলাপি হয়ে পড়েছে। কোনো ব্যাংকে মোট বকেয়া ঋণের ৯৪ শতাংশের বেশি খেলাপি, আবার কোনোটিতে এই হার ৮০ শতাংশ ছাড়িয়েছে। সব মিলিয়ে ব্যাংকিং খাতে মোট কৃষি ঋণের প্রায় ৩০ শতাংশই এখন খেলাপির খাতায়। বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্য অনুযায়ী, ২০২৫-২৬ অর্থবছর শেষে ব্যাংকিং খাতে কৃষি ঋণের মোট স্থিতি দাঁড়িয়েছে ৬৩ হাজার ৫৭৪ কোটি টাকা। এর মধ্যে খেলাপি হয়ে গেছে ১৮ হাজার ৫৭৮ কোটি টাকা। অর্থাৎ মোট কৃষি ঋণের ২৯.২২ শতাংশই খেলাপি।<br />
সিপিডি’র বিশেষ ফেলো ড. ফাহমিদা খাতুন বলেন, চলমান সম্পদ মান পর্যালোচনার ফলে ব্যাংক খাতের প্রকৃত দুর্বলতা এখন প্রকাশ পাচ্ছে। বাংলাদেশ ব্যাংকের স্বাধীন ও কার্যকর তদারকি নিশ্চিত করার পাশাপাশি ঋণ পুনঃতফসিলের সুযোগের অপব্যবহার বন্ধ করতে হবে। একইসঙ্গে ব্যাংক খাতে অনিয়ম ও ঋণ জালিয়াতির সঙ্গে জড়িতদের জবাবদিহির আওতায় আনতে হবে।</p>
<p>খেলাপিরা বারবার ছাড় পান: ঋণ পুনঃতফসিলের সুযোগ দেয়ার সময় বরাবরই বলা হয়েছে, এতে ব্যাংকের আটকে থাকা টাকা ফেরত আসবে এবং খেলাপি ঋণ কমবে। বাস্তবে ব্যাংকের খাতায় খেলাপি ঋণ সাময়িকভাবে কমলেও সেই হারে আদায় বাড়েনি; বরং পুনঃতফসিল করা ঋণের বড় অংশ আবার খেলাপি হয়েছে।</p>
<p>যেভাবে বাড়লো খেলাপি ঋণ: ২০০৯ সালের আওয়ামী লীগের নেতৃত্বাধীন জোট সরকার যখন দায়িত্ব গ্রহণ করে, তখন খেলাপি ঋণের পরিমাণ ছিল মাত্র ২২ হাজার ৪৮১ কোটি টাকা। আর ১৫ বছরের শাসনের পর সরকার ক্ষমতাচ্যুত হওয়ার ঠিক আগে ২০২৪ সালের জুনে খেলাপি ঋণ বেড়ে দাঁড়ায় ২ লাখ ১১ হাজার ৩৯১ কোটি টাকা। রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর অন্তর্বর্তী সরকার দায়িত্ব নিলে আর্থিক খাতের গোপন করা তথ্য ও প্রকৃত চিত্র প্রকাশ পেতে শুরু করে। দেশি-বিদেশি নিরীক্ষা প্রতিষ্ঠান ব্যাংক খাতের প্রকৃত চিত্র বের করে। এ অবস্থায় ব্যাংকিং খাতে তারল্য সংকট তৈরি হয়। এই অচলাবস্থা কাটাতে বিশেষ ছাড় দিয়ে ঋণ পুনঃতফসিল ও সুদ মওকুফ করে এককালীন ঋণ পরিশোধের সুযোগ দেয় অন্তর্বর্তী সরকার। বিএনপি সরকার ক্ষমতা আসার পর এই সুবিধা আরও বাড়ানো হয়।</p>
<p>বাংলাদেশ ব্যাংকের ছাড়: গত ৩১শে অগাস্ট ক্ষতিগ্রস্ত ঋণগ্রহীতা প্রতিষ্ঠানের ব্যবসা ও আর্থিক ব্যবস্থা পুনর্গঠনে নীতি সহায়তা দিয়ে একটি সার্কুলার জারি করেছে বাংলাদেশ ব্যাংক। যেখানে এক হাজার কোটি টাকার বেশি খেলাপি ঋণগ্রস্তকে ঋণ পুনঃতফসিল বা নবায়নের পর পরিশোধের জন্য ১৫ বছর সময় দেয়ার কথা বলা হয়েছে। এ ছাড়া প্রথম দুই বছর কোনো কিস্তি দেয়া লাগবে না বলেও উল্লেখ করা হয়েছে। যারা এই সুযোগ নিতে চান তাদের সেপ্টেম্বর মাসের মধ্যেই আবেদন করতে বলা হয়েছে। যা আগামী ডিসেম্বরের মধ্যেই নিষ্পত্তি করবে ব্যাংকগুলো। এর আগে ২০২৫ সালের ১৬ই সেপ্টেম্বরও একটি প্রজ্ঞাপন দিয়েছিল বাংলাদেশ ব্যাংক। যেখানে ব্যাংকার ও গ্রাহক সম্পর্কের ভিত্তিতে বিদ্যমান খেলাপি ঋণের স্থিতির ওপর কমপক্ষে দুই শতাংশ নগদ অর্থ জমা দেয়ার কথা বলা হয়েছিল। ঋণ নিয়মিত হলে দুই বছরের গ্রেস পিরিয়ডসহ (ঋণ পরিশোধে বিরতি) তা পরিশোধে ১০ বছর সময় দেয়া হবে বলে জানানো হয়েছিল। বড় ঋণ খেলাপিদের এসব সুযোগ দেয়ার বিষয়টি নিয়ে নানা আলোচনা সমালোচনা চলছে।</p>
<p>খেলাপি ঋণ বৃদ্ধির বিষয়ে বাংলাদেশ ব্যাংকের মুখপাত্র আরিফ হোসেন খান বলেন, মূলত অনেক আগের অনাদায়ী ঋণ হিসাবভুক্ত হওয়ায় খেলাপির পরিমাণ বেড়েছে। তবে খেলাপি কমাতে ইতিমধ্যে ঋণ পুনঃতফসিলের নীতিগত সুযোগ দেয়া হয়েছে। বাংলাদেশ ব্যাংক চায়, ব্যাংক খাতে খেলাপি ঋণের পরিমাণ ধীরে ধীরে কমে আসুক। একইসঙ্গে গ্রাহকরা যেন কম সুদে ঋণ নিয়ে ব্যবসা-বাণিজ্য করতে পারেন এবং ব্যাংকগুলোও সুষ্ঠুভাবে পরিচালিত হয়। এতে ভবিষ্যতে খেলাপির হার কিছুটা কমে আসবে বলে তিনি আশা করেন।</p>
<p>শাস্তি হয় না: ২০২৪ সালে আন্দোলনের মুখে আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর থেকেই বাংলাদেশের আর্থিক প্রতিষ্ঠানের খারাপ অবস্থা নিয়ে আলোচনা চলছে। সরকার পরিবর্তনের পর খাতা-কলমে নানা পদক্ষেপ নেয়া হলেও খেলাপি ঋণের পরিমাণ কমার পরিবর্তে বরং এখনো বেড়েই চলেছে। মূলত বাংলাদেশে অর্থঋণ আদালত এবং খেলাপি ঋণ আদায়ে আইন থাকলেও বড় খেলাপিদের বিরুদ্ধে দৃশ্যমান পদক্ষেপ নেয়ার উদাহরণ কম।</p>
<p>বাংলাদেশ ইনস্টিটিউট অব ব্যাংক ম্যানেজমেন্ট (বিআইবিএম) অধ্যাপক ড. মো. আহসান হাবীব বলেন, বিদ্যমান আইনে আমরা উইলফুল ডিফল্টারের (স্বেচ্ছায় যারা ঋণ পরিশোধ করে না) ক্ষেত্রে কঠিন পদক্ষেপ এখনো পর্যন্ত নিতে পারিনি, এটা একদম পরিষ্কার। এ ছাড়া এই ধরনের পরিস্থিতিতে ব্যবস্থা নেয়ার ক্ষেত্রে বেশকিছু আইনি জটিলতা রয়েছে বলেও মনে করেন তিনি। এ ছাড়া অর্থঋণ আদালতে মামলা নিষ্পত্তিতে পাঁচ থেকে সাত বছরের দীর্ঘ সময় লাগে। ফলে ব্যাংকগুলো নিজেরাই মামলা করতে খুব একটা আগ্রহী হয় না।</p>
<p>পরিত্রাণের উপায়: পরিস্থিতি সামাল দিতে অবিলম্বে শীর্ষ খেলাপিদের কাছ থেকে অর্থ আদায়ে বিশেষ ট্রাইব্যুনাল গঠন, ঋণ পুনর্গঠন নীতিমালায় কঠোরতা আনা এবং বাংলাদেশ ব্যাংককে সম্পূর্ণ স্বাধীনভাবে কাজ করার সুযোগ দেয়ার দাবি জানিয়েছেন অর্থনৈতিক বিশেষজ্ঞরা। রাজনৈতিক প্রভাবের বাইরে গিয়ে ঋণখেলাপিদের বিরুদ্ধে দৃষ্টান্তমূলক আইনি ব্যবস্থা না নিলে ব্যাংক খাতের এই রক্তক্ষরণ বন্ধ করা সম্ভব হবে না।</p>
]]></content:encoded>
					
					<wfw:commentRss>https://chtnews24.com/2026/09/13/%e0%a6%96%e0%a7%87%e0%a6%b2%e0%a6%be%e0%a6%aa%e0%a6%bf-%e0%a6%8b%e0%a6%a3%e0%a7%87-%e0%a6%b9%e0%a6%be%e0%a6%ac%e0%a7%81%e0%a6%a1%e0%a7%81%e0%a6%ac%e0%a7%81-%e0%a6%ac%e0%a7%8d%e0%a6%af%e0%a6%be/feed/</wfw:commentRss>
			<slash:comments>0</slash:comments>
		
		
			</item>
		<item>
		<title>৪ লাখ ৪০ হাজার কোটির খেলাপি ঋণ ১০ ব্যাংকে, কোথায় গেলো এত টাকা?</title>
		<link>https://chtnews24.com/2026/09/12/%e0%a7%aa-%e0%a6%b2%e0%a6%be%e0%a6%96-%e0%a7%aa%e0%a7%a6-%e0%a6%b9%e0%a6%be%e0%a6%9c%e0%a6%be%e0%a6%b0-%e0%a6%95%e0%a7%8b%e0%a6%9f%e0%a6%bf%e0%a6%b0-%e0%a6%96%e0%a7%87%e0%a6%b2%e0%a6%be%e0%a6%aa/</link>
					<comments>https://chtnews24.com/2026/09/12/%e0%a7%aa-%e0%a6%b2%e0%a6%be%e0%a6%96-%e0%a7%aa%e0%a7%a6-%e0%a6%b9%e0%a6%be%e0%a6%9c%e0%a6%be%e0%a6%b0-%e0%a6%95%e0%a7%8b%e0%a6%9f%e0%a6%bf%e0%a6%b0-%e0%a6%96%e0%a7%87%e0%a6%b2%e0%a6%be%e0%a6%aa/#respond</comments>
		
		<dc:creator><![CDATA[adminchtnews24]]></dc:creator>
		<pubDate>Sat, 12 Sep 2026 02:37:45 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[অর্থ-বানিজ্য]]></category>
		<category><![CDATA[বিশেষ প্রতিবেদন]]></category>
		<category><![CDATA[শিরোনাম]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://chtnews24.com/?p=38307</guid>

					<description><![CDATA[ডেস্ক রির্পোট:- দেশের ব্যাংক খাতে খেলাপি ঋণ এখন শুধু বড় অঙ্কের সমস্যা নয়, এটি কয়েকটি ব্যাংকের জন্য অস্তিত্বের সংকটে পরিণত হয়েছে। মোট ৬১টি ব্যাংকের মধ্যে মাত্র ১০টি ব্যাংকেই কেন্দ্রীভূত হয়েছে ব্যাংক খাতের প্রায় ৭২ শতাংশ খেলাপি ঋণ। এসব ব্যাংকের বেশির ভাগই নানা অনিয়ম, জালিয়াতি ও প্রভাবশালী ব্যবসায়ী গোষ্ঠীর ঋণ কেলেঙ্কারির কারণে দীর্ঘদিন ধরে দুর্বল হয়ে [&#8230;]]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[<p>ডেস্ক রির্পোট:- দেশের ব্যাংক খাতে খেলাপি ঋণ এখন শুধু বড় অঙ্কের সমস্যা নয়, এটি কয়েকটি ব্যাংকের জন্য অস্তিত্বের সংকটে পরিণত হয়েছে। মোট ৬১টি ব্যাংকের মধ্যে মাত্র ১০টি ব্যাংকেই কেন্দ্রীভূত হয়েছে ব্যাংক খাতের প্রায় ৭২ শতাংশ খেলাপি ঋণ। এসব ব্যাংকের বেশির ভাগই নানা অনিয়ম, জালিয়াতি ও প্রভাবশালী ব্যবসায়ী গোষ্ঠীর ঋণ কেলেঙ্কারির কারণে দীর্ঘদিন ধরে দুর্বল হয়ে পড়েছে।</p>
<p>বাংলাদেশ ব্যাংকের সর্বশেষ হিসাবে, গত জুন শেষে দেশের ব্যাংক খাতে মোট খেলাপি ঋণের পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ৬ লাখ ৬ হাজার ৫৫৫ কোটি টাকা। এর মধ্যে খেলাপি ঋণের পরিমাণের দিক থেকে শীর্ষ ১০ ব্যাংকের রয়েছে ৪ লাখ ৩৯ হাজার ৫৩১ কোটি টাকা, যা মোট খেলাপি ঋণের ৭২ দশমিক ৪৬ শতাংশ। একই সময়ে ব্যাংক খাতে মোট ঋণস্থিতি ছিল ১৮ লাখ ৫০ হাজার ৫৯৫ কোটি টাকা। অর্থাৎ পুরো ব্যাংক খাতের প্রায় এক-তৃতীয়াংশ ঋণ এখন খেলাপিতে পরিণত হয়েছে।</p>
<p>সবচেয়ে উদ্বেগের বিষয় হলো, শীর্ষে থাকা ব্যাংকগুলোর কয়েকটির খেলাপি ঋণের হার ৯০ শতাংশের কাছাকাছি বা তারও বেশি। অর্থাৎ এসব ব্যাংকের বিতরণ করা ঋণের বড় অংশ থেকেই এখন নিয়মিত আয় আসছে না।</p>
<p>শীর্ষ ১০ ব্যাংকেই ৪ লাখ ৪০ হাজার কোটি</p>
<p>পরিমাণের দিক থেকে সবচেয়ে বেশি খেলাপি ঋণ রয়েছে ইসলামী ব্যাংক বাংলাদেশে। ব্যাংকটির মোট ঋণস্থিতি প্রায় ১ লাখ ৮৯ হাজার ৬৮৩ কোটি টাকা। এর মধ্যে খেলাপি হয়েছে ৯৮ হাজার ৯১৫ কোটি টাকা, যা মোট ঋণের ৫২ দশমিক ১৫ শতাংশ। বিপুল খেলাপি ঋণের কারণে ব্যাংকটিতে প্রভিশন ঘাটতিও তৈরি হয়েছে।</p>
<p>এরপরই রয়েছে রাষ্ট্রায়ত্ত জনতা ব্যাংক। ব্যাংকটির মোট ঋণের পরিমাণ প্রায় ১ লাখ ৯০৫ কোটি টাকা। এর মধ্যে খেলাপি ঋণ ৭৫ হাজার ৭২৯ কোটি টাকা, যা মোট ঋণের প্রায় ৭৫ শতাংশ।</p>
<p>তৃতীয় অবস্থানে থাকা ফার্স্ট সিকিউরিটি ইসলামী ব্যাংকের খেলাপি ঋণ ৬০ হাজার ৬৪৫ কোটি টাকা। ব্যাংকটির মোট ঋণের প্রায় ৯৭ শতাংশই খেলাপিতে পরিণত হয়েছে। ব্যাংকটির বড় অংশের ঋণ এস আলম গ্রুপের নিয়ন্ত্রণের সময় বিতরণ করা হয়েছিল বলে সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন। এই ব্যাংকসহ আরও কয়েকটি ব্যাংককে একীভূত করে সম্মিলিত ইসলামী ব্যাংক গঠনের প্রক্রিয়া চলছে।</p>
<p>চতুর্থ অবস্থানে থাকা এক্সিম ব্যাংকের খেলাপি ঋণ ৩৮ হাজার ৫২ কোটি টাকা, যা মোট ঋণের প্রায় ৭১ শতাংশ। এরপর অগ্রণী ব্যাংকের খেলাপি ঋণ ৩২ হাজার ১৩৩ কোটি টাকা। ব্যাংকটির মোট ঋণের ৪৪ শতাংশের মতো এখন খেলাপি।</p>
<p>শীর্ষ ১০-এর অন্য ব্যাংকগুলোর মধ্যে সোশ্যাল ইসলামী ব্যাংকের খেলাপি ঋণ প্রায় ২৯ হাজার ৭৯৯ কোটি টাকা, আইএফআইসি ব্যাংকের ২৮ হাজার ৫২০ কোটি টাকা, ন্যাশনাল ব্যাংকের ২৮ হাজার ২৭৭ কোটি টাকা, ইউনিয়ন ব্যাংকের ২৭ হাজার ১৩৪ কোটি টাকা এবং এবি ব্যাংকের ২০ হাজার ৩২৬ কোটি টাকা।</p>
<p>অর্থাৎ শীর্ষ ১০ ব্যাংকের খেলাপি ঋণ একসঙ্গে হিসাব করলে তা ৪ লাখ ৪০ হাজার কোটি টাকার কাছাকাছি।</p>
<p>অনিয়মের ঋণ এখন খেলাপি</p>
<p>ব্যাংকার ও খাতসংশ্লিষ্টদের মতে, এসব ব্যাংকে খেলাপি ঋণ বাড়ার পেছনে সবচেয়ে বড় কারণ হলো আগের সময়ে রাজনৈতিক ও প্রভাবশালী ব্যবসায়ী গোষ্ঠীর প্রভাবে ঋণ বিতরণ। বিশেষ করে আওয়ামী লীগ সরকারের সময়ে কয়েকটি ব্যাংক নির্দিষ্ট ব্যবসায়ী গোষ্ঠীর নিয়ন্ত্রণে চলে যাওয়ায় নামে-বেনামে প্রতিষ্ঠান খুলে বিপুল পরিমাণ ঋণ নেওয়ার অভিযোগ রয়েছে।</p>
<p>এস আলম, বেক্সিমকো, নাসা, সিকদার, আরামিট, অ্যাননটেক্স, ক্রিসেন্ট লেদার, বিসমিল্লাহ, হলমার্কসহ বিভিন্ন আলোচিত ব্যবসায়ী গোষ্ঠীর ঋণের বড় অংশ এখন খেলাপি।</p>
<p>ব্যাংকারদের ভাষ্য, এসব ঋণের অনেক ক্ষেত্রে পর্যাপ্ত বন্ধকি সম্পদ নেই। আবার বড় ঋণগ্রহীতাদের কেউ বিদেশে অবস্থান করছেন, কেউ কারাগারে, কেউ ব্যবসা বন্ধ করে দিয়েছেন। ফলে আদালতের মাধ্যমে ডিক্রি পেলেও অর্থ আদায় করা কঠিন হয়ে পড়েছে।</p>
<p>জনতা ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মজিবুর রহমান বলেন, ব্যাংকটির খেলাপি ঋণের প্রায় ৫৬ শতাংশই শীর্ষ পাঁচটি গ্রুপের কাছে রয়েছে। এসব ঋণের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট অনেকেই জেলে আছেন অথবা দেশের বাইরে অবস্থান করছেন। বেশির ভাগ ক্ষেত্রে নন-ফান্ডেড ঋণ পরবর্তী সময়ে ফান্ডেড ঋণে পরিণত হওয়ায় পর্যাপ্ত বন্ধকি সম্পদও নেই।</p>
<p>তিনি জানান, খেলাপি ঋণ আদায়ে মেলা আয়োজন, টাস্কফোর্স গঠনসহ বিভিন্ন উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।</p>
<p>ইসলামী ব্যাংকে এস আলমের ঋণই বড় চাপ</p>
<p>ইসলামী ব্যাংক বাংলাদেশের খেলাপি ঋণের বড় অংশই এস আলম গ্রুপ-সংশ্লিষ্ট বলে ব্যাংকটির তথ্য থেকে জানা যায়। ব্যাংকটির শীর্ষ ২০ খেলাপি গ্রাহকের বড় অংশই ওই গ্রুপের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট। সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানগুলোর খেলাপি ঋণের পরিমাণ প্রায় ৫৭ হাজার কোটি টাকা বলে ব্যাংক সূত্রে জানা গেছে।</p>
<p>ব্যাংকটির ভারপ্রাপ্ত ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. আলতাফ হুসাইন বলেন, “খেলাপি ঋণ আদায়ে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে। বিভিন্ন ছাড় দিয়ে ঋণ নিষ্পত্তির চেষ্টা চলছে। এর প্রভাব আগামী প্রান্তিকে দেখা যাবে।” এস আলম গ্রুপের খেলাপি ঋণ বাদ দিলে ব্যাংকের খেলাপি ঋণ ২৩ শতাংশের নিচে রয়েছে বলেও তিনি দাবি করেন।</p>
<p>তবে সামগ্রিকভাবে প্রায় ১ লাখ কোটি টাকা খেলাপি ঋণ নিয়ে ইসলামী ব্যাংক এখন দেশের সবচেয়ে বেশি খেলাপি ঋণের ব্যাংক।</p>
<p>ছাড়ের পরও কমছে না খেলাপি</p>
<p>খেলাপি ঋণ কমাতে গত কয়েক বছরে কেন্দ্রীয় ব্যাংক নানা ধরনের সুযোগ দিয়েছে। পুনঃতফসিল, পুনর্গঠন, এককালীন পরিশোধের সুযোগ, সুদ মওকুফ এবং বিশেষ ব্যবস্থায় ঋণ নিয়মিত করার মতো পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে।</p>
<p>এমনকি ১০ বছর মেয়াদে বিশেষ পুনঃতফসিল করা ঋণকে নতুন করে দুই বছরের গ্রেস পিরিয়ডসহ ১৫ বছর মেয়াদে নিয়মিত করার সুযোগও দেওয়া হয়েছে। সমস্যাগ্রস্ত শিল্পপ্রতিষ্ঠান চালু রাখতে বিশেষ প্রণোদনা তহবিলের ব্যবস্থাও করা হয়েছে।</p>
<p>কিন্তু এত সুবিধার পরও খেলাপি ঋণ কমেনি। বরং চলতি বছরের প্রথম ছয় মাসেই খেলাপি ঋণ বেড়েছে প্রায় ৪৯ হাজার ৩৩৮ কোটি টাকা। জুন শেষে তা আবার ৬ লাখ কোটি টাকা ছাড়িয়ে গেছে।</p>
<p>এতে প্রশ্ন উঠেছে— বারবার ঋণ পুনঃতফসিল ও ছাড় দিয়ে আসলে খেলাপি ঋণ কমানো সম্ভব হচ্ছে কিনা।</p>
<p>শিথিল নীতিতে ভুল বার্তার আশঙ্কা</p>
<p>বিশ্বব্যাংকের ঢাকা কার্যালয়ের সাবেক প্রধান অর্থনীতিবিদ জাহিদ হোসেন মনে করেন, খেলাপি ঋণ চিহ্নিত করার ক্ষেত্রে আন্তর্জাতিক নিয়ম থেকে সরে এসে শিথিলতা দেখানো হলে ব্যাংক খাতের সংকট আরও গভীর হতে পারে।</p>
<p>তার মতে, অতীতে নানা ধরনের সুযোগ-সুবিধা দিয়েও খেলাপি ঋণ কমানো যায়নি। বরং একই ঋণগ্রহীতাকে বারবার ছাড় দেওয়ার ফলে ব্যাংক ও ঋণগ্রহীতা উভয়ের মধ্যেই ভুল বার্তা গেছে।</p>
<p>জাহিদ হোসেন বলেন, বড় ঋণখেলাপিরা যদি মনে করেন ঋণ পরিশোধ না করলেও ভবিষ্যতে আবার সুযোগ পাওয়া যাবে, তাহলে ঋণ পরিশোধের আগ্রহ আরও কমবে। কর্মসংস্থান রক্ষার প্রয়োজন থাকলে অযোগ্য ব্যবসায়ীকে ব্যাংকের মাধ্যমে অর্থায়ন না করে প্রয়োজনীয় ক্ষেত্রে সরাসরি সহায়তা দেওয়ার পক্ষেও মত দেন তিনি।</p>
<p>দরকার কঠোর আদায় ব্যবস্থা</p>
<p>ব্যাংকারদের মতে, এখন শুধু পুনঃতফসিল বা ঋণ নিয়মিত করার সুযোগ দিয়ে সমস্যার সমাধান হবে না। বরং প্রকৃত খেলাপি ঋণ চিহ্নিত করে দ্রুত আদায়ের ব্যবস্থা করতে হবে।</p>
<p>অর্থঋণ আদালতে মামলার দ্রুত নিষ্পত্তি, বন্ধকি সম্পদ দ্রুত বিক্রির কার্যকর ব্যবস্থা এবং খেলাপি ঋণ কিনে নেওয়ার জন্য সম্পদ ব্যবস্থাপনা কোম্পানি গঠন— এসব উদ্যোগ এখন জরুরি হয়ে পড়েছে।</p>
<p>কারণ খেলাপি ঋণ শুধু ব্যাংকের হিসাবের একটি সংখ্যা নয়। এর সঙ্গে আমানতকারীর অর্থ, ব্যাংকের মূলধন, নতুন বিনিয়োগ, ঋণের সুদহার এবং শেষ পর্যন্ত পুরো অর্থনীতির স্থিতিশীলতা জড়িত।</p>
<p>৬ লাখ কোটি টাকার বেশি খেলাপি ঋণের মধ্যে যখন প্রায় ৭২ শতাংশ মাত্র ১০টি ব্যাংকে কেন্দ্রীভূত, তখন স্পষ্ট হয়— সমস্যাটি পুরো ব্যাংক খাতে সমানভাবে ছড়িয়ে নেই; বরং নির্দিষ্ট কিছু ব্যাংকের দুর্বলতা ও অতীতের অনিয়মই সংকটকে তীব্র করেছে।</p>
<p>তাই এখন প্রশ্ন শুধু খেলাপি ঋণ কত— তা নয়। প্রশ্ন হলো, যে অর্থ ব্যাংক থেকে বেরিয়ে গেছে, তার কতটা ফেরত আনা সম্ভব এবং কত দ্রুত সেই অর্থ উদ্ধারে কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়া হবে। এর ওপরই নির্ভর করছে দুর্বল ব্যাংকগুলোর ভবিষ্যৎ এবং সামগ্রিক ব্যাংক খাতের স্থিতিশীলতা। বাংলা ট্রিবিউন</p>
]]></content:encoded>
					
					<wfw:commentRss>https://chtnews24.com/2026/09/12/%e0%a7%aa-%e0%a6%b2%e0%a6%be%e0%a6%96-%e0%a7%aa%e0%a7%a6-%e0%a6%b9%e0%a6%be%e0%a6%9c%e0%a6%be%e0%a6%b0-%e0%a6%95%e0%a7%8b%e0%a6%9f%e0%a6%bf%e0%a6%b0-%e0%a6%96%e0%a7%87%e0%a6%b2%e0%a6%be%e0%a6%aa/feed/</wfw:commentRss>
			<slash:comments>0</slash:comments>
		
		
			</item>
		<item>
		<title>ছয় মাসে রেমিট্যান্স বেড়েছে ১৩.১ শতাংশ</title>
		<link>https://chtnews24.com/2026/09/12/%e0%a6%9b%e0%a6%af%e0%a6%bc-%e0%a6%ae%e0%a6%be%e0%a6%b8%e0%a7%87-%e0%a6%b0%e0%a7%87%e0%a6%ae%e0%a6%bf%e0%a6%9f%e0%a7%8d%e0%a6%af%e0%a6%be%e0%a6%a8%e0%a7%8d%e0%a6%b8-%e0%a6%ac%e0%a7%87%e0%a6%a1/</link>
					<comments>https://chtnews24.com/2026/09/12/%e0%a6%9b%e0%a6%af%e0%a6%bc-%e0%a6%ae%e0%a6%be%e0%a6%b8%e0%a7%87-%e0%a6%b0%e0%a7%87%e0%a6%ae%e0%a6%bf%e0%a6%9f%e0%a7%8d%e0%a6%af%e0%a6%be%e0%a6%a8%e0%a7%8d%e0%a6%b8-%e0%a6%ac%e0%a7%87%e0%a6%a1/#respond</comments>
		
		<dc:creator><![CDATA[adminchtnews24]]></dc:creator>
		<pubDate>Sat, 12 Sep 2026 02:26:43 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[অর্থ-বানিজ্য]]></category>
		<category><![CDATA[শিরোনাম]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://chtnews24.com/?p=38298</guid>

					<description><![CDATA[ডেস্ক রির্পোট:- দেশের বৈদেশিক মুদ্রার প্রবাহে স্বস্তি এনে চলতি বছরের মার্চ থেকে আগস্ট পর্যন্ত গত ছয় মাসে রেমিট্যান্স বা প্রবাসী আয় বেড়েছে ১৩.১ শতাংশ। এ সময়ে প্রবাসী বাংলাদেশিরা দেশে পাঠিয়েছেন ১ হাজার ৮৯৪ কোটি ডলার, যা আগের বছরের একই সময়ের ১ হাজার ৬৭৪ কোটি ডলারের তুলনায় ২২০ কোটি ডলার বেশি। বাংলাদেশ ব্যাংকের সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, [&#8230;]]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[<p>ডেস্ক রির্পোট:- দেশের বৈদেশিক মুদ্রার প্রবাহে স্বস্তি এনে চলতি বছরের মার্চ থেকে আগস্ট পর্যন্ত গত ছয় মাসে রেমিট্যান্স বা প্রবাসী আয় বেড়েছে ১৩.১ শতাংশ। এ সময়ে প্রবাসী বাংলাদেশিরা দেশে পাঠিয়েছেন ১ হাজার ৮৯৪ কোটি ডলার, যা আগের বছরের একই সময়ের ১ হাজার ৬৭৪ কোটি ডলারের তুলনায় ২২০ কোটি ডলার বেশি। বাংলাদেশ ব্যাংকের সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, এ ছয় মাসের মধ্যে পাঁচ মাসেই আগের বছরের একই সময়ের তুলনায় রেমিট্যান্স বেড়েছে। এর মধ্যে আগস্টে প্রবৃদ্ধি ছিল সর্বোচ্চ ২২.৩ শতাংশ।</p>
<p>বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্য অনুযায়ী, চলতি বছরের মার্চে দেশে আসে ৩৭৫ কোটি ডলার রেমিট্যান্স, যা আগের বছরের মার্চের ৩৩০ কোটি ডলারের তুলনায় ১৩.৬ শতাংশ বেশি। এপ্রিলে আসে ৩১৩ কোটি ডলার, যা আগের বছরের একই মাসের তুলনায় ১৩.৮ শতাংশ বেশি। মে মাসে প্রবাসীরা পাঠান ৩৪৩ কোটি ডলার, যা এক বছর আগের একই মাসের তুলনায় ১৫.৫ শতাংশ বেশি। জুনে রেমিট্যান্স প্রায় স্থিতিশীল ছিল। এ মাসে আসে ২৮১ কোটি ডলার, যা আগের বছরের জুনে ছিল ২৮২ কোটি ডলার। জুলাইয়ে আবার প্রবৃদ্ধির ধারা জোরালো হয়। এ মাসে দেশে আসে ২৮৬ কোটি ডলার, যা আগের বছরের জুলাইয়ের তুলনায় ১৫.৩ শতাংশ বেশি। আগস্টে আসে ২৯৬ কোটি ডলার, যা এক বছর আগের একই মাসের ২৪২ কোটি ডলারের তুলনায় ২২.৩ শতাংশ বেশি। ফলে ছয় মাসের মধ্যে আগস্টেই সর্বোচ্চ প্রবৃদ্ধি হয়েছে।</p>
<p>বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্বাহী পরিচালক ও মুখপাত্র আরিফ হোসেন খান বলেন, রেমিট্যান্সের ধারাবাহিক প্রবৃদ্ধি দেশের বহিঃখাতের জন্য অত্যন্ত ইতিবাচক। এটি বৈধ ব্যাংকিং ও আর্থিক ব্যবস্থার মাধ্যমে কষ্টার্জিত অর্থ দেশে পাঠানোর ক্ষেত্রে প্রবাসী বাংলাদেশিদের ক্রমবর্ধমান আস্থার প্রতিফলন। তিনি বলেন, প্রবাসীদের জন্য বৈধ পথে অর্থ পাঠানো আরও সহজ, দ্রুত ও সুবিধাজনক করতে সরকার ও বাংলাদেশ ব্যাংক কাজ করছে। একইসঙ্গে হুন্ডিসহ অবৈধ পথে অর্থ লেনদেন নিরুৎসাহিত করার উদ্যোগও নেয়া হয়েছে। আরিফ হোসেন খান বলেন, ‘প্রবাসী কর্মী ও তাদের পরিবারের বৈধ আর্থিক ব্যবস্থার ওপর আস্থার ইতিবাচক প্রতিফলন দেখা যাচ্ছে রেমিট্যান্স বৃদ্ধির মধ্যে।’ তিনি বলেন, রেমিট্যান্স পাঠানোর প্রক্রিয়া সহজ করা, ব্যাংকিং সেবার উন্নয়ন এবং বৈধ বৈদেশিক মুদ্রাবাজারকে আরও শক্তিশালী করার সরকারি উদ্যোগ এ প্রবৃদ্ধিতে ভূমিকা রাখছে। বাংলাদেশ ব্যাংকের মুখপাত্র বলেন, প্রবাসী বাংলাদেশিদের পাঠানো অর্থ দেশের বৈদেশিক মুদ্রার তারল্য বাড়ানোর পাশাপাশি অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা বজায় রাখতেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে।</p>
<p>তিনি বলেন, ‘আমাদের প্রবাসী বাংলাদেশিরা দেশের অর্থনীতিতে বড় অবদান রাখছেন। রেমিট্যান্স প্রবাহ বাড়াতে এবং তাদের জন্য আরও সহায়ক পরিবেশ তৈরি করতে সরকারের উদ্যোগ অব্যাহত থাকবে।’ আরিফ হোসেন খান আশা প্রকাশ করেন, রেমিট্যান্সের প্রবাহ আরও শক্তিশালী হলে দেশের লেনদেনের ভারসাম্যে ইতিবাচক প্রভাব পড়বে, বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ শক্তিশালী হবে এবং বহিঃখাতে আরও স্থিতিশীলতা আসবে। তিনি বলেন, অর্থনৈতিক ব্যবস্থাপনার উন্নয়ন এবং আর্থিক ব্যবস্থার ওপর আস্থা পুনরুদ্ধারে সরকারের চলমান উদ্যোগ ভবিষ্যতে আরও বেশি প্রবাসীকে বৈধ পথে তাদের আয় দেশে পাঠাতে উৎসাহিত করবে। সরকার প্রবাসী কর্মী ও বিদেশে বসবাসরত বাংলাদেশিদের দেশের বৈদেশিক মুদ্রার অন্যতম প্রধান উৎস হিসেবে বিশেষ গুরুত্ব দিয়ে আসছে।</p>
]]></content:encoded>
					
					<wfw:commentRss>https://chtnews24.com/2026/09/12/%e0%a6%9b%e0%a6%af%e0%a6%bc-%e0%a6%ae%e0%a6%be%e0%a6%b8%e0%a7%87-%e0%a6%b0%e0%a7%87%e0%a6%ae%e0%a6%bf%e0%a6%9f%e0%a7%8d%e0%a6%af%e0%a6%be%e0%a6%a8%e0%a7%8d%e0%a6%b8-%e0%a6%ac%e0%a7%87%e0%a6%a1/feed/</wfw:commentRss>
			<slash:comments>0</slash:comments>
		
		
			</item>
		<item>
		<title>ব্যাংক খাত সংস্কারে ১,২৭৬ কোটি টাকার প্রকল্প নিচ্ছে সরকার</title>
		<link>https://chtnews24.com/2026/09/09/%e0%a6%ac%e0%a7%8d%e0%a6%af%e0%a6%be%e0%a6%82%e0%a6%95-%e0%a6%96%e0%a6%be%e0%a6%a4-%e0%a6%b8%e0%a6%82%e0%a6%b8%e0%a7%8d%e0%a6%95%e0%a6%be%e0%a6%b0%e0%a7%87-%e0%a7%a7%e0%a7%a8%e0%a7%ad%e0%a7%ac/</link>
					<comments>https://chtnews24.com/2026/09/09/%e0%a6%ac%e0%a7%8d%e0%a6%af%e0%a6%be%e0%a6%82%e0%a6%95-%e0%a6%96%e0%a6%be%e0%a6%a4-%e0%a6%b8%e0%a6%82%e0%a6%b8%e0%a7%8d%e0%a6%95%e0%a6%be%e0%a6%b0%e0%a7%87-%e0%a7%a7%e0%a7%a8%e0%a7%ad%e0%a7%ac/#respond</comments>
		
		<dc:creator><![CDATA[adminchtnews24]]></dc:creator>
		<pubDate>Wed, 09 Sep 2026 02:01:47 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[Second lead]]></category>
		<category><![CDATA[অর্থ-বানিজ্য]]></category>
		<category><![CDATA[শিরোনাম]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://chtnews24.com/?p=38197</guid>

					<description><![CDATA[ডেস্ক রির্পোট:- ব্যাংকিং খাতের সুরক্ষা বাড়ানো, দুর্বল ব্যাংক পুনর্গঠন এবং প্রযুক্তিনির্ভর ব্যাংকিং ব্যবস্থা শক্তিশালী করতে এক হাজার ২৭৬ কোটি টাকার প্রকল্প নিতে যাচ্ছে সরকার। ‘ফিন্যানশিয়াল সেক্টর সাপোর্ট প্রজেক্ট-২’ (এফএসএসপি-২) নামের এই প্রকল্পের বাস্তবায়নকারী সংস্থা বাংলাদেশ ব্যাংক। পাঁচ বছর মেয়াদি প্রকল্পটি চলবে ২০২৬ সালের জুলাই থেকে ২০৩১ সালের জুন পর্যন্ত। প্রকল্পের বড় বৈশিষ্ট্য হলো, এর প্রায় [&#8230;]]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[<p>ডেস্ক রির্পোট:- ব্যাংকিং খাতের সুরক্ষা বাড়ানো, দুর্বল ব্যাংক পুনর্গঠন এবং প্রযুক্তিনির্ভর ব্যাংকিং ব্যবস্থা শক্তিশালী করতে এক হাজার ২৭৬ কোটি টাকার প্রকল্প নিতে যাচ্ছে সরকার। ‘ফিন্যানশিয়াল সেক্টর সাপোর্ট প্রজেক্ট-২’ (এফএসএসপি-২) নামের এই প্রকল্পের বাস্তবায়নকারী সংস্থা বাংলাদেশ ব্যাংক। পাঁচ বছর মেয়াদি প্রকল্পটি চলবে ২০২৬ সালের জুলাই থেকে ২০৩১ সালের জুন পর্যন্ত।</p>
<p>প্রকল্পের বড় বৈশিষ্ট্য হলো, এর প্রায় পুরো অর্থই ব্যয় হবে প্রশিক্ষণ, পরামর্শক নিয়োগ, তথ্য-প্রযুক্তি সরঞ্জাম, সফটওয়্যার ও ডেটাবেইস তৈরির মতো খাতে। প্রকল্পের ব্যয় বিভাজন অনুযায়ী, শুধু প্রশিক্ষণ, ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানভিত্তিক পরামর্শক, আইসিটি সরঞ্জাম, কম্পিউটার সফটওয়্যার এবং ডেটাবেইস—এই ছয় খাতেই ব্যয় হবে প্রায় এক হাজার ২৪০ কোটি টাকা। যা মোট প্রকল্প ব্যয়ের প্রায় ৯৭ শতাংশ।</p>
<p>প্রকল্পের মোট ব্যয়ের মধ্যে এক হাজার ২৬১ কোটি ৫৪ লাখ টাকা আসবে বৈদেশিক অর্থায়ন হিসেবে। এই অর্থ দেবে বিশ্বব্যাংকের আন্তর্জাতিক উন্নয়ন সংস্থা—আইডিএ। বাকি ১৪ কোটি ৭৬ লাখ টাকা বাংলাদেশ ব্যাংকের নিজস্ব অর্থায়ন। প্রকল্পে সরকারের সরাসরি অর্থায়ন বা জিওবি বরাদ্দ রাখা হয়নি।</p>
<p>ব্যয়ের সবচেয়ে বড় অংশ রাখা হয়েছে তথ্য-প্রযুক্তি সরঞ্জাম কেনার জন্য। এ খাতে বরাদ্দ ৭১১ কোটি ৭১ লাখ ৫৬ হাজার টাকা। অর্থাৎ মোট প্রকল্প ব্যয়ের অর্ধেকেরও বেশি শুধু আইসিটি সরঞ্জাম কেনায় চলে যাবে। এর বাইরে কম্পিউটার সফটওয়্যার কিনতে ৩৫৫ কোটি ৩৬ লাখ পাঁচ হাজার টাকা এবং ডেটাবেইস তৈরিতে সাত কোটি ৬৪ লাখ ১৯ হাজার টাকা রাখা হয়েছে। কম্পিউটার ও আনুষঙ্গিক সামগ্রীতে আরো এক কোটি পাঁচ লাখ ৪৬ হাজার টাকা এবং অফিস সরঞ্জাম ও আসবাব কেনায় অর্থ রাখা হয়েছে।</p>
<p>সব মিলিয়ে মূলধন খাতে ব্যয় ধরা হয়েছে এক হাজার ৭৭ কোটি ২৪ লাখ ৪৩ হাজার টাকা। প্রশিক্ষণ ও পরামর্শক নিয়োগেও রাখা হয়েছে বড় অঙ্কের অর্থ। প্রকল্পের আওতায় তিন হাজার ৫৬৫ জনকে প্রশিক্ষণ দেওয়া হবে। এ জন্য বরাদ্দ ৭০ কোটি ৭৭ লাখ ৪৭ হাজার টাকা। এর মধ্যে প্রকল্প ঋণ থেকে ৬৭ কোটি ৭৭ লাখ ৪৭ হাজার টাকা এবং বাংলাদেশ ব্যাংকের নিজস্ব অর্থায়ন থেকে তিন কোটি টাকা দেওয়ার কথা রয়েছে।</p>
<p>আর ব্যক্তি পরামর্শক নিয়োগে ২৯ কোটি ৯ লাখ ৭৫ হাজার টাকা এবং প্রতিষ্ঠানভিত্তিক পরামর্শক নিয়োগে ৬৫ কোটি ৩৩ লাখ ৮৭ হাজার টাকা রাখা হয়েছে। অর্থাৎ দুই ধরনের পরামর্শক নিয়োগেই ব্যয় হবে ৯৪ কোটি ৪৩ লাখ ৬২ হাজার টাকা। ব্যক্তিগত পরামর্শকের জন্য ২৫৩ জনমাস এবং প্রতিষ্ঠানভিত্তিক পরামর্শকের জন্য ছয়টি চুক্তির সংস্থান রাখা হয়েছে।</p>
<p>প্রকল্পের রাজস্ব খাতে মোট ব্যয় ধরা হয়েছে ১৮৮ কোটি ২৯ লাখ ২৯ হাজার টাকা। এর মধ্যে প্রশিক্ষণ ও পরামর্শকের পাশাপাশি সেমিনার ও সম্মেলনে প্রায় ২০ কোটি টাকা ব্যয়ের পরিকল্পনা রয়েছে। যানবাহন ব্যবহারে রাখা হয়েছে এক কোটি ৫০ লাখ টাকা। ইন্টারনেট, ফ্যাক্স ও টেলেক্স, কম্পিউটার সামগ্রী, মুদ্রণ, স্টেশনারি, মেরামতসহ বিভিন্ন ছোট খাতেও অর্থ বরাদ্দ রাখা হয়েছে। তবে প্রকল্পে নতুন গাড়ি কেনার কোনো ব্যবস্থা রাখা হয়নি। জরুরি প্রয়োজন এবং প্রকল্পের তদারকির জন্য চুক্তিভিত্তিক গাড়ি ভাড়া করার সুযোগ রাখা হয়েছে। পরিবহনসেবা নিতে হলে অর্থ বিভাগের পূর্বানুমোদনের বিষয়ও প্রকল্প পর্যালোচনায় উল্লেখ করা হয়েছে। ব্যাংকিং খাতের বর্তমান সংকটের প্রেক্ষাপটে প্রকল্পটি নেওয়ার যৌক্তিকতা দেখানো হয়েছে নথিতে। সেখানে বলা হয়েছে, দেশের আর্থিক খাতে উচ্চ মাত্রার খেলাপি ঋণ, সুশাসনের ঘাটতি, প্রশাসনিক অদক্ষতা এবং পুরনো তথ্য-প্রযুক্তি ব্যবস্থা রয়েছে। বিশেষ করে কিছু ব্যাংক, যার মধ্যে সরকারি ও ইসলামী ব্যাংকও রয়েছে, তারল্য ও মূলধন সংকটে পড়েছে। কালের কণ্ঠ</p>
]]></content:encoded>
					
					<wfw:commentRss>https://chtnews24.com/2026/09/09/%e0%a6%ac%e0%a7%8d%e0%a6%af%e0%a6%be%e0%a6%82%e0%a6%95-%e0%a6%96%e0%a6%be%e0%a6%a4-%e0%a6%b8%e0%a6%82%e0%a6%b8%e0%a7%8d%e0%a6%95%e0%a6%be%e0%a6%b0%e0%a7%87-%e0%a7%a7%e0%a7%a8%e0%a7%ad%e0%a7%ac/feed/</wfw:commentRss>
			<slash:comments>0</slash:comments>
		
		
			</item>
		<item>
		<title>বাংলাদেশ কেন ভারতে পণ্য বিক্রি করতে পারছে না?</title>
		<link>https://chtnews24.com/2026/09/06/%e0%a6%ac%e0%a6%be%e0%a6%82%e0%a6%b2%e0%a6%be%e0%a6%a6%e0%a7%87%e0%a6%b6-%e0%a6%95%e0%a7%87%e0%a6%a8-%e0%a6%ad%e0%a6%be%e0%a6%b0%e0%a6%a4%e0%a7%87-%e0%a6%aa%e0%a6%a3%e0%a7%8d%e0%a6%af-%e0%a6%ac/</link>
					<comments>https://chtnews24.com/2026/09/06/%e0%a6%ac%e0%a6%be%e0%a6%82%e0%a6%b2%e0%a6%be%e0%a6%a6%e0%a7%87%e0%a6%b6-%e0%a6%95%e0%a7%87%e0%a6%a8-%e0%a6%ad%e0%a6%be%e0%a6%b0%e0%a6%a4%e0%a7%87-%e0%a6%aa%e0%a6%a3%e0%a7%8d%e0%a6%af-%e0%a6%ac/#respond</comments>
		
		<dc:creator><![CDATA[adminchtnews24]]></dc:creator>
		<pubDate>Sun, 06 Sep 2026 03:08:16 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[অর্থ-বানিজ্য]]></category>
		<category><![CDATA[শিরোনাম]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://chtnews24.com/?p=38093</guid>

					<description><![CDATA[ডেস্ক রির্পোট:- বাংলাদেশ ও ভারতের বাণিজ্যিক সম্পর্কে সাম্প্রতিক সময়ে টানাপড়েন বেড়েছে। দুই দেশই বিভিন্ন পণ্যের আমদানি-রফতানিতে বিধিনিষেধ আরোপ করেছে। বিশেষ করে স্থলবন্দর দিয়ে পণ্য চলাচলে এসেছে একের পর এক পরিবর্তন। কিন্তু এসব বিধিনিষেধের মধ্যেও ভারত থেকে বাংলাদেশের আমদানি কমেনি, বরং গত অর্থবছরে তা উল্লেখযোগ্য হারে বেড়েছে। বিপরীতে, ভারতে বাংলাদেশের রফতানি আয় প্রায় একই জায়গায় আটকে [&#8230;]]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[<p>ডেস্ক রির্পোট:- বাংলাদেশ ও ভারতের বাণিজ্যিক সম্পর্কে সাম্প্রতিক সময়ে টানাপড়েন বেড়েছে। দুই দেশই বিভিন্ন পণ্যের আমদানি-রফতানিতে বিধিনিষেধ আরোপ করেছে। বিশেষ করে স্থলবন্দর দিয়ে পণ্য চলাচলে এসেছে একের পর এক পরিবর্তন। কিন্তু এসব বিধিনিষেধের মধ্যেও ভারত থেকে বাংলাদেশের আমদানি কমেনি, বরং গত অর্থবছরে তা উল্লেখযোগ্য হারে বেড়েছে। বিপরীতে, ভারতে বাংলাদেশের রফতানি আয় প্রায় একই জায়গায় আটকে আছে।</p>
<p>জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) তথ্য অনুযায়ী, ২০২৫-২৬ অর্থবছরে বাংলাদেশ ভারত থেকে ১০ দশমিক ৯৬ বিলিয়ন ডলারের পণ্য আমদানি করেছে। আগের অর্থবছরে এর পরিমাণ ছিল ৯ দশমিক ৬২ বিলিয়ন ডলার। অর্থাৎ এক বছরে ভারত থেকে বাংলাদেশের আমদানি বেড়েছে ১ দশমিক ৩৪ বিলিয়ন ডলার।</p>
<p>অপরদিকে, ২০২৫-২৬ অর্থবছরে ভারতে বাংলাদেশের পণ্য রফতানি থেকে আয় হয়েছে ১ দশমিক ৭৫ বিলিয়ন ডলার। আগের অর্থবছরে এই আয় ছিল ১ দশমিক ৭৬ বিলিয়ন ডলার। অর্থাৎ আমদানি যেখানে উল্লেখযোগ্য হারে বেড়েছে, সেখানে রফতানি কিছুটা কমেছে।</p>
<p>ফলে দুই দেশের বড় বাণিজ্য ঘাটতি রয়ে গেছে। হিসাব অনুযায়ী, বাংলাদেশ ভারত থেকে যে পরিমাণ পণ্য আমদানি করে, তার বিপরীতে রফতানি করে ছয় ভাগের এক ভাগেরও কম।</p>
<p>প্রয়োজনের কারণে আমদানি থামছে না</p>
<p>বাংলাদেশের শিল্প ও উৎপাদন খাতের জন্য গুরুত্বপূর্ণ কাঁচামালের উৎস হচ্ছে ভারত। সুতা, তুলা, কাপড়, শিল্পের বিভিন্ন কাঁচামাল, কৃষিপণ্যসহ নানা ধরনের পণ্য ভারত থেকে আমদানি করা হয়। দুই দেশের ভৌগোলিক নৈকট্যের কারণে এসব পণ্য তুলনামূলক কম সময়ে এবং অনেক ক্ষেত্রে প্রতিযোগিতামূলক দামে আমদানি করা সম্ভব।</p>
<p>বিশেষ করে পোশাক ও বস্ত্রশিল্পের উদ্যোক্তাদের জন্য ভারতীয় কাঁচামালের গুরুত্ব রয়েছে। আন্তর্জাতিক ক্রেতাদের অনেক সময় নির্দিষ্ট ধরনের সুতা, কাপড় বা কাঁচামাল ব্যবহারের শর্ত থাকে। ফলে রাজনৈতিক বা বাণিজ্যিক সম্পর্কে টানাপোড়েন তৈরি হলেও প্রয়োজনীয় কাঁচামালের আমদানি পুরোপুরি বন্ধ হওয়ার সুযোগ কম।</p>
<p>মোট বাণিজ্যের হিসাবে চীনের পর ভারত বাংলাদেশের দ্বিতীয় বৃহত্তম বাণিজ্যিক অংশীদার। দক্ষিণ এশিয়ায় ভারতই বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় বাণিজ্যিক অংশীদার। দীর্ঘ স্থলসীমান্ত, নৌপথ ও সমুদ্রবন্দরভিত্তিক যোগাযোগের কারণে দুই দেশের অর্থনীতির মধ্যে পারস্পরিক নির্ভরশীলতাও অনেক বেশি।</p>
<p>সুতা আমদানিতে বড় উল্লম্ফন</p>
<p>ভারত থেকে আমদানি প্রবৃদ্ধির একটি বড় উদাহরণ সুতা। বাংলাদেশ টেক্সটাইল মিলস অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি শওকত আজিজ রাসেলের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, ২০২৫-২৬ অর্থবছরে ভারত থেকে সুতা আমদানির পরিমাণ প্রায় দ্বিগুণ হয়ে ৩০ হাজার কোটি টাকায় দাঁড়িয়েছে। আগের অর্থবছরে এর পরিমাণ ছিল প্রায় ১৪ হাজার কোটি টাকা।</p>
<p>অর্থাৎ স্থলবন্দর দিয়ে ভারতীয় সুতা আমদানিতে বিধিনিষেধ আরোপের পরও সমুদ্রপথে আমদানি বেড়েছে।</p>
<p>শওকত আজিজ রাসেলের দাবি, আগে স্থলবন্দর দিয়ে আসা সুতার একটি অংশ অনানুষ্ঠানিক পথে দেশে প্রবেশ করতো। ফলে সমুদ্রবন্দর দিয়ে আমদানি বৃদ্ধির মাধ্যমে ভারতীয় সুতার প্রকৃত চাহিদার বিষয়টি আরও স্পষ্ট হয়েছে।</p>
<p>তবে স্থানীয় টেক্সটাইল শিল্পকে সুরক্ষা দেওয়ার স্বার্থে স্থলবন্দর দিয়ে সুতা আমদানির বিধিনিষেধ তুলে না নেওয়ার পক্ষে তিনি। তার যুক্তি, দেশের বস্ত্রকলগুলো এরই মধ্যে উৎপাদন ব্যয় বৃদ্ধি এবং আমদানি করা সুতার সঙ্গে তীব্র প্রতিযোগিতার মুখে রয়েছে।</p>
<p>এখানেই নীতিনির্ধারকদের জন্য বড় চ্যালেঞ্জ। একদিকে রফতানিমুখী পোশাকশিল্পের জন্য প্রতিযোগিতামূলক দামে কাঁচামাল নিশ্চিত করতে হবে, অপরদিকে স্থানীয় সুতা ও বস্ত্রশিল্পকেও টিকিয়ে রাখতে হবে।</p>
<p>ভারতের বাজারে রফতানি বাড়ছে না কেন?</p>
<p>সবচেয়ে বড় প্রশ্ন হলো, ভারত থেকে আমদানি বাড়লেও দেশটির বিশাল বাজারে বাংলাদেশের রফতানি কেন বাড়ছে না?</p>
<p>ব্যবসায়ী ও অর্থনীতিবিদদের মতে, এর পেছনে একাধিক কারণ রয়েছে। বাংলাদেশের রফতানি এখনও মূলত তৈরি পোশাকনির্ভর। অথচ ভারতের বাজারে স্থানীয় উৎপাদকদের পাশাপাশি বিশ্বের বিভিন্ন দেশের পণ্যের সঙ্গে প্রতিযোগিতা করতে হয়। ফলে শুধু পোশাক নয়, আরও বিভিন্ন ধরনের পণ্য নিয়ে ভারতের বাজারে প্রবেশের সক্ষমতা বাড়াতে হবে।</p>
<p>গবেষণা প্রতিষ্ঠান পলিসি এক্সচেঞ্জ বাংলাদেশের চেয়ারম্যান এম মাসরুর রিয়াজ মনে করেন, ভারতে বাংলাদেশের রফতানি সীমিত থাকার পেছনে অন্তত তিনটি বড় কারণ রয়েছে।</p>
<p>তার মতে, প্রথমত: ভারতের নিজস্ব শিল্প ও বিকল্প পণ্য রয়েছে। বিশেষ করে পোশাকসহ অনেক পণ্যে ভারত নিজেই বড় উৎপাদক ও রফতানিকারক। দ্বিতীয়ত: ভারতীয় বাজারে বিভিন্ন পণ্যের ক্ষেত্রে কঠোর মানদণ্ড ও মাননিয়ন্ত্রণের শর্ত রয়েছে। তৃতীয়ত: বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে এখনও শক্তিশালী আঞ্চলিক উৎপাদন ও সরবরাহব্যবস্থা গড়ে ওঠেনি।</p>
<p>দুই দেশের বাণিজ্য বাড়াতে ব্যাপক অর্থনৈতিক অংশীদারত্ব চুক্তি বা সিইপিএ করার পরামর্শ দিয়েছেন তিনি। তিনি মনে করেন, এ ধরনের চুক্তি হলে শুল্ক ও অশুল্ক বাধা কমানোর পাশাপাশি ব্যবসায়ীদের জন্য দীর্ঘমেয়াদি ও পূর্বানুমানযোগ্য বাণিজ্যিক পরিবেশ তৈরি হতে পারে।</p>
<p>পাল্টাপাল্টি বিধিনিষেধ</p>
<p>২০২৪ সালে বাংলাদেশের রাজনৈতিক পরিবর্তনের পর দুই দেশের বাণিজ্যিক সম্পর্কে বেশ কিছু পরিবর্তন দেখা যায়। ২০২৫ সালের মার্চে স্থানীয় বস্ত্র ও সুতা শিল্পকে সুরক্ষা দিতে স্থলবন্দর দিয়ে ভারতীয় সুতা আমদানি বন্ধের সুপারিশ করা হয়।</p>
<p>এরপর ৯ এপ্রিল ভারত বাংলাদেশি পণ্য তৃতীয় দেশে পাঠানোর ক্ষেত্রে ভারতীয় স্থলবন্দর, সমুদ্রবন্দর ও বিমানবন্দর ব্যবহার করে দেওয়া ট্রান্সশিপমেন্ট সুবিধা প্রত্যাহার করে।</p>
<p>পরে ১৫ এপ্রিল থেকে এনবিআর স্থলবন্দর দিয়ে ভারতীয় সুতা আমদানি নিষিদ্ধ করে। তবে সমুদ্রবন্দর দিয়ে এসব পণ্য আমদানির সুযোগ রাখা হয়।</p>
<p>এরপর একই বছরের ১৭ মে ভারত স্থলবন্দর দিয়ে বাংলাদেশের তৈরি পোশাক, কৃষিপ্রক্রিয়াজাত পণ্য, পাটজাত পণ্য, আসবাবসহ কয়েকটি পণ্যের আমদানিতে বিধিনিষেধ আরোপ করে। পরে ২৭ জুন বাংলাদেশি পাট, সুতা ও কিছু বস্ত্রপণ্যের ক্ষেত্রেও স্থলবন্দরভিত্তিক বিধিনিষেধ আরোপ করে ভারত।</p>
<p>তবে এসব পাল্টাপাল্টি পদক্ষেপের পরও দুই দেশের বাণিজ্য থেমে যায়নি। বরং বাংলাদেশের ভারত থেকে আমদানি বেড়েছে। এতে স্পষ্ট হয়— রাজনৈতিক ও প্রশাসনিক বাধা বাণিজ্যের গতিপথে প্রভাব ফেললেও দুই দেশের অর্থনীতির পারস্পরিক প্রয়োজনীয়তা এখনো যথেষ্ট শক্তিশালী।</p>
<p>স্থলবন্দর স্বাভাবিক করার দাবি</p>
<p>বাংলাদেশ-ভারত বাণিজ্যে স্থলবন্দর অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। ভৌগোলিক নৈকট্যের কারণে স্থলপথে পণ্য পরিবহন অনেক ক্ষেত্রে দ্রুত ও তুলনামূলক কম ব্যয়ের।</p>
<p>বাংলাদেশ নিটওয়্যার ম্যানুফ্যাকচারার্স অ্যান্ড এক্সপোর্টার্স অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি মোহাম্মদ হাতেম মনে করেন, সাম্প্রতিক বাণিজ্যিক বিরোধের অর্থনৈতিক প্রভাব রয়েছে। তবে এসব সমস্যা সমাধানে রাজনৈতিক পর্যায়ে উদ্যোগ প্রয়োজন। দুই দেশের শীর্ষ নেতৃত্বের পর্যায় থেকেই সমাধানের পথ খুঁজে বের করতে হবে বলে মনে করেন তিনি।</p>
<p>রিসার্চ অ্যান্ড পলিসি ইন্টিগ্রেশন ফর ডেভেলপমেন্টের চেয়ারম্যান এম এ রাজ্জাক বলেন, স্থলবন্দরকে শুধু বাণিজ্যিক সমস্যা হিসেবে দেখলে হবে না। এটি বাংলাদেশ-ভারত সামগ্রিক সম্পর্কের সঙ্গেও যুক্ত। দুই দেশের সম্পর্কের উন্নতি হলে বাণিজ্যিক যোগাযোগও আরও শক্তিশালী হওয়ার সুযোগ তৈরি হবে।</p>
<p>এফবিসিসিআইয়ের প্রশাসক মো. ফজলুল হকও আলোচনার মাধ্যমে দুই দেশের বাণিজ্য বিধিনিষেধ সহজ করার ওপর গুরুত্ব দিয়েছেন।</p>
<p>কয়েক মাসের মধ্যে স্বাভাবিক হওয়ার আশা</p>
<p>বাণিজ্যিক টানাপড়েনের মধ্যেই গত ১৮ আগস্ট বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে দ্বিপক্ষীয় বাণিজ্য ও বিনিয়োগ নিয়ে আলোচনা হয়েছে। ভারতের কনফেডারেশন অব ইন্ডিয়ান ইন্ডাস্ট্রির (সিআইআই) প্রতিনিধিদলের সঙ্গে বৈঠকের পর বাণিজ্য মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, আগামী কয়েক মাসের মধ্যে দুই দেশের বাণিজ্যিক কার্যক্রম স্বাভাবিক করার বিষয়ে ইতিবাচক অগ্রগতির আশা রয়েছে।</p>
<p>বৈঠকে পণ্য প্রবেশে বাধা, বন্ধ স্থলবন্দর চালু, বিদ্যমান বাণিজ্যিক সমস্যা এবং ভবিষ্যৎ সহযোগিতার বিভিন্ন দিক নিয়ে আলোচনা হয়।</p>
<p>বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির দুই দেশের ভৌগোলিক নৈকট্যকে অর্থনৈতিক সুবিধায় রূপান্তরের ওপর গুরুত্ব দিয়েছেন। বাণিজ্যিক প্রতিবন্ধকতা দূর করে স্বাভাবিক বাণিজ্য পরিবেশ ফিরিয়ে আনার প্রয়োজনীয়তার কথাও তিনি বলেছেন।</p>
<p>সিআইআই বাংলাদেশের অবকাঠামো ও উচ্চপ্রযুক্তি খাতে বিনিয়োগ বাড়াতে দুটি যৌথ কার্যদল গঠনের প্রস্তাব দিয়েছে। অবকাঠামো, সরকারি-বেসরকারি অংশীদারত্ব, অর্ধপরিবাহী শিল্প, সবুজ হাইড্রোজেন, ব্যাটারি সংরক্ষণ ও তথ্যকেন্দ্রের মতো খাতে সহযোগিতার সম্ভাবনাও তুলে ধরা হয়েছে।</p>
<p>আমদানির পাশাপাশি রফতানি বাড়ানোই চ্যালেঞ্জ</p>
<p>সব মিলিয়ে বাংলাদেশ-ভারত বাণিজ্যের বর্তমান চিত্রে সবচেয়ে বড় বৈপরীত্য হলো—আমদানি বাড়ছে, কিন্তু রফতানি বাড়ছে না। বাংলাদেশের বাজারে ভারতীয় পণ্যের চাহিদা শক্তিশালী হলেও ভারতের বাজারে বাংলাদেশি পণ্যের প্রবেশ এখনো কাঙ্ক্ষিত পর্যায়ে পৌঁছায়নি।</p>
<p>এই পরিস্থিতিতে শুধু বাণিজ্য বিধিনিষেধ তুলে নেওয়াই যথেষ্ট নয়। ভারতের বাজারে বাংলাদেশের পণ্য প্রবেশের বাধা চিহ্নিত করার পাশাপাশি আন্তর্জাতিক মান পূরণের সক্ষমতা বাড়াতে হবে। রফতানি পণ্যে বৈচিত্র্য আনতে হবে এবং দুই দেশের মধ্যে উৎপাদন ও সরবরাহব্যবস্থা গড়ে তুলতে হবে।</p>
<p>একই সঙ্গে স্থানীয় শিল্পকে সুরক্ষা দিতে গিয়ে এমন নীতি নেওয়া যাবে না, যাতে রফতানিমুখী শিল্প প্রয়োজনীয় কাঁচামালের সংকটে পড়ে। আবার সস্তা আমদানির ওপর অতিরিক্ত নির্ভরশীলতার কারণে দেশীয় শিল্প দুর্বল হয়ে পড়াও দীর্ঘমেয়াদে ঝুঁকিপূর্ণ।</p>
<p>বাংলাদেশের জন্য তাই মূল লক্ষ্য হওয়া উচিত, ভারত থেকে প্রয়োজনীয় কাঁচামাল আমদানির পাশাপাশি দেশটির বিশাল বাজারে বাংলাদেশি পণ্যের প্রবেশ বাড়ানো। বাণিজ্য সম্পর্ককে শুধু আমদানি-নির্ভর না রেখে বিনিয়োগ, যৌথ উৎপাদন, প্রযুক্তি হস্তান্তর ও আঞ্চলিক সরবরাহব্যবস্থার দিকে নেওয়া গেলে দীর্ঘদিনের বাণিজ্য ঘাটতি কমানোর বাস্তব সুযোগ তৈরি হতে পারে। বাংলা ট্রিবিউন</p>
]]></content:encoded>
					
					<wfw:commentRss>https://chtnews24.com/2026/09/06/%e0%a6%ac%e0%a6%be%e0%a6%82%e0%a6%b2%e0%a6%be%e0%a6%a6%e0%a7%87%e0%a6%b6-%e0%a6%95%e0%a7%87%e0%a6%a8-%e0%a6%ad%e0%a6%be%e0%a6%b0%e0%a6%a4%e0%a7%87-%e0%a6%aa%e0%a6%a3%e0%a7%8d%e0%a6%af-%e0%a6%ac/feed/</wfw:commentRss>
			<slash:comments>0</slash:comments>
		
		
			</item>
	</channel>
</rss>
