<?xml version="1.0" encoding="UTF-8"?><rss version="2.0"
	xmlns:content="http://purl.org/rss/1.0/modules/content/"
	xmlns:wfw="http://wellformedweb.org/CommentAPI/"
	xmlns:dc="http://purl.org/dc/elements/1.1/"
	xmlns:atom="http://www.w3.org/2005/Atom"
	xmlns:sy="http://purl.org/rss/1.0/modules/syndication/"
	xmlns:slash="http://purl.org/rss/1.0/modules/slash/"
	>

<channel>
	<title>অর্থ-বানিজ্য &#8211; chtnews24.com</title>
	<atom:link href="https://chtnews24.com/category/%e0%a6%85%e0%a6%b0%e0%a7%8d%e0%a6%a5-%e0%a6%ac%e0%a6%be%e0%a6%a8%e0%a6%bf%e0%a6%9c%e0%a7%8d%e0%a6%af/feed/" rel="self" type="application/rss+xml" />
	<link>https://chtnews24.com</link>
	<description></description>
	<lastBuildDate>Sat, 22 Aug 2026 02:45:23 +0000</lastBuildDate>
	<language>en-US</language>
	<sy:updatePeriod>
	hourly	</sy:updatePeriod>
	<sy:updateFrequency>
	1	</sy:updateFrequency>
	<generator>https://wordpress.org/?v=7.1</generator>
	<item>
		<title>সরকারি ব্যাংকে টাকা রাখা মানেই কি নিরাপদ?</title>
		<link>https://chtnews24.com/2026/08/22/%e0%a6%b8%e0%a6%b0%e0%a6%95%e0%a6%be%e0%a6%b0%e0%a6%bf-%e0%a6%ac%e0%a7%8d%e0%a6%af%e0%a6%be%e0%a6%82%e0%a6%95%e0%a7%87-%e0%a6%9f%e0%a6%be%e0%a6%95%e0%a6%be-%e0%a6%b0%e0%a6%be%e0%a6%96%e0%a6%be/</link>
					<comments>https://chtnews24.com/2026/08/22/%e0%a6%b8%e0%a6%b0%e0%a6%95%e0%a6%be%e0%a6%b0%e0%a6%bf-%e0%a6%ac%e0%a7%8d%e0%a6%af%e0%a6%be%e0%a6%82%e0%a6%95%e0%a7%87-%e0%a6%9f%e0%a6%be%e0%a6%95%e0%a6%be-%e0%a6%b0%e0%a6%be%e0%a6%96%e0%a6%be/#respond</comments>
		
		<dc:creator><![CDATA[adminchtnews24]]></dc:creator>
		<pubDate>Sat, 22 Aug 2026 02:45:23 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[অর্থ-বানিজ্য]]></category>
		<category><![CDATA[শিরোনাম]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://chtnews24.com/?p=37768</guid>

					<description><![CDATA[ডেস্ক রির্পোট:- দেশের পাঁচটি বড় রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাংকে মানুষের জমা রাখা টাকা থেকে দেওয়া ঋণের বড় একটি অংশ ফেরত আসছে না। বরং নতুন করে আরও ঋণ খেলাপি হচ্ছে। সরকারের দায়িত্ব নেওয়ার পর মাত্র ছয় মাসে সোনালী, জনতা, অগ্রণী, রূপালী ও বেসিক ব্যাংকের খেলাপি ঋণ বেড়েছে ৬ হাজার ৩০৪ কোটি টাকা। পোশাকশিল্পের সামনে নতুন চ্যালেঞ্জ: হারাতে পারে [&#8230;]]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[<p>ডেস্ক রির্পোট:- দেশের পাঁচটি বড় রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাংকে মানুষের জমা রাখা টাকা থেকে দেওয়া ঋণের বড় একটি অংশ ফেরত আসছে না। বরং নতুন করে আরও ঋণ খেলাপি হচ্ছে। সরকারের দায়িত্ব নেওয়ার পর মাত্র ছয় মাসে সোনালী, জনতা, অগ্রণী, রূপালী ও বেসিক ব্যাংকের খেলাপি ঋণ বেড়েছে ৬ হাজার ৩০৪ কোটি টাকা।</p>
<p>পোশাকশিল্পের সামনে নতুন চ্যালেঞ্জ: হারাতে পারে বাজার পোশাকশিল্পের সামনে নতুন চ্যালেঞ্জ: হারাতে পারে বাজার<br />
গত বছরের ডিসেম্বর শেষে এই পাঁচ ব্যাংকের খেলাপি ঋণ ছিল ১ লাখ ৪৫ হাজার ৩৯ কোটি টাকা। চলতি বছরের জুন শেষে তা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১ লাখ ৫১ হাজার ৩৪৩ কোটি টাকা।</p>
<p>অর্থাৎ ছয় মাসে খেলাপি ঋণ বেড়েছে ৬ হাজার ৩০৪ কোটি টাকা।</p>
<p>এই হিসাব সাধারণ মানুষের কাছে আরও গুরুত্বপূর্ণ হয়ে ওঠে যখন দেখা যায়, রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাংকের এই অর্থ মূলত জনগণের আমানত থেকেই দেওয়া ঋণের সঙ্গে সম্পর্কিত। ঋণগ্রহীতারা সময়মতো টাকা ফেরত না দিলে ব্যাংকের অর্থ আটকে যায়। এতে ব্যাংকের নতুন করে ঋণ দেওয়ার সক্ষমতা কমে এবং শেষ পর্যন্ত চাপ পড়ে আমানতকারী, ব্যবসায়ী ও পুরো অর্থনীতির ওপর।</p>
<p>পাঁচ ব্যাংকের মধ্যে সোনালী ও বেসিক ব্যাংকের খেলাপি ঋণ সামান্য কমেছে। বিপরীতে জনতা, অগ্রণী ও রূপালী ব্যাংকে খেলাপি ঋণ বেড়েছে।</p>
<p>সবচেয়ে বেশি বেড়েছে অগ্রণী ব্যাংকে। আর মোট খেলাপি ঋণের পরিমাণে সবচেয়ে ভয়াবহ অবস্থায় রয়েছে জনতা ব্যাংক।</p>
<p>জনতা ব্যাংকেই খেলাপি ৭৫ হাজার কোটি টাকা</p>
<p>রাষ্ট্রায়ত্ত পাঁচ ব্যাংকের মধ্যে সবচেয়ে বড় উদ্বেগের কারণ জনতা ব্যাংক।</p>
<p>গত ডিসেম্বর শেষে ব্যাংকটির খেলাপি ঋণ ছিল ৭২ হাজার ৫৩৮ কোটি টাকা। ছয় মাসের ব্যবধানে তা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৭৫ হাজার ৫৫৮ কোটি টাকা। অর্থাৎ মাত্র ছয় মাসে জনতা ব্যাংকের খেলাপি ঋণ বেড়েছে ৩ হাজার ২০ কোটি টাকা।</p>
<p>আরও উদ্বেগের বিষয় হলো, ব্যাংকটির মোট খেলাপি ঋণের প্রায় ৭২ শতাংশই আটকে আছে মাত্র ২০টি বড় ব্যবসায়ী গোষ্ঠীর কাছে। এসব গ্রাহকের কাছে আটকে থাকা খেলাপি ঋণের পরিমাণ ৫২ হাজার ৪১৮ কোটি টাকা।</p>
<p>অর্থাৎ হাজার হাজার ছোট ঋণগ্রহীতার কাছে নয়, বিপুল অঙ্কের টাকা আটকে আছে মূলত গুটিকয়েক বড় ঋণগ্রহীতার কাছে।</p>
<p>ব্যাংক কর্মকর্তাদের তথ্য অনুযায়ী, বেক্সিমকো গ্রুপ ও এস আলম গ্রুপের বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানও এসব বড় খেলাপি গ্রাহকের তালিকায় রয়েছে।</p>
<p>এদিকে জনতা ব্যাংকের প্রভিশন ঘাটতি দাঁড়িয়েছে ৫০ হাজার ২২৬ কোটি টাকা। অর্থাৎ খেলাপি ঋণের সম্ভাব্য ক্ষতি সামাল দিতে ব্যাংকটির যে পরিমাণ অর্থ আলাদা করে রাখার প্রয়োজন, তারও বড় ঘাটতি তৈরি হয়েছে।</p>
<p>অগ্রণী ব্যাংকে ছয় মাসেই বাড়লো সাড়ে ৩ হাজার কোটি</p>
<p>খেলাপি ঋণ বৃদ্ধির দিক থেকে সবচেয়ে খারাপ অবস্থায় অগ্রণী ব্যাংক।</p>
<p>গত ডিসেম্বর শেষে ব্যাংকটির খেলাপি ঋণ ছিল ২৮ হাজার ৬১৫ কোটি টাকা। জুন শেষে তা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৩২ হাজার ১৩৩ কোটি টাকা। অর্থাৎ মাত্র ছয় মাসে খেলাপি ঋণ বেড়েছে ৩ হাজার ৫১৮ কোটি টাকা।</p>
<p>ব্যাংকটির প্রভিশন ঘাটতিও দাঁড়িয়েছে ১২ হাজার ৩৩৭ কোটি টাকা।</p>
<p>অগ্রণী ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক আনোয়ারুল ইসলাম জানিয়েছেন, ব্যাংকটির মোট খেলাপি ঋণের প্রায় অর্ধেকই শীর্ষ ২০ ঋণগ্রহীতার কাছে আটকে আছে।</p>
<p>তার ভাষায়, বড় ঋণগ্রহীতারা টাকা পরিশোধে এগিয়ে না আসায় খেলাপি ঋণ কমানো কঠিন হয়ে পড়েছে।</p>
<p>ঋণ আদায়ের ক্ষেত্রে ধীরগতির আইনি প্রক্রিয়াকেও বড় সমস্যা হিসেবে দেখছেন তিনি। কারণ ঋণখেলাপিদের বিরুদ্ধে দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়া না গেলে ব্যাংকের টাকা ফেরত আনা কঠিন হয়ে পড়ে।</p>
<p>সোনালী ব্যাংকের খেলাপি কমেছে, কিন্তু স্বস্তি নেই</p>
<p>পাঁচ ব্যাংকের মধ্যে সোনালী ব্যাংকের খেলাপি ঋণ কিছুটা কমেছে।</p>
<p>গত ডিসেম্বর শেষে ব্যাংকটির খেলাপি ঋণ ছিল প্রায় ১৬ হাজার কোটি টাকা। জুন শেষে তা কমে দাঁড়িয়েছে ১৫ হাজার ৭১০ কোটি টাকা।</p>
<p>তবে এতে স্বস্তির খুব বেশি কারণ নেই। কারণ ব্যাংকটির মোট ঋণের প্রায় ১৫ শতাংশ এখনও খেলাপি।</p>
<p>ব্যাংক কর্মকর্তারা বলছেন, ২০২৪ সালের ৫ আগস্টের আগে বিতরণ করা ঋণের একটি অংশ সময়ের সঙ্গে খেলাপি হয়ে পড়ছে।</p>
<p>এর মধ্যে বেক্সিমকো গ্রুপের দুটি প্রতিষ্ঠানের প্রায় ১ হাজার ৫৪৪ কোটি টাকা ঋণ খেলাপি হওয়ায় সোনালী ব্যাংকের ওপর বাড়তি চাপ তৈরি হয়েছে।</p>
<p>অন্যদিকে নতুন ঋণ দেওয়ার ক্ষেত্রেও ব্যাংকটি বেশ সতর্ক অবস্থানে রয়েছে। চলতি বছরের প্রথম ছয় মাসে সোনালী ব্যাংকের ঋণের পরিমাণ বাড়েনি, বরং প্রায় ১১ হাজার কোটি টাকা কমেছে।</p>
<p>ফলে একদিকে পুরনো ঋণ আদায় হচ্ছে না, অন্যদিকে নতুন ঋণ বিতরণও কমছে। এ অবস্থায় ব্যাংকটির ব্যবসায়িক কার্যক্রমে এক ধরনের স্থবিরতা তৈরি হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।</p>
<p>রূপালী ব্যাংকেও বেড়েছে খেলাপি</p>
<p>রূপালী ব্যাংকের খেলাপি ঋণও ছয় মাসে বেড়েছে।</p>
<p>গত ডিসেম্বর শেষে ব্যাংকটির খেলাপি ঋণ ছিল ১৯ হাজার ৬৩১ কোটি টাকা। জুন শেষে তা বেড়ে হয়েছে ১৯ হাজার ৭৯০ কোটি টাকা। অর্থাৎ ছয় মাসে বেড়েছে ১৫৯ কোটি টাকা।</p>
<p>ব্যাংকটির প্রভিশন ঘাটতিও রয়েছে ১০ হাজার ৭৫৩ কোটি টাকা।</p>
<p>বেসিক ব্যাংকে সামান্য কমলেও পরিস্থিতি ভয়াবহ</p>
<p>বেসিক ব্যাংকের খেলাপি ঋণ ছয় মাসে মাত্র ১০২ কোটি টাকা কমেছে।</p>
<p>গত ডিসেম্বর শেষে ব্যাংকটির খেলাপি ঋণ ছিল ৮ হাজার ২৫৪ কোটি টাকা। জুন শেষে তা কমে দাঁড়িয়েছে ৮ হাজার ১৫২ কোটি টাকা।</p>
<p>কিন্তু এই সামান্য কমাকে বড় কোনও সাফল্য হিসেবে দেখার সুযোগ নেই। কারণ ব্যাংকটির মোট ঋণের প্রায় ৭০ শতাংশই খেলাপি। অর্থাৎ বেসিক ব্যাংকের ঋণের বড় অংশই এখন নিয়মিতভাবে ফেরত আসছে না।</p>
<p>এই টাকা কার?</p>
<p>রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাংকের খেলাপি ঋণের বিষয়টি শুধু ব্যাংকার বা অর্থনীতিবিদদের বিষয় নয়। এর সঙ্গে সরাসরি সম্পর্ক রয়েছে সাধারণ মানুষের।</p>
<p>কারণ রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাংকের বড় অংশের অর্থ আসে জনগণের আমানত থেকে। সেই টাকা ঋণ হিসেবে বিভিন্ন ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের কাছে যায়। ঋণ ফেরত না এলে ব্যাংকের অর্থ আটকে থাকে।</p>
<p>এর ফলে ব্যাংকের মূলধনে চাপ পড়ে, নতুন উদ্যোক্তাদের ঋণ দেওয়ার সক্ষমতা কমে এবং শেষ পর্যন্ত অর্থনীতিতে বিনিয়োগ ও কর্মসংস্থানের ওপরও প্রভাব পড়ে।</p>
<p>সবচেয়ে বড় প্রশ্ন হচ্ছে, বড় বড় ঋণগ্রহীতার কাছ থেকে ব্যাংকের টাকা আদায় হচ্ছে না কেন?</p>
<p>ব্যাংকারদের মতে, অনেক বড় ঋণগ্রহীতা রাজনৈতিক ও ব্যবসায়িক প্রভাব কাজে লাগিয়ে দীর্ঘদিন ঋণ পরিশোধ না করেও পার পেয়েছেন। আবার রাজনৈতিক পরিবর্তনের পর কেউ দেশ ছেড়েছেন, কেউ গ্রেফতার হয়েছেন। ফলে তাদের কাছ থেকে অর্থ আদায় আরও কঠিন হয়ে পড়েছে।</p>
<p>ছয় মাসে বদলালো না পুরনো চিত্র</p>
<p>নতুন সরকার দায়িত্ব নেওয়ার পর রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাংকগুলোর সুশাসন, ঋণ আদায় এবং খেলাপি ঋণ কমানোর বিষয়ে নানা আলোচনা হলেও ছয় মাসের হিসাবে বড় ধরনের পরিবর্তন এখনও দেখা যাচ্ছে না।</p>
<p>বরং পাঁচ ব্যাংকের সম্মিলিত খেলাপি ঋণ বেড়ে ১ লাখ ৫১ হাজার ৩৪৩ কোটি টাকায় পৌঁছেছে।</p>
<p>বিশ্লেষকদের মতে, শুধু নতুন ঋণ দেওয়া কমিয়ে কিংবা বিভিন্ন নীতি-সুবিধার মাধ্যমে খেলাপি ঋণ কমানো সম্ভব নয়। যেসব বড় গ্রাহকের কাছে হাজার হাজার কোটি টাকা আটকে আছে, তাদের কাছ থেকে টাকা আদায় করতে হবে।</p>
<p>এ জন্য দ্রুত আইনি ব্যবস্থা, জামানত বিক্রি ও ব্যবস্থাপনায় জবাবদিহি নিশ্চিত করার পাশাপাশি ব্যাংকের পরিচালনা ও ঋণ দেওয়ার প্রক্রিয়ায় রাজনৈতিক ও প্রভাবশালী মহলের হস্তক্ষেপ বন্ধ করা জরুরি।</p>
<p>নইলে আজ যে ১ লাখ ৫১ হাজার কোটি টাকা খেলাপি, আগামী দিনে সেই অঙ্ক আরও বড় হওয়ার শঙ্কা রয়েছে।</p>
<p>সব মিলিয়ে পাঁচ রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাংকের ছয় মাসের হিসাব একটি বিষয়ই স্পষ্ট করছে— ঋণখেলাপিদের কাছ থেকে টাকা আদায় করতে না পারলে শুধু ব্যাংকের হিসাবের খাতা নয়, শেষ পর্যন্ত তার চাপ পড়বে সাধারণ মানুষের অর্থনীতি ও দেশের সামগ্রিক আর্থিক ব্যবস্থার ওপর। বাংলা ট্রিবিউন</p>
]]></content:encoded>
					
					<wfw:commentRss>https://chtnews24.com/2026/08/22/%e0%a6%b8%e0%a6%b0%e0%a6%95%e0%a6%be%e0%a6%b0%e0%a6%bf-%e0%a6%ac%e0%a7%8d%e0%a6%af%e0%a6%be%e0%a6%82%e0%a6%95%e0%a7%87-%e0%a6%9f%e0%a6%be%e0%a6%95%e0%a6%be-%e0%a6%b0%e0%a6%be%e0%a6%96%e0%a6%be/feed/</wfw:commentRss>
			<slash:comments>0</slash:comments>
		
		
			</item>
		<item>
		<title>তুলার ফাঁদে বাংলাদেশ, পোশাকশিল্পের সামনে নতুন চ্যালেঞ্জ: হারাতে পারে বাজার</title>
		<link>https://chtnews24.com/2026/08/19/%e0%a6%a4%e0%a7%81%e0%a6%b2%e0%a6%be%e0%a6%b0-%e0%a6%ab%e0%a6%be%e0%a6%81%e0%a6%a6%e0%a7%87-%e0%a6%ac%e0%a6%be%e0%a6%82%e0%a6%b2%e0%a6%be%e0%a6%a6%e0%a7%87%e0%a6%b6-%e0%a6%aa%e0%a7%8b%e0%a6%b6/</link>
					<comments>https://chtnews24.com/2026/08/19/%e0%a6%a4%e0%a7%81%e0%a6%b2%e0%a6%be%e0%a6%b0-%e0%a6%ab%e0%a6%be%e0%a6%81%e0%a6%a6%e0%a7%87-%e0%a6%ac%e0%a6%be%e0%a6%82%e0%a6%b2%e0%a6%be%e0%a6%a6%e0%a7%87%e0%a6%b6-%e0%a6%aa%e0%a7%8b%e0%a6%b6/#respond</comments>
		
		<dc:creator><![CDATA[adminchtnews24]]></dc:creator>
		<pubDate>Wed, 19 Aug 2026 03:03:08 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[অর্থ-বানিজ্য]]></category>
		<category><![CDATA[বিশেষ প্রতিবেদন]]></category>
		<category><![CDATA[শিরোনাম]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://chtnews24.com/?p=37727</guid>

					<description><![CDATA[ডেস্ক রির্পোট:- বাংলাদেশের তৈরি পোশাক খাত মূলত বিশ্ববাজারের তুলার আমদানি-রফতানির ওপর দাঁড়িয়ে আছে। দীর্ঘদিন ধরে তুলার পোশাকই দেশের পোশাক রফতানির প্রধান শক্তি হলেও বৈশ্বিক বাজারের চাহিদা দ্রুত বদলে যাচ্ছে। ক্রেতারা এখন শুধু প্রচলিত তুলার পোশাক নয়, কৃত্রিম তন্তু, পুনর্ব্যবহারযোগ্য তন্তু, কারিগরি পোশাক ও উচ্চমূল্যের বিশেষায়িত পণ্যের দিকে ঝুঁকছেন। ফলে বাংলাদেশের সামনে এখন বড় প্রশ্ন—শুধু বেশি [&#8230;]]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[<p>ডেস্ক রির্পোট:- বাংলাদেশের তৈরি পোশাক খাত মূলত বিশ্ববাজারের তুলার আমদানি-রফতানির ওপর দাঁড়িয়ে আছে। দীর্ঘদিন ধরে তুলার পোশাকই দেশের পোশাক রফতানির প্রধান শক্তি হলেও বৈশ্বিক বাজারের চাহিদা দ্রুত বদলে যাচ্ছে। ক্রেতারা এখন শুধু প্রচলিত তুলার পোশাক নয়, কৃত্রিম তন্তু, পুনর্ব্যবহারযোগ্য তন্তু, কারিগরি পোশাক ও উচ্চমূল্যের বিশেষায়িত পণ্যের দিকে ঝুঁকছেন। ফলে বাংলাদেশের সামনে এখন বড় প্রশ্ন—শুধু বেশি পোশাক উৎপাদন ও রফতানি করে প্রবৃদ্ধি ধরে রাখা সম্ভব হবে, নাকি পণ্যের ধরন ও মূল্য সংযোজনেও বড় পরিবর্তন আনতে হবে?</p>
<p>সংশ্লিষ্ট তথ্য বলছে, বাংলাদেশের পোশাক রফতানির প্রায় ৭২ দশমিক ৭ শতাংশই তুলাভিত্তিক। অথচ বিশ্বব্যাপী পোশাক রফতানিতে তুলার অংশ প্রায় ৪১ দশমিক ৬ শতাংশ। অর্থাৎ বিশ্ববাজারের গড়ের তুলনায় বাংলাদেশ প্রায় দ্বিগুণ তুলানির্ভর। এ অবস্থান থেকে বোঝা যায়, বাংলাদেশের পোশাক খাত এখনও প্রচলিত তুলার পোশাকের ওপর অনেক বেশি নির্ভরশীল।</p>
<p>বিশ্বের অন্যান্য প্রধান পোশাক রফতানিকারক দেশ ইতোমধ্যে এই নির্ভরতা কমিয়ে কৃত্রিম ও মানুষ তৈরি তন্তুভিত্তিক পোশাকের দিকে এগিয়েছে। ভিয়েতনামের পোশাক রফতানিতে তুলার অংশ প্রায় ৩৪ দশমিক ৮ শতাংশ, চীনে ২৯ দশমিক ৪ শতাংশ এবং কম্বোডিয়ায় ৪১ দশমিক ৯ শতাংশ। অন্যদিকে পাকিস্তানে তুলার অংশ প্রায় ৮৫ দশমিক ১ শতাংশ এবং ভারতে প্রায় ৭৪ শতাংশ।</p>
<p>এই তুলনা বাংলাদেশের জন্য যেমন একটি চ্যালেঞ্জের চিত্র তুলে ধরে, তেমনই সামনে নতুন সম্ভাবনার দরজাও খুলে দেয়। কারণ কৃত্রিম তন্তু বা মানুষের তৈরি তন্তুর বাজারে বাংলাদেশ এখনও অনেকটা পিছিয়ে থাকলেও এই খাতে পরিবর্তনের সূচনা ইতোমধ্যে হয়েছে।</p>
<p>শুরু হয়েছে পরিবর্তন, তবে গতি বাড়াতে হবে<br />
বাংলাদেশের পোশাক রফতানিতে মানুষের তৈরি তন্তুর অংশ ২০১৬ সালে ছিল মাত্র ১১ দশমিক ৩ শতাংশ। বর্তমানে তা বেড়ে প্রায় ১৭ শতাংশে দাঁড়িয়েছে। অর্থাৎ গত এক দশকে দেশে অ-তুলাভিত্তিক পোশাকের সক্ষমতা বাড়ার প্রবণতা তৈরি হয়েছে।</p>
<p>তবে সংশ্লিষ্টদের মতে, এই পরিবর্তনের গতি এখনও প্রয়োজনের তুলনায় ধীর। বিশ্ববাজারের চাহিদা যেভাবে দ্রুত পরিবর্তিত হচ্ছে, তাতে শুধু তুলাভিত্তিক পোশাকের ওপর নির্ভর করে ভবিষ্যতের প্রতিযোগিতায় টিকে থাকা কঠিন হতে পারে।</p>
<p>বিশেষ করে এলডিসি বা স্বল্পোন্নত দেশের তালিকা থেকে বাংলাদেশের উত্তরণের পর আন্তর্জাতিক বাজারে শুল্কসুবিধা, প্রতিযোগিতা ও বাণিজ্যনীতিতে পরিবর্তন আসবে। তখন একই ধরনের সাধারণ পোশাকের ক্ষেত্রে শুধু কম দামে পণ্য সরবরাহ করে বাজার ধরে রাখা আরও কঠিন হয়ে উঠতে পারে। তাই এখন থেকেই বেশি মূল্য সংযোজনকারী পণ্য, বিশেষায়িত পোশাক এবং অ-তুলাভিত্তিক পণ্যের সক্ষমতা বাড়ানোর ওপর জোর দেওয়া প্রয়োজন।</p>
<p>কেন কৃত্রিম তন্তুর পোশাকে গুরুত্ব বাড়ছে<br />
আন্তর্জাতিক পোশাক বাজারে কৃত্রিম ও মানুষ তৈরি তন্তুর ব্যবহার দ্রুত বাড়ছে। খেলাধুলার পোশাক, শীতবস্ত্র, বাইরের ব্যবহারের পোশাক, কর্মক্ষেত্রের বিশেষ পোশাক, স্থিতিস্থাপক পোশাকসহ বিভিন্ন ধরনের উচ্চমূল্যের পণ্যে এসব তন্তুর ব্যবহার বেশি।</p>
<p>এ ধরনের পোশাকের উৎপাদন শুধু কাপড় তৈরি ও পোশাক সেলাইয়ের মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়। এর সঙ্গে যুক্ত রয়েছে উন্নতমানের তন্তু উৎপাদন ও প্রক্রিয়াজাতকরণ, কাপড় তৈরি, রঙ করা, পরিশোধন, মসৃণকরণ এবং বিশেষ ধরনের ফিনিশিং প্রযুক্তি। ফলে এ খাতে বিনিয়োগ বাড়লে শুধু রফতানি পণ্যের বৈচিত্র্যই বাড়বে না, দেশে নতুন শিল্প ও কর্মসংস্থানের সুযোগও তৈরি হবে</p>
<p>বাংলাদেশ বর্তমানে তৈরি পোশাকের সেলাই ও উৎপাদনে শক্তিশালী হলেও কৃত্রিম তন্তুভিত্তিক পোশাকের পুরো সরবরাহব্যবস্থায় এখনও প্রয়োজনীয় সক্ষমতা গড়ে ওঠেনি। এ কারণে অনেক ক্ষেত্রে কাঁচামাল ও কাপড় আমদানির ওপর নির্ভর করতে হয়। এতে উৎপাদনের সময় ও ব্যয় বাড়ে এবং দ্রুত ক্রয়াদেশ নেওয়ার সক্ষমতাও সীমিত হয়।</p>
<p>প্রথম প্রয়োজন বিনিয়োগ<br />
এই পরিস্থিতি বদলাতে হলে কৃত্রিম ও কারিগরি তন্তুর কাপড় তৈরির পাশাপাশি রঙ করা ও ফিনিশিং সক্ষমতায় দ্রুত বিনিয়োগ বাড়াতে হবে।</p>
<p>শুধু পোশাক কারখানা বাড়িয়ে অ-তুলাভিত্তিক পোশাকের রফতানি বাড়ানো সম্ভব নয়। এ জন্য প্রয়োজন পুরো শিল্পভিত্তি শক্তিশালী করা। দেশীয় ও বিদেশি বিনিয়োগকারীদের জন্য এমন পরিবেশ তৈরি করতে হবে, যাতে তারা কৃত্রিম তন্তু প্রক্রিয়াজাতকরণ, কাপড় উৎপাদন, রঙ ও ফিনিশিং কারখানায় বিনিয়োগে আগ্রহী হন।</p>
<p>বিশেষ করে বিদেশি বিনিয়োগ এ ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে। যেসব দেশে কৃত্রিম তন্তুভিত্তিক পোশাকের বড় বাজার তৈরি হয়েছে, সেসব দেশের প্রযুক্তি, দক্ষতা ও বিনিয়োগ বাংলাদেশের শিল্পে যুক্ত করা গেলে পরিবর্তনের গতি অনেক দ্রুত হতে পারে।</p>
<p>দক্ষ জনবল ছাড়া পরিবর্তন সম্ভব নয়<br />
অ-তুলাভিত্তিক পোশাক তৈরির জন্য শুধু নতুন যন্ত্রপাতি ও কারখানা স্থাপন করলেই হবে না। প্রয়োজন দক্ষ প্রযুক্তিবিদ ও কর্মী।</p>
<p>তুলা ও কৃত্রিম তন্তুর কাপড়ের বৈশিষ্ট্য এক নয়। ফলে এসব কাপড় কাটিং, সেলাই, রঙ, ফিনিশিং এবং মান নিয়ন্ত্রণে আলাদা ধরনের দক্ষতা প্রয়োজন। এ কারণে কারিগরি শিক্ষা ও প্রশিক্ষণ প্রতিষ্ঠানগুলোর মাধ্যমে অ-তুলাভিত্তিক কাপড় ব্যবস্থাপনায় দক্ষ কর্মী তৈরির উদ্যোগ বাড়াতে হবে।</p>
<p>দেশের পোশাকশিল্পে দীর্ঘদিন ধরে তুলাভিত্তিক পণ্যের ওপর যে দক্ষতা তৈরি হয়েছে, সেটিকে নতুন প্রযুক্তির সঙ্গে যুক্ত করতে পারলে দ্রুত ফল পাওয়া সম্ভব।</p>
<p>জ্বালানি সংকটও বড় বাধা<br />
কৃত্রিম তন্তুর কাপড় প্রক্রিয়াজাতকরণ, রং ও ফিনিশিংয়ের মতো কাজে তুলনামূলকভাবে বেশি জ্বালানি প্রয়োজন। ফলে নিরবচ্ছিন্ন ও পর্যাপ্ত জ্বালানি সরবরাহ নিশ্চিত করা এ খাতের সম্প্রসারণের অন্যতম পূর্বশর্ত।</p>
<p>বাংলাদেশের শিল্প খাত যখন গ্যাস ও বিদ্যুৎ সংকটে উৎপাদন ব্যাহত হওয়ার মতো সমস্যার মুখোমুখি হচ্ছে, তখন জ্বালানিনির্ভর নতুন শিল্পে বিনিয়োগ আকর্ষণ করা কঠিন হতে পারে। তাই অ-তুলাভিত্তিক পোশাকশিল্পে বিনিয়োগ বাড়াতে হলে শিল্পাঞ্চলে নির্ভরযোগ্য জ্বালানি সরবরাহ নিশ্চিত করার বিষয়টি অগ্রাধিকার দিতে হবে।</p>
<p>নীতিসহায়তা দিতে হবে লক্ষ্যভিত্তিক<br />
অ-তুলাভিত্তিক পোশাক উৎপাদন বাড়াতে সরকারের নীতিসহায়তাও গুরুত্বপূর্ণ। সাধারণ প্রণোদনার পাশাপাশি কৃত্রিম ও কারিগরি তন্তু উৎপাদন, প্রক্রিয়াজাতকরণ, রঙ ও ফিনিশিং সক্ষমতা তৈরিতে লক্ষ্যভিত্তিক সুবিধা দেওয়া যেতে পারে।</p>
<p>যেসব দেশ দ্রুত এই খাতে এগিয়েছে, তাদের অভিজ্ঞতা থেকে বাংলাদেশ শিক্ষা নিতে পারে। কম্বোডিয়া ও ইন্দোনেশিয়ার মতো দেশ অ-তুলাভিত্তিক পোশাকের সক্ষমতা বাড়াতে বিনিয়োগ ও শিল্প অবকাঠামো উন্নয়নে গুরুত্ব দিয়েছে। বাংলাদেশও একইভাবে স্থানীয় ও বিদেশি বিনিয়োগ আকর্ষণের জন্য দীর্ঘমেয়াদি নীতি সহায়তা দিতে পারে।</p>
<p>এ ক্ষেত্রে কর ও শুল্ক সুবিধা, শিল্প অবকাঠামো, সহজ ঋণ, প্রযুক্তি আমদানিতে সুবিধা এবং বিনিয়োগ অনুমোদনের প্রক্রিয়া সহজ করার মতো উদ্যোগ কার্যকর হতে পারে।</p>
<p>তুলা বাংলাদেশের শক্তি, কিন্তু ভবিষ্যৎ শুধু তুলায় নয়<br />
তুলার পোশাকে বাংলাদেশের দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতা ও শক্তিশালী সরবরাহব্যবস্থা রয়েছে। তাই তুলাভিত্তিক পোশাক থেকে সরে যাওয়ার অর্থ তুলার পোশাককে বাদ দেওয়া নয়। বরং বর্তমান শক্তির ওপর দাঁড়িয়ে নতুন বাজার ও নতুন পণ্যের সক্ষমতা তৈরি করা।</p>
<p>বাংলাদেশের তৈরি পোশাক খাতের সবচেয়ে বড় সাফল্য এসেছে বড় পরিমাণে প্রতিযোগিতামূলক মূল্যে পোশাক উৎপাদনের মাধ্যমে। কিন্তু ভবিষ্যতের প্রতিযোগিতায় শুধু পরিমাণ নয়, পণ্যের বৈচিত্র্য, গুণগত মান, প্রযুক্তি এবং মূল্য সংযোজন গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠবে।</p>
<p>সেই অর্থে কৃত্রিম ও কারিগরি তন্তুর পোশাক বাংলাদেশের জন্য শুধু নতুন একটি পণ্যশ্রেণি নয়; এটি তৈরি পোশাক খাতের পরবর্তী প্রবৃদ্ধির বড় ভিত্তি হয়ে উঠতে পারে।</p>
<p>পরিমাণ থেকে মূল্য সংযোজনে যাওয়ার সময়<br />
বিশ্ববাজারে বাংলাদেশের তৈরি পোশাকের অবস্থান শক্তিশালী হলেও প্রতিযোগিতা ক্রমেই বাড়ছে। চীন, ভিয়েতনাম, ভারত, ইন্দোনেশিয়া ও কম্বোডিয়াসহ বিভিন্ন দেশ পণ্যের বৈচিত্র্য বাড়াচ্ছে। একই সময়ে ক্রেতারা দ্রুত সরবরাহ, উন্নতমান, পরিবেশবান্ধব উৎপাদন এবং বিশেষায়িত পোশাকের দিকে বেশি আগ্রহী হচ্ছেন। এ অবস্থায় বাংলাদেশের সামনে কৌশলগতভাবে দুটি পথ—একদিকে প্রচলিত তুলাভিত্তিক পোশাকে দক্ষতা ও প্রতিযোগিতামূলক সক্ষমতা ধরে রাখা, অন্যদিকে দ্রুত অ-তুলাভিত্তিক পোশাকের সক্ষমতা তৈরি করা।</p>
<p>এই দুই ধারাকে সমান্তরালে এগিয়ে নিতে পারলে বাংলাদেশের পোশাকশিল্প কেবল বেশি পোশাক রফতানিকারক দেশ হিসেবে নয়, বরং উচ্চমূল্যের ও বৈচিত্র্যময় পোশাকের গুরুত্বপূর্ণ সরবরাহকারী হিসেবেও নিজেদের অবস্থান শক্ত করতে পারবে।</p>
<p>অর্থাৎ বাংলাদেশের পোশাক খাতের পরবর্তী বড় সাফল্যের চাবিকাঠি শুধু আরও বেশি পোশাক তৈরি করা নয়; বরং কী ধরনের পোশাক তৈরি করা হচ্ছে, কতটা মূল্য সংযোজন করা যাচ্ছে এবং বিশ্ববাজারের পরিবর্তিত চাহিদা কত দ্রুত পূরণ করা যাচ্ছে—তার ওপরই ভবিষ্যৎ প্রবৃদ্ধি অনেকাংশে নির্ভর করবে।</p>
<p>তাই তুলা বাংলাদেশের শক্তি হিসেবে থাকুক, তবে এর পাশাপাশি কৃত্রিম, কারিগরি ও অন্যান্য অ-তুলাভিত্তিক তন্তুর পোশাকে সক্ষমতা বাড়ানো এখন সময়ের দাবি। বিনিয়োগ, দক্ষতা, জ্বালানি ও নীতিসহায়তার সমন্বিত উদ্যোগ নিতে পারলে এলডিসি উত্তরণের পরও বাংলাদেশের তৈরি পোশাক খাত নতুন প্রবৃদ্ধির পথ তৈরি করতে সক্ষম হবে।</p>
<p>এ প্রসঙ্গে বিজিএমইএ’র সাবেক পরিচালক ও বাংলাদেশ অ্যাপারেল ভয়েসের প্রতিষ্ঠাতা ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মহিউদ্দিন রুবেল বলেন, “বাংলাদেশের পোশাকশিল্প দীর্ঘদিন ধরে তুলাভিত্তিক পোশাক উৎপাদনে যে দক্ষতা অর্জন করেছে, সেটিই আমাদের অন্যতম বড় শক্তি। কিন্তু বিশ্ববাজারের চাহিদা দ্রুত পরিবর্তিত হচ্ছে। এখন শুধু বেশি পরিমাণে পোশাক উৎপাদন করলেই হবে না; কোন ধরনের পোশাক উৎপাদন করছি, কতটা মূল্য সংযোজন করতে পারছি এবং ক্রেতার পরিবর্তিত চাহিদা কত দ্রুত পূরণ করতে পারছি—এসব বিষয়ই আমাদের প্রতিযোগিতা সক্ষমতার মূল নির্ধারক হয়ে উঠছে।”</p>
<p>তিনি বলেন, “বাংলাদেশের পোশাক রফতানিতে তুলার ওপর নির্ভরতা এখনও অনেক বেশি। বিপরীতে ভিয়েতনাম, চীন, কম্বোডিয়াসহ আমাদের প্রতিযোগী দেশগুলো অনেক আগেই মানুষ তৈরি তন্তু ও অন্যান্য অ-তুলাভিত্তিক পণ্যে বিনিয়োগ বাড়িয়েছে। ফলে তারা শুধু পণ্যের বৈচিত্র্যই বাড়ায়নি, বরং বিশ্ববাজারে উচ্চমূল্যের ও বিশেষায়িত পোশাকের বড় অংশ দখল করার সক্ষমতাও তৈরি করেছে।”</p>
<p>মহিউদ্দিন রুবেলের মতে, “মানুষ তৈরি তন্তুর পোশাকের বাজারে বাংলাদেশকে এখন আর শুধু পোশাক কারখানার সংখ্যা বাড়ানোর দৃষ্টিতে দেখলে হবে না। এ জন্য পুরো শিল্প-সরবরাহব্যবস্থাকে শক্তিশালী করতে হবে। তন্তু ও সুতা থেকে শুরু করে কাপড় তৈরি, রঙ, ফিনিশিং এবং বিশেষায়িত কাপড় প্রক্রিয়াজাতকরণ—প্রতিটি পর্যায়ে বিনিয়োগ প্রয়োজন। স্থানীয় সক্ষমতা তৈরি করতে পারলে আমদানি নির্ভরতা কমবে, উৎপাদনের সময় কমবে এবং ক্রেতার দ্রুত চাহিদা পূরণের সক্ষমতা বাড়বে।”</p>
<p>তিনি আরও বলেন, “এই পরিবর্তনের জন্য সবচেয়ে বড় প্রয়োজন দীর্ঘমেয়াদি বিনিয়োগ। দেশীয় উদ্যোক্তাদের পাশাপাশি বিদেশি বিনিয়োগও আকর্ষণ করতে হবে। সরকারকে এমন নীতিগত পরিবেশ তৈরি করতে হবে, যাতে মানুষ তৈরি তন্তু, কারিগরি বস্ত্র, উন্নত রঙ ও ফিনিশিং এবং উচ্চমূল্যের পোশাক উৎপাদনে বিনিয়োগকারীরা আস্থা পান। প্রতিযোগী দেশগুলো যে জায়গায় এগিয়ে যাচ্ছে, সেখানে আমাদেরও দ্রুত সক্ষমতা তৈরি করতে হবে।”বাংলা ট্রিবিউন</p>
]]></content:encoded>
					
					<wfw:commentRss>https://chtnews24.com/2026/08/19/%e0%a6%a4%e0%a7%81%e0%a6%b2%e0%a6%be%e0%a6%b0-%e0%a6%ab%e0%a6%be%e0%a6%81%e0%a6%a6%e0%a7%87-%e0%a6%ac%e0%a6%be%e0%a6%82%e0%a6%b2%e0%a6%be%e0%a6%a6%e0%a7%87%e0%a6%b6-%e0%a6%aa%e0%a7%8b%e0%a6%b6/feed/</wfw:commentRss>
			<slash:comments>0</slash:comments>
		
		
			</item>
		<item>
		<title>ঢাকায় আসছে ভারতের বাণিজ্য প্রতিনিধিদল</title>
		<link>https://chtnews24.com/2026/08/18/%e0%a6%a2%e0%a6%be%e0%a6%95%e0%a6%be%e0%a6%af%e0%a6%bc-%e0%a6%86%e0%a6%b8%e0%a6%9b%e0%a7%87-%e0%a6%ad%e0%a6%be%e0%a6%b0%e0%a6%a4%e0%a7%87%e0%a6%b0-%e0%a6%ac%e0%a6%be%e0%a6%a3%e0%a6%bf%e0%a6%9c/</link>
					<comments>https://chtnews24.com/2026/08/18/%e0%a6%a2%e0%a6%be%e0%a6%95%e0%a6%be%e0%a6%af%e0%a6%bc-%e0%a6%86%e0%a6%b8%e0%a6%9b%e0%a7%87-%e0%a6%ad%e0%a6%be%e0%a6%b0%e0%a6%a4%e0%a7%87%e0%a6%b0-%e0%a6%ac%e0%a6%be%e0%a6%a3%e0%a6%bf%e0%a6%9c/#respond</comments>
		
		<dc:creator><![CDATA[adminchtnews24]]></dc:creator>
		<pubDate>Tue, 18 Aug 2026 04:43:06 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[অর্থ-বানিজ্য]]></category>
		<category><![CDATA[শিরোনাম]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://chtnews24.com/?p=37664</guid>

					<description><![CDATA[ডেস্ক রির্পোট:- ভারতের শীর্ষ শিল্পপ্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধিদের নিয়ে একটি উচ্চপর্যায়ের বাণিজ্য প্রতিনিধিদল আজ (সোমবার) ঢাকায় আসছে। দুই দিনের সফরে প্রতিনিধিদলটি সরকারের বিভিন্ন পর্যায় ও ব্যবসায়ী নেতাদের সঙ্গে বৈঠক করবে। দুই দেশের রাজনৈতিক সম্পর্কে টানাপোড়েনের মধ্যেই ঢাকায় আসছে ভারতের এই বাণিজ্য প্রতিনিধিদল। একই সময়ে গত দুই বছরে উভয় দেশের আরোপিত বন্দরসংক্রান্ত বিধিনিষেধের কারণে দ্বিপক্ষীয় ব্যবসা-বাণিজ্যও ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। [&#8230;]]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[<p>ডেস্ক রির্পোট:- ভারতের শীর্ষ শিল্পপ্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধিদের নিয়ে একটি উচ্চপর্যায়ের বাণিজ্য প্রতিনিধিদল আজ (সোমবার) ঢাকায় আসছে। দুই দিনের সফরে প্রতিনিধিদলটি সরকারের বিভিন্ন পর্যায় ও ব্যবসায়ী নেতাদের সঙ্গে বৈঠক করবে।<br />
দুই দেশের রাজনৈতিক সম্পর্কে টানাপোড়েনের মধ্যেই ঢাকায় আসছে ভারতের এই বাণিজ্য প্রতিনিধিদল। একই সময়ে গত দুই বছরে উভয় দেশের আরোপিত বন্দরসংক্রান্ত বিধিনিষেধের কারণে দ্বিপক্ষীয় ব্যবসা-বাণিজ্যও ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। এমন প্রেক্ষাপটে বাণিজ্য ও বিনিয়োগের সম্ভাবনা নিয়ে আলোচনার জন্যই প্রতিনিধিদলটির এ সফর।<br />
সফরের প্রস্তুতির জন্য ভারতের একটি অগ্রবর্তী দল এরই মধ্যে ঢাকায় অবস্থান করছে। সফরকালে প্রতিনিধিদলটি বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আবদুল মুক্তাদির, পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ এবং অর্থ ও পরিকল্পনামন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরীর সঙ্গে বৈঠক করবে।</p>
<p>এছাড়া ব্যবসায়ীদের শীর্ষ সংগঠন ফেডারেশন অব বাংলাদেশ চেম্বার্স অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রিজ এবং বাংলাদেশ বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের সঙ্গেও বৈঠক করবে প্রতিনিধিদলটি। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সঙ্গেও সাক্ষাতের আগ্রহ প্রকাশ করেছে ভারতীয় বাণিজ্য প্রতিনিধিদলটি।প্রবাসীদের তথ্য</p>
<p>এই দলে গডরেজ ইন্ডাস্ট্রিজ, অরবিন্দ লিমিটেড, ইনফ্রাভিশন ফাউন্ডেশন, এলএমডব্লিউ গ্লোবাল, মাহিন্দ্রা গ্রুপ, গদরেজ কনজ্যুমার প্রোডাক্টস, লারসেন অ্যান্ড টুব্রো, ফোর্বস মার্শাল, নুমালিগড় রিফাইনারি, বেক্সিমকো আইওসি পেট্রোলিয়াম এবং অ্যাপোলো হাসপাতালসহ দেশটির বড় শিল্পপ্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধিরা থাকবেন।</p>
<p>বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে বর্তমানে বছরে প্রায় ১২ বিলিয়ন ডলারের বাণিজ্য হয়। এর মধ্যে ভারতে বাংলাদেশের রপ্তানি প্রায় ২ বিলিয়ন ডলার। ভারতের শিল্প ও বাণিজ্য মহলের হিসাবে, দক্ষিণ এশিয়ায় ভারতের সবচেয়ে বড় বাণিজ্যিক অংশীদার বাংলাদেশ।<br />
সফরে বাজারে প্রবেশের সুযোগ বাড়ানো, অশুল্ক বাণিজ্য বাধা কমানো এবং সীমান্ত অবকাঠামোর উন্নয়নসহ দ্বিপক্ষীয় বাণিজ্য সম্প্রসারণের বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আলোচনা হতে পারে।</p>
<p>&nbsp;</p>
<p>&nbsp;</p>
]]></content:encoded>
					
					<wfw:commentRss>https://chtnews24.com/2026/08/18/%e0%a6%a2%e0%a6%be%e0%a6%95%e0%a6%be%e0%a6%af%e0%a6%bc-%e0%a6%86%e0%a6%b8%e0%a6%9b%e0%a7%87-%e0%a6%ad%e0%a6%be%e0%a6%b0%e0%a6%a4%e0%a7%87%e0%a6%b0-%e0%a6%ac%e0%a6%be%e0%a6%a3%e0%a6%bf%e0%a6%9c/feed/</wfw:commentRss>
			<slash:comments>0</slash:comments>
		
		
			</item>
		<item>
		<title>এক বিলিয়ন ডলার বিনিয়োগ হবে আনোয়ারায়</title>
		<link>https://chtnews24.com/2026/07/28/%e0%a6%8f%e0%a6%95-%e0%a6%ac%e0%a6%bf%e0%a6%b2%e0%a6%bf%e0%a6%af%e0%a6%bc%e0%a6%a8-%e0%a6%a1%e0%a6%b2%e0%a6%be%e0%a6%b0-%e0%a6%ac%e0%a6%bf%e0%a6%a8%e0%a6%bf%e0%a6%af%e0%a6%bc%e0%a7%8b%e0%a6%97/</link>
					<comments>https://chtnews24.com/2026/07/28/%e0%a6%8f%e0%a6%95-%e0%a6%ac%e0%a6%bf%e0%a6%b2%e0%a6%bf%e0%a6%af%e0%a6%bc%e0%a6%a8-%e0%a6%a1%e0%a6%b2%e0%a6%be%e0%a6%b0-%e0%a6%ac%e0%a6%bf%e0%a6%a8%e0%a6%bf%e0%a6%af%e0%a6%bc%e0%a7%8b%e0%a6%97/#respond</comments>
		
		<dc:creator><![CDATA[adminchtnews24]]></dc:creator>
		<pubDate>Tue, 28 Jul 2026 03:52:12 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[Second lead]]></category>
		<category><![CDATA[অর্থ-বানিজ্য]]></category>
		<category><![CDATA[চট্রগ্রাম]]></category>
		<category><![CDATA[শিরোনাম]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://chtnews24.com/?p=37545</guid>

					<description><![CDATA[ডেস্ক রির্পোট:- ১৮ মাসের মধ্যে আনোয়ারায় চায়না ইকোনমিক অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রিয়াল জোনের প্রথম কারখানা উৎপাদনে যাবে। প্রকল্পের শুরুতে চীনের অন্তত ৩০টি প্রতিষ্ঠান বিনিয়োগ করবে। পর্যায়ক্রমে এখানে প্রায় এক বিলিয়ন ডলার বিনিয়োগ এবং লক্ষাধিক মানুষের কর্মসংস্থান সৃষ্টি হবে বলে আশা করা হচ্ছে। বিদেশি বিনিয়োগ, শিল্পায়ন ও কর্মসংস্থানের নতুন দিগন্ত উন্মোচনের প্রত্যয় নিয়ে গতকাল সোমবার কর্ণফুলী নদীর দক্ষিণ [&#8230;]]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[<p>ডেস্ক রির্পোট:- ১৮ মাসের মধ্যে আনোয়ারায় চায়না ইকোনমিক অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রিয়াল জোনের প্রথম কারখানা উৎপাদনে যাবে। প্রকল্পের শুরুতে চীনের অন্তত ৩০টি প্রতিষ্ঠান বিনিয়োগ করবে। পর্যায়ক্রমে এখানে প্রায় এক বিলিয়ন ডলার বিনিয়োগ এবং লক্ষাধিক মানুষের কর্মসংস্থান সৃষ্টি হবে বলে আশা করা হচ্ছে।</p>
<p>বিদেশি বিনিয়োগ, শিল্পায়ন ও কর্মসংস্থানের নতুন দিগন্ত উন্মোচনের প্রত্যয় নিয়ে গতকাল সোমবার কর্ণফুলী নদীর দক্ষিণ পাড়ে আনোয়ারায় প্রত্যাশিত চায়না ইকোনমিক অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রিয়াল জোনের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন ও ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করা হয়েছে। দুপুর ১২টায় আয়োজিত অনুষ্ঠানে অতিথিরা ইলেকট্রনিক ডিভাইসে স্পর্শ করে অর্থনৈতিক অঞ্চলটির আনুষ্ঠানিক কার্যক্রম উদ্বোধন করেন। অনুষ্ঠানে অর্থমন্ত্রী, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী, সংসদ সদস্য, চীনের রাষ্ট্রদূত, বাংলাদেশ অর্থনৈতিক অঞ্চল কর্তৃপক্ষ–বেজার ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা, চীনা বিনিয়োগকারী এবং দেশি–বিদেশি ব্যবসায়ী প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।</p>
<p>এক বিলিয়ন ডলার বিনিয়োগের সম্ভাবনা : অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে অর্থ ও পরিকল্পনামন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী বলেন, প্রাথমিকভাবে প্রায় ৫০০ মিলিয়ন ডলারের বিনিয়োগ পরিকল্পনা নিয়ে চায়না ইকোনমিক অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রিয়াল জোনের যাত্রা শুরু হলেও পর্যায়ক্রমে এখানে বিনিয়োগের পরিমাণ এক বিলিয়ন ডলারে উন্নীত হবে। এর মাধ্যমে লক্ষাধিক মানুষের প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষ কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি হবে।</p>
<p>তিনি বলেন, বর্তমান সরকার বিনিয়োগকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দিচ্ছে। সরকারের মূল লক্ষ্য হলো প্রথমত বিনিয়োগ, দ্বিতীয়ত বিনিয়োগ এবং তৃতীয়তও বিনিয়োগ। কারণ বিনিয়োগ বাড়লে দেশের অর্থনীতির চাকা আরো গতিশীল হবে, বিপুল কর্মসংস্থান সৃষ্টি হবে এবং বাংলাদেশকে ২০৩৪ সালের মধ্যে এক ট্রিলিয়ন ডলারের অর্থনীতিতে পরিণত করার লক্ষ্য বাস্তবায়ন সহজ হবে। অর্থমন্ত্রী বলেন, চায়না ইকোনমিক অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রিয়াল জোন সেই লক্ষ্য অর্জনের পথে একটি গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক। এ প্রকল্প বর্তমান সরকারের সুদূরপ্রসারী অর্থনৈতিক পরিকল্পনা এবং বাংলাদেশে বিদেশি বিনিয়োগকে স্বাগত জানানোর অঙ্গীকারের একটি বাস্তব প্রমাণ। দেশি–বিদেশি শিল্প বিনিয়োগ সহজ করতে অপ্রয়োজনীয় নিয়ম–কানুন কমিয়ে আনা হয়েছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, পরিবেশবান্ধব শিল্প স্থাপনের জন্য সরকারের দরজা ২৪ ঘণ্টা খোলা। বিনিয়োগ ব্যবস্থার পাশাপাশি দেশের পুঁজিবাজারকেও পুনর্গঠনের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।</p>
<p>চীনা বিনিয়োগকারীদের বাংলাদেশের পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত হওয়ার আহ্বান জানিয়ে অর্থমন্ত্রী বলেন, এতে প্রতিষ্ঠানগুলো বাংলাদেশ থেকেই প্রয়োজনীয় মূলধন সংগ্রহ করতে পারবে। একই সঙ্গে দেশের সাধারণ মানুষও এসব শিল্পপ্রতিষ্ঠানের অংশীদার হওয়ার সুযোগ পাবে। চীনের সঙ্গে সহযোগিতা শুধু বিনিয়োগের মধ্যে সীমাবদ্ধ না রেখে প্রযুক্তি হস্তান্তর ও দক্ষ জনশক্তি উন্নয়নেও বিস্তৃত করার আহ্বান জানান অর্থমন্ত্রী। তিনি আনোয়ারা অথবা চট্টগ্রামে একটি আধুনিক দক্ষতা উন্নয়ন কেন্দ্র প্রতিষ্ঠার জন্য চীনের রাষ্ট্রদূতের প্রতি আহ্বান জানান। বলেন, এই শিল্পাঞ্চলে গড়ে ওঠা কারখানাগুলোতে বিপুলসংখ্যক দক্ষ কর্মীর প্রয়োজন হবে। দক্ষতা উন্নয়ন কেন্দ্র স্থাপন করা হলে স্থানীয় শিল্পপ্রতিষ্ঠানের পাশাপাশি বিদেশে কর্মসংস্থানের উপযোগী জনশক্তিও তৈরি হবে।</p>
<p>আনোয়ারা এখন মাল্টিমোডাল হাব : বিশেষ অতিথির বক্তব্যে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ বলেন, আনোয়ারা এখন দেশের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ মাল্টিমোডাল হাবে পরিণত হয়েছে। এখানে বিমানবন্দর, সমুদ্রবন্দর, জাতীয় মহাসড়ক, কর্ণফুলী টানেল এবং উন্নত সড়ক যোগাযোগব্যবস্থা একই স্থানে সংযুক্ত হয়েছে। তিনি বলেন, ঐতিহাসিক কর্ণফুলী নদীর পূর্ব তীরে কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ আনোয়ারায় শুধু একটি প্রকল্পের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করা হচ্ছে না, বরং বাংলাদেশের শিল্পায়নের নতুন একটি অধ্যায়ের সূচনা হচ্ছে। এই শিল্পজোন প্রতিষ্ঠিত হলে আনোয়ারাসহ পুরো দক্ষিণ চট্টগ্রামের মানুষের জীবনযাত্রা ও আর্থসামাজিক অবস্থার ব্যাপক উন্নতি ঘটবে।</p>
<p>দেশি–বিদেশি বিনিয়োগকারীদের নিরাপত্তার বিষয়ে আশ্বস্ত করে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশ ব্যবসার জন্য উন্মুক্ত এবং সরকার সত্যিকার অর্থেই বিনিয়োগকারীদের সঙ্গে কাজ করতে প্রস্তুত। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী এ প্রকল্পের জন্য নিরাপদ, স্থিতিশীল ও বিনিয়োগবান্ধব পরিবেশ নিশ্চিত করবে। প্রকল্প বাস্তবায়নের প্রতিটি ধাপে নিরাপদ যোগাযোগ এবং সার্বিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করা হবে।</p>
<p>চীন–বাংলাদেশ সম্পর্ক আরো শক্তিশালী হবে : বিশেষ অতিথির বক্তব্যে ভূমি ও পার্বত্য চট্টগ্রামবিষয়ক প্রতিমন্ত্রী ব্যারিস্টার মীর মোহাম্মদ হেলাল উদ্দীন বলেন, শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের সময় থেকেই চীনের সঙ্গে বাংলাদেশের রাজনৈতিক, কূটনৈতিক ও অর্থনৈতিক সম্পর্ক শক্তিশালী হতে শুরু করে। পরবর্তী সময়ে সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়াও একই ধারাবাহিকতায় চীনা সরকারের সঙ্গে সামাজিক, রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক সম্পর্ক বজায় রেখেছেন। তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান দুই দেশের অর্থনৈতিক সহযোগিতা ও বিনিময় আরো কার্যকর করতে নতুন উদ্যমে কাজ শুরু করেছেন। চট্টগ্রামে চায়না ইকোনমিক অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রিয়াল জোনের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপনের মাধ্যমে বাংলাদেশে একটি আধুনিক, স্মার্ট ও প্রাণবন্ত অর্থনৈতিক অঞ্চলের নতুন মানদণ্ড স্থাপিত হলো। আর সেই যাত্রা শুরু হলো চট্টগ্রাম থেকেই।</p>
<p>সহযোগিতার ফ্ল্যাগশিপ প্রকল্প : বাংলাদেশে নিযুক্ত চীনের রাষ্ট্রদূত ইয়াও ওয়েন বলেন, চট্টগ্রামের চায়না ইকোনমিক অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রিয়াল জোন চীন–বাংলাদেশ সহযোগিতার একটি ফ্ল্যাগশিপ প্রকল্প। ২০১৪ সালে প্রকল্পটি নিয়ে প্রাথমিক আলোচনা শুরু হয়। ২০১৬ সালে চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিংয়ের বাংলাদেশ সফরের সময় প্রকল্প–সংক্রান্ত চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়। এরপর ২০২২ সালে সমঝোতা স্মারক সই এবং বর্তমানে আনুষ্ঠানিক ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপনের মধ্য দিয়ে প্রকল্পটি বাস্তবায়নের পথে এগিয়ে যাচ্ছে।</p>
<p>তিনি বলেন, এক দশকের বেশি সময়ের যৌথ প্রচেষ্টা ও পারস্পরিক আস্থার ফল এই প্রকল্প। এটি দুই দেশের সম্পর্কের ধারাবাহিক অগ্রগতি এবং গভীর অর্থনৈতিক সহযোগিতার উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত।</p>
<p>বদলে যাবে দক্ষিণ চট্টগ্রামের চেহারা : আনোয়ারার সংসদ সদস্য সরওয়ার জামাল নিজাম বলেন, কোরিয়ান ইপিজেডের পর চায়না ইকোনমিক অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রিয়াল জোন আনোয়ারার শিল্পায়নে নতুন মাইলফলক হয়ে থাকবে। প্রকল্পটি বাস্তবায়িত হলে লক্ষাধিক মানুষের কর্মসংস্থান সৃষ্টি হবে উল্লেখ করে তিনি বলেন, শিল্পায়নের প্রভাবে আনোয়ারাসহ পুরো দক্ষিণ চট্টগ্রামের চেহারা বদলে যাবে। স্থানীয় মানুষের অর্থনৈতিক ও আর্থসামাজিক অবস্থার উন্নতির পাশাপাশি দেশের সামগ্রিক অর্থনীতিতেও প্রকল্পটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।</p>
<p>শুরুতে বিনিয়োগ করবে ৩০ প্রতিষ্ঠান : অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য দেন চায়না রোড অ্যান্ড ব্রিজ কর্পোরেশন–সিআরবিসির প্রেসিডেন্ট ওয়াং বেনকিয়ান। তিনি বলেন, প্রকল্পের প্রাথমিক পর্যায়ে চীনের অন্তত ৩০টি প্রতিষ্ঠান এই শিল্পাঞ্চলে বিনিয়োগের প্রস্তুতি নিচ্ছে। বর্তমান সরকার প্রত্যক্ষ বৈদেশিক বিনিয়োগ বাড়ানোর লক্ষ্যে ইতোমধ্যে ইনভেস্টমেন্ট বাংলাদেশ আইন–২০২৬ প্রণয়ন করেছে। নতুন আইন বিনিয়োগ প্রক্রিয়াকে আরো সহজ, স্বচ্ছ ও ব্যবসাবান্ধব করেছে। তিনি বলেন, বাংলাদেশ ভৌগোলিকভাবে চীন, ভারত এবং আসিয়ানভুক্ত দেশগুলোর মতো তিনটি গুরুত্বপূর্ণ অর্থনৈতিক শক্তির সংযোগস্থলে অবস্থিত। এই সুবিধা কাজে লাগিয়ে বিশ্বের বিভিন্ন দেশের উদ্যোক্তা ও বিনিয়োগকারীরা বাংলাদেশে তাদের শিল্পপ্রতিষ্ঠান স্থাপন করতে পারেন।</p>
<p>চীনা উদ্যোক্তাদের উদ্দেশে তিনি বলেন, বর্তমানে বাংলাদেশ–চীন সম্পর্ক ইতিহাসের অন্যতম সেরা পর্যায়ে রয়েছে। দুই দেশের যৌথ ঘোষণাপত্র এই শিল্পাঞ্চলের জন্য সর্বোচ্চ রাজনৈতিক সমর্থন নিশ্চিত করেছে। নতুন সরকার বিনিয়োগবান্ধব পরিবেশ তৈরিতে নিরলসভাবে কাজ করছে। তিনি জানান, এই শিল্পাঞ্চলে উন্নত অবকাঠামো, আধুনিক যোগাযোগব্যবস্থা, আকর্ষণীয় নীতিগত সুবিধা, ওয়ান স্টপ সার্ভিস এবং সহজ আর্থিক সেবা নিশ্চিত করা হবে।</p>
<p>১৮ মাসের মধ্যে প্রথম কারখানার উৎপাদন : সভাপতির বক্তব্যে বেজার নির্বাহী চেয়ারম্যান চৌধুরী আশিক মাহমুদ বিন হারুন বলেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সাম্প্রতিক চীন সফরের সময় চায়না ইকোনমিক অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রিয়াল জোনের ডেভেলপার প্রতিষ্ঠানের চেয়ারম্যানের সঙ্গে প্রকল্পের অগ্রগতি নিয়ে আলোচনা হয়। তিনি বলেন, প্রথমে ডেভেলপার প্রতিষ্ঠানটি জোনে উৎপাদন শুরু করতে তিন থেকে পাঁচ বছর সময় লাগতে পারে বলে জানিয়েছিল। কিন্তু প্রধানমন্ত্রী ১৮ মাসের মধ্যে জোনের প্রথম কারখানায় উৎপাদন দেখতে চান বলে স্পষ্টভাবে জানিয়ে দেন। এরপর ডেভেলপার প্রতিষ্ঠানের চেয়ারম্যান ১৮ মাসের মধ্যে প্রথম কারখানায় উৎপাদন শুরু করার প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন।</p>
<p>তিনি বলেন, চীন ইতোমধ্যে বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় বাণিজ্যিক অংশীদার। বাংলাদেশের শিল্পকারখানাগুলো চীন থেকে যে বিপুল পরিমাণ পণ্য আমদানি করে, তার অধিকাংশ প্রস্তুত পণ্য নয়; বরং কাঁচামাল, কাপড়, এক্সেসরিজ, যন্ত্রাংশ এবং মেশিনারি তৈরির উপকরণ। তিনি বলেন, এসব পণ্য বাংলাদেশে পৌঁছাতে কয়েক সপ্তাহ সময় লাগে এবং অতিরিক্ত পরিবহন ব্যয় বহন করতে হয়। সংশ্লিষ্ট চীনা সরবরাহকারী প্রতিষ্ঠানগুলো যদি আনোয়ারায় উৎপাদন শুরু করে, তাহলে সরবরাহের সময় ও উৎপাদন ব্যয় উল্লেখ্যযোগ্যভাবে কমে যাবে। এতে বাংলাদেশের রপ্তানিকারকেরা আন্তর্জাতিক বাজারে আরো প্রতিযোগিতামূলক হয়ে উঠবেন।</p>
<p>আনোয়ারায় বন্দর, কর্ণফুলী টানেল, বিমানবন্দর ও জাতীয় মহাসড়কের সুবিধা কাছাকাছি থাকায় শিল্পাঞ্চলটি চীনা বিনিয়োগকারীদের জন্য বিশেষভাবে গুরুত্বপূর্ণ হবে বলে তিনি উল্লেখ করেন। তিনি আনোয়ারা ও চট্টগ্রামের জনপ্রতিনিধি, স্থানীয় বাসিন্দা এবং সংশ্লিষ্ট সবাইকে চীনা বিনিয়োগকারী ও উদ্যোক্তাদের সর্বোচ্চ সহযোগিতা করার আহ্বান জানান।</p>
<p>পাল্টে যাবে এলাকার চিত্র : চায়না ইকোনমিক জোনের উদ্বোধন ও ভিত্তি স্থাপন ঘিরে আনোয়ারা ও কর্ণফুলীজুড়ে উৎসাহ উদ্দীপনার সৃষ্টি হয়েছে। কর্ণফুলী টানেলকেন্দ্রিক ব্যবসা–বাণিজ্য সম্প্রসারণের যে আশা ছিল তা চায়না ইকোনমিক জোনের মধ্য দিয়ে বাস্তব রূপ নিতে যাচ্ছে। স্থানীয় ব্যবসায়ীরা আশায় বুক বেঁধেছেন।</p>
<p>চায়না ইকোনমিক জোনের মুখে রয়েছে এনসিসি ব্যাংক আনোয়ারা শাখা। এই শাখার ব্যবস্থাপক এস এম মঈন উদ্দীন আজাদ বলেন, কেইপিজেড, কর্ণফুলী টানেলের পর চীনা ইকোনমিক জোন চালুর আশায় ছিলেন এলাকাবাসী। ব্যবসায়িক লেনদেন পরিচালনায় দুই বছর আগেই পূর্ণাঙ্গ শাখা চালু করেছে এনসিসি। বেশ কিছু নতুন শিল্পকারখানা বন্দর ও টানেল সুবিধা কাজে লাগিয়ে এখানে কার্যক্রম শুরুর অপেক্ষায় রয়েছে।</p>
<p>বিনিয়োগকারী প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে চুক্তি : অনুষ্ঠানে বক্তব্য দেন চট্টগ্রাম চেম্বার অব কমার্সের সভাপতি মোহাম্মদ আমিরুল হক এবং চায়না রোড অ্যান্ড ব্রিজ কর্পোরেশনের ভাইস চেয়ারম্যান লি চাংগে। এ সময় সংসদ সদস্য আবু সুফিয়ান, এরশাদ উল্লাহ, হুমাম কাদের চৌধুরী, শাহজাহান চৌধুরী ও জহিরুল ইসলাম, চট্টগ্রাম জেলা পরিষদের প্রশাসক মাহবুবের রহমান শামীম প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন। অনুষ্ঠান শেষে একটি বিনিয়োগকারী প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে সাব–লিজ চুক্তি স্বাক্ষর করা হয়। এরপর সিইআইজেডের স্লোগান উন্মোচন, ওয়ান স্টপ সার্ভিস উদ্বোধন, প্রকল্পের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন এবং বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি হয়।</p>
]]></content:encoded>
					
					<wfw:commentRss>https://chtnews24.com/2026/07/28/%e0%a6%8f%e0%a6%95-%e0%a6%ac%e0%a6%bf%e0%a6%b2%e0%a6%bf%e0%a6%af%e0%a6%bc%e0%a6%a8-%e0%a6%a1%e0%a6%b2%e0%a6%be%e0%a6%b0-%e0%a6%ac%e0%a6%bf%e0%a6%a8%e0%a6%bf%e0%a6%af%e0%a6%bc%e0%a7%8b%e0%a6%97/feed/</wfw:commentRss>
			<slash:comments>0</slash:comments>
		
		
			</item>
		<item>
		<title>গ্যাস সরবরাহ তলানিতে, বন্ধের মুখে বহু কারখানা</title>
		<link>https://chtnews24.com/2026/07/28/%e0%a6%97%e0%a7%8d%e0%a6%af%e0%a6%be%e0%a6%b8-%e0%a6%b8%e0%a6%b0%e0%a6%ac%e0%a6%b0%e0%a6%be%e0%a6%b9-%e0%a6%a4%e0%a6%b2%e0%a6%be%e0%a6%a8%e0%a6%bf%e0%a6%a4%e0%a7%87-%e0%a6%ac%e0%a6%a8%e0%a7%8d/</link>
					<comments>https://chtnews24.com/2026/07/28/%e0%a6%97%e0%a7%8d%e0%a6%af%e0%a6%be%e0%a6%b8-%e0%a6%b8%e0%a6%b0%e0%a6%ac%e0%a6%b0%e0%a6%be%e0%a6%b9-%e0%a6%a4%e0%a6%b2%e0%a6%be%e0%a6%a8%e0%a6%bf%e0%a6%a4%e0%a7%87-%e0%a6%ac%e0%a6%a8%e0%a7%8d/#respond</comments>
		
		<dc:creator><![CDATA[adminchtnews24]]></dc:creator>
		<pubDate>Tue, 28 Jul 2026 03:16:33 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[Second lead]]></category>
		<category><![CDATA[অর্থ-বানিজ্য]]></category>
		<category><![CDATA[শিরোনাম]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://chtnews24.com/?p=37539</guid>

					<description><![CDATA[ডেস্ক রির্পোট:- দীর্ঘদিন ধরে দেশে গ্যাস সংকট চলছে। কক্সবাজারের মহেশখালীর ভাসমান এলএনজি (এফএসআরইউ) টার্মিনালে যান্ত্রিক ত্রুটি সংকটকে আরও ঘনীভূত করেছে। চাহিদার মাত্র ৫৬ শতাংশ গ্যাস সরবরাহ করছে পেট্রোবাংলা। গ্যাস সংকটের কারণে ধুঁকছে শিল্প খাত। দেশের বিভিন্ন শিল্পাঞ্চলে গ্যাস সরবরাহ পুরোপুরি বন্ধ না হলেও চাপ অস্বাভাবিক কমে যাওয়ায় উৎপাদন ব্যাহত হচ্ছে। বিকল্প হিসেবে ডিজেল, এলপিজি ব্যবহার [&#8230;]]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[<p>ডেস্ক রির্পোট:- দীর্ঘদিন ধরে দেশে গ্যাস সংকট চলছে। কক্সবাজারের মহেশখালীর ভাসমান এলএনজি (এফএসআরইউ) টার্মিনালে যান্ত্রিক ত্রুটি সংকটকে আরও ঘনীভূত করেছে। চাহিদার মাত্র ৫৬ শতাংশ গ্যাস সরবরাহ করছে পেট্রোবাংলা। গ্যাস সংকটের কারণে ধুঁকছে শিল্প খাত।</p>
<p>দেশের বিভিন্ন শিল্পাঞ্চলে গ্যাস সরবরাহ পুরোপুরি বন্ধ না হলেও চাপ অস্বাভাবিক কমে যাওয়ায় উৎপাদন ব্যাহত হচ্ছে। বিকল্প হিসেবে ডিজেল, এলপিজি ব্যবহার করে কারখানা চালু রাখা হচ্ছে। এতে উৎপাদন ব্যয় দাঁড়াচ্ছে কয়েক গুণ। উদ্যোক্তারা বলছেন, পরিস্থিতি দীর্ঘায়িত হলে উৎপাদন কমানোর পাশাপাশি অনেক কারখানা বন্ধ করে দিতে হতে পারে। বিশেষ করে অনেক ছোট কারখানা ইতোমধ্যে বন্ধ হয়ে গেছে বিকল্প উপায়ে জ্বালানি সংগ্রহ করতে না পারায়।</p>
<p>গ্যাস সংকটের প্রভাব পড়েছে সিএনজি ফিলিং স্টেশন ও আবাসিক গ্রাহকদের ওপরেও। রাজধানী থেকে জেলা শহর; সবখানেই গ্যাসের ঘাটতিতে ভোগান্তি চরমে পৌঁছেছে।</p>
<p>দেশে আমদানি করা এলএনজি রূপান্তর করে জাতীয় গ্রিডে সরবরাহের জন্য কক্সবাজারের মহেশখালীতে দুটি ভাসমান টার্মিনাল রয়েছে। এর একটি পরিচালনা করে মার্কিন প্রতিষ্ঠান এক্সিলারেট এনার্জি, অন্যটি সামিট গ্রুপ। গত সপ্তাহে এক্সিলারেট এনার্জির টার্মিনালে আগুনের পর সৃষ্ট যান্ত্রিক ত্রুটিতে সেখান থেকে গ্যাস সরবরাহ বন্ধ হয়ে যায়। এর আগে এলএনজি থেকে প্রতিদিন সর্বোচ্চ ১০৫ কোটি ঘনফুট গ্যাস জাতীয় গ্রিডে যুক্ত হলেও বর্তমানে তা ৫০ কোটি ঘনফুটের নিচে নেমে এসেছে। সব মিলিয়ে দেশে দৈনিক গ্যাস সরবরাহ কমে ২১৫ কোটি ঘনফুটের নিচে নেমেছে, যা আগে ছিল প্রায় ২৬৫ কোটি ঘনফুট। অথচ দৈনিক চাহিদা প্রায় ৩৮০ কোটি ঘনফুট।</p>
<p>তিতাস গ্যাসের কর্মকর্তারা জানান, তাদের দৈনিক প্রায় ১৯০ কোটি ঘনফুট গ্যাসের চাহিদার বিপরীতে আগে পাওয়া যাচ্ছিল প্রায় ১৫০ কোটি ঘনফুট। বর্তমানে তা নেমে এসেছে প্রায় ১১৫ কোটি ঘনফুটে। এর সরাসরি প্রভাব পড়ছে দেশের শিল্পাঞ্চল, সিএনজি স্টেশন ও আবাসিক গ্রাহকদের ওপর।</p>
<p>বিকেএমইএর সভাপতি মোহাম্মদ হাতেম বলেন, গ্যাস সংকট চরমে পৌঁছেছে। সিএনজি স্টেশন থেকে গ্যাস এনে উৎপাদন চালিয়ে নেওয়ার যে বিকল্প ব্যবস্থা ছিল, সেটিও এখন অচল। ফলে ডায়িং, ফিনিশিং ও আয়রনের কাজ প্রায় বন্ধ হয়ে গেছে। এতে সময়মতো রপ্তানি আদেশ সরবরাহ করা কঠিন হয়ে পড়বে এবং ক্রেতারা ক্রয়াদেশ স্থগিত, বাতিল বা মূল্য কমানোর মতো সিদ্ধান্ত নিতে পারেন।</p>
<p>বাংলাদেশ টেক্সটাইল মিলস অ্যাসোসিয়েশনের (বিটিএমএ) সভাপতি শওকত আজিজ রাসেল জানান, তীব্র গ্যাস সংকটসহ বিভিন্ন কারণে বর্তমানে দেশের ১২১টি স্পিনিং মিল উৎপাদন বন্ধ রাখতে বাধ্য হয়েছে।</p>
<p>গাজীপুরে সবচেয়ে বেশি সংকট<br />
দেশের সবচেয়ে বড় শিল্পাঞ্চল গাজীপুরে গ্যাস সংকট তীব্র আকার ধারণ করেছে। কোনাবাড়ী, মৌচাক, চন্দ্রা, টঙ্গী, শ্রীপুর, কালিয়াকৈর ও বোর্ডবাজার এলাকার অনেক কারখানায় প্রয়োজনীয় ১০ থেকে ১৫ পিএসআই/ গ্যাস চাপের বিপরীতে মিলছে মাত্র ১ থেকে ৩ পিএসআই। কোথাও আবার চাপ একেবারে শূন্যে নেমে যাচ্ছে। এতে অন্তত অর্ধশত ছোট ও মাঝারি কারখানা উৎপাদন বন্ধ রেখেছে। অনেক প্রতিষ্ঠানে উৎপাদন ৫০ থেকে ৬০ শতাংশ কমে গেছে।</p>
<p>গোমতী টেক্সটাইল কারখানার ব্যবস্থাপনা পরিচালক জাহিদুর রহমান আনিস বলেন, লাইনে কার্যত কোনো গ্যাস নেই। কয়েক দিন নিজস্ব ব্যবস্থাপনায় উৎপাদন চালানোর চেষ্টা করেও শেষ পর্যন্ত কারখানা বন্ধ রাখতে হয়েছে।</p>
<p>সাদমা গ্রুপের ব্যবস্থাপনা পরিচালক সোহেল রানা বলেন, কারখানা চালাতে ন্যূনতম ৪ পিএসআই গ্যাস চাপ দরকার। কিন্তু অনেক সময় ১ পিএসআইও পাওয়া যায় না। উৎপাদন বন্ধ করা ছাড়া উপায় নেই। তিনি বলেন, তাঁর কারখানায় ৭ হাজার শ্রমিক রয়েছেন। এখন তারা অলস সময় পার করছেন। আমবাগ এলাকার তাপস পিন কারখানার দৃশ্য একই। ২ হাজার ৭০ শ্রমিকের এ কারখানাও বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। কোনাবাড়ীর তুসুকা গ্রুপ ডিজেলচালিত জেনারেটর দিয়ে উৎপাদন চালিয়ে যাচ্ছে। প্রতিষ্ঠানটির পরিচালক তারেক হাসান বলেন, প্রতিদিন শুধু ডিজেল কিনতেই অতিরিক্ত প্রায় ২০ লাখ টাকা ব্যয় হচ্ছে। এভাবে বেশি দিন উৎপাদন চালিয়ে যাওয়া সম্ভব নয়।</p>
<p>তিতাস গ্যাস গাজীপুর জোনের ব্যবস্থাপক (অপারেশন) প্রকৌশলী মো. গোলাম ফারুক সমকালকে বলেন, জেলা ও মহানগরে দৈনিক প্রায় ৫৯ কোটি ঘনফুট গ্যাসের চাহিদা রয়েছে। কিন্তু পাওয়া যাচ্ছে ৩০ কোটি ঘনফুট।</p>
<p>সাভার-আশুলিয়ায় রপ্তানি খাত চাপে<br />
ঢাকার সাভার ও আশুলিয়ার রপ্তানিমুখী পোশাক কারখানাগুলোও গ্যাস সংকটে উৎপাদন কমিয়ে দিয়েছে। কোথাও সকালে গ্যাস থাকলে দুপুরের পর চাপ কমে যাচ্ছে। ফলে নির্ধারিত সময়ে বিদেশি ক্রেতাদের কাছে পণ্য সরবরাহ নিয়ে শঙ্কা তৈরি হয়েছে।</p>
<p>আশুলিয়ার লুসাকা নামে এক কারখানার প্রশাসনিক কর্মকর্তা মেজর (অব.) মনিরুজ্জামান বলেন, ডিজেল দিয়ে জেনারেটর চালিয়ে উৎপাদন চালাতে হচ্ছে। এতে উৎপাদন ব্যয় অনেক বেড়ে গেছে। অথচ আন্তর্জাতিক ক্রেতারা দাম বাড়াচ্ছেন না। তিনি জানান, সাভার-আশুলিয়া এলাকায় ইতোমধ্যে ৫২টির মতো কারখানা বন্ধ হয়ে গেছে।</p>
<p>ভালুকায় বাড়ছে উদ্বেগ<br />
ময়মনসিংহের ভালুকায় এখনও গ্যাস সরবরাহ পুরোপুরি বন্ধ হয়নি। তবে দিনের মধ্যে কয়েক দফা গ্যাসের চাপ কমে যাওয়া এবং কিছু সময়ের জন্য সরবরাহ বন্ধ হয়ে যাওয়ায় উদ্বিগ্ন শিল্প উদ্যোক্তারা।</p>
<p>শেফার্ড ইন্ডাস্ট্রিজের মহাব্যবস্থাপক মোকলেসুর রহমান বলেন, উৎপাদন ব্যয় এমনিতেই বেড়ে গেছে। এর মধ্যে গ্যাস সরবরাহ স্বাভাবিক না থাকলে শিল্প প্রতিষ্ঠানগুলো উৎপাদন ধরে রাখতে পারবে না। অনেক প্রতিষ্ঠান বন্ধ হওয়ার ঝুঁকিতে পড়বে।</p>
<p>নোমান কম্পোজিট অ্যান্ড টেক্সটাইল মিলসের সিনিয়র মহাব্যবস্থাপক রেদোয়ান আহাম্মেদ বলেন, দিনে পাইপলাইনে গ্যাস একেবারে শূন্য হয়ে যায়। ডিবিএল গ্রুপের গ্লোরি টেক্সটাইল অ্যান্ড অ্যাপারেলস ইন্ডাস্ট্রিজের মহাব্যবস্থাপক আনোয়ার হোসেন বলেন, মাঝেমধ্যে গ্যাসের চাপ একেবারে শূন্যে নেমে যাচ্ছে। এতে উৎপাদন ব্যাহত হওয়ার পাশাপাশি উৎপাদিত পণ্যও ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।</p>
<p>নারায়ণগঞ্জে বিকল্প পথও বন্ধ<br />
নারায়ণগঞ্জের ডাইং শিল্পেও সংকট তীব্র হয়েছে। লাইনে গ্যাস না থাকায় অনেক কারখানা এতদিন সিএনজি স্টেশন থেকে সিলিন্ডারে গ্যাস এনে উৎপাদন চালাচ্ছিল। কিন্তু তিতাসের নির্দেশে সেই ব্যবস্থা বন্ধ হয়ে গেছে।</p>
<p>বাংলাদেশ নিট ডাইং ওনার্স অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি আমজাদ হোসেন বলেন, ডাইং একটি ধারাবাহিক প্রক্রিয়া। মাঝপথে গ্যাস চলে গেলে পুরো কাপড় নষ্ট হয়ে যায়। বর্তমানে সমিতিভুক্ত প্রায় দেড়শ কারখানার উৎপাদন প্রায় ৮০ শতাংশ কমে গেছে। এভাবে চলতে থাকলে এক-দুই সপ্তাহের মধ্যে অনেক কারখানা পুরোপুরি বন্ধ হয়ে যাবে।</p>
<p>তবে আড়াইহাজারের মিথিলা টেক্সটাইল অ্যান্ড ওভেন ডাইং লিমিটেড আগে থেকেই বায়োমাসভিত্তিক জ্বালানির ব্যবস্থা করায় উৎপাদন চালিয়ে যেতে পারছে। প্রতিষ্ঠানটির পরিচালক মোহাম্মদ মাহবুব খান হিমেল বলেন, দীর্ঘদিনের গ্যাস সংকট বিবেচনায় রেখে আগেই বিকল্প জ্বালানিতে বিনিয়োগ করা হয়েছিল। এখন সেটিই কাজে লাগছে।</p>
<p>সিএনজি স্টেশনে দীর্ঘ লাইন<br />
সংকটে পড়েছে সিএনজি ফিলিং স্টেশনগুলোও। রাজধানী থেকে জেলা শহর– সবখানেই গ্যাসের প্রয়োজনীয় চাপ নেই। অনেক স্টেশন দিনের বড় অংশ বন্ধ রাখতে হচ্ছে। যেসব স্টেশন খোলা রয়েছে, সেখানেও দীর্ঘ লাইন।</p>
<p>সিএনজি ফিলিং স্টেশন অ্যান্ড কনভারশন ওয়ার্কশপ ওনার্স অ্যাসোসিয়েশনের সাধারণ সম্পাদক ফারহান নূর বলেন, একটি স্টেশন স্বাভাবিকভাবে পরিচালনার জন্য অন্তত ১৫ পিএসআই গ্যাস চাপ প্রয়োজন। কিন্তু এখন অনেক এলাকায় ৪ থেকে ৫ পিএসআই, কোথাও আবার ২ পিএসআইয়ের কম চাপ পাওয়া যাচ্ছে। এ অবস্থায় স্বাভাবিকভাবে গ্যাস বিক্রি করা সম্ভব হচ্ছে না।</p>
<p>রাজধানীর উত্তরা, মিরপুর, মালিবাগ, বিমানবন্দর এলাকা, ব্রাহ্মণবাড়িয়া, ময়মনসিংহ ও নরসিংদীর বিভিন্ন স্টেশনে ঘণ্টার পর ঘণ্টা অপেক্ষা করেও গ্যাস পাচ্ছেন না চালকরা। কোথাও দিনের মধ্যে একাধিকবার সরবরাহ বন্ধ রাখতে হচ্ছে।</p>
<p>মালিবাগের সিটি ওভারসিজ সিএনজি স্টেশনে অপেক্ষমাণ চালক ইমরুল হাসান গতকাল সোমবার বলেন, ‘সকাল ১০টায় লাইনে দাঁড়িয়েছিলাম। দুই ঘণ্টা অপেক্ষার পর জানানো হলো– গ্যাস নেই। এখন অন্য একটি পাম্পে যেতে হবে। সেখানেও গ্যাস পাব কিনা, জানি না। সারাদিন লাইনে দাঁড়িয়ে থাকলে গাড়ি চালাব কখন?’</p>
<p>আবাসিকে রান্না প্রায় বন্ধ<br />
গ্যাস সংকটের সবচেয়ে বড় ভোগান্তিতে পড়েছেন আবাসিক গ্রাহকরা। রাজধানীর মোহাম্মদপুর, ধানমন্ডি, কলাবাগান, কাঁঠালবাগান, মিরপুর, বাড্ডা, রামপুরা, বাসাবোসহ বিভিন্ন এলাকায় দিনের বেশির ভাগ সময় চুলায় গ্যাস থাকছে না। অনেক পরিবার বাধ্য হয়ে এলপিজি, ইন্ডাকশন কুকার কিংবা বৈদ্যুতিক চুলা ব্যবহার করছে। কেউ কেউ গভীর রাতে গ্যাসের চাপ কিছুটা বাড়লে তখন পরের দিনের রান্না সেরে রাখছেন।</p>
<p>মোহাম্মদপুরের বাসিন্দা আসমা বেগম বলেন, সকাল থেকে রাত পর্যন্ত গ্যাস থাকে না। বাধ্য হয়ে বাইরে থেকে খাবার কিনে খেতে হচ্ছে। সমকাল</p>
]]></content:encoded>
					
					<wfw:commentRss>https://chtnews24.com/2026/07/28/%e0%a6%97%e0%a7%8d%e0%a6%af%e0%a6%be%e0%a6%b8-%e0%a6%b8%e0%a6%b0%e0%a6%ac%e0%a6%b0%e0%a6%be%e0%a6%b9-%e0%a6%a4%e0%a6%b2%e0%a6%be%e0%a6%a8%e0%a6%bf%e0%a6%a4%e0%a7%87-%e0%a6%ac%e0%a6%a8%e0%a7%8d/feed/</wfw:commentRss>
			<slash:comments>0</slash:comments>
		
		
			</item>
		<item>
		<title>চ্যালেঞ্জের বাজেটে কী থাকছে,অর্থ সংকট, বিদেশি ঋণের চাপ</title>
		<link>https://chtnews24.com/2026/05/18/%e0%a6%9a%e0%a7%8d%e0%a6%af%e0%a6%be%e0%a6%b2%e0%a7%87%e0%a6%9e%e0%a7%8d%e0%a6%9c%e0%a7%87%e0%a6%b0-%e0%a6%ac%e0%a6%be%e0%a6%9c%e0%a7%87%e0%a6%9f%e0%a7%87-%e0%a6%95%e0%a7%80-%e0%a6%a5%e0%a6%be/</link>
					<comments>https://chtnews24.com/2026/05/18/%e0%a6%9a%e0%a7%8d%e0%a6%af%e0%a6%be%e0%a6%b2%e0%a7%87%e0%a6%9e%e0%a7%8d%e0%a6%9c%e0%a7%87%e0%a6%b0-%e0%a6%ac%e0%a6%be%e0%a6%9c%e0%a7%87%e0%a6%9f%e0%a7%87-%e0%a6%95%e0%a7%80-%e0%a6%a5%e0%a6%be/#respond</comments>
		
		<dc:creator><![CDATA[adminchtnews24]]></dc:creator>
		<pubDate>Mon, 18 May 2026 02:08:30 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[Second lead]]></category>
		<category><![CDATA[অর্থ-বানিজ্য]]></category>
		<category><![CDATA[শিরোনাম]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://chtnews24.com/?p=37368</guid>

					<description><![CDATA[ডেস্ক রির্পোট:-রেমিট্যান্স ছাড়া সামষ্টিক অর্থনীতির সূচকগুলো নেতিবাচক ধারায়। রাজস্ব আদায়ে বড় ধরনের ঘাটতি। অর্থ সংকটে সরকার। মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধের প্রভাব। মূল্যস্ফীতি ঊর্ধ্বমুখী। নিত্যপণ্যের বাজার চড়া। জীবনযাত্রার ব্যয়ের চাপে নাভিশ্বাস অবস্থা। এ ছাড়া নতুন সরকারের ইশতেহার পূরণে অগ্রাধিকারমূলক বিশেষ সামাজিক উন্নয়ন সহায়তা তহবিলের মধ্যে ফ্যামিলি ও কৃষক কার্ড ও ইমাম-পুরোহিতদের ভাতা কর্মসূচি রাখা হয়েছে। এসব নানামুখী চ্যালেঞ্জ [&#8230;]]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[<p>ডেস্ক রির্পোট:-রেমিট্যান্স ছাড়া সামষ্টিক অর্থনীতির সূচকগুলো নেতিবাচক ধারায়। রাজস্ব আদায়ে বড় ধরনের ঘাটতি। অর্থ সংকটে সরকার। মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধের প্রভাব। মূল্যস্ফীতি ঊর্ধ্বমুখী। নিত্যপণ্যের বাজার চড়া। জীবনযাত্রার ব্যয়ের চাপে নাভিশ্বাস অবস্থা। এ ছাড়া নতুন সরকারের ইশতেহার পূরণে অগ্রাধিকারমূলক বিশেষ সামাজিক উন্নয়ন সহায়তা তহবিলের মধ্যে ফ্যামিলি ও কৃষক কার্ড ও ইমাম-পুরোহিতদের ভাতা কর্মসূচি রাখা হয়েছে। এসব নানামুখী চ্যালেঞ্জ নিয়েই আগামী ২০২৬-২৭ অর্থবছরের জন্য ৯ লাখ ৩০ হাজার কোটি টাকা বাজেট দিতে যাচ্ছেন অর্থমন্ত্রী।</p>
<p>জানা গেছে, গণ-অভ্যুত্থান-উত্তর দেশের নির্বাচিত রাজনৈতিক সরকারের প্রথম বাজেটকে জনবান্ধব করার জন্য রাত-দিন একাকার করে কাজ করছেন নীতিনির্ধারকরা। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বাধীন প্রথম সরকারের প্রথম বাজেট ঘিরে জনপ্রত্যাশা ব্যাপক। এ কারণে বাজেটে দেশের মানুষের জীবনমান উন্নয়নকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দেয়ার নির্দেশনা দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। এ জন্য মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণ, কর্মসংস্থান সৃষ্টি এবং উচ্চতর জিডিপি প্রবৃদ্ধি অর্জনের কার্যকর কৌশল নির্ধারণে গুরুত্ব আরোপ করেছেন তিনি।</p>
<p>আগামী ৭ই জুন সংসদে দেশের ৫৪তম বাজেট অধিবেশন শুরু হবে। এরপর ১১ই জুন উপস্থাপন করা হবে বাজেট। বাজেটের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট অর্থ মন্ত্রণালয়ের একাধিক কর্মকর্তার সঙ্গে কথা বলে এসব তথ্য জানা গেছে।</p>
<p>অর্থ মন্ত্রণালয়ের বাজেট বিভাগ সূত্র বলছে, করজাল বিস্তৃত করে ২০২৬-২৭ অর্থবছরে প্রায় সাত লাখ কোটি টাকা রাজস্ব আদায়ের উচ্চাভিলাষী লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হতে পারে। নতুন বাজেটে এডিপি’র আকারও বাংলাদেশের ইতিহাসের সর্বোচ্চ তিন লাখ কোটি টাকা। এর মধ্যে প্রায় ৩৯ শতাংশই থাকবে থোক ও বিশেষ বরাদ্দের আওতায়। বাজেটের ঘাটতি মেটাতে বৈদেশিক ঋণ থেকে এক লাখ ১০ হাজার কোটি এবং অভ্যন্তরীণ উৎস থেকে এক লাখ ১৯ হাজার কোটি টাকা ঋণ গ্রহণের কথা বলা হয়েছে প্রস্তাবিত বাজেটে।</p>
<p>সীমিত আয়ের মানুষদের স্বস্তি: প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনার আলোকে সীমিত আয়ের মানুষদের স্বস্তি দিতে বাজেটে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যে করছাড়ের কথা ভাবা হচ্ছে বলে জানা গেছে। একই সঙ্গে বিলাসবহুল জীবনযাপন ও উচ্চমূল্যের পণ্যের ওপর বাড়তি করারোপের প্রস্তাবনাও থাকবে এবারের বাজেটে। সীমিত আয়ের মানুষের জীবনে স্বস্তি আনতে বাজেটে চাল, ডাল, ভোজ্য তেল, চিনি, আটা, ময়দা, পিয়াজ ও বিভিন্ন মসলার ওপর বিদ্যমান উৎসে কর বাতিল করা হতে পারে বলে সূত্র জানিয়েছে। পাশাপাশি নিত্যপণ্যের ওপর আরোপিত ১ শতাংশ টার্নওভার করও যৌক্তিক পর্যায়ে কমিয়ে আনার চিন্তা করা হচ্ছে। তবে অন্যান্য করের পরিধি একেবারে গ্রাম পর্যন্ত বিস্তৃত করারও পদক্ষেপ নেয়া হচ্ছে। এ ছাড়া নতুন বাংলাদেশে জনআকাঙ্ক্ষা অনুযায়ী উন্নয়ন কর্মকাণ্ডকে গতিশীল করা এবং বিনিয়োগ ও কর্মসংস্থান সৃষ্টির মাধ্যমে অর্থনীতিকে উচ্চ প্রবৃদ্ধির ধারায় ফেরানোই এ বাজেটের মূল লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে বলে অর্থ মন্ত্রণালয় সূত্র দাবি করছে।</p>
<p>বাজেটের আকার: অর্থ মন্ত্রণালয়ের প্রস্তুত করা খসড়া বাজেট থেকে জানা গেছে, ২০২৬-২৭ অর্থবছরের বাজেট হবে ৯ লাখ ৩০ হাজার কোটি টাকার। সোয়া ৯ লাখ কোটি টাকার বাজেটে ছয় লাখ ৯৫ হাজার কোটি টাকা রাজস্ব আহরণের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করছে অর্থ বিভাগ। চলতি ২০২৫-২৬ অর্থবছরের মূল বাজেটের আকার ছিল সাত লাখ ৯০ হাজার কোটি টাকা। সংশোধিত বাজেটে এটি কমিয়ে সাত লাখ ৮৮ হাজার কোটি টাকা করা হয়েছে।</p>
<p>এডিপিতে স্বাস্থ্য খাতে বরাদ্দ উল্লেখযোগ্যভাবে বাড়িয়ে ২০ হাজার ৬০৮ কোটি টাকা করা হয়েছে, যা সংশোধিত বাজেটের তুলনায় প্রায় ছয়গুণ বেশি।</p>
<p>বড় আকারের বাজেট করতে গিয়ে ঘাটতি প্রাক্কলন করা হয়েছে দুই লাখ ৩৫ হাজার কোটি টাকা, যা জিডিপি’র ৩.৪ শতাংশ। অথচ চলতি অর্থবছরের মূল বাজেটের আকার আগের অর্থবছরের তুলনায় কম হলেও বাজেট ঘাটতি ধরা হয়েছে জিডিপি’র ৩.৪ শতাংশ, যা আগামী বাজেটের প্রাক্কলিত ঘাটতির তুলনায় বেশি। এ ঘাটতি পূরণে ব্যাংক ও সঞ্চয়পত্র থেকে এক লাখ ১৯ হাজার কোটি টাকা এবং বৈদেশিক উৎস থেকে এক লাখ ১৬ হাজার কোটি টাকা ঋণ নেয়ার পরিকল্পনা করা হচ্ছে।</p>
<p>ইশতেহার পূরণে অগ্রাধিকার: বর্তমান সরকারের প্রথম বাজেটের খসড়ায় নির্বাচনী ইশতেহারের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে ফ্যামিলি কার্ড ও কৃষক কার্ডের মতো কল্যাণমূলক কর্মসূচিকে অগ্রাধিকার দেয়া হয়েছে। ১৭ হাজার কোটি টাকার বিশেষ সামাজিক উন্নয়ন সহায়তা তহবিলের মধ্যে ফ্যামিলি কার্ড কর্মসূচির জন্য রাখা হয়েছে ১৪ হাজার ৫০০ কোটি টাকা। কৃষক কার্ডের জন্য এক হাজার ৪০০ কোটি টাকা এবং ইমাম-পুরোহিতদের ভাতার জন্য এক হাজার ১০০ কোটি টাকা বরাদ্দের প্রস্তাব রয়েছে।</p>
<p>সরকারের পরিকল্পনা অনুযায়ী ফ্যামিলি কার্ডের আওতায় নিম্ন আয়ের পরিবারগুলোকে মাসে ২ হাজার ৫০০ টাকা সহায়তা দেয়া হবে। প্রস্তাবিত বরাদ্দ অনুযায়ী প্রায় ৪৮ লাখ ৩০ হাজার পরিবার এ সুবিধা পেতে পারে। গড় পরিবার সদস্যসংখ্যা বিবেচনায় সরাসরি উপকারভোগীর সংখ্যা দাঁড়াবে প্রায় দুই কোটি ছয় লাখ।</p>
<p>প্রস্তাবিত এডিপি’র মধ্যে প্রায় এক লাখ সাত হাজার ২০১ কোটি টাকা রাখা হচ্ছে নতুন প্রকল্প অনুমোদনসহ বিভিন্ন খাতে থোক বরাদ্দ হিসেবে। এ ছাড়া স্থানীয় সরকার প্রতিষ্ঠানগুলোর বিশেষ প্রয়োজন মেটাতে আরও ৯ হাজার ৭৯৮ কোটি টাকা সংরক্ষিত রাখা হচ্ছে। সব মিলিয়ে মোট এডিপি’র প্রায় ৩৯ শতাংশই থাকবে থোক ও বিশেষ বরাদ্দের আওতায়।<br />
পরিকল্পনা বিভাগের সচিব এস এম শাকিল আখতার বলেন, বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচিতে নির্বাচনী ইশতেহার গুরুত্ব পেয়েছে। সেই ধারাবাহিকতায় কৃষক কার্ড ও ফ্যামিলি কার্ডে বরাদ্দ রাখা হয়েছে।</p>
<p>বলা হচ্ছে, সৃজনশীল অর্থনীতির বিকাশকে বাজেটে গুরুত্ব দেয়া হচ্ছে। এজন্য চলচ্চিত্র, সংগীত-শিল্প, স্পোর্টস ও গ্রামীণ সংস্কৃতি বিকাশে বাজেটে বাড়তি গুরুত্ব থাকছে। ইতিমধ্যে প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ক্রীড়া ও সংগীত শিক্ষক নিয়োগ দেয়ার ঘোষণার পাশাপাশি অ্যাথলেটদের জন্য প্রণোদনা দেয়া শুরু করেছে বিএনপি সরকার।</p>
<p>এডিপি’র আকার বাড়ছে: বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচির (এডিপি) বরাদ্দ বর্তমান সংশোধিত বাজেটের তুলনায় ৫০ শতাংশ বাড়িয়ে তিন লাখ কোটি টাকায় উন্নীত করার পরিকল্পনা করা হয়েছে। দেশের ইতিহাসে এটিই হতে যাচ্ছে সর্বোচ্চ উন্নয়ন বাজেট। এর ফলে সরকারি বিনিয়োগ ও কর্মসংস্থান বাড়বে বলে আশা করছেন অর্থ মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তারা। উন্নয়ন বাজেটে নির্বাচনী অঙ্গীকার বাস্তবায়ন ও বিশেষ প্রয়োজন মেটাতে আরও ২০ হাজার ৭৫১ কোটি ১০ লাখ টাকার থোক বরাদ্দ রাখা হচ্ছে। সব মিলিয়ে উন্নয়ন বাজেটের বড় অংশই এবার সামাজিক ও বিশেষ সহায়তা কর্মসূচির আওতায় যাচ্ছে।</p>
<p>ভর্তুকি-প্রণোদনা: বাজেটের আকার বড় হলেও মধ্যপ্রাচ্যে চলমান অস্থিরতার কারণে জ্বালানি তেল আমদানির ব্যয় বিবেচনায় নিয়ে ভর্তুকি বরাদ্দ পুরোপুরি প্রাক্কলন করা হয়নি। আগামী অর্থবছরে বিদ্যুৎ খাতে ৩৭ হাজার কোটি টাকা, এলএনজিতে ছয় হাজার ৫০০ কোটি টাকা, সারে ২৭ হাজার কোটি টাকা ও খাদ্য সহায়তায় ৯ হাজার ৬০০ কোটি টাকা ভর্তুকি বরাদ্দসহ মোট ভর্তুকি, প্রণোদনা ও নগদ ঋণে এক লাখ ১৬ হাজার ১২৫ কোটি টাকা বরাদ্দ রাখা হচ্ছে। চলতি অর্থবছরের সংশোধিত বাজেটে এ খাতে বরাদ্দ রয়েছে এক লাখ ১২ হাজার ৪৫৫ কোটি টাকা। ইরান যুদ্ধের কারণে আন্তর্জাতিক বাজারে জ্বালানির দাম বেড়ে যাওয়ায় চলতি অর্থবছরের মার্চ-জুন সময়ে অতিরিক্ত ৩৬ হাজার কোটি টাকা ভর্তুকির চাপ সৃষ্টি হয়েছে বলে সংসদে জানিয়েছেন অর্থমন্ত্রী।</p>
<p>সরকারি ব্যয় বাড়ছে: ৯ লাখ ৩০ হাজার কোটি টাকার বাজেটে উন্নয়ন খাতে থাকছে তিন লাখ কোটি। বাকি ছয় লাখ ৩০ হাজার কোটি টাকা অনুন্নয়ন খাতে। সরকারের এ অনুন্নয়ন বা পরিচালন ব্যয় লাফিয়ে বাড়ছে। বর্তমান সরকার দায়িত্ব গ্রহণের পর সরকারি ব্যয় কমানোর নানা উদ্যোগের কথা বলেছিল। সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের নতুন বেতন স্কেল বাস্তবায়ন, ভর্তুকি ও ঋণের সুদ খাতে ব্যয় নির্বাহ করতে গিয়ে বাড়াতে হচ্ছে অনুন্নয়ন বাজেট।</p>
<p>কালোটাকা সাদা করার সুযোগ: দেশে ও বিদেশে থাকা অপ্রদর্শিত সম্পদ বা অর্থ বৈধ করার জন্য আসন্ন ২০২৬-২৭ অর্থবছরের বাজেটে বিশেষ কর সুবিধা চালুর কথা বিবেচনা করছে সরকার। জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর) সূত্রে এসব তথ্য জানা গেছে।</p>
<p>ধনীদের জন্য আসছে ‘সম্পদ কর’: বাজেটে সবচেয়ে বড় কাঠামোগত পরিবর্তন হতে যাচ্ছে সম্পদ কর বা ‘ওয়েলথ ট্যাক্স’ চালুর মাধ্যমে। বর্তমানে চার কোটি টাকার বেশি সম্পদের ক্ষেত্রে সারচার্জ আরোপ করা হয়। নতুন প্রস্তাব অনুযায়ী, সরাসরি সম্পদের নিট মূল্যের ওপর কর ধার্য করা হবে।</p>
<p>জানা গেছে, আগামী অর্থবছরে ৬.৫ শতাংশ জিডিপি প্রবৃদ্ধি অর্জনের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে। মূল্যস্ফীতি সাড়ে ৭ শতাংশে নামিয়ে আনার লক্ষ্য ধরা হয়েছে। এ ছাড়া বিনিয়োগকে জিডিপি’র ৩১.৪ শতাংশে উন্নীত করা এবং রাজস্ব আয় জিডিপি’র ১০.১৭ শতাংশে উন্নীত করার পরিকল্পনা রয়েছে। অর্থমন্ত্রী মূল্যস্ফীতি সাড়ে ৭ শতাংশে নামিয়ে আনার পরিকল্পনা করলেও মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণ এখনো বড় চ্যালেঞ্জ হিসেবেই রয়ে গেছে।</p>
<p>বর্তমানে করমুক্ত আয়সীমা ৩ লাখ ৫০ হাজার টাকা। নতুন বাজেটে এটি বাড়িয়ে ৪ লাখ টাকা করার অনুমোদন দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী। আগামী অর্থবছরে এনবিআরের মাধ্যমে ৬ লাখ কোটি টাকা রাজস্ব আদায় করতে চায় সরকার।<br />
বাংলাদেশে কিশোর ও তরুণদের মধ্যে ব্যাপক জনপ্রিয় পাবজি মোবাইল, কল অব ডিউটি (সিওডি), ইএ স্পোর্টস সকার (ফুটবল) প্রভৃতি গেমসে কর বসানোর কথা ভাবছে সরকার।</p>
<p>বিশ্বব্যাংক ঢাকা কার্যালয়ের সাবেক মুখ্য অর্থনীতিবিদ জাহিদ হোসেন বলেন, ‘আইনি সংজ্ঞা স্পষ্ট না থাকলে কর আরোপ নিয়ে বিতর্ক তৈরি হতে পারে।’</p>
<p>জাহিদ হোসেন বলেন, রাজস্ব আদায়ের যে লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয়েছে, এটা কখনো আদায় সম্ভব নয়। যত ভালো পদক্ষেপই নেয়া হোক না কেন, এটা আদায় হবে না।</p>
<p>বাংলাদেশ উন্নয়ন গবেষণা প্রতিষ্ঠানের (বিআইডিএস) সাবেক মহাপরিচালক ও অর্থনীতিবিদ মুস্তফা কে মুজেরী বলেন, বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচি সঠিকভাবে প্রণয়ন করা জরুরি। সাশ্রয়ী বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচি করতে হবে। এডিপিতে অহেতুক ব্যয় কমাতে হবে।</p>
<p>বিশিষ্ট অর্থনীতিবিদ অধ্যাপক আবু আহমেদ বলেন, অর্থনীতি ভয়াবহ পরিস্থিতির মধ্যে রয়েছে। সরকারের ঋণের পরিমাণ বাড়ছেই, রপ্তানি আয় নিম্নগামী। ব্যাংকে খেলাপি ঋণের পাহাড়। সরকারের পরিচালন ব্যয় বাড়ছে। গ্যাস না থাকায় কল-কারখানা বন্ধ হয়ে যাচ্ছে। এসব বিবেচনায় নিয়ে বাস্তবসম্মত বাজেট প্রণয়ন জরুরি।</p>
<p>শনিবার এক অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রীর অর্থ ও পরিকল্পনাবিষয়ক উপদেষ্টা রাশেদ আল মাহমুদ তিতুমীর বলেছেন, আগামী ২০২৬-২৭ অর্থবছরের বাজেটে নতুন করে করহার বাড়ানো হবে না। তবে কর আদায়ের ভিত্তি বাড়িয়ে রাজস্ব বাড়ানো হবে।</p>
<p>এ্যাপেক্স ফুটওয়্যারের ব্যবস্থাপনা পরিচালক সৈয়দ নাসিম মঞ্জুর বলেন, ‘আমরা একটা করব্যবস্থার মধ্যে আছি, যেখানে আমরা প্রতিনিয়ত হয়রানির ভয় পাই। এই ভয় ভাঙতে হবে। বাংলাদেশে আমরা যারা কর দিই, তারা নিজেরটা দিই, আবার যারা দেন না, তাদেরটাও দিই। আমরা এটা থেকে মুক্তি চাই।’মানবজমিন</p>
]]></content:encoded>
					
					<wfw:commentRss>https://chtnews24.com/2026/05/18/%e0%a6%9a%e0%a7%8d%e0%a6%af%e0%a6%be%e0%a6%b2%e0%a7%87%e0%a6%9e%e0%a7%8d%e0%a6%9c%e0%a7%87%e0%a6%b0-%e0%a6%ac%e0%a6%be%e0%a6%9c%e0%a7%87%e0%a6%9f%e0%a7%87-%e0%a6%95%e0%a7%80-%e0%a6%a5%e0%a6%be/feed/</wfw:commentRss>
			<slash:comments>0</slash:comments>
		
		
			</item>
		<item>
		<title>টিআইএন আছে, রিটার্ন নেই? জরিমানা-বাড়তি কর-সেবা বন্ধের ঝুঁকিতে লাখো মানুষ</title>
		<link>https://chtnews24.com/2026/05/11/%e0%a6%9f%e0%a6%bf%e0%a6%86%e0%a6%87%e0%a6%8f%e0%a6%a8-%e0%a6%86%e0%a6%9b%e0%a7%87-%e0%a6%b0%e0%a6%bf%e0%a6%9f%e0%a6%be%e0%a6%b0%e0%a7%8d%e0%a6%a8-%e0%a6%a8%e0%a7%87%e0%a6%87-%e0%a6%9c%e0%a6%b0/</link>
					<comments>https://chtnews24.com/2026/05/11/%e0%a6%9f%e0%a6%bf%e0%a6%86%e0%a6%87%e0%a6%8f%e0%a6%a8-%e0%a6%86%e0%a6%9b%e0%a7%87-%e0%a6%b0%e0%a6%bf%e0%a6%9f%e0%a6%be%e0%a6%b0%e0%a7%8d%e0%a6%a8-%e0%a6%a8%e0%a7%87%e0%a6%87-%e0%a6%9c%e0%a6%b0/#respond</comments>
		
		<dc:creator><![CDATA[adminchtnews24]]></dc:creator>
		<pubDate>Mon, 11 May 2026 02:44:16 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[Second lead]]></category>
		<category><![CDATA[অর্থ-বানিজ্য]]></category>
		<category><![CDATA[বাংলাদেশ]]></category>
		<category><![CDATA[শিরোনাম]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://chtnews24.com/?p=37288</guid>

					<description><![CDATA[ডেস্ক রির্পোট:- বাংলাদেশে এখন কর শনাক্তকরণ নম্বর বা টিআইএন শুধু করদাতার পরিচয় নয়, বরং নাগরিক জীবনের নানা গুরুত্বপূর্ণ সেবার চাবিকাঠিতে পরিণত হয়েছে। চাকরি, ব্যবসা, জমি-ফ্ল্যাট কেনাবেচা, গাড়ির নিবন্ধন, ব্যাংক ঋণ, ক্রেডিট কার্ড, এমনকি সন্তানকে ইংরেজি মাধ্যমে পড়ানো— সব ক্ষেত্রেই এখন টিআইএন বাধ্যতামূলক হয়ে উঠেছে। ফলে আয়কর দেওয়ার প্রয়োজন না থাকলেও শুধু বিভিন্ন সেবা গ্রহণের জন্য [&#8230;]]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[<p>ডেস্ক রির্পোট:- বাংলাদেশে এখন কর শনাক্তকরণ নম্বর বা টিআইএন শুধু করদাতার পরিচয় নয়, বরং নাগরিক জীবনের নানা গুরুত্বপূর্ণ সেবার চাবিকাঠিতে পরিণত হয়েছে। চাকরি, ব্যবসা, জমি-ফ্ল্যাট কেনাবেচা, গাড়ির নিবন্ধন, ব্যাংক ঋণ, ক্রেডিট কার্ড, এমনকি সন্তানকে ইংরেজি মাধ্যমে পড়ানো— সব ক্ষেত্রেই এখন টিআইএন বাধ্যতামূলক হয়ে উঠেছে।</p>
<p>ফলে আয়কর দেওয়ার প্রয়োজন না থাকলেও শুধু বিভিন্ন সেবা গ্রহণের জন্য লাখ লাখ মানুষ টিআইএন নিচ্ছেন। কিন্তু তাদের বড় একটি অংশ নিয়মিত আয়কর রিটার্ন দাখিল করছেন না। জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) তথ্য অনুযায়ী, দেশে বর্তমানে ১ কোটি ২০ লাখের বেশি টিআইএনধারী রয়েছেন। অথচ চলতি করবর্ষে রিটার্ন জমা দিয়েছেন মাত্র সাড়ে ৪২ লাখ করদাতা। অর্থাৎ প্রায় ৭৮ লাখ টিআইএনধারী রিটার্ন দেননি।</p>
<p>কর কর্মকর্তারা বলছেন, তাদের একটি অংশের করযোগ্য আয় না থাকলেও বিপুলসংখ্যক ব্যক্তি করযোগ্য আয় থাকা সত্ত্বেও রিটার্ন দাখিল করছেন না। আর এ কারণেই করজাল সম্প্রসারণে বড় চ্যালেঞ্জের মুখে পড়ছে সরকার।</p>
<p>টিআইএন ছাড়া যেসব কাজ প্রায় অসম্ভব</p>
<p>বর্তমানে প্রায় ৪০ ধরনের কাজে টিআইএন বাধ্যতামূলক করা হয়েছে। ফলে নাগরিক জীবনের সঙ্গে টিআইএনের সম্পর্ক দিন দিন গভীর হচ্ছে।</p>
<p>সরকারি চাকরিজীবীদের নির্দিষ্ট সীমার বেশি বেতন হলে এবং বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের ব্যবস্থাপনা বা প্রশাসনিক পর্যায়ের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের টিআইএন লাগবে। ব্যবসা করতে চাইলে ট্রেড লাইসেন্স নিতে টিআইএন প্রয়োজন।</p>
<p>জমি, ফ্ল্যাট বা অ্যাপার্টমেন্ট কেনাবেচা ও নিবন্ধনের ক্ষেত্রেও টিআইএন ছাড়া কাজ হয় না। গাড়ির নিবন্ধন, ফিটনেস নবায়ন কিংবা মালিকানা পরিবর্তনেও টিআইএন বাধ্যতামূলক।</p>
<p>শুধু তাই নয়, ডাক্তার, আইনজীবী, প্রকৌশলী, চার্টার্ড অ্যাকাউন্ট্যান্টসহ বিভিন্ন পেশাজীবীর নিবন্ধন সনদ পেতেও টিআইএন লাগে। এলসি খোলা, আমদানি-রফতানি ব্যবসা, সরকারি দরপত্রে অংশগ্রহণ, ব্যাংক ঋণ গ্রহণ কিংবা ক্রেডিট কার্ড নিতে হলেও টিআইএন থাকতে হবে।</p>
<p>অভিজাত ক্লাবের সদস্য হওয়া, মোবাইল ব্যাংকিং ব্যবসা, ইভেন্ট ম্যানেজমেন্ট, সিকিউরিটি সার্ভিস, পরিবেশক ব্যবসা, ক্যাটারিং– এসব ক্ষেত্রেও টিআইএন এখন অপরিহার্য। এমনকি জাতীয় সংসদ, সিটি করপোরেশন বা উপজেলা নির্বাচনে প্রার্থী হতেও টিআইএন বাধ্যতামূলক।</p>
<p>কেন লাখ লাখ মানুষ রিটার্ন দিচ্ছেন না</p>
<p>কর বিশেষজ্ঞদের মতে, বাংলাদেশে টিআইএন নেওয়ার হার বাড়লেও রিটার্ন জমা দেওয়ার সংস্কৃতি এখনও শক্তিশালী হয়নি।</p>
<p>অনেকেই শুধু কোনও সেবা গ্রহণের জন্য টিআইএন নেন। পরে আর রিটার্ন জমা দেন না। আবার যাদের আয় বছরে ৩ লাখ ৭৫ হাজার টাকার নিচে, তাদের কর দিতে হয় না। তবে বিভিন্ন সেবা নিতে রিটার্নের প্রমাণপত্র চাওয়া হয়। ফলে তারা অনেক সময় শূন্য রিটার্ন জমা দেন অথবা পরে আর রিটার্ন দেন না।</p>
<p>করদাতাদের একটি বড় অংশ মনে করেন, কর দিলেও কাঙ্ক্ষিত নাগরিক সুবিধা পাওয়া যায় না। এছাড়া কর অফিসে হয়রানির ভয়, জটিল হিসাবপদ্ধতি এবং তুলনামূলক উচ্চ করহারও মানুষকে নিরুৎসাহিত করে।</p>
<p>অনেকের ধারণা, একবার করজালে প্রবেশ করলে প্রতি বছরই কর দিতে হবে। ফলে অনেকে ইচ্ছাকৃতভাবে রিটার্ন জমা এড়িয়ে যান।</p>
<p>রিটার্ন না দিলে কী বিপদ হতে পারে</p>
<p>আয়কর আইন অনুযায়ী, নির্ধারিত সময়ে রিটার্ন জমা না দিলে নানা ধরনের ঝুঁকিতে পড়তে পারেন করদাতারা।</p>
<p>সবচেয়ে আগে আসে জরিমানার বিষয়। রিটার্ন না দিলে নির্ধারিত করের ওপর ১০ শতাংশ পর্যন্ত জরিমানা হতে পারে। সর্বনিম্ন জরিমানা এক হাজার টাকা। দীর্ঘ সময় রিটার্ন না দিলে প্রতিদিন ৫০ টাকা হারে অতিরিক্ত জরিমানাও আরোপ করা হতে পারে।</p>
<p>এছাড়া বিনিয়োগজনিত কর রেয়াত বা কর ছাড় পাওয়া যাবে না। অর্থাৎ সঞ্চয়পত্র, এফডিআর বা অনুমোদিত খাতে বিনিয়োগ করেও কর সুবিধা থেকে বঞ্চিত হতে পারেন।</p>
<p>রিটার্ন জমা না দিলে প্রতি মাসে করের ওপর অতিরিক্ত ২ শতাংশ হারে বাড়তি কর আরোপের বিধানও রয়েছে।</p>
<p>সবচেয়ে কঠোর দিক হলো, রাষ্ট্রীয় সেবা সংযোগ বিচ্ছিন্ন করার ক্ষমতা রয়েছে কর কর্তৃপক্ষের। বিদ্যুৎ, গ্যাস বা পানির সংযোগ বন্ধ হওয়ার ঝুঁকিও তৈরি হতে পারে।</p>
<p>সরকারি ও বেসরকারি চাকরিজীবীদের ক্ষেত্রেও রিটার্ন জমার কপি বাধ্যতামূলক হয়ে উঠছে। ফলে রিটার্ন না দিলে বেতন-ভাতা আটকে যাওয়ার মতো জটিলতাও তৈরি হতে পারে।</p>
<p>অডিটে পড়লে বাড়ে ভোগান্তি</p>
<p>করদাতাদের সবচেয়ে বড় আতঙ্কের একটি হলো আয়কর রিটার্নের অডিট বা নিরীক্ষা।</p>
<p>এ বছর প্রায় ৮৮ হাজার করদাতার রিটার্ন নিরীক্ষার জন্য নির্বাচন করেছে এনবিআর। পুরো প্রক্রিয়াটি অটোমেটেড পদ্ধতিতে করা হয়েছে।</p>
<p>রিটার্নে আয়-ব্যয়ের অসামঞ্জস্য, ব্যাংক লেনদেনের সঙ্গে তথ্যের গরমিল, অস্বাভাবিক সম্পদ বৃদ্ধি, অতিরিক্ত নগদ অর্থ, অস্বাভাবিক ঋণ বা দায়, ভুল বিনিয়োগ তথ্য কিংবা সম্পদ গোপন করার মতো বিষয়গুলো নিরীক্ষায় বিশেষভাবে দেখা হয়।</p>
<p>কর কর্মকর্তারা বলছেন, অনেকেই রিটার্নে বাস্তবতার সঙ্গে অসঙ্গতিপূর্ণভাবে বিপুল পরিমাণ সোনা, নগদ টাকা বা সম্পদ দেখান। আবার অনেকে এফডিআর, সঞ্চয়পত্র, শেয়ারবাজারে বিনিয়োগ কিংবা জমি-ফ্ল্যাটের তথ্য গোপন করেন। এসব বিষয় ভবিষ্যতে বড় ধরনের জটিলতা তৈরি করতে পারে।</p>
<p>এখনও আয়কর রিটার্ন দেওয়া যাবে, গুনতে হবে জরিমানা</p>
<p>ব্যক্তি করদাতাদের আয়কর রিটার্ন জমা দেওয়ার নির্ধারিত সময় গত ৩১ মার্চ শেষ হয়েছে। তবে নির্ধারিত সময়ের মধ্যে রিটার্ন দিতে না পারলেও এখনও রিটার্ন জমা দেওয়ার সুযোগ রয়েছে। করদাতারা আগের দুই বছর পর্যন্ত বকেয়া রিটার্ন দিতে পারবেন, যদিও এ ক্ষেত্রে জরিমানা ও অতিরিক্ত সুদ গুনতে হবে।</p>
<p>এনবিআর জানিয়েছে, নির্ধারিত সময়ের পর রিটার্ন দিলে করদাতারা বিনিয়োগজনিত কর রেয়াতের সুবিধা পাবেন না। পাশাপাশি বকেয়া করের ওপর ২ শতাংশ হারে সুদ দিতে হবে, যা সর্বোচ্চ ২৪ মাস পর্যন্ত প্রযোজ্য হতে পারে।</p>
<p>এ বছর থেকে অধিকাংশ করদাতার জন্য অনলাইনে রিটার্ন দাখিল বাধ্যতামূলক করা হয়েছে। অনলাইনে রিটার্ন জমা দেওয়ার পাশাপাশি ইন্টারনেট ব্যাংকিং, ডেবিট-ক্রেডিট কার্ড ও মোবাইল ব্যাংকিংয়ের মাধ্যমে কর পরিশোধের সুবিধাও রাখা হয়েছে। করদাতারা অনলাইনে রিটার্নের কপি, আয়কর সনদ ও টিআইএন সনদ ডাউনলোড করতে পারবেন।</p>
<p>তবে যেসব করদাতা নির্ধারিত সময়ের আগে আবেদন করে রিটার্ন জমার সময় বাড়িয়ে নিয়েছেন, তাদের ক্ষেত্রে জরিমানা বা কর রেয়াত হারানোর নিয়ম প্রযোজ্য হবে না। নির্ধারিত বর্ধিত সময়ের মধ্যে রিটার্ন জমা দিলে তারা নিয়মিত সুবিধাই পাবেন।</p>
<p>ভুল হলে সংশোধনের সুযোগ আছে</p>
<p>রিটার্নে ভুল হলে করদাতাদের আতঙ্কিত হওয়ার কারণ নেই। আয়কর আইনে সংশোধিত রিটার্ন জমা দেওয়ার সুযোগ রাখা হয়েছে।</p>
<p>তবে শর্ত হলো, রিটার্ন জমার ১৮০ দিনের মধ্যে সংশোধন করতে হবে এবং একই করবর্ষে একবারের বেশি সংশোধন করা যাবে না। আর যদি রিটার্ন অডিটের জন্য নির্বাচিত হয়ে যায়, তাহলে আর সংশোধনের সুযোগ থাকবে না।</p>
<p>এনবিআর অনলাইনে সংশোধিত রিটার্ন জমার সুবিধা চালু করেছে। করদাতারা ওয়েবসাইটে গিয়ে সংশোধনের আবেদন করতে পারবেন। তবে সংশোধনের ফলে কর বেড়ে গেলে বাড়তি কর ও জরিমানাও পরিশোধ করতে হবে।</p>
<p>কর সংস্কৃতির বড় চ্যালেঞ্জ</p>
<p>অর্থনীতিবিদদের মতে, বাংলাদেশে করজাল সম্প্রসারণ হলেও এখনও কর সংস্কৃতি গড়ে ওঠেনি। অধিকাংশ মানুষ টিআইএনকে সেবা পাওয়ার একটি শর্ত হিসেবে দেখছেন, নাগরিক দায়িত্ব হিসেবে নয়।</p>
<p>তাদের মতে, কর ব্যবস্থাকে আরও সহজ, স্বচ্ছ ও হয়রানিমুক্ত করতে পারলে মানুষ স্বতঃস্ফূর্তভাবে রিটার্ন দিতে আগ্রহী হবেন। একইসঙ্গে করের বিনিময়ে দৃশ্যমান নাগরিক সেবা নিশ্চিত করা গেলে করদাতার সংখ্যা আরও দ্রুত বাড়বে।</p>
]]></content:encoded>
					
					<wfw:commentRss>https://chtnews24.com/2026/05/11/%e0%a6%9f%e0%a6%bf%e0%a6%86%e0%a6%87%e0%a6%8f%e0%a6%a8-%e0%a6%86%e0%a6%9b%e0%a7%87-%e0%a6%b0%e0%a6%bf%e0%a6%9f%e0%a6%be%e0%a6%b0%e0%a7%8d%e0%a6%a8-%e0%a6%a8%e0%a7%87%e0%a6%87-%e0%a6%9c%e0%a6%b0/feed/</wfw:commentRss>
			<slash:comments>0</slash:comments>
		
		
			</item>
		<item>
		<title>সুদ ছাড়াই ৪৫ দিন খরচ, মধ্যবিত্তের জীবনে স্বস্তি আনছে ক্রেডিট কার্ড</title>
		<link>https://chtnews24.com/2026/05/09/%e0%a6%b8%e0%a7%81%e0%a6%a6-%e0%a6%9b%e0%a6%be%e0%a6%a1%e0%a6%bc%e0%a6%be%e0%a6%87-%e0%a7%aa%e0%a7%ab-%e0%a6%a6%e0%a6%bf%e0%a6%a8-%e0%a6%96%e0%a6%b0%e0%a6%9a-%e0%a6%ae%e0%a6%a7%e0%a7%8d%e0%a6%af/</link>
					<comments>https://chtnews24.com/2026/05/09/%e0%a6%b8%e0%a7%81%e0%a6%a6-%e0%a6%9b%e0%a6%be%e0%a6%a1%e0%a6%bc%e0%a6%be%e0%a6%87-%e0%a7%aa%e0%a7%ab-%e0%a6%a6%e0%a6%bf%e0%a6%a8-%e0%a6%96%e0%a6%b0%e0%a6%9a-%e0%a6%ae%e0%a6%a7%e0%a7%8d%e0%a6%af/#respond</comments>
		
		<dc:creator><![CDATA[adminchtnews24]]></dc:creator>
		<pubDate>Sat, 09 May 2026 03:17:38 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[Second lead]]></category>
		<category><![CDATA[অর্থ-বানিজ্য]]></category>
		<category><![CDATA[শিরোনাম]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://chtnews24.com/?p=37220</guid>

					<description><![CDATA[ডেস্ক রির্পোট:- এক সময় ক্রেডিট কার্ড ছিল কেবল উচ্চবিত্ত বা অভিজাত শ্রেণির ব্যবহৃত একটি আর্থিক পণ্য। ব্যাংকের বিশেষ গ্রাহক, বড় ব্যবসায়ী কিংবা বিদেশ ভ্রমণকারীদের মধ্যেই এর ব্যবহার সীমাবদ্ধ ছিল। কিন্তু সময় বদলেছে। এখন শহর থেকে মফস্বল— সর্বত্রই ক্রেডিট কার্ড হয়ে উঠছে দৈনন্দিন জীবনের গুরুত্বপূর্ণ সঙ্গী। বাজার করা, হাসপাতালের বিল, অনলাইন কেনাকাটা, বিমান টিকিট, রেস্টুরেন্ট বিল, [&#8230;]]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[<p>ডেস্ক রির্পোট:- এক সময় ক্রেডিট কার্ড ছিল কেবল উচ্চবিত্ত বা অভিজাত শ্রেণির ব্যবহৃত একটি আর্থিক পণ্য। ব্যাংকের বিশেষ গ্রাহক, বড় ব্যবসায়ী কিংবা বিদেশ ভ্রমণকারীদের মধ্যেই এর ব্যবহার সীমাবদ্ধ ছিল। কিন্তু সময় বদলেছে। এখন শহর থেকে মফস্বল— সর্বত্রই ক্রেডিট কার্ড হয়ে উঠছে দৈনন্দিন জীবনের গুরুত্বপূর্ণ সঙ্গী। বাজার করা, হাসপাতালের বিল, অনলাইন কেনাকাটা, বিমান টিকিট, রেস্টুরেন্ট বিল, শিক্ষা খরচ, এমনকি ইউটিলিটি বিল পরিশোধেও বাড়ছে কার্ডের ব্যবহার।</p>
<p>বাংলাদেশে দ্রুত প্রসারমান ডিজিটাল অর্থনীতির সঙ্গে তাল মিলিয়ে ক্রেডিট কার্ড এখন অনেকের কাছে ‘বিকল্প নগদ অর্থ’। বিশেষ করে মধ্যবিত্ত ও তরুণ প্রজন্মের মধ্যে এর জনপ্রিয়তা সবচেয়ে বেশি বাড়ছে। ব্যাংকগুলোও গ্রাহক টানতে দিচ্ছে ক্যাশব্যাক, ইএমআই, ডিসকাউন্ট, এয়ারপোর্ট লাউঞ্জ সুবিধা থেকে শুরু করে আন্তর্জাতিক লেনদেনের সুযোগ।</p>
<p>এই বাস্তবতায় বাংলাদেশ ব্যাংকও ক্রেডিট কার্ড ব্যবস্থাকে আরও সম্প্রসারণ ও আধুনিক করতে বড় ধরনের পরিবর্তন এনেছে। নতুন নীতিমালায় ক্রেডিট কার্ডে ঋণের সীমা দ্বিগুণ বাড়িয়ে সর্বোচ্চ ৪০ লাখ টাকা পর্যন্ত করা হয়েছে। একইসঙ্গে গ্রাহক সুরক্ষা, সুদের স্বচ্ছতা ও ডিজিটাল নিরাপত্তার বিষয়েও কঠোর নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।</p>
<p>৪০ লাখ টাকা পর্যন্ত ঋণের সুযোগ</p>
<p>বাংলাদেশ ব্যাংকের নতুন নীতিমালা অনুযায়ী, এখন জামানত ছাড়া ক্রেডিট কার্ডে সর্বোচ্চ ২০ লাখ টাকা এবং জামানতের বিপরীতে সর্বোচ্চ ৪০ লাখ টাকা পর্যন্ত ঋণ পাওয়া যাবে। আগে এই সীমা ছিল যথাক্রমে ১০ লাখ ও ২০ লাখ টাকা।</p>
<p>সংশ্লিষ্টরা বলছেন, উচ্চমূল্যের চিকিৎসা, বিদেশে শিক্ষা ব্যয়, ব্যবসায়িক সফর কিংবা জরুরি খরচ মেটাতে এই সিদ্ধান্ত অনেক গ্রাহকের জন্য বড় সহায়তা হবে। একইসঙ্গে দেশের ক্যাশলেস অর্থনীতি সম্প্রসারণেও এটি ভূমিকা রাখবে।</p>
<p>নীতিমালায় আরও বলা হয়েছে, কার্ডধারীরা তাদের মোট ক্রেডিট সীমার সর্বোচ্চ ৫০ শতাংশ পর্যন্ত নগদ অর্থ উত্তোলন করতে পারবেন। তবে নগদ উত্তোলনের ক্ষেত্রে গ্রেস পিরিয়ড সুবিধা প্রযোজ্য হবে না।</p>
<p>সুদ ছাড়াই ৪৫ দিন পর্যন্ত খরচের সুযোগ</p>
<p>ক্রেডিট কার্ডের সবচেয়ে বড় সুবিধাগুলোর একটি হলো ‘গ্রেস পিরিয়ড’। অর্থাৎ কার্ড ব্যবহার করে কেনাকাটা করার পর সঙ্গে সঙ্গে বিল পরিশোধ করতে হয় না। ব্যাংকভেদে ৪৫ দিন পর্যন্ত সময় পাওয়া যায়, যেখানে কোনও সুদ গুনতে হয় না।</p>
<p>অর্থাৎ নির্ধারিত সময়ের মধ্যে পুরো বিল পরিশোধ করতে পারলে গ্রাহক কার্যত সুদমুক্ত স্বল্পমেয়াদি ঋণের সুবিধা পান। ফলে হঠাৎ আর্থিক চাপ সামাল দেওয়া অনেক সহজ হয়ে যায়।</p>
<p>ব্যাংকাররা বলছেন, পরিকল্পিতভাবে ব্যবহার করলে ক্রেডিট কার্ড একজন মানুষের ব্যক্তিগত অর্থ ব্যবস্থাপনাকে আরও শৃঙ্খলিত করে। বিশেষ করে বেতনভিত্তিক চাকরিজীবী ও তরুণ উদ্যোক্তাদের জন্য এটি কার্যকর আর্থিক সহায়ক হিসেবে কাজ করছে।</p>
<p>সাধারণ মানুষের জীবনযাত্রায় বড় পরিবর্তন</p>
<p>দেশে গত এক দশকে মোবাইল ব্যাংকিং, ইন্টারনেট ব্যাংকিং ও অ্যাপভিত্তিক লেনদেন বাড়লেও কার্ডের ব্যবহারও দ্রুত বৃদ্ধি পেয়েছে। বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্য অনুযায়ী, বর্তমানে দেশে ডেবিট, ক্রেডিট ও প্রিপেইড মিলিয়ে ৫ কোটির বেশি কার্ড চালু রয়েছে। শুধু ক্রেডিট কার্ডই আছে প্রায় ৫৪ লাখ।</p>
<p>প্রতি মাসে গড়ে ৩ হাজার কোটি টাকার বেশি লেনদেন হচ্ছে ক্রেডিট কার্ডে। সাম্প্রতিক মাসগুলোতে এই অঙ্ক ৩ হাজার ৫০০ কোটিও ছাড়িয়েছে।</p>
<p>বিশ্লেষণে দেখা গেছে, দেশের অভ্যন্তরে ক্রেডিট কার্ডে সবচেয়ে বেশি খরচ হচ্ছে ডিপার্টমেন্টাল স্টোর, সুপারশপ ও খুচরা বিক্রয়কেন্দ্রে। এরপর রয়েছে ইউটিলিটি বিল, ওষুধ, পোশাক, পরিবহন ও সরকারি সেবা খাত।</p>
<p>অন্যদিকে বিদেশে বাংলাদেশিরা সবচেয়ে বেশি কার্ড ব্যবহার করছেন ডিপার্টমেন্টাল স্টোর, খুচরা দোকান, যাতায়াত ও শিক্ষা-সম্পর্কিত খরচে।</p>
<p>বিদেশে ডেবিট কার্ডের ব্যবহারও বাড়ছে</p>
<p>এক সময় বিদেশে বাংলাদেশিদের লেনদেনে ক্রেডিট কার্ডই ছিল প্রধান মাধ্যম। এখন সেই জায়গায় দ্রুত জনপ্রিয় হচ্ছে ডুয়াল কারেন্সি ডেবিট কার্ডও।</p>
<p>বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্য অনুযায়ী, বিদেশে বাংলাদেশি ডেবিট কার্ডে সবচেয়ে বেশি লেনদেন হচ্ছে যুক্তরাজ্যে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, দেশটিতে বাংলাদেশি শিক্ষার্থীর সংখ্যা বেশি হওয়ায় এই প্রবণতা তৈরি হয়েছে। পরিবারের সদস্যরা দেশে টাকা জমা দিলেই বিদেশে থাকা শিক্ষার্থীরা সহজে কার্ড ব্যবহার করতে পারছেন।</p>
<p>ক্রেডিট কার্ডের তুলনায় ডেবিট কার্ডে সুদের ঝুঁকি না থাকায় অনেকেই এখন এদিকে ঝুঁকছেন।</p>
<p>নিরাপত্তায় নতুন প্রযুক্তি</p>
<p>ডিজিটাল লেনদেন বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে বাড়ছে জালিয়াতির ঝুঁকিও। এ কারণে ব্যাংকগুলো এখন নিরাপত্তা ব্যবস্থায় বড় ধরনের পরিবর্তন আনছে।</p>
<p>সম্প্রতি দেশে প্রথমবারের মতো নম্বরবিহীন ডেবিট কার্ড চালু করেছে মাস্টারকার্ড ও প্রাইম ব্যাংক। এই কার্ডে দৃশ্যমান কোনও কার্ড নম্বর, সিভিভি বা মেয়াদোত্তীর্ণের তথ্য থাকবে না। সব তথ্য সংরক্ষিত থাকবে মোবাইল অ্যাপে।</p>
<p>এছাড়া এখন অধিকাংশ ব্যাংক ওটিপি, বায়োমেট্রিক নিরাপত্তা, অ্যাপভিত্তিক নিয়ন্ত্রণ, তাৎক্ষণিক কার্ড ব্লক ও রিয়েল-টাইম নোটিফিকেশন সুবিধা দিচ্ছে।</p>
<p>বাংলাদেশ ব্যাংকও নতুন নীতিমালায় স্পষ্টভাবে বলেছে, কার্ড হারিয়ে গেলে বা জালিয়াতির শঙ্কা তৈরি হলে ২৪ ঘণ্টার হেল্পলাইন চালু রাখতে হবে। পাশাপাশি গ্রাহকদের হয়রানি করে ঋণ আদায়ও করা যাবে না।</p>
<p>ইসলামিক ক্রেডিট কার্ডেও বাড়ছে আগ্রহ</p>
<p>দেশে শরিয়াহভিত্তিক ব্যাংকিং সম্প্রসারণের সঙ্গে সঙ্গে ইসলামিক ক্রেডিট কার্ডের জনপ্রিয়তাও বাড়ছে। এসব কার্ডে প্রচলিত সুদের পরিবর্তে নির্ধারিত সার্ভিস চার্জ বা উজরাহ পদ্ধতি অনুসরণ করা হয়।</p>
<p>বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ধর্মীয় মূল্যবোধ বজায় রেখেও আধুনিক ডিজিটাল আর্থিক সুবিধা গ্রহণের সুযোগ থাকায় তরুণদের মধ্যেও ইসলামিক কার্ডের চাহিদা বাড়ছে।</p>
<p>শিক্ষার্থী ও ফ্রিল্যান্সারদের জন্য বিশেষ কার্ড</p>
<p>এখন শুধু চাকরিজীবী বা ব্যবসায়ীরাই নন, শিক্ষার্থী ও ফ্রিল্যান্সারদের জন্যও বিশেষ ধরনের কার্ড চালু করছে ব্যাংকগুলো।</p>
<p>সম্প্রতি সাউথইস্ট ব্যাংক শিক্ষার্থীদের জন্য ‘ভিসা স্টুডেন্ট ক্রেডিট কার্ড’ চালু করেছে। অভিভাবকের গ্যারান্টিতে শিক্ষার্থীরা এই কার্ড ব্যবহার করতে পারবে।</p>
<p>অন্যদিকে ফ্রিল্যান্সারদের জন্য ডুয়াল কারেন্সি সুবিধাসহ বিশেষ কার্ড দিচ্ছে বিভিন্ন ব্যাংক। এসব কার্ড দিয়ে বিদেশি সফটওয়্যার, ক্লাউড সার্ভিস, অনলাইন সাবস্ক্রিপশন কিংবা আন্তর্জাতিক পেমেন্ট সহজে করা যাচ্ছে।</p>
<p>তবে সতর্কতাও জরুরি</p>
<p>বিশেষজ্ঞরা বলছেন, পরিকল্পনা ছাড়া ক্রেডিট কার্ড ব্যবহার করলে এটি আর্থিক চাপের কারণও হতে পারে। কারণ সময়মতো বিল পরিশোধ না করলে উচ্চ সুদ যোগ হয় এবং দেনা দ্রুত বাড়তে থাকে।</p>
<p>বিশেষ করে ‘মিনিমাম পেমেন্ট’ দিয়ে দীর্ঘ সময় বকেয়া রাখলে সুদের বোঝা কয়েক গুণ বেড়ে যেতে পারে।</p>
<p>তাই প্রয়োজন ছাড়া অতিরিক্ত খরচ না করা, নির্ধারিত সময়ে বিল পরিশোধ, ওটিপি বা পিন কারও সঙ্গে শেয়ার না করা এবং নিয়মিত স্টেটমেন্ট যাচাই করার পরামর্শ দিয়েছেন ব্যাংক খাতসংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা।</p>
<p>তাদের মতে, সচেতন ও পরিকল্পিত ব্যবহার নিশ্চিত করা গেলে ক্রেডিট কার্ড শুধু একটি আর্থিক পণ্য নয়, বরং আধুনিক জীবনযাত্রার অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ সহায়ক মাধ্যম হয়ে উঠতে পারে।</p>
]]></content:encoded>
					
					<wfw:commentRss>https://chtnews24.com/2026/05/09/%e0%a6%b8%e0%a7%81%e0%a6%a6-%e0%a6%9b%e0%a6%be%e0%a6%a1%e0%a6%bc%e0%a6%be%e0%a6%87-%e0%a7%aa%e0%a7%ab-%e0%a6%a6%e0%a6%bf%e0%a6%a8-%e0%a6%96%e0%a6%b0%e0%a6%9a-%e0%a6%ae%e0%a6%a7%e0%a7%8d%e0%a6%af/feed/</wfw:commentRss>
			<slash:comments>0</slash:comments>
		
		
			</item>
		<item>
		<title>বাংলাদেশ কি ঋণের ফাঁদে পড়তে যাচ্ছে</title>
		<link>https://chtnews24.com/2026/05/07/%e0%a6%ac%e0%a6%be%e0%a6%82%e0%a6%b2%e0%a6%be%e0%a6%a6%e0%a7%87%e0%a6%b6-%e0%a6%95%e0%a6%bf-%e0%a6%8b%e0%a6%a3%e0%a7%87%e0%a6%b0-%e0%a6%ab%e0%a6%be%e0%a6%81%e0%a6%a6%e0%a7%87-%e0%a6%aa%e0%a6%a1/</link>
					<comments>https://chtnews24.com/2026/05/07/%e0%a6%ac%e0%a6%be%e0%a6%82%e0%a6%b2%e0%a6%be%e0%a6%a6%e0%a7%87%e0%a6%b6-%e0%a6%95%e0%a6%bf-%e0%a6%8b%e0%a6%a3%e0%a7%87%e0%a6%b0-%e0%a6%ab%e0%a6%be%e0%a6%81%e0%a6%a6%e0%a7%87-%e0%a6%aa%e0%a6%a1/#respond</comments>
		
		<dc:creator><![CDATA[adminchtnews24]]></dc:creator>
		<pubDate>Thu, 07 May 2026 02:28:28 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[অর্থ-বানিজ্য]]></category>
		<category><![CDATA[শিরোনাম]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://chtnews24.com/?p=37171</guid>

					<description><![CDATA[ডেস্ক রির্পোট:- বাংলাদেশের অর্থনীতি এখন এক জটিল সন্ধিক্ষণে দাঁড়িয়ে। ক্রমবর্ধমান সরকারি ঋণ, রাজস্ব ঘাটতি, উচ্চ সুদ পরিশোধ এবং সীমিত উন্নয়ন ব্যয়ের বাস্তবতা মিলিয়ে অর্থনীতিতে তৈরি হয়েছে এক ধরনের চাপ— যা অনেক অর্থনীতিবিদের ভাষায় ‘ঋণের ফাঁদে’ পড়ার পূর্বাভাস দিচ্ছে। সাম্প্রতিক পরিসংখ্যান ও নীতিগত প্রবণতা বিশ্লেষণ করলে দেখা যায়, ঋণের ওপর অতিরিক্ত নির্ভরতা দেশের সামষ্টিক অর্থনীতির স্থিতিশীলতাকে [&#8230;]]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[<p>ডেস্ক রির্পোট:- বাংলাদেশের অর্থনীতি এখন এক জটিল সন্ধিক্ষণে দাঁড়িয়ে। ক্রমবর্ধমান সরকারি ঋণ, রাজস্ব ঘাটতি, উচ্চ সুদ পরিশোধ এবং সীমিত উন্নয়ন ব্যয়ের বাস্তবতা মিলিয়ে অর্থনীতিতে তৈরি হয়েছে এক ধরনের চাপ— যা অনেক অর্থনীতিবিদের ভাষায় ‘ঋণের ফাঁদে’ পড়ার পূর্বাভাস দিচ্ছে। সাম্প্রতিক পরিসংখ্যান ও নীতিগত প্রবণতা বিশ্লেষণ করলে দেখা যায়, ঋণের ওপর অতিরিক্ত নির্ভরতা দেশের সামষ্টিক অর্থনীতির স্থিতিশীলতাকে নতুন করে প্রশ্নের মুখে ফেলেছে।</p>
<p>৯ মাসেই ব্যাংক থেকে সরকারের ঋণ দাঁড়ালো একলাখ কোটি টাকা</p>
<p>দৈনন্দিন ব্যয় নির্বাহে ক্রমেই ঋণের ওপর নির্ভরশীল হয়ে পড়ছে সরকার। প্রত্যাশিত রাজস্ব আয় না হওয়ায় বাজেট ঘাটতি মেটাতে ব্যাংকব্যবস্থা থেকেই ব্যাপক ঋণ নিতে হচ্ছে অর্থ মন্ত্রণালয়কে। চলতি অর্থবছরের পুরো ১২ মাসে যে পরিমাণ ঋণ নেওয়ার লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছিল, তার প্রায় পুরোটা অর্থবছরের প্রথম ৯ মাসেই নেওয়া হয়ে গেছে।</p>
<p>সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, চলতি অর্থবছরের (জুলাই-মার্চ) প্রথম ৯ মাসে সরকার ব্যাংকব্যবস্থা থেকে মোট ১ লাখ ৮ হাজার ৯৮৫ কোটি টাকা ঋণ নিয়েছে, যা নির্ধারিত লক্ষ্যমাত্রাকেও ছাড়িয়ে গেছে। বাজেট অনুযায়ী, পুরো অর্থবছরে ব্যাংক থেকে সরকারের ঋণ নেওয়ার লক্ষ্য ছিল একলাখ ৪ হাজার কোটি টাকা।</p>
<p>ঋণের এই বিপুল অংশের মধ্যে বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলো থেকে নেওয়া হয়েছে ৭৮ হাজার ৪৯ কোটি টাকা এবং কেন্দ্রীয় ব্যাংক থেকে নেওয়া হয়েছে ৩০ হাজার ৯৩৬ কোটি টাকা। পরবর্তী সময়ে কিছু ঋণ পরিশোধ করায় বর্তমানে নিট ঋণের পরিমাণ কিছুটা কমে প্রায় ৯৪ হাজার কোটি টাকায় দাঁড়িয়েছে।</p>
<p>অর্থনীতিবিদরা বলছেন, রাজস্ব আয়ের ঘাটতি ও ব্যয়চাপ সামাল দিতে গিয়ে সরকার নির্ধারিত মাসিক ঋণসীমাও অতিক্রম করেছে। এমন পরিস্থিতিতে সরকারি কর্মচারীদের বেতন-ভাতা, ঋণের সুদ, ভর্তুকি ও অন্যান্য জরুরি ব্যয় মেটাতে সাময়িকভাবে টাকা ছাপিয়ে অতিরিক্ত ঋণ নেওয়ার পথেও হাঁটতে হয়েছে। তাদের মতে, ঋণনির্ভরতা বাড়তে থাকলে তা সামগ্রিক বাজেট ব্যবস্থাপনায় বাড়তি চাপ তৈরি করবে এবং দীর্ঘমেয়াদে অর্থনীতির স্থিতিশীলতার জন্য ঝুঁকি তৈরি করতে পারে।</p>
<p>দ্রুত বাড়ছে ঋণের বোঝা<br />
অর্থ মন্ত্রণালয়ের সর্বশেষ ঋণ বুলেটিন অনুযায়ী, ২০২৪ সালের ডিসেম্বর শেষে দেশের মোট সরকারি ঋণ দাঁড়িয়েছে ২২ লাখ ৬ হাজার কোটি টাকার বেশি। মাত্র দেড় বছরের ব্যবধানে এই ঋণ বেড়েছে প্রায় ৩ লাখ ১৭ হাজার কোটি টাকা। এর আগে ২০২৪ সালের জুন শেষে ঋণের পরিমাণ ছিল প্রায় ১৮ লাখ ৮৮ হাজার কোটি টাকা, যা ২০২২ সালের জুনে ছিল ১৩ লাখ ৪৪ হাজার কোটি টাকা।</p>
<p>এই পরিসংখ্যান স্পষ্ট করে, গত কয়েক বছরে ঋণের প্রবৃদ্ধি অত্যন্ত দ্রুত হয়েছে— যা অর্থনীতির জন্য একটি সতর্কবার্তা।</p>
<p>২ লাখ কোটি থেকে ২২ লাখ কোটি<br />
২০০৯ সালে শেখ হাসিনার নেতৃত্বাধীন বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ সরকার ক্ষমতায় আসার সময় দেশের মোট সরকারি ঋণের পরিমাণ ছিল প্রায় ২ লাখ কোটি টাকা। সময়ের সঙ্গে সঙ্গে ধারাবাহিকভাবে বাড়তে বাড়তে ২০২৪ সালের ৩০ জুনে, অর্থাৎ সরকার পতনের ঠিক আগে— মোট ঋণ দাঁড়ায় ১৮ লাখ ৮৮ হাজার ৭৮৭ কোটি টাকায়।</p>
<p>পরবর্তীকালে সরকার পরিবর্তনের পর প্রকাশিত ২০২৪ সালের ডিসেম্বরের ঋণ বুলেটিনে মোট ঋণের পরিমাণ উল্লেখ করা হয় ১৮ লাখ ৩২ হাজার ২৮২ কোটি টাকা। তবে বৈদেশিক ঋণকে নতুন বিনিময় হারে পুনর্মূল্যায়নের ফলে এ অঙ্ক আরও বেড়ে ৫৬ হাজার ৫০৫ কোটি টাকা যুক্ত হয়।</p>
<p>সরকারের ঋণ কাঠামো বিশ্লেষণে দেখা যায়, অন্তর্বর্তী সরকারের সময়ে অভ্যন্তরীণ উৎসের তুলনায় বৈদেশিক ঋণের ওপর নির্ভরতা বেশি বেড়েছে। আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিল (আইএমএফ) থেকে ঋণের কিস্তি প্রাপ্তির পাশাপাশি বিভিন্ন উন্নয়ন সহযোগীর কাছ থেকেও ঋণ নেওয়া হয়েছে। সর্বশেষ অর্থবছরে সরকার বাজেট সহায়তা হিসেবে ৩৪৪ কোটি ডলার ঋণ নিয়েছে, যা আগের অর্থবছরের ২০০ কোটি ডলারের তুলনায় উল্লেখযোগ্যভাবে বেশি।</p>
<p>দেড় বছরের ব্যবধানে বৈদেশিক ঋণের পরিমাণ ৮ লাখ ১২ হাজার কোটি টাকা থেকে বেড়ে ৯ লাখ ৫৯ হাজার কোটি টাকায় উন্নীত হয়েছে। একই সময়ে অভ্যন্তরীণ ঋণও বেড়েছে। আগের সরকারের পতনের এক মাস আগে যেখানে অভ্যন্তরীণ ঋণের পরিমাণ ছিল ১০ লাখ ৭৬ হাজার কোটি টাকা, তা ২০২৪ সালের ডিসেম্বর মাসের শেষে বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১২ লাখ ৪৭ হাজার কোটি টাকায়।</p>
<p>সব মিলিয়ে সাম্প্রতিক সময়ে সরকারের ঋণ কাঠামোয় বৈদেশিক উৎসের ভূমিকা তুলনামূলকভাবে বেশি দৃশ্যমান হলেও, অভ্যন্তরীণ ঋণও সমান্তরালভাবে বাড়ছে— যা সামগ্রিক ঋণ ব্যবস্থাপনায় নতুন চাপ ও ঝুঁকির ইঙ্গিত দিচ্ছে।</p>
<p>৩০ লাখ কোটি টাকা ঋণের বোঝা<br />
৩০ লাখ কোটি টাকা ঋণের বোঝা নিয়েই সরকার কাজ শুরু করেছে বলে জানিয়েছেন স্বয়ং প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। তিনি বলেছেন, দেশের ইতিহাসে সবচেয়ে দুর্বল অর্থনীতির সময় দায়িত্ব নিয়েছে বর্তমান সরকার। আড়াই মাসে কিছুটা পরিস্থিতির উন্নতি হলেও তা এখনও সন্তোষজনক না। বিগত ফ্যাসিবাদী সরকারের রেখে যাওয়া ৩০ লাখ কোটি টাকা ঋণের বোঝা নিয়েই সরকার কাজ শুরু করেছে। রবিবার (৩ মে) দুপুরে রাজধানীর ওসমানি স্মৃতি মিলনায়তনে চারদিনব্যাপী ‘‘জেলা প্রশাসক (ডিসি) সম্মেলন-২০২৬’’ এর উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে তিনি এ তথ্য জানান।</p>
<p>অভ্যন্তরীণ ঋণের দিকে ঝুঁকছে সরকার<br />
ঋণ গ্রহণের কৌশলে একটি গুরুত্বপূর্ণ পরিবর্তন দেখা যাচ্ছে। বর্তমানে মোট ঋণের প্রায় ৫৭ শতাংশই অভ্যন্তরীণ উৎস থেকে নেওয়া, যেখানে বৈদেশিক ঋণের অংশ ৪৩ শতাংশ। সরকার বৈদেশিক মুদ্রার ঝুঁকি কমাতে এবং বিনিময় হার স্থিতিশীল রাখতে অভ্যন্তরীণ ঋণের ওপর নির্ভরতা বাড়িয়েছে।</p>
<p>কিন্তু এই কৌশলের একটি বড় ঝুঁকিও রয়েছে। ব্যাংকিং খাত থেকে অতিরিক্ত ঋণ নেওয়া হলে বেসরকারি খাতের জন্য ঋণপ্রবাহ সংকুচিত হতে পারে, যা বিনিয়োগ ও কর্মসংস্থানে নেতিবাচক প্রভাব ফেলে।</p>
<p>রাজস্ব ঘাটতি ও ব্যয় চাপ<br />
বর্তমান পরিস্থিতির অন্যতম মূল কারণ রাজস্ব আদায়ে দুর্বলতা। চলতি অর্থবছরের প্রথম ৯ মাসেই প্রায় এক লাখ কোটি টাকার রাজস্ব ঘাটতি তৈরি হয়েছে। অথচ বাজেট বাস্তবায়নের জন্য সরকারকে বিপুল পরিমাণ অর্থের প্রয়োজন।</p>
<p>ফলে সরকার বাধ্য হয়ে ঋণের ওপর নির্ভর করছে— শুধু উন্নয়ন ব্যয় নয়, অনেক ক্ষেত্রে পরিচালন ব্যয় মেটাতেও ঋণ নিতে হচ্ছে। অর্থনীতিবিদদের মতে, এটি একটি অস্বাভাবিক এবং উদ্বেগজনক প্রবণতা।</p>
<p>সুদ পরিশোধই বড় বোঝা<br />
ঋণের সবচেয়ে বড় চাপ তৈরি হচ্ছে সুদ পরিশোধে। ২০২৫-২৬ অর্থবছরের প্রথম ছয় মাসেই সরকারের মোট ব্যয়ের প্রায় ২৬ শতাংশ ব্যয় হয়েছে শুধু ঋণের সুদ পরিশোধে।</p>
<p>এই প্রবণতা আরও স্পষ্ট হয় যখন দেখা যায়— অভ্যন্তরীণ ঋণের সুদ দ্রুত বাড়ছে। বাজেটের অন্যতম বড় খাতে পরিণত হয়েছে সুদ ব্যয়। শিক্ষা ও উন্নয়ন খাতকে পেছনে ফেলছে ঋণ পরিষেবা। এতে করে সামাজিক খাতে ব্যয় সংকুচিত হওয়ার ঝুঁকি তৈরি হচ্ছে।</p>
<p>উন্নয়ন ব্যয় কমলেও ঋণ কমেনি<br />
অন্তর্বর্তী সরকারের সময় উন্নয়ন ব্যয় উল্লেখযোগ্যভাবে কমেছে। বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচি (এডিপি) বাস্তবায়ন হয়েছে গত সাত বছরের মধ্যে সর্বনিম্ন পর্যায়ে। তবুও ঋণের লাগাম টেনে ধরা সম্ভব হয়নি।</p>
<p>বিশ্লেষকদের মতে, এর কারণ হলো— পুরোনো ঋণ পরিশোধের চাপ, পরিচালন ব্যয়ের উচ্চ মাত্রা, রাজস্ব আদায়ের ব্যর্থতা। অর্থাৎ নতুন উন্নয়ন প্রকল্প কমানো হলেও অতীতের দায় এখনও অর্থনীতিকে চাপে রাখছে।</p>
<p>টাকা ছাপিয়ে ঋণ— মূল্যস্ফীতির ঝুঁকি<br />
সরকার যখন কেন্দ্রীয় ব্যাংক থেকে ঋণ নেয়, তখন অনেক ক্ষেত্রে নতুন টাকা ছাপিয়ে তা সরবরাহ করা হয়। অর্থনীতিতে এটি ‘হাই-পাওয়ারড মানি’ হিসেবে পরিচিত। এর ফলে বাজারে অর্থ সরবরাহ বেড়ে গিয়ে মূল্যস্ফীতি বাড়ার ঝুঁকি তৈরি হয়।</p>
<p>অপরদিকে, বাণিজ্যিক ব্যাংক থেকে বেশি ঋণ নিলে বেসরকারি খাত ক্ষতিগ্রস্ত হয়— যা বিনিয়োগ ও কর্মসংস্থান কমিয়ে দিতে পারে।</p>
<p>অর্থনীতিবিদরা দিলেন সতর্কবার্তা<br />
অর্থনীতিবিদরা বলছেন, বাংলাদেশ এখনও সরাসরি ঋণ সংকটে পড়েনি, তবে বর্তমান প্রবণতা অব্যাহত থাকলে ভবিষ্যতে ‘ঋণের ফাঁদে’ পড়ার ঝুঁকি উড়িয়ে দেওয়া যায় না। ঋণের ওপর অতিরিক্ত নির্ভরতা, সুদ ব্যয়ের চাপ এবং দুর্বল রাজস্ব কাঠামো— এই তিনের সমন্বয় অর্থনীতিকে ধীরে ধীরে একটি সংকটের দিকে ঠেলে দিচ্ছে।</p>
<p>তারা বলছেন. সময় থাকতেই যদি কাঠামোগত সংস্কার ও আর্থিক শৃঙ্খলা প্রতিষ্ঠা করা না যায়, তাহলে এই ঋণই ভবিষ্যতে অর্থনীতির সবচেয়ে বড় দুর্বলতায় পরিণত হতে পারে।</p>
<p>বেসরকারি গবেষণা সংস্থা সেন্টার ফর পলিসি ডায়ালগের (সিপিডি) সম্মাননীয় ফেলো অধ্যাপক মোস্তাফিজুর রহমান ইতোমধ্যে সতর্ক করে বলেছেন, বাংলাদেশ ধীরে ধীরে ঋণের ফাঁদের দিকে এগোচ্ছে। তিনি বলেন, ‘‘বাংলাদেশের দেশি ও বৈদেশিক ঋণের বোঝা ক্রমাগত বাড়ছে এবং এর সুদ পরিশোধ এখন জাতীয় বাজেটের অন্যতম প্রধান ব্যয়খাতে পরিণত হয়েছে। ফলে অর্থনীতির ওপর চাপও ধারাবাহিকভাবে বৃদ্ধি পাচ্ছে।’’</p>
<p>তিনি সতর্ক করে বলেন, ‘‘ঋণের এই ক্রমবর্ধমান প্রবণতা অব্যাহত থাকলে বাংলাদেশ মধ্যম আয়ের ফাঁদে পড়ার ঝুঁকিতে পড়তে পারে। বিশেষ করে বৈদেশিক ঋণের পাশাপাশি অভ্যন্তরীণ ঋণের চাপও সমানতালে বাড়ছে, যা সামগ্রিক আর্থিক স্থিতিশীলতার জন্য উদ্বেগজনক।’’</p>
<p>কেন তৈরি হচ্ছে ‘ঋণের ফাঁদ’?<br />
বিশ্লেষণে দেখা যায়, কয়েকটি কাঠামোগত দুর্বলতা এই পরিস্থিতির জন্য দায়ী— করজাল সীমিত ও কর ফাঁকি বেশি। ব্যয় ব্যবস্থাপনায় শৃঙ্খলার অভাব। লোকসানি রাষ্ট্রায়ত্ত প্রতিষ্ঠানে ভর্তুকির চাপ। বিনিয়োগ ও কর্মসংস্থানে স্থবিরতা। এসব কারণে রাজস্ব বাড়ছে না, কিন্তু ব্যয় কমছে না— ফলে ঋণই হয়ে উঠছে প্রধান ভরসা।</p>
<p>উত্তরণের পথ কী<br />
অর্থনীতিবিদরা মনে করছেন, পরিস্থিতি সামাল দিতে দ্রুত কিছু পদক্ষেপ নেওয়া জরুরি— করজাল সম্প্রসারণ ও এনবিআরের সক্ষমতা বৃদ্ধি।অপ্রয়োজনীয় ব্যয় কমানো। সাশ্রয়ী বৈদেশিক ঋণ ও বিকল্প অর্থায়ন বাড়ানো। রাষ্ট্রায়ত্ত প্রতিষ্ঠানের সংস্কার। বিনিয়োগবান্ধব পরিবেশ সৃষ্টি।বাংলা ট্রিবিউন</p>
]]></content:encoded>
					
					<wfw:commentRss>https://chtnews24.com/2026/05/07/%e0%a6%ac%e0%a6%be%e0%a6%82%e0%a6%b2%e0%a6%be%e0%a6%a6%e0%a7%87%e0%a6%b6-%e0%a6%95%e0%a6%bf-%e0%a6%8b%e0%a6%a3%e0%a7%87%e0%a6%b0-%e0%a6%ab%e0%a6%be%e0%a6%81%e0%a6%a6%e0%a7%87-%e0%a6%aa%e0%a6%a1/feed/</wfw:commentRss>
			<slash:comments>0</slash:comments>
		
		
			</item>
		<item>
		<title>বিশ্ববাজারে জ্বালানির দাম কমলেও বাংলাদেশে কেন বাড়লো</title>
		<link>https://chtnews24.com/2026/04/20/%e0%a6%ac%e0%a6%bf%e0%a6%b6%e0%a7%8d%e0%a6%ac%e0%a6%ac%e0%a6%be%e0%a6%9c%e0%a6%be%e0%a6%b0%e0%a7%87-%e0%a6%9c%e0%a7%8d%e0%a6%ac%e0%a6%be%e0%a6%b2%e0%a6%be%e0%a6%a8%e0%a6%bf%e0%a6%b0-%e0%a6%a6%e0%a6%be/</link>
					<comments>https://chtnews24.com/2026/04/20/%e0%a6%ac%e0%a6%bf%e0%a6%b6%e0%a7%8d%e0%a6%ac%e0%a6%ac%e0%a6%be%e0%a6%9c%e0%a6%be%e0%a6%b0%e0%a7%87-%e0%a6%9c%e0%a7%8d%e0%a6%ac%e0%a6%be%e0%a6%b2%e0%a6%be%e0%a6%a8%e0%a6%bf%e0%a6%b0-%e0%a6%a6%e0%a6%be/#respond</comments>
		
		<dc:creator><![CDATA[adminchtnews24]]></dc:creator>
		<pubDate>Mon, 20 Apr 2026 02:24:55 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[Second lead]]></category>
		<category><![CDATA[অর্থ-বানিজ্য]]></category>
		<category><![CDATA[চট্রগ্রাম]]></category>
		<category><![CDATA[বিশেষ প্রতিবেদন]]></category>
		<category><![CDATA[শিরোনাম]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://chtnews24.com/?p=36915</guid>

					<description><![CDATA[ডেস্ক রির্পোট:- রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধের রেশ কাটতে না কাটতেই ইরান যুদ্ধ বাংলাদেশের জ্বালানি বাজারকে নতুন করে অস্থিতিশীল করে তুলেছে। এই দুই যুদ্ধের সময় সরকার জ্বালানি তেলের দাম অনেকটা বৃদ্ধি করেছে। কিন্তু এবার বড় প্রশ্ন দেখা দিয়েছে আন্তর্জাতিক বাজারের সঙ্গে দেশীয় মূল্যের সমন্বয়হীনতা নিয়ে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, যখন আন্তর্জাতিক বাজারে তেলের দাম কমতে শুরু করেছে, ঠিক সেই মুহূর্তে [&#8230;]]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[<p>ডেস্ক রির্পোট:- রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধের রেশ কাটতে না কাটতেই ইরান যুদ্ধ বাংলাদেশের জ্বালানি বাজারকে নতুন করে অস্থিতিশীল করে তুলেছে। এই দুই যুদ্ধের সময় সরকার জ্বালানি তেলের দাম অনেকটা বৃদ্ধি করেছে। কিন্তু এবার বড় প্রশ্ন দেখা দিয়েছে আন্তর্জাতিক বাজারের সঙ্গে দেশীয় মূল্যের সমন্বয়হীনতা নিয়ে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, যখন আন্তর্জাতিক বাজারে তেলের দাম কমতে শুরু করেছে, ঠিক সেই মুহূর্তে বাংলাদেশে দাম বাড়ানো হয়েছে। জ্বালানি তেলের এই মূল্যবৃদ্ধি পণ্য পরিবহন, কৃষি এবং শিল্প উৎপাদন ব্যয় বাড়িয়ে সামগ্রিক মূল্যস্ফীতিকে আরও উসকে দেবে।</p>
<p>বৈশ্বিক বাজার বনাম দেশীয় মূল্য<br />
বিশ্ববাজারে জ্বালানি তেলের দাম নির্ধারিত হয় ব্রেন্ট ক্রুড অয়েলের দামের ওপর ভিত্তি করে। ফলে ব্রেন্ট ক্রুডের আন্তর্জাতিক বাজারে কখন কেমন দাম তার ওপর বিশ্বজুড়ে দেশগুলোর জ্বালানির দাম কত হতে পারে তার একটি ধারণা পাওয়া যায়। তবে কোনও কোনও দেশের নিজস্ব শুল্ক হার, তেল বিক্রির কমিশন এবং তেল পরিবহন ব্যবস্থা অভ্যন্তরীণ জ্বালানির বাজারের দামকে প্রভাবিত করে।</p>
<p>এর আগের দফায় রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধের সময় ২০২২ সালের জানুয়ারিতে ব্রেন্ট ক্রুড অয়েলের দাম ছিল ব্যারেলপ্রতি ৮০ থেকে ৯০ ডলার। বছরের ফেব্রুয়ারিতে যুদ্ধের শুরুতেই তেলের দাম বেড়ে ১০০ ডলারে দাঁড়ায়। মার্চে দাম বেড়ে ব্যারেল প্রতি ১৩৯ ডলারে দাঁড়ায়। বছরের মাঝামাঝি সময়ে আবার তেলের দাম কমে ১১০ ডলারে দাঁড়ায় এবং একেবারে বছরের শেষে আবার দাম ৮৫ ডলারে নেমে আসে।</p>
<p>ওই বছর অর্থাৎ আগস্টে তেলের দাম একবারে অনেকটা বৃদ্ধি করা হয়। সরকারের যুক্তি ছিল—বিপিসির লোকসান কমানো এবং প্রতিবেশী দেশে তেল পাচার রোধ করা। ওই সময় ২০২২ সালে ডিজেল এবং কেরোসিনের দাম ৮০ টাকা থেকে ৪২ ভাগ বাড়িয়ে করা হয় ১১৪ টাকা। অকটেনের দাম ৫১ ভাগ বাড়িয়ে ৮৯ টাকা থেকে ১৩৫ টাকা একই হারে অর্থাৎ ৫১ ভাগ বাড়িয়ে পেট্রোলের দাম ৮৬ টাকা থেকে ১৩০ টাকা করা হয়।</p>
<p>সে সময়ও আন্তর্জাতিক বাজারে তেলের দাম কমে যাচ্ছে এমন পরিস্থিতিতে সরকার দেশে জ্বালানি তেলের দাম বৃদ্ধি করে। এরপর ২০২৩ সালের জানুয়ারিতে সমালোচনার মধ্যে দাম কমানো হয়। তবে আন্তর্জাতিক বাজারে যে হারে তেলের দাম কমেছে ঠিক ওই হারে কমানো হয়নি। সব ধরনের তেলের লিটারপ্রতি কমানো হয় মাত্র ৫ টাকা।</p>
<p>এরপর আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিল (আইএমএফ)-এর দীর্ঘদিনের সংস্কার পরিকল্পনা বাস্তবায়নে বাধ্য হয় বাংলাদেশে। ২০২৪ সালের মার্চ মাস থেকে আন্তর্জাতিক বাজার দরের সঙ্গে সমন্বয় করে দেশে তেলের দাম নির্ধারণ করা হয়। এতে দেশের বাজারে তেলের দাম খানিকটা কমে যায়। বিপিসি লোকসানের কবল থেকে বের হয়ে আসে। এমনকি বিপুল পরিমাণ মুনাফাও করে।<br />
দেখা যায়, ২০২৪ সালে বিশ্ববাজারে ব্রেন্ট ক্রুডের দাম ব্যারেলপ্রতি ৭৫ থেকে ৯০ ডলারের মধ্যে ঘোরাফেরা করেছে। গত বছর ২০২৫ সালেও ব্রেন্ট ক্রুডের দাম ৭৫ থেকে ৮৫ ডলারের মধ্যেই ছিল। এই সময়ে দেশে জ্বালানি তেলের দাম বৃদ্ধি করা হয়নি। এমনকি বিপিসির তরফ থেকে বলাও হয়নি যে তারা লোকসান করছে বা সরকারকে তেলে কোনও ভর্তুকি দিতে হচ্ছে।</p>
<p>সাম্প্রতিক ইরান যুদ্ধের পর দেখা যায় ব্রেন্ট ক্রুডের দাম ১২০ ডলারে উঠে যায়। কিন্তু তা খুব সীমিত সময়ের জন্যে। আজও ব্রেন্ট ক্রুড ৯০ ডলারে পাওয়া যাচ্ছে। হরমুজ প্রণালি খুলে দেওয়ার জন্য বিশ্বনেতারা এক হতে শুরু করেছে। ফ্রান্স এই কাজে অগ্রণী ভূমিকা পালন করছে।</p>
<p>কিন্তু বিশ্ববাজারের এই নিম্নমুখী প্রবণতার মধ্যেই দেশে আজ থেকে তেলের নতুন বর্ধিত দাম কার্যকর হয়েছে। যা কার্যকর হয়েছে রবিবার থেকে। নতুন দাম অনুযায়ী ডিজেল ১০০ টাকা থেকে বাড়িয়ে ১১৫ টাকা, কেরোসিন ১১২ টাকা থেকে বাড়িয়ে ১৩০ টাকা, পেট্রোল ১১৬ টাকা থেকে ১৩৫ টাকা এবং অকটেন ১২০ টাকা থেকে ১৪০ টাকা লিটার করা হয়েছে।</p>
<p>এতে প্রশ্ন উঠছে, এখনও যদি ব্রেন্ট ক্রুডের দাম একই থাকে তাহলে কেন তেলের দাম বাড়ানো হলো। সরকার অবশ্য বলছে লোকসান কমানোর জন্যই এই কাজ করেছে।</p>
<p>তেলের পর এলপিজি, সামনে বিদ্যুৎ<br />
জ্বালানি তেলের পাশাপাশি দ্বিতীয় দফায় বাড়ানো হয়েছে রান্নার গ্যাস এলপিজির দাম। নতুন সিদ্ধান্তে ১২ কেজি সিলিন্ডারের দাম ২১২ টাকা বাড়িয়ে ১ হাজার ৯৪০ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। যা আগে ছিল ১ হাজার ৭২৮ টাকা।</p>
<p>একই সময়ে আলোচনার টেবিলে রয়েছে বিদ্যুতের দাম বাড়ানোর প্রস্তাবও। পিডিবি’র উৎপাদন খরচ ও আয়-ব্যয়ের প্রতিবেদন ইতোমধ্যে মন্ত্রিসভা কমিটিতে পাঠানো হয়েছে। গত ৯ এপ্রিল গঠিত কমিটি বিষয়টি পর্যালোচনা করে চূড়ান্ত সুপারিশ দিলেই বিদ্যুতের দামও বাড়তে পারে।</p>
<p>বাজার ও জনজীবনে প্রভাব<br />
জ্বালানির দাম বাড়ার প্রভাব সরাসরি পড়তে শুরু করেছে নিত্যপণ্যের বাজারে। ইতোমধ্যে বাস ও ট্রাক ভাড়া বাড়তে শুরু করেছে। কৃষি খাতে সেচ এবং শিল্প খাতে কাঁচামাল পরিবহনের খরচ বেড়ে যাওয়ায় উৎপাদন ব্যয় বৃদ্ধির আশঙ্কা দেখা দিয়েছে। এই অতিরিক্ত খরচের চূড়ান্ত বোঝা শেষ পর্যন্ত সাধারণ ভোক্তার কাঁধেই চাপছে।</p>
<p>বিশেষজ্ঞদের মতামত<br />
জ্বালানি বিশেষজ্ঞ অধ্যাপক শামসুল আলম এই সিদ্ধান্তের সমালোচনা করে বলেন, “তেলের দাম বাড়িয়ে সরকার জনগণের প্রতি সুবিচার করেনি। একটি নির্বাচিত সরকারের কাছে জনগণের প্রত্যাশা থাকে তারা জনগণের দিক দেখবে। সরকার ক্ষমতায় এসে প্রথমে ঘোষণা দিয়েছিল কোনও পণ্যের দাম বাড়াবে না, ভর্তুকি দিয়ে পরিস্থিতি সামাল দেবে। কিন্তু আন্তর্জাতিক বাজারে যখন দাম নিম্নমুখী, তখন দেশে দাম বাড়ানো হলো। এই সিদ্ধান্তের ফলে সরকারের প্রতি জনআস্থার সংকট তৈরি হবে।” তিনি একে ‘লুণ্ঠনমূলক’ প্রক্রিয়া হিসেবে অভিহিত করে সামনের দিনগুলোতে পরিস্থিতি ভয়াবহ হতে পারে বলে শঙ্কা প্রকাশ করেন।</p>
<p>অপরদিকে জ্বালানি বিশেষজ্ঞ ইজাজ হোসেন মনে করেন, সরকার কতদিন ভর্তুকি দিয়ে যাবে সে প্রশ্নও রয়েছে। তিনি বলেন, “দাম কিছুটা বাড়ানো ভালো। অন্যান্য দেশও দাম কিছুটা বাড়িয়েছে। এতে সাধারণ মানুষ বুঝতে পারবে—সংকট আছে, ব্যবহারের ক্ষেত্রে সচেতন হতে হবে। তবে সরকারকে নিশ্চিত করতে হবে যেন একশ্রেণির অসাধু চক্র একে পুঁজি করে পরিবহন ভাড়া বা পণ্যের দাম অস্বাভাবিক বাড়িয়ে অতি মুনাফা করতে না পারে। এতে জনগণের ভোগান্তি চরম আকার ধারণ করবে।”বাংলা ট্রিবিউন</p>
]]></content:encoded>
					
					<wfw:commentRss>https://chtnews24.com/2026/04/20/%e0%a6%ac%e0%a6%bf%e0%a6%b6%e0%a7%8d%e0%a6%ac%e0%a6%ac%e0%a6%be%e0%a6%9c%e0%a6%be%e0%a6%b0%e0%a7%87-%e0%a6%9c%e0%a7%8d%e0%a6%ac%e0%a6%be%e0%a6%b2%e0%a6%be%e0%a6%a8%e0%a6%bf%e0%a6%b0-%e0%a6%a6%e0%a6%be/feed/</wfw:commentRss>
			<slash:comments>0</slash:comments>
		
		
			</item>
	</channel>
</rss>
