<?xml version="1.0" encoding="UTF-8"?><rss version="2.0"
	xmlns:content="http://purl.org/rss/1.0/modules/content/"
	xmlns:wfw="http://wellformedweb.org/CommentAPI/"
	xmlns:dc="http://purl.org/dc/elements/1.1/"
	xmlns:atom="http://www.w3.org/2005/Atom"
	xmlns:sy="http://purl.org/rss/1.0/modules/syndication/"
	xmlns:slash="http://purl.org/rss/1.0/modules/slash/"
	>

<channel>
	<title>অর্থ-বানিজ্য &#8211; chtnews24.com</title>
	<atom:link href="https://chtnews24.com/category/%E0%A6%85%E0%A6%B0%E0%A7%8D%E0%A6%A5-%E0%A6%AC%E0%A6%BE%E0%A6%A8%E0%A6%BF%E0%A6%9C%E0%A7%8D%E0%A6%AF/feed/" rel="self" type="application/rss+xml" />
	<link>https://chtnews24.com</link>
	<description></description>
	<lastBuildDate>Mon, 18 May 2026 02:08:30 +0000</lastBuildDate>
	<language>en-US</language>
	<sy:updatePeriod>
	hourly	</sy:updatePeriod>
	<sy:updateFrequency>
	1	</sy:updateFrequency>
	<generator>https://wordpress.org/?v=7.0</generator>
	<item>
		<title>চ্যালেঞ্জের বাজেটে কী থাকছে,অর্থ সংকট, বিদেশি ঋণের চাপ</title>
		<link>https://chtnews24.com/2026/05/18/%e0%a6%9a%e0%a7%8d%e0%a6%af%e0%a6%be%e0%a6%b2%e0%a7%87%e0%a6%9e%e0%a7%8d%e0%a6%9c%e0%a7%87%e0%a6%b0-%e0%a6%ac%e0%a6%be%e0%a6%9c%e0%a7%87%e0%a6%9f%e0%a7%87-%e0%a6%95%e0%a7%80-%e0%a6%a5%e0%a6%be/</link>
					<comments>https://chtnews24.com/2026/05/18/%e0%a6%9a%e0%a7%8d%e0%a6%af%e0%a6%be%e0%a6%b2%e0%a7%87%e0%a6%9e%e0%a7%8d%e0%a6%9c%e0%a7%87%e0%a6%b0-%e0%a6%ac%e0%a6%be%e0%a6%9c%e0%a7%87%e0%a6%9f%e0%a7%87-%e0%a6%95%e0%a7%80-%e0%a6%a5%e0%a6%be/#respond</comments>
		
		<dc:creator><![CDATA[adminchtnews24]]></dc:creator>
		<pubDate>Mon, 18 May 2026 02:08:30 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[Second lead]]></category>
		<category><![CDATA[অর্থ-বানিজ্য]]></category>
		<category><![CDATA[শিরোনাম]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://chtnews24.com/?p=37368</guid>

					<description><![CDATA[ডেস্ক রির্পোট:-রেমিট্যান্স ছাড়া সামষ্টিক অর্থনীতির সূচকগুলো নেতিবাচক ধারায়। রাজস্ব আদায়ে বড় ধরনের ঘাটতি। অর্থ সংকটে সরকার। মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধের প্রভাব। মূল্যস্ফীতি ঊর্ধ্বমুখী। নিত্যপণ্যের বাজার চড়া। জীবনযাত্রার ব্যয়ের চাপে নাভিশ্বাস অবস্থা। এ ছাড়া নতুন সরকারের ইশতেহার পূরণে অগ্রাধিকারমূলক বিশেষ সামাজিক উন্নয়ন সহায়তা তহবিলের মধ্যে ফ্যামিলি ও কৃষক কার্ড ও ইমাম-পুরোহিতদের ভাতা কর্মসূচি রাখা হয়েছে। এসব নানামুখী চ্যালেঞ্জ [&#8230;]]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[<p>ডেস্ক রির্পোট:-রেমিট্যান্স ছাড়া সামষ্টিক অর্থনীতির সূচকগুলো নেতিবাচক ধারায়। রাজস্ব আদায়ে বড় ধরনের ঘাটতি। অর্থ সংকটে সরকার। মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধের প্রভাব। মূল্যস্ফীতি ঊর্ধ্বমুখী। নিত্যপণ্যের বাজার চড়া। জীবনযাত্রার ব্যয়ের চাপে নাভিশ্বাস অবস্থা। এ ছাড়া নতুন সরকারের ইশতেহার পূরণে অগ্রাধিকারমূলক বিশেষ সামাজিক উন্নয়ন সহায়তা তহবিলের মধ্যে ফ্যামিলি ও কৃষক কার্ড ও ইমাম-পুরোহিতদের ভাতা কর্মসূচি রাখা হয়েছে। এসব নানামুখী চ্যালেঞ্জ নিয়েই আগামী ২০২৬-২৭ অর্থবছরের জন্য ৯ লাখ ৩০ হাজার কোটি টাকা বাজেট দিতে যাচ্ছেন অর্থমন্ত্রী।</p>
<p>জানা গেছে, গণ-অভ্যুত্থান-উত্তর দেশের নির্বাচিত রাজনৈতিক সরকারের প্রথম বাজেটকে জনবান্ধব করার জন্য রাত-দিন একাকার করে কাজ করছেন নীতিনির্ধারকরা। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বাধীন প্রথম সরকারের প্রথম বাজেট ঘিরে জনপ্রত্যাশা ব্যাপক। এ কারণে বাজেটে দেশের মানুষের জীবনমান উন্নয়নকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দেয়ার নির্দেশনা দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। এ জন্য মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণ, কর্মসংস্থান সৃষ্টি এবং উচ্চতর জিডিপি প্রবৃদ্ধি অর্জনের কার্যকর কৌশল নির্ধারণে গুরুত্ব আরোপ করেছেন তিনি।</p>
<p>আগামী ৭ই জুন সংসদে দেশের ৫৪তম বাজেট অধিবেশন শুরু হবে। এরপর ১১ই জুন উপস্থাপন করা হবে বাজেট। বাজেটের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট অর্থ মন্ত্রণালয়ের একাধিক কর্মকর্তার সঙ্গে কথা বলে এসব তথ্য জানা গেছে।</p>
<p>অর্থ মন্ত্রণালয়ের বাজেট বিভাগ সূত্র বলছে, করজাল বিস্তৃত করে ২০২৬-২৭ অর্থবছরে প্রায় সাত লাখ কোটি টাকা রাজস্ব আদায়ের উচ্চাভিলাষী লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হতে পারে। নতুন বাজেটে এডিপি’র আকারও বাংলাদেশের ইতিহাসের সর্বোচ্চ তিন লাখ কোটি টাকা। এর মধ্যে প্রায় ৩৯ শতাংশই থাকবে থোক ও বিশেষ বরাদ্দের আওতায়। বাজেটের ঘাটতি মেটাতে বৈদেশিক ঋণ থেকে এক লাখ ১০ হাজার কোটি এবং অভ্যন্তরীণ উৎস থেকে এক লাখ ১৯ হাজার কোটি টাকা ঋণ গ্রহণের কথা বলা হয়েছে প্রস্তাবিত বাজেটে।</p>
<p>সীমিত আয়ের মানুষদের স্বস্তি: প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনার আলোকে সীমিত আয়ের মানুষদের স্বস্তি দিতে বাজেটে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যে করছাড়ের কথা ভাবা হচ্ছে বলে জানা গেছে। একই সঙ্গে বিলাসবহুল জীবনযাপন ও উচ্চমূল্যের পণ্যের ওপর বাড়তি করারোপের প্রস্তাবনাও থাকবে এবারের বাজেটে। সীমিত আয়ের মানুষের জীবনে স্বস্তি আনতে বাজেটে চাল, ডাল, ভোজ্য তেল, চিনি, আটা, ময়দা, পিয়াজ ও বিভিন্ন মসলার ওপর বিদ্যমান উৎসে কর বাতিল করা হতে পারে বলে সূত্র জানিয়েছে। পাশাপাশি নিত্যপণ্যের ওপর আরোপিত ১ শতাংশ টার্নওভার করও যৌক্তিক পর্যায়ে কমিয়ে আনার চিন্তা করা হচ্ছে। তবে অন্যান্য করের পরিধি একেবারে গ্রাম পর্যন্ত বিস্তৃত করারও পদক্ষেপ নেয়া হচ্ছে। এ ছাড়া নতুন বাংলাদেশে জনআকাঙ্ক্ষা অনুযায়ী উন্নয়ন কর্মকাণ্ডকে গতিশীল করা এবং বিনিয়োগ ও কর্মসংস্থান সৃষ্টির মাধ্যমে অর্থনীতিকে উচ্চ প্রবৃদ্ধির ধারায় ফেরানোই এ বাজেটের মূল লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে বলে অর্থ মন্ত্রণালয় সূত্র দাবি করছে।</p>
<p>বাজেটের আকার: অর্থ মন্ত্রণালয়ের প্রস্তুত করা খসড়া বাজেট থেকে জানা গেছে, ২০২৬-২৭ অর্থবছরের বাজেট হবে ৯ লাখ ৩০ হাজার কোটি টাকার। সোয়া ৯ লাখ কোটি টাকার বাজেটে ছয় লাখ ৯৫ হাজার কোটি টাকা রাজস্ব আহরণের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করছে অর্থ বিভাগ। চলতি ২০২৫-২৬ অর্থবছরের মূল বাজেটের আকার ছিল সাত লাখ ৯০ হাজার কোটি টাকা। সংশোধিত বাজেটে এটি কমিয়ে সাত লাখ ৮৮ হাজার কোটি টাকা করা হয়েছে।</p>
<p>এডিপিতে স্বাস্থ্য খাতে বরাদ্দ উল্লেখযোগ্যভাবে বাড়িয়ে ২০ হাজার ৬০৮ কোটি টাকা করা হয়েছে, যা সংশোধিত বাজেটের তুলনায় প্রায় ছয়গুণ বেশি।</p>
<p>বড় আকারের বাজেট করতে গিয়ে ঘাটতি প্রাক্কলন করা হয়েছে দুই লাখ ৩৫ হাজার কোটি টাকা, যা জিডিপি’র ৩.৪ শতাংশ। অথচ চলতি অর্থবছরের মূল বাজেটের আকার আগের অর্থবছরের তুলনায় কম হলেও বাজেট ঘাটতি ধরা হয়েছে জিডিপি’র ৩.৪ শতাংশ, যা আগামী বাজেটের প্রাক্কলিত ঘাটতির তুলনায় বেশি। এ ঘাটতি পূরণে ব্যাংক ও সঞ্চয়পত্র থেকে এক লাখ ১৯ হাজার কোটি টাকা এবং বৈদেশিক উৎস থেকে এক লাখ ১৬ হাজার কোটি টাকা ঋণ নেয়ার পরিকল্পনা করা হচ্ছে।</p>
<p>ইশতেহার পূরণে অগ্রাধিকার: বর্তমান সরকারের প্রথম বাজেটের খসড়ায় নির্বাচনী ইশতেহারের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে ফ্যামিলি কার্ড ও কৃষক কার্ডের মতো কল্যাণমূলক কর্মসূচিকে অগ্রাধিকার দেয়া হয়েছে। ১৭ হাজার কোটি টাকার বিশেষ সামাজিক উন্নয়ন সহায়তা তহবিলের মধ্যে ফ্যামিলি কার্ড কর্মসূচির জন্য রাখা হয়েছে ১৪ হাজার ৫০০ কোটি টাকা। কৃষক কার্ডের জন্য এক হাজার ৪০০ কোটি টাকা এবং ইমাম-পুরোহিতদের ভাতার জন্য এক হাজার ১০০ কোটি টাকা বরাদ্দের প্রস্তাব রয়েছে।</p>
<p>সরকারের পরিকল্পনা অনুযায়ী ফ্যামিলি কার্ডের আওতায় নিম্ন আয়ের পরিবারগুলোকে মাসে ২ হাজার ৫০০ টাকা সহায়তা দেয়া হবে। প্রস্তাবিত বরাদ্দ অনুযায়ী প্রায় ৪৮ লাখ ৩০ হাজার পরিবার এ সুবিধা পেতে পারে। গড় পরিবার সদস্যসংখ্যা বিবেচনায় সরাসরি উপকারভোগীর সংখ্যা দাঁড়াবে প্রায় দুই কোটি ছয় লাখ।</p>
<p>প্রস্তাবিত এডিপি’র মধ্যে প্রায় এক লাখ সাত হাজার ২০১ কোটি টাকা রাখা হচ্ছে নতুন প্রকল্প অনুমোদনসহ বিভিন্ন খাতে থোক বরাদ্দ হিসেবে। এ ছাড়া স্থানীয় সরকার প্রতিষ্ঠানগুলোর বিশেষ প্রয়োজন মেটাতে আরও ৯ হাজার ৭৯৮ কোটি টাকা সংরক্ষিত রাখা হচ্ছে। সব মিলিয়ে মোট এডিপি’র প্রায় ৩৯ শতাংশই থাকবে থোক ও বিশেষ বরাদ্দের আওতায়।<br />
পরিকল্পনা বিভাগের সচিব এস এম শাকিল আখতার বলেন, বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচিতে নির্বাচনী ইশতেহার গুরুত্ব পেয়েছে। সেই ধারাবাহিকতায় কৃষক কার্ড ও ফ্যামিলি কার্ডে বরাদ্দ রাখা হয়েছে।</p>
<p>বলা হচ্ছে, সৃজনশীল অর্থনীতির বিকাশকে বাজেটে গুরুত্ব দেয়া হচ্ছে। এজন্য চলচ্চিত্র, সংগীত-শিল্প, স্পোর্টস ও গ্রামীণ সংস্কৃতি বিকাশে বাজেটে বাড়তি গুরুত্ব থাকছে। ইতিমধ্যে প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ক্রীড়া ও সংগীত শিক্ষক নিয়োগ দেয়ার ঘোষণার পাশাপাশি অ্যাথলেটদের জন্য প্রণোদনা দেয়া শুরু করেছে বিএনপি সরকার।</p>
<p>এডিপি’র আকার বাড়ছে: বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচির (এডিপি) বরাদ্দ বর্তমান সংশোধিত বাজেটের তুলনায় ৫০ শতাংশ বাড়িয়ে তিন লাখ কোটি টাকায় উন্নীত করার পরিকল্পনা করা হয়েছে। দেশের ইতিহাসে এটিই হতে যাচ্ছে সর্বোচ্চ উন্নয়ন বাজেট। এর ফলে সরকারি বিনিয়োগ ও কর্মসংস্থান বাড়বে বলে আশা করছেন অর্থ মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তারা। উন্নয়ন বাজেটে নির্বাচনী অঙ্গীকার বাস্তবায়ন ও বিশেষ প্রয়োজন মেটাতে আরও ২০ হাজার ৭৫১ কোটি ১০ লাখ টাকার থোক বরাদ্দ রাখা হচ্ছে। সব মিলিয়ে উন্নয়ন বাজেটের বড় অংশই এবার সামাজিক ও বিশেষ সহায়তা কর্মসূচির আওতায় যাচ্ছে।</p>
<p>ভর্তুকি-প্রণোদনা: বাজেটের আকার বড় হলেও মধ্যপ্রাচ্যে চলমান অস্থিরতার কারণে জ্বালানি তেল আমদানির ব্যয় বিবেচনায় নিয়ে ভর্তুকি বরাদ্দ পুরোপুরি প্রাক্কলন করা হয়নি। আগামী অর্থবছরে বিদ্যুৎ খাতে ৩৭ হাজার কোটি টাকা, এলএনজিতে ছয় হাজার ৫০০ কোটি টাকা, সারে ২৭ হাজার কোটি টাকা ও খাদ্য সহায়তায় ৯ হাজার ৬০০ কোটি টাকা ভর্তুকি বরাদ্দসহ মোট ভর্তুকি, প্রণোদনা ও নগদ ঋণে এক লাখ ১৬ হাজার ১২৫ কোটি টাকা বরাদ্দ রাখা হচ্ছে। চলতি অর্থবছরের সংশোধিত বাজেটে এ খাতে বরাদ্দ রয়েছে এক লাখ ১২ হাজার ৪৫৫ কোটি টাকা। ইরান যুদ্ধের কারণে আন্তর্জাতিক বাজারে জ্বালানির দাম বেড়ে যাওয়ায় চলতি অর্থবছরের মার্চ-জুন সময়ে অতিরিক্ত ৩৬ হাজার কোটি টাকা ভর্তুকির চাপ সৃষ্টি হয়েছে বলে সংসদে জানিয়েছেন অর্থমন্ত্রী।</p>
<p>সরকারি ব্যয় বাড়ছে: ৯ লাখ ৩০ হাজার কোটি টাকার বাজেটে উন্নয়ন খাতে থাকছে তিন লাখ কোটি। বাকি ছয় লাখ ৩০ হাজার কোটি টাকা অনুন্নয়ন খাতে। সরকারের এ অনুন্নয়ন বা পরিচালন ব্যয় লাফিয়ে বাড়ছে। বর্তমান সরকার দায়িত্ব গ্রহণের পর সরকারি ব্যয় কমানোর নানা উদ্যোগের কথা বলেছিল। সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের নতুন বেতন স্কেল বাস্তবায়ন, ভর্তুকি ও ঋণের সুদ খাতে ব্যয় নির্বাহ করতে গিয়ে বাড়াতে হচ্ছে অনুন্নয়ন বাজেট।</p>
<p>কালোটাকা সাদা করার সুযোগ: দেশে ও বিদেশে থাকা অপ্রদর্শিত সম্পদ বা অর্থ বৈধ করার জন্য আসন্ন ২০২৬-২৭ অর্থবছরের বাজেটে বিশেষ কর সুবিধা চালুর কথা বিবেচনা করছে সরকার। জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর) সূত্রে এসব তথ্য জানা গেছে।</p>
<p>ধনীদের জন্য আসছে ‘সম্পদ কর’: বাজেটে সবচেয়ে বড় কাঠামোগত পরিবর্তন হতে যাচ্ছে সম্পদ কর বা ‘ওয়েলথ ট্যাক্স’ চালুর মাধ্যমে। বর্তমানে চার কোটি টাকার বেশি সম্পদের ক্ষেত্রে সারচার্জ আরোপ করা হয়। নতুন প্রস্তাব অনুযায়ী, সরাসরি সম্পদের নিট মূল্যের ওপর কর ধার্য করা হবে।</p>
<p>জানা গেছে, আগামী অর্থবছরে ৬.৫ শতাংশ জিডিপি প্রবৃদ্ধি অর্জনের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে। মূল্যস্ফীতি সাড়ে ৭ শতাংশে নামিয়ে আনার লক্ষ্য ধরা হয়েছে। এ ছাড়া বিনিয়োগকে জিডিপি’র ৩১.৪ শতাংশে উন্নীত করা এবং রাজস্ব আয় জিডিপি’র ১০.১৭ শতাংশে উন্নীত করার পরিকল্পনা রয়েছে। অর্থমন্ত্রী মূল্যস্ফীতি সাড়ে ৭ শতাংশে নামিয়ে আনার পরিকল্পনা করলেও মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণ এখনো বড় চ্যালেঞ্জ হিসেবেই রয়ে গেছে।</p>
<p>বর্তমানে করমুক্ত আয়সীমা ৩ লাখ ৫০ হাজার টাকা। নতুন বাজেটে এটি বাড়িয়ে ৪ লাখ টাকা করার অনুমোদন দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী। আগামী অর্থবছরে এনবিআরের মাধ্যমে ৬ লাখ কোটি টাকা রাজস্ব আদায় করতে চায় সরকার।<br />
বাংলাদেশে কিশোর ও তরুণদের মধ্যে ব্যাপক জনপ্রিয় পাবজি মোবাইল, কল অব ডিউটি (সিওডি), ইএ স্পোর্টস সকার (ফুটবল) প্রভৃতি গেমসে কর বসানোর কথা ভাবছে সরকার।</p>
<p>বিশ্বব্যাংক ঢাকা কার্যালয়ের সাবেক মুখ্য অর্থনীতিবিদ জাহিদ হোসেন বলেন, ‘আইনি সংজ্ঞা স্পষ্ট না থাকলে কর আরোপ নিয়ে বিতর্ক তৈরি হতে পারে।’</p>
<p>জাহিদ হোসেন বলেন, রাজস্ব আদায়ের যে লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয়েছে, এটা কখনো আদায় সম্ভব নয়। যত ভালো পদক্ষেপই নেয়া হোক না কেন, এটা আদায় হবে না।</p>
<p>বাংলাদেশ উন্নয়ন গবেষণা প্রতিষ্ঠানের (বিআইডিএস) সাবেক মহাপরিচালক ও অর্থনীতিবিদ মুস্তফা কে মুজেরী বলেন, বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচি সঠিকভাবে প্রণয়ন করা জরুরি। সাশ্রয়ী বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচি করতে হবে। এডিপিতে অহেতুক ব্যয় কমাতে হবে।</p>
<p>বিশিষ্ট অর্থনীতিবিদ অধ্যাপক আবু আহমেদ বলেন, অর্থনীতি ভয়াবহ পরিস্থিতির মধ্যে রয়েছে। সরকারের ঋণের পরিমাণ বাড়ছেই, রপ্তানি আয় নিম্নগামী। ব্যাংকে খেলাপি ঋণের পাহাড়। সরকারের পরিচালন ব্যয় বাড়ছে। গ্যাস না থাকায় কল-কারখানা বন্ধ হয়ে যাচ্ছে। এসব বিবেচনায় নিয়ে বাস্তবসম্মত বাজেট প্রণয়ন জরুরি।</p>
<p>শনিবার এক অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রীর অর্থ ও পরিকল্পনাবিষয়ক উপদেষ্টা রাশেদ আল মাহমুদ তিতুমীর বলেছেন, আগামী ২০২৬-২৭ অর্থবছরের বাজেটে নতুন করে করহার বাড়ানো হবে না। তবে কর আদায়ের ভিত্তি বাড়িয়ে রাজস্ব বাড়ানো হবে।</p>
<p>এ্যাপেক্স ফুটওয়্যারের ব্যবস্থাপনা পরিচালক সৈয়দ নাসিম মঞ্জুর বলেন, ‘আমরা একটা করব্যবস্থার মধ্যে আছি, যেখানে আমরা প্রতিনিয়ত হয়রানির ভয় পাই। এই ভয় ভাঙতে হবে। বাংলাদেশে আমরা যারা কর দিই, তারা নিজেরটা দিই, আবার যারা দেন না, তাদেরটাও দিই। আমরা এটা থেকে মুক্তি চাই।’মানবজমিন</p>
]]></content:encoded>
					
					<wfw:commentRss>https://chtnews24.com/2026/05/18/%e0%a6%9a%e0%a7%8d%e0%a6%af%e0%a6%be%e0%a6%b2%e0%a7%87%e0%a6%9e%e0%a7%8d%e0%a6%9c%e0%a7%87%e0%a6%b0-%e0%a6%ac%e0%a6%be%e0%a6%9c%e0%a7%87%e0%a6%9f%e0%a7%87-%e0%a6%95%e0%a7%80-%e0%a6%a5%e0%a6%be/feed/</wfw:commentRss>
			<slash:comments>0</slash:comments>
		
		
			</item>
		<item>
		<title>টিআইএন আছে, রিটার্ন নেই? জরিমানা-বাড়তি কর-সেবা বন্ধের ঝুঁকিতে লাখো মানুষ</title>
		<link>https://chtnews24.com/2026/05/11/%e0%a6%9f%e0%a6%bf%e0%a6%86%e0%a6%87%e0%a6%8f%e0%a6%a8-%e0%a6%86%e0%a6%9b%e0%a7%87-%e0%a6%b0%e0%a6%bf%e0%a6%9f%e0%a6%be%e0%a6%b0%e0%a7%8d%e0%a6%a8-%e0%a6%a8%e0%a7%87%e0%a6%87-%e0%a6%9c%e0%a6%b0/</link>
					<comments>https://chtnews24.com/2026/05/11/%e0%a6%9f%e0%a6%bf%e0%a6%86%e0%a6%87%e0%a6%8f%e0%a6%a8-%e0%a6%86%e0%a6%9b%e0%a7%87-%e0%a6%b0%e0%a6%bf%e0%a6%9f%e0%a6%be%e0%a6%b0%e0%a7%8d%e0%a6%a8-%e0%a6%a8%e0%a7%87%e0%a6%87-%e0%a6%9c%e0%a6%b0/#respond</comments>
		
		<dc:creator><![CDATA[adminchtnews24]]></dc:creator>
		<pubDate>Mon, 11 May 2026 02:44:16 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[Second lead]]></category>
		<category><![CDATA[অর্থ-বানিজ্য]]></category>
		<category><![CDATA[বাংলাদেশ]]></category>
		<category><![CDATA[শিরোনাম]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://chtnews24.com/?p=37288</guid>

					<description><![CDATA[ডেস্ক রির্পোট:- বাংলাদেশে এখন কর শনাক্তকরণ নম্বর বা টিআইএন শুধু করদাতার পরিচয় নয়, বরং নাগরিক জীবনের নানা গুরুত্বপূর্ণ সেবার চাবিকাঠিতে পরিণত হয়েছে। চাকরি, ব্যবসা, জমি-ফ্ল্যাট কেনাবেচা, গাড়ির নিবন্ধন, ব্যাংক ঋণ, ক্রেডিট কার্ড, এমনকি সন্তানকে ইংরেজি মাধ্যমে পড়ানো— সব ক্ষেত্রেই এখন টিআইএন বাধ্যতামূলক হয়ে উঠেছে। ফলে আয়কর দেওয়ার প্রয়োজন না থাকলেও শুধু বিভিন্ন সেবা গ্রহণের জন্য [&#8230;]]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[<p>ডেস্ক রির্পোট:- বাংলাদেশে এখন কর শনাক্তকরণ নম্বর বা টিআইএন শুধু করদাতার পরিচয় নয়, বরং নাগরিক জীবনের নানা গুরুত্বপূর্ণ সেবার চাবিকাঠিতে পরিণত হয়েছে। চাকরি, ব্যবসা, জমি-ফ্ল্যাট কেনাবেচা, গাড়ির নিবন্ধন, ব্যাংক ঋণ, ক্রেডিট কার্ড, এমনকি সন্তানকে ইংরেজি মাধ্যমে পড়ানো— সব ক্ষেত্রেই এখন টিআইএন বাধ্যতামূলক হয়ে উঠেছে।</p>
<p>ফলে আয়কর দেওয়ার প্রয়োজন না থাকলেও শুধু বিভিন্ন সেবা গ্রহণের জন্য লাখ লাখ মানুষ টিআইএন নিচ্ছেন। কিন্তু তাদের বড় একটি অংশ নিয়মিত আয়কর রিটার্ন দাখিল করছেন না। জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) তথ্য অনুযায়ী, দেশে বর্তমানে ১ কোটি ২০ লাখের বেশি টিআইএনধারী রয়েছেন। অথচ চলতি করবর্ষে রিটার্ন জমা দিয়েছেন মাত্র সাড়ে ৪২ লাখ করদাতা। অর্থাৎ প্রায় ৭৮ লাখ টিআইএনধারী রিটার্ন দেননি।</p>
<p>কর কর্মকর্তারা বলছেন, তাদের একটি অংশের করযোগ্য আয় না থাকলেও বিপুলসংখ্যক ব্যক্তি করযোগ্য আয় থাকা সত্ত্বেও রিটার্ন দাখিল করছেন না। আর এ কারণেই করজাল সম্প্রসারণে বড় চ্যালেঞ্জের মুখে পড়ছে সরকার।</p>
<p>টিআইএন ছাড়া যেসব কাজ প্রায় অসম্ভব</p>
<p>বর্তমানে প্রায় ৪০ ধরনের কাজে টিআইএন বাধ্যতামূলক করা হয়েছে। ফলে নাগরিক জীবনের সঙ্গে টিআইএনের সম্পর্ক দিন দিন গভীর হচ্ছে।</p>
<p>সরকারি চাকরিজীবীদের নির্দিষ্ট সীমার বেশি বেতন হলে এবং বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের ব্যবস্থাপনা বা প্রশাসনিক পর্যায়ের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের টিআইএন লাগবে। ব্যবসা করতে চাইলে ট্রেড লাইসেন্স নিতে টিআইএন প্রয়োজন।</p>
<p>জমি, ফ্ল্যাট বা অ্যাপার্টমেন্ট কেনাবেচা ও নিবন্ধনের ক্ষেত্রেও টিআইএন ছাড়া কাজ হয় না। গাড়ির নিবন্ধন, ফিটনেস নবায়ন কিংবা মালিকানা পরিবর্তনেও টিআইএন বাধ্যতামূলক।</p>
<p>শুধু তাই নয়, ডাক্তার, আইনজীবী, প্রকৌশলী, চার্টার্ড অ্যাকাউন্ট্যান্টসহ বিভিন্ন পেশাজীবীর নিবন্ধন সনদ পেতেও টিআইএন লাগে। এলসি খোলা, আমদানি-রফতানি ব্যবসা, সরকারি দরপত্রে অংশগ্রহণ, ব্যাংক ঋণ গ্রহণ কিংবা ক্রেডিট কার্ড নিতে হলেও টিআইএন থাকতে হবে।</p>
<p>অভিজাত ক্লাবের সদস্য হওয়া, মোবাইল ব্যাংকিং ব্যবসা, ইভেন্ট ম্যানেজমেন্ট, সিকিউরিটি সার্ভিস, পরিবেশক ব্যবসা, ক্যাটারিং– এসব ক্ষেত্রেও টিআইএন এখন অপরিহার্য। এমনকি জাতীয় সংসদ, সিটি করপোরেশন বা উপজেলা নির্বাচনে প্রার্থী হতেও টিআইএন বাধ্যতামূলক।</p>
<p>কেন লাখ লাখ মানুষ রিটার্ন দিচ্ছেন না</p>
<p>কর বিশেষজ্ঞদের মতে, বাংলাদেশে টিআইএন নেওয়ার হার বাড়লেও রিটার্ন জমা দেওয়ার সংস্কৃতি এখনও শক্তিশালী হয়নি।</p>
<p>অনেকেই শুধু কোনও সেবা গ্রহণের জন্য টিআইএন নেন। পরে আর রিটার্ন জমা দেন না। আবার যাদের আয় বছরে ৩ লাখ ৭৫ হাজার টাকার নিচে, তাদের কর দিতে হয় না। তবে বিভিন্ন সেবা নিতে রিটার্নের প্রমাণপত্র চাওয়া হয়। ফলে তারা অনেক সময় শূন্য রিটার্ন জমা দেন অথবা পরে আর রিটার্ন দেন না।</p>
<p>করদাতাদের একটি বড় অংশ মনে করেন, কর দিলেও কাঙ্ক্ষিত নাগরিক সুবিধা পাওয়া যায় না। এছাড়া কর অফিসে হয়রানির ভয়, জটিল হিসাবপদ্ধতি এবং তুলনামূলক উচ্চ করহারও মানুষকে নিরুৎসাহিত করে।</p>
<p>অনেকের ধারণা, একবার করজালে প্রবেশ করলে প্রতি বছরই কর দিতে হবে। ফলে অনেকে ইচ্ছাকৃতভাবে রিটার্ন জমা এড়িয়ে যান।</p>
<p>রিটার্ন না দিলে কী বিপদ হতে পারে</p>
<p>আয়কর আইন অনুযায়ী, নির্ধারিত সময়ে রিটার্ন জমা না দিলে নানা ধরনের ঝুঁকিতে পড়তে পারেন করদাতারা।</p>
<p>সবচেয়ে আগে আসে জরিমানার বিষয়। রিটার্ন না দিলে নির্ধারিত করের ওপর ১০ শতাংশ পর্যন্ত জরিমানা হতে পারে। সর্বনিম্ন জরিমানা এক হাজার টাকা। দীর্ঘ সময় রিটার্ন না দিলে প্রতিদিন ৫০ টাকা হারে অতিরিক্ত জরিমানাও আরোপ করা হতে পারে।</p>
<p>এছাড়া বিনিয়োগজনিত কর রেয়াত বা কর ছাড় পাওয়া যাবে না। অর্থাৎ সঞ্চয়পত্র, এফডিআর বা অনুমোদিত খাতে বিনিয়োগ করেও কর সুবিধা থেকে বঞ্চিত হতে পারেন।</p>
<p>রিটার্ন জমা না দিলে প্রতি মাসে করের ওপর অতিরিক্ত ২ শতাংশ হারে বাড়তি কর আরোপের বিধানও রয়েছে।</p>
<p>সবচেয়ে কঠোর দিক হলো, রাষ্ট্রীয় সেবা সংযোগ বিচ্ছিন্ন করার ক্ষমতা রয়েছে কর কর্তৃপক্ষের। বিদ্যুৎ, গ্যাস বা পানির সংযোগ বন্ধ হওয়ার ঝুঁকিও তৈরি হতে পারে।</p>
<p>সরকারি ও বেসরকারি চাকরিজীবীদের ক্ষেত্রেও রিটার্ন জমার কপি বাধ্যতামূলক হয়ে উঠছে। ফলে রিটার্ন না দিলে বেতন-ভাতা আটকে যাওয়ার মতো জটিলতাও তৈরি হতে পারে।</p>
<p>অডিটে পড়লে বাড়ে ভোগান্তি</p>
<p>করদাতাদের সবচেয়ে বড় আতঙ্কের একটি হলো আয়কর রিটার্নের অডিট বা নিরীক্ষা।</p>
<p>এ বছর প্রায় ৮৮ হাজার করদাতার রিটার্ন নিরীক্ষার জন্য নির্বাচন করেছে এনবিআর। পুরো প্রক্রিয়াটি অটোমেটেড পদ্ধতিতে করা হয়েছে।</p>
<p>রিটার্নে আয়-ব্যয়ের অসামঞ্জস্য, ব্যাংক লেনদেনের সঙ্গে তথ্যের গরমিল, অস্বাভাবিক সম্পদ বৃদ্ধি, অতিরিক্ত নগদ অর্থ, অস্বাভাবিক ঋণ বা দায়, ভুল বিনিয়োগ তথ্য কিংবা সম্পদ গোপন করার মতো বিষয়গুলো নিরীক্ষায় বিশেষভাবে দেখা হয়।</p>
<p>কর কর্মকর্তারা বলছেন, অনেকেই রিটার্নে বাস্তবতার সঙ্গে অসঙ্গতিপূর্ণভাবে বিপুল পরিমাণ সোনা, নগদ টাকা বা সম্পদ দেখান। আবার অনেকে এফডিআর, সঞ্চয়পত্র, শেয়ারবাজারে বিনিয়োগ কিংবা জমি-ফ্ল্যাটের তথ্য গোপন করেন। এসব বিষয় ভবিষ্যতে বড় ধরনের জটিলতা তৈরি করতে পারে।</p>
<p>এখনও আয়কর রিটার্ন দেওয়া যাবে, গুনতে হবে জরিমানা</p>
<p>ব্যক্তি করদাতাদের আয়কর রিটার্ন জমা দেওয়ার নির্ধারিত সময় গত ৩১ মার্চ শেষ হয়েছে। তবে নির্ধারিত সময়ের মধ্যে রিটার্ন দিতে না পারলেও এখনও রিটার্ন জমা দেওয়ার সুযোগ রয়েছে। করদাতারা আগের দুই বছর পর্যন্ত বকেয়া রিটার্ন দিতে পারবেন, যদিও এ ক্ষেত্রে জরিমানা ও অতিরিক্ত সুদ গুনতে হবে।</p>
<p>এনবিআর জানিয়েছে, নির্ধারিত সময়ের পর রিটার্ন দিলে করদাতারা বিনিয়োগজনিত কর রেয়াতের সুবিধা পাবেন না। পাশাপাশি বকেয়া করের ওপর ২ শতাংশ হারে সুদ দিতে হবে, যা সর্বোচ্চ ২৪ মাস পর্যন্ত প্রযোজ্য হতে পারে।</p>
<p>এ বছর থেকে অধিকাংশ করদাতার জন্য অনলাইনে রিটার্ন দাখিল বাধ্যতামূলক করা হয়েছে। অনলাইনে রিটার্ন জমা দেওয়ার পাশাপাশি ইন্টারনেট ব্যাংকিং, ডেবিট-ক্রেডিট কার্ড ও মোবাইল ব্যাংকিংয়ের মাধ্যমে কর পরিশোধের সুবিধাও রাখা হয়েছে। করদাতারা অনলাইনে রিটার্নের কপি, আয়কর সনদ ও টিআইএন সনদ ডাউনলোড করতে পারবেন।</p>
<p>তবে যেসব করদাতা নির্ধারিত সময়ের আগে আবেদন করে রিটার্ন জমার সময় বাড়িয়ে নিয়েছেন, তাদের ক্ষেত্রে জরিমানা বা কর রেয়াত হারানোর নিয়ম প্রযোজ্য হবে না। নির্ধারিত বর্ধিত সময়ের মধ্যে রিটার্ন জমা দিলে তারা নিয়মিত সুবিধাই পাবেন।</p>
<p>ভুল হলে সংশোধনের সুযোগ আছে</p>
<p>রিটার্নে ভুল হলে করদাতাদের আতঙ্কিত হওয়ার কারণ নেই। আয়কর আইনে সংশোধিত রিটার্ন জমা দেওয়ার সুযোগ রাখা হয়েছে।</p>
<p>তবে শর্ত হলো, রিটার্ন জমার ১৮০ দিনের মধ্যে সংশোধন করতে হবে এবং একই করবর্ষে একবারের বেশি সংশোধন করা যাবে না। আর যদি রিটার্ন অডিটের জন্য নির্বাচিত হয়ে যায়, তাহলে আর সংশোধনের সুযোগ থাকবে না।</p>
<p>এনবিআর অনলাইনে সংশোধিত রিটার্ন জমার সুবিধা চালু করেছে। করদাতারা ওয়েবসাইটে গিয়ে সংশোধনের আবেদন করতে পারবেন। তবে সংশোধনের ফলে কর বেড়ে গেলে বাড়তি কর ও জরিমানাও পরিশোধ করতে হবে।</p>
<p>কর সংস্কৃতির বড় চ্যালেঞ্জ</p>
<p>অর্থনীতিবিদদের মতে, বাংলাদেশে করজাল সম্প্রসারণ হলেও এখনও কর সংস্কৃতি গড়ে ওঠেনি। অধিকাংশ মানুষ টিআইএনকে সেবা পাওয়ার একটি শর্ত হিসেবে দেখছেন, নাগরিক দায়িত্ব হিসেবে নয়।</p>
<p>তাদের মতে, কর ব্যবস্থাকে আরও সহজ, স্বচ্ছ ও হয়রানিমুক্ত করতে পারলে মানুষ স্বতঃস্ফূর্তভাবে রিটার্ন দিতে আগ্রহী হবেন। একইসঙ্গে করের বিনিময়ে দৃশ্যমান নাগরিক সেবা নিশ্চিত করা গেলে করদাতার সংখ্যা আরও দ্রুত বাড়বে।</p>
]]></content:encoded>
					
					<wfw:commentRss>https://chtnews24.com/2026/05/11/%e0%a6%9f%e0%a6%bf%e0%a6%86%e0%a6%87%e0%a6%8f%e0%a6%a8-%e0%a6%86%e0%a6%9b%e0%a7%87-%e0%a6%b0%e0%a6%bf%e0%a6%9f%e0%a6%be%e0%a6%b0%e0%a7%8d%e0%a6%a8-%e0%a6%a8%e0%a7%87%e0%a6%87-%e0%a6%9c%e0%a6%b0/feed/</wfw:commentRss>
			<slash:comments>0</slash:comments>
		
		
			</item>
		<item>
		<title>সুদ ছাড়াই ৪৫ দিন খরচ, মধ্যবিত্তের জীবনে স্বস্তি আনছে ক্রেডিট কার্ড</title>
		<link>https://chtnews24.com/2026/05/09/%e0%a6%b8%e0%a7%81%e0%a6%a6-%e0%a6%9b%e0%a6%be%e0%a6%a1%e0%a6%bc%e0%a6%be%e0%a6%87-%e0%a7%aa%e0%a7%ab-%e0%a6%a6%e0%a6%bf%e0%a6%a8-%e0%a6%96%e0%a6%b0%e0%a6%9a-%e0%a6%ae%e0%a6%a7%e0%a7%8d%e0%a6%af/</link>
					<comments>https://chtnews24.com/2026/05/09/%e0%a6%b8%e0%a7%81%e0%a6%a6-%e0%a6%9b%e0%a6%be%e0%a6%a1%e0%a6%bc%e0%a6%be%e0%a6%87-%e0%a7%aa%e0%a7%ab-%e0%a6%a6%e0%a6%bf%e0%a6%a8-%e0%a6%96%e0%a6%b0%e0%a6%9a-%e0%a6%ae%e0%a6%a7%e0%a7%8d%e0%a6%af/#respond</comments>
		
		<dc:creator><![CDATA[adminchtnews24]]></dc:creator>
		<pubDate>Sat, 09 May 2026 03:17:38 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[Second lead]]></category>
		<category><![CDATA[অর্থ-বানিজ্য]]></category>
		<category><![CDATA[শিরোনাম]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://chtnews24.com/?p=37220</guid>

					<description><![CDATA[ডেস্ক রির্পোট:- এক সময় ক্রেডিট কার্ড ছিল কেবল উচ্চবিত্ত বা অভিজাত শ্রেণির ব্যবহৃত একটি আর্থিক পণ্য। ব্যাংকের বিশেষ গ্রাহক, বড় ব্যবসায়ী কিংবা বিদেশ ভ্রমণকারীদের মধ্যেই এর ব্যবহার সীমাবদ্ধ ছিল। কিন্তু সময় বদলেছে। এখন শহর থেকে মফস্বল— সর্বত্রই ক্রেডিট কার্ড হয়ে উঠছে দৈনন্দিন জীবনের গুরুত্বপূর্ণ সঙ্গী। বাজার করা, হাসপাতালের বিল, অনলাইন কেনাকাটা, বিমান টিকিট, রেস্টুরেন্ট বিল, [&#8230;]]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[<p>ডেস্ক রির্পোট:- এক সময় ক্রেডিট কার্ড ছিল কেবল উচ্চবিত্ত বা অভিজাত শ্রেণির ব্যবহৃত একটি আর্থিক পণ্য। ব্যাংকের বিশেষ গ্রাহক, বড় ব্যবসায়ী কিংবা বিদেশ ভ্রমণকারীদের মধ্যেই এর ব্যবহার সীমাবদ্ধ ছিল। কিন্তু সময় বদলেছে। এখন শহর থেকে মফস্বল— সর্বত্রই ক্রেডিট কার্ড হয়ে উঠছে দৈনন্দিন জীবনের গুরুত্বপূর্ণ সঙ্গী। বাজার করা, হাসপাতালের বিল, অনলাইন কেনাকাটা, বিমান টিকিট, রেস্টুরেন্ট বিল, শিক্ষা খরচ, এমনকি ইউটিলিটি বিল পরিশোধেও বাড়ছে কার্ডের ব্যবহার।</p>
<p>বাংলাদেশে দ্রুত প্রসারমান ডিজিটাল অর্থনীতির সঙ্গে তাল মিলিয়ে ক্রেডিট কার্ড এখন অনেকের কাছে ‘বিকল্প নগদ অর্থ’। বিশেষ করে মধ্যবিত্ত ও তরুণ প্রজন্মের মধ্যে এর জনপ্রিয়তা সবচেয়ে বেশি বাড়ছে। ব্যাংকগুলোও গ্রাহক টানতে দিচ্ছে ক্যাশব্যাক, ইএমআই, ডিসকাউন্ট, এয়ারপোর্ট লাউঞ্জ সুবিধা থেকে শুরু করে আন্তর্জাতিক লেনদেনের সুযোগ।</p>
<p>এই বাস্তবতায় বাংলাদেশ ব্যাংকও ক্রেডিট কার্ড ব্যবস্থাকে আরও সম্প্রসারণ ও আধুনিক করতে বড় ধরনের পরিবর্তন এনেছে। নতুন নীতিমালায় ক্রেডিট কার্ডে ঋণের সীমা দ্বিগুণ বাড়িয়ে সর্বোচ্চ ৪০ লাখ টাকা পর্যন্ত করা হয়েছে। একইসঙ্গে গ্রাহক সুরক্ষা, সুদের স্বচ্ছতা ও ডিজিটাল নিরাপত্তার বিষয়েও কঠোর নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।</p>
<p>৪০ লাখ টাকা পর্যন্ত ঋণের সুযোগ</p>
<p>বাংলাদেশ ব্যাংকের নতুন নীতিমালা অনুযায়ী, এখন জামানত ছাড়া ক্রেডিট কার্ডে সর্বোচ্চ ২০ লাখ টাকা এবং জামানতের বিপরীতে সর্বোচ্চ ৪০ লাখ টাকা পর্যন্ত ঋণ পাওয়া যাবে। আগে এই সীমা ছিল যথাক্রমে ১০ লাখ ও ২০ লাখ টাকা।</p>
<p>সংশ্লিষ্টরা বলছেন, উচ্চমূল্যের চিকিৎসা, বিদেশে শিক্ষা ব্যয়, ব্যবসায়িক সফর কিংবা জরুরি খরচ মেটাতে এই সিদ্ধান্ত অনেক গ্রাহকের জন্য বড় সহায়তা হবে। একইসঙ্গে দেশের ক্যাশলেস অর্থনীতি সম্প্রসারণেও এটি ভূমিকা রাখবে।</p>
<p>নীতিমালায় আরও বলা হয়েছে, কার্ডধারীরা তাদের মোট ক্রেডিট সীমার সর্বোচ্চ ৫০ শতাংশ পর্যন্ত নগদ অর্থ উত্তোলন করতে পারবেন। তবে নগদ উত্তোলনের ক্ষেত্রে গ্রেস পিরিয়ড সুবিধা প্রযোজ্য হবে না।</p>
<p>সুদ ছাড়াই ৪৫ দিন পর্যন্ত খরচের সুযোগ</p>
<p>ক্রেডিট কার্ডের সবচেয়ে বড় সুবিধাগুলোর একটি হলো ‘গ্রেস পিরিয়ড’। অর্থাৎ কার্ড ব্যবহার করে কেনাকাটা করার পর সঙ্গে সঙ্গে বিল পরিশোধ করতে হয় না। ব্যাংকভেদে ৪৫ দিন পর্যন্ত সময় পাওয়া যায়, যেখানে কোনও সুদ গুনতে হয় না।</p>
<p>অর্থাৎ নির্ধারিত সময়ের মধ্যে পুরো বিল পরিশোধ করতে পারলে গ্রাহক কার্যত সুদমুক্ত স্বল্পমেয়াদি ঋণের সুবিধা পান। ফলে হঠাৎ আর্থিক চাপ সামাল দেওয়া অনেক সহজ হয়ে যায়।</p>
<p>ব্যাংকাররা বলছেন, পরিকল্পিতভাবে ব্যবহার করলে ক্রেডিট কার্ড একজন মানুষের ব্যক্তিগত অর্থ ব্যবস্থাপনাকে আরও শৃঙ্খলিত করে। বিশেষ করে বেতনভিত্তিক চাকরিজীবী ও তরুণ উদ্যোক্তাদের জন্য এটি কার্যকর আর্থিক সহায়ক হিসেবে কাজ করছে।</p>
<p>সাধারণ মানুষের জীবনযাত্রায় বড় পরিবর্তন</p>
<p>দেশে গত এক দশকে মোবাইল ব্যাংকিং, ইন্টারনেট ব্যাংকিং ও অ্যাপভিত্তিক লেনদেন বাড়লেও কার্ডের ব্যবহারও দ্রুত বৃদ্ধি পেয়েছে। বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্য অনুযায়ী, বর্তমানে দেশে ডেবিট, ক্রেডিট ও প্রিপেইড মিলিয়ে ৫ কোটির বেশি কার্ড চালু রয়েছে। শুধু ক্রেডিট কার্ডই আছে প্রায় ৫৪ লাখ।</p>
<p>প্রতি মাসে গড়ে ৩ হাজার কোটি টাকার বেশি লেনদেন হচ্ছে ক্রেডিট কার্ডে। সাম্প্রতিক মাসগুলোতে এই অঙ্ক ৩ হাজার ৫০০ কোটিও ছাড়িয়েছে।</p>
<p>বিশ্লেষণে দেখা গেছে, দেশের অভ্যন্তরে ক্রেডিট কার্ডে সবচেয়ে বেশি খরচ হচ্ছে ডিপার্টমেন্টাল স্টোর, সুপারশপ ও খুচরা বিক্রয়কেন্দ্রে। এরপর রয়েছে ইউটিলিটি বিল, ওষুধ, পোশাক, পরিবহন ও সরকারি সেবা খাত।</p>
<p>অন্যদিকে বিদেশে বাংলাদেশিরা সবচেয়ে বেশি কার্ড ব্যবহার করছেন ডিপার্টমেন্টাল স্টোর, খুচরা দোকান, যাতায়াত ও শিক্ষা-সম্পর্কিত খরচে।</p>
<p>বিদেশে ডেবিট কার্ডের ব্যবহারও বাড়ছে</p>
<p>এক সময় বিদেশে বাংলাদেশিদের লেনদেনে ক্রেডিট কার্ডই ছিল প্রধান মাধ্যম। এখন সেই জায়গায় দ্রুত জনপ্রিয় হচ্ছে ডুয়াল কারেন্সি ডেবিট কার্ডও।</p>
<p>বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্য অনুযায়ী, বিদেশে বাংলাদেশি ডেবিট কার্ডে সবচেয়ে বেশি লেনদেন হচ্ছে যুক্তরাজ্যে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, দেশটিতে বাংলাদেশি শিক্ষার্থীর সংখ্যা বেশি হওয়ায় এই প্রবণতা তৈরি হয়েছে। পরিবারের সদস্যরা দেশে টাকা জমা দিলেই বিদেশে থাকা শিক্ষার্থীরা সহজে কার্ড ব্যবহার করতে পারছেন।</p>
<p>ক্রেডিট কার্ডের তুলনায় ডেবিট কার্ডে সুদের ঝুঁকি না থাকায় অনেকেই এখন এদিকে ঝুঁকছেন।</p>
<p>নিরাপত্তায় নতুন প্রযুক্তি</p>
<p>ডিজিটাল লেনদেন বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে বাড়ছে জালিয়াতির ঝুঁকিও। এ কারণে ব্যাংকগুলো এখন নিরাপত্তা ব্যবস্থায় বড় ধরনের পরিবর্তন আনছে।</p>
<p>সম্প্রতি দেশে প্রথমবারের মতো নম্বরবিহীন ডেবিট কার্ড চালু করেছে মাস্টারকার্ড ও প্রাইম ব্যাংক। এই কার্ডে দৃশ্যমান কোনও কার্ড নম্বর, সিভিভি বা মেয়াদোত্তীর্ণের তথ্য থাকবে না। সব তথ্য সংরক্ষিত থাকবে মোবাইল অ্যাপে।</p>
<p>এছাড়া এখন অধিকাংশ ব্যাংক ওটিপি, বায়োমেট্রিক নিরাপত্তা, অ্যাপভিত্তিক নিয়ন্ত্রণ, তাৎক্ষণিক কার্ড ব্লক ও রিয়েল-টাইম নোটিফিকেশন সুবিধা দিচ্ছে।</p>
<p>বাংলাদেশ ব্যাংকও নতুন নীতিমালায় স্পষ্টভাবে বলেছে, কার্ড হারিয়ে গেলে বা জালিয়াতির শঙ্কা তৈরি হলে ২৪ ঘণ্টার হেল্পলাইন চালু রাখতে হবে। পাশাপাশি গ্রাহকদের হয়রানি করে ঋণ আদায়ও করা যাবে না।</p>
<p>ইসলামিক ক্রেডিট কার্ডেও বাড়ছে আগ্রহ</p>
<p>দেশে শরিয়াহভিত্তিক ব্যাংকিং সম্প্রসারণের সঙ্গে সঙ্গে ইসলামিক ক্রেডিট কার্ডের জনপ্রিয়তাও বাড়ছে। এসব কার্ডে প্রচলিত সুদের পরিবর্তে নির্ধারিত সার্ভিস চার্জ বা উজরাহ পদ্ধতি অনুসরণ করা হয়।</p>
<p>বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ধর্মীয় মূল্যবোধ বজায় রেখেও আধুনিক ডিজিটাল আর্থিক সুবিধা গ্রহণের সুযোগ থাকায় তরুণদের মধ্যেও ইসলামিক কার্ডের চাহিদা বাড়ছে।</p>
<p>শিক্ষার্থী ও ফ্রিল্যান্সারদের জন্য বিশেষ কার্ড</p>
<p>এখন শুধু চাকরিজীবী বা ব্যবসায়ীরাই নন, শিক্ষার্থী ও ফ্রিল্যান্সারদের জন্যও বিশেষ ধরনের কার্ড চালু করছে ব্যাংকগুলো।</p>
<p>সম্প্রতি সাউথইস্ট ব্যাংক শিক্ষার্থীদের জন্য ‘ভিসা স্টুডেন্ট ক্রেডিট কার্ড’ চালু করেছে। অভিভাবকের গ্যারান্টিতে শিক্ষার্থীরা এই কার্ড ব্যবহার করতে পারবে।</p>
<p>অন্যদিকে ফ্রিল্যান্সারদের জন্য ডুয়াল কারেন্সি সুবিধাসহ বিশেষ কার্ড দিচ্ছে বিভিন্ন ব্যাংক। এসব কার্ড দিয়ে বিদেশি সফটওয়্যার, ক্লাউড সার্ভিস, অনলাইন সাবস্ক্রিপশন কিংবা আন্তর্জাতিক পেমেন্ট সহজে করা যাচ্ছে।</p>
<p>তবে সতর্কতাও জরুরি</p>
<p>বিশেষজ্ঞরা বলছেন, পরিকল্পনা ছাড়া ক্রেডিট কার্ড ব্যবহার করলে এটি আর্থিক চাপের কারণও হতে পারে। কারণ সময়মতো বিল পরিশোধ না করলে উচ্চ সুদ যোগ হয় এবং দেনা দ্রুত বাড়তে থাকে।</p>
<p>বিশেষ করে ‘মিনিমাম পেমেন্ট’ দিয়ে দীর্ঘ সময় বকেয়া রাখলে সুদের বোঝা কয়েক গুণ বেড়ে যেতে পারে।</p>
<p>তাই প্রয়োজন ছাড়া অতিরিক্ত খরচ না করা, নির্ধারিত সময়ে বিল পরিশোধ, ওটিপি বা পিন কারও সঙ্গে শেয়ার না করা এবং নিয়মিত স্টেটমেন্ট যাচাই করার পরামর্শ দিয়েছেন ব্যাংক খাতসংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা।</p>
<p>তাদের মতে, সচেতন ও পরিকল্পিত ব্যবহার নিশ্চিত করা গেলে ক্রেডিট কার্ড শুধু একটি আর্থিক পণ্য নয়, বরং আধুনিক জীবনযাত্রার অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ সহায়ক মাধ্যম হয়ে উঠতে পারে।</p>
]]></content:encoded>
					
					<wfw:commentRss>https://chtnews24.com/2026/05/09/%e0%a6%b8%e0%a7%81%e0%a6%a6-%e0%a6%9b%e0%a6%be%e0%a6%a1%e0%a6%bc%e0%a6%be%e0%a6%87-%e0%a7%aa%e0%a7%ab-%e0%a6%a6%e0%a6%bf%e0%a6%a8-%e0%a6%96%e0%a6%b0%e0%a6%9a-%e0%a6%ae%e0%a6%a7%e0%a7%8d%e0%a6%af/feed/</wfw:commentRss>
			<slash:comments>0</slash:comments>
		
		
			</item>
		<item>
		<title>বাংলাদেশ কি ঋণের ফাঁদে পড়তে যাচ্ছে</title>
		<link>https://chtnews24.com/2026/05/07/%e0%a6%ac%e0%a6%be%e0%a6%82%e0%a6%b2%e0%a6%be%e0%a6%a6%e0%a7%87%e0%a6%b6-%e0%a6%95%e0%a6%bf-%e0%a6%8b%e0%a6%a3%e0%a7%87%e0%a6%b0-%e0%a6%ab%e0%a6%be%e0%a6%81%e0%a6%a6%e0%a7%87-%e0%a6%aa%e0%a6%a1/</link>
					<comments>https://chtnews24.com/2026/05/07/%e0%a6%ac%e0%a6%be%e0%a6%82%e0%a6%b2%e0%a6%be%e0%a6%a6%e0%a7%87%e0%a6%b6-%e0%a6%95%e0%a6%bf-%e0%a6%8b%e0%a6%a3%e0%a7%87%e0%a6%b0-%e0%a6%ab%e0%a6%be%e0%a6%81%e0%a6%a6%e0%a7%87-%e0%a6%aa%e0%a6%a1/#respond</comments>
		
		<dc:creator><![CDATA[adminchtnews24]]></dc:creator>
		<pubDate>Thu, 07 May 2026 02:28:28 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[অর্থ-বানিজ্য]]></category>
		<category><![CDATA[শিরোনাম]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://chtnews24.com/?p=37171</guid>

					<description><![CDATA[ডেস্ক রির্পোট:- বাংলাদেশের অর্থনীতি এখন এক জটিল সন্ধিক্ষণে দাঁড়িয়ে। ক্রমবর্ধমান সরকারি ঋণ, রাজস্ব ঘাটতি, উচ্চ সুদ পরিশোধ এবং সীমিত উন্নয়ন ব্যয়ের বাস্তবতা মিলিয়ে অর্থনীতিতে তৈরি হয়েছে এক ধরনের চাপ— যা অনেক অর্থনীতিবিদের ভাষায় ‘ঋণের ফাঁদে’ পড়ার পূর্বাভাস দিচ্ছে। সাম্প্রতিক পরিসংখ্যান ও নীতিগত প্রবণতা বিশ্লেষণ করলে দেখা যায়, ঋণের ওপর অতিরিক্ত নির্ভরতা দেশের সামষ্টিক অর্থনীতির স্থিতিশীলতাকে [&#8230;]]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[<p>ডেস্ক রির্পোট:- বাংলাদেশের অর্থনীতি এখন এক জটিল সন্ধিক্ষণে দাঁড়িয়ে। ক্রমবর্ধমান সরকারি ঋণ, রাজস্ব ঘাটতি, উচ্চ সুদ পরিশোধ এবং সীমিত উন্নয়ন ব্যয়ের বাস্তবতা মিলিয়ে অর্থনীতিতে তৈরি হয়েছে এক ধরনের চাপ— যা অনেক অর্থনীতিবিদের ভাষায় ‘ঋণের ফাঁদে’ পড়ার পূর্বাভাস দিচ্ছে। সাম্প্রতিক পরিসংখ্যান ও নীতিগত প্রবণতা বিশ্লেষণ করলে দেখা যায়, ঋণের ওপর অতিরিক্ত নির্ভরতা দেশের সামষ্টিক অর্থনীতির স্থিতিশীলতাকে নতুন করে প্রশ্নের মুখে ফেলেছে।</p>
<p>৯ মাসেই ব্যাংক থেকে সরকারের ঋণ দাঁড়ালো একলাখ কোটি টাকা</p>
<p>দৈনন্দিন ব্যয় নির্বাহে ক্রমেই ঋণের ওপর নির্ভরশীল হয়ে পড়ছে সরকার। প্রত্যাশিত রাজস্ব আয় না হওয়ায় বাজেট ঘাটতি মেটাতে ব্যাংকব্যবস্থা থেকেই ব্যাপক ঋণ নিতে হচ্ছে অর্থ মন্ত্রণালয়কে। চলতি অর্থবছরের পুরো ১২ মাসে যে পরিমাণ ঋণ নেওয়ার লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছিল, তার প্রায় পুরোটা অর্থবছরের প্রথম ৯ মাসেই নেওয়া হয়ে গেছে।</p>
<p>সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, চলতি অর্থবছরের (জুলাই-মার্চ) প্রথম ৯ মাসে সরকার ব্যাংকব্যবস্থা থেকে মোট ১ লাখ ৮ হাজার ৯৮৫ কোটি টাকা ঋণ নিয়েছে, যা নির্ধারিত লক্ষ্যমাত্রাকেও ছাড়িয়ে গেছে। বাজেট অনুযায়ী, পুরো অর্থবছরে ব্যাংক থেকে সরকারের ঋণ নেওয়ার লক্ষ্য ছিল একলাখ ৪ হাজার কোটি টাকা।</p>
<p>ঋণের এই বিপুল অংশের মধ্যে বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলো থেকে নেওয়া হয়েছে ৭৮ হাজার ৪৯ কোটি টাকা এবং কেন্দ্রীয় ব্যাংক থেকে নেওয়া হয়েছে ৩০ হাজার ৯৩৬ কোটি টাকা। পরবর্তী সময়ে কিছু ঋণ পরিশোধ করায় বর্তমানে নিট ঋণের পরিমাণ কিছুটা কমে প্রায় ৯৪ হাজার কোটি টাকায় দাঁড়িয়েছে।</p>
<p>অর্থনীতিবিদরা বলছেন, রাজস্ব আয়ের ঘাটতি ও ব্যয়চাপ সামাল দিতে গিয়ে সরকার নির্ধারিত মাসিক ঋণসীমাও অতিক্রম করেছে। এমন পরিস্থিতিতে সরকারি কর্মচারীদের বেতন-ভাতা, ঋণের সুদ, ভর্তুকি ও অন্যান্য জরুরি ব্যয় মেটাতে সাময়িকভাবে টাকা ছাপিয়ে অতিরিক্ত ঋণ নেওয়ার পথেও হাঁটতে হয়েছে। তাদের মতে, ঋণনির্ভরতা বাড়তে থাকলে তা সামগ্রিক বাজেট ব্যবস্থাপনায় বাড়তি চাপ তৈরি করবে এবং দীর্ঘমেয়াদে অর্থনীতির স্থিতিশীলতার জন্য ঝুঁকি তৈরি করতে পারে।</p>
<p>দ্রুত বাড়ছে ঋণের বোঝা<br />
অর্থ মন্ত্রণালয়ের সর্বশেষ ঋণ বুলেটিন অনুযায়ী, ২০২৪ সালের ডিসেম্বর শেষে দেশের মোট সরকারি ঋণ দাঁড়িয়েছে ২২ লাখ ৬ হাজার কোটি টাকার বেশি। মাত্র দেড় বছরের ব্যবধানে এই ঋণ বেড়েছে প্রায় ৩ লাখ ১৭ হাজার কোটি টাকা। এর আগে ২০২৪ সালের জুন শেষে ঋণের পরিমাণ ছিল প্রায় ১৮ লাখ ৮৮ হাজার কোটি টাকা, যা ২০২২ সালের জুনে ছিল ১৩ লাখ ৪৪ হাজার কোটি টাকা।</p>
<p>এই পরিসংখ্যান স্পষ্ট করে, গত কয়েক বছরে ঋণের প্রবৃদ্ধি অত্যন্ত দ্রুত হয়েছে— যা অর্থনীতির জন্য একটি সতর্কবার্তা।</p>
<p>২ লাখ কোটি থেকে ২২ লাখ কোটি<br />
২০০৯ সালে শেখ হাসিনার নেতৃত্বাধীন বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ সরকার ক্ষমতায় আসার সময় দেশের মোট সরকারি ঋণের পরিমাণ ছিল প্রায় ২ লাখ কোটি টাকা। সময়ের সঙ্গে সঙ্গে ধারাবাহিকভাবে বাড়তে বাড়তে ২০২৪ সালের ৩০ জুনে, অর্থাৎ সরকার পতনের ঠিক আগে— মোট ঋণ দাঁড়ায় ১৮ লাখ ৮৮ হাজার ৭৮৭ কোটি টাকায়।</p>
<p>পরবর্তীকালে সরকার পরিবর্তনের পর প্রকাশিত ২০২৪ সালের ডিসেম্বরের ঋণ বুলেটিনে মোট ঋণের পরিমাণ উল্লেখ করা হয় ১৮ লাখ ৩২ হাজার ২৮২ কোটি টাকা। তবে বৈদেশিক ঋণকে নতুন বিনিময় হারে পুনর্মূল্যায়নের ফলে এ অঙ্ক আরও বেড়ে ৫৬ হাজার ৫০৫ কোটি টাকা যুক্ত হয়।</p>
<p>সরকারের ঋণ কাঠামো বিশ্লেষণে দেখা যায়, অন্তর্বর্তী সরকারের সময়ে অভ্যন্তরীণ উৎসের তুলনায় বৈদেশিক ঋণের ওপর নির্ভরতা বেশি বেড়েছে। আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিল (আইএমএফ) থেকে ঋণের কিস্তি প্রাপ্তির পাশাপাশি বিভিন্ন উন্নয়ন সহযোগীর কাছ থেকেও ঋণ নেওয়া হয়েছে। সর্বশেষ অর্থবছরে সরকার বাজেট সহায়তা হিসেবে ৩৪৪ কোটি ডলার ঋণ নিয়েছে, যা আগের অর্থবছরের ২০০ কোটি ডলারের তুলনায় উল্লেখযোগ্যভাবে বেশি।</p>
<p>দেড় বছরের ব্যবধানে বৈদেশিক ঋণের পরিমাণ ৮ লাখ ১২ হাজার কোটি টাকা থেকে বেড়ে ৯ লাখ ৫৯ হাজার কোটি টাকায় উন্নীত হয়েছে। একই সময়ে অভ্যন্তরীণ ঋণও বেড়েছে। আগের সরকারের পতনের এক মাস আগে যেখানে অভ্যন্তরীণ ঋণের পরিমাণ ছিল ১০ লাখ ৭৬ হাজার কোটি টাকা, তা ২০২৪ সালের ডিসেম্বর মাসের শেষে বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১২ লাখ ৪৭ হাজার কোটি টাকায়।</p>
<p>সব মিলিয়ে সাম্প্রতিক সময়ে সরকারের ঋণ কাঠামোয় বৈদেশিক উৎসের ভূমিকা তুলনামূলকভাবে বেশি দৃশ্যমান হলেও, অভ্যন্তরীণ ঋণও সমান্তরালভাবে বাড়ছে— যা সামগ্রিক ঋণ ব্যবস্থাপনায় নতুন চাপ ও ঝুঁকির ইঙ্গিত দিচ্ছে।</p>
<p>৩০ লাখ কোটি টাকা ঋণের বোঝা<br />
৩০ লাখ কোটি টাকা ঋণের বোঝা নিয়েই সরকার কাজ শুরু করেছে বলে জানিয়েছেন স্বয়ং প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। তিনি বলেছেন, দেশের ইতিহাসে সবচেয়ে দুর্বল অর্থনীতির সময় দায়িত্ব নিয়েছে বর্তমান সরকার। আড়াই মাসে কিছুটা পরিস্থিতির উন্নতি হলেও তা এখনও সন্তোষজনক না। বিগত ফ্যাসিবাদী সরকারের রেখে যাওয়া ৩০ লাখ কোটি টাকা ঋণের বোঝা নিয়েই সরকার কাজ শুরু করেছে। রবিবার (৩ মে) দুপুরে রাজধানীর ওসমানি স্মৃতি মিলনায়তনে চারদিনব্যাপী ‘‘জেলা প্রশাসক (ডিসি) সম্মেলন-২০২৬’’ এর উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে তিনি এ তথ্য জানান।</p>
<p>অভ্যন্তরীণ ঋণের দিকে ঝুঁকছে সরকার<br />
ঋণ গ্রহণের কৌশলে একটি গুরুত্বপূর্ণ পরিবর্তন দেখা যাচ্ছে। বর্তমানে মোট ঋণের প্রায় ৫৭ শতাংশই অভ্যন্তরীণ উৎস থেকে নেওয়া, যেখানে বৈদেশিক ঋণের অংশ ৪৩ শতাংশ। সরকার বৈদেশিক মুদ্রার ঝুঁকি কমাতে এবং বিনিময় হার স্থিতিশীল রাখতে অভ্যন্তরীণ ঋণের ওপর নির্ভরতা বাড়িয়েছে।</p>
<p>কিন্তু এই কৌশলের একটি বড় ঝুঁকিও রয়েছে। ব্যাংকিং খাত থেকে অতিরিক্ত ঋণ নেওয়া হলে বেসরকারি খাতের জন্য ঋণপ্রবাহ সংকুচিত হতে পারে, যা বিনিয়োগ ও কর্মসংস্থানে নেতিবাচক প্রভাব ফেলে।</p>
<p>রাজস্ব ঘাটতি ও ব্যয় চাপ<br />
বর্তমান পরিস্থিতির অন্যতম মূল কারণ রাজস্ব আদায়ে দুর্বলতা। চলতি অর্থবছরের প্রথম ৯ মাসেই প্রায় এক লাখ কোটি টাকার রাজস্ব ঘাটতি তৈরি হয়েছে। অথচ বাজেট বাস্তবায়নের জন্য সরকারকে বিপুল পরিমাণ অর্থের প্রয়োজন।</p>
<p>ফলে সরকার বাধ্য হয়ে ঋণের ওপর নির্ভর করছে— শুধু উন্নয়ন ব্যয় নয়, অনেক ক্ষেত্রে পরিচালন ব্যয় মেটাতেও ঋণ নিতে হচ্ছে। অর্থনীতিবিদদের মতে, এটি একটি অস্বাভাবিক এবং উদ্বেগজনক প্রবণতা।</p>
<p>সুদ পরিশোধই বড় বোঝা<br />
ঋণের সবচেয়ে বড় চাপ তৈরি হচ্ছে সুদ পরিশোধে। ২০২৫-২৬ অর্থবছরের প্রথম ছয় মাসেই সরকারের মোট ব্যয়ের প্রায় ২৬ শতাংশ ব্যয় হয়েছে শুধু ঋণের সুদ পরিশোধে।</p>
<p>এই প্রবণতা আরও স্পষ্ট হয় যখন দেখা যায়— অভ্যন্তরীণ ঋণের সুদ দ্রুত বাড়ছে। বাজেটের অন্যতম বড় খাতে পরিণত হয়েছে সুদ ব্যয়। শিক্ষা ও উন্নয়ন খাতকে পেছনে ফেলছে ঋণ পরিষেবা। এতে করে সামাজিক খাতে ব্যয় সংকুচিত হওয়ার ঝুঁকি তৈরি হচ্ছে।</p>
<p>উন্নয়ন ব্যয় কমলেও ঋণ কমেনি<br />
অন্তর্বর্তী সরকারের সময় উন্নয়ন ব্যয় উল্লেখযোগ্যভাবে কমেছে। বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচি (এডিপি) বাস্তবায়ন হয়েছে গত সাত বছরের মধ্যে সর্বনিম্ন পর্যায়ে। তবুও ঋণের লাগাম টেনে ধরা সম্ভব হয়নি।</p>
<p>বিশ্লেষকদের মতে, এর কারণ হলো— পুরোনো ঋণ পরিশোধের চাপ, পরিচালন ব্যয়ের উচ্চ মাত্রা, রাজস্ব আদায়ের ব্যর্থতা। অর্থাৎ নতুন উন্নয়ন প্রকল্প কমানো হলেও অতীতের দায় এখনও অর্থনীতিকে চাপে রাখছে।</p>
<p>টাকা ছাপিয়ে ঋণ— মূল্যস্ফীতির ঝুঁকি<br />
সরকার যখন কেন্দ্রীয় ব্যাংক থেকে ঋণ নেয়, তখন অনেক ক্ষেত্রে নতুন টাকা ছাপিয়ে তা সরবরাহ করা হয়। অর্থনীতিতে এটি ‘হাই-পাওয়ারড মানি’ হিসেবে পরিচিত। এর ফলে বাজারে অর্থ সরবরাহ বেড়ে গিয়ে মূল্যস্ফীতি বাড়ার ঝুঁকি তৈরি হয়।</p>
<p>অপরদিকে, বাণিজ্যিক ব্যাংক থেকে বেশি ঋণ নিলে বেসরকারি খাত ক্ষতিগ্রস্ত হয়— যা বিনিয়োগ ও কর্মসংস্থান কমিয়ে দিতে পারে।</p>
<p>অর্থনীতিবিদরা দিলেন সতর্কবার্তা<br />
অর্থনীতিবিদরা বলছেন, বাংলাদেশ এখনও সরাসরি ঋণ সংকটে পড়েনি, তবে বর্তমান প্রবণতা অব্যাহত থাকলে ভবিষ্যতে ‘ঋণের ফাঁদে’ পড়ার ঝুঁকি উড়িয়ে দেওয়া যায় না। ঋণের ওপর অতিরিক্ত নির্ভরতা, সুদ ব্যয়ের চাপ এবং দুর্বল রাজস্ব কাঠামো— এই তিনের সমন্বয় অর্থনীতিকে ধীরে ধীরে একটি সংকটের দিকে ঠেলে দিচ্ছে।</p>
<p>তারা বলছেন. সময় থাকতেই যদি কাঠামোগত সংস্কার ও আর্থিক শৃঙ্খলা প্রতিষ্ঠা করা না যায়, তাহলে এই ঋণই ভবিষ্যতে অর্থনীতির সবচেয়ে বড় দুর্বলতায় পরিণত হতে পারে।</p>
<p>বেসরকারি গবেষণা সংস্থা সেন্টার ফর পলিসি ডায়ালগের (সিপিডি) সম্মাননীয় ফেলো অধ্যাপক মোস্তাফিজুর রহমান ইতোমধ্যে সতর্ক করে বলেছেন, বাংলাদেশ ধীরে ধীরে ঋণের ফাঁদের দিকে এগোচ্ছে। তিনি বলেন, ‘‘বাংলাদেশের দেশি ও বৈদেশিক ঋণের বোঝা ক্রমাগত বাড়ছে এবং এর সুদ পরিশোধ এখন জাতীয় বাজেটের অন্যতম প্রধান ব্যয়খাতে পরিণত হয়েছে। ফলে অর্থনীতির ওপর চাপও ধারাবাহিকভাবে বৃদ্ধি পাচ্ছে।’’</p>
<p>তিনি সতর্ক করে বলেন, ‘‘ঋণের এই ক্রমবর্ধমান প্রবণতা অব্যাহত থাকলে বাংলাদেশ মধ্যম আয়ের ফাঁদে পড়ার ঝুঁকিতে পড়তে পারে। বিশেষ করে বৈদেশিক ঋণের পাশাপাশি অভ্যন্তরীণ ঋণের চাপও সমানতালে বাড়ছে, যা সামগ্রিক আর্থিক স্থিতিশীলতার জন্য উদ্বেগজনক।’’</p>
<p>কেন তৈরি হচ্ছে ‘ঋণের ফাঁদ’?<br />
বিশ্লেষণে দেখা যায়, কয়েকটি কাঠামোগত দুর্বলতা এই পরিস্থিতির জন্য দায়ী— করজাল সীমিত ও কর ফাঁকি বেশি। ব্যয় ব্যবস্থাপনায় শৃঙ্খলার অভাব। লোকসানি রাষ্ট্রায়ত্ত প্রতিষ্ঠানে ভর্তুকির চাপ। বিনিয়োগ ও কর্মসংস্থানে স্থবিরতা। এসব কারণে রাজস্ব বাড়ছে না, কিন্তু ব্যয় কমছে না— ফলে ঋণই হয়ে উঠছে প্রধান ভরসা।</p>
<p>উত্তরণের পথ কী<br />
অর্থনীতিবিদরা মনে করছেন, পরিস্থিতি সামাল দিতে দ্রুত কিছু পদক্ষেপ নেওয়া জরুরি— করজাল সম্প্রসারণ ও এনবিআরের সক্ষমতা বৃদ্ধি।অপ্রয়োজনীয় ব্যয় কমানো। সাশ্রয়ী বৈদেশিক ঋণ ও বিকল্প অর্থায়ন বাড়ানো। রাষ্ট্রায়ত্ত প্রতিষ্ঠানের সংস্কার। বিনিয়োগবান্ধব পরিবেশ সৃষ্টি।বাংলা ট্রিবিউন</p>
]]></content:encoded>
					
					<wfw:commentRss>https://chtnews24.com/2026/05/07/%e0%a6%ac%e0%a6%be%e0%a6%82%e0%a6%b2%e0%a6%be%e0%a6%a6%e0%a7%87%e0%a6%b6-%e0%a6%95%e0%a6%bf-%e0%a6%8b%e0%a6%a3%e0%a7%87%e0%a6%b0-%e0%a6%ab%e0%a6%be%e0%a6%81%e0%a6%a6%e0%a7%87-%e0%a6%aa%e0%a6%a1/feed/</wfw:commentRss>
			<slash:comments>0</slash:comments>
		
		
			</item>
		<item>
		<title>বিশ্ববাজারে জ্বালানির দাম কমলেও বাংলাদেশে কেন বাড়লো</title>
		<link>https://chtnews24.com/2026/04/20/%e0%a6%ac%e0%a6%bf%e0%a6%b6%e0%a7%8d%e0%a6%ac%e0%a6%ac%e0%a6%be%e0%a6%9c%e0%a6%be%e0%a6%b0%e0%a7%87-%e0%a6%9c%e0%a7%8d%e0%a6%ac%e0%a6%be%e0%a6%b2%e0%a6%be%e0%a6%a8%e0%a6%bf%e0%a6%b0-%e0%a6%a6%e0%a6%be/</link>
					<comments>https://chtnews24.com/2026/04/20/%e0%a6%ac%e0%a6%bf%e0%a6%b6%e0%a7%8d%e0%a6%ac%e0%a6%ac%e0%a6%be%e0%a6%9c%e0%a6%be%e0%a6%b0%e0%a7%87-%e0%a6%9c%e0%a7%8d%e0%a6%ac%e0%a6%be%e0%a6%b2%e0%a6%be%e0%a6%a8%e0%a6%bf%e0%a6%b0-%e0%a6%a6%e0%a6%be/#respond</comments>
		
		<dc:creator><![CDATA[adminchtnews24]]></dc:creator>
		<pubDate>Mon, 20 Apr 2026 02:24:55 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[Second lead]]></category>
		<category><![CDATA[অর্থ-বানিজ্য]]></category>
		<category><![CDATA[চট্রগ্রাম]]></category>
		<category><![CDATA[বিশেষ প্রতিবেদন]]></category>
		<category><![CDATA[শিরোনাম]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://chtnews24.com/?p=36915</guid>

					<description><![CDATA[ডেস্ক রির্পোট:- রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধের রেশ কাটতে না কাটতেই ইরান যুদ্ধ বাংলাদেশের জ্বালানি বাজারকে নতুন করে অস্থিতিশীল করে তুলেছে। এই দুই যুদ্ধের সময় সরকার জ্বালানি তেলের দাম অনেকটা বৃদ্ধি করেছে। কিন্তু এবার বড় প্রশ্ন দেখা দিয়েছে আন্তর্জাতিক বাজারের সঙ্গে দেশীয় মূল্যের সমন্বয়হীনতা নিয়ে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, যখন আন্তর্জাতিক বাজারে তেলের দাম কমতে শুরু করেছে, ঠিক সেই মুহূর্তে [&#8230;]]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[<p>ডেস্ক রির্পোট:- রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধের রেশ কাটতে না কাটতেই ইরান যুদ্ধ বাংলাদেশের জ্বালানি বাজারকে নতুন করে অস্থিতিশীল করে তুলেছে। এই দুই যুদ্ধের সময় সরকার জ্বালানি তেলের দাম অনেকটা বৃদ্ধি করেছে। কিন্তু এবার বড় প্রশ্ন দেখা দিয়েছে আন্তর্জাতিক বাজারের সঙ্গে দেশীয় মূল্যের সমন্বয়হীনতা নিয়ে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, যখন আন্তর্জাতিক বাজারে তেলের দাম কমতে শুরু করেছে, ঠিক সেই মুহূর্তে বাংলাদেশে দাম বাড়ানো হয়েছে। জ্বালানি তেলের এই মূল্যবৃদ্ধি পণ্য পরিবহন, কৃষি এবং শিল্প উৎপাদন ব্যয় বাড়িয়ে সামগ্রিক মূল্যস্ফীতিকে আরও উসকে দেবে।</p>
<p>বৈশ্বিক বাজার বনাম দেশীয় মূল্য<br />
বিশ্ববাজারে জ্বালানি তেলের দাম নির্ধারিত হয় ব্রেন্ট ক্রুড অয়েলের দামের ওপর ভিত্তি করে। ফলে ব্রেন্ট ক্রুডের আন্তর্জাতিক বাজারে কখন কেমন দাম তার ওপর বিশ্বজুড়ে দেশগুলোর জ্বালানির দাম কত হতে পারে তার একটি ধারণা পাওয়া যায়। তবে কোনও কোনও দেশের নিজস্ব শুল্ক হার, তেল বিক্রির কমিশন এবং তেল পরিবহন ব্যবস্থা অভ্যন্তরীণ জ্বালানির বাজারের দামকে প্রভাবিত করে।</p>
<p>এর আগের দফায় রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধের সময় ২০২২ সালের জানুয়ারিতে ব্রেন্ট ক্রুড অয়েলের দাম ছিল ব্যারেলপ্রতি ৮০ থেকে ৯০ ডলার। বছরের ফেব্রুয়ারিতে যুদ্ধের শুরুতেই তেলের দাম বেড়ে ১০০ ডলারে দাঁড়ায়। মার্চে দাম বেড়ে ব্যারেল প্রতি ১৩৯ ডলারে দাঁড়ায়। বছরের মাঝামাঝি সময়ে আবার তেলের দাম কমে ১১০ ডলারে দাঁড়ায় এবং একেবারে বছরের শেষে আবার দাম ৮৫ ডলারে নেমে আসে।</p>
<p>ওই বছর অর্থাৎ আগস্টে তেলের দাম একবারে অনেকটা বৃদ্ধি করা হয়। সরকারের যুক্তি ছিল—বিপিসির লোকসান কমানো এবং প্রতিবেশী দেশে তেল পাচার রোধ করা। ওই সময় ২০২২ সালে ডিজেল এবং কেরোসিনের দাম ৮০ টাকা থেকে ৪২ ভাগ বাড়িয়ে করা হয় ১১৪ টাকা। অকটেনের দাম ৫১ ভাগ বাড়িয়ে ৮৯ টাকা থেকে ১৩৫ টাকা একই হারে অর্থাৎ ৫১ ভাগ বাড়িয়ে পেট্রোলের দাম ৮৬ টাকা থেকে ১৩০ টাকা করা হয়।</p>
<p>সে সময়ও আন্তর্জাতিক বাজারে তেলের দাম কমে যাচ্ছে এমন পরিস্থিতিতে সরকার দেশে জ্বালানি তেলের দাম বৃদ্ধি করে। এরপর ২০২৩ সালের জানুয়ারিতে সমালোচনার মধ্যে দাম কমানো হয়। তবে আন্তর্জাতিক বাজারে যে হারে তেলের দাম কমেছে ঠিক ওই হারে কমানো হয়নি। সব ধরনের তেলের লিটারপ্রতি কমানো হয় মাত্র ৫ টাকা।</p>
<p>এরপর আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিল (আইএমএফ)-এর দীর্ঘদিনের সংস্কার পরিকল্পনা বাস্তবায়নে বাধ্য হয় বাংলাদেশে। ২০২৪ সালের মার্চ মাস থেকে আন্তর্জাতিক বাজার দরের সঙ্গে সমন্বয় করে দেশে তেলের দাম নির্ধারণ করা হয়। এতে দেশের বাজারে তেলের দাম খানিকটা কমে যায়। বিপিসি লোকসানের কবল থেকে বের হয়ে আসে। এমনকি বিপুল পরিমাণ মুনাফাও করে।<br />
দেখা যায়, ২০২৪ সালে বিশ্ববাজারে ব্রেন্ট ক্রুডের দাম ব্যারেলপ্রতি ৭৫ থেকে ৯০ ডলারের মধ্যে ঘোরাফেরা করেছে। গত বছর ২০২৫ সালেও ব্রেন্ট ক্রুডের দাম ৭৫ থেকে ৮৫ ডলারের মধ্যেই ছিল। এই সময়ে দেশে জ্বালানি তেলের দাম বৃদ্ধি করা হয়নি। এমনকি বিপিসির তরফ থেকে বলাও হয়নি যে তারা লোকসান করছে বা সরকারকে তেলে কোনও ভর্তুকি দিতে হচ্ছে।</p>
<p>সাম্প্রতিক ইরান যুদ্ধের পর দেখা যায় ব্রেন্ট ক্রুডের দাম ১২০ ডলারে উঠে যায়। কিন্তু তা খুব সীমিত সময়ের জন্যে। আজও ব্রেন্ট ক্রুড ৯০ ডলারে পাওয়া যাচ্ছে। হরমুজ প্রণালি খুলে দেওয়ার জন্য বিশ্বনেতারা এক হতে শুরু করেছে। ফ্রান্স এই কাজে অগ্রণী ভূমিকা পালন করছে।</p>
<p>কিন্তু বিশ্ববাজারের এই নিম্নমুখী প্রবণতার মধ্যেই দেশে আজ থেকে তেলের নতুন বর্ধিত দাম কার্যকর হয়েছে। যা কার্যকর হয়েছে রবিবার থেকে। নতুন দাম অনুযায়ী ডিজেল ১০০ টাকা থেকে বাড়িয়ে ১১৫ টাকা, কেরোসিন ১১২ টাকা থেকে বাড়িয়ে ১৩০ টাকা, পেট্রোল ১১৬ টাকা থেকে ১৩৫ টাকা এবং অকটেন ১২০ টাকা থেকে ১৪০ টাকা লিটার করা হয়েছে।</p>
<p>এতে প্রশ্ন উঠছে, এখনও যদি ব্রেন্ট ক্রুডের দাম একই থাকে তাহলে কেন তেলের দাম বাড়ানো হলো। সরকার অবশ্য বলছে লোকসান কমানোর জন্যই এই কাজ করেছে।</p>
<p>তেলের পর এলপিজি, সামনে বিদ্যুৎ<br />
জ্বালানি তেলের পাশাপাশি দ্বিতীয় দফায় বাড়ানো হয়েছে রান্নার গ্যাস এলপিজির দাম। নতুন সিদ্ধান্তে ১২ কেজি সিলিন্ডারের দাম ২১২ টাকা বাড়িয়ে ১ হাজার ৯৪০ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। যা আগে ছিল ১ হাজার ৭২৮ টাকা।</p>
<p>একই সময়ে আলোচনার টেবিলে রয়েছে বিদ্যুতের দাম বাড়ানোর প্রস্তাবও। পিডিবি’র উৎপাদন খরচ ও আয়-ব্যয়ের প্রতিবেদন ইতোমধ্যে মন্ত্রিসভা কমিটিতে পাঠানো হয়েছে। গত ৯ এপ্রিল গঠিত কমিটি বিষয়টি পর্যালোচনা করে চূড়ান্ত সুপারিশ দিলেই বিদ্যুতের দামও বাড়তে পারে।</p>
<p>বাজার ও জনজীবনে প্রভাব<br />
জ্বালানির দাম বাড়ার প্রভাব সরাসরি পড়তে শুরু করেছে নিত্যপণ্যের বাজারে। ইতোমধ্যে বাস ও ট্রাক ভাড়া বাড়তে শুরু করেছে। কৃষি খাতে সেচ এবং শিল্প খাতে কাঁচামাল পরিবহনের খরচ বেড়ে যাওয়ায় উৎপাদন ব্যয় বৃদ্ধির আশঙ্কা দেখা দিয়েছে। এই অতিরিক্ত খরচের চূড়ান্ত বোঝা শেষ পর্যন্ত সাধারণ ভোক্তার কাঁধেই চাপছে।</p>
<p>বিশেষজ্ঞদের মতামত<br />
জ্বালানি বিশেষজ্ঞ অধ্যাপক শামসুল আলম এই সিদ্ধান্তের সমালোচনা করে বলেন, “তেলের দাম বাড়িয়ে সরকার জনগণের প্রতি সুবিচার করেনি। একটি নির্বাচিত সরকারের কাছে জনগণের প্রত্যাশা থাকে তারা জনগণের দিক দেখবে। সরকার ক্ষমতায় এসে প্রথমে ঘোষণা দিয়েছিল কোনও পণ্যের দাম বাড়াবে না, ভর্তুকি দিয়ে পরিস্থিতি সামাল দেবে। কিন্তু আন্তর্জাতিক বাজারে যখন দাম নিম্নমুখী, তখন দেশে দাম বাড়ানো হলো। এই সিদ্ধান্তের ফলে সরকারের প্রতি জনআস্থার সংকট তৈরি হবে।” তিনি একে ‘লুণ্ঠনমূলক’ প্রক্রিয়া হিসেবে অভিহিত করে সামনের দিনগুলোতে পরিস্থিতি ভয়াবহ হতে পারে বলে শঙ্কা প্রকাশ করেন।</p>
<p>অপরদিকে জ্বালানি বিশেষজ্ঞ ইজাজ হোসেন মনে করেন, সরকার কতদিন ভর্তুকি দিয়ে যাবে সে প্রশ্নও রয়েছে। তিনি বলেন, “দাম কিছুটা বাড়ানো ভালো। অন্যান্য দেশও দাম কিছুটা বাড়িয়েছে। এতে সাধারণ মানুষ বুঝতে পারবে—সংকট আছে, ব্যবহারের ক্ষেত্রে সচেতন হতে হবে। তবে সরকারকে নিশ্চিত করতে হবে যেন একশ্রেণির অসাধু চক্র একে পুঁজি করে পরিবহন ভাড়া বা পণ্যের দাম অস্বাভাবিক বাড়িয়ে অতি মুনাফা করতে না পারে। এতে জনগণের ভোগান্তি চরম আকার ধারণ করবে।”বাংলা ট্রিবিউন</p>
]]></content:encoded>
					
					<wfw:commentRss>https://chtnews24.com/2026/04/20/%e0%a6%ac%e0%a6%bf%e0%a6%b6%e0%a7%8d%e0%a6%ac%e0%a6%ac%e0%a6%be%e0%a6%9c%e0%a6%be%e0%a6%b0%e0%a7%87-%e0%a6%9c%e0%a7%8d%e0%a6%ac%e0%a6%be%e0%a6%b2%e0%a6%be%e0%a6%a8%e0%a6%bf%e0%a6%b0-%e0%a6%a6%e0%a6%be/feed/</wfw:commentRss>
			<slash:comments>0</slash:comments>
		
		
			</item>
		<item>
		<title>আইএমএফের ঋণ পাওয়া কেন গুরুত্বপূর্ণ</title>
		<link>https://chtnews24.com/2026/04/20/%e0%a6%86%e0%a6%87%e0%a6%8f%e0%a6%ae%e0%a6%8f%e0%a6%ab%e0%a7%87%e0%a6%b0-%e0%a6%8b%e0%a6%a3-%e0%a6%aa%e0%a6%be%e0%a6%93%e0%a6%af%e0%a6%bc%e0%a6%be-%e0%a6%95%e0%a7%87%e0%a6%a8-%e0%a6%97%e0%a7%81/</link>
					<comments>https://chtnews24.com/2026/04/20/%e0%a6%86%e0%a6%87%e0%a6%8f%e0%a6%ae%e0%a6%8f%e0%a6%ab%e0%a7%87%e0%a6%b0-%e0%a6%8b%e0%a6%a3-%e0%a6%aa%e0%a6%be%e0%a6%93%e0%a6%af%e0%a6%bc%e0%a6%be-%e0%a6%95%e0%a7%87%e0%a6%a8-%e0%a6%97%e0%a7%81/#respond</comments>
		
		<dc:creator><![CDATA[adminchtnews24]]></dc:creator>
		<pubDate>Mon, 20 Apr 2026 02:22:39 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[Second lead]]></category>
		<category><![CDATA[অর্থ-বানিজ্য]]></category>
		<category><![CDATA[জাতীয়]]></category>
		<category><![CDATA[বিশেষ প্রতিবেদন]]></category>
		<category><![CDATA[শিরোনাম]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://chtnews24.com/?p=36912</guid>

					<description><![CDATA[ডেস্ক রির্পোট:- বাংলাদেশের অর্থনীতির বর্তমান প্রেক্ষাপটে আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিল (আইএমএফ) থেকে ঋণ পাওয়া এখন কেবল অর্থের জোগান নয়— বরং বৈশ্বিক অর্থনৈতিক আস্থার একটি গুরুত্বপূর্ণ পরীক্ষা হয়ে দাঁড়িয়েছে। বৈদেশিক মুদ্রার চাপ, জ্বালানি সংকট, বাজেট ঘাটতি এবং উচ্চ মূল্যস্ফীতির মতো বহুমাত্রিক চ্যালেঞ্জের মুখে এই ঋণ কর্মসূচি সচল রাখা নীতিনির্ধারকদের জন্য অগ্রাধিকারের বিষয় হয়ে উঠেছে। সম্প্রতি যুক্তরাষ্ট্রের ওয়াশিংটনে [&#8230;]]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[<p>ডেস্ক রির্পোট:- বাংলাদেশের অর্থনীতির বর্তমান প্রেক্ষাপটে আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিল (আইএমএফ) থেকে ঋণ পাওয়া এখন কেবল অর্থের জোগান নয়— বরং বৈশ্বিক অর্থনৈতিক আস্থার একটি গুরুত্বপূর্ণ পরীক্ষা হয়ে দাঁড়িয়েছে। বৈদেশিক মুদ্রার চাপ, জ্বালানি সংকট, বাজেট ঘাটতি এবং উচ্চ মূল্যস্ফীতির মতো বহুমাত্রিক চ্যালেঞ্জের মুখে এই ঋণ কর্মসূচি সচল রাখা নীতিনির্ধারকদের জন্য অগ্রাধিকারের বিষয় হয়ে উঠেছে।</p>
<p>সম্প্রতি যুক্তরাষ্ট্রের ওয়াশিংটনে অনুষ্ঠিত বিশ্বব্যাংক-আইএমএফের বসন্তকালীন বৈঠকে অংশ নিয়ে বাংলাদেশের অর্থ ও পরিকল্পনামন্ত্রী জানিয়েছেন, জ্বালানি সংকট মোকাবিলা ও বাজেট সহায়তার জন্য আইএমএফসহ উন্নয়ন সহযোগীদের কাছ থেকে একটি বড় আকারের ঋণ প্যাকেজ পাওয়ার চেষ্টা চলছে। সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলো বলছে, এই প্যাকেজের আকার ৩০০ কোটি ডলারের বেশি হতে পারে।</p>
<p>ঋণের পথ মসৃণ করতে জ্বালানির দাম সমন্বয়<br />
আন্তর্জাতিক বাজারের সঙ্গে দীর্ঘদিনের অমিল ও বাড়তে থাকা ভর্তুকির চাপের মুখে সরকার জ্বালানি তেলের দাম সমন্বয় করেছে। অর্থনীতিবিদদের মতে, এই সিদ্ধান্ত শুধু অভ্যন্তরীণ চাপ সামাল দেওয়ার জন্য নয়— বরং আইএমএফের ঋণ প্রাপ্তির প্রক্রিয়াকে এগিয়ে নেওয়ার ক্ষেত্রেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।</p>
<p>আইএমএফ দীর্ঘদিন ধরে জ্বালানি খাতে ভর্তুকি কমানোর ওপর জোর দিয়ে আসছে। তাদের যুক্তি, অতিরিক্ত ভর্তুকি বাজেট ঘাটতি বাড়ায় এবং অর্থনীতির দীর্ঘমেয়াদি স্থিতিশীলতাকে দুর্বল করে। সেই বিবেচনায় জ্বালানির দাম সমন্বয়কে একটি কাঠামোগত সংস্কার হিসেবে দেখা হচ্ছে।</p>
<p>বহুমাত্রিক চাপে অর্থনীতি<br />
বাংলাদেশ বর্তমানে একাধিক অর্থনৈতিক চাপের মধ্যে রয়েছে—বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভের চাপ, উচ্চ মূল্যস্ফীতি, রাজস্ব আহরণের সীমাবদ্ধতা এবং বাড়তে থাকা ব্যয়। এসব কারণে অর্থনীতির ভারসাম্য রক্ষা কঠিন হয়ে উঠেছে।</p>
<p>এই প্রেক্ষাপটে আইএমএফের ঋণ শুধু অর্থের উৎস নয়, এটি একটি গুরুত্বপূর্ণ নীতিগত আস্থার সংকেত। অর্থনীতিবিদদের মতে, আইএমএফের কিস্তি আটকে গেলে অন্যান্য উন্নয়ন সহযোগী সংস্থার অর্থায়নও ঝুঁকির মুখে পড়ে। ফলে বৈদেশিক লেনদেন, আমদানি ব্যয় মেটানো এবং মুদ্রার স্থিতিশীলতা বজায় রাখা কঠিন হয়ে যেতে পারে।</p>
<p>ভর্তুকির চাপ কমাতে বাধ্য সরকার<br />
দীর্ঘদিন ধরে আন্তর্জাতিক বাজারের তুলনায় কম দামে জ্বালানি সরবরাহ করতে বিপুল ভর্তুকি দিয়ে আসছিল সরকার। তবে সাম্প্রতিক সময়ে মধ্যপ্রাচ্যের অস্থিরতা, বিশেষ করে হরমুজ প্রণালি ঘিরে উত্তেজনা—বৈশ্বিক বাজারে তেলের দাম বাড়িয়ে দিয়েছে। এতে ভর্তুকির চাপ বহন করা ক্রমেই কঠিন হয়ে পড়ে।</p>
<p>রাজস্ব আহরণ প্রত্যাশিত হারে না বাড়া এবং ব্যয় বৃদ্ধি পাওয়ায় সরকারের সামনে বিকল্প সীমিত হয়ে যায়। ফলে ভর্তুকি কমাতে জ্বালানির দাম সমন্বয় ছিল প্রায় অনিবার্য।</p>
<p>ঋণ ছাড়ের শর্ত পূরণে বার্তা<br />
বর্তমানে আইএমএফের একটি বড় কিস্তি ঝুলে আছে। সংস্থাটি স্পষ্ট করে জানিয়েছে, ভর্তুকি কমানোসহ কাঠামোগত সংস্কারে অগ্রগতি না হলে ঋণ ছাড়ে অনিশ্চয়তা তৈরি হবে।</p>
<p>এই পরিস্থিতিতে জ্বালানির দাম সমন্বয়কে অর্থনীতিবিদরা একটি গুরুত্বপূর্ণ সংকেত হিসেবে দেখছেন। তাদের মতে, এর মাধ্যমে সরকার আইএমএফকে দেখাতে চেয়েছে যে, কঠিন হলেও প্রয়োজনীয় সংস্কার বাস্তবায়নে তারা প্রস্তুত।</p>
<p>বাড়ছে মূল্যস্ফীতির ঝুঁকি<br />
জ্বালানির দাম বৃদ্ধির সরাসরি প্রভাব পড়ে পরিবহন, উৎপাদন ও সরবরাহ ব্যয়ের ওপর, যা শেষ পর্যন্ত পণ্যের দামে প্রতিফলিত হয়। ফলে মূল্যস্ফীতি আরও বাড়ার আশঙ্কা রয়েছে।</p>
<p>বিশেষ করে নিম্ন ও নির্দিষ্ট আয়ের মানুষের ওপর এর প্রভাব সবচেয়ে বেশি পড়বে। অর্থনীতিবিদরা মনে করেন, এই ধাক্কা সামাল দিতে অন্তত স্বল্পমেয়াদে একটি জরুরি সামাজিক সুরক্ষা কর্মসূচি প্রয়োজন— যেখানে খাদ্য সহায়তা ও নগদ সহায়তার মাধ্যমে দরিদ্র জনগোষ্ঠীকে সুরক্ষা দেওয়া হবে।</p>
<p>সরবরাহ ব্যবস্থার দুর্বলতা<br />
বিশ্লেষকদের মতে, ভর্তুকি দিয়ে কম দামে জ্বালানি সরবরাহ করা হলেও সরবরাহব্যবস্থার দুর্বলতার কারণে তার সুফল পুরোপুরি পাওয়া যায়নি। জ্বালানি সংকটের কারণে পরিবহন ব্যয় আগেই বেড়ে গিয়েছিল, যা পণ্যমূল্য বৃদ্ধির অন্যতম কারণ।</p>
<p>এখন জ্বালানির দাম বাড়ানোর পর সরকারের বড় চ্যালেঞ্জ হবে সরবরাহব্যবস্থা স্বাভাবিক রাখা। তা না হলে নতুন করে মূল্যস্ফীতির চাপ তৈরি হতে পারে।</p>
<p>আস্থার প্রতীক হিসেবে আইএমএফ<br />
বিশ্বব্যাংকের ঢাকা কার্যালয়ের সাবেক মুখ্য অর্থনীতিবিদ জাহিদ হোসেন আইএমএফকে একটি ‘সিগন্যালিং ইনস্টিটিউশন”’ হিসেবে উল্লেখ করেন। অর্থাৎ, কোনও দেশের অর্থনৈতিক নীতি ও সংস্কারে আইএমএফ সন্তুষ্ট থাকলে অন্যান্য উন্নয়ন সহযোগী সংস্থাও সেই দেশের প্রতি আস্থা পায়।</p>
<p>ফলে আইএমএফ কর্মসূচি সচল থাকলে বিশ্বব্যাংক, এডিবি, জাইকা বা আইএফসির মতো সংস্থাগুলোর কাছ থেকেও সহজে অর্থায়ন পাওয়া যায়। বিপরীতে, এই সম্পর্ক দুর্বল হলে বহুপাক্ষিক সহায়তার প্রবাহও বাধাগ্রস্ত হতে পারে।</p>
<p>বৈদেশিক মুদ্রার চাপ মোকাবিলা<br />
বর্তমানে বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ চাপের মুখে রয়েছে, একইসঙ্গে জ্বালানি আমদানি ব্যয় বেড়েছে। এই পরিস্থিতিতে আইএমএফের ঋণ সরাসরি বৈদেশিক মুদ্রার জোগান বাড়াতে সহায়তা করে।</p>
<p>এ ছাড়া এই ঋণ বাজেট সহায়তা হিসেবেও ব্যবহৃত হতে পারে, যা সরকারের ব্যয় ব্যবস্থাপনায় স্বস্তি আনে— বিশেষ করে বড় আমদানি ব্যয় বা ঋণ পরিশোধের সময়।</p>
<p>সংস্কার বাস্তবায়নের চাপ<br />
আইএমএফের ঋণের সঙ্গে যুক্ত শর্তগুলো স্বল্পমেয়াদে কঠিন হলেও দীর্ঘমেয়াদে অর্থনীতির জন্য ইতিবাচক বলে মনে করা হয়। বাংলাদেশকে ব্যাংক খাত সংস্কার, রাজস্ব আহরণ বৃদ্ধি, ভ্যাট কাঠামো সরলীকরণ এবং বিনিময় হার ব্যবস্থায় পরিবর্তনের মতো ক্ষেত্রে অগ্রগতি দেখাতে বলা হয়েছে।</p>
<p>তবে বাস্তবে এসব ক্ষেত্রে অগ্রগতি ধীর। রাজস্ব আদায়ে লক্ষ্যমাত্রা অর্জিত হয়নি, ভ্যাট কাঠামো এখনো জটিল, এবং ব্যাংক খাতের সংস্কারও অসম্পূর্ণ। ফলে পরবর্তী কিস্তি ছাড় নিয়ে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে।</p>
<p>কিস্তি ছাড়ের অনিশ্চয়তা<br />
বর্তমান ঋণ কর্মসূচির আওতায় বাংলাদেশ এখন পর্যন্ত পাঁচ কিস্তিতে ৩৬৪ কোটি ডলার পেয়েছে। বাকি ১৮৬ কোটি ডলারের মধ্যে ষষ্ঠ কিস্তির ১৩০ কোটি ডলার এখনও ছাড় হয়নি।</p>
<p>আইএমএফের পর্যালোচনা মিশন মে মাসে ঢাকায় আসতে পারে। ফলে জুনের বোর্ড সভায় কিস্তি ছাড়ের সম্ভাবনা কমে গেছে। সরকার এখন জুলাইয়ের বোর্ড সভায় অনুমোদন পাওয়ার চেষ্টা করছে।</p>
<p>সরকারের অবস্থান<br />
সরকার আনুষ্ঠানিকভাবে বলছে, জ্বালানি তেলের দাম বৃদ্ধির সঙ্গে আইএমএফের কোনও সরাসরি সম্পর্ক নেই। অর্থ ও পরিকল্পনামন্ত্রী আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরীর দাবি, আইএমএফ বৈঠকের আগেই দেশে তেলের দাম সমন্বয় করা হয়েছে।</p>
<p>তিনি বলেন, ‘‘দীর্ঘদিন ধরে ভর্তুকির মাধ্যমে দাম নিয়ন্ত্রণে রাখা হলেও এতে রাষ্ট্রীয় তহবিলের ওপর বড় চাপ তৈরি হচ্ছিল। সেই চাপ সামাল দিতেই সীমিত পরিসরে মূল্য সমন্বয় করা হয়েছে।’’ আন্তর্জাতিক বাজারের তুলনায় এই বৃদ্ধি এখনও সহনীয় বলেও দাবি করেন তিনি।</p>
<p>এখন কেন গুরুত্বপূর্ণ<br />
বর্তমান বৈশ্বিক অনিশ্চয়তার প্রেক্ষাপটে আইএমএফের ঋণ বাংলাদেশের জন্য তিনটি কারণে বিশেষ গুরুত্বপূর্ণ— এটি সরাসরি বৈদেশিক মুদ্রার জোগান বাড়ায়, অন্যান্য দাতার কাছ থেকে অর্থায়নের পথ সহজ করে এবং অর্থনৈতিক সংস্কার বাস্তবায়নে নীতিগত চাপ সৃষ্টি করে।</p>
<p>সব মিলিয়ে, আইএমএফের ঋণ এখন বাংলাদেশের জন্য কেবল অর্থনৈতিক সহায়তা নয়— এটি অর্থনীতির স্থিতিশীলতা, নীতিগত বিশ্বাসযোগ্যতা এবং বৈশ্বিক আস্থার একটি গুরুত্বপূর্ণ মানদণ্ড।</p>
<p>একদিকে এই ঋণ নিশ্চিত করা, অপরদিকে জ্বালানি মূল্যবৃদ্ধির প্রভাব থেকে সাধারণ মানুষকে সুরক্ষা দেওয়া— এই দুইয়ের মধ্যে ভারসাম্য রক্ষা করাই এখন সরকারের সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ। বাংলা ট্রিবিউন</p>
]]></content:encoded>
					
					<wfw:commentRss>https://chtnews24.com/2026/04/20/%e0%a6%86%e0%a6%87%e0%a6%8f%e0%a6%ae%e0%a6%8f%e0%a6%ab%e0%a7%87%e0%a6%b0-%e0%a6%8b%e0%a6%a3-%e0%a6%aa%e0%a6%be%e0%a6%93%e0%a6%af%e0%a6%bc%e0%a6%be-%e0%a6%95%e0%a7%87%e0%a6%a8-%e0%a6%97%e0%a7%81/feed/</wfw:commentRss>
			<slash:comments>0</slash:comments>
		
		
			</item>
		<item>
		<title>জ্বালানির চাপ জনজীবনে</title>
		<link>https://chtnews24.com/2026/04/20/%e0%a6%9c%e0%a7%8d%e0%a6%ac%e0%a6%be%e0%a6%b2%e0%a6%be%e0%a6%a8%e0%a6%bf%e0%a6%b0-%e0%a6%9a%e0%a6%be%e0%a6%aa-%e0%a6%9c%e0%a6%a8%e0%a6%9c%e0%a7%80%e0%a6%ac%e0%a6%a8%e0%a7%87/</link>
					<comments>https://chtnews24.com/2026/04/20/%e0%a6%9c%e0%a7%8d%e0%a6%ac%e0%a6%be%e0%a6%b2%e0%a6%be%e0%a6%a8%e0%a6%bf%e0%a6%b0-%e0%a6%9a%e0%a6%be%e0%a6%aa-%e0%a6%9c%e0%a6%a8%e0%a6%9c%e0%a7%80%e0%a6%ac%e0%a6%a8%e0%a7%87/#respond</comments>
		
		<dc:creator><![CDATA[adminchtnews24]]></dc:creator>
		<pubDate>Mon, 20 Apr 2026 02:12:53 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[Second lead]]></category>
		<category><![CDATA[অর্থ-বানিজ্য]]></category>
		<category><![CDATA[জাতীয়]]></category>
		<category><![CDATA[শিরোনাম]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://chtnews24.com/?p=36900</guid>

					<description><![CDATA[ডেস্ক রির্পোট:- জ্বালানির দাম বাড়ায় নতুন করে চাপ তৈরি হয়েছে জনজীবনে। দাম বৃদ্ধির কারণে জীবনযাত্রার ব্যয় এবং সার্বিক মূল্যস্ফীতি বেড়ে যাওয়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে। বিশেষ করে জ্বালানি তেলের দাম বাড়ায় পরিবহন, কৃষি, শিল্প ও নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের দাম আরও বাড়তে পারে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, জ্বালানি তেলের দাম বাড়লে তার সরাসরি ও পরোক্ষ নেতিবাচক [&#8230;]]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[<p>ডেস্ক রির্পোট:- জ্বালানির দাম বাড়ায় নতুন করে চাপ তৈরি হয়েছে জনজীবনে। দাম বৃদ্ধির কারণে জীবনযাত্রার ব্যয় এবং সার্বিক মূল্যস্ফীতি বেড়ে যাওয়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে। বিশেষ করে জ্বালানি তেলের দাম বাড়ায় পরিবহন, কৃষি, শিল্প ও নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের দাম আরও বাড়তে পারে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, জ্বালানি তেলের দাম বাড়লে তার সরাসরি ও পরোক্ষ নেতিবাচক প্রভাব পড়বে পুরো অর্থনীতিতে। জ্বালানির দাম বাড়লে প্রথমেই পরিবহন খরচ বেড়ে যায়। এরপর শিল্প উৎপাদন, কৃষি সেচ এবং সরবরাহ ব্যবস্থায় ব্যয় বাড়ে। পণ্যের দাম বাড়তে শুরু করে। ফলে সামগ্রিক মূল্যস্ফীতি বাড়ে। মোটাদাগে জ্বালানি তেলের দাম বাড়লে সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয় নিম্ন ও মধ্যবিত্ত শ্রেণি। এ ছাড়া মানুষের প্রকৃত আয় কমে যায়। বিশেষ করে শ্রমজীবী মানুষের জন্য পরিস্থিতি আরও কঠিন হয়ে পড়ে। কারণ তাদের আয় স্থির থাকলেও ব্যয় ক্রমাগত বাড়তে থাকে। ইতিমধ্যেই জ্বালানি সংকট কৃষি, শিল্প, যানবাহনসহ বিদ্যুৎ খাতেও মারাত্মক নেতিবাচক প্রভাব পড়ছে।</p>
<p>মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধ শুরু হওয়ার পর হরমুজ প্রণালি হয়ে আসার তেলের সরবরাহ বাধাগ্রস্ত হয়। ফলে দেশে জ্বালানির সংকট দেখা দেয়। রোববার থেকে কার্যকর নতুন দরে ডিজেলের লিটার ১৫ টাকা বাড়িয়ে ১১৫ টাকা নির্ধারণ করেছে সরকার। একইসঙ্গে অকটেন ২০ টাকা বাড়িয়ে ১৪০ টাকা এবং পেট্রোল ১৯ টাকা বাড়িয়ে ১৩৫ টাকা করা হয়েছে। কেরোসিনের দামও লিটারে ১৮ টাকা বাড়িয়ে ১৩০ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। রান্নার কাজে ব্যবহৃত এলপিজি’র দামও বাড়ানো হয়েছে, যা কার্যকর হয়েছে। ১২ কেজি সিলিন্ডারের দাম ২১২ টাকা বাড়িয়ে ১ হাজার ৯৪০ টাকা নির্ধারণ করেছে বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশন (বিইআরসি)।</p>
<p>জ্বালানির দাম বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে পরিবহন খাতে ভাড়া বৃদ্ধির চাপ তৈরি হয়েছে। সকালে দাম বাড়ার ঘোষণার পর বিকালের মধ্যেই দূরপাল্লার বাস ভাড়া বাড়ানোর দাবি জানায় বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন মালিক সমিতি। সংগঠনটির মহাসচিব মো. সাইফুল আলম বলেন, তেলের দাম বাড়লেও ভাড়া সমন্বয়ের কোনো নির্দেশনা না থাকায় মালিকরা লোকসানে পড়ছেন। তিনি কিলোমিটারপ্রতি ভাড়া ২ টাকা ১২ পয়সা থেকে বাড়িয়ে ৪ টাকা ৫ পয়সা করার দাবি জানান।<br />
ঢাকার বিভিন্ন পাইকারি বাজারে প্রতিদিন সারা দেশ থেকে শত শত পণ্যবাহী ট্রাক আসে। এসব পরিবহনে ব্যবহৃত ডিজেলের দাম বাড়ায় নিত্যপণ্যের সরবরাহ ব্যয় বাড়বে, যা খুচরা বাজারে দামের ওপর প্রভাব ফেলতে পারে। ইতিমধ্যে কাঁচাবাজারে সব ধরনের পণ্যের দাম বাড়তে শুরু করেছে। অধিকাংশ সবজির দাম কেজিপ্রতি ৮০ টাকার ওপরে উঠে গেছে, যা রোজার সময় ৬০ টাকার মধ্যে ছিল। ডিমের ডজনও মাস খানেকের ব্যবধানে ১১০ টাকা থেকে বেড়ে ১২৮ টাকায় দাঁড়িয়েছে।</p>
<p>কলকারখানার জেনারেটর চালানো এবং বিভিন্ন যন্ত্রাংশ পরিচালনার জন্য জ্বালানি তেলের প্রয়োজন হয়। তেলের দাম বাড়লে শিল্প পণ্যের উৎপাদন খরচ বেড়ে যায়, যা স্থানীয় বাজার ও রপ্তানি-উভয় ক্ষেত্রেই পণ্যের প্রতিযোগিতামূলক অবস্থানকে দুর্বল করে দেয়।</p>
<p>কৃষি খাতেও এর সরাসরি প্রভাব পড়বে। দেশে সেচকাজে ব্যাপকভাবে ডিজেলচালিত পাম্প ব্যবহৃত হয়। ফলে ডিজেলের দাম বাড়ায় ধানসহ অন্যান্য ফসলের উৎপাদন খরচ বাড়বে। এতে খাদ্যপণ্যের দাম আরও বাড়ার আশঙ্কা করা হচ্ছে।</p>
<p>এ ছাড়া বিদ্যুৎ ঘাটতির কারণে শিল্পকারখানা, শপিংমল ও হাসপাতালগুলোতে জেনারেটর ব্যবহার করতে হয়, যা মূলত ডিজেলনির্ভর। জ্বালানির দাম বাড়ায় এসব প্রতিষ্ঠানের ব্যয় বাড়বে এবং এর প্রভাব পণ্য ও সেবার খরচ বেশি পড়বে। ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্প উদ্যোক্তারা এতে বেশি চাপে পড়বেন বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।</p>
<p>বিমানের জ্বালানি বা জেট ফুয়েলের দাম বাড়লে বিমানের টিকিট এবং ভ্রমণের সার্বিক খরচ বেড়ে যায়। এটি অভ্যন্তরীণ ও আন্তর্জাতিক পর্যটন খাতের ওপর নেতিবাচক প্রভাব ফেলে।</p>
<p>অন্যদিকে, রাইড শেয়ারিং খাতেও এর প্রভাব পড়েছে। পাঠাও ও উবারসহ বিভিন্ন প্ল্যাটফরমে যুক্ত চালকদের পাশাপাশি অফলাইনে কাজ করা চালকরাও জ্বালানির জন্য দীর্ঘ সময় লাইনে দাঁড়াতে বাধ্য হচ্ছেন। এতে তাদের আয় কমে যাচ্ছে। অনেক চালক প্রতি রাইডে অতিরিক্ত ৫০ থেকে ৭০ টাকা ভাড়া দাবি করছেন।</p>
<p>এদিকে ব্যবসায়ীরাও চাপে পড়েছেন। সন্ধ্যার পর শপিংমল ও মার্কেট বন্ধ হয়ে যাওয়ায় বিক্রি কমে গেছে। ফলে সীমিত আয়ের মানুষ, বিশেষ করে নিম্ন ও মধ্যবিত্ত শ্রেণির মানুষদের পক্ষে এই অস্থিরতার ভার বহন করা কঠিন হয়ে পড়ে।<br />
ওদিকে নতুন করে জ্বালানির দাম বাড়লেও মূল্যস্ফীতির ওপর বড় ধরনের প্রভাব পড়বে না বলে দাবি করেছেন অর্থমন্ত্রী আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী। তিনি বলেন, মূল্যস্ফীতি কেবল জ্বালানির দামের ওপর নির্ভর করে না; বরং বাজারে পণ্যের সরবরাহ ও চাহিদার ভারসাম্যের ওপর নির্ভর করে। বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর তথ্য অনুযায়ী, মার্চ মাসে মূল্যস্ফীতি ৮.৭১ শতাংশে নেমেছে, যা ফেব্রুয়ারিতে ছিল ৯.১৩ শতাংশ। বাংলাদেশ উন্নয়ন গবেষণা প্রতিষ্ঠানের সাবেক মহাপরিচালক ড. মোস্তফা কে মুজেরী বলেন, দেশে প্রায় ৯ শতাংশের কাছাকাছি মূল্যস্ফীতি বিরাজ করছে।</p>
<p>নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের দাম বেশি থাকায় নিম্ন ও মধ্যবিত্ত শ্রেণি চাপে রয়েছে। জ্বালানি তেল ও এলপিজি’র দাম বাড়ায় এই চাপ আরও বাড়বে। গবেষণা প্রতিষ্ঠান পলিসি থিংক অ্যান্ড ইকোনোমিক রিসার্চ সেন্টারের (পিটিইআরসি) চেয়ারম্যান মো. মাজেদুল হক বলেন, ডিজেলের দাম আরেকটু কম বাড়ানোর দরকার ছিল। ৫-৭ টাকা বাড়ানো যেতো। এক ধাক্কায় ১৫ টাকা বাড়ানো অর্থনীতির ওপর অনেক বড় চাপ তৈরি করবে। কারণ ডিজেল ব্যবহৃত হয় সবচেয়ে বেশি। গরিবদের কাজে বেশি ব্যবহার হয় ডিজেল। যেমন কৃষি কাজ ও পিকআপ বা ট্রাকে ডিজেলের ব্যবহার হয়। তিনি মনে করেন, দেশের জনগণের ওপর জ্বালানি তেলের মূল্য বৃদ্ধি বড় ধরনের প্রভাব ফেলবে। বিশেষ করে দরিদ্র জনগোষ্ঠিকে অনেক কষ্ট পেতে হবে। জ্বালানি বিশেষজ্ঞ ম তামিম বলেন, জ্বালানির দাম বাড়লে, বিশেষ করে ডিজেলের দাম বাড়লে মূল্যস্ফীতি বেড়ে যাবে। কারণ এটি পণ্য পরিবহনে ব্যবহৃত ট্রাক বা গণপরিবহনে বেশি ব্যবহৃত হয়। তবে এর মাশুল দিতে হবে সাধারণ মানুষকেই। জামায়াতের সেক্রেটারি জেনারেল গোলাম পরওয়ার বলেন, জ্বালানির মূল্যবৃদ্ধির ফলে দেশের সার্বিক অর্থনীতিতে নেতিবাচক প্রভাব ফেলবে। এতে সাধারণ মানুষের জীবনে নতুন করে দুর্ভোগ ডেকে আনবে। সরকারের এই গণবিরোধী সিদ্ধান্তে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করছি এবং প্রতিবাদ জানাচ্ছি।</p>
<p>পোশাক মালিকদের সংগঠন বিজিএমইএর পরিচালক ফয়সাল সামাদ বলেন, জ্বালানির সংকটে দেশের সব শিল্পকারখানায় উৎপাদন কমে গেছে অন্তত ৩০ শতাংশ। বন্ধ হয়ে গেছে অনেক কারখানা। বিশেষ করে ডিজেলচালিত কারখানাগুলো একেবারেই বন্ধ রয়েছে। বিকেএমইএর সিনিয়র সহ-সভাপতি ফজলে শামীম এহসান বলেন, সরকারের পক্ষ থেকে বলা হচ্ছে, শিল্প খাতকে অগ্রাধিকার দিয়ে জ্বালানি সরবরাহ নিশ্চিত করার সর্বোচ্চ চেষ্টা করা হচ্ছে, কিন্তু কার্যত তা বাস্তবে দেখা যাচ্ছে না।মানবজমিন</p>
]]></content:encoded>
					
					<wfw:commentRss>https://chtnews24.com/2026/04/20/%e0%a6%9c%e0%a7%8d%e0%a6%ac%e0%a6%be%e0%a6%b2%e0%a6%be%e0%a6%a8%e0%a6%bf%e0%a6%b0-%e0%a6%9a%e0%a6%be%e0%a6%aa-%e0%a6%9c%e0%a6%a8%e0%a6%9c%e0%a7%80%e0%a6%ac%e0%a6%a8%e0%a7%87/feed/</wfw:commentRss>
			<slash:comments>0</slash:comments>
		
		
			</item>
		<item>
		<title>কমছে বিদেশি সহায়তা, ঋণ পরিশোধের চাপ বাড়ছে,জুলাই-ফেব্রুয়ারিতে কমেছে ২৬ দশমিক ২ শতাংশ, বেড়েছে ঋণ পরিষেবা ব্যয়</title>
		<link>https://chtnews24.com/2026/04/03/%e0%a6%95%e0%a6%ae%e0%a6%9b%e0%a7%87-%e0%a6%ac%e0%a6%bf%e0%a6%a6%e0%a7%87%e0%a6%b6%e0%a6%bf-%e0%a6%b8%e0%a6%b9%e0%a6%be%e0%a6%af%e0%a6%bc%e0%a6%a4%e0%a6%be-%e0%a6%8b%e0%a6%a3-%e0%a6%aa%e0%a6%b0/</link>
					<comments>https://chtnews24.com/2026/04/03/%e0%a6%95%e0%a6%ae%e0%a6%9b%e0%a7%87-%e0%a6%ac%e0%a6%bf%e0%a6%a6%e0%a7%87%e0%a6%b6%e0%a6%bf-%e0%a6%b8%e0%a6%b9%e0%a6%be%e0%a6%af%e0%a6%bc%e0%a6%a4%e0%a6%be-%e0%a6%8b%e0%a6%a3-%e0%a6%aa%e0%a6%b0/#respond</comments>
		
		<dc:creator><![CDATA[adminchtnews24]]></dc:creator>
		<pubDate>Fri, 03 Apr 2026 02:49:00 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[Second lead]]></category>
		<category><![CDATA[অর্থ-বানিজ্য]]></category>
		<category><![CDATA[শিরোনাম]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://chtnews24.com/?p=36662</guid>

					<description><![CDATA[ডেস্ক রির্পোট:- চলতি অর্থবছরের (২০২৫-২৬) জুলাই-ফেব্রুয়ারি সময়ে বৈদেশিক সহায়তা ছাড় উল্লেখযোগ্য হারে কমেছে। বেড়েছে ঋণ পরিশোধের চাপ। এতে বাংলাদেশের সামষ্টিক অর্থনীতিতে চাপ তৈরি হয়েছে। সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা বলছেন, একদিকে সহায়তার প্রবাহ কমছে, অন্যদিকে বিদ্যমান বিদেশি ঋণের বোঝা বাড়ছে, যা জাতীয় অর্থনীতির জন্য উদ্বেগজনক। অর্থনৈতিক সম্পর্ক বিভাগের (ইআরডি) সর্বশেষ প্রাথমিক তথ্য অনুযায়ী, আলোচ্য সময়ে বৈদেশিক উন্নয়ন অংশীদাররা [&#8230;]]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[<p>ডেস্ক রির্পোট:- চলতি অর্থবছরের (২০২৫-২৬) জুলাই-ফেব্রুয়ারি সময়ে বৈদেশিক সহায়তা ছাড় উল্লেখযোগ্য হারে কমেছে। বেড়েছে ঋণ পরিশোধের চাপ। এতে বাংলাদেশের সামষ্টিক অর্থনীতিতে চাপ তৈরি হয়েছে। সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা বলছেন, একদিকে সহায়তার প্রবাহ কমছে, অন্যদিকে বিদ্যমান বিদেশি ঋণের বোঝা বাড়ছে, যা জাতীয় অর্থনীতির জন্য উদ্বেগজনক।</p>
<p>অর্থনৈতিক সম্পর্ক বিভাগের (ইআরডি) সর্বশেষ প্রাথমিক তথ্য অনুযায়ী, আলোচ্য সময়ে বৈদেশিক উন্নয়ন অংশীদাররা মোট ৩০৫ কোটি ডলার সহায়তা ছাড় করেছে। আগের অর্থবছরের একই সময়ে এর পরিমাণ ছিল ৪১৩ কোটি ডলার। অর্থাৎ এক বছরের ব্যবধানে সহায়তা ছাড় কমেছে ২৬ দশমিক ২ শতাংশ।</p>
<p>অন্যদিকে সহায়তা কমলেও ঋণ পরিশোধের চাপ ক্রমেই বাড়ছে। ইআরডির তথ্য বলছে, চলতি অর্থবছরের প্রথম আট মাসে বিদেশি ঋণের বিপরীতে মোট পরিশোধের পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ২৯০ কোটি ডলার, যা গত বছরের একই সময়ে ২৬৪ কোটি ডলারের তুলনায় ১০ দশমিক ৩৬ শতাংশ বেশি।</p>
<p>বিশেষ করে বিনিময় হার ওঠানামার কারণে স্থানীয় মুদ্রায় এই চাপ আরও তীব্র হয়ে উঠেছে। গত অর্থবছরে যেখানে মোট ঋণ পরিষেবা ব্যয় ছিল ৩১ হাজার ৬৫৯ কোটি টাকা, সেখানে চলতি অর্থবছরে তা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৩৫ হাজার ৩৯৩ কোটি টাকায়। ফলে জাতীয় কোষাগারের ওপর বাড়তি চাপ তৈরি হচ্ছে। এদিকে বৈদেশিক সহায়তার প্রতিশ্রুতির ক্ষেত্রে সামান্য ইতিবাচক প্রবণতা দেখা গেছে। জুলাই-ফেব্রুয়ারি সময়ে মোট প্রতিশ্রুতি এসেছে ২৪৩ কোটি ডলার, যা আগের অর্থবছরের একই সময়ে ছিল ২৩৫ কোটি ডলার। প্রকল্প সহায়তা এখনো বৈদেশিক সহায়তার প্রধান উৎস হিসেবে রয়েছে। তবে প্রতিশ্রুতি ও ছাড়- উভয় ক্ষেত্রেই কিছুটা সংকোচন লক্ষ্য করা গেছে। অন্যদিকে, খাদ্য সহায়তা খুবই সীমিত পর্যায়ে রয়েছে। আলোচ্য সময়ে মাত্র ২ কোটি ৫০ লাখ ডলার অনুদান হিসেবে ছাড় হয়েছে, যা আগের অর্থবছরের একই সময়ের সমান। পরিসংখ্যান অনুযায়ী, চলতি অর্থবছরের প্রথম আট মাসে সরকার মূলধন হিসেবে ১৯৪ কোটি ৪০ লাখ ডলার এবং সুদ হিসেবে ৯৫ কোটি ৫৮ লাখ ডলার পরিশোধ করেছে। আগের অর্থবছরের একই সময়ে মূলধন পরিশোধ ছিল ১৬৯ কোটি ২০ লাখ ডলার এবং সুদ পরিশোধ ছিল ৯৪ কোটি ৪০ লাখ ডলার।</p>
<p>&nbsp;</p>
]]></content:encoded>
					
					<wfw:commentRss>https://chtnews24.com/2026/04/03/%e0%a6%95%e0%a6%ae%e0%a6%9b%e0%a7%87-%e0%a6%ac%e0%a6%bf%e0%a6%a6%e0%a7%87%e0%a6%b6%e0%a6%bf-%e0%a6%b8%e0%a6%b9%e0%a6%be%e0%a6%af%e0%a6%bc%e0%a6%a4%e0%a6%be-%e0%a6%8b%e0%a6%a3-%e0%a6%aa%e0%a6%b0/feed/</wfw:commentRss>
			<slash:comments>0</slash:comments>
		
		
			</item>
		<item>
		<title>যুক্তরাষ্ট্র-বাংলাদেশ বাণিজ্যচুক্তির ভবিষ্যৎ কী</title>
		<link>https://chtnews24.com/2026/03/31/%e0%a6%af%e0%a7%81%e0%a6%95%e0%a7%8d%e0%a6%a4%e0%a6%b0%e0%a6%be%e0%a6%b7%e0%a7%8d%e0%a6%9f%e0%a7%8d%e0%a6%b0-%e0%a6%ac%e0%a6%be%e0%a6%82%e0%a6%b2%e0%a6%be%e0%a6%a6%e0%a7%87%e0%a6%b6-%e0%a6%ac%e0%a6%be/</link>
					<comments>https://chtnews24.com/2026/03/31/%e0%a6%af%e0%a7%81%e0%a6%95%e0%a7%8d%e0%a6%a4%e0%a6%b0%e0%a6%be%e0%a6%b7%e0%a7%8d%e0%a6%9f%e0%a7%8d%e0%a6%b0-%e0%a6%ac%e0%a6%be%e0%a6%82%e0%a6%b2%e0%a6%be%e0%a6%a6%e0%a7%87%e0%a6%b6-%e0%a6%ac%e0%a6%be/#respond</comments>
		
		<dc:creator><![CDATA[adminchtnews24]]></dc:creator>
		<pubDate>Tue, 31 Mar 2026 02:07:17 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[Second lead]]></category>
		<category><![CDATA[অর্থ-বানিজ্য]]></category>
		<category><![CDATA[বাংলাদেশ]]></category>
		<category><![CDATA[শিরোনাম]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://chtnews24.com/?p=36598</guid>

					<description><![CDATA[ডেস্ক রির্পোট:- যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে বাংলাদেশের সাম্প্রতিক বাণিজ্যচুক্তি আবারও নতুন করে আলোচনার কেন্দ্রে এসেছে। বিশেষ করে যুক্তরাষ্ট্রের সুপ্রিম কোর্ট প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প প্রশাসনের আরোপ করা পাল্টা শুল্ককে অবৈধ ঘোষণা করার পর এই চুক্তির ভবিষ্যৎ, কার্যকারিতা এবং বাংলাদেশের জন্য এর প্রকৃত অর্থনৈতিক সুবিধা নিয়ে নতুন করে প্রশ্ন উঠেছে। বিশ্লেষকরা বলছেন, যে প্রেক্ষাপটে এবং যে উদ্দেশ্যে বাংলাদেশ এই [&#8230;]]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[<p>ডেস্ক রির্পোট:- যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে বাংলাদেশের সাম্প্রতিক বাণিজ্যচুক্তি আবারও নতুন করে আলোচনার কেন্দ্রে এসেছে। বিশেষ করে যুক্তরাষ্ট্রের সুপ্রিম কোর্ট প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প প্রশাসনের আরোপ করা পাল্টা শুল্ককে অবৈধ ঘোষণা করার পর এই চুক্তির ভবিষ্যৎ, কার্যকারিতা এবং বাংলাদেশের জন্য এর প্রকৃত অর্থনৈতিক সুবিধা নিয়ে নতুন করে প্রশ্ন উঠেছে।</p>
<p>বিশ্লেষকরা বলছেন, যে প্রেক্ষাপটে এবং যে উদ্দেশ্যে বাংলাদেশ এই চুক্তিতে সম্মত হয়েছিল, আদালতের রায়ের পর সেই ভিত্তিই অনেকটা নড়বড়ে হয়ে গেছে। ফলে চুক্তিটি কার্যকর থাকলেও এর বাস্তব সুবিধা কতটা পাওয়া যাবে— তা এখন নতুন করে মূল্যায়নের প্রয়োজন দেখা দিয়েছে।</p>
<p>এরই মধ্যে অর্থনীতিবিদ, গবেষক এবং বামপন্থি রাজনৈতিক নেতাদের একটি অংশ চুক্তিটিকে ‘অসম’ এবং ‘জাতীয় স্বার্থবিরোধী’ আখ্যা দিয়ে তা পুনর্বিবেচনা কিংবা বাতিলের দাবি তুলেছেন।সবচেয়ে বড় উদ্বেগের বিষয় হলো, এ চুক্তির ফলে চীন ও রাশিয়ার মতো দেশের সঙ্গে বাণিজ্য সম্প্রসারণ বা তাদের বিনিয়োগ আকর্ষণে ভবিষ্যতে জটিলতা তৈরি হতে পারে। এছাড়া রফতানি প্রক্রিয়াকরণ অঞ্চলগুলোতে (ইপিজেড) শ্রমিক ইউনিয়ন গঠনের শর্ত আরোপের কথাও বলা হয়েছে। বিশ্লেষকদের আশঙ্কা— এ ধরনের শর্ত কার্যকর হলে বিদেশি বিনিয়োগ আকর্ষণে নেতিবাচক প্রভাব পড়তে পারে।</p>
<p>ব্যবসায়ী ও অর্থনীতিবিদদের মতে, যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে স্বাক্ষরিত বাণিজ্য চুক্তিটি এখনও কার্যকর হয়নি। এটি কার্যকর করতে হলে দুই দেশের সংসদে অনুমোদন প্রয়োজন। তার আগে বাংলাদেশকে সংশ্লিষ্ট কিছু আইনও সংশোধন করতে হবে।</p>
<p>তাদের ভাষ্য, চুক্তিটি দেশের জন্য যতটা সুবিধা বয়ে আনার কথা বলা হচ্ছে, বাস্তবে ততটা নয়; বরং এতে ক্ষতির ঝুঁকিই বেশি। তাদের মতে, এই চুক্তির মাধ্যমে বাংলাদেশের রফতানি উল্লেখযোগ্যভাবে বাড়বে— এমন সম্ভাবনা খুবই সীমিত। উল্টো বিশ্ব বাণিজ্য সংস্থার (ডব্লিউটিও) নীতিমালা লঙ্ঘনের আশঙ্কা থাকায় অন্যান্য দেশের সঙ্গে বাণিজ্য সম্পর্কেও নতুন ধরনের চ্যালেঞ্জ তৈরি হতে পারে।</p>
<p>বিশেষ করে যুক্তরাষ্ট্রের তুলা বা সুতা ব্যবহার করে তৈরি পোশাক রফতানির ক্ষেত্রে ‘পাল্টা শুল্ক’ থেকে অব্যাহতি পাওয়ার যে কথা বলা হচ্ছে, তা নানা শর্তসাপেক্ষ। এসব শর্ত বাস্তবে পূরণ করে বাংলাদেশ আদৌ সুবিধা নিতে পারবে কিনা— তা নিয়েও সংশয় প্রকাশ করেছেন সংশ্লিষ্টরা।</p>
<p>তারা এ চুক্তিকে জনস্বার্থবিরোধী ও রাষ্ট্রের স্বার্থের পরিপন্থি আখ্যা দিয়ে নতুন সরকারের প্রতি চুক্তিটি পর্যালোচনা ও প্রয়োজনীয় সংশোধনের উদ্যোগ নেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন।</p>
<p>পাল্টা শুল্ক থেকে চুক্তি: কীভাবে শুরু বিতর্ক</p>
<p>২০২৫ সালে যুক্তরাষ্ট্রে নতুন প্রশাসন দায়িত্ব নেওয়ার পর বৈশ্বিক বাণিজ্যে ভারসাম্য আনার যুক্তিতে কয়েকটি দেশের পণ্যের ওপর পাল্টা শুল্ক আরোপ করা হয়। এই নীতির আওতায় বাংলাদেশের কিছু পণ্যের ওপরও অতিরিক্ত শুল্ক আরোপের ঘোষণা আসে।</p>
<p>বাংলাদেশের প্রধান রফতানি বাজার যুক্তরাষ্ট্র হওয়ায় বিষয়টি দ্রুত উদ্বেগের কারণ হয়ে দাঁড়ায়। বিশেষ করে তৈরি পোশাক খাতের উদ্যোক্তারা আশঙ্কা প্রকাশ করেন, অতিরিক্ত শুল্ক আরোপ হলে যুক্তরাষ্ট্রের বাজারে বাংলাদেশের প্রতিযোগিতা কমে যেতে পারে।</p>
<p>এই পরিস্থিতিতে শুল্কচাপ কমানো এবং বাণিজ্য সম্পর্ক স্থিতিশীল রাখতে দুই দেশের মধ্যে ‘রেসিপ্রোকাল ট্রেড এগ্রিমেন্ট (আরটিএ)’ বা পারস্পরিক বাণিজ্যচুক্তি নিয়ে আলোচনা শুরু হয়। পরে অন্তর্বর্তী সরকারের শেষ সময়ে এই চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়।</p>
<p>চুক্তির মাধ্যমে যুক্তরাষ্ট্র বাংলাদেশের পণ্যের ওপর আরোপিত পাল্টা শুল্ক ২০ শতাংশ থেকে কমিয়ে ১৯ শতাংশ করার কথা জানায়। কিন্তু এর মধ্যেই যুক্তরাষ্ট্রের অভ্যন্তরে এই শুল্কনীতির বৈধতা নিয়ে আইনি বিতর্ক শুরু হয়। বিভিন্ন ব্যবসায়ী সংগঠন ও বাণিজ্য সংগঠন আদালতে মামলা করলে বিষয়টি শেষ পর্যন্ত সুপ্রিম কোর্টে গড়ায়।</p>
<p>সম্প্রতি সুপ্রিম কোর্ট ট্রাম্প প্রশাসনের আরোপ করা সেই পাল্টা শুল্ককে অবৈধ ঘোষণা করে। ফলে এই শুল্ককে কেন্দ্র করে হওয়া বিভিন্ন বাণিজ্যিক সমঝোতা ও চুক্তির ভিত্তিই প্রশ্নের মুখে পড়ে।</p>
<p>চুক্তি স্বাক্ষরের সময় নিয়েও প্রশ্ন</p>
<p>সমালোচনার আরেকটি বড় কারণ হলো চুক্তি স্বাক্ষরের সময়কাল। অন্তর্বর্তী সরকারের মেয়াদ শেষ হওয়ার মাত্র কয়েক দিন আগে, জাতীয় নির্বাচনের ঠিক আগে এই চুক্তি সই করা হয়। সমালোচকদের মতে, এত গুরুত্বপূর্ণ একটি দীর্ঘমেয়াদি অর্থনৈতিক ও কৌশলগত চুক্তি নির্বাচিত সরকারের জন্য রেখে দেওয়া উচিত ছিল।</p>
<p>নতুন সুযোগ নাকি নতুন চাপ?</p>
<p>বিশ্লেষকদের মতে, যুক্তরাষ্ট্রের সুপ্রিম কোর্টের রায় বাংলাদেশের জন্য নতুন সুযোগও তৈরি করতে পারে। কারণ পাল্টা শুল্ক অবৈধ ঘোষণার ফলে আগের চাপ অনেকটাই কমেছে। তবে চুক্তিতে থাকা জ্বালানি, প্রতিরক্ষা ও কৃষিপণ্য আমদানির প্রতিশ্রুতি এখনও বড় প্রশ্ন হয়ে রয়েছে। অর্থনীতিবিদদের মতে, নতুন সরকারের উচিত পুরো চুক্তিটি বিস্তারিতভাবে পর্যালোচনা করা। প্রয়োজনে সংশোধন বা নতুন আলোচনার মাধ্যমে বাংলাদেশের স্বার্থ নিশ্চিত করা দরকার। কারণ, বর্তমান বৈশ্বিক বাণিজ্য ও ভূরাজনৈতিক বাস্তবতায় কোনো বড় শক্তির সঙ্গে অসম চুক্তি দীর্ঘমেয়াদে অর্থনীতি, কূটনীতি এবং নীতিনির্ধারণের স্বাধীনতার ওপর বড় প্রভাব ফেলতে পারে।</p>
<p>শুল্ক সুবিধার হিসাব, কার লাভ কত?</p>
<p>চুক্তির শর্ত বিশ্লেষণ করলে দেখা যায়, সুবিধার ভারসাম্য অনেকটাই যুক্তরাষ্ট্রের পক্ষে ঝুঁকে আছে। চুক্তি অনুযায়ী বাংলাদেশকে যুক্তরাষ্ট্রের ৬ হাজার ৭১০টি পণ্যে শুল্কছাড় দিতে হবে। বিপরীতে যুক্তরাষ্ট্র বাংলাদেশের ১ হাজার ৬৩৮টি পণ্যে পাল্টা শুল্ক সুবিধা দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দেয়।</p>
<p>কিন্তু জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর) এবং বাণিজ্য পরিসংখ্যান বিশ্লেষণ করলে দেখা যায়, বাস্তব বাণিজ্যের চিত্র ভিন্ন। ২০২৫ সালের আমদানি তথ্য অনুযায়ী, যেসব ৬ হাজার ৭১০টি মার্কিন পণ্যে বাংলাদেশ শুল্কছাড় দিতে সম্মত হয়েছে, তার মধ্যে অন্তত ২ হাজার ১৬টি পণ্য ইতোমধ্যে বাংলাদেশ আমদানি করছে। এসব পণ্যের মোট আমদানিমূল্য প্রায় ৬৫ কোটি ডলার। চুক্তি অনুযায়ী এসব পণ্যে ধাপে ধাপে শুল্ক কমানো বা প্রত্যাহার করা হলে সরকারের রাজস্ব ক্ষতি হতে পারে প্রায় ৪১৯ কোটি টাকা।</p>
<p>অপরদিকে যুক্তরাষ্ট্রের বাজারে বাংলাদেশের যেসব পণ্যে সুবিধা দেওয়ার কথা বলা হয়েছে, সেগুলোর বাস্তব রফতানি খুবই সীমিত। ১ হাজার ৬৩৮টি পণ্যের তালিকা থেকে গত বছর যুক্তরাষ্ট্রে রফতানি হয়েছে মাত্র ১৪টি পণ্য। এসব পণ্যের মোট রফতানিমূল্য ছিল ৬ লাখ ৭০ হাজার ডলার।</p>
<p>এই পণ্যগুলোতে শুল্কছাড় দিলে যুক্তরাষ্ট্র সরকারের সম্ভাব্য রাজস্ব ছাড় দিতে হতো মাত্র ১ লাখ ২৫ হাজার ডলার, যা বাংলাদেশি মুদ্রায় প্রায় দেড় কোটি টাকা। অর্থাৎ সম্ভাব্য সুবিধা ও ক্ষতির তুলনায় দেখা যাচ্ছে—বাংলাদেশের সম্ভাব্য রাজস্ব ক্ষতি শত কোটি টাকার হলেও যুক্তরাষ্ট্রের সম্ভাব্য ছাড় কয়েক কোটি টাকার মধ্যেই সীমাবদ্ধ।</p>
<p>বাস্তব রফতানির বড় সুযোগ উপেক্ষিত?</p>
<p>বাংলাদেশের যুক্তরাষ্ট্রে রফতানির বড় অংশই তৈরি পোশাক। তবে পোশাকের বাইরে কয়েকটি খাতেও উল্লেখযোগ্য রফতানি রয়েছে। এর মধ্যে অন্যতম টুপি বা ‘হ্যাট অ্যান্ড আদার হ্যাটগিয়ার’ শ্রেণির পণ্য। এনবিআরের তথ্য অনুযায়ী, গত বছর এই পণ্যের রফতানি হয়েছে প্রায় ২৫ কোটি ডলার।</p>
<p>বিশ্লেষকদের মতে, যদি এই ধরনের বাস্তব রফতানির বড় পণ্যে উল্লেখযোগ্য শুল্কসুবিধা দেওয়া হতো, তাহলে বাংলাদেশের লাভ অনেক বেশি হতে পারতো।</p>
<p>হিসাব অনুযায়ী, শুধু এই একটি পণ্যে শুল্কছাড় পাওয়া গেলে সম্ভাব্য সুবিধা ১ হাজার ৬৩৮টি পণ্যের সম্মিলিত সুবিধার তুলনায় প্রায় ৩৭০ গুণ বেশি হতে পারত। অর্থাৎ চুক্তির পণ্য তালিকা নির্ধারণের ক্ষেত্রে বাস্তব বাণিজ্য কাঠামো যথাযথভাবে বিবেচনায় নেওয়া হয়নি বলে মনে করছেন অনেক অর্থনীতিবিদ।</p>
<p>বাণিজ্যের বাইরে জড়িয়েছে কৌশলগত শর্ত</p>
<p>এই চুক্তি কেবল শুল্ক ছাড়ের মধ্যেই সীমাবদ্ধ নয়। এতে জ্বালানি, কৃষি, প্রতিরক্ষা এবং প্রযুক্তি খাতেও কিছু প্রতিশ্রুতি যুক্ত হয়েছে। চুক্তি অনুযায়ী বাংলাদেশ আগামী ১৫ বছরে প্রায় ১৫ বিলিয়ন ডলারের মার্কিন জ্বালানি, বিশেষ করে এলএনজি কেনার পরিকল্পনা গ্রহণ করবে। এ ছাড়া কৃষিখাতে প্রায় ৩ দশমিক ৫ বিলিয়ন ডলারের মার্কিন কৃষিপণ্য আমদানির প্রতিশ্রুতিও রয়েছে।</p>
<p>চুক্তির অংশ হিসেবে রাষ্ট্রীয় বিমান সংস্থা বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সকে ১৪টি বোয়িং উড়োজাহাজ কেনার পরিকল্পনা গ্রহণ করতে হবে বলেও উল্লেখ রয়েছে। বিশ্লেষকদের মতে, এই শর্তগুলো কেবল বাণিজ্যিক নয়, বরং কৌশলগত ও ভূরাজনৈতিক বাস্তবতার সঙ্গেও যুক্ত।</p>
<p>চুক্তির কিছু ধারায় বলা হয়েছে, বাংলাদেশকে যুক্তরাষ্ট্র থেকে সামরিক সরঞ্জাম কেনার প্রচেষ্টা বাড়াতে হবে এবং কিছু নির্দিষ্ট দেশ থেকে প্রতিরক্ষা ক্রয় সীমিত রাখতে হবে। বিশ্লেষকদের মতে, এটি মূলত চীন ও রাশিয়ার প্রতি ইঙ্গিত।</p>
<p>নীতিগত স্বাধীনতা নিয়ে উদ্বেগ</p>
<p>চুক্তির এসব শর্ত নিয়ে অর্থনীতিবিদ ও গবেষকদের একটি অংশ উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন। বেসরকারি গবেষণা প্রতিষ্ঠান সেন্টার ফর পলিসি ডায়ালগের সম্মানীয় ফেলো অধ্যাপক মোস্তাফিজুর রহমান বলেন, ‘‘বাণিজ্য চুক্তির নামে বাংলাদেশকে কার্যত আষ্টেপৃষ্ঠে বেঁধে ফেলা হয়েছে।’’</p>
<p>তার ভাষায়, ভবিষ্যতে স্বাধীনভাবে সার্বভৌম সিদ্ধান্ত নেওয়া কঠিন হয়ে পড়তে পারে।</p>
<p>সিপিডির গবেষণা পরিচালক খন্দকার গোলাম মোয়াজ্জেম বলেছেন, অন্তর্বর্তী সরকারের শেষ সময়ে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে করা বাণিজ্যচুক্তি চরমভাবে বৈষম্যমূলক এবং দেশের অর্থনৈতিক স্বাধীনতার জন্য বড় হুমকি। তিনি বলেন, “চুক্তির শর্ত দেখে আমরা হতভম্ব, স্তম্ভিত। সরকারের উচিত এই চুক্তি থেকে সরে আসা।”</p>
<p>খন্দকার গোলাম মোয়াজ্জেম আরও উল্লেখ করেন, অন্তর্বর্তী সরকারের সময়ে শুল্ক সংক্রান্ত আলোচনা শুরু হলেও সাধারণ মানুষকে ধারণা দেওয়া হয়েছিল যে, বিষয়টি শুধু পাল্টা শুল্ক কমানোর (৩৫ থেকে ২০ শতাংশ) পর্যায়ে সীমাবদ্ধ। তবে বাস্তবে চুক্তিতে অন্তর্ভুক্ত শর্তগুলো অনেক বেশি জটিল ও একপাক্ষিক। তিনি বলেন, “শেষ পর্যন্ত যে চুক্তি হয়েছে, তা দেখে আমরা স্তম্ভিত। কীভাবে একটি অনির্বাচিত সরকার এই চুক্তি করতে পারলো এবং এটি নির্বাচিত সরকারের কাঁধে আসলো, তা বোধগম্য নয়।’’</p>
<p>চুক্তির কয়েকটি বৈষম্যমূলক শর্তের উদাহরণ উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘‘বাংলাদেশ যদি তৃতীয় কোনও দেশের সঙ্গে বাণিজ্যচুক্তি করতে চায়, তবে সেটি মার্কিন মানদণ্ডের সঙ্গে সমান না হলে তা করতে পারবে না। যুক্তরাষ্ট্রের সেবা প্রদানকারী প্রতিষ্ঠানকে দেশীয় প্রতিষ্ঠানগুলোর সঙ্গে সমান সুযোগ দিতে হবে, এবং বাংলাদেশের সীমান্ত ব্যবস্থাপনা অবশ্যই মার্কিন সীমান্ত ব্যবস্থার সমান হতে হবে। এছাড়া, ডিজিটাল বাণিজ্য ক্ষেত্রে যুক্তরাষ্ট্রের স্বার্থ ক্ষতিগ্রস্ত হলে চুক্তি তা নিষিদ্ধ করছে।’’</p>
<p>খন্দকার গোলাম মোয়াজ্জেম বলেন, “এ চুক্তি আমাদের অর্থনৈতিক স্বাধীনতা ও নীতি নির্ধারণের ক্ষমতার জন্য বড় বাধা। এটি আমাদের এলডিসি থেকে মসৃণ উত্তরণে বিঘ্ন ঘটাবে। তবে চুক্তি থেকে সরে আসার সুযোগ এখনও আছে।’’</p>
<p>পলিসি এক্সচেঞ্জ বাংলাদেশের চেয়ারম্যান ড. মাসরুর রিয়াজ বলেন, ‘‘চুক্তির কিছু শর্ত বাংলাদেশের নীতিনির্ধারণী স্বাধীনতার সঙ্গে সাংঘর্ষিক হতে পারে। বিশেষ করে প্রতিরক্ষা কেনাকাটা বা অন্য দেশের সঙ্গে ভবিষ্যৎ বাণিজ্যচুক্তির ক্ষেত্রে এর প্রভাব পড়তে পারে।’’</p>
<p>বামপন্থি রাজনৈতিক দলগুলোর সমালোচনা</p>
<p>চুক্তি নিয়ে রাজনৈতিক অঙ্গনেও সমালোচনা শুরু হয়েছে। বাণিজ্যচুক্তি বাতিলের দাবিতে বামপন্থি রাজনৈতিক দলগুলো সরকারকে দ্রুত সিদ্ধান্ত নেওয়ার আহ্বান জানিয়েছে। তাদের মতে, চুক্তিটি বাতিল করতে হলে আগামী ৩০ দিনের মধ্যেই সরকারকে উদ্যোগ নিতে হবে। এ সময়ের মধ্যে সরকারকে আনুষ্ঠানিকভাবে চুক্তি বাতিলের ঘোষণা দেওয়ার আহ্বানও জানানো হয়েছে।</p>
<p>সিপিবির সাবেক সভাপতি মুজাহিদুল ইসলাম সেলিম বলেছেন, ‘‘যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে করা ‘দাসত্বের চুক্তি’ বাতিল করতে হবে। আমরা পাকিস্তানের দাসত্ব থেকে বের হয়ে ডলারের দাসত্বে পরিণত হতে চাই না।”</p>
<p>জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে এক সমাবেশে বামঘরানার রাজনৈতিক জোট গণতান্ত্রিক যুক্তফ্রন্ট চুক্তিটিকে “অসম ও দেশবিরোধী” আখ্যা দিয়ে তা বাতিলের দাবি জানিয়েছে। তারা সতর্ক করে বলেন, সরকার যদি চুক্তি বাতিল বা পুনর্বিবেচনার উদ্যোগ না নেয়, তাহলে দেশব্যাপী আন্দোলন গড়ে তোলা হবে।</p>
<p>সামনে কী হতে পারে</p>
<p>চুক্তির ভবিষ্যৎ নিয়ে এখনও স্পষ্ট কোনও সিদ্ধান্ত হয়নি। বাণিজ্যসচিব মাহবুবুর রহমান জানিয়েছেন, যুক্তরাষ্ট্রের আদালতের রায়ের পর পরিস্থিতি এখনও পরিষ্কার নয় এবং চুক্তিটি বাতিলও হয়ে যেতে পারে।</p>
<p>অপরদিকে সাবেক বাণিজ্য উপদেষ্টা শেখ বশিরউদ্দীন দাবি করেছেন, চুক্তিতে ‘এন্ট্রি’ ও ‘এক্সিট’— দুটি ধারা রয়েছে। ফলে প্রয়োজন হলে বাংলাদেশ চুক্তি থেকে বেরিয়ে আসার সুযোগও রয়েছে। বাংলা ট্রিবিউন</p>
]]></content:encoded>
					
					<wfw:commentRss>https://chtnews24.com/2026/03/31/%e0%a6%af%e0%a7%81%e0%a6%95%e0%a7%8d%e0%a6%a4%e0%a6%b0%e0%a6%be%e0%a6%b7%e0%a7%8d%e0%a6%9f%e0%a7%8d%e0%a6%b0-%e0%a6%ac%e0%a6%be%e0%a6%82%e0%a6%b2%e0%a6%be%e0%a6%a6%e0%a7%87%e0%a6%b6-%e0%a6%ac%e0%a6%be/feed/</wfw:commentRss>
			<slash:comments>0</slash:comments>
		
		
			</item>
		<item>
		<title>২৫০ টাকার তরমুজ পাইকারিতে মিলছে ১০০ টাকায়!</title>
		<link>https://chtnews24.com/2026/03/28/%e0%a7%a8%e0%a7%ab%e0%a7%a6-%e0%a6%9f%e0%a6%be%e0%a6%95%e0%a6%be%e0%a6%b0-%e0%a6%a4%e0%a6%b0%e0%a6%ae%e0%a7%81%e0%a6%9c-%e0%a6%aa%e0%a6%be%e0%a6%87%e0%a6%95%e0%a6%be%e0%a6%b0%e0%a6%bf%e0%a6%a4/</link>
					<comments>https://chtnews24.com/2026/03/28/%e0%a7%a8%e0%a7%ab%e0%a7%a6-%e0%a6%9f%e0%a6%be%e0%a6%95%e0%a6%be%e0%a6%b0-%e0%a6%a4%e0%a6%b0%e0%a6%ae%e0%a7%81%e0%a6%9c-%e0%a6%aa%e0%a6%be%e0%a6%87%e0%a6%95%e0%a6%be%e0%a6%b0%e0%a6%bf%e0%a6%a4/#respond</comments>
		
		<dc:creator><![CDATA[adminchtnews24]]></dc:creator>
		<pubDate>Sat, 28 Mar 2026 13:40:13 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[Second lead]]></category>
		<category><![CDATA[অর্থ-বানিজ্য]]></category>
		<category><![CDATA[রকমারি]]></category>
		<category><![CDATA[রাঙ্গামাটি]]></category>
		<category><![CDATA[শিরোনাম]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://chtnews24.com/?p=36551</guid>

					<description><![CDATA[ডেস্ক রির্পোট:-পাহাড় ও হ্রদবেষ্টিত জেলা রাঙ্গামাটির ভাসমান হাট ‘সমতাঘাটে’ মৌসুমী ফল তরমুজে ভরপুর। চাহিদা না থাকায় দামে ধ্বস নেমেছে তরমুজের। তবে রমজানের শুরুতে ফলটির দাম চড়া থাকলেও রমজান শেষে গত এক সপ্তাহের ব্যবধানে তা প্রায় অর্ধেকে নেমে এসেছে। এতে উৎপাদন খরচ তোলা নিয়ে কৃষকরা কিছুটা শঙ্কিত হলেও লোকসানের কথা জানিয়েছেন স্থানীয় পাইকারি ব্যবসায়ীরা। গত বুধবার [&#8230;]]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[<p>ডেস্ক রির্পোট:-পাহাড় ও হ্রদবেষ্টিত জেলা রাঙ্গামাটির ভাসমান হাট ‘সমতাঘাটে’ মৌসুমী ফল তরমুজে ভরপুর। চাহিদা না থাকায় দামে ধ্বস নেমেছে তরমুজের। তবে রমজানের শুরুতে ফলটির দাম চড়া থাকলেও রমজান শেষে গত এক সপ্তাহের ব্যবধানে তা প্রায় অর্ধেকে নেমে এসেছে। এতে উৎপাদন খরচ তোলা নিয়ে কৃষকরা কিছুটা শঙ্কিত হলেও লোকসানের কথা জানিয়েছেন স্থানীয় পাইকারি ব্যবসায়ীরা।</p>
<p>গত বুধবার সরেজমিনে শহরের বনরূপা বাজারের সমতাঘাটে গিয়ে দেখা যায়, হ্রদের বুকে তরমুজ বোঝাই নৌকার ভিড়। তবে রমজানে যে তরমুজ আকারভেদে প্রতি পিস ১৫০ থেকে ২৫০ টাকায় বিক্রি হয়েছিল, বর্তমানে তা মাত্র ৪০ থেকে ১২০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে। এতে কৃষক কিছুটা হতাশ হলেও বাজারের ধরণ যে এমনই তা একরকম মেনেই নিয়েছেন তারা। তবে তেল সংকটে পরিবহন ভাড়া বৃদ্ধির প্রভাব পড়েছে তরমুজের বাজারে। এমনটাই বলছেন মৌসুমী ফল ক্রেতা-বিক্রেতারা।</p>
<p>রাঙ্গামাটি কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর সূত্রে জানা গেছে, এ বছর প্রায় সাত হাজার ২০০ মেট্রিক টন তরমুজ উৎপাদন হবে বলে আশা করা হচ্ছে।</p>
<p>স্থানীয় পাইকারি ক্রেতা আব্দুল মজিদ বলেন, তরমুজের দাম এখন একদম পড়ে গেছে, এবার এখন পর্যন্ত পাঁচ চালান পাইকারি কিনে খুচরা বিক্রি করেছি। তাতে দু’বার লোকসান হয়েছে। আজকের বাজারে ছোট তরমুজ ২৫০ পিস কিনেছি ১০ হাজার টাকায়। এগুলো ৫০ টাকা থেকে ১০০ টাকা পর্যন্ত খুচরা বিক্রি হবে। এরপর পঁচা ও সাদা হলে সেগুলো ফেলে দিতে হবে। এখন খুচরা বিক্রিতে খুব বেশি লাভ করা যায়না তরমুজে। আবার যদি বৃষ্টি হয় তাহলে একেবারে শেষ ব্যবসা।</p>
<p>জেলার লংগদু উপজেলার কাট্টলী থেকে মৌসুমী ফলের পাইকারি হাট সমতাঘাটে তরমুজ নিয়ে এসেছেন তরুণ কৃষক সমর কান্তি চাকমা। এবছর ৭ শ থালা তরমুজ চাষ করে এখন পর্যন্ত তিন দফা ফলন বিক্রি করেছেন ১২শ পিস। দাম ছিল প্রতিপিস ২০০ থেকে ২৫০ টাকা। আজকের বাজারে সাড়ে ৪শ পিস তরমুজ নিয়ে এসেছেন। দাম চাইছেন প্রতিপিস ১৫০ টাকা হারে। কিন্তু ১০০ টাকার বেশি কেউ বলছেনা। ১২০ টাকা হলেও ছেড়ে দিতেন তিনি এমনটাই জানালেন এই কৃষক।</p>
<p>কৃষক সমর কান্তি আরো বলেন, তরমুজ চাষে পরিশ্রম বেশি হয় । সার, কিটনাশক ও পানি দিতে হয় নিয়মিত এতে খরচও অনেক বেড়ে যায়। এখন বাজারে তরমুজে ভরপুর। কিন্তু বাইরের কোনো পাইকারি ক্রেতার দেখা নাই। রাঙামাটির তরমুজ আর সর্বোচ্চ ১০ দিন পাওয়া যাবে। এরপর শহর থেকে রাঙামাটির বাজারেও তরমুজ এসে যাবে।</p>
<p>পাইকারি বিক্রেতা মো. রাসেল গতকাল থেকে সমতাঘাটে তরমুজ নিয়ে ক্রেতার অপেক্ষায়। তিনি বলেন, আমি ৪শ পিস তরমুজ নিয়ে গতকাল থেকে বসে আছি। কৃষক থেকে কিনে এই বাজারে আনা পর্যন্ত প্রতিপিস তরমুজের পেছনে খরচ পড়েছে ১৪০ টাকা। এখন পাইকারি ক্রেতারা দাম বলছেন ১০০ টাকা। গতকাল ১২০ টাকা পর্যন্ত বলেছিল।</p>
<p>তিনি আরো বলেন, তেল সংকটের কারণে পরিবহন খরচ বেড়ে যাওয়ায় বাইরের পাইকাররা আসেনা এখন। স্থানীয় বাজারেই খুচরা বিক্রি করেন পাইকাররা। ফলে চাহিদা কমে গেছে। আমি বাগানসহ ঠিকা কিনেছিলাম। এভাবে কিনলে রিস্ক বেশি থাকে। এবার প্রথম দিকে কিছু লাভ হয়েছিল, এখন পুঁজি নিয়ে টানাটানি অবস্থা।</p>
<p>রাঙ্গামাটি কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক মো. মনিরুজ্জামান বলেন, এ বছর আবহাওয়া ভালো হওয়ার কারণে তরমুজের ফলন ভালো হয়েছে। ইতোমধ্যে রাঙ্গামাটির বাজার তরমুজে ভরে গেছে। এ বছর চাষিরা আগাম জাতের কিছু তরমুজের চাষ করেছেন। এতে করে বাজারে দামও ভালো পেয়েছেন চাষিরা। তবে এখন বাজারে তরমুজ বেশি থাকায় দাম কিছুটা কমে গেছে।সুত্র পাহাড়২৪</p>
]]></content:encoded>
					
					<wfw:commentRss>https://chtnews24.com/2026/03/28/%e0%a7%a8%e0%a7%ab%e0%a7%a6-%e0%a6%9f%e0%a6%be%e0%a6%95%e0%a6%be%e0%a6%b0-%e0%a6%a4%e0%a6%b0%e0%a6%ae%e0%a7%81%e0%a6%9c-%e0%a6%aa%e0%a6%be%e0%a6%87%e0%a6%95%e0%a6%be%e0%a6%b0%e0%a6%bf%e0%a6%a4/feed/</wfw:commentRss>
			<slash:comments>0</slash:comments>
		
		
			</item>
	</channel>
</rss>
