<?xml version="1.0" encoding="UTF-8"?><rss version="2.0"
	xmlns:content="http://purl.org/rss/1.0/modules/content/"
	xmlns:wfw="http://wellformedweb.org/CommentAPI/"
	xmlns:dc="http://purl.org/dc/elements/1.1/"
	xmlns:atom="http://www.w3.org/2005/Atom"
	xmlns:sy="http://purl.org/rss/1.0/modules/syndication/"
	xmlns:slash="http://purl.org/rss/1.0/modules/slash/"
	>

<channel>
	<title>অপরাধ-অনুসন্ধান &#8211; chtnews24.com</title>
	<atom:link href="https://chtnews24.com/category/%E0%A6%85%E0%A6%AA%E0%A6%B0%E0%A6%BE%E0%A6%A7-%E0%A6%85%E0%A6%A8%E0%A7%81%E0%A6%B8%E0%A6%A8%E0%A7%8D%E0%A6%A7%E0%A6%BE%E0%A6%A8/feed/" rel="self" type="application/rss+xml" />
	<link>https://chtnews24.com</link>
	<description></description>
	<lastBuildDate>Sat, 04 Jul 2026 04:33:07 +0000</lastBuildDate>
	<language>en-US</language>
	<sy:updatePeriod>
	hourly	</sy:updatePeriod>
	<sy:updateFrequency>
	1	</sy:updateFrequency>
	<generator>https://wordpress.org/?v=7.0.2</generator>
	<item>
		<title>গুম প্রতিরোধে ফৌজদারি অপরাধ হিসেবে আলাদা আইন করছে সরকার</title>
		<link>https://chtnews24.com/2026/07/04/%e0%a6%97%e0%a7%81%e0%a6%ae-%e0%a6%aa%e0%a7%8d%e0%a6%b0%e0%a6%a4%e0%a6%bf%e0%a6%b0%e0%a7%8b%e0%a6%a7%e0%a7%87-%e0%a6%ab%e0%a7%8c%e0%a6%9c%e0%a6%a6%e0%a6%be%e0%a6%b0%e0%a6%bf-%e0%a6%85%e0%a6%aa/</link>
					<comments>https://chtnews24.com/2026/07/04/%e0%a6%97%e0%a7%81%e0%a6%ae-%e0%a6%aa%e0%a7%8d%e0%a6%b0%e0%a6%a4%e0%a6%bf%e0%a6%b0%e0%a7%8b%e0%a6%a7%e0%a7%87-%e0%a6%ab%e0%a7%8c%e0%a6%9c%e0%a6%a6%e0%a6%be%e0%a6%b0%e0%a6%bf-%e0%a6%85%e0%a6%aa/#respond</comments>
		
		<dc:creator><![CDATA[adminchtnews24]]></dc:creator>
		<pubDate>Sat, 04 Jul 2026 04:33:07 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[Second lead]]></category>
		<category><![CDATA[অপরাধ-অনুসন্ধান]]></category>
		<category><![CDATA[জাতীয়]]></category>
		<category><![CDATA[শিরোনাম]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://chtnews24.com/?p=37423</guid>

					<description><![CDATA[ডেস্ক রির্পোট:- গুম প্রতিরোধ ও প্রতিকারের জন্য অন্তর্বর্তী সরকারের সময়ে জারি করা অধ্যাদেশ নির্ধারিত সময়ে সংসদে অনুমোদন না করায় কার্যকারিতা হারিয়েছে। এখন সরকার গুমকে গুরুতর ফৌজদারি অপরাধ হিসেবে স্বীকৃতি দিয়ে আলাদা আইন করার উদ্যোগ নিয়েছে। এরই মধ্যে আইনটির খসড়া তৈরি করা হয়েছে। গত বুধবার স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে সেই খসড়া নিয়ে উচ্চ পর্যায়ের বৈঠক হয়েছে। এতে বাতিল [&#8230;]]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[<p>ডেস্ক রির্পোট:- গুম প্রতিরোধ ও প্রতিকারের জন্য অন্তর্বর্তী সরকারের সময়ে জারি করা অধ্যাদেশ নির্ধারিত সময়ে সংসদে অনুমোদন না করায় কার্যকারিতা হারিয়েছে। এখন সরকার গুমকে গুরুতর ফৌজদারি অপরাধ হিসেবে স্বীকৃতি দিয়ে আলাদা আইন করার উদ্যোগ নিয়েছে।</p>
<p>এরই মধ্যে আইনটির খসড়া তৈরি করা হয়েছে। গত বুধবার স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে সেই খসড়া নিয়ে উচ্চ পর্যায়ের বৈঠক হয়েছে। এতে বাতিল হওয়া অধ্যাদেশের কিছু বিধানে পরিবর্তনের পাশাপাশি নতুন ধারা যুক্ত করা হয়েছে।</p>
<p>সংশ্লিষ্ট দায়িত্বশীল সূত্র এসব তথ্য জানিয়েছে। নতুন আইনের খসড়ায় সর্বোচ্চ সাজা অধ্যাদেশের মতোই মৃত্যুদণ্ড রাখা হলেও কারাদণ্ডের বিধানে পরিবর্তন আনা হয়েছে। এ ছাড়া তদন্তকারী সংস্থার ক্ষেত্রেও পরিবর্তন এসেছে।</p>
<p>স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের ওই বৈঠকে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমেদ, আইনমন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান ছাড়াও বিভিন্ন বাহিনীর প্রধানরা উপস্থিত ছিলেন। আইনের খসড়া নিয়ে অনেকে তাদের মতামত তুলে ধরেন।<br />
সূত্র জানায়, গুম প্রতিরোধ ও প্রতিকার আইনটির খসড়া নিয়ে দুই-তিন দিনের মধ্যে আরেকটি বৈঠক হবে। সেখানে বাংলাদেশে নিযুক্ত বিভিন্ন দেশের রাষ্ট্রদূত, মিশন প্রধান ও উন্নয়ন সহযোগীরা উপস্থিত থাকবেন। তাদের কাছে নতুন আইনের বিষয়ে মতামত জানতে চাওয়া হবে।</p>
<p>খসড়া আইনে বলা হয়েছে, কোনো ব্যক্তি পাঁচ বছরের বেশি নিখোঁজ থাকলে আদালত থেকে তাঁর পরিবার একটি সনদ নিতে পারবে। সেখানে গুম হিসেবে তাঁকে বিবেচনা করা হবে। ওই ব্যক্তির অবর্তমানে তাঁর উত্তরাধিকারের মধ্যে সম্পদ বণ্টন ও ব্যাংকিং লেনদেন-সংক্রান্ত নথিপত্রে স্বজনরা আইনি সহায়তা পাবেন।</p>
<p>খসড়ায় আরও বলা হয়েছে, সরকারি যে কোনো সংস্থার সদস্যদের মাধ্যমে বিস্তৃত, পরিকল্পিত ও ধারাবাহিকভাবে কাউকে তুলে নেওয়ার ঘটলে তার তদন্ত করবে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল (আইসিটি)। আর অন্য সাধারণ গুমের ঘটনা তদন্ত করবে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী। অন্তর্বর্তী সরকারের সময় গুম প্রতিকার ও প্রতিরোধ অধ্যাদেশে এই ধরনের গুম তদন্তের দায়িত্ব মানবাধিকার কমিশনকে দেওয়ার প্রস্তাব করা হয়েছিল।</p>
<p>গুম প্রতিরোধ আইনের খসড়া তৈরির সঙ্গে যুক্ত আইন মন্ত্রণালয়ের একজন কর্মকর্তা সমকালকে জানান, খসড়ায় চারটি বিষয়কে গুমের অপরাধ হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে। এর মধ্যে আছে গুম, গুমের কারণে মৃত্যু, আলামত নষ্ট, গোপন আটকখানা তৈরি। এ ছাড়া গুমের সহযোগিতার বিষয়টিও থাকছে।</p>
<p>ওই কর্মকর্তা জানান, খসড়া অনুযায়ী পাঁচ বছর নিখোঁজ রয়েছেন এমন কোনো ব্যক্তির স্বজন মামলা করলে তার তদন্ত প্রতিবেদন আদালতে গৃহীত হলেই গুম সনদ দেওয়া হবে। ওই সনদ দিয়ে সম্পত্তি হস্তান্তর, বেচাকেনা ও উত্তরাধিকারদের মধ্যে ভাগ-বণ্টন করতে পারবেন।</p>
<p>সূত্র বলছে, সরকারে কর্মরত রয়েছেন এমন কোনো সদস্য ধারাবাহিক গুমে জড়িত না হয়ে বিচ্ছিন্নভাবে যদি একই ধরনের অপরাধে জড়ান, তাহলে সেই অপরাধের তদন্ত করবে পুলিশ। কেবল ধারাবাহিকভাবে পদ্ধতিগত গুমের অভিযোগ তদন্ত করবে আইসিটি। গুমের অপরাধের সর্বোচ্চ সাজা হবে মৃত্যুদণ্ড। অন্তর্বর্তী সরকারের সময় তৈরি গুমের অধ্যাদেশে পদ্ধতিগত গুম ছাড়া অন্য গুমের তদন্ত মানবাধিকার কমিশনকে দেওয়ার প্রস্তাব দেওয়া হয়।</p>
<p>অন্তর্বর্তী সরকারের সময় গুম প্রতিরোধ ও প্রতিকার অধ্যাদেশের বাইরে আইনের খসড়ায় নতুন যেসব বিষয় যুক্ত করা হয়েছে তার মধ্যে রয়েছে– গুমের সাজা সর্বনিম্ন ১০ বছর রাখার বিধান। আগে এটি ছিল অনধিক ১০ বছর। এ ছাড়া গুমের ঘটনার তদন্ত শেষ করতে হবে ৯০ দিনের মধ্যে; তবে নির্দিষ্ট সময়ে তদন্ত না করতে পারলে সময় ৩০ দিন বাড়ানো যাবে। এর পরও ব্যর্থ হলে আদালতকে লিখিতভাবে জানাতে হবে। এ ছাড়া বিচার শেষ করতে হবে ১২০ দিনে। নির্দিষ্ট সময় বিচার সম্পন্ন করতে না পারলে তিন দিনের মধ্যে সুপ্রিম কোর্টকে অবহিত করতে হবে।</p>
<p>অপর একটি সূত্র জানায়, পদ্ধতিগত গুমের ঘটনায় যেসব ভুক্তভোগীর মামলার তদন্ত আইসিটি করবে, সেসব ভুক্তভোগীর স্বজনদের সনদ যাতে আইসিটিই দিতে পারে– সে জন্য আইন সংশোধনের বিষয় নিয়ে আলোচনা হয়েছে। ভুক্তভোগীর কষ্ট কমাতে আইসিটিতে চলমান তদন্তাধীন মামলায় বাদীপক্ষ যেন ওই আদালত থেকেই তার স্বজনের গুমের সনদ পেতে পারেন, তা নিশ্চিত করতেই এই প্রস্তাব আসে। এ ছাড়া পুলিশ গুমের ঘটনায় যেসব মামলার তদন্ত করবে তাদের স্বজনদের সনদ দেবে বিচারিক আদালত।</p>
<p>মাসখানেক আগে রাজধানীর সিরডাপ মিলনায়তনে একটি কর্মশালা হয়। সেখানে প্রথম গুম প্রতিরোধ আইনের খসড়া উপস্থাপন করা হয়েছিল। তার ধারাবাহিকতায় বুধবার স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে আইনের খসড়ার ওপর বিস্তারিত আলোচনা হয়েছে। আইন মন্ত্রণালয়ের একজন যুগ্ম সচিব খসড়া আইনের বিষয়টি তুলে ধরেন। এরপর বিভিন্ন বাহিনীর কর্মকর্তারা তাদের মতামত দেন।<br />
একাধিক সূত্র বলছে, প্রচলিত দণ্ডবিধি সংশোধন করেই গুমের সর্বোচ্চ সাজা নিশ্চিত করা যায় কিনা, কেউ কেউ এমন মত দিয়েছেন। তাদের যুক্তি ছিল, বলপূর্বক গুম থেকে সব ব্যক্তির সুরক্ষা সম্পর্কিত আন্তর্জাতিক কনভেনশনে স্বাক্ষরিত অনেক দেশ তাদের প্রচলিত আইন সংশোধন করেই গুমের সর্বোচ্চ শাস্তি নিশ্চিত করেছে। তারা পৃথক আইন করেনি।</p>
<p>হেফাজতে নিবারণ আইনসহ কিছু আইনকে একত্রিত করে নতুন আইন তৈরির মধ্য দিয়ে সেখানে গুমের শাস্তি নিশ্চিত করা যায় বলেও মত দিয়েছেন কেউ কেউ। তাদের যুক্তি ছিল– কয়েকটি অপরাধকে গুচ্ছভিত্তিক অপরাধ হিসেবে চিহ্নিত করা যায়, যেসব অপরাধের সঙ্গে সরকারি বাহিনীর সংশ্লিষ্টতা থাকে। হেফাজতে মারা যাওয়ার ঘটনাটিও একই ধরনের। সেখানে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা অভিযুক্ত হয়ে থাকেন।</p>
<p>সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, খসড়া আইনের অনেকের মতামত বৈঠকে জানার পর গুমকে গুরুতর অপরাধ হিসেবে চিহ্নিত করে আলাদা আইন করার বিষয়টি অগ্রাধিকার পাচ্ছে। তবে গুম কমিশন থাকবে না।<br />
জানতে চাইলে মানবাধিকারকর্মী নূর খান লিটন বলেন, গুমের তদন্ত মানবাধিকার কমিশনকে দেওয়া যেতে পারে। সেখানে মানবাধিকারকর্মী, আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সাবেক কর্মকর্তা, বিশিষ্টজন থাকতে পারেন। আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে গুমের ঘটনার তদন্তের ক্ষমতা দেওয়া হলে তাতে ভালো ফল আসবে বলে মনে হয় না। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যদের বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগ তাদের দিয়ে তদন্ত করালে পক্ষপাতিত্বের সুযোগ থাকবে।</p>
<p>নূর খান লিটন আরও বলেন, অন্তর্বর্তী সরকার গুমের বিষয়টি যেভাবে দেখেছে সেটিকে গুরুত্ব দিতে হবে। সেখানে কোনো ক্রটি হলে তা আলোচনা করে সংশোধন করা যেতে পারে।<br />
চব্বিশের গণঅভ্যুত্থানে ক্ষমতাচ্যুত আওয়ামী লীগ সরকারের ১৫ বছরে বিভিন্ন বাহিনীর মাধ্যমে অনেক মানুষকে গুম করার অভিযোগ রয়েছে। ভুক্তভোগীদের দাবির মুখে বিগত অন্তর্বর্তী সরকার গুম প্রতিরোধ ও প্রতিকার অধ্যাদেশ, ২০২৫ জারি করে। গুমের ঘটনায় র‍্যাব ও ডিজিএফআইর বেশ কয়েকজন কর্মকর্তার বিরুদ্ধে মানবতাবিরোধী অপরাধের অভিযোগে করা মামলার বিচারকাজ চলছে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে।</p>
<p>ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদে এই অধ্যাদেশ অনুমোদন করতে বিল উত্থাপন না হওয়ায় তা বাতিল হয়ে গেছে। আইন মন্ত্রণালয় ও স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের পর্যালোচনায় ওই অধ্যাদেশকে আইন হিসেবে পাস না করে নতুন করে সংশোধিত আকারে প্রণয়নের মত দেওয়া হয়।</p>
<p>ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানে ২০২৪ সালে আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর অন্তর্বর্তী সরকার গুম-সংক্রান্ত তদন্ত কমিশন গঠন করে। পাঁচ সদস্যের এ কমিশন প্রধান উপদেষ্টার কাছে তাদের চূড়ান্ত প্রতিবেদন জমা দেয়। এতে বলা হয়, আওয়ামী লীগের শাসনামলে বিএনপি এবং দলটির অঙ্গসংগঠনের অন্তত ৩১২ নেতাকর্মী গুমের শিকার হন। যাদের ১০৭ জন আর ফেরেননি। একই সময়ে জামায়াতে ইসলামী এবং ছাত্রশিবিরের ৭৪৭ নেতাকর্মী গুম হয়েছেন। তাদের মধ্যে ফেরেননি ৩৫ জন। প্রতিবেদন অনুযায়ী, গুম থেকে ফেরত আসা ব্যক্তিদের ৯৪৮ জনের রাজনৈতিক সংশ্লিষ্টতা রয়েছে। সমকাল</p>
]]></content:encoded>
					
					<wfw:commentRss>https://chtnews24.com/2026/07/04/%e0%a6%97%e0%a7%81%e0%a6%ae-%e0%a6%aa%e0%a7%8d%e0%a6%b0%e0%a6%a4%e0%a6%bf%e0%a6%b0%e0%a7%8b%e0%a6%a7%e0%a7%87-%e0%a6%ab%e0%a7%8c%e0%a6%9c%e0%a6%a6%e0%a6%be%e0%a6%b0%e0%a6%bf-%e0%a6%85%e0%a6%aa/feed/</wfw:commentRss>
			<slash:comments>0</slash:comments>
		
		
			</item>
		<item>
		<title>অবৈধ অস্ত্রের ছড়াছড়ি, পার্বত্য চট্টগ্রামসহ দেশের বিভিন্ন এলাকা দিয়েে আসছে অস্ত্র, খুন উদ্বেগ</title>
		<link>https://chtnews24.com/2026/07/04/%e0%a6%85%e0%a6%ac%e0%a7%88%e0%a6%a7-%e0%a6%85%e0%a6%b8%e0%a7%8d%e0%a6%a4%e0%a7%8d%e0%a6%b0%e0%a7%87%e0%a6%b0-%e0%a6%9b%e0%a6%a1%e0%a6%bc%e0%a6%be%e0%a6%9b%e0%a6%a1%e0%a6%bc%e0%a6%bf-%e0%a6%aa/</link>
					<comments>https://chtnews24.com/2026/07/04/%e0%a6%85%e0%a6%ac%e0%a7%88%e0%a6%a7-%e0%a6%85%e0%a6%b8%e0%a7%8d%e0%a6%a4%e0%a7%8d%e0%a6%b0%e0%a7%87%e0%a6%b0-%e0%a6%9b%e0%a6%a1%e0%a6%bc%e0%a6%be%e0%a6%9b%e0%a6%a1%e0%a6%bc%e0%a6%bf-%e0%a6%aa/#respond</comments>
		
		<dc:creator><![CDATA[adminchtnews24]]></dc:creator>
		<pubDate>Sat, 04 Jul 2026 03:06:09 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[first lead]]></category>
		<category><![CDATA[অপরাধ-অনুসন্ধান]]></category>
		<category><![CDATA[বিশেষ প্রতিবেদন]]></category>
		<category><![CDATA[শিরোনাম]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://chtnews24.com/?p=37407</guid>

					<description><![CDATA[ডেস্ক রির্পোট:- ছিনতাই, চাঁদাবাজি, টার্গেট কিলিংসহ প্রায় সব ধরনের অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডে ব্যবহার হচ্ছে আগ্নেয়াস্ত্র। ছোট বড় সব সন্ত্রাসীর হেফাজতে এখন দেশি-বিদেশি অস্ত্র রয়েছে। হাত বাড়ালেই মিলছে অবৈধ অস্ত্র। দেশের সীমান্ত দিয়ে এসব অস্ত্র দেশে আনছে অস্ত্র চোরাকারবারিরা। হাত বদল হয়ে ছড়িয়ে যাচ্ছে দেশের বিভিন্ন এলাকার অপরাধীদের কাছে। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমেও বিজ্ঞাপন দিয়ে অবৈধ অস্ত্র বিক্রি [&#8230;]]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[<p>ডেস্ক রির্পোট:- ছিনতাই, চাঁদাবাজি, টার্গেট কিলিংসহ প্রায় সব ধরনের অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডে ব্যবহার হচ্ছে আগ্নেয়াস্ত্র। ছোট বড় সব সন্ত্রাসীর হেফাজতে এখন দেশি-বিদেশি অস্ত্র রয়েছে। হাত বাড়ালেই মিলছে অবৈধ অস্ত্র। দেশের সীমান্ত দিয়ে এসব অস্ত্র দেশে আনছে অস্ত্র চোরাকারবারিরা। হাত বদল হয়ে ছড়িয়ে যাচ্ছে দেশের বিভিন্ন এলাকার অপরাধীদের কাছে। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমেও বিজ্ঞাপন দিয়ে অবৈধ অস্ত্র বিক্রি করা হচ্ছে। বিভিন্ন সময়ে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর অভিযানেও উদ্ধার হওয়া অবৈধ অস্ত্রের পরিসংখ্যানও উদ্বেগজনক। আর এই অবৈধ অস্ত্রের ছড়াছড়িতে উদ্বেগ বাড়ছে সাধারণ মানুষের মধ্যে।<br />
পুলিশ সদর দপ্তর বলছে, গত তিন মাসে সারা দেশে অন্তত ৯১৫টি হত্যাকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে। এর মধ্যে গত মার্চ মাসে ৩১৭টি, এপ্রিল মাসে ২৮৮টি ও মে মাসে ৩১০টি হত্যা মামলা দায়ের হয়েছে। এর মধ্যে সবচেয়ে বেশি ঢাকা রেঞ্জে ২০৭টি খুনের ঘটনা ঘটেছে। এর বেশির ভাগই ব্যবহৃত হয়েছে অবৈধ আগ্নেয়াস্ত্র। আর এইসব ঘটনায় আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর অভিযানে ১৫৩টি আগ্নেয়াস্ত্র, ১ হাজার ৭৮৫ রাউন্ড গুলি, ৫২টি ম্যাগাজিন, ৩২টি হাতবোমা ও ২ হাজার ২শ’ কেজি গানপাউডার উদ্ধার করা হয়েছে।</p>
<p>গোয়েন্দা সংশ্লিষ্টরা বলছেন, মূলত রাজনৈতিক অস্থিরতা, সংঘবদ্ধ অপরাধী চক্রের সক্রিয়তা এবং সীমান্তপথে অস্ত্র চোরাচালানের কারণে দেশে অবৈধ অস্ত্রের প্রবাহ বেড়েই চলেছে। তাই সীমান্ত এলাকায় অভিযান জোরদার হলেও সড়ক ও নদী পথে ঠিকই অস্ত্রের চালান রাজধানীমুখী হচ্ছে। আর বহনের সুবিধার্থে এই চালানের শীর্ষে রয়েছে ‘বিদেশি পিস্তল’ (৭.৫ ক্যালিভার)। এর মধ্যে মেড ইন ইউএসএ, জার্মানিসহ বিভিন্ন দেশের অস্ত্রেরও দেখা মিলেছে উদ্ধার অভিযানে। বর্তমানে ঠিক কি পরিমাণ অবৈধ অস্ত্র রাজধানীতে আছে তার সঠিক তথ্য গোয়েন্দা পুলিশের কাছেও নেই।<br />
সূত্র বলছে- একটি চক্র দিনাজপুরের হিলি সীমান্ত দিয়ে পার্শ্ববর্তী দেশ থেকে এনে দিনাজপুরের বিভিন্ন গোপন আস্তানায় মজুত করছে অবৈধ অস্ত্র। এরপর অর্ডার অনুযায়ী মোটা টাকার বিনিময়ে ওই সিন্ডিকেটের সদস্যরা ঢাকাসহ বিভিন্ন এলাকায় গিয়ে ডেলিভারি দিয়ে যাচ্ছে।</p>
<p>প্রাইভেটকার, পণ্যবাহী ট্রাকসহ নদী পথে দেশের বিভিন্ন এলাকা ঘুরে এসব অস্ত্র চলে আসছে রাজধানীতে। এ ছাড়াও যশোরের বেনাপোল, শার্শা, চৌগাছা, চাঁপাইনবাবগঞ্জের শিবগঞ্জের রহনপুর রাঘব বাটি, গোপালপুর, মনাকষা, সোনা মসজিদ, আজমতপুর, বিলভাতিয়া, ঝিনাইদহের মহেশপুরের জুলুলী, সাতক্ষীরার কলারোয়ার তলুইগাছা, রাজশাহীর গোদাগাড়ী, পবা, বাঘা, চারঘাট, চুয়াডাঙ্গার দর্শনা, সাতক্ষীরার শাঁকারা, মেহেরপুর, কুমিল্লা, সরাইল, রাঙ্গাাটি,খাগড়াছড়ি,বান্দরবানের নাইক্ষ্যংছড়ি, কক্সবাজারের টেকনাফের খড়ের দ্বীপ ও উখিয়া, কুষ্টিয়ার দৌলতপুরের চরচিলামারী, সিলেটের কানাইহাট, জৈন্তাপুরের মিনাটিলা, জাফলংয়ের কাটরি, সুনামগঞ্জের ছনবাড়ি বাজার, চারাগাঁও, দিনাজপুরের গিলবাড়ি, মৌলভীবাজারের বড় লেখার তারাদরমসহ দেশের বিভিন্ন সীমান্ত দিয়ে প্রতিনিয়তই প্রতিবেশী দেশ হয়ে অবৈধ আগ্নেয়াস্ত্র দেশে প্রবেশ করছে।</p>
<p>গোয়েন্দারা বলছেন- সীমান্তে যারা অবৈধভাবে লোকজন পারাপারে জড়িত, তাদের বড় অংশ অস্ত্র চোরাকারবারির সহযোগী। চোরাকারবারিরা বড় অস্ত্রের চালান পার করতে ছোট চালানগুলো নিজেরাই পুলিশের হাতে ধরিয়ে দেয়। কারণ, একটি অভিযানে পুলিশকে ব্যস্ত রেখে চোরাকারবারিরা অন্য চালানগুলো নিরাপদে গন্তব্যে পাঠিয়ে দেয়। শুধু সীমান্ত দিয়েই নয় কারিগর ভাড়া করে এনে দেশের অভ্যন্তরের গহিন পাহাড় ও লেদ মেশিনেও বানানো হচ্ছে অবৈধ আগ্নেয়াস্ত্র। আর এইসব অস্ত্র শুধু শীর্ষ সন্ত্রাসী নয় টাকার বিনিময়ে পৌঁছে যাচ্ছে কিশোর গ্যাং, মাদককারবারি এমনকি পেশাদার ছিনতাইকারীদের হাতে। আর অস্ত্রের এই সহজলভ্যতাই অপরাধপ্রবণতা বৃদ্ধি করছে। এতে বেপরোয়া হয়ে উঠছে অপরাধী চক্র।</p>
<p>র‌্যাবের তথ্য বলছে, রাজধানীর মোহাম্মদপুর এলাকায় ছিনতাই-চাঁদাবাজিসহ বিভিন্ন অপরাধে জড়িত থাকার অপরাধে রোববার র‍্যাব-২ এর একটি দল অভিযান পরিচালনা করে চন্দ্রিমা হাউজিং থেকে একটি বিদেশি অস্ত্র এবং দুই রাউন্ড তাজা গুলিসহ শামীম পাটালিসহ ৮ জন ছিনতাইকারীকে আটক করেছে। এর আগে গত শনিবার দুপুরেও চিহ্নিত কিশোর গ্যাং ‘মাওরা গ্রুপের’ প্রধান মো. সোহেল ওরফে মাওরা সোহেলকে আটক করেছে র‌্যাব-২ এর সিপিসি ২ এর সদস্যরা। ওই সময় তার কাছ থেকেও উদ্ধার করা হয়েছে বিদেশি আগ্নেয়াস্ত্র (পিস্তল)। আগে দেশীয় ধারালো অস্ত্র ব্যবহার করলেও বর্তমানে বিদেশি আগ্নেয়াস্ত্রের মুখে জিম্মি করে সাধারণ মানুষের সর্বস্ব লুটে নিচ্ছে এই চক্রটি।<br />
এর আগে গত ১২ই জুন দুপুর পৌনে ২টার দিকে রাজধানীর রামপুরা এলাকার বাংলাদেশ টেলিভিশন ভবনের উল্টো দিকে নিজের বাসার কাছে গুলিবিদ্ধ হন ইয়াসিন খান পলাশ ওরফে কাইলা পলাশ। সেদিন দুই ব্যক্তি মোটরসাইকেলে এসে খুব কাছ থেকে পলাশের মাথায় গুলি করে পালিয়ে যায়। এরপর প্রথমে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল ও পরে এভারকেয়ার হাসপাতালে ভর্তি করা হয় তাকে।</p>
<p>শুক্রবার গভীর রাতে সেখানেই মৃত্যু হয়েছে তার। চাঞ্চল্যের কথা এই হত্যাকাণ্ডেও ব্যবহৃত হয়েছে অবৈধ আগ্নেয়াস্ত্র। সেদিন ওই পলাশ কিলিং মিশনে সামনে থেকে দু’জন অংশ নিলেও তাদের গ্রুপে ওই এলাকায় একাধিক ব্যক্তি অবৈধ আগ্নেয়াস্ত্র নিয়ে অবস্থান করছিলেন। এর ঠিক চারদিন আগে গত ৭ই জুন বিকাল ৩টার দিকে মতিঝিল শাপলাচত্বর এলাকায় জনতা ব্যাংকের সামনে মো. লোকমান নামের এক মানি এক্সচেঞ্জ ব্যবসায়ীকে গুলি করে ১৭ হাজার ডলার ছিনতাইয়ের ঘটনা ঘটেছে। সেদিনের প্রত্যক্ষদর্শীরা বলেন, প্রথমে লোকমানের কাছ থেকে ব্যাগ ছিনিয়ে নেয়ার চেষ্টা করছিল দু’জন। ধস্তাধস্তির একপর্যায়ে দিনদুপুরে সকলের সামনে তাকে গুলি করা হয়। পরে গুলিবিদ্ধ ব্যক্তির কাছ থেকে টেনেহিঁচড়ে ব্যাগ নিয়ে মোটরসাইকেলে চেপে পালিয়ে যায় ছিনতাইকারীরা। এর কিছুদিন আগেই গত ২৮শে এপ্রিলও রাজধানীর নিউমার্কেট বটতলা এলাকায় সকলের সামনে প্রকাশ্যে এলোপাতাড়ি গুলি করে হত্যা করা হয় খন্দকার নাঈম আহমেদ টিটনকে। ওই হত্যাকাণ্ডেও ব্যবহৃত হয়েছে একাধিক অবৈধ আগ্নেয়াস্ত্র। এমনকি পথচারীরা যখন কিলারদের ধাওয়া দেয় তখনও গুলি ছুড়তে ছুড়তে পালিয়ে যায় খুনিরা।</p>
<p>ঘটনার প্রায় দুই মাসেও এখনো অস্ত্র বা খুনি কাউকেই আইনের আওতায় আনতে পারেনি পুলিশ। এর আগেও গত বছরের ১০ই নভেম্বর বেলা পৌনে ১১টার দিকে পুরান ঢাকার ন্যাশনাল মেডিকেল কলেজের সামনে ঠিক প্রকাশ্যে রাস্তায় ফেলে ফিল্মি স্টাইলে এলোপাতাড়ি গুলি চালিয়ে হত্যা করা হয় পুলিশের এক সময়ের তালিকাভুক্ত শীর্ষ সন্ত্রাসী তারিক সাঈফ মামুনকে। সেই ঘটনার সিসিটিভি ফুটেজেও দেখা যায়, শত শত মানুষের সামনে মুখে মাস্ক পরা দুই ব্যক্তি কীভাবে মামুনকে লক্ষ্য করে একের পর এক গুলি ছুড়ছে। আর এই সব ক’টি ঘটনাতেই ব্যবহৃত হয়েছে অবৈধ আগ্নেয়াস্ত্র। এ ছাড়াও প্রতিনিয়তই এমন অস্ত্রের ঝনঝনানি দেখছে রাজধানীবাসী।</p>
<p>এদিকে গত ১৮ই জুন রাতে ওয়ারীর শীর্ষ সন্ত্রাসী ইসমাইল হোসেন ওরফে অটো সজলসহ তার ৩ সহযোগীকে গ্রেপ্তার করে যাত্রাবাড়ী থানা পুলিশ। পরে তার দেয়া তথ্যের ভিত্তিতে স্বামীবাগের বাসা থেকে ২ টি ‘টাওরাস’ ব্র্যান্ডের অত্যাধুনিক বিদেশি পিস্তল, ৪টি ম্যাগাজিন এবং ৭৭ রাউন্ড তাজা গুলি উদ্ধার করা হয়। গত ২৮শে এপ্রিলও রাজধানীর মোহাম্মদপুর ও পল্টন এলাকা থেকে দেশি-বিদেশি অস্ত্রসহ পাঁচজনকে গ্রেপ্তার করে র‍্যাব। তাদের কাছ থেকে ৩টি বিদেশি পিস্তল, ২টি ম্যাগাজিন, ৩৩টি গুলি উদ্ধার করা হয়। এ ছাড়া একই সময়ে মোহাম্মদপুরের ৪০ ফুট এলাকা থেকে পরিত্যক্ত অবস্থায় একটি দেশীয় একনলা বন্দুক ও একটি কার্তুজ উদ্ধার করা হয়। গত ২৬শে এপ্রিলও কাফরুল এলাকায় বিশেষ অভিযানে অবৈধ বিদেশি আগ্নেয়াস্ত্র উদ্ধার করেছে র‍্যাব।</p>
<p>গত ২রা ফেব্রুয়ারিও রাজধানীর তুরাগের হরিরামপুর এলাকায় অভিযান চালিয়ে সন্ত্রাসী সোয়েব হোসেন মুন্না ওরফে ভাগিনা মুন্নাকে গ্রেপ্তার করে র‍্যাব-৪ এর সদস্যরা। গ্রেপ্তারকালে তার কাছ থেকে একটি বিদেশি পিস্তল, ২টি ম্যাগাজিন ও ১৭ রাউন্ড গুলি উদ্ধার করা হয়। র‌্যাব জানায়, এসব অবৈধ আগ্নেয়াস্ত্র সে তুরাগ, মিরপুর, কাফরুল, পল্লবী, ভাষানটেক এবং ক্যান্টনমেন্ট থানাসহ আশপাশের এলাকায় চাঁদাবাজি, আধিপত্য বিস্তারসহ বিভিন্ন অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডে ব্যবহার করতো। পাশাপাশি এগুলো বিভিন্ন পেশাদার অপরাধীদের ভাড়ায় সরবরাহ করতো। গত ৭ই ফেব্রুয়ারিও রাজধানীর মধ্য বাড্ডার বেপারীপাড়া থেকে শীর্ষ সন্ত্রাসী সুব্রত বাইনের ঘনিষ্ঠ সহযোগী মেহেদী হাসান ওরফে দীপুকে গ্রেপ্তার করে যৌথ বাহিনীর সদস্যরা। তার বাড়ি থেকে মোট ১১টি অত্যাধুনিক বিদেশি অস্ত্র ও ৩৯৪টি গুলি উদ্ধার করা হয়। এই বাহিনীর কাছে আরও অবৈধ অস্ত্র রয়েছে বলেও জানিয়েছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা।<br />
এসব বিষয়ে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার (ক্রাইম অ্যান্ড অপারেশন্স) এস. এন. মো. নজরুল ইসলাম বলেন, অবৈধ অস্ত্র, খোয়া যাওয়া অস্ত্র, এমনকি এখন দেখা যাচ্ছে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বিজ্ঞাপন দিয়েও অস্ত্র বেচা-কেনা হচ্ছে।</p>
<p>এসব বিষয়ে আমাদের সোর্স নিয়োগ করা, গোয়েন্দা নজরদারি এবং আমরা যখন কোনো অবৈধ অস্ত্র পাচ্ছি তখন সেই অস্ত্র কোথা থেকে সে পেলো, কীভাবে তার কাছে আসলো সেসব রুট আউট করছি। এ ছাড়া আমাদের সিটিটিসি, গোয়ন্দা পুলিশ এ বিষয়ে কাজ করছে। কোথাও যদি এমন অবৈধ অস্ত্রের ব্যবহার করা হয় তখন তারা এর ডিগআউটের চেষ্টা করছে এসব অস্ত্র কোথা থেকে আসলো। আমাদের চেষ্টা অব্যাহত আছে। বিভিন্ন সময় অনেকে ধরাও পড়ছে। এই পুলিশ কর্মকর্তা বলেন, আসলে আমাদের সমস্যা হচ্ছে একটা ঘটনা ঘটার পর সেটাতে যতটা সময় দেয়া প্রয়োজন সেই পর্যাপ্ত সময় আমরা দিতে পারি না। একটা ঘটনার পরই আরেকটা ঘটনা ঘটে যাচ্ছে। এর আগে একটা ঘটনা ঘটে ২রা মার্চ। সেই একটা ঘটনা নিয়ে তার অস্ত্র উদ্ধার হলো জুনের ১৮ তারিখে। ঘটনার তিন মাস পর হলেও কিন্তু আমরা অস্ত্র উদ্ধার করেছি। মূল কথা আমরা চেষ্টা করে যাচ্ছি।</p>
<p>র‌্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়নের লিগ্যাল অ্যান্ড মিডিয়া উইং-এর পরিচালক উইং কমান্ডার এম জেড এম ইন্তেখাব চৌধুরী বলেন, অপরাধ দমনে আমরা প্রতিনিয়ত চেষ্টা করে চলেছি। আমাদের নিয়মিত অভিযান চলছে। অপরাধ বিশ্লেষণ করে আমরা যেই এলাকায় যখন প্রয়োজন ঠিক সে সময়েই টহল চালাচ্ছি। আমাদের র‌্যাব সদস্যরা সাদা পোশাকেও নজরদারি চালিয়ে যাচ্ছেন। ইতিমধ্যেই বেশ কিছু অস্ত্রসহ আসামি গ্রেপ্তার করা হয়েছে। আমাদের এই প্রচেষ্টা অব্যাহত থাকবে।</p>
]]></content:encoded>
					
					<wfw:commentRss>https://chtnews24.com/2026/07/04/%e0%a6%85%e0%a6%ac%e0%a7%88%e0%a6%a7-%e0%a6%85%e0%a6%b8%e0%a7%8d%e0%a6%a4%e0%a7%8d%e0%a6%b0%e0%a7%87%e0%a6%b0-%e0%a6%9b%e0%a6%a1%e0%a6%bc%e0%a6%be%e0%a6%9b%e0%a6%a1%e0%a6%bc%e0%a6%bf-%e0%a6%aa/feed/</wfw:commentRss>
			<slash:comments>0</slash:comments>
		
		
			</item>
		<item>
		<title>১৬২ পয়েন্টে ১৬০০ গডফাদার</title>
		<link>https://chtnews24.com/2026/05/18/%e0%a7%a7%e0%a7%ac%e0%a7%a8-%e0%a6%aa%e0%a6%af%e0%a6%bc%e0%a7%87%e0%a6%a8%e0%a7%8d%e0%a6%9f%e0%a7%87-%e0%a7%a7%e0%a7%ac%e0%a7%a6%e0%a7%a6-%e0%a6%97%e0%a6%a1%e0%a6%ab%e0%a6%be%e0%a6%a6%e0%a6%be/</link>
					<comments>https://chtnews24.com/2026/05/18/%e0%a7%a7%e0%a7%ac%e0%a7%a8-%e0%a6%aa%e0%a6%af%e0%a6%bc%e0%a7%87%e0%a6%a8%e0%a7%8d%e0%a6%9f%e0%a7%87-%e0%a7%a7%e0%a7%ac%e0%a7%a6%e0%a7%a6-%e0%a6%97%e0%a6%a1%e0%a6%ab%e0%a6%be%e0%a6%a6%e0%a6%be/#respond</comments>
		
		<dc:creator><![CDATA[adminchtnews24]]></dc:creator>
		<pubDate>Mon, 18 May 2026 02:01:05 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[Second lead]]></category>
		<category><![CDATA[অপরাধ-অনুসন্ধান]]></category>
		<category><![CDATA[বিশেষ প্রতিবেদন]]></category>
		<category><![CDATA[শিরোনাম]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://chtnews24.com/?p=37365</guid>

					<description><![CDATA[ডেস্ক রির্পোট:- সরকারের ঘোষণা অনুযায়ী দেশব্যাপী শুরু হওয়া মাদকবিরোধী অভিযানেও দমানো যাচ্ছে না মাদক কারবারিদের। অভিযানের ১৭ দিন পার হলেও এখনো তেমন সাড়া পড়েনি। গ্রেপ্তার হচ্ছে না শীর্ষ পর্যায়ের গডফাদাররা। শুরুতে কয়েকটি বড় চালান ধরা পড়লেও সময়ের সঙ্গে অনেকটাই ঝিমিয়ে গেছে অভিযান। সংশ্লিষ্টরা বলছেন, বিগত অন্তর্বর্তী সরকারের সময় আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর তৎপরতা ছিল না বললেই [&#8230;]]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[<p>ডেস্ক রির্পোট:- সরকারের ঘোষণা অনুযায়ী দেশব্যাপী শুরু হওয়া মাদকবিরোধী অভিযানেও দমানো যাচ্ছে না মাদক কারবারিদের। অভিযানের ১৭ দিন পার হলেও এখনো তেমন সাড়া পড়েনি। গ্রেপ্তার হচ্ছে না শীর্ষ পর্যায়ের গডফাদাররা। শুরুতে কয়েকটি বড় চালান ধরা পড়লেও সময়ের সঙ্গে অনেকটাই ঝিমিয়ে গেছে অভিযান। সংশ্লিষ্টরা বলছেন, বিগত অন্তর্বর্তী সরকারের সময় আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর তৎপরতা ছিল না বললেই চলে। এ সুযোগে মাদক কারবারিদের তৎপরতা বৃদ্ধি পায়। যা এখনো নিয়ন্ত্রণের মধ্যে আসেনি। এ অবস্থায় অভিযানের মধ্যেই দেশের সীমান্তবর্তী ২৯ জেলার ১৬২ পয়েন্ট দিয়ে মাদকের ঢল অব্যাহত রয়েছে। এ ছাড়া দেশের প্রত্যন্ত অঞ্চলেও পাওয়া যাচ্ছে মাদক। বিশেষ করে ইয়াবা, গাঁজা, হেরোইন ও ফেনসিডিলের চালান বেড়েছে।</p>
<p>পুলিশ ও মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর জানায়, বিশেষ অভিযান আরও জোরদারের পরিকল্পনা হাতে নেওয়া হয়েছে। মাদকের রেডজোন জেলাগুলোতে বিশেষ বার্তা পাঠিয়েছে পুলিশ সদর দপ্তর। সীমান্তে কঠোর নজরদারি অব্যাহত রাখতে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশকে (বিজিবি) শুরু থেকেই কঠোর নির্দেশনা দিয়ে রেখেছে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়।</p>
<p>গোয়েন্দা তথ্য বলছে, এসব পয়েন্টসহ দেশে অন্তত ১৬০০ গডফাদার সক্রিয় রয়েছে। সারা দেশে এ মাদক নেটওয়ার্ক তিন স্তরে সক্রিয়। যে নেটওয়ার্কে অন্তত ২১ হাজার কারবারি রয়েছে। ঢাকা, চট্টগ্রাম, রাজশাহী ও খুলনায় কারবারির সংখ্যা সবচেয়ে বেশি।</p>
<p>সূত্র বলছেন, বর্তমানে মাদক পাচারের নিত্যনতুন কৌশলের সঙ্গে ভয়াবহ আকার ধারণ করেছে কারবারিদের ছদ্মবেশ। মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের (ডিএনসি) এক কর্মকর্তা বলেন, কারবারিদের কৌশল ও ছদ্মবেশ এমন পর্যায়ে গেছে, নিজেদের মধ্যে ঝামেলা না হলে তাদের খোঁজ মিলছে না সহজে। যা দেশের মাদকের বাজারকে আরও ভয়াবহ রূপ দিতে পারে বলে শঙ্কা তৈরি হচ্ছে।</p>
<p>অপরাধ বিশেষজ্ঞ ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সহযোগী অধ্যাপক ড. তৌহিদুল হক বলেন, সমন্বিত উদ্যোগ ও সত্যিকারের জিরো টলারেন্স বলতে যা বোঝায় রাষ্ট্র সেই পদক্ষেপ না নিলে কখনোই মাদক নিয়ন্ত্রণে আসবে না। সীমান্তে প্রযুক্তির ব্যবহার বাড়াতে হবে। সেই সঙ্গে সীমান্তে দায়িত্বরত কেউ এসব কারবারে জড়িত কি না সে বিষয়ে নজরদারি বাড়াতে হবে। মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের (ডিএনসি) পরিচালক (অপারেশন্স) মো. বশির আহমেদ বলেন, মাদকের বিরুদ্ধে সরকার বিশেষ অভিযান ঘোষণার পর থেকেই সারা দেশে বিশেষ অভিযান পরিচালনা করা হচ্ছে। ইতোমধ্যে অনেক গ্রেপ্তার ও মাদক উদ্ধার করা হয়েছে। আমরা কঠোরভাবে জিরো টলারেন্স বাস্তবায়নে কাজ করে যাচ্ছি। ডিএনসির অতিরিক্ত পরিচালক (ঢাকা বিভাগীয় কার্যালয়) এ কে এম শওকত ইসলাম বলেন, লাইসেন্সপ্রাপ্ত বারগুলোও কোনো অনিয়ম করলে ছাড় দেওয়া হচ্ছে না। সিসা লাউঞ্জ বন্ধসহ ঢাকামুখী মাদকের ট্রানজিটগুলোতে গোয়েন্দা নজরদারি বাড়ানো হয়েছে। পুলিশ সদর দপ্তরের এআইজি (মিডিয়া) এ এইচ এম শাহাদাত হোসাইন বলেন, বিশেষ অভিযান শুরুর পর মাদকের বিক্রেতা ও বাহক পর্যায়ের অনেকে গ্রেপ্তার হয়েছেন। তাদের জিজ্ঞাসাবাদ করে গডফাদারদের তথ্য নেওয়া হচ্ছে। আশা করি অনেক গডফাদার দ্রুতই গ্রেপ্তার হবেন। এ ছাড়াও মাদকের জন্য বিশেষ এলাকাগুলোতে কঠোর নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।</p>
<p>বাড়ছে যেসব মাদকের সরবরাহ : পরিসংখ্যান বলছে, ২০২৪ সালে সারা দেশে ২ কোটি ২৮ লাখ ৫৭ হাজার ৭৫১ পিস ইয়াবা উদ্ধার হলেও গত বছর এটি বেড়ে ৪ কোটি ৩৫ লাখ ৬২ হাজার ৮১১ পিসে দাঁড়িয়েছে। এ ছাড়াও গত বছর ১৬৬ কেজি হেরোইন, সাড়ে ১৪ কেজি কোকেন, ৯৬ হাজার ৩৫৭ কেজি গাঁজা, ৩ লাখ ১৯ হাজার ৯৪০ বোতল ও ৮১ লিটার ফেনসিডিল জব্দ করা হয়েছে। ডিএনসির তথ্য বলছে, গত বছর ২ কেজি ৮৪৭ গ্রাম আইস, ৭০ কেজি সিসা, সাড়ে ৬ কেজি কেটামিন, ৫.৪৬ কেজি গাঁজার কুশ, ১ লাখ ২০ হাজার ৭৫৪ পিস ট্যাপেন্টাডল ট্যাবলেট উদ্ধার করা হয়েছে। অথচ দুই-তিন বছর আগেও কেটামিন, ট্যাপেন্টাডল, কুশের মতো মাদকের প্রাদুর্ভাব সেভাবে দেখা যায়নি। এসবের সঙ্গে পশ্চিমা দেশের মাদকও বেশ জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে ধনাঢ্য পরিবারের সন্তানদের কাছে।</p>
<p>কোন পয়েন্ট দিয়ে কী মাদক ঢুকছে : সীমান্ত পথ আছে এমন কোনো জেলা নেই যেখান দিয়ে মাদক প্রবেশ করছে না। পাশের দেশ ভারত ও মিয়ানমারের কারবারিরা সীমান্তের ফাঁক গলে দেশের কারবারিদের হাতে তুলে দিচ্ছেন মাদকের চালান। এ কাজে রোহিঙ্গাদের সংশ্লিষ্টতা বেশ পুরোনো। কক্সবাজারে ইয়াবার চালান ছাড়াও হেরোইনের চালান বৃদ্ধি পেয়েছে।</p>
<p>সূত্র বলছেন, দিনাজপুর, কুড়িগ্রাম, লালমনিরহাট, ঠাকুরগাঁও, ব্রাক্ষণবাড়িয়া, কুমিল্লা, যশোর, সাতক্ষীরা, কুষ্টিয়া, চুয়াডাঙ্গা, মেহেরপুর, ময়মনসিংহ, ঝিনাইদহ, রাজশাহী, নওগাঁ, চাঁপাইনবাবগঞ্জ দিয়ে আসছে ফেনসিডিল। বিশেষ করে কোভিন ফসফেট মিশ্রিত ফেনসিডিল ভারতের চব্বিশ পরগনা, দক্ষিণ দিনাজপুর, কোচবিহার, আসাম প্রদেশের ধুবরী ও সাউথ সালমারা মানকাচর জেলা দিয়ে প্রবেশ করছে। গাঁজা প্রবেশ করছে ব্রাহ্মণবাড়িয়া, কুমিল্লা, কুড়িগ্রাম, লালমনিরহাট, নওগাঁ, ময়মনসিংহ, শেরপুর, নেত্রকোনা, জামালপুর, সিলেট, হবিগঞ্জ, মৌলভীবাজার ও সুনামগঞ্জ জেলার সীমান্ত পথ দিয়ে। ভারতের আসামের ধুবরী, করিমগঞ্জ, কোচবিহার, দক্ষিণ দিনাজপুর, ত্রিপুরার আগরতলা সীমান্ত দিয়ে ঢুকানো হয় গাঁজা। বিদেশি মদ ঢুকছে সিলেট, হবিগঞ্জ, মৌলভীবাজার, সুনামগঞ্জ, কুড়িগ্রাম ও দিনাজপুর সীমান্ত পথ দিয়ে।</p>
<p>ড. ইউনূস সরকার ক্ষমতায় থাকাকালীন যেমন আইনশৃঙ্খলার অবনতি হয়েছিল, তেমনি তাঁর শাসনামলে ১৮ মাসে বগুড়ায় বেড়েছে মাদক কারবার ও সেবন। ওই সময় প্রশাসনের নিষ্ক্রিয়তায় বেপরোয়া হয়ে উঠেছিলেন কারবারিরা। ফলে জেলায় মাদকের ব্যাপকতা বেড়ে যায়। বগুড়ার হাড্ডিপট্টি ও চকসূত্রাপুর এলাকায় গড়ে উঠেছিল মাদক কারবারিদের নিরাপদ আশ্রয়স্থল। চট্টগ্রাম থেকে প্রতিনিধি জানান, অন্তর্বর্তী সরকারের আমলে খাতায়-কলমে নিয়ন্ত্রণ ছিল মাদক, কিন্তু বাস্তবে মাদকের বন্যায় ভেসেছে বৃহত্তর চট্টগ্রামের ১১ জেলা ও চট্টগ্রাম নগরী। ৫ আগস্টের গণ অভ্যুত্থান-পরবর্তী সময়ে পুলিশের ভেঙে পড়া চেইন অব কমান্ড, সোর্স-নেটওয়ার্কের বিপর্যয় এবং প্রশাসনিক রদবদলের সুযোগ নিয়ে কারবারিরা গড়ে তুলেছে মাদকের এক অভয়ারণ্য। পরিসংখ্যানে অন্তর্বর্তী সরকারের ১৮ মাসে সিএমপিতে মাদক মামলা ৩৭ দশমিক ৪৮ শতাংশ এবং চট্টগ্রাম রেঞ্জে প্রায় ২৩ শতাংশ কমার স্বস্তিদায়ক চিত্র দেখা গেলেও বাস্তবের চিত্রটি ঠিক উল্টো ও ভয়ংকর। পুলিশের নিষ্ক্রিয়তার সুযোগ নিয়ে তল্লাশিহীন সড়কগুলো ব্যবহার করে নীরবে মাদকের এ চোরাচালান ও বিস্তার বেড়েছে কয়েক শ গুণ। মাদক বিষয়ে কাজ করেন মাঠপর্যায়ের এমন একাধিক কর্মকর্তার সঙ্গে আলাপ হয়। তারা নাম প্রকাশ না করার শর্তে বলেন, ২০২৪ সালের আগস্টে পরিকল্পিতভাবে পুলিশের মেরুদণ্ড ভেঙে দেওয়া হয়েছে। পরবর্তী এক বছরের অধিক সময় স্বাভাবিক পুলিশিং কার্যক্রম বন্ধ ছিল। রাস্তায় চেকপোস্ট বসানো বা ‘ব্লক রেইড’ দেওয়ার মতো কার্যক্রম প্রায় বন্ধ ছিল। এ ছাড়া মাদক উদ্ধারের মূল কারিগর পুলিশের স্থানীয় ‘সোর্স’ বা ইনফরমাররা সরকার পরিবর্তনের পর এলাকাছাড়া হওয়ায় ইন্টেলিজেন্স নেটওয়ার্ক পুরোপুরি ধসে পড়ে। এ সুযোগে কারবারিরা রুট পরিবর্তন করে নির্বিঘ্নে মাদকের চালান পাচার করেছেন। এ সময় মাদক মামলা হার কমলেও মাদক কারবার বেড়েছে কয়েক শ গুণ।</p>
<p>বগুড়ার সচেতন নাগরিকরা বলছেন, ইউনূস সরকারের আমলে প্রশাসন ভেঙে পড়েছিল। যার কারণে জেলায় মাদক কারবারি ও মাদকসেবীরা বেপরোয়া হয়ে উঠেছিলেন। তবে বর্তমান সরকার ক্ষমতায় আসার পর প্রশাসন নিয়মিত মাদকবিরোধী অভিযান পরিচালনা করছে।</p>
<p>হবিগঞ্জ&#8212;-, হবিগঞ্জের চুনারুঘাট ও মাধবপুর উপজেলা একটি সীমান্তবর্তী অঞ্চল। এ দুই উপজেলার বেশির ভাগ অংশই ভারতের সঙ্গে সীমান্ত রয়েছে। সীমান্তবর্তী গ্রামগুলোতে দিনের বেলায় যেমন তেমন সন্ধ্যা নামলেই তৎপরতা শুরু হয় মাদক কেনাবেচার সঙ্গে সংশ্লিষ্টদের। বিশেষ করে ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট থেকে ২০২৬ সালের ১১ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত মাদক কারবারি ও সেবনকারীদের বেশি তৎপরতা দেখা গেছে।</p>
<p>নড়াইল&#8212;-, প্রশাসনের নিষ্ক্রিয়তায় নড়াইলে বেড়েছে মাদকের বেচাকেনা ও সেবন। বিগত ১৮ মাসে নড়াইল জেলায় মাদক কেনাবেচা ও সেবনের হার আশঙ্কাজনকভাবে বৃদ্ধি পাওয়ায় অভিভাবকরা উদ্বিগ্ন হয়ে পড়েছেন। স্থানীয়দের অভিযোগ, প্রশাসনের দৃশ্যমান নজরদারি ও কঠোর পদক্ষেপের অভাবে জেলাজুড়ে মাদক কারবারিরা ফের সক্রিয় হয়ে উঠেছেন, যা জনমনে চরম উদ্বেগ সৃষ্টি করেছে।</p>
<p>পটুয়াখালী&#8212;, কুয়াকাটা উপকূল এখন মাদকের সেফ জোন হিসেবে বিবেচ্য মাদকের গডফাদারদের কাছে। নিরাপদ এলাকা হিসেবে সমুদ্রপথে নিয়মিত কুয়াকাটাসহ উপকূলের বিভিন্ন স্পটে আসছে মাদক। যা স্থানীয় মাদকসেবী ও পর্যটকদের কাছে বিক্রির পর ফের নৌ ও সড়কপথে পাচার হয়ে যাচ্ছে দেশের বিভিন্ন প্রান্তে। চোলাই মদ, গাঁজা, হেরোইন, ইয়াবার সহজলভ্যতার পর মহিপুর থানার কুয়াকাটা উপকূলে এবার সন্ধান মিলেছে ভয়ংকর মাদক ক্রিস্টাল মেথের। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর কতিপয় সোর্সের মাধ্যমে মাদক সিন্ডিকেটের কাছ থেকে নিয়মিত মাসোহারা তোলারও অভিযোগ রয়েছে। তাই আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর অভিযানের আগেই তথ্য চলে যাচ্ছে মাদক কারবারিদের কাছে। এ ছাড়া মাদকবিরোধী অভিযানে খুচরা বিক্রেতা কিংবা বহনকারীরা গ্রেপ্তার হলেও সাক্ষ্য দুর্বলতায় আইনের ফাঁকফোকর দিয়ে বেরিয়ে যাচ্ছে মাদক কারবারি ও বহনকারীরা। আর গডফাদাররা বরাবরই থেকে যাচ্ছেন ধরাছোঁয়ার বাইরে। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর অভিযানেও ধরা পড়ছে মাদকের ছোটবড় চালান। ইয়াবাসহ এসব মাদক সরবরাহ বহনের কাজে কোমলমতি শিশু ও নারীদের ব্যবহার করা হচ্ছে। রাজবাড়ী প্রতিনিধি জানান, রাজবাড়ীতে এখন হাত বাড়ালেই মেলে মাদক। রাস্তার ধারে, হাট-বাজারে বিক্রি হয় মাদক। অন্তর্বর্তী সরকারের সময় মাদকের ভয়াবহ উত্থানের কারণে এমন হয়েছে বলে স্থানীয়রা জানিয়েছেন। জেলার বিভিন্ন শ্রেণি- পেশার মানুষের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, মাদকের প্রভাবে কিশোর-তরুণদের মধ্যে মাদক আসক্তি বাড়ছে। চুরি, ছিনতাইসহ অপরাধ বৃদ্ধি পাচ্ছে। সামাজিক অবক্ষয় ও নিরাপত্তাঝুঁকি তৈরি হয়েছে। জনবল সংকট, সংঘবদ্ধ চক্রের সক্রিয়তা, সহজলভ্যতা, কিছু এলাকায় প্রশাসনের নজরদারি কম বলে অভিযোগ রয়েছে।</p>
<p>রংপুর&#8212;, অন্তর্বর্তী সরকারের প্রথম দিকে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর দুর্বলতার সুয়োগে ভারতীয় সীমান্ত গলিয়ে মাদক এসেছে পানির শ্যাওলার মতো। মাঝেমধ্যে মাদক বহনকারীরা ধরা পড়লেও মূল গডফাদাররা রয়ে যাচ্ছেন ধরাছোঁয়ার বাইরে। দিন দিন মাদকসেবীর সংখ্যা বাড়ার পাশাপাশি মাদক পাচারের নিরাপদ রুটে পরিণত হয় রংপুর। এ নিয়ে অভিভাবক ও সচেতন মহল চিন্তিত।বাংলাদেশ প্রতিদিন</p>
]]></content:encoded>
					
					<wfw:commentRss>https://chtnews24.com/2026/05/18/%e0%a7%a7%e0%a7%ac%e0%a7%a8-%e0%a6%aa%e0%a6%af%e0%a6%bc%e0%a7%87%e0%a6%a8%e0%a7%8d%e0%a6%9f%e0%a7%87-%e0%a7%a7%e0%a7%ac%e0%a7%a6%e0%a7%a6-%e0%a6%97%e0%a6%a1%e0%a6%ab%e0%a6%be%e0%a6%a6%e0%a6%be/feed/</wfw:commentRss>
			<slash:comments>0</slash:comments>
		
		
			</item>
		<item>
		<title>‘সোজা গুলি করার’ নির্দেশ দিয়েছিলেন শেখ হাসিনা: চিফ প্রসিকিউটর</title>
		<link>https://chtnews24.com/2026/05/10/%e0%a6%b8%e0%a7%8b%e0%a6%9c%e0%a6%be-%e0%a6%97%e0%a7%81%e0%a6%b2%e0%a6%bf-%e0%a6%95%e0%a6%b0%e0%a6%be%e0%a6%b0-%e0%a6%a8%e0%a6%bf%e0%a6%b0%e0%a7%8d%e0%a6%a6%e0%a7%87%e0%a6%b6/</link>
					<comments>https://chtnews24.com/2026/05/10/%e0%a6%b8%e0%a7%8b%e0%a6%9c%e0%a6%be-%e0%a6%97%e0%a7%81%e0%a6%b2%e0%a6%bf-%e0%a6%95%e0%a6%b0%e0%a6%be%e0%a6%b0-%e0%a6%a8%e0%a6%bf%e0%a6%b0%e0%a7%8d%e0%a6%a6%e0%a7%87%e0%a6%b6/#respond</comments>
		
		<dc:creator><![CDATA[adminchtnews24]]></dc:creator>
		<pubDate>Sun, 10 May 2026 11:41:01 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[অপরাধ-অনুসন্ধান]]></category>
		<category><![CDATA[জাতীয়]]></category>
		<category><![CDATA[শিরোনাম]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://chtnews24.com/?p=37276</guid>

					<description><![CDATA[ডেস্ক রির্পোট:- জুলাই-আগস্ট আন্দোলন দমনে তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে ‘লেথাল ওয়েপন’ ব্যবহার করে ‘সোজা গুলি করার’ নির্দেশ দিয়েছিলেন বলে মন্তব্য করেছেন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের চিফ প্রসিকিউটর আমিনুল ইসলাম। রোববার (১০ মে) নিজ কার্যালয়ের সংবাদ সম্মেলনকক্ষে তিনি এ মন্তব্য করেন। এদিন রাজধানীর মোহাম্মদপুরে ৯ জনকে হত্যার ঘটনায় করা মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় ২৮ জনের [&#8230;]]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[<p>ডেস্ক রির্পোট:- জুলাই-আগস্ট আন্দোলন দমনে তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে ‘লেথাল ওয়েপন’ ব্যবহার করে ‘সোজা গুলি করার’ নির্দেশ দিয়েছিলেন বলে মন্তব্য করেছেন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের চিফ প্রসিকিউটর আমিনুল ইসলাম।</p>
<p>রোববার (১০ মে) নিজ কার্যালয়ের সংবাদ সম্মেলনকক্ষে তিনি এ মন্তব্য করেন।</p>
<p>এদিন রাজধানীর মোহাম্মদপুরে ৯ জনকে হত্যার ঘটনায় করা মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় ২৮ জনের বিরুদ্ধে আনুষ্ঠানিক অভিযোগ গঠনের আদেশ দিয়েছেন ট্রাইব্যুনাল।</p>
<p>চিফ প্রসিকিউটর বলেন, ‘আমার নির্দেশনা দেওয়া আছে, ওপেন নির্দেশনা দিয়ে দিছি। এখন লেথাল ওয়েপন ব্যবহার করবে, যেখানে পাবে সোজা গুলি করবে শেখ হাসিনা ও ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের তৎকালীন মেয়র শেখ ফজলে নূর তাপসের কথোপকথনে এমন নির্দেশনার বিষয় উঠে আসে।’ একজন সরকারপ্রধান হিসেবে শেখ হাসিনার এমন নির্দেশনা ছিল অমানবিক ও ভয়াবহ। এর ফলেই সারাদেশে ছাত্র-জনতার ওপর নির্বিচারে গুলি চালানোর প্রবণতা বেড়ে যায় এবং হাজারো মানুষ নিহত হন।</p>
<p>তিনি বলেন, ২০২৪ সালের ১৮ ও ১৯ জুলাই মোহাম্মদপুর এলাকায় ড্রোন ও হেলিকপ্টার ব্যবহার করে ছাত্র-জনতার ওপর নির্বিচারে গুলি চালানো হয়। এতে বহু মানুষ হতাহত হন। সবচেয়ে আবেগের জায়গা হচ্ছে ফাইয়াজকে নির্মমভাবে হত্যা করা হয়েছিল। সেই হত্যাকাণ্ডে আবেগাপ্লুত হয়েছিল পুরো বাংলাদেশ।</p>
<p>তিনি আরও বলেন, মোহাম্মদপুরের এ মামলায় সুপিরিয়র কমান্ড রেসপনসিবিলিটি, ইন্ডিভিজুয়াল রেসপনসিবিলিটি ও টার্গেটেড কিলিংয়ের অভিযোগ পাওয়া গেছে। এ মামলায় অভিযোগ গঠন করেছেন ট্রাইব্যুনাল। আগামী ৮ জুন থেকে সাক্ষ্যগ্রহণ শুরু হবে।</p>
]]></content:encoded>
					
					<wfw:commentRss>https://chtnews24.com/2026/05/10/%e0%a6%b8%e0%a7%8b%e0%a6%9c%e0%a6%be-%e0%a6%97%e0%a7%81%e0%a6%b2%e0%a6%bf-%e0%a6%95%e0%a6%b0%e0%a6%be%e0%a6%b0-%e0%a6%a8%e0%a6%bf%e0%a6%b0%e0%a7%8d%e0%a6%a6%e0%a7%87%e0%a6%b6/feed/</wfw:commentRss>
			<slash:comments>0</slash:comments>
		
		
			</item>
		<item>
		<title>দেশে আবারও সক্রিয় হচ্ছে জঙ্গি নেটওয়ার্ক?</title>
		<link>https://chtnews24.com/2026/04/26/%e0%a6%a6%e0%a7%87%e0%a6%b6%e0%a7%87-%e0%a6%86%e0%a6%ac%e0%a6%be%e0%a6%b0%e0%a6%93-%e0%a6%b8%e0%a6%95%e0%a7%8d%e0%a6%b0%e0%a6%bf%e0%a6%af%e0%a6%bc-%e0%a6%b9%e0%a6%9a%e0%a7%8d%e0%a6%9b%e0%a7%87/</link>
					<comments>https://chtnews24.com/2026/04/26/%e0%a6%a6%e0%a7%87%e0%a6%b6%e0%a7%87-%e0%a6%86%e0%a6%ac%e0%a6%be%e0%a6%b0%e0%a6%93-%e0%a6%b8%e0%a6%95%e0%a7%8d%e0%a6%b0%e0%a6%bf%e0%a6%af%e0%a6%bc-%e0%a6%b9%e0%a6%9a%e0%a7%8d%e0%a6%9b%e0%a7%87/#respond</comments>
		
		<dc:creator><![CDATA[adminchtnews24]]></dc:creator>
		<pubDate>Sun, 26 Apr 2026 02:40:17 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[Second lead]]></category>
		<category><![CDATA[অপরাধ-অনুসন্ধান]]></category>
		<category><![CDATA[বিশেষ প্রতিবেদন]]></category>
		<category><![CDATA[শিরোনাম]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://chtnews24.com/?p=37070</guid>

					<description><![CDATA[ডেস্ক রির্পোট:- দেশে আবারও জঙ্গি তৎপরতা মাথাচাড়া দিয়ে উঠছে কিনা—এমন প্রশ্ন এখন জনমনে। পুলিশ সদর দফতর থেকে গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনায় সম্ভাব্য জঙ্গি হামলার আশঙ্কা জানিয়ে সতর্কতামূলক চিঠি পাঠানোর পর নিরাপত্তা পরিস্থিতি নিয়ে নতুন উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। দীর্ঘদিন বড় ধরনের হামলা না ঘটলেও গোয়েন্দা সংস্থাগুলো বলছে, দেশে জঙ্গিবাদ পুরোপুরি নির্মূল হয়নি; বরং নীরবে সংগঠিত হয়ে বিভিন্ন কৌশলে [&#8230;]]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[<p>ডেস্ক রির্পোট:- দেশে আবারও জঙ্গি তৎপরতা মাথাচাড়া দিয়ে উঠছে কিনা—এমন প্রশ্ন এখন জনমনে। পুলিশ সদর দফতর থেকে গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনায় সম্ভাব্য জঙ্গি হামলার আশঙ্কা জানিয়ে সতর্কতামূলক চিঠি পাঠানোর পর নিরাপত্তা পরিস্থিতি নিয়ে নতুন উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। দীর্ঘদিন বড় ধরনের হামলা না ঘটলেও গোয়েন্দা সংস্থাগুলো বলছে, দেশে জঙ্গিবাদ পুরোপুরি নির্মূল হয়নি; বরং নীরবে সংগঠিত হয়ে বিভিন্ন কৌশলে সক্রিয় হওয়ার চেষ্টা চলছে। চিঠি পাওয়ার পর বিষয়টি নিয়ে কাজ শুরু করেছে দেশের গোয়েন্দা সংস্থাগুলো।</p>
<p>গোয়েন্দা সূত্রগুলো জানায়, বড় ধরনের হামলা না থাকলেও উগ্রবাদী নেটওয়ার্ক পুরোপুরি ভেঙে পড়েনি। অনলাইনে যোগাযোগ, ছোট পরিসরে সংগঠন গঠন এবং ‘লো-প্রোফাইল’ কার্যক্রমের মাধ্যমে পুনরায় সক্রিয় হওয়ার চেষ্টা লক্ষ্য করা যাচ্ছে।</p>
<p>গত বছরের ২৬ ডিসেম্বর কেরানীগঞ্জের হাসনাবাদ এলাকার উম্মুল কুরা ইন্টারন্যাশনাল মাদ্রাসায় বিস্ফোরণের ঘটনার পর নড়েচড়ে বসে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী। ওই বিস্ফোরণে ভবনের দুটি কক্ষের দেয়াল ক্ষতিগ্রস্ত হয় এবং পাশের একটি সিএনজি গ্যারেজও ক্ষতির মুখে পড়ে। স্থানীয়দের ভাষ্য অনুযায়ী, তিন থেকে চার দিন পর একই স্থানে দ্বিতীয় দফায় আরেকটি বিস্ফোরণ ঘটে, এতে একজন আহত হন।</p>
<p>ঘটনার পর ধারাবাহিক অভিযানে মূল অভিযুক্ত জঙ্গি নেতা ও বোমা তৈরির কারিগর আল আমিন শেখসহ মোট ১৭ জনকে গ্রেফতার করা হয়। তদন্ত সংস্থা এন্টি টেররিজম ইউনিট (এটিইউ) জানিয়েছে, তাদের মধ্যে সাতজন মামলার এজাহারভুক্ত আসামি।</p>
<p>মাদ্রাসায় বিস্ফোরণে ভেস্তে যায় বড় হামলার পরিকল্পনা<br />
এদিকে, নিষিদ্ধ ঘোষিত একটি উগ্রবাদী সংগঠনের সদস্য ইসতিয়াক আহম্মেদ সামী ওরফে আবু বক্কর ওরফে আবু মোহাম্মদকেও গ্রেফতার করেছে পুলিশের গোয়েন্দা সংস্থা। তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করে চাকরিচ্যুত দুই সেনাসদস্যের সঙ্গে তার নিয়মিত যোগাযোগের তথ্য পেয়েছেন তদন্তকারীরা।</p>
<p>গত ২৩ এপ্রিল পুলিশ সদর দফতরের গোপনীয় শাখা থেকে সারাদেশের পুলিশ ইউনিট প্রধানদের কাছে পাঠানো সতর্কতামূলক চিঠিতে বিষয়টি উল্লেখ করা হয়।</p>
<p>ঢাকা মহানগর পুলিশের মতিঝিল বিভাগের উপকমিশনার (ডিসি) হারুন অর রশিদ জানান, পুলিশ সদর দফতরের নির্দেশনা তারা পেয়েছেন। গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনার নিরাপত্তা জোরদারে ডিএমপির প্রটেকশন বিভাগ প্রয়োজন অনুযায়ী সমন্বয় করছে।</p>
<p>পুলিশ সদর দফতরের চিঠিতে বলা হয়, নিষিদ্ধ ঘোষিত উগ্রবাদী সংগঠনের সমর্থকদের মাধ্যমে গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনায় হামলার পরিকল্পনার তথ্য পাওয়া গেছে। গ্রেফতার হওয়া ইসতিয়াক আহম্মেদ সামীর সঙ্গে চাকরিচ্যুত দুই সেনাসদস্যের নিয়মিত যোগাযোগ ছিল বলেও চিঠিতে উল্লেখ করা হয়।</p>
<p>চিঠিতে আশঙ্কা প্রকাশ করা হয়েছে, জাতীয় সংসদ, বাংলাদেশ পুলিশ ও সেনাবাহিনীর স্থাপনা, ধর্মীয় উপাসনালয়, বিনোদনকেন্দ্র, শাহবাগ চত্বরসহ রাষ্ট্রীয় গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনাগুলোতে বোমা হামলা কিংবা দেশীয় ধারালো অস্ত্র ও আগ্নেয়াস্ত্র ব্যবহার করে হামলার চেষ্টা হতে পারে। এমনকি বিভিন্ন বাহিনীর অস্ত্রাগার লক্ষ্য করেও পরিকল্পনা থাকতে পারে বলে সতর্ক করা হয়েছে। সার্বিক নিরাপত্তা বিবেচনায় সংশ্লিষ্টদের অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে।</p>
<p>এ পরিস্থিতিতে গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনাগুলোর নিরাপত্তা জোরদার, নজরদারি বৃদ্ধি এবং সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।</p>
<p>লস্কর-ই-তৈয়বার সংশ্লিষ্টতা?<br />
পুলিশের একটি দায়িত্বশীল সূত্র জানিয়েছে, জঙ্গি সংশ্লিষ্টতার অভিযোগে গ্রেফতার হওয়া ইশতিয়াক আহম্মেদ সামীর পাকিস্তানভিত্তিক জঙ্গি সংগঠন লস্কর-ই-তৈয়বার সঙ্গে সম্ভাব্য যোগাযোগের তথ্য পাওয়া গেছে। তবে বিষয়টি এখনও তদন্তাধীন বলে সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন।</p>
<p>এর আগে, গত ৩১ মার্চ ভারতীয় গণমাধ্যমে প্রকাশিত প্রতিবেদনে বলা হয়, পাকিস্তানি চরমপন্থি গোষ্ঠী লস্কর-ই-তৈয়বার আট সদস্যকে ভারতের বিভিন্ন স্থান থেকে গ্রেফতার করেছে দেশটির আইনশৃঙ্খলা বাহিনী। ভারতীয় পুলিশের দাবি, আটক ব্যক্তিদের মধ্যে সাতজন বাংলাদেশি নাগরিক। দুই মাস ধরে চালানো অভিযানে বাংলাদেশ সীমান্ত এলাকা, কলকাতা, দিল্লি ও তামিলনাড়ু থেকে তাদের গ্রেফতার করা হয়।</p>
<p>টাইমস অব ইন্ডিয়ার প্রতিবেদনে প্রকাশিত সাত বাংলাদেশি হলো, বগুড়ার মিজানুর রহমান (৩২), জাহিদুল ইসলাম (৪০), মোহাম্মদ লিটন (৪০), মোহাম্মদ উজ্জ্বল (২৭) ও ওমর ফারুক (৩২), ঝালকাঠির মো. শাফায়েত হোসাইন (৩৪) এবং ঠাকুরগাঁওয়ের রবিউল ইসলাম (২৭)।</p>
<p>আবার সক্রিয় হচ্ছে জঙ্গি নেটওয়ার্ক?<br />
নিরাপত্তা সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলোর মতে, বাংলাদেশের জঙ্গি সংগঠনগুলো এখন আর আগের মতো প্রকাশ্য সাংগঠনিক কাঠামোয় কাজ করছে না। বরং ছোট ছোট সেলভিত্তিক নেটওয়ার্কে কার্যক্রম পরিচালনার প্রবণতা দেখা যাচ্ছে। তাদের প্রধান কৌশলের মধ্যে রয়েছে, অনলাইন র‍্যাডিক্যালাইজেশন, ‘লোন উলফ’ বা একক হামলাকারী তৈরি, স্বল্প সক্ষমতার বিস্ফোরক বা গোপন অস্ত্র প্রস্তুত এবং এনক্রিপ্টেড বা গুপ্ত অ্যাপের মাধ্যমে গোপন যোগাযোগ।</p>
<p>একজন গোয়েন্দা কর্মকর্তা বলেন, জঙ্গিবাদ বর্তমানে দৃশ্যমান না থাকলেও ‘স্লিপার সেল’ ঝুঁকি পুরোপুরি শেষ হয়নি।</p>
<p>অতীতের অভিজ্ঞতা ও সতর্কতার প্রয়োজন<br />
গত এক দশকে ধারাবাহিক আইনশৃঙ্খলা অভিযান জঙ্গি নেটওয়ার্ককে বড় ধরনের ধাক্কা দেয়। বিশেষ করে ২০১৬ সালের হলি আর্টিজান হামলার পর সাঁড়াশি অভিযানে একাধিক সংগঠনের সাংগঠনিক সক্ষমতা ভেঙে দেওয়া হয়। ফলে দীর্ঘ সময় জঙ্গি তৎপরতা দৃশ্যত কমে আসে। তবে নিরাপত্তা বিশ্লেষকদের মতে, বর্তমানে সবচেয়ে বড় ঝুঁকি ডিজিটাল র‍্যাডিক্যালাইজেশন। ভার্চুয়াল স্পেস এখন উগ্রবাদী নিয়োগ ও মতাদর্শ বিস্তারের অন্যতম প্ল্যাটফর্ম হিসেবে ব্যবহৃত হচ্ছে।</p>
<p>সংশ্লিষ্টরা বলছেন, বাংলাদেশে উগ্রবাদী নেটওয়ার্কের সূচনা নব্বইয়ের দশকে আফগান যুদ্ধফেরত কিছু ব্যক্তির মাধ্যমে ঘটে। ১৯৯২ সালের ৩০ এপ্রিল আনুষ্ঠানিকভাবে হরকাতুল জিহাদ আল ইসলামী বাংলাদেশ (হুজি-বি) প্রতিষ্ঠার ঘোষণা দেওয়া হয়।</p>
<p>পরবর্তীকালে ১৯৯৮ সালের এপ্রিলে শায়েখ আব্দুর রহমানের নেতৃত্বে জামা’আতুল মুজাহিদিন বাংলাদেশ (জেএমবি) প্রতিষ্ঠিত হয়। সিদ্দিকুর রহমান ওরফে বাংলা ভাই ছিলেন তার প্রধান সহযোগী। ২০০১ থেকে ২০০৫ সালের মধ্যে সংগঠনটি প্রকাশ্যে শক্তি প্রদর্শন শুরু করে।</p>
<p>২০০৪ সালের ২১ আগস্ট রাজধানীতে আওয়ামী লীগের সমাবেশে গ্রেনেড হামলা এবং ২০০৫ সালের ১৭ আগস্ট দেশের ৬৩ জেলার প্রায় ৫০০ স্থানে একযোগে সিরিজ বোমা হামলা বাংলাদেশের জঙ্গিবাদের ইতিহাসে বড় মোড় হিসেবে বিবেচিত হয়। ওই হামলার দায় স্বীকার করে জেএমবি।</p>
<p>তদন্ত শেষ না হওয়া পর্যন্ত সতর্ক থাকার আহ্বান<br />
পুলিশ সদর দফতর থেকে দেওয়া চিঠি ও গ্রেফতার হওয়া এক ব্যক্তির তথ্য অনুযায়ী দুই সাবেক সেনা সদস্যের সঙ্গে যোগাযোগের বিষয়ে জানতে চাইলে লেফটেন্যান্ট জেনারেল (অব.) মো. মাহফুজুর রহমান বলেন, এখনই এই বিষয়ে চূড়ান্ত কোনও সিদ্ধান্তে পৌঁছানো ঠিক হবে না। একটি গ্রেফতার বা প্রাথমিক তথ্যের ভিত্তিতে বড় ধরনের উপসংহার টানা ঝুঁকিপূর্ণ। তদন্ত এগোলে বিষয়টি আরও পরিষ্কার হবে। মিডিয়া ও সাধারণ মানুষ সবারই ধৈর্য ধরে অপেক্ষা করতে হবে।</p>
<p>তিনি বলেন, নতুন রাজনৈতিক বাস্তবতা বা পরিবর্তনের সময় অনেক ধরনের তথ্য বা বিশ্লেষণ সামনে আসে। কিছু ক্ষেত্রে হাইপার টেনশন বা উদ্বেগ তৈরির চেষ্টা থাকতে পারে। কিন্তু যাচাই-বাছাই ছাড়া কোনও কিছুই বলা উচিত নয়।</p>
<p>সাবেক সেনা সদস্যদের নাম আসায় বিষয়টি নিয়ে তিনি বলেন, বাংলাদেশের সশস্ত্র বাহিনীর ভেতরে কোনও এক্সট্রিমিস্ট সংস্কৃতি নেই। বাহিনীর নিজস্ব পেশাদার কাঠামো ও শৃঙ্খলা অত্যন্ত শক্তিশালী। সশস্ত্র বাহিনী জাতি, ধর্ম বা মতাদর্শ নির্বিশেষে রাষ্ট্র ও জনগণের নিরাপত্তাকেই অগ্রাধিকার দেয়। তাই এমন কিছু হওয়ার সম্ভাবনা খুবই কম।</p>
<p>তিনি বলেন, পার্শ্ববর্তী দেশের কিছু গণমাধ্যম বিষয়টি গুরুত্ব দিয়ে প্রচার করছে। তবে আমাদের উচিত নিজস্ব তথ্য যাচাই করে বাস্তব পরিস্থিতি মূল্যায়ন করা। ভেতরের বা বাইরের প্রচারণা দেখে আতঙ্কিত হওয়ার প্রয়োজন নেই।</p>
<p>পুলিশের চিঠি ইস্যু নিয়ে তিনি বলেন, আইনশৃঙ্খলা বাহিনী সতর্কতা জারি করে মূলত প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থা হিসেবে। এটি নিরাপত্তা ব্যবস্থার স্বাভাবিক অংশ। সতর্কতা মানেই বড় ধরনের হামলা আসন্ন- এমন ধরে নেওয়া ঠিক নয়। পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণে রয়েছে এবং সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলো বিষয়টি দেখছে। বাংলা ট্রিবিউন</p>
]]></content:encoded>
					
					<wfw:commentRss>https://chtnews24.com/2026/04/26/%e0%a6%a6%e0%a7%87%e0%a6%b6%e0%a7%87-%e0%a6%86%e0%a6%ac%e0%a6%be%e0%a6%b0%e0%a6%93-%e0%a6%b8%e0%a6%95%e0%a7%8d%e0%a6%b0%e0%a6%bf%e0%a6%af%e0%a6%bc-%e0%a6%b9%e0%a6%9a%e0%a7%8d%e0%a6%9b%e0%a7%87/feed/</wfw:commentRss>
			<slash:comments>0</slash:comments>
		
		
			</item>
		<item>
		<title>কক্সবাজার ও নওগাঁয় সাত খুনের ঘটনায় চাঞ্চল্য</title>
		<link>https://chtnews24.com/2026/04/22/%e0%a6%95%e0%a6%95%e0%a7%8d%e0%a6%b8%e0%a6%ac%e0%a6%be%e0%a6%9c%e0%a6%be%e0%a6%b0-%e0%a6%93-%e0%a6%a8%e0%a6%93%e0%a6%97%e0%a6%be%e0%a6%81%e0%a6%af%e0%a6%bc-%e0%a6%b8%e0%a6%be%e0%a6%a4-%e0%a6%96/</link>
					<comments>https://chtnews24.com/2026/04/22/%e0%a6%95%e0%a6%95%e0%a7%8d%e0%a6%b8%e0%a6%ac%e0%a6%be%e0%a6%9c%e0%a6%be%e0%a6%b0-%e0%a6%93-%e0%a6%a8%e0%a6%93%e0%a6%97%e0%a6%be%e0%a6%81%e0%a6%af%e0%a6%bc-%e0%a6%b8%e0%a6%be%e0%a6%a4-%e0%a6%96/#respond</comments>
		
		<dc:creator><![CDATA[adminchtnews24]]></dc:creator>
		<pubDate>Wed, 22 Apr 2026 04:47:39 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[Second lead]]></category>
		<category><![CDATA[অপরাধ-অনুসন্ধান]]></category>
		<category><![CDATA[কক্সবাজার]]></category>
		<category><![CDATA[শিরোনাম]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://chtnews24.com/?p=37018</guid>

					<description><![CDATA[কক্সবাজার:- নওগাঁর নেয়ামতপুরে ৪ এবং কক্সবাজারের টেকনাফে তিনটি হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় বেশ চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। মঙ্গলবার রাতে এই সাতটি নৃশংস হত্যাকাণ্ডের ঘটনা ঘটে। নিয়ামতপুর (নওগাঁ) প্রতিনিধি জানান, নওগাঁর নিয়ামতপুরে একই পরিবারের ৪ জনকে গলা কেটে নৃশংসভাবে হত্যা করা হয়েছে। গতকাল দিবাগত গভীর রাতে উপজেলার বাহাদুরপুর ইউনিয়নের বাহাদুরপুর গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। পুলিশ লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের [&#8230;]]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[<p>কক্সবাজার:- নওগাঁর নেয়ামতপুরে ৪ এবং কক্সবাজারের টেকনাফে তিনটি হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় বেশ চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। মঙ্গলবার রাতে এই সাতটি নৃশংস হত্যাকাণ্ডের ঘটনা ঘটে।<br />
নিয়ামতপুর (নওগাঁ) প্রতিনিধি জানান, নওগাঁর নিয়ামতপুরে একই পরিবারের ৪ জনকে গলা কেটে নৃশংসভাবে হত্যা করা হয়েছে। গতকাল দিবাগত গভীর রাতে উপজেলার বাহাদুরপুর ইউনিয়নের বাহাদুরপুর গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। পুলিশ<br />
লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য নওগাঁ জেনারেল হাসপাতাল মর্গে পাঠিয়েছে। নিহতরা হলেন- বাহাদুরপুর গ্রামের নমির উদ্দিনের ছেলে হাবিবুর রহমান (৩২) তার স্ত্রী পপি সুলতানা (২৫), ছেলে পারভেজ (৯) এবং মেয়ে সাদিয়া আক্তার (৩)। পুলিশ এ ঘটনায় জিজ্ঞাসাবাদের জন্য নিহত হাবিবুরের বাবা নমির উদ্দিন (৭০), বোন ডালিমা বেগম (৪৫) ও শিরিনা বেগম (৪০) এবং ভাগনে সবুজ রানা (২৫) কে হেফাজতে নিয়েছে। পুলিশ জানায়, হত্যার সুনির্দিষ্ট কারণ এখনো নিশ্চিত হওয়া যায়নি। তবে প্রাথমিকভাবে এটি পারিবারিক বিরোধের জেরে ঘটতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে। স্থানীয় বাসিন্দাদের ভাষ্য, বাড়ির দরজা-জানালা অক্ষত থাকায় ধারণা করা হচ্ছে, হত্যাকারীরা পরিবারের পরিচিত কেউ হতে পারেন। এদিকে মঙ্গলবার দুপুরে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন রাজশাহী রেঞ্জের অতিরিক্ত ডিআইজি শামীম আহমেদ ও নওগাঁর পুলিশ সুপার তারিকুল ইসলাম।</p>
<p>এ সময় র‌্যাব, সিআইডি ও পিবিআইসহ আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন। নাম প্রকাশ না করার শর্তে স্থানীয় বাসিন্দারা বলছেন, ভোর ৬টার দিকে এ ঘটনা জানাজানি হয়। বাড়ির সদর দরজাসহ সব জানালা-দরজা অক্ষত রয়েছে। তাহলে হত্যাকারীরা কীভাবে ভেতরে প্রবেশ করে এই হত্যাকাণ্ড ঘটিয়েছে। পারিপার্শ্বিকতা দেখে তারা ধারণা করছেন নিজেদের লোকেরাই এ হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত থাকতে পারেন। সরজমিন ঘটনাস্থলে দেখা যায়, হাবিবুরের মরদেহ ঘরের বিছানায় পড়ে ছিল। অন্য একটি ঘরে পাওয়া যায় তার ছেলে ও মেয়ের লাশ। বাড়ির আঙিনায় পড়ে ছিল পপির মরদেহ। ঘটনাটি জানাজানি হয় ভোরের দিকে, যখন হাবিবুরের বাবার চিৎকারে প্রতিবেশীরা ছুটে আসেন। নৃশংস এ হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় স্বজনদের আহাজারিতে এলাকার বাতাস ভারী হয়ে উঠে। এ ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের শনাক্ত করে ফাঁসির দাবি করেন তারা। নিহত হাবিবুরের প্রতিবেশী খলিলুর রহমান বলেন, হাবিবুর স্ত্রী-সন্তানসহ তার বাবা নমির উদ্দিনকে নিয়ে বাড়িতে বসবাস করেন। রাতের কোনো সময় এ ঘটনা ঘটেছে কিছুই বলতে পারছি না। রাতে কোনো চিৎকার-চেঁচামেচিও শোনা যায়নি। সকাল ৬টার দিকে তার বাবার চিৎকারের পর এলাকার লোকজন জানতে পারেন। নিহতের স্বজনদের অভিযোগ, জমিজমা নিয়ে পারিবারিক বিরোধ দীর্ঘদিন ধরে চলছিল। নমির উদ্দিন প্রত্যেক মেয়েকে ১০ কাঠা করে সম্পত্তি দিয়ে অবশিষ্ট সম্পত্তি হাবিবুরের নামে লিখে দেন। এ নিয়ে বোনদের সঙ্গে ভাই হাবিবুরের বিরোধ সৃষ্টি হয়।</p>
<p>হাবিবুরের স্ত্রীর মামা আবুল কালাম আজাদ দাবি করেন, ঈদের আগে একবার খাবারের সঙ্গে কিছু মিশিয়ে তাদের অচেতন করার ঘটনাও ঘটেছিল, যা এই হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট হতে পারে। নিহত পপির বাবা মোয়াজ্জেম হোসেন ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত ও জড়িতদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দাবি করেছেন। এ প্রসঙ্গে নওগাঁ পুলিশ সুপার তারিকুল ইসলাম বলেন, এটি ডাকাতির ঘটনা নয়। অন্য কোনো কারণে ঘটেছে বলে মনে হচ্ছে। বিষয়টি গুরুত্ব সহকারে তদন্ত করা হচ্ছে। ইতিমধ্যে কয়েকজনকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য হেফাজতে নেয়া হয়েছে। মামলা প্রক্রিয়াধীন।</p>
<p>টেকক্সবাজারের টেকনাফে পাহাড়ের নিস্তব্ধতা ভেঙে বেরিয়ে এলো এক বীভৎস ও হৃদয়বিদারক দৃশ্য। টেকনাফের বাহারছড়া ইউনিয়নের উত্তর শীলখালী এলাকার গহীন পাহাড় থেকে তিন যুবকের রক্তাক্ত মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। একই এলাকার তিন যুবকের এমন মৃত্যুতে পুরো এলাকায় নেমে এসেছে শোকের ছায়া ও স্থানীয়দের মনে চরম আতঙ্ক বিরাজ করছে। মঙ্গলবার সকাল পৌনে ১০টার দিকে দুর্গম পাহাড়ের ঢাল থেকে মরদেহগুলো উদ্ধার করা হয়। নিহতরা হলেন- বাহারছড়া ইউনিয়নের শীলখালী এলাকার রুহুল আমিনের ছেলে আমিনুল ইসলাম রবি (১৯), মৃত নুরুল কবিরের ছেলে মুজিবুর রহমান (৩৮) এবং মৃত নুরুল ইসলামের ছেলে নুর বশর (২০)। স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, প্রতিদিনের মতো মঙ্গলবার সকালে কয়েকজন শ্রমিক পাহাড়ে কাজ করতে গেলে তারা ঝোপঝাড়ের পাশে তিনজনকে রক্তাক্ত অবস্থায় পড়ে থাকতে দেখেন। মুহূর্তেই এই খবর এলাকায় ছড়িয়ে পড়লে শত শত মানুষ পাহাড়ে ভিড় জমায়। খবর পেয়ে টেকনাফ মডেল থানা পুলিশের একটি দল ঘটনাস্থলে পৌঁছে মরদেহগুলো উদ্ধার করে। নিহত রবির বাবা রুহুল আমিন বলেন, গত সোমবার এশার নামাজের পর রাতের খাবার শেষ করেছিল রবি। এরপর কে বা কারা তাকে ফোনে ডেকে নিয়ে যায়। অনেক রাত হয়ে গেলেও সে বাসায় না ফেরায় আমরা চিন্তায় পড়ে যাই। বারবার ফোনে চেষ্টা করলেও তার মোবাইল বন্ধ পাওয়া যায়। সকালে পেলাম ছেলের নিথর দেহ। ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে টেকনাফ মডেল থানার ওসি সাইফুল ইসলাম জানান, মরদেহগুলো ময়নাতদন্তের জন্য কক্সবাজার সদর হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে।</p>
<p>তিনি আরও বলেন, এটি অত্যন্ত বর্বরোচিত ঘটনা। ময়নাতদন্তের রিপোর্ট পেলেই মৃত্যুর প্রকৃত কারণ জানা যাবে। ঘটনার রহস্য উদ্ঘাটন এবং জড়িতদের আইনের আওতায় আনতে পুলিশ ইতিমধ্যেই তদন্ত শুরু করেছে। এলাকাবাসীর দাবি, অবিলম্বে এই হত্যাকাণ্ডের সুষ্ঠু তদন্ত করে দোষীদের সর্বোচ্চ শাস্তি নিশ্চিত করা হোক। এদিকে এই নৃশংস হত্যাকাণ্ডের কারণ নিয়ে এলাকায় নানা গুঞ্জন ও চাঞ্চল্যকর তথ্য শোনা যাচ্ছে। স্থানীয়দের অভিযোগ, বাহারছড়া ও উত্তর শীলখালী সংলগ্ন পাহাড়ি এলাকাগুলোতে ইদানিং মানব পাচার ও অপহরণ বাণিজ্য ভয়াবহ রূপ নিয়েছে। দুর্গম পাহাড়কে নিরাপদ আস্তানা হিসেবে ব্যবহার করে অপরাধী চক্রগুলো তাদের অপকর্ম চালিয়ে যাচ্ছে। এলাকাবাসীর ধারণা, নিহত যুবকরা হয়তো দুর্ঘটনাবশত এই অপরাধী চক্রের কোনো গোপন আস্তানা বা মানব পাচার সংক্রান্ত কোনো সংবেদনশীল তথ্য জেনে ফেলেছিলেন। সেই গোপন তথ্য ফাঁস হয়ে যাওয়ার ভয়েই কি তাদের রাতের আঁধারে ডেকে নিয়ে পরিকল্পিতভাবে হত্যা করা হয়েছে? এমন প্রশ্ন এখন এলাকাবাসীর মুখে মুখে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক স্থানীয় এক বাসিন্দা জানান, সমপ্রতি এলাকায় অপহরণ ও মুক্তিপণ আদায়ের ঘটনা আশঙ্কাজনকভাবে বেড়েছে। হয়তো নিহতরা এসব দুর্বৃত্তের কোনো গোপন আস্তানা দেখে ফেলেছিল অথবা জেনে গিয়েছিল, যা তাদের জন্য কাল হয়ে দাঁড়ালো। পুলিশ সূত্র জানিয়েছে, সাধারণ কোনো শত্রুতার জেরে নাকি পাহাড়ে সক্রিয় থাকা এসব অপরাধী চক্রের মাধ্যমেই এই হত্যাকাণ্ড সংঘটিত হয়েছে, তা গভীরভাবে খতিয়ে দেখা হচ্ছে। স্থানীয়দের দেয়া তথ্যের ভিত্তিতে মানব পাচারকারী ও অপহরণকারী চক্রের সংশ্লিষ্টতার বিষয়টিও তদন্তের আওতায় আনা হবে। পুলিশের পক্ষ থেকে আরও জানানো হয়েছে, অপরাধীরা যত শক্তিশালীই হোক না কেন, দ্রুততম সময়ের মধ্যে তাদের শনাক্ত করে আইনের আওতায় আনা হবে।মানবজমিন</p>
]]></content:encoded>
					
					<wfw:commentRss>https://chtnews24.com/2026/04/22/%e0%a6%95%e0%a6%95%e0%a7%8d%e0%a6%b8%e0%a6%ac%e0%a6%be%e0%a6%9c%e0%a6%be%e0%a6%b0-%e0%a6%93-%e0%a6%a8%e0%a6%93%e0%a6%97%e0%a6%be%e0%a6%81%e0%a6%af%e0%a6%bc-%e0%a6%b8%e0%a6%be%e0%a6%a4-%e0%a6%96/feed/</wfw:commentRss>
			<slash:comments>0</slash:comments>
		
		
			</item>
		<item>
		<title>মির্জা আজমের আত্মীয় পরিচয়ে চলা সেই ফ্যাসিস্ট সাংবাদিক যাচ্ছে প্রধানমন্ত্রী বিটে</title>
		<link>https://chtnews24.com/2026/04/16/%e0%a6%ae%e0%a6%bf%e0%a6%b0%e0%a7%8d%e0%a6%9c%e0%a6%be-%e0%a6%86%e0%a6%9c%e0%a6%ae%e0%a7%87%e0%a6%b0-%e0%a6%86%e0%a6%a4%e0%a7%8d%e0%a6%ae%e0%a7%80%e0%a6%af%e0%a6%bc-%e0%a6%aa%e0%a6%b0%e0%a6%bf/</link>
					<comments>https://chtnews24.com/2026/04/16/%e0%a6%ae%e0%a6%bf%e0%a6%b0%e0%a7%8d%e0%a6%9c%e0%a6%be-%e0%a6%86%e0%a6%9c%e0%a6%ae%e0%a7%87%e0%a6%b0-%e0%a6%86%e0%a6%a4%e0%a7%8d%e0%a6%ae%e0%a7%80%e0%a6%af%e0%a6%bc-%e0%a6%aa%e0%a6%b0%e0%a6%bf/#respond</comments>
		
		<dc:creator><![CDATA[adminchtnews24]]></dc:creator>
		<pubDate>Thu, 16 Apr 2026 09:38:10 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[অপরাধ-অনুসন্ধান]]></category>
		<category><![CDATA[শিরোনাম]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://chtnews24.com/?p=36871</guid>

					<description><![CDATA[শাহ মো: রাশেদুর রহমান ইমন। মিডিয়ায় পরিচিত শাহ ঈমন নামে। যাকে ফাইল ঈমনও বলা হয়। কারণ মাইক্রোফোনের আগে চলে তার তদবিরের ফাইল। নিউজের চেয়ে বিভিন্ন দপ্তরে ধান্দা করাই যার মুল টার্গেট। তারচেয়েও বড় কথা সে একজন ফ্যাসিস্ট সাংবাদিক। রয়েছে ছাত্রলীগ ও আওয়ামী লীগের সাথে ঘনিষ্টতা। ফ্যাসিস্ট আওয়ামী লীগ নেতা মির্জা আজমের আত্মীয় ও সহকারি পরিচয়ে [&#8230;]]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[<p>শাহ মো: রাশেদুর রহমান ইমন। মিডিয়ায় পরিচিত শাহ ঈমন নামে। যাকে ফাইল ঈমনও বলা হয়। কারণ মাইক্রোফোনের আগে চলে তার তদবিরের ফাইল। নিউজের চেয়ে বিভিন্ন দপ্তরে ধান্দা করাই যার মুল টার্গেট। তারচেয়েও বড় কথা সে একজন ফ্যাসিস্ট সাংবাদিক। রয়েছে ছাত্রলীগ ও আওয়ামী লীগের সাথে ঘনিষ্টতা। ফ্যাসিস্ট আওয়ামী লীগ নেতা মির্জা আজমের আত্মীয় ও সহকারি পরিচয়ে সচিবালয় ও গণপূর্ত দাপিয়ে বেড়তো, রয়েছে ঠিকাদারি ব্যবসাও।</p>
<p><img fetchpriority="high" decoding="async" class="alignnone size-medium wp-image-36872" src="https://chtnews24.com/wp-content/uploads/2026/04/mr3432-245x300.jpg" alt="" width="245" height="300" srcset="https://chtnews24.com/wp-content/uploads/2026/04/mr3432-245x300.jpg 245w, https://chtnews24.com/wp-content/uploads/2026/04/mr3432.jpg 720w" sizes="(max-width: 245px) 100vw, 245px" />মির্জা আজমের আস্থাভাজন সাংবাদিক হিসেবে পরিচিত ছিলো ইমন। ছিলো তার সাথে ঘনিষ্ট সম্পর্ক। একসাথে করতো ঠিকাদারি ব্যবসাও। জামালপুরে বাড়ি হওয়ায় ইমন পরিচয় দিতো মির্জা আজমের আত্মীয় ও সহকারি হিসেবে। শুধু তাই নয়। ইমনের ঘনিষ্টতা রয়েছে আওয়ামী ফ্যাসিস্ট সাবেক সেনা কর্মকর্তা র‍্যাবের জিয়াউল আহসানের সাথেও। ছিলো তার শুভাকাঙ্খি ও আস্থাভাজন সাংবাদিক।</p>
<p>আওয়ামী ফ্যাসিস্ট এই সাংবাদিক আওয়ামী লীগের দলীয় কর্মীদের থেকেও বেশি জপতেন &#8216;জয় বাংলা&#8217; স্লোগান। যে কোনো কিছুতেই জয় বাংলা স্লোগান তুলে ত্রাস তৈরি করতো সে। এমনকি আওয়ামী লীগ, মির্জা আজমের দাপট দেখিয়ে যখন তখন যাকে তাকে দেখে নেয়ার হুমকি দিতো সে। তার রোশানলে পড়েছিলো বন্ধু, সহকর্মী অনেকেই।</p>
<p>দেশটিভি ও চ্যানেল ওয়ানে মাত্র কয়েক বছর সাংবাদিকতা করেই হয়ে যান ব্যবসায়ী। নিজের নামে ঠিকদারি লাইসেন্স করে আওয়ামী লীগের সময়ে বিভিন্ন দপ্তরে ফ্যাসিস্ট মির্জা আজমের প্রভাব খাটিয়ে করেছেন ঠিকাদারি ব্যবসা। নিজেকে পরিচয় দিতেন মীর্জা আজমের আত্মীয় ও সহকারি হিসেবে। মির্জা আজমের সাথেও ছিলো ঠিকাদারি ব্যবসা। পরিচয় দিতো সাবেক ছাত্রলীগ হিসেবে।</p>
<p>আওয়ামী লীগ পতনের পর সেই আওয়ামী ধান্দাবাজ আবারো ফিরেছে সাংবাদিকতায়। নানা কূটকৌশলে প্রথম সারির নিউজ চ্যানেল ডিবিসি নিউজে চাকরি নিয়েছে। পল্টি মেরে এখন বিএনপিপন্থী সাংবাদিক সাজার চেষ্টায় ঈমন।</p>
<p>ডিবিসিতে চাকরি শুরু করেই দাপিয়ে বেড়াচ্ছে সচিবালয়ের মতো গুরুত্বপূর্ণ বিট। মুখোশ পড়ে মির্জা আজম ও র‍্যাবের জিয়ার আস্থাভাজন এই সাংবাদিকে দেখা যাচ্ছে প্রধানমন্ত্রী বিটেও।</p>
<p>আওয়ামী লীগের বিভিন্ন নেতা ও মন্ত্রী এমপিদের সাথে ছিলো সু সম্পর্ক। ৫ ই আগস্টের পর নিজের ফেসবুক থেকে মুছে ফেলে আওয়ামী সম্পৃক্ততার দীর্ঘ দিনের সব ছবি ও তথ্য। যেখানে মির্জা আজমসহ ফ্যাসিস্ট আওয়ামী লীগের বিভিন্ন মন্ত্রী এমপি ও নেতাদের সাথে তার ঘনিষ্টতার প্রমান ছিলো। ঈমনের বিষয়ে এলাকায় খোজ খবর নিলে তার ও তার পরিবারের সাথে মির্জা আজম এবং আওয়ামী সম্পৃক্ততার বিষয়ে বেড়িয়ে আসবে।</p>
<p>বিএনপি ক্ষমতায় আসার পর বিএনপি নেতাদের সাথে সম্পর্ক তৈরিতে নামে ইমন। সাংবাদিকতার সুযোগে বিভিন্ন নেতাদের সাথে ছবি তুলে তা প্রচার করে বিএনপি সাজার চেষ্টা চালাচ্ছে ইমন।</p>
]]></content:encoded>
					
					<wfw:commentRss>https://chtnews24.com/2026/04/16/%e0%a6%ae%e0%a6%bf%e0%a6%b0%e0%a7%8d%e0%a6%9c%e0%a6%be-%e0%a6%86%e0%a6%9c%e0%a6%ae%e0%a7%87%e0%a6%b0-%e0%a6%86%e0%a6%a4%e0%a7%8d%e0%a6%ae%e0%a7%80%e0%a6%af%e0%a6%bc-%e0%a6%aa%e0%a6%b0%e0%a6%bf/feed/</wfw:commentRss>
			<slash:comments>0</slash:comments>
		
		
			</item>
		<item>
		<title>রাঙ্গামাটি সদর খাদ্যগুদামে অনিয়মের অভিযোগ,তদন্ত ছাড়াই তড়িঘড়ি স্ট্যান্ড রিলিজ, প্রশ্নের মুখে প্রশাসন</title>
		<link>https://chtnews24.com/2026/04/05/%e0%a6%b0%e0%a6%be%e0%a6%99%e0%a7%8d%e0%a6%97%e0%a6%be%e0%a6%ae%e0%a6%be%e0%a6%9f%e0%a6%bf-%e0%a6%b8%e0%a6%a6%e0%a6%b0-%e0%a6%96%e0%a6%be%e0%a6%a6%e0%a7%8d%e0%a6%af%e0%a6%97%e0%a7%81%e0%a6%a6%e0%a6%be/</link>
					<comments>https://chtnews24.com/2026/04/05/%e0%a6%b0%e0%a6%be%e0%a6%99%e0%a7%8d%e0%a6%97%e0%a6%be%e0%a6%ae%e0%a6%be%e0%a6%9f%e0%a6%bf-%e0%a6%b8%e0%a6%a6%e0%a6%b0-%e0%a6%96%e0%a6%be%e0%a6%a6%e0%a7%8d%e0%a6%af%e0%a6%97%e0%a7%81%e0%a6%a6%e0%a6%be/#respond</comments>
		
		<dc:creator><![CDATA[adminchtnews24]]></dc:creator>
		<pubDate>Sun, 05 Apr 2026 03:05:03 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[first lead]]></category>
		<category><![CDATA[অপরাধ-অনুসন্ধান]]></category>
		<category><![CDATA[রকমারি]]></category>
		<category><![CDATA[রাঙ্গামাটি]]></category>
		<category><![CDATA[শিরোনাম]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://chtnews24.com/?p=36714</guid>

					<description><![CDATA[শামসুল আলম,রাঙ্গামাটি:- রাঙ্গামাটির সদর খাদ্যগুদামকে ঘিরে একের পর এক অনিয়ম, দুর্নীতি ও প্রশাসনিক বিশৃঙ্খলার অভিযোগ সামনে এসেছে। নিম্নমানের চাল বিতরণ, অবৈধভাবে খাদ্যশস্য মজুদ, তথ্য গোপনসহ একাধিক গুরুতর অভিযোগের পাশাপাশি ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাকে প্রাণনাশের হুমকি দেওয়ার অভিযোগও উঠেছে সংশ্লিষ্ট গুদাম কর্মকর্তার বিরুদ্ধে। তবে এসব অভিযোগের মাঝেই কোনো ধরনের তদন্ত ছাড়াই তাকে তড়িঘড়ি স্ট্যান্ড রিলিজ (অব্যাহতি) দেওয়ায় নতুন [&#8230;]]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[<p>শামসুল আলম,রাঙ্গামাটি:- রাঙ্গামাটির সদর খাদ্যগুদামকে ঘিরে একের পর এক অনিয়ম, দুর্নীতি ও প্রশাসনিক বিশৃঙ্খলার অভিযোগ সামনে এসেছে। নিম্নমানের চাল বিতরণ, অবৈধভাবে খাদ্যশস্য মজুদ, তথ্য গোপনসহ একাধিক গুরুতর অভিযোগের পাশাপাশি ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাকে প্রাণনাশের হুমকি দেওয়ার অভিযোগও উঠেছে সংশ্লিষ্ট গুদাম কর্মকর্তার বিরুদ্ধে। তবে এসব অভিযোগের মাঝেই কোনো ধরনের তদন্ত ছাড়াই তাকে তড়িঘড়ি স্ট্যান্ড রিলিজ (অব্যাহতি) দেওয়ায় নতুন করে প্রশ্নের জন্ম দিয়েছে।<br />
অভিযোগের শুরু থেকেই বিতর্ক<br />
রাঙ্গামাটি সদর খাদ্যগুদামের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা হিসেবে প্রায় এক বছর আগে দায়িত্ব নেন তারেকুল আলম। দায়িত্ব গ্রহণের পর থেকেই তার বিরুদ্ধে নানা অনিয়মের অভিযোগ জমা হতে থাকে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে।<br />
অভিযোগ রয়েছে, ওএমএস (ওপেন মার্কেট সেল) কার্যক্রমে নিম্নমানের চাল সরবরাহ করা হয়, নিয়মবহির্ভূতভাবে পুষ্টি চাল মজুদ ও বিতরণ করা হয় এবং গুদাম ব্যবস্থাপনায় স্বচ্ছতার ঘাটতি দেখা দেয়। এছাড়া দায়িত্বকালীন সময়ে একাধিকবার অফিসে অনুপস্থিত থাকা এবং গুরুত্বপূর্ণ তথ্য গোপনের অভিযোগও ওঠে তার বিরুদ্ধে।</p>
<p><img decoding="async" class="alignnone size-medium wp-image-36715" src="https://chtnews24.com/wp-content/uploads/2026/04/1-8-213x300.jpeg" alt="" width="213" height="300" srcset="https://chtnews24.com/wp-content/uploads/2026/04/1-8-213x300.jpeg 213w, https://chtnews24.com/wp-content/uploads/2026/04/1-8-728x1024.jpeg 728w, https://chtnews24.com/wp-content/uploads/2026/04/1-8-768x1081.jpeg 768w, https://chtnews24.com/wp-content/uploads/2026/04/1-8.jpeg 1080w" sizes="(max-width: 213px) 100vw, 213px" /><img decoding="async" class="alignnone size-medium wp-image-36719" src="https://chtnews24.com/wp-content/uploads/2026/04/6-225x300.jpeg" alt="" width="225" height="300" srcset="https://chtnews24.com/wp-content/uploads/2026/04/6-225x300.jpeg 225w, https://chtnews24.com/wp-content/uploads/2026/04/6-768x1024.jpeg 768w, https://chtnews24.com/wp-content/uploads/2026/04/6-1152x1536.jpeg 1152w, https://chtnews24.com/wp-content/uploads/2026/04/6.jpeg 1200w" sizes="(max-width: 225px) 100vw, 225px" /><br />
নিম্নমানের চাল নিয়ে জনঅসন্তোষ<br />
গত বছরের নভেম্বর থেকে চলতি বছরের জানুয়ারি পর্যন্ত ওএমএস চাল বিতরণে ব্যাপক অনিয়মের অভিযোগ ওঠে। নিম্নমানের চাল পাওয়ায় ভোক্তাদের মধ্যে তীব্র অসন্তোষ সৃষ্টি হয়। অনেক ভোক্তা চাল নিতে অস্বীকৃতি জানান, আবার কেউ কেউ ক্রয়কৃত চাল ফেরত দেন।<br />
এ ঘটনায় সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে সমালোচনার ঝড় ওঠে। পরে পৌর এলাকার ১২ জন ডিলার সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন।<br />
পরিদর্শনে অনিয়মের প্রমাণ<br />
অভিযোগের প্রেক্ষিতে গত ৮ জানুয়ারি জেলা খাদ্য বিভাগের পক্ষ থেকে গুদাম পরিদর্শন করা হয়। পরিদর্শনের সময় সংশ্লিষ্ট গুদাম কর্মকর্তাকে বিনা অনুমতিতে অনুপস্থিত পাওয়া যায়।<br />
গুদামের মজুদ যাচাইয়ে প্রায় ৬২ মেট্রিক টন চালের সঙ্গে ভিন্নজাতীয় পণ্যের মিশ্রণ পাওয়া যায়। পাশাপাশি পরীক্ষাগারে চাল পরীক্ষা করে পুষ্টি চালের উপস্থিতি নিশ্চিত করা হয়, যা খাদ্য অধিদপ্তরের বিধিমালার সরাসরি লঙ্ঘন বলে উল্লেখ করা হয়েছে।<br />
এ ঘটনায় বিভাগীয় ব্যবস্থা গ্রহণের সুপারিশ করা হয় বলে জানিয়েছেন জেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক (ভারপ্রাপ্ত) সেলিম মাহমুদ সাগর।</p>
<p><img loading="lazy" decoding="async" class="alignnone size-medium wp-image-36716" src="https://chtnews24.com/wp-content/uploads/2026/04/2-2-182x300.jpeg" alt="" width="182" height="300" srcset="https://chtnews24.com/wp-content/uploads/2026/04/2-2-182x300.jpeg 182w, https://chtnews24.com/wp-content/uploads/2026/04/2-2-621x1024.jpeg 621w, https://chtnews24.com/wp-content/uploads/2026/04/2-2-768x1265.jpeg 768w, https://chtnews24.com/wp-content/uploads/2026/04/2-2-932x1536.jpeg 932w, https://chtnews24.com/wp-content/uploads/2026/04/2-2.jpeg 971w" sizes="auto, (max-width: 182px) 100vw, 182px" /><br />
প্রাণনাশের হুমকির অভিযোগ<br />
অভিযোগ রয়েছে, বিভাগীয় ব্যবস্থার সুপারিশ পাঠানোর তিন দিনের মাথায় সংশ্লিষ্ট গুদাম কর্মকর্তা জেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রকের কার্যালয়ে গিয়ে তাকে লাঞ্ছিত করেন এবং প্রাণনাশের হুমকি দেন।<br />
এ ঘটনায় পরদিন থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করা হয় বলে নিশ্চিত করেছেন জেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক।<br />
অভিযুক্ত কর্মকর্তার দাবি<br />
তবে তারেকুল আলম তার বিরুদ্ধে ওঠা সব অভিযোগ অস্বীকার করেছেন। তিনি দাবি করেন, পুষ্টি চাল মজুদ বা বিতরণের অভিযোগ সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন। একই সঙ্গে ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাকে হুমকি দেওয়ার অভিযোগও মিথ্যা বলে দাবি করেন তিনি।<br />
অবৈধ মজুদ নিয়ে নতুন বিতর্ক<br />
সবশেষ গত ২ এপ্রিল সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ২০০ মেট্রিক টনের বেশি খাদ্যশস্য অবৈধভাবে মজুদের অভিযোগ ছড়িয়ে পড়ে। বিষয়টি নিয়ে জনমনে ব্যাপক আলোচনা শুরু হয়।<br />
কিন্তু আশ্চর্যের বিষয়, ওই দিনই কোনো ধরনের তদন্ত বা অভিযান পরিচালনা না করেই সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাকে স্ট্যান্ড রিলিজ করা হয়।</p>
<p><img loading="lazy" decoding="async" class="alignnone size-medium wp-image-36717" src="https://chtnews24.com/wp-content/uploads/2026/04/3-217x300.jpeg" alt="" width="217" height="300" srcset="https://chtnews24.com/wp-content/uploads/2026/04/3-217x300.jpeg 217w, https://chtnews24.com/wp-content/uploads/2026/04/3-740x1024.jpeg 740w, https://chtnews24.com/wp-content/uploads/2026/04/3-768x1063.jpeg 768w, https://chtnews24.com/wp-content/uploads/2026/04/3.jpeg 1079w" sizes="auto, (max-width: 217px) 100vw, 217px" /><br />
হিসাব জালিয়াতির অভিযোগ<br />
একই দিনে গুদামের হিসাব বইতে তড়িঘড়ি করে ৩৬৪ মেট্রিক টন খাদ্যশস্যের প্রাপ্তি ও বিতরণের হিসাব দেখানো হয়। সংশ্লিষ্টদের মতে, যার আনুমানিক বাজারমূল্য প্রায় দেড় কোটি টাকা।<br />
প্রকাশিত তথ্যানুযায়ী—<br />
সিদ্ধ চাল: ৬২৩ থেকে ৬১৭ মেট্রিক টন<br />
আতপ চাল: ১৩২০ + ৩০০ হয়ে ১৫৭৫ মেট্রিক টন<br />
গম: ১৩৮ + ১৪ হয়ে ১৫২ মেট্রিক টন<br />
খালি বস্তা: ৯৩৭৮টি<br />
এতে করে হিসাবের স্বচ্ছতা নিয়েও প্রশ্ন উঠেছে।</p>
<p><img loading="lazy" decoding="async" class="alignnone size-medium wp-image-36718" src="https://chtnews24.com/wp-content/uploads/2026/04/5-204x300.jpeg" alt="" width="204" height="300" srcset="https://chtnews24.com/wp-content/uploads/2026/04/5-204x300.jpeg 204w, https://chtnews24.com/wp-content/uploads/2026/04/5-696x1024.jpeg 696w, https://chtnews24.com/wp-content/uploads/2026/04/5-768x1130.jpeg 768w, https://chtnews24.com/wp-content/uploads/2026/04/5-1043x1536.jpeg 1043w, https://chtnews24.com/wp-content/uploads/2026/04/5.jpeg 1053w" sizes="auto, (max-width: 204px) 100vw, 204px" /><img decoding="async" class="alignnone size-medium wp-image-36719" src="https://chtnews24.com/wp-content/uploads/2026/04/6-225x300.jpeg" alt="" width="225" height="300" srcset="https://chtnews24.com/wp-content/uploads/2026/04/6-225x300.jpeg 225w, https://chtnews24.com/wp-content/uploads/2026/04/6-768x1024.jpeg 768w, https://chtnews24.com/wp-content/uploads/2026/04/6-1152x1536.jpeg 1152w, https://chtnews24.com/wp-content/uploads/2026/04/6.jpeg 1200w" sizes="(max-width: 225px) 100vw, 225px" /><br />
স্থানীয়দের প্রশ্ন ও দাবি<br />
স্থানীয়দের প্রশ্ন—এত গুরুতর অভিযোগ থাকা সত্ত্বেও কেন তদন্ত ছাড়াই সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাকে অব্যাহতি দেওয়া হলো? এতে কি প্রকৃত ঘটনা ধামাচাপা দেওয়ার চেষ্টা করা হচ্ছে?<br />
তারা দ্রুত নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে ঘটনার সত্য উদঘাটন এবং দায়ীদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন।<br />
প্রশাসনের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন<br />
বিশেষজ্ঞদের মতে, এ ধরনের ঘটনায় দ্রুত প্রশাসনিক সিদ্ধান্ত নেওয়া হলেও যদি তা স্বচ্ছ তদন্ত ছাড়া হয়, তাহলে পুরো প্রক্রিয়ার গ্রহণযোগ্যতা প্রশ্নবিদ্ধ হয়। ফলে জনআস্থার সংকট তৈরি হওয়ার আশঙ্কা থাকে।</p>
]]></content:encoded>
					
					<wfw:commentRss>https://chtnews24.com/2026/04/05/%e0%a6%b0%e0%a6%be%e0%a6%99%e0%a7%8d%e0%a6%97%e0%a6%be%e0%a6%ae%e0%a6%be%e0%a6%9f%e0%a6%bf-%e0%a6%b8%e0%a6%a6%e0%a6%b0-%e0%a6%96%e0%a6%be%e0%a6%a6%e0%a7%8d%e0%a6%af%e0%a6%97%e0%a7%81%e0%a6%a6%e0%a6%be/feed/</wfw:commentRss>
			<slash:comments>0</slash:comments>
		
		
			</item>
		<item>
		<title>রিমান্ডে তিন সেনা কর্মকর্তা,রোমহর্ষক তথ্য বেরিয়ে আসছে জিজ্ঞাসাবাদে</title>
		<link>https://chtnews24.com/2026/04/03/%e0%a6%b0%e0%a6%bf%e0%a6%ae%e0%a6%be%e0%a6%a8%e0%a7%8d%e0%a6%a1%e0%a7%87-%e0%a6%a4%e0%a6%bf%e0%a6%a8-%e0%a6%b8%e0%a7%87%e0%a6%a8%e0%a6%be-%e0%a6%95%e0%a6%b0%e0%a7%8d%e0%a6%ae%e0%a6%95%e0%a6%b0/</link>
					<comments>https://chtnews24.com/2026/04/03/%e0%a6%b0%e0%a6%bf%e0%a6%ae%e0%a6%be%e0%a6%a8%e0%a7%8d%e0%a6%a1%e0%a7%87-%e0%a6%a4%e0%a6%bf%e0%a6%a8-%e0%a6%b8%e0%a7%87%e0%a6%a8%e0%a6%be-%e0%a6%95%e0%a6%b0%e0%a7%8d%e0%a6%ae%e0%a6%95%e0%a6%b0/#respond</comments>
		
		<dc:creator><![CDATA[adminchtnews24]]></dc:creator>
		<pubDate>Fri, 03 Apr 2026 02:51:00 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[Second lead]]></category>
		<category><![CDATA[অপরাধ-অনুসন্ধান]]></category>
		<category><![CDATA[জাতীয়]]></category>
		<category><![CDATA[বিশেষ প্রতিবেদন]]></category>
		<category><![CDATA[শিরোনাম]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://chtnews24.com/?p=36665</guid>

					<description><![CDATA[ডেস্ক রির্পোট:- ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশের কাছে রিমান্ডে থাকা দুই লে. জেনারেল মাসুদ উদ্দিন চৌধুরী, শেখ মামুন খালেদ এবং বরখাস্তকৃত লে. কর্নেল আফজাল নাসেরের জবানিতে উঠে আসছে গুম-খুনের রোমহর্ষক সব ঘটনা। আরও বেরিয়ে এসেছে ওয়ান-ইলেভেনের সব অজানা কাহিনি। কারা সেদিন বঙ্গভবনে জোর করে ঢুকে পড়েছিল, ২০০৯ সালের জাতীয় নির্বাচনে অতিরিক্ত ব্যালট পেপার ছাপানোর নেপথ্যে কারা [&#8230;]]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[<p>ডেস্ক রির্পোট:- ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশের কাছে রিমান্ডে থাকা দুই লে. জেনারেল মাসুদ উদ্দিন চৌধুরী, শেখ মামুন খালেদ এবং বরখাস্তকৃত লে. কর্নেল আফজাল নাসেরের জবানিতে উঠে আসছে গুম-খুনের রোমহর্ষক সব ঘটনা। আরও বেরিয়ে এসেছে ওয়ান-ইলেভেনের সব অজানা কাহিনি। কারা সেদিন বঙ্গভবনে জোর করে ঢুকে পড়েছিল, ২০০৯ সালের জাতীয় নির্বাচনে অতিরিক্ত ব্যালট পেপার ছাপানোর নেপথ্যে কারা ছিল-ফাঁস হচ্ছে সেসব ব্যক্তির নাম। সংশ্লিষ্টরা বলছেন, এরা রয়েছেন গোয়েন্দা নজরদারিতে। গ্রেপ্তারকৃতদের দেওয়া তথ্যের বরাত দিয়ে সূত্র জানায়, ওয়ান- ইলেভেনের আগে তৎকালীন সেনাপ্রধান মইন উ আহমেদসহ তিন বাহিনীর প্রধান বঙ্গভবনে প্রবেশ করতে চাইলেও তাদের প্রথমে ঢুকতে দেওয়া হয়নি। কিন্তু তৎকালীন রাষ্ট্রপতি ও প্রধান উপদেষ্টার সামরিক সচিব আমিনুল করিম ছিলেন সেনাপ্রধান মইন উ আহমেদের অনুগত। তার হস্তক্ষেপে তিন বাহিনীর প্রধান বঙ্গভবনে প্রবেশ করেন। সে সময় বঙ্গভবনে আগে থেকেই উপস্থিত ছিলেন ব্রিগেডিয়ার বারী এবং লে. জেনারেল জাহাঙ্গীরসহ আরও অন্য কর্মকর্তারা। সেনাপ্রধান মইন উ আহমেদ প্রধান উপদেষ্টার জন্য বক্তৃতা লিখে নিয়ে আসেন।<br />
এরপর বঙ্গভবনে উপস্থিত হন লে. জেনারেল মাসুদ উদ্দিন চৌধুরী। তারা রাষ্ট্রপতি ও প্রধান উপদেষ্টাকে জরুরি অবস্থা জারির জন্য চাপ প্রয়োগ করেন। দীর্ঘ ৬ ঘণ্টা প্রবল চাপ প্রয়োগের পর জরুরি অবস্থা জারি করতে বাধ্য হন রাষ্ট্রপতি। সূত্র জানায়, সাবেক ডিজিএফআই মহাপরিচালক লেফটেন্যান্ট জেনারেল (অব.) শেখ মামুন খালেদকে গ্রেপ্তারের পর বেরিয়ে আসে গুম-খুনের নানান তথ্য। বিএনপির অসংখ্য নেতা-কর্মী গুম-খুনের সঙ্গে একটি বিশেষ স্কোয়াড কাজ করত বলে খালেদের কাছ থেকে তথ্য পেয়েছেন গোয়েন্দারা। তার কাছ থেকেই বিএনপির সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক ইলিয়াস আলী গুম নিয়ে চাঞ্চল্যকর তথ্য বেরিয়ে আসে। তার তথ্য যাচাইবাছাই করা হচ্ছে। শেখ মামুন খালেদ গোয়েন্দাদের জানিয়েছেন, গুম করার সংকেত আগেই দেওয়া হয়েছিল। ইলিয়াস আলী টিপাইমুখ বাঁধ এবং পার্শ্ববর্তী একটি দেশের সঙ্গে বাংলাদেশের ট্রানজিট ও ট্রান্সশিপমেন্ট চুক্তির বিরুদ্ধে অবস্থান নিয়েছিলেন। এই বাঁধ ও চুক্তি ওই দেশটির জন্য গুরুত্বপূর্ণ ছিল। ইলিয়াস আলী এর বিরুদ্ধে গিয়ে আন্দোলনও করেছিলেন। এরপরই সরকারের রোষানলে পড়েন। তাই পরিকল্পনা বাস্তবায়নের উদ্দেশ্যে ইলিয়াস আলীকে সরিয়ে দেওয়া হয়। শেখ হাসিনা তৎকালীন ডিজিএফআই প্রধান ও র‌্যাবের মহাপরিচালককে গুমের মিশন বাস্তবায়ন করার নির্দেশনা দেন। গুমের পুরো প্রক্রিয়া রেকি ও বাস্তবায়ন করে র‌্যাব-১। আর র‌্যাবকে সহযোগিতা করেন ডিজিএফআইয়ের কিছু কর্মকর্তা। সবচেয়ে বড় ভূমিকা ও ইলিয়াস আলী গুম মিশনের নেতৃত্ব দেন মেজর জেনারেল (অব.) জিয়াউল আহসান।</p>
<p>শেখ হাসিনা ঘটনার আগে-পরে জিয়াউলের সঙ্গে একাধিকবার কথা বলেন। সব প্রস্তুতি শেষ হওয়ার পর ২০১২ সালের ১৭ এপ্রিল ইলিয়াস আলী ও তার ব্যক্তিগত গাড়িচালককে বনানী থেকে গুম করে নেওয়া হয় র‌্যাব-১ সদর দপ্তরে। সেখানে ইলিয়াসকে রেখে জিজ্ঞাসাবাদ করে মারধর করা হয়। গোয়েন্দাদের সূত্র জানিয়েছে, তুলে নেওয়ার পর ১৭ থেকে ২০ এপ্রিলের কোনো এক রাতে ইলিয়াস আলীকে হত্যা করে ধলেশ্বরী নদীতে লাশ ফেলে দেওয়া হতে পারে। জিজ্ঞাসাবাদে মামুন খালেদ জানান, ইলিয়াস আলীকে গুম করার জন্য কাজ করে ডিজিএফআই ও র‌্যাবের একটি বিশেষ টিম। তাদের আগে থেকেই ব্রিফ করে তৈরি করা হয়েছিল। সার্বিকভাবে দিকনির্দেশনা মামুন খালেদ নিজেই দিয়েছিলেন। ইতোমধ্যে আলোচিত এই গুম নিয়ে চাঞ্চল্যকর তথ্য পাওয়ার পর গুমের সঙ্গে জড়িত র‌্যাব ও ডিজিএফআইয়ের সব সদস্যকে নজরদারিতে রাখা হয়েছে। তাদের অনেককে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়েছে। আরও কয়েকজনকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হবে। যদিও তাদের কেউ কেউ দেশত্যাগ করেছেন। কেউ আগেই গা-ঢাকা দিয়েছেন। কেউ অবসরে গেছেন। অনেকেই এখনো চাকরিতে বহাল তবিয়তে আছেন। মামুন খালেদ জানিয়েছেন, ইলিয়াস আলী গুম মিশনে ডিজিএফআইতে কর্মরত দুজন মেজর প্রযুক্তিগত সহায়তা দিয়েছিলেন। আর ইলিয়াস গুমের বিষয়ে অন্যান্য গোয়েন্দা সংস্থা ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর শীর্ষ পদধারীরা অবগত ছিলেন।বাংলাদেশ প্রতিদিন</p>
]]></content:encoded>
					
					<wfw:commentRss>https://chtnews24.com/2026/04/03/%e0%a6%b0%e0%a6%bf%e0%a6%ae%e0%a6%be%e0%a6%a8%e0%a7%8d%e0%a6%a1%e0%a7%87-%e0%a6%a4%e0%a6%bf%e0%a6%a8-%e0%a6%b8%e0%a7%87%e0%a6%a8%e0%a6%be-%e0%a6%95%e0%a6%b0%e0%a7%8d%e0%a6%ae%e0%a6%95%e0%a6%b0/feed/</wfw:commentRss>
			<slash:comments>0</slash:comments>
		
		
			</item>
		<item>
		<title>নজরদারিতে অনেকে, চাঞ্চল্যকর তথ্য,দীর্ঘ হচ্ছে কুশীলবদের তালিকা</title>
		<link>https://chtnews24.com/2026/03/31/%e0%a6%a8%e0%a6%9c%e0%a6%b0%e0%a6%a6%e0%a6%be%e0%a6%b0%e0%a6%bf%e0%a6%a4%e0%a7%87-%e0%a6%85%e0%a6%a8%e0%a7%87%e0%a6%95%e0%a7%87-%e0%a6%9a%e0%a6%be%e0%a6%9e%e0%a7%8d%e0%a6%9a%e0%a6%b2%e0%a7%8d/</link>
					<comments>https://chtnews24.com/2026/03/31/%e0%a6%a8%e0%a6%9c%e0%a6%b0%e0%a6%a6%e0%a6%be%e0%a6%b0%e0%a6%bf%e0%a6%a4%e0%a7%87-%e0%a6%85%e0%a6%a8%e0%a7%87%e0%a6%95%e0%a7%87-%e0%a6%9a%e0%a6%be%e0%a6%9e%e0%a7%8d%e0%a6%9a%e0%a6%b2%e0%a7%8d/#respond</comments>
		
		<dc:creator><![CDATA[adminchtnews24]]></dc:creator>
		<pubDate>Tue, 31 Mar 2026 02:01:45 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[Second lead]]></category>
		<category><![CDATA[অপরাধ-অনুসন্ধান]]></category>
		<category><![CDATA[জাতীয়]]></category>
		<category><![CDATA[বিশেষ প্রতিবেদন]]></category>
		<category><![CDATA[শিরোনাম]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://chtnews24.com/?p=36595</guid>

					<description><![CDATA[ডেস্ক রির্পোট:- এক/এগারোর সময়ে আইনবহির্ভূত কর্মকাণ্ড, রাজনৈতিক দলের নেতাদের হয়রানি, ভোট কারচুপি, গুম, খুন, ব্যবসায়ীদের কাছ থেকে অর্থ আদায়সহ নানা অপকর্মের হোতাদের তালিকা দীর্ঘ হচ্ছে। তালিকাভুক্তদের মধ্যে যারা দেশে আছেন তাদেরকে নজরদারিতে রাখা হয়েছে। বিমানবন্দরে তাদের বিষয়ে তথ্য দেয়া হয়েছে যাতে তারা দেশত্যাগ করতে না পারেন। এছাড়া যারা বিদেশে আছেন তাদের বিষয়ে ইন্টারপোলের মাধ্যমে তথ্য [&#8230;]]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[<p>ডেস্ক রির্পোট:- এক/এগারোর সময়ে আইনবহির্ভূত কর্মকাণ্ড, রাজনৈতিক দলের নেতাদের হয়রানি, ভোট কারচুপি, গুম, খুন, ব্যবসায়ীদের কাছ থেকে অর্থ আদায়সহ নানা অপকর্মের হোতাদের তালিকা দীর্ঘ হচ্ছে। তালিকাভুক্তদের মধ্যে যারা দেশে আছেন তাদেরকে নজরদারিতে রাখা হয়েছে। বিমানবন্দরে তাদের বিষয়ে তথ্য দেয়া হয়েছে যাতে তারা দেশত্যাগ করতে না পারেন। এছাড়া যারা বিদেশে আছেন তাদের বিষয়ে ইন্টারপোলের মাধ্যমে তথ্য সংগ্রহ করছে আইন শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী। তাদের ফেরানোর উদ্যোগ নেয়া হচ্ছে। এখন পর্যন্ত তিনজন সেনা কর্মকর্তাকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তাদের মধ্যে জেনারেল মাসুদ উদ্দিন চৌধুরী ও জেনারেল শেখ মামুন খালেদকে ইতিমধ্য রিমান্ডে জিজ্ঞাসাবাদ করেছে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ ও গোয়েন্দা সংস্থার সদস্যরা। জিজ্ঞাসাবাদে তারা চাঞ্চল্যকর তথ্য দিয়েছেন। প্রথমদিকে তারা মুখ না খুললেও ধীরে ধীরে ওই সময় ঘটে যাওয়া নানা বিষয়ে তথ্য দিয়েছেন গোয়েন্দাদের। এ সব তথ্য নিয়ে তদন্ত সংশ্লিষ্টরা এগোচ্ছেন।</p>
<p>এদিকে ডিজিএফআই’র সাবেক পরিচালক মো. আফজাল নাছেরকে রাজধানীর পল্লবীর ডিওএইচএস এলাকার একটি বাসা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। পরে তাকে আদালতে হাজির করে রিমান্ড আবেদন করে পুলিশ। আদালত ৬ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেছেন।<br />
সূত্র জানিয়েছে এক- এগারোর কুশীলবদের যার যার অপরাধের ভিত্তিতে আইনের মুখোমুখি করার উদ্যোগের অংশ হিসেবে কয়েকজনকে ইতিমধ্যে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। অপকর্মের জন্য তাদের বিরুদ্ধে বিভিন্ন মামলায় গ্রেপ্তার করা হচ্ছে। গ্রেপ্তারের পর তাদেরকে রিমান্ডে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করে নানা অপকর্মের তথ্য বের করা হচ্ছে। গোয়েন্দারা ইতিমধ্যে বড় একটি তালিকা তৈরি করে তাদের অবস্থান সম্পর্কে তথ্য নিয়েছেন। কারণ এক-এগারো পরবর্তী সময়ে অনেক কুশীলব আওয়ামী লীগের সহযোগিতায় নির্বাসনে গিয়েছেন পৃথিবীর বিভিন্ন দেশে। আবার অনেকেই দেশে বছরের পর বছর কাটিয়েছেন। কিন্তু সময়ের পরিবর্তনে সামনে উঠে এসেছে ২০০৭-২০০৮ সালের ঘটনা। গোয়েন্দাদের তালিকায় সাবেক সেনা কর্মকর্তা, আমলা, প্রভাবশালী ব্যবসায়ী, কতিপয় বিতর্কিত রাজনৈতিক ব্যক্তি এবং আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সাবেক কর্মকর্তাসহ বিভিন্ন পেশার লোকজন রয়েছেন। যারা বিদেশে আছেন তাদের বিষয়ে পুলিশ সদরদপ্তরের এনসিবি শাখা থেকে কয়েকজনের নামে তথ্য চাওয়া হয়েছে ইন্টারপোলের কাছে। তাদের মধ্যে সাবেক সেনাপ্রধান মইন ইউ আহমেদ, তত্ত্বাবধায়ক সরকারের সাবেক প্রধান উপদেষ্টা ফখরুদ্দীনসহ গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিরা রয়েছেন। তারা যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য, অস্ট্রেলিয়াসহ ইউরোপ আমেরিকার বিভিন্ন দেশে রয়েছেন। এসব ব্যক্তি একটি গোষ্ঠীকে সুবিধা দেওয়ার জন্য রাষ্ট্র ও সেনাবাহিনীকে ব্যবহার করে নানা অপকর্ম করেছেন। তারা দেশকে ভয়ঙ্কর পরিস্থিতির দিকে ঠেলে দিতে চেয়েছিলেন। সামনের সারির নেতাকর্মী ও ব্যবসায়ীদের অবৈধভাবে ধরে এনে টর্চারসেলে রেখে নির্যাতন করতেন। কোনো মামলা ছাড়া অবৈধভাবে দিনের পর দিন আটকে রেখেছেন। যারা তাদের নির্যাতনের শিকার হয়েছেন তারা এখনও এসব নিয়ে চিন্তা করলে আঁৎকে ওঠেন। গোয়েন্দারা বলছেন, এক-এগোরো দীর্ঘদিনের পরিকল্পনার একটি অংশ। তখন অর্থনৈতিক ও নীতিনির্ধারণী যে পরিবর্তনগুলো আনা হয়েছিল, তার প্রধান লক্ষ্য ছিল দেশের নির্দিষ্ট কিছু খাতের নিয়ন্ত্রণ নিজেদের হাতে নেয়া। এর পেছনে গভীর ভূ-রাজনৈতিক সমীকরণ এবং বিশাল অঙ্কের আর্থিক লেনদেন জড়িত রয়েছে। আগে যে বিষয়গুলোকে ‘জাতীয় স্বার্থ’ বলে প্রচার করা হয়েছিল, বর্তমান নথিপত্রে সেগুলোর পেছনে ব্যক্তিগত ও গোষ্ঠীগত স্বার্থের প্রমাণ মিলছে।</p>
<p>তদন্ত সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন, এক-এগারো সরকারের আলোচিত দুই কুশীলব- লেফটেন্যান্ট জেনারেল (অব.) মাসুদ উদ্দিন চৌধুরী ও লেফটেন্যান্ট জেনারেল (অব.) শেখ মামুন খালেদ গ্রেপ্তার হওয়ার পর মুখ খুলতে শুরু করেছেন ভুক্তভোগীরা। ওই সময়ে দুর্নীতি দমনের নামে রাজনীতিবিদ ও ব্যবসায়ীদের ওপর চালানো নির্যাতনের বিচার চেয়ে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা (ডিবি) পুলিশের কাছে এরই মধ্যে মৌখিক অভিযোগ জানিয়েছেন অনেকে। তবে আইনগত ব্যবস্থা নেয়ার স্বার্থে ভুক্তভোগীদের মামলার পরামর্শ দিয়েছে ডিবি। গোয়েন্দারা বলছেন, মামলা হলেই ওই দুই সাবেক সেনা কর্মকর্তার বিতর্কিত ভূমিকা নিয়ে তদন্ত শুরু হবে। মানবপাচার ও হত্যা মামলায় মাসুদ উদ্দিন চৌধুরী ও শেখ মামুন খালেদকে গ্রেপ্তার করা হলেও তাদের বিরুদ্ধে মূল অভিযোগ এক-এগারো ও আওয়ামী লীগের আমলের নানা অপকর্ম নিয়ে। তাদের বিরুদ্ধে ক্ষমতার অপব্যবহার, গুম, খুন, দুর্নীতি ও অর্থ পাচারসহ নানা অপরাধের অভিযোগ রয়েছে।</p>
<p>গোয়েন্দাদের জেরার মুখে মাসুদ ও খালেদের মুখে অনেকের নাম বেরিয়ে এসেছে। গ্রেপ্তার সাবেক দুই কর্মকর্তা নিজেদের অপরাধ স্বীকার না করে দোষ দিচ্ছেন সাবেক সেনাপ্রধান মইন ইউ আহমেদ এবং সাবেক ডিজিএফআই প্রধান মেজর জেনারেল এটিএম আমিনের ওপর। মামুন খালেদ দাবি করেছেন, মইন ইউ আহমেদ নির্দেশ দিতেন এটিএম আমিনকে। আমিন ওই সময় ডিজিএফআইতে কর্মরত কর্মকর্তাদের বাধ্য করেছিলেন তার আদেশ বাস্তবায়ন করতে। যদিও সবকিছুর কলকাঠি নেড়েছেন মেজর জেনারেল (অব.) এটিএম আমিন এবং লে. জেনারেল (অব.) মাসুদ উদ্দিন চৌধুরী। তবে বহুল আলোচিত চরিত্র জেনারেল (অব.) মইন ইউ আহমেদ অধিনায়কের ভূমিকায় থাকলেও তাকে সার্বিক সহায়তা করেছেন তৎকালীন বিমানবাহিনীর প্রধান এয়ার মার্শাল (অব.) শাহ মোহাম্মদ জিয়াউর রহমান এবং নৌবাহিনীর প্রধান ভাইস এডমিরাল (অব.) সরওয়ার জাহান নিজাম। এক-এগারোর পরবর্তী সময়ে সেনাপ্রধান হয়েছিলেন জেনারেল আবদুল মুবীন। তিনি ২০০৯ সালের ১৫ই জুন থেকে ২০১২ সালের ২৪শে জুন পর্যন্ত সেনাপ্রধানের দায়িত্ব পালন করেন।</p>
<p>তার সময়েই ২০১০ সালের ১৩ই নভেম্বর সাবেক প্রধানমন্ত্রী প্রয়াত বেগম খালেদা জিয়াকে শহীদ মইনুল রোডের বাড়ি থেকে উচ্ছেদ করা হয়। ওই সময় বাড়ি ভাঙার নেতৃত্ব দিয়েছিলেন পলাতক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সামরিক উপদেষ্টা তারিক আহমেদ সিদ্দিকের আস্থাভাজন তৎকালীন ক্যান্টনমেন্ট বোর্ডের এক্সিকিউটিভ অফিসার নাজমুছ সাদাত সেলিম।<br />
২০০৭ সালের ১১ই জানুয়ারি সেনাবাহিনীর একটি অংশের সমর্থনে ওই সময় গঠিত তত্ত্বাবধায়ক সরকারের প্রধান হয়েছিলেন ফখরুদ্দীন আহমেদ। তবে ক্ষমতার মূল কেন্দ্রে ছিলেন তৎকালীন সেনাপ্রধান মইন ইউ আহমেদ। পরবর্তী সময়ে তদন্তসহ সব ঝামেলা এড়াতেই আওয়ামী লীগের সহায়তায় নির্বাসিত জীবন বেছে নিয়েছেন এক-এগারোর অনেক কুশীলব। ড. ফখরুদ্দীন আহমেদ নাগরিকত্ব নিয়ে স্থায়ীভাবে বসবাস করছেন যুক্তরাষ্ট্রে। গ্রেপ্তার মাসুদ উদ্দিন চৌধুরী অবশ্য দেশে অবস্থান করছিলেন। তত্ত্বাবধায়ক সরকারের শেষ সময়ে তড়িঘড়ি করে সামরিক অ্যাটাশে হয়ে যুক্তরাষ্ট্রে পাড়ি জমিয়েছিলেন সামরিক গোয়েন্দা সংস্থার আরেক আলোচিত কর্মকর্তা ব্রি. জে. (অব.) চৌধুরী ফজলুল বারী। গণতান্ত্রিক সরকারের জমানায় এক-এগারোর ঘটনাবলির তদন্তের প্রয়োজনে তাকে ডাকা হলেও আর দেশে ফেরেননি। এর পর থেকেই স্থায়ীভাবে বসবাস করছেন যুক্তরাষ্ট্রের ডালাসে। এক-এগারোর সময় প্রতিরক্ষা গোয়েন্দা মহাপরিদপ্তরের (ডিজিএফআই) পরিচালকের দায়িত্বে ছিলেন তৎকালীন ব্রি. জেনারেল (অব.) এ টি এম আমিন। বর্তমানে তিনি দুবাইয়ে অবস্থান করছেন।</p>
<p>সূত্র বলছেন, গোয়েন্দা চ্যানেলে তাকে দেশে ফেরানোর চেষ্টা চলছে। তৎকালীন ডিজিএফআইয়ের আরেক ক্ষমতাধর কর্মকর্তা মেজর জেনারেল (অব.) সাঈদ জোয়ার্দার দুবাই-কানাডা যাওয়া-আসার মধ্যে আছেন। লেফটেন্যান্ট জেনারেল (অব.) হাসান মশহুদ চৌধুরী এক-এগারো সরকারের সময় দুর্নীতি দমন কমিশনের চেয়ারম্যানের দায়িত্ব পালন করেন। ওই সময়ে রাজনীতিবিদদের বিরুদ্ধে ঢালাও অভিযোগ এবং একের পর এক মামলা করে আলোচনায় ছিল দুদক। তিনি এখন কোথায় আছেন তার কোনো সুনির্দিষ্ট তথ্য পাওয়া যায়নি। এ ছাড়া ওই সময়ের আলোচিত ও বিতর্কিত আরও কয়েকজন কর্মকর্তা ক্ষমতার কেন্দ্রে ছিলেন; যাদের মধ্যে অনেকেই এখন দেশে আছেন বলে গোয়েন্দা সংস্থাগুলো ধারণা করছে।</p>
<p>তদন্তসংশ্লিষ্ট সূত্র বলছে, সেনাসমর্থিত এক-এগারোর সরকার গঠনের আগে প্রফেসর ড. ইয়াজউদ্দিন আহম্মেদকে তত্ত্বাবধায়ক সরকারের প্রধানের পদ থেকে পদত্যাগের জন্য চাপ দেয়া হয়। ২০০৭ সালের ১১ই জানুয়ারি বঙ্গভবনে এই পদত্যাগ করানোর মিশনে অংশ নেন সশস্ত্র বাহিনীর তৎকালীন প্রভাবশালী ছয় কর্মকর্তা। এরপর থেকেই দ্রুত পাল্টে যেতে থাকে দেশের রাজনৈতিক প্রেক্ষাপট। পদত্যাগ করানোর জন্য বঙ্গ ভবনে গিয়েছিলেন তিন বাহিনীর প্রধান, ডিজিএফআই-এর মহাপরিচালক, লেফটেন্যান্ট জেনারেল (অব.) জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী ও মাসুদ উদ্দিন চৌধুরী। বর্তমান প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে রিমান্ডে নির্যাতনের বিষয়ে মাসুদ রিমান্ডে বলেছেন, তিনি এ বিষয়ে একেবারেই জানতেন না। পরদিন টিভিতে দেখে বিস্মিত হন। তখন তিনি খোঁজ নিয়ে জানতে পারেন সাবেক সেনাপ্রধান মইন ইউ আহমেদের নির্দেশে ডিজিএফআই-এর কিছু কর্মকর্তা ওই টর্চারে ভূমিকা রাখেন।<br />
সাবেক গভর্নর ড. ফখরুদ্দীন আহমেদকে ১/১১ সরকারের প্রধান হিসেবে মনোনীত করার বিষয়ে মাসুদ বলেন, প্রথমে ড. ইউনূসকে সরকারপ্রধান হওয়ার প্রস্তাব দেয়া হয়। ওই প্রস্তাব নিয়ে ড. মুহাম্মদ ইউনূসের কাছে যান মাসুদ উদ্দিন চৌধুরী ও তৎকালীন ডিজিএফআই-এর মহাপরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) চৌধুরী ফজলুল বারী। কিন্তু তিনি সে প্রস্তাবে রাজি না হওয়ায় তারা যান ফখরুদ্দীনের কাছে। পরে তিনি রাজি হয়ে যান। গিয়াস উদ্দিন আল মামুন, মোসাদ্দেক আলী ফালু, নাসিরউদ্দিন আহম্মেদ পিন্টু এবং হাজী সেলিমসহ আওয়ামী লীগ ও বিএনপি’র প্রভাবশালীদের গ্রেপ্তারে ২০০৭ সালের ১২ই জানুয়ারি থেকে যৌথ অভিযান শুরু হয়। সেখানে তার ভূমিকা কী ছিল জানতে চাইলে মাসুদ উদ্দিন চৌধুরী বলেন, তিনি গুরুতর অপরাধ দমন সংক্রান্ত জাতীয় সমন্বয় কমিটির মুখ্য সমন্বয়ক ছিলেন। তবে গ্রেপ্তারের তালিকা তিনি করেননি। উচ্চপর্যায়ের প্রেসক্রিপশন অনুযায়ী গ্রেপ্তার অভিযান পরিচালিত হয়েছে। সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও খালেদা জিয়া এবং তারেক রহমান ও আরাফাত রহমান কোকোসহ প্রধান দু’দলের গুরুত্বপূর্ণ নেতা ও শীর্ষ ব্যবসায়ীদের গ্রেপ্তার নিয়ে বলেন, তিনি আদেশ পালন করতে গিয়ে গ্রেপ্তার প্রক্রিয়ার মধ্যে ছিলেন। গুরুতর অপরাধ দমনসংক্রান্ত জাতীয় সমন্বয় কমিটির সমন্বয়ক হিসেবে তাকে গ্রেপ্তারের অনুমোদন দিতে হতো এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, প্রতিটি সেক্টর ধরে পৃথক টাস্কফোর্স গঠন করা হয়। তবে গ্রেপ্তারের সময় পুলিশ ও সেনাবাহিনী মিলে যৌথভাবে সিদ্ধান্ত নিতো। সংসদ ভবনের বিশেষ কারাগারে এসে সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও খালেদা জিয়ার সঙ্গে সমঝোতার বিষয়ে দরকষাকষি নিয়ে গোয়েন্দা বলেন, সাবজেল থেকে প্রতি বৃহস্পতিবার রাতে একজন মেজর শেখ হাসিনাকে বের করে নিয়ে যেতেন এমন তথ্য রয়েছে গোয়েন্দাদের কাছে। তাকে নিয়ে রাজধানীর বিভিন্ন স্থানে করা গোপন বৈঠকে সেনাবাহিনীর সদস্য ছাড়াও এক-এগারো সরকারের বিভিন্ন উপদেষ্টা অংশ নিতেন। রাষ্ট্র ক্ষমতায় শেখ হাসিনাকে কীভাবে আনা হবে সেসব বিষয়ে দেনদরবার হতো ওইসব বৈঠকে। শেখ হাসিনাকে নিয়ে বৈঠক করতে দেয়া হলেও সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়াকে কারাগার থেকে বের হতে দেয়া হতো না।</p>
<p>মাসুদ উদ্দিন চৌধুরী রিমান্ডে জানিয়েছেন, তৎকালীন সেনাপ্রধান জেনারেল মইন ইউ আহমেদ রাষ্ট্রপতি হওয়ার স্বপ্ন দেখেছিলেন। এই স্বপ্ন বাস্তবায়নে অনেক দূর এগিয়েও গিয়েছিলেন। শেষ পর্যন্ত নানা বাধার কারণে রাষ্ট্রপতি হতে পারেননি। তবে তিনি গোপনে নানা প্রক্রিয়া শুরু করেছিলেন। কিন্তু শেষ পর্যন্ত এই স্বপ্ন বাস্তবায়ন করতে পারেননি নানা কারণে। মইন ইউ আহমেদের কারণে তাকে সেনাবাহিনী থেকে বেরিয়ে যেতে হয় বলেও জানিয়েছেন মাসুদ উদ্দিন চৌধুরী। মইন ইউ আহমেদ সেনাশাসিত তত্ত্বাবধায়ক সরকারের মেয়াদ দুই বছরেরও বেশি সময় দীর্ঘায়িত করতে চেয়েছিলেন। কিন্তু এক-এগারো সরকারের শেষ বছরে এসে সেনাবাহিনীর বেশির ভাগ জেনারেল ক্ষমতা দীর্ঘায়িত করার বিপক্ষে ছিলেন। এমন একটা পরিস্থিতিতে রাষ্ট্রক্ষমতায় সেনাবাহিনীর থাকা উচিত কিনা এ নিয়ে ভোটাভুটি হয়েছিল সেনাবাহিনীতে। তখন সেনাবাহিনীর বেশির ভাগ জেনারেল মইন ইউ আহমেদকে রাজনীতিবিদদের হাতে ক্ষমতা দিয়ে দেয়ার অনুরোধ জানান। এ ছাড়া দুই নেত্রীকে কারামুক্ত করার পক্ষে মত দেন। একটি প্রভাবশালী দেশের পক্ষ থেকেও বেগম খালেদা জিয়া ও শেখ হাসিনাকে ছেড়ে দেয়ার জন্য সেনাপ্রধানকে চাপ দিয়েছিল।সুত্র মানবজমিন</p>
]]></content:encoded>
					
					<wfw:commentRss>https://chtnews24.com/2026/03/31/%e0%a6%a8%e0%a6%9c%e0%a6%b0%e0%a6%a6%e0%a6%be%e0%a6%b0%e0%a6%bf%e0%a6%a4%e0%a7%87-%e0%a6%85%e0%a6%a8%e0%a7%87%e0%a6%95%e0%a7%87-%e0%a6%9a%e0%a6%be%e0%a6%9e%e0%a7%8d%e0%a6%9a%e0%a6%b2%e0%a7%8d/feed/</wfw:commentRss>
			<slash:comments>0</slash:comments>
		
		
			</item>
	</channel>
</rss>
