<?xml version="1.0" encoding="UTF-8"?><rss version="2.0"
	xmlns:content="http://purl.org/rss/1.0/modules/content/"
	xmlns:wfw="http://wellformedweb.org/CommentAPI/"
	xmlns:dc="http://purl.org/dc/elements/1.1/"
	xmlns:atom="http://www.w3.org/2005/Atom"
	xmlns:sy="http://purl.org/rss/1.0/modules/syndication/"
	xmlns:slash="http://purl.org/rss/1.0/modules/slash/"
	>

<channel>
	<title>অপরাধ-অনুসন্ধান &#8211; chtnews24.com</title>
	<atom:link href="https://chtnews24.com/category/%E0%A6%85%E0%A6%AA%E0%A6%B0%E0%A6%BE%E0%A6%A7-%E0%A6%85%E0%A6%A8%E0%A7%81%E0%A6%B8%E0%A6%A8%E0%A7%8D%E0%A6%A7%E0%A6%BE%E0%A6%A8/feed/" rel="self" type="application/rss+xml" />
	<link>https://chtnews24.com</link>
	<description></description>
	<lastBuildDate>Wed, 09 Sep 2026 01:59:17 +0000</lastBuildDate>
	<language>en-US</language>
	<sy:updatePeriod>
	hourly	</sy:updatePeriod>
	<sy:updateFrequency>
	1	</sy:updateFrequency>
	<generator>https://wordpress.org/?v=7.1</generator>
	<item>
		<title>চাঁদাবাজির রিমোট বিদেশে</title>
		<link>https://chtnews24.com/2026/09/09/%e0%a6%9a%e0%a6%be%e0%a6%81%e0%a6%a6%e0%a6%be%e0%a6%ac%e0%a6%be%e0%a6%9c%e0%a6%bf%e0%a6%b0-%e0%a6%b0%e0%a6%bf%e0%a6%ae%e0%a7%8b%e0%a6%9f-%e0%a6%ac%e0%a6%bf%e0%a6%a6%e0%a7%87%e0%a6%b6%e0%a7%87/</link>
					<comments>https://chtnews24.com/2026/09/09/%e0%a6%9a%e0%a6%be%e0%a6%81%e0%a6%a6%e0%a6%be%e0%a6%ac%e0%a6%be%e0%a6%9c%e0%a6%bf%e0%a6%b0-%e0%a6%b0%e0%a6%bf%e0%a6%ae%e0%a7%8b%e0%a6%9f-%e0%a6%ac%e0%a6%bf%e0%a6%a6%e0%a7%87%e0%a6%b6%e0%a7%87/#respond</comments>
		
		<dc:creator><![CDATA[adminchtnews24]]></dc:creator>
		<pubDate>Wed, 09 Sep 2026 01:59:17 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[Second lead]]></category>
		<category><![CDATA[অপরাধ-অনুসন্ধান]]></category>
		<category><![CDATA[জাতীয়]]></category>
		<category><![CDATA[বিশেষ প্রতিবেদন]]></category>
		<category><![CDATA[শিরোনাম]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://chtnews24.com/?p=38194</guid>

					<description><![CDATA[ডেস্ক রির্পোট:- ‘আমার পোলাপান গিয়ে তোর ফ্যাক্টরির একজনকে থাপড়াইয়া আসছে। টাকা না পাইলে তোর পা লুলা করে দিবো। সারা জীবন হুইলচেয়ার ঠেলবি। তোর মালিকরে কবি (বলবি), ফাইভ স্টার গ্রুপের আশিক ভাইয়ের ছোট ভাই ফোন দিছিলো। একবারে দিবি ৫ লাখ, প্রতি মাসে দিবি ৫০ হাজার। বড় ভাইদের কাছে গেলে রেট বাড়বো আরও ১৫ লাখ। তখন দিবি [&#8230;]]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[<p>ডেস্ক রির্পোট:- ‘আমার পোলাপান গিয়ে তোর ফ্যাক্টরির একজনকে থাপড়াইয়া আসছে। টাকা না পাইলে তোর পা লুলা করে দিবো। সারা জীবন হুইলচেয়ার ঠেলবি। তোর মালিকরে কবি (বলবি), ফাইভ স্টার গ্রুপের আশিক ভাইয়ের ছোট ভাই ফোন দিছিলো। একবারে দিবি ৫ লাখ, প্রতি মাসে দিবি ৫০ হাজার। বড় ভাইদের কাছে গেলে রেট বাড়বো আরও ১৫ লাখ। তখন দিবি ২০ লাখ। এখন বাংলাদেশে ৮টা বাজে। ২০ মিনিট সময় দিলাম। মালিকের সঙ্গে আলাপ করে জানাবি। না হলে তোগো ফ্যাক্টরি চালাইবো আমগো পোলাপান।’ রাজধানীর মিরপুরে একটি ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানের কর্ণধারের কাছে এভাবেই বিদেশি নম্বর দিয়ে ফোন করেন একজন শীর্ষ সন্ত্রাসী। ঘটনাটি কদিন আগের।</p>
<p>কয়েক মাস আগের ঘটনা। পল্লবীর আলব্দির টেক এলাকায় এ কে বিল্ডার্স নামের আবাসন নির্মাণ প্রতিষ্ঠানে ৫ কোটি টাকা চাঁদা দাবি করে শীর্ষ সন্ত্রাসী জামিল। তিনি রয়েছেন ভারতে। চাঁদা না পেয়ে জামিলের লোকজন অস্ত্রশস্ত্র নিয়ে হামলা চালায়। হামলাকারীরা এ সময় চারটি গুলি করে। দুর্বৃত্তদের গুলিতে শরিফুল ইসলাম নামে প্রতিষ্ঠানটির একজন কর্মকর্তাও আহত হন।</p>
<p>মিরপুরের বাউনিয়া কালীবাড়ি এলাকায় মনোয়ারা হাউজিংয়ের একটি ভবনের পাইলিংয়ের কাজ চলছিল। গত ২৫ আগস্ট একদল সন্ত্রাসী সেখানে গিয়ে কাজ বন্ধ করে দেয়। তারা বলে, শীর্ষ সন্ত্রাসী মশিউর ভাইয়ের লোক কায়েস ভাই পাঠিয়েছে। পরে তারা একটি বিদেশি নম্বরে ফোনের অপর প্রান্তে থাকা শীর্ষ সন্ত্রাসীর সঙ্গে বাড়ির মালিককে কথা বলিয়ে দেন। ভবনের কাজ এগিয়ে নিতে ৫ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করেন ওই শীর্ষ সন্ত্রাসী। পরে টাকা দিয়ে নিজের প্রাণ বাঁচান বাড়ির মালিক। মোহাম্মদপুরের ঢাকা উদ্যানে আব্বাস নামে এক মোবাইল ব্যবসায়ীর কাছে ১০ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করা হয় ফোনে। কিন্তু চাঁদা দিতে অস্বীকৃতি জানান ব্যবসায়ী। কিছু সময় পর দোকানে হামলা করে সন্ত্রাসীরা। এই চাঁদা দাবি করেছেন মোহাম্মদপুরের শীর্ষ সন্ত্রাসী কিলার বাদল। তিনি আছেন মালয়েশিয়ায়।</p>
<p>শুধু এই ঘটনাগুলোই নয়- বিদেশে বসেই দেশের চাঁদাবাজি কন্ট্রোল করছেন শীর্ষ সন্ত্রাসীরা। তারা ফোন দিচ্ছেন টার্গেট মতো। আর তাদের সেকেন্ড ইন কমান্ডরা দলবল নিয়ে সেই চাঁদা তুলে আনছে। চাঁদা না দিলে হামলা চালাচ্ছেন তারা। এলোপাতাড়ি গুলিবর্ষণ করে আতঙ্ক ছড়াচ্ছে। আর এই চাঁদার সিংহভাগ চলে যায় বিদেশে থাকা শীর্ষ সন্ত্রাসীদের কাছে। চাঁদার টাকায় বিদেশে আয়েশী জীবন কাটাচ্ছেন অন্তত ডজন খানেক বাংলাদেশের শীর্ষ সন্ত্রাসী।</p>
<p>হালে পরিস্থিতি এতই খারাপ দিকে গিয়েছে যে, ভবনের প্রতি ফ্লোরের জন্য আলাদা চাঁদা, ইট-বালু-রডের ব্যবসা করতে চাঁদা, ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান পরিচালনা করতে মাসিক চাঁদা দিতে বাধ্য করা হচ্ছে। কখনো কখনো চাঁদার রেট উঠছে কোটি টাকা। কেউ কেউ জীবনের পরোয়া না করে থানায় অভিযোগ দিলেও লাভ হচ্ছে না। কারণ চাঁদা আনতে যাওয়া লোক গ্রেপ্তার হলেও ধরাছোঁয়ার বাইরেই থাকছে অদৃশ্য রিমোট হাতে বিদেশে বসে থাকা শীর্ষ সন্ত্রাসীরা। অভিযোগ করলে বাড়ে জীবনের হুমকি ও চাঁদার রেট। অনেকেই ঝামেলা এড়াতে পুলিশের সঙ্গেও যোগাযোগ করছে না। গোপনেই আপসরফা করে নিচ্ছে। এতে করে কোনো বিদেশি নম্বর থেকে ফোন আসলেই আঁতকে উঠছেন ব্যবসায়ীরা। ফোন রিসিভ না করলে ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানে হামলা চালানো হচ্ছে। চাঁদা না পাওয়া পর্যন্ত বন্ধ রাখা হচ্ছে ভবনের নির্মাণকাজ।</p>
<p>জানা গেছে, আন্ডারওয়ার্ল্ড ও চাঁদাবাজির নিয়ন্ত্রণ নিয়ে এই শীর্ষ সন্ত্রাসীরা কোথাও মিলেমিশে, কোথাও মুখোমুখি অবস্থানে থেকে তৎপরতা চালাচ্ছেন।</p>
<p>গোয়েন্দা সূত্র বলছে, ২০২৪ সালে জুলাই গণ অভ্যুত্থানের পর পুলিশ নিষ্ক্রীয় হয়ে পড়লে আন্ডারওয়ার্ল্ডের সন্ত্রাসীরা সুসংগঠিত হতে থাকে। রাজধানীর মিরপুর, মোহাম্মদপুর, তেজগাঁও, গুলশান, বাড্ডা, মতিঝিল, খিলগাঁও, হাজারীবাগ, রামপুরাসহ বিভিন্ন এলাকায় নিজেদের রাজত্ব প্রতিষ্ঠা করে বিদেশে পলাতক শীর্ষ সন্ত্রাসীরা। মিরপুর এলাকায় শুরু হয় ফোর স্টার গ্রুপের রাজত্ব। শীর্ষ সন্ত্রাসী মফিজুর রহমান মামুন, ইব্রাহীম খলিল ওরফে কিলার ইব্রাহীম, শাহাদাত হোসেন এবং মোক্তার হোসেন আছেন এই ফোর স্টার গ্রুপের নেতৃত্বে। মামুনের দুই ভাই মশিউর রহমান মশু ও জামিলও সক্রিয় এই গ্রুপে। এই গ্রুপ ছাড়াও এক রাজনৈতিক নেতার ইন্ধনে মামুন গ্রুপের কিলার আশিক নতুন গ্রুপের ঘোষণা দিয়ে চাঁদাবাজিতে বেপরোয়া হয়ে উঠেছেন।</p>
<p>সূত্র জানিয়েছে, শীর্ষ সন্ত্রাসী মামুন বর্তমানে মালয়েশিয়াতে পলাতক রয়েছেন। তিনি +৩৫১৯৬৬৯৩১২৩১ নম্বর দিয়ে ফোন করে চাঁদা দাবি করেন। তবে কোনো ভবন মালিক বা ব্যবসায়ীকে সরাসরি কল করেন না। তার ভাই মশিও রয়েছেন মালয়েশিয়ায়। গত বছরের নভেম্বরে পল্লবীর একটি দোকানে ঢুকে যুবদল নেতা গোলাম কিবরিয়াকে গুলি করে হত্যা করা হয়। এরপরই ফের সামনে আসে মামুনের নাম। তদন্তে বেরিয়ে আসে তার নির্দেশেই খুন হন কিবরিয়া। শীর্ষ সন্ত্রাসী মোক্তার হোসেন পলাতক ভারতে। শাহাদাৎ হোসেন ও কিলার ইব্রাহিম রয়েছেন দুবাই। এ ছাড়াও একসময়ের ফাইভ স্টার গ্রুপের সক্রিয় সদস্য আব্বাস আলী ওরফে কিলার আব্বাস এখনো সক্রিয় রয়েছেন। আর নব্য উত্থান ঘটা কিলার আশিক +৯৬৬৫৪৪৭৫৬৪৫২ ও +৬০১১৭২২৭২৬৯৩ নম্বর থেকে ফোন করে চাঁদা দাবি করে আসছেন। কৌশল হিসেবে তারা কখনো সরাসরি টার্গেট ব্যক্তিকে ফোন করেন না। শীর্ষ সন্ত্রাসী হাবিবুর রহমান তাজও তৎপর রয়েছেন কাফরুল এলাকার চাঁদাবাজিতে।</p>
<p>এ ছাড়াও মোহাম্মদপুরে চাঁদাবজিতে মালয়েশিয়াতে থাকা কিলার বাদল ও দেশেই ঘাপটি মেরে থাকা অপর এক শীর্ষ সন্ত্রাসীর নাম আসছে। যাত্রাবাড়ী এলাকার শুটার লিটন বর্তমানে কারাগারে থাকলেও তার স্ত্রীর দিকনির্দেশনায় মাদক কারবার ও চাঁদাবাজি করছে অস্ত্রধারী সহযোগীরা। বাড্ডার দুই শীর্ষ সন্ত্রাসী দুবাইয়ে পলাতক মাহবুব ও আমেরিকায় পলাতক মেহেদী এবং দুবাইয়ে পলাতক মতিঝিল খিলগাঁওয়ের জিসান আহমেদের গ্রুপের রাজত্ব চলছে। ডিবি সূত্র বলছে, এসব সন্ত্রাসী গ্রুপের সবাই সেকেন্ড ইন কমান্ডের নেতৃত্বে সন্ত্রাসী গ্রুপ গড়ে তুলেছে। এর মধ্যে- কিলার আব্বাসের সেকেন্ড ইন কমান্ড হিসেবে তৎপর রয়েছে ভাগ্নে সোহেল। মামুন গ্রুপের চাঁদার নেতৃত্ব দিচ্ছে কায়েস। সম্প্রতি গ্রেপ্তার হয়- মামুন গ্রুপের আলোচিত সন্ত্রাসী ল্যাংড়া রুবেল, শীর্ষ সন্ত্রাসী শাহাদাতের শুটার কাইল্লা শামীম ও মুক্তারের শুটার জাকির।</p>
<p>গোয়েন্দা সূত্র বলছে, অস্ত্রের মজুত বাড়াতে মনোযোগ দিয়েছে শীর্ষ সন্ত্রাসী শাহাদাত। ইতোমধ্যে তার গ্রুপে টিপু সুমন, প্রচার সাইফুল ও শামীমসহ আরও কয়েক সন্ত্রাসী সক্রিয় রয়েছে। আর কিলার আশিকের উত্থান ঠেকাতে মরিয়া হয়ে উঠেছে ফোর স্টার গ্রুপের সদস্যরা। এতে মিরপুর এলাকায় দ্রুতই রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষ হওয়ার আশঙ্কা করা হচ্ছে। সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে, ২০০১ সালে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় ২৩ সন্ত্রাসীদের মধ্যে অনেকে মারা গেছেন, ৪ জন কারাগারে রয়েছেন। তবে তাদের অনেকেই বিদেশে বসে আন্ডারওয়ার্ল্ডের বড় অংশ এখনো নিয়ন্ত্রণ করে যাচ্ছেন। আধিপত্যের লড়াইয়ে সম্প্রতি সময়ে টার্গেট কিলিংয়ে মারা গেছেন আন্ডারওয়ার্ল্ডের আলোচিত তিন সন্ত্রাসী। তারা হলেন- খন্দকার নাঈম আহমেদ টিটন, তারিক সাইফ মামুন ও কাইল্লা পলাশ।</p>
<p>পুলিশ যা বলছে : পুলিশ কর্মকর্তারা বলছেন, পলাতক সন্ত্রাসীদের দেশে ফেরাতে পুলিশের পক্ষ থেকে প্রচেষ্টা আছে। বিদেশ থেকে শীর্ষ সন্ত্রাসী পরিচয়ে কিছু ফোনকলের কথা মাঝেমধ্যে শোনা যায়। কিন্তু অধিকাংশ সময় দেখা যায়, পলাতক সন্ত্রাসীদের পরিচয়ে বিদেশি নম্বর দিয়ে অন্য কেউ ফোন করে হুমকি দিচ্ছে। পুলিশ সদর দপ্তরের অতিরিক্ত আইজিপি (ক্রাইম অ্যান্ড অপারেশনস) খোন্দকার রফিকুল ইসলাম বলেন, অনেকেই শীর্ষ সন্ত্রাসী পরিচয়ে বিদেশি নাম্বার দিয়ে ফোন করে চাঁদা দাবি করে। এতে আতঙ্কিত না হয়ে থানায় অভিযোগ করলে পুলিশ সহজেই ব্যবস্থা নিতে পারে। এক প্রশ্নের জবাবে তিনি আরও বলেন, ‘যারা বিদেশে বসে অপরাধমূলক কর্মকান্ড করছে, তাদের গ্রেপ্তারে ইন্টারপোলে আবেদন করাসহ অন্য সব চেষ্টাই আমাদের অব্যাহত আছে।’</p>
<p>গোয়েন্দা পুলিশের প্রধান ডিএমপির অতিরিক্ত কমিশনার মো. শফিকুল ইসলাম বলেন, অভিযোগ পেলে দেশের অভ্যন্তরে যারা আছে তাদের গ্রেপ্তার করা হচ্ছে। যারা বিদেশে আছে, তাদের সংশ্লিষ্টতা পেলে চার্জশিটে নাম দেওয়া হচ্ছে। এতে করে সংশ্লিষ্ট ঘটনার বিচারকাজ শেষ হলে ইন্টারপোলের মাধ্যমে দেশে ফেরত আনার সম্ভাবনা তৈরি হবে। বাংলাদেশ প্রতিদিন</p>
]]></content:encoded>
					
					<wfw:commentRss>https://chtnews24.com/2026/09/09/%e0%a6%9a%e0%a6%be%e0%a6%81%e0%a6%a6%e0%a6%be%e0%a6%ac%e0%a6%be%e0%a6%9c%e0%a6%bf%e0%a6%b0-%e0%a6%b0%e0%a6%bf%e0%a6%ae%e0%a7%8b%e0%a6%9f-%e0%a6%ac%e0%a6%bf%e0%a6%a6%e0%a7%87%e0%a6%b6%e0%a7%87/feed/</wfw:commentRss>
			<slash:comments>0</slash:comments>
		
		
			</item>
		<item>
		<title>খাগড়াছড়িতে দুই স্যানিটারি ইন্সপেক্টরের বিরুদ্ধে অনিয়ম-দুর্নীতির অভিযোগ, ব্যবস্থা নিতে সাংসদ ওয়াদুদ ভূইয়ার সুপারিশ</title>
		<link>https://chtnews24.com/2026/09/08/%e0%a6%96%e0%a6%be%e0%a6%97%e0%a6%a1%e0%a6%bc%e0%a6%be%e0%a6%9b%e0%a6%a1%e0%a6%bc%e0%a6%bf%e0%a6%a4%e0%a7%87-%e0%a6%a6%e0%a7%81%e0%a6%87-%e0%a6%b8%e0%a7%8d%e0%a6%af%e0%a6%be%e0%a6%a8%e0%a6%bf%e0%a6%9f/</link>
					<comments>https://chtnews24.com/2026/09/08/%e0%a6%96%e0%a6%be%e0%a6%97%e0%a6%a1%e0%a6%bc%e0%a6%be%e0%a6%9b%e0%a6%a1%e0%a6%bc%e0%a6%bf%e0%a6%a4%e0%a7%87-%e0%a6%a6%e0%a7%81%e0%a6%87-%e0%a6%b8%e0%a7%8d%e0%a6%af%e0%a6%be%e0%a6%a8%e0%a6%bf%e0%a6%9f/#respond</comments>
		
		<dc:creator><![CDATA[adminchtnews24]]></dc:creator>
		<pubDate>Tue, 08 Sep 2026 14:53:33 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[Second lead]]></category>
		<category><![CDATA[অপরাধ-অনুসন্ধান]]></category>
		<category><![CDATA[খাগড়াছড়ি]]></category>
		<category><![CDATA[রকমারি]]></category>
		<category><![CDATA[শিরোনাম]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://chtnews24.com/?p=38170</guid>

					<description><![CDATA[খাগড়াছড়ি প্রতিনিধি:- খাগড়াছড়ির মহালছড়ি ও মানিকছড়ি উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে কর্মরত দুই স্যানিটারি ইন্সপেক্টরের বিরুদ্ধে সরকারি বরাদ্দের অর্থ আত্মসাৎ, দায়িত্ব পালনে স্বেচ্ছাচারিতা, অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগ উঠেছে। অভিযোগ তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার পাশাপাশি তাদের অন্যত্র বদলি বা প্রত্যাহারের দাবি জানিয়েছে বাংলাদেশ স্বাস্থ্য সহকারী অ্যাসোসিয়েশন, খাগড়াছড়ি পার্বত্য জেলা শাখা। এ বিষয়ে চট্টগ্রাম বিভাগীয় পরিচালকের (স্বাস্থ্য) কাছে [&#8230;]]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[<p>খাগড়াছড়ি প্রতিনিধি:- খাগড়াছড়ির মহালছড়ি ও মানিকছড়ি উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে কর্মরত দুই স্যানিটারি ইন্সপেক্টরের বিরুদ্ধে সরকারি বরাদ্দের অর্থ আত্মসাৎ, দায়িত্ব পালনে স্বেচ্ছাচারিতা, অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগ উঠেছে। অভিযোগ তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার পাশাপাশি তাদের অন্যত্র বদলি বা প্রত্যাহারের দাবি জানিয়েছে বাংলাদেশ স্বাস্থ্য সহকারী অ্যাসোসিয়েশন, খাগড়াছড়ি পার্বত্য জেলা শাখা।<br />
এ বিষয়ে চট্টগ্রাম বিভাগীয় পরিচালকের (স্বাস্থ্য) কাছে লিখিত অভিযোগ দেওয়া হয়েছে। অভিযোগে মহালছড়ি উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে কর্মরত মঞ্জুরুল ইসলাম তালুকদার এবং মানিকছড়ি উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে কর্মরত পুলক চক্রবর্তীকে অভিযুক্ত করা হয়েছে।<br />
লিখিত অভিযোগে বলা হয়, বিভিন্ন সরকারি টিকাদান কর্মসূচির বরাদ্দের অর্থ বিতরণে অনিয়ম এবং অর্থ আত্মসাতের অভিযোগ রয়েছে তাদের বিরুদ্ধে।<br />
বিশেষ করে ২০২৬ সালের হাম-রুবেলা টিকাদান ক্যাম্পেইনে অন্যান্য উপজেলায় ওয়ার্ডপ্রতি প্রায় ৮ হাজার ৪০০ থেকে ৯ হাজার ২৩৩ টাকা পর্যন্ত বরাদ্দ দেওয়া হলেও সংশ্লিষ্টরা ওয়ার্ডপ্রতি মাত্র ৩ হাজার ৭৫০ টাকা করে দিয়েছেন বলে অভিযোগ করা হয়েছে। এতে অবশিষ্ট অর্থ আত্মসাতের অভিযোগ তুলেছে সংগঠনটি।<br />
এছাড়া HPV ও TCV টিকাদান ক্যাম্পেইনসহ বিভিন্ন সরকারি কর্মসূচিতে টিকাদানকারী ও স্বেচ্ছাসেবীদের প্রাপ্য অর্থ যথাযথভাবে বিতরণ না করার অভিযোগও করা হয়েছে।</p>
<p><img fetchpriority="high" decoding="async" class="size-medium wp-image-38179" src="https://chtnews24.com/wp-content/uploads/2026/09/IMG_২০২৬০৯০৮_২০৫৫৫৪-300x264.jpg" alt="" width="300" height="264" srcset="https://chtnews24.com/wp-content/uploads/2026/09/IMG_২০২৬০৯০৮_২০৫৫৫৪-300x264.jpg 300w, https://chtnews24.com/wp-content/uploads/2026/09/IMG_২০২৬০৯০৮_২০৫৫৫৪.jpg 720w" sizes="(max-width: 300px) 100vw, 300px" /></p>
<p>অভিযোগপত্রে মঞ্জুরুল ইসলাম তালুকদারের বিরুদ্ধে মহালছড়ি ও মাইসছড়ি বাজারের ব্যবসায়ীদের ভয়ভীতি দেখিয়ে চাঁদাবাজির অভিযোগের কথাও উল্লেখ করা হয়েছে। পাশাপাশি অভিযুক্ত দুই কর্মকর্তার বিরুদ্ধে স্থায়ী বাসিন্দা সনদ জালিয়াতির মাধ্যমে চাকরি নেওয়ার অভিযোগও আনা হয়েছে। তবে এসব অভিযোগ তদন্তের মাধ্যমে প্রমাণ করার দাবি জানিয়েছে অভিযোগকারী সংগঠন।<br />
এদিকে, অভিযোগগুলোর বিষয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে খাগড়াছড়ির সংসদ সদস্য ওয়াদুদ ভূইয়াও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে সুপারিশ করেছেন।</p>
<p><img decoding="async" class="size-medium wp-image-38178" src="https://chtnews24.com/wp-content/uploads/2026/09/IMG_২০২৬০৯০৮_২০৫৬১১-300x193.jpg" alt="" width="300" height="193" srcset="https://chtnews24.com/wp-content/uploads/2026/09/IMG_২০২৬০৯০৮_২০৫৬১১-300x193.jpg 300w, https://chtnews24.com/wp-content/uploads/2026/09/IMG_২০২৬০৯০৮_২০৫৬১১-768x494.jpg 768w, https://chtnews24.com/wp-content/uploads/2026/09/IMG_২০২৬০৯০৮_২০৫৬১১.jpg 900w" sizes="(max-width: 300px) 100vw, 300px" /></p>
<p>বাংলাদেশ স্বাস্থ্য সহকারী এ্যাসোসিয়েশন, খাগড়াছড়ি পার্বত্য জেলা শাখার সভাপতি মহিউদ্দিন পাটোয়ারী স্বাক্ষরিত অভিযোগে অভিযুক্ত দুই কর্মকর্তার বিরুদ্ধে তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা এবং তাদের খাগড়াছড়ি জেলা থেকে অন্যত্র বদলি বা প্রত্যাহারের দাবি জানানো হয়েছে।<br />
তবে অভিযোগগুলোর বিষয়ে অভিযুক্ত মঞ্জুরুল ইসলাম তালুকদার ও পুলক চক্রবর্তীর বক্তব্য তাৎক্ষণিকভাবে পাওয়া যায়নি। অভিযোগের সত্যতা যাচাইয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের তদন্তের পরই প্রকৃত তথ্য নিশ্চিত হওয়া সম্ভব।</p>
]]></content:encoded>
					
					<wfw:commentRss>https://chtnews24.com/2026/09/08/%e0%a6%96%e0%a6%be%e0%a6%97%e0%a6%a1%e0%a6%bc%e0%a6%be%e0%a6%9b%e0%a6%a1%e0%a6%bc%e0%a6%bf%e0%a6%a4%e0%a7%87-%e0%a6%a6%e0%a7%81%e0%a6%87-%e0%a6%b8%e0%a7%8d%e0%a6%af%e0%a6%be%e0%a6%a8%e0%a6%bf%e0%a6%9f/feed/</wfw:commentRss>
			<slash:comments>0</slash:comments>
		
		
			</item>
		<item>
		<title>মাদক চক্র নিয়ন্ত্রণে নারীরাও কারবার নিয়ন্ত্রণে বেশি কৌশলী নারী কারবারিরা</title>
		<link>https://chtnews24.com/2026/09/06/%e0%a6%ae%e0%a6%be%e0%a6%a6%e0%a6%95-%e0%a6%9a%e0%a6%95%e0%a7%8d%e0%a6%b0-%e0%a6%a8%e0%a6%bf%e0%a6%af%e0%a6%bc%e0%a6%a8%e0%a7%8d%e0%a6%a4%e0%a7%8d%e0%a6%b0%e0%a6%a3%e0%a7%87-%e0%a6%a8%e0%a6%be/</link>
					<comments>https://chtnews24.com/2026/09/06/%e0%a6%ae%e0%a6%be%e0%a6%a6%e0%a6%95-%e0%a6%9a%e0%a6%95%e0%a7%8d%e0%a6%b0-%e0%a6%a8%e0%a6%bf%e0%a6%af%e0%a6%bc%e0%a6%a8%e0%a7%8d%e0%a6%a4%e0%a7%8d%e0%a6%b0%e0%a6%a3%e0%a7%87-%e0%a6%a8%e0%a6%be/#respond</comments>
		
		<dc:creator><![CDATA[adminchtnews24]]></dc:creator>
		<pubDate>Sun, 06 Sep 2026 03:03:57 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[Second lead]]></category>
		<category><![CDATA[অপরাধ-অনুসন্ধান]]></category>
		<category><![CDATA[শিরোনাম]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://chtnews24.com/?p=38090</guid>

					<description><![CDATA[ডেস্ক রির্পোট:- ৃগাজীপুরের মাদক কারবার নিয়ে কথা উঠলে শুরুতেই আসে টঙ্গীর নাম। যোগাযোগব্যবস্থা ও ভৌগোলিক কারণে রাজধানীসংলগ্ন টঙ্গীর হাজীর মাজার, ব্যাংক মাঠ, কেরানীরটেক, এরশাদ নগরসহ সেখানকার বস্তিগুলো দেশের অন্যতম মাদকের হাট হয়ে উঠেছে। বস্তির খুপরি ও ঘিঞ্জি ঘরগুলো দেখে বোঝার উপায় নেই, প্রতিদিন এসব স্থানে কোটি কোটি টাকার মাদক বেচাকেনা হচ্ছে। আর মাদকের এই বিশাল [&#8230;]]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[<p>ডেস্ক রির্পোট:- ৃগাজীপুরের মাদক কারবার নিয়ে কথা উঠলে শুরুতেই আসে টঙ্গীর নাম। যোগাযোগব্যবস্থা ও ভৌগোলিক কারণে রাজধানীসংলগ্ন টঙ্গীর হাজীর মাজার, ব্যাংক মাঠ, কেরানীরটেক, এরশাদ নগরসহ সেখানকার বস্তিগুলো দেশের অন্যতম মাদকের হাট হয়ে উঠেছে।</p>
<p>বস্তির খুপরি ও ঘিঞ্জি ঘরগুলো দেখে বোঝার উপায় নেই, প্রতিদিন এসব স্থানে কোটি কোটি টাকার মাদক বেচাকেনা হচ্ছে। আর মাদকের এই বিশাল সাম্রাজের বেশির ভাগই নিয়ন্ত্রণ করেন মোমেনা বেগম, আফরিনা আক্তার, ময়না খাতুন, কুলসুম ও কারিমা বেগম—এই পাঁচ নারী মাদক মাদক কারবারি। মাদক সেবন করে অনেকের অকালমৃত্যু হয়েছে। আবার অনেকে ধন-সম্পদ খুইয়ে নিঃস্ব হলেও এই নারী মাদক কারবারিরা হয়ে উঠেছেন কোটিপতি।</p>
<p>টঙ্গীর বাইরে গাজীপুর মহানগরীর লক্ষ্মীপুরা এলাকার তাহমিনা ও আশা এবং কাশিমপুরের ডালিয়া বেগমও মাদক কারবার করে হয়ে উঠেছেন কোটিপতি। এই নারী মাদক কারবারিদের সহায়তায় কাজ করেন আরো শতাধিক নারী।</p>
<p>মোমেলা বেগম : টঙ্গীর কোটিপতি মাদক কারবারির একজন মোমেলা বেগম (৪৬)। তিনি টঙ্গীর ব্যাংক মাঠ বস্তির জাহাঙ্গীর আলমের স্ত্রী।</p>
<p>টঙ্গীর বড় পাইকারি মাদক কারবারিদের একজন তিনি। গাঁজা দিয়ে কারবার শুরু করলেও পরে দেশের সীমান্ত এলাকা থেকে মোমেলা বেগম ফেনসিডিলের বড় চালান আনতে শুরু করেন। এর সঙ্গে যুক্ত হয় হেরোইনের কারবার। আর সর্বশেষ তাঁর কারবার গড়ায় ইয়াবায়। কক্সবাজারের টেকনাফ থেকে সরাসরি ইয়াবা আনেন এমন ১৯টি মাদক মামলার আসামি তিনি।</p>
<p>মাদক কারবারিদের পুলিশের শীর্ষ তালিকায় রয়েছে মোমেলা বেগমের নাম। দেড় যুগের মাদক কারবারে মোমেলা গড়েছেন কোটি কোটি টাকার সম্পদ। টঙ্গীর ৪৭ নম্বর ওয়ার্ডের মরকুনের কুদ্দুস খলিফা সড়কে ‘জাহিদ হাসান ভিলা’ নামে রয়েছে তাঁর বহুতল বিলাসবহুল বাড়ি। একই ওয়ার্ডের শিলমুন পূর্বপাড়া যোগীবাড়ি সড়কে অর্ধকোটি টাকায় কিনেছেন আরো একটি বাড়ি। পুবাইলের করমতলা পূর্বপাড়া আবাসিক এলাকায় পৌনে চার কাঠা জমিতে রয়েছে তাঁর আধাপাকা আরেকটি বাড়ি। ব্যাংক মাঠ বস্তিতে রয়েছে একাধিক আধাপাকা ঘর। স্বামী জাহাঙ্গীর আলমকে কিনে দিয়েছেন চারটি মিনিট্রাক ও সিএনজি অটোরিকশা। মেয়েজামাই পুলিশের সোর্স হৃদয়কে কিনে দিয়েছেন ২০ লাখ টাকা দামের প্রাইভেট কার। এ ছাড়া টঙ্গী ও গাজীপুরের বিভিন্ন এলাকায় মোমেলার নামে-বেনামে রয়েছে কয়েক কোটি টাকার সম্পদ। একাধিক বাড়ি-গাড়ি থাকার পরও বস্তি ছাড়েননি মোমেলা। হয়েছেন বহুবার গ্রেপ্তার। সর্বশেষ গত বছরের ২ নভেম্বর ৪০০ ইয়াবা ও ৪০ গ্রাম হেরোইনসহ গ্রেপ্তার হন মোমেলা।</p>
<p>ময়না খাতুন : ব্যাংক মাঠ বস্তির আরেক নারী মাদক কারবারি ময়না খাতুন (৫৫)। তিনি কার্যক্রম নিষিদ্ধ মহিলা আওয়ামী লীগের স্থানীয় ৫৬ নম্বর ওয়ার্ডের যুগ্ম আহ্বায়ক। এক ডজন মামলার আসামি ময়না খাতুনের পুরো পরিবার মাদক কারবারে জড়িত। মেয়ে নার্গিস ও পুত্রবধূ রোজীর নামও রয়েছে শীর্ষ মাদক কারবারির তালিকায়। বিপুল মাদকসহ একাধিকবার র‌্যাব ও পুলিশের হাতে গ্রেপ্তার হন নার্গিস। ময়না খাতুনের ভাই শফিকুল ইসলাম টেকনাফ থেকে ইয়াবার চালান আনতে গিয়ে কক্সবাজার পুলিশের হাতে ছয় হাজার ইয়াবাসহ গ্রেপ্তারের পর দুই বছর জেল খেটে জামিনে বেরিয়ে এসে ফের রাজধানীর যাত্রাবাড়ী এলাকায় বিপুল ইয়াবাসহ গ্রেপ্তার হন। ময়না খাতুনের কাছ থেকে পাইকারি কিনে খুচরা বিক্রি করেন রানী (৪০) ও তাঁর ছেলে রাব্বানি (২৫)। ময়নার ছেলে তাজুল ইসলাম তাজুও মাদকের ডিলার। তাঁর বিরুদ্ধেও রয়েছে একাধিক মামলা। ময়না ও তাজুল মাদকের টাকায় গাজীপুর ও মাদারীপুরে গড়ে তুলেছেন কয়েক কোটি টাকার সম্পদ। টঙ্গীর শিলমুন জাম্বুরেরটেক এলাকায় তাজুল ইসলাম শ্বশুর সোলেমান ফরাজির নামে কিনেছেন ৮.৫৯ শতাংশ জমির ওপর নির্মিত একটি টিনশেড বাড়ি। মাদারীপুরের শিবচরের হিন্দুপাড়ায় রয়েছে কয়েক বিঘা জমি। বেশির ভাগ সম্পত্তিই তাজুল তাঁর স্ত্রী রোজীর নামে কিনেছেন বলে জানা গেছে।</p>
<p>আফরিনা আক্তার : টঙ্গীর আরেক শীর্ষ মাদক কারবারি আফরিনা আক্তার (৪০)। থাকেন টঙ্গীর ব্যাংক মাঠ বস্তিতে। তিনি ওই বস্তির জামাল হোসেনের স্ত্রী। এলাকায় তিনি পরিচিত ‘বড় আপা’ নামে। মাদক কারবারে তাঁকে সহযোগিতা করেন স্বামী জামাল ও ভাই শ্রাবণ। একসময় টঙ্গীর বড় পাইকারি ফেনসিডিল কারবারি ছিলেন তিনি। বর্তমানে বিক্রি করেন ইয়াবা। মাদকের টাকায় তিনিও কোটিপতি।</p>
<p>কুলসুম : টঙ্গীর কেরানীরটেক বস্তির শীর্ষ মাদক কারবারি কুলসুম (৩৫)। মাদক কারবারে তাঁর রয়েছে বিশাল বাহিনী। মাদক কারবার করে একসময়কার অতি দরিদ্র কুলসুমের ভাগ্য বদলে যায়। রেলওয়ের সরকারি জায়গা দখল করে কুলসুম এবং তাঁর বাহিনী গড়ে তুলেছে মাদক স্পট। কিনেছেন জমি, বিলাসবহুল বাড়ি ও গাড়ি। করছেন বিলাসী জীবন যাপন। গত জুলাই মাসে আট কেজি গাঁজাসহ তাঁর বোন নার্গিসকে আটক করে টঙ্গী পূর্ব থানার পুলিশ। কুলসুমের মাদক কারবারের অন্যতম সহযোগী তাঁর বোনের ছেলে রাকিব।</p>
<p>কারিমা বেগম : টঙ্গীর কেরানীরটেক বস্তির আরেক শীর্ষ মাদক কারবারি কারিমা বেগম (৩৫)। গত ১৮ জুলাই পুলিশের হাতে গ্রেপ্তার হন তিনি। মাদকের ডিলার কারিমার বিরুদ্ধে রয়েছে এক ডজন মাদক মামলা। দীর্ঘদিন মাদক কারবার করে গড়ে তুলেছেন একাধিক বহুতল ভবনসহ কোটি কোটি টাকার সম্পদ।</p>
<p>ডালিয়া : ছয়-সাত বছর আগেও অন্যের বাড়িতে ঝিয়ের কাজ করতেন গাজীপুর মহানগরীর কাশিমপুর নয়াপাড়ার কাঁঠালতলা মহল্লার ডালিয়া (৩৮)। তাঁর স্বামী ওয়াশিম চালাতেন রিকশাভ্যান। এখন ওই এলাকায় তাঁদের রয়েছে পাঁচটি বাড়ি। এর মধ্যে দুটি ছয়তলা, বাকিগুলো টিনশেড ভবন।</p>
<p>গাজীপুর মহানগর পুলিশের অতিরিক্ত কমিশনার মো. বেলায়াত হোসেন বলেন, ‘গাজীপুর মহানগরীতে ছোটবড় অনেকগুলো বস্তি রয়েছে, যেগুলোতে মাদক কারবার চলে। এই কারবার বন্ধে গত আট মাসে অসংখ্য অভিযান চালানো হয়েছে। অভিযানে বিপুল মাদকসহ ছোটবড় অনেক কারবারিকে আটক করা হয়েছে। কিছুদিন আগে বিদ্যুৎ লাইন বিচ্ছিন্ন এবং গত সোমবার বস্তির মাদকের আস্তানাগুলো রাজধানী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের (রাজউক) সহায়তায় উচ্ছেদ করে সরকারি জমি উদ্ধার করা হয়েছে। টঙ্গীকে মাদকমুক্ত করতে সব বস্তিতে পর্যায়ক্রমে অভিযান চালানো হবে।’</p>
]]></content:encoded>
					
					<wfw:commentRss>https://chtnews24.com/2026/09/06/%e0%a6%ae%e0%a6%be%e0%a6%a6%e0%a6%95-%e0%a6%9a%e0%a6%95%e0%a7%8d%e0%a6%b0-%e0%a6%a8%e0%a6%bf%e0%a6%af%e0%a6%bc%e0%a6%a8%e0%a7%8d%e0%a6%a4%e0%a7%8d%e0%a6%b0%e0%a6%a3%e0%a7%87-%e0%a6%a8%e0%a6%be/feed/</wfw:commentRss>
			<slash:comments>0</slash:comments>
		
		
			</item>
		<item>
		<title>ঘুরে বেড়াচ্ছেন ৫২ ফাঁসির আসামি</title>
		<link>https://chtnews24.com/2026/09/06/%e0%a6%98%e0%a7%81%e0%a6%b0%e0%a7%87-%e0%a6%ac%e0%a7%87%e0%a6%a1%e0%a6%bc%e0%a6%be%e0%a6%9a%e0%a7%8d%e0%a6%9b%e0%a7%87%e0%a6%a8-%e0%a7%ab%e0%a7%a8-%e0%a6%ab%e0%a6%be%e0%a6%81%e0%a6%b8%e0%a6%bf/</link>
					<comments>https://chtnews24.com/2026/09/06/%e0%a6%98%e0%a7%81%e0%a6%b0%e0%a7%87-%e0%a6%ac%e0%a7%87%e0%a6%a1%e0%a6%bc%e0%a6%be%e0%a6%9a%e0%a7%8d%e0%a6%9b%e0%a7%87%e0%a6%a8-%e0%a7%ab%e0%a7%a8-%e0%a6%ab%e0%a6%be%e0%a6%81%e0%a6%b8%e0%a6%bf/#respond</comments>
		
		<dc:creator><![CDATA[adminchtnews24]]></dc:creator>
		<pubDate>Sun, 06 Sep 2026 03:00:03 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[Second lead]]></category>
		<category><![CDATA[অপরাধ-অনুসন্ধান]]></category>
		<category><![CDATA[জাতীয়]]></category>
		<category><![CDATA[শিরোনাম]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://chtnews24.com/?p=38087</guid>

					<description><![CDATA[ডেস্ক রির্পোট:- কারাবিধি অনুযায়ী মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত যেসব আসামির কনডেম সেলে থাকার কথা, তাদের অনেকেই দুই বছরের বেশি সময় মুক্ত বাতাসে ঘুরে বেড়াচ্ছেন। মৃত্যুর বিভীষিকায় আচ্ছন্ন কারাগারের চার দেয়ালের বন্দিজীবনে না ফিরতে গাঢাকা দিয়ে রয়েছেন তারা। অথচ জেল পলাতক সেসব আসামির অনেকেরই এত দিনে ফাঁসি কার্যকর হওয়ার কথা। আবার অনেকের চরম উৎকণ্ঠায় ফাঁসির প্রহর গুনতে গুনতে সৃষ্টিকর্তার [&#8230;]]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[<p>ডেস্ক রির্পোট:- কারাবিধি অনুযায়ী মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত যেসব আসামির কনডেম সেলে থাকার কথা, তাদের অনেকেই দুই বছরের বেশি সময় মুক্ত বাতাসে ঘুরে বেড়াচ্ছেন। মৃত্যুর বিভীষিকায় আচ্ছন্ন কারাগারের চার দেয়ালের বন্দিজীবনে না ফিরতে গাঢাকা দিয়ে রয়েছেন তারা। অথচ জেল পলাতক সেসব আসামির অনেকেরই এত দিনে ফাঁসি কার্যকর হওয়ার কথা। আবার অনেকের চরম উৎকণ্ঠায় ফাঁসির প্রহর গুনতে গুনতে সৃষ্টিকর্তার কাছে পাপমোচনের দোয়া চাইতে থাকার কথা। স্বজন হারানো অনেক পরিবার শেষ সান্ত্বনা হিসেবে হয়তো দীর্ঘ বছর ধরে অপেক্ষা করছিল এসব আসামির মৃত্যুদণ্ডের সংবাদ পাওয়ার। কিন্তু এই আসামিরা কোথায় আছেন, কেউ দেশ থেকে পালিয়ে গেছেন কি না-এর সঠিক কোনো তথ্য নেই কারও কাছে। কারা সূত্র বলছে, একাধিক কারাগার থেকে পালিয়ে যাওয়া ৯৯ জন মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আসামির মধ্যে ৪৬ জন গ্রেপ্তার হয়েছেন। ৫২ জন এখনো ধরাছোঁয়ার বাইরে রয়েছেন।</p>
<p>জানা গেছে, পলাতক মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আসামিদের কেউ হত্যাকাণ্ডের মামলার আসামি, কেউ সংঘবদ্ধ অপরাধে জড়িত, আবার কারও বিরুদ্ধে রয়েছে জঙ্গিবাদের অভিযোগ। নারায়ণগঞ্জের আড়াইহাজারের ছোট কাজরা গ্রামের তারা মিয়ার ছেলে মো. মোয়াজ্জেম হোসেন (৩০) তেমনি একজন। গণ অভ্যুত্থানের সময় গাজীপুরের কাশিমপুর হাই সিকিউরিটি কেন্দ্রীয় কারাগারে সংঘটিত দাঙ্গা, ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগের ঘটনায় তিনি অন্যান্য বন্দিদের সঙ্গে কারাগারের দেয়াল টপকে পালিয়ে যান। রাজধানীর মতিঝিলের একটি হত্যা মামলায় মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত ছিলেন তিনি। প্রায় দুই বছর মুক্ত বাতাসে ঘোরার পর তাকে গ্রেপ্তার করে কারাগারে ফেরত পাঠানো হয়।</p>
<p>একই কারাগার থেকে পালিয়েছিলেন গোপালগঞ্জের আব্দুল্লাহ শিকদার। সুদের টাকা আদায়কে কেন্দ্র করে প্রতিবেশীকে হাতুড়িপেটা ও পরে কুপিয়ে হত্যার দায়ে আব্দুল্লাহ এবং তার তিন সহযোগীকে মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হয়। রায়ের পর ২০২৩ সালের ডিসেম্বর থেকে তাকে রাখা হয়েছিল হাই সিকিউরিটি কারাগারে। আব্দুল্লাহ শিকদারও গ্রেপ্তার হয়েছে। তবে যারা পলাতক রয়েছে তারা মোয়াজ্জেম ও আব্দুল্লাহ শিকদারের চেয়েও দুর্ধর্ষ। সংশ্লিষ্টরা বলছেন, পলাতকদের অনেকে ভুয়া পরিচয় ব্যবহার করছেন, নিয়মিত অবস্থান বদলাচ্ছেন এবং আত্মগোপনে থাকতে নানা কৌশল অবলম্বন করছেন। তাই তাদের খুঁজে বের করা সময়সাপেক্ষ হয়ে উঠেছে।</p>
<p>তদন্তে পাওয়া তথ্য এবং কারা অধিদপ্তরের হিসাব বলছে, ’২৪-এর জুলাই-আগস্টের সেই অস্থির সময়ে দেশের অন্তত ১৭টি কারাগারে হামলা, ভাঙচুর, অগ্নিসংযোগ কিংবা বিদ্রোহের ঘটনা ঘটে। কোথাও বাইরের হামলায় নিরাপত্তা ভেঙে পড়ে, কোথাও আবার ভিতরের অস্থিরতা পরিস্থিতিকে আরও জটিল করে তোলে। এই ধারাবাহিক ঘটনার সুযোগে কারাগার থেকে পালিয়ে যায় দুই হাজারের বেশি বন্দি। তাদের মধ্যে ছিলেন মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আসামি, জঙ্গি, শীর্ষ সন্ত্রাসী এবং বিভিন্ন গুরুতর অপরাধে দণ্ডিত বন্দিরা। অর্থাৎ যাদের সমাজের জন্য সবচেয়ে বেশি ঝুঁকিপূর্ণ বলে বিবেচনা করা হয়, তাদের একটি অংশই কারাগারের বাইরে চলে যায়।</p>
<p>কারা অধিদপ্তর সূত্র জানিয়েছে, সেই সময় ২ হাজার ২৪৭ জন বন্দি পালিয়ে যান। যাদের মধ্যে ৬৯০ জন এখনো ধরাছোঁয়ার বাইরে রয়েছেন। নরসিংদী কারাগার থেকে পালিয়ে যাওয়া ৮২৬ জন বন্দির মধ্যে ১৬৬ জনের কোনো পরিচয় বা নথিপত্র কারা কর্তৃপক্ষের কাছে নেই। এ ছাড়া বিভিন্ন কারাগার থেকে নয়জন জঙ্গি সদস্য পালিয়ে গিয়েছিলেন। তাদের মধ্যে ছয়জনকে পরবর্তীতে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী গ্রেপ্তার করতে সক্ষম হলেও তিনজন পলাতক রয়েছেন। আর এখনো যারা পলাতক মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত দুর্ধর্ষ ৫২ জনের অবস্থান কোথায়, সেই প্রশ্নের সঠিক উত্তর নেই। তাদের কেউ কেউ ফাঁসি কার্যকর হওয়ার ভয়ে দেশ ছেড়েছেন বলে ধারণা করছে সংশ্লিষ্টরা। জানা গেছে, ২০২৪ সালের ৬ আগস্ট কাশিমপুর হাই সিকিউরিটি কারাগার থেকে পালিয়ে যায় ২০২ জন বন্দি। তাদের মধ্যে ৮৮ জনই ছিলেন মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আসামি।</p>
<p>সংশ্লিষ্ট সূত্র আরও জানিয়েছে, কারাগার থেকে পালানো বন্দিদের মধ্যে ৯৮ জন ছিলেন জঙ্গি সম্পৃক্ততার অভিযোগে অভিযুক্ত। এদের মধ্যে সাজাপ্রাপ্ত ৯ জনের চারজন ছিলেন মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত। পরে ২৮ জনকে গ্রেপ্তার করা গেলেও বাকি ৭০ জনের কোনো হদিস মেলেনি। এ ছাড়া ৫ আগস্টের পর জামিন পাওয়া ৩৮০ জনও আদালতে হাজিরা দিচ্ছেন না। অ্যান্টি টেররিজম ইউনিটের (এটিইউ) তথ্য অনুযায়ী, জেএমবির ১৮৫ জন, আনসার আল ইসলামের ৮৩ জন, হিযবুত তাহ্রীরের ৫৯ জন, হুজি-বির ১৬ জন, নব্য জেএমবির ১৬ জন, আল্লাহর দলের ৯ জন, জামাআতুল আনসার ফিল হিন্দাল শারক্বীয়ার ১ জন এবং ইমাম মাহমুদের কাফেলার একজন সদস্য পলাতক রয়েছেন। সম্প্রতি দেশের বিভিন্ন জায়গায় বোমা উদ্ধারের ঘটনায় জামিনে বের হওয়া ও জেল পলাতক কয়েক জঙ্গির সংশ্লিষ্টতা পেয়েছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী। যা জঙ্গিবাদ নিয়ে নতুন করে উদ্বেগ ছড়াচ্ছে।</p>
<p>কারা অধিদপ্তর সূত্র আরও জানায়, জুলাই আন্দোলনের সময় বিভিন্ন কারাগার থেকে লুট হয় ৮৫টি আগ্নেয়াস্ত্র এবং ৮ হাজার ১৫ রাউন্ড গুলি। পরে ৫৮টি আগ্নেয়াস্ত্র উদ্ধার করা হয়। এখনো উদ্ধার হয়নি ২৭টি অস্ত্র এবং ৬ হাজার ৩৫২ রাউন্ড গুলি।</p>
<p>অপরাধ বিশ্লেষক ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সহযোগী অধ্যাপক ড. তৌহিদুল হক বলেন, অধরা থাকা জেল পালানো আসামিদের গ্রেপ্তার করে কারাগারে ফেরানোর বিষয়ে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর কার্যকর পদক্ষেপ দেখছি না। কারণ যে যত বড় অপরাধী সে তত গোপনে থাকার চেষ্টা করবে। অনেকে জেল থেকে পালানোর পরই দেশ ছেড়েছে বলে ধারণা করা হয়। আবার অনেকে আত্মগোপন অবস্থায় অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডের নেতৃত্ব দিচ্ছে। তিনি আরও বলেন, এই বন্দিরা যত দিন বাইরে থাকবে তত দিন আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ে উদ্বেগ কাটবে না। সেই সঙ্গে সবাইকে ফেরানো না গেলে একটি খারাপ উদাহরণ তৈরি হবে। ভবিষ্যতে গণ অভ্যুত্থ্যান বা জনগনের কোনো আন্দোলনে একই পরিস্থিতি আসলে একই ঘটনা ঘটার সম্ভাবনা থাকবে।</p>
<p>সাবেক আইজিপি মুহাম্মদ নুরুল হুদা বলেন, কারাগার থেকে পালানোর পর আইনশৃঙ্খলা বাহিনী অনেককেই গ্রেপ্তার করেছে। তবে সময়ের সঙ্গে অন্য কাজও অনেক বেড়ে গেছে। এতে অনেক বন্দি এখনো গ্রেপ্তার হয়নি। এদের গ্রেপ্তারের বিষয়টি সর্বোচ্চ অগ্রাধিকারের মধ্যে থাকা উচিত। এক্ষেত্রে গণমাধ্যমকে কাজে লাগালে সবচেয়ে বেশি কাজে দিতে পারে। একই সঙ্গে অভিযান আরও জোরদার করতে হবে। কারা অধিদপ্তরের এআইজি (মিডিয়া) মাসুদ হাসান জুয়েল বলেন, বন্দি পালানোর ঘটনার পরেই আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হয়। সে অনুযায়ী আইনশৃঙ্খলা বাহিনী কাজ করছে। স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মিটিংয়ে কারা অধিদপ্তরের পক্ষ থেকে নিয়মিতই হালনাগাদ তথ্য তুলে ধরা হয়। পুলিশও তাদের তৎপরতার তথ্য তুলে ধরে। পুলিশের ভাষ্য হচ্ছে, পলাতক দুর্ধর্ষ বন্দিরা বারবার অবস্থান বদল করায় তারা সবাইকে গ্রেপ্তার করতে পারছে না।</p>
<p>পুলিশ সদর দপ্তরের অতিরিক্ত আইজিপি (ক্রাইম অ্যান্ড অপারেশন্স) খোন্দকার রফিকুল ইসলাম বলেন, কারাগার থেকে বন্দিরা পালানোর পর থেকেই এন্টি টেররিজম ইউনিটকে (এটিইউ) বিশেষভাবে নির্দেশনা দেওয়া হয়েছিল। সংস্থাটি শুরু থেকেই নিবেদিতপ্রাণ হয়ে বন্দি গ্রেপ্তারে কাজ করছে। অনেককে গ্রেপ্তারও করেছে। শুধু এটিইউ নয়, অন্য সংস্থাও বন্দিদের গ্রেপ্তার করছে। যারা এখনো অধরা রয়েছে তাদের গ্রেপ্তারে নিয়মিতই কঠোর নির্দেশনা দেওয়া হচ্ছে। বাংলাদেশ প্রতিদিন</p>
]]></content:encoded>
					
					<wfw:commentRss>https://chtnews24.com/2026/09/06/%e0%a6%98%e0%a7%81%e0%a6%b0%e0%a7%87-%e0%a6%ac%e0%a7%87%e0%a6%a1%e0%a6%bc%e0%a6%be%e0%a6%9a%e0%a7%8d%e0%a6%9b%e0%a7%87%e0%a6%a8-%e0%a7%ab%e0%a7%a8-%e0%a6%ab%e0%a6%be%e0%a6%81%e0%a6%b8%e0%a6%bf/feed/</wfw:commentRss>
			<slash:comments>0</slash:comments>
		
		
			</item>
		<item>
		<title>নিজ বাসার সামনেই পুলিশের এসআইকে পিটিয়ে হত্যা</title>
		<link>https://chtnews24.com/2026/09/06/%e0%a6%a8%e0%a6%bf%e0%a6%9c-%e0%a6%ac%e0%a6%be%e0%a6%b8%e0%a6%be%e0%a6%b0-%e0%a6%b8%e0%a6%be%e0%a6%ae%e0%a6%a8%e0%a7%87%e0%a6%87-%e0%a6%aa%e0%a7%81%e0%a6%b2%e0%a6%bf%e0%a6%b6%e0%a7%87%e0%a6%b0/</link>
					<comments>https://chtnews24.com/2026/09/06/%e0%a6%a8%e0%a6%bf%e0%a6%9c-%e0%a6%ac%e0%a6%be%e0%a6%b8%e0%a6%be%e0%a6%b0-%e0%a6%b8%e0%a6%be%e0%a6%ae%e0%a6%a8%e0%a7%87%e0%a6%87-%e0%a6%aa%e0%a7%81%e0%a6%b2%e0%a6%bf%e0%a6%b6%e0%a7%87%e0%a6%b0/#respond</comments>
		
		<dc:creator><![CDATA[adminchtnews24]]></dc:creator>
		<pubDate>Sun, 06 Sep 2026 02:40:17 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[Second lead]]></category>
		<category><![CDATA[অপরাধ-অনুসন্ধান]]></category>
		<category><![CDATA[বাংলাদেশ]]></category>
		<category><![CDATA[শিরোনাম]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://chtnews24.com/?p=38063</guid>

					<description><![CDATA[ডেস্ক রির্পোট:- গাড়ি রাখাকে কেন্দ্র করে নিজ বাসার সামনেই আলতাফ হোসেন নামে পুলিশের (স্পেশাল ব্রাঞ্চ) এক এসআই&#8217;কে পিটিয়ে হত্যা করা হয়েছে। শনিবার রাত সাড়ে ৮টার দিকে সাভারের আমিনবাজার ইউনিয়নের বড়দেশী এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। এসময় আলতাফের ছোট ছেলে আরিফুল ইসলামও (২৬) গুরুতর আহত হয়েছেন। নিহত আলতাফ সিরাজগঞ্জের এনায়েতপুর থানার সাধুপাড়া গ্রামের প্রয়াত জুরাইন আলী শেখের [&#8230;]]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[<p>ডেস্ক রির্পোট:- গাড়ি রাখাকে কেন্দ্র করে নিজ বাসার সামনেই আলতাফ হোসেন নামে পুলিশের (স্পেশাল ব্রাঞ্চ) এক এসআই&#8217;কে পিটিয়ে হত্যা করা হয়েছে। শনিবার রাত সাড়ে ৮টার দিকে সাভারের আমিনবাজার ইউনিয়নের বড়দেশী এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। এসময় আলতাফের ছোট ছেলে আরিফুল ইসলামও (২৬) গুরুতর আহত হয়েছেন। নিহত আলতাফ সিরাজগঞ্জের এনায়েতপুর থানার সাধুপাড়া গ্রামের প্রয়াত জুরাইন আলী শেখের ছেলে।</p>
<p>বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন সাভার মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সাইফুল আলম। ওসি বলেন, নিহত আলতাফ হোসেন রাজধানীর মালিবাগ জোনে পুলিশের স্পেশাল ব্রাঞ্চের এসআই পদে কর্মরত ছিলেন। তিনি সাভারের আমিনবাজার বড়দেশী এলাকায় ভাড়া বাসায় বসবাস করতেন। শনিবার বড়দেশি মদিনা হাউজিং এলাকায় গেঞ্জি ফ্যাক্টরির সামনে একটি প্রাইভেট কার রাখাকে কেন্দ্র করে ১০-১৫ জনের হামলার শিকার হন পুলিশ সদস্য আলতাফ ও তার ছোট ছেলে আরিফ।<br />
পরে তাদের রাত সাড়ে ৯টার দিকে সোহরাওয়ার্দী হাসপাতালে নেওয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসকরা বলেন, হাসপাতালে আসার আগেই আলতাফ হোসেনের মৃত্যু হয়েছে।</p>
<p>বিষয়টি নিয়ে ঢাকা জেলা পুলিশ সুপার শামীমা পারভীন বলেন, একটি প্রাইভেট কার রাখা নিয়ে দুই পক্ষের ঝামেলা মেটাতে গিয়ে নিজ বাসার পাশেই হামলার শিকার হন এসআই আলতাফ ও তার ছেলে। এ ঘটনায় জড়িতদের গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে।</p>
]]></content:encoded>
					
					<wfw:commentRss>https://chtnews24.com/2026/09/06/%e0%a6%a8%e0%a6%bf%e0%a6%9c-%e0%a6%ac%e0%a6%be%e0%a6%b8%e0%a6%be%e0%a6%b0-%e0%a6%b8%e0%a6%be%e0%a6%ae%e0%a6%a8%e0%a7%87%e0%a6%87-%e0%a6%aa%e0%a7%81%e0%a6%b2%e0%a6%bf%e0%a6%b6%e0%a7%87%e0%a6%b0/feed/</wfw:commentRss>
			<slash:comments>0</slash:comments>
		
		
			</item>
		<item>
		<title>এত শিশু গেল কোথায়!</title>
		<link>https://chtnews24.com/2026/09/05/%e0%a6%8f%e0%a6%a4-%e0%a6%b6%e0%a6%bf%e0%a6%b6%e0%a7%81-%e0%a6%97%e0%a7%87%e0%a6%b2-%e0%a6%95%e0%a7%8b%e0%a6%a5%e0%a6%be%e0%a6%af%e0%a6%bc/</link>
					<comments>https://chtnews24.com/2026/09/05/%e0%a6%8f%e0%a6%a4-%e0%a6%b6%e0%a6%bf%e0%a6%b6%e0%a7%81-%e0%a6%97%e0%a7%87%e0%a6%b2-%e0%a6%95%e0%a7%8b%e0%a6%a5%e0%a6%be%e0%a6%af%e0%a6%bc/#respond</comments>
		
		<dc:creator><![CDATA[adminchtnews24]]></dc:creator>
		<pubDate>Sat, 05 Sep 2026 04:48:12 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[Second lead]]></category>
		<category><![CDATA[অপরাধ-অনুসন্ধান]]></category>
		<category><![CDATA[চট্রগ্রাম]]></category>
		<category><![CDATA[জাতীয়]]></category>
		<category><![CDATA[বিশেষ প্রতিবেদন]]></category>
		<category><![CDATA[শিরোনাম]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://chtnews24.com/?p=38053</guid>

					<description><![CDATA[ডেস্ক রির্পোট:- বাবা-মায়ের সঙ্গে পুরান ঢাকার লালবাগে থাকত সাত বছরের শিশু জোনায়েদ হাসান সকাল। ২০১৮ সালের ২১ জানুয়ারি বিকালে বাসাসংলগ্ন খান মোহাম্মদ মসজিদের সামনে অন্য শিশুদের সঙ্গে খেলা করছিল সে। এ সময় লাল শার্ট পরা এক ব্যক্তি তাকে মোবাইলে গেমস খেলার কথা বলে সঙ্গে নিয়ে যায়। সিসি ক্যামেরা ফুটেজে রিকশায় করে সকালকে নিয়ে যাওয়ার ভিডিও [&#8230;]]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[<p>ডেস্ক রির্পোট:- বাবা-মায়ের সঙ্গে পুরান ঢাকার লালবাগে থাকত সাত বছরের শিশু জোনায়েদ হাসান সকাল। ২০১৮ সালের ২১ জানুয়ারি বিকালে বাসাসংলগ্ন খান মোহাম্মদ মসজিদের সামনে অন্য শিশুদের সঙ্গে খেলা করছিল সে। এ সময় লাল শার্ট পরা এক ব্যক্তি তাকে মোবাইলে গেমস খেলার কথা বলে সঙ্গে নিয়ে যায়। সিসি ক্যামেরা ফুটেজে রিকশায় করে সকালকে নিয়ে যাওয়ার ভিডিও ফুটেজও প্রকাশিত হয়। সেখানে দেখা যায়, লাল শার্টের ব্যক্তি একটি রিকশায় যাচ্ছেন। পাশের অপর একটি রিকশায় দুই ব্যক্তির মাঝে বসিয়ে সকালকে নিয়ে যাওয়া হচ্ছে।</p>
<p>এ ঘটনায় সকালের পাগলপ্রায় বাবা-মা ওইদিনই থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেন। এরপর একে একে কেটে গেছে আটটি বছর। জিডি করার পর অসংখ্যবার থানায় গেছেন সকালের মা মুক্তা আক্তার ও বাবা ইসমাইল হাসান রাজন। এখনো বিভিন্ন জায়গায় দেয়ালজুড়ে পোস্টার লাগিয়ে যাচ্ছেন। বিভিন্নভাবে করে যাচ্ছেন ডিজিটাল প্লাটফর্মগুলোতে প্রচারণা। কিন্তু সকালের খোঁজ মেলেনি আজও। সকাল বেঁচে আছেন নাকি মারা গেছে তা-ও জানে না কেউ। বেঁচে থাকলে নয়নের মণি সন্তান দেখতে কেমন হয়েছেন- তা দেখার প্রতীক্ষায় আছেন বাবা-মা।</p>
<p>খুলনার কয়রার ঘুঘরাকাটি এলাকার মো. শাহ আলম ও মোছা. বিলকিছ পারভীনের মেয়ে মো. সামিরা খাতুন (৫)। গত বছরের ২৬ আগস্ট ঘুঘরাকাটি বাজারে চাচার চায়ের দোকানে যায়। বিকালে বিলকিছ পারভীন ওই বাজারে গিয়ে মেয়ে সামিরাকে দেখতে পেয়ে বাড়ি চলে যেতে বলেন। নিজের কাজ শেষ করে বাড়ি ফিরে দেখেন সামিরা নেই। মাইকিং থেকে শুরু করে খোঁজ পেতে সবকিছুই করেন। কিন্তু সামিরাকে আর পাওয়া যায়নি। নিখোঁজের পরের দিন কয়রা থানায় জিডি (নম্বর-১১৪৫) করেন। এতেও কোনো ফল মেলেনি।</p>
<p>শুধু সকাল আর সামিরাই নয়- সারা দেশে প্রতি মাসে শিশু নিখোঁজের হাজারো ঘটনা ঘটছে। তাদের সন্ধান পেতে ভিটেমাটি বিক্রি করে নিঃস্ব হচ্ছে অনেক পরিবার। এদিকে সারা দেশে দায়ের হওয়া শিশু নিখোঁজ জিডির কিছু শিশুর সন্ধান মিললেও হদিস মিলছে না অনেকেরই। তাদের শেষ পরিণতি কী হয়েছে, বেঁচে আছে নাকি মারা গেছে, নাকি কোনো পাচারকারী চক্রের খপ্পরে পড়ে অন্য কোনো দেশে বিক্রি হয়ে গেছে- এসব প্রশ্নেরও কোনো সুরাহা হয়নি।</p>
<p>তবে সম্প্রতি সময়ে শিশু নিখোঁজের বিষয়টি উদ্বেগ ছড়ানোয় নড়েচড়ে বসেছে পুলিশ সদর দপ্তর। সারা দেশে সব থানায় কঠোর বার্তা দেওয়া হয়েছে। নিখোঁজ জিডি গুরুত্বসহকারে তদন্ত করে কার্যকর ব্যবস্থা নিতে বলা হয়েছে। কিন্তু এখন পর্যন্ত ঠিক কতজন শিশু নিখোঁজ রয়েছে- তার কোনো সুনির্দিষ্ট পরিসংখ্যান নেই পুলিশের কাছে। তবে গত ৭ মাসে নিখোঁজদের মধ্যে ২ হাজার ৩৮ শিশুর হদিস মিলছে না বলে জানিয়েছে পুলিশ সদও দপ্তর। শুধু এই ৭ মাসের হিসাবেই শিশুদের ভয়ংকর এই পরিণতির ইঙ্গিত মিলেছে।</p>
<p>সক্রিয় আন্তর্জাতিক পাচারকারী চক্র : গতবছরের ২৩ মে গাজীপুরের টঙ্গী এরশাদনগর এলাকা থেকে অপহরণের শিকার হয় আলিফ নামে সাড়ে ৪ বছরের শিশু। ৫ দিন পর ঝিনাইদহ থেকে উদ্ধার হয় আলিফ। এ ঘটনায় তাহমিনা, আলামিন ও কালাম নামে ৩ জন গ্রেপ্তার হয়। তাহমিনা বোরখা পড়ে আলিফকে অপহরণ করেছিল। পরে তাদের জিজ্ঞাসাবাদে পুলিশ জানতে পারে, আলিফকে ভারতে পাচার করা হচ্ছিল। এরই মধ্যে বিক্রির সব প্রস্তুতি সম্পন্নও করে ফেলেছিল। কিন্তু অল্পের জন্য সেটি হয়নি। ২০২২ সালে বাবা-মায়ের ঝগড়া করে বাড়ি থেকে চলে যান নোয়াখালী সদরের কালাদরাপ ইউনিয়নের উত্তর শুল্লুকিয়া গ্রামের পলি। তখন সে অষ্টম শ্রেণিতে পড়ত। পরিবারের প্রতি রাগকে কাজে লাগিয়ে তাকে আমিরাতে পাচার করে একটি চক্র। পরে তাকে দেশে ফেরত আনে ব্র্যাকের মাইগ্রেশন প্রোগ্রাম।</p>
<p>শুধু আলিফ ও পলি নয়- নিখোঁজ অনেক শিশুকেই ভারত ও থাইল্যান্ডসহ বিভিন্ন দেশে পাচার হচ্ছে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে। গত ২৭ ফেব্রুয়ারি পাচারের শিকার ২৮ শিশুকে বাংলাদেশে হস্তান্তর করে ভারত সরকার। গত ১৩ মে ভারত সরকারের মাধ্যমে ফেরত আসে ২০ শিশু। ব্র্যাক মাইগ্রেশন প্রোগ্রামের সহযোগী পরিচালক ও ব্র্যাক ইয়ুথ প্ল্যাটফর্মের প্রধান শরিফুল ইসলাম হাসান বলেন, ২০১৫ সাল থেকে ২০২২ সাল পর্যন্ত ৬৩০ জন শিশু পাচারের তথ্য আমরা পেয়েছি।</p>
<p>চাইল্ড পর্নোগ্রাফি বিস্তারে অপহরণ ঝুঁকি বাড়ছে : পথশিশুদের দিয়ে পর্নোগ্রাফি বানানো অভিযোগে ২০২৪ সালে গ্রেপ্তার হন আন্তর্জাতিক শিশু পর্নোগ্রাফি চক্রের সদস্য শিশুসাহিত্যিক টিআই এম ফখরুজ্জামান ওরফে টিপু কিবরিয়া। একই অভিযোগে ২০১৪ সালে গ্রেপ্তার হয়ে ৭ বছর জেল খেটেছিলেন তিনি। তার কাছে ইতালি, অস্ট্রেলিয়া ও জার্মানিসহ অনেক দেশের গ্রাহকদের ২৫ হাজার শিশু পর্নোগ্রাফির ছবি ও ১ হাজার ভিডিও পাঠানোর তথ্য পায় সিটিটিসি। কিবরিয়া শুধু পথশিশুদের টার্গেট করলেও আন্তর্জাতিক চক্র অন্য শিশুদেরও টার্গেট করছে বলে জানিয়েছে গোয়েন্দা সূত্র। একাধিক সূত্র বলছে, ডার্ক ওয়েবে শিশু পর্নোগ্রাফির চাহিদা দিনদিন বাড়ছে। এজন্য শিশুদের পাচারের উদ্দেশ্যে টার্গেট করছে চক্র।</p>
<p>মুন এলার্টে বাড়ছে নিখোঁজের অভিযোগ : নিখোঁজ শিশুদের সন্ধানে কাজ করা মুন অ্যালার্টের (মিসিং আর্জেন্ট নোটিফিকেশন) প্রতিষ্ঠাতা সাদাত রহমান বলেন, ‘বৈশ্বিকভাবে অপরাধী চক্রের কাছে শিশুদের চাহিদা বাড়ছে। এতে করে নিঃসন্দেহে শিশু পাচার বাড়ছে। কেন্দ্রীয় ডাটাবেজ থাকলে বাড্ডায় ছেলে ধরা গুজবে রেনু নামে নারীর মতো আর কারও প্রাণহানিও ঘটবে না।’ তিনি আরও বলেন, ‘ইন্টারপোলের বিভিন্ন এলার্ট আছে। যেমন দাগি আসামিদের ক্ষেত্রে রেড এলার্ট সম্পর্কে আমরা পরিচিত। কিন্তু শিশু পাচার ঠেকাতে ইয়োলো এলার্ট আমরা দেখি না। অন্যদেশ ঠিকই ইয়োলো এলার্ট ব্যবহার করছে। এজন্য সরকারের পৃষ্ঠপোষকতা ও সংশ্লিষ্ট সবার সহযোগিতা দরকার। তাহলে শিশু পাচার ও সন্ধানে আরও সুবিধা হবে।’ সাদাত রহমান আরও জানান, গত ৬ মাসে তারা ১ হাজার ১৪৮ অভিযোগ পান। যার মধ্যে ৬৩০টি আমলে নেওয়ার মতো ছিল। সেগুলো ভেরিফিকেশন করে ১৫৬ শিশুর সন্ধান চেয়ে অ্যালার্ট দেওয়া হয়। মুন এলার্টে দিনদিন অভিযোগের সংখ্যা বাড়ছে বলে জানান তিনি।</p>
<p>শেল্ডার হাউসে ঠাঁই হয় অনেক শিশুর : গত বুধবার বিজ্ঞপ্তি দিয়ে আরিয়ান নামে ৭ বছরের এক ছেলে শিশুর সন্ধান চায় ডিএমপির ভিকটিম সাপোর্ট সেন্টার। বিজ্ঞপ্তিতে ছবি যুক্ত করে জানানো হয়, গত ১ সেপ্টেম্বর মেরুল বাড্ডা বৌদ্ধমন্দির এলাকায় একা বসে থাকতে দেখে পথচারীরা তাকে বাড্ডা থানা পুলিশের নিকট নিয়ে আসে। বিজ্ঞপ্তি দেখে বৃহস্পতিবার গভীর রাতে শিশুটির বাবা দুলু মিয়া ভিকটিম সাপোর্ট সেন্টারে গিয়ে ছেলেকে বুঝে নেন। আরিয়ান ঘরে ফিরলেও অনেক শিশুই আর ঘরে ফিরতে পারে না। এর প্রধান কারণ ঠিকমতো ঠিকানা বলতে না পারা বা যে ঠিকানা বলে সেখানে কাউকে না পাওয়া। এ বিষয়ে ডিএমপির উইমেন সাপোর্ট অ্যান্ড ইনভেস্টিগেশন বিভাগের ডিসি মোছা. লিজা বেগম বলেন, নিখোঁজ কোনো শিশু উদ্ধারের পর আমাদের ভিকটিম সাপোর্ট সেন্টারে আসলে পরিচয় শনাক্তে বা পরিবারে ফিরিয়ে দিতে সব ধরনের আইনগত চেষ্টা করা হয়। এর পরও পরিচয় পাওয়া না গেলে আদালতের নির্দেশে বিভিন্ন শেল্টার হাউসে পাঠানো হয়। বর্তমানে ঢাকার বিশ্বস্ত কিছু শেল্টার হাউসে এমন শিশু আসে। নিয়মিতই আমরা ওই শিশুদের খোঁজ নিয়ে থাকি।</p>
<p>নারী ও শিশু ডেস্কের তৎপরতা বাড়াতে হবে : অপরাধ বিশ্লেষক ঢাকা বিশ্বদ্যিালয়ের সহযোগী অধ্যাপক ড. তৌহিদুল হক বলেন, যেসব শিশু নিখোঁজ হয়- তাদের অনেকেই অপহরণের শিকার হচ্ছে। বিশেষ করে আন্তর্জাতিক শিশু পাচারকারী চক্র এখনো সক্রিয় রয়েছে। অনেক শিশুকে পর্নোগ্রাফি তৈরি, অঙ্গপ্রতঙ্গ বিক্রি, মাদক পাচারকারী হিসেবে ব্যবহার অথবা গ্যাং সদস্য হিসেবে গড়ে তুলতে কেনা নেওয়া হচ্ছে। এক্ষেত্রে পরিবারের অসচেতনতা ও পুলিশের গাফিলতিও আছে। তবে বেশির ভাগ পরিবার এমন সময়ে অভিযোগ করতে যান, যখন আর পুলিশের কিছু করার থাকে না, এটাও সত্য। কারণ পাচার চক্র ৪-৫ ঘণ্টার মধ্যে নিজেদের বলয়ের এলাকায় চলে যায়। এজন্য শিশু নিখোঁজ হলে নিজে না খুঁজে আগে পুলিশকে জানাতে হবে। প্রতি থানায় নারী ও শিশু ডেস্ক রয়েছে। এই ডেস্ককে আরও তৎপর ও কার্যকর করতে হবে। যাতে কোনো অভিযোগ পেলে সঙ্গে সঙ্গে আশপাশের থানার সমন্বয়ে কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া যায়।</p>
<p>থানাকে গুরুত্ব দিয়ে তদন্তের নির্দেশ : পুলিশ সদর দপ্তরের অতিরিক্ত আইজিপি (ক্রাইম অ্যান্ড অপারেশন্স) খোন্দকার রফিকুল ইসলাম বলেন, শিশু নিখোঁজের বিষয়টি উদ্বেগ ছড়ানোর পর জরুরি মিটিং ডেকে সব থানায় কঠোর বার্তা পাঠানো হয়েছে। যেসব শিশু নিখোঁজ জিডি নিষ্পত্তি হয়নি- সেগুলো সম্পর্কে নতুন করে খোঁজ নিতে বলা হয়েছে। সব থানার আপডেট তথ্য তৈরি হলে সঠিক পরিসংখ্যান সামনে আসবে। তবে জিডির পরিসংখ্যান দেখে যতটা উদ্বেগ ছড়িয়েছে বাস্তব চিত্র তেমন নয়। তিনি আরও বলেন, নিখোঁজ জিডি হলে সেটি গুরুত্বসহকারে তদন্তের নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।</p>
<p>উল্লেখ্য, গত বৃহস্পতিবার পুলিশ সদর দপ্তর বিজ্ঞপ্তিতে জানিয়েছে, শিশু নিখোঁজের বিষয়ে ২০২৩ সালে ১৭ হাজার ৮০৮টি, ২০২৪ সালে ১৬ হাজার ৪১৪ এবং গত বছর ২২ হাজার ৫৫টি জিডি হয়েছে সারা দেশে। চলতি বছরের ৭ মাসসহ ৪৩ মাসে ৭২ হাজার ৪৮৯টি শিশু নিখোঁজের জিডি হয়েছে। বাংলাদেশ প্রতিদিন</p>
]]></content:encoded>
					
					<wfw:commentRss>https://chtnews24.com/2026/09/05/%e0%a6%8f%e0%a6%a4-%e0%a6%b6%e0%a6%bf%e0%a6%b6%e0%a7%81-%e0%a6%97%e0%a7%87%e0%a6%b2-%e0%a6%95%e0%a7%8b%e0%a6%a5%e0%a6%be%e0%a6%af%e0%a6%bc/feed/</wfw:commentRss>
			<slash:comments>0</slash:comments>
		
		
			</item>
		<item>
		<title>অনিয়ম–দুর্নীতির অভিযোগ,আসিফ মাহমুদসহ ৪ জনের বিরুদ্ধে দুদকের অনুসন্ধান শুরু</title>
		<link>https://chtnews24.com/2026/09/02/%e0%a6%85%e0%a6%a8%e0%a6%bf%e0%a6%af%e0%a6%bc%e0%a6%ae-%e0%a6%a6%e0%a7%81%e0%a6%b0%e0%a7%8d%e0%a6%a8%e0%a7%80%e0%a6%a4%e0%a6%bf%e0%a6%b0-%e0%a6%85%e0%a6%ad%e0%a6%bf%e0%a6%af%e0%a7%8b%e0%a6%97/</link>
					<comments>https://chtnews24.com/2026/09/02/%e0%a6%85%e0%a6%a8%e0%a6%bf%e0%a6%af%e0%a6%bc%e0%a6%ae-%e0%a6%a6%e0%a7%81%e0%a6%b0%e0%a7%8d%e0%a6%a8%e0%a7%80%e0%a6%a4%e0%a6%bf%e0%a6%b0-%e0%a6%85%e0%a6%ad%e0%a6%bf%e0%a6%af%e0%a7%8b%e0%a6%97/#respond</comments>
		
		<dc:creator><![CDATA[adminchtnews24]]></dc:creator>
		<pubDate>Wed, 02 Sep 2026 11:33:55 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[Second lead]]></category>
		<category><![CDATA[অপরাধ-অনুসন্ধান]]></category>
		<category><![CDATA[বাংলাদেশ]]></category>
		<category><![CDATA[শিরোনাম]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://chtnews24.com/?p=37951</guid>

					<description><![CDATA[ডেস্ক রির্পোট:- অন্তবর্তী সরকারের সাবেক উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়াসহ চারজনের বিরুদ্ধে অনুসন্ধান শুরু করেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ে বিভিন্ন অনিয়ম–দুর্নীতির অভিযোগে দুদক এ অনুসন্ধান শুরু করেছে। ইতিমধ্যে চার সদস্যের অনুসন্ধান টিমও গঠন করা হয়েছে। বুধবার দুদকের ঊর্ধ্বতন এক কর্মকর্তা গণমাধ্যমকে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন। দুদকের উপপরিচালক মো. জাহিদ কালামের নেতৃত্বে [&#8230;]]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[<p>ডেস্ক রির্পোট:- অন্তবর্তী সরকারের সাবেক উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়াসহ চারজনের বিরুদ্ধে অনুসন্ধান শুরু করেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ে বিভিন্ন অনিয়ম–দুর্নীতির অভিযোগে দুদক এ অনুসন্ধান শুরু করেছে। ইতিমধ্যে চার সদস্যের অনুসন্ধান টিমও গঠন করা হয়েছে।</p>
<p>বুধবার দুদকের ঊর্ধ্বতন এক কর্মকর্তা গণমাধ্যমকে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।<br />
দুদকের উপপরিচালক মো. জাহিদ কালামের নেতৃত্বে একটি বিশেষ টিমকে এই অনুসন্ধানের দায়িত্ব দেয়া হয়েছে।</p>
<p>ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানের মুখে ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট আওয়ামী লীগ সরকারের পতন হয়। এরপর ৮ আগস্ট অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বে অন্তর্বর্তী সরকার গঠিত হয়।<br />
জুলাই গণ–অভ্যুত্থানে নেতৃত্ব দেয়া ছাত্রদের প্রতিনিধি হিসেবে তখন শ্রম মন্ত্রণালয় এবং যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা হন আসিফ মাহমুদ। এরপর তাকে স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়েরও দায়িত্ব দেয়া হয়।</p>
]]></content:encoded>
					
					<wfw:commentRss>https://chtnews24.com/2026/09/02/%e0%a6%85%e0%a6%a8%e0%a6%bf%e0%a6%af%e0%a6%bc%e0%a6%ae-%e0%a6%a6%e0%a7%81%e0%a6%b0%e0%a7%8d%e0%a6%a8%e0%a7%80%e0%a6%a4%e0%a6%bf%e0%a6%b0-%e0%a6%85%e0%a6%ad%e0%a6%bf%e0%a6%af%e0%a7%8b%e0%a6%97/feed/</wfw:commentRss>
			<slash:comments>0</slash:comments>
		
		
			</item>
		<item>
		<title>প্রকল্পের মেয়াদ ১০ বছর ৯ বছরে শুরু হয়নি তিন স্কুলের কাজ, খরচ ৪৪৪ কোটি টাকা</title>
		<link>https://chtnews24.com/2026/08/26/%e0%a6%aa%e0%a7%8d%e0%a6%b0%e0%a6%95%e0%a6%b2%e0%a7%8d%e0%a6%aa%e0%a7%87%e0%a6%b0-%e0%a6%ae%e0%a7%87%e0%a6%af%e0%a6%bc%e0%a6%be%e0%a6%a6-%e0%a7%a7%e0%a7%a6-%e0%a6%ac%e0%a6%9b%e0%a6%b0-%e0%a7%af/</link>
					<comments>https://chtnews24.com/2026/08/26/%e0%a6%aa%e0%a7%8d%e0%a6%b0%e0%a6%95%e0%a6%b2%e0%a7%8d%e0%a6%aa%e0%a7%87%e0%a6%b0-%e0%a6%ae%e0%a7%87%e0%a6%af%e0%a6%bc%e0%a6%be%e0%a6%a6-%e0%a7%a7%e0%a7%a6-%e0%a6%ac%e0%a6%9b%e0%a6%b0-%e0%a7%af/#respond</comments>
		
		<dc:creator><![CDATA[adminchtnews24]]></dc:creator>
		<pubDate>Wed, 26 Aug 2026 05:44:01 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[Second lead]]></category>
		<category><![CDATA[অপরাধ-অনুসন্ধান]]></category>
		<category><![CDATA[বিশেষ প্রতিবেদন]]></category>
		<category><![CDATA[শিরোনাম]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://chtnews24.com/?p=37863</guid>

					<description><![CDATA[ডেস্ক রির্পোট:- ১০টি সরকারি মাধ্যমিক বিদ্যালয় নির্মাণের প্রকল্প। এর মেয়াদ ছিল ১০ বছর। কিন্তু ৯ বছর পেরিয়ে গেলেও প্রকল্পের আওতাধীন ৩টি বিদ্যালয়ের নির্মাণকাজ এখনো শুরুই হয়নি। এরই মধ্যে প্রকল্পের মেয়াদ বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১০ বছরে। আর মূল অনুমোদিত ব্যয়ের তুলনায় ব্যয় বেড়েছে প্রায় ১৩০ কোটি টাকা। চলতি বছরের এপ্রিল পর্যন্ত প্রকল্পে ব্যয় হয়েছে ৪৪৩ কোটি ৮৬ [&#8230;]]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[<p>ডেস্ক রির্পোট:- ১০টি সরকারি মাধ্যমিক বিদ্যালয় নির্মাণের প্রকল্প। এর মেয়াদ ছিল ১০ বছর। কিন্তু ৯ বছর পেরিয়ে গেলেও প্রকল্পের আওতাধীন ৩টি বিদ্যালয়ের নির্মাণকাজ এখনো শুরুই হয়নি। এরই মধ্যে প্রকল্পের মেয়াদ বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১০ বছরে। আর মূল অনুমোদিত ব্যয়ের তুলনায় ব্যয় বেড়েছে প্রায় ১৩০ কোটি টাকা। চলতি বছরের এপ্রিল পর্যন্ত প্রকল্পে ব্যয় হয়েছে ৪৪৩ কোটি ৮৬ লাখ ৫৪ হাজার টাকা।</p>
<p>ঢাকার নামি স্কুলগুলোতে চাপ কমানো এবং শহরের নিকটবর্তী শিক্ষার্থীদের মানসম্মত শিক্ষার লক্ষ্যে ২০১৭ সালে উদ্যোগ নিয়েছিল তৎকালীন সরকার। এরই অংশ হিসেবে ‘ঢাকা শহর সন্নিকটবর্তী এলাকায় ১০টি সরকারি মাধ্যমিক বিদ্যালয় স্থাপন’ প্রকল্পটি সে বছরের জুলাই থেকে ২০২০ সালের ৩০শে জুনের মধ্যে শেষ করার লক্ষ্য নেয়া হয়েছিল। প্রকল্পের আওতায় ঢাকা ও নারায়ণগঞ্জের বিভিন্ন এলাকায় ২৭ হাজার শিক্ষার্থীর জন্য ১০টি সরকারি মাধ্যমিক স্কুল অ্যান্ড কলেজ নির্মাণের উদ্যোগ নেয়া হয়। প্রতিটি প্রতিষ্ঠানে ১০তলা একাডেমিক ভবন, জিমনেশিয়াম, শহীদ মিনার, অভ্যন্তরীণ রাস্তা ও সীমানাপ্রাচীরসহ বিভিন্ন অবকাঠামো এবং কম্পিউটার, ল্যাবরেটরি, খেলাধুলা ও সাংস্কৃতিক সরঞ্জাম সরবরাহের পরিকল্পনা রয়েছে।</p>
<p>প্রতিষ্ঠানগুলো হলো- বিলামালিয়া সরকারি মাধ্যমিক স্কুল অ্যান্ড কলেজ (হেমায়েতপুর), বাঁশবাড়ী-পাথালিয়া সরকারি মাধ্যমিক স্কুল অ্যান্ড কলেজ (নবীনগর), লাকুরিয়াপাড়া সরকারি মাধ্যমিক স্কুল অ্যান্ড কলেজ (ধামরাই), পশ্চিমদি সরকারি মাধ্যমিক স্কুল অ্যান্ড কলেজ (কেরানীগঞ্জ), পূর্ব-নরসিংহপুর সরকারি মাধ্যমিক স্কুল অ্যান্ড কলেজ (আশুলিয়া), খোর্দ্দঘোষপাড়া সরকারি মাধ্যমিক স্কুল অ্যান্ড কলেজ (নারায়ণগঞ্জ), জালকুড়ি সরকারি মাধ্যমিক স্কুল অ্যান্ড কলেজ (নারায়ণগঞ্জ), পূর্বাচল সরকারি মাধ্যমিক স্কুল অ্যান্ড কলেজ (রূপগঞ্জ), সাঁতারকুল সরকারি মাধ্যমিক স্কুল অ্যান্ড কলেজ (বাড্ডা) এবং খিলক্ষেত সরকারি মাধ্যমিক স্কুল অ্যান্ড কলেজ (খিলক্ষেত)।</p>
<p>প্রকল্পের মেয়াদ ও ব্যয় বাড়লেও ১০টি প্রতিষ্ঠানের তিনটির নির্মাণকাজ এখনো শুরু হয়নি। ২০২৬ সালের জুন পর্যন্ত প্রকল্পের আর্থিক অগ্রগতি হয়েছে ৫৫ দশমিক ৪৫ শতাংশ। ১০টি একাডেমিক ভবনের কোনোটির নির্মাণকাজও শতভাগ শেষ হয়নি। এর মধ্যে চারটি ভবনের নির্মাণ অগ্রগতি ৮৮ থেকে ৯৩ শতাংশের মধ্যে। দু’টি ভবনের অগ্রগতি ৩৩ ও ৩০ শতাংশ এবং আরেকটির মাত্র ১০ শতাংশ। অন্যদিকে তিনটি ভবনের নির্মাণকাজ শুরুই হয়নি। এর মধ্যে একটি বিদ্যালয়ের জমি হস্তান্তর হলেও নির্মাণকাজের চুক্তির জন্য দরপত্র মূল্যায়ন চলছে। অপর দু’টি বিদ্যালয়ের জমি হস্তান্তরের কাজই এখনো শেষ হয়নি।</p>
<p>প্রতিবেদনে বলা হয়, কাজ না শুরু হওয়া পূর্বাচল সরকারি মাধ্যমিক স্কুল অ্যান্ড কলেজের কবরস্থান নিয়ে জটিলতা রয়েছে। গত বছরের ৯ই অক্টোবর দরপত্র উন্মুক্ত করা হয়। দরপত্র মূল্যায়ন চলমান রয়েছে। পূর্ব-নরসিংহপুর সরকারি মাধ্যমিক স্কুল অ্যান্ড কলেজের সীমানা নিয়ে জটিলতা রয়েছে। গত ১২ই জানুয়ারি দরপত্র উন্মুক্ত করা হয়। দরপত্র মূল্যায়ন চলমান রয়েছে এবং খিলক্ষেত সরকারি মাধ্যমিক স্কুল অ্যান্ড কলেজের সয়েল টেস্ট করা হয়েছে এবং গত ১২ই জানুয়ারি দরপত্র চালু হয় এবং বর্তমানে মূল্যায়ন চলমান।</p>
<p>প্রকল্পের শুরুতে ব্যয় ধরা হয়েছিল ৬৭৩ কোটি ৪৬ লাখ ৪৬ হাজার টাকা। প্রথম সংশোধনীতে তা বেড়ে হয় ৭৫০ কোটি ৪০ লাখ ১০ হাজার টাকা। সর্বশেষ দ্বিতীয় সংশোধনীতে প্রকল্পের ব্যয় আরও বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৮০৩ কোটি ৭৪ লাখ ৮৫ হাজার টাকা। অর্থাৎ মূল অনুমোদিত ব্যয়ের তুলনায় প্রকল্পের ব্যয় বেড়েছে প্রায় ১৩০ কোটি ২৮ লাখ ৩৯ হাজার টাকা, যা ১৯ দশমিক ৩৫ শতাংশ বেশি।</p>
<p>চলতি বছরের এপ্রিল পর্যন্ত অর্থ ছাড় হয়েছে ৫২৮ কোটি ৩১ লাখ ৩১ হাজার টাকা। এর মধ্যে প্রকৃত ব্যয় হয়েছে ৪৪৩ কোটি ৮৬ লাখ ৫৪ হাজার টাকা। অর্থাৎ প্রকল্পের নির্ধারিত মেয়াদ শেষ হওয়ার কাছাকাছি সময়ে এসে প্রায় ৪৪৪ কোটি টাকা ব্যয় হলেও তিনটি স্কুলের নির্মাণকাজ এখনো মাঠপর্যায়ে শুরু হয়নি। প্রকল্পটির মূল মেয়াদ ছিল ২০২০ সালের জুন পর্যন্ত। পরে প্রথম সংশোধনীতে মেয়াদ বাড়িয়ে ২০২৪ সালের ডিসেম্বর করা হয়। দ্বিতীয় সংশোধনীতে তা আরও বাড়িয়ে ২০২৭ সালের জুন পর্যন্ত নির্ধারণ করা হয়েছে।</p>
<p>ফলে মূল মেয়াদের তুলনায় প্রকল্পের সময় বেড়েছে ৮৪ মাস বা ২৩৩ দশমিক ৩৩ শতাংশ। অর্থাৎ তিন বছরে শেষ করার কথা থাকলেও প্রকল্পটি এখন প্রায় ১০ বছর ধরে চলমান। প্রকল্পের দীর্ঘসূত্রতার পেছনে সম্ভাব্যতা যাচাই না করাকে অন্যতম কারণ হিসেবে চিহ্নিত করেছে সমীক্ষা প্রতিবেদন। প্রকল্প গ্রহণের আগে কোনো ফিজিবিলিটি স্টাডি করা হয়নি। ফলে জমি নির্বাচন, মালিকানা, মামলা ও অধিগ্রহণসংক্রান্ত জটিলতা আগে থেকে চিহ্নিত করা সম্ভব হয়নি। কোনো কোনো ক্ষেত্রে মামলা ও মালিকানা জটিলতার কারণে চিহ্নিত জমি বাতিল করে নতুন জমি নির্বাচন করতে হয়েছে। এতে ভবন নির্মাণ শুরুর আগেই দীর্ঘ সময় চলে যায়। প্রকল্পের আওতায় ২০ একর জমি অধিগ্রহণের লক্ষ্যমাত্রার প্রায় পুরোটা অর্জিত হলেও পূর্ব-নরসিংহপুরে অধিগ্রহণের টাকা পরিশোধের পরও জমি বুঝে পাওয়া যায়নি। এ ছাড়া একনেকে প্রকল্প অনুমোদন, প্রশাসনিক আদেশ ও কর্মকর্তা নিয়োগে বিলম্বের কারণে প্রকল্পের কার্যক্রম প্রায় ১১ মাস পর শুরু হয়। পরে কোভিড-১৯ মহামারির প্রভাব, ভূমি অধিগ্রহণসংক্রান্ত মামলা, ভবনের নকশা পরিবর্তন, নতুন রেট শিডিউল এবং সরকারি সংস্থাগুলোর মধ্যে সমন্বয়ের ঘাটতিও প্রকল্প বাস্তবায়নে বিলম্ব ঘটিয়েছে।<br />
প্রকল্পের আরেকটি বড় প্রশ্ন হলো- বাকি ভবনগুলোর নির্মাণ শেষ হলেও সেগুলো সঙ্গে সঙ্গে চালু করা যাবে কিনা।</p>
<p>কারণ বিদ্যালয় চালুর আগে শিক্ষক-কর্মচারীর পদ সৃষ্টি, জনবল নিয়োগ, আসবাবপত্র, কম্পিউটার, ল্যাব, শিক্ষা উপকরণ ও অন্যান্য সরঞ্জাম সরবরাহ করতে হবে। পরিকল্পনা অনুযায়ী ২১০টি পদ সৃষ্টির ব্যবস্থা করার কথা থাকলেও সেই প্রক্রিয়াও এখনো শেষ হয়নি। ৩টি বিদ্যালয়ের জন্য অধ্যক্ষসহ বিসিএস সাধারণ শিক্ষা ক্যাডারের জনবলের পদ সৃষ্টির উদ্যোগে ২০২৫ সালের আগস্টে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ে চিঠি পাঠানো হলেও এখনো চূড়ান্ত হয়নি।<br />
এদিকে পূর্ণকালীন প্রকল্প পরিচালকও নেই। ২০২১ সালের জানুয়ারি থেকে ২০২৬ সালের জানুয়ারি পর্যন্ত পূর্ণকালীন প্রকল্প পরিচালক হিসেবে দায়িত্ব পালন করা অধ্যাপক ড. মীর জাহিদা নাজনীন বর্তমানে মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তরের পরিচালক (পরিকল্পনা ও উন্নয়ন) পদে থাকায় অতিরিক্ত দায়িত্ব হিসেবে প্রকল্প পরিচালকের দায়িত্ব পালন করছেন। পূর্বে আরও ২ জন প্রকল্প পরিচালকের দায়িত্ব পালন করেছেন।</p>
<p>সমীক্ষা প্রতিবেদন অনুযায়ী, পূর্ণকালীন প্রকল্প পরিচালক না থাকায় নিবিড় তদারকি, দ্রুত সিদ্ধান্ত গ্রহণ, বিভিন্ন বিভাগের মধ্যে সমন্বয় এবং নির্ধারিত সময়ে কাজ শেষ করার ক্ষেত্রে সীমাবদ্ধতা তৈরি হতে পারে।<br />
প্রকল্প ব্যয় বৃদ্ধির বিষয়ে জানতে চাইলে প্রকল্প পরিচালক প্রফেসর ড. মীর জাহিদা নাজনীন বলেন, প্রকল্প যখন প্রথম পাস হয় তখন যথাযথ ভিজিবিলিটি টেস্ট হয় নাই। এ ছাড়াও ২০১৪ সালের রেট শিডিউল অনুযায়ী ডিপিপি তৈরি হয়েছিল। এরপর জমি অধিগ্রহণ করে নির্মাণকাজে যখন যাওয়া হয় তখন ২০২২ সালের রেট শিডিউল হয়ে যায়। আবার বাংলাদেশ ন্যাশনাল বিল্ডিং কোডও ২০২০ সালে সংশোধন হয়েছে। দুুই কোডের মধ্যে পার্থক্য আছে। সব মিলিয়ে নির্মাণকাজের ব্যয় বেড়েছে।<br />
৩ প্রতিষ্ঠানের কাজ শুরু না হওয়ার বিষয়ে তিনি বলেন, আশুলিয়ায় ৩ বার স্থান পরিবর্তন হয়েছে। আমরা জমি অধিগ্রহণই করতে পারছিলাম না। খিলক্ষেতে নানা জটিলতায় কাজ বাদই করতে হয়েছিল। তৎকালীন সচিব (মো. আবু বকর ছিদ্দীক) এটা বাদ দিতে বলেছিলেন। কিন্তু এরপর প্রকল্পটি একনেকে ওঠায় (২০২৫ সালে) নতুন করে কাজ শুরু করতে হয়েছে। পূর্বাচল নিয়ে মামলার কারণে আমরা এগোতে পারি নাই। আমাদের যেখানে জমি দেয়া হয়েছিল সেখানে স্থানীয়রা কবরস্থানের জায়গা চিহ্নিত করেন। এরপর আমরা রাজউকের মাধ্যমে আগাই। কিন্তু রাজউক যতদিনে আমাদের জায়গা বুঝিয়ে দিলো ততদিনে সেখানে বেশ কয়েকটি কবর হয়ে গেছে। আমরা তো কবর উঠিয়ে স্কুল করতে পারি না। এরপর ফের রাজউকের সঙ্গে যোগাযোগ করে পার্শ্ববর্তী স্থানে আমাদের জায়গা দেয়। জায়গা বুঝে পাওয়ার পর আমরা টেন্ডার দিয়েছি।</p>
]]></content:encoded>
					
					<wfw:commentRss>https://chtnews24.com/2026/08/26/%e0%a6%aa%e0%a7%8d%e0%a6%b0%e0%a6%95%e0%a6%b2%e0%a7%8d%e0%a6%aa%e0%a7%87%e0%a6%b0-%e0%a6%ae%e0%a7%87%e0%a6%af%e0%a6%bc%e0%a6%be%e0%a6%a6-%e0%a7%a7%e0%a7%a6-%e0%a6%ac%e0%a6%9b%e0%a6%b0-%e0%a7%af/feed/</wfw:commentRss>
			<slash:comments>0</slash:comments>
		
		
			</item>
		<item>
		<title>হুমকির মুখে জাতীয় নিরাপত্তা,রোহিঙ্গাদের হাতে বাংলাদেশি এনআইডি ও পাসপোর্ট</title>
		<link>https://chtnews24.com/2026/08/24/%e0%a6%b9%e0%a7%81%e0%a6%ae%e0%a6%95%e0%a6%bf%e0%a6%b0-%e0%a6%ae%e0%a7%81%e0%a6%96%e0%a7%87-%e0%a6%9c%e0%a6%be%e0%a6%a4%e0%a7%80%e0%a6%af%e0%a6%bc-%e0%a6%a8%e0%a6%bf%e0%a6%b0%e0%a6%be%e0%a6%aa/</link>
					<comments>https://chtnews24.com/2026/08/24/%e0%a6%b9%e0%a7%81%e0%a6%ae%e0%a6%95%e0%a6%bf%e0%a6%b0-%e0%a6%ae%e0%a7%81%e0%a6%96%e0%a7%87-%e0%a6%9c%e0%a6%be%e0%a6%a4%e0%a7%80%e0%a6%af%e0%a6%bc-%e0%a6%a8%e0%a6%bf%e0%a6%b0%e0%a6%be%e0%a6%aa/#respond</comments>
		
		<dc:creator><![CDATA[adminchtnews24]]></dc:creator>
		<pubDate>Mon, 24 Aug 2026 02:45:58 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[Second lead]]></category>
		<category><![CDATA[অপরাধ-অনুসন্ধান]]></category>
		<category><![CDATA[জাতীয়]]></category>
		<category><![CDATA[বিশেষ প্রতিবেদন]]></category>
		<category><![CDATA[শিরোনাম]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://chtnews24.com/?p=37816</guid>

					<description><![CDATA[ডেস্ক রির্পোট:- সংঘবদ্ধ একটি প্রতারকচক্রের মাধ্যমে রোহিঙ্গাদের হাতে এখন বাংলাদেশের জাতীয় পরিচয়পত্র (এনআইডি), জন্মনিবন্ধন এবং পাসপোর্ট। কক্সবাজারের রোহিঙ্গা আশ্রয়শিবির থেকে শুরু করে দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে এই চক্রের সদস্যরা সক্রিয় রয়েছে। ভুয়া নাম-ঠিকানা ব্যবহার করে অবৈধ লেনদেনের মাধ্যমে রোহিঙ্গাদের জন্মনিবন্ধন, এনআইডি ও পাসপোর্ট তৈরি করা যাচ্ছে। বেশির ভাগ ক্ষেত্রেই ফরিদপুর এবং চট্টগ্রামের স্থানীয় অধিবাসীদের পরিচয় ব্যবহার [&#8230;]]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[<p>ডেস্ক রির্পোট:- সংঘবদ্ধ একটি প্রতারকচক্রের মাধ্যমে রোহিঙ্গাদের হাতে এখন বাংলাদেশের জাতীয় পরিচয়পত্র (এনআইডি), জন্মনিবন্ধন এবং পাসপোর্ট। কক্সবাজারের রোহিঙ্গা আশ্রয়শিবির থেকে শুরু করে দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে এই চক্রের সদস্যরা সক্রিয় রয়েছে। ভুয়া নাম-ঠিকানা ব্যবহার করে অবৈধ লেনদেনের মাধ্যমে রোহিঙ্গাদের জন্মনিবন্ধন, এনআইডি ও পাসপোর্ট তৈরি করা যাচ্ছে। বেশির ভাগ ক্ষেত্রেই ফরিদপুর এবং চট্টগ্রামের স্থানীয় অধিবাসীদের পরিচয় ব্যবহার করা হচ্ছে। একেকজন রোহিঙ্গার কাছে একাধিক সিম কার্ডও পাওয়া যাচ্ছে। এসব সিম কার্ড ব্যবহার করে সংঘবদ্ধ অপরাধে জড়িয়ে পড়ার প্রমাণও মিলছে। ভুয়া এনআইডি বা অন্যের পরিচয়পত্র ব্যবহার করে এসব সিম তোলা হয়েছে। বাংলাদেশি পাসপোর্ট দিয়ে বিদেশে গিয়ে সেখানে অপকর্ম করায় বাংলাদেশের বদনাম হচ্ছে। এতে একদিকে যেমন ক্ষুণ্ন হচ্ছে দেশের ভাবমূর্তি, অন্যদিকে মারাত্মক হুমকির মুখে পড়ছে জাতীয় নিরাপত্তা। এ কাজে সক্রিয় নারায়ণগঞ্জের একটি চক্রকে চিহ্নিত করেছে আর্মড পুলিশ ব্যাটালিয়ন (এপিবিএন)। তাদের আইনের আওতায় আনার চেষ্টা চালাচ্ছে পুলিশের বিশেষায়িত এই ইউনিট। খবর সংশ্লিষ্ট সূত্রের।</p>
<p>বিশেষজ্ঞদের মতে, রোহিঙ্গাদের এনআইডি ও পাসপোর্ট জালিয়াতির কুপ্রভাব পড়ছে বাংলাদেশের বৈদেশিক শ্রমবাজারে। বিদেশের মাটিতে রোহিঙ্গারা বাংলাদেশি পরিচয়ে অপরাধ, জালিয়াতি বা বিশৃঙ্খলায় জড়িয়ে পড়ায় সামগ্রিকভাবে বাংলাদেশের নাগরিকদের ইমেজ সংকটে ফেলে দিচ্ছে। এর ফলে বাংলাদেশি শ্রমিকদের জন্য ভিসা প্রক্রিয়া আরও জটিল হয়ে পড়ছে। এটি রেমিট্যান্স প্রবাহের জন্যও দুঃসংবাদ। অপরদিকে দিনে দিনে নিুমুখী হচ্ছে বাংলাদেশের পাসপোর্টর মান। সম্প্রতি এ ধরনের অপরাধ প্রবণতা আগের চেয়ে অনেক বেড়েছে।</p>
<p>এপিবিএন সূত্র জানিয়েছে, বিভিন্ন অপরাধে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর হাতে গ্রেফতার রোহিঙ্গাদের জিজ্ঞাসাবাদে এসব তথ্য বেরিয়ে আসছে। এ বিষয়ে এপিবিএন সদর দপ্তরের পুলিশ সুপার (এসপি, মিডিয়া) আসমা বেগম রিটা যুগান্তরকে বলেন, স্থানীয় কিছু অসাধু দালাল চক্রের সদস্য ও কর্মকর্তাদের যোগসাজশ ছাড়া এই ধরনের অপরাধমূলক কাজ করা অসম্ভব। নারায়ণগঞ্জ ও সীমান্ত এলাকাসহ যেসব পয়েন্টে এই জালিয়াত চক্র সক্রিয়, তাদের চিহ্নিত করে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির আওতায় আনার চেষ্টা চলছে। সমস্যা সমাধানে রোহিঙ্গাদের জন্য সুনির্দিষ্ট ও কঠোরভাবে ট্র্যাকযোগ্য ডেডিকেটেড সিম ব্যবস্থার প্রবর্তন করা উচিত বলে তিনি মনে করেন। তার মতে, পাসপোর্ট ও এনআইডি ইস্যু করার ক্ষেত্রে বায়োমেট্রিক যাচাই ব্যবস্থা আরও নিখুঁত করা উচিত।</p>
<p>এসব ঘটনায় উদ্বিগ্ন আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, ২২ জুন উখিয়ার রোহিঙ্গা ক্যাম্প-১৫ এর জামতলীর বাসিন্দা আব্দুল হাফেজ (২০) রাতে ফুটবল খেলা দেখতে গিয়ে নিখোঁজ হন। ৪ জুলাই ক্যাম্পের ব্লক-এইচ/৭ এর একটি সেপটিক ট্যাংক থেকে তার পচা ও অর্ধগলিত লাশ উদ্ধার করা হয়। এ ঘটনায় নিহতের ভাই বাদী হয়ে উখিয়া থানায় ১৬ জনের নামে হত্যা মামলা করেন। এসব ঘটনায় ৯ জনকে গ্রেফতার করা হয়। এর মধ্যে প্রধান আসামি মোহাম্মদ রফিক কক্সবাজার জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেন। জবানবন্দিতে রোহিঙ্গাদের এনআইডি কার্ড, পাসপোর্ট এবং মোবাইল সিমের বিষয়ে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য উঠে এসেছে। এছাড়া ৪ জুন ৯ নম্বর ক্যাম্প থেকে শিশু আলহাম অপহৃত হয় এবং ১৪ জুন তার বস্তাবন্দি লাশ উদ্ধার করা হয়। এছাড়া অতি সম্প্রতি বেশ কয়েকটি ভয়ংকর অপকর্ম ও অপরাধের ঘটনায় গ্রেফতার রোহিঙ্গাদের জিজ্ঞাসাবাদে জালিয়াতির মাধ্যমে জন্মনিবন্ধন, এনআইডি কার্ড ও পাসপোর্ট তৈরির নানা তথ্য উঠে এসেছে।</p>
<p>এপিবিএন-১৪ সূত্র জানিয়েছে, সাম্প্রতিক সময়ে জাল টাকা, অস্ত্র ও মাদক ব্যবসা ও চাঞ্চল্যকর বেশ কয়েকটি হত্যাকাণ্ডের রহস্য উদ্ঘাটন করতে গিয়ে রোহিঙ্গাদের জন্মনিবন্ধন, এনআইডি ও পাসপোর্ট তৈরির বিষয়টিও উঠে আসে। এছাড়া ১৩ ফেব্রুয়ারি আব্দুল আমিন নামের এক যুবককে ৭৮ হাজার টাকার জাল নোটসহ গ্রেফতার করা হয়। মধুরছড়া ক্যাম্পের রোহিঙ্গা কিশোর শফিউল আলমকে মালয়েশিয়া পাঠানোর প্রলোভনের অভিযোগে ৭ ফেব্রুয়ারি করিম উল্লাহকে, ১২ মার্চ ১৩ হাজার ৩০০ ইয়াবাসহ একই পরিবারের চারজন এবং ১৮ মে বিদেশি পিস্তল, ম্যাগাজিন, গুলি ও ৪৩ হাজার ৬০০ পিস ইয়াবাসহ তিনজনকে গ্রেফতার এবং তাদের জিজ্ঞাসাবাদে রোহিঙ্গাদের জাল-জালিয়াতির ঘটনার তথ্য প্রকাশ্যে আসে। এছাড়া এপিবিএন-১৬ এর কর্মকর্তাদের সঙ্গে কথা বলে একই ধরনের তথ্য পাওয়া গেছে।যুগান্তর</p>
]]></content:encoded>
					
					<wfw:commentRss>https://chtnews24.com/2026/08/24/%e0%a6%b9%e0%a7%81%e0%a6%ae%e0%a6%95%e0%a6%bf%e0%a6%b0-%e0%a6%ae%e0%a7%81%e0%a6%96%e0%a7%87-%e0%a6%9c%e0%a6%be%e0%a6%a4%e0%a7%80%e0%a6%af%e0%a6%bc-%e0%a6%a8%e0%a6%bf%e0%a6%b0%e0%a6%be%e0%a6%aa/feed/</wfw:commentRss>
			<slash:comments>0</slash:comments>
		
		
			</item>
		<item>
		<title>ট্যুরিস্ট হয়ে এসে অপরাধের নেটওয়ার্ক গড়ছেন চীনা নাগরিকরা,ঝর্না চাকমা জিয়ানাসহ জড়িত অনেকে</title>
		<link>https://chtnews24.com/2026/08/24/%e0%a6%9f%e0%a7%8d%e0%a6%af%e0%a7%81%e0%a6%b0%e0%a6%bf%e0%a6%b8%e0%a7%8d%e0%a6%9f-%e0%a6%b9%e0%a6%af%e0%a6%bc%e0%a7%87-%e0%a6%8f%e0%a6%b8%e0%a7%87-%e0%a6%85%e0%a6%aa%e0%a6%b0%e0%a6%be%e0%a6%a7/</link>
					<comments>https://chtnews24.com/2026/08/24/%e0%a6%9f%e0%a7%8d%e0%a6%af%e0%a7%81%e0%a6%b0%e0%a6%bf%e0%a6%b8%e0%a7%8d%e0%a6%9f-%e0%a6%b9%e0%a6%af%e0%a6%bc%e0%a7%87-%e0%a6%8f%e0%a6%b8%e0%a7%87-%e0%a6%85%e0%a6%aa%e0%a6%b0%e0%a6%be%e0%a6%a7/#respond</comments>
		
		<dc:creator><![CDATA[adminchtnews24]]></dc:creator>
		<pubDate>Mon, 24 Aug 2026 02:41:44 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[Second lead]]></category>
		<category><![CDATA[অপরাধ-অনুসন্ধান]]></category>
		<category><![CDATA[বাংলাদেশ]]></category>
		<category><![CDATA[বিশেষ প্রতিবেদন]]></category>
		<category><![CDATA[শিরোনাম]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://chtnews24.com/?p=37813</guid>

					<description><![CDATA[ডেস্ক রির্পোট:- ট্যুরিস্ট হিসেবে বাংলাদেশে এসে অপরাধের নেটওয়ার্ক গড়ে তুলছেন চীনা নাগরিকদের কেউ কেউ। মাদক, নারী পাচার ও অনলাইন প্রতারণার মতো অপরাধে জড়িয়ে পড়ছেন তারা। দেশের কিছু অসাধু ব্যক্তির সঙ্গে যোগসাজশে রাজধানী ঢাকা থেকে শুরু করে দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে তারা গড়ে তুলেছেন এসব নেটওয়ার্ক। আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সাম্প্রতিক কয়েকটি অভিযানে এসব চক্রের সঙ্গে জড়িত চীনা নাগরিকদের [&#8230;]]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[<p>ডেস্ক রির্পোট:- ট্যুরিস্ট হিসেবে বাংলাদেশে এসে অপরাধের নেটওয়ার্ক গড়ে তুলছেন চীনা নাগরিকদের কেউ কেউ। মাদক, নারী পাচার ও অনলাইন প্রতারণার মতো অপরাধে জড়িয়ে পড়ছেন তারা। দেশের কিছু অসাধু ব্যক্তির সঙ্গে যোগসাজশে রাজধানী ঢাকা থেকে শুরু করে দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে তারা গড়ে তুলেছেন এসব নেটওয়ার্ক। আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সাম্প্রতিক কয়েকটি অভিযানে এসব চক্রের সঙ্গে জড়িত চীনা নাগরিকদের গ্রেফতারের পর এমন তথ্য উঠে এসেছে।</p>
<p>কিটামিনের ল্যাব, ডার্ক ওয়েবে মাদকের অর্ডার<br />
গত ৫ মার্চ ঢাকার একটি আন্তর্জাতিক কুরিয়ার সার্ভিস অফিসে অভিযান চালিয়ে একটি সন্দেহজনক পার্সেল আটক করা হয়। পরে পার্সেলটি তল্লাশি করে একটি ব্লুটুথ সাউন্ড স্পিকারের ভেতরে বিশেষ কৌশলে লুকানো ৫০ গ্রাম কিটামিন উদ্ধার করা হয়। তাৎক্ষণিক রাসায়নিক পরীক্ষায় মাদকটির সত্যতা নিশ্চিত করা হয়।</p>
<p>উদ্ধারকৃত পার্সেলের তথ্য বিশ্লেষণ ও প্রযুক্তিগত অনুসন্ধানের মাধ্যমে রাজধানীর উত্তরা এলাকায় অবস্থানরত একটি চক্রের সন্ধান পাওয়া যায়। একই দিন রাতে উত্তরা পশ্চিম থানাধীন একটি আবাসিক ভবনের একটি ফ্ল্যাটে অভিযান চালিয়ে তিন চীনা নাগরিক লি বীন, ইয়াং চুনহিং ও ইয়ো ঝিকে আটক করা হয়।</p>
<p>মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর সূত্র জানায়, ওই ঘটনার সূত্র ধরে পরিচালিত অভিযানে ফ্ল্যাটটির একটি কক্ষে গড়ে তোলা অস্থায়ী ল্যাব থেকে ৬ হাজার ৩০০ কেজি কিটামিন, বিপুল পরিমাণ রাসায়নিক দ্রব্য সালফিউরিক এসিড, ইথানল ও অ্যালকোহল; বিভিন্ন ল্যাব সরঞ্জাম, ডিজিটাল স্কেল, প্যাকেটজাতকরণ যন্ত্রপাতি, মোবাইল ফোন এবং দেশি-বিদেশি মুদ্রা উদ্ধার করা হয়। এসব আলামত থেকে প্রতীয়মান হয়, চক্রটি সুসংগঠিতভাবে মাদক প্রক্রিয়াজাত, সংরক্ষণ এবং আন্তর্জাতিক পর্যায়ে পাচারের সঙ্গে জড়িত ছিল।</p>
<p>অধিদফতরের উপপরিচালক মেহেদি হাসান বলেন, প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে আসামিরা স্বীকার করেছে, তারা তরল কিটামিন সংগ্রহ করে ফ্ল্যাটের ভেতরে ল্যাব স্থাপন করে তা পাউডার আকারে প্রক্রিয়াজাত করতো। পরে কুরিয়ার সার্ভিসের মাধ্যমে বিদেশে পাচারের চেষ্টা করতো।</p>
<p>তিনি জানান, চক্রটি ডার্ক ওয়েব ব্যবহার করে বিশ্বের বিভিন্ন দেশ থেকে মাদকের অর্ডার গ্রহণ করত এবং একই মাধ্যমে বড় পরিসরে মাদক সংগ্রহ করত। কিটামিন প্রক্রিয়াজাত করে সাউন্ড স্পিকারসহ বিভিন্ন ইলেকট্রনিক যন্ত্রের ভেতরে লুকিয়ে আন্তর্জাতিক কুরিয়ার সার্ভিসের মাধ্যমে বিভিন্ন দেশে পাচার করতো তারা।</p>
<p>অর্থ লেনদেনের ক্ষেত্রে চক্রটি ক্রিপ্টোকারেন্সিনির্ভর পদ্ধতি অনুসরণ করতো। তারা মূলত টিআরওএন নেটওয়ার্ক ব্যবহার করে লেনদেন পরিচালনা করত এবং গ্রাহকদের কাছ থেকে ক্রিপ্টোকারেন্সিতে মূল্য গ্রহণ করত। পরে ৪ হাজার থেকে ৫ হাজার ইউএসডিটি সমপরিমাণ অর্থ একত্রে উত্তোলন করত, যা তাদের কার্যক্রম গোপন রাখতে সহায়ক ছিল।</p>
<p>মেহেদি হাসান বলেন, গ্রেফতারকৃত আসামিদের ভ্রমণ ইতিহাস বিশ্লেষণ করে দেখা গেছে, তারা বিভিন্ন দেশে স্বল্প সময়ের জন্য অবস্থান করত এবং ঘন ঘন দেশ পরিবর্তন করত। এই তথ্যের ভিত্তিতে ধারণা করা হচ্ছে, চক্রটির কার্যক্রম একাধিক দেশে বিস্তৃত থাকতে পারে এবং বিভিন্ন দেশে তাদের পৃথক প্রক্রিয়াজাতকরণ ল্যাব স্থাপিত থাকতে পারে। বিষয়টি অধিকতর গুরুত্ব সহকারে তদন্তাধীন রয়েছে।</p>
<p>মাদকনিয়ন্ত্রণ অধিদফতরের কর্মকর্তারা বলছেন, কিটামিন একটি শক্তিশালী ডিসোসিয়েটিভ ড্রাগ, যা স্বল্পমেয়াদে বিভ্রান্তি, হ্যালুসিনেশন ও শারীরিক নিয়ন্ত্রণহীনতা সৃষ্টি করে। দীর্ঘমেয়াদে এটি কিডনি ও মূত্রথলির মারাত্মক ক্ষতি, মানসিক সমস্যা এবং আসক্তির ঝুঁকি বৃদ্ধি করে। নিয়মিত সেবনে সহনশীলতা তৈরি হয়ে ডোজ বাড়ানোর প্রবণতা দেখা দেয়, যা প্রাণঘাতী ঝুঁকি সৃষ্টি করতে পারে।</p>
<p>অনলাইন প্রতারণার নেটওয়ার্ক</p>
<p>গত ২ আগস্ট রাজধানীর বসুন্ধরা আবাসিক এলাকায় অভিযান চালিয়ে অবৈধ ভিওআইপি, জিএসএম গেটওয়ে ডিভাইস এবং অনলাইন জুয়ার সঙ্গে জড়িত একটি প্রতারক চক্রের চার সদস্যকে গ্রেফতার করে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)। গ্রেফতাররা হলেন ঝর্না চাকমা জিয়ানা (২৭), লিউ হুই জাং (৪৬), ওয়ে ইউজি (৩০) ও শে ই রান (৪২)।</p>
<p>ডিবি সূত্র জানায়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে ডিবির সাইবার ক্রাইম বিভাগের একটি দল বসুন্ধরা আবাসিক এলাকার একটি ছয়তলা ভবনে অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেফতার করে। অভিযানকালে তাদের কাছ থেকে ১৪টি ল্যাপটপ, ১৬টি স্মার্টফোন, বিভিন্ন মোবাইল অপারেটরের ৬ হাজারের বেশি সক্রিয় সিমকার্ড, ২০টি জিএসএম গেটওয়ে ডিভাইস, ২৬ বোতল বিদেশি মদ এবং নগদ ২ লাখ ৯ হাজার ৭০০ টাকা জব্দ করা হয়।</p>
<p>ডিবি সূত্র জানায়, ঝর্না চাকমা জিয়ানা পুরো ভবনটি ভাড়া নিয়ে এর চতুর্থ ও পঞ্চম তলা চীনা নাগরিকদের কাছে সাবলেট দেন। সেখানে অবস্থান করে তারা উন্নত প্রযুক্তি ব্যবহার করে অবৈধ ভিওআইপি ব্যবসা ও অনলাইন জুয়ার কার্যক্রম পরিচালনা করছিলেন।</p>
<p>চক্রটি বিভিন্ন ব্যক্তির মোবাইল ফোনে চাকরি, বিশেষ অফার কিংবা অতিরিক্ত আয়ের প্রলোভন দেখিয়ে বার্তা পাঠাতো। ওই বার্তায় থাকা লিংকে প্রবেশ করলেই ভুক্তভোগীরা প্রতারণার ফাঁদে পড়তেন।</p>
<p>ডিবি জানায়, আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর নজরদারি এড়াতে চক্রটি বিশেষ প্রযুক্তি ব্যবহার করত। একটি মোবাইল ডিভাইসের সঙ্গে বাহ্যিকভাবে একাধিক সিম স্লট যুক্ত করে একই সঙ্গে ১২টি সিম পরিচালনা করা হতো। ফলে প্রতারণার অভিযোগ এলেও সংশ্লিষ্ট ডিভাইসের আইএমইআই নম্বর দ্রুত শনাক্ত করা কঠিন হয়ে পড়তো।</p>
<p>ডিএমপির গোয়েন্দা বিভাগের (ডিবি) প্রধান শফিকুল ইসলাম বলেন, চীনা নাগরিকদের নানা অপরাধের বিষয় উঠে আসছে। ইতোমধ্যে অনলাইনে প্রতারণার অভিযোগে বেশ কিছু নাগরিককে গ্রেফতারও করা হয়েছে।</p>
<p>তিনি বলেন, দেশীয় কিছু ব্যক্তির যোগসাজশে তারা অপরাধ করার সাহস পাচ্ছে। তদন্তে আরও কিছু বিষয় উঠে এসেছে। এগুলো নিয়ে কাজ করা হচ্ছে।</p>
<p>বিয়ের ফাঁদে নারী পাচারের চেষ্টা</p>
<p>২০২৪ সালের ৭ নভেম্বর বিয়ে ও প্রেমের ফাঁদে ফেলে বাংলাদেশি দুই নারীকে চীনে পাচারের চেষ্টার সময় ঢাকার হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে চীনের দুই নাগরিককে হাতেনাতে গ্রেফতার করা হয়। তারা হলেন, মে পেনগুই ও তিয়ান জেংওয়েন। দুই বাংলাদেশি রানী আক্তার ও মালিনা মারাককে বিভিন্ন লোভ দেখিয়ে বিয়ে করে উন্নত জীবনযাপনের জন্য চীনে নিয়ে যাচ্ছিলেন তারা।</p>
<p>ওই দুই নারী বিমানবন্দরে আসার পর বুঝতে পারেন, তাদের অসৎ উদ্দেশ্যে চীনে নেওয়া হচ্ছে। বিষয়টি বুঝতে পেরে তারা দুই চীনা নাগরিকের সঙ্গে তর্কে জড়িয়ে পড়েন। এ সময় তারা যেতে অস্বীকৃতি জানালে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর নজরে আসেন এবং দুই চীনা নাগরিককে গ্রেফতার করা হয়।</p>
<p>একই বছরের ৯ ডিসেম্বর একই কায়দায় এক নারীকে পাচারের সময় দুই চীনা নাগরিককে গ্রেফতার করা হয়। গ্রেফতাররা হলেন, ফ্যান গোউয়ে (২৭) ও ইয়াং জিকু (২৫)। চাঁদপুর জেলার এক ভুক্তভোগীর অভিযোগের ভিত্তিতে বিষয়টি প্রথমে এয়ারপোর্ট আর্মড পুলিশ ব্যাটালিয়নের নজরে আসে। পরে তাদের গ্রেফতার করা হয়।</p>
<p>পরবর্তী সময়ে ২০২৫ সালের ২৮ মে একই অভিযোগে আরও দুই চীনা নাগরিক গ্রেফতার হন। তারা হলেন হু জানজুন (৩০) ও জিয়াং লিজি (৫৪)।</p>
<p>চীনা নাগরিকদের গ্রেফতার এবং ভুক্তভোগী তরুণীদের উদ্ধৃতি দিয়ে এয়ারপোর্ট আর্মড পুলিশের একটি সূত্র জানায়, মানবপাচারকারী চীনা নাগরিকরা দেশে এসে নিকুঞ্জ, উত্তরা কিংবা বসুন্ধরা এলাকায় আস্তানা গড়েন। এরপর দেশীয় দালালদের সঙ্গে সখ্য গড়ে তুলে গ্রামের মেয়েদের সঙ্গে ফেসবুকে বন্ধুত্ব করেন। তিন মাস কিংবা ছয় মাসের মধ্যে বাংলাদেশে আসার মিথ্যা তথ্য দিয়ে তারা ওই তরুণীর গ্রামের বাড়িতে যান।</p>
<p>এরপর বিশ্বাস অর্জন করে নানা কৌশলের আশ্রয় নিয়ে বিয়ের মাধ্যমে বাংলাদেশের মেয়েদের চীনে নিয়ে যান বা নেওয়ার চেষ্টা করেন। প্রকৃত উদ্দেশ্য হলো তাদের নিয়ে গিয়ে বিভিন্ন স্থানে বিক্রি করে দেওয়া।</p>
<p>এয়ারপোর্ট আর্মড পুলিশ ব্যাটালিয়নের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার অনিতা রানী সূত্রধর বলেন, ‘বেশ কিছু দেশের মানবপাচারকারী চক্র স্থানীয় দালালদের সহযোগিতায় নারী পাচারের চেষ্টায় লিপ্ত। তারা মূলত গ্রামের সহজ-সরল নারীদের টার্গেট করে বিভিন্ন প্রলোভন দেখিয়ে পাচার করার চেষ্টা করে। তথ্য পেলে আমরা দ্রুত ব্যবস্থা গ্রহণের চেষ্টা করি।’</p>
<p>অন-অ্যারাইভাল ভিসায় এসে অভিজাত এলাকায় ‘আস্তানা’</p>
<p>রাজধানীর অভিজাত এলাকা হিসেবে পরিচিত গুলশান, উত্তরা, বসুন্ধরা এবং নিকুঞ্জ এলাকাতেই মূলত তাদের আস্তানা। আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর অভিযানে গ্রেফতার ব্যক্তিরা এসব এলাকায় আস্তানা গেড়ে কর্মকাণ্ড পরিচালনা করে আসছিলেন। এছাড়া রাজধানীর বাইরে চট্টগ্রামে আস্তানা গেড়ে অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডের তথ্যও পাওয়া যায়।</p>
<p>খোঁজ নিয়ে জানা যায়, মূলত ট্যুরিস্ট হিসেবে অন-অ্যারাইভাল ভিসায় যারা আসছেন, তারাই এসব অপরাধে যুক্ত হয়ে পড়ছেন।</p>
<p>মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের কর্মকর্তারা বলেন, যাদের গ্রেফতার করা হয়েছে তারা মূলত ট্যুরিস্ট হিসেবে এসেছিলেন। তাদের ভিসার মেয়াদ ছিল দুই থেকে তিন মাস।</p>
<p>একই তথ্য পাওয়া যায় ডিবির কাছ থেকেও। ডিবির কর্মকর্তারা বলেন, তারা স্বল্প সময়ের জন্য দেশে এসে এ ধরনের অপরাধ করে আবার চলে যান। পরে আরেকটি গ্রুপ আসে। এভাবেই তারা কার্যক্রম চালাত।</p>
<p>হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের ইমিগ্রেশনের নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক কর্মকর্তা বলেন, চীনের নাগরিকরা অন-অ্যারাইভাল ভিসা পান। তারা অন-অ্যারাইভাল ডেস্ক থেকে দুই থেকে তিন মাসের ভিসা পান। সেক্ষেত্রে তাদের একটি খরচ বহন করতে হয়।</p>
<p>তিনি বলেন, ‘ইমিগ্রেশনের আসলে এখানে করার কিছু নেই। কে অপরাধী আর কে অপরাধী না, সেটা তো আমরা বুঝতে পারি না। যদি কেউ অপরাধে জড়ায়, তবে আমাদের অন্যান্য উইং আছে, তারা সেটি দেখবে।’</p>
<p>বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক আবু নোমান বলেন, কিছুদিন আগেও দেখা যেত আফ্রিকার দেশগুলোর নাগরিকরা নানা অপরাধে যুক্ত। তারা প্রায়ই গ্রেফতারও হতেন। কিন্তু বর্তমানে চীনের মতো একটি দেশের নাগরিকরা যে অপরাধে যুক্ত, তা সত্যিই অবাক করার মতো।</p>
<p>তিনি বলেন, ‘চীনের সঙ্গে আমাদের যে সম্পর্ক, তাতে করে তাদের আসতে কঠোরতাও আমরা করতে পারছি না। পাশাপাশি দেশে এসে তারা যে অপরাধ করছে, তাতে করে আমরা বিব্রতও হচ্ছি।’</p>
<p>তিনি বলেন, ‘স্পেশাল ব্রাঞ্চের উচিত হবে এগুলো তীক্ষ্ণ নজরদারির মধ্যে রাখা।’বাংলা ট্রিবিউন</p>
]]></content:encoded>
					
					<wfw:commentRss>https://chtnews24.com/2026/08/24/%e0%a6%9f%e0%a7%8d%e0%a6%af%e0%a7%81%e0%a6%b0%e0%a6%bf%e0%a6%b8%e0%a7%8d%e0%a6%9f-%e0%a6%b9%e0%a6%af%e0%a6%bc%e0%a7%87-%e0%a6%8f%e0%a6%b8%e0%a7%87-%e0%a6%85%e0%a6%aa%e0%a6%b0%e0%a6%be%e0%a6%a7/feed/</wfw:commentRss>
			<slash:comments>0</slash:comments>
		
		
			</item>
	</channel>
</rss>
