রবিবার, ২৫ জুলাই ,২০২১

Bangla Version
  
SHARE

রবিবার, ৩০ মে, ২০২১, ০৪:০৬:৩৫

ব্যাংক লেনদেনের সময় বাড়ল আরও আধাঘণ্টা

ব্যাংক লেনদেনের সময় বাড়ল আরও আধাঘণ্টা

ঢাকা: করোনাভাইরাসের সংক্রমণ প্রতিরোধে চলমান বিধিনিষেধ আগামী ৬ জুন পর্যন্ত বাড়ানো হয়েছে। এ সময় ব্যাংক আগের মতো সীমিত পরিসরে খোলা থাকবে। তবে বিধিনিষেধের এই সাত দিন লেনদেন ও ব্যাংক খোলা রাখার সময় আগের চেয়ে ৩০ মিনিট বা আধাঘন্টা বাড়ানো হয়েছে। নতুন সময় অনুযায়ী লেনদেন সকাল ১০টা থেকে তিনটা পর্যন্ত চলবে। এতদিন বেলা ২:৩০টা পর্যন্ত লেনদেন হতো।

রবিবার বাংলাদেশ ব্যাংকের ডিপার্টমেন্ট অব অফ-সাইট সুপারভিশন বিভাগের মহাব্যবস্থাপক আনোয়ারুল ইসলাম স্বাক্ষরিত এ সংক্রান্ত একটি প্রজ্ঞাপন জারি করে তফসিলি ব্যাংকের প্রধান নির্বাহীদের কাছে পাঠানো হয়েছে।

প্রজ্ঞাপনে বলা হয়, ব্যাংক কার্যক্রম অব্যাহত রাখার বিষয়ে ২০২১ সালের ১৩ এপ্রিল নির্দেশনা জারি করা হয়। পরবর্তী সময়ে ২০ ও ২৮ এপ্রিল, ৫ মে এবং ১৬ মে সীমিত পর্যায়ে ব্যাংকিং কার্যক্রম পরিচালনের সময়সীমা ৩০ মে পর্যন্ত বর্ধিত করা হয়। কিন্তু ৩০ মে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ, করোনাভাইরাসের সংক্রমণ প্রতিরোধে চলমান বিধিনিষেধ আগামী ৬ জুন পর্যন্ত বাড়িয়ে প্রজ্ঞাপন জারি করেছে।

এর পরিপ্রেক্ষিতে বিধিনিষেধের সময় ব্যাংক কার্যক্রম অব্যাহত রাখতে ৩১ মে থেকে ৬ জুন পর্যন্ত সীমিত পর্যায়ে ব্যাংকিং কার্যক্রম পরিচালিত হবে। এ সময় দৈনিক ব্যাংকিং লেনদেন হবে সকাল ১০টা থেকে ৩টা পর্যন্ত। লেনদেন পরবর্তী আনুষঙ্গিক কার্যক্রম সম্পাদনের জন্য সংশ্লিষ্ট ব্যাংক শাখা এবং প্রধান কার্যালয়ের সংশ্লিষ্ট বিভাগ বিকাল ৪:৩০টা পর্যন্ত খোলা রাখা যাবে।

বাংলাদেশ ব্যাংকের ১৩ এপ্রিল জারি করা ডিওএস সার্কুলার লেটার নং-১৫ এ প্রদত্ত অন্যান্য নির্দেশাবলী অপরিবর্তিত থাকবে। অর্থাৎ প্রতিটি ব্যাংকের উপজেলা শহরের একটি শাখা খোলা থাকবে বৃহস্পতিবার, রবিবার ও মঙ্গলবার। এবং সিটি করপোরেশনের এলাকার দুই কিলোমিটারের মধ্যে একটি শাখা প্রতি কর্মদিবস খোলা রাখতে হবে।

ব্যাংক কোম্পানি আইন, ১৯৯১ এর ৪৫ ধারায় প্রদত্ত ক্ষমতাবলে এ নির্দেশনা জারি করা হলো- সার্কুলারে বলা হয়েছে।

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

আজকের প্রশ্ন

বিএনপি নেতা ব্যারিস্টার মাহবুব উদ্দিন খোকন বলেছেন, পুলিশের ওপর নির্বাচন কমিশনের কোনো নিয়ন্ত্রণ নেই। আপনিও কি তা-ই মনে করেন?