রবিবার, ১৭ অক্টোবর ,২০২১

Bangla Version
  
SHARE

রবিবার, ১৯ সেপ্টেম্বর, ২০২১, ০৪:২৪:০৫

পাহাড়ে বসবাসরত ক্ষুদ্র জাতিগোষ্ঠীর লুসাইরা অস্তিত্বের সংকটে

পাহাড়ে বসবাসরত ক্ষুদ্র জাতিগোষ্ঠীর লুসাইরা অস্তিত্বের সংকটে

ডেস্ক রির্পোট:-পাহাড়ে বসবাসরত ক্ষুদ্র জাতিগোষ্ঠীর মধ্যে জনসংখ্যায় সবচেয়ে কম লুসাই জনগোষ্ঠী। ১৯৯১ সালের জরিপ মতে, এদের জনসংখ্যা ১ হাজার ৯৮ জন। তবে লুসাইরা বলছেন, এই সংখ্যা বর্তমানে আরও কমে গেছে। খ্রিষ্টান ধর্ম অনুসারী লুসাইরা অনেক বছর আগে হারিয়ে ফেলেছেন তাদের ভাষা, সংস্কৃতি। কিন্তু এসব সংরক্ষণে নেই কোনো সরকারি–বেসরকারি উদ্যোগ। এই জনগোষ্ঠী থেকে হাতে গোনা কয়েকজন উচ্চশিক্ষায় শিক্ষিত হয়েছেন। এদের অধিকাংশ বান্দরবানের। তিন পার্বত্য (রাঙ্গামাটি, বান্দরবান, খাগড়াছড়ি) জেলায় তাঁদের কোথাও সমষ্টিগত গ্রাম নেই। সাধারণ পাংখোয়াদের সঙ্গে বসবাস করছেন। বান্দরবান জেলা সদর, রুমা, রাঙ্গামাটির কাপ্তাইয়ের চন্দ্রঘোনা, সাজেক, বরকলের ঠেগায় কয়েক পরিবার লুসাইয়ের বসবাস আছে। এ জনগোষ্ঠী থেকে তিনজন বিসিএস ক্যাডার হয়েছিলেন। এই তিনজন থেকে দুজন মারা গেছেন। একজন চাকরি থেকে অবসরে গেছেন। তিনি হলেন বান্দরবান সরকারি কলেজের সাবেক অধ্যক্ষ থানাজামা লুসাই। থানাজামা লুসাই বলেন, ‘বর্তমানে আমাদের ছেলেমেয়ে স্নাতক–স্নাতকোত্তর মিলে হবে ৮ থেকে ১২ জন। সময় চলে গেছে, কিন্তু আমাদের জনসংখ্যা বাড়েনি বরং কমেছে। ১৯৭৩ সালে শিক্ষকতায় প্রবেশ করি। ২০০৪ সালে অবসর নিই।’ থানাজামা লুসাই আরও বলেন, ‘লুসাইদের সমৃদ্ধ ইতিহাস থাকলেও আমরা চলে গেলে হয়তো আর লুসাই খুঁজে পাওয়া যাবে না পাহাড়ে। আমাদের অস্তিত্ব সংকটের মুখে। ভাষা, সংস্কৃতি হারিয়ে গেছে। তিন পার্বত্য জেলায় আমাদের কোনো জনপ্রতিনিধি নেই। দু-একজন প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষক আছেন।’ এই সাবেক কলেজ শিক্ষিকা আরও বলেন, সরকারি তালিকায় লুসাইদের নাম আছে। বান্দরবান জেলা পরিষদে বমরা লুসাইদের প্রতিনিধিত্ব করে। রাঙ্গামাটিতে করে পাংখোয়ারা। লুসাইদের প্রতিনিধি দিলে ক্ষতি হতো? প্রতিনিয়ত নীরবে নিভৃতে হারিয়ে যাচ্ছে লুসাইরা। অস্তিত্ব ধরে রাখতে হলে লুসাইদের পরবর্তী প্রজন্মের জন্য রাষ্ট্রকে ভাবতে হবে। লুসাইদের জন্য কোটার ব্যবস্থা রাখতে হবে। আন্তর্জাতিক উন্নয়ন সংস্থায় কাজ করা এক কর্মকর্তা বলেন, ‘আমি বর্তমানে রাঙ্গামাটিতে থাকি। কথা বলার জন্য বা বেড়ানোর জন্য কোনো লুসাই পরিবারকে খুঁজে পাই না। এখানে নেই। আমাদের মা-বাবারা লুসাই ভাষা একটু একটু পারে। আমরা পারি না। ছেলেমেয়েরা বিভিন্ন সম্প্রদায়ের সঙ্গে বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হচ্ছে। এতে করে আমাদের ভাষা, সংস্কৃতি, ধর্ম, বর্ণ হারিয়ে যাচ্ছে। আমাদের কথা বলার জন্য কোথাও কোনো প্রতিনিধি তো নেই।’ চাকমা সার্কেল চিফ ব্যারিস্টার দেবাশীষ রায় বলেন, `লুসাইদের সঠিক জনসংখ্যা কত তা জরিপ করা দরকার। এদের বঞ্চিত রেখে টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা অর্জনের চিন্তা করতে পারি না। এদের জন্য রাষ্ট্রের বিশেষভাবে ভাবা উচিত।'আজকের পত্রিকা

এই বিভাগের আরও খবর

  রাঙ্গামাটির কাপ্তাইয়ে নৌকার প্রার্থীকে গুলি করে হত্যা

  রাঙ্গামাটির জুরাছড়ির পাহাড়ে এখন পাকা ধানের সুবাস

  রাঙ্গামাটির ৪১টি মন্ডপ প্রস্তুত, বাজবে পূজোঁর ঢোল

  রাঙ্গামাটির কাপ্তাইয়ে ইউপি নির্বাচন ঘিরে আওয়ামী লীগে উচ্ছ্বাস

  রাঙ্গামাটির লংগদুতে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে যুবকের মৃত্যু

  রাঙ্গামাটিতে পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের অর্থায়নে সেলাই মেশিন বিতরণ

  রাঙ্গামাটির বাঘাইছড়িতে নিখোঁজের ৪দিন পর স্কুল ছাত্রী প্রেমিকসহ উদ্ধার

  রাঙ্গামাটির বাঘাইছড়িতে ৪ দিন থেকে নিখোঁজ স্কুলছাত্রী পূর্ণিমা দেবী চাকমা

  রাঙ্গামাটির লংগদুতে স্বাস্থ্যসেবা কেন্দ্র আছে,নেই চিকিৎসক ভোগান্তিতে ৮৫ হাজার মানুষ

  রাঙ্গামাটিতে বর্ণিল আয়োজনে নিউজবাংলার প্রথম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপন

  এমপি ফজলে করিম চৌধুরীর সাথে রাঙ্গামাটি প্রেসক্লাবের সাংবাদিকদের সাক্ষাত

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

আজকের প্রশ্ন

বিএনপি নেতা ব্যারিস্টার মাহবুব উদ্দিন খোকন বলেছেন, পুলিশের ওপর নির্বাচন কমিশনের কোনো নিয়ন্ত্রণ নেই। আপনিও কি তা-ই মনে করেন?