বুধবার, ২৭ অক্টোবর ,২০২১

Bangla Version
  
SHARE

বৃহস্পতিবার, ২৩ সেপ্টেম্বর, ২০২১, ০৬:২৪:৩৪

১৭ বছর পর বিচ্ছেদের আনন্দে ‘ডিভোর্স পার্টি’ দিলেন স্ত্রী

১৭ বছর পর বিচ্ছেদের আনন্দে ‘ডিভোর্স পার্টি’ দিলেন স্ত্রী

ডেস্ক রির্পোট:- ১৭ বছর পর বিবাহিত জীবনের ইতি টেনে বিচ্ছেদের আনন্দে ডিভোর্স পার্টি দিলেন এক নারী। স্বামীর কাছ থেকে ‘চূড়ান্তভাবে মুক্ত হওয়ার আনন্দেই নাকি তিনি বন্ধু ও আত্মীয়-স্বজনদের নিয়ে ডিভোর্স পার্টির আয়োজন করেছেন। গত মঙ্গলবার এক প্রতিবেদনে এই তথ্য জানিয়েছে ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম মিরর। প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে, স্বামীর কাছ থেকে মুক্তির আনন্দে ডিভোর্স পার্টির আয়োজন করা ডিভোর্সি ওই নারীর নাম সোনিয়া গুপ্ত। বিবাহিত জীবন থেকে মুক্তি ও দীর্ঘ প্রক্রিয়ার পর ডিভোর্স সম্পন্ন হওয়ায় বন্ধু ও আত্মীয়-স্বজনদের নিয়ে ওই পার্টির আয়োজন করে ৪৫ বছর বয়সী ওই নারী। ডিভোর্স প্রক্রিয়া সম্পন্ন হতে প্রায় তিন বছর সময় লেগে যায় বলে জানিয়েছে মিরর। বিশ্বব্যাপী বিয়ে ও সংশ্লিষ্ট আয়োজনে অনেক পার্টির আয়োজন হয়। আনন্দ উদযাপনে সেখানে সবাই রঙিন পোশাক পরে থাকেন। কিন্তু ডিভোর্সের পার্টিতে সোনিয়া গুপ্ত পরেছেন রঙিন জাঁকজমকপূর্ণ পোশাক। অনলাইনে ছড়িয়ে পড়া একটি ছবিতে দেখা যায়, দুই সন্তানের জননী সোনিয়া ঝলমলে রঙিন পোশাকের ওপর লিখেছেন ‘ফাইনালি ডিভোর্স।’ এমনকি পার্টিতে অংশ নেওয়া অতিথিদেরও ঝলমলে ও উজ্জ্বল পোশাক পরে আসতে অনুরোধ করেছিলেন সোনিয়া। ২০০৩ সালে ভারতে বিয়ে হয় সোনিয়ায়। বিয়ের পরই তিনি উপলব্ধি করেন, তার বিবাহিত জীবন সুখের নয়। এরপর বহু বছর ধরে বিয়ে টিকিয়ে রাখার চেষ্টাও করেন তিনি। অবশেষে চূড়ান্ত বিচ্ছেদের পথেই হেঁটেছেন সোনিয়া। বিয়ের পর নিজের ব্যক্তিত্বও নষ্ট হয়ে গেছে বলে মনে করেন তিনি। স্বামীর সঙ্গে সম্পর্ক নিয়ে সোনিয়া বলেন, আমরা ভারতে বিয়ে করেছিলাম। পরে আমরা যুক্তরাজ্যে চলে আসি। আমি বছরের পর বছর ধরে অসুখী ছিলাম। ২০১৮ সালে ডিভোর্স প্রক্রিয়া শুরু হলেও তা শেষ হতে ৩ বছর লেগে যায়। আর দীর্ঘ এই প্রক্রিয়া শেষে চূড়ান্তভাবে মুক্তি পেয়ে সোনিয়া গুপ্ত অনেক খুশি। বিচ্ছেদের আনন্দে আয়োজিত ডিভোর্স পার্টির অনুষ্ঠান দেখেই তা বোঝা যাচ্ছে।

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

আজকের প্রশ্ন

বিএনপি নেতা ব্যারিস্টার মাহবুব উদ্দিন খোকন বলেছেন, পুলিশের ওপর নির্বাচন কমিশনের কোনো নিয়ন্ত্রণ নেই। আপনিও কি তা-ই মনে করেন?