বুধবার, ২৭ অক্টোবর ,২০২১

Bangla Version
  
SHARE

বৃহস্পতিবার, ২৩ সেপ্টেম্বর, ২০২১, ১২:৫১:৩০

এবার রহস্যজনক রোগ 'হাভানা সিন্ড্রোম' ধরা পড়ল ভারতে!

এবার রহস্যজনক রোগ 'হাভানা সিন্ড্রোম' ধরা পড়ল ভারতে!

ডেস্ক রির্পোট:- করোনাভাইরাসের তৃতীয় ঢেউ নিয়ে উৎকণ্ঠার মধ্যেই এবার ভারতে ধরা পড়ল রহস্যজনক রোগ 'হাভানা সিন্ড্রোম'। এ রোগের মতো উপসর্গ দেখা দিয়েছে সেন্ট্রাল ইন্টেলিজেন্স এজেন্সির (সিআইএ) এক কর্মকর্তার শরীরে। আর তা নিয়ে রীতিমতো হইচই পড়েছে। মঙ্গলবার মার্কিন সংবাদমাধ্যম সিএনএনের একটি প্রতিবেদনের বরাতে ভারতীয় সংবাদমাধ্যম এমনটি জানিয়েছে। ভারতীয় সংবাদমাধ্যম থেকে জানা গেছে, সিআইএর এক কর্মকর্তা ভারত সফরে আসার পর থেকে তার শরীরে হাভানা সিন্ড্রোম দেখা দিয়েছে। করোনার মধ্যেই ভারতে সিআইএর কর্মকর্তার শরীরে এই হাভানা সিন্ড্রোমের চিহ্ন পাওয়ার পর নড়েচড়ে বসেছে যুক্তরাষ্ট্র প্রশাসন। চলতি মাসে যুক্তরাষ্ট্র গুপ্তচর সংস্থার কর্মকর্তা বিল বার্নসের সঙ্গে ভারতে এসেছিলেন ওই সিআইএ এজেন্ট। প্রতিবেদন অনুযায়ী, কয়েক মাসের মধ্যে এই নিয়ে দ্বিতীয়বার বিদেশ সফরে কোনো যুক্তরাষ্ট্র কর্মকর্তার শরীরে 'হাভানা সিন্ড্রোম'-এর মতো উপসর্গ ধরা পড়ল। এই উপসর্গের সূচনা কবে? কিউবাতে প্রথমবার এই হাভানা সিন্ড্রোম দেখা দেয় ২০১৬ সালে। এরপর সেভাবে এই সমস্যা নিয়ে তেমন তোলপাড় দেখা যায়নি। তবে জানা গেছে সম্প্রতি ভারত সফরে সিআইএর ডিরেক্টর উইলিয়াম বার্নসের সঙ্গে ওই মার্কিন সিআইএ অফিসার ছিলেন। যার দেহে পরে হাভানা সিন্ড্রোম দেখা দিয়েছে। তাতেই তোলপাড় যুক্তরাষ্ট্র সংবাদমাধ্যম। প্রশ্ন উঠেছে কী এই রহস্যময় অসুস্থতা যা নিয়ে বারবার রাশিয়ার দিকে আঙুল তুলছে যুক্তরাষ্ট্র? ২০১৬ সালে কিউবাতে এই রোগের জটিলতা দেখা যায় যুক্তরাষ্ট্রের গুপ্তচরদের শরীরে। পরে রাশিয়ার কূটনীতিবিদ ও অস্ট্রিয়া, চীনসহ বিভিন্ন দেশের কূটনীতিবিদের শরীরে এই সমস্যা দেখা দিতে শুরু করে। দেখা যায়, কিউবার হাভানাতে যেসব বিদেশি কূটনীতিবিদরা ছিলেন তাদের শরীরে অদ্ভুত এক জটিলতা সৃষ্টি হতে থাকে। এক অদ্ভুত শারীরিক সমস্যা সারা শরীরে হতে থাকে যা হাভানার হোটেল রুমেই ঘটে। ফলে অনেকের মধ্যেই আচমকা এই রোগ নিয়ে সন্দেহ সৃষ্টি হয়। রহস্যময় রোগে কোনো স্নায়ুগত সমস্যা হয়? এই রোগে কেউ আক্রান্ত হলে তার মধ্যে বমিভাব আসতে পারে। সেই সঙ্গে প্রবল মাথার যন্ত্রণা, শরীর দুর্বল, মাথা ঘোরা ভাব থাকে, এমনকি ঘুমাতেও সমস্যা হয়। আর স্নায়ুগত দিক থেকে এই রোগের বড় সমস্যা হলো ভুলে যাওয়া। অনেকেই শ্রবণশক্তি হারিয়ে ফেলেন আবার অনেকে ভুলে যেতে থাকেন। এসব ঘটনার উদ্রেক যেহেতু প্রথমবার হাভানাতে হয়েছিল, তাই এই সমস্যাকে হাভানা সিন্ড্রোম বলা হয়। একাধিক প্রতিবেদন অনুযায়ী, যে সকল মার্কিন কর্মকর্তারা 'হাভানা সিন্ড্রোম'-এ আক্রান্ত হয়েছেন তাদের দাবি, কানের ভিতর সারাক্ষণ আওয়াজ হতে থাকে। কানে চাপা দিলেও সেই আওয়াজ যায় না। কেউ কেউ আবার দাবি করেছেন, সারাক্ষণ গুনগুন শব্দ হয়। যারা 'হাভানা সিন্ড্রোম'-এ আক্রান্ত হয়েছেন, তারা দীর্ঘদিন মাথা ঘোরার মতো সমস্যার মুখে পড়েছেন। ক্লান্তি অনুভব করেছেন। শারীরিক অবস্থার অবনতির জন্য কয়েকজনকে আগেই অবসর নিতে হয়েছে।

এই বিভাগের আরও খবর

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

আজকের প্রশ্ন

বিএনপি নেতা ব্যারিস্টার মাহবুব উদ্দিন খোকন বলেছেন, পুলিশের ওপর নির্বাচন কমিশনের কোনো নিয়ন্ত্রণ নেই। আপনিও কি তা-ই মনে করেন?