শুক্রবার, ৩০ জুলাই ,২০২১

Bangla Version
  
SHARE

সোমবার, ১৯ জুলাই, ২০২১, ১২:৫৬:৫৯

বিশ্বজুড়ে ফোনে আড়িপাতার চাঞ্চল্যকর তথ্য ফাঁস!

বিশ্বজুড়ে ফোনে আড়িপাতার চাঞ্চল্যকর তথ্য ফাঁস!

ডেস্ক রির্পোট:-বিশ্বজুড়ে ফোনে আড়িপাতার চাঞ্চল্যকর তথ্য ফাঁস হয়েছে। ইসরায়েলের তৈরি স্পাইওয়্যার পেগাসাস ব্যবহার করে বিভিন্ন দেশের গুরুত্বপূর্ণ শ্রেণি-পেশার মানুষের ফোনে এই আড়িপাতার ঘটনা ঘটেছে। বিভিন্ন দেশের প্রেসিডেন্ট ও প্রধানমন্ত্রী ছাড়াও এই তালিকায় রয়েছেন রাজনীতিবিদ, সাংবাদিক, মানবাধিকারকর্মী, আইনজীবী, সরকারি কর্মকর্তা, বিজ্ঞানী, ব্যবসায়ী ও ধর্মীয় নেতা। বিভিন্ন দেশের কর্তৃত্ববাদী সরকারগুলো এই নজরদারি করছিল বলে অভিযোগ উঠেছে। স্থানীয় সময় রবিবার ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম গার্ডিয়ান এক প্রতিবেদনে জানায়, ফাঁস হওয়া ডেটাবেইসে ৫০ হাজারের বেশি ফোন নম্বর পাওয়া গেছে, ২০১৬ সাল থেকে যাদেরকে নজরদারি করা হচ্ছিল। প্রতিবেদনে আরও বলা হয়, ফাঁস হওয়ার এই ঘটনাটি প্রথমে জানতে পারে প্যারিসভিত্তিক সংস্থা ফরবিডেন স্টোরিজ ও অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনাল। পরে সেটি গার্ডিয়ান, দ্য অয়্যারসহ ১৭টি সংবাদমাধ্যমের হাতে পৌঁছে। সংবাদ মাধ্যমগুলো তাদের যৌথ অনুসন্ধানের নাম দিয়েছে ‘পেগাসাস প্রজেক্ট’। ইসরায়েলি প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠান এসএসও গ্রুপ পেগাসাস নামে এই ম্যালয়্যার তৈরি করেছে, কোম্পানিটির নামেই এর নাম কারণ করা হয়েছে। এটি আইফোন বা অ্যান্ড্রয়েড মোবাইলে প্রব্শে করে ব্যবহারকারীর মেসেজ, ছবি, ইমেইল পাচারের পাশাপাশি কল রেকর্ড বা মাইক্রোফোন চালু করে রাখার মতো ভয়ঙ্কর ঘটনাও ঘটাতে পারে। তালিকায় থাকা ৫০ হাজার ফোন নম্বরগুলো ৪৫টি দেশের, যার ১ হাজারের বেশি নম্বর ইউরোপের দেশগুলোর। নিউজ পোর্টাল দ্য অয়্যার এক প্রতিবেদনে জানায়, হ্যাকিংয়ের এই তালিকায় ভারতের অন্তত ৩০০ ব্যক্তির নাম রয়েছে। এরমধ্যে মন্ত্রী, সাংবাদিক ছাড়াও রয়েছেন বহু ব্যবসায়ী, সরকারি কর্মকর্তা, বিজ্ঞানী ও সমাজকর্মী রয়েছেন। অয়্যার বলছে, বেশিরভাগ হ্যাক করা হয়েছে ২০১৮ থেকে ২০১৯ সালের মধ্যে। তবে ভারত সরকার কোনও ধরনের আড়িপাতায় জড়িত থাকার অভিযোগ অস্বীকার করেছে। এ বিষয়ে সরকারের পক্ষ থেকে দেওয়া এক বিবৃতিতে বলা হয়, ফোনে আড়িপাতা নিয়ে সরকারের বিরুদ্ধে যে অভিযোগ উঠেছে তার কোনও ভিত্তি নেই। দেশে সব নাগরিকের গোপনীতা রক্ষার বিষয়টি সুনিশ্চিত করা হয়। এই কারণেই ২০১৯ পার্সোনাল ডেটা প্রোটেকশন বিল পাশ হয়েছে, ২০২১ সালে পাশ হয়েছে তথ্যপ্রযুক্তি আইন, যাতে প্রত্যেক নাগরিকের ব্যক্তিগত তথ্য সুরক্ষিত থাকে। ফাঁস হওয়া এই তালিকায় বিশ্বের অন্তত ১৮০ জন সাংবাদিকের ফোন নম্বর পাওয়া গেছে। এরমধ্যে রয়েছেন ওয়াল স্ট্রিট জার্নাল, সিএনএন, নিউইয়র্ক টাইমস, আল জাজিরা, ফ্রান্স ২৪, রেডিও ফ্রি ইউরোপ, মিডিয়াপার্ট, অ্যাসোসিয়েট প্রেস (এপি), ব্লুমবার্গ, এএফপি, ইকোনমিস্ট, রয়টার্স, ভয়েস অব আমেরিকাসহ আরও কয়েকটি সংবাদমাধ্যমের সাংবাদিকেরা। তবে স্পাইওয়্যারটি তৈরি কোম্পানি এনএসও এক বিবৃতিতে দাবি করেছে, ৫০ হাজার ফোন নম্বরের যে তালিকার কথা বলা হচ্ছে সেটি অতিরঞ্জিত। তারা শুধু বিশ্বের ৪০টি দেশের সেনাবাহিনী, গোয়েন্দা সংস্থা ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর কাছে স্পাইওয়্যারটি বিক্রি করেছে।

এই বিভাগের আরও খবর

আজকের প্রশ্ন

বিএনপি নেতা ব্যারিস্টার মাহবুব উদ্দিন খোকন বলেছেন, পুলিশের ওপর নির্বাচন কমিশনের কোনো নিয়ন্ত্রণ নেই। আপনিও কি তা-ই মনে করেন?