বুধবার, ০১ ডিসেম্বর ,২০২১

Bangla Version
  
SHARE

রবিবার, ০৩ অক্টোবর, ২০২১, ০১:৫১:২১

কাগজে-কলমে দেশ শতভাগ বিদ্যুতায়ন, প্রত্যাশামত বিদ্যুৎসেবা পাচ্ছেন না গ্রাহকরা

কাগজে-কলমে দেশ শতভাগ বিদ্যুতায়ন, প্রত্যাশামত বিদ্যুৎসেবা পাচ্ছেন না গ্রাহকরা

ডেস্ক রির্পোট:- কাগজে-কলমে দেশে শতভাগ বিদ্যুতায়ন হলেও প্রত্যাশা অনুযায়ী বিদ্যুৎসেবা পাচ্ছেন না গ্রাহকরা। প্রত্যন্ত অঞ্চলে লোডশেডিং নিত্যদিনের ঘটনা। বিদ্যুৎ সংকট রয়েছে রাজধানী ও আশপাশের এলাকায়ও। নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ না থাকায় এখনো ক্যাপটিভ বিদ্যুতের (নিজস্ব ব্যবস্থা) ওপর নির্ভরশীল অনেক শিল্পকারখানা। সরকারের দায়িত্বশীল কর্মকর্তারা বলছেন, গত ১০ বছরে বিদ্যুৎ উৎপাদনে জোর দেওয়া হয়েছে। তবে পর্যাপ্ত অর্থায়ন না থাকার পাশাপাশি বিদ্যুৎ বিতরণ ও সঞ্চালন খাতে কিছু সীমাবদ্ধতা রয়েছে। আছে প্রাথমিক জ্বালানির সংকটও। এসব সংকট কাটিয়ে সরকার অদূরভবিষ্যতে নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎসেবা নিশ্চিত করার দিকে আরও মনোযোগ দেবে। অন্যদিকে দেশের ছয়টি বিতরণ কোম্পানির শীর্ষস্থানীয় কর্মকর্তারা বলছেন, অবকাঠামোগত উন্নয়নের মাধ্যমে নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎসেবা দিতে বেশকিছু প্রকল্প চলমান রয়েছে। এসব প্রকল্পের সুফল পেতে মোটামুটি পাঁচ বছর অপেক্ষা করতে হবে। দেশের মানুষ কবে নাগাদ নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ পাবেন- এমন প্রশ্নে বিদ্যুৎ প্রতিমন্ত্রী নসরুল হামিদ বলেন, সরকারের ভিশন অনুযায়ী চলতি বছর শতভাগ মানুষকে বিদ্যুৎ সুবিধার আওতায় আনা হয়েছে। এখন সাশ্রয়ী ও নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎসেবা নিশ্চিত করতে কাজ করছে সরকার। সামনের দিনগুলোয় নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ সরবরাহের দিকে যাবে সরকার। নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎসেবা নিশ্চিত করতে সরকারের সামনে সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ কী- এমন প্রশ্নে প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ অর্থায়ন। বিদ্যুৎ ও জ্বালানি খাতের উন্নয়নে বিলিয়ন বিলিয়ন ডলার খরচ করতে হচ্ছে। এ ছাড়া বিদেশ থেকে আমদানি করা জ্বালানি তেল কিংবা এলএনজির দাম প্রায়ই ওঠানামা করায় এ খাতে বেশ প্রভাব পড়ছে।’ বিদ্যুৎ বিভাগের তথ্যমতে, দেশে বিদ্যুৎ উৎপাদন সক্ষমতা ২৫ হাজার ২৩৫ মেগাওয়াট। তবে চাহিদা না থাকায় উৎপাদন সক্ষমতার অর্ধেক বিদ্যুৎ উৎপাদন হয়। গড় উৎপাদন ৯ থেকে ১০ হাজার মেগাওয়াট। এ পর্যন্ত একদিনে সর্বোচ্চ বিদ্যুৎ উৎপাদন হয়েছে গত ২৭ এপ্রিল; ১৩ হাজার ৭৯২ মেগাওয়াট। খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, ময়মনসিংহ ও রংপুর অঞ্চলে লোডশেডিং সবচেয়ে বেশি। এর অন্যতম কারণ হলো প্রাথমিক জ্বালানির অভাবে সক্ষমতা বা চাহিদা অনুযায়ী উৎপাদন করতে না পারা। এ বিষয়ে বিদ্যুৎ বিভাগের নীতি-গবেষণাবিষয়ক প্রতিষ্ঠান পাওয়ার সেলের মহাপরিচালক মোহাম্মদ হোসাইন আমাদের সময়কে বলেন, ‘বর্তমান সরকারের ১০ বছরের ঐকান্তিক প্রচেষ্টায় এখন শতভাগ এলাকা বিদ্যুতের আওতায় এসেছে। তবে মানুষ যে নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ সুবিধা চায়, সেটা পুরোপুরি সফল করতে সময় লাগবে আরও অন্তত ৫ বছর।’ তিনি জানান, সঞ্চালন, বিতরণ ও অবকাঠামোগত কিছু সংকট রয়েছে। সেগুলো বাস্তবায়নে অনেক প্রকল্প চলমান। তবে এখন সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে প্রাথমিক জ্বালানির সংস্থান। তিনি বলেন, ‘আমাদের দেশের নিজস্ব গ্যাস ফুরিয়ে আসছে। আমদানিনির্ভর এলএনজির দাম বাড়ছে প্রতিনিয়ত। ৬ ডলারে কেনা এলএনজির দাম এখন ৩৯ ডলার। ফলে মানুষকে নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ সরবরাহে প্রতিনিয়ত চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করতে হচ্ছে সরকারকে।’ বিদ্যুৎ বিভাগ সূত্রে জানা যায়, ২০২১ সালে সরকারের বিদ্যুৎ উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা ছিল ২৪ হাজার মেগাওয়াট। কিন্তু বিভিন্ন শিল্পকারখানার নিজস্ব ব্যবস্থা (ক্যাপটিভ) এবং নবায়নযোগ্য জ্বালানিসহ এখন দেশে বিদ্যুৎ উৎপাদন সক্ষমতা ২৫ হাজার ২৩৫ মেগাওয়াট। বিদ্যুৎ বিভাগ বলছে, কিছু দ্বীপাঞ্চল এবং পাহাড়ি এলাকা ছাড়া দেশ এখন শতভাগ বিদ্যুতের আওতায় চলে এসেছে। বাংলাদেশে এখন মোট বিদ্যুৎ গ্রাহক চার কোটি নয় লাখ। বর্তমান সরকার ২০০৯ সালে ক্ষমতায় আসার সময় দেশে বিদ্যুৎ উৎপাদন সক্ষমতা ছিল মাত্র চার হাজার ৯৪২ মেগাওয়াট। গ্রাহক ছিল এক কোটি আট লাখ। বাংলাদেশ বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ডের চেয়ারম্যান প্রকৌশলী বেলায়েত হোসেন আমাদের সময়কে বলেন, ‘সঞ্চালন-বিতরণ কিংবা অবকাঠামোগত যেসব সংকট রয়েছে, সেগুলো আশা করছি ২০২৩ সালের মধ্যে শেষ হয়ে যাবে। তবে নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ সরবরাহে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো জ্বালানির সংস্থান নিশ্চিত করা।’ ঢাকা পাওয়ার ডিস্ট্রিবিউশন কোম্পানির (ডিপিডিসি) ব্যবস্থাপনা পরিচালক প্রকৌশলী বিকাশ দেওয়ান আমাদের সময়কে বলেন, ডিপিডিসি আওতাধীন এলাকায় বিদ্যুৎ সরবরাহ ব্যবস্থা তুলনামূলক ভালো। মানুষ ২৪ ঘণ্টা যে নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎসেবা চায়, সেটা পুরোপুরি সফল করতে ২০২৫ সাল পর্যন্ত অপেক্ষা করতে হবে। ঢাকার অভিজাত এলাকা ও সাভার এলাকার বিদ্যুৎ সরবরাহের দায়িত্বে রয়েছে ঢাকা ইলেকট্রিক সাপ্লাই কোম্পানি (ডেসকো)। ডেসকো এলাকার গ্রাহকরা সবচেয়ে বেশি বিদ্যুৎ সুবিধা পেয়ে থাকেন। ওই এলাকায় প্রায় নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ সুবিধা রয়েছে বলে জানান কোম্পানির ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. কাওসার আমীর আলী। তিনি বলেন, ‘ডেসকো এলাকার গ্রাহকদের ২০২৫ সাল পর্যন্ত গুণগত বিদ্যুৎ সরবরাহ ব্যবস্থা করতে সব ধরনের অবকাঠামোগত উন্নয়ন করা আছে। এ ছাড়া ভবিষ্যতে আরও উন্নত বিদ্যুৎ সরবরাহ ব্যবস্থার জন্য আধুনিক প্রযুক্তিনির্ভর অবকাঠামো গড়ে তোলা হচ্ছে। ডেসকো আধুনিক স্ক্যাডা তৈরি করছে। মোবাইল ট্রাকিংয়ের মধ্যে গ্রাহকসেবা নিশ্চিত করতে সব উদ্যোগ নিয়েছে।’ দেশের সবচেয়ে বড় ভৌগোলিক এলাকায় বিদ্যুৎ সরবরাহকারী সংস্থা বাংলাদেশ পল্লী বিদ্যুতায়ন বোর্ডের (বিআরইবি) চেয়ারম্যান মেজর জেনালে মঈন উদ্দিন (অবসরপ্রাপ্ত) আমাদের সময়কে বলেন, পল্লী বিদ্যুতায়ন এলাকায়ও বিদ্যুৎ সরবরাহ ব্যবস্থা ভালো। তবে ঝড়বৃষ্টি কিংবা বড় প্রাকৃতিক দুর্যোগ হলে প্রত্যন্ত অঞ্চলে বিদ্যুৎ সরবরাহে বিঘ্ন ঘটে। তিনি বলেন, ‘তবে নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ সরবরাহ ব্যবস্থা গড়ে তুলতে বিভিন্ন প্রকল্পের কাজ চলমান আছে।’ ময়মনসিংহ এলাকায় লোডশেডিং বেশি কেন- এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, ‘বড়পুকুরিয়া কয়লাখনি বিদ্যুৎকেন্দ্রের সংকটের কারণে ময়মনসিংহ এলাকায় কিছুদিন লোডশেডিং ছিল।’ এদিকে বিদ্যুৎ উৎপাদন ব্যবস্থা নিয়ে সবচেয়ে এই অভিযোগটি বেশি শোনা যায় যে, উৎপাদন সক্ষমতার মাত্র ৪০ শতাংশ ব্যবহার করা হচ্ছে। ভাড়াভিত্তিক বিদ্যুৎকেন্দ্রগুলোর বিদ্যুৎ না নিয়েও ক্যাপাসিটি চার্জ বাবদ বসিয়ে বসিয়ে বিশাল অংকের টাকা পরিশোধ করছে বাংলাদেশ বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ড। সেন্টার ফর পলিসি ডায়ালগ গত জুন মাসে এক প্রতিবেদনে মে মাসের একদিনের চিত্র তুলে ধরে দেখিয়েছে যে, বিদ্যুৎ উৎপাদন সক্ষমতার ৬০ শতাংশ বসিয়ে রেখে ‘ক্যাপাসিটি চার্জ’ দেওয়া হচ্ছে। অর্থাৎ, সরকার যেসব তেল ও গ্যাসভিত্তিক রেন্টাল, কুইক রেন্টাল বিদ্যুৎকেন্দ্রের অনুমোদন দিয়েছিল, চুক্তি অনুযায়ী তাদের কাছ থেকে বিদ্যুৎ কিনতে না পারলে একটি নির্ধারিত চার্জ দিতে হয়। এর আগে যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক গবেষণা প্রতিষ্ঠান ইনস্টিটিউট ফর এনার্জি ইকোনমিকস ফাইন্যান্সিয়াল অ্যানালাইসিস (আইইইএফএ) ২০২০ সালে একটি প্রতিবেদনে বলেছিল, বাংলাদেশে মোট বিদ্যুৎ কেন্দ্রের ৪৩ শতাংশ ব্যবহৃত হয়, বাকি ৫৭ শতাংশ অলস বসিয়ে রেখে ভাড়া দেওয়া হয়। ২০২১-২২ অর্থবছরে জাতীয় বাজেটে ভর্তুকি, প্রণোদনা ও বিভিন্ন সংস্থাকে ঋণ দেওয়ার জন্য যে ৪৯ হাজার কোটি টাকা বরাদ্দ রাখা হয়েছে, তার মধ্যে দ্বিতীয় অবস্থানে রয়েছে বিদ্যুৎ খাত। এই বছর এই খাতে ভর্তুকি দেওয়া হবে ৯ হাজার কোটি টাকা। তবে এসব বিষয়ে ব্যাখ্যা দিয়ে পিডিবির চেয়ারম্যান প্রকৌশলী বেলায়েত হোসেন সম্প্রতি এক অনুষ্ঠানে বলেন, ওভার ক্যাপাসিটি বা বসিয়ে রেখে ভর্তুকি দেওয়ার যে কথা বলা হচ্ছে এটা সঠিক নয়। ওভার ক্যাপাসিটি সিস্টেমের জন্য ভালো। তিনি বলেন, সরকারের বিদ্যুৎ উৎপাদন পরিকল্পনায় ‘পিক আওয়ারের’ বিদ্যুৎ ডিমান্ড বিবেচনায় নিয়ে বিদ্যুৎ উৎপাদন পরিকল্পনা করতে হয়। তিনি বলেন, ‘সিস্টেমের জন্য প্রতি ৬০ মেগাওয়াটের জন্য ১০০ মেগাওয়াট উৎপাদন ক্যাপাসিটি রাখতে হবে। ফলে হিসাব করলে দেখা যাবে আমাদের কোনো ওভার ক্যাপাসিটি নেই।’ এদিকে রংপুর অঞ্চলে বিদ্যুৎ সরবরাহের দায়িত্বে থাকা নর্দান ইলেকট্রিক সাপ্লাই কোম্পানির (নেসকো) ব্যবস্থাপনা পরিচালক জাকিউল ইসলাম আমাদের সময়কে বলেন, রংপুর অঞ্চলে নেসকোর আওতাধীন বিদ্যুৎ গ্রাহকদের ৮৪ শতাংশ আবাসিক গ্রাহক। ওই অঞ্চলে গ্যাস সরবরাহ না থাকার কারণে শিল্পাঞ্চল গড়ে ওঠেনি। সঞ্চালন, বিতরণ ও অবকাঠামোগত উন্নয়নে কাজ চলছে। তবে নেসকো এলাকায় লোডশেডিং বা বিদ্যুৎ সংকটের কারণ বিদ্যুৎ উৎপাদন ব্যবস্থার কারণে। তিনি বলেন, ‘বড়পুকুরিয়া কয়লাভিত্তিক বিদ্যুৎকেন্দ্র এলাকা থেকে ওই অঞ্চলে বিদ্যুৎ সরবরাহ করা হয়। কিন্তু কয়লা সংকটের কারণে বড়পুকুরিয়া পুরো ক্ষমতায় চলতে পারে না।’ বিদ্যুৎ বিভাগ সূত্রে জানা যায়, দেশে বর্তমানে বিদ্যুৎ সঞ্চালন লাইন আছে ১৩ হাজার কিলোমিটার। ২০৩০ সালের মধ্যে ২৮ হাজার কিলোমিটার করার পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে। আর বর্তমানে বিতরণ লাইন রয়েছে ৬ লাখ ১৪ হাজার কিলোমিটার। আগামী ৯ বছরের মধ্যে ৬ লাখ ৬০ হাজার কিলোমিটার করার পরিকল্পনা রয়েছে বিদ্যুৎ বিভাগের। বরিশাল ও খুলনা অঞ্চলে বিদ্যুৎ সরবরাহকারী কোম্পানি ওয়েস্টজোন পাওয়ার ডিস্ট্রিবিউশন কোম্পানির (ওজোপাডিকো) ব্যবস্থাপনা পরিচালক প্রকৌশলী মো. আজহারুল ইসলাম নতুন যোগদান করায় তার স্থলে আরেকজন কর্মকর্তা বলেন, বিদ্যুৎ সরবরাহ ব্যবস্থায় অনেক ত্রুটি রয়েছে। প্রাকৃতিক দুর্যোগে বৈদ্যুতিক তার ছিঁড়ে গেলে নানা সংকটে সেগুলো মেরামত করতে দীর্ঘ সময় লাগে। আগামী দুই-তিন বছরের মধ্যে বিদ্যুৎসেবা আরও উন্নত হবে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন। জ্বালানি বিশেষজ্ঞ ড. শামসুল আলম বলেন, সরকারের বিদ্যুৎ উৎপাদন পরিকল্পনায় গলদ রয়েছে। বিদ্যুৎ উৎপাদন ও বিতরণ ব্যবস্থা গড়ে তোলার ক্ষেত্রে সমন্বয় নেই। এর সবচেয়ে বড় উদাহরণ পটুয়াখালীর পায়রা বিদ্যুৎকেন্দ্র। সঞ্চালন ও বিতরণ লাইন নির্মাণ না হওয়ায় সেখানে ৬৬০ মেগাওয়াট ক্ষমতার একটি ইউনিট বসিয়ে রেখে ক্যাপাসিটি চার্জ দিতে হচ্ছে। বিদ্যুৎ বিভাগ সূত্রে জানা যায়, দেশে বিদ্যুৎ উৎপাদন সক্ষমতা সবচেয়ে বেশি গ্যাসভিত্তিক কেন্দ্রে; ৫২ শতাংশ। ফলে দেশে গ্যাস সংকট থাকায় অধিকাংশ বিদ্যুৎকেন্দ্রই বসিয়ে রাখতে হয়। এ ছাড়া আমদানিনির্ভর ফার্নেস তেলভিত্তিক বিদ্যুৎকেন্দ্র রয়েছে ২৭ শতাংশ, ডিজেল তেলে উৎপাদিত হয় ৬ শতাংশ এবং কয়লায় ৮ শতাংশ। কাপ্তাইয়ে একটি জলবিদ্যুৎ কেন্দ্র রয়েছে, যা বছরের অধিকাংশ সময় পানির সংকটে তেমন উৎপাদন করতে পারে না। এ ছাড়া ভারত থেকে ১১৬০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ আমদানি করা হয়।

এই বিভাগের আরও খবর

  ৯ মাসে ধর্ষণের শিকার ১০৮৯ শিশু

  কর্মস্থলে উপস্থিতি বাধ্যতামূলক উপজেলা চেয়ারম্যানদের,দেওয়া হবে বিশেষ নির্দেশ

  ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে দ্বিতীয় ধাপে ভোট ছাড়াই ৮১ চেয়ারম্যান

  মন্দিরে হামলা মামলা,আসামি প্রতিবন্ধী,বাদী বলছেন আ.লীগ সভাপতি জোর করে করিয়েছেন

  কুমিল্লার ঘটনায় সেই যুবক কক্সবাজারে গ্রেপ্তার,সামনে ইকবাল পেছনে কে

  দুর্ঘটনায় ১৯ সালে মারা গেছে ৪৩৫৮ আহত ৭২৪০ জন,গত নয় মাসে ক্ষতি ২৯ হাজার ৭৮০ কোটি টাকা

  সংখ্যালঘু সম্প্রদায় ও ভিন্ন ভাষা-ভাষী জাতিসত্তাসমূহের জানামাল রক্ষার্থে সরকার ব্যর্থ-ইউপিডিএফ

  সংখ্যালঘুদের ওপর হামলার তদন্ত চায় জাতিসংঘ

  এবার রংপুরের জেলে পল্লীতে আগুন, ফেনী ও নোয়াখালীতে নিরাপত্তা জোরদার

  ১০০ কোটি টাকা খরচের পর বাতিল ঢাকা-চট্টগ্রাম এক্সপ্রেসওয়ে

  ঢাকা-চট্টগ্রাম এক্সপ্রেসওয়ে প্রকল্প বাতিল

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

আজকের প্রশ্ন

বিএনপি নেতা ব্যারিস্টার মাহবুব উদ্দিন খোকন বলেছেন, পুলিশের ওপর নির্বাচন কমিশনের কোনো নিয়ন্ত্রণ নেই। আপনিও কি তা-ই মনে করেন?