বুধবার, ২৭ অক্টোবর ,২০২১

Bangla Version
  
SHARE

মঙ্গলবার, ২১ সেপ্টেম্বর, ২০২১, ০৫:১৬:৫৪

বিল অ্যান্ড মেলিন্ডা গেটস ফাউন্ডেশনের অ্যাওয়ার্ড পেলেন বাংলাদেশের ফাইরুজ ফাইজা

বিল অ্যান্ড মেলিন্ডা গেটস ফাউন্ডেশনের অ্যাওয়ার্ড পেলেন বাংলাদেশের ফাইরুজ ফাইজা

ডেস্ক রির্পোট:- সাতজন মিলে শুরু করেছিলেন নতুন এক যাত্রা। মনের স্কুল। সব মানুষ, বিশেষ করে শিক্ষার্থীরা মন খুলে বলবে তাদের মানসিক অবস্থার কথা। ২০১৮ সালে প্রতিষ্ঠার পর এ পর্যন্ত ১০ হাজারের মতো মানুষকে মানসিক স্বাস্থ্য বিষয়ে নানা সমাধান দিয়েছেন তাঁরা। এবার এল স্বীকৃতি। প্রথম বাংলাদেশি হিসেবে বিল অ্যান্ড মেলিন্ডা গেটস ফাউন্ডেশন থেকে গোলকিপারস অ্যাওয়ার্ড পেয়েছেন বাংলাদেশের তরুণী ফাইরুজ ফাইজা বিথার। মনের স্কুলের সহপ্রতিষ্ঠাতা। ২১ সেপ্টেম্বর এই চেঞ্জমেকার ক্যাটাগরিতে এ পুরস্কারের ঘোষণা আসে। বাংলাদেশি ওই তরুণী ছাড়াও বিশ্বের আরও তিন নারী এবার গোলকিপারস অ্যাওয়ার্ডের বিভিন্ন ক্যাটাগরিতে পুরস্কার পেয়েছেন। এই তিনজন হলেন গোলকিপারস ক্যাটাগরিতে জাতিসংঘের নারী বিভাগের সাবেক নির্বাহী পরিচালক ফুমজিলে ম্লামবো এনকুকা, অগ্রগতি বিভাগে কলম্বিয়ার জেনিফার কল্পাস এবং ক্যাম্পেইন বিভাগে লাইবেরিয়ার সাট্টা শেরিফ। গণমাধ্যমে দেওয়া প্রতিক্রিয়ায় ফাইরুজ ফাইজা বিথার বলেন, `এই অর্জন আমাদের পুরো দলের। আমরা যে ভার্চুয়াল জগৎটি তৈরি করেছি, তাতে সবাই ভয়হীনভাবে নিজের মনের সব কথা বলতে পারেন। এই অ্যাওয়ার্ডের মাধ্যমে বাংলাদেশের আরও তরুণ-তরুণী মানসিক স্বাস্থ্য নিয়ে কাজ করতে আগ্রহী হবে।' খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের ব্যবসায় প্রশাসন বিভাগে ডিগ্রি অর্জন করা ফাইরুজ বলেন, `আমাদের দেশে অনেকেই মানসিকভাবে হতাশাগ্রস্ত থাকেন, কিন্তু প্রকাশ করতে পারেন না। মানসিক ডাক্তারের কাছে যাওয়াকেও নেতিবাচকভাবে দেখা হয়। এই ভ্রান্ত ধারণা ভেঙে দিতেই মনের স্কুলের শুরু।' বিল অ্যান্ড মেলিন্ডা গেটস ফাউন্ডেশনের ওয়েবসাইটে বলা হয়েছে, পুরস্কার পাওয়া ফাইরুজ ও তাঁর সমমনা ছয় বন্ধু তাঁদের উদ্যোগের মাধ্যমে মানসিক স্বাস্থ্যের গুরুত্ব নিয়ে আলোচনা ও কর্মশালার আয়োজন করেন, পাশাপাশি এই প্ল্যাটফর্মের মাধ্যমে ২৪/৭ ঘণ্টা মানসিক স্বাস্থ্যসেবা দেওয়া হয়। ফাউন্ডেশনের কো-চেয়ার বিল গেটস বলেছেন, `চলমান মহামারি পরিস্থিতিতে নানা প্রতিকূলতার মধ্যেও যে এগিয়ে যাওয়া সম্ভব, এবারের পুরস্কৃত চার মহীয়সী নারী তা প্রমাণ করেছেন। তাঁদের স্বীকৃতি দিতে পেরে আমরা সম্মানিত।' ২০০৯ সালের ১১ জুলাই রাতে খুলনা শহরের মুসলমানপাড়ার মেট্রোপলিটন ক্লিনিকের সামনে সন্ত্রাসীদের গুলিতে নিহত হন শহীদ ইকবাল। তিনি ফাইরুজের বাবা। শহীদ ইকবাল ওই সময় খুলনা সিটি করপোরেশনের ২৪ নম্বর ওয়ার্ড কাউন্সিলর ও আওয়ামী যুবলীগের কেন্দ্রীয় কমিটির সহসভাপতি ছিলেন।

এই বিভাগের আরও খবর

  কর্মস্থলে উপস্থিতি বাধ্যতামূলক উপজেলা চেয়ারম্যানদের,দেওয়া হবে বিশেষ নির্দেশ

  ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে দ্বিতীয় ধাপে ভোট ছাড়াই ৮১ চেয়ারম্যান

  মন্দিরে হামলা মামলা,আসামি প্রতিবন্ধী,বাদী বলছেন আ.লীগ সভাপতি জোর করে করিয়েছেন

  কুমিল্লার ঘটনায় সেই যুবক কক্সবাজারে গ্রেপ্তার,সামনে ইকবাল পেছনে কে

  দুর্ঘটনায় ১৯ সালে মারা গেছে ৪৩৫৮ আহত ৭২৪০ জন,গত নয় মাসে ক্ষতি ২৯ হাজার ৭৮০ কোটি টাকা

  সংখ্যালঘু সম্প্রদায় ও ভিন্ন ভাষা-ভাষী জাতিসত্তাসমূহের জানামাল রক্ষার্থে সরকার ব্যর্থ-ইউপিডিএফ

  সংখ্যালঘুদের ওপর হামলার তদন্ত চায় জাতিসংঘ

  এবার রংপুরের জেলে পল্লীতে আগুন, ফেনী ও নোয়াখালীতে নিরাপত্তা জোরদার

  ১০০ কোটি টাকা খরচের পর বাতিল ঢাকা-চট্টগ্রাম এক্সপ্রেসওয়ে

  ঢাকা-চট্টগ্রাম এক্সপ্রেসওয়ে প্রকল্প বাতিল

  সারাদেশে দুর্গাপূজায় তাণ্ডবের প্রতিবাদে কর্মসূচি ঘোষণা

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

আজকের প্রশ্ন

বিএনপি নেতা ব্যারিস্টার মাহবুব উদ্দিন খোকন বলেছেন, পুলিশের ওপর নির্বাচন কমিশনের কোনো নিয়ন্ত্রণ নেই। আপনিও কি তা-ই মনে করেন?