মঙ্গলবার, ২৮ সেপ্টেম্বর ,২০২১

Bangla Version
  
SHARE

বৃহস্পতিবার, ০৮ জুলাই, ২০২১, ০১:২৪:৫০

খাবারের অপেক্ষায় দিন কাটছে রাজপথে!

খাবারের অপেক্ষায় দিন কাটছে রাজপথে!

ডেস্ক রির্পোট:- ২য় ধাপে করোনার প্রাদুর্ভাবের কারণে কর্মহীন হয়ে পড়া নিম্ন আয়ের পরিবারের অনেকেই খাদ্যসামগ্রীর জন্য রাজধানীর মোড়ে মোড়ে অবস্থান করছেন। এসব খেটে খাওয়া মানুষের সবার চোখেমুখে কষ্টের করুণ ছাপ লেগে আছে, মাঝে-মধ্যে বিত্তবানদের কেউ কেউ কিছু খাদ্যসামগ্রী তাদের মধ্যে বিতরণ করছেন। আবার কেউ কেউ ঘণ্টার পর ঘণ্টা অপেক্ষা করেও কিছুই পাচ্ছেন না। সারাদিন অপেক্ষা করে খালি হাতে ফিরে যেতে হচ্ছে বাসায়। বুধবার (৭ জুলাই) নগরীর বিভিন্ন এলাকা ঘুরে এমন চিত্র দেখা গেছে। মাসুদা বেগম (৫০) জানান, ‘করোনার কারণে কোনো কাজ কাম নাই, কনস্ট্রাকশন সাইডে কাজ করতাম রাজমিস্ত্রি জোগাড় দিয়েছি, ইট ভাঙছি, এখন কেউ আর কাজে নেয় না। না খেয়ে আর কতক্ষণ ঘরে বসে থাকবো তাই সকাল থেকে এই প্রতিবন্ধী বাচ্চা নিয়া ইসিবি চত্বরে রাস্তার পাশে ফুটপাতে টিপ টিপ বৃষ্টির মধ্যে বসে আছি। বেলা ১২টা এখনো কিছুই পাইনি’। হঠাৎ করে একটি কালো গাড়ি এসে দাঁড়ানোর আগেই ছয়-সাত জন ছুটে যায় কিছু খাবারের আশায়, তিনজন কিছু চাল ডাল আলু পেল, বাকি তিন-চার জন খালি হাতে ফেরত আসলো। ভ্যান গাড়ির ড্রাইভার মোহাম্মদ শরীফ (৭০) থাকেন মানিকদী এলাকায়। তিনিও এসে রাস্তার পাশে দাঁড়িয়েছেন খাবারের আশায়। তিনি বলেন, ‘রাস্তায় কোনো খ্যাপ নাই, ঘরের চার জন খাওয়ানোর লোক, সকাল থেকে ইনকাম করতে পারিনি এক টাকাও’। মোশাররফ হোসেন নামে অন্য একজন বলেন, বাড়ি বগুড়ায়, ভাষানটেক এলাকার একটি গ্যারেজে রিকশা চালিয়ে বহুবছর তিন মেয়েকে এইচএসসি পাস করিয়েছি, আর এক মেয়ে এসএসসি পাস করছে, একটি মাত্র ছেলে এসএসসি পরিক্ষা দিবে, ইনকাম করি আমি একা হাজারো কষ্টের মধ্যে কোনো ভাবে ওদেরকে মানুষ করার চেষ্টা করে যাচ্ছিলাম। কিন্তু দ্বিতীয় ধাপে এই করোনা এবং লকডাউন আসার পর থেকে একেবারে ইনকাম নেই বললেই চলে। গাড়ি ধরলেই ৪০০ টাকা খরচ আছে ২০০ টাকা মহাজনকে দিতে হয়, আর ২০০ টাকা আমার থাকা খাওয়া। সংসার চালানো আর সম্ভব হচ্ছে না। তাই এখন ছেলে মেয়ে নিয়ে কীভাবে বেঁচে থাকবো আল্লাহ জানে। কারো কাছ থেকে কোনো সাহায্যও পাচ্ছি না।বাংলানিউজ

এই বিভাগের আরও খবর

আজকের প্রশ্ন

বিএনপি নেতা ব্যারিস্টার মাহবুব উদ্দিন খোকন বলেছেন, পুলিশের ওপর নির্বাচন কমিশনের কোনো নিয়ন্ত্রণ নেই। আপনিও কি তা-ই মনে করেন?