বুধবার, ০৮ ডিসেম্বর ,২০২১

Bangla Version
  
SHARE

বুধবার, ২০ অক্টোবর, ২০২১, ১২:৫০:৩৬

বান্দরবানে ১১ স্কুলের জাতীয়করণের অপেক্ষা ফুরাচ্ছে না

বান্দরবানে ১১ স্কুলের জাতীয়করণের অপেক্ষা ফুরাচ্ছে না

বান্দরবান:- বান্দরবানের ১১টি বেসরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ৪৪ জন শিক্ষক এক যুগের বেশি সময় ধরে বিনা বেতনে শিক্ষার্থীদের পাঠদান করে যাচ্ছেন। বিদ্যালয় জাতীয়করণ হবে, সে আশায় তাঁরা বিনা বেতনে এই শ্রম ও সময় দিচ্ছেন। কিন্তু প্রয়োজনীয় সব শর্ত পূরণ করার পরও বিদ্যালয় জাতীয়করণ না হওয়ায় তাঁদের মধ্যে হতাশা দেখা দিয়েছে। এসব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান আদৌ জাতীয়করণ হবে কি না সে বিষয়েও তাঁরা অনিশ্চয়তায়। বেতন না পেয়ে অনেকে অর্ধাহার-অনাহারে দিন যাপন করছেন। বিদ্যালয়গুলোর শিক্ষকদের সঙ্গে কথা বলে এসব তথ্য জানা গেছে। জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিস ও সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, বান্দরবান জেলায় যে ১১টি প্রাথমিক বিদ্যালয় এখনো জাতীয়করণ হয়নি, সেগুলোর মধ্যে সদর উপজেলায় ৫টি, লামায় ৪টি এবং নাইক্ষ্যংছড়ি উপজেলায় ২টি স্কুল রয়েছে। সরকারিভাবে এসব বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা বিনা মূল্যে পাঠ্যপুস্তক ও প্রাথমিক সমাপনী পরীক্ষার সনদ ছাড়া আর কোনো সুযোগ-সুবিধা পাচ্ছে না। বিদ্যালয়গুলো হলো, বান্দরবান সদর উপজেলার-খমঙখ্যাংওয়া বেসরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, এম্পুপাড়া বেসরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, মশাবনিয়া বেসরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, হেব্রনপাড়া বেসরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় এবং রেনিপাড়া বেসরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়। লামা উপজেলায়, নুনারবিল বেসরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, মিরিঞ্জা বেসরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, ধুইল্যাপাড়া বেসরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় (সরই) এবং কমিউনিটি সেন্টার বেসরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়। নাইক্ষ্যংছড়ি উপজেলার শৈল শক্তি বেসরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় ও ক্যকরোপ জুমখোলা বেসরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়। প্রত্যেকে বিদ্যালয়ের একজন প্রধান শিক্ষক ও তিনজন সহকারী শিক্ষকসহ ৪৪ জন শিক্ষক রয়েছেন। বিদ্যালয়গুলোতে বর্তমানে এক হাজার ১৯৩ জন শিক্ষার্থী অধ্যয়ন করছে। এর মধ্যে শুধু সদর উপজেলার সদর ইউনিয়নের হেব্রনপাড়া বেসরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষকেরা খ্রিষ্টান মিশনারির মাধ্যমে কিছু বেতন পেয়ে থাকেন। পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়কমন্ত্রী বীর বাহাদুর উশৈসিং বান্দরবানের ১১টি বেসরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় জাতীয়করণের জন্য ২০১৬ সালের ৩ সেপ্টেম্বর প্রাথমিক ও গণশিক্ষামন্ত্রী বরাবর ডিও (চাহিদাপত্র) দিয়েছিলেন। পার্বত্য জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ক্যশৈহ্লা ১১টি বেসরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়কে জাতীয়করণের জন্য ২০১৭ সালের ১৭ আগস্ট প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সচিব বরাবর চিঠি দেন। কিন্তু তাতেও কাজ হয়নি। সদর উপজেলার হেব্রনপাড়া বেসরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক লালরাম নোয়াম বম বলেন, ২০০৭ সালে তিনি প্রধান শিক্ষক হিসেবে যোগ দেন। জেলার অনেক বেসরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় জাতীয়করণ হলেও তাঁরটিসহ জেলার মোট ১১টি প্রাথমিক বিদ্যালয় সরকারি করা হয়নি। সামনের দিনগুলো নিয়ে তাঁরা অনিশ্চয়তায় রয়েছেন। লামা উপজেলার সরই ইউনিয়নের ধুইল্যাপাড়া বেসরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক জসিম উদ্দিন বলেন, ২০১১ সাল থেকে প্রধান শিক্ষকের দায়িত্ব পালন করে আসছেন। কিন্তু এখন পর্যন্ত কোনো বেতন-সম্মানী পাননি। স্কুলটি সরকারি না হলে তিনি পরিবার নিয়ে অনিশ্চয়তায় পড়বেন। এ বিষয়ে জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা শফিউল আলম সাংবাদিকদের বলেন, বিদ্যালয়গুলো সম্পর্কে নথিপত্র দেখে বিস্তারিত বলতে পারবেন।আজকের পত্রিকা

এই বিভাগের আরও খবর

  বান্দরবানে শিক্ষার্থীদের টিকাদান শুরু

  বান্দরবানের রুমার তিনটিতে নৌকা ও একটিতে বিদ্রোহী প্রার্থীর জয়লাভ

  বান্দরবানের রুমা ও আলীকদমে আজ রাত ১২টা থেকে ২৮ নভেম্বর রাত ১২টা পর্যন্ত পর্যটকদের ভ্রমণ নিষিদ্ধ

  পাহাড়ি কলা যাচ্ছে সারা দেশে

  বান্দরবানে দুর্বৃত্তদের ব্রাশফায়ারে নিহত ১ গুলিবিদ্ধ ১

  বান্দরবানে ইউপি নির্বাচন,প্রথমবারের মতো নারী প্রার্থী চেয়ারম্যান পদে

  বান্দরবানে শব্দদূষণ নিয়ন্ত্রণে সম্মিলিত প্রয়াসের আহ্বান

  বান্দরবানের লামার দুই প্রার্থীর সমান ভোট আবার নির্বাচন

  বান্দরবানে বৌদ্ধ ভিক্ষুদের মহা পিণ্ডদান সম্পন্ন

  বান্দরবানের লামায় গলায় ছুরি ধরে স্কুলছাত্রী ধর্ষণ

  বান্দরবানে জাতীয় মাউন্টেন বাইক প্রতিযোগিতা

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

আজকের প্রশ্ন

বিএনপি নেতা ব্যারিস্টার মাহবুব উদ্দিন খোকন বলেছেন, পুলিশের ওপর নির্বাচন কমিশনের কোনো নিয়ন্ত্রণ নেই। আপনিও কি তা-ই মনে করেন?