ডেস্ক রির্পোট:- রংপুরে অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষক গণপতি চক্রবর্তী, তার স্ত্রী এবং তাদের মেয়ে ও ছেলে হত্যা মামলায় গ্রেফতার দুই আসামিকে জেলগেটে জিজ্ঞাসাবাদ শেষ হয়েছে বুধবার। জিজ্ঞাসাবাদে যেসব তথ্য উঠে এসেছে, তা খতিয়ে দেখছে পুলিশ।
এদিকে, হত্যাকাণ্ডের দেড় মাস আগে সিদ্ধার্থ দাসের বাবা ও কাকা বাড়ি বিক্রি করেছিলেন। বাড়ি বিক্রি করে সপরিবারে তাদের ভারতে পালিয়ে যাওয়ার পরিকল্পনা ছিল। স্থানীয়দের মুখে মুখে এই কথা চাউর হলেও পুলিশ বলছে, তদন্তের স্বার্থে এখন কিছুই বলা যাবে না।
জানা গেছে, সোমবার রংপুর মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালত-২-এ মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা জিন্নাত আলী কারাগারে থাকা হত্যা মামলার দুই আসামি মুগ্ধ দাস ও সিদ্ধার্থ দাসের তিন দিনের রিমান্ড আবেদন করেন। এর প্রেক্ষিতে দুজনের প্রত্যেককে দুই দিন তিন ঘণ্টা করে জেলগেটে জিজ্ঞাসাবাদের অনুমতি দেন আদালতের বিচারক রফিকুল ইসলাম। আদালতের অনুমতি নিয়ে আসামিদের ব্যাপক জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়। জিজ্ঞাসাবাদে বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ তথ্য উঠে এসেছে। আসামিদের দেওয়া তথ্যের চুলচেরা বিশ্লেষণ করছে পুলিশ।
রংপুর মেট্রোপলিটন পুলিশের অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার তোফায়েল আহমেদ বলেন, তদন্তাধীন বিষয়ে কথা বলা যাবে না। হত্যাকাণ্ড প্রমাণ করতে যা যা দরকার তার সবই করব। বাড়ি বিক্রি ও ভারতে পালিয়ে যাওয়ার পরিকল্পনা ছিল কি না—এমন প্রশ্নের জবাবে ওই পুলিশ কর্মকর্তা বলেন, এখন কিছুই বলা যাবে না।
উল্লেখ্য, গত ২২ আগস্ট রাতে রংপুর নগরীর মাছুয়াপাড়ার নিজ বাড়ি থেকে রংপুর জিলা স্কুলের অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষক গণপতি চক্রবর্তী, তার স্ত্রী প্রীতিলতা চক্রবর্তী, তাদের মেয়ে আগামী চক্রবর্তী ও ছেলে প্রিয়ম চক্রবর্তীর মরদেহ উদ্ধার করা হয়। এ ঘটনায় অভিযুক্ত প্রতিবেশী মুগ্ধ দাস ও সিদ্ধার্থ দাসকে গ্রেফতার করে পুলিশ।
সম্পাদক : এসএম শামসুল আলম।
ফোন:- ০১৫৫০৬০৯৩০৬, ০১৮২৮৯৫২৬২৬ ইমেইল:- smshamsul.cht@gmail.com
© All rights reserved © 2023 Chtnews24.com