শীতকালে কানে সরাসরি ঠান্ডা বাতাস লাগলে সংক্রমণের ঝুঁকি বাড়ে। আবার গোসল করার পরে কান ভালোভাবে শুনিয়ে না নিলে কানের ভেতর ব্যাকটেরিয়া ও ছত্রাক জন্ম নিতে পারে। এমন ছোট ছোট ভুলে কানের বড় বড় ক্ষতি হতে পারে। এজন্য শীতকালে কান ভালো রাখতে সচেতন থাকা জরুরি।
১. আপনার কান উষ্ণ রাখুন
শীতে বাইরে বের হলে কানের উপর ঠান্ডা বাতাস সরাসরি পড়ে নিতে পারে, যা সংক্রমণের ঝুঁকি বাড়ায়। তাই টুপি, ইয়ারমাফ বা স্কার্ফ পরুন যাতে আপনার কান ভালভাবে ঢেকে থাকে।
২. সাঁতার বা গোসলের পর কান ভালো করে শুকিয়ে নিন
কানের ভেতর জল আটকে থাকলে ব্যাকটেরিয়া ও ছত্রাক বৃদ্ধির সুযোগ পেতে পারে, ফলে সংক্রমণ হওয়ার সম্ভাবনা বাড়ে। গোসল বা সাঁতার শেষে কান আলতো করে শুকিয়ে নিন।
৩. কানে কোনো জিনিস ঢোকাবেন না
কানের ভেতর কটন বাড, চুলের পিন বা অন্য কোনো তামাশা ঢোকালে তা কানের খালের ক্ষতি করতে পারে এবং সংক্রমণের ঝুঁকি বাড়ায়। কানের বাইরে অংশ পরিষ্কার রাখতে নরম তোয়ালে ব্যবহার করুন।
৪. ঘরে হিউমিডিফায়ারের ব্যবহার
শীতকালে ঘরের বাতাস খুব শুষ্ক হতে পারে, যা কানের খালের শুষ্কতা ও অস্বস্তি তৈরি করে। হিউমিডিফায়ার ব্যবহার করলে ঘরের আর্দ্রতা ঠিক থাকে এবং সংক্রমণের ঝুঁকি কমে।
৫. রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা শক্ত রাখুন
ভিটামিন–মিনারেল সমৃদ্ধ সুষম খাদ্য, পর্যাপ্ত পানি পান এবং বিশ্রাম নেওয়া সংক্রমণ প্রতিরোধে সাহায্য করে।
৬. ঠান্ডা বাতাস ও হঠাৎ তাপমাত্রা পরিবর্তন এড়িয়ে চলুন
ঠান্ডা থেকে কানের ওপর চাপ বাড়ে এবং সংক্রমণের ঝুঁকি বেড়ে যায়। বাইরে থেকে ঘরে ঢোকার সময় ধীরে ধীরে শরীরকে উষ্ণ হতে দিন।
৭. ভালো স্বাস্থ্যবিধি বজায় রাখুন
নিয়মিত হাত ধোয়া, অসুস্থ ব্যক্তিদের সাথে ঘনিষ্ঠ যোগাযোগ কমানো এবং মুখ–কান স্পর্শ করার আগে পরিষ্কার থাকা সংক্রমণের ঝুঁকি কমায়।
৮. কানের সংক্রমণের প্রাথমিক লক্ষণগুলির দিকে নজর রাখুন
কানে ব্যথা, চাপ অনুভূতি, শুনতে কষ্ট হওয়া বা পানি বের হওয়া—এসব লক্ষণ দেখা দিলে ডাক্তার দেখানো জরুরি।
৯. ধূমপান ও পরোক্ষ ধূমপান এড়িয়ে চলুন
ধূমপান কানের সংক্রমণের ঝুঁকি বাড়াতে পারে, তাই এই অভ্যাস থাকলে ত্যাগের চেষ্টা করুন।
সূত্র: কন্টিনেন্টাল হসপিটাল
সম্পাদক : এসএম শামসুল আলম।
ফোন:- ০১৫৫০৬০৯৩০৬, ০১৮২৮৯৫২৬২৬ ইমেইল:- smshamsul.cht@gmail.com
© All rights reserved © 2023 Chtnews24.com