বৃহস্পতিবার, ২২ আগস্ট ,২০১৯

Bangla Version
SHARE

বুধবার, ০৮ মে, ২০১৯, ০২:৫৯:০৫

বার্সাকে কাঁদিয়ে ফাইনালে লিভারপুল

বার্সাকে কাঁদিয়ে ফাইনালে লিভারপুল

স্পোর্টস ডেস্কঃ-ফলটা সত্যি অবিশ্বাস্য। তিন গোলে পিছিয়ে থেকেও এমন দুর্দান্ত প্রত্যাবর্তন! অনেকটা অসম্ভবকে সম্ভব করে সেমিফাইনালের দ্বিতীয় লেগে বার্সাকে ৪-০ গোলে হারাল অল রেডসরা। তাই দুই লেগ মিলে ৪-৩ গোলে এগিয়ে থেকে উয়েফা চ্যাম্পিয়ন্স লিগের ফাইনাল নিশ্চিত করেছে লিভারপুল।
ন্যু ক্যাম্পে ৩-০ গোলে হেরে এসেছিল লিভারপুল। সেখান থেকে পাহাড়সম একটা লক্ষ্য নিয়ে মঙ্গলবার রাতে এনফিল্ডে খেলতে নামে জার্গেন ক্লপের শিষ্যরা। দুর্দান্ত প্রত্যাবর্তনে সেই পাহাড় টপকে ফাইনালে চলে যায় দলটি। ওরিগি ও উইনালডাম দুজনে জোড়া গোল করে অসম্ভবকে সম্ভব করে।
শুরু থেকেই লিভারপুলের গতিময় ফুটবল আর লম্বা পাসে কাবু হয়ে যায় বার্সা। খেলার ৭ মিনিটে প্রথম গোল পায় লিভারপুল। এ সময় জর্ডান হেন্ডারসনের শট বার্সার গোলরক্ষক স্টোগন ফিরিয়ে দেন। তবে ফিরতি বলে গোল করে শুরুতেই লিভারপুল সমর্থকদের আনন্দে উদ্ভাসিত করেন ওরিগি। প্রথমার্ধে আর কোনো সফলতা পায়নি ক্লপের শিষ্যরা।
তাই দ্বিতীয়ার্ধের শুরুতে হাল্কা চোট পাওয়া রবার্টসনের পরিবর্তে জর্জিনিও উইনালডামকে মাঠে নামান ক্লপ। দ্বিতীয়ার্ধের ১১ মিনিটে জোড়া গোল করে ক্লপের মান রক্ষা করেন উইনালডাম। খেলার ৫৪ মিনিটে আর্নল্ডের সঙ্গে বল দেয়া-নেয়া করে জালে জড়ান এই ডাচ মিডফিল্ডার। দুই মিনিটের ব্যবধানে শাকিরির নেয়া শটে মাথা ছুঁয়ে ফের লক্ষ্যভেদ করেন উইনালডাম।
সমীকরণটা তখন অনেক সহজ হয়ে যায় লিভারপুলের জন্য। ফাইনালে যেতে রক্ষণ সামলে প্রয়োজন ছিল মাত্র এক গোলের। ৭৯ মিনিটে ওরিগিই সেই কাঙ্ক্ষিত গোল করেন। এ সময় কর্নার পায় লিভারপুল। গোলরক্ষক স্টেগেনসহ বার্সেলোনার রক্ষণভাগ তখনও ঠিকভাবে প্রস্তুত ছিল না। কিন্তু রেফারির বাঁশি বাজার সঙ্গে সঙ্গে শট নেন অ্যালেকজান্ডার-আর্নল্ড। সেই বলে জোরালো শটে বল ঠিকানায় পাঠান ওরিগি।

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

আজকের প্রশ্ন

ডেঙ্গুতে মৃত্যুর সংখ্যা নিয়ে বিভ্রান্তির প্রেক্ষাপটে আইইডিসিআরের সাবেক পরিচালক মাহমুদুর রহমান বলছেন, মৃত্যুর ঘটনাগুলো ‘রিভিউ’ করার কোনো প্রয়োজন নেই, চিকিৎসকদের কথাই যথেষ্ট। আপনি কি তাকে সমর্থন করেন?