বুধবার, ১৮ জুলাই ,২০১৮

Bangla Version
SHARE

বুধবার, ১১ জুলাই, ২০১৮, ০২:২৩:০৪

বেলজিয়ামের আশা ভঙ্গ, ফাইনালে ফ্রান্স

বেলজিয়ামের আশা ভঙ্গ, ফাইনালে ফ্রান্স

স্পোর্টস ডেস্কঃ-বেলজিয়ামের আশা ভঙ্গ করে রাশিয়া বিশ্বকাপের ফাইনালে ওঠেছে ফ্রান্স। মঙ্গলবার রাতে সেমিফাইনালের এই ম্যাচে ফরাসিরা জিতেছে ১-০ গোলে। প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী গ্যালারিতে ছিলেন ফরাসি প্রেসিডেন্ট ইমানুয়েল ম্যাঁখো। তার উপস্থিতিতেই স্যামুয়েল উমতিতির একমাত্র গোলে জয় তুলে নেয় ফ্রান্স।
এটি বিশ্বকাপে ফ্রান্সের তৃতীয়বারের মতো ফাইনাল খেলা। এর আগে ১৯৯৮ সালে একবার দলটি চ্যাম্পিয়ন হয়, আর ২০০৬ সালে ইতালির কাছে ফাইনালে হেরে যায়। অপরদিকে এটি ছিল বেলজিয়ামের দ্বিতীয় সেমিফাইনাল। দেশটির সোনালী যুগের এই দলটির উপর যে আশা ছিল এই ম্যাচে সেই আশার প্রতিফলন তারা ঘটাতে পারেননি। যে কারণে সেমিফাইনালের বৃত্তেই সীমাবদ্ধ থাকতে হলো লুকাকু-হ্যাজার্ড-ব্রুয়েনদের।
ম্যাচে গোলশূন্যতে বিরতিতে গিয়েছিল দু’দল। বিরতি ভেঙে ফিরে ৬ মিনিটের মধ্যেই ফ্রান্স এগিয়ে যায়। পাল্টা আক্রমণে পাওয়া একটি বলে ডি বক্সের মধ্যে সুযোগ মিস করেন জিরাউড। তবে গোলের সুযোগ মিস করলেও কর্নার পায় ফরাসিরা। সেই কর্নার থেকে উড়ে আসা বলে মাথা ছূঁয়ে গোল করেন উমতিতি।  
এর আগে দু’দলের মধ্যকার সেমিফাইনাল ম্যাচের প্রথমার্ধ গোলশূন্যতে শেষ হয়। প্রথমার্ধে দুই দলই গোলের একাধিক সুযোগ পেয়েও কাজে লাগাতে পারেনি। শুরুর দিকে বেলজিয়ামের ইডেন হ্যাজার্ডের কয়েকটি প্রচেষ্টা লক্ষ্যভ্রষ্ট হয়। পরবর্তীতে আক্রমণের গতি বাড়ায় ফ্রান্স। তবে অ্যান্টনি গ্রিজম্যান, ওলিভার জিরাউডদের সেসব প্রচেষ্টাও আলোর মুখ দেখেনি। যে কারণে গোলশূন্যতেই বিরতিতে যায় দু’দল।
বিশ্বকাপে বরাবরই ব্রাজিল, আর্জেন্টিনা, জার্মানি, স্পেনকে ফেভারিট দল মনে করা হয়। কিন্তু এবারের আসরে সময় যত গড়িয়েছে ধীরে ধীরে ছিটকে গেছে টুর্নামেন্টের ‘ফেভারিট তকমা’ নিয়ে খেলতে আসা দলগুলো।
কোয়ার্টার ফাইনালে ব্রাজিলকে বিদায় করে দিয়ে বেলজিয়াম দ্বিতীয়বারের মতো জায়গা করে নিয়েছিল সেমিফাইনালে। ফেভারিট হিসেবে শুরু না করলেও তাই পারফর্ম করে সেই তকমা লেগে  গিয়েছিল বেলজিয়ামের গায়েই। তবে ৩২ বছর পর সেমিফাইনাল খেলতে আসা দলটিকে থামতে হয়েছে এখানেই।

 

 

 

 

 

আজকের প্রশ্ন

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খাঁন কামাল বলেছেন, চলমান মাদকবিরোধী অভিযানে তথ্য-প্রমাণের ভিত্তিতে কাজ হচ্ছে, এখানে কাউকে ছাড় দেওয়া হবে না। বাস্তবে তা ঘটবে বলে মনে করেন?