বুধবার, ১৫ আগস্ট ,২০১৮

Bangla Version
  
SHARE

শুক্রবার, ১৫ জুন, ২০১৮, ০৩:৪৬:০৭

লোপেতেগুই বিহীন স্পেন ও পর্তুগালের মহারণ আজ

লোপেতেগুই বিহীন স্পেন ও পর্তুগালের মহারণ আজ

স্পোর্টস ডেস্কঃ-বিশ্বকাপের চতুর্থ ম্যাচে গ্রুপ-বি থেকে আজ মাঠে নামছে ইউরোপের দুই শক্তিশালী ফুটবল দল স্পেন ও পর্তুগাল। শক্তির বিচারে স্পেন এগিয়ে থাকলেও সদ্য বরখাস্ত হয়েছেন তাদের কোচ লোপেতেগুই। তাই অনেকটা হোঁচট খেয়েছে দলটি। এদিকে সবশেষ উয়েফা জয়ী পর্তুগাল রোনালদোকে নিয়ে আত্মবিশ্বাসী হয়েই মাঠে নামছে। তবে কোনওভাবেই প্রতিপক্ষ স্পেনকে খাটো করে দেখছে না দলটি।
বাংলাদেশ সময় শুক্রবার দিবাগত রাত ১২টায় রাশিয়ার সোচি স্টেডিয়ামে ম্যাচটি অনুষ্ঠিত হবে। আর সাবেক বিশ্ব চ্যাম্পিয়ন ও বর্তমান ইউরো চ্যাম্পিয়নের মহারণ দেখতে মুখিয়ে ফুটবল প্রেমীরাও।
এদিকে গত বুধবার স্প্যানিশ ফুটবল ফেডারেশনের সভাপিত লুইস রুবিয়েলেস কোচ রোপেতেগুইকে বরখাস্তের ঘোষনা দেন। ফেডারেশনকে না জানিয়ে বিশ্বকাপ শেষে রিয়াল মাদ্রিদে যোগ দেয়ার বিষয়টি চূড়ান্ত করার দায়ে তাকে বরখাস্ত করা হয়েছে বলে জানান স্পেনের ফুটবল প্রধান। দিনের শেষ ভাগে ফারমান্ডো হিয়েরোকে নতুন কোচ নিয়োগের ঘোষনা দেয় স্প্যানিশ ফেডারেশন। তিনিই শুক্রবার বিশ্বকাপে পর্তুগালের বিপক্ষে গ্রুপের প্রথম ম্যাচে স্পেনের প্রধান কোচের দায়িত্ব পালন করবেন বলে এতে উল্লেখ করা হয়।
তবে লোপেতেগুইকে দলে রাখার জন্য অধিনায়ক সার্জিও রামোসের নেতৃত্বাধীন খেলোয়াড়রা প্রচেষ্ট চালিয়েছে বলে গণমাধ্যমের রিপোর্টে বলা হয়েছে। এতে কোচের অপসারণে দলের মধ্যে অসন্তোষ দেখা দিতে পারে বলেও খবর বেরিয়েছে। ফলে চার বছর আগে ব্রাজিল বিশ্বকাপে ব্যর্থ হবার পর ফের ঘুরে দাঁড়ানো স্পেনের শিরোপা ফিরে পাবার প্রচেষ্টা বাঁধাগ্রস্ত হবে।
এদিকে পর্তুগালের প্লে মেকার বর্নার্ডো সিলভা এক সংবাদ সম্মেলনে বলেন, কৌশলগত দিক থেকে স্পেন বিশ্ব সেরা। বার্সেলোনা ও রিয়াল মাদ্রিদের খেলোয়াড় নিয়ে সাজানো হয়েছে স্পেনের মধ্যমাঠ। সুতরাং শুক্রবারের ম্যাচে তারাই ফেভারিট। দলের অধিকাংশ খেলোয়াড়ই বিশ্বকাপ অথবা ইউরোপীয় চ্যাম্পিয়নের খেতাব জয়ী।
তবে আমাদের দলটিও বেশ ভাল। সব সময়ের মত আমরা শিরোপা জয়ের চেষ্টা অব্যাহত রাখব। স্পেনের বিপক্ষে জয় পেতে হলে আমাদের মানসিকভাবেও শক্তিশালী হতে হবে। ক্রিস্টিয়ানো রোনালদোকেও তার সেরাটা দিতে হবে। সেই সঙ্গে প্রয়োজন হব ভাগ্যদেবীর সহায়তা।
দলের তারকা ফুটবলার ৫ বারের ব্যালন ডিঅঁর খেতাব বিজীয় রোনালদো প্রসঙ্গে সিলভা বলেন, তিনি এমন এক খেলোয়াড় যিনি ৫ বার ব্যালন ডিঁঅর ও ৫টি চ্যাম্পিয়ন্স লীগের খেতাব জিতেছেন। দশ বছর ধরে তিনি প্রতিটি মৌসুমে ধারাবাহিকভাবে ৪০টির অধিক গোল করে আসছেন।
এদিকে ২০০৮-২০১২ পর্যন্ত বিশ্ব ফুটবলকে শাসন করা ২০১০ বিশ্বকাপ জয়ী স্পেন যদিও আগের অবস্থায় নেই। তবে সার্জিও রামোস, ইস্কো এবং আন্দ্রেস ইনিয়েস্তার মত খেলোয়াড়রা থাকায় এখনো বিশ্বের অন্যতম আতঙ্কের দল স্পেন। যদিও ২০১৪ ব্রাজিল বিশ্বকাপে তারা গ্রুপ পর্ব থেকেই বিদায় নিয়েছিল। তবে এবার বছাইপর্বে একচেটিয়া প্রাধান্য বিস্তার করেই রাশিয়ার টিকিট নিয়েছে স্পেন। একটি ম্যাচেও হারেনি তারা। বাছাইপর্বের ১০ ম্যাচের ৯টিতে জয় ও একটিতে ড্র করেছে স্পেন। তাদের দাপটের কারণেই এবারের বিশ্বকাপে অংশ নিতে ব্যর্থ হয়েছে চারবারের শিরোপা জয়ী ইতালী।
এরই মধ্যে দল থেকে বরখাস্ত হওয়া স্প্যানিশ কোচ লোপেতেগুই বলেন, এই দলটি অসাধারণ। আশা করি তারা বিশ্বকাপ শিরোপা জয় করতে পারবে।
পর্তুগালঃ
গোল রক্ষক: এ্যান্তোনি লোপেজ (১২), বেটো(২২), রুই প্যাট্রিসিও (১)।
রক্ষণ ভাগ: ব্রুনো আলভেজ (২), সেড্রিক সোয়ারেস (২১), হোসে ফন্তে (৬), মারিও রুই (১৯), পেপে (৩), রাফায়েল গুয়েরেইরো (৫), রিকার্ডো পেরেইরা (১৫), রুবেন দিয়াস (১৩)।
মধ্যমাঠ: আড্রিয়েন সিলভা(২৩), গনসালো গুয়েডেস(১৭), ব্রুনো ফার্নান্দেস(১৬), হোয়াও মারিও(১০), হোয়াও মুতিনহো(৮), ম্যানুয়েল ফার্নান্দেস(৪), উইলিয়াম ক্যারাভালো(১৪), বার্নার্ডো সিলভা (১১), রিকার্ডো কুয়ারেসমা (২০)।
আক্রমন ভাগ: আন্দ্রে সিলভা (৯), ক্রিস্টিয়ান রোনালদো (৭), জেলসন মার্টিনস (১৮)।
কোচ: ফার্নান্দো স্যান্টোস,
স্পেনঃ
গোলরক্ষক: কেপা আরিজাবালাগা (১৩), ডেভিড ডি গেয়া (১), পেপে রেইনা (২৩)।
রক্ষণ ভাগ: জর্ডি আলবা(১৮), চেজার আজপিলিকুয়েটা (১৪), দানি কারভাজাল (২), নাচো ফার্নান্দেজ (৪), নাচো মনেরাল (১৬), আলভারো অদ্রিওজোলা (১২), গেরার্ড পিকু(৩), সার্জিও রামোস(১৫)।
মধ্য মাঠ: মার্কো এসেনসিও (২০), থিয়াগো আলচানতারা (১০), সার্জিও বাসকুয়েটস (৫), আন্দ্রেস ইনিয়েস্তা (৬), ইস্কো (২২), কোক (৮), সাউল নিগুয়েজ (৭), ডেভিড সিলভা (২১), লুকাস ভাজকুয়েজ (১১)।
আক্রমন ভাগ: ইগো আসপাস(১৭), দিয়েগো কস্তা(১৯), রদ্রিগো মোরেনো(৯), ।
কোচ: ফেমান্ডো হিয়েরো।

  0

 

 

 

 

আজকের প্রশ্ন

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খাঁন কামাল বলেছেন, চলমান মাদকবিরোধী অভিযানে তথ্য-প্রমাণের ভিত্তিতে কাজ হচ্ছে, এখানে কাউকে ছাড় দেওয়া হবে না। বাস্তবে তা ঘটবে বলে মনে করেন?