সোমবার, ২২ অক্টোবর ,২০১৮

Bangla Version
SHARE

রবিবার, ২১ অক্টোবর, ২০১৮, ০১:২৩:০৩

জনগণ উন্নয়ন চাইলে ফের নৌকায় ভোট দেবে-প্রধানমন্ত্রী

জনগণ উন্নয়ন চাইলে ফের নৌকায় ভোট দেবে-প্রধানমন্ত্রী

ডেস্ক রিপোর্টঃ-প্রধানমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগ সভানেত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় আছে বলেই দেশে উন্নয়ন দৃশ্যমান। দেশকে আরও সামনের দিকে এগিয়ে নিতে হলে এবং উন্নয়ন চাইলে জনগণ ফের নৌকা মার্কায় ভোট দেবে। আর যদি নাও দেয়, আমার কোন আপসোস নেই। কেননা বাংলাদেশের উন্নয়নের যে ধারাটা আমরা শুরু করেছি, আমি চাই সে ধারাটা যেন অব্যাহত থাকে। আগামী নির্বাচনে নৌকা মার্কায় ভোট দিয়ে আবারও আওয়ামী লীগকে জনগণের সেবা করার সুযোগ দিতে দেশবাসীর প্রতি আহ্বান জানান তিনি।
শনিবার বিকালে বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে আয়োজিত বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষক সম্মেলনে প্রধান অতিথির বক্তৃতায় প্রধানমন্ত্রী আরো বলেন, সংসদের শেষ অধিবেশন শুরু হচ্ছে আজ। এ অধিবেশন শেষ হওয়ার পরই নির্বাচন প্রক্রিয়া শুরু হবে।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, নিজেদের টাকায় পদ্মাসেতুর তৈরির যে যুগোপোযোগী সিদ্ধান্ত আমরা নিয়েছি। এই একটি সিদ্ধান্ত সারাবিশ্বে বাংলাদেশের ভাবমূতির্কে উজ্জ্বল করেছে। অবশ্য পদ্মাসেতুর কারণে আমার ও আমার পরিবারের সদস্যদেরকে অনেক অত্যাচার নির্যাতন সহ্য করতে হয়েছে। তবুও মাথা নত করিনি। কারণ বাবার কাছে শিখেছি অন্যায়ের কাছে মাথা নত না করতে।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, গ্রামীণ ব্যাংকের সাবেক এমডি এবং একজন সম্পাদক অপপ্রচার চালিয়ে পদ্মা সেতু প্রকল্পে বিশ্বব্যাংকের অর্থায়ন বন্ধ করেছিলো। যারা আমাদের পদ্মা সেতুর টাকা বন্ধ করেছিলো, তারাতো আমাদের মুক্তিযুদ্ধকে সাপোর্ট করে নাই। তাদেরকে বাদ দিয়ে আমরা বিজয় অর্জন করেছি। শেখ হাসিনা বলেন, উনি (ড. মুহাম্মদ ইউনুস) আমেরিকাতে আগে থেকেই লবিং করতেছিলো। হিলারি ক্লিনটন নিজে আমাকে টেলিফোন করলেন, ওনাকে এমডি পদে রাখতে হবে। আমি বললাম, ওনাকে এমডি পদে কেন, ওনাকে আমরা আরো উচ্চ পদে রাখতে চেয়েছিলাম। সেটা গ্রহণ করনেনি। আমার সাথে কথা হলে, তার একই কথা। টনি ব্লেয়ার তখন প্রধানমন্ত্রী তিনি আমাকে বললেন, আমি একই উত্তর দিলাম। এটা কোর্টের ব্যাপার, আইনের ব্যাপার। এরপর আমাদের দেশেরই একজন সম্পাদক খুব ভাল ইংরেজি বলেন তিনিও তার সাথে দোসর হলেন। আমেরিকাও চলে গেলেন, হিলারির কাছে বহু মেইল পাঠানো হলো। তারই প্রচারণায় হিলারি ক্লিনটন বিশ্বব্যাংকের প্রেসিডেন্টকে নির্দেশই দিল যে, পদ্মা সেতুতে অর্থায়ন বন্ধ করতে হবে।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশকে উন্নয়নের মহাসড়কে তুলে দিয়েছি। ২১০০ সাল পর্যন্ত ডেল্টা প্লান করে দিয়েছি। নির্দিষ্ট লক্ষ্যে এ দেশ এগিয়ে যাবে। শিক্ষকদের উদ্দেশ্যে প্রধানমন্ত্রী বলেন, এ দেশের সোনার ছেলে-মেয়ে তৈরির দায়িত্ব আপনাদের। সোনার সন্তান তৈরি করে দেশকে এগিয়ে দেবেন। এ দেশ যেন আর থেমে না যায়।
দেশে উন্নয়নের বর্তমান ধারাবাহিকতা অব্যাহত রাখার স্বার্থে আগামী নির্বাচনে জয়লাভের বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষকদের সহযোগিতা প্রত্যাশা করে প্রধানমন্ত্রী আরো বলেন, বর্তমান সরকার শিক্ষার ওপর সবচেয়ে বেশি গুরুত্ব দিয়েছে। শিক্ষকদের সকল দাবি দাওয়া মেনে নিয়েছি। শিক্ষককরা কীভাবে ভালো থাকবেন তাদের সে সুযোগ-সুবিধা করে দিয়েছি।
তিনি বলেন, এখন যারা শিক্ষক অনেকে বয়সে আমার চেয়ে অনেক ছোট। আপনাদের হাতে দেশের ভবিষ্যত। আবার মুরব্বিরাও আছেন। আপনাদের বলবো আপনাদের হাতে দেশের ভবিষ্যৎ। বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকদের গবেষণা কার্যক্রমে আরো গুরুত্ব দেয়ার জন্য আহ্বান জানিয়ে শেখ হাসিনা বলেন, আমরা গবেষণায় গুরুত্ব দিয়েছি বলেই ধান উত্পাদন, শাকসবজি উত্পাদন, মাছ উত্পাদন, ফলমূল উত্পাদনে উন্নত বিশ্বের কাতারে রয়েছি।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, গরীব ও মেধাবী শিক্ষার্থীদের লেখাপড়া যাতে ঠেকে না থাকে সে কারণে প্রাথমিক থেকে শুরু করে উচ্চ শিক্ষায়ও আমরা বৃত্তির ব্যবস্থা করেছি। সারাদেশে শিক্ষার্থীদের বৃত্তি দিচ্ছি। ১ কোটি ৪০ লাখ শিশুকে প্রাথমিকে বৃত্তি দিচ্ছি। শিক্ষাবৃত্তির টাকা যাতে বেহাত না হতে পারে সে জন্য শিক্ষার্থীর মায়েদের মোবাইল নম্বরে টাকা পাঠানো হয়। পাহাড়ি ও হাওড় অঞ্চলের শিশুদের জন্য টিফিনের ব্যবস্থাও আমরা করেছি।
তিনি বলেন, আমরাই প্রথম বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যায়ে গবেষণার জন্য বাজেটে বরাদ্দ রাখা শুরু করি। আমরা এর সুফলও দ্রুত পেয়েছি। লবণাক্ত, জলমগ্ন, খরা সহ্য করতে পারে এমন ধান আবিষ্কার করার ফলেই আজ আমরা খাদ্যে স্বয়ং সম্পূর্ণতা অর্জন করতে পেরেছি। তিনি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকদের আরও বেশি করে গবেষণার তাগিদ দেন।
শিক্ষকদের উচ্চতর প্রশিক্ষণ এবং গবেষণার ব্যাপারে সরকার যত্নশীল জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, আবারো ক্ষমতায় এলে তাদের অন্য দাবিগুলোও পূরণ করবে সরকার। প্রধানমন্ত্রী বলেন, বিএনপি সরকারের আমলে শিক্ষাখাতসহ দেশ সব ক্ষেত্রে পিছিয়ে গিয়েছিলো। বর্তমান সরকার প্রতিটি মানুষের কাছে শিক্ষার আলো পৌঁছে দেয়ার পাশাপাশি কর্মসংস্থান সৃষ্টি করেছে। প্রধানমন্ত্রী, আমরা দেশকে আরো এগিয়ে নিয়ে যেতে চাই। ক্ষুধা ও দারিদ্রমুক্ত বঙ্গবন্ধুর স্বপ্নের সোনার বাংলা হিসেবে গড়ে তুলতে চাই। আমি বিশ্বাস করি- একটা শিক্ষিত জাতি ছাড়া কোনো জাতি ক্ষুধা মুক্ত, দারিদ্র মুক্ত হতে পারে না। তাই শিক্ষাকে আমরা সব সময় গুরুত্ব দেই।

এই বিভাগের আরও খবর

  ইমরুলের নৈপুণ্যে জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে জয়ে শুরু টাইগারদের

  সেভিয়াকে উড়িয়ে পয়েন্ট টেবিলের শীর্ষে বার্সেলোনা

  রাঙ্গামাটিতে অনুষ্ঠিত হলো পার্বত্য চট্টগ্রাম উন্নয়ন বোর্ডের নৌকা বাইচ প্রতিযোগিতা

  রাঙ্গামাটিতে পার্বত্য চট্টগ্রাম উন্নয়ন বোর্ড প্রথম বিভাগ ফুটবল লীগ উদ্বোধন

  শেষ মুহূর্তের গোলে আর্জেন্টিনার বিপক্ষে ব্রাজিলের জয়

  রাঙ্গামাটি মারী ষ্টেডিয়ামে শুরু হচ্ছে পার্বত্য চট্টগ্রাম উন্নয়ন বোর্ড প্রথম বিভাগ ফুটবল লীগ

  বিশ্বকাপের স্বপ্ন শেষ হতে পারে ভারতের যে ৫ ক্রিকেটারের

  নারীদের প্রথম টি-২০ র‌্যাংকিং-এ নবমস্থানে বাংলাদেশ

  বঙ্গবন্ধু গোল্ডকাপের শিরোপা জিতল ফিলিস্তিন

  জিম্বাবুয়ে সিরিজের জন্য দল ঘোষণা বাংলাদেশের

  জাতীয় মহিলা কাবাডি দলে জুরাছড়ির চার কিশোরী তাদের চোখে দেশজয়ের স্বপ্ন

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

আজকের প্রশ্ন

তথ্য প্রতিমন্ত্রী তারানা হালিম বলেছেন, গুজব সনাক্তকরণে যে সেল করা হয়েছে, তা সামাজিক যোগাযোগের মাধ্যমে মতপ্রকাশ নিয়ন্ত্রণ বা সোশ্যাল মিডিয়া পুলিশিং করবে না। আপনি কি এতে আশ্বস্ত?