Chtnews24.com
চোরে চোরে মামাতো ভাই-আরিফ আর পাটোয়ারীর তুলনা নাই
Tuesday, 10 Sep 2019 19:17 pm
Reporter :
Chtnews24.com

Chtnews24.com

বরকল প্রতিনিধিঃ-প্রবাদ আছে- রতনে রতন চিনে, শুয়োরে চিনে মান কঁচু। কথাটা চিরন্তন সত্য। যে যেই স্বভাবের সেই বৈশিষ্ট্যর মানুষের স্বার্থ রক্ষা করার চেষ্টা করে। শ্রেনী বিভক্ত সমাজের চিত্রটা এমনি হয়।
টাইমস অফ রাঙ্গামাটির অন লাইন পত্রিকার নামধারী প্রতি নিধি মোঃ আরিফুল ইসলাম ও প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মোঃ আব্দুল হান্নান পাটোয়ারীর মধ্যে বর্তমান সম্পর্কটা যেন চোরে চোরে মামাতো ভাই। যেন রতনে রতন চিনেছে।
গত ২৬ আগষ্ট উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তার বিরুদ্ধে কোটি টাকা আত্মসাতের অভিযোগ। নেয়া হচ্ছেনা কোন কার্যকরি পদক্ষেপ- এ শিরোনামে টাইমস অফ রাঙ্গামাটির অন লাইন পত্রিকায় প্রকাশিত করে প্রতিনিধি আরিফুল ইসলাম। ওই নিউজটি প্রকাশিত হওয়ার পর উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মোঃ আব্দুল হান্নান পাটোয়ারী আরিফুল ইসলামকে বরকল সদরে এসে চা খাওয়ার দাওয়াত দিলে সেই হান্নান পাটোয়ারীর সাথে দেখা করে এবং কিছু আর্থিক সুবিধা গ্রহন করে। এরপর থেকে আব্দুল হান্নান পাটোয়ারীর স্ব পক্ষে তাকে তার অনিয়ম দূর্নীতির তদন্তের আগে বাঁচানোর জন্য আজগুবি গল্প লিখে গত ৫সেপ্টেম্বর ও ৯ সেপ্টেম্বর দু দফা টাইমস অফ রাঙ্গামাটি অন লাইন পত্রিকায় প্রকাশ করা শুরু করে। 
প্রকাশিত দু দফা সংবাদে আব্দুল হান্নান পাটোয়ারীর অপকর্মে প্রতিবাদ করা জেলা শিক্ষক সমিতির সভাপতি অমল চাকমা ও হান্নান পাটোয়ারীর অনিয়ম দূর্নীতির বিরুদ্ধে উপজেলা প্রেস ক্লাব সভাপতি পুলিন বিহারী চাকমা ও সাধারন সম্পাদক বিহারী চাকমা জাতীয় দৈনিক আমাদের সময় পত্রিকার জেলা প্রতিনিধি জিয়াউর রহমান জিয়া দৈনিক যুগান্তর পত্রিকার জেলা প্রতিনিধি সুশীল চাকমা ও দৈনিক রাঙামাটি, দৈনিক গিরিদর্পন, সিএইচটি নিউজ টুয়েন্টিফোর ডটকম ও হিলোর সংবাদ নামক অন লাইন পত্রিকায় প্রকাশ করায় আব্দুল হান্নান পাটোয়ারী তাদের উপর ক্ষিপ্ত হয়ে উঠে। 
কিন্তু বিশেষ করে উপজেলা প্রেস ক্লাব সভাপতি পুলিন বিহারী চাকমা ও সাধারন সম্পাদক বিহারী চাকমার বিরুদ্ধে চাঁদাবাজি বিভিন্ন অশ্লীল বাক্য ও শব্দ ব্যবহারসহ হিংসাত্মক মানসিকতার আশ্রয় নিয়ে সুনাম ক্ষুন্ন করার অপ চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন আরিফুল ইসলাম ও আব্দুল হান্নান পাটোয়ারী।
অথচ গত ২৬ আগষ্ট পর্যন্ত টাইমস অফ রাঙ্গামাটির প্রতিনিধি আরিফুল ইসলামের কাছে উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তা আব্দুল হান্নান পাটোয়ারী ছিলেন দূর্নীতিবাজ অসৎ ও বিতর্কিত মানুষ।
সামান্য আর্থিক সুবিধায় এখন আব্দুল হান্নান পাটোয়ারী আরিফুল ইসলামের কাছে সৎ আদর্শ্যবান ও ন্যায় নিষ্ঠ অফিসার। যার পক্ষ নিয়ে আজগুবি গল্প বানিয়ে পাগলের প্রলাপ বকে যাচ্ছে আরিফুল ইসলাম। যা হাস্যকর ছাড়া কিছুই নয়। যা আব্দুল হান্নান পাটোয়ারীর সকল অপকর্মকে ধামাচাপা দিতে আরিফুল ইসলাম মরিয়া হয়ে উঠার অন্যতম কারন আব্দুল হান্নান পাটোয়ারীর কাছ থেকে নেয়া আর্থিক সুবিধাকে জায়েস করা ছাড়া কিছুই নয়। নিজের সুবিধাকে জায়েস করতে ঘটনা প্রবাহকে অন্যদিকে ধাবিত করে অন্যর ঘাড়ে বিভিন্ন অপবাদ দিয়ে ঘায়েল করার হীন ষড়যন্ত্র চালাচ্ছে আরিফুল ইসলাম ও আব্দুল হান্নান পাটোয়ারী।
অন্যর চরিত্রের উপর কলংক লেপে দেয়ার আগে নিজের অপ কর্মের প্রতি দৃষ্টি দেয়া বুদ্ধিমানের কাজ। কারন উপরে থুথু ফেললে নিজের গায়ে এসে পড়ে। ঠিক তেমনি আরিফুল ইসলাম একজন সেই রকম মানুষ। তার সম্পর্কে বলতে না চাইলেও বাধ্য হয়ে বলতে হচ্ছে। নইলে যে সত্যটা ধামাচাপা পড়ে মিথ্যার জয় জয়কার হবে। সেটাতো একজন বিবেকবান মানুষ মেনে নিতে পারেনা।
আরিফুল ইসলাম পেশায় সাংবাদিক নয়। সাংবাদিকতার লেজমাত্র কোন অভিজ্ঞতা নেই। সেই বরকল রাগীব রাবেয়া কলেজের সহকারি কাম কম্পিউটার অপারেটর পদে কর্মরত। গত ২০১৩ সালে বরকল রাগীব রাবেয়া কলেজে চাকরী নেয়ার পর থেকে নানা অপকর্ম শুরু করেছে। তার মধ্যে নকল রশিদ তৈরী করে ছাত্র-ছাত্রীদের কাছ থেকে কলেজের মাসিক বেতনের টাকা উত্তোলন করে ওই টাকা জমা না দিয়ে নিজেই আত্মসাত করেছেন। এতে ছাত্র ছাত্রীরা তার এ অপকর্মের ব্যাপারে কলেজের অধ্যক্ষ নৈচিং রাখাইনের কাছে লিখিত অভিযোগ করে। লিখিত অভিযোগের পর তদন্ত করে সত্যটা মিলেছে যে, নকল রশিদ বানিয়ে সেই ছাত্র ছাত্রীদের কাছ থেকে মাসিক বেতনের টাকা কলেজ ফান্ডে জমা না দিয়ে নিজেই আত্মসাত করেছে বলে কলেজের অধ্যক্ষ নৈচিং রাখাইন জানিয়েছে। 
এ ব্যাপারে কলেজের পরিচালনা কমিটি তার অভিভাবক ডেকে আরিফুল ইসলামের কাছ থেকে মুছলেকা নিয়ে তাকে এক বারের মত সুযোগ দিয়ে চাকরীতে বহাল করা হয়। পরে তার বেতন থেকে আত্মসাতের টাকা কর্তন করে নেয় কলেজ কর্তৃপক্ষ। এর পরেও প্রায় সময় কর্মস্থলে অনুপস্থিত থাকার কারনে কলেজ কর্তৃপক্ষ দুবার নোটিশ জারী করে আরিফুল ইসলামকে।
গত ২০১৬ সালে উপজেলার ভুষনছড়া ইউনিয়নের এরাবুনিয়া গ্রামের গাউস সরদারের মেয়ে নুরজাহান বেগমকে ব্যাপক মারধোর ও লাঞ্চিত করে। পরে নুরজাহান বেগম আরিফুল ইসলাম তার মা রাবেয়া সুলতানা ও তার খালা সুফিয়া বেগমের বিরুদ্ধে বরকল থানায় নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে মামলা রুজু করে। বরকল থানার মামলা নং-১৬৪৩। ওই মামলায় এখনো হাজিরা দিতে হচ্ছে।
গত ২০১৭ সালের ২৮ জানুয়ারী ছাত্রলীগের উপজেলা সভাপতি হাসানের ল্যাবটপ চুরি করেছে আরিফুল ইসলাম। সেই চুরির দায়ে হাসানের বড়ভাই শিক্ষক দেলোয়ার হোসেন বরকল থানায় আরিফুল ইসলামের বিরুদ্ধে জিডি করে।
এর পরে ২০১৮ সালে শীতকালীন সময়ে ছোটহরিনা বিজিবি ক্যান্টিন থেকে আরিফুল ইসলাম জ্যাকেট চুরি করার সময় বিজিবির কাছে হাতে নাতে ধরা পরে এবং ব্যাপক মারধোরের শিকার হয়। পরে এলাকার আনসার ভিডিপির এক কমান্ডার মোঃ আবু বক্কর আরিফুল ইসলামের  শুশুড় জাকির ব্যাপারী ও তার চাচা শুশুড় ছিদ্দিক ব্যাপারীকে তাদের জামাই আরিফুল ইসলামকে বিজিবিরা চুরির দায়ে আটক করে রাখার বিষয়টি জানালে তার শুশুড়রা বিজিবির কাছে গিয়ে মুছলেকা দিয়ে নিয়ে আছে। তার এসব ঘটনাএলাকার মানুষ জানে।
এছাড়া এলাকায় নারী কেলেংকারী ও চুরিসহ বিভিন্ন অপকর্মের মূল হোতা আরিফুল ইসলাম। এলাকায় গিয়ে তার অপকর্মের ব্যাপারে জানতে চাইলে এলাকার মানুষের কাছে জানা যাবে।
টাইমস অফ রাঙ্গামাটির অন লাইন পত্রিকার সাংবাদিক নামধারী কলেজের কর্মচারী আরিফুল ইসলামের এতো অপকর্ম করে তার মুখে সৎ আদর্শ্যর কথা কি মানায়? নিজের চরিত্র যেখানে ঠিক নেই সেখানে অন্যের স্বভাব চরিত্র নিয়ে কথা বলার কি আরিফুল ইসলামের অধিকার আছে? আজগুবি গল্প বানিয়ে মিথ্যা বানোয়াট কিছু লিখে আত্ম সম্মানের উপর সামান্য আঘাত করা যায়। তবে সত্যকে মিথ্যা বানানো যাবে না। সত্য সব সময় সত্য এটা তার জেনে রাখা দরকার। কারন আরিফুল ইসলাম সকালে এক রকম আর বিকালে এক রকম। 
তার জ্বলন্ত উদাহরন- গত ২৬ আগষ্ট টাইমস অফ রাঙ্গামাটির অন লাইন পত্রিকায় বরকল উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা আব্দুল হান্নান পাটোয়ারীর বিরুদ্ধে কোটি টাকা আত্মসাতের বিষয়ে পত্রিকায় সংবাদ প্রকাশ করে। মাত্র নয় দিনের আগে আরিফুল ইসলামের কাছে আব্দুল হান্নান পাটোয়ারী ছিল দূর্নীতিবাজ অসৎ ও বিতর্কিত একজন কর্মকর্তা। কিন্তু মাত্র নয় দিনের ব্যবধানে আরিফুল ইসলামকে পাটোয়ারী সাহেব সামান্য আর্থিক সুবিধা দিয়ে এ ভাবে পাল্টে দিয়ে আরিফুল এখন পাগলের প্রলাপ বকছেন। তার প্রতিবেদনে ৫৬ জন শিক্ষকের স্বাক্ষরকরা একটি কাগজ দেখানো হয়েছে। ওই কাগজে অধিকাংশ শিক্ষকের একই ধরনের স্বাক্ষর প্রতীয়মান হয়। যা স্বাক্ষরের মধ্যেও জালিয়াতি করা হয়েছে বলে প্রতীয়মান হয়। এ ছাড়াও স্কুল মেরামতের টাকায় কাজ না করে অনেক শিক্ষক ও জড়িত রয়েছেন। একদিকে শিক্ষকরা নিজেদের বাঁচাতে অন্যদিকে তাদের কর্মকর্তাকে বাঁচাতে মরিয়া হয়ে উঠছেন। কারন শিক্ষকরা আব্দুল হান্নান পাটোয়ারীর অধিনস্থ কর্মচারী। কাজেই কর্মকর্তার বিরুদ্ধে শিক্ষকরা মুখ খুলতে চাইবেনা। কিন্তু ম্যানেজিং কমিটির সভাপতিরা তো আব্দুল হান্নান পাটোয়ারীর অধিনস্থ কর্মচারী নয়। ৮২টি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ৮২জন ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি রয়েছেন। তাদের কাছ থেকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হোক বিদ্যালয়ে জন্য বরাদ্দকৃত কত টাকা তারা পেয়েছেন। কত টাকা শিক্ষা অফিসে মানেই আব্দুল হান্নান পাটোয়ারীকে দেয়া হয়েছে তারা বলবে। আবার কয় টাকার স্কুল মেরামতের কাজ হয়েছে তাও তারা বলবে। উপজেলায় বাঙালী পাড়ায় সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় রয়েছে হাতে গোনা মাত্র কয়েকটি। বাকী অধিকাংশ বিদ্যালয় রয়েছে দূর্গম পাহাড়ী এলাকায়। যা ইচ্ছে করলেও যোগাযোগের দুরাবস্থার কারনে সেখানে যাওয়া যায়না। বাঙালী পাড়ায় কিছু কাজ হলেও পাহাড়ী এলাকার বিদ্যালয় গুলো এখনো অনুন্নত ও জরাজীর্ণ। পাহাড়ী অঞ্চলে উন্নয়নের কাজ তেমন হয়না। যার কারনে সরকারের যতো অর্থ বরাদ্দ হোক না কেনো? যোগাযোগ ব্যবস্থা ভালো না থাকায় উন্নয়ন হয়না। আর সেই সুযোগে বরাদ্দকৃত অর্থগুলো আব্দুল হান্নান পাটোয়ারীর মত মুখোশপরা ভদ্র লোকগুলো উন্নয়নের জন্য দেয়া সরকারের এসব অর্থ নিজেরা পকেটস্থ করে দেশের উন্নয়নকে চরম ভাবে বাধা গ্রস্থ করছে। তাদের মত অসৎ ও লোভী কর্মকর্তাদের কারনে পার্বত্যঞ্চল এখনো অনুন্নত ও পশ্চাৎপদ রয়েছে। দেশের উন্নয়নের স্বার্থে এসব কর্মকর্তাদের অনিয়ম দূর্নীতির বিরুদ্ধে কথা বললে অথবা লেখালেখি করলে কখনো চাঁদাবাজি কখনো সন্ত্রাসী উপাধি পেতে হয়। আবার কখনো সাম্প্রদায়িক উস্কে দিয়ে পরিস্থিতিকে ঘোলা করে ঘোলা পানিতে মাছ শিকার করার চেষ্টা করা হয়। আর তাদের বিরুদ্ধে মুখ না খুললে ভালো খুব ভালো বলে প্রসংশায় পঞ্চমুখ হতে হয়। এটাই হচ্ছে বর্তমান সময়ের বাস্তবতা। টাইমস অফ রাঙ্গামাটির অন লাইন পত্রিকায় প্রেস ক্লাবের পক্ষ থেকে ৬ লক্ষ টাকা চাঁদা দাবী করা হয়েছে বলে উল্লেখ করা হয়েছে সত্যিইকারে যদি হান্নান পাটোয়ারীর কাছ থেকে প্রেস ক্লাবের পক্ষ থেকে চাঁদা দাবী করা হয়ে থাকে তাহলে সেই প্রমাণ সহকারে আইনের আশ্রয় নিতে পারতেন। মামলা মোকদ্দমায় যেতে পারতেন। তার বিরুদ্ধে যে পত্রিকায় সংবাদ প্রকাশ করা হয়েছে সেই কোন অনিয়ম দূর্নীতি করেনি বলে প্রকাশিত সংবাদ পত্রগুলোতে প্রতিবাদ লিপি দিতে পারতো। কিন্তু শিক্ষা কর্মকর্তা আব্দুল হান্নান পাটোয়ারী কোনটি করেননি। কেন করেন নি? তার বিরুদ্ধে সংবাদ প্রকাশের দু মাসের পর টাইমস অফ রাঙ্গামাটি নামে অন লাইন পত্রিকার নামধারী কলেজের কেরানিকে দিয়ে কিছু আজগুবি গল্প বানিয়ে তার অপকর্মকে ঢাকার চেষ্টা করেছেন। যারা তার বিরুদ্ধে কথা বলছেন, যারা লেখালেখি করছেন তাদেরকে চাঁদাবাজি, সন্ত্রাসী বানিয়ে ঘোলাপানিতে মাছ শিকার করার চেষ্টা করছেন। আজগুবি গল্প বানিয়ে সত্যকে মিথ্যা আর মিথ্যাকে সত্য করা যাবেনা সেটা আরিফুল ইসলাম ও আব্দুল হান্নান পাটোয়ারীর বুঝা দরকার। তোদের কার্যক্রম গুলো মানুষ বুঝে জানে সকলের কাছে পানির মত পরিস্কার।
আরো জানা যায়, গত ২০১৭ সালে যখন আব্দুল হান্নান পাটোয়ারীরর বিরুদ্ধে কিছু শিক্ষক ও ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি তার বিরুদ্ধে মাদক সেবন শুয়োরের গোসত খাওয়া ঘুস খাওয়াসহ বিভিন্ন অনিয়ম দূর্নীতির ব্যাপারে প্রাথমিক ও গন শিক্ষা মন্ত্রনালয়ে লিখিত অভিযোগ করেন। সেই সময় মন্ত্রনালয় থেকে জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা রওশন আলীকে তদন্তের জন্য দায়িত্ব দেয়া হয়। তদন্তের পরে মন্ত্রনালয়ে প্রতিবেদন পাঠান জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা রওশন আলী। পরে মন্ত্রনালয় থেকে আব্দুল হান্নান পাটোয়ারীকে শোকজ করেছে বলে সেই সময়ে অভিযোগকারী শিক্ষকরা জানিয়েছেন। 
প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, প্রেস ক্লাবের সভাপতি খুনি মামলার ভয়ে পালিয়ে বেড়াচ্ছেন বলে যে অভিযোগ করা হয়েছে, উপজেলা প্রেস ক্লাবের সভাপতি পুলিন বিহারী চাকমার নামে যে খুনি মামলা আছে তা আরিফুল ইসলামকে প্রমান করতে হবে। লোক মুখে শুনে প্রেস ক্লাবের সভাপতি পুলিন বিহারী চাকমার ব্যাপারে এসব মিথ্যা অপবাদ দিয়ে একজন সাংবাদিকের সম্মান ক্ষুন্ন করা কোন অবস্থায় কাম্য নয়।
এছাড়াও সালেক সোলার পাওয়ার লিমিটেডের শাখা ম্যানেজার মোহাম্মদ সাগরের কাছ থেকে সুবিধা না পাওয়ায় প্রেস ক্লাবের এক কর্মীকে দিয়ে হুমকি দেয়া হয় বলে সংবাদে যে উল্লেখ করা হয়েছে তা সম্পুর্ন মিথ্যা ও বানোয়াট। মাননীয় প্রধান মন্ত্রী শেখ হাসিনার উদ্যোগ ঘরে ঘরে বিদ্যুৎ এ প্রকল্পের আওতায় সালেক সোলার কোম্পানীর শাখা ব্যবস্থাপক মোহাম্মদ সাগর যেসব পরিবার সোলার পেয়েছে তাদেরকে সোলারের তারঁ লাইটসহ বিভিন্ন সরঞ্জামাদি কম দিয়ে সেই গোপনে বিক্রি করে দেয়। সাধারন মানুষ তাদের প্রাপ্য তাদের দেয়া হয়নি। পরে বিষয়টি উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তাকে জানালে সমাধা হয়। এতে সাংবাদিকদের কোন ভুমিকা ছিলনা। সেখানে হুমকি দেয়ার কোন প্রশ্ন আসেনা।
২০১৮- ২০১৯ অর্থ বছরে বরকল উপজেলায় ৮২টি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে স্কুল লেভেল এমপ্রুভমেন্ট প্ল্যান্ট (স্লীপ) খাতে ৩২লক্ষ ৮০ হাজার টাকা। রুটিন ম্যান্টেন্যান্স খাতে ১৫ লক্ষ ২০ হাজার টাকা। মাইনর মেরামত খাতে ৪২ লক্ষ টাকা ও রাজস্ব খাতে ৭লক্ষ ৫০হাজারসহ ৯৭ লক্ষ ৫০ হাজার টাকা বরাদ্দ আছে। 
এসব টাকার গত জুন মাসের আগে কাজ না করে ভূঁয়া বিল ভাউচার জমা দেয়া হয়। জুলাই মাসে অর্থ বরাদ্দ ছাড় দেয়া হয় এবং আগষ্ট মাসের মধ্য কাজ শেষ করার নির্দেশ দেয়া হয়। ওসব বরাদ্দ থেকে প্রতি লাখে ২০হাজার টাকা। স্লীপ ৫০ হাজার থেকে ৫হাজার টাকা। শিখন সামগ্রি ক্রয় থেকে ১হাজার থেকে ২হাজার টাকা করে শিক্ষা অফিসে মানেই আব্দুল হান্নান পাটোয়ারীকে দিতে হয়েছে বলে অধিকাংশ বিদ্যালয়ের ম্যানেজিং কমিটির সভাপতিরা অভিযােগ সহকারে জানিয়েছেন। গত কয়েক দিন আগে ঠেগামুখ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি করুন জ্যাতি চাকমা তার নিজস্ব ফেইজ বুকের আইডিতে উপজেলা নির্বাহী অফিসারের বরাবরে আবেদন করেন এবং শিক্ষা কর্মকর্তাকে ৪০ হাজার টাকা ঘুষ ও বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক বাকী টাকা আত্মসাত করেছেন বলে ফেইজ বুক আইডিতে উল্লেখ করেন ওই বিদ্যালয়ের ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি। তদন্তের স্বার্থে ম্যানেজিং কমিটির সভাপতিদের নাম দেয়া সম্ভব হয়নি। তবে তদন্ত কমিটি আসলে তারা তাদের বিদ্যালয়ের কথা তুলে ধরবে। বিদ্যালয় গুলোতে সরেজমিনে গিয়ে কাজের ধরন, কাজের গুনগতমান, কতটুকু কাজ হয়েছে, কত টাকার কাজ হয়েছে, ভাউচারে কতটাকা উল্লেখ করা হয়েছ, কত টাকার বরাদ্দ হয়েছে এবং প্রধান শিক্ষক আর ম্যানেজিং কমিটি কত টাকা পেয়েছে এসব বিষয়ে তদন্ত কমিটি তদন্ত করলে তখনই বুঝা যাবে টাকা গুলো দিয়ে কাজ হয়েছে নাকি আত্মসাত হয়েছে। আব্দুল হান্নান পাটোয়ারী যতোই নিজের দোষ অন্যর ঘাড়ে চাপানোর চেষ্টা করুক না কেন সরেজমিনে তদন্ত করলে ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি ও অভিভাবকদের সাথে কথা বললে তখনই প্রমান হবে। শুধু মাত্র গন স্বাক্ষর দিয়ে যদি শিক্ষকরা বলেন কাজ হয়েছে তা দিয়ে অনিয়ম দূর্নীতি বিষয়টি ধরা যাবেনা। সরেজমিনে গিয়ে বিদ্যালয় পরিদর্শন করলে তা জানা যাবে বলে সচেতন মহল মনে করেন।