Chtnews24.com
ব্যক্তি পর্যায়ে সচেতনতা না বাড়লে প্রাকৃতিক দুর্যোগের ক্ষতির পরিমাণ কমবে না-এ কে এম মামুনুর রশিদ
Monday, 09 Sep 2019 20:42 pm
Reporter :
Chtnews24.com

Chtnews24.com

রাঙ্গামাটিঃ-ব্যক্তি পর্যায়ে সচেতনতা বাড়ানো না গেলে প্রাকৃতিক দুর্যোগে ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ কমিয়ে আনা যাবে না। রাঙ্গামাটির জেলা প্রশাসক এ কে এম মামুনুর রশিদ এ কথা বলেছেন। সোমবার (৯ সেপ্টেম্বর) সকালে তিনি জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে অনুষ্ঠিত ভূমিকম্পে দুর্যোগ প্রস্তুতির কর্মশালায় প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখছিলেন।
অনুষ্ঠানটির যৌথ আয়োজক ছিল ইউএসএআইডি, বাংলাদেশ সরকার, এশিয়ান ডিজাস্টার প্রিপিয়ার্ডনেস সেন্টার (এডিপিসি) ও স্থানীয় উন্নয়ন সংস্থা আশিকা মানবিক উন্নয়ন কেন্দ্র। ভূমিকম্পে প্রাকৃতিক দুর্যোগে সরকারী বেসরকারি পূর্বপ্রস্তুতি ও সক্ষমতা নির্ধারণে এ কর্মশালার আয়োজন করা হয়।
ইউএসএইডের বাংলাদেশে ভূমিকম্পের স্থিতিস্থাপকতা শক্তিশালীকরণ ‘প্রচার সভা’য় মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন এডিপিসি’র বাংলাদেশ প্রতিনিধি ড. নূর আহমেদ। বক্তব্য রাখেন রাঙামাটির অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক শফি কামাল, সিভিল সার্জন ডাঃ শহিদ তালুকদার, এডিপিসি’র কর্মসুচি সমন্বয়ক মৌমিতা সেন, রাঙ্গামাটি প্রেসক্লাবের সভাপতি সাখাওয়াৎ হোসেন রুবেল ও আশিকার নির্বাহী পরিচালক বিপ্লব চাকমা। কর্মশালায় বেসরকারী উন্নয়ন সংস্থার প্রতিনিধিরা অংশ নেন।
জেলা প্রশাসক বলেন, ‘সভা-সমাবেশ, খাওয়া-দাওয়া করে আমরা প্রচুর অর্থ ব্যয় করি। যাদের জন্য প্রকল্প নেয়া হয়, তাদের জন্য ব্যয় করলেই প্রকৃত উদ্দেশ্য সফল হবে’। বিশেষ করে পাহাড়ে ঝুঁকি কমাতে ঝুঁকিপূর্ণ স্থানে বসবাসকারীদের চিহ্নিত করে ক্লাস্টার ভিত্তিক কর্মশালা করার উদ্যোগ নিতে পারে উন্নয়ন সংস্থাগুলো। এটা শুধু সরকারের একার দায়িত্ব নয়- যোগ করেন তিনি।
সাংবাদিক সাখাওয়াৎ হোসেন রুবেল বলেন, ‘২০১৭ সালের ১৩ জন পাহাড় ধসে রাঙ্গামাটিতে ১২০ জনের প্রাণহানী হয়েছে। আশ্রয়কেন্দ্র থাকলে এ ক্ষয়ক্ষতি কমিয়ে আনা যেত। তাই পার্বত্য এলাকায় পাহাড় ধসে প্রাণহানী রোধ করতে স্থায়ী আশ্রয়কেন্দ্র নির্মান করা দরকার’।