Chtnews24.com
নদীর তীর পুনর্দখলের চেষ্টা করলে আইনের আওতায় আনা হবে-স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী
Sunday, 07 Jul 2019 20:29 pm
Reporter :
Chtnews24.com

Chtnews24.com

ডেস্ক রির্পোটঃ-স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল বলেছেন, দেশের সব নদী তীর দখলমুক্ত করার কাজ চলছে। পুনর্দখলের চেষ্টা করলে অভিযুক্তদের আইনের আওতায় আনা হবে।
শনিবার রাজধানীর কামরাঙ্গীরচরের খোলামোড়া ঘাটে সীমানা পিলার, ওয়াকওয়ে, নদী তীর রক্ষা প্রাচীর (কিওয়াল) এবং ওয়াকওয়ে অন পাইল নির্মাণ কাজের উদ্বোধনকালে তিনি এ কথা বলেন। নৌপরিবহন মন্ত্রণালয়ের আওতাধীন বিআইডব্লিউটিএ এ প্রকল্প গ্রহণ করেছে। প্রকল্পের ব্যয় ধরা হয়েছে ৮৪৪ কোটি ৫৫ লাখ টাকা। ২০১৮ সালের জুলাই হতে ২০২২ সালের জুনের মধ্যে প্রকল্পের কাজ শেষ করা হবে।
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, কেউ যদি নদীর এলাকা ফের দখল করার চিন্তা করেন, তাহলে ভুল করবেন। আগের সরকার আর বর্তমান সরকার এক নয়। আমরা যা বলি তা-ই করি। কেউ দখলের চেষ্টা করলে আইন অনুযায়ী তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
বুড়িগঙ্গাসহ দেশের সব নদী দখলমুক্ত করে বাংলাদেশের নদীমাতৃক রূপ আবার ফিরিয়ে আনা হবে উল্লেখ করে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বুড়িগঙ্গাকে পুরানো রূপে ফিরিয়ে আনার নির্দেশ দিয়েছেন। আমরা সেই নির্দেশনা অনুযায়ী কাজ করে যাচ্ছি। তিনি বলেন, ঢাকার চারপাশে সার্কুলার নৌপথ চালু করে যাত্রী ও মালামাল পরিবহন সহজতর করা হবে। বুড়িগঙ্গাকে হাতিরঝিলের মতো নয়নাভিরাম করা হবে। অচিরেই এ জায়গা হবে আনন্দ ও বিনোদনের কেন্দ্র।
এ সময় সেখানে উপস্থিত নৌপরিবহন প্রতিমন্ত্রী খালিদ মাহমুদ চৌধুরী বলেন, আগামী ১০ বছরের মধ্যে বুড়িগঙ্গা নদীর পানিকে দূষণমুক্ত করে মানুষের ব্যবহার উপযোগী করতে চাই। মানুষের জীবিকার জন্য নদী ব্যবহূত হবে—আমরা সে রকম পরিবেশ গড়ে তুলব। ঢাকার চারপাশের নদীগুলোকে দখল ও দূষণমুক্ত করতে সরকার কাজ করছে। এক্ষেত্রে কেউ হস্তক্ষেপ করলে তার পরিণাম হবে ভয়াবহ। তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা নদী রক্ষায় সর্বাত্মক প্রচেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন। নদী রক্ষায় শুধু ঢাকার মানুষ নয়, সারাদেশের মানুষকে এগিয়ে আসতে হবে।
অনুষ্ঠানে আরো উপস্থিত ছিলেন সংসদ সদস্য অ্যাডভোকেট কামরুল ইসলাম, সংসদ সদস্য হাজী মো. সেলিম, নৌপরিবহন মন্ত্রণালয়ের সচিব আবদুস সামাদ, কলামিস্ট ও পরিবেশবিদ সৈয়দ আবুল মকসুদ, বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌপরিবহন কর্তৃপক্ষের (বিআইডব্লিউটিএ) চেয়ারম্যান কমডোর এম মাহবুব উল ইসলাম এবং প্রকল্প পরিচালক নুরুল আলম।