Chtnews24.com
টেকনাফে ইউপি মেম্বার বন্দুক যুদ্ধে নিহত, আহত-৩, অগ্নেয়াস্ত্র ও ইয়াবা উদ্ধার
Tuesday, 02 Jul 2019 19:58 pm
Reporter :
Chtnews24.com

Chtnews24.com

টেকনাফঃ-কক্সবাজার টেকনাফে এক ইউপি সদস্য নিহত হয়েছে। মঙ্গলবার (২ জুলাই) রাতের প্রথম প্রহরে পুলিশের সাথে কথিত বন্দুকযুদ্ধে সে নিহত হয় বলে পুলিশের দাবী। এসময় ৪ টি এলজি (আগ্নেয়াস্ত্র), ১৭ রাউন্ড শর্টগানের তাজা কার্তুজ, ২১ রাউন্ড কার্তুজের খোসা এবং ৬ হাজার ইয়াবা উদ্ধার করা হয়েছে বলে ও  পুলিশ জানায়।
সুত্রে জানা যায়, পহেলা জুলাই বিকালে তাকে আট করে পুলিশ। সে টেকনাফ সদর ইউনিয়নের ৫নং ওয়ার্ডের নির্বাচিত মেম্বার। একই ওয়ার্ডের মহেষখালিয়া পাড়া গ্রামের মৃত আবুল হাশিমের পুত্র।
টেকনাফ মডেল থানার ওসি প্রদীপ কুমার দাশ জানান, গ্রেফতারের পর আবদুল হামিদ মেম্বারকে ব্যাপক জিজ্ঞাসাবাদে স্বীকারোক্তি মতে মহেষখালীয়াপাড়া নৌকা ঘাটে ইয়াবা উদ্ধার অভিযানে গেলে তার সহযোগী অস্ত্রধারী ইয়াবা ব্যবসায়ীরা পুলিশকে লক্ষ্য করে গুলি ছুড়তে থাকে। এতে ঘটনাস্থলে এসআই স্বপন চন্দ্র দাশ, এএসআই কাজী সাইফ উদ্দিন, কনস্টেবল রয়েল বডুয়া আহত হয়।
পুলিশও নিজেদের জীবন ও সরকারী সম্পত্তি রক্ষার্থে ৫০ রাউন্ড গুলি করে। এক পর্যায়ে আবদুল হামিদ প্রকাশ হামিদ মেম্বার গুলিবিদ্ধ হন। ঘটনাস্থলের আশপাশে ব্যাপক তল্লাশী করে ৪ টি এলজি (আগ্নেয়াস্ত্র), ১৭ রাউন্ড শর্টগানের তাজা কার্তুজ, ২১ রাউন্ড কার্তুজের খোসা এবং ৬ হাজার ইয়াবা উদ্ধার করা হয়।
গুলিবিদ্ধ ডাকাত হামিদকে টেকনাফ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়া গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক কক্সবাজার সদর হাসপাতালে প্রেরণ করেন। সেখানে রাত ৩.৪০ টার সময় তাকে মৃত ঘোষণা করেন চিকিৎসক।
এদিকে, থানার রেকর্ডপত্র সিডিএমএস পর্যালোচনা করে দেখা গেছে, মোঃ হামিদ প্রকাশ হামিদ মেম্বার এর বিরুদ্ধে (১) টেকনাফ থানার এফআইআর নং-৪১ (তারিখ- ২৮ ডিসেম্বর, ২০১৩), জিআর নং-৬৪৯ ধারা- ৭/৮ ২০১২ সালের মানবপাচার প্রতিরোধ ও দমন আইন) (২) টেকনাফ থানার এফআইআর নং-০৬ (তারিখ- ০২ নভেম্বর, ২০১৪) জিআর নং-৬৩৭/১৪ ধারা- ৭/৮ ২০১২ সালের মানবপাচার প্রতিরোধ ও দমন আইন (৩) কর্ণফুলী থানার এফআইআর নং-১২ (তারিখ- ২৮ জানুয়ারী, ২০১৪) ধারা- ১৯(১) এর ৯ (খ) ১৯৯০ সালের মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন (৪) টেকনাফ থানার এফআইআর নং-১৮ (তারিখ- ১৭ জুলাই, ২০১১) জি আর নং-২৫৫/১১ ধারা- ৯(৩)/৯(৪)(খ) ২০০০ সালের নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন সংশোধনী ২০০৩ (৫) টেকনাফ থানার এফআইআর নং-৮/৪৯ (তারিখ- ০৪ ফেব্রুয়ারী, ২০১৮) ধারা- ১৪৩/৩৪১/১০৯/৩২৪/৩২৫/৩২৬/৩০৭/৫০৬/৩৪ পেনাল কোড-১৮৬০ (৬) রামু থানার এফআইআর নং-৯/২৭৫, (তারিখ- ০৬ আগষ্ট, ২০১৭) ধারা- ১৯(১) এর ৯(খ) ১৯৯০ সালের মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন (৭) টেকনাফ থানার এফআইআর নং-৭১ (তারিখ- ২৩ সেপ্টেম্বর, ২০১৪) জিআর নং-৫২৬/১৪ ধারা- ১৪৩/৩২৩/৩৬৫/৩৪২ পেনাল কোড-১৮৬০ (৮) টেকনাফ থানার এফআইআর নং-৬৫, (তারিখ- ১৭ মে ২০১৯) ধারা- ১৯-ধ/১৯(ভ) ১৮৭৮ সালের অস্ত্র আইন (৯) টেকনাফ থানার এফআইআর নং-৫৩/১৮২ (তারিখ- ১৯ মার্চ, ২০১৯) ধারা- ১৯ (ধ)/১৯(ভ) ১৮৭৮ সালের অস্ত্র আইন (১০) টেকনাফ থানার এফআইআর নং-৫৪/১৮৩ (তারিখ- ১৯ মার্চ, ২০১৯) ধারা- ৩৬(১) এর ১০(গ)/৪১ মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন-২০১৮ (১১) টেকনাফ থানার এফআইআর নং-৫৫/১৮৪ (তারিখ- ১৯ মার্চ, ২০১৯) ধারা- ১৮৬/৩৩২/৩৩৩/৩৫৩/৩০২/৩৪ পেনাল কোড-১৮৬০ (১২) জিআর ৫৯/১২, ধারা-১৪৩/৩২৩ পেনাল কোড এর এজাহারে অভিযুক্ত মর্মে তথ্য পাওয়া যায়। টেকনাফ থানার ওসি জানান, ঘটনা সংক্রান্তে পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হচ্ছে।