Chtnews24.com
বৌদ্ধ পূর্ণিমায় কোনো জঙ্গীগোষ্ঠী নাশকতা করতে না পারে তার জন্য পুলিশ প্রশাসন প্রস্তুত-এস পি আলমগীর কবির
Wednesday, 15 May 2019 15:33 pm
Reporter :
Chtnews24.com

Chtnews24.com

রাঙ্গামাটিঃ-বৌদ্ধ পূর্ণিমাকে নিয়ে কোনো জঙ্গীগোষ্ঠী বা মহল যাতে কোনো ধরনের নাশকতা করতে না পারে তার জন্য পুলিশ প্রশাসন থেকে সব ধরনের প্রস্তুতি গ্রহন করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন রাঙ্গামাটি পুলিশ সুপার আলমগীর কবির। তিনি বলেন, আমরা কোন কিছু হালকা ভাবে নিচ্ছিনা। তাই নিরাপত্তা ব্যবস্থা সুসংহত করার লক্ষ্যে নিরাপত্তা সংক্রান্ত প্রতিটি বিষয় বিশ্লেষণ করে বৌদ্ধ মন্দির কেন্দ্রিক বিশেষ নিরাপত্তা ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।
বৌদ্ধ পূর্ণিমাকে সামনে রেখে বুধবার (১৫ মে) দুপুরে রাঙ্গামাটি পুলিশ সুপার কার্যালয়ের সম্মেলন কক্ষে রাঙ্গামাটি পার্বত্য জেলার ১০ উপজেলার বিভিন্ন ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধি, রাজনীতিবিদ, সুশীল সমাজসহ বিশিষ্ট গন্যমান্য ব্যক্তিবর্গের সাথে মতবিনিময় সভায় রাঙ্গামাটি পুলিশ সুপার মোঃ আলমগীর কবীর এসব কথা বলেন।
এসময় অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মোঃ ছুফীউল্লাহ, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার সদর মোঃ জাহাঙ্গীর আলম, ১০ উপজেলার থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ও ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানের পরিচালনা কমিটির সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকসহ এলাকার গন্যমান্য ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন। সভায় উপস্থিত বিভিন্ন নেতৃবৃন্দ ও সুধীজনের পক্ষ থেকে বিভিন্ন পরামর্শ নেয়া হয়।
রাঙ্গামাটি পুলিশ সুপার মোঃ আলমগীর কবীর বলেন, যে কোন ধরনের নাশকতা বা জঙ্গী হামলা ঠেকাতে সম্মিলিতভাবে কাজ করতে হবে। তিনি বলেন, সারা বিশ্বে সন্ত্রাসীরা নিজেদের স্বার্থে মসজিদ, মন্দির, বিহার, গির্জাসহ প্রতিটি ধর্মীয় উপাসনালয়ে হামলা করছে, বর্তমান এরকম একটা পরিস্থিতিতে আমাদের সকলকে সতর্ক থাকতে হবে।
তিনি আরো বলেন, বাংলাদেশ হচ্ছে সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির দেশ, এখানে যে কোন ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানে নাশকতা বা হামলা আমাদের সকলের উপরই হামলার সামিল। তাই সকলকে যার যার অবস্থানে থেকে সন্ত্রাসীদের বিরুদ্ধে সম্মিলিতভাবে প্রতিরোধ গড়ে তুলতে হবে। তিনি বলেন, আগামী ১৮ মে বৌদ্ধ পূর্ণিমাকে সামনে রেখে রাঙ্গামাটি জেলায় নিরাপত্তা ব্যবস্থা অত্যন্ত জোড়দার করা হবে। যে কোন ধরনের তথ্য পেলে সাথে সাথে পুলিশ প্রশাসনকে অবহিত করতে সকলকে আহবান জানান পুলিশ সুপার মোঃ আলমগী কবীর।
সভায় ১৮ মে বৌদ্ধ পূর্ণিমায় স্থানীয় স্বেচ্ছাসেবী এবং বৌদ্ধ ধর্মীয় নেতৃবৃন্দের সহায়তা নিয়ে বৌদ্ধ মন্দির সমূহে নিশ্চিদ্র নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে ব্যাগ, পার্স, ভ্যানিটি ব্যাগ নিয়ে না আসতে, ভিক্ষুদের খাবারের জন্য প্লাষ্টিকের সাদা বক্স, এবং বৌদ্ধ মন্দিরসমূহে সিসিটিভি ক্যামেরা ও অগ্নিনির্বাপন যন্ত্র স্থাপন এবং স্বেচ্ছাসেবক নিয়োগের জন্য বৌদ্ধ ধর্মীয় নেতৃবৃন্দকে পরামর্শ দেয়া হয়।