Chtnews24.com
খাগড়াছড়িতে বিএনপির চুড়ান্ত প্রার্থী শহিদুল ইসলাম ভূঁইয়া
Saturday, 08 Dec 2018 20:02 pm
Reporter :
Chtnews24.com

Chtnews24.com

খাগড়াছড়িঃ-খাগড়াছড়ি সংসদীয় আসনে ধানের শীষ প্রতীক পেলেন খাগড়াছড়ি জেলা বিএনপির যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক ও রামগড় উপজেলা পরিষদের সদ্য পদত্যাগী উপজেলা চেয়ারম্যান মো শহিদুল ইসলাম ভূঁইয়া ফরহাদ।
শনিবার (৮ ডিসেম্বর) বিকাল সাড়ে ৫টার দিকে বিএনপির চেয়ারপারসনের গুলশান কার্যালয়ে বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর এ ঘোষণা দিয়েছেন। সকল জল্পনা-কল্পনার অবসান ঘটিয়ে অবশেষে চুড়ান্ত প্রার্থী হিসেবে শহিদুল ইসলাম ভূঁইয়ার নাম ঘোষণা দিলে নেতাকর্মীরা উল্লাসে ফেটে পড়ে।
প্রথমে খাগড়াছড়িতে বিএনপির একক প্রার্থী হিসেবে খাগড়াছড়ি জেলা বিএনপির সভাপতি ও সাবেক সংসদ সদস্য ওয়াদুদ ভুঁইয়ার নাম ঘোষণা করে কেন্দ্রীয় বিএনপি’র মনোনয়ন বোর্ড। কিন্তু মামলার জটিলতার কারণে ওয়াদুদ ভূঁইয়ার প্রার্থীতা নিয়ে অনিশ্চয়তা দেখে দিলে ওয়াদুদ ভূঁইয়ার বিকল্প প্রার্থী হিসেবে তারই ভাতিজা ও খাগড়াছড়ি জেলা বিএনপির যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক ও রামগড় উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান মো শহিদুল ইসলাম ভূঁইয়া ফরহাদ ও কেন্দ্রীয় বিএনপির সদস্য সমীরণ দেওয়ানকে মনোনয়ন দেয় বিএনপি। মনোয়নপত্র দাখিলের পর থেকে শহীদুল ইসলাম ভূঁইয়া ফরহাদ নির্বাচনী মাঠ সরব রাখলেও সমীরণ দেওাঁন ছিলেন নিরব।
অবশেষে চুড়ান্ত প্রার্থী হিসেবে খাগড়াছড়ি জেলা বিএনপির যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক ও রামগড় উপজেলা পরিষদের সদ্য সাবেক চেয়ারম্যান মো শহিদুল ইসলাম ভূঁইয়া ফরহাদ‘র নাম ঘোষণায় উজ্জীবিত হয়ে উঠেছে বিএনপির তৃনমুলের নেতাকর্মীরা।
তাৎক্ষনিক প্রতিক্রিয়ায় বিএনপি প্রার্থী মো শহিদুল ইসলাম ভূঁইয়া ফরহাদ জানান, সব ধরনের ধাক্কা সামলে জনগণকে সাথে নিয়ে তাঁর চাচা জেলা বিএনপির সভাপতি ও সাবেক সংসদ সদস্য ওয়াদুদ ভুঁইয়ার হাতে গড়া দুর্গ এবং হারানো আসন পুনরুদ্ধারের প্রত্যয় ব্যক্ত করেন। তিনি বলেন, অবাধ সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচন হলে খাগড়াছড়িতে ধানের শীষই শেষ হাসি হাসবে।
অপর দিকে শনিবার বিকালে জেলা বিএনপির সাংগঠনিক সভায় ওয়াদুদ ভূঁইয়া টেলিকনফারেন্সে নেতাকর্মীদের ঐক্যবদ্ধ হয়ে দলীয় প্রার্থীকে নির্বাচিত করার আহ্বান জানান।
নয়টি উপজেলা ও তিনটি পৌরসভা নিয়ে গঠিত পর্যটনের জনপদ খাগড়াছড়ি আসনে এবার ভোটার ৪ লাখ ৪১হাজার ৬৮ জন। পুরুষ ভোটার ২লাখ ২৬ হাজার ৮৬৯এবং নারী ভোটার ২ লাখ ১৪ হাজার ১৯৯ জন। তার মধ্যে প্রায় অর্ধেক ভোটার উপজাতি। ৫৯ হাজার নতুন ভোটার। ভোট কেন্দ্র ১’শ ৮৭টি। তার মধ্যে দিঘীনালা একটি ও লক্ষীছড়িতে দুটি কেন্দ্রে হেলিকপ্টার ব্যবহার করা যাবে।