Chtnews24.com
স্মরণকালের খাগড়াছড়িতে ভয়াবহ বন্যাঃ মেরুং বাজার পানির নিচে
Tuesday, 12 Jun 2018 21:21 pm
Reporter :
Chtnews24.com

Chtnews24.com

খাগড়াছড়িঃ-টানা দুই দিনের প্রবল বর্ষনে স্মরণকালের ভয়াবহ বন্যা খাগড়াছড়ি শহরের অধিকাংশ এলাকা ও মেরুং বাজার পানিতে তলিয়ে গেছে।বিভিন্ন স্থানে পাহাড় ধস,সড়ক যোগযযোগ বিচ্ছিন্ন। বন্যায় জেলায় অন্তত পাচ হাজার পরিবার পানিবন্দ্বি অবস্থায় রয়েছে। বিভিন্ন আশ্রয় শিবিরে পাচ শতাধিক পরিবার আশ্রয় নিয়েছে। পাহাড় ধসে মাটি চাপা পড়েছে বেশ কিছু কাচা ঘর-বাড়ী। বিভিন্ন সরকারী প্রতিষ্ঠানে পানি ঢুকে গুরুত্বপূর্ণ নথিপত্র নষ্ট হয়ে গেছে। বর্ষন অব্যাহত থাকায় চেঙ্গীনদীর দু‘কুল উপচে খাগড়াছড়ি শহর, শহরতলী ও আশপাশের অধিকাংশ গ্রাম প্লাবিত হয়েছে। জেলা সদরের মুসলিমপাড়া, গঞ্জপাড়া, শান্তিনগর, বাঙ্গালকাঠি, গোলাবাড়ি, কমলছড়ি, খবংপুড়িয়া, সিঙ্গিনালার কয়েক শত পরিবার পানিবন্দি হয়ে পড়েছেন। জেলা প্রশাসন ও পৌরসভার উদ্যোগে কয়েকটি আশ্রয় কেন্দ্রে উঠেছেন ৪ শতাধিক পরিবার।
টানা বর্ষনে খাগড়াছড়ি শহরের মেহেদীবাগ, বাস টার্মিনাল, শান্তিনগর, সবজি বাজার, গঞ্জপাড়া, মিলনপুর, মুসলিমপাড়া, ফুটবিল, মাস্টার পাড়া, শহীদ কাদের সড়ক, অর্পনা চৌধুরী পাড়া, আপার পেড়াছড়া পানির নীচে তলিয়ে গেছে।
অপর দিকে জেলার দীঘিনালা উপজেলার মেরুং বাজারের আড়াই শতাধিক ব্যবসায়ী প্রতিষ্ঠান  পানির নীচে তলিয়ে গেছে। সে সাথে মেরুং ইউনিয়নের পাচটি গ্রামের পাচ শতাধিক পরিবার পানি বন্দ্বি অবস্থায় রয়েছে। শতাধিক পরিবার শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে আশ্রয় নিয়েছে।
এ দিকে সড়কে পানি উঠায় খাগড়াছড়ি-রাঙামাটি সড়ক ও দীঘিনালা-লংগদু সড়ক যোগাযোগ বিছিন্ন হয়ে গেছে। জেলার বিভিন্ন স্থানে পাহাড় ধসে বেশ কিছু কাচা ঘর-বাড়ী ক্ষতিগ্রস্ত  হয়েছে।  তবে ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ এখনো জানা যায়নি। এদিকে টানা বর্ষণ অব্যাহত থাকলে খাগড়াছড়িতেও পাহাড় ধসের শংকা রয়েছে। অবশ্য প্রশাসনের পক্ষ থেকে এর-ই মধ্যে সংশ্লিষ্ট এলাকাসমূহে সতর্ক করে দেয়া হয়েছে। জেলা প্রশাসক মো: রাশেদুল ইসলাম জানান, এখনো পর্যন্ত জেলার কোথাও বড় ধরণের পাহাড় ধসের খবর পাওয়া যায়নি।