Chtnews24.com
রাজস্থলী উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন অফিসের উন্নয়ন কর্মকান্ডে নিয়ে হাজারো প্রশ্নবিদ্ধ
Friday, 09 Nov 2018 19:49 pm
Reporter :
Chtnews24.com

Chtnews24.com

চাউচিং মারমা, রাজস্থলীঃ-রাজস্থলী উপজেলায় তৃণমুল পর্যায়ে সরকারী উন্নয়ন কাজের অন্যতম প্রধান দফতর হিসেবে পরিচিত উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন অফিসের কর্মকান্ডের এলাকা স্থানীয় জনপ্রতিনিধি, সুশীল সমাজ ও বহু রাজনৈতিক নেতাদেরা উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন অফিসের উন্নয়ন কর্মকান্ডে নিয়ে অসন্তোষ প্রকাশ ও রয়েছে হাজারো প্রশ্ন?
অনুসন্ধানে জানা গেছে, প্রতি অর্থবছরের কয়েক কোটি টাকা (কাবিটা, কাবিখা, টিআর, বিশেষ রবাদ্দ, ব্রীজ-কালভার্ট, রাস্তা স্থাপন, চল্লিশ দিন কর্মসূচসহ) সরকারীভাবে এলাকা উন্নয়ন কর্মকান্ডে বরাদ্দকৃত অর্থ নিয়মিত বাস্তবায়ন হচ্ছে না। আর যে সব উন্নয়ন কর্মকান্ড হচ্ছে, সেগুলোও অর্থ বরাদ্দ অনুসারে তুলনামূলক ভাবে খুবই নগন্য বলে অভিযোগ।
এছাড়া প্রাকৃতিক দুর্যোগ, রাজনীতিবিদের মতমৈক্য, ক্ষমতাদ্বন্ড ও নানাভাবে প্রভাবিত হয়ে কয়েক কোটি ব্যয়ের নির্মিত ব্রীজ-কালভাট কোনটি ভেঙ্গে গেছে, হচ্ছে না জনগন সঠিকভাবে ব্যবহার, ভেঙ্গে যাওয়া ব্রীজগুলো নেই কোন সংস্থার। ফলে আবারও স্থানীয় জনগনরা দুর্ভোগ শিকার হচ্ছে।
উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন সূত্রে জানা গেছে, দীর্ঘদিন ধরে উপজেলা প্রকল্প কর্মকর্তা অতিরিক্ত দায়িত্ব, বর্গা অফিস সহকারী, নেই কোন অফিস সহায়ক। তাই প্রতিদিন সকাল-বিকাল ঝুলছে অফিসের তালা, আর অফিস খুললেই দেখা যায়, টেবিলে পাহাড় সমান বিভিন্ন উন্নয়ন কর্মকান্ডে ফাইল স্তুপ পড়ে আছে। কিভাবে উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন অফিস চলছে সবার মুখে এখন প্রশ্ন।
জানা যায়, মোঃ ফিরোজ নামে একজন ব্যক্তি কাপ্তাই উপজেলা থেকে সরকারী অনুমতি ছাড়া অফিস সহকারী কাজে নিয়োজিত রয়েছে। অন্যজন হচ্ছে থোক বরাদ্দকৃত বিনিময়ে রাখা মোসা. নার্গিস আক্তার নামে একজন মহিলা অফিস সহায়ক হিসেবে কর্মরত আছে। এ দফদরের সাথে উন্নয়ন কর্মকান্ডে সরাসরি জড়িত।
ইউনিয়ন পরিষদ প্রতিনিধি ১নম্বর ঘিলাছড়ি ইউপি চেয়ারম্যান সুশান্ত প্রসাদ তঞ্চগ্যা, ২নম্বর গাইন্দ্যা ইউপি চেয়ারম্যান উথান মারমা ও ৩নম্বর বাঙ্গালহালিয়া ইউপি চেয়ারম্যান ঞোমং মারমা বলেন, উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা কার্যালয়ে নিয়মিত কর্মকর্তা, কর্মচারী না থাকায় উন্নয়ন কাজের ব্যাঘাত সৃষ্টি হচ্ছে বলে শিকার করেন। তবে, স্থানীয় জনপ্রতিনিধি হিসেবে সরকারী বরাদ্দকৃত অর্থ নিজ ইউনিয়ন উন্নয়নের কাজে সঠিকভাবে ব্যবহার করছে বলে এ সব চেয়ারম্যানদের দাবী। এ সকল প্রতিনিধিরা  আরো জানান, ইউনিয়ন পরিষদ এলাকার বিভিন্ন উন্নয়ন দৃশ্যমান এবং দ্রুত পরিবর্তন করার ক্ষেত্রে বরাদ্দ অপ্রতুলতা বলে মনে করেন।
এদিকে সদস্য যোগদানকৃত উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা কমল বরং সাহা বলেন, প্রথম দিকে ইতিপূর্বে উন্নয়ন কার্মকান্ড দেখে তিনিও হতাশ ও প্রশাসনিক তদারকি দুর্বলতা বিষয় শিকার করেন। তবে, আগামীদিনের উন্নয়ন কার্যক্রম বিষয়ের তিনি সচেষ্টা থাকার অভিমত ব্যক্ত করেন। অন্যদিকে উপজেলা চেয়ারম্যান উথিনসিন মারমা বলেন, উপজেলা পরিষদ পক্ষ থেকে বারবার এ বিষয় জেলা মাসিক সমন্বয় সভা গুলোতে উপস্থাপন করে আসছে। পরবর্তী অর্থবছরের উন্নয়ন কর্মকান্ড সঠিকভাবে পরিচালনা আশ্বাস প্রদান করেন।