Chtnews24.com
বৌদ্ধ মন্দির ও মুর্তি ভাংচুরের ঘটনায় এলাকাবাসী ও ভিক্ষু সংঘদের সাথে প্রশাসনের মতবিনিময়
Wednesday, 24 Oct 2018 19:26 pm
Reporter :
Chtnews24.com

Chtnews24.com

খাগড়াছড়িঃ-গড়াছড়ির গুইমারা উপজেলার দূর্গম কুকিছড়া এলাকায় পরিত্যাক্ত সেনাক্যাম্পের সরকারী খাস জায়গায় নির্মিত বৌদ্ধ মন্দির ও মুর্তি ভাংচুরের ঘটনার একদিন পর বুধবার (২৪ অক্টোবর) দুপুরে উপজেলার চান্দামুনি বৌদ্ধবিহারে এলাকাবাসী ও ভিক্ষু সংঘদের নিয়ে একটি মতবিনিময় সভা করেন প্রশাসনের কর্মকর্তা ও জনপ্রতিনিধিরা।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন, গুইমারা সেনা রিজিয়ন কমান্ডার ব্রিগেডিয়ার এ কে এম সাজেদুল ইসলাম, খাগড়াছড়ি পার্বত্য জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান কংজরী চৌধুরী, জেলা প্রশাসক মো. শাহেদুল ইসলাম, পুলিশ সুপার মো. আহমার উজ্জামান, মাটিরাঙ্গা সেনা জোনের অধিনায়ক লে. কর্ণেল নওরোজ, সিন্দুকছড়ি সেনা জোনের অধিনায়ক লে. কর্নেল রুবায়েত মাহামুদ, জেলা পরিষদ সদস্য মংসুইপ্রু চৌধুরী, গুইমারা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা পংকজ বড়ুয়া, খাগড়াছড়ি বৌদ্ধ ধর্মীয় কল্যান ট্রাস্টের সভাপতি বাসন্তী চাকমা, গুইমার সদর ইউপি চেয়ারম্যান মেমং মারমা, হাফছড়ি ইউপি চেয়ারম্যান চাইথোয়াই চৌধুরী প্রমুখ।
তারা এলাকাবাসী ও ভিক্ষু সংঘদের কথা শুনেন এবং তাদের দাবী অনুযায়ী আগামী দুই এক মাসের মধ্যে নতুন করে বিহার নির্মাণ ও বুদ্ধ মুর্তি স্থাপনের আশ্বাস প্রদান করেন।
এসময় বুদ্ধ ধর্মগুরুদের মধ্যে দেয়ানপাড়া মিশন বৌদ্ধ বিহারের অধ্যক্ষ সংজ্ঞ রত্ম মহাথের, জ্যোতিসারা ভান্তে, কুকিছড়া পালিতুল সুরক্ষিত বৌদ্ধ বিহারের প্রধান আগাচারা ভিক্ষু, নাক্রাইপাড়া বৌদ্ধা বিহারের প্রধান ক্ষেমাছাড়া ভিক্ষু প্রমূখ উপস্থিত ছিলেন।
এদিকে চান্দেমুনি বৌদ্ধবিহার এলাকায় আলোচনা সভা চলাকালে পাহাড়ের আঞ্চলিক রাজনৈতিক দল ইউপিডিএফের ব্যানারে গুইমারা বাজারে বিক্ষোভ মিছিল করে শত শত নারী ও পুরুষ। এসময় চান্দামুনি বৌদ্ধ বিহার থেকে এসে ভিক্ষু সংঘ, প্রশাসনের লোকজন ও জনপ্রতিনিধিরা তাদের শান্ত করেন।
উল্লেখ্য, গুইমারা উপজেলার হাফছড়ি ইউনিয়নে গত সোমবার (২২ অক্টোবর) দিবাগত রাতে বৌদ্ধ মন্দির ও মুর্তি ভাংচুর করেছে দুর্বৃত্তরা। ঘটনার পর এলাকা জুড়ে উত্তেজনা সৃষ্টি হলে, শুরু হয় সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে নিরাপত্তাবাহিনীকে নিয়ে অপপ্রচার। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রনে রাখতে উপজেলার গুরুত্বপূর্ণ এলাকায় যৌথ বাহিনীর বিশেষ টহল জোরদার করা হয়েছে।