Chtnews24.com
শিক্ষার প্রাথমিক স্তরকে শিক্ষক অভিভাবকদের আরো বেশী গুরুত্ব দিতে হবে-বৃষ কেতু চাকমা
Monday, 13 Nov 2017 19:35 pm
Reporter :
Chtnews24.com

Chtnews24.com

রাঙ্গামাটিঃ-পার্বত্য অঞ্চলের শিক্ষার মানউন্নয়ন বৃদ্ধির লক্ষ্যে এ বৃত্তি শিক্ষার্থীদের আগামীতে ভালো ফলাফল নিয়ে আনতে সহায়ক ভুমিকা রাখবে বলে আশা প্রকাশ করেছেন রাঙ্গামাটি জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান বৃষ কেতু চাকমা। তিনি বলেন, শিক্ষার প্রাথমিক স্তরকে শিক্ষক অভিভাবকদেরও আরো বেশী গুরুত্ব দিতে হবে। প্রাথমিক শিক্ষার মান ভালো না হলে কোন শিক্ষার্থীই তার অভিষ্ঠ লক্ষ্যে পৌছেতে পারবে না বলে তিনি মনে করেন।
সোমবার (১৩ নভেম্বর) সকালে রাঙ্গামাটি ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্টীর ইন্সটিটিউট মিলনায়তনে রাঙ্গামাটি পার্বত্য জেলা পরিষদ প্রবর্তিত ৪র্থ শ্রেণীর প্রাইমারি বৃত্তি পরীক্ষায় উত্তীর্ণ কৃতী শিক্ষার্থীদের মাঝে বৃত্তি প্রদান অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন।
রাঙ্গামাটি পার্বত্য জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান বৃষকেতু চাকমা ৩শত ৪৯জন শিক্ষার্থীদের মাঝে ৪ লক্ষ ৬ হাজার ৫শত টাকার  বৃত্তি প্রদান করেন। বৃত্তিপ্রাপ্তদের মধ্যে অনন্য মেধায় ২২জনকে ২হাজার টাকা, ট্যালেন্টপুলে ৭১জনকে ১হাজার ৫শত টাকা এবং ২৫৬ জন শিক্ষার্থীকে  সাধারণ গ্রেডে ১হাজার টাকা করে মোট ৪লক্ষ ৬হাজার ৫শত টাকার শিক্ষা বৃত্তি প্রদান করা হয়।  
শিক্ষা কমিটির আহ্বায়ক ও রাঙ্গামাটি পার্বত্য জেলা পরিষদ সদস্য অংসুইপ্রু চৌধুরীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত বৃত্তি প্রদান অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে রাঙ্গামাটি পার্বত্য জেলা পরিষদ সদস্য মানোয়ারা আক্তার জাহান, পরিষদ সদস্য অমিত চাকমা রাজু, পরিষদ সদস্য ত্রিদীপ কান্তি দাশ, রাঙ্গামাটি অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মোঃ ইউসুফ সিদ্দিকী ও জেলা শিক্ষা কর্মকর্তা উত্তম খীসা বক্তব্য দেন। অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য দেন রাঙ্গামাটি জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা রওশন আলী।
রাঙ্গামাটি জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান বৃষ কেতু চাকমা বলেন, পার্বত্য অঞ্চলের শিক্ষার মান বৃদ্ধির লক্ষ্যে রাঙ্গামাটি জেলা পরিষদ ৪র্থ শ্রেণীর প্রাইমারী বৃত্তি পরীক্ষা প্রচলন করেছে। জেলা পরিষদ প্রাইমারী শিক্ষাকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিচ্ছে।
তিনি বলেন, একটি ভবনের ফাউন্ডেশন যদি সঠিকভাবে করা না হয়, সে ভবন বেশীদিন টিকে না। তাই প্রাথমিক পর্যায় থেকে শিক্ষাথীদের শিক্ষারমান ভালো করতে হবে। না হলে কোন শিক্ষার্থী তার অবিষ্টলক্ষ্যে পৌঁছেতে পারবে না। এ লক্ষ্যে রাঙ্গামাটি পার্বত্য জেলা পরিষদ ২০০৩ সাল থেকে প্রাথমিক শিক্ষা বৃত্তি চালু করেছে।
তিনি আরো বলেন, বর্তমান সরকার শিক্ষিত জাতি গঠন ও শিক্ষার মান উন্নয়নে ২৬ হাজার বেসরকারী স্কুল সরকারীকরণ ও বছরের প্রথম দিনে শিক্ষার্থীদের হাতে বই পৌছে দিচ্ছে। সরকারের প্রদত্ত সুবিধাগুলোকে কাজে লাগিয়ে সমৃদ্ধশালী দেশ গঠনে আমাদের সেভাবে কাজ করতে হবে। তিনি পার্বত্য অঞ্চলের শিক্ষার মানউন্নয়ন বৃদ্ধির লক্ষ্যে আরো বেশী গুরুত্ব দিতে শিক্ষক অভিভাবকদের আহ্বান জানান।
পরে রাঙ্গামাটি জেলা পরিষদের উদ্যোগে অনুষ্ঠিত ৪র্থ শ্রেণীর বৃত্তি পরীক্ষায় উত্তীর্ণ অনন্য মেধা ও ট্যালেন্টপুলে বৃত্তি প্রাপ্তদের ক্রেষ্ট ও সনদ প্রদান করা হয়।  ২০০৩ সাল থেকে রাঙ্গামাটি পার্বত্য জেলা পরিষদ প্রতি বছর প্রাথমিক পর্যায়ে এ বৃত্তি দিয়ে আসছে।