মঙ্গলবার, ১৭ জুলাই ,২০১৮

Bangla Version
  
SHARE

রবিবার, ০৬ আগস্ট, ২০১৭, ০৮:৩০:৫৭

জিয়া অরফানেজ মামলাঃ ফের আদালত পরিবর্তনের আবেদন খালেদা জিয়ার

জিয়া অরফানেজ মামলাঃ ফের আদালত পরিবর্তনের আবেদন খালেদা জিয়ার

ডেস্ক রির্পোটঃ-ন্যায়বিচার না পাওয়ার আশঙ্কা করে জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট মামলায় ফের আদালত পরিবর্তনের আবেদন করেছেন বিএনিপ চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া। তার পক্ষে আইনজীবী জাকির হোসেন ভূইয়া রবিবার (৬ আগস্ট) সুপ্রিম কোর্টের সংশ্লিষ্ট শাখায় এই আবেদন জমা দেন।
পরে খালেদা জিয়ার অপর আইনজীবী জমিরউদ্দিন সরকার ওই আবেদন বিচারপতি মো. শওকত হোসেন ও বিচারপতি মো. নজরুল ইসলাম তালুকদারের বেঞ্চে উপস্থাপন করেন। সোমবার আবেদনের উপর শুনানি হতে পারে বলে জানিয়েছেন খালেদা জিয়ার আরেক আইনজীবী ব্যারিস্টার মাহবুব উদ্দিন খোকন।
আবেদনের বিষয়ে মাহবুব উদ্দিন খোকন বলেন, ‘ন্যায়বিচার না পাওয়ার আশঙ্কা থেকে আমরা আদালত পরিবর্তনের আবেদন করেছি। জরুরি অবস্থার সময়ে দুদকের দায়ের করা এ মামলা বর্তমানে ঢাকার ৫ নম্বর বিশেষ জজ আদালতের বিচারক মো. আখতারুজ্জামানের আদালতে বিচারাধীন।
জিয়া দাতব্য ট্রাস্ট দুর্নীতি মামলার মত এ মামলারও শুনানি চলছে বকশীবাজারে কারা অধিদফতরের মাঠে স্থাপিত বিশেষ এজলাসে।
এর আগে গত ৮ মার্চ এই মামলাটি বকশীবাজারে স্থাপিত আবু আহমেদ জমাদারের বিশেষ জজ আদালত থেকে ঢাকার সিনিয়র বিশেষ জজ-৩ (ঢাকা মহানগর দায়রা জজ) কামরুল হোসেন মোল্লার আদালতে স্থানান্তরের নির্দেশ দেন হাইকোর্টের একটি বেঞ্চ। একইসঙ্গে মামলাটি ৬০ দিনের মধ্যে নিষ্পত্তিরও আদেশ দেন হাইকোর্ট।
পরে ১৪ মে ফের এই মামলাটির আদালত পরিবর্তন করে ড. মো. আখতারুজ্জামানের আদালতে পাঠান হাইকোর্ট। এরপর সেই আদালতেই বর্তমানে মামলাটি বিচারাধীন রয়েছে।
খালেদা জিয়ার আইনজীবীরা গত ২৭ জুলাই এতিমখানা দুর্নীতি মামলায় রাষ্ট্রপক্ষের ১১ সাক্ষীকে পুনরায় জেরা করার আবেদন করলে বিচারক তা নাকচ করে ৩ অগাস্ট পরবর্তী শুনানির দিন রাখেন। কিন্তু ওইদিন তার আইনজীবীরা আদালতকে জানান, চিকিৎসার জন্য বিএনপি চেয়ারপারসন লন্ডনে গেছেন।
মামলার বিচার কার্যক্রম চলার সময়ে লন্ডনে অবস্থান করায় সেদিন খালেদা জিয়ার জামিন বাতিলের আবেদন করে দুদক। এ বিষয়ে সোমবার আদেশ হওয়ার কথা রয়েছে।
মামলার বিবরণীতে জানা যায়, ২০০৮ সালের ৩ জুলাই রমনা থানায় জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট দুর্নীতি মামলা দায়ের করে দুদক। এতিমদের সহায়তা করার উদ্দেশ্যে একটি বিদেশি ব্যাংক থেকে আসা ২ কোটি ১০ লাখ ৭১ হাজার ৬৭১ টাকা আত্মসাৎ করার অভিযোগ এনে এ মামলা দায়ের করা হয়।
খালেদা ছাড়াও এ মামলার অপর আসামিরা হলেন, বিএনপির সিনিয়র ভাইস চেয়ারম্যান তারেক রহমান, সাবেক সাংসদ ও ব্যবসায়ী কাজী সালিমুল হক কামাল, সাবেক মুখ্যসচিব কামাল উদ্দিন সিদ্দিকী, ব্যবসায়ী শরফুদ্দিন আহমেদ ও জিয়াউর রহমানের বোনের ছেলে মমিনুর রহমান।

এই বিভাগের আরও খবর

  খালেদা জিয়ার সঙ্গে কাউকেই দেখা করতে দেয়া হচ্ছে না-মির্জা ফখরুল

  সরকার এমন জায়গায় গেছে, আর ফিরতে পারবে না-মির্জা ফখরুল

  খালেদা জিয়াকে কারাগারে রেখে নির্বাচন হতে দেয়া হবে না-বিএনপি

  প্রমাণ হবে খালেদার দণ্ডের নেপথ্যে ভারতীয় হাইকমিশন-রিজভী

  গণবিস্ফোরণে সরকারের পতন হবে-মওদুদ

  খালেদা জিয়ার মামলা নিয়ে গভীর ষড়যন্ত্রে লিপ্ত সরকার-রিজভী

  খালেদা জিয়াকে সাজানো মামলায় বন্দি করে রাখা হয়েছে-রিজভী

  জাতীয় নির্বাচনে অংশ না নিলে অস্তিত্ব সংকটে পড়বে বিএনপি-তোফায়েল

  রাজাকার-আলবদরসহ স্বাধীনতা বিরোধীদের তালিকা করতে হবে-নৌমন্ত্রী

  সরকারের বিদায়ের কাউন্টডাউন শুরু হয়েছে-রুহুল কবির রিজভী

  খালেদা জিয়া এলে রাজনীতিতে নতুন জোয়ারের সৃষ্টি হবে-মওদুদ

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

আজকের প্রশ্ন

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খাঁন কামাল বলেছেন, চলমান মাদকবিরোধী অভিযানে তথ্য-প্রমাণের ভিত্তিতে কাজ হচ্ছে, এখানে কাউকে ছাড় দেওয়া হবে না। বাস্তবে তা ঘটবে বলে মনে করেন?