সোমবার, ১৬ সেপ্টেম্বর ,২০১৯

Bangla Version
  
SHARE

শনিবার, ৩১ আগস্ট, ২০১৯, ০৮:২১:৫৫

গুমের শিকার পরিবারগুলোর কান্না শেষ হচ্ছে না-রিজভী

গুমের শিকার পরিবারগুলোর কান্না শেষ হচ্ছে না-রিজভী

ডেস্ক রিপোর্টঃ-বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী বলেছেন, ২০০৯ সালে আওয়ামী লীগ সরকার গঠন করার পর থেকে এখন পর্যন্ত সারাদেশে গুম হওয়া মানুষের সংখ্যা ১ হাজার ২০৯ জন। গুমের শিকার পরিবারের সদস্যরা এখনও পথ চেয়ে বসে আছেন, ছোট্ট শিশুরা অপেক্ষা করছে, বাবা ফিরে আসবে সেই আশায়, সন্তানের দুঃশ্চিন্তায় অনেকের বাবা-মা দুনিয়া ছেড়ে চলে গেছেন। নিখোঁজ সুমনের মা চোখের পানি ফেলতে ফেলতে অন্ধ হয়ে গেছেন। গুমের শিকার প্রতিটি পরিবারের কান্না-আহাজারি আর প্রতীক্ষার দিবানিশি শেষ হচ্ছে না। ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগ বাংলাদেশে গুমের ইতিহাস সৃষ্টি করেছে।
শুক্রবার দুপুরে রাজধানীর নয়াপল্টনে দলের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে এ সব কথা বলেন তিনি।
রিজভী বলেন, বাংলাদেশে বর্তমানে গুমের ধারাবাহিকতা রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত, যা শুরু হয়েছিল ১৯৭২ থেকে ৭৫ সালে। গণতন্ত্রের অকাল প্রয়াণ ঘটানোর জন্যই গুমের মতো অমানবিক কর্মসূচি হাতে নিয়েছে ক্ষমতাসীনরা। গণতন্ত্র হত্যায় রাষ্ট্রের এই নিষ্ঠুর চেহারা দেখে জনগণ শোক জানাতেও ভয় পাচ্ছে। গুম একটি ভয়ংকর মানবতাবিরোধী অপরাধ। গুমকে ব্যবহার করা হচ্ছে সুদূরপ্রসারী উদ্দেশ্য নিয়ে, বিরোধী দল ও মতকে নির্মূল করে রাষ্ট্র-সমাজে একমাত্রিকতা, কর্তৃত্ববাদী ও একদলীয় শাসনব্যবস্থাকে দীর্ঘস্থায়ী করাই এর মূল লক্ষ্য।
তিনি বলেন, মানবাধিকারবিষয়ক সংগঠন এশিয়ান লিগ্যাল রিসোর্স সেন্টারের (এএলআরসি) একটি প্রতিবেদন অনুযায়ী ২০০৯ সালের ১ জানুয়ারি থেকে ২০১৮ সালের ৩১ জুলাইয়ের মধ্যে অন্তত ৪৩৫ জনকে গুম করেছে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী। লোকজনকে তুলে নেয়া ও গুমের সঙ্গে জড়িত হিসেবে ডিবি, গোয়েন্দা বিভাগ, পুলিশের কাউন্টার টেরোরিজম অ্যান্ড ট্রান্সন্যাশনাল ক্রাইম ইউনিট (সিটিটিসিইউ) ও র‌্যাবের নাম উঠে এসেছে। একই প্রতিবেদনে নাগরিকদের তুলে নেয়া ও গুমের ঘটনায় জড়িত থাকার অভিযোগ বার বার অস্বীকার করে আসছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীগুলো। নিখোঁজ হওয়ার কয়েক সপ্তাহ/মাস পরে এক চতুর্থাংশ মানুষকে পাওয়া যাচ্ছে বন্দি অবস্থায়, তাদের বিরুদ্ধে আনা হচ্ছে নানা রকম বানোয়াট ফৌজদারি অভিযোগ। বন্দিদশা থেকে মুক্ত হয়ে যারা ঘরে ফিরছেন তারা ভয়ে কেউ মুখ খুলছেন না।
রিজভী বলেন, ‘বাংলাদেশে গুমের ইতিহাস সৃষ্টি করেছে আওয়ামী সরকার। রাষ্ট্রীয় মদদ ছাড়া কাউকে গুম করা অসম্ভব। গুম ও ক্রসফায়ারের মতো গুরুতর অপরাধের ঘটনাগুলো সমাজে, সংবাদ মাধ্যমে, সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে তোলপাড় সৃষ্টি হলেও তাতে সরকারের টনক নড়ে না। সুতরাং এতেই বোঝা যায়, এতসব গুমের হোতা কারা। গুমের সঙ্গে জড়িত ব্যক্তি ও তাদের মদদদানকারীরাও বিচারের আওতার বাইরে থাকবে না। প্রতিটি গুমের তদন্ত ও বিচার একদিন হবেই।

এই বিভাগের আরও খবর

  অন্যায়-অনিয়ম করলে কাউকে ছাড় দেওয়া হবে না-ওবায়দুল কাদের

  নিজেদের গৃহবিবাদেই হুমকির মুখে জাতীয় পার্টির ৩৩ বছরের ইতিহাস

  জনগণ রাষ্ট্রীয় উৎপীড়নের মুখে বিপর্যস্ত-ফখরুল

  রওশনকে বিরোধী দলের নেতা, কাদেরকে উপনেতা করে গেজেট

  আওয়ামী লীগের ১৫০ নেতার কাছে যাচ্ছে শোকজ নোটিশঃ শুরু শুদ্ধি অভিযান

  উপজেলা নির্বাচনে বিদ্রোহী প্রার্থীদের শোকজ করা হচ্ছে-ওবায়দুল কাদের

  রওশন এরশাদকে জাতীয় পার্টির পাল্টা চেয়ারম্যান ঘোষণা

  জিয়া ১৫ আগস্টের মাস্টারমাইন্ড আর তারেক ২১ আগস্টের-ওবায়দুল কাদের

  ৮ সেপ্টেম্বর থেকে বিদ্রোহী প্রার্থীদের চিঠি দেয়া হবে-ওবায়দুল কাদের

  রোহিঙ্গা সংকট সমাধানে সর্বদলীয় বৈঠক ডাকার আহ্বান বিএনপির

  বিএনপির শাসনামলে বাংলাদেশ জঙ্গিদের অভয়ারণ্যে পরিণত হয়েছিল-তথ্যমন্ত্রী

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

আজকের প্রশ্ন

ডেঙ্গুতে মৃত্যুর সংখ্যা নিয়ে বিভ্রান্তির প্রেক্ষাপটে আইইডিসিআরের সাবেক পরিচালক মাহমুদুর রহমান বলছেন, মৃত্যুর ঘটনাগুলো ‘রিভিউ’ করার কোনো প্রয়োজন নেই, চিকিৎসকদের কথাই যথেষ্ট। আপনি কি তাকে সমর্থন করেন?