সোমবার, ১৯ আগস্ট ,২০১৯

Bangla Version
  
SHARE

বুধবার, ১৯ জুন, ২০১৯, ০২:৪২:৫৪

খালেদা জিয়ার কারামুক্তিতে সামনে দুই মামলার বাধা!

খালেদা জিয়ার কারামুক্তিতে সামনে দুই মামলার বাধা!

ডেস্ক রিপোর্টঃ-মানহানির দুই মামলায় কারাবন্দী ও অসুস্থ বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়াকে মঙ্গলবার (১৮ জুন) ৬ মাসের জামিন দিয়েছে হাইকোর্ট। ২০১৪ সালে ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাত ও ২০১৬ সালে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে নিয়ে কটূক্তির অভিযোগে খালেদা জিয়ার বিরুদ্ধে দুটি মানহানির মামলায় গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করেছিল নিম্ন আদালত।
তবে প্রায় দেড় বছর যাবত কারাবন্দী সাবেক এই প্রধানমন্ত্রী এখনই মুক্তি পাচ্ছেন না। মুক্তির জন্য তাকে জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট দুর্নীতি এবং জিয়া চ্যারিটেবল ট্রাস্ট দুর্নীতি মামলায় জামিন পেতে হবে। ওই দুই মামলায় তিনি ১৭ বছরের সশ্রম কারাদণ্ডপ্রাপ্ত। এসব মামলায় সুপ্রিম কোর্টের আপিল ও হাইকোর্ট বিভাগে জামিন চেয়ে তার করা আবেদন বিচারাধীন রয়েছে।
এর মধ্যে জিয়া চ্যারিটেবল ট্রাস্ট মামলার নথি আসা সাপেক্ষে জামিন আবেদনের শুনানি গ্রহণ করা হবে বলে জানিয়েছে হাইকোর্ট। তবে সেই নথি এখনো ঢাকার বিশেষ জজ আদালত-৫ থেকে আসেনি। হাইকোর্ট দুই মাসের মধ্যে ওই নথি পাঠানোর নির্দেশ দিয়েছিল।
এছাড়া অরফানেজ ট্রাস্ট মামলায় হাইকোর্টের দেওয়া দশ বছরের সাজার বিরুদ্ধে খালেদা জিয়া আপিল করেছেন। খালেদা জিয়ার আইনজীবী অ্যাডভোকেট মাসুদ আহমেদ তালুকদার বলেন, নথির জন্য মঙ্গলবারও যোগাযোগ করেছি। আশা করি এ সপ্তাহের মধ্যে নথি পেয়ে যাব।
খালেদা জিয়ার অন্যতম আইনজীবী ও বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ব্যারিস্টার মওদুদ আহমদ বলেন, বেগম জিয়ার বাকি যে দুটো মামলা আছে সেগুলোতে জামিন পেলেই তিনি মুক্তি পাবেন। জিয়া চ্যারিটেবল মামলায়ও জামিন আবেদন করা হয়েছে। ওই মামলায় নথি আসতে আর ১২দিন বাকি আছে। আশা করি ১২ দিন পর ওই মামলায় তার জামিন শুনানি হবে।
তিনি বলেন, বেগম জিয়া কারাবন্দি থাকতে বিভিন্ন মামলা দিয়ে তাকে কি করে আরো বেশি দিন জেলখানায় রাখা যায় সে ব্যবস্থা সরকার করেছিল। যে দুটি মামলা হাইকোর্টে এসেছে তা হাইকোর্ট পর্যন্ত আসার কথা না। এসব মামুলি মামলা। অনেক সময় আমরা রাজনৈতিক ব্যক্তিরা অনেক বক্তব্য রাখি। মঙ্গলবার এই মামলায় জামিনের জন্য তাকে হাইকোর্ট পর্যন্ত আসতে হয়েছে।
তিনি আরো বলেন, আরেকটা আছে মানহানির মামলা। যেটা জামিনযোগ্য মামলা। সুপ্রিম কোর্টের রায়ে আছে জামিনযোগ্য মামলা যদি হয় তাহলে জামিন দিতে বাধ্য আদালত। কিন্তু তারপরও দেয়নি। কেন দেয়নি তা আমরা জানি রাজনৈতিক প্রভাবের কারণে। দুটো মামলাতেই ছয় মাসের জামিন দেওয়া হয়েছে। এ আদেশ আমাদের জন্য সহায়ক হবে।
এদিকে আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের বলেছেন, বেগম খালেদা জিয়া যদি আদালতের রায়ে জামিন পান বা মুক্ত হন তাহলে সরকারের সেখানে কিছু করার নেই, সরকারের সেখানে বাধা দেওয়ারও কিছু নেই।
জানা গেছে, বিএনপি চেয়ারপারসনের বিরুদ্ধে রয়েছে ৩৬টি মামলা। সেনা নিয়ন্ত্রিত জরুরি অবস্থার সরকারের আমলে ৪টি এবং আওয়ামী লীগের গত দুই মেয়াদে ৩২টি মামলা দায়ের হয়েছে। এরমধ্যে দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) দায়ের করা ৫টি, নাশকতার ১৬টি, মানহানির ৪টি মামলা, ৩টি হত্যামামলা, মানহানিকর বক্তব্য দেওয়ার ২টি, রাষ্ট্রদ্রোহের একটি, ভুয়া জন্মদিন পালনের একটি, সাবেক নৌমন্ত্রীর ওপর বোমা হামলার একটি, জাতীয় পতাকার অবমাননার একটি, ড্যান্ডি ডাইংয়ের অর্থঋণ আদালতে বিচারাধীন একটি এবং বিএনপির নয়াপল্টন কার্যালয়ের মালিকানা নিয়ে একটি দেওয়ানি মামলা।
এসব মামলার ১৬টিতে অভিযোগ গঠনের পর্যায়ে রয়েছে। উচ্চ আদালতে ১১টির বিচার স্থগিত আছে। আর বাকি ২০টি মামলার কোনটিতে অভিযোগপত্র জমা পড়েছে, বা কোনোটি তদন্তের পর্যায়ে আছে।

এই বিভাগের আরও খবর

  আন্দোলন ছাড়া বেগম জিয়াকে মুক্ত করার বিকল্প নেই-ফখরুল

  বঙ্গবন্ধুর খুনিদের ফিরিয়ে আনতে কূটনৈতিক প্রচেষ্টা জোরদার করা হয়েছে-ওবায়দুল কাদের

  খালেদার স্বাস্থ্য নিয়ে বিএনপি প্রহসন করছে-তথ্যমন্ত্রী

  সরকারের মন্ত্রীদের মস্তিষ্ক পরীক্ষা করা দরকার-রিজভী

  ডেঙ্গুকে যারা গুজব বলেছিল তারাই এখন বলছে ভয়াবহ সংকট-রাশেদ খান মেনন

  সবাই করছে ডেঙ্গু মোকাবিলা, আর বিএনপি নতুন নির্বাচনের অমূলক দাবি-ড. হাছান মাহমুদ

  ডেঙ্গু মহামারি আকার নিয়েছে, জাতীয় ঐক্য গড়ে তুলুন-নোমান

  আগস্ট আসলেই পরাজিত অপশক্তি ষড়যন্ত্র শুরু করে-ওবায়দুল কাদের

  ইডেন কলেজের সাবেক অধ্যক্ষকে দুই গৃহকর্মীই হত্যা করেছে

  ডেঙ্গুমুক্ত না হওয়া পর্যন্ত আওয়ামী লীগের অভিযান অব্যাহত থাকবে-ওবায়দুল কাদের

  সম্মিলিত প্রচেষ্টায় ডেঙ্গু নিয়ন্ত্রণ সম্ভব-ওবায়দুল কাদের

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

আজকের প্রশ্ন

ডেঙ্গুতে মৃত্যুর সংখ্যা নিয়ে বিভ্রান্তির প্রেক্ষাপটে আইইডিসিআরের সাবেক পরিচালক মাহমুদুর রহমান বলছেন, মৃত্যুর ঘটনাগুলো ‘রিভিউ’ করার কোনো প্রয়োজন নেই, চিকিৎসকদের কথাই যথেষ্ট। আপনি কি তাকে সমর্থন করেন?