মঙ্গলবার, ২৩ এপ্রিল ,২০১৯

Bangla Version
SHARE

শনিবার, ০৯ ফেব্রুয়ারী, ২০১৯, ০৮:৩৯:৪৫

বিএনপির চেয়ারপার্সন বেগম খালেদা জিয়ার কারাবাসের এক বছর

বিএনপির চেয়ারপার্সন বেগম খালেদা জিয়ার কারাবাসের এক বছর

ডেস্ক রিপোর্টঃ-কারাগারে এক বছর পূর্ণ হলো সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপির চেয়ারপার্সন বেগম খালেদা জিয়ার। পুরানো ঢাকার নাজিমউদ্দীন রোডের পুরানো কেন্দ্রীয় কারাগারের একমাত্র কয়েদী খালেদা জিয়া। গত বছরের ৮ ফেব্রুয়ারি জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট দুর্নীতি মামলার রায়ের প্রেক্ষিতে কারাগারে প্রেরণ করা হয় তাকে। সেই থেকে তিনি বন্দি জীবন কাটাচ্ছেন। খালেদা জিয়ার বয়স ৭৩ বছর। অসুস্থ শরীর। একা চলতে পারেন না। আদালতে বা হাসপাতালে আনতে গেলে হুইল চেয়ারই ভরসা।
তার আইনজীবীরা বলছেন, কারামুক্ত হতে চারটি মামলায় জামিন পেতে হবে। জিয়া অরফানেজ মামলায় হাইকোর্টের ১০ বছরের সাজার রায়ের বিরুদ্ধে লিভ টু আপিল করা হলে জামিন আবেদন করবেন তার আইনজীবীরা। চ্যারিটেবল ট্রাস্ট মামলায় হাইকোর্টে করা আপিলের জামিন আবেদন করা হয়েছে। এ ছাড়া কুমিল্ল­ার হত্যা মামলা ও মানহানির একটি মামলায় তার জামিন হয়নি এখনো। এসব মামলার ১৬টি অভিযোগ গঠনের পর্যায়ে রয়েছে। উচ্চ আদালতে ১১টির বিচার স্থগিত আছে। আর বাকি ২০টি মামলার কোনোটিতে অভিযোগপত্র জমা পড়েছে, কোনোটি তদন্তের পর্যায়ে আছে। গতকালও একটি মামলায় বিশেষ আদালতে হাজির করা হয় বেগম জিয়াকে।
বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান ও সুপ্রিম কোর্ট আইনজীবী সমিতির সাবেক সভাপতি অ্যাডভোকেট খন্দকার মাহবুব হোসেন বলেন, আইনের সাধারণ প্রক্রিয়ায় খালেদা জিয়াকে মুক্ত করা কঠিন হবে। খালেদা জিয়াকে মুক্ত করার একমাত্র উপায় রাজপথ উত্তপ্ত করা। যতদিন পর্যন্ত রাজপথ উত্তপ্ত না হবে, ততদিন পর্যন্ত খালেদা জিয়াকে আইনি প্রক্রিয়ায় জেল থেকে বের করা যাবে না। এটি আমার দৃঢ় বিশ্বাস। তিনি বলেন, আইনী প্রক্রিয়ায় খালেদা জিয়াকে মুক্ত করা এইজন্য কঠিন যে, বর্তমান সরকার সব প্রতিষ্ঠানকে ধ্বংস করে দিয়েছে। সরকারের সদিচ্ছা ছাড়া তাকে মুক্ত করা যাবে না। রাজনৈতিক কারণেই তার বিরুদ্ধে একের পর এক মামলা হয়েছে। এই মামলাগুলোর যতটা না আইনী ভিত্তি রয়েছে, তার চেয়ে বড় উদ্দেশ্য হলো রাজনৈতিক প্রতিহিংসা।
এদিকে পরিবার, চিকিৎসক ও দলের নেতাদের সাথে কথা বলে জানা যায়, দীর্ঘদিন ধরে কারাবন্দি থেকেও তার মনোবল এতটুকুও টলেনি। তবে শারীরিকভাবে খুবই অসুস্থ হয়ে পড়েছেন। পুরনো রোগগুলো বেড়ে গেছে। চোখেও প্রচন্ড ব্যথা, পা ফুলে গেছে। একা একা হাটতে পারেন না। খালেদা জিয়ার এক ব্যক্তিগত চিকিত্সক বলেছেন, অসুস্থ খালেদা জিয়া চরম স্বাস্থ্য ঝুঁকিতে রয়েছেন। অস্বাস্থ্যকর বদ্ধ স্যাঁতস্যাতে পরিবেশে তাকে থাকতে হচ্ছে। কর্তৃপক্ষ তাকে সুচিকিৎসা থেকে বঞ্চিত করছে।
প্রসঙ্গত উল্লেখ্য, সেনা সমর্থিত তত্ত্বাবধায়ক সরকারের আমলে ৪টি এবং আওয়ামী লীগ সরকারের গত দশ বছরে ৩২টি মামলা দায়ের হয়েছে খালেদা জিয়ার বিরুদ্ধে। এর মধ্যে দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) দায়ের করা ৫টি, নাশকতার ১৬টি, মানহানির ৪টি, ৩টি হত্যা, মানহানিকর বক্তব্য দেওয়ার ২টি, রাষ্ট্রদ্রোহের একটি, ভুয়া জন্মদিন পালনের একটি, সাবেক নৌমন্ত্রীর ওপর বোমা হামলার একটি, জাতীয় পতাকার অবমাননার একটি, ড্যান্ডি ডাইংয়ের অর্থঋণ আদালতে বিচারাধীন একটি এবং বিএনপির নয়াপল্টন কার্যালয়ের মালিকানা নিয়ে একটি দেওয়ানী মামলা রয়েছে সাবেক এ প্রধানমন্ত্রীর বিরুদ্ধে।

এই বিভাগের আরও খবর

  খালেদার মুক্তির জন্য দর কষাকষি রাজনীতিতে বাজে দৃষ্টান্ত-হানিফ

  তারেকের ব্যাংক হিসাব জব্দের আদেশ পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে পাঠানো হবে-স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

  মুজিবনগর দিবস যারা পালন করে না তারা স্বাধীনতায় বিশ্বাস করে না-তথ্যমন্ত্রী

  জ্বালাও-পোড়াও আন্দোলনের সঙ্গে আমি একমত নই-মির্জা ফখরুল

  বিশ্বের স্বৈরাচারি দেশগুলোর মধ্যে বাংলাদেশ একটি-নজরুল ইসলাম

  'সরকার বাকশাল ব্যবস্থা পুনঃপ্রবর্তনের জন্য বিএনপি নেতাকর্মীদের হত্যা করছে'

  বেগম জিয়ার স্বাস্থ্য নিয়ে তামাশার রাজনীতি থেকে বেরিয়ে আসুন-তথ্যমন্ত্রী

  নুসরাত হত্যাকাণ্ড: অধ্যক্ষকে আইনি সহায়তা দিয়ে বহিষ্কার আওয়ামী লীগ নেতা

  আইনের স্বার্থেই তারেককে ফিরিয়ে আনার চেষ্টা-ড. হাছান মাহমুদ

  খালেদা জিয়ার মুক্তিতে এক হয়ে মাঠে নামতে চায় ২০ দল-ঐক্যফ্রন্ট

  প্যারোল চাইতে হয়, সরকার জোর করে প্যারোল দিতে পারে না-আইনমন্ত্রী

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

আজকের প্রশ্ন

লন্ডনে থেকে দলের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান বিএনপির পুনর্গঠনের কাজ শুরু করেছেন জানিয়ে দলটির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, অল্প সময়ের মধ্যেই বিএনপি আবার উঠে দাঁড়াবে। আপনি কি তা মনে করেন?