শুক্রবার, ২৩ আগস্ট ,২০১৯

Bangla Version
  
SHARE

শনিবার, ০৯ ফেব্রুয়ারী, ২০১৯, ০৮:৩৯:৪৫

বিএনপির চেয়ারপার্সন বেগম খালেদা জিয়ার কারাবাসের এক বছর

বিএনপির চেয়ারপার্সন বেগম খালেদা জিয়ার কারাবাসের এক বছর

ডেস্ক রিপোর্টঃ-কারাগারে এক বছর পূর্ণ হলো সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপির চেয়ারপার্সন বেগম খালেদা জিয়ার। পুরানো ঢাকার নাজিমউদ্দীন রোডের পুরানো কেন্দ্রীয় কারাগারের একমাত্র কয়েদী খালেদা জিয়া। গত বছরের ৮ ফেব্রুয়ারি জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট দুর্নীতি মামলার রায়ের প্রেক্ষিতে কারাগারে প্রেরণ করা হয় তাকে। সেই থেকে তিনি বন্দি জীবন কাটাচ্ছেন। খালেদা জিয়ার বয়স ৭৩ বছর। অসুস্থ শরীর। একা চলতে পারেন না। আদালতে বা হাসপাতালে আনতে গেলে হুইল চেয়ারই ভরসা।
তার আইনজীবীরা বলছেন, কারামুক্ত হতে চারটি মামলায় জামিন পেতে হবে। জিয়া অরফানেজ মামলায় হাইকোর্টের ১০ বছরের সাজার রায়ের বিরুদ্ধে লিভ টু আপিল করা হলে জামিন আবেদন করবেন তার আইনজীবীরা। চ্যারিটেবল ট্রাস্ট মামলায় হাইকোর্টে করা আপিলের জামিন আবেদন করা হয়েছে। এ ছাড়া কুমিল্ল­ার হত্যা মামলা ও মানহানির একটি মামলায় তার জামিন হয়নি এখনো। এসব মামলার ১৬টি অভিযোগ গঠনের পর্যায়ে রয়েছে। উচ্চ আদালতে ১১টির বিচার স্থগিত আছে। আর বাকি ২০টি মামলার কোনোটিতে অভিযোগপত্র জমা পড়েছে, কোনোটি তদন্তের পর্যায়ে আছে। গতকালও একটি মামলায় বিশেষ আদালতে হাজির করা হয় বেগম জিয়াকে।
বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান ও সুপ্রিম কোর্ট আইনজীবী সমিতির সাবেক সভাপতি অ্যাডভোকেট খন্দকার মাহবুব হোসেন বলেন, আইনের সাধারণ প্রক্রিয়ায় খালেদা জিয়াকে মুক্ত করা কঠিন হবে। খালেদা জিয়াকে মুক্ত করার একমাত্র উপায় রাজপথ উত্তপ্ত করা। যতদিন পর্যন্ত রাজপথ উত্তপ্ত না হবে, ততদিন পর্যন্ত খালেদা জিয়াকে আইনি প্রক্রিয়ায় জেল থেকে বের করা যাবে না। এটি আমার দৃঢ় বিশ্বাস। তিনি বলেন, আইনী প্রক্রিয়ায় খালেদা জিয়াকে মুক্ত করা এইজন্য কঠিন যে, বর্তমান সরকার সব প্রতিষ্ঠানকে ধ্বংস করে দিয়েছে। সরকারের সদিচ্ছা ছাড়া তাকে মুক্ত করা যাবে না। রাজনৈতিক কারণেই তার বিরুদ্ধে একের পর এক মামলা হয়েছে। এই মামলাগুলোর যতটা না আইনী ভিত্তি রয়েছে, তার চেয়ে বড় উদ্দেশ্য হলো রাজনৈতিক প্রতিহিংসা।
এদিকে পরিবার, চিকিৎসক ও দলের নেতাদের সাথে কথা বলে জানা যায়, দীর্ঘদিন ধরে কারাবন্দি থেকেও তার মনোবল এতটুকুও টলেনি। তবে শারীরিকভাবে খুবই অসুস্থ হয়ে পড়েছেন। পুরনো রোগগুলো বেড়ে গেছে। চোখেও প্রচন্ড ব্যথা, পা ফুলে গেছে। একা একা হাটতে পারেন না। খালেদা জিয়ার এক ব্যক্তিগত চিকিত্সক বলেছেন, অসুস্থ খালেদা জিয়া চরম স্বাস্থ্য ঝুঁকিতে রয়েছেন। অস্বাস্থ্যকর বদ্ধ স্যাঁতস্যাতে পরিবেশে তাকে থাকতে হচ্ছে। কর্তৃপক্ষ তাকে সুচিকিৎসা থেকে বঞ্চিত করছে।
প্রসঙ্গত উল্লেখ্য, সেনা সমর্থিত তত্ত্বাবধায়ক সরকারের আমলে ৪টি এবং আওয়ামী লীগ সরকারের গত দশ বছরে ৩২টি মামলা দায়ের হয়েছে খালেদা জিয়ার বিরুদ্ধে। এর মধ্যে দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) দায়ের করা ৫টি, নাশকতার ১৬টি, মানহানির ৪টি, ৩টি হত্যা, মানহানিকর বক্তব্য দেওয়ার ২টি, রাষ্ট্রদ্রোহের একটি, ভুয়া জন্মদিন পালনের একটি, সাবেক নৌমন্ত্রীর ওপর বোমা হামলার একটি, জাতীয় পতাকার অবমাননার একটি, ড্যান্ডি ডাইংয়ের অর্থঋণ আদালতে বিচারাধীন একটি এবং বিএনপির নয়াপল্টন কার্যালয়ের মালিকানা নিয়ে একটি দেওয়ানী মামলা রয়েছে সাবেক এ প্রধানমন্ত্রীর বিরুদ্ধে।

এই বিভাগের আরও খবর

  রাজনীতিতে বিশাল শূন্যতা বিরাজ করছে-জিএম কাদের

  খালেদা জিয়াকে পাকিস্তানি সেনাদের খাতিরের কারণ কি-ড. হাছান মাহমুদ

  আন্দোলন ছাড়া বেগম জিয়াকে মুক্ত করার বিকল্প নেই-ফখরুল

  বঙ্গবন্ধুর খুনিদের ফিরিয়ে আনতে কূটনৈতিক প্রচেষ্টা জোরদার করা হয়েছে-ওবায়দুল কাদের

  খালেদার স্বাস্থ্য নিয়ে বিএনপি প্রহসন করছে-তথ্যমন্ত্রী

  সরকারের মন্ত্রীদের মস্তিষ্ক পরীক্ষা করা দরকার-রিজভী

  ডেঙ্গুকে যারা গুজব বলেছিল তারাই এখন বলছে ভয়াবহ সংকট-রাশেদ খান মেনন

  সবাই করছে ডেঙ্গু মোকাবিলা, আর বিএনপি নতুন নির্বাচনের অমূলক দাবি-ড. হাছান মাহমুদ

  ডেঙ্গু মহামারি আকার নিয়েছে, জাতীয় ঐক্য গড়ে তুলুন-নোমান

  আগস্ট আসলেই পরাজিত অপশক্তি ষড়যন্ত্র শুরু করে-ওবায়দুল কাদের

  ইডেন কলেজের সাবেক অধ্যক্ষকে দুই গৃহকর্মীই হত্যা করেছে

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

আজকের প্রশ্ন

ডেঙ্গুতে মৃত্যুর সংখ্যা নিয়ে বিভ্রান্তির প্রেক্ষাপটে আইইডিসিআরের সাবেক পরিচালক মাহমুদুর রহমান বলছেন, মৃত্যুর ঘটনাগুলো ‘রিভিউ’ করার কোনো প্রয়োজন নেই, চিকিৎসকদের কথাই যথেষ্ট। আপনি কি তাকে সমর্থন করেন?