রবিবার, ২৪ মার্চ ,২০১৯

Bangla Version
  
SHARE

শনিবার, ০২ ফেব্রুয়ারী, ২০১৯, ০২:০৫:৩২

চা-চক্রে যাবে না ঐক্যফ্রন্ট, গণভবনে চিঠি

চা-চক্রে যাবে না ঐক্যফ্রন্ট, গণভবনে চিঠি

ডেস্ক রিপোর্টঃ-গণভবনে চা-চক্রের আমন্ত্রণের জন্য প্রধানমন্ত্রীকে ধন্যবাদ জানিয়ে সেখানে না যাওয়ার সিদ্ধান্ত চিঠি দিয়ে জানিয়েছে জাতীয় ঐক্যফ্রন্ট।
কামাল হোসেনের নেতৃত্বাধীন এ জোটের তিন সদস্যের একটি প্রতিনিধি দল শুক্রবার দুপুরে গণভবনে যান। প্রধানমন্ত্রী কার্যালয়ের প্রটোকল কর্মকর্তা-২ খোরশেদ আলমের হাতে ওই চিঠি পৌঁছে দেন তারা।
ঐক্যফ্রন্টের দপ্তর প্রধান জাহাঙ্গীর আলম মিন্টু, মিডিয়া উইংয়ের প্রধান জাহাঙ্গীর আলম প্রধান ও সমন্বয় কমিটির সদস্য আজমিরি বেগম প্রতিনিধি দলে ছিলেন।
গণফোরামের নির্বাহী সভাপতি সুব্রত চৌধুরী স্বাক্ষর করেন। ওই চিঠির শুরুতেই চা-চক্রের আমন্ত্রণের জন্য প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে ধন্যবাদ জানানো হয়।
প্রধানমন্ত্রীকে পাঠানো চিঠিতে বলা হয়েছে, ৩০ ডিসেম্বরের নির্বাচনের নামে প্রহসনের মাধ্যমে গঠিত সরকার কোনোভাবে নৈতিক নয়। সেদিন দেশের মানুষের অন্যতম অধিকার ভোটাধিকার প্রয়োগ করে প্রতিনিধি নির্বাচন করার অধিকারকে হরণ করা হয়েছে। অন্যদিকে ফ্রন্টের হাজার হাজার নেতাকর্মী এখনও জেলে আছে। নতুন নতুন মামলায় আরও অসংখ্য নেতাকর্মীকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। এমন পরিস্থিতিতে মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর আহুত চা-চক্রে অংশগ্রহণ করা কেনো ক্রমে সম্ভব নয়’।

এই বিভাগের আরও খবর

  সংসদ উপনেতা হলেন রওশন এরশাদ, বাদ পড়লেন জিএম কাদের

  বিএনপি বাংলাদেশের রাজনীতি থেকে বিলীন হয়ে যাবে-তোফায়েল

  এটাই হয়তো আমার জীবনের শেষ বক্তব্য-এরশাদ

  ব্রাশফায়ারে ৭ জন নিহতে জড়িতদের গ্রেফতারের আহ্বান নাসিমের

  মুসলিম লীগের মতো বিলীন হয়ে যাবে বিএনপি-নাসিম

  গ্যাসের দাম বাড়ালে জনগণকে নিয়ে প্রতিহত করা হবে-মির্জা ফখরুল

  বিএনপি থেকে পদত্যাগ করলেন সাহাব উদ্দিন

  খালেদা জিয়ার মুক্তির বিষয়টি আদালতের এখতিয়ার-আইনমন্ত্রী

  ‘ক্যান্সার না হলেও এরশাদকে দেওয়া হয় ক্যান্সারের চিকিৎসা’

  খালেদা জিয়ার মুক্তির দাবিতে রাজধানীতে বিএনপির বিক্ষোভ মিছিল

  আমরাই রাজনৈতিকভাবে অনেক বেশি শক্তিশালী-বিএনপি নেতা খসরু

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

আজকের প্রশ্ন

ডাকসু নির্বাচনের সঙ্গে একাদশ সংসদ নির্বাচনের তুলনা করে বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, এতে ৩০ ডিসেম্বরের ‘ভোট ডাকাতি’র পুনরাবৃত্তি ঘটেছে। আপনি কি তা মনে করেন?