শনিবার, ২৩ জুন ,২০১৮

Bangla Version
  
SHARE

শনিবার, ০৯ জুন, ২০১৮, ০৭:৪৬:০০

খালেদা স্ট্রোক করে অজ্ঞান হয়ে পড়েছিলেন-চিকিৎসক

খালেদা স্ট্রোক করে অজ্ঞান হয়ে পড়েছিলেন-চিকিৎসক

ডেস্ক রিপোর্টঃ-বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া গত ৫ জুন পড়ে গিয়ে ৫-৭ মিনিট অজ্ঞান ছিলেন।  চিকিৎসকরা ধারণা করছেন, খালেদা মাইল্ড স্ট্রোক করেছিলেন।
জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট মামলায় সাজাপ্রাপ্ত বিএনপির চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার সঙ্গে শনিবার (৯ জুন) বিকালে নাজিমউদ্দিন রোডের কেন্দ্রীয় কারাগারে দেখা করেছেন তার ব্যক্তিগত চিকিৎসকরা।
কারাগার থেকে বেরিয়ে চিকিৎসকরা দাবি করে বলেন, গত ৫ জুন মাইল্ডস্ট্রোক করে অজ্ঞান হয়ে পড়েছিলেন বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া। এসময় তারা খালেদা জিয়ার উন্নত চিকিৎসার জন্য রাজধানীর ইউনাইটেড হাসপাতালে নেওয়ার পরামর্শ দেন।
চিকিৎসক দলে ছিলেন, মেডিসিনের এফএম সিদ্দীকী, নিউরো সার্জন ওয়াহিদুর রহমান, চক্ষু বিশেষজ্ঞ প্রফেসর ডা. আবদুল কুদ্দুস ও ডা.মামুন রহমান।
এর আগে দুপুরে খালেদা জিয়ার সঙ্গে সাক্ষাৎ করতে চিকিৎসকদের কারাগারে যাওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত করেন বিএনপির চেয়ারপারসনের কার্যালয়ের গণমাধ্যম শাখার কর্মকর্তা শায়রুল কবীর খান।
প্রসঙ্গত, জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট দুর্নীতি মামলায় গত ৮ ফেব্রুয়ারি খালেদা জিয়াকে পাঁচ বছরের কারাদণ্ড দেন রাজধানীর বকশীবাজারে স্থাপিত অস্থায়ী পঞ্চম বিশেষ জজ আদালত। রায় ঘোষণার পরপরই খালেদা জিয়াকে পুরান ঢাকার নাজিমউদ্দিন রোডের কেন্দ্রীয় কারাগারে রাখা হয়েছে।

এই বিভাগের আরও খবর

  নবনির্মিত আওয়ামী লীগ কার্যালয়ের উদ্বোধন

  সরকার চায়, বিএনপি নির্বাচনে না আসুক-মির্জা ফখরুল

  বঙ্গবন্ধু মেডিকেল ও সিএমএইচকে সরকার অযথাই বিতর্কিত করছে-খালেদা জিয়া

  অক্টোবরে নির্বাচনকালীন সরকার গঠনের সম্ভাবনা বেশি-ওবায়দুল কাদের

  সরকার ইচ্ছাকৃতভাবে বেগম জিয়াকে সুচিকিৎসা নিতে বাধা দিচ্ছে-রিজভী

  খালেদা জিয়ার ঈদের দিন যেভাবে কাটলো

  খালেদা জিয়ার চিকিৎসা নিয়ে জনমনে বিভ্রান্তি সৃষ্টি করবেন না-নাসিম

  ওটা জেলখানা, কারো বাসভবন নয়-সেতুমন্ত্রী

  স্বজনদের সঙ্গে ঈদের দিন প্রায় দুই ঘণ্টা কাটল খালেদা জিয়ার

  খালেদা জিয়ার সাক্ষাৎ পেলেন না ফখরুলরা

  দেশবাসীকে ঈদের শুভেচ্ছা জানিয়েছেন খালেদা জিয়া-রিজভী

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

আজকের প্রশ্ন

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খাঁন কামাল বলেছেন, চলমান মাদকবিরোধী অভিযানে তথ্য-প্রমাণের ভিত্তিতে কাজ হচ্ছে, এখানে কাউকে ছাড় দেওয়া হবে না। বাস্তবে তা ঘটবে বলে মনে করেন?