সোমবার, ২৮ মে ,২০১৮

Bangla Version
  
SHARE

বৃহস্পতিবার, ০৩ মে, ২০১৮, ০৮:৩০:৪৮

সব দাবি মানতে হবে এমন নয়, আগে আলোচনায় বসুনঃ সরকারকে ফখরুল

সব দাবি মানতে হবে এমন নয়, আগে আলোচনায় বসুনঃ সরকারকে ফখরুল

ডেস্ক রিপোর্টঃ-বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর সরকারের উদ্দেশ্যে বলেছেন, আলোচনায় বসুন। কথা বলেন। সংকট সমাধান করেন। এটা না করে যদি নির্বাচনে যান, তাহলে জনগণ তা মেনে নেবে না। সব দাবি মানতে হবে এমন নয়, আগে আলোচনায় বসুন। আলোচনার মাধ্যমে সঙ্কট সমাধান করে নির্বাচন দিন।
বৃহস্পতিবার (৪ মে) জাতীয় প্রেসক্লাবে এক আলোচনা সভায় তিনি এ সব কথা বলেন। বিশ্ব মুক্ত গণমাধ্যম দিবস -২০১৮ উপলক্ষে আলোচনা সভার আয়োজন করে বাংলাদেশ ফেডারেল সাংবাদিক ইউনিয়ন (একাংশ) এবং ঢাকা সাংবাদিক ইউনিয়ন (একাংশ)।
ফখরুল বলেন, নির্বাচন নিয়ে আমাদের বক্তব্য স্পষ্ট, বেগম খালেদা জিয়াকে মুক্তি দিতে হবে। নিরপেক্ষ সরকারের অধীনে নির্বাচন দিতে হবে, সংসদ ভেঙে দিতে হবে। লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড তৈরি করতে হবে। সেনাবাহিনী মোতায়েন করতে হবে।
বিএনপি মহাসচিব বলেন, জাতির সাথে জঘন্য প্রতারণা ও ডাবল স্ট্যান্ডার্ড আচরণ করা হচ্ছে। সরকার মুখে গণতন্ত্রের কথা বলে কিন্তু বাস্তবে ভয়ঙ্কর ফ্যাসিবাদী। ভেতরে এক আর চেহারা আরেক। মুখে বলে ভালো করছে। আসলে গত ১০ বছরে ভীতির সমাজ তৈরি করেছে। যে সমাজে কথা বলতে ভয়। লিখতে ভয়। এই ডাবল স্ট্যান্ডার্ড আমাদেরকে শেষ করতে হবে।
তিনি বলেন, একটা খবরের জন্য আমি এক পত্রিকার লোকদের জিজ্ঞেস করলাম এটা কোথায় কিভাবে পেলেন? তারা বললো কিছু করার নেই আমাদের দেয়া হয়েছে। আমাদের বাধ্য করা হয়েছে। এই হল আমাদের মুক্ত গণমাধ্যম। বর্তমান অবস্থা থেকে মুক্তি পেতে হলে যারা গণতন্ত্রের পক্ষে আছেন তাদের জাতীয় ঐক্য গড়ে তুলতে হবে। একটি বিষয়কে সামনে নিয়ে কাজ করতে হবে। সেটা হল গণতন্ত্রকে মুক্ত করা। আমাদের স্পষ্ট কথা পার্লামেন্ট ভেঙে দিতে হবে নির্বাচনের আগে।
বিএনপির মহাসচিব বলেন, গণতন্ত্রের রক্ষাকবচ হলো মুক্ত গণমাধ্যম। এটা মুক্ত না থাকলে গণতন্ত্র থাকে না। পাকিস্তান আমল থেকে সাংবাদিক ভাইদেরকে সংগ্রাম করতে হয়েছে। কিন্তু যে বিষয়টা নিয়ে আমাদের স্বাধীনতা, সেই অবস্থা আজ নেই। আমরা গণতন্ত্রের জন্য লড়াই করেছিলাম যে আমরা ভিন্ন চিন্তা করতে পারব। কিন্তু এখানে লিখলে গুম হতে হয়। দেশ ছাড়তে হয়েছে সাংবাদিকদেরকে। আসলে দেশে ফ্যাসিবাদ যখন প্রতিষ্ঠিত হয়ে যায়। তখন সর্বত্র ভয় তৈরি হয়।
মির্জা ফখরুল বলেন, এমন একটা মেরুদণ্ডহীন নির্বাচন কমিশন তৈরি করেছে। যারা কোনো নিয়ম মানে না। খুলনার ক্যান্ডিডেট বাধ্য হয়ে প্রচার থেকে সরে এসেছে। আমরা প্রতিনিধি পাঠিয়ে নির্বাচন কমিশনকে বলেছি। যখন ফোনে বলি, তারা বলে সবই ঠিক আছে। কিন্তু যেই এসপি হারুন সংসদের হুইপকে মেরেছিল, এটা সবার জানা। আমরা প্রথমদিনই বলেছি গাজীপুরের এসপিকে সরাতে হবে। কারণ সে চিহ্নিত আওয়ামী লীগার। সে প্রথম দিনই জামায়াতের ৪৫ জন নেতাকে গ্রেফতার করেছে।
বিএফইউজে’ একাংশের সভাপতি রুহুল আমিন গাজীর সভাপতিত্বে সভায় আরো বক্তব্য দেন দৈনিক আমার দেশ সম্পাদক মাহমুদুর রহমান, বিএফইউজের একাংশের মহাসচিব এম আব্দুল্লাহ, সাবেক সভাপতি শওকত মাহমুদ, ডিইউজের একাংশের সভাপতি কাদের গনি চৌধুরী, সাধারণ সম্পাদক শহীদুল ইসলাম, জাতীয় প্রেসক্লাবের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ইলিয়াস খান প্রমুখ।

এই বিভাগের আরও খবর

  ক্ষমতায় টিকে থাকার দেনদরবার করতে প্রধানমন্ত্রীর ভারত সফর-রিজভী

  আওয়ামী লীগে মনোনয়ন পেতে ছয় যোগ্যতাঃ যোগ্য প্রার্থীর সন্ধানে দুই দল

  খালেদা জিয়াকে মুক্ত করার একমাত্র পথ রাজপথ-মওদুদ

  বিরোধী দল নির্মূল করতে আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীকে ব্যবহার করছে সরকার-মির্জা ফখরুল

  মাদক সম্রাট সংসদেই অাছে, তাদের ফাঁসি দেন-এরশাদ

  আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীকে বিএনপি দমনের কাজে ব্যবহার করছে সরকার-মির্জা ফখরুল

  নির্বাচনকে সামনে রেখে আতঙ্ক তৈরির জন্য ক্রসফায়ার চলছে-রিজভী

  বর্তমান প্রধানমন্ত্রীর অধীনে নির্বাচন বিরোধী দলগুলোর জন্য আত্মঘাতী-রিজভী

  পবিত্র রমজানেও খালেদা জিয়ার ওপর চলছে সর্বোচ্চ জুলুম-রিজভী

  হেরে গেলেই বিএনপি নির্বাচন প্রত্যাখ্যান করে-ওবায়দুল কাদের

  নির্বাচন কমিশন ভেঙ্গে নতুন কমিশন গঠন করতে হবে-মির্জা ফখরুল

 

 

 

 

 

 

 

 

 

আজকের প্রশ্ন

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খাঁন কামাল বলেছেন, চলমান মাদকবিরোধী অভিযানে তথ্য-প্রমাণের ভিত্তিতে কাজ হচ্ছে, এখানে কাউকে ছাড় দেওয়া হবে না। বাস্তবে তা ঘটবে বলে মনে করেন?