শনিবার, ১৮ আগস্ট ,২০১৮

Bangla Version
  
SHARE

শুক্রবার, ০৫ জানুয়ারী, ২০১৮, ০৬:৪৫:২৬

অনেক ধৈর্য ধরেছি, ২০১৪ আর ২০১৮ এক নয়-ব্যারিস্টার মওদুদ আহমদ

অনেক ধৈর্য ধরেছি, ২০১৪ আর ২০১৮ এক নয়-ব্যারিস্টার মওদুদ আহমদ

ডেস্ক রিপোর্টঃ-বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ব্যারিস্টার মওদুদ আহমদ বলেছেন, আওয়ামী লীগ সমঝোতায় বিশ্বাস করে না। তারা চায় সংঘর্ষ-সংঘাত। তবে আমরা অনেক ধৈর্য ধরেছি। সহ্য করেছি। সমঝোতার কথা বলেছি। কারণ ২০১৪ এবং ২০১৮ এক নয়। এবার আমরা নির্বাচন করবো সে জন্য প্রস্তুতি নে‌বো। কিন্তু দলীয় সরকারের অধীনে নির্বাচনের জন্য নয়। তাই উপযুক্ত সময়ে আমরা কর্মসূচি দিব। তখন গণ আন্দোলনের মধ্য দিয়ে এ সরকার বাধ্য হবে বিদায় নিতে। কারণ এরা সমঝোতার পথে যাবে না। একমাত্র বিকল্প হলো রাজপথ।
শুক্রবার জাতীয় প্রেসক্লাবে নাগরিক অধিকার আন্দোলন ফোরাম আয়োজিত '৫ জানুয়ারি কলঙ্কিত নির্বাচন এবং বর্তমান প্রেক্ষাপট' শীর্ষক এক আলোচনা সভায় মওদুদ আহমদ এসব কথা বলেন।‌ এসময় তি‌নি ব‌লেন, '২০১৪ সালের নির্বাচনকে সরকার সংবিধান রক্ষার নির্বাচন বলে। কিন্তু ওই নির্বাচন সংবিধান মোতাবেক হয়নি। আমরা বিচার বিভাগের দুর্বলতার কারণে আইনের মাধ্যমে মোকাবেলা করতে পারিনি। ২০১৪ সালের ৫ জানুয়ারি কোনো নির্বাচন হয়নি। এটা বাংলাদেশের ইতিহাসে একটি কলঙ্কিত দিন।'
'আওয়ামী লীগের রাজনৈতিক কেমিস্ট্রির মধ্যে গোলমাল আছে' দাবি করে মওদুদ বলেন, 'মুক্তিযুদ্ধে আওয়ামী লীগের অবদান থাকলেও স্বাধীনতার পর তাদের ভূমিকা নি‌য়ে প্রশ্নবিদ্ধ আছে। তারা এখন অবলীলায় মিথ্যা কথা বলছে। মামলাকে হাতিয়ার হিসেবে নিয়ে বিরোধী দলকে দমন করছে। মুখে মু‌খে মুক্তিযুদ্ধে চেতনার কথা বললেও তারা বিরোধী দলের সভা-সমাবেশের অধিকার হরণ করেছে। আইনের শাসন ও বিচারবিভাগের স্বাধীনতায় বিশ্বাস করেনি।'
আয়োজক সংগঠনের সহ-সভাপতি আলহাজ্ব ভিপি ইব্রাহিমের সভাপতিত্বে এবং সাধারণ সম্পাদক এম জাহাঙ্গীর আলমের সঞ্চালনায় আলোচনা সভায় আরও বক্তব্য দেন বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান আহমেদ আজম খান, নির্বাহী কমিটির সদস্য ইসমাইল হোসেন বেঙ্গল, আবু নাসের মোহাম্মাদ রহমতউল্লাহ,জিনাফের সভাপতি মিয়া মো. আনোয়ার প্রমুখ।

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

আজকের প্রশ্ন

অনগ্রসর বিবেচনায় নারী, নৃগোষ্ঠীদের জন্য জন্য সরকারি চাকরিতে যে কোটা রয়েছে, তা তুলে দেওয়ার পক্ষে মত জানিয়ে কোটা পর্যালোচনা কমিটির প্রধান মন্ত্রিপরিষদ সচিব মোহাম্মদ শফিউল আলম বলেছেন, অনগ্রসররা এখন অগ্রসর হয়ে গেছে। আপনি কি তার সঙ্গে একমত?