সোমবার, ১৮ জুন ,২০১৮

Bangla Version
  
SHARE

শনিবার, ১১ নভেম্বর, ২০১৭, ০৬:৪৫:০৭

২৩ শর্তে সমাবেশের অনুমতি পেল বিএনপি

২৩ শর্তে সমাবেশের অনুমতি পেল বিএনপি

ডেস্ক রিপোর্টঃ-জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উপলক্ষে আগামীকাল রবিবার রাজধানীর সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে সমাবেশ করার লিখিত অনুমতি পেয়েছে বিএনপি। ২৩ শর্তে বিএনপিকে এই সমাবেশের অনুমতি দেয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।
শনিবার (১১ নভেম্বর) দুপুরে নয়াপল্টনে দলের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানান তিনি।
মির্জা ফখরুল জানান, ডিএমপি থেকে লিখিতভাবে বিএনপিকে সমাবেশের অনুমতি দেয়া হয়েছে। এই সমাবেশ সাংগঠনিকভাবে খুবই গুরুত্বপূর্ণ। সমাবেশে প্রধান অতিথি থাকবেন বেগম খালেদা জিয়া।
সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে সমাবেশের অনুমতি চেয়ে করা আবেদনের বিষয়ে জানতে শনিবার সকালে ডিএমপির কার্যালয়ে যান বিএনপির প্রচার সম্পাদক শহীদ উদ্দীন চৌধুরী এ্যানি এবং প্রশিক্ষণবিষয়ক সম্পাদক মোশাররফ হোসেন। পরে ডিএমপির পক্ষ থেকে সমাবেশের অনুমতিপত্র দেয়া হয় তাঁদের।
সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন বিএনপির নেতা মির্জা আব্বাস, গয়েশ্বর চন্দ্র রায়, আবদুল্লাহ আল নোমান, আহমদ আজম খান, নিতাই রায় চৌধুরী, হাবিব উন নবী খান সোহেল, খায়রুল কবির খোকন, হারুন অর রশীদ, শহীদ উদ্দীন চৌধুরী এ্যানী, হাবিবুল ইসলাম হাবিব, শরাফত আলী সফু, ফজলুল হক মিলন, শরীফুল আলম ও আবদুস সালাম আজাদ প্রমুখ।

এই বিভাগের আরও খবর

  স্বজনদের সঙ্গে ঈদের দিন প্রায় দুই ঘণ্টা কাটল খালেদা জিয়ার

  খালেদা জিয়ার সাক্ষাৎ পেলেন না ফখরুলরা

  দেশবাসীকে ঈদের শুভেচ্ছা জানিয়েছেন খালেদা জিয়া-রিজভী

  ঈদের দিন খালেদার সাক্ষাৎ চান বিএনপি নেতারা

  খালেদা জিয়ার চিকিৎসা নিয়ে নোংরা রাজনীতি করছে সরকার-বিএনপি

  সিএমএইচকেও ‘না’ বলা উচিত হবে না খালেদা জিয়ার-সেতুমন্ত্রী

  বিএসএমএমইউতে চিকিৎসা করাতে রাজি নন খালেদা জিয়া

  বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেলে নেয়া হবে খালেদা জিয়াকে-আইজি প্রিজন্স

  খালেদা চাইলে মঙ্গলবার নেওয়া হবে বিএসএমএমইউতে-কারা মহাপরিদর্শক

  খালেদা স্ট্রোক করে অজ্ঞান হয়ে পড়েছিলেন-চিকিৎসক

  ৫ জুন মাথা ঘুরে পড়ে যান খালেদা জিয়া-রিজভী

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

আজকের প্রশ্ন

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খাঁন কামাল বলেছেন, চলমান মাদকবিরোধী অভিযানে তথ্য-প্রমাণের ভিত্তিতে কাজ হচ্ছে, এখানে কাউকে ছাড় দেওয়া হবে না। বাস্তবে তা ঘটবে বলে মনে করেন?