মঙ্গলবার, ১৯ জুন ,২০১৮

Bangla Version
SHARE

বৃহস্পতিবার, ০৯ নভেম্বর, ২০১৭, ০৬:৫৫:০৮

প্রতিহিংসামূলক ও বৈরি আচরণ সত্ত্বেও শেখ হাসিনাকে ক্ষমা করে দিচ্ছি-আদালতে খালেদা

প্রতিহিংসামূলক ও বৈরি আচরণ সত্ত্বেও শেখ হাসিনাকে ক্ষমা করে দিচ্ছি-আদালতে খালেদা

ডেস্ক রিপোর্টঃ-বিএনপি চেয়ারপার্সন খালেদা জিয়া বলেছেন, আমি প্রতিহিংসায় নয়, ক্ষমায় বিশ্বাস করি। আমার এবং পরিবারের সদস্যদের প্রতি শেখ হাসিনার প্রতিহিংসামূলক ও বৈরি আচরণ সত্ত্বেও তাকে ক্ষমা করে দিচ্ছি। আমি তার প্রতি কোনো প্রতিহিংসাপ্রবন আচরণ করবো না।
জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট দুর্নীতি মামলায় আত্মপক্ষ সমর্থন করে বৃহস্পতিবার (৯নভেম্বর) দুপুরে আদালতে বক্তব্য দিতে গিয়ে খালেদা জিয়া এসব কথা বলেন। তিনি আরও বলেন, আমি তাকে (শেখ হাসিনা) আহ্বান করেছিলাম, আসুন রাজনীতিতে শোভন সহিঞ্চু আচরণ গড়ে তুলি। দেশের গণতন্ত্রের জন্য খুবই প্রয়োজন। ভবিষ্যত প্রজন্ম যেন আমাদের কাছ থেকে কিছু শিখতে পারে।
খালেদা বলেন, অবৈধ মঈন উদ্দীন ও ফখরুদ্দীন সরকার শেখ হাসিনাকে গ্রেফতার করলে আমি গৃহবন্দি থেকে তার তীব্র প্রতিবাদ জানিয়েছিলাম এবং বিবৃতি দিয়ে তার মুক্তি দাবি করেছিলাম। কেউ কেউ ইতিহাস থেকে শিক্ষা নেন। কেউ শিক্ষা নেন না।   কিন্তু যারা শিক্ষা নেন তারা সম্মানিত হন।
আর যারা শিক্ষা নেন না তাদের জায়গা হয় ইতিহাসের আস্তাকুড়ে। চাইলে আমি তখন চুপ করে থাকতে পারতাম। অন্যায়কে আমি মেনে নিইনি। গৃহবন্দি অবস্থা থেকেই প্রতিবাদ করেছিলাম।

এই বিভাগের আরও খবর

  ওটা জেলখানা, কারো বাসভবন নয়-সেতুমন্ত্রী

  স্বজনদের সঙ্গে ঈদের দিন প্রায় দুই ঘণ্টা কাটল খালেদা জিয়ার

  খালেদা জিয়ার সাক্ষাৎ পেলেন না ফখরুলরা

  দেশবাসীকে ঈদের শুভেচ্ছা জানিয়েছেন খালেদা জিয়া-রিজভী

  ঈদের দিন খালেদার সাক্ষাৎ চান বিএনপি নেতারা

  খালেদা জিয়ার চিকিৎসা নিয়ে নোংরা রাজনীতি করছে সরকার-বিএনপি

  সিএমএইচকেও ‘না’ বলা উচিত হবে না খালেদা জিয়ার-সেতুমন্ত্রী

  বিএসএমএমইউতে চিকিৎসা করাতে রাজি নন খালেদা জিয়া

  বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেলে নেয়া হবে খালেদা জিয়াকে-আইজি প্রিজন্স

  খালেদা চাইলে মঙ্গলবার নেওয়া হবে বিএসএমএমইউতে-কারা মহাপরিদর্শক

  খালেদা স্ট্রোক করে অজ্ঞান হয়ে পড়েছিলেন-চিকিৎসক

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

আজকের প্রশ্ন

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খাঁন কামাল বলেছেন, চলমান মাদকবিরোধী অভিযানে তথ্য-প্রমাণের ভিত্তিতে কাজ হচ্ছে, এখানে কাউকে ছাড় দেওয়া হবে না। বাস্তবে তা ঘটবে বলে মনে করেন?