শনিবার, ২৪ আগস্ট ,২০১৯

Bangla Version
  
SHARE

শনিবার, ০৬ জুলাই, ২০১৯, ১২:৫৩:১৫

রোহিঙ্গা সংকট সমাধানে মিয়ানমার নেতৃবৃন্দের সঙ্গে যোগাযোগ করবে সিপিসি

রোহিঙ্গা সংকট সমাধানে মিয়ানমার নেতৃবৃন্দের সঙ্গে যোগাযোগ করবে সিপিসি

ডেস্ক রিপোর্টঃ-সমঝোতার ভিত্তিতে দীর্ঘদিনের রোহিঙ্গা সংকট সমাধানে মিয়ানমারের স্টেট কাউন্সিলর অং সান সুচি ও অন্যান্য নেতৃবৃন্দের সঙ্গে যোগাযোগ করবে কমিউনিস্ট পার্টি অব চায়না (সিপিসি)। বৃহস্পতিবার বিকালে স্থানীয় দিয়াওউনতাই রাষ্ট্রীয় গেস্ট হাউসে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সঙ্গে সাক্ষাতকালে চীনের কমিউনিস্ট পার্টির প্রভাবশালী নেতা ও পররাষ্ট্রমন্ত্রী সং তাও এই আশ্বাস দেন। সিপিসি নেতার সঙ্গে সাক্ষাৎ শেষে প্রধানমন্ত্রীর বক্তব্য লেখক মো. নজরুল ইসলাম সাংবাদিকদের ব্রিফিং করেন।
তিনি বলেন, 'সমঝোতার মাধ্যমে রোহিঙ্গা সংকটের সমাধানে আমরা অং সান সুচিসহ মিয়ানমারের রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দের সঙ্গে আলোচনা করবো।’
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে বাংলাদেশে ব্যাপক উন্নয়নের উচ্ছ্বসিত প্রশংসা করে সং তাও আরও আশ্বস্ত করেন যে বাংলাদেশের উন্নয়ন অগ্রযাত্রায় চীনের সমর্থন অব্যাহত থাকবে। তিনি বলেন, 'দুই দেশের মধ্যে বর্তমানে অত্যন্ত বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক বিরাজ করছে এবং বাংলাদেশে উন্নয়ন অভিযাত্রায় আমরা আমাদের সমর্থন অব্যাহত রাখবো।' সিপিসি নেতা বাংলাদেশের অত্যন্ত বেশি জিডিপি প্রবৃদ্ধি অর্জনের উল্লেখ করে এতে 'বিশ্বে দুর্লভ' বলে বর্ণনা করেন।
এর জবাবে প্রধানমন্ত্রী বলেন, 'বাংলাদেশ বিগত অর্থবছরে ৮ দশমিক ১ শতাংশ জিডিপি প্রবৃদ্ধি অর্জন করেছে। অপরদিকে চলতি অর্থবছরে ৮ দশমিক ২ শতাংশ জিডিপি অর্জনের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করেছে।' সিপিসি ও বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের মধ্যকার সম্পর্ক আরও গভীর হবে বলে সং তাও আশা প্রকাশ করেন।
কেবলমাত্র উচ্চপর্যায়ে নয়, বিভিন্ন পর্যায়ের আওয়ামী লীগ প্রতিনিধি দল চীন সফর করবে বলে আশা প্রকাশ করে তিনি বলেন, 'এই সফরের মাধ্যমে দুইটি দলের মধ্যকার বন্ধন আরও দৃঢ় হবে। শিগগিরই একটি সিপিসি প্রতিনিধি দল বাংলাদেশ সফর করবে।'
বৈঠকের শুরুতেই সিপিসি নেতা চীন সফরের জন্য প্রধানমন্ত্রীকে ধন্যবাদ জানান। চীনকে বাংলাদেশের উন্নয়ন অংশীদার হিসেবে উল্লেখ করে শেখ হাসিনা বলেন, 'বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ ও সিপিপি'র মধ্যে গভীর সম্পর্ক বিদ্যমান।' তিনি ১৯৯৩ সালে বিরোধী দলের নেতা হিসেবে চীনে তার প্রথম সফরকে স্মরণ করে বলেন, 'সফরের পর থেকেই উভয় পক্ষের মধ্যে সম্পর্কের ভিত্তি মজবুত হয়। আমরা সব সময় চেষ্টা করব যাতে আমাদের মধ্যে ভাল সম্পর্ক বজায় থাকে।'
তিনি আরও বলেন, 'বাংলাদেশ ও চীন উভয়ের লক্ষ্য এক দারিদ্র্য বিমোচন এবং জনগণের মৌলিক চাহিদা পূরণ করা। আমাদের সরকার লক্ষ্য অর্জনে অপ্রত্যাশিতভাবে কাজ করে যাচ্ছে।' প্রধানমন্ত্রী গণপ্রজাতন্ত্রী চীন এর ৭০ তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী উপলক্ষে চীনা জনগণ ও চীনা কমিউনিস্ট পার্টিকে তার আন্তরিক অভিনন্দন জানান।
এ সময় পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. একে আবদুল মোমেন, প্রধানমন্ত্রীর বেসরকারি বিনিয়োগ ও শিল্প বিষয়ক উপদেষ্টা সালমান এফ রহমান, পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী মো. শাহরিয়ার আলম, পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সভাপতি মুহাম্মদ ফারুক খান, পররাষ্ট্র সচিব মো. শহিদুল হক ও চীনে বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত এম ফজলুল করিম অনুষ্ঠানে অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন।
উল্লেখ্য, বিশ্ব অর্থনৈতিক ফোরামের বার্ষিক সভায় যোগদান এবং চীনের শীর্ষ নেতাদের সঙ্গে বৈঠক করার জন্য প্রধানমন্ত্রী ৫ দিনের সরকারি সফরে এখন চীনে রয়েছেন।

এই বিভাগের আরও খবর

  ডেঙ্গু পরিস্থিতি: আক্রান্ত আরো ১৪৪৬ জন, দুই গৃহবধূর মৃত্যু

  দেশের উন্নয়নে সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি কাজে লাগাতে রাষ্ট্রপতির আহ্বান

  রোহিঙ্গা ইস্যুতে বাংলাদেশ আরও কঠোর অবস্থানে যাচ্ছে-পররাষ্ট্রমন্ত্রী

  ড্রিমলাইনার গাংচিলের উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী

  একুশে আগস্টের হামলায় নিহতদের স্মরণে আওয়ামী লীগের শ্রদ্ধা

  আজ ইতিহাসের ভয়াবহতম গ্রেনেড হামলার ১৫তম বার্ষিকী

  তিস্তার ব্যাপারে প্রতিশ্রুতি আছে-জয়শঙ্কর

  ২২ আগস্ট থেকে রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসন শুরু

  ঘুষ দেওয়া-নেওয়া দুটোই সমান অপরাধ-প্রধানমন্ত্রী

  ২৪ ঘণ্টায় হাসপাতালে ভর্তি ১৪৬০ জন

  ডেঙ্গু আক্রান্তের সংখ্যা ৫০ হাজার, বাড়ি ফিরেছেন ৮৪ শতাংশ

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

আজকের প্রশ্ন

ডেঙ্গুতে মৃত্যুর সংখ্যা নিয়ে বিভ্রান্তির প্রেক্ষাপটে আইইডিসিআরের সাবেক পরিচালক মাহমুদুর রহমান বলছেন, মৃত্যুর ঘটনাগুলো ‘রিভিউ’ করার কোনো প্রয়োজন নেই, চিকিৎসকদের কথাই যথেষ্ট। আপনি কি তাকে সমর্থন করেন?