মঙ্গলবার, ১৬ জুলাই ,২০১৯

Bangla Version
  
SHARE

মঙ্গলবার, ০২ জুলাই, ২০১৯, ০৮:৪৮:৩৫

ক্যাবল টেলিভিশন নেটওয়ার্ক পরিচালনা আইন বাস্তবায়নে মোবাইল কোর্ট

ক্যাবল টেলিভিশন নেটওয়ার্ক পরিচালনা আইন বাস্তবায়নে মোবাইল কোর্ট

ডেস্ক রিপোর্টঃ-তথ্যমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগের প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক ড. হাছান মাহমুদ বলেছেন, ‘বিদেশি টিভি চ্যানেলে অবৈধ বিজ্ঞাপন সম্প্রচার ও স্থানীয় ক্যাবল নেটওয়ার্ক সিনেমা ও বিজ্ঞাপন প্রদর্শন বন্ধ করা এবং ক্যাবল নেটওয়ার্কে চ্যানেলের ক্রমে রাষ্ট্রীয় চ্যানেলের পর সম্প্রচারের তারিখ অনুসারে দেশি বেসরকারি চ্যানেলগুলোকে রাখা নিশ্চিত করতে পূর্ব ঘোষণা অনুযায়ী দেশব্যাপী মোবাইল কোর্ট পরিচালনা আজ থেকে শুরু হচ্ছে।’
সোমবার দুপুরে রাজধানীতে সচিবালয়ে তথ্য মন্ত্রণালয়ের সম্মেলন কক্ষে সাংবাদিকদের সঙ্গে মতবিনিময়কালে মন্ত্রী এ ব্যবস্থার কথা জানান। তথ্যসচিব আবদুল মালেক, অতিরিক্ত সচিব নূরুল করিম ও মন্ত্রণালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা এ সময় উপস্থিত ছিলেন।
তথ্যমন্ত্রী বলেন, ‘উল্লিখিত বিষয়ে ক্যাবল টেলিভিশন নেটওয়ার্ক পরিচালনা আইন-২০০৬ মেনে চলা নিশ্চিত করার জন্য মন্ত্রণালয় থেকে ৩০ জুন সময়সীমা বেঁধে দেয়া হয়েছিল। দেশ ও দেশের টেলিভিশন শিল্পের কল্যাণে এ ব্যবস্থা নেয়া হয়েছে, আশা করি সকলে এ বিষয়ে আমাদের সহযোগিতা করবেন। এটা ঠিক যে, বিদেশি টিভি চ্যানেলে বিজ্ঞাপন সম্প্রচার বন্ধে কারিগরি প্রযুক্তিগত বিষয় রয়েছে। কিন্তু সে বিষয় নিরসনের চেষ্টা না করে কেউ অনির্দিষ্টকালের জন্য সময় বরাদ্দ চাইলে তা দেয়া সম্ভব নয়।’
এ সময় সাংবাদিকগণ ‘জাতীয় সংসদ ভবন এলাকার জন্য পাকিস্তানের করা ডিজাইন বাস্তবায়নে সাবেক প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের কবর সরিয়ে নিতে চায় সরকার’- বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য নজরুল ইসলাম খানের এ মন্তব্যের প্রতি তথ্যমন্ত্রীর দৃষ্টি আকর্ষণ করলে ড. হাছান বলেন, ‘লুই কান প্রণীত নকশাটিই বিষয়, কোন আমলে নকশা করা হয়েছে, সেটি বিষয় নয়। সংসদ ভবনও তো পাকিস্তান আমলে তৈরি হয়েছে। তাই বলে সে ভবনে কি বসা যাবে না?’
‘সম্প্রতি মার্কিন কংগ্রেসম্যান ব্রাড শেরম্যান রোহিঙ্গাদের ওপর অমানবিক নির্যাতনের দায়ে মিয়ানমারের রাখাইন প্রদেশকে বাংলাদেশের সঙ্গে যুক্ত করার প্রস্তাব দিয়েছেন এবং কংগ্রেসম্যান এলিয়ট এনজেল মিয়ানমারে মার্কিন সামরিক সহায়তা স্থগিত করার প্রস্তাব দিয়েছেন’- এ বিষয়ে সাংবাদকিদের প্রশ্নের জবাবে তথ্যমন্ত্রী বলেন, 'দু’টি প্রস্তাবই একান্তভাবে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের বিষয়, এ বিষয়ে আমি কোনো মন্তব্য করতে চাই না। তবে একথা সত্য যে, রোহিঙ্গারা মিয়ানমারের নাগরিক। শতশত বছর ধরে তারা সেখানে বসবাস করছে। শুধু মিয়ানমারের সংসদেই তাদের প্রতিনিধিত্ব ছিল না, মন্ত্রিসভাতেও রোহিঙ্গা প্রতিনিধিত্ব ছিল। সেই রোহিঙ্গাদের নাগরিকত্ব অস্বীকার করা যেমন সমীচীন নয়, তেমনি স্পষ্টতই সেখানে মানবতার বিরুদ্ধে অপরাধ সংগঠিত হয়েছে। মার্কিন প্রস্তাবগুলো মিয়ানমারের ওপর চাপ প্রয়োগ করবে, যাতে মিয়ানমার কর্তৃপক্ষ রোহিঙ্গাদের পূর্ণ নাগরিকত্ব স্বীকার করে তাদেরকে দেশে ফিরিয়ে নেয়ার কাজটি দ্রুত সম্পন্ন করে।'

এই বিভাগের আরও খবর

  ডিসিদের প্রতি ৩০ দফা নির্দেশনা প্রধানমন্ত্রীর

  এইচএম এরশাদের মৃত্যুতে রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রীর শোক

  এইচএম এরশাদ আর নেই

  সারাদেশে বন্যা পরিস্থিতির অবনতি

  'জনগণকে অবহেলা করে দেশ পরিচালনা করে না আওয়ামী লীগ-প্রধানমন্ত্রী

  ১২ স্থানে বিপদসীমার ওপর নদ-নদীর পানি

  ইসলামী পর্যটনকে বিশ্ব বাণিজ্য ব্র্যান্ড করতে রোডম্যাপ জরুরি-শেখ হাসিনা

  রোহিঙ্গা সংকট সমাধানে চীন পাশে থাকবে-প্রধানমন্ত্রী

  ২০৩০ সালের মধ্যে বাংলাদেশ হবে এশিয়ার বৃহত্তম অর্থনৈতিক দেশ-প্রধানমন্ত্রী

  নদীর তীর পুনর্দখলের চেষ্টা করলে আইনের আওতায় আনা হবে-স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

  দুই মাসে বজ্রপাতে ১২৬ জনের মৃত্যু

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

আজকের প্রশ্ন

এলডিপি সভাপতি অলি আহমদ বলেছেন, বাংলাদেশে এখন টাকা থাকলে সব রকম অন্যায় করে পার পাওয়া যায়। আপনি কি তা ঠিক মনে করেন?