শনিবার, ২৪ আগস্ট ,২০১৯

Bangla Version
  
SHARE

মঙ্গলবার, ০২ জুলাই, ২০১৯, ০৮:৪৮:৩৫

ক্যাবল টেলিভিশন নেটওয়ার্ক পরিচালনা আইন বাস্তবায়নে মোবাইল কোর্ট

ক্যাবল টেলিভিশন নেটওয়ার্ক পরিচালনা আইন বাস্তবায়নে মোবাইল কোর্ট

ডেস্ক রিপোর্টঃ-তথ্যমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগের প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক ড. হাছান মাহমুদ বলেছেন, ‘বিদেশি টিভি চ্যানেলে অবৈধ বিজ্ঞাপন সম্প্রচার ও স্থানীয় ক্যাবল নেটওয়ার্ক সিনেমা ও বিজ্ঞাপন প্রদর্শন বন্ধ করা এবং ক্যাবল নেটওয়ার্কে চ্যানেলের ক্রমে রাষ্ট্রীয় চ্যানেলের পর সম্প্রচারের তারিখ অনুসারে দেশি বেসরকারি চ্যানেলগুলোকে রাখা নিশ্চিত করতে পূর্ব ঘোষণা অনুযায়ী দেশব্যাপী মোবাইল কোর্ট পরিচালনা আজ থেকে শুরু হচ্ছে।’
সোমবার দুপুরে রাজধানীতে সচিবালয়ে তথ্য মন্ত্রণালয়ের সম্মেলন কক্ষে সাংবাদিকদের সঙ্গে মতবিনিময়কালে মন্ত্রী এ ব্যবস্থার কথা জানান। তথ্যসচিব আবদুল মালেক, অতিরিক্ত সচিব নূরুল করিম ও মন্ত্রণালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা এ সময় উপস্থিত ছিলেন।
তথ্যমন্ত্রী বলেন, ‘উল্লিখিত বিষয়ে ক্যাবল টেলিভিশন নেটওয়ার্ক পরিচালনা আইন-২০০৬ মেনে চলা নিশ্চিত করার জন্য মন্ত্রণালয় থেকে ৩০ জুন সময়সীমা বেঁধে দেয়া হয়েছিল। দেশ ও দেশের টেলিভিশন শিল্পের কল্যাণে এ ব্যবস্থা নেয়া হয়েছে, আশা করি সকলে এ বিষয়ে আমাদের সহযোগিতা করবেন। এটা ঠিক যে, বিদেশি টিভি চ্যানেলে বিজ্ঞাপন সম্প্রচার বন্ধে কারিগরি প্রযুক্তিগত বিষয় রয়েছে। কিন্তু সে বিষয় নিরসনের চেষ্টা না করে কেউ অনির্দিষ্টকালের জন্য সময় বরাদ্দ চাইলে তা দেয়া সম্ভব নয়।’
এ সময় সাংবাদিকগণ ‘জাতীয় সংসদ ভবন এলাকার জন্য পাকিস্তানের করা ডিজাইন বাস্তবায়নে সাবেক প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের কবর সরিয়ে নিতে চায় সরকার’- বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য নজরুল ইসলাম খানের এ মন্তব্যের প্রতি তথ্যমন্ত্রীর দৃষ্টি আকর্ষণ করলে ড. হাছান বলেন, ‘লুই কান প্রণীত নকশাটিই বিষয়, কোন আমলে নকশা করা হয়েছে, সেটি বিষয় নয়। সংসদ ভবনও তো পাকিস্তান আমলে তৈরি হয়েছে। তাই বলে সে ভবনে কি বসা যাবে না?’
‘সম্প্রতি মার্কিন কংগ্রেসম্যান ব্রাড শেরম্যান রোহিঙ্গাদের ওপর অমানবিক নির্যাতনের দায়ে মিয়ানমারের রাখাইন প্রদেশকে বাংলাদেশের সঙ্গে যুক্ত করার প্রস্তাব দিয়েছেন এবং কংগ্রেসম্যান এলিয়ট এনজেল মিয়ানমারে মার্কিন সামরিক সহায়তা স্থগিত করার প্রস্তাব দিয়েছেন’- এ বিষয়ে সাংবাদকিদের প্রশ্নের জবাবে তথ্যমন্ত্রী বলেন, 'দু’টি প্রস্তাবই একান্তভাবে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের বিষয়, এ বিষয়ে আমি কোনো মন্তব্য করতে চাই না। তবে একথা সত্য যে, রোহিঙ্গারা মিয়ানমারের নাগরিক। শতশত বছর ধরে তারা সেখানে বসবাস করছে। শুধু মিয়ানমারের সংসদেই তাদের প্রতিনিধিত্ব ছিল না, মন্ত্রিসভাতেও রোহিঙ্গা প্রতিনিধিত্ব ছিল। সেই রোহিঙ্গাদের নাগরিকত্ব অস্বীকার করা যেমন সমীচীন নয়, তেমনি স্পষ্টতই সেখানে মানবতার বিরুদ্ধে অপরাধ সংগঠিত হয়েছে। মার্কিন প্রস্তাবগুলো মিয়ানমারের ওপর চাপ প্রয়োগ করবে, যাতে মিয়ানমার কর্তৃপক্ষ রোহিঙ্গাদের পূর্ণ নাগরিকত্ব স্বীকার করে তাদেরকে দেশে ফিরিয়ে নেয়ার কাজটি দ্রুত সম্পন্ন করে।'

এই বিভাগের আরও খবর

  ডেঙ্গু পরিস্থিতি: আক্রান্ত আরো ১৪৪৬ জন, দুই গৃহবধূর মৃত্যু

  দেশের উন্নয়নে সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি কাজে লাগাতে রাষ্ট্রপতির আহ্বান

  রোহিঙ্গা ইস্যুতে বাংলাদেশ আরও কঠোর অবস্থানে যাচ্ছে-পররাষ্ট্রমন্ত্রী

  ড্রিমলাইনার গাংচিলের উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী

  একুশে আগস্টের হামলায় নিহতদের স্মরণে আওয়ামী লীগের শ্রদ্ধা

  আজ ইতিহাসের ভয়াবহতম গ্রেনেড হামলার ১৫তম বার্ষিকী

  তিস্তার ব্যাপারে প্রতিশ্রুতি আছে-জয়শঙ্কর

  ২২ আগস্ট থেকে রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসন শুরু

  ঘুষ দেওয়া-নেওয়া দুটোই সমান অপরাধ-প্রধানমন্ত্রী

  ২৪ ঘণ্টায় হাসপাতালে ভর্তি ১৪৬০ জন

  ডেঙ্গু আক্রান্তের সংখ্যা ৫০ হাজার, বাড়ি ফিরেছেন ৮৪ শতাংশ

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

আজকের প্রশ্ন

ডেঙ্গুতে মৃত্যুর সংখ্যা নিয়ে বিভ্রান্তির প্রেক্ষাপটে আইইডিসিআরের সাবেক পরিচালক মাহমুদুর রহমান বলছেন, মৃত্যুর ঘটনাগুলো ‘রিভিউ’ করার কোনো প্রয়োজন নেই, চিকিৎসকদের কথাই যথেষ্ট। আপনি কি তাকে সমর্থন করেন?